শনিবার, জুলাই ২০, ২০১৯
গৃহবধূকে ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ, আটক ২
১৫মে,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলায় এক গৃহবধূকে ধর্ষণ ও সে দৃশ্যের ভিডিওচিত্র ধারণের অভিযোগে দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। শ্রীপুর থানার ওসি মাহবুবর রহমান জানান, গত মঙ্গলবার রাতে ধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধূ নিজে বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। আসামিরা হলেন শ্রীপুরের বরিষাট গ্রামের আজিজুর রজমান ছেলে আনিসুর রহমান (৩২) ও সাজ্জাদ হোসেনের ছেলে রবিউল ইসলাম (২৭)। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ওই গৃহবধূ মঙ্গলবার সকালে শ্বশুরবাড়ি থেকে ফরিদপুরে বাবার বাড়ি যাচ্ছিলেন। শ্রীপুর উপজেলা শহরের অদূরে বরিষাট গ্রামে নির্জন স্থানে পৌঁছালে ওই দুইজন তার গলার চেইন ছিনিয়ে নেয়। তারপর তার মুখ চেপে ধরে আনিসুর তাকে ধর্ষণ করে আর রবিউল সে দৃশ্য মোবাইল ফোনে ভিডিও করে। এসময় গৃহবধূ চিৎকার করলে, আশেপাশের লোকজন গিয়ে দুইজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। লোকলজ্জার ভয়ে প্রথমে ধর্ষিতা গৃহবধূ থানায় অভিযোগ করেনি। পরে রাত ৮টার দিকে পুলিশ তাকে অভয় দিলে, মামলা করতে রাজি হয় সে। এবং মঙ্গলবার রাতেই শ্রীপুর থানায় এ ঘটনায় ধর্ষন ও পর্ণগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ সুপার খান মুহাম্মদ রেজোয়ান বলেন, মামলার পর বুধবার পুলিশ তার ডাক্তারি পরীক্ষার ব্যবস্থা করে। অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
অস্ত্রের মুখে কিশোরীকে গণধর্ষণ, চার যুবক গ্রেপ্তার
১৫মে,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কমবরিশালের মুলাদী উপজেলায় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে এক কিশোরীকে(১৫) তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে চার যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- ঘোষেরচর এলাকার মো. আদারি খানের ছেলে নজরুল ইসলাম (৩১), জালালপুর গ্রামের দেলোয়ার খানের ছেলে ফয়সাল খান (১৮), হযরত আলী সরদারের ছেলে রনি সরদার (২৪) এবং পশ্চিম তেরচর গ্রামের বজলু সিকদারের ছেলে রাব্বী সিকদার (১৮)। গণধর্ষণের শিকার কিশোরীর স্বজনরা জানান, উপজেলার সদর ইউনিয়নের দড়িচর গ্রামের ওই কিশোরী সোমবার সকালে পাইতিখোলা এলাকায় মামা বাড়িতে বেড়াতে যায়। পূর্ব-পরিচয়ের সূত্র ধরে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের ঘোষেরচর গ্রামের আদারি খানের ছেলে ইজিবাইক চালক নজরুল ইসলাম খান কথা আছে বলে ওই কিশোরীকে ইজিবাইকে ওঠায়। পরে সহযোগীদের নিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে কিশোরীকে পাশের ইউনিয়নের জালালপুর গ্রামের রহিম ক্বারীর কলাবাগানে নিয়ে যায়। সেখানে তার সহযোগী ফয়সাল খান, রাব্বী সিকদার, রনি সরদার ওই কিশোলীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। রাত সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয়রা ওই কিশোরীর চিৎকার শুনে তিন ধর্ষককে আটক করে। সেই সঙ্গে কিশোরীকে উদ্ধার করে স্থানীয় দফাদার আবু হানিফ ও চৌকিদার আমিনুল ইসলামের হাতে তুলে দেয়। দফাদার ও চৌকাদার ধর্ষকদের কাছ থেকে মুচলেকা রেখে তাদের ছেড়ে দেয় এবং কিশোরীকে তাদের জিম্মায় রেখে থানায় সংবাদ দেয়। মুলাদী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল আহসান বলেন, মঙ্গলবার সকালে খবর পেয়ে মুলাদী থানা পুলিশ জালালপুর গ্রামে পৌঁছে গণধর্ষণের শিকার কিশোরীকে উদ্ধার করে। এরপর সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত মুলাদী থানা পুলিশ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের অভিযান চালিয়ে গণধর্ষণের সঙ্গে জড়িত চার যুবককে গ্রেপ্তার করে। এদিকে, সংবাদ পেয়ে বরিশাল জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাইমুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং ধর্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।
