শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
১লা মে বিকাল ৩ ঘটিকায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতা শ্রমিক ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশ আওয়ামী নির্মাণ শ্রমিক লীগের উদ্যোগে জাতীয় শ্রমিক দিবস ও স্বাধীনতার ৪৭ বছর পদার্পণে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মরণোত্তর সম্মাননা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য সমাজবিজ্ঞানী প্রফেসর ড. অনুপম সেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ গড়ার শ্রমিকদেরও অন্যতম ভূমিকা ছিল। কারণ মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিল গরিব, কৃষক, শ্রমিক সমাজের মধ্যবিত্ত মানুষরা। তাদের অধিকার আদায়ে যা যা করা করণীয় আমি তাতে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবো। প্রধান আলোচক ছিলেন সাবেক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ডীন বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. গাজী সালেহ্ উদ্দীন। সম্মানিত অতিথি ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রদূত ওসমান সরওয়ার আলমের সুযোগ্য কন্যা কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজনীন সরওয়ার কাবেরী, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি নাজিমউদ্দীন শ্যামল, চ্যানেল-আই এর ব্যুরো চীফ চৌধুরী ফরিদ, জননেতা এম.এ. আজিজ এর সুযোগ্য পুত্র মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেচ্ছা মুজিব বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান সুরজিত দত্ত সৈকত। বিশেষ অতিথি ছিলেন জননেতা জহুর আহমদ চৌধুরীর সুযোগ্য পুত্র আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান- মহানগর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শরফুদ্দীন চৌধুরী রাজু, গ্রামাণী ব্যাংকের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা সগীরুর রশিদ চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান রোজিনা বেগম, মো: নোমান, সিরাজ মিয়া, আফজাল চৌধুরী। বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতা শ্রমিক ফাউন্ডেশনের ও বাংলাদেশ আওয়ামী নির্মাণ শ্রমিক লীগ এর সভাপতি মো: দুলাল হোসেনের সভাপতিত্বে সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক টিংকু পালিত। অনুষ্ঠানটির সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেচ্ছা মুজিব শ্রমিক ফাউন্ডেশন। ঐতিহাসিক জাতীয় শ্রমিক দিবস উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মরণোত্তর সংবর্ধনা পেয়েছেন যাঁরা- জননেতা এম.এ. আজিজ, জহুর আহমদ চৌধুরী, এম.এ. মান্নান, ওসমান সরওয়ার আলম চৌধুরী, আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু, এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরী, ্এস.এম. জামাল উদ্দিন, সেকান্দর হায়াত খাঁন ও যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা নেপাল চন্দ্র দত্ত। নেতৃবৃন্দ বলেন, শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠার শেখ হাসিনার সরকার নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে সফল হয়েছেন। সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ন্যায় যাতে সাধারণ শ্রমিকরা ন্যায্য মজুরী পায়, সেজন্য এই সরকারের শ্রমনীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করে প্রশংসা অর্জন করেছেন। পরিশেষে কক্সবাজার বারোয়াখালী লবণের মাঠ ভরাট না করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি জোর দাবি জানান। এখানে প্রায় ১শ পরিবার এই লবণ বিক্রি করে দিনযাপন করেন। তাই এদের কথা বিবেচনা করে অনাবাদি চাষী ভূমিতে উৎস গ্রাম করার জন্য দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় আগুনে পুড়ে যুবলীগ নেতার মৃত্যু
