৩ দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক এসএমই মেলা-২০১৭ এর সমাপনী
দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রির আয়োজনে ৩ (তিন) দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক এসএমই মেলা-২০১৭ এর সমাপনী অনুষ্ঠান ১১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের মাঝে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন। চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলমর সভাপতিত্বে এ সময় মেলার স্পন্সর এনসিসি ব্যাংকের এরিয়া চীফ জয়নাল আবেদীন, অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষে বেসিক ব্যাংকের ডিজিএম (হেড অফিস) মরিয়ম বেগম ও জোনাকী বুটিকসর মনিরা মতিন (জোনাকী) বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে মেলা কমিটির সদস্য ও চেম্বার পরিচালকবৃন্দ মোঃ অহীদ সিরাজ চৌধুরী (স্বপন), এম. এ. মোতালেব, মাহবুবুল হক চৌধুরী (বাবর), অঞ্জন শেখর দাশ ও মোঃ আবদুল মান্নান সোহেল, অন্যান্য পরিচালকদের মধ্যে কামাল মোস্তফা চৌধুরী, ছৈয়দ ছগীর আহমদ, সরওয়ার হাসান জামিল, মোঃ রকিবুর রহমান (টুটুল)-সহ অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিনিধিবৃন্দ ও নগরীর বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন বলেন-চিটাগাং চেম্বার ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উদ্যোক্তাদের উন্নয়নে সর্বদা কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া ব্যবসায়ীদের সমস্যা সমাধান, বাস্তবভিত্তিক এবং ব্যবসাবান্ধব নীতিমালা প্রণয়নেও অত্র চেম্বার আন্তরিকভাবে সরকারের সহায়ক হিসেবে ভূমিকা রাখছে। তিনি আরো বলেন-২য় আন্তর্জাতিক এসএমই মেলা-২০১৭ ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের বৃহৎ পরিসরে বিপণনের সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে। তাই এ সুযোগকে কাজে লাগাতে পারলে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের দ্বার উন্মোচন এবং আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে আমাদের ইতিবাচক ধারণার জন্ম হবে। সিটি মেয়র ক্ষুদ্র-মাঝারি-বৃহৎ তথা সম্মিলিত উদ্যোগেই দেশের উন্নতি সম্ভব বলে মনে করেন এবং ব্যবসা প্রসারের ক্ষেত্রে যে কোন সিদ্ধান্তে চিটাগাং চেম্বার এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম ক্ষুদ্র ও মাঝারি থেকেই বড় বড় শিল্পের সৃষ্টি বলে মন্তব্য করেন। তিনি এখাতের উদ্যোক্তাদের উৎসাহিতকরণ, উৎপাদিত পণ্যের প্রদর্শন, সহজ ব্যাংক ঋণ প্রাপ্তিতে সহযোগিতা করা এবং উদ্যোক্তা সৃষ্টিই চিটাগাং চেম্বারের লক্ষ্য বলে উল্লেখ করে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে উৎপাদিত পণ্যের অধিক সমারোহে আগামীতে আরো ব্যাপকভাবে মেলা আয়োজন করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। এছাড়া তিনি অংশগ্রহণকারী সকল ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্য সেবা, চামড়াজাত পণ্য, পোশাক শিল্প, হস্ত ও কুটির শিল্প, প্লাষ্টিক, পর্যটন, স্থাপত্য, খাদ্য প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান, কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত মন্ত্রণালয়াধীন জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টার, সকল দর্শনার্থী, জেলা প্রশাসন, আইন-শৃংখলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সুষ্ঠুভাবে