সময় বাড়ল ইবিতে স্নাতকে ভর্তি আবেদনের
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি আবেদনের সময় আরো দুদিন বাড়ানো হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে। ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এম এম আবদুল লতিফ বলেন, ‘গত ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি আবেদন নেওয়া হয়েছে। আবেদন জমা নেওয়ার সময় দুই দিন বাড়ানো হয়েছে। ফলে ১২ অক্টোবর রাত ১২টা পর্যন্ত আবেদন নেওয়া হবে।’ সূত্র জানায়, গত ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ অক্টোবর সময়ে মোট ৪৭ হাজার ২৯৫ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। এর মধ্যে থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদভুক্ত ‘এ’ ইউনিটে এক হাজার ৯৬৫ জন, মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘বি’ ইউনিটে ২০ হাজার ৬০৮ জন, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদভুক্ত ‘সি’ ইউনিটে ছয় হাজার ৯২১ জন, ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদভুক্ত ‘ডি’ ইউনিটে ১৭ হাজার ৮০১ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। এ বছর বিশ্ববিদ্যালয়টিতে পাঁচটি অনুষদের অধীনে ৩৩টি বিভাগে দুই হাজার ২৭৫ আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি নেওয়া হবে। এবারই প্রথম ভর্তি পরীক্ষায় বহুনির্বাচনী পদ্ধতির পাশাপাশি লিখিত পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। সর্বমোট ১২০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফলের উপর থাকবে (এসএসসি ও এইচএসসি মিলে ২০+২০=৪০) ৪০ নম্বর। এ ছাড়া ৬০ নম্বরের বহুনির্বাচনী এবং ২০ নম্বরের (এককথায় উত্তর দিতে হবে) লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে। ভর্তি সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ওয়েবসাইটে (www.iu.ac.bd) পাওয়া যাবে।
ঢাবির গ-ইউনিটে উত্তীর্ণ ১০.৯৮%
অনলাইন ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের অধীনে গ- ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ১০ দশমিক ৯৮ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। সোমবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিসে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল প্রকাশ করেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ঢাবির গ- ইউনিটের ১ হাজার ২৫০টি আসনের বিপরীতে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ২৫ হাজার ৯৫৮ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ২ হাজার ৮৫০ জন। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে পছন্দ তালিকা পূরণ করতে পারবেন তারা। আরও জানা গেছে, পরীক্ষার বিস্তারিত ফলাফল এবং ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট admission.eis.du.ac.bd-এ জানা যাবে। এছাড়া DU GA লিখে রোল নম্বর লিখে ১৬৩২১ নম্বরে send করে ফিরতি SMS এ ভর্তিচ্ছুরা তার ফলাফল জানতে পারবেন।
বিশ্ববিদ্যালয় খোলার নির্দেশ মন্ত্রীর
অনলাইন ডেস্ক :আন্দোলনের ভয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাস বিরতি বা বন্ধ না রাখার নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। আবার উস্কানিতে যাতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে যুক্ত না হয় সেটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে (ভিসি) দায়িত্ব নিতে হবে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম। অন্যদিকে ভিসিরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আটক ২২ শিক্ষার্থীর মুক্তি দাবি করছেন। বলেছেন, তাদেরকে মুক্ত না করলে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক করা কঠিন হবে। তবে শিক্ষামন্ত্রী বিষয়টি তার এখতিয়ারের বাইরে বলে জানিয়েছেন। বুধবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যদের সঙ্গে জরুরি মতবিনিময় সভা করেন শিক্ষামন্ত্রী। এ সময় দুই পক্ষে এই কথা হয়। মত বিনিময়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান আবদুল মান্নানের সভাপত্বিতে রাজধানীসহ দেশের ১০৩টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, বোর্ড অব ট্রাস্ট্রিজ চেয়ারম্যান, সদস্য, শিক্ষকসহ অনেকে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন। তারা নিজ নিজ সমস্যা তুলে ধরেন। গত ২৯ জুলাই ঢাকার বিমানবন্দর সড়কে বাস চাপায় দুই কলেজ শিক্ষার্থী নিহতের পরদিন থেকে নিরাপদ সড়কের দাবিতে যে আন্দোলন হয় তাতে অংশ নেয় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাই। তবে টানা ছয় দিনের আন্দোলন শেষে ৫ আগস্ট তারা উঠে গেলে এর পর দিন রাস্তায় নামে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা। এর মধ্যে রামপুরা এলাকায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরকার সমর্থকদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। আর পরদিন ওই এলাকায় প্রথমে ইস্টওয়েস্ট এবং পরে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নর্থ সাউথ ইউনির্ভার্সিটির শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ ও বহিরাগতদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। সেদিন আগস্ট তিনটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করে কর্তৃপক্ষ। তবে আটক হয় ২২ জন শিক্ষার্থী, যাদেরকে ৭ আগস্ট দুই দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়। শিক্ষা বলেন, ‘স্কুল-কলেজ শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাড়িয়ে আন্দোলন যৌক্তিক ছিলো। আমরা তাদের এ দাবিকে সমর্থন করি। যৌক্তিকভাবে তারা ক্ষোপ প্রকাশ করেছেন, দাবি জানিয়েছেন, আন্দোলন করে গেছেন।’ ‘এতে করে আমরা অনেক অজানা কিছু জানতে পেরেছি। অনেকে ট্রাফিক আইন মেনে চলেন না, রাস্তায় ফিটনেস বিহীন গাড়ি চলানো হচ্ছে, ভিআইপিরা আইন অমান্য করছেন, অনেকে লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালাচ্ছেন। আমাদের সমাজ ও রাষ্ট্রের যে সকল সমস্যা তা তারা চোখে আঙ্গুল দিয়ে আমাদের দেখিয়ে দিয়েছেন।’ ‘প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের ৯ দফা দাবি মেনে নিয়েছেন। বর্তমানে তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। নতুন সড়ক আইন তৈরি করা হয়েছে। জাতীয় সংসদে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। দ্রুতই এটি বাস্তবায়ন করা হবে। তাই আর ছাত্রদের রাস্তায় থাকার কোন অবকাশ নেই।’ উপাচার্যদেরকে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা স্কুল-কলেজ শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরাতে রাজধানীর সকল প্রধানদের নিয়ে মতবিনিময় সভা করেছি। এরপর আর তারা রাস্তায় না নামলেও এখন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নামছেন। তৃতীয় পক্ষ এতে সুবিধা নিচ্ছে। তাই আন্দোলনের ভয়ে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখবেন না। এতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। শিক্ষার্থীদের মটিভেট করে তাদের ক্লাসে ফিরিয়ে নিতে হবে।
জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা শুরু ১ নভেম্বর
অনলাইন ডেস্ক: জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে আগামী ১ নভেম্বর থেকে। আজ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক গণমাধ্যমকে জানান, জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা ১ নভেম্বর শুরু করার প্রস্তাব করা হয়েছে। চলবে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত। প্রথম দিন জেএসসিতে থাকবে বাংলা পরীক্ষা। তিনি বলেন, আগের মতোই সকাল ১০টা ও বিকাল ২টায় দুটি করে পরীক্ষা আয়োজন করা হবে। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বিভাগের উপসচিব মো. আবদুল খালেক স্বাক্ষরিত সূচিতে দেখা গেছে, প্রথম দিন জেডিসি অনুষ্ঠিত হবে কোরআন মজিদ ও তাজবিদ বিষয়ের পরীক্ষা দিয়ে।
প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা শুরু ১৮ নভেম্বর
