শিক্ষা টিভি চালুর পরিকল্পনা: দীপু মনি
১৫জুলাই২০১৯,সোমবার,স্টাফ রিপোর্টার,নিউজ একাত্তর ডট কম: নামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের ক্লাস টেলিভিশনে প্রচার করতে শিক্ষা টিভি চালুর পরিকল্পনার কথা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। সোমবার (১৫ জুলাই) জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন সচিবালয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কার্যঅধিবেশনে ডিসিরা ভালো শিক্ষকদের অতিথি করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে পাঠানোর প্রস্তাব তুললে তিনি এ কথা জানান। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ঢাকায় বা অন্য জায়গায় অত্যন্ত ভালো কিছু বিদ্যালয় আছে যেগুলোর অনেক সুনাম আছে। সেখানকার শিক্ষকদের অনেক সুনাম আছে। একটা প্রস্তাব আছে তাদের অতিথি শিক্ষক হিসেবে নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যাওয়ার। তিনি বলেন, আমরা যেটা বলেছি, তার চেয়ে বরং খুব কম খরচে, এখন তো টেলিভিশনের দাম তেমন না। সব বিদ্যালয়ে কিন্তু সেই টেলিভিশনের মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন বিদ্যালয়ের খুব ভালো ভালো শিক্ষকদের ভালো ক্লাসগুলোকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে একই সঙ্গে সব স্কুলে দেখাতে পারি। সেজন্য একটা 'শিক্ষা টিভি' জাতীয় কোনো কিছু চিন্তা করা যায় এবং সেটি করা গেলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের যারা শিক্ষক আছেন তারাও শেখানো পদ্ধতি থেকে উপকৃত হবেন।
১৭ জুলাই এইচএসসি পরীক্ষার ফল ঘোষণা
৮জুলাই২০১৯,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে ১৭ জুলাই। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা আজ সোমবার এ তথ্য জানিয়েছেন। সকাল ১০টার দিকে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেওয়া হবে। পরে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে। এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় গত ১ এপ্রিল। আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৫০৫ জন। এর মধ্যে আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে শুধু এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৭৪৭ জন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্সে ভর্তি পরীক্ষার আবেদনের তারিখ ঘোষণা
৪জুলাই২০১৯,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ সেশনের অধীনে অনার্সে ভর্তি পরীক্ষার অনলাইন আবেদন আগামী ৫ আগস্ট থেকে শুরু করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে। গতকাল (৩ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে অনুষ্ঠিত ডিনস কমিটির বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এবারের অনলাইন ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া আগামী ৫ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে চলবে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত। আর পরীক্ষা শুরু হবে ১৩ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার)। সাম্প্রতিক বছরগুলোর ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের ভর্তি পরীক্ষাও গ-ইউনিটের (বাণিজ্য) মাধ্যমেই শুরু হবে। চ-ইউনিটের (চারুকলা) সাধারণ জ্ঞান বিষয়ের ভর্তি পরীক্ষা ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার), ক-ইউনিটের (বিজ্ঞান) ভর্তি পরীক্ষা ২০ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার), খ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২১ সেপ্টেম্বর (শনিবার), ঘ-ইউনিটের (কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান) ভর্তি পরীক্ষা ২৭ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) এবং চ-ইউনিটের (অঙ্কন) পরীক্ষা ২৮ সেপ্টেম্বর (শনিবার) অনুষ্ঠিত হবে। আপাতত ৬০ নম্বরের বহুনির্বাচনি (এমসিকিউ) এবং ৪০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ৪০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষার ধরন কী রূপ হবে সে বিষয়ে সামনের সপ্তাহের মধ্যেই আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়া হবে বলে জানা গেছে।
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল ২০ থেকে ২২ জুলাইয়ের মধ্যে
২৬জুন২০১৯,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের সম্ভব্য তিনটি তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ২০, ২১ বা ২২ জুলাই ফল প্রকাশ করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড। এ বিষয়ে জানতে চাইলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, নিয়ম অনুযায়ী এইচএসসি পরীক্ষা শেষে ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশ করা হয়। সেই হিসেবে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের জন্য ২০ থেকে ২২ জুলাই- তিনটি তারিখ প্রস্তাব করা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী সময় দিয়ে যে তারিখে সম্মতি দেবেন, সেদিনই ফল প্রকাশ করা হবে। তিনি আরও বলেন, প্রতিবছরের মতো এবছরও প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেয়া হবে। পরে সংবাদ সম্মেলন করে ফলের বিস্তারিত তুলে ধরা হবে। এরপর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ফল প্রকাশ করা হবে।
পাবলিক পরীক্ষায় পাসের নম্বর বাড়ল
১৭জুন২০১৯,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: এবার পাবলিক পরীক্ষায় পাসের নম্বর ৩৩ থেকে বাড়িয়ে ৪০ নির্ধারণ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। আর এই উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন মহল থেকে বলার চেষ্টা করা হচ্ছে, দেশে শিক্ষার মান পড়ে যাচ্ছে। তবে সরকার মনে করে এ তথ্য সঠিক নয়। এ জন্য পাস নম্বর বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া পৃথিবীর বহু উন্নত দেশে পাস নম্বর ৪০ নির্ধারিত রয়েছে। ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ২০০১ সাল থেকে পাবলিক পরীক্ষায় গ্রেডিং সিস্টেম চালু করা হয়। এ পদ্ধতি চালুর পর থেকে প্রতি বছর পাবলিক পরীক্ষায় পাসের হার বাড়ছে। পাশাপাশি নতুন এই ব্যবস্থায় উত্তরপত্রে শিক্ষকদের নম্বর দেওয়ার প্রবণতাও আগের থেকে বেড়েছে। পরীক্ষার্থীরা এখন পরীক্ষায় আগের থেকে বেশি নম্বর পাচ্ছে। এসব বিষয় মাথায় রেখে পরীক্ষায় পাস নম্বর ৪০ করার চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এসএসসি, এইচএসসি, জেএসসি ও প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় পাসের হার প্রতি বছর বাড়ছে। এ কারণে শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অভিযোগ করে আসছেন, পাসের হার ও জিপিএ-৫ বাড়লেও শিক্ষার মান সেই অর্থে বাড়ছে না। এসব কারণে কয়েক বছর ধরে শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নানা ধরনের প্রশ্ন তুলে আসছেন।
পরীক্ষায় আর থাকছে না জিপিএ ৫
