বুধবার, এপ্রিল ২১, ২০২১
রোনালদো-জোতার গোলে পর্তুগালের দাপুটে জয়
৩১,মার্চ,বুধবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দিয়োগো জোতা ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর গোলে ২০২২ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে লুক্সেমবার্গের আরেকটি প্রধান জয় কেড়ে নিয়েছে পর্তুগাল। পিছিয়ে পড়েও ৩-১ ব্যবধানে জিতেছে ফের্নান্দো সান্তোসের শিষ্যরা। এর আগের ম্যাচে আয়ারল্যান্ড প্রজাতন্ত্রকে গার্সন রদ্রিগেজের হেডে ১-০ গোলে হারিয়ে দিয়েছিল লুক্সেমাবার্গ। পর্তুগালের বিপক্ষেও ৩০তম মিনিটে শিনানির পাস থেকে লুক্সেমবার্গকে এগিয়ে দেন এই ২৫ বছর বয়সী মিডফিল্ডার। তবে ব্যবধান বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি তারা। প্রথমার্ধের শেষ আক্রমণে নেতোর ভাসিয়ে দেওয়া বলে হেডে পর্তুগালকে সমতায় ফেরান লিভারপুল ফরোয়ার্ড জোতা। বিরতি থেকে ফিরে এগিয়ে যায় একবারের ইউরো ও উয়েফা চ্যাম্পিয়নরা। ৫০তম মিনিটে কানসেলোর পাস থেকে লুক্সেমবার্গের জাল খুঁজে নেন রোনালদো। এ নিয়ে জাতীয় দলের হয়ে ২০০৪-২০২১ পর্যন্ত টানা ১৮ বছর গোলের দেখা পেলেন জুভেন্টাস ফরোয়ার্ড। ৮০তম মিনিটে লুক্সেমবার্গের জালে শেষ বলটি পাঠিয়ে পর্তুগালের দাপুটে জয় নিশ্চিত করেন হোয়াও পালহিনহা। তার আগে জোতার আরেকটি হেড ফিরে আসে বারে বাধা পেয়ে। আর লুক্সেমবার্গ গোলরক্ষক অ্যান্থনি মরিসের নৈপুণ্যে দ্বিতীয় গোল বঞ্চিত হোন রোনালদো। তৃতীয় গোল হজম করার পর ১০ জনের দল হয়ে পড়ে তারা। রেনেতো সানচেসকে ফাউল করে ৮৬তম মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন লুক্মেমবার্গের ম্যাক্সিম শ্যানট। এই জয়ে এ গ্রুপে ৭ পয়েন্ট নিয়ে সার্বিয়াকে টপকে শীর্ষে ওঠে গেলো পর্তুগাল। দুদলের পয়েন্ট হলেও গোল ব্যবধানে এগিয়ে রোনালদোরা। এই সপ্তাহে ২-২ গোলের বিতর্কিত ড্র করেছিল পর্তুগাল-সার্বিয়া।
বড় পরাজয়ে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু
২৮,মার্চ,রবিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নিউজিল্যান্ডের দেওয়ার ২১১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে রীতিমতো ধুঁকেছে বাংলাদেশ। তরুণ আফিফ হোসেন, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও মোহাম্মদ নাঈমের ব্যাটে যা একটু লড়াই করল। তারপরেও সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৬৬ রানের বড় পরাজয়ে মাঠ ছাড়তে হয় সফরকারীদের। বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড। রোববার (২৮ মার্চ) হ্যামিল্টনে ম্যাচটি শুরু হয় সকাল ৭টায়। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৪৪ রান করতে পারে বাংলাদেশ। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারেই টপঅর্ডারের ৪ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর আরও দুটি। ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম ১৮ বলে ২৭ করলেও লিটন দাশ, সৌম্য সরকার, মোহাম্মদ মিঠুন, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মেহেদি হাসান কিউই বোলার বিশেষ করে স্পিনার ইশ সোধির সামনে চূড়ান্ত ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। শেষদিকে সাইফউদ্দিনকে নিয়ে ৫৬ বলে ৬৩ রানের জুটি গড়ে ব্যবধান কিছুটা কমান আফিফ। লোকি ফার্গুসনের বলে আউট হওয়ার আগে ৩৩ বলে ৫টি চার ও একটি ছক্কায় সর্বোচ্চ ৪৫ রান করেন আফিফ। আর ৩৪ বলে ৩৪ রান করে অপরাজিত থাকেন সাইফউদ্দিন। কিউই বোলারদের মধ্যে ৪টি উইকেট পান সোধি। ফার্গুসন ২ উইকেট নেন। এছাড়া টিম সাউদি ও হামিশ বেনেট একটি করে উইকেট দখল করেন। এর আগে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে প্রথমে ব্যাট করা নিউজিল্যান্ডে ডেভন কনওয়ের অপরাজিত ঝড়ো ৯২ ও উইল ইয়ংয়ের হাফসেঞ্চুরিতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ২১০ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায়। বোলিংয়ে শুরুটা অবশ্য ভালো করেছিল টাইগাররা। প্রথম ওভারেই উইকেট তুলে নেন অভিষিক্ত স্পিনার নাসুম আহমেদ। ওভারের ষষ্ঠ বলে নিউজিল্যান্ড ওপেনার ফিন অ্যালেনকে বোল্ড করেন। পরে আরেক ওপেনার মার্টিন গাপটিলকেও আউট করেন এই বাঁহাতি। নিজের তৃতীয় ও দলীয় সপ্তম ওভারে ২৭ বলে ৩৫ রানে থাকা গাপটিলকে সৌম্য সরকারের ক্যাচ বানান তিনি। এই জুটি ৩৮ বলে ৫২ রান করে। এরপরে আক্রমণ বাড়ায় কিউইরা। ইয়ংকে সঙ্গে নিয়ে তৃতীয় উইকেট জুটিতে ৬০ বলে ১০৫ রান করেন কনওয়ে। ৩০ বলে ২টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৫৩ করে ইয়ং মেহেদি হাসানের বলে আউট হন। তবে কনওয়ে চতুর্থ উইকেটে গ্লেন ফিলিপসকে নিয়ে আরও ৫২ রান করেন। শেষ পর্যন্ত বাঁহাতি কনওয়ে ৫২ বলে ৯২ রানে অপরাজিত থাকেন। তার ইনিংসে ১১টি চার ও ৩টি ছক্কা ছিল। আর ১০ বলে ২৪ করেন ফিলিপস। এর আগে কিউইদের বিপক্ষে তিন ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এখনও কোনো ম্যাচ জিততে পারেনি টাইগাররা। কিন্তু প্রথম ম্যাচে ওয়ানতে অধিনায়ক তামিম ইকবালকে পাচ্ছে না বাংলাদেশ। ব্যক্তিগত কারণে আগেই টি-টোয়েন্টি সিরিজ না খেলার কথা জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। সেই সঙ্গে ইনজুরির কারণে নেই পেসার হাসান মাহমুদও। এছাড়া আরেক গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কে পাচ্ছে না টাইগাররা। কাঁধের চোটের কারণে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে নেই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান-উইকেটরক্ষক মুশফিকুর রহিম। এই ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হলো বাংলাদেশের নাসুম আহমেদ ও শরিফুল ইসলামের। অন্যদিকে এই ম্যাচ দিয়ে নিউজিল্যান্ড জাতীয় দলে অভিষেক হয়েছে ফিন অ্যালেনের। টেস্ট ও ওয়ানডে অভিষেক হলেও এই ম্যাচ দিয়ে টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক হচ্ছে কিউইদের আরেক ব্যাটসম্যান উইল ইয়ংয়ের।
