প্রাথমিকে ১৮ হাজার শিক্ষক পদোন্নতি পাচ্ছেন
১২,জুলাই,রবিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চলতি দায়িত্বে থাকা প্রধান শিক্ষকদের স্থায়ীকরণের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গ্রেডেশন লিস্ট (জ্যেষ্ঠতা তালিকা) সংগ্রহ করা হচ্ছে। চলতি (জুলাই) মাস থেকে ধাপে ধাপে দায়িত্বে থাকা সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দেওয়া হবে। আগামী মাসের মধ্যে দেশের ১৮ হাজার শিক্ষককে পদোন্নতির আওতায় আনা হবে বলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) থেকে জানা গেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিপিইর মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রায় ১৮ হাজারের মতো বিদ্যালয়ে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিকে সহকারী শিক্ষকদের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শুন্য আসনে প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্বে বসানো হয়েছে। চলতি মাসের মধ্যে তাদের জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।’ তিনি বলেন, মাঠ কর্মকর্তার কাছে দায়িত্বে থাকা শিক্ষকদের গ্রেডেশন তালিকাসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠাতে বলা হয়েছে। ইতিমধ্যে কিছু শিক্ষকদের কাগজপত্র এসেছে, সেসব একত্রিত করে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দিয়ে জেলা ভিত্তিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। অন্যদেরও কাগজপত্র অধিদপ্তরে চলে আসলে আগামী আগস্ট মাসের মধ্যে জেলাভিত্তিক সবাইকে পদোন্নতির আওতায় আনা হবে।’ ফসিউল্লাহ বলেন, করোনা পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হলে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ৪০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। সেই সঙ্গে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শূন্য আসনের বিপরীতে প্রধান শিক্ষকদের নিয়োগ প্রক্রিয়াও শুরু করা হবে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দেশের ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ১৮ হাজার শিক্ষক প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া, আরও ২০ হাজার প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে।
পরীক্ষা ছাড়াই অটোপ্রমোশনের খবর ভিত্তিহীন ও গুজব : শিক্ষা মন্ত্রণালয়
০৯,জুলাই,বৃহস্পতিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পরীক্ষা ছাড়াই শিক্ষার্থীদের অটোপ্রমোশনের খবর ভিত্তিহীন ও গুজব বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আজ এই মন্ত্রণালযের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের স্বাক্ষরিতএক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণিতে পরীক্ষা ছাড়াই অটো প্রমোশন দিয়ে পরবর্তী শ্রেণিতে উন্নীত করা হবে মর্মে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন ভিত্তিহীন ও গুজব। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,অটো প্রমোশন সংক্রান্ত কোন সিদ্ধান্ত শিক্ষামন্ত্রণালয় এখনো গ্রহণ করেনি।
শিগগিরই এইচএসসিতে ভর্তি শুরু
০৯,জুলাই,বৃহস্পতিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপুমনি জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন করোনাভাইরাস জনিত বৈশ্বিক মহামারি পরিস্থিতির কারণে একাদশ শ্রেণিতে (এইচএসসি) ভর্তি কার্যক্রম বিলম্বিত হচ্ছে। নীতিমালার আলোকে শিগগিরই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে জানান তিনি। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে ঢাকা-১০ আসনের শফিউল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। এর আগে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, করোনা সংক্রমণের পরিস্থিতিতেও ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি নীতিমালা-২০২০ ইতোমধ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে। গত ৩১ মে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হলেও কোভিড-১৯ এর কারণে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম বিলম্বিত হচ্ছে। ভর্তির বিষয়ে শিক্ষা বোর্ড প্রস্তত রয়েছে। শিগগিরই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে। ময়মনসিংহ-৮ আসনের এমপি ফখরুল ইমামের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশে করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে শিক্ষার্থীরা যাতে সংক্রমিত না হয় তার জন্য সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখার লক্ষ্যে এবং শিক্ষার মান ধরে রাখার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। নেয়াখালী-৩ আসনের মামুনুর রশীদ কিরনের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, দেশে সরকারি পর্যায়ে কোনও ইংরেজি মাধ্যম স্কুল নেই। বেসরকারি পর্যায়ে ১৪৫টি ইংরেজি মাধ্যম স্কুল রয়েছে। ঢাকা-১০ আসনের শফিউল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন জানান, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা বন্ধ করার কোনও পরিকল্পনা সরকারের নেই। এ পরীক্ষা অধিকতর যুযোপযোগী করে আয়োজেনের লক্ষ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় একটি বোর্ড গঠনের বিষয়ে চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪) এর ডিপিপিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ইন্টারনেট প্যাকেজ দেওয়ার আহ্বান
০৭জুলাই,মঙ্গলবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলমান করোনা ভাইরাস মহামারি সংকটের এই সময়ে অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে বা স্বল্পমূল্যে ইন্টারনেট প্যাকেজ দিতে মোবাইল ফোন অপারেটর কোম্পানিগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। সোমবার (০৬ জুলাই) আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক উপ-কমিটি আয়োজিত বর্তমান বৈশ্বিক সংকটকালে শিক্ষা ব্যবস্থায় আমাদের করণীয় শীর্ষক অনলাইন সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, বৈশ্বিক মহামারির করোনার কারণে দীর্ঘদিন ধরে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। শিক্ষা কার্যক্রমকে চালিয়ে নিতে আমরা অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমের ওপর গুরুত্বারোপ করছি। ইতোমধ্যে অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনলাইনে শিক্ষাদান করে যাচ্ছে। তবে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক শিক্ষার্থীর পক্ষেই ইন্টারনেটের ব্যয় বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। শুধু শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ইন্টারনেট প্রদান বা স্বল্পমূল্যে ইন্টারনেট প্যাকেজ দেওয়া যায় কি-না সে বিষয়ে মোবাইল অপারেটর কোম্পানিগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং দ্রুত এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। দীপু মনি বলেন, আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা আছে, সীমাবদ্ধ থাকবে। অল্প সময়ের মধ্যে আমরা সেই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠে নতুন এই বাস্তবতার সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে উঠবো। করোনা পরবর্তী সময়ও স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চলমান থাকবে। ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে সরকার ৯২ শতাংশ শিক্ষার্থীর শিক্ষা পৌঁছাতে পারছে জানিয়ে শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, বাকি শিক্ষার্থীদের কাছেও অনলাইনে শিক্ষা পৌঁছে দিতে সব রকম চেষ্টা চালাচ্ছে সরকার। টিউশন ফি প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার পরও অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। সেক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অভিভাবক সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, একেবারে টিউশন ফি