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া ইছামতী গ্রামে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা গেছেন আবুল হাশেম তালুকদার (৫৫) নামের এক যুবলীগ নেতা। শুক্রবার সকালে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করেছে। নিহত আবুল হাশেম রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ছিলেন। রাঙ্গুনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইমতিয়াজ ভূঁইয়া বলেন, সকালে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে আবুল কাশে তালুকদারের রাশ উদ্ধার করেছি। ধারণা করা হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার থেকে লাগা আগুনে তিনি দগ্ধ হয়ে মারা গেছেন। তবে এখনো কোনো কিছু নিশ্চিত ভাবে বলা যাচ্ছে না। স্ত্রী ও সন্তান বেড়াতে যাওয়ায় হাশেম রাতে একাই বাসায় ছিলেন বলে জানান ওসি ইমতিয়াজ।
চট্টগ্রামের হালিশহরে ৪৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ ২ ভাই গ্রেফতার
চট্টগ্রামে ৪৫ কোটি টাকার ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই ভাইকে গ্রেফতার করেছে নগর গোয়েন্দা পুলিশ। হালিশহর থানাধীন শান্তিবাগ শ্যামলী আবাসিক এলাকার জেড এস এঞ্জেন্স বিল্ডিং চতুর্থ তলায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। শুক্রবার ভোররাতে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানান নগর গোয়েন্দা বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার ডিবি (পশ্চিম) মো. মঈনুল হোসেন। গ্রেফতার হওয়া দুই ভাই হলেন— আশরাফ আলী (৪৭) ও মো. হাসান (২২)। তাদের গ্রামের বাড়ি বান্দরবানের নাইক্ষ্যছড়ির হাসান বাড়িতে। তারা ওই এলাকার মৃত তৈয়বের ছেলে। নগরের হালিশহরের শ্যামলী আবাসিক এলাকায় তারা ভাড়া বাসায় থাকতেন। নগর গোয়েন্দা পুলিশের কর্মকর্তা মো. মঈনুল হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হালিশহরের শান্তিবাগ শ্যামলী আবাসিক এলাকার বাসায় অভিযান চালিয়ে প্রথমে ৩ লক্ষ ইয়াবা ট্যাবলেট এবং তাদের প্র্রাইভেটকার (চট্টমেট্রো-গ-১১-৫৯২৪) তল্লাশি করে ১০ লক্ষ ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। জব্দ করা এসব ইয়াবা ট্যাবলেটগুলোর আনুমানিক মূল্য ৪৫ কোটি টাকা বলে জানান নগর গোয়েন্দা পুলিশের এই কর্মকর্তা। তাদের বিরুদ্ধে সিএমপি হালিশহর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের হয়েছে।
ফেনীতে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত
ফেনীতে ৩ মে (বৃহস্পতিবার) পালিত হয়েছে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস। এ উপলক্ষে ইয়ুথ জার্নালিস্টস্ ফোরাম বাংলাদেশ ফেনী জেলা শাখার উদ্যোগে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভার আগে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এরপর জেলা পরিষদের ড. সেলিম আল দীন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ফেনী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজ আহম্মদ চৌধুরী। সংগঠনের ফেনী জেলা শাখার সভাপতি শাহজালাল ভূঞার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মহিবুল্লাহ ফরহাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা নুরুল আফসার ভূঞা, ফেনী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি নুরুল করিম মজুমদার, আবু তাহের, বখতেয়ার ইসলাম মুননা, ফেনী প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শওকত মাহমুদ, দৈনিক স্টার লাইন পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক মাঈন উদ্দিন ও সাপ্তাহিক স্বদেশপত্র সম্পাদক এনএন জীবন। বক্তব্য রাখেন ওয়াইজেএফবি কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা নাজমুল হক শামীম, ফেনী শাখার সহ-সভাপতি আতিয়ার সজল, যুগ্ম সম্পাদক এবিএম নিজাম উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল্লাহ আল-মামুন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জাবেদ হোসাইন মামুন, প্রচার সম্পাদক শরিফ ভূঞা, সদস্য মোতাহের হোসেন ইমরান। বক্তারা সংবাদ সংগ্রহ, খবর প্রকাশ করতে