এ মেলা সম্পন্ন করার জন্য চেম্বার কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়ে আগামীতে মেলার সময়সীমা বৃদ্ধির আহবান জানানো হয়। এ আহবানের প্রেক্ষিতে চেম্বার সভাপতি ভবিষ্যতে মেলার সময় বৃদ্ধির ঘোষণা দেন। মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে জেনারেল ক্যাটাগরীতে থ্রিটেক, বিমুর্ত ও কলি বুটিকস এবং প্রাইম ক্যাটাগরীতে আরএফএল প্লাষ্টিক লিঃ, বেসিক ব্যাংক ও এনপলি প্লাষ্টিক লিঃ বেস্ট স্টলের পুরস্কার লাভ করে।Press Release
বিজয় মঞ্চের অনুষ্ঠানে ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বিশ্বের শোষিত মান
মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার বিজয় মঞ্চের স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে ভূমি মন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ এম.পি বলেছেন, বাঙালির মুক্তিযুদ্ধ বিশ্বের নিপীড়িত মুক্তিকামী জনতার প্রেরণা। বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধের সূচনা করে বিশ্ববাসীকে শোষণ থেকে মুক্তির ডাক দিয়েছিলেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলে গেছেন আমি শোষিতের পক্ষে। তাই তাঁর বিরুদ্ধে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির চক্রাত হয়েছিল। তাই সাম্রাজ্যবাদীর এ দেশীয় এজেন্টরা তাঁকে স্বপরিবারে হত্যা করেছিল। এই চক্রাতর বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিকে সংগঠিত করেছেন এবং দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে গিয়ে উন্নয়নের মহাসড়কে উন্নীত করেছেন। আজ সন্ধ্যায় মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মঞ্চে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষনে তিনি একথা বলেন। তিনি আরো বলেন, এদেশকে পেছনের দিকে ঠেলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। এরা একাত্তরের পরাজিত শক্তির প্রেতাত্মা। আমরা জানি কারা এই ষড়যন্ত্র করছে, তাদেরকে অবশ্যই বিচারের কাঠগড়ায় দাড় করানো হবে। তিনি উল্লেখ করেন, মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে প্রজন্ম পরম্পরায় পৌঁছে দিচ্ছে। এর নেতৃত্ব দিচ্ছেন শ্রদ্ধেয় নেতা এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরী। তাঁর প্রতি দেশবাসীর শ্রদ্ধা, ভালবাসা অবশ্যই আছে। তাই তিনি আবার এই চট্টগ্রামবাসীর কাছে তাদের সুখে-দুঃখে থাকবেন। মূখ্য আলোচক কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহিত উল আলম বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাষন শুধুমাত্র রাজনৈতিক বক্তৃতা নয়- এটা বিশ্ব সাহিত্যর মূল্যবান অংশ। ৭ মার্চের ভাষন আমাকে বিশ্বসাহিত্য শ্রষ্টাদের স্মরণ করিয়ে দেয়। তিনি আরো বলেন, একজন শিক্ষক হিসেবে আমি প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থাপনাকে গণমুখী করতে আগ্রহী। গণমুখী শিক্ষা ব্যবস্থাই এদেশকে জঙ্গীবাদ, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত করতে পারে এটাই আমার স্বপ্ন ও সাধনা। বিজয় মেলা পরিষদের কো-চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা অমল মিত্রর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য এডভোকেট ইব্রাহীম হোসেন চৌধুরী বাবুল, আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন বাবুল ও চট্টগ্রাম আইনজীবি সমিতির সভাপতি এডভোকেট রতন কুমার রায় । পরে মঞ্চে আলোচনা সভা শেষে তপন বড়য়ার সঞ্চালনায় উদ্দীপনামূলক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। আগামীকাল মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জনাব ইকবাল সোবহান চৌধুরী।Press Release
