বুধবার, মে ২৩, ২০১৮
বিশ্ব সমাজকর্ম দিবস পালিত রাবিতে
সম্প্রদায় ও পরিবেশগত টেকসই উন্নীতকরণ প্রতিপাদ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) বিশ্ব সমাজকর্ম দিবস পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মমতাজ উদ্দিন কলা ভবনের সামনে থেকে র‍্যালি বের করে সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। পরে র‍্যালিটি ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। সমাবেশে বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ছাদেকুল আরেফিন বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন কমিউনিটি বিভিন্ন কারণে তাদের অস্তিত্ব হারাচ্ছে। অসহায়, দরিদ্র মানুষগুলো নানাভাবে অনগ্রসর হয়ে পড়ছে। সেই অনগ্রসর কমিউনিটিকে উন্নীত করার জন্য সারা বিশ্বব্যাপী সমাজকর্ম অনুসারীদের কাজ করতে হবে। সেই সাথে আমাদের পরিবেশটা যাতে স্থায়িত্বশীল হয় সেজন্য আমাদের আগামী দিনের ভাবনায়, আগামী দিনের গবেষণায় ও চিন্তা-চেতনায় জ্ঞানকে কাজে লাগাতে হবে। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক ড. এমাজ উদ্দিন, অধ্যাপক ড. আফতারুজ্জামান, ড. সৈয়দা আফরীনা মামুন, ড. শেখ কবির উদ্দিন হায়দার, অধ্যাপক শরীফুল ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জামিরুল ইসলামসহ বিভাগের প্রায় তিন শতাধিক শিক্ষার্থী।
শিক্ষকদের আল্টিমেটাম চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে
চাকরি জাতীয়করণের এক দফা দাবিতে ১৮টি শিক্ষক কর্মচারী সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে শিক্ষক কর্মচারী চাকরি জাতীয়করণ বাস্তবায়ন কমিটি। মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সম্মেলন কক্ষে ৬৪টি জেলার শিক্ষক প্রতিনিধিদের মতামতে গঠিত হয় ওই জোটের কেন্দ্রীয় কমিটি। বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির মহাসচিব ও শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া এই কমিটির আহ্বায়ক। প্রতিনিধি সমাবেশ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এই নতুন সংগঠনের আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া চাকরি জাতীয়করণের এক দফা দাবিতে সরকারকে আগামী ২০ জুলাই পর্যন্ত আলটিমেটাম দিয়ে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন। জাতীয়করণের এক দফা দাবির সাথে বৈশাখী ভাতা ও ৫ শতাংশ বার্ষিক প্রবৃদ্ধিও দাবি করা হয়। এ দাবিতে ১৪ এপ্রিল রোববার সকল উপজেলায় বিক্ষোভ, ১৮ এপ্রিল বুধবার সকল জেলা সদরে বিক্ষোভ কর্মসূচি দেয়া হয়। আগামী ২০ জুলাইর মধ্যে চাকুরি জাতীয়করণের ঘোষণা না হলে দলমত নির্বিশেষে ২২ জুলাই থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট এবং ২৯ জুলাই ঢাকায় মহাঅবস্থান কর্মসূচি পালন করবে শিক্ষকেরা। চাকরি জাতীয়করণের দাবি বাস্তবায়নে আগামী ২০ জুলাই পর্যন্ত সরকারকে আলটিমেটাম বা সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়। এ দাবীতে কর্মসূচী ঘোষণা করে অধ্যক্ষ মোঃ সেলিম ভূঁইয়া বলেন, চাকুরী জাতীয়করণের দাবি শুধু শিক্ষকদের প্রাণের দাবী। এ দাবীতে সারাদেশের শিক্ষকরা আজ একমত। এ দাবী শিক্ষকদের জাতীয় দাবীতে পরিণত হয়েছে। এ দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষকরা আর ঘরে ফিরবে না। তিনি দেশের সকল শিক্ষক সংগঠনকে এ দাবীতে জাতীয় ঐক্যমঞ্চ গড়ে তোলাও আহবান জানান। তিনি বলেন, শিক্ষকরা বার বারই বৈষম্যের ও প্রতারনার শিকার হচ্ছেন। মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে দেশের ৬৪টি জেলার শিক্ষক প্রতিনিধিদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির মহাসচিব ও শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া। প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রিন্সিপাল রেজাউল করিম, মাওলানা মো: দেলোয়ার হোসেন, অধ্যক্ষ শামসুল হক, মো: জাকির হোসেন, বরিশাল জেলার শিক্ষক নেতা অধ্যাপক আলমগীর হোসেন, কুমিল্লা জেলার অধ্যক্ষ আবদুর রহমান, চট্টগ্রাম জেলার এম এ ছফা চৌধুরী, দিনাজপুরের অধ্যক্ষ মঞ্জুরুল ইসলাম, কক্সবাজার জেলার হোসাইন মাতবর, বান্দরবান জেলার মেহি মারমা, সিরাজগঞ্চের হাশিম তালুকদার প্রমুখ। ১৮টি শিক্ষক-কর্মচারী সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত নবগঠিত জোটের সংগঠনগুলো হলো- ১. বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ২. বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি ৩. বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতি ৪. বাংলাদেশ অধ্যক্ষ সমিতি ৫. বাংলাদেশ প্রধান শিক্ষক সমিতি ৬. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্মচারী ঐক্য ফেডারেশন ৭. বাংলাদেশ সহকারি অধ্যাপক সমিতি ৮. বাংলাদেশ সহকারি প্রধান শিক্ষক সমিতি ৯. বাংলাদেশ সহকারি শিক্ষক সমিতি ১০. বাংলাদেশ কারিগরি কলেজ শিক্ষক সমিতি ১১. বাংলাদেশ কারিগরি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি ১২. বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা শিক্ষক সমিতি ১৩. বাংলাদেশ গ্রন্থাগার শিক্ষক সমিতি ১৪. বাংলাদেশ প্রভাষক সমিতি ১৫. বাংলাদেশ সংযুক্ত শিক্ষক ফেডারেশন ১৬. নন এমপিও শিক্ষক সমিতি ১৭. বাংলাদেশ কলেজ কর্মচারী ইউনিয়ন ১৮. বাংলাদেশ মাধ্যমিক কর্মচারী ইউনিয়ন। ১৮টি সংগঠনের সভাপতি পদাধিকার বলে যুগ্ম আহ্বায়ক। সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকবৃন্দ সদস্য হিসেবে থাকবে।
