বুধবার, মে ২৩, ২০১৮
শুধুমাত্র কেন্দ্রসচিব ক্যামেরাবিহীন একটি মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন
আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসরোধে যা যা পদক্ষেপ নেয়া দরকার তা গ্রহণ করা হয়েছে। জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। বুধবার দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ব্রিফিংয়ে তিনি একথা জানান। এসময় মন্ত্রী বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রে শুধুমাত্র কেন্দ্রসচিব ক্যামেরাবিহীন একটি মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, গতবার ১০টি বোর্ডে আমাদের শিক্ষার্থী ছিলো ১৭,৮৬,৬১৩ জন। এবার এই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২০,৩১,৮৯৯ জন। তিনি আরো বলেন, 'পরীক্ষার সচিব একটা মোবাইল রাখবেন, যেখানে ছবি তোলা যায় না শুধু কথা বলা যায়। এছাড়া যা যা পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন তা গ্রহণ করা হয়েছে।'
ফেসবুক বন্ধের সম্ভাবনা নেই
প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে পরীক্ষার সময় ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। তিনি বলেন, ‘পরীক্ষার সময় ফেসবুক বন্ধের কোন কথা আমরা বলিনি, বন্ধ করার সেই ক্ষমতাও আমাদের নেই। তবে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বা কয়েক ঘণ্টার জন্য বন্ধ রাখা যায় কি না, সে বিষয়ে বিটিআরসির সঙ্গে আলোচনা চলছে।’ স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে রবিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য পীর ফজলুর রহমানের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরও জানান, আগে প্রশ্নপত্র বিজিপ্রেস থেকে ফাঁস হত। সেখানে নানা ব্যবস্থা নেয়ার ফলে এখন সেখান থেকে হয় না। দেড় মাস ধরে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এত দীর্ঘদিন হাজার হাজার কেন্দ্র্র পাহারা দিয়ে প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধ করা শিক্ষামন্ত্রী জানান, প্রশ্নগুলো যখন পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছায় তখন কিছু শিক্ষক আছে তারা সেখানে প্রশ্ন বিলির আগে খুলে ফেসবুক ও অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে পাঠিয়ে দেন। আমরা এই জায়গাটাতে আটকে গেছি। তাই বিটিআরসির সঙ্গে আলোচনা করেছি তারা ওই প্রক্রিয়ায় কোন সহযোগিতা করতে পারে কি না। তিনি বলেন, বিটিআরসিকে বলেছি একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বা কয়েক ঘণ্টার জন্য বন্ধ রাখা যায় কি না। বিটিআরসি জানিয়েছে বিভিন্ন পদ্ধতিতে এসব প্রশ্ন আসে, তাই পরীক্ষার সময়টাতে তারা সেখানে লোক নিয়োগ করে রাখবেন, যাতে পরীক্ষার সময় যদি কিছু হয় তবে তাৎক্ষণিকভাবে জানাবেন সেই অনুসারে পুলিশ ব্যবস্থা নিতে পারে। বিটিআরসি আরও বলেছে বন্ধ না করেও অন্যভাবে তারা সহযোগিতা করবেন। জনগণের ব্যাঘাত সৃষ্টির জন্য আমরা কিছু বলিনি। জঙ্গীবাদ নিয়ন্ত্রণে শিক্ষার্থীদের ওপর নজরদারি ॥ সরকার দলীয় সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, জঙ্গীবাদ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের ওপর নজরদারি করা হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেক শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ঠিকানা ও মোবাইল ফোন নম্বর সংরক্ষণ করবে এবং কোন শিক্ষার্থীর অনুপস্থিতির কারণ সন্দেহজনক প্রতীয়মান হলে অভিভাবকের সঙ্গে আলোচনা করবে। এছাড়া সরকারী ও গুরুত্বপূর্ণ বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করে সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ নির্মূলের বিষয়ে দিক-নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়
মুনাফার জন্য শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা এবং যেসব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এখনো নিজস্ব ক্যাম্পাসে যায়নি তাদের বিরুদ্ধে আইনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। রোববার সকালে রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকার ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির উনিশতম সমাবর্তনে যোগ দেন শিক্ষামন্ত্রী। এ সময় তিনি আরো বলেন, দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জলসম্পদে পরিণত করতে কাজ করছে সরকার। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, 'যে সকল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নির্ধারিত পরিচালনা পরিবেশ ও শর্ত পালন করতে পারে নি, মুনাফার লক্ষ্যে চলতে চান, নিজস্ব ক্যাম্পাসে যাননি সেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে চাপ প্রয়োগ করেও কোনো লাভ হয়নি। সুতরাং এখন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা ছাড়া তারা আর কোনো পথ খোলা রাখেননি।'