পাচারের সময় নারী ও শিশুসহ ৩৪ রোহিঙ্গাকে উদ্ধার
১৫মে,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:সাগরপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের চেষ্টার সময় কক্সবাজার থেকে নারী ও শিশুসহ ৩৪ রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার মধ্যরাতে কক্সবাজার শহরের দরিয়ানগর বড়ছড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করা হয় বলে সদর থানার ওসি ফরিদ উদ্দিন খোন্দকার জানান।উদ্ধার রোহিঙ্গাদের মধ্যে ১১ জন পুরুষ, ১৫ জন নারী এবং আটজন শিশু বলে জানান ওসি। তিনি বলেন, সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দ্যেশ্যে একদল লোককে জড়ো করার খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল রাতে সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দালাল চক্রের লোকজন সটকে পড়ে বলে জানান ওসি।তিনি বলেন, সম্প্রতি সক্রিয় হয়ে উঠা সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্র উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন শরণার্থী ক্যাম্প থেকে এই রোহিঙ্গাদের নিয়ে পাচারের উদ্দ্যেশ্যে জড়ো করছিল।উদ্ধার হওয়া রোহিঙ্গাদের আপাতত থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। পরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তাদের নিজ নিজ ক্যাম্পে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে বলে পুলিশ কর্মকর্তারা জানান।
গৃহবধূকে খুন করার পর ২ বছরের শিশুকেও খুন
১৫মে,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলায় বাড়িতে ঢুকে গৃহবধূকে খুন করার পর তাঁর প্রতিবন্ধী সন্তানকে বাড়ির পাশের ডোবায় ফেলে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল মঙ্গলবার রাতে উপজেলার বাঁশিলা উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন বাঁশিলা উত্তরপাড়া গ্রামের প্রবাসী গার্মেন্টস কর্মী মাহামুল ইসলাম মুন্নার স্ত্রী হালিমা আক্তার শারমিন ও তাঁর ছেলে আবদুল্লাহ (২)। পুলিশ জানায়, গতকাল রাতে বাঁশিলা উত্তরপাড়া গ্রামের প্রবাসী গার্মেন্টস কর্মী মুন্নার বাড়িতে হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এ সময় তারা বাড়ির অন্য ঘরের দরজা শেকল দিয়ে আটকে দেয়, যেন কেউ বের হতে না পারে। পরে ঘরে ঢুকে মুন্নার স্ত্রী শারমিনকে শ্বাসরোধে হত্যার পর প্রতিবন্ধী ছেলে আবদুল্লাহকে বাড়ির পাশের ডোবায় ফেলে দেয়। পরে আজ সকালে প্রতিবেশীদের কাছে খবর পেয়ে স্বজনরা শারমিন ও তাঁর ছেলে আবদুল্লাহর লাশ দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের লাশ উদ্ধার করে। এ সময় শারমিনের ঘরটি তছনছ অবস্থায় পাওয়া যায়। কারা কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা ময়নাতদন্তসহ অনুসন্ধানের মাধ্যমে জানা যাবে বলে জানিয়েছেন নলডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুর রহমান। কয়েক দিন ধরে এ এলাকায় অন্তত সাতটি বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীর বিয়ে ঠেকালো ইউএনও, বরসহ আটক তিন
