রাজনীতির মাঠে নামতে যাচ্ছেন গৌতম গম্ভীর!
অনলাইন ডেস্ক: ভারতীয় ক্রিকেটার গৌতম গম্ভীর নামতে যাচ্ছেন রাজনীতির মাঠে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সূত্র অনুযায়ী, এবারের দিল্লির বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) হয়ে লড়বেন গম্ভীর। বর্তমানে দিল্লির নেতৃত্বে রয়েছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি। আর এই আসন দখলে নিতেই গৌতম গম্ভীরকে তুরুপের তাস হিসেবে মাঠে নামানোর পরিকল্পনা করছে বিজেপি। এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু না জানালেও বিজেপির প্রস্তাবে মন ভরেছে গম্ভীরের। সংবাদমাধ্যমে জানাচ্ছে, এখনও পর্যন্ত ক্রিকেট থেকে অবসর না নিলেও বিজেপির সঙ্গে কথা আগালে ভোটে লড়ার জন্য তৈরি হবেন তিনি এবং ক্রিকেট থেকেও সরে দাঁড়াবেন। ভারতের হয়ে সর্বশেষ ২০১৬ সালে মাঠে নেমেছেন গম্ভীর। বর্তমানে দিল্লির হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলছেন। ২০০৭ সালে আইসিসি টি-২০ এবং ২০১১ সালে বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম মূল কাণ্ডারী ছিলেন তিনি। এছাড়া আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের অধিনায়ক হিসেবে দু’বার শিরোপা জেতেন। তবে সবশেষ আইপিএলে দিল্লির ছেলে ঘরে ফিরেছেন।
টাইগার -এ- দলের জয়
অনলাইন ডেস্ক: জাতীয় দলের হয়ে ক-দিন আগেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলেছেন সৌম্য সরকার। কিন্তু সেই ব্যর্থতার বৃত্তেই ছিলেন। তবে আয়ারল্যান্ড সফরের প্রথম আনঅফিসিয়াল টি-টোয়েন্টিতে তার ব্যাটে ভর করেই জয় পেল বাংলাদেশ এ দল। ৪ উইকেটের এ জয়ে সৌম্যর ব্যাট থেকে আসে ৫৭ রানে দুর্দান্ত এক ইনিংস। সঙ্গে নাজমুল হোসেন শান্ত ও তরুণ আফিফ হোসেনদের ব্যাটও কথা বলেছে। প্রথমে ব্যাট করা আইরিশ এ দল নির্ধারিত ২০ ওভারের শেষ বলে অল আউট হওয়া পর্যন্ত ১৫২ রান সংগ্রহ করে। জবাবে ১৮ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে এই জয় তুলে নেয় সফরকারী বাংলাদেশ। ১৫৩ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুটা অবশ্য টাইগার এ দলের ভালো হয়নি। ওপেনার জাকির হোসেন দলীয় শূন্য রানে বোল্ড হয়ে ফেরেন। তবে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ৬২ রানের পার্টনারশিপ গড়েন এ ম্যাচে নেতৃত্বে থাকা সৌম্য ও শান্ত। শান্ত ২৩ বলে ৩৮ করে ফিরে গেলেও হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন সৌম্য। ৪১ বলে ৫টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৫৭ করেন এই তারকা। শেষ দিকে ২১ বলে অপরাজিত ৩৫ করে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান আফিফ। ডাবলিনে এর আগে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে সিমি সিংয়ের ৪১ ও ওপেনার স্টুয়ার্ট টমসনের ২৮ রানে ভর করে দেশড় রানের কোটা পার করেন স্বাগতিকরা। তবে বাংলাদেশি বোলারদের তোপে নিয়মিত উইকেট হারায় তারা। শরিফুল ইসলাম, তাইজুল ইসলাম ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ২টি করে উইকেট তুলে নেন। একটি করে উইকেট পান নায়েম হাসান ও আফিফ।
