হাজীগঞ্জে গ্যাসের আগুনে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা বাবার
হাজীগঞ্জে স্বামীর দেয়া আগুনে আহত হননি মুন্নি। বরং গ্যাসের আগুনে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করে আলোচিত সেই মুন্নির সৎবাবা। শুক্রবার সকালে মুন্নির সঙ্গে কথা বললে সঠিক তথ্য বেরিয়ে আসে। মুন্নি (১৮) উপজেলার ৭নং বড়কুল পশ্চিম ইউনিয়নের নাটেহারা গ্রামের আবু বকরের মেয়ে। সে এখন ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে (যার নং ৬৩০) ভর্তি রয়েছে। বুধবার হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বৈশাখী বড়ুয়ায় সহযোগিতায় মুন্নিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাজীগঞ্জ থানার ওসি মো. জাবেদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, দীর্ঘদিন ধরে ভয় দেখিয়ে মুন্নিকে নির্যাতন করে আসছে তার সৎবাবা আবদুল লতিফ। বিষয়টি তার স্বামী সোহাগ দেখে ফেলে। এরপর সোহাগকে মারধর করে তাড়িয়ে দেয়। ২৩ মার্চ বিকালে হাজীগঞ্জ বাজারের হকার্স মার্কেটের আলমগীরের ভাড়া বাড়িতে মুন্নিকে গ্যাসের আগুনে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করে আবদুল লতিফ। খবরটি মোবাইল ফোনে সোহাগকে জানানো হয়। সোহাগ ওই বাড়িতে গেলে মুন্নিকে সঙ্গে নিয়ে আবদুল লতিফ ও মা লাইলি বেগমসহ হাজীগঞ্জ থানায় যায়। এ সময় আবদুল লতিফ পুলিশকে জানায়, যৌতুকের জন্য মুন্নিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে সোহাগ। তখনই পুলিশ সোহাগকে আটক করে। পরে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠায়। পরে হাজীগঞ্জ থানার ওসি মো. জাবেদুল ইসলাম ও পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল মান্নান তদন্ত করে এবং অগ্নিদগ্ধ মুন্নির সঙ্গে কথা বলে এ ঘটনা জানতে পারে। হাজীগঞ্জ থানার ওসি মো. জাবেদুল ইসলাম জানান, মুন্নি ও তার স্বামী দুজনেই প্রতিবন্ধী। প্রাথমিক তদন্ত শেষ করেছি। এমন একজন প্রতিবন্ধী মেয়ের উপর তার সৎবাবা দীর্ঘদিন ধরেই অত্যাচার করে আসছিল। ভয়ে মেয়েটি তা প্রকাশ করেনি।
পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ৮:ফেনী জেলায়
পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় ফেনীতে জসিম উদ্দিন (২৫) নামে একজন নিহত ও আটজন আহত হয়েছেন। ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের লেমুয়ায় একটি ট্রাক বৃহস্পতিবার (৫ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে লেগে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই গাড়িটির হেলপার জসিমের মৃত্যু হয়। ফেনী সদর হাসপাতাল এলাকায় কর্মরত পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) জানান, নিহত জসিম লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চর নেয়ামত গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে। অন্যদিকে, ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফতেহপুর স্টার লাইন ফিলিংস্টেশন এলাকায় সকাল ১০টার দিকে ফেনী ছেড়ে যাওয়া কুমিল্লাগামী মদিনা পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আটজন আহত হন। এ ঘটনায় আহতরা হলেন- কুমিল্লার চিওড়া এলাকার মাহবুবুর রহমানের স্ত্রী সুলতানা হক(৪০), একইএলাকার ইয়াকুব হোসেনের মেয়ে তানি, ফেনীর দাউদপুল এলাকার নুর নবীর মেয়ে ফেরদৌস আরা, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের জামপাড়া এলাকার আবদুস সাত্তারের ছেলে মামুন, একই এলাকার আবদুর রাজ্জাকের ছেলে শিপন, ফেনী সরকারি কলেজের শিক্ষক বোলায়েত হোসেন, সোনাগাজী উপজেলার পালগিরী এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে মাহবুবুল হক এবং কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকড়া এলাকার মো. হুমায়ুন। ফেনী আধুনিক সদর হাসপাতালের দায়িত্বরত আবাসিক চিকিৎসক ডা. রিদওয়ান জানান, আহতদের মধ্যে তিনজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে, বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রামের মইজ্জারটেক এলাকায় এক লাখ ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার
চট্টগ্রামের টেকনাফ থেকে আসা লবণ বোঝাই একটি কাভার্ডভ্যান থেকে এক লাখ ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করেছে নগর গোয়েন্দা পুলিশ। এ ঘটনায় ২ জনকে আটক করা হয়েছে। নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার (বন্দর) মো.শহিদুল্লাহ জানিয়েছেন, নগরীর কর্ণফুলী থানার মইজ্জারটেক এলাকায় অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। শহিদুল্লাহ বলেন, টেকনাফ থেকে আসা একটি লবণ বোঝাই কাভার্ডভ্যানে ইয়াবার বড় চালান যাচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে মইজ্জারটেক এলাকায় গাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। সকাল ৯টার দিকে লবণ বোঝাই একটি কাভার্ডভ্যানে এক লাখ ২০ হাজার ইয়াবা পাওয়া যায়।
প্রেসক্লাব চত্বরে আকবরশাহ এলাকাবাসীর মানববন্ধন,অভিযোগ থানার ওসি ও কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে�
পৈত্রিক সম্পত্তি রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। গত মঙ্গলবার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব চত্ত্বরে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বিভিন্ন দাবি সম্বলিত ব্যানার পােস্টার নিয়ে নানা বয়সী মানুষ অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধন থেকে আকবর শাহ থানার ওসি মাে.আলমগীর ও স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর জহুরুল আলম জসীমের শাস্তি দাবি করেন। এর আগে এ ঘটনায় ২১ মার্চ ও ১ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেৰ হাসিনা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, পুলিশ মহাপরিদর্শক ড.জাবেদ পাটোয়ারী এবং সিএমপি কমিশনার ইকবাল বাহার। চৌধুরীর কাছে লিখিত অভিযােগ দিয়েছে আকবর শাহ এলাকাবাসী। মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন জমির মালিক নুর উদ্দিন, নুর বাহার, হাজী শহীদুল্লাহ, হুমায়ন কবির, রুস্তম আলী, আলী তাহের হাওলাদার প্রমুখ। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আকবর শাহ থানাধীন ইস্পাহানী ১ নং গেইট এলাকায় পাহাড়িকা সিএনজি পাম্পের পূর্বপাশে দীর্ঘদিন ধরে নিত মৌৱশী সম্পত্তিতে নূর উদ্দিন গংরা বসবাস করে আসছে। গত ২-৩ বছর আগে এসব সম্পত্তির উপর কু নজর পড়ে স্থানীয় কাউন্সিলর জহুরুল আলম লীমের। সে এসব সম্পত্তি বিক্রি করার জন্য মালিকদের উপর চাপ প্রয়ােগ করে। কিন্তু মালিকপক্ষ জমি বিক্রি করতে রাজি না হওয়ায় কাউন্সিলর জলীম এলাকাবাসীকে দেখে নেয়ার হুমকি দেয়। বক্তারা আরাে বলেন, গত ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে এসব জায়গা দখলের ষড়যন্ত্র হিসেবে রতনপুর রিয়েল এস্টেট কোম্পানি, কাউন্সিলর জহুরুল আলম জসীম ও আকবর শাহ থানার ওসি মাে. আলমগীর একটি ছোট করেন। রতনপুর রিয়েল। এস্টেট কোম্পানীকে জায়গাগুলাে দখল করে দিবে এমন শর্তে তাদের মধ্যে। আর্থিক লেনদেন হয়। এসব চFIন্তের পর গত ১২ মার্চ রাতের অন্ধকারে পুলিশ। ও সন্যাসীরা আমাদের মৌরশী সম্পদের উপর রতনপুর রিয়েল এস্টেট কোম্পানীর সাইনবাের্ড লাগিয়ে দেয়। এ সময় আমরা প্রতিবাদ করতে গেলে পুলিশ ও সন্ত্রাসী বাহিনী আমাদেরকে হত্যার হুমকি দেয় এবং আমাদেরকে বেধে রাখে। পরে ভােরে কাজ শেষ করে তারা এ এলাকা ত্যাগ করে এবং সেখানে রতনপুর রিয়েল এস্টেট কিছু নিরাপত্তাকর্মী রেখে যায়। পরবর্তীতে ১৩ ও ১৪ মার্চ একই কায়দায় পর্যায়+মে জায়গাগুলাে দল করতে থাকে। এ সময় কি মূলে জায়গাগুলাে দল করা হচ্ছে এমন প্রশ্ন করলে তারা কোন কাগপত্র দেখাতে পারেনি। তারা বলেছে আমরা জাের করে এসব জায়গা দখল করবাে। ঘটনার পর আমরা আকবর