১৪মে,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্কুলপড়ুয়া কিশোরীকে জোর করে বিয়ে দেয়ার সব আয়োজনই সম্পন্ন করে মেয়ের মা-মামা। মেয়ের কোনো আবদারই শুনতে চায়নি পরিবার। মেয়ের আবদার উপেক্ষা করে বিয়ের সব আয়োজনও প্রস্তুত। বরও এসে হাজির। এমন সময় কনের বাড়িতে পুলিশ নিয়ে হাজির হন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। ফলে বাল্য বিয়ের হাত থেকে রেহাই মিলে কিশোরী কলির। আটক করা হয় বরসহ তিনজনকে। সোমবার রাতে রাঙামাটি শহরের রিজার্ভ বাজারস্থ ২নং পাথরঘাটায় এই ঘটনা ঘটে। জানা যায়, শহীদ আবদুল আলী একাডেমির অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী কলি আকতারের সাথে বনরূপার আবদুল আলীর ছেলে দীন ইসলামের সাথে বিয়ের দিন তারিখ ঠিক করা হয়। কিন্তু কনে কলি পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়ার কথা বলে অভিভাবকদের বারবার বিয়ে না দেয়ার অনুরোধ করে। কিন্তু তার কথায় গুরুত্ব না দিয়ে কলির মা নাজমা আকতার ও মামা সেলিম বরপক্ষের সাথে কথাবার্তা বলে সবকিছু ঠিক করে। সোমবার রাতেই বিয়ের সব আয়োজন করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বিয়ে বন্ধ করা হয়। ১ ও ২নং ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত নিকাহ রেজিস্ট্রার কাজী এম এ মুস্তফা হেজাজী জানান, মদন নামের একজন তাঁকে সকালে ফোন করে একটি বিয়ে পড়ানোর কথা বলেন। তখন তিনি মেয়ের বয়স ঠিক আছে কিনা, জন্ম নিবন্ধন আছে কিনা জানতে চান। জবাবে মদন বলেন, সব ঠিক আছে। কাগজপত্র ঠিক না থাকলে এবং মেয়ের বয়স ১৮বছর পূর্ণ না হলে বিয়ে রেজিস্ট্রি করবেন না বলে কাজী জানান। এশার নামাজের পর মদন কাজী সাহেবকে ফোন করে জানান, জন্ম নিবন্ধনের কাগজ এখনো হাতে এসে পৌঁছায়নি। তাই একটু দেরী হচ্ছে। কাগজ হাতে আসলে কাজীকে ফোন করবেন বলে জানান। রাঙামাটি সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জোনায়েদ কবির সোহাগ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাল্য বিয়ের সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি কনের অমতে এই বিয়ের আয়োজন করা হয়। তাছাড়া মেয়ের বয়স এখনও ১৮ হয়নি। বিয়ে আয়োজনের সাথে সম্পৃক্ত মেয়ের মামা মো. সেলিম, বর দীন ইসলাম ও বরের বাবাকে আটক করে থানা হাজতে পাঠানো হয়েছে। জেলা প্রশাসক এ কে এম মামুনুর রশিদ জানান, বাল্য বিয়ের মতো অপরাধের সঙ্গে যারা জড়িত থাকবে, তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।-আরটিভি
কক্সবাজারে দুই রোহিঙ্গা মানবপাচারকারী সহ বন্দুকযুদ্ধে নিহত ৩
১৪মে,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজার ও টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে দুই রোহিঙ্গা মানবপাচারকারী সহ এক ইয়াবা ব্যবাসায়ী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ভোর রাতে বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন শামলাপুর মেরিনড্রাইভ ও কক্সবাজার কাটাপাহাড় এলাকায় এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। নিহত রোহিঙ্গারা হলেন- শামলাপুর ২৩ নম্বর ক্যাম্পের আব্দুর রহিমের ছেলে আজিম উল্লাহ (২০) ও উখিয়ার জামতলী ১৫ নম্বর ক্যাম্পের মৃত রহিম আলীর ছেলে আব্দুস সালাম (৫২)। পুলিশ জানিয়েছে, নিহত দুজন রোহিঙ্গাই মানবপাচারকারী চক্রের সদস্য। তাদের কাছ থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় পুলিশের চার সদস্য আহত হয়েছেন। তারা হলেন এএসআই জহিরুল ইসলাম,কনস্টেবল মোবারক হোসেন, খায়রুল ও মানিক মিয়া। টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ জানিয়েছেন, মঙ্গলবার ভোর রাতে কতিপয় দালাল বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন শামলাপুর মেরিনড্রাইভ এলাকায় পাচারের উদ্দেশে রোহিঙ্গাদের জড়ো করছিল। খবর পেয়ে টেকনাফ পুলিশের একটি দল তাৎক্ষণিক অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। ওসি আরও জানান, নিহতরা রোহিঙ্গা দীর্ঘদিন ধরে মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত। এদিকে কক্সবাজার শহরের পাহাড়তলি এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও ইয়াবা ব্যবসায়ী ছৈয়দুল মোস্তফা প্রকাশ ভুলু বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার দিনগত রাত আড়াইটার দিকে কক্সবাজার শহরের কাটা পাহাড় এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় ৪০০ পিস ইয়াবা, একটি এলজি, দুই রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও ছয়টি খালি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। ছৈয়দুল মোস্তফা প্রকাশ ভুলু কক্সবাজার শহরের পাহাড়তলী এলাকার জহির হাজির ছেলে। তার বিরুদ্ধে মাদক, অস্ত্রসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফরিদ উদ্দিন খন্দকার জানিয়েছেন, শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ইয়াবা ব্যবসায়ী ছৈয়দুল মোস্তফা প্রকাশ ভুলুকে নিয়ে কাটাপাহাড়ে অস্ত্র উদ্ধারে গেলে তার বাহিনীর সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে সে গুলিবিদ্ধ হয়। হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
দরজা ভেঙে বের করা হলো মা-মেয়ে-ছেলের অর্ধগলিত লাশ
১৩মে,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর উত্তরখানের ময়নারটেক এলাকার একটি বাসা থেকে মা, ছেলে ও মেয়ের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার রাত আটটার পরে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা লাশের মধ্যে মায়ের নাম জাহানারা খাতুন ওরফে মুক্তা (৪৮), ছেলে কাজী মুহিব হাসান (২৭) এবং মেয়ের নাম মীম (১৯)। ঢাকা মহানগর পুলিশের উত্তরা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) নাবিদ কামাল শৈবাল বলেন, রোববার রাত ৮টার দিকে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ উত্তরখানের ময়নারটেক এলাকার ওই বাসায় যায়। নাবিদ কামাল শৈবাল বলেন, ভেতর থেকে দরজা আটকানো ছিল। দরজা ভেঙে তিনজনের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। কীভাবে তাদের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। একই পরিবারের তিন জনের মৃত্যুটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন: এখনো এ বিষয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না। কারণ তাদের ঘরের ভেতর ছিটকিনি দেয়া অবস্থায় পাওয়া যায়। মনে হচ্ছে তিন-চারদিন আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত বোঝা যাবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার নুরুর
১২মে,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:কিশোরগঞ্জে চলন্ত বাসে নার্স শাহিনুর আক্তার তানিয়াকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার করেছে স্বর্ণলতা বাসের চালক নূরুজ্জামান নুরু। শনিবার (১১ মে) রাতে তাকে কিশোরগঞ্জ আদালতে হাজির করা হলে তিনি তানিয়াকে ধর্ষণ ও হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।রোববার (১২ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে গণমাধ্যমকর্মীদের এ তথ্য জানান।রোববার (১২ মে) দুপুর আড়াইটার দিকে কিশোরগঞ্জ পুলিশ অফিসে এ নিয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।এর আগে বুধবার (৮ মে) বিকেল ৩টার দিকে কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আল-মামুন রিমান্ড শুনানি শেষে পাঁচ আসামির প্রত্যেকের আট দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।রিমান্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামি হলেন-গাজীরপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার সালুয়াটেকি গ্রামের মৃত গিয়াস উদ্দিনের ছেলে বাসচালক নূরুজ্জামান নূরু (৩৯), একই উপজেলার বীরউজলী গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে বাসের হেলপার লালন মিয়া (৩২) একই উপজেলার লোহাদী গ্রামের নজর আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম রফিক (৩০), কটিয়াদী উপজেলার ভোগপাড়া এলাকার দুলাল মিয়ার ছেলে খোকন মিয়া (৩৮) এবং বাজিতপুর উপজেলার নীলক্ষি গ্রামের মৃত আব্দুস শহীদ ভূঁইয়ার ছেলে বকুল মিয়া ওরফে ল্যাংড়া বকুল (৫০)।মঙ্গলবার (৭ মে) দিনগত রাতে নিহত তানিয়ার বাবা গিয়াস উদ্দিন বাদী হয়ে চার জনের নামোল্লেখসহ অজ্ঞাত বেশ কয়েকজনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন বাজিতপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।
