গাজীপুরে বিএনপি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ
অনলাইন ডেস্ক :গাজীপুর জেলা শহরের রাজবাড়ী রোডের পাশে অবস্থিত গাজীপুর জেলা বিএনপির কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কয়েকজন যুবক জেলা বিএনপির কার্যালয়ে প্রবেশ করে। এসময় কার্যালয়ের চেয়ার, টেবিলসহ আসবাবপত্রে দাহ্য পদার্থ ঢেলে অগ্নিসংযোগ করে পালিয়ে যায় তারা। পরে মুহূর্তের মধ্যে আগুন পুরো কার্যালয়ে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে জয়দেবপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভায়।আগুনে ওই কার্যালয়ের দেয়ালে বাঁধানো বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য প্রয়াত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আ স ম হান্নান শাহ, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র অধ্যাপক এমএ মান্নান ও জেলা বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক মিলনের ছবিসহ ওয়ালমেট ও আসবাবপত্র পুড়ে গেছে। সদ্য ঘোষিত গাজীপুর মহানগর যুবদল থেকে পদবঞ্চিত হওয়ায় গাজীপুর ছাত্রদল নেতা মাহমুদ হাসান রাজুর নেতৃত্বে এ ঘটনাটি ঘটানো হয়েছে বলে জানা যায়। তবে এ ব্যাপারে বিএপির কোনও নেতা নিশ্চিত করে কিছুই বলতে পারেনি।জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুল জানান, বিএনপি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে এটা ঠিক। তবে ঘটনাটি কে বা কারা ঘটিয়েছে তা এখনো নিশ্চিত করে জানা যায়নি।বিএনপির কেউ জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রকৃত ঘটনা জানতে একটি টিম গঠন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।জয়দেবপুর ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. জাকির হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় আধাঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নেভায়। আগুনে ওই কার্যালয়ের আসবাবপত্র পুড়ে গেছে।
সিডিএ-জেলা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর ত্রিপক্ষীয় বৈঠক, আগ্রাবাদ-হালিশহরে জলাবদ্ধতার কারণ চিহ্নিত
আগ্রাবাদ-হালিশহর এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার যথাযথ কারন চিহ্নিত করা হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে জলাবদ্ধতার কারণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম, চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার নুরুল আলম মিনা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জলাবদ্ধতা প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক লেঃ কর্ণেল রেজাউল করিমসহ সিডিএ, জেলা পুলিশ এবং প্রকল্পের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান সিইজিআইএস (CEGIS)--এর প্রকৌশলীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে পুলিশ সুপার বলেন ১৯৮১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই পুলিশ লাইনটির জন্য জমি অধিগ্রহণ করা হয় ১৯৭৮ সালে। সেই থেকে ধীরে ধীরে এই পুলিশ লাইনের বিভিন্ন স্থাপনা গুলো নির্মান করা হয়েছে। পুলিশ লাইনটি রামপুরা খাল নামে খ্যাত মহেশখালের শাখা খালটির পাড়ে অবস্থিত হওয়ায় হালিশহর এলাকার সব ড্রেনের পানি পুলিশ লাইনের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে রামপুর খালে গিয়ে পড়ে। অতিবৃষ্টির সময় বা জোয়ারের সময় উক্ত খালটি উপচিয়ে পুলিশ লাইন ডুবে যায়। পুলিশ লাইনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, অস্ত্রাগারসহ অফিস এবং পুলিশ ব্যারাক রয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ হতে অনেকবার চেষ্টা করা হলেও সমাধান করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে পুলিশ সুপার সিডিএ চেয়ারম্যানের সহায়তা কামনা করেন। সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম বলেন, জলাবদ্ধতার এ সমস্যা দীর্ঘদিনের। হালিশহর, আগ্রাবাদ, শান্তিবাগ, সিডিএ আবাসিক এলাকার জনসাধারনের সাথে জেলা পুলিশের সাথে দীর্ঘদিনের বিরোধ সমাধানকল্পে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হচ্ছে। বর্তমানে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃক গৃহীত জলাবদ্ধতা প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্র্র্তৃক জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে, এখন সমাধান হবে। এ বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক এবং প্রকল্পের পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিকে তাদের পরিকল্পনা উপস্থাপনের নির্দেশনা প্রদান করেন। পরামর্শক প্রতিষ্ঠানকে উক্ত এলাকার ড্রেনেজ লে-আউট ও ডিজাইন তৈরি করে পুলিশ লাইনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত ড্রেনগুলো পরিষ্কার এবং প্রশস্থকরনের পাশাপাশি রামপুর খালটি পরিষ্কার করে পানি প্রবাহের ব্যবস্থা করা আহবান জানান। এতে করে জেলা পুলিশ লাইন, হালিশহর, আগ্রাবাদ, শান্তিবাগ, সিডিএ আবাসিক, গোসাইলডাঙ্গা, ছোটপুল এলাকার জনসাধারণ জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে। সভা শেষে সিডিএ চেয়ারম্যান, সেনাবাহিনী প্রতিনিধি এবং পুলিশ সুপার, প্রকল্পের পরামর্শক পুরো এলাকাটি পরিদর্শন করেন। এসময় সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম আরো বলেন, আগ্রাবাদ ছোটপুল পুলিশ লাইনের পাশের কালভার্টের নিচ দিয়েই প্রবাহিত হয়েছে মহেশ খাল। কালভার্টের উপর দাঁড়ালে উভয় পাশে থাকালে বোঝার উপায় নেই নিচে একটি খাল রয়েছে। একসময় এই খালটি যথেষ্ট প্রবাহমান ছিল। কয়েক বছর আগেও বাঁশ ব্যবসায়ীরা এই খালটি দিয়ে বাঁশের মাচা নিয়ে আসতেন। কিন্তু গার্মেন্টেসের নিক্ষিপ্ত বর্জ্য, পলিথিন, ফোম, প্লাস্টিকসহ নানা ধরণের আবর্জনায় খালটি এখন ভরাট হয়ে গেছে। খনন না করায় এবং পানিপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় খালের উপর গাছ গাছড়ায় ভরে গেছে। তাছাড়া খাল দখল করে বেশকিছু স্থায়ী স্থাপনা গড়ে তুলেছেন দখলদারেরা। বৈঠকে আরো জানানো হয়, পুলিশ লাইনের কালভার্টে বাধের কারণে পুলিশ লাইন রক্ষা হলেও হালিশহর, শান্তিবাগ, সিডিএ আবাসিক, গোসাইলডাঙ্গা, ছোটপুল এলাক পানিতে তলিয়ে যায়। এখন বৃষ্টি হলেই পানি উঠে। কিন্তু নামতে চায় না। তিনি এলাকাবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেন, দ্রুত এসমস্যা সমাধানের বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কাজ শুরু করবে। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিডিএ বোর্ড সদস্য জসিম উদ্দিন শাহ, কেবিএম শাহজাহান, প্রকল্পের পরিচালক আহমেদ মঈনুদ্দিন, সহকারী প্রকল্প পরিচালক কাজী কাদের নেওয়াজ প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
আন্জুমানে রজভীয়া নূরীয়ার সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আল্লামা নূরী, যৌতুক ও মাদকের বিরুদ্ধে যুবসমাজকে এ
আন্জুমানে রজভীয়া নূরীয়া বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান পীরে তরিক্বত আল্লামা আবুল কাশেম নূরী বলেন, যৌতুক ও মাদকাসক্তি সমাজের সবচেয়ে ঘৃণিত ব্যাধি। যৌতুকের কারণে যেভাবে একটি পরিবার নষ্ট হয়, ঠিক মাদকের কারণে ধ্বংস হয় একটি সমাজ ও দেশ। তিনি আরো বলেন, গত দশ বছর যাবত আন্জুমানে রজভীয়া নূরীয়া যৌতুকের বিরুদ্ধে দেশ-বিদেশে সেমিনার, সমাবেশসহ বিভিন্নভাবে আন্দোলন করে আসছে। আগামীতে যৌতুক বিরোধী মহাসমাবেশের পাশাপাশি মাদকাসক্তির বিরোদ্ধেও সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে তিনি জানান। সাথে সাথে যৌতুক ও মাদকের বিরুুদ্ধে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহবান জানান। গতকাল ২ জুলাই সোমবার বিকেলে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আন্জুমানে রজভীয়া নূরীয়া কাতার শাখার সভাপতি আলহাজ কাজী মুহাম্মদ ফোরকান রেজা স্বদেশ গমন উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানকালে সভাপতির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত মন্তব্য করেন। রজভীয়া নূরীয়া ইসলামী সাংস্কৃতিক ফোরামের সভাপতি শায়ের মুহাম্মদ মাছুমুর রশিদ কাদেরীর সঞ্চালনায় সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আন্জুমানে রজভীয়া নূরীয়া বাংলাদেশের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব সৈয়দ মুহাম্মদ সেলিম, সাংগঠনিক সচিব মুহাম্মদ মিয়া জুনায়েদ, সহ-সাংগঠনিক সচিব মুহাম্মদ ফরিদুল আলম, দপ্তর সচিব মাওলানা আব্দুল কাদের রেজভী, উত্তর জেলা প্রচার সম্পাদক মুহাম্মদ মিনহাজ সিদ্দিকী, মুহাম্মদ জাহেদ, মুহাম্মদ রাশেদ, মুহাম্মদ ইব্রাহিম, মুহাম্মদ বরাত, মুহাম্মদ রুহুল আমিন প্রমূখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
