নবীপ্রেম ও সূফীবাদ বিমুখ হওয়ায় আজ মুসলমানরা নির্যাতিত
জাতীয় হিজরি নববর্ষ উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে পবিত্র ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (ﷺ) উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিরাজুল ইসলাম লেকচার থিয়েটার হলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সুরক্ষা ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় রাসূল (ﷺ) এর শিক্ষাঃ সমকালিন বিশ্বে বাস্তবতা শীর্ষক সেমিনার উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. আবুল হোসেন এর সভাপতিত্বে আয়োজন করা হয়। সেমিনারে প্রধান অতিথি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান আল্লামা প্রফেসর ড. আব্দুর রশীদ, প্রধান আলোচক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের অধ্যাপক আল্লামা ড. শাহ কাউসার মোস্তফা আবুলউলায়ী, বিশেষ আলোচক ঢাকা কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া কামিল মাদরাসার উপাধ্যক্ষ আল্লামা মুফতি আবুল কাশেম মুহাম্মদ ফজলুল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের খতীব আল্লামা ড. সৈয়দ এমদাদ উদ্দীন। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজধানীর মিরপুর ফকিরবাড়ী দরবার শরীফের পীর সাহেব আল্লামা ফকির মুসলেম উদ্দীন হানাফী কাদেরী উলুভী। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের লেকচারার আল্লামা এস.এম মাসুম বাকি বিল্লাহ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব জননেতা অধ্যাপক এম এ মোমেন, গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ঢাকা মহানগর সাধারণ সম্পাদক জননেতা আব্দুল হাকিম, বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক যুবনেতা অধ্যক্ষ আবু নাছের মুহাম্মদ মুসা, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা এইচ এম শহীদুল্লাহ, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক ছাত্রনেতা আবুল কালাম আযাদ, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি ছাত্রনেতা সাখাওয়াত হোসাইন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর মাসুমিয়া দরবার শরীফের পীর সাহেব আল্লামা মুখতার রেজা মাসুমী ও এক্সপো গ্রুপের হেড অব কমপ্লায়েন্স জনাব আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক ও জাতীয় হিজরি নববর্ষ উদযাপন পরিষদের সমন্বয়ক ছাত্রনেতা ইমরান হুসাইন তুষার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মাওলানা আহমদ রেজা ও মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহ সিদ্দিকী। বক্তারা বলেন, আজ আমরা কোনো জায়গাই শান্তিতে নেই, যেখানে মুসলমান সেখানেই ইসলাম বিদ্বেষী সকল শক্তি এক হয়ে মুসলমানদের উপর নির্যাতন করছে দিবারাত। মুসলমানরা ছিল বীরের জাতি শাসন করার জাতি, আজ এ অবস্থার একটাই কারণ আমরা ও আমাদের পরিবার ইসলামের প্রকৃত ও মূল শিক্ষা নবীপ্রেম ও সূফীবাদ থেকে দূরে সরে গিয়েছি।নবীপ্রেম ও সূফীবাদ বিমুখ হওয়ায় আজ মুসলমানরা নির্যাতিত ,Press Release
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে আমাদেরকে দৃঢ় ইস্পাত ঐক্য গড়ে তুলতে হবে :আ.জ.ম. নাছির