সিপিএল ম্যাচে ২২৩ করেও হারল ব্রাভোর দল
অনলাইন ডেস্ক: ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (সিপিএল) ম্যাচে শনিবার ২২৩ রান করেও হেরেছে ডোয়াইন ব্রাভোর দল ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স। আন্দ্রে রাসেলের দল জ্যামাইকা তালাওয়াশ ম্যাচটি জিতে নিয়েছে চার উইকেটে। আন্দ্রে রাসেল সেঞ্চুরি করেছেন। ৪০ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। সিপিএলে এটি দ্রুততম সেঞ্চুরি। ইনিংস শেষে ৪৯ বলে ১২১ রান করে অপরাজিত থাকেন আন্দ্রে রাসেল। এই ম্যাচে হ্যাটট্রিকও করেন আন্দ্রে রাসেল। তিনটি উইকেট শিকার করেন তিনি। এদিন পোর্ট অব স্পেনে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ছয় উইকেটে ২২৩ রান সংগ্রহ করে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স। দলের পক্ষে ২৭ বলে ৪৬ রান করেন ক্রিস লিন। ৪২ বলে ৬১ রান করেন কলিন মুনরো। ২৭ বলে ৫৬ রান করেন ব্রেন্ডন ম্যাককলাম। ১৬ বলে ২৯ রান করেন ডোয়াইন ব্রাভো। জ্যামাইকা তালাওয়াশের পক্ষে অধিনায়ক আন্দ্রে রাসেল তিন ওভার বল করে ৩৮ রান দিয়ে তিনটি উইকেট শিকার করেন। এছাড়া ক্রিসমার সানতোকি ১টি, ইমাদ ওয়াসিম ১টি করে উইকেট শিকার করেন। পরে জ্যামাইকা তালাওয়াশ ব্যাট করতে নেমে ১৯.৩ ওভারে ছয় উইকেট হারিয়ে জয় তুলে নেয়। ২২৫ রান করে তারা। সিপিএলের ইতিহাসে এটি এক ইনিংসে সর্বোচ্চ স্কোর। জ্যামাইকা তালাওয়াশের পক্ষে আন্দ্রে রাসেল ৪৯ বলে ১২১ রান করে অপরাজিত থাকেন। এই রান করার পথে তিনি ছয়টি চার মারেন ও ১৩টি ছক্কা হাঁকান। অর্থাৎ, ১২১ রানের মধ্যে তার ১০২ রানই আসে বাউন্ডারি থেকে। এছাড়া হাফ সেঞ্চুরি করেন কেনার লুইস। ৩৫ বলে ৫১ রান করে আউট হন তিনি। দলীয় ৪১ রানে জ্যামাইকা তালাওয়াশের পঞ্চম উইকেটের পতন হয়। এরপর আন্দ্রে রাসেল ও কেনার লুইস ১৬১ রানের পার্টনারশিপ গড়েন। দলীয় ২০২ রানে কেনার লুইস আউট হয়ে যান। আন্দ্রে রাসেল ইনিংস শেষে অপরাজিত থাকেন।
৬ বছর পর বিদেশে টাইগারদের সিরিজ জয়
অনলাইন ডেস্ক: ওয়ানডের পর টি-টোয়েন্টিতেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ। ২০১২ সালের পর প্রথমবার বিদেশের মাটিতে ২০ ওভারের সিরিজ নিশ্চিত করলো তারা। ম্যাচ জিতলেই ওয়ানডের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজও বাংলাদেশের। এই সমীকরণ মাথায় রেখে তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে মাত্র ৬ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে চাপে ফেলে বাংলাদেশি বোলাররা। যদিও রভম্যান পাওয়েল ও দিনেশ রামদিনের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস দিয়েছিল ক্যারিবিয়ানরা। দুই ব্যাটসম্যান ফিরে গেলেও আন্দ্রে রাসেল একপাশে ঝড় তুলে দলকে পথে রেখেছিলেন। তিনি ১৭.১ ওভারে আউট হওয়ার পর বৃষ্টি নামে ফ্লোরিডায়। আর বল মাঠে গড়ায়নি। উইন্ডিজকে ১৮৫ রানের টার্গেট দিয়ে ২৬ রানে উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন মোস্তাফিজ। নিজের প্রথম ওভারে আন্দ্রে ফ্লেচারকে ৬ রানে নাজমুল ইসলামের ক্যাচ বানান এই বাঁহাতি পেসার। তারপর নাজমুলের ইনজুরিতে পঞ্চম ওভারের মাঝে বল হাতে নেওয়া সৌম্য সরকার ১৯ রানে ফেরান চ্যাডউইক ওয়ালটনকে। তার ক্যাচ ধরেন বদলি ফিল্ডার সাব্বির রহমান। পরের ওভারে বল হাতে নেন সাকিব আল হাসান। নিজের প্রথম ওভারের শেষ বলে মারলন স্যামুয়েলসকে মাত্র ২ রানে বোল্ড করেন বাংলাদেশি অধিনায়ক। ৩২ রানে ক্যারিবিয়ানরা হারায় তৃতীয় উইকেট। রামদিন ও পাওয়েল প্রায় পঞ্চাশ রানের জুটি গড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে পথে ফেরাচ্ছিলেন। তাদের জুটিটা ৪৫ রানের বেশি হতে দেননি রুবেল। নিজের তৃতীয় ওভারে রামদিনকে ২১ রানে বোল্ড করেন তিনি। এ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যানের বিদায়ের ঠিক ৬ বল পর আবু হায়দারের হাতে ক্যাচ দিয়ে মোস্তাফিজের শিকার হন পাওয়েল। ২০ বলে ২৩ রান করেন তিনি। এই দুই ব্যাটসম্যান আউট হলেও কার্লোস ব্র্যাথওয়েটকে নিয়ে ঝড় তোলেন আন্দ্রে রাসেল। ২০ বলে ৩২ রানের জুটি গড়েন তারা। ব্র্যাথওয়েটকে মাত্র ৫ রানে লং অনে সাব্বিরের ক্যাচ বানিয়ে স্বস্তি ফেরান আবু হায়দার। পরের ওভারে বাংলাদেশ তাদের বড় বাধা দূর করেন। মোস্তাফিজ তার শেষ ওভারের প্রথম বলে রাসেলকে আউট করেন। ২১ বলে ৬টি ছয় ও একটি চারে সাজানো তার ৪৭ রানের ইনিংস থামে আরিফুলকে ক্যাচ দিয়ে। তার আগে ব্যাট হাতে নেমে বাংলাদেশকে শক্ত অবস্থানে রাখতে দুর্দান্ত এক হাফসেঞ্চুরি করেন লিটন দাস। উদ্বোধনী জুটিতে তামিম ইকবালকে নিয়ে বাংলাদেশকে এনে দিলেন দ্রুততম ফিফটি। এমন দারুণ শুরুতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে ৫ উইকেটে ১৮৪ রান করে তারা। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ঝড়ো সূচনা করে বাংলাদেশ। প্রথম বলেই লিটন মারেন বাউন্ডারি, প্রথম ওভারে আসে ৮ রান। দ্বিতীয় ওভারে এই বাংলাদেশি ওপেনার দুটি ছয় ও একটি চারে যোগ করেন ১৭ রান। চার-ছয়ের মার ছিল তামিমের ব্যাটেও। দুজন সমানতালে ক্যারিবিয়ান বোলারদের ওপর চড়াও হন। মাত্র ৩.৪ ওভারে দল ৫০ রানের ঘরে পৌঁছায়। বাংলাদেশের জন্য এটি ছিল দ্রুততম অর্ধশতক। ক্যারিবিয়ানদের জন্য বিপজ্জনক হয়ে ওঠা এ জুটি ভাঙেন অধিনায়ক কার্লোস ব্র্যাথওয়েট। পঞ্চম ওভারের চতুর্থ বলে তামিমকে কেসরিক উইলিয়ামসের ক্যাচ বানান তিনি। ১৩ বলে ৩ চার ও ১ ছয়ে ২১ রানে আউট হন বাঁহাতি ওপেনার। মাত্র ৩০ বলে ৬১ রানের ঝড়ো জুটি ভাঙে তামিমের বিদায়ে। দারুণ শুরুর পরও সৌম্য সরকার চাপমুক্ত হয়ে খেলতে পারেননি। পরের ওভারে কিমো পলের বলে রভম্যান পাওয়েলের ক্যাচ হন উঁচু শট খেলে। ৪ বলে ৫ রান করেন তিনি। প্রথম পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ২ উইকেটে ৭১ রান করে বাংলাদেশ। পাওয়ার প্লের পর রানের গতি কমে যায় বাংলাদেশের। আগের ১৪ ম্যাচে সর্বোচ্চ ৪৪ রান করা লিটন অষ্টম ওভারে পেয়ে যান প্রথম ফিফটি। ২৪ বলে ৫ চার ও ৩ ছয়ে হাফসেঞ্চুরি করেন এই ওপেনার। মুশফিকুর রহিম তার সঙ্গে ৩১ রানের জুটি গড়ে ফিরে যান ব্র্যাথওয়েটের বলে। ১৪ বলে ১২ রান করে পেছনে দিনেশ রামদিনের হাতে বল তুলে দেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। পরের ওভারে উইলিয়ামসের বলে অ্যাশলে নার্সের কাছে ক্যাচ হন লিটন। মাত্র ৩২ বলে ৬ চার ও ৩ ছয়ে ৬১ রান করেন তিনি। লিটন বিদায় নেওয়ার পর মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে সাকিব আল হাসান গড়েন ৪৪ রানের জুটি। গত ম্যাচের মতো স্বতঃস্ফূর্ত ব্যাটিং করেননি অধিনায়ক। ২২ বলে ২৪ রানে পলের শিকার হন তিনি নার্সকে ক্যাচ দিয়ে। আর কোনও উইকেট হারায়নি বাংলাদেশ। ষষ্ঠ উইকেটে আরিফুল হককে নিয়ে ২৫ বলে ৩৮ রান এনে দেন মাহমুদউল্লাহ। ২০ বলে ৪টি চার ও ১টি ছয়ে ৩২ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। ১৮ রানে খেলছিলেন আরিফুল। দুটি করে উইকেট নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেরা বোলার ব্র্যাথওয়েট ও পল।
দুর্দান্ত জয় নিয়ে সমতায় বাংলাদেশ
অনলাইন ডেস্ক: তামিম-সাকিবের ব্যাটের পর বোলারদের অসাধারণ কীর্তিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ১২ রানের হারিয়ে দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। ফলে তিন ম্যাচ সিরিজে ১-১-এ সমতা পেল টাইগাররা। বাংলাদেশের করা ১৭১ রানের জবাবে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রান তুলতে পারে ক্যারিবীয়রা। ১৭২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মোস্তাফিজ, সাকিব ও রুবেল হোসেনের তোপে নির্ধারিত ১০ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ৭৬ রান সংগ্রহ করে ক্যারিবীয়রা। শুরুতেই ওপেনার এভিন লুইসকে এলবির ফাঁদে ফেলেন মোস্তাফিজুর রহমান। পরে ১০ বলে ১৭ রানে ভয়ংকর হতে থাকা আন্দ্রে রাসেলকে মুশফিকের ক্যাচে পরিণত করেন কাটার মাস্টার। নিয়ন্ত্রিত বোলিং করা সাকিব আল হাসান দলীয় ৪৮ রানে মারলন স্যামুয়েলসে ব্যক্তিগত ১০ রানে ফেরান। আর দিনেশ রামদিনকে ৫ রানে প্যাভিলিয়নমুখী করান রুবেল হোসেন। ক্যারিবিয়ানদের ১১৬ রানে ওপেনার আন্দ্রে ফ্লেচারকে সাকিবে ক্যাচে ফেরান নাজমুল ইসলাম অপু। ৩৮ বলে ৪৩ রান করেন তিনি। পরে অধিনায়ক কার্লোস ব্র্যাথওয়েটকে লিটন দাশের দুর্দান্ত ক্যাচে ব্যক্তিগত ১১ মাঠ ছাড়া করান সাকিব। ব্যাটে মারমুখি হতে থাকা রোভম্যান পাওয়েলকে মোস্তাফিজ ফেরালে বাংলাদেশ শিবিরে স্বস্তি ফেরে। ৩৪ বলে ৪টি চার ও ২টি ছক্কায় ফ্লেচারের সমান সর্বোচ্চ ৪৩ করেন রোভম্যান। আর শেষ ওভারে অ্যাশলে নার্স ও কিমো পলকে বিদায় করা স্পিনার নাজমুল ইসলাম টাইগারদের জয়ে দারুণ অবদান রাখেন। মোস্তাফিজ ও নামজুল ৩টি করে উইকেট দখল করেন। সাকিব পান ২টি উইকেট। এছাড়া বাকি উইকেটটি তুলে নেন রুবেল হোসেন। এর আগে টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসানের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৭১ রান সংগ্রহ করে টাইগাররা। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় টসে জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় ক্যারিবীয়রা। তবে টসে হেরে ব্যাটিং এ নেমে শুরুতেই লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিমের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। দলীয় ৭ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ১ রানে লিটন ও দলীয় ২৪ রানের সময় মাত্র ৪ রান করেই সাজঘরে ফেরেন মুশফিক। এরপর দলের ৪৮ রানের মাথায় আউট হন সৌম্য সরকার। অপরদিকে উইকেটে টিকে থাকেন আরেক ওপেনার তামিম ইকবাল। বড় স্কোর গড়ার প্রত্যাশায় তিনি অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকে সঙ্গে নিয়ে ব্যাট করতে থাকেন। দলীয় ১৩৮ রানের সময় ঝড়ো ব্যাটিং করা তামিম আন্দ্রে রাসেলের বলে বিদায় নেন। তবে ৪৪ বলে ৬টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৭৪ রানের অসাধারণ ইনিংসটি খেলেন এই বাঁহাতি। অন্যদিকে ৩৮ বলে ৯টি চার ও এক ছয়ে ৬০ রান করে আউট হন সাকিব। এবারই প্রথমবার যুক্তরাষ্ট্রে খেলতে নামে বাংলাদেশ। বাংলাদেশে সময় সকাল ছয়টায় খেলা শুরু হয়। আলোকিত বাংলাদেশ
শ্রীলঙ্কাকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা
অনলাইন ডেস্ক: বুধবার সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে শ্রীলঙ্কাকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এ জয়ের ফলে ৫ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ২-০তে এগিয়ে গেল সফরকারীরা। এদিন ডাম্বুলাতে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৪৪ রান করে শ্রীলঙ্কা। জবাবে ৪৩ বল বাকি থাকতেই ২৪৬ রান করে জয় তুলে নেয় প্রোটিয়ারা। ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন কুইন্টন ডি কক। এর আগে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে জয় পেয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামে শ্রীলঙ্কা। তবে দলীয় ১৩ রানের মাথায় দুইটি উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে তারা। দুইটি উইকেটই নেন লুঙ্গি এনগিদি। তবে নিরোশান ডিকওয়ালার ৬৯ ও অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসের অপরাজিত ৭৯ রানে ভর দিয়ে লড়াইর পুঁজি দাঁড় করায় লঙ্কানরা। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন এনগিদি ও আনদিল ফিলুকাউ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে দুই ওপেনার ডিক কক ও হাশিম আমলা মিলে ৯১ রান এনে দেন দলকে। ব্যক্তিগত ৪৩ রানে আউট হয়ে যান আমলা। তবে ডি ককের ৮৭, ফ্যাফ ডু প্লেসির ৪৯ ও জেপি ডুমিনির ৩২ রানের সুবাদে সহজ জয় তুলে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। লঙ্কান স্পিনার আকিলা ধনঞ্জয়া ৬০ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন।
টি-টোয়েন্টিতেও সাফল্যের আশাবাদী: সাকিব আল হাসান
অনলাইন ডেস্ক: টেস্ট সিরিজে চরম হতাশার পর ওয়ানডেতে দারুণ সাফল্য। প্রায় এক দশক পর বিদেশের মাটিতে ওয়ানডে সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ। একদিনের ক্রিকেটে এই দারুণ সাফল্যের পর এবার টি-টোয়েন্টি সিরিজে ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হচ্ছে সাকিব-তামিমরা। আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। সেন্ট কিটসে আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৬টায় শুরু হবে সিরিজের প্রথম ম্যাচ। সিরিজের বাকি দুটি ম্যাচ বসছে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায়। ৪ ও ৫ আগস্ট হবে এ ম্যাচ দুটি। দুটি ম্যাচই শুরু হবে সকাল ৬টায়। ওয়ানডের মতো টি-টোয়েন্টিতেও সাফল্যে আশাবাদী বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘ওয়ানডেতে আমরা যে দারুণ ক্রিকেট খেলেছি, আশা করছি টি-টোয়েন্টিতেও সে ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারব। খেলোয়াড়রা বেশ উজ্জীবিত। তারা নিজেদের সামর্থ্যের সেরাটা দিয়ে খেলতে পারলে সাফল্য আসবে। আমার বিশ্বাস, সবাই নিজেদের সেরাটা দিতে মুখিয়ে আছে।’ অবশ্য টি-টোয়েন্টিতে রেকর্ড ওয়েস্ট ইন্ডিজেরই পক্ষে। এখন পর্যন্ত দুই দল ছয়টি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে। তার মধ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজ জিতেছে তিনটি এবং বাংলাদেশ দুটিতে। একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে। আগামীকাল থেকে শুরু হতে যাওয়া তিন ম্যাচে কোন দল সাফল্য পায়, সেটাই এখন দেখার।
বিদেশে সিরিজ জয় টাইগারদের
অনলাইন ডেস্ক :সেই পুরনো পথে হাঁটতে শুরু করেছিল বাংলাদেশ। আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-টুয়েন্টি সিরিজ এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজে টেস্ট সিরিজ হারের পর হতাশার চাদর ঢেকে দিয়েছিল বাংলাদেশের ক্রিকেটকে। ওয়ানডে সিরিজে সেই চাদর সরে গেল এক ঝটকায়। শনিবার রাতে সেন্ট কিটসে তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটা ১৮ রানে জিতে নিলো বাংলাদেশ। প্রথম ওয়ানডেতে ৪৮ রানে জিতেছিল টাইগাররা। দ্বিতীয় ম্যাচে মাত্র ৩ রানে হেরে যাওয়ায় সেদিন সিরিজ জয় নিশ্চিত হয়নি। তবে অঘোষিত ফাইনালে দারুণ এক জয়ে সিরিজ নিজেদের করল টাইগাররা। তাতে দুই বছর পর সিরিজ জয়ের স্বাদ পেল বাংলদেশ। আর বিদেশের মাটিতে সিরিজ জয় ৯ বছর পর। ২০০৯ সালে সর্বশেষ বিদেশে সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ। সেন্ট কিটসের টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ৩০১ রান করে বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে যা টাইগারদের সর্বোচ্চ ইনিংস। তামিম ইকবাল এদিনও করলেন সেঞ্চুরি। প্রথম ওয়ানডেতেও যার ব্যাট থেকে এসেছিল সেঞ্চুরি। ফিফটি করলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে জিততে হলে করতে হতো রেকর্ড। কারণ ওয়ার্নার পার্কে তিনশ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড নেই কখনো। ক্যারিবীয়রাও পারেনি এদিন। ক্রিস গেইল প্রথমে ভয় ধরালেন। এরপর সাই হোপ ও রোভমান পাওয়েল দারুণ চেষ্টা করলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হাসি বাংলাদেশের। সিরিজ জয়ের পর্বটা গায়ানাতেই সেড়ে রাখতে পারত বাংলাদেশ। কিন্তু দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৩ রানের নাকটীয় হারে সেটি হয়নি। তার আগে গায়ানাতেই প্রথম ওয়ানডেতে ৪৮ রানের দারুণ জয় তুলে নিয়েছিল বাংলাদেশের। সিরিজে ১-১ এ সমতা নিয়ে এদিন দুই দল খেলতে নামল। সেন্ট কিটস বলে একটু ভয় ছিল। কিন্তু এখানেও গায়ানার দুর্দান্ত বাংলাদেশকেই খুঁজে পাওয়া গেল। বরং বলা ভালো গায়ানার চেয়েও আরো দুর্দান্ত ছিল বাংলাদেশ। তাইতো গায়ানায় প্রথম ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে টাইগাররা নিজেদের সর্বোচ্চ রানের স্কোর গড়ার পর এদিন সেটি নতুন করে লিখল বাংলাদেশ। স্লগ ওভারে দারুণ বল করলেন রুবেল, মোস্তাফিজ। যেখানে রোভমান পাওয়েল ভয় ধরাচ্ছিলেন। তবে রুবেল-মোস্তাফিজরা শেষ তিন ওভারে স্নায়ুর লড়াই জিতলেন ভালোভাবে। জিততে হলে শেষ ১০ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে করতে হতো ১০৯ রান। হাতে ৬ উইকেট। বেশ কষ্টসাধ্য ব্যাপার। তবে সাই হোপ তখন ব্যাট করছেন ৫৬ রানে। অন্য প্রান্তে খুনে মেজাজে রোভমান পাওয়েল। তবে ৪৪তম ওভারে হোপকে ফেরান মাশরাফী। কিন্তু রোভমান পাওয়েলকে থামানো যাচ্ছিল না। শেষ পর্যন্ত তিনি অপরাজিতই থেকে গেছেন। তবে শেষ ওভারগুলোতে তাকে অতিদানবীয় হতে দেননি রুবেল-মোস্তাফিজরা। শেষ ৩ ওভারে ক্যারিবীয়দের সামনে সমীকরণে দাঁড়ায় ৪০ রানের। মোস্তাফিজ ৪৮তম ওভারে মাত্র ৬ রান দিয়ে হোল্ডারের উইকেট নেন। ৪৯তম ওভারে রুবেল হোসেনও খরচ করেন মাত্র ৬ রান। তাতে শেষ ওভারে জিততে ক্যারিবীয়দের দরকার পড়ে ২৮ রান। মোস্তাফিজের প্রথম বলে ছক্কা মেরে রোভমান পাওয়েল ভয় ধরালেন। কিন্তু এরপর আর পারেননি অমন কিছু করতে। মোস্তাফিজ পরের ৫ বলে ব্যয় করেছেন মাত্র ৩ রান। তাতেই দারুণ জয় টাইগারদের। শুরুতে গেইল ভয় ধরিয়েছিলেন। ৭৩ রান করেন ক্যারিবীয় ব্যাটিং দানব। যাকে ফেরান রুবেল। তার আগে লুইসকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন মাশরাফী। বাংলাদেশের পক্ষে সর্বাধিক ২ উইকেট মাশরাফীরই। ১টি করে উইকেট নিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ, মোস্তাফিজুর রহমান ও রুবেল হোসেন। এর আগে জয়ের আসল ভিত্তিটা স্থাপন হয় ব্যাটসম্যানদের হাতে। তামিম ইকবাল টানা তিন ম্যাচে ছিলেন দুর্দান্ত। প্রথম ম্যাচে অপরাজিত ১৩০। দ্বিতীয় ম্যাচে ৫৪ রান। এ ম্যাচেও করলেন সেঞ্চুরি। ১২৪ বলে ১০৩ রানের ইনিংস খেলেন এই ড্যাশিং ওপেনার। যা তার ক্যারিয়ারের একাদশ ফিফটি। আর সিরিজে ২৮৭ রান করে করলেন রেকর্ড। তিন ম্যাচের সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজে বিদেশি কোনো দলের হয়ে যা সর্বোচ্চ। কৃতিত্ব এরপর মাহমুদউল্লাহর। পাঁচ নম্বরে নেমে যিনি ৪৯ বলে ৬৭ রানের অপরাজিত এক ইনিংস খেলেছেন। ৫ চার ও ৩ ছক্কায় সাজিয়েছেন তার ইনিংস। কৃতিত্ব সাকিব আল হাসান ও মাশরাফী বিন মোর্ত্তজারও। সাকিব এদিন পারেননি টানা তৃতীয় ফিফটি তুলে নিতে। তবে ৩৭ রান করার পথে তামিম ইকবালের সাথে আবারো তৃতীয় উইকেটে উপহার দিয়েছেন দারুণ জুটি। এদিন ৮১ রান উপহার দেন এই দুজন। আর সাব্বির ও মোসাদ্দেককে নিচে নামিয়ে মাশরাফী খেলতে নেমেছিলেন ছয় নম্বরে। ২৫ বলে ১ ছক্কা ও ৪ চারে ৩৬ রান করেছেন তিনি। তাতে ৩০০ পেরোনো সংগ্রহ পায় বাংলাদেশের। নয় বছর আগে বাংলাদেশ বিদেশে সর্বশেষ সিরিজটি জিতেছিল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৪-১ ব্যবধানে। তার ঠিক আগের সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে করেছিল হোয়াইটওয়াশ ৩-০ ব্যবধানে। সেবার টেস্ট ও ওয়ানডে দুই সিরিজেই ক্যারিবীয়দের তাদের মাটিতেই হোয়াইটওয়াশ করে বাংলাদেশ। তবে সেটি দ্বিতীয় সারির দলের বিপক্ষে। বোর্ডের সঙ্গে দ্বন্দ্বে সেবার খেলেননি শীর্ষ ক্রিকেটাররা। এবার অবশ্য প্রথম সারির উইন্ডিজদের হারিয়েই ওয়ানডে সিরিজ জয়ের স্বাদ নিল বাংলাদেশ। দারুণ জয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তামিম ইকবাল। প্রথম ওয়ানডেতেও ম্যাচ সেরা ছিলেন তিমি। পুরো সিরিজে দুর্দান্ত খেলে সিরিজ সেরাও হয়েছেন তামিম।
ছেলেরা পেশাদার পারফরম্যান্স দেখাতে পেরেছে: মাশরাফি
অনলাইন ডেস্ক: সেন্ট কিটসে সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৮ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। দারুণ এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ ২-১ এ নিজেদের করেছে টাইগাররা। বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের ৯ বছর পর সিরিজ জয়ের কীর্তি হলো তাতে। শনিবার ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে পাওয়া এই জয়ে সতীর্থদের কৃতিত্ব দিলেন অধিনায়ক মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা। তিনি বললেন,ছেলেরা পেশাদার পারফরম্যান্স দেখাতে পেরেছে। গায়ানায় প্রথম ওয়ানডেতে ৪৮ রানের জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও জয়ের দ্বার প্রান্তে ছিল সফরকারীরা। কিন্তু দিবারাত্রির ম্যাচে শেষ দিকের নাটকীয়তায় হেরে যায় বাংলাদেশ। তবে এদিনের জয়ে নিজেদের পারফরম্যান্সকে পেশাদার পারফরম্যান্স স্বীকৃতি দিলেন মাশরাফি। জয়ের পর পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে মাশরাফি বলেন,ক্রিকেট মেন্টাল গেম। আমরা দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচ হেরেছিলাম। যদিও ৯৯ ওভার পর্যন্ত ম্যাচ আমাদের হাতে ছিল। কিন্তু এম্যাচে আমি বলবো ছেলেরা পেশাদার পারফরম্যান্স দেখাতে পেরেছে। ছেলেরা দারুণ ছন্দে আছে। পুরো সিরিজে দারুণ পারফরম্যান্স করেছেন তামিম ইকবার। দুটি সেঞ্চুরি করে সিরিজ সেরা হয়েছেন তিনি। সাকিব আল হাসান ব্যাট-বল হাতে ছিলেন দারুণ। মুশফিকুর রহীম, মাহমুদউল্লাহও দারুণ পারফর্ম করেছেন। বল হাতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন মাশরাফী নিজেও। তবে সাব্বির রহমান, মোসাদ্দেক হোসেন, এনামুলের মতো তরুণরা ছিলেন ব্যর্থ। মাশরাফি তাই সিনিয়রদের কৃতিত্ব দিলেন। আর তরুণদেরকে বললেন কাঁধে দায়িত্ব তুলে নিতে,তামিম, সাকিব, মুশি (মুশফিক) দারুণ খেলেছে। এখন তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে এবং দায়িত্ব নিতে হবে। বোলাররা তিন ম্যাচেই দারুণ বল করেছে। সামনে টি-টুয়েন্টি সিরিজ। মাশরাফী যে ফরম্যাট থেকে অবসর নেওয়ায় থাকবেন না সেখানে। তবে দলকে আত্মবিশ্বাস নিয়ে শুরু করার বার্তা দিয়ে গেলেন ওয়ানডে অধিনায়ক,এখন টি-টুয়েন্টিতে আমাদের আত্মবিশ্বাস নিয়ে শুরু করতে হবে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টুয়েন্টি সিরিজ কখনোই সহজ নয়। শীর্ষ নিউজ