গিয়ে সংবাদকর্মীরা নানাভাবে হয়রানি, হুমকি, ধামকি, হামলা-মামলার শিকারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করতে প্রেস কাউন্সিলের মাধ্যমে আইন প্রনয়নের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফেনী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আজিজ আহম্মদ চৌধুরী বলেন, বর্তমান সরকার সাংবাদিকদের অবাধ তথ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করেছে। এ সরকারের সময়ে গণমাধ্যমের ব্যাপক প্রসার ও উন্নয়ন ঘটেছে। সাংবাদিকদের কল্যাণে প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক প্রচেষ্টায় আলাদাভাবে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করা হয়েছে। সৎ সাংবাদিকতা চর্চার মাধ্যমে সমাজ বিনির্মাণে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
উপজেলা চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমাকে গুলি করে হত্যা রাঙ্গামাটিতে
রাঙ্গামাটি জেলার নানিয়ারচর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (এমএনলারমা) সহসভাপতি এডভোকেট শক্তিমান চাকমাকে (৫৫) গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে যাওয়ার পথে তাকে গুলি করা হয়। এসময় তার সহকারী রুপম চাকমাও (৩৫) গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে মোটরসাইকেলযোগে শক্তিমান চাকমা তার উপজেলা পরিষদ চত্বরের সরকারি বাসভবন থেকে বাজারে যান। সেখান থেকে বেলা ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদের সামনে মোটরসাইকেল থেকে নামতেই তাকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস-এমএনলারমা) সহসম্পাদক প্রশান্ত চাকমা জানান, সকালে তিনি অফিসে যাওয়ার পথে ইউপিডিএফ’র লোকজন মোটরসাইকেলে এসে ব্রাশফায়ার করে। এসময় তার সহকারী রুপম চাকমা আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তিনি ইউনাইটেড পিপল্স ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টকে (ইউপিডিএফ) দায়ী করেছেন। তবে ইউপিডিএফ’র মুখপাত্র নিরন চাকমা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এটা মিথ্যা ও বানোয়াট। এ ঘটনার সাথে ইউপিডিএফ’র কোনও সম্পৃক্ততা নেই। নানিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল লতিফ জানান, শক্তিমান চাকমা লাশ নানিয়ারচর হাসপাতালে রাখা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রাঙ্গামাটিতে নেয়া হবে। উল্লেখ্য, শক্তিমান চাকমা ইউপিডিএফ সমর্থিত হিল উইমেন্স ফেডারেশনের নেত্রী মন্টি চাকমা ও দয়াসোনা চাকমা অপহরণ মামলার প্রধান আসামি ছিলেন।
নোয়াখালীর কবিরহাটে প্রধানমন্ত্রীর ছবি বিকৃত করার অভিযোগে আটক ১
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছবি বিকৃত করে ফেসবুকে শেয়ার করার অভিযোগে নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার ধানসিঁড়ি ইউনিয়ন থেকে ইসমাইল হোসেন শামীম (৩৮) নামের এ ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটককৃত ইসমাইল হোসেন শামীম ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের নলুয়া গ্রামের আবুল কালামের ছেলে ও স্থানীয় নলুয়া ভূঁইয়ারহাট বাজারের একজন ব্যবসায়ী। থানা সূত্র জানায়, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকের একটি আইডিতে পোস্ট করা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের’এর একটি বিকৃত ছবি শামীম তার আইডি থেকে শেয়ার করে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকালে নলুয়া ভূঁইয়ারহাট বাজারে অভিযান চালিয়ে নিজ দোকান থেকে তাকে আটক করা হয়। কবিরহাট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নিবু রঞ্জন জানান, অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় পুলিশ বাদী হয়ে আটক শামীমের বিরুদ্ধে তথ্য ও প্রযুক্তি আইনে একটি মামলা দায়ের করেছে। দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হবে।
তাসপিয়াকে তুলে দেয় তার গ্রুপের হাতে আদনানই !