শাহ থানার ওসি মাে. আলমগীরের সাথে দেখা করতে গেলে তিনি আমাদের মিথ্যা মামলা দেয়ার হুমকি দেন এবং এ বিষয়ে বাড়াবাড়ি না করতে বলেন। ওসি আরাে বলেন, জায়গা দখলের ঘটনা চট্টগ্রাম সিটি কপোরেশনের মেয়রের নলেজে আছে। পরে এলাকাবাসী সিটি মেয়রের সাথে সাক্ষাত করে বিষয়টি অবহিত করলে মেয়র ঘটনা জানেন না বলে জানান এবং তার বাবার একটি অভিযােগ দিতে বলেন। বক্তারা আরাে বলেন আমরা ১৫ মার্চ অভিযােগ দিয়েছি কিন্তু প্রতিদিন রাতে পুলিশ বাহিনী এসব কাজ করে যাচ্ছে। গত ২৫ মার্চ রাত থেকে তারা দখল কার্যক্রম চালিয়ে যায়। এ সময় আকবর শাহ থানার এসআই শফিউল আলম মুন্সী আমাদের মা বােনদের ওড়না, শাড়ী টেনে শীলতাহানির চেষ্টা করে এবং তাদেরকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
মা-ছেলে খুনের ঘটনায় ব্যবসায়ী গ্রেফতার সিলেটে
সিলেট নগরীতে মা-ছেলে খুনের ঘটনায় মো. নাজমুল ইসলাম (৩২) নামে এক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার তাকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড প্রার্থনা করে পুলিশ। শুনাসির পর আদালত ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।মঙ্গলবার রাতে শহরতলীর বটেশ্বর এলাকা থেকে নাজমুলকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত নাজমুল শাহপরাণ এলাকার মুক্তির চক গ্রামের মৃত আব্দুল করিম মেম্বারের ছেলে। তিনি ভূমি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। পুলিশের দাবি, হত্যাকান্ডের সময় ব্যবসায়ী নাজমুল ঘটনাস্থলের খুব কাছাকাছি অবস্থান করছিলেন। নাজমুলের পাশপাশি হত্যাকান্ডের পরই পালিয়ে যাওয়া রহস্যময়ী তরুণী তানিয়াসহ আরো ৫ জনকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানায় পুলিশ। মা-ছেলে হত্যাকান্ডের তিনদিনের মাথায় এই মামলার এক আসামিকে গ্রেফতার করল পুলিশ। এ উপলক্ষে বুধবার দুপুর ২টায় সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালী থানায় সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে পুলিশ। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, খুন হওয়া রোকেয়ার সঙ্গে নাজমুলের র্দীঘদিনের সর্ম্পক ছিলো। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদেও নাজমুল অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই ও তার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে নাজমুলকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন। এই লক্ষ্যে তাকে রিমান্ডে নেয়ার আবেদন জানালে সিলেটের চিফ মেট্টোপলিটন ম্যাজেস্ট্রিট সাইফুজ্জামান হিরো নাজমুলের ৭দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। সংবাদ সম্মেলনে এমন তথ্য দেন কোতোয়ালী থানার জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ কমিশনার সাদেক কাউসার দস্তগীর। এছাড়াও নিহত রোকেয়ার কম্পিউটারে পাওয়া ৩০-৪০টি ছবির সূত্র ধরে সেসব মেয়েদের খুঁজে বের করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাদের কাছে পাওয়া তথ্যের সূত্র ধরে ঘটনার সন্দেহভাজন অন্যদের গ্রেফতারে প্রযুক্তির সহযোগিতায় কাজ করছে পুলিশ। উল্লেখ্য, সিলেট নগরীর মিরাবাজারের খাঁরপাড়া মিতালী আবাসিক এলাকার ১৫/জে নম্বর বাসার শয়নকক্ষ থেকে রোকেয়া বেগম ওরফে লাভলী (৪০) ও তার ছেলে রবিউল ইসলাম রোকনের (১৭) লাশ গত রোববার উদ্ধার করে পুলিশ। ওই বাসা থেকেই জীবিত উদ্ধার করা হয় খুন হওয়া রোকেয়ার ৫ বছরের মেয়ে রাইসাকে। মা রোকেয়া ও ছেলে রোকনের লাশ উদ্ধারের পর তাদের শরীরে ১১২ টি ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে সুরতহাল রিপোর্টে উল্লেখ করে পুলিশ। এঘটনায় মহানগর পুলিশের কোতোয়ালী থানায় অজ্ঞাতনামা ৪-৫ জনকে আসামী করে নিহত রোকেয়া বেগমের ভাই মো. জাকির হোসেন মামলা করেন।
ঝিনাইদহে আ'লীগ নেতাকে সভাপতি বানানো হয়নি বলে স্কুলে শিক্ষার্থীদের আসতে বাধা!
