বুধবার, নভেম্বর ২১, ২০১৮
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর এর ভাবমূর্তি আরও বাড়াতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)-এর কাজকর্মে অনেক উন্নতি হয়েছে। এটি ধরে রাখতে হবে। কাজের মান, দক্ষতা ও সেবা প্রদান অব্যাহত উন্নত করে নেতিবাচক দিকগুলো পরিহার করতে হবে। মাউশির ভাবমূর্তি আরও বাড়াতে হবে। আজ মঙ্গলবার ঢাকায় শিক্ষা ভবনে মাউশি অধিদপ্তরের সভাকক্ষে এক মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন। মাউশির নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুকের যোগদান উপলক্ষে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, অধিদপ্তরের প্রকল্পগুলোর কাজও দ্রুত চালিয়ে যেতে হবে। যাতে সময়মত তা শেষ হয়। চলমান কাজগুলো যেন স্বাভাবিকভাবে চালু থাকে এবং কাজের গতি যাতে শ্লথ বা ধীর না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থায় বিগত ১০ বছরে অনেক কিছু শৃঙ্খলার মধ্যে নিয়ে আসা হয়েছে। সকল শিশুকে স্কুলে নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে। বছরের প্রথম দিনে পুরো সেট বই একসাথে শিশুদের হাতে দেয়া হচ্ছে। আগে পুরো সেট বই কিনে সংগ্রহ করতে ৩/৪ মাস সময় লেগে যেত। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি, মেধাবৃত্তি দেয়া হচ্ছে। বৃত্তির সংখ্যা ও টাকার পরিমান অনেক বাড়ানো হয়েছে। মোট ২ কোটি ৬৬ লাখ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন ধরনের বৃত্তি দেয়া হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নির্ধারিত দিনে প্রতিটি পাবলিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ৬০ দিনের মধ্যে ফলাফল প্রকাশিত হচ্ছে। অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। তারপরও ভর্তির ক্ষেত্রে কোন অনিয়ম হলে এটা দূর করতে হবে। এজন্য শিক্ষকদের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। এসএসসির ফরম পূরণে কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে শিক্ষকদের যথাযথ দায়িত্ব পালন করতে হবে। মাউশির পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. শামছুল হুদার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে নবনিয়োগপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব নাজমুল হক খান প্রমুখ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
পহেলা জানুয়ারিতেই শিক্ষার্থীরা বই হাতে পাবে: মোস্তাফিজুর রহমান
অনলাইন ডেস্ক: আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হলেও শিক্ষার্থীরা পহেলা জানুয়ারিতে নতুন বই হাতে পাবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার। আজ রোববার (১৮ নভেম্বর) রাজধানীর ভিকারুন্নেসা নূন স্কুলে পরীক্ষা পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা জানান। রোববার থেকে সারাদেশে একযোগে শুরু হয়েছে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা। এদিন রাজধানীর ভিকারুন্নেসা স্কুলে পরীক্ষা পরিদর্শন করতে আসেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আকরাম আল হোসেন। পরিদর্শন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন শুরু হবে ৩০ ডিসেম্বর। তবে পহেলা জানুয়ারিতে নতুন বই পাবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা। নির্বাচনের জন্য বই পাওয়াতে কোনো অসুবিধা হবে না বলেও জানান তিনি। এক প্রশ্নের জবাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক ও অষ্টম শ্রেণি পর্যায়ে শুধুমাত্র একবার সমাপনী পরীক্ষা নেওয়ার জন্য অভিভাবকরা বলে আসছেন। সেটা আমরা বিবেচনায় নিয়েছি। তবে এ বিষয়ে মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এটা হতে পারে। রোবার থেকে শুরু হওয়া পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৩০ লাখ ৯৮ হাজার ৪১৭ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় এবার ২৭ লাখ ৭৭ হাজার ২৭০ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে, যার মধ্যে ছাত্র ১২ লাখ ৭৮ হাজার ৭৪২ জন এবং ছাত্রী সংখ্যা ১৪ লাখ ৯৮ হাজার ৫২৮ জন। ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ৩ লাখ ১৭ হাজার ৮৫৩ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে। যার মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৬৬ হাজার ৮১৪ জন এবং ছাত্রী ১ লাখ ৫১ হাজার ৩৯ জন। এছাড়া এ বছর ৩ হাজার ২৯৪ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থী সমাপনীতে অংশ নিচ্ছে, এদের জন্য পরীক্ষায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিট বরাদ্দ থাকবে। পরীক্ষা প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হয়ে শেষ হবে দুপুর ১টায়। ৬টি বিষয়ের প্রতিটিতে ১০০ করে মোট ৬০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এবার পরীক্ষার বহুনির্বাচনী প্রশ্ন (এমসিকিউ) বাদ দেওয়া হয়েছে। যা শেষ হবে ২৬ নভেম্বর (সোমবার)।