অনলাইন ডেস্ক :চলতি বছর পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা শুরু হবে ১৮ নভেম্বর। চলতি বছর পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা শুরু হবে ১৮ নভেম্বর। বুধবার সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজারের সভাপতিত্বে এ পরীক্ষা সংক্রান্ত জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভায় এ তারিখ চূড়ান্ত হয়। মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রবীন্দ্রনাথ রায় জানান, ১৮ নভেম্বর পরীক্ষা শুরু হয়ে চলবে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত। তবে অন্যবার বেলা ১১টা থেকে এই পরীক্ষা শুরু হলেও এবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পরীক্ষা হবে। পরীক্ষার সময় আগের মতো আড়াই ঘণ্টাই থাকছে বলে জানান তিনি। ডিসেম্বরের শেষ দিকে সারা দেশে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একযোগে প্রাথমিক ও ইবদেতায়ি সমাপনী পরীক্ষা নেয়া হলেও পরীক্ষা শুরুর সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখ নির্ধারণ করা থাকে না। রবীন্দ্রনাথ জানান, পরীক্ষায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন পরীক্ষার্থীদের আগে অতিরিক্ত ২০ মিনিট সময় দেয়া হলেও এবার থেকে তাদের ৩০ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেয়া হবে।
মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার বেড়েছে
অনলাইন ডেস্ক :মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় পাসের হার বেড়েছে। তবে জিপিএ-৫ কমেছে। মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার ৭৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ। গতবার পাসের হার ছিল ৭৭ দশমিক ২ শতাংশ। গতবারের চেয়ে বেড়েছে ১ দশমিক ৬৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ২৪৪ জন শিক্ষার্থী। গতবার জিপিএ-৫ পয়েছিল ১ হাজার ৮১৫ জন। জিপিএ-৫ কমেছে ৫৭১টি। মাদ্রাসা বোর্ডে পরীক্ষার্থী দিয়েছিল ১ লাখ ১২৭ জন শিক্ষার্থী। পাস করেছে ৭৬ হাজার ৯৩২ জন ।এর আগে সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফল হস্তান্তর করা হয়। গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর হাতে ফলাফলের সারসংক্ষেপ তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। এরপর দুপুর ১টায় সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সংবাদ সম্মেলনে ফল প্রকাশের ঘোষণা দেবেন। দুপুর দেড়টা থেকে পরীক্ষার্থীরা নিজেদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়াও শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট (http://www.educationboard.gov.bd) থেকে ফল জানতে পারবে। এছাড়া এসএমএস ও অনলাইনে ফল জানা যাবে। এবার পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৫৮ দিনে ফল প্রকাশ করা হচ্ছে। এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় গত ২ এপ্রিল। তত্ত্বীয় পরীক্ষা চলে ১৩ মে পর্যন্ত। আর ১৪ থেকে ২৩ মের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা। সারা দেশে ১০টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবার ১৩ লাখ ১১ হাজার ৪৫৭ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে সাধারণ আট বোর্ডে শিক্ষার্থী ছিল ১০ লাখ ৯২ হাজার ৬০৭ জন। মাদ্রাসা বোর্ডে পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ১২৭ জন। কারিগরি বোর্ডের অধীনে ১ লাখ ১৭ হাজার ৭৫৪ পরীক্ষার্থী ছিল। যেভাবে জানা যাবে ফল আটটি সাধারণ বোর্ডের অধীনে এইচএসসির ফল জানাতে HSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৮ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফল জানিয়ে দেওয়া হবে। আলিমের ফল জানতে Alim লিখে স্পেস দিয়ে Mad স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৮ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফল পাওয়া যাবে। এছাড়া এইচএসসি ভোকেশনালের ফল জানতে HSC লিখে স্পেস দিয়ে Tec লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৮ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফল জানিয়ে দেওয়া হবে।
আগামীকাল থেকে ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করা যাবে