মা, ভাই ও খালাকে কুপিয়ে হত্যা
পাবনার বেড়া উপজেলায় মা, ছোটভাই ও খালাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তুহিন (২১) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। বুধবার ভোর ৪টার দিকে উপজেলার সোনাপদ্মা তারাবটতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে তুহিন। নিহতরা হলেন— তুহিনের মা বুলি খাতুন (৪০), ছোট ভাই তুষার (১০) ও খালা মরিয়ম (৫০)। বেড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশীষ বিন হাসান জানান, ভোরে একটি ধারালো চাপাতি দিয়ে তুহিন বাড়িতে ঘুমিয়ে থাকা মা, ভাই ও খালাকে কুপিয়ে হত্যা করে। এ সময় পাশের ঘর থেকে তুহিনের স্ত্রী ও প্রতিবেশীরা এলে পালিয়ে যায় তুহিন। তুহিন মানসিক ভারসাম্যহীন বলে তার স্ত্রী দাবি করলেও পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলেও জানান তিনি। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরো জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। তুহিনকে গ্রেফতারে অভিযান শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় বেড়া থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
দাবি আদায় না করে ঘরে ফিরে যাবে না সাংবাদিক সমাজ
নগরের ম্যাক্স হাসপাতালে ভুল চিকিৎসা ও চিকিৎসকের অবহেলায় সমকালের সাংবাদিক রুবেল খানের আড়াই বছরের শিশু রাইফা খানকে হত্যার বিচারে তিন দফা দাবি আদায় না করে ঘরে ফিরে যাবে না সাংবাদিক সমাজ। ওসি ও সাংবাদিকদের হুমকিদাতা চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যখাতকে জিম্মিকারী ডা. ফয়সল ইকবালের হাতে জিম্মি চট্টগ্রামের ১ কোটি স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণকারী মানুষকে মুক্ত করবে সাংবাদিক-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন। রাইফা মৃত্যুর তদন্ত প্রভাবিত করলে আগামী রোববার (০৮ জুলাই) থেকে লাগাতার আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ। মঙ্গলবার (০৩ জুলাই) চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন আয়োজিত সাংবাদিক-জনতার সমাবেশে বক্তারা এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে রাইফা হত্যার ঘটনায় অবৈধ-অনুমোদনহীন ম্যাক্স হাসপাতাল বন্ধ, অভিযুক্ত চিকিৎসকদের শাস্তি ও কথায় কথায় মানুষ জিম্মিকারী ডা. ফয়সল ইকবালের চিকিৎসা সনদ বাতিলেরও দাবি জানানো হয়। ভুল চিকিৎসায় শিশু রাইফা খানের মৃত্যুর প্রতিবাদে সিইউজে আয়োজিত সাংবাদিক-জনতার সমাবেশে বক্তব্য দেন বিএফইউজের যুগ্ম মহাসচিব তপন চক্রবর্তী। ছবি: বাংলানিউজচট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি নাজিমুদ্দীন শ্যামলের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক হাসান ফেরদৌসের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন-চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি কলিম সরোয়ার, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সহ-সভাপতি শহীদ উল আলম, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শুকলাল দাশ, বিএফইউজের কেন্দ্রীয় নেতা মোল্লা জালাল, সিইউজের সাবেক সভাপতি মোস্তাক আহমেদ, রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, সিইউজে সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আলী, বিএফইউজের যুগ্ম মহাসচিব তপন চক্রবর্তী, প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী আবুল মনসুর, যুগ্ম সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, সিইউজের