স্বামী মহারাজের ইস্কন মন্দির পরিদর্শন
আন্তজার্তিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ ইস্কন সর্বোচ্চ পরিচালনা পরিষদ গর্ভনিং বডি কমিশনের চেয়ারম্যান শ্রীমৎ ভক্তিচারু স্বামী মহারাজ গত ৫ ডিসেম্বর হতে ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশের সিলেট, ঢাকা ও চট্টগ্রাম ইস্কন মন্দির পরিদর্শনে আসেন। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির তত্ত্বাবধানে চট্টগ্রামের হাটহাজারীস্থ পুন্ডরীক ধামে তিনদিন ব্যাপী শ্রবণ উৎসবএ মহান আর্শিবাদক হিসাবে অংশগ্রহণ করে হাজারো ভক্তমন্ডলীর ভগবৎ ভক্তির অমৃত বিতরণ করেন। মহারাজ ভক্তদের সাধনা ও সদাচার, শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভূর লীলা ও জগৎগুরু ইস্কন প্রতিষ্ঠাতা আচার্যের অন্তরঙ্গ মহিমার উপর সেমিনার প্রদান করেন। মহারাজ বলেন, কলিহত বন্ধ দুঃখাক্লিষ্ট জীবদের উদ্ধারে মানষে কলিযুগ পাবন অবতরি শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু কৃপা পরবশ হয়ে এই ধরাধামে অবতরণ করেন। মহাপ্রভুর ভবিষ্যৎ বাণী পৃথিবীতে আছে যত নগরাদি গ্রাম সর্বত্র প্রচার হইবে মোর নাম এই বাণী কে সার্থক করার জন্য তাঁর সেনাপতি ভক্ত শ্রীল প্রভূাদকে প্রেরণ করেন এই ধরাধামে। শ্রীল প্রভুপাদ সারা পৃথিবী ১৪ বার পরিভ্রমণ করে প্রতিটি নগরে কৃষ্ণভক্তি ও মহামন্ত্র প্রচার করেন। তাই প্রভুপাদের কৃপায় ইস্কনের প্রত্যেক শুভানুধ্যায়ী প্রত্যেক ভক্ত এই কার্যক্রমকে সাহায্য ও সহযোগীতার মাধ্যমে মনুষ্য জীবন সার্থক করতে পারবে। শ্রবণ উৎসবে প্রথম দিন শ্রীমৎ ভক্তি চারু স্বামী মহারাজ পুন্ডরিক ধামে শুভ আগমন হলে তাঁকে লাল গালিচা সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। সংবর্ধনা ও তিনদিন ব্যাপী শ্রবণ উৎসবে উপস্থিত ছিলেন ইস্কনের অন্যতম সন্ন্যাসী ও ইস্কন বাংলাদেশের সিনিয়র সহ-সভাপতি শ্রীমৎ ভক্তিপ্রিয়ম গদাধর গোস্বামী মহারাজ, ইস্কন বাংলাদেশের সাবেক সভাপতি কৃষ্ণকীর্তন দাস ব্রহ্মচারী, ইস্কন বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক চারুচন্দ্র দাস ব্রহ্মচারী, পুন্ডরীক বিদ্যানিধি স্মৃতি সংসদের সভাপতি প্রফুল্ল রঞ্জন সিংহ, ইস্কন বাংলাদেশের যুগ্ম সম্পাদক জগৎ গুরু গৌরাঙ্গ দাস ব্রহ্মচারী, কোষাধ্যক্ষ জ্যোতিশ্বর গৌর দাস ব্রহ্মচারী, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সম্পাদক ও পুন্ডরীক ধামের অধ্যক্ষ চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী, সহ সম্পাদক ও নোয়াখালী ইস্কন মন্দিরের অধ্যক্ষ রসপ্রিয় দাস, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ সম্পাদক ও কক্সবাজার ইস্কন মন্দিরের অধ্যক্ষ রাধা গোবিন্দ দাস ব্রহ্মচারী, ফেনী ইসকন মন্দিরের অধ্যক্ষ নিতাই গৌরাঙ্গ দাস, কুমিল্লা ও খাগড়াছড়ি ইস্কন মন্দিরের অধ্যক্ষ সুদর্শন জগন্নাথ দাস ব্রহ্মচারী, চট্টগ্রাম নন্দনকানন ইস্কন মন্দিরের সভাপতি পন্ডিত গদাধর দাস ব্রহ্মচারী, সিলেট হবিগঞ্জ ইস্কন মন্দিরের অধ্যক্ষ ঔদার্য গৌর দাস ব্রহ্মচারী, রাঙ্গামাটি ইস্কন মন্দির অধ্যক্ষ নিতাই নপুর দাস ব্রহ্মচারী, বান্দরবান ইস্কন মন্দির অধ্যক্ষ উজ্জল বর্ণ গৌর