১৩জুন২০১৯,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী জেএসসি পরীক্ষা থেকে জিপিএ ৫ এর পরিবর্তে কিউমুলেটিভ গ্রেড পয়েন্ট অ্যাভারেজ (সিজিপিএ) ৪ এর মাধ্যমে ফল প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বুধবার আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির বৈঠকে সিজিপিএ পুনর্বিন্যাস করে একটি খসড়া উপস্থাপনের নির্দেশ দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, বৈঠকে জিপিএ ৫-এর পরিবর্তে সিজিপিএ ৪-এর মাধ্যমে ফল প্রকাশে সবাই একমত হয়েছেন। তবে এ ব্যাপারে আমরা বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে বৈঠক করব। বিশ্বের অন্যান্য দেশের ফল পর্যালোচনা করব। এরপর আগামী এক মাসের মধ্যে সিজিপিএ ৪-এর মাধ্যমে কীভাবে ফল দেওয়া যায় সে ব্যাপারে একটি খসড়া শিক্ষামন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করব। যদি সম্ভব হয় আগামী জেএসসি থেকেই আমরা সিজিপিএ ৪-এর মাধ্যমে ফল প্রকাশ করতে চাই। বর্তমানে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সিজিপিএ ৪-এর মাধ্যমে ফল প্রকাশ করা হয়। এ কারণে এসএসসি ও এইচএসসির ফলের সঙ্গে উচ্চতর শিক্ষার ফলের সমন্বয় করতে গিয়ে দেশের চাকরিদাতারা সমস্যায় পড়েন। আর বিদেশে পড়ালেখা ও চাকরির ক্ষেত্রে পড়তে হয় আরও বড় সমস্যায়। কারণ প্রতিনিয়তই বাংলাদেশ থেকে শিক্ষার্থীরা বিদেশে পড়তে যাচ্ছে। তাদের এসএসসি ও এইচএসসি সার্টিফিকেটের সমতা করে তারপর বিদেশে যেতে হয়। এতে অনেক বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়। বাংলাদেশে ২০০১ সাল থেকে পাবলিক পরীক্ষায় গ্রেড পদ্ধতি চালু হয়। সেখানে ৮০ থেকে ১০০ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ৫, লেটার গ্রেড এ প্লাস। এটাই সর্বোচ্চ গ্রেড। এরপর ৭০ থেকে ৭৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ৪, লেটার গ্রেড এ। ৬০ থেকে ৬৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ৩.৫০, লেটার গ্রেড এ মাইনাস। ৫০ থেকে ৫৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ৩, লেটার গ্রেড বি। ৪০ থেকে ৪৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ২, লেটার গ্রেড সি। ৩৩ থেকে ৩৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট এক, লেটার গ্রেড ডি। আর শূন্য থেকে ৩২ পাওয়া শিক্ষার্থীদের গ্রেড পয়েন্ট জিরো, লেটার গ্রেড এফ। জিপিএ ১ অর্জন করলেই তাকে উত্তীর্ণ হিসেবে ধরা হয়। কোনো বিষয়ে এফ গ্রেড না পেলে চতুর্থ বিষয় বাদে সব বিষয়ের প্রাপ্ত গ্রেড পয়েন্টকে গড় করেই একজন শিক্ষার্থীর লেটার গ্রেড নির্ণয় করা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গড়ে সব বিষয়ে ৮০-এর ওপরে নম্বর পেলে সিজিপিএ ৪ ও লেটার গ্রেড হয় এ প্লাস। এরপর ৭৫ থেকে ৮০-এর মধ্যে সিজিপিএ ৩.৭৫ ও লেটার গ্রেড এ; ৭০ থেকে ৭৫-এর মধ্যে গ্রেড পয়েন্ট ৩.৫০ ও লেটার গ্রেড এ মাইনাস; ৬৫ থেকে ৭০-এর মধ্যে পয়েন্ট ৩.২৫ ও লেটার গ্রেড বি প্লাস; ৬০ থেকে ৬৫-এর মধ্যে পয়েন্ট ৩ ও লেটার গ্রেড বি; ৫৫ থেকে ৬০-এর মধ্যে পয়েন্ট ২.৭৫ ও লেটার গ্রেড বি মাইনাস; ৫০ থেকে ৫৫-এর মধ্যে পয়েন্ট ২.৫০ ও লেটার গ্রেড সি প্লাস; ৪৫ থেকে ৫০-এর মধ্যে পয়েন্ট ২.২৫ ও লেটার গ্রেড সি ৪০ থেকে ৪৫ নম্বর পেলে পয়েন্ট ২ ও লেটার গ্রেড ডি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আর ৪০-এর কম নম্বর পেলে ফেল, এর লেটার গ্রেড এফ, এতে কোনো গ্রেড পয়েন্ট নেই।
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ
১০জুন২০১৯,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম দফার ফল প্রকাশিত হয়েছে। সোমবার (১০ জুন) এ ফল প্রকাশ করার কথা থাকলেও রবিবার (৯ জুন) রাত ৮টা থেকে বোর্ডের ওয়েবসাইট খুলে দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক ড. হারুন অর রশিদ। তিনি বলেন, রাত ৮টা থেকে মনোনীত শিক্ষার্থীদের এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ওয়েবসাইটেও ফল দেওয়া আছে। যারা এসএমএস পেয়েছেন তারা এখনই ফল দেখতে পারবেন। আর রাত ১২টা থেকে সবাই ফল দেখতে পারবেন। তিনি আরও বলেন, ভর্তি সংক্রান্ত ওয়েবসাইট থেকে ফল দেখা যাবে। আবেদনকারীর রোল নম্বর, বোর্ড, পাসের সাল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়েই সে কোন কলেজে ভর্তির সুযোগ পাবে তা জানা যাবে। মোবাইলের মাধ্যমেও একাদশে ভর্তিচ্ছুদের ফল জানানো হবে। ভর্তির জন্য মনোনয়ন পাওয়া কলেজের নাম সোমবার মধ্যরাতের পর থেকে এসএমএসের মাধ্যমে ভর্তিচ্ছুদের জানিয়ে দেওয়া হবে। অধ্যাপক ড. হারুন অর রশিদ বলেন, এ বছর এখন পর্যন্ত ভর্তি প্রক্রিয়া নিয়ে কিছু অভিযোগ উঠলেও কোনো গুরুতর অভিযোগ পাওয়া যায়নি। জানা যায়, প্রথম দফায় মনোনীতদের ভর্তি নিশ্চিত করতে হবে আগামী ১১ জুন থেকে ১৮ জুনের মধ্যে। আর এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে টেলিটক বা মোবাইল ব্যাংকিং রকেট ও শিওর ক্যাশের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে বোর্ডের রেজিস্ট্রেশন ফি ১৯৫ টাকা। এই প্রক্রিয়ায় ভর্তি নিশ্চিত করতে না পারলে বাতিল হয়ে যাবে মনোনয়ন। এছাড়া একইসঙ্গে বাতিল হয়ে যাবে তার আবেদনটিও। প্রসঙ্গত, গেল ২৩ মে শেষ দিন পর্যন্ত ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড ও একটি মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে থাকা কলেজগুলোতে ভর্তির জন্য প্রায় ১৪ লাখ শিক্ষার্থী আবেদন কারে। এছাড়া ২য় পর্যায়ের আবেদন গ্রহণ করা হবে আগামী ১৯ ও ২০ জুন। ২য় পর্যায়ের ফল প্রকাশ করা হবে আগামী ২১ জুন রাত ৮টার পর। ২য় পর্যায়ের সিলেকশন নিশ্চায়ন করতে হবে ২২ ও ২৩ জুন। এরপর ৩য় পর্যায়ের আবেদন গ্রহণ করা হবে আগামী ২৪ জুন রাত ৮টার পর থেকে। ৩য় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশ করা হবে আগামী ২৫ জুন রাত ৮টার পর।
৪১তম বিসিএসে নিয়োগ হবে ২ হাজার ১৩৫ ক্যাডার
২৮মে,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী আগস্টে ৪১তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে যাচ্ছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। ইতোমধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে শূন্য পদের চাহিদা পেয়েছে সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠানটি। যার মাধ্যমে ২ হাজার ১৩৫ ক্যাডার নিয়োগ দেওয়া হবে। পিএসসির চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক বলেন, ৪১তম বিসিএসের চাহিদা পেয়েছি। তবে ৩৭তম বিসিএস নন-ক্যাডার, ৩৮তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফল, সদ্য প্রকাশিত ৩৯তম বিসিএসের ফল এবং ৪০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারী পরীক্ষা নিয়ে পিএসসির সংশ্লিষ্ট সবাই ব্যস্ত সময় পার করছেন। আশা করছি আগস্টের মধ্যেই ৪১তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে পারবো। পিএসসি সূত্র জানায়, ৪১তম বিসিএসে সবচেয়ে বেশি নিয়োগ হবে শিক্ষা ক্যাডারে। এই ক্যাডারে ৯১৫ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে বিসিএস শিক্ষাতে প্রভাষক ৯০৫ জন, কারিগরি শিক্ষা বিভাগে প্রভাষক ১০ জন নেওয়া হবে। শিক্ষার পরে বেশি নিয়োগ হবে প্রশাসন ক্যাডারে। প্রশাসনে ৩২৩ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। পুলিশে ১০০, বিসিএস স্বাস্থ্যতে সহকারী সার্জন ১১০ জন ও সহকারী ডেন্টাল সার্জন ৩০ জনকে নেওয়া হবে। পররাষ্ট্রে ২৫ জন, আনসারে ২৩ জন, অর্থ মন্ত্রণালয়ে সহকারী মহাহিসাব রক্ষক (নিরীক্ষা ও হিসাব) ২৫ জন, সহকারী কর কমিশনার (কর) ৬০ জন, সহকারী