নেইমারদের দরজা বন্ধ নাইটক্লাবে
অনলাইন ডেস্ক: নতুন কোচ টমাস টুকেলের কড়া শাসনের মধ্যে পড়লেন নেইমার-এমবাপ্পেরা। প্যারিস সেইন্ট জার্মেইয়ের (পিএসজি) কোচের দায়িত্ব নিয়েই শৃঙ্খলার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি। ফ্রান্সের সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, খেলোয়াড়দের রাতভর পার্টি বন্ধ করতে চান জার্মান কোচ টুকেল। সেই লক্ষ্যে প্যারিস শহরের বেশ কয়েকটি প্রসিদ্ধ নাইটক্লাব ঘুরেছেন তিনি। নাইটক্লাব মালিকদের বুঝিয়ে বলেছেন পিএসজির কোনো খেলোয়াড় যদি বেশি রাতে বা ম্যাচের আগে-পরে নাইটক্লাবে আসে সঙ্গে সঙ্গে যেন পিএসজির ক্লাব কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দেয়া হয়। মাঠের খেলায় সাফল্যের জন্য নেইমারদের খাদ্যাভ্যাস নিয়েও কঠোর হয়েছেন ৪৪ বছর বয়সী টুকেল। পাস্তা খাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ আনতে হবে। ম্যাচের আগে ফাস্ট ফুড, সফট ড্রিংকস ও সব ধরনের মিষ্টি জাতীয় খাবার একদম নিষিদ্ধ। গত মে মাসে পিএসজির কোচ হিসেবে দুই বছরের চুক্তিতে উনাই এমেরির স্থলাভিষিক্ত হন টুকেল। এর আগে বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের কোচ ছিলেন তিনি। পিএসজি ছেড়ে আর্সেনাল কিংবদন্তি আর্সেন ওয়েঙ্গারের স্থলাভিষিক্ত হন এমেরি। পিএসজির প্রাক-মৌসুমের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন টুকেল। বিশ্বকাপ শেষে ছুটিতে থাকায় নেইমার-এমবাপ্পের মতো বড় তারকাদের পাচ্ছেন না তিনি। হার দিয়ে প্রাক-মৌসুমের প্রীতি টুর্নামেন্ট ইন্টারন্যাশনাল চ্যাম্পিয়ন্স কাপ (আইসিসি) শুরু করে ফ্রেঞ্চ চ্যাম্পিয়ন পিএসজি। অস্ট্রিয়ায় বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে ৩-১ গোলে হার দেখে টুকেলের শিষ্যরা। প্রতিযোগিতায় পিএসজির শেষ দুই ম্যাচ হবে সিঙ্গাপুরে। প্রতিপক্ষ আর্সেনাল ও অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ।
সিরিজ নিশ্চিত করতে চায় বাংলাদেশ
অনলাইন ডেস্ক: এক ম্যাচের ইতিবাচক ফলাফল পুরো একটি দলের চেহারা কতটা বদলে দিতে পারে, সেটা এই বাংলাদেশ দলকে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ যাওয়ার আগের মাসে ভারতের দেরাদুনে গিয়ে আফগানিস্তানের সঙ্গে টি-টোয়েন্টিতে হোয়াইটওয়াশ, ওয়েস্ট ইন্ডিজ গিয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে দাঁড়াতেও না পারা দলটি ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে এসেই পেলো জয়ের দেখা। এই একটি জয়েই পুরোপুরি বডি ল্যাঙ্গুয়েজ বদলে গেলো টাইগারদের। গায়ানার প্রোভিডেন্ট স্টেডিয়ামেই যে আবার স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। আগের ম্যাচের মত এই ম্যাচটা দিনের আলোয় নয়, দিবারাত্রির। তবুও টাইগারদের ভয়ের কিছু নেই। কারণ, এই মাঠেই তো আগের ম্যাচে জয়ের ভিত রচিত হয়েছিল বাংলাদেশের। সুতরাং, দ্বিতীয় ম্যাচে টাইগারদের দারুণ উজ্জীবিত একটি দলই মাঠে নামবে। পুরো দলটাই