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ যুবমহিলা লীগ চট্টগ্রাম মহানগরের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা, মহিলা মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান গতকাল ১৩ ডিসেম্বর সংগঠনের আহবায়িকা অধ্যাপিকা সায়রা বানু রৌশনীর সভাপতিত্বে নগরীর মুসলিম ইন্সিটিউটে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র ও মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আ.জ.ম নাছির উদ্দীন। যুবমহিলালীগ চট্টগ্রাম মহানগরের যুগ্ন আহবায়ক মমতাজ বেগম রুজির পরিচালনায় এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনি, ১২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ছাবের হোসেন সওদাগর, মোহরা ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দীন, মহিলা কাউন্সিলর আবিদা আজাদ, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সদস্য বেলাল আহমদ, জামালখান ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলম চৌধুরী,সাবেক মহিলা কাউন্সিলর ও কেন্দ্রীয় যুবমহিলালীগের সদস্য রেহেনা বেগম রানু ছড়াকার আ.ফ.ম. মোদাচ্ছের আলী, চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগনেতা সুমন দেবনাথ, সংগীত শিল্প অশোক সেন, ডাঃ আর. কে. রুবেল, সৈয়দা শাহানা আরা বেগম, কবি সজল দাশ, সেলিম আকতার পিয়াল, আসিফ ইকবাল, জাহানারা বেগম, লিপি আকতার সহ আরো অনেকে। সংবর্ধনা প্রদান করা হয় মুক্তিযোদ্ধা সাবেক সরকারি কর্মকর্তা জাহানারা বেগম ও পুল্লুরাণী দাশকে। সভায় প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র আলহাজ্ব আ.জ.ম নাছির উদ্দীন বলেন মুক্তিযুদ্ধের শানিত চেতনাকে নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে আমাদের কাজ করতে হবে ঐক্যবদ্ধভাবে। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস ও দেশপ্রেমের শিক্ষা আমাদের প্রজন্মকে ছড়িয়ে দিতে হবে। তিনি আরো বলেন বর্তমানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারের যে অভাবনীয় সাফল্য তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আগামী নির্বাচনে অবশ্যই নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করার জন্য এখন থেকে যুবমহিলালীগকে ঘরে ঘরে গিয়ে সরকারের সাফল্যের কথা তুলে ধরার আহবান জানান। তিনি আরো বলেন আজকের যুবমহিলালীগ চট্টগ্রামের বিজয় দিবসের যে ঝাকযমকপুর্ণ বিশাল আয়োজন তাতে সত্যিকার অর্থে আমি আনন্দিত। সভার শুরুতে বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্ভোধন করেন প্রধান অতিথি আ.জ.ম নাছির উদ্দীন। উদ্ভোধনশেষে প্রধান অতিথিসহহ সকলে সমবেতকন্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন।Press Release
বিজয় র;্যালীকে সর্ববৃহৎ, বর্নাঢ্য ও দৃষ্টিনন্দন করতে হবে
১৬ ডিসেম্বর বিজয় র;্যালীকে সফল করার জন্য আজ ১৩ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বিভিন্ন বাহিনী ও সরকারী সংস্থা সমূহের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তাগণ বলেন, বিজয় দিবস বাঙালি জাতীয় জীবনের একটি অনন্য সাধারণ শ্রেষ্ঠ দিন। এই দিনটিকে উদযাপনে সকল প্রকার কার্পন্যতা পরিহার করে সর্ব্বোচ্চ ক্ষমতা দিয়ে আমাদের সকল আয়োজনকে সফল করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার পরিষদের বিজয় র;্যালী দীর্ঘদিন থেকে সমহিমায় সমাদ্রিত। নবপ্রজন্মকে বিজয় র;্যালীর মধ্য দিয়ে আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করা আমাদের দায়িত্ব, নচেৎ ইতিহাস আমাদের ক্ষমা করবে না। বক্তাগণ বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের মধ্য দিয়ে এই জাতি যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল। এই ভাষণ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ কয়েকটি ভাষণের মধ্য অনন্য সাধারণ। একজন সেনানায়ক হিসেবে যুদ্ধে বিজয় অর্জনের জন্য যত প্রকার নির্দেশনা থাকা প্রয়োজন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুুর রহমান ৭ মার্চের সেই ঐতিহাসিক ভাষণে তা দিয়েছিলেন। পৃথিবীর কোন সেনানায়ক যুদ্ধক্ষেত্রে বা যুদ্ধের পূর্বে এই জাতীয় দিকনির্দেশনা মূলক বা চূড়াত নির্দেশনা দিয়েছেন এমন দৃষ্টাত খুজে পাওয়া যাবে না। এই ভাষণকে নিয়েও অনেক ষড়যন্ত্র, চক্রাত হয়েছিল। আনন্দের বিষয় যে, দীর্ঘদিন পরে হলেও আজ সঠিক ইতিহাস বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত পেয়েছে। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ আতর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। এই স্বীকৃতির দাবিদার সমগ্র বাঙালি জাতির। সভায় আগামী ১৬ ডিসেম্বর সকাল ৯টায় শিখা প্রজ্জ্বলনের পাদদেশ থেকে সর্ববৃহৎ বিজয় র;্যালী করার নীতিগত সিদ্ধাত গৃহিত হয়। প্রতিটি ইউনিফর্মধারী সংস্থার পক্ষ থেকে বাদক দলসহ নিরস্ত্রভাবে র;্যালীতে অংশগ্রহণ করবেন। সরকারী সংস্থা সমূহ তাদের উন্নয়ন কর্মকান্ড সংবলিত প্লে-কার্ড ও ট্রাক সাজিয়ে জনবল সহ অংশগ্রহন করবেন। বিজয় র;্যালীতে অগ্রভাগে বাহিনী সমূহ থাকবে, বাদক দল নিয়ে এগিয়ে যাবেন তাদের পেছনে চট্টগ্রামের মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের সকল রাজনৈতিক দল, ছাত্র-যুব, স্বেচ্ছাসেবক, শ্রমিক, মহিলা, সংগঠন এবং পেশাজীবি, সামাজিক সংগঠন সহ অন্যান্যরা যোগ দিবেন। বিজয় র;্যালীতে সাইকেল, মোটর সাইকেল, স্কুটি, টমটম, ঘোড়ার গাড়ী, ব্যক্তিগত ঘোড়াসহ বিভিন্ন রং-ঢং এ সেজে অংশগ্রহণ করার জন্য চট্টগ্রামবাসীর প্রতি আহবান জানানো হয়। সভায় মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার র;্যালী পরিষদের আহবায়ক এডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরীর সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন উপ পুলিশ কমিশনার এস.এম. মোস্তাইন হোসেন। উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের কো-চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব বদিউল আলম, মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউনুছ, মহাসচিব (অর্থ) বীর মুক্তিযোদ্ধা পান্টু লাল সাহা, বিজয় মেলা ক্রীড়া উপ-পরিষদের উপদেষ্টা চন্দন ধর, বিজয় র;্যালী পরিষদের সদস্য সচিব অধ্যাপক মাহাবুবুল ইসলাম, মোহাম্মদ ওসমান গণি। এছাড়া সরকারী ও বেসরকারী সংস্থার পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নিস্কৃতি চাকমা, আর্মড ব্যাটালিয়নের আব্দুল ওহাব, রেলওয়ে পুলিশের মোহাম্মদ হোসেন সরকার, সিএসবির মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর মোহাম্মদ হাসান ইমাম, ১২ ব্যাটালিয়ন আনসারের আশরাফ হোসেন সিদ্দিক, র;্যাব-৭ চট্টগ্রামের লে.কমান্ডার আশেকুর রহমান, শিল্প পুলিশের মোহাম্মদ আবুল হাশেম, পি.বি.আই এর জাহিদ হোসেন, চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের ইকবাল সাব্বির চৌধুরী, চট্টগ্রাম জেলা আনসারর মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, রেলওয়ের মোহাম্মদ আশাবুল ইসলাম, আর.আর.এফ এর মোহাম্মদ কাজী হুমায়ুন রশীদ, বিটিএসএল এর একেএম বজলুর রশিদ, ওয়াসার নুর মোহাম্মদ আবুল বাশার, সমাজসেবা অধিদপ্তরের মোহাম্মদ ওমর ফারুক, আয়কর প্রশাসনের মোহাম্মদ নেফাউল ইসলাম সরকার, কর্ণফুলী গ্যাস ডিষ্ট্রিবিউশনের মোহাম্মদ নুরুল আবছার সিকদার প্রমুখ।Press Release
বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে আয়োজিত সমাবেশে-ডা. শাহাদাত , নিজেদের ভাগ্যের উন্নয়ন ছাড়া সর্ব
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নিজেদের ভাগ্যের উন্নয়ন ছাড়া সর্বক্ষেত্রে জনগণের সাথে প্রতারণা করেছে আওয়ামী লীগ। ব্যর্থতার এই চুলকানি রোধ করার জন্য একের পর এক জনগণের স্বার্থ পরিপন্থি পদক্ষেপ গ্রহণ করে ক্ষমতায় আসার পূর্বে দেওয়া ওয়াদাকে ভঙ্গ করে সমস্ত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ভেঙ্গে স্বৈরতন্ত্রের নবতর ঘৃণিত ইতিহাস সংযোজন করেছে। ডা. শাহাদাত বলেন, শেখ হাসিনা দেশে কোন ঘাটতি নেই-সর্বদিকে সমৃদ্ধি আছে বলে প্রচার করে যে মিথ্যাচার করছে, প্রকৃতপক্ষে