না দিলে প্রতিষ্ঠান তাদের শিক্ষকদের বেতন দিতে পারবে না। তাই দুই পক্ষকেই কিছুটা ছাড় দিয়ে মানবিক হতে হবে। অনলাইন আলোচনায় আরও বক্তব্য দেন- ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার, বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মাকসুদ কামাল, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান, দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক সাংবাদিক শ্যামল দত্ত। অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল খালেক। সঞ্চালনা করেন আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা।
ইন্ডাস্ট্রি একাডেমিয়া লিংকেজ তৈরি করা খুবই জরুরি: শিক্ষা উপমন্ত্রী
০৫জুলাই,রবিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেছেন, ইন্ডাস্ট্রির চাহিদা অনুযায়ী আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কারিকুলাম পরিবর্তন করতে হবে। আমাদের উদ্যোক্তরা অনেক ক্ষেত্রে বলে থাকেন তারা দক্ষ জনশক্তি পাচ্ছেন না। তাই বিদেশ থেকে দক্ষ লোকবল নিয়ে আসতে হয়। আবার চাকরিপ্রার্থীরা অনেক সময় বলে থাকেন, তারা চাকরি পাচ্ছেন না। দুই পক্ষের মধ্যে গ্যাপ পূরণ করতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উদ্যোগ নিতে হবে। ইন্ডাস্ট্রির চাহিদা অনুযায়ী জনশক্তি তৈরি করতে হবে। এজন্য ইন্ডাস্ট্রি একাডেমিয়া লিংকেজ খুবই জরুরি। শনিবার (০৪ জুলাই) বাংলাদেশ স্টিম (সায়েন্স, টেকনোলজি, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যাথমেটিক্স) সোসাইটি আয়োজিত রেজিলিয়েন্স রিকভারি অব ন্যাশনাল ইকনোমি থ্রু সায়েন্স টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন ডিউরিং পোস্ট কোভিড-১৯ অ্যারা শীর্ষক এক ওয়েবিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। উপমন্ত্রী বলেন, বিজ্ঞান শিক্ষাকে শুধু মেধাবীদের মাঝে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। সব শিক্ষার্থীকে কমপক্ষে এসএসসি পর্যন্ত বাধ্যতামূলকভাবে বিজ্ঞান শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। সেক্ষেত্রে মাধ্যমিক পর্যায়ে সায়েন্স, আর্টস, কমার্স নামে কোনো বিভাজন থাকবে না। উন্নত বিশ্বে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীকে একই ধারায় পড়াশোনা করতে হয়। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীরা পছন্দের বিষয় অধ্যয়ন করেন। নওফেল বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অসংখ্য গ্র্যাজুয়েটস তৈরি করছে। যাদের কোনো কারিগরি দক্ষতা নেই। ফলে অনেক গ্র্যাজুয়েটসের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয় না। এবং আমাদের বিপুল সংখ্যক জনশক্তি শ্রমবাজারের বাইরে থেকে যায়। এই অবস্থা চলমান থাকলে আমরা ভিশন-২০৪১ এবং সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল অর্জন করতে পারব না। পাশাপাশি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সক্ষম হব না। এ সমস্ত বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সরকার গ্র্যাজুয়েটসদের রিস্কিল করার চিন্তা ভাবনা করছে। এজন্যই কারিগরি শিক্ষার ক্ষেত্রে বয়সের বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়ার চিন্তা ভাবনা করছে সরকার। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যামেস্ট্রি বিভাগের প্রফেসর ড. আল-নকীব চৌধুরীর সভাপতিত্বে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্কিটেকচার বিভাগের প্রফেসর ড. আজিজুল মাওলার সঞ্চালনায় ওয়েবিনারে আরও সংযুক্ত ছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি সত্য প্রসাদ মজুমদার, আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন যুক্তরাষ্ট্রের মনমথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. গোলাম এম. মাতবর, ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স বেঙ্গালুরুর প্রতিনিধি ড. সঞ্জীব কে শ্রীভাস্টাভা, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ফরিদ আহমেদ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ফায়েকুজ্জামান, ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. লুৎফুল হাসান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ফারজানা ইসলামসহ দেশের প্রায় ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। এতে মুখ্য আলোচক হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ড. শামসুল আলম।
পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ভর্তিতে বয়সসীমা থাকছে না
০১,জুলাই,বুধবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, কারিগরি শিক্ষায় ভর্তির হার বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবং বিদেশফেরত দক্ষ কর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তির ক্ষেত্রে বয়সের সীমাবদ্ধতা রাখা হবে না। বুধবার (১ জুলাই) কারিগরি শিক্ষার উন্নয়ন সংক্রান্ত এক ভার্চুয়াল মিটিংয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান তিনি। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মুনশী শাহাবুদ্দীনের সভাপতিত্বে মিটিংয়ে আরো যুক্ত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরি, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সফিউদ্দিন আহমেদ, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. সানোয়ার হোসেন, মাদ্রাসা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ;্যাপক কায়সার আহমেদ, কারিগরি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. মুরাদ হোসেন মোল্লাসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ। শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, অনেক ব্যক্তির হয়তো প্রয়োজনীয় কারিগরি দক্ষতা আছে, কিন্তু তার প্রাতিষ্ঠানিক কোনো সার্টিফিকেট নেই। সার্টিফিকেট না থাকার কারণে ভালো চাকরি পাচ্ছে না অথবা চাকরি পেলেও ভালো বেতন পাচ্ছে না। সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি যদি চায় এবং যদি তার প্রয়োজনীয় একাডেমিক যোগ্যতা থাকে তাহলে সে ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি হতে পারবে। একই মিটিংয়ে তিনি ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তির ক্ষেত্রে ছেলেদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম যোগ্যতা জিপিএ ৩.৫ থেকে কমিয়ে ২.৫, মেয়েদের ক্ষেত্রে জিপিএ ৩ থেকে কমিয়ে ২.২৫ করার সিদ্ধান্ত দেন। পাশাপাশি ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি ফি ১ হাজার ৮২৫ টাকা থেকে কমিয়ে ১ হাজার ৯০ টাকা করার সিদ্ধান্ত হয়। তাছাড়া মন্ত্রী এ মাসের মধ্যে কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের শিক্ষকদের এমপিওর অর্থ ছাড় করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। বৈঠকে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপনের নীতিমালা, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর আইন ২০২০ ও এর নিয়োগবিধি প্রণয়নসহ কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
সততার পুরস্কার পাচ্ছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ৩ জন
০১,জুলাই,বুধবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শুদ্ধাচার পুরস্কার পাচ্ছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট তিন কর্মকর্তা-কর্মচারী। ২০১৯-২০ অর্থবছরে দাফতরিক কাজে পেশাগত দক্ষতাসহ শুদ্ধাচার চর্চাবিষয়ক বিভিন্ন সূচকে সন্তোষজনক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের স্বীকৃতি হিসেবে এ পুরস্কার দেয়া হয়। পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের যুগ্মসচিব (উন্নয়ন) সৈয়দা নওয়ার জাহান। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মু. জিয়াউল হক। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অফিস সহায়ক (বিশ্ববিদ্যালয় শাখা) জান্নাতুল ফেরদৌস। পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করে গত ২৮ জুন শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে আদেশ জারি করা হয়েছে। পুরস্কার হিসেবে নির্বাচিত কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সনদ এবং এক মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ দেয়া হবে। সে অনুযায়ী যুগ্ম সচিব সৈয়দ নওয়ার জাহানকে ৬৬ হাজার ১২০ টাকা, ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান জিয়াউল হককে ৬৮ হাজার ৬৪০ টাকা এবং জান্নাতুল ফেরদৌসকে ১৫ হাজার ৯৬০ টাকা প্রদান করা হবে। জানা গেছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলভাবে নিজ কর্মস্থলে কাজ সম্পন্ন করার ফল হিসেবে সততার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। সেই পুরস্কার স্বরূপ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ দুই কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে সততার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।- জাগোনিউজ
চলতি শিক্ষাবর্ষ বাড়তে পারে মার্চ পর্যন্ত, কমবে সিলেবাস
২৭,জুন,শনিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, করোনার কারণে বর্তমান শিক্ষাবর্ষ আগামী মার্চ মাস পর্যন্ত বাড়তে পারে। পাশাপাশি শ্রেণি ঘণ্টার সঙ্গে সমন্বয় করে কমানো হতে পারে মাধ্যমিক স্তরের বিভিন্ন শ্রেণির সিলেবাস। এমন পদক্ষেপের কারণে আগামী বছরে ঐচ্ছিক ছুটি কমিয়ে আনা হতে পারে। যেসব পরীক্ষা এখনো অনুষ্ঠিত হয়নি সেগুলোর সংখ্যা কমিয়ে আনা যায় কি না তাও ভাবছি। তবে সিলেবাস কামানোর ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর বয়স ও শ্রেণি অনুযায়ী জ্ঞানার্জন ও দক্ষতা অর্জনের ব্যাপারে কোনো আপোষ করা হবে না। শনিবার (২৭ জুন) এডুকেশন রিপোর্টার অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত অনলাইন সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক সংকটই নতুন সম্ভাবনা নিয়ে আসে। আমরা সেই সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে সবার সহযোগিতায় এগিয়ে যাব। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে আমরা কোটি কোটি শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারি না। তাদের সুরক্ষার কথা চিন্তা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে স্কুল-কলেজ খোলা হবে। তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় যে ক্ষতি হবে তা পুষিয়ে নিতে আমরা কিছু পরিকল্পনা তৈরি করেছি। এই অনিশ্চয়তার মধ্যে কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেওয়া কোনোভাবে সম্ভব নয়। তিনি বলেন, বর্তমান সংকট পুষিয়ে নিতে চলতি শিক্ষাবর্ষ আগামী মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হবে কি না, না ডিসেম্বর পর্যন্ত থাকবে তা ভাবনাচিন্তা চলছে। শিক্ষাবর্ষ বাড়ানো হলে আগামী বছরে ঐচ্ছিক ছুটি কমানোর প্রয়োজন হবে। একটি শিক্ষাবর্ষে আমরা ১৪০-১৪২ দিন পড়িয়ে থাকি। বাকিটা ছুটি থাকে। তাই এবছর শিক্ষাবর্ষ বাড়াতে হলে আগামী বছরের ছুটি কমিয়ে হলেও তা করা হবে। তবে এ ক্ষেত্রে বয়স ও শ্রেণি অনুযায়ী শিক্ষার্থীর জ্ঞানার্জন ও দক্ষতা অর্জনের দিকটিতে আপোষ করা হবে না। কারিগরি শিক্ষায় যতটুকু শিখনফল ও দক্ষতা কাম্য সেটুকু যদি শিক্ষার্থীরা অর্জন করতে না পারে তাহলে তাদেরকে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে না বলেও মন্তব্য করেন মন্ত্রী। এ বিষয়ে মন্ত্রী আরও বলেন, ট্রেডিশনাল প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসরুম বা ল্যাবরেটরি কিংবা হোয়াটসঅ্যাপ ছাড়াই শিক্ষার্থীরা শিখতে পারবে না প্রযুক্তির এই যুগে এটা বলা ঠিক হবে না। যেহেতু ভার্চুয়াল ল্যাবরেটরির সুবিধাটি রয়েছে আমরা চেষ্টা করবো সে সুযোগটি কাজে লাগানোর জন্য। সংসদ টিভির চলমান ক্লাসগুলো বিশেষ শিশুদের উপযোগী করে তোলার বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, বিশেষ শিশুরাও সংসদ টিভিতে ক্লাসগুলো করার সুযোগ যেন পায় সে উপযোগী করে তৈরি করার বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে। যাতে