গুলশানে গারো মা-মেয়েকে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী গ্রেফতার
রাজধানীর গুলশানে গারো মাকে শ্বাসরোধে ও মেয়ে সুজাতাকে ধারালো অস্ত্রের আঘাত করে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারীসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। মূল পরিকল্পনাকারীর নাম সঞ্জিত। গেলো মঙ্গলবার মধ্যরাতে রাজধানীর গুলশান-২ এর কালাচাঁদপুর এলাকায় একটি ভাড়া বাসা থেকে গারো সম্প্রদায়ের মা বেচেথ চিরান ও মেয়ে সুজাতার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করতে পারেনি তারা। এ ঘটনায় গুলশান থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। ডা. প্রদীপ বিশ্বাস বলেন, সুজাতার শরীর অনেকগুলো আঘাতের চিণ্হ ছিল। তবে গলার আঘাতটা ছিল গুরুতর। শরীরের বাম পাশসহ পিছনে ১২ টা আঘাত ছিল। সেই ধর্ষিত হয়েছিল কিনা না সেই জন্য আমরা তার সমস্ত আলামত সংগ্রহ করেছি। সেই সঙ্গে তার ডিএনএ পরীক্ষার জন্য আলামত সংগ্রহ করেছি।
১২টি নতুন ঘাট নির্মাণের পরিকল্পনা চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের
বিদেশ থেকে আমদানিকৃত চাল, ডাল, গম ও চিনির মতো নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য দ্রুত বাজারে সরবরাহ করতে আরও ১২টি নতুন ঘাট নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। বন্দরের আশেপাশেই লাইটারেজ জাহাজ থেকে পণ্য খালাসের এসব ঘাট নির্মাণের অনুমতি দেয়া হবে। তবে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোকেই অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি নিজেদেরকেই যন্ত্রপাতি স্থাপন করতে হবে। চট্টগ্রাম বন্দরকে কেন্দ্র করে ১৬টি ঘাট কখন গড়ে উঠেছিলো তার কোন সঠিক রেকর্ড পাওয়া যায়নি। যেখানে লাইটারেজ জাহাজ থেকে পণ্য খালাস করে ট্রাকযোগে নিয়ে যাওয়া হয় দেশের বিভিন্ন গুদামে। আমদানিকৃত পণ্যের তুলনায় ঘাটের সংখ্যা কম হওয়ায় প্রায়ই লাইটারেজ জাহাজগুলোকে দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষা করতে হয় কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী এলাকায়। আর সেই মান্ধাতা আমলের যন্ত্রপাতি দিয়েই লাইটারেজ জাহাজ থেকে পণ্য খালাস করা হয়। চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, লাইটার আনলোড করার জন্য বাংলাদেশে যেসব অঞ্চল রয়েছে সেগুলোতে দরকারি যন্ত্রপাতি নেই। যা আছে তা অনেক পুরনো। বাংলাদেশ ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেলের কো কনভেনার শফিক আহমেদ বলেন, যে পরিমাণ মালামাল আসছে তা আনলোড করার জন্য দরকারি জিনিসপত্র নেই এখানে। এজন্য উভয়পক্ষই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ অবস্থায় বন্দরের পাশ্ববর্তী এবং কর্ণফুলী নদীর তীর ঘেঁষে আরো ১২টি নতুন ঘাট স্থাপনের অনুমতি দেবে বন্দর কর্তৃপক্ষ। বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান আহসানুল হক চৌধুরী বলেন, শুধুমাত্র ঘাট দিলে হবে না। এখানে আনলোড করার জন্য দরকারি যন্ত্রপাতি দিতে