ঝিনাইদহের গোয়ালপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতাকে সভাপতি বানানো হয়নি বলে বুধবার স্কুলে শিক্ষার্থীদের আসতে দেয়নি। এ নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে তোলপাড় ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মুস্তাক আহম্মেদ স্কুলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ডেকে আনেন। তারপরও ক্লাস টাইম শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে সবাই স্কুলে উপস্থিত হতে পারেনি। অভিযোগ পাওয়া গেছে, সদরের পোড়াহাটী ইউনিয়নের মেম্বর ও ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম আযম স্কুলের সভাপতি হতে চান। বুধবার তিনি সকালে স্কুলে গিয়ে ১৯১ শিক্ষার্থীদের ক্লাসে প্রবেশ করতে দেয়নি। এক প্রকার স্কুল বন্ধ করে তিনি জোর করে স্কুল শিক্ষকদের নিয়ে মিটিংয়ে বসেন। স্কুলের প্রধান শিক্ষক সেলিনা আরবী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ক্লাসে আসতে না দেওয়ার কারণে তিনি দ্রুত বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানান। দুপুরে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মুস্তাক আহম্মেদ ও সাবক্লাস্টারের দায়িত্বরত এটিইও হামিদুল ইসলাম ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন। স্থানীয়দের অভিযোগ ঘোড়ামারা গ্রামের আতর আলী মন্ডলের ছেলে গোলাম আযম মেম্বরের বাড়ি পোড়াহাটী ইউনিয়নে হলেও দোগাছি ইউনিয়নের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত স্কুলে জোর করে সভাপতি হতে চান। এ নিয়ে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে কোন্দল শুরু হয়েছে। এই কোন্দলের কারণে স্কুল পরিচালনা কমিটি গঠন হচ্ছে না। গোলাম আযম মেম্বর স্কুল বন্ধের কথা অস্বীকার করে বলেন, স্কুলের শিক্ষকরা কমিটি গঠন নিয়ে গ্রুপিং করছে। গ্রপিং জিইয়ে রেখে তারা ইচ্ছামতো স্কুল চালাচ্ছে। এতে শিক্ষার মান কমছে। সেই কারণে তিনি বুধবার স্কুলে গিয়েছিলেন। তিনি কোন শিক্ষার্থীকে আসতে নিষেধ করেন নি বলেও দাবী করেন। ঝিনাইদহ সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মুস্তাক আহম্মেদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তিনি আযম মেম্বরকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন ভবিষ্যতে স্কুলে শিক্ষার্থীদের আসতে বাধা দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তেলের ড্রাম বিস্ফোরণে ওয়েলডিং মিস্ত্রী দগ্ধ: যশোরে
যশোরে তেলের ড্রাম বিস্ফোরণে মনির হোসেন (২৭) নামে ওয়েলডিং মিস্ত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি নওয়াপাড়া ইউনিয়নের বাহাদুর গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে। আহতের ভাই রাজু হোসেন জানিয়েছেন, মনির হোসেন ওয়েলডিং মিস্ত্রী। বুধবার সকালে শেখহাটি বাবলাতলায় গ্রান্ডিং মেশিন দিয়ে একটি তেলার ড্রামের মুখ কাটিছিলে। এসময় তেলের ড্রামের মধ্যে আগের থেকে গ্যাস হয়ে যাওয়া ড্রামটি হটাৎ করে বিষ্ফোরিত হয়। বিষ্ফোরণে মনিরের মুখ এবং শরিরের বিভিন্ন যায়গায় দগ্ধ হয়। পরে স্থারীয়রা তাকে উদ্ধার করে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে দুপুর ১২ টার দিকে তাকে ঢাকায় রেফার করা হয়।
বাসচাপায় মা-মেয়ে নিহত খুলনায়
খুলনা মহানগরীর খালিশপুর থানার আলমনগর পোড়া মসজিদ এলাকায় বিআরটিসির একটি বাসের চাপায় মা ও মেয়ে নিহত হয়েছেন। বুধবার সকালে রাস্তা পার হওয়ার সময় বাসটি তাদের চাপা দেয়। এ ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা বিআরটিসির অপর একটি বাস ভাংচুর করেছে। পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানিয়েছে, সকালে গৃহবধূ শিমুল আকতার তার ৬ বছরের মেয়ে তন্বীকে নিয়ে রাস্তা পার হচ্ছিলেন। এ সময় বরিশালগামী বিআরটিসির একটি বাস তাদেরকে চাপা দিলে তন্বী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। শিমুল আকতারকে আহত অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির পর তারও মৃত্যু হয়। পরে উত্তেজিত জনতা বিআরটিসির ঢাকাগামী টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস বাস ভাংচুর করে। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও বাসটি উদ্ধার করে খালিশপুর থানায় নিয়ে গেছে। খলিশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সরদার মোশরফ হোসেন মা ও মেয়ে নিহতের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।

সারা দেশ পাতার আরো খবর