বলতে গেলে বদলে গেছে অধিনায়ক মাশরাফির জাদুর ছোঁয়ায়। মাশরাফি দলে যোগ দেয়ার পরই বদলে গেলো পুরো দলের চেহারা। দারুণ উজ্জীবিত একটি দল এখন ‘টিম বাংলাদেশ’। যে কারণে দেখা গেলো প্রোভিডেন্স স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে এনামুল হক বিজয়ের উইকেট হারানো সত্ত্বেও দুই সিনিয়র ব্যাটসম্যান সাকিব এবং তামিমের দৃঢ়তায় ২০৭ রানের বিশাল জুটি গড়ে ওঠে। শেষে তামিমের সেঞ্চুরি এবং মুশফিকের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ২৭৯ রানের বড় স্কোর গড়ে তোলে বাংলাদেশ। মাশরাফি আগেও সাকিব আল হাসানকে ওয়ানডাউনে ব্যাট করিয়ে সাফল্য পেয়েছেন। সেই কৌশল তিনি গায়ানায়ও কাজে লাগালেন এবং সফল হলেন। পরে তো বোলিংয়ে নিজে এবং ক্যাপ্টেন্সিতে পুরোপুরিভাবেই ক্যারিবীয়দের বিধ্বস্ত করলেন মাশরাফি। ম্যাচ শেষে উজ্জীবিত বাংলাদেশের রহস্য জানা গেলো মাশরাফির মুখেই। তিনি জানিয়েছেন, ‘খেলোয়াড়দের বলেছি ভয়-ডরহীন ক্রিকেট খেলতে। দেশের জন্য নিজেদের উজাড় করে দিতে। সে কারণেই সম্ভব হয়েছে, এমন জয় পাওয়া।’ বোঝাই যাচ্ছে মাশরাফি কিভাবে উজ্জীবিত করেছেন পুরো দলকে। সেই দলটিই, সেই স্পিরিট নিয়ে একই মাঠে নামবে একই প্রতিপক্ষকে মোকাবেলা করার জন্য। নিশ্চিতভাবেই আজ আরও উজ্জীবিত থাকবে বাংলাদেশ দল এবং তারা চাইবে এই সেন্ট কিটসে যাওয়ার আগে এই গায়ানা থেকেই সিরিজ নিশ্চিত করে ফেলার। দলের সিনিয়র ক্রিকেটার এবং সহ-অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের কণ্ঠেও শোনা গেলো একই কথা। তিনিও জানিয়েছেন, গায়ানা থেকেই সিরিজটা নিশ্চিত করেই সেন্ট কিটসে যাওয়ার। ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে মাঠে নামার আগেরদিন মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সাকিব আল হাসানও জানিয়েছেন এই ইচ্ছার কথা। যদিও, সাকিবের বিশ্বাস, প্রথম ম্যাচ হেরে যাওয়ার কারণে, এই ম্যাচে খুব শক্তিশালী মানসিকতা নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবে স্বাগতিকরা। সুরতাং, এ বিষয়টা নিয়ে তারা খুব সতর্ক। সাকিব আল হাসান বলেন, ‘আমি শিউর যে ওয়েস্ট ইন্ডিজ আরও শক্তিশালীভাবে কামব্যাক করার চেষ্টা করবে। সুতরাং, আমাদেরকে আরও বেশি সতর্ক থাকতে হবে এবং আরও বেশি এফোর্ট দিতে হবে।’ এই ম্যাচেই সিরিজ জয়ের দারুণ সুযোগ। সেই সুযোগটা নেয়ার জন্য কতটা প্রস্তুত বাংলাদেশ? সাকিব আল হাসান বলেন, ‘অবশ্যই, আমাদের তো প্রস্তুতি আছেই যেন প্রতিটা ম্যাচ জিততে পারি। আমরা যখন খেলতে পারি, তখন এ চিন্তা করেই নামি যে, যেন আমরা প্রতিটি ম্যাচে জিততে পারি। আমরা যদি এই ম্যাচটা জিতে রাখতে পারি, তাহলে সেন্ট কিটসে পরের ম্যাচের জন্য টেনশন করতে হবে না। আমরা চাইবো যেন ওই ম্যাচটাও জিততে পারি। তবেম, তার আগে আমাদের জন্য এই ম্যাচটা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের চেষ্টা থাকবে যেন যতটা সম্ভব আমরা এখানেই ভালো করতে পারি।
৯ বছর পর ক্যারিবীয় দ্বীপে জয় পেল বাংলাদেশ!