দাস, প্রবর্তক শ্রীকৃষ্ণ মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক দারুব্রহ্ম জগন্নাথ দাস ব্রহ্মচারী, ইস্কন প্রর্বতক শ্রীকৃষ্ণ মন্দিরের প্রাক্তন অধ্যক্ষ লীলারাজ গৌর দাস, চাঁদপুর ইস্কন মন্দির অধ্যক্ষ জগদানন্দ পন্ডিত দাস ব্রহ্মচারী, লক্ষ্মীপুর ইস্কন মন্দিরের অধ্যক্ষ সখাবেশ বলরাম দাস ব্রহ্মচারী, ইসকন নন্দনকাননের যুগ্ম সম্পাদক মুকুন্দভক্তি দাস ব্রহ্মচারী, চট্টগ্রাম বিভাগীয় নামহট্ট সম্পাদক শেষরুপ দাস ব্রহ্মচারী, ডা: বিমলা প্রসাদ দাস, ডাঃ বিধান রায় চৌধুরী সহ প্রমুখ। Press Release
বঙ্গবন্ধুই বাঙালি জাতিসত্তার বাতিঘর :ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এম.পি
মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার বিজয় শিখা প্রজ্জ্বলন অনুষ্ঠানে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এম.পি বলেছেন, বঙ্গবন্ধুই বাঙালি জাতিসত্তার বাতিঘর। ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ১৯ মিনিটের ভাষণে স্বাধীনতার দিক-নির্দেশনা দিয়েছিলেন। এই ইতিহাসকে যারা বিকৃত করেছে তাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাই একমাত্র হাতিয়ার। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি বলেন, আমরা এখনো দেশকে রাজাকার-আলবদর মুক্ত করতে পারিনি। তবে বঙ্গবন্ধুর খুনী ও যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দড়িতে ঝুলানো হয়েছে। আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় গেলে তাদের নির্মূল করা হবে। তিনি দেশের চলমান উন্নয়ন চিত্র বর্ণনা করে বলেন, বাংলাদেশে খাদ্য ঘাটতি নেই, বিদ্যুৎ উৎপাদন রেকর্ড মানে উন্নীত হয়েছে। পদ্মা সেতু নির্মাণে বিশ্ব ব্যাংক দুর্নীতির গন্ধ পেয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন বিশ্বব্যাংকের টাকার দরকার নেই। আজ পদ্মা সেতুর কাঠামো দৃশ্যমান। বিজয় মেলার অঙ্গীকার হোক আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকুক বারবার। মূখ্য আলোচক নাট্যজন নাসির উদ্দিন ইউসুফ বলেন, একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে উপলব্ধি করি নতুন প্রজন্ম এখনো পরিশুদ্ধ নয়। তা না হলে ভবিষ্যত ধ্বংস হয়ে যাবে। মনে রাখতে হবে এই নতুন প্রজন্মকে ধ্বংস করার পরিকল্পিত প্রক্রিয়া চলছে। এর বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। বিজয় মেলা পরিষদের কো-চেয়ারম্যান আলহাজ্ব বদিউল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ভেটেরিনারী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য গৌতম বুদ্ধ দাশ। মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের ঘোষণা পত্র- ২০১৭ পাঠ করেন মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউনুছ। এছাড়া মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিষ্টার মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, চবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীন আখতার, জাসদ কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ইন্দু নন্দন দত্ত, বিজয় মেলার মহাসচিব আহমেদুর রহমান ছিদ্দিকী, মহাসচিব (অর্থ) পান্টু লাল সাহা। পরে মঞ্চে আলোচনা সভা শেষে তপন বড়য়ার সঞ্চালনায় উদ্দীপনামূলক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। আগামীকাল মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন মাননীয় ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ এম.পি।
ছদাহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মা সমাবেশ
সাতকানিয়া উপজেলার ছদাহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য ও আল্লামা ফজলুল্লাহ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচারক বিশিষ্ট নারী নেত্রী রিজিয়া রেজা চৌধুরী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ মুক্ত অসাম্প্রদায়িক একটি উন্নত ও প্রগতিশীল রাষ্ট্র গড়তে মায়েরা সবচেয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে। আদর্শ শিক্ষিত মা ব্যতিত প্রশিক্ষিত জাতি গড়া অসম্ভব। তিনি বলেন, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদকাসক্তির করালগ্রাসে করাল গ্রাসে নিপতিত জাতির কর্ণধার যুব সমাজ। এই অবস্থা থেকে যুব সমাজকে ফিরিয়ে আনতে না পারলে জাতির ভবিষ্যত অন্ধকার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ফয়েজ আহমদ লিটন, ছদাহা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোসাদ হোসেন চৌধুরী। সভাপতিত্ব বক্তব্য রাখেন স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি আজাদ হোসেন চৌধুরী। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,নারী নেত্রী নার্গিস আক্তার মুন্নি,সম্পা দেবী সোমা, রেহানা আক্তার, হামিদা বেগম, তাঁতী লীগের সভাপতি সোহাব হোসেন মিন্টু, সাধারন সম্পাদক মোহম্মদ বেলাল,ছদাহা ইউনিয়ের যুবলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিম জয়,নজরুল ইসলাম মেম্বার, আহম্মদ কবির মেম্বার, ছাত্রলীগ নেতা মোহাম্মদ ইদ্রিস, আব্দুল মান্নান, সজল, সৌহান, ইমরান, ফরহাদ প্রমুখ।Press Release
মানবাধীকার রক্ষায় সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান :মোঃ নাসির উদ্দিন চৌধুরী
জিয়া উদ্দিন কাদের, চট্টগ্রাম :বিশ্ব মানবাধীকার দিবস উপলক্ষে মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস এন্ড জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন (এম.জে.এফ) এর চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগর কমিটির চেয়ারম্যান মোঃ লোকমান আলির সভাপতিত্তে ও মোঃ জিয়া উদ্দিন কাদের এর সঞ্চলনায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্থার কেন্দ্রীয় যুগ্ন মহাসচিব ও চট্টগ্রাম জেলার চেয়ারম্যান সংবাদিক মোঃ নাছির উদ্দিন চৌধুরী। প্রধান অতিথির ব্যক্তব্যে সাংবাদিক মোঃ নাছির উদ্দিন চৌধুরী বলেন বর্তমান সরকারের বিভিন্ন কল্যান মূখি কাজের মাধ্যমে সারা বিশ্বে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মানবাধীকার নেত্রী হিসেবে স্বিকৃতি পেয়েছেন। মানবাধীকার রক্ষায় সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। উক্ত সভার সভাপতি মহানগর চেয়ারম্যান মোঃ লোকমান আলী বলেন দেশে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন চলমান রাখতে এবং মানবাধীকার উন্নয়নে বর্তমান সরকারেকে আগামী নির্বাচনে জয়যুক্ত করার জন্য অত্র সংস্থার সকল সদস্যকে কাজ করতে হবে। এতে আরো বক্তব্য রাখেন সংস্থার জেলা কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান এম.এ. হক চৌধুরী রানা, উত্তর জেলার চেয়ারম্যান মেঃ নূরনবী চৌধুরী, মহানগর মহাসচিব মৃদুল মজুমদার, মহিলা বিষয়ক সচিব মিলি চৌধূরী, সাংগঠনিক সচিব মোঃ তছলিম কাদের চৌধুরী, সিনিয়র ভাইস চেয়াম্যান মোঃ জিয়া উদ্দিন কাদের। উক্ত সভায় উস্থিত ছিলেন- নিহার কান্তি দাশ, লিটন আচার্য্য, বিজয় রঞ্জন পাল, মোঃ ফয়েজ, লায়ন ইমতিয়াজ চৌধূরী, গোলাম রহমান বাবু এম.জেট. আজম, বাবলু বড়য়া, সুজন আচার্য্য প্রমুখ, ।