দ্রব্যমূল্যের চরম মূল্য বৃদ্ধির যে আগুন বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ নিত্য প্রয়োজনীয় সমস্ত দ্রব্যাদি দাম মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে এমন উচুতে অবস্থান করছে সেই আগুন রাজপথে বাস্তবায়িত হলে আওয়ামীলীগের পতন ঠেকাতে পারবে না। জনগণের ব্যালেট-এর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আওয়ামীলীগ এর সবচেয়ে ভীতির জায়গা। এই অবৈধভাবে জনগণের ভোটাধিকারের প্রয়োগকে হত্যা করে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার চেষ্ঠা করছে। দীর্ঘায়িত ক্ষমতার এই অগণতান্ত্রিক নজির আওয়ামীলীগের ইতিহাসগত নোংরা রাজনীতির ধারাবাহিকতা। তিনি অদ্য ১৩ ডিসেম্বর, বুধবার বিকালে দলীয় কার্যালয় নাসিমন ভবনে কেন্দ্র ঘোষিত বিদ্যুৎ গ্যাস ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন। বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি করে অবৈধ সরকার দেশব্যাপী নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর। তিনি বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যর্থ অবৈধ ফ্যাসিষ্ট সরকার জনদুর্ভোগ বৃদ্ধি অব্যাহত রাখার পদক্ষেপের অংশ হিসেবে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি করছে। এর মাধ্যমে দ্রব্যমূল্যসহ মানুষের স্বাভাবিক জীবন যাত্রা ব্যাহত করে জনজীবনকে আরেক ধাপ বিপর্যস্ত করার পদক্ষেপ গ্রহণ করেেছ। দেশের মানুষ এমনিতে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য মূল্যের উর্দ্ধগতিতে দিশেহারা। যেখানে জনগণের দুঃখ লাগব করার লক্ষে বিদ্যুতের মূল্য হ্রাস করার কথা সেখানে আরও বৃদ্ধি করা হয়েছে। এতে বুঝা যায় এদেশে জনগনের কোন সরকার নাই। দেশে লুটেরা সরকারের শাসন চলছে। তিনি বলেন, দেশের জনগণ গণধিকৃত ও অবৈধ সরকারের এ গণবিরোধী সিদ্ধান্ত কিছুতেই মেনে নিবে না। বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক ও জণস্বার্থ বিরোধী। বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির মাধ্যমে সরকার জনজীবনে দুর্ভোগ ডেকে আনবে। তিনি সরকারকে গণবিরোধী সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার দাবি জানান। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান বলেছেন, চট্টগ্রাম শহরে বেহাল রাস্তাঘাট দিয়ে সাধারণ মানুষ জীবনের ঝুকি নিয়ে চলাফেরা করছে। চট্টগ্রাম এখন অপরিচ্ছন্ন জলাবদ্ধ ও যানজটের নগরীতে পরিনত হয়েছে। দেশে গণতান্ত্রিক সরকার না থাকার করণে চট্টগ্রামে এই বেহাল দশা। দেশের বেশীর ভাগ রাজস্ব চট্টগ্রাম থেকে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হয়। এরপরও চট্টগ্রামের উন্নয়ন হয় না। জনবিচ্ছিন্ন এই সরকার জনগনের পাশে নেই। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব এম এ আজিজ, হাজী মোহাম্মদ আলী, সবুক্তগীন ছিদ্দিকী মক্কি, হারুন জামান, অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, যুগ্ম সম্পাদক কাজী বেলাল উদ্দিন, ইস্কান্দর মির্জা, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, আনোয়ার হোসেন লিপু, টিংকু দাশ, গাজী মোঃ সিরাজ উল্লাহ, শেখ নুরুল্লাহ বাহার, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, নগর মহিলাদলের সভানেত্রী কাউন্সিলর মনোয়ারা বেগম মনি, সাধারণ সম্পাদক জেলি চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক ডা. মোঃ ছাদেক, সহ-সম্পাদক আবু জহুর, সম্পাদকবৃন্দ শিহাব উদ্দিন মুবিন, মোহাম্মদ আলী মিঠু, এম.আই. চৌধুরী মামুন, হামিদ হোসেন, ডা. এস.এম. সরওয়ার আলম, আব্দুন নবী প্রিন্স, জিয়াউদ্দিন খালেদ চৌধুরী, আব্দুল বাতেন, থানার সভাপতি মঞ্জুর রহমান চৌধুরী, মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, কাউন্সিলর মোঃ আজম, সহ-সম্পাদক এ.