আজ থেকে শুরু হয়েছে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা
অনলাইন ডেস্ক: পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা রোববার (১৮ নভেম্বর) সকাল ১০টায় শুরু হয়েছে। পরীক্ষা শেষ হবে দুপুর দেড়টায়। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান পরীক্ষা শুরুর দিন সকাল ১০টায় রাজধানীর বেইলি রোডে অবস্থিত ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করবেন। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় এবার ২৭ লাখ ৭৭ হাজার ২৭০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবে, যার মধ্যে ছাত্র ১২ লাখ ৭৮ হাজার ৭৪২ জন এবং ছাত্রী সংখ্যা ১৪ লাখ ৯৮ হাজার ৫২৮ জন। ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ৩ লাখ ১৭ হাজার ৮৫৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবে। এতে ছাত্র ১ লাখ ৬৬ হাজার ৮১৪ জন এবং ছাত্রী ১ লাখ ৫১ হাজার ৩৯ জন। এসব পরীক্ষার্থীর মধ্যে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন পরীক্ষার্থী রয়েছে ৩ হাজার ২৯৪ জন। তাদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকবে। পরীক্ষা প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হয়ে শেষ হবে দুপুর ১টায়। ৬টি বিষয়ের প্রতিটিতে ১০০ করে মোট ৬০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এবার পরীক্ষার বহুনির্বাচনী প্রশ্ন (এমসিকিউ) বাদ দেওয়া হয়েছে। যা শেষ হবে ২৬ নভেম্বর (সোমবার)।
আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে পিইসি পরীক্ষা,থাকছে না এমসিকিউ
অনলাইন ডেস্ক: প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষা-২০১৮ শুরু হচ্ছে আগামীকাল। এবার পরীক্ষায় থাকছে না এমসিকিউ বা বহু নির্বাচনী প্রশ্ন। রোববার থেকে প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলবে এ পরীক্ষা। পরীক্ষা শেষ হবে ২৬ নভেম্বর। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীরা অতিরিক্ত ৩০ মিনিট বেশি সময় পাবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এ বছরের পরীক্ষার ফল নির্বাচনের আগেই প্রকাশ করা হতে পারে। আমরা মনে করি না, নির্বাচনের কারণে ফল প্রকাশ এবং বই বিতরণে কোনো সমস্যা হবে। ইতোমধ্যে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে প্রতিটি জেলার পরীক্ষা কার্যক্রম পরিদর্শনের জন্য ভিজিল্যান্স টিম গঠন করা হয়েছে। কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ বছর ছয়টি বিষয়ে ১০০ করে মোট ৬০০ নম্বরের পরীক্ষা দিতে হবে। পরীক্ষায় ২৭ লাখ ৭৭ হাজার ২৭০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেবে। এর মধ্যে ১২ লাখ ৭৮ হাজার জন ছাত্র এবং ১৪ লাখ ৯৮ হাজার ছাত্রী। গত বছরের চেয়ে এবার ২৩ হাজার ৪৭২ জন শিক্ষার্থী বেশি। এবার ৭ হাজার ৪১০টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা হবে। পরীক্ষার দায়িত্ব পালনে ন্যূনতম অবহেলা বা অনিয়মের বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে মন্ত্রণালয়। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কক্ষের টেলিফোন নম্বর ০২-৯৫১৫৯৭৭, ই-মেইল [email protected] এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের নম্বর ০২-৫৫০৭৪৯১৭, ০১৮৫৫-০৮০৩০৭, ০১৭১২-১০৬৩৬৯, ই-মেইল [email protected] । সমাপনী পরীক্ষা সংক্রান্ত সব তথ্য এ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানা যাবে। পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ২০০৯ সাল থেকে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা শুরু হয়। আর ইবতেদায়িতে এই পরীক্ষা হচ্ছে ২০১০ সাল থেকে। প্রথম দুই বছর বিভাগভিত্তিক ফল দেয়া হলেও ২০১১ খ্রিস্টাব্দ থেকে গ্রেডিং পদ্ধতিতে খুদে শিক্ষার্থীদের সমাপনীর ফল দেওয়া হচ্ছে। আগে