পহেলা জানুয়ারিতেই শিক্ষার্থীরা বই হাতে পাবে: মোস্তাফিজুর রহমান
অনলাইন ডেস্ক: আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হলেও শিক্ষার্থীরা পহেলা জানুয়ারিতে নতুন বই হাতে পাবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার। আজ রোববার (১৮ নভেম্বর) রাজধানীর ভিকারুন্নেসা নূন স্কুলে পরীক্ষা পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা জানান। রোববার থেকে সারাদেশে একযোগে শুরু হয়েছে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা। এদিন রাজধানীর ভিকারুন্নেসা স্কুলে পরীক্ষা পরিদর্শন করতে আসেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আকরাম আল হোসেন। পরিদর্শন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন শুরু হবে ৩০ ডিসেম্বর। তবে পহেলা জানুয়ারিতে নতুন বই পাবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা। নির্বাচনের জন্য বই পাওয়াতে কোনো অসুবিধা হবে না বলেও জানান তিনি। এক প্রশ্নের জবাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক ও অষ্টম শ্রেণি পর্যায়ে শুধুমাত্র একবার সমাপনী পরীক্ষা নেওয়ার জন্য অভিভাবকরা বলে আসছেন। সেটা আমরা বিবেচনায় নিয়েছি। তবে এ বিষয়ে মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এটা হতে পারে। রোবার থেকে শুরু হওয়া পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৩০ লাখ ৯৮ হাজার ৪১৭ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় এবার ২৭ লাখ ৭৭ হাজার ২৭০ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে, যার মধ্যে ছাত্র ১২ লাখ ৭৮ হাজার ৭৪২ জন এবং ছাত্রী সংখ্যা ১৪ লাখ ৯৮ হাজার ৫২৮ জন। ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ৩ লাখ ১৭ হাজার ৮৫৩ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে। যার মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৬৬ হাজার ৮১৪ জন এবং ছাত্রী ১ লাখ ৫১ হাজার ৩৯ জন। এছাড়া এ বছর ৩ হাজার ২৯৪ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থী সমাপনীতে অংশ নিচ্ছে, এদের জন্য পরীক্ষায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিট বরাদ্দ থাকবে। পরীক্ষা প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হয়ে শেষ হবে দুপুর ১টায়। ৬টি বিষয়ের প্রতিটিতে ১০০ করে মোট ৬০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এবার পরীক্ষার বহুনির্বাচনী প্রশ্ন (এমসিকিউ) বাদ দেওয়া হয়েছে। যা শেষ হবে ২৬ নভেম্বর (সোমবার)।
আজ থেকে শুরু হয়েছে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা
অনলাইন ডেস্ক: পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা রোববার (১৮ নভেম্বর) সকাল ১০টায় শুরু হয়েছে। পরীক্ষা শেষ হবে দুপুর দেড়টায়। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান পরীক্ষা শুরুর দিন সকাল ১০টায় রাজধানীর বেইলি রোডে অবস্থিত ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করবেন। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় এবার ২৭ লাখ ৭৭ হাজার ২৭০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবে, যার মধ্যে ছাত্র ১২ লাখ ৭৮ হাজার ৭৪২ জন এবং ছাত্রী সংখ্যা ১৪ লাখ ৯৮ হাজার ৫২৮ জন। ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ৩ লাখ ১৭ হাজার ৮৫৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবে। এতে ছাত্র ১ লাখ ৬৬ হাজার ৮১৪ জন এবং ছাত্রী ১ লাখ ৫১ হাজার ৩৯ জন। এসব পরীক্ষার্থীর মধ্যে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন পরীক্ষার্থী রয়েছে ৩ হাজার ২৯৪ জন। তাদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকবে। পরীক্ষা প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হয়ে শেষ হবে দুপুর ১টায়। ৬টি বিষয়ের প্রতিটিতে ১০০ করে মোট ৬০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এবার পরীক্ষার বহুনির্বাচনী প্রশ্ন (এমসিকিউ) বাদ দেওয়া হয়েছে। যা শেষ হবে ২৬ নভেম্বর (সোমবার)।
আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে পিইসি পরীক্ষা,থাকছে না এমসিকিউ
অনলাইন ডেস্ক: প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষা-২০১৮ শুরু হচ্ছে আগামীকাল। এবার পরীক্ষায় থাকছে না এমসিকিউ বা বহু নির্বাচনী প্রশ্ন। রোববার থেকে প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলবে এ পরীক্ষা। পরীক্ষা শেষ হবে ২৬ নভেম্বর। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীরা অতিরিক্ত ৩০ মিনিট বেশি সময় পাবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এ বছরের পরীক্ষার ফল নির্বাচনের আগেই প্রকাশ করা হতে পারে। আমরা মনে করি না, নির্বাচনের কারণে ফল প্রকাশ এবং বই বিতরণে কোনো সমস্যা হবে। ইতোমধ্যে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে প্রতিটি জেলার পরীক্ষা কার্যক্রম পরিদর্শনের জন্য ভিজিল্যান্স টিম গঠন করা হয়েছে। কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ বছর ছয়টি বিষয়ে ১০০ করে মোট ৬০০ নম্বরের পরীক্ষা দিতে হবে। পরীক্ষায় ২৭ লাখ ৭৭ হাজার ২৭০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেবে। এর মধ্যে ১২ লাখ ৭৮ হাজার জন ছাত্র এবং ১৪ লাখ ৯৮ হাজার ছাত্রী। গত বছরের চেয়ে এবার ২৩ হাজার ৪৭২ জন শিক্ষার্থী বেশি। এবার ৭ হাজার ৪১০টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা হবে। পরীক্ষার দায়িত্ব পালনে ন্যূনতম অবহেলা বা অনিয়মের বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে মন্ত্রণালয়। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কক্ষের টেলিফোন নম্বর ০২-৯৫১৫৯৭৭, ই-মেইল mopmesch2@gmail.com এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের নম্বর ০২-৫৫০৭৪৯১৭, ০১৮৫৫-০৮০৩০৭, ০১৭১২-১০৬৩৬৯, ই-মেইল ddestabdpe@gmail.com । সমাপনী পরীক্ষা সংক্রান্ত সব তথ্য এ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানা যাবে। পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ২০০৯ সাল থেকে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা শুরু হয়। আর ইবতেদায়িতে এই পরীক্ষা হচ্ছে ২০১০ সাল থেকে। প্রথম দুই বছর বিভাগভিত্তিক ফল দেয়া হলেও ২০১১ খ্রিস্টাব্দ থেকে গ্রেডিং পদ্ধতিতে খুদে শিক্ষার্থীদের সমাপনীর ফল দেওয়া হচ্ছে। আগে এই পরীক্ষার সময় দুই ঘণ্টা থাকলেও ২০১৩ সাল থেকে পরীক্ষার সময় আধ ঘণ্টা বাড়িয়ে আড়াই ঘণ্টা করা হয়। প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে গত বছর থেকে দেশের ৬৪ জেলাকে বিশেষ আটটি অঞ্চলে ভাগ করে আট সেট প্রশ্ন ছাপিয়ে প্রাথমিক ও ইবেতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী নিচ্ছে সরকার। প্রাথমিক সমাপনীর সূচি: ১৮ নভেম্বর ইংরেজি, ১৯ নভেম্বর বাংলা, ২০ নভেম্বর বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, ২২ নভেম্বর প্রাথমিক বিজ্ঞান, ২৫ নভেম্বর গণিত এবং ২৬ নভেম্বর ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা। ইবতেদায়ি সমাপনীর সূচি: ১৮ নভেম্বর ইংরেজি, ১৯ নভেম্বর বাংলা, ২০ নভেম্বর বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় এবং বিজ্ঞান, ২২ নভেম্বর আরবি, ২৫ নভেম্বর গণিত এবং ২৬ নভেম্বর কুরআন ও তাজবিদ এবং আকাইদ ও ফিকাহ।
এইচএসসির ফরম পূরণ শুরু ১৩ ডিসেম্বর থেকে