অনলাইন ডেস্ক: অবশেষে ব্যর্থতার বৃত্ত থেকে বেরিয়ে এলো বাংলাদেশ। টেস্ট সিরিজে ভরাডুবির পর ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচেই জয় পেল সফরকারীরা। তাদের দেয়া ২৮০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ২৩১/৯ রান তুলতে সক্ষম হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৪৮ রানের জয়ে ৩ ম্যাচ সিরিজে ১-০তে এগিয়ে গেল লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। শুধু টেস্ট নয়, ক্যারিবীয় দ্বীপেও জয়ের খরা কাটালো বাংলাদেশ। টাইগাররা সবশেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর করে ২০১৪ সালে। ওই সফরে একটি ম্যাচও জিততে পারেনি তারা। তবে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা আছে ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর। সেই সফরে ২-০তে টেস্ট সিরিজ জেতে বাংলাদেশ। আর ওয়ানডে সিরিজ ৩-০তে বগলদাবা করে টাইগাররা। শুধু ১টি টি-টোয়েন্টি হারে। তা অনুযায়ী, ৯ বছর পর ওয়েস্ট ইন্ডিজে জিতল তারা। আরো দুটি কারণে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর স্মরণীয় হয়ে আছে। প্রথম টেস্টে পায়ের লিগামেন্ট ছিঁড়ে যায় তখনকার নিয়মিত অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার। ফলে সফর থেকে ছিটকে যান তিনি। তার অনুপস্থিতিতে দলের নেতৃত্ব পান সাকিব আল হাসান। সেটিই ছিল তার প্রথম অধিনায়কত্ব। এরপর যা হয়েছে তা তো ইতিহাস। শীর্ষনিউজ
সাকিব-মোস্তাফিজের ব্যাপারে নমনীয় আকরাম
অনলাইন ডেস্ক: কথায় ও হাব-ভাবে বুঝিয়েই দিয়েছেন, সাকিব যে টেস্ট খেলতে অনাগ্রহী- তা তার জানা ছিল না। তবে ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটি প্রধান আকরাম খান পরিষ্কার বলেই ফেলেছেন, তিনি কোনভাবেই চান না যে সাকিব টেস্ট থেকে সরে দাঁড়াক। এ সম্পর্কে তার কথা, ‘এমনটা আসলে হওয়া উচিৎ না। আমার নিজের কাছে শুনেও ব্যাপারটি খারাপ লাগলো।’ এদিকে শুধু সাকিব ইস্যুই নয়, কাটার মাস্টার মোস্তাফিজের বিষয়েও বেশ নমনীয় আকরাম খান। মোস্তাফিজ এবার নিয়ে দ্বিতীয়বার আইপিএল খেলতে গিয়ে আহত হয়ে দেশে ফিরে এসেছেন এবং তারপর জাতীয় দলের পরবর্তী সিরিজ মিস করেছেন। এবার মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে খেলতে গিয়ে শেষ ম্যাচে পায়ের সামনের অংশে ব্যাথা পেয়ে দেরাদুনে আফগানিস্তানের সাথে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে পারেননি। তারপর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অ্যান্টিগা ও জ্যামাইকায় দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজও মিস করেছেন। এই যে একাধিকবার ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট খেলতে গিয়ে ইনজুরি নিয়ে দেশে ফেরা এবং জাতীয় দলে খেলতে না পারা নিয়ে খোদ বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন মোস্তাফিজের ওপর চটেছেন এবং তাকে পরবর্তী দুই বছর ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট না খেলার কথা জানিয়েছেন। আগামী দুই বছর মোস্তাফিজকে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলার অনুমতি না দেয়ার কথা জানিয়েও দিয়েছেন; কিন্তু ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটি চেয়ারম্যান আকরাম খানের সুর এ বিষয়ে বেশ নরম। এ সম্পর্কে আকরামের কথা, ‘সব সময় নয়। সে মাত্র দুই বার বাইরে খেলতে গিয়ে ইনজুরিতে পড়েছে। ইনজুরি তো আর ইচ্ছাকৃতভাবে হয় না। ও কিন্তু আপ্রাণ চেষ্টা করছে নিজেকে ফিরে পেতে। শ্রীলঙ্কা এ দলের সাথে চার দিনের ম্যাচও খেলেছে। এবার যাচ্ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজে। আমার কাছে মনে হয়, সে পুরোপুরি ফিট আছে বিধায় ম্যাচ খেলেছে এবং আগামীতে ভালো করবে বলে আশা করছি।’ এদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জাতীয় দলের টেস্টের পারফরমেন্স নিয়ে নির্বাচক ও ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটি চেয়ারম্যান এবং বোর্ডের কজন শীর্ষ কর্তা একান্তে বসেছিলেন। সেখানে কোন বড় সড় সিদ্ধান্ত না হলেও ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটি চেয়ারম্যান আকরাম খান অকপটে স্বীকার করেছেন, জাতীয় দলের খারাপ সময় কাটছে। টেস্টের পারফর্মেন্স ভালো হয়নি। তাই আমরা আলাপ আলোচনা করেছি। যেহেতু আমাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী ভালো করতে পারিনি, সেই কারণে আলোচনা হয়েছে।’ আকরাম মানছেন, ‘মাঝে-মধ্যে খারাপ পারফরমেন্স হতেই পারে। তবে যতটা খারাপ হয়েছে, এত খারাপ হবে সেটি চিন্তা করিনি। এখান থেকে কিভাবে আমরা বের হয়ে আসবো সেটি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সামনে আমাদের ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি আছে। সেগুলোতে আমরা কিভাবে ভালো করতে পারি তা নিয়েই আলাপ হচ্ছে।’ টেস্ট পারফরমেন্স নিয়ে অনেক কথার ভিড়ে প্রধান নির্বাচক আরও যোগ করেছেন, ‘যখনই খারাপ খেলবেন, তখনই আপনাকে নিয়ে কথা উঠবে। আর সত্যি কথা বলতে কি, লঙ্গার ভার্সনে অর্থাৎ টেস্টে ভালো করার ব্যাপারটি নির্ভর করে অনেকটা বোলারদের ওপর। যেহেতু প্রথম ইনিংসে আমরা ব্যাটিংয়ে অনেক খারাপ করেছি সুতরাং বোলিংয়ে ভালো করার দরকার ছিলো। এর আগে কিন্তু একটি দল হিসেবে আমরা টেস্টে ভালো খেলেছি। নিউজিল্যান্ড, ভারত, শ্রীলঙ্কা, শততম টেস্ট যেটি জিতেছি। তো এখন খারাপ সময় যাচ্ছে, তবে এত যে খারাপ সামনেও যাবে এমনটা না। ওয়ানডেতে আমরা মোটামুটি একটি ভালো অবস্থানে আছি। তবে আমাদের টেস্ট এবং টি-টোয়েন্টিতে আরো উন্নতি করতে হবে।’ টেস্টে আলাদা দল গঠন নিয়েও কথা হচ্ছে। তবে আকরাম খান সে সম্ভাবন উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, ‘টেস্টে আলাদা দল গঠনের মতো অবস্থা আমাদের এখনো হয়নি। যেহেতু আমাদের অপশনটি অনেক কম। হিসেব করলে দেখবেন যে ৮০ ভাগ ক্রিকেটার কিন্তু তিন ফরম্যাটেই খেলছে। আপনার তো অপশনটি থাকতে হবে তাহলে আলাদা দল তৈরি করা যাবে।’ পেস বোলিং এ মুহূর্তে জাতীয় দলের অন্যতম দূর্বল জায়গা। তা মানতে দ্বিধা নেই আকরাম খানের। পেস বোলিংকে সমৃদ্ধ করার চেষ্টা চলছে। এই মুহূর্তে যারা জাতীয় দলে আছে এবং যাদেরকে আমরা দ্বিতীয় লিস্টে রেখেছি ওদের মধ্যে কিন্তু ছয়জন ইনজুরিতে। ব্যাপারটি হলো শুধু পারফর্মেন্স নয়, ফিটনেস নিয়েও কাজ করতে হবে ওদের। সেদিক দিয়ে অনেক গ্যাপ আছে। সে ক্ষেত্রে ব্যাডলাক। এরপরেও আমরা চেষ্টা করছি। এই বছরে আমাদের অনেকগুলো সফর হয়েছে। ‘এ’ দলের সফর আছে, হাইপারফর্মেন্সের সফর হবে শ্রীলঙ্কায়। আমার মনে হয় ফিটনেসটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আগের তুলনায় আমাদের ফাস্ট বোলারের লিস্টটা লম্বা হয়েছে, তবে ইনজুরি সমস্যা বেশি রয়েছে। ওয়ান নিউজ বিডি