হবে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (পরিকল্পনা ও প্রশাসন) মোহাম্মদ জাফর আলম বলেন, যারা ঘাটগুলো পরিচালনা করবে তারাই নির্মাণ করবে, আমরা শুধু জমিগুলো লিজ দিব, এ লক্ষে কাজ করছি আমরা। তবে ঘাট নির্মাণের অনুমতি দেয়ার আগেই পণ্যবাহী ট্রাক চলাচলের রাস্তা তৈরির তাগিদ চট্টগ্রাম বন্দর বার্থ অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান ফজলে একরাম চৌধুরীর। বন্দর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রতিটি ঘাটের দৈর্ঘ্য বড় হলেও অন্তত ১০০ মিটারের জেটি থাকতে হবে। সে সাথে পণ্য পরিবহনের জন্য জন্য পর্যাপ্ত রাস্তারও ব্যবস্থা রাখা বাধ্যতামূলক।
লক্ষ্মীমূর্তিসহ এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার:সাতক্ষীরায়
বাড়িতে কালো পাথরের লক্ষ্মীমূর্তি রেখে জনগণের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে সাতক্ষীরায় এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। তালা উপজেলার কলাগাছিয়া গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে বুধবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত কানুলাল সরকারের কাছ থেকে নকল লক্ষ্মীমূর্তি ছাড়াও বেশ কিছু তাম্রমুদ্রা ও পিতল, কাঁসার বাসনপত্র উদ্ধার করা হয়। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক আলী আহমেদ হাশেমী জানান, বুধবার ক্রেতা সেজে কয়েকজন পুলিশ সদস্য তার বাড়িতে প্রবেশ করেন। এ সময় কানুলাল তাদের সঙ্গে মূর্তিটি বিক্রয়ের চুক্তি করেন। পরে নিজ ঘরের মাটির নিচ থেকে কালো পাথরের তৈরি লক্ষ্মীমূর্তি উত্তোলন করেন। এ সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আরও জানান, কানুলাল তার অপরাধ স্বীকার করে বলেছেন, তিনি মূর্তি দেখিয়ে মানুষের সঙ্গে নানাভাবে প্রতারণা করে আসছেন। বিষয়টি যাচাই বাছাই করা হচ্ছে বলেও জানান পুলিশের ওই পরিদর্শক।
ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে সাবেক সেনা নিহত:বগুড়ায়
বগুড়া শহরের কলোনিতে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে জাহান বাক্স (৭০) নামে সেনা বাহিনীর এক সাবেক সদস্য নিহত হয়েছেন। কলোনির করতোয়া রোড এলাকায় বুধবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, জাহান বক্স ঢাকা থেকে ফিরে রিকশাযোগে শহরের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে একদল দুর্বৃত্ত গতিরোধ করে তার কাছে থাকা মালামাল ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে। এ সময় ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এমদাদ হোসেন জানান, হত্যার ঘটনায় তদন্ত চলছে।
কাভার্ডভ্যানে ট্রেনের ধাক্কা ফেনীতে:নিহত ৩