অনলাইন ডেস্ক: আগামী ১৩ ডিসেম্বর থেকে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা ফরম পূরণের কার্যক্রম শুরু হবে। চলবে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এর মধ্যে ফরম পূরণ করতে না পারলে ১০০ টাকা বিলম্ব ফিসহ ২৪ থেকে ২৬ ডিসেম্বরের মধ্যে সোনালী সেবার মাধ্যমে ফরম জমা দেওয়া যাবে। ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইটের হোম পেইজে sonali seba মেন্যুতে ক্লিক করলে ফি প্রদানের জন্য সোনালী সেবা ফরম পাওয়া যাবে। ফরমটির তথ্যাদিত পূরণ করে সেইভ বাটনে ক্লিক করলে ফি জমাদানের রশিদ পাওয়া যাবে। এক কপি রশিদ প্রিন্ট করে সোনলী ব্যাংকের যেকোনো শাখায় ফি জমা প্রদান করে ব্যাংক স্বাক্ষরিত রশিদের একটি কপি রংরক্ষণ করতে হবে। বিস্তারিত ম্যানুয়ালে পাওয়া যাবে। এদিকে এইচএসসি টেস্ট পরীক্ষার ফল ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকাশ করতে হবে বলে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। ১২ ডিসেম্বরের মধ্যে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে শিক্ষার্থীদের সম্ভাব্য তালিকা প্রদর্শন করতে হবে। গত বুধবার ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়। এতে বলা হয়েছে, ২০১৯ শিক্ষাবর্ষে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক জিপিএ উন্নয়ন পরীক্ষার্থীসহ ২০১৮ শিক্ষাবর্ষের পরীক্ষায় অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের ২২ নভেম্বরের মধ্যে নিজ কলেজের অধ্যক্ষ বরাবর আবেদন করতে হবে। এইচএসসি পরীক্ষার ফি বাবদ শিক্ষার্থীদের কাছে প্রতিপত্রের জন্য ১০০ টাকা, ব্যবহারিক ফি (প্রতি পত্রে) ৫০ টাকা এবং জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ফি বাবদ ৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থী প্রতি ১০০ টাকা অনিয়মিত ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। কেউ নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত কোনো কারণ কিংবা শারীরিক অসুস্থতার জন্য নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে না পারলে কিংবা নির্বাচনী পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হলে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীর অভিভভাবকের লিখিত আবেদন ও পরীক্ষার্থীর প্রাক নির্বাচনী পরীক্ষায় সন্তোষজনক ফলাফলের ভিত্তিতে পরীক্ষার ফরম পূরণ করতে পারবে।
৪০তম বিসিএসের আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হচ্ছে আজ
অনলাইন ডেস্ক: ৪০তম বিসিএসের অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া আজ (বৃহস্পতিবার) শেষ হচ্ছে। সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। অনলাইনে bpsc.teletalk.com.bd বা bpsc.gov.bd ওয়েবসাইটের বিপিএসসি-১ ফরম পূরণ করে আবেদন করতে হবে। অনলাইন আবেদন শেষে ৭২ ঘন্টার মধ্যে টেলিটক মোবাইলের মাধ্যমে আবেদন ফি জমা দিতে হবে। আবেদন ফি জমা দেয়ার সময় শেষ হবে ১৮ নভেম্বর সন্ধ্যা ৬টায়। বিভিন্ন ক্যাডারে এক হাজার ৯০৩টি শূন্য পদে নিয়োগের জন্য সেপ্টেম্বরে ৪০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সরকারি কর্ম কমিশন। এর মধ্যে সাধারণ ক্যাডারে ৪৬৫ জন, প্রফেশনাল/ টেকনিক্যাল ক্যাডারে ৫৬৮ জন, শিক্ষা ক্যাডারে ৮৭০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয় ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায়। এবার আবেদনের জন্য প্রায় দেড় মাস সময় পেয়েছেন প্রার্থীরা। ইতিমধ্যে যারা অনলাইনে আবেদনের সময় ভুল করেছেন তাদের নতুন করে আবেদনের সুযোগ দেয়া হয়েছে। তাদেরও আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।
৪ অক্টোবরের-রবিবারের জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা শুক্রবার