আদনান-তাসপিয়ার প্রেমের সম্পর্ক ভালোভাবে নেয়নি তাসপিয়ার পরিবার। তাই আদনানকে ডেকে শাসায় তারা। আর এটাকে ভালোভাবে নেয়নি আদনান। তাই তাসপিয়াকে কৌশলে সে রিচ কিডস গ্রুপর হাতে তুলে দেয়। এরপর তার লাশ চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সীবিচে পাওয়া যায়। জিজ্ঞাসাবাদে আদনান পুলিশকে এসব তথ্য জানিয়েছে বলে দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে। পুলিশ এ হত্যাকাণ্ডের এখনো রহস্য উম্মোচন করতে পারেনি। তবে পুলিশ আশা করছে, ওই গ্রুপের চারজন এবং বড় দুই ভাইকে আটক করতে পারলেই হত্যার রহস্য উম্মোচন করা সহজ হবে। পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। রিচ কিডস গ্রুপ চট্টগ্রামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকভিত্তিক একটি গ্রুপ। আর এই গ্রুপের প্রধান হচ্ছে তাসপিয়ার প্রেমিক ধনাঢ্য ব্যবসায়ীর ছেলে স্কুলছাত্র আদনান মির্জা। এই গ্রুপে আরো রয়েছে নগরের ইংলিশ মিডিয়ামে অধ্যয়নরত কোটিপতি বাবার সন্তানরা। এ ব্যাপারে সিএমপি পতেঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি-তদন্ত) গাজী মো. ফৌজুল আজিম বলেন, বুধবার রাতে আদনানকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করে, তাসপিয়ার ফেসবুক তার বাবা বন্ধ করে দেয়ায় সে তার (আদনান) সাথে যোগযোগ করতো ইনস্টাগ্রামে। তিনি বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নগরীর গোলপাহাড় মোড়ে চায়না গ্রিল নামে চাইনিজ রেস্টুরেন্টে তাসপিয়াকে নিয়ে প্রেমের এক মাস পূর্তি উৎসব করে আদনান। এরপর তাসপিয়াকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে দেয় সে। ওসি বলেন, যাওয়ার সময় আদনানকে জানিয়ে যায়, তাসপিয়া নিজাম রোডের ৫নং সড়কে তার এক বান্ধবীর বাসায় জন্মদিনের অনুষ্ঠানে যাবে। এরপর থেকে আদনান আর কিছু জানে না বলে পুলিশকে জানিয়েছে। কিন্তু নাম প্রকাশ না করার শর্তে পুলিশের দায়িত্বশীল একটি সূত্রে জানা গেছে, মেয়ের সাথে সম্পর্ক মেনে না নেয়া এবং শাসানোর প্রতিশোধ নিতেই আদনান তাসপিয়াকে তার গ্রুপের সদস্যদের হাতে তুলে দেয়। ওই সূত্রটি জানায়, তাসপিয়াকে যে সিএনজিচালিত অটোরিকশাতে তুলে দেয় আদনান, সেই অটোরিকশার পেছনেই ছিল দুটি মোটরসাইকেলে চার যুবক। এ চারজন যুবক আদনানের পরিচালিত রিচ কিডস গ্রুপর সদস্য। পরে নিজের দোষ আড়াল করতে তাসপিয়াকে তার পরিবারের সাথে খুঁজতে বের হয় আদনান। আদনান চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার পদুয়া ইউনিয়নের ধনাঢ্য ব্যবসায়ী ইসকান্দর মির্জার ছেলে। চট্টগ্রাম মহানগরের খুলশী থানা এলাকার দক্ষিণ খুলশী মুরগী ফার্ম জালালাবাদ আবাসিকের রয়েল পার্ক বিল্ডিংয়ে আদনানদের বসবাস। স্কুলছাত্রী তাসপিয়া হত্যাকাণ্ডের ১৫ ঘণ্টার মাথায় তাকে আটক করে পুলিশ। আদনান নগরীর সানশাইন গ্রামার স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেণিতে পড়তো। একই স্কুলের নবম শ্রেণিতে পড়তো তাসপিয়া আমিন। দুইজনের ছিল বেশ জানাশোনা। তবে চলতি বছরের জানুয়ারিতে আদনানকে তার বাবা ভর্তি করে দেন বাংলাদেশ অ্যালিমেন্টারি স্কুলে। ভিন্ন স্কুলে পড়লেও বন্ধুদের মাধ্যমে তাসপিয়ার ফেসবুক আইডি সংগ্রহ করে যোগাযোগ রক্ষা করতে