শুক্রবার, মার্চ ২২, ২০১৯
শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়ন ব্যহত করতে চায় বিএনপি-জামাত :সাবিহা নাহার বেগম
জাতীয় সংসদ সদস্য সাবিহা নাহার বেগম বলেছেন শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়ন সাফল্য দেখে জামাত বিএনপি গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, অপশক্তিরা বিভিন্ন অপকর্মের মাধ্যমে শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়ন ব্যহত করতে চায়। তিনি বলেন, আগামীতে নৌকা মার্কা প্রতীকে ভোট দিয়ে শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি ধারাকে চলমান রাখার আহ্বান জানান। বঙ্গবন্ধু একাডেমি কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মোঃ আনোয়ারুল আজিম আরিফ বলেন, গত ৯ বছরে সরকারের উন্নয়ন ও সাফল্য অনেক হয়েছে। এসব একমাত্র দেশরতœ শেখ হাসিনার পক্ষে সম্ভব হয়েছে কারণ তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা। তিনি বলেন, সরকারের সাফলের পাশাপাশি এখন সারা দেশে মাদক অভিযান চলছে। মাদকের করাল আগ্রাসন থেকে তরুণ যুবকদের বাঁচানোর জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি জনগণকেও ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাদক বিরোধ অভিযানে অগ্রসর হতে হবে। বঙ্গবন্ধু একাডেমি কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ দিদার আশরাফী ও সাংগঠনিক সম্পাদক আলি আহমেদ শাহিনের যৌথ সঞ্চালনায় এতে প্রধান বক্তা ছিলেন চবি’র কলা ও মানব বিদ্যা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সেকান্দর চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন চসিক প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, বিএমএ’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. নাসির উদ্দিন মাহমুদ, উত্তর জেলা মহিলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক এড. বাসন্তী প্রভা পালিত, কাউন্সিলর আবিদা আজাদ, চট্টগ্রাম নাগরিক অধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ সভাপতি লায়ন এ.কে. জাহেদ চৌধুরী, জাসদ নেতা ভানু রঞ্জন চক্রবর্ত্তী, এড. অশোক কুমার দাশ, অধ্যক্ষ ড. মুহাম্মদ সানাউল্লাহ, গীতিকবি লিয়াকত হোসেন খোকন, এড. আশুতোষ দত্ত নান্টু, কবি এহসান মাহমুদ আলম, কবি আরিফ চৌধুরী, নাট্যজন সজল চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা এস.এম. নুরুল আমিন, মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান মিলন, মোঃ সফর আলী, প্রণব রাজ বড়–য়া, নাসির হোসেন জীবন, মুক্তিযোদ্ধা এম এ সালাম, হারুন উর রশিদ, হাজী সিদ্দিক আহমেদ, কাজী আইয়ুব, অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম খান, ডা. দুলাল কান্তি চৌধুরী, মোঃ এজাহারুল হক, রোজি চৌধুরী, সৈয়দ জাহিদ হোসেন, ইউনুছ মিয়া, দিলীপ হোড়, ইর্ঞ্জিনিয়ার সৈয়দুল হক, ব্যাংকার হেদায়ত হোসেন, আবৃত্তি শিল্পী তাহেরা খাতুন, এম বখতেয়ার আহমদ, দীলিপ সেন গুপ্ত, আনিস আহমেদ খোকন, কবি নুর নাহার ইউনুচ নিপা, ডা. আ.ম.ম নুরুল হক, ডা. উত্তম কুমার সরকার, নাদিম উদ্দিন, জামাল উদ্দিন, শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ, মোঃ তিতাস, নবুওয়াত আরা ছিদ্দিকী, মারজান আলো, সেলিনা সেলি, ফারুক হোসেন প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসিনা মহিউদ্দিন এর দুস্থ ও গরিবদের নিয়ে ইফতার
চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসিনা মহিউদ্দিন মাহে রমজান ও সিয়াম সাধনার মাসে দুস্থ ও গরিব ছেলে-মেয়েদের নিয়ে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বলেন, নিত্য প্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির সাথে জড়িতদের কঠোর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন। তিনি আজ বিকেলে মরহুম আলহাজ্ব এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরী’র চশমা হিলস্থ নিজ বাসভবনে ইফতার পূর্ব সংক্ষিপ্ত আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন। আল্লাহপাকের অপার রহমত হিসেবে প্রতি বছর মাহে রমজান আসে। এই মাহে রমজানের রোজাকে সত্যিকার অর্থে পালনের মাধ্যমে একজন মানুষ মুক্তাকী, পরহেজগার তথা সত্যিকার ঈমানদারে পরিণত হয়। বলা বাহুল্য হচ্ছে সত্যিকার ধার্মিক ঈমানদার তারাই যারা জীবনে যে কোন সময়ে অসময়ে আল্লাহ ও রসুল (দ:) এর সন্তুটির জন্য কাজ করে এবং মানবজাতিসহ সমগ্র সৃষ্টি জগতের কল্যাণে ব্রত থাকে। ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের বিলকিস কলিম উল্লাহ চৌধুরী, আয়শা আলম চৌধুরী, শিল্পী আক্তার, সিমিয়ন মাসুদ অয়ন প্রমুখ। মিলাদ মাহফিল পরিচালনা করেন মো: আনিছুল ইসলাম। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
পাঠানপাড়া সমাজে ইফতার মাহফিল সম্পন্ন
গত ০১ জুন ২০১৮ইং রোজ শুক্রবার পাঠানপাড়া সমাজের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভা হাজী আবদুল আলী জামে মসজিদ তৃতীয় তলায় আলহাজ্ব ইদ্রিস মুহাম্মদ নুরুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন আলহাজ্ব হাশেম আলী মিয়া, আলহাজ্ব মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, আলহাজ্ব মুহাম্মদ আজিজুল হক, শ.ম জামাল উদ্দিন, মুহাম্মদ রাজ্জাক খান, আলহাজ্ব জয়নাল আবেদীন, মুহাম্মদ মুসলিম উদ্দিন, এস.কে জামাল উদ্দিন, কে.এম রাকিবুল ইসলাম, মুহাম্মদ ইউনুছ মিয়া, মুহাম্মদ ইউসুফ সওদাগর, এ.জে আজাদ রুবেল প্রমুখ। বক্তারা বলেন, মাহে রমজান আমাদের আত্মশুদ্ধি ও আত্মত্যাগের শিক্ষা দেয়। রমজানে আমরা নিজেদেরকে মহানুভব হওয়া ও মানুষের সেবা করার সুযেগ তৈরি হয়। এই মাসে আমরা ধর্মীয় চর্চা আর নৈতিক চরিত্র অর্জনের ঠিকানা পেয়ে থাকি। সর্বোপরি পবিত্র মাহে রমজানের শিক্ষা গ্রহণ করে আমাদের সকলকে নৈতিক, দেশপ্রেমিক এবং মানবতাবাদী মানুষ হিসেবে মানুষের সেবা করে যেতে হবে। পরিশেষে মিলাদ ও কেয়াম বিশ্ব মুসলমানদের জন্য দোয়া করেন আলহাজ্ব মাওলানা শরিফ মুহাম্মদ সোলায়মান আল হাছানী সাহেব।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রামে ২ জন ভুয়া সাংবাদিক আটক