কে.এম. পেয়ারু, রফিকুল ইসলাম, মোঃ ইদ্রিস আলী, মোঃ শাহজাহান, আজাদ বাঙ্গালী, আরিফ মেহেদী, আবু মুছা, শফিক আহমেদ, মোঃ হাশেম সওদাগর, আবদুল মতিন, ফয়েজ আহমদ, আবুল খায়ের মেম্বার, আলী আজম, থানার সাধারণ সম্পাদক আফতাবুর রহমান শাহীন, আলহাজ্ব জাকির হোসেন, নগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন চৌধুরী, জিয়াউর রহমান জিয়া, যুগ্ম সম্পাদক জমির উদ্দিন নাহিদ, নগর জাসাসের সাধারণ সম্পাদক মামনুর রশিদ শিপন, ওয়ার্ড সভাপতি মোঃ হানিফ সওদাগর, এস.এম. মফিজ উল্লাহ, মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু, কাজী সামশুল আলম, আলাউদ্দিন আলী নুর, আব্দুল্লাহ আল ছগির, জমির আহমেদ, খন্দকার নুরুল ইসলাম, ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক এম.এ. হালিম বাবলু, হাবিবুর রহমান চৌধুরী, সৈয়দ আবুল বশর, জাহেদুল্লাহ রাশেদ, ফয়েজ আহমদ, হাজী মোঃ এমরান, হাসান ওসমান প্রমুখ। Press Release
হেফাজত ইসলামের ঘেরাও কর্মসূচি পণ্ড
পুলিশের বাধায় মার্কিন দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচি পণ্ড হয়ে গেছে হেফাজত ইসলামের। আজ বুধবার হেফাজতের মিছিলটি শান্তিনগর মোড়ে পৌঁছালে পুলিশ তাতে বাধা দেয়।এ সময় হেফাজত কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে সংগঠনের ঢাকা মহানগর সভাপতি মাওলানা নূর হোসাইন কাসেমির নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল মার্কিন দূতাবাস অভিমুখে রওয়ানা দেন। অন্য সদস্যরা হলেন, হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদী, ঢাকা মহানগরের সহ-সভাপতি মাওলানা মাহাফুজুল হক, মাওলানা মুজিবুল রহমান হামিদী, ড. আহমেদ আব্দুল কাদের ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফজলুল করিম কাশেমী।এর আগে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মুসলমানদের পবিত্র নগরী জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী ঘোষণার প্রতিবাদে বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে হেফাজতের সমাবেশ শুরু হয়।মাওলানা নূর হোসাইন কাসেমির সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তারা বলেন, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের মুসলমানরা রাজপথে থাকবে।তারা বলেন, এই ঘোষণা দিয়ে ট্রাম্প গোটা পৃথিবীতে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে। আমরা বিশ্ব মুসলিম নেতাদের হুমুকের অপেক্ষায় আছি। আমরা কাফনের কাপড় পরে রাস্তায় নামতে বাধ্য হব।সমাবেশ শেষে দুপুর ১২ টায় মার্কিন দূতাবাস ঘেরাও উপলক্ষে মিছিল নিয়ে বের হয় হেফাজত। মিছিলটি দুপুর ১২ টা ২০ মিনিটে শান্তিনগর এলাকায় পৌঁছালে পুলিশি বাধা পণ্ড হয় তাদের ঘেরাও কর্মসূচি।
বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে সংবর্ধনা ও দোয়া অনুষ্ঠান
বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে ২০১৮ সালের এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। ১৩ ডিসেম্বর (বুধবার) দুপুরে চন্দনাইশ বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসস্থ একটি কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আলীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক দিদারুল আলম দিদার। প্রধান বক্তা ছিলেন পটিয়া উপজেলা আলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন, উদ্বোধক ছিলেন কাঞ্চনাবাদ ইউনিয়ন আলীগের সাবেক সেক্রেটারী আবুল কালাম। বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদের সভাপতি শেখ মোহাম্মদ মহিউদ্দীনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ তাসিনের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন ফারইস্ট লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানী লি. এর পটিয়ার ইনচার্জ মাওলানা মাহমুদ উলহ, আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগ দক্ষিণ জেলার সেক্রেটারী নাজিম উদ্দীন, সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল শুক্কুর, বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক নয়ন, আলিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিব, দপ্তর সম্পাদক বাবলু, সদস্য আবুল হাসনাত, জমির উদ্দীন, উপস্থিত ছিলেন কামরুল হাসান শুভ, তৌহিদুল ইসলাম, নবকৃষ্ণ রুদ্র, জাহেদুল আজিম, মিশু গুপ্ত, রেজাউল করিম, মামুন শুভ্রজিৎ বড়য়া, শান্ত হায়দা, প্রভ, তারেক, তীর্থ, আহাদ প্রমুখ। অনুষ্ঠান শেষে প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী প্রদান করেন অতিথি বৃন্দ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি দিদারুল আলম দিদার বলেন, পড়ালেখার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষিত হতে হবে। দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশকে এগিয়ে নেয়ার জন্য তথ্য প্রযুক্তির আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। এজন্য শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় ভাল ফলাফল করা জরুরী। বর্তমান সরকার শিক্ষা প্রধান্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা প্রদান করছে। একারণে শিক্ষার হার বেড়েছে কয়েকগুন।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
দ্রবমূল্যের উর্দ্ধগতির প্রতিবাদে উত্তর জেলা বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ
অদ্য ১৩ ডিসেম্বর১৭ইং বুধবার কেন্দ্রীয় কর্মসূচির আলোকে দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতির প্রতিবাদে নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয় চত্বরে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির কর্তৃক আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশ চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি আলহাজ্ব ছালাউদ্দিনর সভাপতিত্বে উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক এড. মো: আবু তাহের এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি ও কৃষক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ হালিম, সাবেক সহ সভাপতি ইছহাক কাদের চৌধুরী, সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক নুরুল আমিন, সেকান্দর চৌধুরী, আবদুল আউয়াল চৌধুরী, অধ্যাপক জসিম উদ্দিন চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি কামাল উদ্দিন, উত্তর জেলা যুবদলের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ সভাপতি সরওয়ার উদ্দিন সেলিম, উত্তর জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আতিকুল ইসলাম লতিফী, উত্তর জেলা বিএনপি নেতা নবাব মিয়া চেয়ারম্যান, অধ্যাপক কুতুব উদ্দিন বাহার, রাউজান উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শফিউল আলম চৌধুরী, এইচ এম নুরুল হুদা, ফজলুল হক, এম আর চৌধুরী মিল্টন, বদরুল আলম বদরু, সাহাব উদ্দিন রাজু, উত্তর জেলা ছাত্রদলের সহ সভাপতি ওমর শরীফ, জসিম উদ্দিন, নিজাম উদ্দিন লিটন, রফিকুল ইসলাম, উত্তর জেলা ছাত্রদল নেতা মো: জিয়াউদ্দিন ফরহাদ, জাহিদুল ইসলাম রুবেল, তানভীর আহমেদ, সৌরভ ভূইয়া, সাগর হোসেন রুবেল, আমজাদ হোসেন, ইকবাল হোসেন জুয়েল, আলাউদ্দিন, কাউসার, মোতাহের হোসেন রানা, তারেকুল ইসলাম প্রমুখ। বক্তারা বলেন, বর্তমান অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরাচারী সরকার দ্রব্যমূল্য যেভাবে উর্দ্ধগতিতে নিয়ে গেছে মানুষের চলাফেরায় নাবিশ্বাস উঠে গেছে। মানুষ আজ কষ্টে আজ দিনতিপাত করতেছে। গণতান্ত্রিক অধিকার হারিয়েছে। কোন গণতান্ত্রিকভাবে প্রতিবাদ করতে গেলে পুলিশ প্রশাসন দিয়ে হামলা ও হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। তাই আগামীতে আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে যে আন্দোলন হবে স্বৈরাচার বিরোধী যে গণতান্ত্রিক আন্দোলন হবে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে থাকার আহ্বান জানান। Press Release
