বুধবার, এপ্রিল ২১, ২০২১
কলকাতার অধিনায়ক বদলের আসল কারণ জানালেন গম্ভীর
১৭,অক্টোবর,শনিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: টুর্নামেন্ট শুরুর আগে থেকেই চলছিল আলোচনা। বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইয়ন মরগ্যান থাকতেও দিনেশ কার্তিককে অধিনায়কত্ব দেয়ায় বেশ সমালোচনাও শুনতে হয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে। তবে নিয়মিত অধিনায়ক কার্তিকেই ভরসা রেখেছিল কেকেআর। কিন্তু কার্তিক নিজেই যেনো নিজের ওপর আর ভরসা রাখতে পারলেন না। শুক্রবার মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের বিপক্ষে মাঠে নামার ঘণ্টাছয়েক আগে নিজ থেকে অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিয়েছেন দিনেশ কার্তিক। তার জায়গায় শুক্রবারের ম্যাচে অধিনায়কত্ব করেছেন ইয়ন মরগ্যান। টুর্নামেন্টের বাকি ম্যাচগুলোতে তিনিই এ দায়িত্ব পালন করবেন। মুম্বাইয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই আইপিএলে অধিনায়কত্বের অভিষেক হয়েছে মরগ্যানের। কেকেআরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে কার্তিক জানিয়েছেন, মূলত ব্যাটিংয়ের দিকে নজর দেয়ার লক্ষ্যেই অধিনায়কত্ব ছেড়েছেন তিনি। কেননা এবারের আসরে একটি ফিফটি হাঁকালেও এখনও পর্যন্ত প্রত্যাশামাফিক ব্যাটিং করতে পারছেন না তিনি। পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, ৮ ম্যাচে মাত্র ১১২ রান করতে পেরেছেন কার্তিক। তবে কলকাতার সাবেক ও সফলতম অধিনায়ক গৌতম গম্ভীরের মতে, অধিনায়ক বদলের আসল কারণ ভিন্ন। এছাড়া তার বদ্ধমূল ধারণা, অধিনায়ক বদল করলেও কলকাতার বর্তমান অবস্থার খুব একটা পরিবর্তন হবে না। কেননা ক্রিকেটে সম্পর্কের জোরের কোনো জায়গা নেই, এখানে পারফরম্যান্সই মুখ্য। স্টার স্পোর্টসে কলকাতাকে দুইবার চ্যাম্পিয়ন করা গম্ভীর বলেছেন, ক্রিকেট কোনো সম্পর্কভিত্তিক খেলা নয়, এখানে পারফরম্যান্সই শেষ কথা। সত্যি বলতে, আমার মনে হয় না, এ বিষয়টিতে মরগ্যান কোনো পরিবর্তন আনতে পারবে। টুর্নামেন্টের শুরু থেকে অধিনায়কত্ব করলে হয়তো অনেক কিছুই বলদাতে পারতো সে। মাঝপথে কেউ কোনোকিছু বদলে ফেলতে পারে না। তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমিও অবাক হয়েছি। সে (কার্তিক) গত দুই-আড়াই বছর ধরে কেকেআরকে নেতৃত্ব দিচ্ছে। কোনো মৌসুমের মাঝপথে এসে আপনি এমনটা করতে পারবেন না। কলকাতার অবস্থা এতোটাও খারাপ না যে, মাঝপথে অধিনায়ক বদলানো লাগবে। এজন্যই বেশ বিস্মিত আমি। বদলাতে চাইলে শুরুতেই এটা করা উচিত ছিল। এসময় অধিনায়ক বদলের আসর কারণ হিসেবে গম্ভীর জানান, আমার কথা হলো, কেউ যখন নিজের ব্যাটিংয়ে মনোযোগ দিতে চায়, এটা অবশ্যই ভালো বিষয়। কিন্তু আসল সত্য হলো, এমতাবস্থায় টিম ম্যানেজম্যান্টের পক্ষ থেকে বিকল্পের ব্যাপারেও বারবার কথা শুনতে হয়। এটা সত্যিই দূর্ভাগ্যজনক।
দলে সবচেয়ে অভিজ্ঞ ও ভালো ব্যাটসম্যান মুশফিক ভাই: তৌহিদ হৃদয়
১৬,অক্টোবর,শুক্রবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রেসিডেন্ট কাপ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচেই আলো ছড়িয়েছেন তরুণ ব্যাটসম্যান তৌহিদ হৃদয়। যুব বিশ্বকাপ জয়ী এই ক্রিকেটার প্রথম ম্যাচে মাহমুদুল্লাহ একাদশের বিপক্ষে ৬২ বলে ৫২ রানের ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলে ম্যাচ সেরা হয়েছিলেন তিনি। আগামীকাল তামিম ইকবালের একাদশের বিপক্ষে মাঠে নামবেন তৌহিদ হৃদয়। এই ম্যাচেও ভালো খেলার আশাবাদ করলেন তৌহিদ হৃদয়। প্রথম ম্যাচে দল জেতানো ব্যাটিং আর পুরস্কার হিসেবে ম্যাচ সেরা পারফরমার, এরপরও তৌহিদ হৃদয় তাকিয়ে অগ্রজপ্রতিম মুশফিকুর রহীমের দিকে। তার