যুগ্ম সম্পাদক সবুর শুভ, বাংলাদেশ ফটো সাংবাদিক এসোসিয়েশনের সভাপতি দিদারুল আলম, একুশে টিভির আবাসিক সম্পাদক রফিকুল বাহার, সমকালের ব্যুরো প্রধান সারোয়ার সুমন, ম্যাক্স হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় মারা যাওয়ার ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য স্বামী হারানো নাজমা আক্তার মিতা ও বিচারকের স্ত্রী সায়মার মা নারগিস বেগম, পরিবেশবিদ ড. ইদ্রিস আলী, চট্টগ্রাম ১৪ দলের নেতা মিতুল দাশ গুপ্ত, নগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ মাহমুদ, ওয়ার্কাস পার্টি চট্টগ্রাম মহানগরের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শরীফ চৌহান, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক। বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর
লামায় পাহাড় ধসে ৩ জনের মৃত্যু
বান্দরবানের লামা উপজেলায় এক পরিবারের শিশুসহ ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার সরই ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি কালাইয়া পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।মৃতরা হলেন, কালাইয়া পাড়ার বাসিন্দা মো. মাঈন উদ্দিনের ছেলে মো. হানিফ (৩০), হানিফের স্ত্রী রেজিয়া খাতুন (২৫) ও মেয়ে হানিফা আক্তার (৩)। পরিবারের অন্য সদস্যরা ঘরের বাহিরে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান তারা।স্থানীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার সকাল থেকে টানা বর্ষণ শুরু হয়। এ সময় মঈন উদ্দিনের বসতঘরের ওপর আচমকা পাহাড় ধসে পড়ে। এতে ঘুমন্ত মো. হানিফ, তার স্ত্রী ও সন্তান মারা যায়। খবর পেয়ে দেলোয়ার হোসেন ও আবদুল জব্বারসহ স্থানীয়রা মৃতদের লাশ উদ্ধার করেন।পাহাড় ধসে শিশুসহ ৩ জনের মৃত্যুর সত্যতা সরই ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মো. আশ্রাফ আলী নিশ্চিত করে বলেন, নিহতদের ঘর থেকে পাহাড় প্রায় ২০০ফুট দূরে। এত দূর থেকে পাহাড়ে মাটি এসে মাটির ঘর চাপা পড়ে মৃত্যুর ঘটনা আশ্চার্য জনক। এ বিষয়ে লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ-জান্নাত রুমি বলেন, পাহাড় ধসে শিশুসহ ৩ জনের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে যাচ্ছি ।
চট্টগ্রামে ওয়াসার লাইন সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন
চট্টগ্রামের হালিশহরসহ বিভিন্ন এলাকায় পানিবাহিত রোগ ও হেপাটাইটিস-ই ছড়িয়ে পড়ায় ওয়াসার লাইন সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী।মঙ্গলবার সকালে নগরীর ওয়াসা কার্যালয়ের সামনে সিডিএ ও হালিশহরবাসীর উদ্যোগে এ মানববন্ধন হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ওয়াসার পানিতে ময়লা ও দুর্গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। টানা বৃষ্টিতে নগরীতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় ওয়াসার পাইপ ফেটে ওই পানির সঙ্গে মিশে জন্ডিস, টাইফয়েড ও ডায়রিয়াসহ পানিবাহিত নানা রোগ ছড়িয়ে পড়ছে। বেশ কয়েকবার বিষয়টা জানানো হলেও ওয়াসা কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। অবিলম্বে ওয়াসার পাইপগুলো মেরামত ও নতুন পাইপ লাগানোর দাবি জানান তারা।
ভারী বৃষ্টিতে সীমাহীন দুর্ভোগে নগরবাসী
ভারী বৃষ্টিতে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছেন নগরবাসী। চকবাজার, কাপাসগোলা, বাকলিয়া, আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিক, বেপারি পাড়াসহ নিম্নাঞ্চলে জমেছে হাঁটুপানি। জোয়ারের সঙ্গে ক্রমে বাড়ছে সেই পানি। যথারীতি রাস্তাঘাটে কমে গেছে যানবাহন। রিকশা ও সিএনজি অটোরিকশার ভাড়া হাঁকা হচ্ছে দ্বিগুণ। বিদ্যালয়গুলোতে দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা থাকায় শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা বৃষ্টি উপেক্ষা করে ঘর থেকে বেরিয়েছেন। ছিন্নমূল মানুষ ও খেটে খাওয়া মজুরদের কষ্ট বেড়েছে বেশি। হালিশহরসহ যেসব এলাকায় ওয়াসার পানি সরবরাহ কম সেখানকার বিভিন্ন পরিবারের