পিছিয়ে পড়ে ১-১ গোলে ড্র করল ম্যানইউ
অনলাইন ডেস্ক: ম্যাচে জুয়ান মাতার ৭৮ মিনিটের গোলে পরাজয় এড়াল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। মক্সিকোর ক্লাব আমেরিকার বিপক্ষে পিছিয়ে পড়ে ১-১ গোলে ড্র করেছে ম্যানইউ। প্রাক-মৌসুমের ম্যাচে দুই দল মুখোমুখি হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ফিওনেক্স স্টেডিয়ামে। ৫৯ মিনিটে ক্লাব আমেরিকা ম্যাচে লিড নেয়। বুলেট গতির বলে হেড নিয়ে লক্ষ্যভেদ করেন হেনরি মার্টিন। ম্যাচ শেষ হওয়ার ১২ মিনিট পূর্বে গোল করে দলকে বাঁচান মাতা। তবে সেরা দল নিয়ে মাঠে নামতে পারেনি ম্যানইউ। রাশিয়া বিশ্বকাপের পর এখনও দলের সঙ্গে যোগ দেননি রোমেলু লুকাকু, জোসে লিনগার্ড, মার্কোস রাসফোর্ড। তিনজনই বিশ্রামে আছেন। এছাড়া ডেভিড ডি গিয়া, নেমানজা মাটিক এবং নতুন মুখ ফ্রেড আগামী সপ্তাহে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন। ভিসা জটিলতা কাটিয়ে এ সপ্তাহেই তাঁবুতে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে অ্যালেক্সিস সানচেজের। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে গোল পেলেও শুরুতেই এগিয়ে যেতে পারত রেড ডেভিলসরা। ১৩তম মিনিটে মার্শিয়ালের কোনাকুনি ক্রস একটুর জন্য জালে জড়ায়নি। দুই মিনিটের ব্যবধানে মাতাও আরেকটি সুযোগ সৃষ্টি করেছিলেন। কিন্তু লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি। দূর্বল শটে বল যায় বাইরে। বিরতির আগে ম্যানইউকে গোল হজমের থেকে বাঁচান দলের তৃতীয় গোল রক্ষক লি গ্রান্ট। ৩৩ মিনিটে ক্লাব আমেরিকার এক মিডফিল্ডারের নেওয়া অন টার্গেট শট প্রতিহত করেন লোনে ম্যানইউতে আসা গ্রান্ট। তবে বিরতির পর তাকে ফাঁকি দিয়ে বল জালে পাঠান হেনরি মার্টিন। অ্যান্থনিও লোপেজের বুলেট গতির ক্রস থেকে হেড দিয়ে গোল করেন মার্টিন। পিছিয়ে পড়ে আক্রমণ বাড়ায় ম্যানইউ। তাতেই সফলতা আসে ৭৮ মিনিটে। বাম প্রান্তে সেট পিচ থেকে ডানপায়ে শট নিয়ে সফরকারীদের উল্লাসে ভাসান জুয়ান মাতা। তার গোলে সমতায় ফিরে পরাজয় এড়ায় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলে ড্র থাকে দুই দলের ম্যাচ।
উদ্বাস্তুদের বিশ্বকাপ!
অনলাইন ডেস্ক: মাত্র সাত বছর বয়সে যুদ্ধ ঘরছাড়া করেছিল লুকা মডরিচকে। সার্বিয়ান বাহিনীর গুলি ও বোমা থেকে বাঁচতে মডরিচ আশ্রয় নিয়েছিলেন জাদারের উদ্বাস্তু শিবিরের হোটেল কলোভারে। সেখানেই কেটেছে আট বছর। যুদ্ধের বিভীষিকা থেকে উঠে আসেন মডরিচ। রাশিয়া বিশ্বকাপ মডরিচের মতো আরও অনেক উদ্বাস্তুর উত্থানের গল্প লিখেছে। লিখেছে ঘৃণা ও উপেক্ষা জয় করে কী করে লিখতে হয় যুদ্ধবিরোধী ভালোবাসার গল্প। এবারের বিশ্বকাপ উদ্বাস্তুদের বিশ্বজয়ের স্বপ্নময় অধ্যায়। ফ্রান্স দলের সেরা তরকাদের প্রায় সবাই উদ্বাস্তু। পল পগবা, মাতুইদি, কিলিয়ান এমবাপ্পে, উমতিতি, কান্তে- কেউই জন্মগতভাবে ফ্রান্সের অধিবাসী নন। ১৯৯৮ বিশ্বকাপজয়ী ফ্রান্স দলে মাত্র দু’জন ছিলেন মূল অধিবাসী। বাকিরা সবাই অভিবাসী। রাশিয়া বিশ্বকাপে অংশ নেয়া ১০টি ইউরোপীয় দলে অভিবাসী খেলোয়াড় ছিলেন ৮৩ জন। তারাই নেতৃত্ব দিচ্ছেন ইউরোপের। ফুটবলবিশ্বে ইউরোপের যে আধিপত্য, সেটা অভিবাসী ফুটবলারদের কল্যাণেই। সোনালি প্রজন্মের বেলজিয়াম দলের অন্যতম তারকা রোমেলু লুকাকু। তার শৈশবও কেটেছে উদ্বাস্তু শিবিরে। চরম দারিদ্র্য ও অবহেলা অতিক্রম করে আজ তিনি বিশ্বজয়ী এক ফুটবলার। বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় ফুটবল দলে রয়েছে অভিবাসী ফুটবলারের আধিক্য। সবচেয়ে বেশি ফ্রান্সে। ফ্রান্স জাতীয় দলের ৭৮.