অনলাইন ডেস্ক: অনিবার্য কারণে আগামীকাল রবিবারের (৪ অক্টোবর) অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। রবিবার জেএসসি-জেডিসিতে যেসব পরীক্ষা ছিল, তা আগামী শুক্রবার নেওয়া হবে। সেদিন সকাল নয়টা থেকে পরীক্ষা নেয়া হবে। গত বৃহস্পতিবার শুরু হয় জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা। সারাদেশে এবার ২৬ লাখ ৭০ হাজার ৩৩৩ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ১৪ লাখ ৪৬ হাজার ৬০১ জন ছাত্রী এবং ১২ লাখ ২৩ হাজার ৭৩২ জন ছাত্র। এবার ছাত্রীর সংখ্যা বেড়েছে ২ লাখ ২২ হাজার ৮৬৯ জন। ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত দুই হাজার ৯০৩টি কেন্দ্রে পরীক্ষা নিচ্ছে তারা। কিন্তু পরীক্ষা শুরুর প্রথম দিনেই সারা দেশে ৪৩ হাজার ৬৪২ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। আর প্রথম দিন বহিষ্কার করা হয় ১৯ জন পরীক্ষার্থীকে।
সময় বাড়ল ইবিতে স্নাতকে ভর্তি আবেদনের
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি আবেদনের সময় আরো দুদিন বাড়ানো হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে। ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এম এম আবদুল লতিফ বলেন, ‘গত ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি আবেদন নেওয়া হয়েছে। আবেদন জমা নেওয়ার সময় দুই দিন বাড়ানো হয়েছে। ফলে ১২ অক্টোবর রাত ১২টা পর্যন্ত আবেদন নেওয়া হবে।’ সূত্র জানায়, গত ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ অক্টোবর সময়ে মোট ৪৭ হাজার ২৯৫ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। এর মধ্যে থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদভুক্ত ‘এ’ ইউনিটে এক হাজার ৯৬৫ জন, মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘বি’ ইউনিটে ২০ হাজার ৬০৮ জন, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদভুক্ত ‘সি’ ইউনিটে ছয় হাজার ৯২১ জন, ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদভুক্ত ‘ডি’ ইউনিটে ১৭ হাজার ৮০১ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। এ বছর বিশ্ববিদ্যালয়টিতে পাঁচটি অনুষদের অধীনে ৩৩টি বিভাগে দুই হাজার ২৭৫ আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি নেওয়া হবে। এবারই প্রথম ভর্তি পরীক্ষায় বহুনির্বাচনী পদ্ধতির পাশাপাশি লিখিত পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। সর্বমোট ১২০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফলের উপর থাকবে (এসএসসি ও এইচএসসি মিলে ২০+২০=৪০) ৪০ নম্বর। এ ছাড়া ৬০ নম্বরের বহুনির্বাচনী এবং ২০ নম্বরের (এককথায় উত্তর দিতে হবে) লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে। ভর্তি সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ওয়েবসাইটে (www.iu.ac.bd) পাওয়া যাবে।
ঢাবির গ-ইউনিটে উত্তীর্ণ ১০.৯৮%
অনলাইন ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের অধীনে গ- ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ১০ দশমিক ৯৮ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। সোমবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিসে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল প্রকাশ করেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ঢাবির গ- ইউনিটের ১ হাজার ২৫০টি আসনের বিপরীতে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ২৫ হাজার ৯৫৮ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ২ হাজার ৮৫০ জন। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে পছন্দ তালিকা পূরণ করতে পারবেন তারা। আরও জানা গেছে, পরীক্ষার বিস্তারিত ফলাফল এবং ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট admission.eis.du.ac.bd-এ জানা যাবে। এছাড়া DU GA লিখে রোল নম্বর লিখে ১৬৩২১ নম্বরে send করে ফিরতি SMS এ ভর্তিচ্ছুরা তার ফলাফল জানতে পারবেন।
বিশ্ববিদ্যালয় খোলার নির্দেশ মন্ত্রীর