আগামী ২ এপ্রিল এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু
উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা আগামী ২ এপ্রিল শুরু হবে। চলবে ১৩ মে পর্যন্ত আগামী ১ এপ্রিল ইস্টার সানডে উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকায় একদিন পিছিয়ে পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তাব পাঠিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি। সোমবার সন্ধ্যায় উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অদ্বৈত কুমার রায় এ তথ্য জানান। উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জানান, গত বছরের মতোই এ বছরের রুটিন প্রস্তত করে সোমবার (১৫ জানুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়। মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে জানা গেছে, প্রস্তাবিত রুটিন অনুযায়ী আগামী ২ এপ্রিল বাংলা প্রথম পত্র (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তত্ত্বীয় পরীক্ষা পরীক্ষা চলবে ১৩ মে পর্যন্ত। এরপর পরবর্তী পাঁচদিন চলবে ব্যবহারিক পরীক্ষা। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর আন্তঃশিক্ষা বোর্ড থেকে রুটিন প্রকাশ করা হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এ বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রায় ১২ লাখ পরীক্ষার্থী অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরুর তিন দিন আগে থেকে সব কোচিং সেন্টার বন্ধ
আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরুর তিন দিন আগে থেকে শুরু করে সব পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত দেশে সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে। এ সময়ের মধ্যে কোন কোচিং সেন্টার খোলা রাখা যাবে না। আসন্ন মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠু, নকলমুক্ত ও ইতিবাচক পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে সোমবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় মনিটরিং কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সভায় পরীক্ষা শুরুর আগে থেকে পরীক্ষার সময় দেশে ইন্টারনেট ও ফেসবুক বন্ধ রাখার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে এখনও ইন্টারনেট ও ফেসবুক বন্ধ রাখার বিষয়ে চূড়ান্ত কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি জানিয়ে কর্মকর্তারা বলেছেন, সভায় এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আরও আলোচনা চলবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। সভায় আরও ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মোঃ সোহরাব হোসাইন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মোঃ আলমগীর, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রফেসর মোঃ মাহাবুবুর রহমান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব চৌধুরী মুফাদ আহমদ, ড. অরুনা বিশ্বাস ও জাবেদ আহমেদ, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার বিশ্বাস, বিজি প্রেসের প্রতিনিধি ও বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান উপস্থিত ছিলেন। জানা গেছে, সভায় আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠু, নির্বিঘœ ও নকলমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠানের জন্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ছড়ানো রোধ, ফেসবুকে প্রশ্ন সরবরাহকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়াসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয় এবং বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর আধা ঘণ্টা আগে অবশ্যই পরীক্ষার হলে প্রবেশ করে স্ব স্ব আসনে বসতে হবে। এক্ষেত্রে কোন ধরনের অজুহাত গ্রহণযোগ্য হবে না এবং এর অন্যথা পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেয়া হবে না। কোন পরীক্ষার্থীর হাতে কোন মোবাইল ফোন পাওয়া গেলে তাকে তৎক্ষণাৎ বহিস্কার করা হবে। নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের জন্য এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সভায় আরও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরুর ৩ দিন আগে থেকে শুরু করে সব পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত দেশে সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে। এ সময়ের মধ্যে কোন কোচিং সেন্টার খোলা রাখা যাবে না। পরীক্ষা কেন্দ্রে কেউ স্মার্টফোন ব্যবহার করতে পারবে না। শুধু কেন্দ্র সচিব একটি সাধারণ ফোন ব্যবহার করতে পারবেন।
২০১৮শিক্ষাবর্ষের বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কর্মসূচীর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৮ শিক্ষাবর্ষের বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কর্মসূচীর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছেন। ১ জানুয়ারি দেশব্যাপী জাতীয় পাঠ্যপুস্তক উৎসবঅনুষ্ঠিত হবে। শেখ হাসিনা শনিবার সকালে গণভবনে এক অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে বই হস্তান্তরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কর্মসূচী উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শিক্ষা সচিব সোহরাব হোসেন। এর আগে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ প্রধানমন্ত্রীর কাছে মাধ্যমিক পর্যায়ের এক সেট এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান প্রাথমিক পর্যায়ের এক সেট পাঠ্যপুস্তক হস্তান্তর করেন। এ সময় অন্যদের মধ্যে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী এবং প্রেস সচিব ইহসানুল করিম উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশব্যাপী প্রি-প্রাইমারী, প্রাইমারী, সেকেন্ডারি, ইবতেদায়ি, দাখিল-ভোকেশনাল, এসএসসি-ভোকেশনাল, স্মল এনথ্রোপলোজিক্যাল গ্রুপ এবং ভিজুয়ালিটি-চ্যালেঞ্জের চার কোটি ৩৭ লাখ ছাত্র-ছাত্রীর মধ্যে ৩৫ কোটি ৪২ লাখ ৯০ হাজার ১৬২ পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা হবে। বর্তমান সরকার ২০১০ শিক্ষাবর্ষ থেকে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ শুরু করেছে। গণভবন প্রাঙ্গণে শিশুদের খেলার অনুমতি দিলেন প্রধানমন্ত্রীর ।। প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পাঠ্যবই নেয়ার পর স্কুলশিশুরা গণভবন প্রাঙ্গণে খেলাধুলা করেছে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তাদের সঙ্গে কিছু সময় কাটান। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন জানান, পাঠ্যপুস্তক গ্রহণ করার পর ২০ স্কুলশিশু প্রধানমন্ত্রীর কাছে গণভবন প্রাঙ্গণে খেলা করার অনুমতি চায়। প্রধানমন্ত্রী শিশুদের খেলার অনুমতি দিলে তারা খুশিতে গণভবনের দক্ষিণ প্রাঙ্গণে খেলাধুলা শুরু করে। তারা সেখানে থাকা দোলনা, মই ও স্লিপারসহ বিভিন্ন রাইডারে আরোহণ করে।
শনিবার বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শিশুদের হাতে বই তুলে দিয়ে ২০১৮ শিক্ষাবর্ষের জন্য বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শনিবার সকালে গণভবনে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। কার্যক্রম উদ্বোধনের সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ। জানা গেছে, এবার ৩৫,৪২,৯০,১৬২টি বই বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে। ১ জানুয়ারি (সোমবার) 'বই উৎসব'-এর মাধ্যমে স্কুলগুলোতে কোমলমতি শিশুদের হাতে এ বই তুলে দেওয়া হবে।
আজ প্রাথমিক ও জুনিয়র শিক্ষা সমাপনীর ফল
আজ প্রাথমিক ও জুনিয়র শিক্ষা সমাপনীর ফল আজ দেওয়া হবে জেএসসি ও জেডিসির ফলাফল। মোবাইলে যেভাবে জানা যাবে জেএসসি/জেডিসির ফল : যেকোনো মোবাইল অপারেটর থেকে ফল জানতে মেসেজ অপশনে গিয়ে JSC/JDC লিখে স্পেস দিয়ে শিক্ষা বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর (যেমন, Dhaka বোর্ডের জন্য DHA) লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে 2017 লিখে 16222 নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে বিভিন্ন বোর্ডের নামের তিন অক্ষর যেমন: DHA = Dhaka Board, COM = Comilla Board, RAJ = Rajshahi Board, JES = Jessore