প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষার সিদ্ধান্ত
২৫নভেম্বর,বুধবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তি নিয়ে বুধবার এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি। তিনি বলেন, প্রতিবারের মতো এবারে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হবে না। এজন্য বিকল্প বিভিন্ন বিষয় ভেবেছি। শেষ পর্যন্ত ৩টি বিকল্প প্রক্রিয়া নিয়ে ভাবি। এক- স্বাভাবিক নিয়মে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হবে। কিন্তু করোনার এই সময়ে এটি করতে চাচ্ছি না। এমসিকিউ পদ্ধতির কথাও চিন্তা করেছি, কিন্তুও তাতেও ঝুঁকি থাকে। দ্বিতীয়- অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা। তবে সব ভর্তিচ্ছুদের পক্ষে এটা সম্ভব হবে না।
এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কথা ভাবছে না সরকার
১৮নভেম্বর,বুধবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সরকার এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার কথা ভাবছে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেছেন, এ পরিস্থিতিতে সরকার বিকল্প পদ্ধতিতে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করছে। করোনাকালীন ও করোনা পরবর্তী শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে জাতিসংঘ প্রতিনিধিদের সঙ্গে মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) রাতে মতবিনিময়ের সময় তিনি এ কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রীর হেয়ার রোডের সরকারি বাসভবনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পোর নেতৃত্বে ইউনিসেফ বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর তোমো হোজুমি উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্ববিদ্যালয়) এ কে এম আফতাব হোসেন প্রামানিক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ গোলাম ফারুক উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সভায় মিয়া সেপ্পো করোনাকালীন স্বল্প সময়ের মধ্যে সংসদ টেলিভিশনের মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম ও অনলাইন ক্লাস চালু করায় বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করেন। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে সরকারের মনোভাব জানতে চান। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার কথা ভাবছে না সরকার। মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ একটি দেশ। এখানে ফিজিক্যাল ডিসটেন্স মেনটেইন করা অত্যন্ত দুরূহ কাজ। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিলে শিশুদের সঙ্গে তাদের অভিভাবকদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেতে হয়। সে ক্ষেত্রে করোনার সংক্রমণ বেড়ে যেতে পারে। যদিও শিশুদের কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কম, কিন্তু তারা নীরব বাহক হতে পারে। অন্যদিকে, এ পরিস্থিতিতে অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে চান না। তাই সরকার বিকল্প পদ্ধতিতে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করছে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাপী চলমান মহামারি করোনার কারণে আমাদের শিক্ষখাত নানা রকমের ঝুঁকিতে রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রয়েছে। যার ফলে কিছু শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বাল্যবিয়ে ও শিশুশ্রম বাড়তে পারে। অনেক শিক্ষার্থী আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মানসম্মত শিক্ষা অর্জন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সব প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও করোনার কারণে ২০২০ সালের এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। ২০২১ সালে অনুষ্ঠেয় এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক ক্লাস না হওয়ায় সিলেবাস সমাপ্ত করা এখন একটা বড় চ্যালেঞ্জ। তাছাড়া কারিগরি শিক্ষার ক্ষেত্রে ব্যবহারিক ক্লাসগুলো অনলাইনে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় আমাদের শিশুরা সাইকোলজিক্যাল বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছে। তিনি বলেন, করোনায় শিক্ষাখাতের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ডিজিটাল প্রযুক্তি আমাদের সহায়তা করেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করার মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে সংসদ টেলিভিশনের মাধ্যমে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা পর্যায়ে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তারপরও আমাদের প্রায় ১০ শতাংশ শিক্ষার্থী শিক্ষা কার্যক্রমের বাইরে রয়েছে। মোট শিক্ষার্থীর তুলনায় ১০ শতাংশ অনেক বড় একটি সংখ্যা। আমরা কোন একজন শিক্ষার্থীকে পেছনে রেখে আগাতে চাই না।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়লো ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত
১২নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের এ তথ্য জানিয়েছেন। দেশে করোনা রোগী শনাক্তের পর ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দফায় দফায় ছুটি আগামী ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়। এর আগে বুধবার অনলাইনে সাংবাদিকদের এক আলোচনায় অংশ নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানান, ১৫ তারিখ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলবে কিনা, নাকি এই ছুটি আরও বাড়বে, নাকি কোনো কোনো ক্লাসের জন্য আমরা সীমিত আকারে শুরু করতে পারব এসব বিষয়গুলো নিয়ে এখনও কাজ করছি। তবে শীতে করোনা পরিস্থিতি অবনতির শঙ্কায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চলমান এ ছুটি বাড়ানো হলো। করোনা মহামারির কারণে এ বছর প্রাথমিক সমাপনী, অষ্টমের সমাপনী ছাড়াও এইচএসসি পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। জেএসসি ও এসএসসির ফলের ভিত্তিতে এইচএসসির ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত হলেও অন্যান্য শ্রেণিগুলোয় পরীক্ষা ছাড়া পরবর্তী ক্লাসে তুলে দেওয়া হবে। তবে মাধ্যমিকের ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত অ্যাসাইনমেন্ট দিয়ে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি নিয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি: মন্ত্রণালয়
১১নভেম্বর,বুধবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি সংক্রান্ত বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হলে সাথে সাথে গণমাধ্যমকে অবহিত করা হবে। বুধবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের এতথ্য জানান। মার্চে দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের পর ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দফায় দফায় ছুটি আগামী ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়। তবে আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি না বাড়িয়ে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন শ্রেণিতে কার্যক্রম শুরুর গুঞ্জন চলছে। দুপুরে অনলাইনে সাংবাদিকদের এক আলোচনায় অংশ নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানান, আমরা এ মাসের ১৪ তারিখ পর্যন্ত বন্ধ রেখেছি। ১৫ তারিখ থেকে খুলবে কিনা, নাকি এই ছুটিটি আরও বাড়বে নাকি কোনো কোনো ক্লাসের জন্য আমরা সীমিত আকারে শুরু করতে পারবো- এসব বিষয় নিয়ে এখনও কাজ করছি। তিনি বলেন, ১৪ তারিখের আগে চেষ্টা করব আপনাদের জানিয়ে দিতে। কারণ, ১৪ তারিখের আগে তো আমাদের একটা সিদ্ধান্ত দিতেই হবে। কাল বা পরশুর মধ্যে আমাদের একটা সিদ্ধান্ত জানাতেই হবে। আজ জানাতে পারছি না। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সংকটের মধ্যেও আমরা পড়াশোনা চালিয়ে নিতে পেরেছি, চালিয়ে যাচ্ছি, অবশ্যই এটি আমাদের কোনো আদর্শ পরিস্থিতি নয়। আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তার মধ্যে আমরা চেষ্টা করছি। এই চেষ্টাটি চালিয়ে যেতে হবে, এটিকে আরও কত ভালো করা যায়, কারণ করোনা কতদিনে যাবে, কতদিনে সত্যিকার অর্থে আমরা আসলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুরোপুরি খুলে দিতে পারব, সে বিষয়গুলো কিন্তু এখনও বেশ অনিশ্চিত। সামনেই এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা আছে। সেগুলো নিয়েও আমরা বিভিন্নভাবে ভাবছি যে, কী করে তাদের পরীক্ষার আগে সিলেবাস পুরোপুরি শেষ করা যায়, এসব নানান জিনিস আমরা ভাবছি, যোগ করেন তিনি।
স্বাস্থ্যবিধি মানলে করোনা আক্রান্তের হার কমবে: নওফেল