ভিন্ন আয়োজনে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব
২৭,মার্চ,শনিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী তথা ৫০ বছর উপলক্ষে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের আয়োজনে ২৬ মার্চ বিশেষ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৫২, ৬৬, ৬৯ ও ৭১ নামে ৪ দলের ফুটবল টুর্নামেন্ট মাঠে গড়ায়। সিক্স এ সাইড এই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয় ৬৯ দল। আর রানার্সআপ হয় ৭১ দল। ১০টি গোল করে সেরা গোলদাতা হন সোলেমান সিল্লাহ। আর সেরা খেলোয়াড় হন ওতাবেক। টুর্নামেন্টে অতিথি হিসেবে ছিলেন শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের সেক্রেটারি ফয়েজুর রহমান। এছাড়া সাবেক ফুটবলার আশরাফউদ্দিন আহমেদ, আব্দুর গফফার, চুপু ও শেখ আসলাম উপস্থিত ছিলেন।
দশকসেরা ক্লাবের স্বীকৃতি পেল বার্সেলোনা
২৫,মার্চ,বৃহস্পতিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এখন পর্যন্ত একবিংশ শতাব্দীর সেরা ক্লাব বার্সেলোনা। সর্বশেষ দশক সেরা ক্লাবের স্বীকৃতিও উঠেছে কাতালান জায়ান্টদের হাতে। ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব ফুটবল হিস্টোরি অ্যান্ড স্ট্যাটিসটিকসের (আইএফএফএইচএস) বিচারে গত দশকের (২০১১-২০) সেরা ক্লাব হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে বার্সা। এর আগের দশকের (২০০১-২০১০) সেরা ক্লাবের স্বীকৃতিও তাদের দখলেই ছিল। গত এক দশকে ২টি ক্লাব বিশ্বকাপ, ২টি চ্যাম্পিয়নস লিগ, ৬টি লা লিগার শিরোপা ঘরে তুলেছে বার্সা। তবে শুধু শিরোপার জন্যই নয়, বরং এই সময়ে জয়, গোল করা এবং গোল হজমের ব্যাপারগুলোও হিসাবের মধ্যে ধরেছে আইএফএফএইচএস। আইএফএফএইচএসর বিচারে ২,৮৭৭ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে বার্সা। ৯৫ পয়েন্ট কম নিয়ে দুইয়ে আছে রিয়াল মাদ্রিদ (২,৭৮২) এবং তিনে বায়ার্ন মিউনিখ (২,৫৯৪.৫)। তালিকার চারে আছে প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি) এবং পঞ্চম স্থানে অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ। অর্থাৎ শীর্ষ পাঁচের ৩টিই স্প্যানিশ ক্লাব। এছাড়া সেভিয়া আছে ১৩তম স্থানে। উয়েফার বাইরে থেকে শীর্ষ চিশে স্থান পেয়েছে একমাত্র গ্রেমিও পোর্তো অ্যালেগ্রেন্স (১৪তম স্থানে)। বছর বিবেচনায় বার্সেলোনা ২০১১, ২০১২ এবং ২০১৫ সালে সেরা ক্লাবের স্বীকৃতি পেয়েছিল। এছাড়া রিয়াল মাদ্রিদ ২০১৫ ও ২০১৭ সালে এবং ২০১৩ ও ২০২০ সালে এই স্বীকৃতি পেয়েছিলেন বায়ার্ন মিউনিখ।
আজ ক্রিকেটার সাকিবের জন্মদিন, শুভ জন্মদিন সাকিব আল হাসান