৩ শতাংশ ফুটবলার অভিবাসী। সুইজারল্যান্ডের ৬৫.২, বেলজিয়াম ও ইংল্যান্ডের ৪৭.৮, জার্মানির ৩৯.১ ও পর্তুগালের ৩০.৪ শতাংশ ফুটবলার অভিবাসী। স্বদেশ থেকে বিতাড়িত, যুদ্ধতাড়িত প্রজন্মের এই ফুটবলাররা নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিশ্ব ফুটবলে। তাদের পায়ের ছন্দে ছন্দে খেলা করছে ভালোবাসার জয়গান। যুদ্ধের বিপরীতে তারাই রাশিয়ায় লিখেছেন শান্তির মহাকাব্য। শীর্ষনিউজ
তৃতীয় বেলজিয়াম
অনলাইন ডেস্ক :বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ সাফল্য পেল বেলজিয়াম। ইংল্যান্ডকে ২-০ গোলে হারিয়ে রাশিয়া বিশ্বকাপের তৃতীয় হলো তারা।এর আগে সেরা ছিল চতুর্থ স্থান। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে চতুর্থ হয় তারা। ম্যাচ শেষে বেলজিয়ামের উদযাপন হতে পারতো বাধন ছাড়া। বিশ্বকাপ ইতিহাসে নিজেদের সেরা সাফল্য বলে কথা। কিন্তু সেই উদযাপনে আবেগ বাঁধ ভাঙলো না কখনোই। ইংল্যান্ডও যে পরাভবের বেদনায় মুচড়ে পড়লো, তাও নয়। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ যে বিশ্বকাপের সবচেয়ে ‘নিষ্ঠুর’ ম্যাচ। ফাইনালের মঞ্চে উঠতে না পারা দলের খেলা। যে দল দুটি এখনো সেমি ফাইনালে হারের বেদনাই ভুলতে পারেনি। তবে তৃতীয় ও চতুর্থ স্থান নির্ধারণী বলে মর্যাদার বিষয় তো কিছু থাকেই। সেই মঞ্চে শনিবার সফল বেলজিয়াম। সেন্টপিটার্সবার্গ স্টেডিয়ামে যারা ২-০ গোলে হারালো ইংলিশদের। সোনালী প্রজন্মে ভর করে পেল নিজেদের বিশ্বকাপ ইতিহাসের সেরা সাফল্য। তৃতীয় হওয়ার লড়াইয়ে সেন্ট পিটার্সবার্গে খেলতে নামে ইংল্যান্ড-বেলজিয়াম। ঘড়ির কাঁটা ৫ মিনিট ঘোরার আগেই গোল পেয়ে যায় বেলজিয়াম। ৪ মিনিটে নাসের শ্যাডলির অ্যাসিস্ট থেকে নিশানাভেদ করেন থমাস মিউনিয়ার। পিছিয়ে পড়ে আক্রমণের গতি বাড়ায় ইংল্যান্ড। সমতায়ও ফিরতে পারত থ্রি-লায়নসরা। ২৩ ও ২৪ মিনিটে দারুণ দুটি সুযোগ পায় তারা। তবে তা হেলায় নষ্ট করেন রাহিম স্টার্লিং ও হ্যারি কেন। ৩৫ মিনিটে সুযোগ পায় বেলজিয়াম। তবে হাতের নাগালে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি টবি অ্যালডারউইয়ারল্ড। পরে আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণে খেলা এগিয়ে চললেও আর কেউই গোলমুখ খুলতে পারেনি। এতে প্রথমার্ধে ১-০ গোলে পিছিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাদের। দ্বিতীয়ার্ধে গোল পেতে মরিয়া হয়ে পড়ে ইংল্যান্ড। একের পর এক আক্রমণে বেলজিয়াম শিবিরে আতঙ্ক ছড়ায় ইংলিশরা। একাধিক সুযোগো পায় তারা। এদিন যেন ফুটবলদেবীও তাদের সহায় ছিল না। না হলে ৬৮ মিনিটে নিশ্চিত গোলটি কেন পাবেন না? কাইরান ট্রিপারের অ্যাসিস্ট থেকে গোলমুখে বল ঠেলে দিয়েছিলেন এরিক ডায়ার। থিবাউত কর্তোয়াও পরাস্ত হয়েছিলেন। বল যখন গোললাইন অতিক্রম করার তিল দূরে, তখনই দেবদূত হয়ে তা প্রতিহত করেন বেলজিয়ান এক রক্ষণসেনা। অধিকন্তু গোল মিসের মোহড়ায় যেন নামেন হ্যারি কেনরা। ৭০ থেকে ৭৫ মিনিটের মধ্যে একাধিক মিস করেন তারা। উল্টো ৮২ মিনিটে পাল্টা আক্রমণে গোল খেয়ে বসে ইংল্যান্ড। আরেকবার জাদু দেখালেন দুই মানিকজোড় ব্রুইনা-হ্যাজার্ড।
হুইলচেয়ারে ক্রোয়েশিয়া থেকে রাশিয়া!