ফেনীর শহরতলির ফতেপুর রেলগেট এলাকায় কাভার্ডভ্যানকে ট্রেনের ধাক্কায় তিনজন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও দু্জন। এ ঘটনার পর থেকে ঢাকা-চট্টগ্রামে রেলযোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। বুধবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে সদর উপজেলার ফতেপুর রেলগেট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ফেনী রেলওয়ে স্টেশনমাস্টার মাহবুবুর রহমান জানান, ভোরে ওই কাভার্ডভ্যানটি শহরতলির ফতেপুর রেলগেট এলাকায় রেললাইন পার হচ্ছিল। এ সময় চট্টগ্রামগামী একটি ট্রেন ওই কাভার্ডভ্যানটি ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিন যাত্রী নিহত হন। এ সময় আহত হন আরও দুজন। আহতদের ফেনী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে এ ঘটনার পর থেকে ঢাকা-চট্টগ্রামে রেলযোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত কাভার্ডভ্যানটি রেললাইন থেকে সরালেই রেলযোগাযোগ স্বাভাবিক হবে বলে জানান ওই স্টেশনমাস্টার।
চাঁদা দেওয়া আইনিতে পরিণত হয়েছে যশোর শহরে প্রবেশ করতে
যশোর শহরে প্রবেশের জন্য এখন চাঁদা দেওয়া বাধ্যবাধকতা হয়ে দাড়িয়েছে। শহরের প্রবেশের আটটি স্থান থেকে এক চাঁদাবাজের নেতৃত্বে চাঁদাবাজি চলছে। প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা চাঁদাবাজি করা হচ্ছে। এই চাঁদাবাজ এতই শক্তিশালী প্রশাসনের চোখের সামনে চাঁদা তুলেও অজ্ঞাত কারণে নিরব ভূমিকা পালন করে পুলিশ ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এই চাঁদা দেওয়া যেন আইনী পরিণত হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, বাংলাদেশ পরিবহন সংস্থা শ্রমিক সমিতি (২২৭) এর নেতা কামরুল ইসলাম শ্রমিক ইউনিয়নকে ব্যবহার করে যশোর শহরের প্রবেশের ৮টি স্থানে লোক দিয়ে চাঁদাবাজিতে নেমেছেন। এরমধ্যে রয়েছে, শহরের মুড়লি মোড়, মুড়লি থেকে বাসটার্মিনালে যাওয়ার পথে রেলগেট, মনিহার এলাকার খুলনা অভিমুখে যাওয়ার পথে কোল্ডস্টোরেজের সামনে, নীলগঞ্জসহ আটটি স্থানে প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চাঁদাবাজি চলে। তিনি বিভিন্ন অজুহাতে চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছেন কামরুলের ভাড়াটিয়া লোকেরা। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত যে সব নছিমন, করিমন, আলমসাধু, ইজিবাইক শহরে চলাচল করে তাদের কাছ থেকে চাঁদা তোলা হয়। ১০ টাকা থেকে শুরু করে ৩০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা তোলা হয়। অথচ প্রশাসনের লোকজন বিষয়টি জানলেও অজ্ঞাত কারণে এই চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না। চাঁদাবাজি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে কামরুল ইসলাম বলেন, যারা টাকা তোলে তারা বেকার যুবক। তাদের একটা কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতেই এই টাকা তোলা হয়। তিনি বলেন, অনেক শিক্ষার্থী পায়। মসজিদে দেওয়া হয়। এসবের জন্য টাকা তোলা হয়। পরে তিনি এ প্রতিবেদককে তার অফিসে চা পান করার আমন্ত্রণ জানান। প্রশাসনের একটি সূত্র জানায়, কামরুল এ অঞ্চলের সর্ববৃহৎ শ্রমিক সংগঠন ২২৭ এর একজন নির্বাচিত শ্রমিক নেতা। তাকে আটক করা হলেই শ্রমিক সংগঠনগুলো রাস্তা আটকিয়ে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের মধ্যে ফেলে দেবে। সাধারণ মানুষদেরকে জিম্মি করে শ্রমিক সংগঠনগুলো তাকে ছাড়িয়ে নিবে। যে কারণে এসব দুর্বৃত্তরা সব সময় ধরা ছোয়ার বাইরে থেকে যায়। এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে বাংলাদেশ পরিবহন সংস্থা শ্রমিক সমিতি (২২৭) এর সভাপতি মামুনুর রশিদ বাচ্চু বলেন, চাঁদাবাজী সম্পর্কে আমি কিছু জানি না। কামরুল ঠিক মত অফিসে আসে না। কেউ চাঁদাবাজির বিষয়ে আমাদের কাছে কোন অভিযোগ করে না। অভিযোগ পেলে তারপর জানা যায়। তখন কিছু বলা যায়। প্রশাসনের চোখের সামনে চাঁদাবাজি বিষয়টি জানতে কোতয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম আজমল হুদা বলেন, বিষয়টি তো আমার জানা নেই। আমি খোজ খবর নিচ্ছি। এরপর চাঁদাবাজি বণ্দের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।
চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের বিশেষ অভিযান,গ্রেফতার ৫
১৯ মার্চ ২০১৮ ইং তারিখ বিকাল ১৮.৩০ ঘটিকায় চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার(ডিবি-বন্দর), জনাব মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ (পিপিএম) মহোদয়ের সার্বিক দিক নির্দেশনায় অতিঃ উপ-পুলিশ কমিশনার(ডিবি-পশ্চিম), জনাব এএএম হুমায়ুন কবীর এর নেতৃত্বে সহকারী পুলিশ কমিশনার (ডিবি-পশ্চিম) জনাব মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম, পুলিশ পরিদর্শক জনাব মোহাম্মদ মহসীন পিপিএম, পুলিশ পরিদর্শক জনাব মোহাম্মদ জহির হোসেন পিপিএম, পুলিশ পরিদর্শক জনাব মোঃ কামরুজ্জামান সঙ্গীয় এসআই/মোঃ মোমিনুল হাসান, সঙ্গীয় এসআই(নিঃ)/মোঃ জাকির হোসেন ভূঁইয়া, এএসআই(নিঃ)/সন্তু শীল, এএসআই(নিঃ)/জুলফিকার হোসেন, কং/২৩২৫ ইসমাইল হোসেন, কং/৪০৯৫ মোঃ আরিফ ভূঁইয়া, কং/৩৫৪৫ রেজাউল করিম, কং/৪২২৯ রাজিব বড়য়া, কং/৩৮৭১ মোঃ নাজিম উদ্দিন সহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বায়েজীদ বোস্তামী থানাধীন ওয়াজেদিয়া মোড় এলাকায় অনন্যা আবাসিক হইতে অক্সিজেনগামী একটি ট্রাক আটক করেন। উক্ত ট্রাক হইতে ট্রাকের মালিক আসামী মিজানুর রহমান (৩৬), চালক কাজী আবুল বাশার (২৫) এবং জসীম উদ্দিন (২৮)দের গ্রেফতার করেন। গ্রেফতার পরবর্তীতে আসামীদের স্বীকারোক্তি এবং ট্রাকের মালিক এর দেখানো মতে ট্রাকের পিছনে নিচে সু-কৌশলে যোগানে বিশেষভাবে তৈরী গোপন বক্স হইতে ৬৩,০০০ হাজার পিস ওজন অনুমান ৬ কেজি ৩০০ গ্রাম ইয়াবা (মূল্য অনুমান ৬৩০০০দ্ধ৩০০=১৮৯০০০০০/- এক কোটি ঊননব্বই লক্ষ টাকা) উদ্ধার করেন। উদ্ধারকৃত বর্ণিত ইয়াবা বান্দরবান হইতে কুমিল্লার নিমসারে নিয়ে যাচ্ছিল। আসামীদের সহযোগী আসামীরা স্কট করিয়া চট্টগ্রাম মহানগরী হইতে গাড়িটি নিমসার নিয়া যাওয়ার জন্য অবস্থান করিতেছে মর্মে জানা যায়। পরবর্তীতে ধৃত আসামীদের স্বীকারোক্তি মতে অভিযান পরিচালনা করিয়া তাহাদের সহযোগী আসামী আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং আবু তাহের কে রাত্র অনুমান ১১.