২৪,মার্চ,বুধবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাকিব আল হাসান বাংলাদেশর প্রাণ। প্রবাদটি সবার কাছে খুবই প্রিয়। আর এ প্রবাদটি যে বার বার বার প্রমানিত হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেটের ইতিহাসে। বাংলাদেশ দলের ম্যাচে জয়ের প্রধান সারথী তিনি। বিশ্বের বহু নামীদামি ক্রিকেটার তার ঘূর্ণির জাদুতে কূপকাত হয়েছেন। জ্যাক ক্যালিস, মোহাম্মদ হাফিজ, শহীদ আফ্রিদি, শেন ওয়াটসন, বেন স্টোকস ও রবিচন্দ্র অশ্বিন মত তারকাদের টপকে অলরাউন্ডারের রাজত্ব করে করে চলেন নিয়মিত। তিনি এমন একজন ক্রিকেটার যিনি প্রত্যেকটি ম্যাচই কম বেশী বোলিং না হয় ব্যাটিংয়ে অবদান রেখে বাংলাদেশ দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে চলেছেন। আজ বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের ৩১তম জন্মদিন। ১৯৮৭ সালের ২৪ মার্চ মাগুরা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন এই তারকা ক্রিকেটার। মাগুরার স্থানীয় একটি ক্লাবে ক্রিকেটের তার পথ চলা শুরু। বাবা মাশরুর রেজা ফুটবলের ভক্ত হলেও ছেলের হাতে তুলে দেন ব্যাট-বল। এরপর বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি) সাকিবের ক্রিকেটের প্রতিষ্ঠানিক শিক্ষা শুরু। শুরু থেকেই বল-ব্যাট দুটিতেই দারুণ আলো ছড়াতে থাকা সাকিব ২০০৬ সালে হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে লাল-সবুজের জার্সি গায়ে আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ক্রিকেটে অভিষিক্ত হয়ে মাঠে নামেন। এরপর থেকে তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একদিন আগেই গতকাল শুক্রবার ভক্তদের নিয়ে নিজের জন্মদিন পালন করলেন এই অলরাউন্ডার। মিরপুর এক নম্বরে সাকিবস ৭৫ কনভেনশন হলে হয়েছে অনুষ্ঠানটি। ভক্তদের নিয়ে জন্মদিন পালন করায় ভিশন খুশি তার ভক্তরা। শামীম আল হাসান নামে এক সমর্থক জানান, আমাদের গ্রুপের নাম ফ্যানস অব সাহ৭৫। এছাড়া আরও ৮-১০টি গ্রুপ এই অনুষ্ঠানে এসেছিল। প্রতি বছর আমরা তার জন্মদিন পালন করে থাকি। কিন্তু এবার সাকিব নিজে থেকেই আমাদের ডেকেছেন। অনুষ্ঠানটির স্পন্সর ছিল ডিজিটাল বিনোদন প্ল্যাটফর্ম- লিংকআস। জন্মদিনের প্রোগ্রামে সাকিব বলেন, নিদাহাস ট্রফির ফাইনালে উঠে আমরা দেখিয়েছি এই ফরম্যাটেও পারে বাংলাদেশ। এখন এটা ধরে রাখতে হবে। টি ২০তে ভালো করতে হলে বিপিএলের পাশাপাশি আরও একটি ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট হলে ভালো হয় বলে মনে করছেন সাকিব। তিনি বলেন, শুনেছিলাম বিপিএলের পাশাপাশি ঢাকা লিগের ছয়টি দল নিয়ে আরেকটি টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট হবে। সেটা করতে পারলে এই ফরম্যাটে দলের জন্য ভালো হবে। সাকিব ৬ আগস্ট ২০০৬ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে, ২৮ নভেম্বর ২০০৬ সালে জিম্বাবুয়ে বিপক্ষে টি২০ ও ১৮ মে ২০০৭ সালে ভারতের বিপক্ষে অভিষিক্ত হন। সাকিব ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে টেস্ট, ওডিআই ও টি২০ প্রত্যেক ক্রিকেট সংস্করণে এক নম্বর অল-রাউন্ডার হওয়ার গৌরব অর্জন করেন| সাকিব প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে একদিনের ক্রিকেটে ৪,০০০ করার গৌরব অর্জন করেন। তিনি টি২০তে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ১০০০ রান পূর্ণ করেন ৷ এছাড়া দ্বিতীয় অলরাউন্ডার হিসেবে টি২০তে ১০০০ রান ও ৫০ উইকেট লাভ করেন এখন পর্যন্ত ৫১ টেস্টের ৯৬ ইনিংসে ব্যাট করে সাকিব ৪০.৩৮ গড়ে ৩৫৯৪ রান করেছেন।রয়েছে পাঁচটি সেঞ্চুরি ও ২২টি হাফসেঞ্চুরি। সাদা পোশাকে তার সর্বোচ্চ ইনিংস ২১৭। এটি আবার বাংলাদেশের ইতিহাসেও সর্বোচ্চ। সমান টেস্টে ৮৬ ইনিংসে বল করে পেয়েছেন ১৮৮টি উইকেট। যেখানে বোলিং গড় ৩২.৩৭ ও ইকোনোমি ৩.০১। ১০ উইকেট পেয়েছেন দুবার। আর ৫ উইকেট পেয়েছেন ১৭বার।এক ম্যাচে তার সেরা বোলিং ফিগার ১২৪ রানে ১০ উইকেট। আর এক ইনিংসে ৩৬ রানের বিনিময়ে ৭ উইকেট। ওয়ানডেতে সাকিবের ক্যারিয়ার আরও সমৃদ্ধ। ১৮৫ ম্যাচে ব্যাট করার সুযোগ পেয়েছেন ১৭৪বার। যেখানে ৩৪.৯৫ গড়ে করেছেন ৫২৪৩ রান। রয়েছে ৭টি সেঞ্চুরি ও ৩৭টি হাফসেঞ্চুরি। এক ম্যাচে তার সেরা ১৩৪ (অপরাজিত)। আর ১৮২ ইনিংসে বল করে ২৯.৪৬ গড় ও ৪.৪৪ ইকোনোমিতে নিয়েছেন ২৩৫টি উইকেট। ম্যাচে ৫ উইকেট নিয়েছেন একবার। সেরা বোলিং ফিগার ৪৭ রানে ৫ উইকেট। ৬৩টি টি-২০ খেলে ১২০.৬৮ স্ট্রাইক রেটে করেছেন ১২৩৭ রান। রয়েছে ৬টি হাফসেঞ্চুরি। আর ৬২ ইনিংসে বল ঘুরিয়ে নিয়েছেন ৭৫ উইকেট। ইকোনোমি ৬.৭৮। সেরা বোলিং ফিগার ১৫ রানের বিনিময়ে ৪ উইকেট।- স্পোর্টস 24
সিরিজ হারল বাংলাদেশ
২৩,মার্চ,মঙ্গলবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিরিজে সমতা ফিরতে আশা জাগানিয়া ব্যাটিং করেছিল বাংলাদেশ। ক্রাইস্টচার্চে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৬ উইকেটে করেছিল ২৭১ রান। হ্যাগলি ওভালের মাঠে এত রান তাড়া করে জেতার নজির ছিল না আগে। অথচ বাংলাদেশকে ৫ উইকেটে হারিয়ে সেই অসাধ্য সাধনটাই করলো স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড। তাতে এক ম্যাচ হাতে রেখেই ২-০ তে সিরিজ নিশ্চিত করেছে স্বাগতিকরা। এমন হারে বাংলাদেশের বাজে ফিল্ডিংয়ের দায় কম নয় মোটেও। বিশেষ করে ৫৩ রানে ৩ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর জয়ের ভিত গড়ে দেয় কনওয়ে ও ল্যাথামের ১১৩ রানের জুটি। তাতে অবশ্য বড় অবদান ছিল তাসকিনের! কনওয়েকে রান আউটের সূবর্ণ সুযোগ পেয়েও সেটি হাতছাড়া করেছেন। শেষ পর্যন্ত তামিমের দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ে জুটি ভাঙে তাদের। ৭২ রানে ফেরেন কনওয়ে। তাতে ম্যাচে ফেরার পরিস্থিতিও তৈরি করেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু হায়! এমন পরিস্থিতিতে চিরচেনা বাজে ফিল্ডিং ডুবিয়েছে তাদের। ম্যাচের ৩৭ ও ৩৮তম ওভারে তিনটি ক্যাচ ছেড়েছে