শুধু সার্টিফিকেট নয়,স্বশিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে:এমপি মনির
শোর-২ আসনের এমপি এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাড. মনিরুল ইসলাম মনির বলেছেন- সার্টিফিকেটধারী নয়, শিক্ষার্থীদের সত্যিকারের স্বশিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। যেকোনো বিষয়ে সর্বোচ্চ জ্ঞান কিংবা বিশেষ দক্ষতা থাকতে হবে তাহলেই দেশ এগিয়ে যাবে। সোমবার সকাল ১১টায় যশোরের চৌগাছার এবিসিডি কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এমপি মনির বলেন, শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। তাদের ভিতরে নৈতিক শিক্ষা থাকলে কর্মজীবনে কেউ রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহার করবে না। বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তোমাদেরকে দেশপ্রেমিক হতে হবে। দেশপ্রেম না থাকলে ভালো মানুষ হওয়া সম্ভব নয়। তোমরা আগামী দিনের দেশ পরিচালনার কারিগর। সেই লক্ষ্যে তোমাদের যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরে মনিরুল ইসলাম বলেন, বিএনপি-জামায়াতের আমলে স্কুল ও মাদরাসার প্রধানদের বেতন বৈসম্য ছিলো। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সেই বৈসম্য দূর করে যে মাদরাসা সুপার ৫১০০ টাকা এবং স্কুলের প্রধান শিক্ষক ৬১০০ টাকা পেতেন তাদের বেতন ২৯ হাজার টাকা করেছেন। ২৬ হাজার ২শ প্রাইমারি স্কুলকে জাতীয়করণ করেছেন। কওমী মাদরাসাকে স্বীকৃতি দিয়ে দাওরা-ই-হাদিসকে এমএ সমমান মর্যাদা দিয়েছেন। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, চৌগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ শাহজাহান কবীর, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মেহেদী মাসুদ চৌধুরী, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাস্টার সিরাজুল ইসলাম, জেলা পরিষদ সদস্য দেওয়ান তৌহিদুর রহমান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম মিয়া, সাবেক শ্রম বিষয়ক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম রাজ, মৃধাপাড়া মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ড. মোস্তানিছুর রহমান, চৌগাছা সরকারি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম কবির, এস এম হাবিবুর রহমান পৌর কলেজের অধ্যক্ষ মোজাম্মেল হক, পাশাপোল আমজামতলা কলেজের অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম, পাশাপোল ইউপি চেয়ারম্যান ওবাইদুল ইসলাম সবুজ, হাকিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান মাসাদুল হাসান, হাকিমপুর মহিলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ আশরাফুজ্জামান বিপু, হাকিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা শহিদুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি কামরুজ্জামান, নারী নেত্রী শাহিনা আক্তার, নাজনীন নাহার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, এবিসিডি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ রেজাউল ইসলাম। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন, অত্র কলেজের সহকারী অধ্যাপক (সমাজ কর্ম বিভাগ) ড. মো. জহুরুল হক, প্রভাষক (সমাজ-বিজ্ঞান বিভাগ) মো. আব্দুল মাজিদ, দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী কারিশমা আজমী, একাদ্বশ শ্রেণির ছাত্র মো. ইয়াসিন আরাফাত।
৩ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের গেজেট তৃতীয় ধাপে প্রকাশ