এই বিশেষ প্রতিবন্ধকতা জয় করা শিক্ষার্থীরাও এই অনলাইন ক্লাসগুলোর মাধ্যমে এই করোনার সময়ে পাঠের সুবিধা নিতে পারে। সংসদ টিভির ক্লাসগুলো প্রযুক্তির বিভিন্ন মাধ্যমে প্রায় ৯০ ভাগ শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছেছে জানিয়ে তিনি বলেন, মাঠ পর্যায়ের জরিপে আমরা জানতে পেরেছি সংসদ টিভির ক্লাসগুলো মোবাইল ফোনসহ প্রযুক্তির বিভিন্ন মাধ্যমে প্রায় ৯০ ভাগ শিক্ষার্থী দোরগোড়ায় পৌঁছেছে। তবে এখনো ১০ ভাগ শিক্ষার্থীর কাছে সংসদ টিভির ক্লাসগুলো পৌঁছায়নি। কিন্তু এই দশভাগকে পিছনে ফেলে আমরা সামনে এগিয়ে যাব না। তাই ইতিমধ্যেই আমরা টোল ফ্রি মোবাইল সুবিধা দেব যা খুবই দ্রুত সেটা চালু করতে যাচ্ছি যার মাধ্যমে সেই ১০ ভাগ শিক্ষার্থীও শিক্ষকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার মাধ্যমে পাঠের সুযোগ পাবে। এছাড়া ইন্টারনেটের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে বাজেটে প্রস্তাবনা থাকলেও শুধুমাত্র শিক্ষাক্ষেত্রকে এর বাইরে রেখে বা নামমাত্র মূল্যে কিভাবে ইন্টারনেট সুবিধা দেওয়া যায় সেটা নিয়েও আমরা ভাবছি। এছাড়াও কমিউনিটি রেডিওর মাধ্যমেও তাদের কাছে শিক্ষা পৌঁছানোর বিষয়ে আমাদের কাজ চলছে। ইউনিয়ন পর্যায়ের তথ্য সেবা কেন্দ্র ও ডিজিটাল সেবা কেন্দ্রগুলোকে শিক্ষার জন্য ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রতিটি ইউনিয়নে তথ্যসেবা কেন্দ্র ও ডিজিটাল সেবা কেন্দ্র রয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীরা সেখান থেকেও শিক্ষা সেবা নিতে পারে। তবে যেসব জায়গায় এই সুবিধাগুলো নেই সেখানে শিক্ষকরা শিক্ষাদানের সবচেয়ে বড় মাধ্যম হতে পারে বলে জানান তিনি। শিক্ষা মন্ত্রী বলেন, যেখানে এই ডিজিটাল সেবা পৌঁছাতে পারবে না আমরা চাইবো শিক্ষকরা কিছু সংখ্যক শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কিভাবে পাঠ দান করতে পারে সেই বিষয়ে আমরা ভাবছি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললেও আগের মতো এক বেঞ্চে ৪ জন না বসিয়ে দুই অথবা তিন জন বসতে দেওয়া হবে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা হবে। অনির্ধারিত ছুটি পুষিয়ে নিতে আমরা বেশ কয়েকটি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে তার মধ্যে সিলেবাস, বার্ষিক ছুটি কমিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, সঠিক তথ্য ও প্রচার মানুষকে সচেতন করা গণমাধ্যমের বড় দায়িত্ব। একদিকে ইন্টারনেটের উপর সবকিছু নির্ভরশীল হচ্ছে অন্যদিকে এর ব্যবহার বাড়ালে সকল প্রস্তুতি বিফলে যাবে। ইন্টারনেট মানুষের হাতের নাগালে রাখতে হবে এজন্য সরকারকে এ খাতে প্রণোদনা দিতে হবে। মনে রাখতে হবে শিক্ষার একটি প্রজন্ম হারিয়ে গেলে তাদের আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। এই কারণে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সরকারকে আহ্বান জানান তিনি। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. মনজুর আহমদ বলেন, গোটা শিক্ষাব্যস্থাপনা নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিতে হবে সরকারের। করোনাকালীন এই সংকটের কারণে যে ক্ষতির মুখে পড়ছে শিক্ষাব্যবস্থা তা পুষিয়ে নিতে পরিকল্পনা করতে হবে। ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী অধ্যাপক ড. ফারহানা খানম বলেন, নন-এমপিও শিক্ষকরা খুবই কষ্টে আছেন। তাদের বেতন শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি এর ওপর নির্ভর করে। কিন্তু এখন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা সংকটে, ফলে দেশের বেতনহীন শিক্ষকদের দিকে সরকারের সদয় দৃষ্টি দিতে হবে। করোনাকালে শিক্ষার চ্যালেঞ্জ এবং উত্তরণে করণীয় শীর্ষক এ ভার্চুয়াল সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মুসতাক আহমদ। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. মনজুর আহমদ এবং ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী অধ্যাপক ড. ফারহানা খানম।

শিক্ষা পাতার আরো খবর