ফিল্ডাররা। শুরুটা হয় উইকেটকিপার মুশফিককে দিয়ে। তাসকিনের বলে উইকেটের পেছনে নিশামের ক্যাচ ছাড়েন মুশফিক। এক বল পরই ল্যাথাম তাসকিনের বলে কভারে ক্যাচ তুলেছিলেন। তুলনামূলক কঠিন ক্যাচ হলেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এসব ক্যাচ হরহামেশাই হয়ে যায়। মিঠুন জমাতে পারেননি বল। পরের ওভারে মেহেদী হাসান নিজের বোলিংয়ে ফিরতি ক্যাচ ফেলে দেন ল্যাথামের। লোপ্পা এই ক্যাচ মিসে ম্যাচটাই যে হাতছাড়া করে ফেলে বাংলাদেশ! পরে নিশামের সঙ্গে জুটি গড়ে ম্যাচ বের করে নেন ল্যাথাম। নিশামকে ৩০ রানে বিদায় দিয়েও ম্যাচের ভাগ্য বদলাতে পারেননি মোস্তাফিজ। পঞ্চম সেঞ্চুরি ‍তুলে নিয়ে ঠিকই ম্যাচ বের করে নেন কিউইদের অধিনায়ক। ৫ উইকেট হারানো কিউইদের জয় নিশ্চিত হয় ৪৮.২ ওভারে। অথচ দ্বিতীয় এই ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর দৃঢ় প্রত্যয় ছিল বাংলাদেশের। টস হেরেও টপ অর্ডারের অবদানে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৬ উইকেটে ২৭১ রান সংগ্রহ করে সফরকারীরা। বরাবরের মতো এই ম্যাচেও টস জিতে শুরুতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। শুরুতে লিটন দাস ফিরলেও পরে তামিম ইকবালের ৭৮ ও মিঠুনের অপরাজিত ৭৩ রানেই বড় সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। আগের ম্যাচে অসাধারণ বল করা বোল্ট অবশ্য এদিন ছিলেন নিষ্প্রভ। ৪৯ রান দিয়ে নিয়েছেন একটি। সম সংখ্যক উইকেট নিয়েছেন ম্যাট হেনরি ও কাইল জেমিসনও। দুটি নিয়েছেন মিচেল স্যান্টনার। বাংলাদেশের হয়ে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন মোস্তাফিজুর ও মেহেদী হাসান।
মেসির রেকর্ড গড়ার ম্যাচে বার্সার গোল উৎসব
২২,মার্চ,সোমবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগের ম্যাচেই বার্সেলোনার কিংবদন্তি মিডফিল্ডার জাভিকে ছুঁয়ে ফেলেছিলেন লিওনেল মেসি। এবার সাবেক সতীর্থকে ছাড়িয়েও গেলেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। বার্সার জার্সিতে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ডের একক মালিকানা এখন মেসির দখলে। আর অধিনায়কের এমন ইতিহাস গড়ার ম্যাচে গোল উৎসবে মাতলো কাতালান জায়ান্টরা। রোববার দিনগত রাতে রিয়াল সোসিয়েদাদকে তাদের ঘরের মাঠে ৬-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে বার্সা। প্রথমার্ধে আতোঁয়া গ্রিজম্যান ও সের্জিনো ডেস্টের গোলে এগিয়ে যায় সফরকারিরা। এরপর দ্বিতীয়ার্ধে ডেস্ট আরও এক গোল করেন। পরে গোল উৎসবে যোগ দেন মেসি ও উসমানে দেম্বেলেও। । মাঝে সোসিয়েদাদের আন্দের বারেনেতেক্সিয়া এক গোল শোধ করেন। ম্যাচটি খেলতে নেমেই ইতিহাসে নাম লেখান মেসি। বার্সার সিনিয়র দলের হয়ে এটা তার ৭৬৮তম ম্যাচ। এর আগে হুয়েস্কার বিপক্ষে মাঠে নেমে জাভির রেকর্ড স্পর্শ করেছিলেন মেসি। আর ম্যাচটাকে স্মরণীয় করে রাখার কাজটাও