থাকে আদনান। তাদের সম্পর্কটি গত এক মাস আগে প্রেমে গড়ায়। বিষয়টি জেনে যায় তাসপিয়ার মা-বাবা। এ কারণে কয়েকদিন আগে তাসপিয়াকে শাসান বাবা মোহাম্মদ আমিন। বন্ধ করে দেন তার ফেসবুক আইডি। একই সাথে আদনানকে ডেকে কড়া ভাষায় বলে দেন মেয়ের পথ থেকে সরে যেতে। এই শাসানোটা ভালোভাবে নেয়নি আদনান। আর অবুঝ তাসপিয়াও মনকে বুঝাতে পারেনি বাবার বাধার কারণ। তাসপিয়ার ব্যবসাযী বাবা মোহাম্মদ আমিন মঙ্গলবার বিকেলে নামাজ পড়তে গিয়েছিলেন মসজিদে। বাসায় তাসপিয়ার মা নাইমা ব্যস্ত ছিলেন গৃহস্থালী কাজে। আর এ সময় বাসার কাউকে কিছু না জানিয়ে বেরিয়ে যায় তাসপিয়া। নামাজ পড়ে এসে মেয়েকে বাসায় না পেয়ে বিচলিত হন বাবা। শুরু হয় খোঁজাখুঁজি। ওইদিন সন্ধ্যায় আদনানকে ডেকে কথা বলেন তাসপিয়ার বাবা। আমিনের সাথে আদনানও তাসপিয়াকে খুঁজতে বরে হয়। এরপর মেয়েকে না পেয়ে রাত ১০টার দিকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয় আদনানকে। তাসপিয়ার এক স্বজন জানান, রাত ১০টায় আদনাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়ার পর পরই তাদের বাসায় হাজির হন পুলিশের তালিকাভুক্ত দুই সন্ত্রাসী ফিরোজ ও আকরাম। তিনি জানান, তারা আদনানকে ছেড়ে দিতে সময় বেধে দেন। মেয়েকে ফিরে পাবেন এই আশায় মোহাম্মদ আমিন পুলিশকে আদনানকে ছেড়ে দিতে বলেন। এর পর রাত ১১টার দিকে থানা থেকে আদনানকে নিয়ে যান বড় ভাই ফিরোজ ও আকরাম। কিন্তু কথিত দুই বড় ভাই তাদের কথা মতো তাসপিয়াকে ফেরত না পাওযায় বুধবার আদনানকে আটক করে পুলিশ। পুলিশ এই দুই বড় ভাইকেও খুঁজছে। পুলিশ জানায়, আজ বৃহস্পতিবার আদনানকে আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানানো হবে। তাসপিয়ার বাবা মোহাম্মদ আমিন জানান, আজ বৃহস্পতিবার তার মেয়ের ময়নাতদন্ত শেষ হবে। এর পরই লাশ নিয়ে যাবেন টেকনাফ পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের ডেইলপাড়া গ্রামে। সেখানে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। এর আগে বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত এলাকা থেকে তাসপিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে নগরের পতেঙ্গা থানা পুলিশ।
জগন্নাথ ফার্মেসী শুভ উদ্ধোধন বৈদ্দ্যেরহাট বাজারে
ভুজপুর ও ফটিকছড়ি থানা অন্তর্গত বৈদ্দ্যেরহাট বাজারে জগন্নাথ ফার্মেসী শুভ উদ্ধোধন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত জগন্নাথ ফার্মেসী উদ্ধোধন শুভ করেন, পন্ডিত নিরোদ লীলা গীতা বিদ্যা পীঠ ও সূর্যগিরি আশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা, লেখক, গবেষক লায়ন ডাঃ বরুন কুমার আচার্য বলাই। উক্ত শুভ উদ্ধোধনের সময় উপস্থিত ছিলেন, বারমাসিয়া এ.কে উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক মাস্টার মোঃ নুরুল আলম, বৈদ্দ্যেরহাট বাজারের সভাপতি মোঃ মাহবুল আলম, হাজী মোহাম্মদ মুন্সি মিয়া সওঃ, মাস্টার মোঃ মিয়াজান, পণ্ডিত তরুণ কুমার আচার্য কৃষ্ণ, বাবুল নাথ, কৃষ্ণ বৈদ্য, নিলু দাশ, দয়াল দত্ত, শিপ্রা বসু মল্লিক, মানিক বড়–য়া, সাংবাদিক সমীর কান্তি দাশ, ঝন্টু শীল, রুবেল শীল, সাংবাদিক এম.ডি.ত্রিপুরা সুজন, ডাঃ রনি শীল (দীপু), মোঃ আব্দুল হাকিম, রিংকন বণিক, মোঃ লিয়াকত, রুবেল বিশ্বাস, বিশ্বজিৎ ধর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনকালে উদ্বোধক বলেন চিকিৎসা পেশার মানবসেবার উত্তম মাধ্যম। পবিত্রতার সহিত করতে পারলে সমাজ ও জাতি উপকৃত হবে। তাই দুঃস্থ গরীবের কমমূল্যে সেবা প্রদান করার জন্য অনুরোধ জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রামে ৮৯ বছরে এই প্রথম একটি সরকারী প্রাইমারী স্কুলের পুনর্মিলনী