দীর্ঘ অপেক্ষার পর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক জাতীয়করণের তৃতীয় ধাপের গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। এ ধাপে প্রায় ৩ হাজার শিক্ষকের তালিকা রয়েছে। রোবাবার এ গেজেট প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। জানা গেছে, প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে জাতীয়করণের দুই বছর পর এবার তৃতীয় ধাপে বিভিন্ন জেলার ৫৩৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষকদের জাতীয়করণ করা হয়েছে। তালিকাভুক্ত প্রতিটি স্কুলে একজন প্রধান শিক্ষক ও চারজন সহকারী শিক্ষকের পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। সে অনুযায়ী তৃতীয় ধাপে মোট ২ হাজার ৬৬৫ জন শিক্ষকে জাতীয়করণ করা হবে। রোববার এ গেজেট প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। তবে স্বাক্ষর না হওয়ায় গেজেটে ঢাকা অঞ্চলের শিক্ষকদের তালিকা অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়নি। তৃতীয় ধাপের গেজেটে বাকি সাত অঞ্চলের শিক্ষকদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। জানা গেছে, জাতীয়করণকৃত প্রতিটি বিদ্যালয়ে চারজন করে সহকারী শিক্ষককে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রধান শিক্ষকের পদ সৃজন করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী বাংলাদেশ কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সুপারিশে ৪০ শতাংশ এবং জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে ৬০ জন প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। গত বছরের ২৯ এপ্রিল তালিকাভুক্ত শিক্ষকদের খসড়া গেজেট প্রকাশ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর ওপর ভিত্তি করেই গেজেট চূড়ান্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. এ এফ এম মনজুর কাদির বলেন, আজ রোববার জাতীয়করণের তৃতীয় ধাপের শিক্ষকদের গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বিভিন্ন পর্যায়ে ৮৩২টি বিদ্যালয় রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ছুটিতে থাকায় গেজেটে ঢাকা অঞ্চলের তালিকা প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। সোমবার ঢাকা অঞ্চলের শিক্ষদের তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে বলে তিনি জানান। তথ্যমতে, ২০১৩ সালে ২৬ হাজার ১৯৩টি বিদ্যালয়ের ১ লাখ ৩ হাজার ৮৪৫ শিক্ষকের চাকরি তিন ধাপে জাতীয়করণের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ২২ হাজার ৯২১, দ্বিতীয় ধাপে ১ হাজার ৭১৯টি বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি রাজধানীর প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত শিক্ষক মহাসমাবেশে ২৬ হাজার ১৯৩ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের ঘোষণা দেন।
৩৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারির ফল প্রকাশ। রেজাল্ট জানতে www.bpsc.gv.bd
আটত্রিশতম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। লিখিত পরীক্ষার জন্য ১৬ হাজার ২৮৬ জনকে যোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে। টেলিটক মোবাইল থেকে এসএমএস করে ফল জানা যাবে। ফল জানতে PSC লিখে স্পেস দিয়ে 38 লিখে স্পেস দিয়ে রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখে 16222 নম্বরে এসএমএস পাঠিতে হবে। ৩৮তম বিসিএসে অংশ নিতে ৩ লাখ ৪৬ হাজার ৪৪০ জন প্রার্থী আবেদন করে। প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশ নেয় ২ লাখ ৮৮ হাজার ৮৯৯ জন। এ বিসিএসের মাধ্যমে মোট দুই হাজার ২৪টি পদে নিয়োগ দেয়া হবে। গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। রেজাল্ট জানতে www.bpsc.gv.bd
অভিভাবকরা উৎকন্ঠায়
৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।এদিকে ২০১৮ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা শুরু হয়েছে ১ ফেব্রুয়ারি। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ২৪ ফেব্রুয়ারি। কালও পরীক্ষা আছে। এখনও এ বিষয়ে সরকার কোন সিদ্ধান্ত নেয়নি। একারণে অভিভাবকরা আছে চরম উৎকন্ঠায়। পরীক্ষার সিলেবাস অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সাধারণ আট বোর্ডে ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা, হিন্দু ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, বৌদ্ধ ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা এবং খ্রিস্ট ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। মাদরাসা বোর্ডে এদিন বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।কারিগরি বোর্ডের অধীন এদিন কোনো পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না। বৃহস্পতিবারের পরীক্ষার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব জাবেদ আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে কি হবে না, তা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। পরীক্ষা বাতিলের পরিস্থিতি হয়নি। এ কারণে বিষয়টি নিয়ে ভাবা হচ্ছে না। বৃহস্পতিবারের পরীক্ষার আগে যদি রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়, সেক্ষেত্রে পরীক্ষা বাতিল করে আগের মতো বন্ধের দিন আয়োজনের ব্যবস্থা করা হবে।
ধরিয়ে দিলে ৫ লাখ টাকা