অনলাইন ডেস্ক: বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনা বুঝি এমনই! হুইলচেয়ারে করেই ক্রোয়েশিয়া থেকে নিজ দেশের খেলা দেখতে রাশিয়া পৌঁছেছেন ইভা খ্রোমেন। ইভা খ্রোমেন নামের এই ব্যক্তি এক দুর্ঘটনায় হাঁটাচলার শক্তি হারান। এরপর থেকে হুইলচেয়ারে করেই পার করছেন জীবন। ক্রোয়েশিয়ার ফুটবল দলটির একনিষ্ঠ ভক্ত তিনি। বিবিসি বাংলাকে ইভা খ্রোমেন বলেন, 'জীবন আশা হারানোর জন্য খুব ছোট। দেখুন খেলা শুরুর আগে আমাদের নাম কজন নিয়েছে? আজ আমরা ফাইনালে, আমাদের ছেলেদের খেলা সবাই দেখবে।’ তার মতে, এই দলের খেলা দেখে তিনি বাঁচার জন্য জীবনীশক্তি পান। ৬ জুলাই তিনি রাশিয়া আসেন। ক্রোয়েশিয়ার জয় দেখেই ১৬ই জুলাই দেশে ফিরতে চান এই ক্রোয়েট। ইভা খ্রোমেন বলেন, 'গ্রাদা থেকে প্রথমে আমি এসেছি ওয়ারশ, সেখান থেকে মস্কো। এটা আমার জন্য অবশ্যই কঠিন সফর, তবে আমি এক ফোঁটাও কষ্ট অনুভব করছি না।' মস্কোর ক্রেমলিনে হুইলচেয়ারে বসা ইভা খ্রোমেন এভাবেই তার অনুভূতি ব্যক্ত করেন। ক্রোয়েশিয়ার কোয়ার্টার ফাইনাল দেখতে তিনি উপস্থিত হন রাশিয়ায়। মাঠে বসে কোয়ার্টার ফাইনাল না দেখতে পারলেও সেমিফাইনাল দেখেছেন, এবার দেখবেন ফাইনালও। তার কাছে স্বপ্নের মতো এই বিশ্বকাপ। রাশিয়া বিশ্বকাপের ফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার খেলা নিয়ে তার অভিব্যক্তি জানতে চাইলে কিছু সময় চুপ করে থাকেন তিনি। অতঃপর বলেন, 'আমি আসলেই জানি না এটার উত্তর কী হবে বা আমি কেমন বোধ করছি। আমি শুধু জানি আমাদের স্বপ্ন পূরণের মাত্র একটি ধাপ বাকি।' ১৫ জুলাই মস্কোর লুঝনিকি স্টেডিয়ামে উপস্থিত হয়ে খেলা দেখবেন এই ক্রোয়েট।
প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে ক্রোয়েশিয়া
অনলাইন ডেস্ক:ইংল্যান্ডের স্বপ্ন ভেঙে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে উঠেছে ক্রোয়েশিয়া। বুধবার মস্কোর লুঝনিকি স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সেমি ফাইনালে ইংলিশদের ২-১ গোলে হারিয়েছে ক্রোয়েটরা। নির্ধারিত সময়ে ১-১ এর সমতায় শেষ হলে অতিরিক্ত সময়ে গড়ায় খেলা। ম্যাচের ১০৯ মিনিটে ক্রোয়েশিয়ার হয়ে জয় সূচক গোলটি করেন মারিও মানজুকিচ। ১৫ জুন ফাইনালে ফ্রান্সের মুখোমুখি হবে তারা। এর আগে ম্যাচ শুরুর ৫ মিনিটের মাথায় ১-০তে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিকে দলকে গোলটি এনে দেন ইংলিশ ডিফেন্ডার কেইরান ট্রিপার। তবে ম্যাচের ৬৮ মিনিটে ক্রোয়েশিয়াকে সমতায় ফেরান ইভান পেরিসিচ। ১৯৬৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছিল ইংল্যান্ড। ব্রিটিশ মিডিয়া তো এরই মধ্যে হ্যারি কেনের হাতে