৩ দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক এসএমই মেলা-২০১৭ এর সমাপনী
দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রির আয়োজনে ৩ (তিন) দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক এসএমই মেলা-২০১৭ এর সমাপনী অনুষ্ঠান ১১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের মাঝে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন। চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলমর সভাপতিত্বে এ সময় মেলার স্পন্সর এনসিসি ব্যাংকের এরিয়া চীফ জয়নাল আবেদীন, অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষে বেসিক ব্যাংকের ডিজিএম (হেড অফিস) মরিয়ম বেগম ও জোনাকী বুটিকসর মনিরা মতিন (জোনাকী) বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে মেলা কমিটির সদস্য ও চেম্বার পরিচালকবৃন্দ মোঃ অহীদ সিরাজ চৌধুরী (স্বপন), এম. এ. মোতালেব, মাহবুবুল হক চৌধুরী (বাবর), অঞ্জন শেখর দাশ ও মোঃ আবদুল মান্নান সোহেল, অন্যান্য পরিচালকদের মধ্যে কামাল মোস্তফা চৌধুরী, ছৈয়দ ছগীর আহমদ, সরওয়ার হাসান জামিল, মোঃ রকিবুর রহমান (টুটুল)-সহ অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিনিধিবৃন্দ ও নগরীর বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন বলেন-চিটাগাং চেম্বার ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উদ্যোক্তাদের উন্নয়নে সর্বদা কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া ব্যবসায়ীদের সমস্যা সমাধান, বাস্তবভিত্তিক এবং ব্যবসাবান্ধব নীতিমালা প্রণয়নেও অত্র চেম্বার আন্তরিকভাবে সরকারের সহায়ক হিসেবে ভূমিকা রাখছে। তিনি আরো বলেন-২য় আন্তর্জাতিক এসএমই মেলা-২০১৭ ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের বৃহৎ পরিসরে বিপণনের সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে। তাই এ সুযোগকে কাজে লাগাতে পারলে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের দ্বার উন্মোচন এবং আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে আমাদের ইতিবাচক ধারণার জন্ম হবে। সিটি মেয়র ক্ষুদ্র-মাঝারি-বৃহৎ তথা সম্মিলিত উদ্যোগেই দেশের উন্নতি সম্ভব বলে মনে করেন এবং ব্যবসা প্রসারের ক্ষেত্রে যে কোন সিদ্ধান্তে চিটাগাং চেম্বার এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম ক্ষুদ্র ও মাঝারি থেকেই বড় বড় শিল্পের সৃষ্টি বলে মন্তব্য করেন। তিনি এখাতের উদ্যোক্তাদের উৎসাহিতকরণ, উৎপাদিত পণ্যের প্রদর্শন, সহজ ব্যাংক ঋণ প্রাপ্তিতে সহযোগিতা করা এবং উদ্যোক্তা সৃষ্টিই চিটাগাং চেম্বারের লক্ষ্য বলে উল্লেখ করে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে উৎপাদিত পণ্যের অধিক সমারোহে আগামীতে আরো ব্যাপকভাবে মেলা আয়োজন করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। এছাড়া তিনি অংশগ্রহণকারী সকল ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্য সেবা, চামড়াজাত পণ্য, পোশাক শিল্প, হস্ত ও কুটির শিল্প, প্লাষ্টিক, পর্যটন, স্থাপত্য, খাদ্য প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান, কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত মন্ত্রণালয়াধীন জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টার, সকল দর্শনার্থী, জেলা