৩০ ঘটিকায় লালদিঘী জেলা পরিষদ ভবনের সামনে থেকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার পরবর্তী জিজ্ঞাসাবাদে আসামীদের দেহ তল্লাশীকালে ট্রাকে বহনকৃত ইয়াবার আংশিক মূল্য পরিশোধের জন্য নগদ ১০,০০,০০০/-(দশ লক্ষ) টাকা উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়। আসামী আব্দুল্লাহ আল মামুন ও আবু তাহের ইয়াবা পরিবহনের ট্রাকটি চট্টগ্রাম হইতে গ্রহণ করিয়া স্কট করতঃ কুমিল্লার নিমসার নিয়ে যাওয়া নিমিত্তে চট্টগ্রাম মহানগরী এলাকায় অবস্থান করিতেছে মর্মে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সহযোগীদের গ্রেফতার করা হয়। আসামী ট্রাকের মালিক মিজানুর রহমান বান্দরবান হইতে তাহার সহযোগী পলাতক আসামী দেলোয়ার হোসেন এর কথিত মতে উপজাতি মহিলা থেকে জব্দকৃত ইয়াবা গ্রহণ করে মর্মে জানা যায়। ইতিপূর্বেও গত ১৭/০২/২০১৮ইং তারিখ ৩০,০০০(ত্রিশ হাজার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পরিবহন করিয়া বর্ণিত ট্রাকযোগে কুমিল্লার নিমশার দেলোয়ার এর নিকট হস্তান্তর করে। বর্ণিত আসামীদের ধৃত পরবর্তী জিজ্ঞাসাবাদে ইয়াবা পরিবহনের আর একটি রুট বান্দরবান বলিয়া জানা যায়। আসামী মিজানুর রহমান নিজেই ট্রাকের মালিক। সে নিজে ব্যবসা করার জন্য ও বিভিন্ন ব্যবসায়ীর ইয়াবা ট্যাবলেট কমিশনের মাধ্যমে ট্রাক ব্যবহার করে বান্দরবান হইতে কুমিল্লা ঢাকা এলাকায় পরিবহন করিত।গ্রেফতারকৃত আসামী ১) মোঃ মিজানুর রহমান(৩৬), পিতা-মৃত আব্দুল মান্নান, মাতা-মোহছনা খাতুন, সাং-আকাবপুর, পূর্বপাড়া, ডাকঘর-জিয়াপুর, মৌলভী বাড়ী, থানা-বুড়িচং, জেলা-কুমিল্লা ২) মোঃ জসিম উদ্দিন(২৮) পিতা- জালাল মিয়া, মাতা-জোৎসা খাতুন, সাং-পশ্চিম সিংহ, দক্ষিণ পাড়া(কাশেম মাষ্টারের বাড়ী), থানা-বুড়িচং, জেলা-কুমিল্লা ৩) কাজী আবুল বাশার(২৫) পিতা-কাজী আব্দুল হাশেম, মাতা-ফরিদা বেগম, সাং-কোরপাই, কাজী বাড়ী, উত্তর এলাকা, থানা-বুড়িচং, জেলা-কুমিল্লা ৪) মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন(৪০), পিতা- মৃত আব্দুল হান্নান, সাং- শাসনগাছা(আব্দুল হান্নান এর বাড়ী), থানা- কোতোয়ালী, জেলা- কুমিল্লা ৫) আবু তাহের(৩৮), পিতা- মৃত আব্দুর রাজ্জাক, মাতা- ছোলেমা, সাং- আকাবপুর(তাহের এর বাড়ী), থানা- বুড়িচং, জেলা- কুমিল্লা জব্দকৃত আলামত- ০১ (ক) একটি ট্রাক, যাহার রেজিষ্টেশন নাম্বার ঢাকা মেট্রো-ড- ১১-৫৫১১ (খ) ৩১৫টি বায়ুরোধক নীল রংয়ের প্যাকেট, প্রতিটি প্যাকেটে (২০০দ্ধ৩১৫)=৬৩০০০(তেষট্টি হাজার) পিচ এ্যামফেটামিন যুক্ত গোলাপী রংয়ের ইয়াবা ট্যাবলেট, প্রতিটি ট্যাবলেটের গায়ে ইংরেজীতে WYলিখা আছে সর্বমোট ওজন (৬৩০০০দ্ধ০.১)=৬.৩০০ (ছয় কেজি তিনশত গ্রাম) ইয়াবা (মূল্য অনুমান ৬৩০০০দ্ধ৩০০=১৮৯০০০০০/- এক কোটি ঊননব্বই লক্ষ টাকা) (গ) নগদ ১০,০০,০০০(দশ লক্ষ) টাকা। গ্রেফতারকৃত আসামী ০৫ জন ও পলাতক আসামী ০২ জনসহ মোট ০৭ জনের বিরুদ্ধে বায়েজীদ বোস্তামী থানার মামলা নং-২৭ তাং-২০/০৩/২০১৮ খ্রিঃ ধারা-১৯৯০ সনের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের ১৯(১) এর টেবিল ৯(খ)/২৫/৩৩(১) রুজু হয়।প্রেস বিজ্ঞপ্তি