শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯
উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
১৫সেপ্টেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি) এর অধীনে ২০১৯ সালের এইচএসসি প্রোগ্রামের ১ম ও ২য় বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য গণসংযোগ বিভাগের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. মহা. শফিকুল আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এবার বাউবির এইচএসসি প্রোগ্রামের ১ম ও ২য় বর্ষের পরীক্ষায় মোট ১ লাখ ৪৮ হাজার ৬৬৫ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এরমধ্যে চূড়ান্ত পরীক্ষায় মোট ৭০ হাজার ৮১৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। চূড়ান্ত পরীক্ষায় বিভিন্ন গ্রেডে মোট ৩৪ হাজার ২৫১ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়। পাশের হার শতকরা ৪৮ দশমিক ৩৭ ভাগ। কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৬৪০ জন এ ৪ হাজার ২২৮ জন এ(-) ১২ হাজার ২৭৯ জন বি ১৪ হাজার ১৪১ জন সি এবং ২ হাজার ৯৬৩ জন ডি গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১৭ হাজার ৪২৫ জন ছাত্র এবং ১৬ হাজার ৮২৬ জন ছাত্রী । একই সঙ্গে ৭৭ হাজার ৮৪৯ জন প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীর পরীক্ষার ফলও প্রকাশ করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের (GPA) bou.ac.bd এবং Detail Result- exam.bou.edu.bd ঠিকানায় পাওয়া যাবে। এছাড়াও ঝগঝ এর মাধ্যমে চূড়ান্ত ফলাফল পাওয়ার জন্য bou.space.student ID (11digits without any space, for example 13011810001) লিখে বাংলালিংক-এ ২৭০০ এবং অন্যান্য অপারেটরে ২৭৭৭ এ SMS পাঠাতে হবে।
কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগে ফেঁসে যাচ্ছেন জাবি উপাচার্য
১৫সেপ্টেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:ফেঁসে যাচ্ছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম। উপাচার্যের বিরুদ্ধে কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ঘটনার সত্যতা মিললে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে। কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগে ছাত্রলীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদককে পদ ছাড়তে হয়েছে। একই অভিযোগ উঠেছে জাবি উপাচার্যের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একটি পক্ষ থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। সে অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে উপাচার্যকে পদ থেকে সরে যেতে হতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কমিশন কেলেঙ্কারির ঘটনায় জাবি উপাচার্য দায় এড়াতে পারেন না। একজন উপাচার্যের কাছে ছাত্রনেতারা কীভাবে কমিশন দাবি করার সাহস পান, এ বিষয় নিয়ে ছাত্রলীগের সঙ্গে উপাচার্য কীভাবে বৈঠক করেন। এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন রোববার বলেন, জাবি উপাচার্যের বিরুদ্ধে আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গোপনভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, অভিযোগ খুবই গুরুতর, তবে বিষয়টি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। প্রয়োজনে এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হতে পারে। অভিযোগের সত্যতা মিললে দ্রুত এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এদিকে একাধিক সূত্র জানায়, জাবি উপাচার্য একাধিকবার ছাত্রলীগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বিষয়টি সরকারের নীতিনির্ধারকদের নজরে আছে। ছাত্রলীগের দুই নেতাকে অব্যাহতির ঘটনার পর এখন উপাচার্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি তোলা হচ্ছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আমির হোসেন বলেন, কমিশন আদায় করার বিষয়টি নিয়ে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। কেউ কেউ উপাচার্যের এমন ঘটনা মেনে নিতে পারছেন না, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানাচ্ছেন। তবে এ নিয়ে একাডেমিক কার্যক্রমে কোনো প্রকার প্রভাব ফেলেনি বলে জানান এই শিক্ষক। বিজনেস বাংলাদেশ ।
প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ
১৫সেপ্টেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে মোট ৫৫ হাজার ২৯৫ জন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এ ফলাফল প্রকাশ করা হয় বলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর থেকে জানা গেছে। যেভাবে জানবেন প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ফলাফল প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার রেজাল্ট পাওয়া যাবে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার অফিশিয়াল ওয়েবসাইট http://www.dpe.gov.bd/ তে। চার ধাপে এ পরীক্ষার ফলাফল পিডিএফ আকারে প্রকাশ করা হবে৷ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল দেখতে http://www.dpe.gov.bd/site/view/notices এই লিংকে ক্লিক করতে হবে। এরপর পিডিএফ ফরমেটে ফলাফল প্রকাশ সম্পর্কিত ফাইল দেখতে পাবেন। উক্ত ফাইলটি ডাউনলোড করে শিক্ষক নিয়োগের ফলাফল দেখতে পারবেন। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার প্রথম ধাপ গত ২৪ মে, দ্বিতীয় ধাপ ৩১ মে, তৃতীয় ধাপ ২১ জুন এবং চতুর্থ ধাপের পরীক্ষা ২৮ জুন অনুষ্ঠিত হয়। গত বছরের ৩০ জুলাই সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গত ১ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়। ১২ হাজার আসনের বিপরীতে সারাদেশ থেকে ২৪ লাখ ৫ জন প্রার্থী আবেদন করেন। সে হিসাবে প্রতি আসনে প্রায় ২০০ প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।