এই পরীক্ষার সময় দুই ঘণ্টা থাকলেও ২০১৩ সাল থেকে পরীক্ষার সময় আধ ঘণ্টা বাড়িয়ে আড়াই ঘণ্টা করা হয়। প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে গত বছর থেকে দেশের ৬৪ জেলাকে বিশেষ আটটি অঞ্চলে ভাগ করে আট সেট প্রশ্ন ছাপিয়ে প্রাথমিক ও ইবেতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী নিচ্ছে সরকার। প্রাথমিক সমাপনীর সূচি: ১৮ নভেম্বর ইংরেজি, ১৯ নভেম্বর বাংলা, ২০ নভেম্বর বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, ২২ নভেম্বর প্রাথমিক বিজ্ঞান, ২৫ নভেম্বর গণিত এবং ২৬ নভেম্বর ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা। ইবতেদায়ি সমাপনীর সূচি: ১৮ নভেম্বর ইংরেজি, ১৯ নভেম্বর বাংলা, ২০ নভেম্বর বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় এবং বিজ্ঞান, ২২ নভেম্বর আরবি, ২৫ নভেম্বর গণিত এবং ২৬ নভেম্বর কুরআন ও তাজবিদ এবং আকাইদ ও ফিকাহ।
এইচএসসির ফরম পূরণ শুরু ১৩ ডিসেম্বর থেকে
অনলাইন ডেস্ক: আগামী ১৩ ডিসেম্বর থেকে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা ফরম পূরণের কার্যক্রম শুরু হবে। চলবে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এর মধ্যে ফরম পূরণ করতে না পারলে ১০০ টাকা বিলম্ব ফিসহ ২৪ থেকে ২৬ ডিসেম্বরের মধ্যে সোনালী সেবার মাধ্যমে ফরম জমা দেওয়া যাবে। ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইটের হোম পেইজে sonali seba মেন্যুতে ক্লিক করলে ফি প্রদানের জন্য সোনালী সেবা ফরম পাওয়া যাবে। ফরমটির তথ্যাদিত পূরণ করে সেইভ বাটনে ক্লিক করলে ফি জমাদানের রশিদ পাওয়া যাবে। এক কপি রশিদ প্রিন্ট করে সোনলী ব্যাংকের যেকোনো শাখায় ফি জমা প্রদান করে ব্যাংক স্বাক্ষরিত রশিদের একটি কপি রংরক্ষণ করতে হবে। বিস্তারিত ম্যানুয়ালে পাওয়া যাবে। এদিকে এইচএসসি টেস্ট পরীক্ষার ফল ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকাশ করতে হবে বলে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। ১২ ডিসেম্বরের মধ্যে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে শিক্ষার্থীদের সম্ভাব্য তালিকা প্রদর্শন করতে হবে। গত বুধবার ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়। এতে বলা হয়েছে, ২০১৯ শিক্ষাবর্ষে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক জিপিএ উন্নয়ন পরীক্ষার্থীসহ ২০১৮ শিক্ষাবর্ষের পরীক্ষায় অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের ২২ নভেম্বরের মধ্যে নিজ কলেজের অধ্যক্ষ বরাবর আবেদন করতে হবে। এইচএসসি পরীক্ষার ফি বাবদ শিক্ষার্থীদের কাছে প্রতিপত্রের জন্য ১০০ টাকা, ব্যবহারিক ফি (প্রতি পত্রে) ৫০ টাকা এবং জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ফি বাবদ ৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থী প্রতি ১০০ টাকা অনিয়মিত ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। কেউ নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত কোনো কারণ কিংবা শারীরিক অসুস্থতার জন্য নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে না পারলে কিংবা নির্বাচনী পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হলে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীর অভিভভাবকের লিখিত আবেদন ও পরীক্ষার্থীর প্রাক নির্বাচনী পরীক্ষায় সন্তোষজনক ফলাফলের ভিত্তিতে পরীক্ষার ফরম পূরণ করতে পারবে।
৪০তম বিসিএসের আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হচ্ছে আজ
অনলাইন ডেস্ক: ৪০তম বিসিএসের অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া আজ (বৃহস্পতিবার) শেষ হচ্ছে। সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। অনলাইনে bpsc.teletalk.com.bd বা bpsc.gov.bd ওয়েবসাইটের বিপিএসসি-১ ফরম পূরণ করে আবেদন করতে হবে। অনলাইন আবেদন শেষে ৭২ ঘন্টার মধ্যে টেলিটক মোবাইলের মাধ্যমে আবেদন ফি জমা দিতে হবে। আবেদন ফি জমা দেয়ার সময় শেষ হবে ১৮ নভেম্বর সন্ধ্যা ৬টায়। বিভিন্ন ক্যাডারে এক হাজার ৯০৩টি শূন্য পদে নিয়োগের জন্য সেপ্টেম্বরে ৪০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সরকারি কর্ম কমিশন। এর মধ্যে সাধারণ ক্যাডারে ৪৬৫ জন, প্রফেশনাল/ টেকনিক্যাল ক্যাডারে ৫৬৮ জন, শিক্ষা ক্যাডারে ৮৭০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয় ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায়। এবার আবেদনের জন্য প্রায় দেড় মাস সময় পেয়েছেন প্রার্থীরা। ইতিমধ্যে যারা অনলাইনে আবেদনের সময় ভুল করেছেন তাদের নতুন করে আবেদনের সুযোগ দেয়া হয়েছে। তাদেরও আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।