দেশের অবকাঠামো নির্মাণে প্রকৌশলীদের আরো দায়িত্বশীল হতে হবে :গণপূর্তমন্ত্রী
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এম.পি বলেছেন, দেশের অবকাঠামো নির্মাণে প্রকৌশলীদের আরো দায়িত্বশীল হতে হবে। মানসম্পন্ন স্থাপত্য কাজ একমাত্র পিডব্লিউ করতে পারে। সবচেয়ে ভালো কাজ করে প্রামণ করতে সমর্থ হলে যে কোন প্রতিষ্ঠান অনায়াসে আপনাদের দিয়েই স্থাপত্য কাজ করতে চাইবে। অদ্য ৯ ডিসেম্বর শনিবার সকাল ১০ টায় বাংলাদেশ পিডব্লিউডি ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতি (বাপিডিপ্রকৌস) চট্টগ্রাম জেলা কমিটি উদ্যোগে চট্টগ্রাম বিভাগীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, সিটি কর্পারেশন ফুটপাত মুক্ত করেছে। কিন্তু রাস্তার অবস্থা কি তা দেখেনা। নিজস্ব স্টাইলে সিটি কর্পোরেশন চলছে। সিটি কর্পোরেশন নগর হোক এটা চায়না। পার্ক হোক এটা চায়না। ঢাকা সিটি কর্পোরেশন উত্তর খুব কম সময়ের মধ্যে ক্লিন সিটি করতে সকলের সহযোগিতা নিয়ে বাস্তবায়নে সক্ষম হয়েছে। প্রকৌশলী মো. আব্দুস সামাদের সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশৈলী মো. আব্দুল হাই , সহ-সভাপতি চট্টগ্রাম অংশের জাফর আহমেদ সাদেক, সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর, চট্টগ্রাম জেলার সহ-সভাপতি মো. তৌফিকুর রহমান প্রমূখ।
পাঁচলাইশ ৩নং ওয়ার্ড মহল্লা সর্দার সমন্বয় পরিষদ ও লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল এর যৌথ উদ্যোগে এক
পাঁচলাইশ ৩নং ওয়ার্ড মহল্লা সর্দার সমন্বয় পরিষদ ও লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল এর যৌথ উদ্যোগে এক ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। চিকিৎসা ক্যাম্প পরবর্তী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লায়ন্স ক্লাব জেলা গভর্নর মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু। বিশেষ অতিথি ছিলেন দানবীর সমাজসেবক আলহাজ্ব মো: এমরান, সংগঠনের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব মো: ইউসুফ, এম.এ. কুদ্দুস, আবুল হাশেম। সংগঠনের সভাপতি মো: জাহাঙ্গীর আলম’র সভাপতিত্ব আরো বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি মো: আব্বাস উদ্দিন, হাজী ইউনুচ, যুগ্ম সম্পাদক মো: নিজাম উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক মো: ইসমাইল, সাংগঠনিক সম্পাদক এস.এম. আবুল কাশেম, মো: ইব্রাহীম, আবদুল কাদের সর্দার, আবদুল করিম খোকন, প্রচার সম্পাদক মো: আবছার, মো: মহসেন আলী, মো: আনোয়ার হোসেন, আবদুল জব্বার, আব্দুর শুক্কুর পাঁচলাইশী, মো: ওসমান, মো: শাকিল মাহমুদ, এম.এস গণি, শামসুল আলম সর্দার, সুলতান সর্দার, ডা: সৈয়দুল হক, সাইফুদ্দিন কবির প্রমুখ। প্রধান অতিথি বলেন, আজকের এই মহৎ কাজে আপনাদের মতো সংগটন সম্পৃক্ত হয়ে গরীব দুঃখী মানুষের যে ভাবে পার্শ্বে দাঁড়িয়েছেন তা সত্যিই প্রশংসনীয়। লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল সব সময় আপনাদের পার্শ্বে থাকবে সাধারণ মানুষের পক্ষে কাজ করার জন্য। তিনি উল্লেখ করেন আজকে চক্ষু চিকিৎসায় ৩৫০জন, খৎনায় ৪০জন, ব্লাড গ্রুপিং-এ ৩০০জন, বিভিন্ন চিকিৎসায় ৪০০ জন সহ সর্বমোট ১১০০ শত মানুষ চিকিৎসা নেওয়াতে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এই চিকিৎসা ক্যাম্প চালু রাখার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বিশ্বজনীন মানবাধিকার মানব সভ্যতার সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন :আমিনুল হক বাবু