সদস্যদের বৃষ্টির পানি সংগ্রহ দেখা গেছে। পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস মঙ্গলবার (৩ জুলাই) সকাল নয়টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ১২৯ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করেছে। সহকারী আবহাওয়াবিদ আবদুল হান্নান জানান, বর্ষা মৌসুমের বৃষ্টি হচ্ছে। এটি অব্যাহত থাকবে। দু-এক জায়গায় বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। তিনি জানান, সকাল ১০টায় জোয়ার শুরু হয়েছে। বিকেল পৌনে তিনটায় জোয়ারের পানি সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছাবে। এরপর থেকে ভাটা শুরু হবে। রাত সাড়ে ১০টা থেকে আবার জোয়ার আসা শুরু হবে। চকবাজার এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ সোহেল রানা জানান, সিডিএ আবাসিকের নিচতলার ভাড়া বাসায় ছিলাম। জোয়ার-ভাটার পানি থেকে বাঁচতে চকবাজার এলাকায় এসেছি। এখন এখানেও দেখছি নিচতলা বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠছে। পানির জন্য হাঁটাচলা দায় হয়ে পড়েছে। এদিকে, ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ফটিকছড়ি, রাউজান, পটিয়াসহ বিভিন্ন উপজেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যা দেখা দিয়েছে।সুএ:আরটিভি অনলাইন ।
মোপলেসর উদ্যোগে প্রয়াত মরিয়ম খাতুনের শোকসভা অনুষ্ঠিত
মোরা পত্র লেখক সমাজ (মোপলেস) চট্টগ্রাম এর উদ্যোগে ২৯ জুন ২০১৮ শুক্রবার সন্ধ্যায় কদম মোবারক এম.ওয়াই উচ্চ বালক-বালিকা বিদ্যালয়ে প্রয়াত মরিয়ম খাতুনের (সমাজসেবক এম.এ. সবুরের মাতা) শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষক বাবুল কান্তি দাশের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথির আসন অলংকিত করেন সাবেক সিনিয়র সহকারী জজ, প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক এড. মনজুর মাহমুদ খান। উদ্বোধক হিসেবে ছিলেন নাট্য অভিনেতা, মিডিয়া ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সজল চৌধুরী। প্রধান আলোচক ছিলেন সমাজসেবক, শিক্ষা ও সংস্কৃতি অনুরাগী এম.এ. সবুর। স্বাগত বক্তব্য রাখেন মোপলেস সভাপতি সজল দাশ, শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক অচিন্ত্য কুমার দাশ। এতে আরো বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট চট্টগ্রাম জেলার সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম, শিল্পী কাজল দত্ত, শিল্পী নারায়ণ দাশ, ডা: মো: জামাল উদ্দিন, কবি আসিফ ইকবাল, সাংবাদিক ওসমান জাহাঙ্গীর, সাংবাদিক কামাল হোসেন, সাংবাদিক রোকন উদ্দিন, সংগঠক স.ম জিয়াউর রহমান, সুমন চৌধুরী। উপস্থিত ছিলেন খায়রুল আলম, এম এইচ সোহেল, নুর জাহান আক্তার কলি ও মো: জাফর আলম প্রমুখ। প্রধান অতিথি মনজুর মাহমুদ খান বলেন, এম.এ. সবুরের মাতা মরিয়ম খাতুন একজন রতগর্ভা মা ছিলেন। তাঁর চার পুত্র আজ সামাজিক কর্মকা-ের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন। পৃথিবীতে মায়ের মতন আপন কেউ নেই। তাই মাকে শ্রদ্ধা ও ভক্তি করা সকলের জন্য মঙ্গলময়। মোপলেস এর পক্ষ থেকে মরিয়ম খাতুনকে নিয়ে শোক সভার আয়োজন করার জন্য তিনি সংগঠনের কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। উদ্বোধক সজল চৌধুরী বলেন, প্রয়াত মরিয়ম খাতুন একজন আদর্শবান, ন্যায়পরায়ণ ও পরোপকারী মহিলা ছিলেন। তিনি তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। প্রধান আলোচক সমাজসেবক এম.এ. সবুর তার মায়ের কার্যক্রম আলোকপাত করে বক্তব্য উপস্থাপন করেন এবং বলেন, তিনি তার মায়ের মুখে শুনেছেন- তার বয়স যখন ৭ মাস তখন স্বাধীনতা যুদ্ধ চলছে। তাঁর মা স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের নিজের হাতে রান্না করে খাবার পরিবেশন করেছেন। এজন্য তিনি খুবই গর্বিত। সভার সভাপতি শিক্ষক বাবুল কান্তি দাশ বলেন, বর্তমানে স্বার্থ ছাড়া কেউ কোনো কাজ করে না। মোপলেস সেদিক থেকে ব্যতিক্রম। আজকের শোকসভার অনুষ্ঠানটি তাই প্রমাণ করে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

সারা দেশ পাতার আরো খবর