চট্টগ্রামের হাটহাজারী সদরে প্রতিষ্ঠিত ফটিকা রহমানিয়া সরকারী প্রাইমারী স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের পুনর্মিলনী ২৯ এপ্রিল রোববার বেলা ১০টায় স্কুলের মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য, ১৯৩১ খ্রি:-এ চট্টগ্রামের কৃতিসন্তান মরহুম আবদুল লতিফ উকিল এই স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের মূল পর্ব স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর মো: জাকেরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন প্রবীণ সাংবাদিক ও মুক্তিযোদ্ধা, বিশ্ব প্রেস কাউন্সিল নির্বাহী পরিষদ সাবেক সদস্য মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত। প্রধান অতিথি ছিলেন হাটহাজারী উপজেলা চেয়ারম্যান মাহবুবুল আলম চৌধুরী। বকত্ব্য রাখেন ইঞ্জিনিয়ার মহিবুল হক, হাটহাজারী পৌর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম, সমাজকর্মী ওহীদুল আলম, এড. রিয়াজ উদ্দিন, সাইফুদ্দিন শিবলী, মো: শাহজাহান, সাংবাদিক আসলাম পারভেজ মিন্টু প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা ফরিদা বেগম, ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য রাখেন পুনর্মিলনী উদ্যাপনের মূল উদ্যোক্তা মোমিন বাদশা ও মোহাম্মদ রাশেদ। উদ্বোধনী বক্তব্যে সাংবাদিক ও মুক্তিযোদ্ধা মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত বলেন, প্রতিষ্ঠার গত ৮৯ বছরের মধ্যে যাঁরা এই স্কুলের ছাত্র ছিলেন তাঁদের মধ্যে অনেকেই মন্ত্রী, জনপ্রতিনিধি, চেয়ারম্যান, সচিব, উচ্চপদস্থ সরকারী কর্মকর্তা, আইনজীবী, সাংবাদিক, শিক্ষক, মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। কিন্তু, আমরা কেউ স্কুলের সার্বিক উন্নয়নে যথাযথ দায়িত্ব পালন করতে পারিনি। তিনি বলেন, ইতিহাস শিক্ষণীয় হয়, ইতিহাসে হস্তক্ষেপ ও বিকৃতি খেয়ানতের সামিল। যারা জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছেন অর্থ ও সম্পদ দিয়ে তাদের মর্যাদার সাথে স্মরণ করা সকলের দায়িত্ব। প্রধান অতিথি হাটহাজারী উপজেলা চেয়ারম্যান মাহবুবুল আলম চৌধুরী বলেন, দেশের অন্যতম কৃতিসন্তান মরহুম আবদুল লতিফ উকিল ১৯৩১ সালে ফটিকা রহমানিয়া প্রাইমারী স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। এই স্কুলের যেমন ঐতিহ্য রয়েছে তেমনি স্কুলের প্রাক্তন ছাত্ররা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে গেছেন। দেশ, সমাজ, রাজনীতি, প্রশাসন সর্বক্ষেত্রে এই স্কুলের প্রাক্তন ছাত্ররা নেতৃত্ব দিয়ে আলোক উজ্জ্বল অবদান রেখেছেন। উদ্বোধনী পর্বের পর স্কুলের প্রাক্তন ছাত্ররা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও মধ্যহ্ন ভোজের আয়োজন করেন। প্রস বিজ্ঞপ্তি

সারা দেশ পাতার আরো খবর