নুসরাত হত্যায় শাস্তি পাচ্ছেন ফেনীর এসপিও
১২মে,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বহুল আলোচিত ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার জন্য ফেনী জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) এস এম জাহাঙ্গীর আলম সরকারকে শিগগিরই বরখাস্ত করা হবে। শাস্তির অংশ হিসেবে ২-১ দিনের মধ্যে তাকে পুলিশের একটি ইউনিটে সংযুক্ত করা হবে। পুলিশ হেড কোয়ার্টার্সের দায়িত্বশীল সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সূত্র জানায়, বদলি নয় শিগগিরই তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে পুলিশের একটি ইউনিটে শাস্তিমূলক সংযুক্ত করা হবে। ওই ঘটনায় ইতোমধ্যে সোনাগাজী থানার ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সদরদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-মিডিয়া) মো. সোহেল রানা বলেন, তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ফেনীর পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। শাস্তিমূলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে তাকেও একটি ইউনিটে সংযুক্ত করা হবে। বিষয়টি বর্তমানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন অবস্থায় রয়েছে। তিনি আরো বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে অভিযুক্ত এসআই (নিরস্ত্র) মো. ইউসুফকে খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয় এবং এসআই (নিরস্ত্র) মো. ইকবাল আহাম্মদকে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় সংযুক্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধেও নেয়া হচ্ছে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা। বদলি ও সংযুক্তের বিষয়টি ভিন্ন উল্লেখ করে মো. সোহেল রানা বলেন, তিন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে দূরবর্তী বিভিন্ন ইউনিটে সংযুক্ত করা হয়েছে। সংযুক্তি কোনো বদলি নয়। এটি শাস্তি প্রক্রিয়ার একটি অংশ। সংযুক্তিকালে তাদের কোনো দায়িত্ব প্রদান করা হয় না। উল্লেখ্য, গত ৬ এপ্রিল সকালে নুসরাত জাহান রাফি আলিম পরীক্ষা দিতে সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসায় যান। সে সময় মাদরাসার এক ছাত্রী তার বান্ধবী নিশাতকে ছাদের ওপর কেউ মারধর করছে- এমন সংবাদ দিলে তিনি ওই বিল্ডিংয়ের চতুর্থ তলায় যান। সেখানে মুখোশ পরা চার-পাঁচজন তাকে অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ দৌলার বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে দায়ের করা মামলা তুলে নিতে চাপ দেয়। রাফি অস্বীকৃতি জানালে তারা তার গায়ে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়। গত ১০ এপ্রিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় নুসরাত। ওই ঘটনায় রাফির মা শিরিন আক্তার বাদী হয়ে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করেন। পরবর্তীতে সোনাগাজী থানায় অভিযোগ নিয়ে যাওয়া নুসরাতের সঙ্গে ওসি মোয়াজ্জেমের কথোপকথনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। নুসরাতের মৃত্যুর পরদিন নুসরাতের পরিবারকে অসহযোগিতার অভিযোগে প্রত্যাহার করা হয় ওসিকে। এরপর পুলিশ সদরদপ্তরের উচ্চপর্যায়ের কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী দায়ী চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করা হয়।-আলোকিত বাংলাদেশ