কমিশনার (শুল্ক ও আবগারি) ২৩ জন ও সহকারী নিবন্ধক ৮ জন নেওয়া হবে। পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগে পরিসংখ্যান কর্মকর্তা ১২ জন, রেলপথ মন্ত্রণালয়ে সহকারী যন্ত্র প্রকৌশলী ৪ জন, সহকারী ট্রাফিক সুপারিনটেনডেন্ট ১ জন, সহকারী সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক ১ জন, সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) ২০ জন, সহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) ৩ জন নেওয়া হবে। তথ্য মন্ত্রণালয়ে সহকারী পরিচালক বা তথ্য কর্মকর্তা বা গবেষণা কর্মকর্তা ২২ জন, সহকারী পরিচালক (অনুষ্ঠান) ১১ জন, সহকারী বার্তা নিয়ন্ত্রক ৫ জন, সহকারী বেতার প্রকৌশলী ৯ জন, স্থানীয় সরকার বিভাগে সহকারী প্রকৌশলী ৩৬ জন, সহকারী বন সংরক্ষক ২০ জন। সহকারী পোস্ট মাস্টার জেনারেল পদে ২ জন, বিসিএস মৎস্যতে ১৫ জন, পশুসম্পদে ৭৬ জন, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ১৮৩ জন ও বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ৬ জন, বিসিএস বাণিজ্যে সহকারী নিয়ন্ত্রক ৪ জন। পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ৪ জন, বিসিএস খাদ্যে সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক ৬ জন ও সহকারী রক্ষণ প্রকৌশলী ২ জন, বিসিএস গণপূর্তে সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) ৩৬ জন ও সহকারী প্রকৌশলী (ই/এম) ১৫ জনসহ মোট ২ হাজার ১৩৫ জন কর্মকর্তাকে এই বিসিএসে নিয়োগ করা হবে।
সহকারী শিক্ষক হিসেবে প্রাথমিকে নিয়োগ পরীক্ষার সংশোধিত সময়সূচি প্রকাশ
১৭মে,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের জন্য লিখিত পরীক্ষার সংশোধিত সময়সূচি প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রাজস্ব খাতভুক্ত সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০১৮ এর পরীক্ষা চার ধাপে নিতে বৃহস্পতিবার পরীক্ষার সংশোধিত তারিখ এবং কোন ধাপে কোন কোন জেলার পরীক্ষা হবে তা প্রকাশ করা হয়। তিন পার্বত্য জেলা বাদে ৬১ জেলার ২৪ লাখ এক হাজার ৯১৯ জন প্রার্থী ১৩ হাজার পদের বিপরীতে এই পরীক্ষায় অংশ নেবেন। আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২৪ মে, ৩১ মে, ১৪ জুন এবং ২১ জুন সকাল ১০টায় প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। নতুন সূচি অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ২৪ মে এবং দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা ৩১ মে-ই নেওয়া হবে। তবে তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা ২১ জুন এবং চতুর্থ ধাপের পরীক্ষা হবে ২৮ জুন। এর আগে গত ১৭ মে থেকে এই পরীক্ষা শুরুর কথা থাকলেও ওই দিন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা থাকায় এই নিয়োগ পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হয়। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেতে গত বছরের ১ থেকে ৩০ অগাস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করেন চাররিপ্রার্থীরা। প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে কয়েক গত কয়েক বছর ধরে প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন পরীক্ষার দিন সকালে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ছাপিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে চূড়ান্তভাবে নিয়োগের জন্য মনোনীত করা হবে। দেশের ৬৩ হাজার ৬০১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে ৩ লাখ ২২ হাজার ৭৬৬ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন।

শিক্ষা পাতার আরো খবর