ভিকারুননিসার নতুন অধ্যক্ষ ফওজিয়া
১৫সেপ্টেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:রাজধানীর সবুজবাগ সরকারি মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ফওজিয়াকে ভিকারুননিসা নুন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নতুন অধ্যক্ষ নিয়োগ (প্রেষণে) দিয়েছে সরকার। রোববার (১৫সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অধ্যক্ষ ফওজিয়াকে সংযুক্ত দেওয়া হয়েছিল সবুজবাগ সরকারি মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ পদে। ভিকারুননিসা নুন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ফেরদৌসী বেগমের স্থালাভিষিক্ত হলেন অধ্যক্ষ ফওজিয়াকে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, তিনি নিজ বেতনক্রম অনুযায়ী বেতন-ভাতা গ্রহণ করবেন এবং পদ সংশ্লিষ্ট ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন। প্রতিষ্ঠান থেকে বিনা ভাড়ায় তার বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হলে তিনি কোনো বাড়িভাড়া ভাতা পাবেন না। সরকারি বাসায় বসবাস করলে বাড়িভাড়াসহ সব সরকারি পাওনা নিজ দায়িত্বে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট খাতে জমা দেবেন। তিনি তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বাধ্যতামূলক ভবিষ্যৎ তহবিল, গোষ্ঠী বিমা ও অন্যান্য তহবিলে চাঁদা দেবেন। তিনি প্রতিষ্ঠান থেকে সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ী তার লিভ সেলারি ও পেনশনের চাঁদাও দেবেন। সরকারের প্রচলিত বিধি-বিধান ও আদেশ অনুসারে তার চাকরি নিয়ন্ত্রণ হবে বলেও আদেশে বলা হয়েছে। গত বছর ঢাকার বেইলি রোডে অবস্থিত এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নবম শ্রেণির ছাত্রী অরিত্রী অধিকারীর আত্মহত্যার ঘটনায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মুখে ভিকারুননিসার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌসসহ তিন শিক্ষককে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর থেকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব চালিয়ে আসছেন কলেজ শাখার সহকারী অধ্যাপক হাসিনা বেগম। তিনি অর্থনীতি বিষয়ের শিক্ষক। এরপর গত এপ্রিলে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত হলেও অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় তা বাতিল করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
আর থাকছে না জিপিএ-৫!
০৫সেপ্টেম্বর,বৃহস্পতিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পাবলিক পরীক্ষার ফলে সর্বোচ্চ গ্রেড জিপিএ-৫ এর বদলে জিপিএ-৪ চালু করতে চায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এজন্য কর্মশালার আয়োজন করা হচ্ছে। বহির্বিশ্বের শিক্ষাব্যবস্থায় জিপিএ-৫ না থাকায় এবং দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও সিজিপিএ-৪-এ ফল প্রকাশ হওয়ায় বিদেশে পড়াশোনা ও চাকরির বাজারে উদ্ভুত সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যে গ্রেড পয়েন্ট কমানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বেলা দেড়টায় এই কর্মশালায় সভাপতিত্ব করবেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পাবলিক পরীক্ষার ফলে জিপিএ-৫ ( গ্রেড পয়েন্ট অ্যাভারেজ-৫) এর বদলে জিপিএ-৪ চালুর লক্ষ্যে অংশীজনদের নিয়ে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে বুয়েটের অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায়োগিক পরিসংখ্যান ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. সৈয়দ শাহাদাত হোসাইন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইআর) অধ্যাপক এসএম হাফিজুর রহমান ও হোসনে আরা বেগম, গণস্বাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী প্রমুখ শিক্ষাবিদ রয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের কর্মকর্তা, সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান, জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমির (নায়েম) বিশেষজ্ঞ, বিভিন্ন কলেজের অধ্যক্ষ, বাংলাদেশ পরীক্ষা উন্নয়ন ইউনিট (বেডু) কর্মকর্তাদের ডাকা হয়েছে।
৪০তম বিসিএস প্রিলিমিনারিতে উত্তীর্ণ ২০ হাজার ২৭৭
২৫জুলাই২০১৯,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চল্লিশতম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এতে ২০ হাজার ২৭৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) এ ফল ঘোষণা করা হয়। উল্লেখ্য, এ বছরের ৩ মে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পিএসসির তথ্য অনুযায়ী, ৪০তম বিসিএসে আবেদন করেছিলেন ৪ লাখ ১২ হাজার ৫৩২ জন প্রার্থী। এর মধ্যে পরীক্ষা দিয়েছেন ৩ লাখ ২৭ হাজার আর কেন্দ্রে অনুপস্থিত ছিলেন ৮৩ হাজার ৪৩৮ জন। এই পরীক্ষায় উপস্থিতির গড় হার ছিল ৭৯.৭০ শতাংশ। এর মধ্যে ঢাকায় ৭৭, রাজশাহীতে ৮২, চট্টগ্রামে ৭৯, খুলনা ও সিলেটে ৮১, বরিশালে ৭৯, রংপুরে ৮৪ ও ময়মনসিংহে সর্বোচ্চ ৮৫ শতাংশ প্রার্থী পরীক্ষা দিয়েছেন।-আলোকিত বাংলাদেশ
এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ
১৭জুলাই২০১৯,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় এবার পাসের হার ৭৩.৯৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৭ হাজার ৫৮৬ জন শিক্ষার্থী। আজ বুধবার সকালে ফলাফলের সার-সংক্ষেপ গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেওয়ার আগে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এ তথ্য জানান এরপরে দুপুর ১২টার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরবেন শিক্ষামন্ত্রী। পরীক্ষার্থীরা বেলা ১টার পর নিজেদের ফল জানতে পারবে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষা কেন্দ্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ইন্টারনেট বা মোবাইলের মাধ্যমে শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে। গত ১ এপ্রিল এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ড মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৫০৫ জন। এরমধ্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে শুধু এইসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৭৪৭ জন। তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হয় ১১ মে আর ১২ থেকে ২১ মের মধ্যে শেষ হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা। গত বছর এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ। আর মোট জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২৯ হাজার ২৬২ জন।
আগামীকাল এইচএসসির ফল প্রকাশ: যেভাবে যাবে জানা
১৬জুলাই২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:এইচএসসি ও সমপর্যায়ের পরীক্ষার ফল আগামীকাল বুধবার প্রকাশ হচ্ছে। ওইদিন সকালে শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানদের নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফলাফলের অনুলিপি হস্তান্তর করবেন। এরপর দুুপুরে সাড়ে ১২টায় সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে সারাদেশের ফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করবেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি। দুপুর ১টা থেকে ফল জানতে পারবে শিক্ষার্থীরা। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সচিব অধ্যাপক তপন কুমার সরকার সাংবাদিকদেরকে জানিয়েছেন, তারা ফল প্রকাশের জন্য এখন প্রস্তুত। বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় শিক্ষামন্ত্রী সংবাদ সম্মেলন করবেন, এরপরই ১টা থেকে ফল জানতে পারবে সকলে। গত কয়েক বছর ধরে লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে পাবলিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হচ্ছে। গত ১ এপ্রিল এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। এবার আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৫০৫ জন। এর মধ্যে আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিল ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৭৪৭ জন। যেভাবে ফল জানা যাবে: পরীক্ষার্থীরা সমন্বিত ওয়েবসাইট www.educationboardresults.gov.bd এবং সংশ্লিষ্ট বোর্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল সংগ্রহ করতে পারবে। আটটি সাধারণ শিক্ষাবোর্ডের এইসএসসি পরীক্ষার্থী মোবাইলের মাধ্যমে ফল পেতে HSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৯ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফল জানা যাবে। মাদ্রাসা বোর্ডের শিক্ষার্থীদের ফল জানতে HSC লিখে স্পেস দিয়ে MAD স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৯ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফল পাওয়া যাবে। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ফল জানতে HSC লিখে স্পেস দিয়ে TEC লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৯ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফল জানিয়ে দেয়া হবে। এছাড়াও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ই-মেইলে ফল জানিয়ে দেয়া হবে। তবে বোর্ড থেকে ফলাফলের কোনো হার্ডকপি সরবরাহ করা হবে না। বিশেষ প্রয়োজনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) দপ্তর থেকে ফলাফলের হার্ডকপি সংগ্রহ করা যাবে।
শিক্ষা টিভি চালুর পরিকল্পনা: দীপু মনি
১৫জুলাই২০১৯,সোমবার,স্টাফ রিপোর্টার,নিউজ একাত্তর ডট কম: নামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের ক্লাস টেলিভিশনে প্রচার করতে শিক্ষা টিভি চালুর পরিকল্পনার কথা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। সোমবার (১৫ জুলাই) জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন সচিবালয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কার্যঅধিবেশনে ডিসিরা ভালো শিক্ষকদের অতিথি করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে পাঠানোর প্রস্তাব তুললে তিনি এ কথা জানান। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ঢাকায় বা অন্য জায়গায় অত্যন্ত ভালো কিছু বিদ্যালয় আছে যেগুলোর অনেক সুনাম আছে। সেখানকার শিক্ষকদের অনেক সুনাম আছে। একটা প্রস্তাব আছে তাদের অতিথি শিক্ষক হিসেবে নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যাওয়ার। তিনি বলেন, আমরা যেটা বলেছি, তার চেয়ে বরং খুব কম খরচে, এখন তো টেলিভিশনের দাম তেমন না। সব বিদ্যালয়ে কিন্তু সেই টেলিভিশনের মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন বিদ্যালয়ের খুব ভালো ভালো শিক্ষকদের ভালো ক্লাসগুলোকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে একই সঙ্গে সব স্কুলে দেখাতে পারি। সেজন্য একটা 'শিক্ষা টিভি' জাতীয় কোনো কিছু চিন্তা করা যায় এবং সেটি করা গেলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের যারা শিক্ষক আছেন তারাও শেখানো পদ্ধতি থেকে উপকৃত হবেন।