Board, CHI= Chittagong Board, BAR = Barisal Board, SYL = Sylhet Board, DIN = Dinajpur Board, MAD = Madrassah Board , TEC= Technical Board এরপর একটি স্পেস দিয়ে রোল লিখতে হবে আবার একটি স্পেস দিয়ে পরীক্ষার সাল 2017 লিখতে হবে। জেএসসির জন্য Example : JSC স্পেসDHA স্পেস123456 স্পেস2017, এই মেসেজটি পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে। জেডিসির জন্য Example :JDCস্পেসMADস্পেস123456স্পেস2017, এই মেসেজটি পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে এ ছাড়া অনলাইনে www.educationboardresults.gov.bd/www.moedu.gov.bd ওয়েবসাইটে ও নিজ নিজ বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকেও ফলাফল জানা যাবে। মোবাইলে যেভাবে জানা যাবে প্রাথমিক/ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনীর ফল : DPE লিখে স্পেস দিয়ে থানা/উপজেলার কোড নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে 2017 লিখে 16222 নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে জানা যাবে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীর ফল। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীর জন্য Example : DPE স্পেসThana Code স্পেস Roll Number স্পেস> 2017, এই মেসেজটি পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে। আর ইবতেদায়ির ফল পেতে EBT লিখে স্পেস দিয়ে থানা/উপজেলার কোড নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে 2017 লিখে 16222 নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে জানা যাবে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীর ফল। ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনীর জন্য Example : EBT স্পেসThana Code স্পেস>Roll Number স্পেস 2017,এই মেসেজটি পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে। এবং অনলাইনে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট www.dpe.gov.bd ওয়েবসাইটেও ফলাফল পাওয়া যাবে।
ডিএনসিসি ভোটের তারিখ নির্ধারণের জন্য ২৪ ও ২৫ ফেব্রুয়ারির এসএসসি পরীক্ষা পেছাচ্ছে
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র পদে উপ-নির্বাচন এবং দুই সিটির ৩৬ ওয়ার্ডে ভোটের জন্য আগামী ২৪ ও ২৫ ফেব্রুয়ারির এসএসসি পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বোর্ড কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয় বলে ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের জানান। তিনি বলেন, ভোটের তারিখ নির্ধারণের জন্য ২৪ ও ২৫ ফেব্রুয়ারি এসএসসিতে নির্ধারিত পরীক্ষা পেছাতে অনুরোধ করা হয়েছিল। ঢাকার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা তাতে সম্মতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, বোর্ডের চেয়ারম্যানরা বলেছেন, পরীক্ষা পেছতে কোনো সমস্যা নেই। তফসিল ঘোষণার পর মার্চে পরীক্ষার নতুন তারিখ দেওয়া হবে। আনিসুল হকের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া ঢাকা উত্তরের মেয়র পদে ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে ভোট করতে জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে তফসিল ঘোষণার কথা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। সম্প্রসারিত সীমানায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নবগঠিত ৩৬টি সাধারণ ও ১২টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদেও একই দিনে ভোট করতে চায় ইসি। কিন্তু ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষার যে সূচি ঘোষণা করা হয়েছে, তাতে ২৪ ও ২৫ তারিখও পরীক্ষা থাকায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বোর্ড কর্মকর্তাদের নিয়ে এই বৈঠক ডাকে কমিশন। হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, সব ধরনের জটিলতা পেরিয়ে তফসিল ঘোষণার প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। ২৪ ফেব্রুয়ারির পর যে কোনো দিন ভোটের তারিখ ঠিক করে এই তফসিল হবে। নিয়ম অনুযায়ী ২৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এ নির্বাচন শেষ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে ইসির। তার আগে ২৫ বা ২৬ ফেব্রুয়ারি ভোটের তারিখ চূড়ান্ত হতে পারে বলে আভাস দিয়েছেন ইসি কর্মকর্তারা।

শিক্ষা পাতার আরো খবর