শিরোপাও দেখে ফেলেছিল। কিন্তু সেই স্বপ্ন চূর্ণ করে রাশিয়া বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছে গেল দ্বিতীয়বারের মতো সেমি ফাইনাল খেলা ক্রোয়েশিয়া। ম্যাচের শুরুতেই পিছিয়ে পড়া ক্রোয়েটরা এদিন হার না মানা ফুটবল খেলেই ইতিহাস সৃষ্টি করল। এর আগে বিশ্বকাপে দেশটির সর্বোচ্চ সাফল্য ছিল সেমি ফাইনাল পর্যন্ত। ১৯৯৮ সালে প্রথমবারের মতো সেমি ফাইনালে উঠেছিল তারা। এদিন ম্যাচের তৃতীয় মিনিটে ক্রোয়েশিয়ার ডি-বক্সের কাছে লুকা মদ্রিচের অবৈধ ট্যাকেলের শিকার হন ডেলে আলি। ফাউলের বাঁশি বাজান রেফারি। আর তাতেই সর্বনাশ ঘটে ক্রোয়েশিয়ার। ট্রিপারের ফ্রি-কিকটি থামানোর সুযোগই পেলেন না দানিজেল সুবাসিচ। এরপর দুই দলই দারুণ আক্রমণাত্মক খেলা চালিয়ে যায়। ২২ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করতে পারত ইংল্যান্ড। ইভান স্ট্রাইনচের ভুল পাসে বড় সুযোগ পায় ইংলিশরা। কিন্তু রহিম স্টার্লিংয়ের বাড়ানো বল ধরার সময় অফ সাইডে থাকেন হ্যারি কেন। ৩০ মিনিটের সময় আবার ব্যর্থ হন কেন। ক্রোয়েশিয়ার গোলকিপারকে ফাঁকা পেয়েও গোল করতে পারেননি তিনি। তার কিছুক্ষণ পর দারুণ এক গোলের সুযোগ সৃষ্টি করেছিল ক্রোয়েশিয়া। ডানপ্রান্ত থেকে আন্তে রেবিচ দারুণ এক ক্লিয়ার করে সে যাত্রায় ইংল্যান্ডকে বাঁচান ক্রস জন স্টোনস। তবে ফিরতি বলে রেবিচ শট করলে পিকফোর্ড সহজেই তা আটকে দেন। ইংল্যান্ড প্রথমার্ধের খেলা শেষ করে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে ফিরেই ইংল্যান্ডকে চেপে ধরে ক্রোয়েশিয়া। ম্যাচের ৬৮তম মিনিটে ক্রোয়েশিয়াকে ১-১ গোলের সমতায় ফেরান পেরিসিচ। সমতায় ফিরে আরো আগ্রাসী হয়ে ওঠে লুকা মদ্রিচরা। ইংল্যান্ডের রক্ষণে দারুণ চাপ সৃষ্টি করে খেলে তারা। ক্রোয়েশিয়ার একের পর এক আক্রমণে রীতিমতো কোণঠাসা হয়ে পড়ে ইংলিশরা। টানা আক্রমণে গেলেও কোনভাবেই গোল পাচ্ছিল না ক্রোয়েটরা। কখনও ইংলিশ ডিফেন্স, কখনও গোলকিপার, কখনও গোলবার ক্রোয়েটদের হতাশায় পোড়াচ্ছিল। এর মাঝে ইংল্যান্ডও আক্রমণে যায়। কিন্তু গোলের দেখা তারাও পায় না। ফলে নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষ হয় ১-১ গোলের সমতায়। অতিরিক্ত সময়ে শুরুতেই এগিয়ে যেতে পারত ইংল্যান্ড। ম্যাচের ৯৯ মিনিটে কেইরান ট্রিপারের ক্রস থেকে পাওয়া বল দারুণ হেড নিয়েছিলেন জন স্টোনস। কিন্তু নিশ্চিত গোলটি রুখে দিয়ে সিমো ভ্রাজালকো সে যাত্রায় বাঁচান দলকে। অবশেষে ম্যাচের ১০৯ মিনিটে মানজুকিচর পা থেকে কাঙ্ক্ষিত গোলটি পায় ক্রোয়েশিয়া। এদিন সব বিভাগেই এগিয়ে ছিল ক্রোয়েশিয়া। পুরো ম্যাচে তাদের দখলে বল ছিল ৫৫ ভাগ। গোল মুখেও শট বেশি নিয়েছে তারা।