৪ অক্টোবরের-রবিবারের জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা শুক্রবার
অনলাইন ডেস্ক: অনিবার্য কারণে আগামীকাল রবিবারের (৪ অক্টোবর) অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। রবিবার জেএসসি-জেডিসিতে যেসব পরীক্ষা ছিল, তা আগামী শুক্রবার নেওয়া হবে। সেদিন সকাল নয়টা থেকে পরীক্ষা নেয়া হবে। গত বৃহস্পতিবার শুরু হয় জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা। সারাদেশে এবার ২৬ লাখ ৭০ হাজার ৩৩৩ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ১৪ লাখ ৪৬ হাজার ৬০১ জন ছাত্রী এবং ১২ লাখ ২৩ হাজার ৭৩২ জন ছাত্র। এবার ছাত্রীর সংখ্যা বেড়েছে ২ লাখ ২২ হাজার ৮৬৯ জন। ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত দুই হাজার ৯০৩টি কেন্দ্রে পরীক্ষা নিচ্ছে তারা। কিন্তু পরীক্ষা শুরুর প্রথম দিনেই সারা দেশে ৪৩ হাজার ৬৪২ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। আর প্রথম দিন বহিষ্কার করা হয় ১৯ জন পরীক্ষার্থীকে।
সময় বাড়ল ইবিতে স্নাতকে ভর্তি আবেদনের
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি আবেদনের সময় আরো দুদিন বাড়ানো হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে। ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এম এম আবদুল লতিফ বলেন, ‘গত ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি আবেদন নেওয়া হয়েছে। আবেদন জমা নেওয়ার সময় দুই দিন বাড়ানো হয়েছে। ফলে ১২ অক্টোবর রাত ১২টা পর্যন্ত আবেদন নেওয়া হবে।’ সূত্র জানায়, গত ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ অক্টোবর সময়ে মোট ৪৭ হাজার ২৯৫ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। এর মধ্যে থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদভুক্ত ‘এ’ ইউনিটে এক হাজার ৯৬৫ জন, মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘বি’ ইউনিটে ২০ হাজার ৬০৮ জন, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদভুক্ত ‘সি’ ইউনিটে ছয় হাজার ৯২১ জন, ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদভুক্ত ‘ডি’ ইউনিটে ১৭ হাজার ৮০১ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। এ বছর বিশ্ববিদ্যালয়টিতে পাঁচটি অনুষদের অধীনে ৩৩টি বিভাগে দুই হাজার ২৭৫ আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি নেওয়া হবে। এবারই প্রথম ভর্তি পরীক্ষায় বহুনির্বাচনী পদ্ধতির পাশাপাশি লিখিত পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। সর্বমোট ১২০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফলের উপর থাকবে (এসএসসি ও এইচএসসি মিলে ২০+২০=৪০) ৪০ নম্বর। এ ছাড়া ৬০ নম্বরের বহুনির্বাচনী এবং ২০ নম্বরের (এককথায় উত্তর দিতে হবে) লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে। ভর্তি সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ওয়েবসাইটে (www.iu.ac.bd) পাওয়া যাবে।
ঢাবির গ-ইউনিটে উত্তীর্ণ ১০.৯৮%
অনলাইন ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের অধীনে গ- ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ১০ দশমিক ৯৮ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। সোমবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিসে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল প্রকাশ করেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ঢাবির গ- ইউনিটের ১ হাজার ২৫০টি আসনের বিপরীতে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ২৫ হাজার ৯৫৮ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ২ হাজার ৮৫০ জন। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে পছন্দ তালিকা পূরণ করতে পারবেন তারা। আরও জানা গেছে, পরীক্ষার বিস্তারিত ফলাফল এবং ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট admission.eis.du.ac.bd-এ জানা যাবে। এছাড়া DU GA লিখে রোল নম্বর লিখে ১৬৩২১ নম্বরে send করে ফিরতি SMS এ ভর্তিচ্ছুরা তার ফলাফল জানতে পারবেন।

শিক্ষা পাতার আরো খবর