প্রশাসন, আইন-শৃংখলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সুষ্ঠুভাবে এ মেলা সম্পন্ন করার জন্য চেম্বার কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়ে আগামীতে মেলার সময়সীমা বৃদ্ধির আহবান জানানো হয়। এ আহবানের প্রেক্ষিতে চেম্বার সভাপতি ভবিষ্যতে মেলার সময় বৃদ্ধির ঘোষণা দেন। মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে জেনারেল ক্যাটাগরীতে থ্রিটেক, বিমুর্ত ও কলি বুটিকস এবং প্রাইম ক্যাটাগরীতে আরএফএল প্লাষ্টিক লিঃ, বেসিক ব্যাংক ও এনপলি প্লাষ্টিক লিঃ বেস্ট স্টলের পুরস্কার লাভ করে।Press Release
বিজয় মঞ্চের অনুষ্ঠানে ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বিশ্বের শোষিত মান
মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার বিজয় মঞ্চের স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে ভূমি মন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ এম.পি বলেছেন, বাঙালির মুক্তিযুদ্ধ বিশ্বের নিপীড়িত মুক্তিকামী জনতার প্রেরণা। বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধের সূচনা করে বিশ্ববাসীকে শোষণ থেকে মুক্তির ডাক দিয়েছিলেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলে গেছেন আমি শোষিতের পক্ষে। তাই তাঁর বিরুদ্ধে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির চক্রাত হয়েছিল। তাই সাম্রাজ্যবাদীর এ দেশীয় এজেন্টরা তাঁকে স্বপরিবারে হত্যা করেছিল। এই চক্রাতর বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিকে সংগঠিত করেছেন এবং দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে গিয়ে উন্নয়নের মহাসড়কে উন্নীত করেছেন। আজ সন্ধ্যায় মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মঞ্চে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষনে তিনি একথা বলেন। তিনি আরো বলেন, এদেশকে পেছনের দিকে ঠেলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। এরা একাত্তরের পরাজিত শক্তির প্রেতাত্মা। আমরা জানি কারা এই ষড়যন্ত্র করছে, তাদেরকে অবশ্যই বিচারের কাঠগড়ায় দাড় করানো হবে। তিনি উল্লেখ করেন, মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে প্রজন্ম পরম্পরায় পৌঁছে দিচ্ছে। এর নেতৃত্ব দিচ্ছেন শ্রদ্ধেয় নেতা এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরী। তাঁর প্রতি দেশবাসীর শ্রদ্ধা, ভালবাসা অবশ্যই আছে। তাই তিনি আবার এই চট্টগ্রামবাসীর কাছে তাদের সুখে-দুঃখে থাকবেন। মূখ্য আলোচক কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহিত উল আলম বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাষন শুধুমাত্র রাজনৈতিক বক্তৃতা নয়- এটা বিশ্ব সাহিত্যর মূল্যবান অংশ। ৭ মার্চের ভাষন আমাকে বিশ্বসাহিত্য শ্রষ্টাদের স্মরণ করিয়ে দেয়। তিনি আরো বলেন, একজন শিক্ষক হিসেবে আমি প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থাপনাকে গণমুখী করতে আগ্রহী। গণমুখী শিক্ষা ব্যবস্থাই এদেশকে জঙ্গীবাদ, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত করতে পারে এটাই আমার স্বপ্ন ও সাধনা। বিজয় মেলা পরিষদের কো-চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা অমল মিত্রর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য এডভোকেট ইব্রাহীম হোসেন চৌধুরী বাবুল, আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন বাবুল ও চট্টগ্রাম আইনজীবি সমিতির সভাপতি এডভোকেট রতন কুমার রায় । পরে মঞ্চে আলোচনা সভা শেষে তপন বড়য়ার সঞ্চালনায় উদ্দীপনামূলক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। আগামীকাল মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জনাব ইকবাল সোবহান চৌধুরী।Press Release

সারা দেশ পাতার আরো খবর