অনলাইন ডেস্ক :আন্দোলনের ভয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাস বিরতি বা বন্ধ না রাখার নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। আবার উস্কানিতে যাতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে যুক্ত না হয় সেটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে (ভিসি) দায়িত্ব নিতে হবে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম। অন্যদিকে ভিসিরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আটক ২২ শিক্ষার্থীর মুক্তি দাবি করছেন। বলেছেন, তাদেরকে মুক্ত না করলে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক করা কঠিন হবে। তবে শিক্ষামন্ত্রী বিষয়টি তার এখতিয়ারের বাইরে বলে জানিয়েছেন। বুধবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যদের সঙ্গে জরুরি মতবিনিময় সভা করেন শিক্ষামন্ত্রী। এ সময় দুই পক্ষে এই কথা হয়। মত বিনিময়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান আবদুল মান্নানের সভাপত্বিতে রাজধানীসহ দেশের ১০৩টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, বোর্ড অব ট্রাস্ট্রিজ চেয়ারম্যান, সদস্য, শিক্ষকসহ অনেকে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন। তারা নিজ নিজ সমস্যা তুলে ধরেন। গত ২৯ জুলাই ঢাকার বিমানবন্দর সড়কে বাস চাপায় দুই কলেজ শিক্ষার্থী নিহতের পরদিন থেকে নিরাপদ সড়কের দাবিতে যে আন্দোলন হয় তাতে অংশ নেয় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাই। তবে টানা ছয় দিনের আন্দোলন শেষে ৫ আগস্ট তারা উঠে গেলে এর পর দিন রাস্তায় নামে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা। এর মধ্যে রামপুরা এলাকায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরকার সমর্থকদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। আর পরদিন ওই এলাকায় প্রথমে ইস্টওয়েস্ট এবং পরে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নর্থ সাউথ ইউনির্ভার্সিটির শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ ও বহিরাগতদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। সেদিন আগস্ট তিনটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করে কর্তৃপক্ষ। তবে আটক হয় ২২ জন শিক্ষার্থী, যাদেরকে ৭ আগস্ট দুই দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়। শিক্ষা বলেন, ‘স্কুল-কলেজ শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাড়িয়ে আন্দোলন যৌক্তিক ছিলো। আমরা তাদের এ দাবিকে সমর্থন করি। যৌক্তিকভাবে তারা ক্ষোপ প্রকাশ করেছেন, দাবি জানিয়েছেন, আন্দোলন করে গেছেন।’ ‘এতে করে আমরা অনেক অজানা কিছু জানতে পেরেছি। অনেকে ট্রাফিক আইন মেনে চলেন না, রাস্তায় ফিটনেস বিহীন গাড়ি চলানো হচ্ছে, ভিআইপিরা আইন অমান্য করছেন, অনেকে লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালাচ্ছেন। আমাদের সমাজ ও রাষ্ট্রের যে সকল সমস্যা তা তারা চোখে আঙ্গুল দিয়ে আমাদের দেখিয়ে দিয়েছেন।’ ‘প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের ৯ দফা দাবি মেনে নিয়েছেন। বর্তমানে তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। নতুন সড়ক আইন তৈরি করা হয়েছে। জাতীয় সংসদে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। দ্রুতই এটি বাস্তবায়ন করা হবে। তাই আর ছাত্রদের রাস্তায় থাকার কোন অবকাশ নেই।’ উপাচার্যদেরকে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা স্কুল-কলেজ শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরাতে রাজধানীর সকল প্রধানদের নিয়ে মতবিনিময় সভা করেছি। এরপর আর তারা রাস্তায় না নামলেও এখন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নামছেন। তৃতীয় পক্ষ এতে সুবিধা নিচ্ছে। তাই আন্দোলনের ভয়ে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখবেন না। এতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। শিক্ষার্থীদের মটিভেট করে তাদের ক্লাসে ফিরিয়ে নিতে হবে।

শিক্ষা পাতার আরো খবর