নগরীর জিইসি মোড়ে শুক্রবার রাত ১০ টায় হকারদের থেকে একাত্তর টিভির নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজি করার সময় দুইজন ভূয়া সাংবাদিককে হাতেনাতে ধরে পুলিশে দিয়েছে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতারা। আটককৃতরা হলেন,মো: রেজাউল হক(৩৬) পিতা:মমিনুল হক,নাহার মন্জিল,সাগরিকা, চট্টগ্রাম। অন্যজন হলেন,জাকির হোসেন(৩০)পিতা:শফিক আলম লেবার কলোনী ফ্রি-পোর্ট,চট্টগ্রাম।এরা দু জনেই ভুইফোড় অনলাইনে কাজ করে বলে জানিয়েছে খুলশি থানা পুলিশ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী,চট্টগাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হাসান ফেরদৌস,শফিক আহমেদ সাজিব প্রমুখ
আমার স্বামী নির্দোষ, কিন্তু র‌্যাব ঠাণ্ডা মাথায় তাকে গুলি করে খুন করেছে
কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর একরামুল হক র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হলেও নিহতের স্ত্রীর দাবি করছেন তার স্বামীকে ঠাণ্ডা মাথায় হত্যা করা হয়েছে। একরামুল নিহত হওয়ার আগে স্ত্রী আয়েশা বেগমের সঙ্গে মোবাইলে কথা হয়েছিল। আয়েশার দাবি, তার স্বামী নির্দোষ, কিন্তু র‌্যাব ঠাণ্ডা মাথায় তাকে গুলি করে খুন করেছে। মোবাইল ফোনে রেকর্ড করা ১৪ মিনিটের একটি কলের অডিও প্রকাশ হয়েছে সামাজিকযোগাযোগ মাধ্যমে, যেখানে একজন নারী তার স্বামীকে কাউন্সিলর হিসেবে উল্লেখ করে তার সঙ্গে কথা বলতে চাইছেন। কিন্তু কিছুক্ষণ পর কয়েকটি গুলির শব্দ শোনা যায়। আরও শোনা যায় সাইরেনের শব্দ। এর মধ্যে কয়েকজনের ‘কুত্তার বাচ্চা’ ‘শুয়রের বাচ্চা’ বলে গালিগালাজও আছে ওই অডিওতে। ধারণা করা হচ্ছে যে নারী ‘আমার জামাই কিছু করে নাই’, ‘আমার জামাই কিছু করে নাই’ চিৎকার করছিলেন, সেটি আশেয়া বেগমের। আর তিনি একরামুলের কথাই বলছিলেন। গত ৩১ মে কক্সবাজারে সংবাদ সম্মেলন করেন একরামুলের স্ত্রী আয়েশা এবং তার দুই কন্যা তাহিয়াত ও নাহিয়ান। তারা সেদিন বলেন, একরামুলেক হত্যা কোনো বন্দুকযুদ্ধ ছিল না। তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে ঠান্ডা মাথায়। সংবাদ সম্মেলনে একরামের স্ত্রী আয়েশা বলেন, সেদিন রাত ১১টা ৩২ মিনিটের পর তার স্বামীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। আর সেটা যে পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছে,মোবাইলের ওই রেকর্ড যাচাই করলেই তা বোঝা যাবে। তিনি দাবি করেন, একরাম ইয়াবার কারবারে জড়িত ছিলেন না। তার ব্যাংক ব্যালেন্স বা সম্পদেও অস্বাভাবিক কিছু নেই। প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করে আয়েশা তার দুই মেয়ের দায়িত্ব নিতে অনুরোধ করেন সরকারপ্রধানকে। ওই সংবাদ সম্মেলনেই একরামুলের স্ত্রী মোবাইল ফোনে কথোপকথনের চারটি রেকর্ড দেন সাংবাদিকদের। আর চারটি রেকর্ড মিলিয়ে মোট ১৪ মিনিটের অডিওটি প্রকাশ করেছে।
মাদক বিরোধী অভিযানে নিরীহ লোক হত্যা ও মিথ্যা মামলায় জরানোর বিষয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন মানবাধিকা
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি ঃ বর্তমানে সারাদেশে মরণ নেশা মাদক বিরোধী অভিযানে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপকে অভিনন্দন ও এই অভিযানে ষড়যন্ত্র মূলক ভাবে নিরীহ মানুষকে হত্যা এবং মিথ্যা মামলায় জরানোর বিষয়ে সংগঠনের পক্ষ হইতে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন মানবাধিকার সংস্থা মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস্ এন্ড জার্নলিস্ট ফাউন্ডেশন (এমজেএফ) এর চট্টগ্রাম কমিটির নেতৃবৃন্দ। গত ১লা জুন সংস্থার কার্যালয়ে সাংগঠনিক সচিব জুয়েল বড়–য়ার সঞ্চালনায় মোঃ লোকমান আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় বক্তাগণ এই প্রতিবাদ জানান,বক্তাগণ বলেন বর্তমান দেশ মাদকের মরণ চোবল থেকে রক্ষা করতে এবং যুব সমাজকে বাঁচাতে সরকার যেই মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করছেন তার জন্য সরকারকে অভিনন্দন জানানো হয় কিন্তু মাদক বিরোধী অভিযানে কিছু অসাধু পুলিশ কর্মকর্তার কারণে নিরীহ মানুষ হত্যা ও মিথ্যা মামলায় জরানোর ঘটনায় উক্ত মানবাধিকার সংস্থার পক্ষ থেকে উদ্যেগ ও তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়।বক্তারা বলেন অভিযানে নিরীহ ব্যক্তিকে হত্যা ও মিথ্যা মামলায় জরানোর ফলে বর্তমান সরকারের ভাবমুর্তী নষ্ট হচ্ছে এবং দেশের মানুষ এর প্রতিবাদ করছেন । বিচার বহিভুত হত্যাকে মানবাধিকার সংস্থা কখনো সমর্থন করে না। এই হত্যা কান্ড বন্ধ করা জরুরী অভিযানের নামে নিরীহ মানুষ হত্যা ও মিথ্যা মামলায় জরানোর বিষয়ে উক্ত সংস্থা বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করে। দোষীদের দৃষ্ঠান্ত মূলক শাস্তি দাবি করেন। উক্ত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেনঃ- শ্রীমৎ স্বামী লক্ষীশ্বরানন্দ গিরি মহারাজ,মোঃ লোকমান আলী,এম এ নুরুন্নবী চৌধুরী,মৃদুল মজুমদার,নূরা বেগম,সাইফুল ইসলাম,জুয়েল বড়–য়া,পল্টু বড়–য়া,মাহাবুবুর রহমান,আবুল খায়ের,নিহার কান্তি দাশ,তছলিম কাদের চৌধুরী,আব্দুল মালেক,মিলি চৌধুরী প্রমুখ।
শীর্ষ সন্ত্রাসী শাহজাহান বন্দুকযুদ্ধে নিহত
চকরিয়ার বরইতলী ইউনিয়নের মাহমুদ নগর পাহাড়ি এলাকার জসিম উদ্দিনের ছেলে মূর্তিমান আতঙ্ক শীর্ষ সন্ত্রাসী শাহজাহান বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছে। শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টায় চকরিয়া ও লামার ফাইতংয়ের শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াবা ব্যবসায়ী ভমিদস্যু শাহজাহান বাহিনীর দুই পক্ষের গোলাগুলিতে শাহজাহান নিহত হয় বলে জানা গেছে। জানা গেছে, চকরিয়া বরইতলী রিজার্ভ এলাকা ও ফাইতং ইউনিয়নে ৪নং ওয়ার্ড, মহেশখালী পাড়া, ধুইল্যাছড়ি, বুড়িচিকনঘোনা এলাকায় চাঁদাবাজি, ভূমিদখল, ইয়াবা ব্যাবসাসহ নানা ধরণের সন্ত্রাসী কাযর্ক্রমের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন শাহজাহান। পুলিশ বলছে, দুই বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলিতে শাহজাহান মারা গেছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি এলজি, দুই রাউন্ড কার্তুজ ও ৪০০ পিস ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। চকরিয়ার বরইতলী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড়স্থ বানিয়ার ছড়ায় এঘটনা ঘটে। নিহত সন্ত্রাসী ওই এলাকার বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ধর্ষণ, অপহরণ, চাঁদাবাজিসহ ১২ টি মামলা রয়েছে। স্থানীয় এলাকাবাসী জানিয়েছে, শাহজাহানের দা বাহিনী নামের একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ রয়েছে। একসময় মুসা কাক্কা এ বাহিনীর প্রধান থাকলেও তিনি গ্রেপ্তার হওয়ার পর শাহজাহান বাহিনীটির প্রধান নিযুক্ত হন। কিন্তুু তার পরিবার বলছে ভিন্নকথা। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নিহত শাহজাহানকে বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ গ্রেপ্তার করে, তারপর থেকে আর কোনো খবর পরিবারের সদস্যরা জানে না। এরপর জানতে পারে বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছে।
চট্টগ্রাম সাংস্কৃতিক মিডিয়া ঐক্য জোটের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
০১ জুন, ২০১৮ইং শুক্রবার চট্টগ্রাম সাংস্কৃতিক মিডিয়া ঐক্য জোটের উদ্যোগে নগরীর মোমিন রোডস্থ স্যফরান রেষ্টুরেন্টে সাংবাদিক সুজিত কুমার দাশের সভাপতিত্বে ও সীমান্ত বড়য়ার সঞ্চালনায় এক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ মাহমুদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত র্ছিলেন, চ্যানেল এসর চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান ওসমান চৌধুরী, নাট্য পরিচালক নুরুল ইসলাম নুরু, গীতিকার লিয়াকত হোসেন খোকন, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সজল চৌধুরী, বিজয় ৭১র সাধারণ সম্পাদক ডা. আর.কে. রুবেল, নারী নেত্রী সৈয়দা শাহানা আরা বেগম, সাংবাদিক ও গীতিকার আবছার উদ্দিন অলি, নাট্য পরিচালক মহসিন চৌধুরী, মৎস্যজীবী লীগ চট্টগ্রাম মহানগরর সাধারণ সম্পাদক শাহেদ হায়দার। উক্ত আলোচনা সভায় সর্বসম্মতিক্রমে গীতিকার ফারুক হাসান সভাপতি ও ফারদীন বাপ্পিকে সাধারণ সম্পাদক করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট তিন মাসের জন্য অস্থায়ী কমিটি ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রোবায়েত হোসেন, আব্দুল মোমেন খান, শেখ নজরুল মাহমুদ, উত্তম কুমার, সেলিম নওশীন, আইয়ুব মাহমুদ, রেজাউল করিম, এস.এম. সরওয়ার, ফয়েজ আহমেদ, মাহমুদ হায়দার জীবন, জনি বড়য়া, এ বি বাকী, শামীম আরেফিন, এম.এ. খান মির্জা, জুনায়েদ হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম সোহেল, বেলাল হোসেন রাজ, আরিফ রহমান, জুলিয়েট, আরিফুল ইসলাম শাওন, বাবুল, মঞ্জুর মোর্শেদ প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
জয়বাংলা শিল্পীগোষ্ঠীর উদ্যোগে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার কৃতিত্বের স্মারক ডি লিট ডিগ্রী অর্জনে আ
জয়বাংলা শিল্পী গোষ্ঠী চট্টগ্রামের উদ্যোগে ০১ জুন ২০১৮ইং শুক্রবার সকালে আন্দরকিল্লাস্থ মোজাহের ভবন (নীচ তলায়) শারদাঞ্জলি ফোরাম কার্যালয়ে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার কৃতিত্বের স্মারক ডি লিট ডিগ্রী অর্জনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ভাস্কর ডি কে দাশ মামুনের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মফিজুর রহমান। উদ্বোধক হিসেবে ছিলেন সাতকানিয়া পৌরসভার মেয়র ও কবি মোহাম্মদ জোবায়ের। আলোকিত অতিথি ছিলেন স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত নেতা ভূপতি ভূষণ মানিক চৌধুরীর সুযোগ্য সন্তান ও আওয়ামী লীগ নেতা দীপংকর চৌধুরী কাজল। প্রধান আলোচক ছিলেন মিডিয়া, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও নাট্য অভিনেতা সজল চৌধুরী। বিশেষ আলোচক ছিলেন বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতা স্মৃতি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো: আবদুর রহিম, শারদাঞ্জলি ফোরাম এর সভাপতি মাস্টার অজিত কুমার শীল, বৃহত্তর চট্টগ্রাম ডেন্টাল এসোসিয়েশনের সভাপতি ডাঃ জামাল উদ্দিন ও জে পি নেত্রী সোমিয়া সালাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জয় বাংলা শিল্পী গোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সজল দাশ। এতে আরো বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ দাশ, শিল্পী কাজল দত্ত, সাংবাদিক কামাল হোসেন, কবি আসিফ ইকবাল, শিল্পী অচিন্ত্য কুমার দাশ, সংগঠক সালাউদ্দিন লিটন, নারী নেত্রী রুমকি সেনগুপ্তা। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন সুজিত চৌধুরী মিন্টু, সুজিত দাশ অপু, শিল্পী সমীরণ পাল, শিল্পী হানিফুল ইসলাম, সাংবাদিক শিমুল রাবেয়া, সংগঠক শিমুল দত্ত, বিমলেন্দু রায়, রতন রাহা, দেবেন্দ্র দাশ দেবু, অশেষ কুমার চৌধুরী, রবি, জুয়েল কান্তি দাশ, রতন ঘোষ, কানুরাম দে, পিয়াস, রতন চক্রবর্ত্তী, শ্রীহরিদাশ, নিতাই ভট্টাচার্য্য, রানা চৌধুরী, মাহবুবুর রহমান, আদ্রিতা চৌধুরী (তিথি) প্রমুখ। প্রধান অতিথি মফিজুর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধু আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন আর তাঁরই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য অবিরাম কাজ করে চলেছেন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হতে চলেছে। আজ বিশ্বের প্রতিটি দেশ তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ। তিনি বিশ্বনেত্রী, মানবতার নেত্রী ও বিশ্বশান্তির অগ্রদূত হিসেবে ইতিহাসের পাতায় তাঁর নাম লিখিয়েছেন। তিনি বিশ্বের একজন সৎ, আদর্শবান ও সাহসী নেত্রী। বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে শেখ হাসিনার অভূতপূর্ব উন্নয়নে আজ বিশ্ববাসী স্তম্ভিত। বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজগুলো শেখ হাসিনা করে চলেছেন বিরতিহীনভাবে। উদ্বোধক মো: জোবায়ের বলেন, রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা সম্প্রতি ভারত থেকে তাঁর কৃতিত্বের স্মারক ডি লিট ডিগ্রী অর্জন করেছেন। এতে বাংলাদেশের মানুষ গর্বিত ও আনন্দিত। তিনি ইতিপূর্বে বিভিন্ন সম্মানজনক পদকে ভূষিত হয়েছেন। তাঁর স্বীয় কাজের জন্য। বক্তারা বলেন, শেখ হাসিনাকে সমর্থন প্রদান করা ও তার হাতকে শক্তিশালী করা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের প্রতিটি দল ও দেশবাসীর প্রয়োজন। জয় বাংলা শিল্পী গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে তাঁর ডি লিট ডিগ্রী অর্জনে অনুষ্ঠানের আয়োজনের জন্য সংগঠনের কর্মকর্তাদের তারা ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। সভার সভাপতি ভাস্কর ডি কে দাশ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ যখন সবদিক দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন চারিদিকে ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। শেখ হাসিনা বাঁচলে দেশ বাঁচবে। সুতরাং তাঁকে বাঁচিয়ে রাখা আমাদের একান্ত দায়িত্ব ও কর্তব্য। প্রেস বিজ্ঞপ্তি