চলতি মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ধরিয়ে দিলে পাঁচ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। একইসঙ্গে প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়ে ১১ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। আজ রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সভা শেষে এ ঘোষণা দেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। আজ সচিবালয়ে পাবলিক পরীক্ষাসংক্রান্ত জাতীয় মনিটরিং কমিটির জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে বিকেলে শিক্ষামন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, চলতি এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি করা হয়েছে। প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করবে ওই কমিটি। কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ধরিয়ে দিতে পারলে পাঁচ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন ছড়াচ্ছে যারা, তারা ধরা পড়বেই। এটা সময়ের ব্যাপার মাত্র। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব ছড়ানো বন্ধের বিষয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) বলা হয়েছে। তিনি আরও জানান, কেন্দ্রসচিব ছাড়া পরীক্ষার কেন্দ্রে কেউ মোবাইল ফোন নিয়ে গেলে তাকে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হবে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর কোনো পরীক্ষার্থী হলে মোবাইল ফোন নিয়ে গেলে তার পরীক্ষা বাতিল করা হবে। উল্লেখ্য, পূর্বসিদ্ধান্ত অনুসারে কেন্দ্রসচিব পরীক্ষার হলে শুধু একটি সাধারণ মানের ফোন নিতে পারবেন। প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে এবার ব্যাপক কড়াকড়ি ব্যবস্থা নেওয়া হলেও প্রথম দুই দিনে বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্ন পরীক্ষা শুরুর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে যায়। মূল প্রশ্নের সঙ্গে তা মিলেও যায়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মো. আলমগীরের নেতৃত্বে গঠিত ১১ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটিতে থাকবেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ, বিটিআরসি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক শাখা এবং শিক্ষা বোর্ডের প্রতিনিধিরা। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ওই কমিটি পরীক্ষা বাতিলের সুপারিশ করলে পরীক্ষা বাতিল করা হবে। এদিকে বহুনির্বাচনী প্রশ্ন (এমসিকিউ) তুলে দেওয়ার বিষয়ে একটি সেমিনার করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। সারা দেশে মোট ৩ হাজার ৪১২টি কেন্দ্রে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়। আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডসহ মোট ১০ বোর্ডে এবার মোট পরীক্ষার্থী ২০ লাখ ৩১ হাজার ৮৯৯ জন। এর মধ্যে শুধু আট বোর্ডের এসএসসি পরীক্ষার্থী ১৬ লাখ ২৭ হাজার ৩৭৮ জন।
সারা দেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু
সারাদেশে একযোগে শুরু হয়েছে এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষা। এবার স্কুল, মাদ্রাসা ও কারীগরি শিক্ষা নিয়ে মোট ১০টি বোর্ডের অধীনে ৩ হাজার ৪১২টি কেন্দ্রে পরীক্ষা শুরু হয়ে শেষ হবে আগামী চৌঠা মার্চ। সকাল দশটা থেকে প্রথম দিনের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। পরীক্ষার শুরুর আগেই রাজধানীর ধানমণ্ডি গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুল কেন্দ্রে আসেন শিক্ষামন্ত্রী। এসময় মন্ত্রী পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলেন। এই কেন্দ্রেই বাংলা প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্র খুলে পরীক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী। এবছর ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে তত্ত্বীয় পরীক্ষা এবং ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। সারাদেশে ২৮ হাজার ৫৫১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ২০ লক্ষ ৩১ হাজার ৮৯৯ জন পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। প্রতিবারের মতো এবারও পরীক্ষার মোবাইল ফোন ও যে কোন ধরনের ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস নিয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে এবছর এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষা শুরুর দিন থেকে এক সপ্তাহ আগেই সকল কোচিং সেন্টার বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী। কিছুটা উদ্বেগ থাকলেও প্রস্তুতি ভালো থাকায় পরীক্ষায় সন্তোষজনক ফলাফল আশা করছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

শিক্ষা পাতার আরো খবর