৩১অক্টোবর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষা উপ-মন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেছেন, যত দ্রুত ও সহজে করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা করা যাবে ততই শনাক্তকৃত রোগীর চিকিৎসা প্রদান করা সহজ হবে। ঘাতক এ ব্যাধি যে হারে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ছে তাৎক্ষণিকভাবে নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা দিতে পারলে মৃত্যুর হার অনেকাংশে কমে যাবে। তাছাড়া সরকারের নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে এ রোগে আক্রান্তের হার কমে আসবে। আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) রিসার্চ এন্ড ফার্ম বেইজড ক্যাম্পাসে কোভিড-১৯ শনাক্তকরণ ল্যাবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। সিভাসুর উপাচার্য প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ সালাম। অনুষ্ঠিত সভার শুরুতে করেন মাওলানা হাফেজ আহমদ পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত। সিভাসু রিসার্চ এন্ড ফার্ম বেইজড ক্যাম্পাস মিলানায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ডা. তাহিয়া আহমদ লুবনার সঞ্চালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি কেশব কুমার বড়ুয়া, হাটহাজারী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আলম মামুন, সিভাসুর প্রফেসর ড. নুরুল আবছার খাঁন, উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এ এস এম ইমতিয়াজ হোসাইন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শরীফ উল্যাহ, হাটহাজারী থানার ওসি মাসুদ আলম।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে নতুন সচিব
২৫,অক্টোবর,রবিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে নতুন সচিব নিয়োগ পেয়েছেন জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক (সচিব) মো. হাসিবুল আলম। রোববার (২৫ অক্টোবর) এই নিয়োগ দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে আদেশ জারি করা হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের দায়িত্ব চালিয়ে আসা মো. আকরাম-আল-হোসেন আগামী ৩১ অক্টোবর অবসরোত্তর ছুটিতে (পিআরএল) যাচ্ছেন। নতুন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব হাসিবুল আলম প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের যুগ্মসচিব, পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের দ্বিতীয় সচিব, ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। অপরদিকে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নতুন নির্বাহী পরিচালক (সচিব) হয়েছেন অতিরিক্ত সচিব দুলাল কৃষ্ণ সাহা। দুলাল কৃষ্ণকে সচিব পদে পদোন্নতির পর এই নিয়োগ দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে আরেকটি আদেশ জারি করা হয়েছে।
যত্রতত্র অনার্স-মাস্টার্স চালু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বেকার তৈরির কারখানায় পরিণত করেছে
২২,অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: যত্রতত্র অনার্স-মাস্টার্স চালু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বেকার তৈরির কারখানায় পরিণত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শিক্ষা ভাবনাকে আমরা ধারণ করতে পারেনি। আমরা সস্তা জনপ্রিয়তার জন্য সার্টিফিকেট সর্বস্ব শিক্ষায় মনোনিবেশ করেছিলাম। যত্রতত্র অনার্স মাস্টার্স চালুর কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বেকার তৈরি করার কারখানায় পরিণত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু ব্যবহারিক ও জীবনমুখী পড়াশোনার ওপর গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুধু জাতির পিতা নয়, তিনি জাতির শিক্ষকও। মেহেরপুর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে মুজিববর্ষে শতঘণ্টা মুজিব চর্চার অংশ হিসেবে জাতির পিতার শিক্ষা ভাবনা শীর্ষক এক অনলাইন আলোচনা সভায় উপমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এসময় তিনি কৃষি ও কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত হতে যুব সমাজের প্রতি আহ্বান জানান। ছাত্রদের উদ্দেশে উপমন্ত্রী বলেন, ব্রিটিশরা বিএ, এমএ পাস করিয়ে আমাদের কেরানি বানিয়ে দিয়ে গেছে। তোমরা জমিতে গিয়ে শিখ কীভাবে ফসল ফলাতে হয়। মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, রাষ্ট্রীয়ভাবে বঙ্গবন্ধু মুজিবকে চর্চা করা উচিত ছিল কিন্তু বিগত সরকার সমূহ ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম পর্যন্ত মুছে ফেলার চেষ্টা করেছে। ৭ই মার্চের ভাষণকে মানব ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে ইউনেস্কো স্বীকৃতি দিয়েছে অথচ এক সময় সে ভাষণ পর্যন্ত শুনতে দেয়া হতো না। মেহেরপুর জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ মুনসুর আলম খানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরো যুক্ত ছিলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

শিক্ষা পাতার আরো খবর