আগামীকাল ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘ ঘোষিত ৬৯ তম বিশ্ব মানবাধিকার দিবস। ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের উদ্যোগে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে জাতিসংঘ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সর্বসম্মতিক্রমে মানবাধিকারের শ্রেষ্ঠ সনদ সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা গৃহিত হয়। চট্টগ্রামে দিবসটি উদ্যাপনকল্পে বিভিন্ন কর্মসূচি অবহিতকরণ ও মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে অদ্য ৯ ডিসেম্বর ১৭ দুপুরে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন, বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের উদ্যোগে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের বিশেষ প্রতিনিধি ও বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের সভাপতি, মানবাধিকার কর্মী আমিনুল হক বাবু। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন, বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের কার্যনির্বাহী সভাপতি সাগর দোভাষ, সহ-সভাপতিবৃন্দ আসাদুজ্জামান খান, তানভীর শাহরিয়ার রিমন, মঞ্জুরুল হক, নওশাদ চৌধুরী মিটু, যুগ্ম সম্পাদক মাসুদ পারভেজ, সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী কে.এন এম রিয়াদ, নোমান উল্লাহ বাহার, অর্থ সম্পাদক শেখ ওয়ালিদ হাসান, ডা. দীপক কান্তি বড়য়া, শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী, আবদুর রউফ, আদনানুল ইসলাম, হাজী চান্দু মিয়া, কাইয়ুমুর রশীদ বাবু প্রমুখ। লিখিত বক্তব্যে আমিনুল হক বাবু বলেন, মানুষকে মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার জন্য যে সকল অধিকার দরকার তাই মানবাধিকার। মানবাধিকার মানুষের বেঁচে থাকার জন্য এবং সামাজিক জীব হিসেবে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে অপরিহার্য। অপ্রিয় হলেও সত্য যে, মানবাধিকার বিষয়টি কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ কিন্তু বাস্তবায়নের চিত্র ভিন্ন। দূর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, ন্যায় বিচারের সংকট, সুশাসনের অভাব, বিভিন্নমূখী অত্যাচার নিপীড়ন চলছে পৃথিবীজুড়ে। মানবাধিকার লংঘন চলছে প্রতিনিয়ত। ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব ড. সাইফুল ইসলাম দিলদারের সুযোগ্য নেতৃত্বে মানবাধিকার উন্নয়ন, সংরক্ষণ, সর্বস্তরে শান্তি প্রতিষ্ঠা, আইনের শাসন বাস্তবায়নে নিবেদিত একটি অরাজনৈতিক, স্বেচ্ছাসেবী, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় অঙ্গিকারবদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন এর যাত্রা শুরু করে। আমরা বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন, বৃৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চল এতদঞ্চলে মানবাধিকার সুরক্ষায় অসহায় মানুষদের বিনা মুল্যে আইনগত সহায়তা, প্রশাসনের মাধ্যমে মানবাধিকার লংঘন রোধ, দূর্যোগকালীন সময়ে দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানো, শরণার্থীদের সহায়তা, শিক্ষার্থী নির্যাতন প্রতিরোধে ভূমিকা, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে বিভিন্ন পদক্ষেপ, স্বাবলম্বীতা আনয়নে কার্যকর সহায়তাসহ মানবাধিকার বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরীতে বহুমাত্রিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন, বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের কর্মকান্ডের কিছু সংক্ষিপ্ত বিবরণ আপনাদের জ্ঞাতার্থে তুলে ধরছি। সাড়া জাগানো ৬ বছরের শেকলবন্দী মাধবীর নির্মমতার চিত্র ও মুক্তির আকাঙ্খা এবং পরিবারের অসহায়ত্ব থেকে পরিত্রাণে আমাদের সক্রিয় প্রচেষ্টায় তার শেকলবন্দীত্ব থেকে মুক্তি, তার সুচিকিৎসার ব্যবস্থা প্রদান, পরিবারের অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা আনয়নে রিক্সা প্রদান সহ বিভিন্ন সহায়তায় মাধবী সুস্থ ও মুক্ত জীবনে পদার্পণ করে। চট্টগ্রাম নগরীর ইপিজেড থানা এলাকার মানসিক ভারসাম্যহীন তরুণী বিলকিসকে আমরা দুই বছরাধীন শেকলবন্দীত্ব থেকে মুক্তি প্রদান সহ সুুুুচিকিৎসার ব্যবস্থার ফলে সে আজ সুস্থ ও সবল জীবন যাপন করছে। বাংলাদেশের অন্যতম আলোচিত ঘটনা চট্টগ্রামের মেহেদীবাগে শিশু গৃহকর্মী রিমাকে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম থেকে মুক্তিপূর্বক মানবিক সহায়তা সমেত তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এছাড়াও, পটিয়ায় ধর্ষণের শিকার অসহায় নারীকে আইনি সহায়তা প্রদান, আনোয়ারায় খোকন কান্তি দাশের শিশু কন্যাকে ধর্ষণের আসামীকে গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি নিশ্চিতে আইনি সহায়তা প্রদান। ফটিকছড়ির ক্যান্সার আক্রান্ত ৪ বছর বয়সী ফাহমিদার চিকিৎসার ক্ষেত্রে সহায়তা সহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্কুল শিক্ষার্থীদের প্রতি নির্যাতন প্রতিরোধে প্রতিবাদ সহ নানামূখী মানবাধিকার কর্মযজ্ঞ পালন করেছি। সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বের অন্যতম মানবাধিকার সংকট রোহিঙ্গাদের সহায়তায় আমরা প্রাথমিক পর্যায়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গুলিবিদ্ধদের চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তা, পরবর্তীতে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে ফ্রি ঔষধসহ মেডিকেল ক্যাম্প, পুষ্টিকর খাদ্য বিতরণ সহ নানাবিধ মানবিক কর্মকান্ড পরিচালনা করি। সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ মানবাধিকার দিবস উদযাপনে কয়েকটি কর্মসূচির ঘোষণা করেন। কর্মসূচি সমূহ হচ্ছে- ১০ ডিসেম্বর বিকাল ৩.০০ টায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন, বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চল, চট্টগ্রাম মহানগর ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন শাখার সম্মিলিত উদ্যোগে মানবাধিকার সমাবেশ ও শোভাযাত্রা চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব চত্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে, ১২ ডিসেম্বর ফ্রি ব্লাড গ্রুপিং নির্ণয় ও রক্ত দান কর্মসূচী। ১৪ ডিসেম্বর অসহায় শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ, ১৬ ডিসেম্বর হতে পর্যায়ক্রমে ৫০ জন অসহায় ছানি রোগীদের ফ্রি অপারেশনের ব্যবস্থা করা প্রভৃতি।প্রেস বিজ্ঞপ্তি

সারা দেশ পাতার আরো খবর