অনলাইন ডেস্ক :মাদরাসা, কারিগরিসহ সব শিক্ষা বোর্ডের অধীন উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল আজ প্রকাশিত হয়েছে। পাসের হার ৬৬ দশমিক ৬৪। আগামীকাল শুক্রবার থেকে এইচএসসি ও সমমানের ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করা যাবে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তপন কুমার সরকার জানিয়েছেন, আগামীকাল ২০ জুলাই থেকে এইচএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন শুরু হবে। আবেদনের সময় শেষ হবে ২৬ জুলাই বৃহস্পতিবার। ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করতে RSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে বিষয় কোড লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফি বাবদ কত টাকা কেটে নেওয়া হবে তা জানিয়ে একটি পিন নম্বর (পার্সোনাল আইডেন্টিফিকেশন নম্বর-PIN) দেওয়া হবে। আবেদনে সম্মত থাকলে RSC লিখে স্পেস দিয়ে YES লিখে স্পেস দিয়ে পিন নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে যোগাযোগের জন্য একটি মোবাইল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। প্রতিটি বিষয় ও প্রতি পত্রের জন্য দেড়শ টাকা হারে চার্জ কাটা হবে। যেসব বিষয়ের দুটি পত্র (প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র) রয়েছে যেসব বিষয়ের ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করলে দুটি পত্রের জন্য মোট ৩০০ টাকা ফি কাটা হবে। একই এসএমএসে একাধিক বিষয়ের আবেদন করা যাবে, এক্ষেত্রে বিষয় কোড পর্যায়ক্রমে ‘কমা’ দিয়ে লিখতে হবে। তবে ম্যানুয়েল কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না বলে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
এবার এইচএসসি ও সমমানে পাসের হার ৬৬.৬৪
অনলাইন ডেস্ক :মাদরাসা, কারিগরিসহ ১০টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার পাসের হার ৬৬ দশমিক ৬৪। মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৯ হাজার ২৬২ জন শিক্ষার্থী। গত বছর ১০ বোর্ডের পাসের গড় হার ছিল ৬৮ দশমিক ৯১ শতাংশ। সে হিসেবে এবার পাসের হার কমেছে ২ দশমিক ২৭ শতাংশ। এ বছর মোট পাস করেছে ৮ লাখ ৫৮ হাজার ৮০১ জন শিক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। সেখানে তিনি ফলাফলের সংক্ষিপ্ত কিছু তথ্য তুলে ধরেন। চলতি বছর সারাদেশের দুই হাজার ৫৪১টি কেন্দ্রে এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১৩ লাখ ১১ হাজার ৪৫৭ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে সাধারণ আট বোর্ডে শিক্ষার্থী সংখ্যা ১০ লাখ ৯২ হাজার ৬০৭ জন। গত ২ এপ্রিল শুরু হয় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। তত্ত্বীয় পরীক্ষা চলে ১৩ মে পর্যন্ত। আর ১৪ থেকে ২৩ মের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা।
আগামী সপ্তাহে এমপিওভুক্তির আবেদনের বিজ্ঞপ্তি
অনলাইন ডেস্ক :বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিও (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) দিতে অনলাইনে আবেদনের জন্য আগামী সপ্তাহে বিজ্ঞপ্তি জারি করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করতে গঠন করা ও এমপিওভুক্তির জন্য বাছাই’ কমিটি‘ সদস্য ও মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের যুগ্ম সচিব (সরকারি মাধ্যমিক) সালমা জাহান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, অনলাইনের মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করতে দ্রুত সময়ে আবেদনপত্র জমা দেওয়ার জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে। আগামী রবিবার বৈঠক অনলাইনে আবেদন ফরম চূড়ান্ত করা হবে। ওইদিনই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার। আশাকরি সোমবার বা মঙ্গলবারের মধ্যে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া সম্ভব হবে। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও দিতে গত ২০ জুন দু’টি কমিটি গঠন করে মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। এর একটি শর্তপূরণ করা প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রস্তুতের জন্য ‘অনলাইন অ্যাপলিকেশন গ্রহণ ও ব্যবস্থাপনা’ কমিটি এবং অন্যটি‘এমপিওভুক্তির জন্য বাছাই’ কমিটি। এর আগে ‘এমপিওভুক্তির জন্য বাছাই’ কমিটির আহ্বায়ক জাবেদ আহমেদ জানিয়েছিলেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য আগামী ১৫ জুলাইয়ের পর আবেদন গ্রহণের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে কমিটি। অনলাইন আবেদন ফরম সম্পন্ন হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আবেদন জানাতে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে। সর্বশেষ ২০১০ সালে এক হাজার ৬২৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়। এরপর এমপিওভুক্তি সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে।