বুধবার, এপ্রিল ২১, ২০২১
বার্সাকে শিরোপা জিতিয়ে মেসির জোড়া রেকর্ড
১৮,এপ্রিল,রবিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অ্যাটলেটিকো বিলবাওকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে কোপা দেল রে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বার্সেলোনা। ক্লাবটির ইতিহাসে এটি ৩১তম কোপা দেল রে শিরোপা। সবমিলিয়ে ইউরোপিয়ান মানদণ্ডে ৯২তম শিরোপা জিতল বার্সেলোনা। দলের এই শিরোপা জয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। দর্শনীয় দুই গোলে দলকে এনে দিয়েছে হালি গোলের জয়। পাশাপাশি নিজেও গড়েছেন জোড়া রেকর্ড। শনিবার রাতের ম্যাচটিতে ৬৮ মিনিটের সময় ফ্রেংকি ডি ইয়ংয়ের সঙ্গে বল দেয়া-নেয়া করে অসাধারণ এক গোল করেন মেসি। মিনিট চারেক পর জর্ডি আলবার পাস থেকে প্রথম ছোঁয়ায় বল জালে জড়ান তিনি। এ দুই গোলের সুবাদে কোপা দেল রের ফাইনালে এখন তার গোলসংখ্যা দাঁড়াল দশে। টুর্নামেন্টের ফাইনালের ইতিহাসে তেলমো জারাকে ছাড়িয়ে এখন মেসিই সর্বোচ্চ গোলদাতা। তার নামের পাশে রয়েছে সাতটি কোপা দেল রে শিরোপা। এছাড়া এ দুই গোলের সুবাদে চলতি মৌসুমে সবধরনের প্রতিযোগিতা মিলে ৩১ গোল হয়ে গেছে মেসি। ২০০৮-০৯ মৌসুম থেকে টানা ১৩ আসরে ৩০ বা এর বেশি গোলের রেকর্ড গড়লেন তিনি। এর আগে টানা ১২ মৌসুমে ৩০+ গোল করেছিলেন জার্মানির জার্ড মুলার।
ভারতের ৯ ভেন্যুতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
১৭,এপ্রিল,শনিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনার চ্যালেঞ্জ মাথায় নিয়ে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) চলছে ভারতে। চলতি বছরের শেষদিকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজনের কথা ভারতের। আইপিএল উদ্বোধনের দিন ভারতীয় ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা (বিসিসিআই) সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি ঘোষণা দিয়েছিলেন, ছোট ফরম্যাটের বিশ্বকাপের সর্বকালের সেরা আসর হতে চলেছে এটি। তারই ধারাবাহিকতায় এবার বিশ্বকাপের ভেন্যুর নাম প্রকাশ করেছে আয়োজক দেশটি। শুরুতে বিশ্ব আসরের জন্য ছয়টি ভেন্যু নির্ধারণের কথা ছিল। তবে আরও তিনটি বাড়িয়ে মোট ৯টি ভেন্যুর নাম জানিয়েছে বিসিসিআই। শুক্রবার অনুষ্ঠিত এই সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল হবে কয়েকদিন আগে উদ্বোধন হওয়া নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে। আহমেদাবাদের এই স্টেডিয়ামকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্টেডিয়ামের খেতাব দেয়া হয়েছে। বাকি ভেন্যুগুলো হচ্ছে- মুম্বাই, নয়া দিল্লি, চেন্নাই, কলকাতা, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ, ধর্মশালা ও লখনৌ। ১৬ দল নিয়ে অক্টোবর-নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের বিশ্বকাপের জন্য ভেন্যুগুলোকে প্রস্তুত করতেও বলা হয়েছে। বিসিসিআইর কর্মকর্তা ভারতীয় গণমাধ্যম এনআইকে বলেছেন, সভায় কোভিড পরিস্থিতি মাথায় রেখে ৯ ভেন্যুকে সব প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। অক্টোবর-নভেম্বর করোনা পরিস্থিতি কেমন হবে, তা আগে থেকে বলা যাচ্ছে না। তবে প্রস্তুতি চলমান থাকবে।
ড্র করে সেমিতে রিয়াল মাদ্রিদ
১৫,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: লিভারপুলের মাঠ অ্যানফিল্ডে দৃঢ়তা দেখাল রিয়াল মাদ্রিদ। লিভারপুলকে তাদেরই মাঠে গোলশূন্য ড্রতে রুখে দিয়ে চ্যাম্পিয়নস লীগের সেমিফাইনালে জিনেদিন জিদানের দল। প্রথম লেগে ৩-১ ব্যবধানে জেতে রিয়াল। সেমিতে রিয়ালের প্রতিপক্ষ চেলসি। প্রথম লেগে দুই গোলে পিছিয়ে থাকা লিভারপুলকে ঘরের মাঠে জিততে হতো অন্তত দুই গোলের ব্যবধানে। বুধবার রাতে সেই চেষ্টা ম্যাচের শুরু থেকেই করে গেল ইয়ূর্গেন ক্লপের দল। কিন্তু রিয়াল মাদ্রিদের জমাট রক্ষণের বিপক্ষে একটা গোলও আদায় করতে পারেননি মোহাম্মদ সালাহ, সাদিও মানেরা। লিভারপুল ঘরের মাঠে শুরু থেকেই গোলের উদ্দেশ্যে তেঁড়েফুঁড়ে ফুটবল খেলেছে। অপর দিকে গোলের চিন্তা বাদ দিয়ে রক্ষণে চীনের মহাপ্রাচীর গড়ে তুলতে চেয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ! ৫৬ শতাংশ বলের দখল ধরে রেখে লিভারপুল গোলবার লক্ষ্যে শট নিয়েছে ১১টি, অপর দিকে রিয়াল পুরো ম্যাচে শট নিয়েছে মাত্র ৩টি। তবুও জালের ঠিকানা খুঁজে পায়নি লিভারপুল। শেষ চার নিশ্চিত করার দিনে অচেনা এক স্বাদ পেয়েছেন জিদান। চ্যাম্পিয়নস লীগের নকআউট ম্যাচে তার দল সর্বশেষ গোলশূন্য ম্যাচ কাটিয়েছিল সেই ২০১৫-১৬ মৌসুমে, এরপর থেকে সব নকআউট ম্যাচেই কমপক্ষে একটি করে গোল করেছে তার দল, এমনকি বিদায় নেওয়ার সব ম্যাচেও। ২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত টানা তিনটি চ্যাম্পিয়নস লীগ জেতার পর গত দুই আসরে শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেয় রিয়াল। ওই দুর্দশা কাটিয়ে জিদানের অধীনে ফের শেষ চারে তারা। আর দুটি বাধা টপকে গেলে ধরা দেবে শিরোপা। অন্যদিকে লা লিগায় আট ম্যাচ হাতে রেখে শীর্ষ দল অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের চেয়ে কেবল এক পয়েন্ট পেছনে রিয়াল। এই দুটি ট্রফিতে চোখ জিদানের। ম্যাচ শেষে রিয়াল কোচ বলেছেন, আমরা সবাই একসঙ্গে দলকে টানছি এবং এই দল সবসময় তা করে এবং আরও বেশি চায়। আমরা এখনও কিছু জিতিনি। কিন্তু আমরা ইউরোপ ও লা লিগায় এখনও টিকে আছি। প্রতিযোগিতার ইতিহাসে অন্য যে কোনও ফরাসি কোচের চেয়ে বেশি চতুর্থবার সেমিফাইনালে উঠে আর্সেন ওয়েঙ্গারকে টপকালেন জিদান। তার অধীনে রিয়াল কেবল একবার সেমিফাইনালের আগে বিদায় নিয়েছিল, গত বছর শেষ ষোলোতে ম্যানসিটির কাছে হেরে।
আইপিএলে গেইলের ৩৫০ ছক্কার রেকর্ড
১৩,এপ্রিল,মঙ্গলবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মাইলফলক ছুঁতে দরকার ছিল একটি ছক্কার। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে ইনিংসের অষ্টম ওভারে বেন স্টোকসের তৃতীয় বল গ্যালারিতে ফেলে মাইলস্টোন ছুঁয়ে ফেলেন ক্রিস গেইল। অফ-স্টাম্পের বাইরের বলে পুল করে ছক্কা হাঁকানোর সঙ্গে সঙ্গে আইপিএলে একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে ৩৫০টি ছক্কা মারার রেকর্ড গড়েন গেইল। পরের ওভারে রাহুল তেওয়াটিয়ার বলেও একটি ছক্কা মারেন গেইল। শেষমেশ ৪টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ২৮ বলে ৪০ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। এই দু'টি ছক্কার সুবাদে আইপিএলের ১৩৩ ম্যাচের ১৩২ ইনিংসে মোট ৩৫১টি ছক্কা মারলেন দ্য ইউনিভার্স বস। এই নিরিখে তাঁর ধারেকাছে কেউ নেই। এমনকি গেইল ছাড়া আইপিএলে আর কেউ ২৫০টি ছক্কার গণ্ডিও ছুঁতে পারেননি। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়র লিগে সবথেকে বেশি ছক্কা মারার রেকর্ড বেশ কিছুদিন ধরেই নিজের দখলে রেখেছেন ক্রিস গেইল। তাঁর পিছনে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন এবি ডি ভিলিয়ার্স। তিনি ১৭০টি ম্যাচের ১৫৭ ইনিংসে মেরেছেন ২৩৭টি ছক্কা। তালিকায় তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছেন যথাক্রমে মহেন্দ্র সিং ধোনি (২১৬) রোহিত শর্মা (২১৪) ও বিরাট কোহলি (২০১)।
আইপিএলের প্রথম ম্যাচেই ধোনির জরিমানা
১১,এপ্রিল,রবিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নিজে আউট হয়েছেন শূন্য রানে, দল হেরেছে বড় ব্যবধানে- আইপিএলের নতুন আসরের শুরুটা এমনই ছিল চেন্নাই সুপার কিংসের অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনির জন্য। এর সঙ্গে মরার ওপর খাঁড়ার ঘাঁ হয়ে যুক্ত হলো জরিমানার খবর। শনিবার রাতে দিল্লি ক্যাপিট্যালসের বিপক্ষে ম্যাচে স্লো ওভার রেটের কারণে ১২ লাখ রুপি জরিমানা করা হয়েছে চেন্নাই অধিনায়ক ধোনির। অথচ পুরো ২০ ওভার বোলিং করতে হয়নি চেন্নাইকে। মাত্র ১৮.৪ ওভার বোলিং করে ওভার রেট নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি ধোনির দল। মৌসুমে চেন্নাইয়ের এটি প্রথম অপরাধ হওয়ায় কোনো আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন পড়েনি। আইপিএলের কোড অব কন্ডাক্ট মোতাবেক অধিনায়ক ধোনিকে গুনতে হচ্ছে ১২ লাখ রুপির জরিমানা। ম্যাচে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৮৮ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছিল চেন্নাই। যেখানে সুরেশন রায়না ৫৪(৩৬), মঈন আলি ৩৬(২৪), রবীন্দ্র জাদেজা ২৬*(১৭) ও স্যাম কুরান করেন ৩৪(১৫) রান। ধোনি দুই বল খেলে আউট হন ০ রানে। জবাবে দুই ওপেনার পৃথ্বি শ ও শিখর ধাওয়ানের উদ্ভাসিত ব্যাটিংয়ের ৮ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটের সহজ জয় পেয়েছে দিল্লি। পৃথ্বি ৩৮ বলে ৭২ ও ধাওয়ান ৫৪ বলে খেলেছেন ৮৫ রানের ইনিংস। উদ্বোধনী জুটিতে মাত্র ১৩.৩ ওভারে ১৩৮ রান পায় দিল্লি।
শ্রীলঙ্কা সফর সামনে রেখে ২১ সদস্যের দল ঘোষণা
৯,এপ্রিল,শুক্রবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের জন্য ২১ সদস্যের প্রথমিক দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। শ্রীলঙ্কায় গিয়ে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে টাইগাররা। সেই কারনেই পুরো দল নিয়েই লঙ্কা সফরে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ২১ সদস্যের দলে ডাক পেয়েছেন, মুমিনুল হক, লিটন কুমার দাস, মোহাম্মাদ মিঠুন, মুশফিকুর রহিম, তামিম ইকবাল, সাদমান ইসলাম, আবু জায়েদ রাহী, মেহেদি হাসান মিরাজ, নাইম হাসান, তাসকিন আহমেদ, এবাদত হোসেন, মোহাম্মাদ সাইফ হাসান, ইয়াসির আলী, শরিফুল ইসলাম, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ ও নুরুল ইসলাম সোহান, শুভাগত হোম, তাইজুল ইসলাম, নাজমুল হাসান শান্ত, শহিদুল ইসলাম ইনজুরির কারণে দলে রাখা হয়নি মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ এবং মোসাদ্দেক হোসেনকে , দলে নতুন মুখ মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ, ইনজুরি কাটিয়ে দলে ফিরেছেন পেসার খালেদ আহমেদ। সাকিবের জায়গায় প্রাথমিক দলে ডাক পেয়েছে অলরাউন্ডার শুভাগত হোম।
দারুণ জয়ে সেমির পথে এগিয়ে গেল চেলসি
৮,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে প্রথম লেগে পোর্তোকে ২-০ গোলে হারিয়ে হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠার পথে এগিয়ে গেল টমাস টুখেলের দল। বুধবার রাতে সেভিয়ায় ম্যাসন মাউন্ট চেলসিকে এগিয়ে নেওয়ার পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন বেন চিলওয়েল। করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে ভ্রমণে বিধিনিষেধের কারণে দল দুটির মধ্যে শেষ আটের দুই লেগই সেভিয়ায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ৩২তম মিনিটে গোলের উদ্দেশে প্রথম শটেই এগিয়ে যায় চেলসি। জর্জিনিয়োর পাস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে ডান পায়ের শটে দূরের পোস্ট দিয়ে গোলটি করেন মাউন্ট। ৮৫তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ব্লুজরা। প্রতিপক্ষের ভুলে বল পেয়ে ডি-বক্সে ঢুকে গোলরক্ষককে কাটিয়ে ফাঁকা জালে পাঠান ইংলিশ ডিফেন্ডার চিলওয়েল। একই মাঠে আগামী মঙ্গলবার হবে ফিরতি লেগ।
মহারাষ্ট্র লকডাউন, প্রভাব পড়বে না আইপিএলে
৫,এপ্রিল,সোমবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মাঝেও ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ক্রিকেটের এবারের আসর নিজেদের দেশেই আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। আগামী ৯ এপ্রিল (শুক্রবার) থেকে শুরু হবে আইপিএলের ১৪তম আসর। কিন্তু এর মধ্যে দুঃসংবাদ হয়ে এসেছে মহারাষ্ট্রে লকডাউনের খবর। করোনা সংক্রমণরোধে আংশিক লকডাউন ঘোষণা করেছে ভারতের মহারাষ্ট্র সরকার। পরবর্তী নির্দেশ জারি না হওয়া পর্যন্ত প্রতি সপ্তাহের শেষে, অর্থাৎ শুক্রবার সন্ধ্যা ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৭টা পর্যন্ত লকডাউন কার্যকর থাকবে। এমতাবস্থায় আইপিএলের কী হবে? মহারাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত মুম্বাইয়ে রাখা হয়েছে আইপিএলের ১০টি ম্যাচ। টুর্নামেন্ট শুরুর দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ে রয়েছে প্রথম ম্যাচ। যেখানে লড়বে চেন্নাই সুপার কিংস ও দিল্লি ক্যাপিট্যালস। কিন্তু লকডাউনের মধ্যে ম্যাচগুলোর ভাগ্যে কী আছে? উত্তর জানা গেছে মুম্বাই ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের (এমসিএ) কাছ থেকে। তারা আশ্বস্ত করেছে, লকডাউনের কোনো প্রভাব পড়বে না আইপিএলের সূচিতে। অর্থাৎ পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ীই মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে হবে আইপিএলের ম্যাচগুলো। ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজকে এমসিএ-র এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আমরা সিটি মিউনিসিপাল কমিশনারের কাছ থেকে বার্তা পেয়েছি। এমসিএকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে লকডাউনের কোনো প্রভাব আইপিএলের ওপর পড়বে না। তবে অন্যান্য ক্রিকেটীয় কর্মকাণ্ড জরুরি ভিত্তিতে বন্ধ করে দেয়া হবে। বায়ো সিকিউর বাবলের মধ্যে করা সব আয়োজন নির্বিঘ্নভাবেই চলবে। আগামী ১০ এপ্রিল থেকে ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত ম্যাচটি দশটি আয়োজন করবে মুম্বাই ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন। চেন্নাই সুপার কিংস, দিল্লি ক্যাপিট্যালস, পাঞ্জাব কিংস, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু, রাজস্থান রয়্যালস এবং কলকাতা নাইট রাইডার্সের ম্যাচ রয়েছে মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়েতে।
দুঃস্বপ্নের সফর শেষে দেশে ফিরলো টাইগাররা
৪,এপ্রিল,রবিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নিউজিল্যান্ডে ৪০ দিনের তিক্ত সফর শেষে আজ সকালে ঢাকায় পা রেখেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে সিরিজ দুটি নিয়ে টানা ৩২ ম্যাচ হেরেছে টাইগাররা। দেশে ফিরে এক সপ্তাহের বিশ্রাম শেষে ১২ এপ্রিল আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ খেলতে শ্রীলঙ্কা যাবেন মুমিনুলরা। সফরে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-২০ খেলেছে। ছয় ম্যাচেই হেরেছে। গোটা সফরে ক্রাইস্টচার্চে একমাত্র দ্বিতীয় ওয়ানডেতেই লড়াই করেছে। ওই ম্যাচটিতেই জয়ের সম্ভাবনা তৈরি করেছিল টাইগাররা। বাকি কোনো ম্যাচেই লড়াই করতে পারেনি। অথচ এবার তাসমান সাগর পাড়ের দেশটিতে টাইগাররা পা রেখেছিল জয়ের স্বপ্ন নিয়ে। সিরিজের প্রতিটি ম্যাচেই বাজে ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিংয়ের খেসারত গুনেছে।