ভালোভাবেই করেন তিনি। নিজে জোড়া গোল করার পাশাপাশি সতীর্থকে দিয়ে এক গোলও করান। শুরু থেকেই আক্রমণের পসরা সাজিয়ে বসা বার্সা ৩৭তম মিনিটেই গ্রিজম্যানের গোলে এগিয়ে যায়। আলবার পাঠানো বলে জোরালো শিট নিয়েছিলেন দেম্বেলে। কিন্তু সোসিয়েদাদের গোলরক্ষক রেমিরো দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন। তবে বল ক্লিয়ার করার আগেই চলে যায় গ্রিজম্যানের পায়ে, আর একদম কাছ থেকে বল পোস্টে পাঠিয়ে দেন ফরাসি ফরোয়ার্ড। বিরতির মিনিট দুয়েক আগে মেসির নিখুঁত থ্রো-বল ফাঁকায় পেয়ে নিচু শটে বল জালে জড়িয়ে দেন ডেস্ট। দ্বিতীয়ার্ধে শুরু হয় বার্সার গোল উৎসব। প্রতিপক্ষের দুই ডিফেন্ডারকে ফাঁকি দিয়ে গোলমুখে নিচু পাস দেন আলবা। সেখানে সুযোগের অপেক্ষায় থাকা ডেস্ট বল দখলে নিয়েই বাঁ পায়ের শটে ফাঁকা জালে বল পাঠিয়ে দেন। ৫৬তম মিনিটে গোলের দেখা পান মেসি। প্রতিপক্ষের ডিফেন্সে বুসকেতসের উঠিয়ে মারা বল দৌড়ে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বাঁ পায়ের শটে রেমিরোকে পরাস্ত করেন মেসি। ৭১তম মিনিটে গোলের খাতা খোলেন দেম্বেলে। মোরিবার পাস ধরে সোসিয়েদাদের ডিফেন্সে ঢুকে বাঁ পায়ের শটে লক্ষ্যভেদ করেন ফরাসি ফরোয়ার্ড। ৭৭তম মিনিটে ব্যবধান কমান বারেনেতেক্সিয়া। সতীর্থ ফার্নান্দেসের সঙ্গে ওয়ান-টু পাসের পর বক্সে ঢুকে পড়েন এই সোসিয়েদাদ উইঙ্গার। এরপর ডান পায়ের জোরালো শটে বার্সা গোলরক্ষক মার্ক-আন্দ্রে টের স্টেগানকে সহজেই পরাস্ত করে বল জালে জড়িয়ে দেন। তবে স্বাগতিকদের ব্যবধান কমানোর স্বস্তিও কেড়ে নেন মেসি। ৮৯তম মিনিটে আলবার কাছ থেকে বল পেয়ে বাঁ পায়ের শটে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি। এই নিয়ে ২৮ ম্যাচে ১৯ জয়, ৫ ড্র ও ৪ হারে ৬২ পয়েন্ট নিয়ে লা লিগার পয়েন্ট তালিকার দুইয়ে উঠে এলো বার্সা। একই রাতে আলাভেসকে ১-০ গোলে হারানো অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ সমান ম্যাচে ৬২ পয়েন্ট নিয়ে আছে শীর্ষে। আর ৬০ পয়েন্ট নিয়ে তিনে রিয়াল মাদ্রিদ।
ইংল্যান্ডকে উড়িয়ে ফাইনাল জয় ভারতের
২১,মার্চ,রবিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ২-২ সমতা ছিল। আহমেদাবাদে সিরিজের পঞ্চম ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি আদতে পরিণত হয়েছিল অঘোষিত ফাইনালে। সেই ফাইনাল জিতলো ভারত বড় ব্যবধানেই। ইংল্যান্ডকে ৩৬ রানে হারিয়ে ৩-২ ব্যবধানে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে বিরাট কোহলির দল। মহাগুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে অবশ্য ভারতকে আসল কাজটা করে দিয়েছেন ব্যাটসম্যানরাই। তবে বোলারদেরও অবদানও ফেলে দেয়া যাবে না কিছুতেই। বরং একটা সময় তো ইংল্যান্ডেরও জয়ের ভালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। সেখান থেকে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান ভারতীয় বোলাররা। রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলির দুর্দান্ত হাফসেঞ্চুরির সঙ্গে হার্দিক পান্ডিয়া আর সূর্যকুমার যাদবের ব্যাটিং তাণ্ডবে ২ উইকেটে ২২৪ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছিল টস হেরে ব্যাট করতে নামা ভারত। রোহিত আর কোহলি ৫৪ বলের উদ্বোধনী জুটিতেই দলকে এনে দেন ৯৪ রান। ৩৪ বলে ৪ বাউন্ডারি আর ৫ ছক্কায় ৬৪ রান করে বেন স্টোকসের বলে বোল্ড হলে ভাঙে এই জুটি। উইকেটে আসেন সূর্যকুমার। এসেই আগের ম্যাচের মতো তাণ্ডব শুরু করেন। ১৭ বলে ৩ চার আর ২ ছক্কায় ৩২ রানের ছোট কিন্তু কার্যকরী এক ইনিংস খেলে সূর্য আদিল রশিদের শিকার হলে কিছুটা স্বস্তির আশা করেছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু তাদের সেই স্বস্তি আসেনি। এবার কোহলির সঙ্গী হন হার্দিক পান্ডিয়া। তৃতীয় উইকেটে ৪০ বলে ৮১ রানের বিধ্বংসী এক জুটি উপহার দেন তারা। দুজনই থাকেন অপরাজিত। কোহলি ৫২ বলে ৭ চার আর ২ ছক্কায় করেন ৮০ রান। হার্দিক ১৭ বলে ৪ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় খেলেন হার না মানা ৩৯ রানের ইনিংস। লক্ষ্য ২২৫ রান। ইংল্যান্ড ১৩ ওভার পর্যন্ত দশের ওপর রান তুলেই এগোচ্ছিল। উইকেট তখনও হাতে ছিল ৮টি। কিন্তু ভারতীয় বোলাররা সেখান থেকে দারুণভাবে কামব্যাক করেন। একের পর এক উইকেট হারিয়ে ইংলিশরা থামে ৮ উইকেটে ১৮৮ রানে। জস বাটলার ৩৪ বলে ৫২ আর ডেভিড মালান ৪৬ বলে ৬৮ রান করে ফেরার পরই কার্যত ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে ইংল্যান্ড। পরের ব্যাটসম্যানদের কেউ বিশের ঘরও ছুঁতে পারেননি। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন শার্দুল ঠাকুর। ৪ ওভারে ৪৫ রান খরচ করলেও গুরুত্বপূর্ণ ৩টি উইকেট নেন এই পেসার। ভীষণ মিতব্যয়ী ছিলেন ভুবনেশ্বর কুমার। ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে ২টি উইকেট নেন তিনি।
সিরি আর বর্ষসেরা ফুটবলার রোনালদো
২০,মার্চ,শনিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইতালিয়ান ফুটবলের সর্বোচ্চ লিগ সিরি আর বর্ষসেরা ফুটবলার আবারও নির্বাচিত হয়েছেন পর্তুগিজ ও জুভেন্টাস তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। টানা দ্বিতীয় বার সিরি আর বর্ষসেরা ফুটবলার নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। শুক্রবার এই ঘোষণাটি দেওয়ায় হয়। গত মৌসুমে রোনালদো ৩৩ লিগ ম্যাচে ৩১টি গোল করেছিলেন। এর আগে ২০১৮ সালে জুভেন্টাসে যোগদানের পরের মৌসুমেই ২০১৯ সালে এই সিআরসেভেন পুরস্কারটি নেন। ২০২০ সালে করোনাভাইরাসের কারণে এই অ্যাওয়ার্ডটি দেওয়া হয়নি। এদিকে বর্ষসেরা নারী ফুটবলারের পুরস্কার জিতেছেন জুভেন্টাস নারী দলের স্ট্রাইকার ক্রিস্টিয়ান গিরেল্লি। বর্ষসেরা দলের খেতাব জিতেছে আতালান্তা। আর বর্ষসেরা কোচ হয়েছেন একই দলের পিয়েরো গ্যাসপেরিনি।