আশা, জায়গামত মুশফিক ভাই-ই হবেন ত্রাতা এবং তিনি আছেন বলেই পুরো দল বাড়তি আত্মবিশ্ববাসী। মিস্টার ডিপেন্ডেবল মুশফিককে নিজ দলের প্রধান ব্যাটিং স্তম্ভ হিসেবে মূল্যায়ন করে হৃদয় বলেন, আমাদের দলে বাংলাদেশের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ও ভালো ব্যাটসম্যান মুশফিক ভাই আছে। উনি বাংলাদেশের ডিপেন্ডেবল খ্যাত, উনি দলে থাকা মানে আমরা বাড়তি আত্মবিশ্বাস পাই। আশা করি মুশফিক ভাই তাড়াতাড়ি ভালো ইনিংস খেলবেন। উনাকে নিয়ে বলার কিছু নাই। যেহেতু বড় প্লেয়ার। বড় ম্যাচেই রান করবেন, ইনশাআল্লাহ আমরাও ভালো কিছু করবো। নিজ দলের গ্রাউন্ড ফিল্ডিংটাকে বড় শক্তি হিসেবে অভিহিত করে হৃদয় বলেন, আমাদের দলের সবচেয়ে ভালো দিক যদি বলি তাহলে ফিল্ডিংটা অনেক ভালো। সবাই অনেক অ্যাক্টিভ থাকে। সবাই নিজের সেরাটা দিয়ে বল সেভ করার চেষ্টা করে। আর সবাই নিজের দিকটায় অনেক সচেতন, আমাদের দলটা অনেক তরুণ।
স্বরূপে ফিরলেন গেইল, কোহলিরা হারলেন বড় ব্যবধানে
১৬,অক্টোবর,শুক্রবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বয়স যে কেবল একটি সংখ্যা, আবারও তার প্রমাণ দিলেন ৪১ বছর বয়সী ক্রিস গেইল। স্কোয়াডে থাকলেও এতোদিন মাঠে নামার সুযোগ পাচ্ছিলেন না জ্যামাইকান ব্যাটসম্যান। অবশেষে প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে গেইল সুযোগ পেলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর বিপক্ষে। সুযোগ হাতছাড়া করেননি তিনি। এখনও যে তার ব্যাটে জং ধরেনি তা জানাতে ভুল করলেন না- ইউনিভার্স বস। তার ঝড়ো ফিফটিতে দাপুটে জয় পেয়েছে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব। চলতি আইপিএলে অষ্টম ম্যাচে এসে দ্বিতীয় জয় পেয়েছে বলিউড অভিনেত্রী প্রীতি জিনতার মালিকাধীন দলটি। কোহলিদের ৮ উইকেটে হারিয়েছে পাঞ্জাব। ব্যাঙ্গালুরুর দেওয়া ১৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২ উইকেটে ১৭৭ রান করে লোকেশ রাহুলের দল। এর আগে ৬ উইকেটে ১৭১ রান করে ব্যাঙ্গালুরু। অধিনায়ক কোহলি ৩৯ বলে ৪৮ করলেও দলের বাকি ব্যাটসম্যানরা ব্যর্থ হয়েছেন পাঞ্জাবের বোলারদের সামনে। দুই ওপেনার অ্যারন ফিঞ্চ (২০) ও দেবদুত পাডিক্কাল (১৮) শুরুটা ভাল করলেও বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে পারেননি। ওয়াশিংটন সুন্দর (১৩), শিভম দুভে (২৩), এবি ডি ভিলিয়ার্স (২) স্কোরবোর্ডে তেমন অবদান রাখতে পারেননি। শেষদিকে অপরাজিত থাকা দুই ব্যাটসম্যান ক্রিস মরিসের ৮ বলে ২৫ এবং উদানার ৫ বলে ১০ রানের সুবাদের লড়াকু পুঁজি পায় ব্যাঙ্গালুরু। কিন্তু তা ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করা রাহুল-গেইলদের সামনে দাঁড়ায় মামুলি স্কোর হয়ে। ওপেনিং জুটিতে ৭৮ রান পায় পাঞ্জাব। ২৫ বলে ৪ চার ও ৩ ছক্কায় ৪৫ রান করে মায়াঙ্ক আগরওয়াল ফেরেন চাহালের বলে বোল্ড হয়ে। এরপর ক্রিস গেইল যখন রান আউট হয়ে সাজঘরে ফিরছেন ততক্ষণে দু’দলের স্কোর সমান। ক্যারিবিয়ান ঝড় ৪৫ বলে ১ চার ও ৫ ছক্কায় করেন ৫৩ রান। রাহুল ৪৯ বলে ৬১ রান করে নিকোলাস পুরানের (১০) সঙ্গে মাঠ ছাড়েন জয় নিয়ে। পাঞ্জাবকে জয়ে এনে দেওয়ার পাশাপাশি একটি মাইলফলকেরও চূড়ায়ও ওঠেছেন গেইল। টি-টোয়েন্টিতে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে কেবল চার-ছক্কা হাঁকিয়ে ১০ হাজার রানের ক্লাবে নাম লিখিয়েছেন। এর আগে ক্রিকেটের এই সীমিত ওভারে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ১০ হাজার রানের মাইলফলক গড়েন তিনি। টি-টোয়েন্টির সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে গেইল তার ক্যারিয়ারে মোট ১৩ হাজার ৩৪৯ রানের মধ্যে শুধু চার-ছক্কাতেই করেছেন ১০ হাজার ৬ রান।
মরিসের শেষের ঝড়ে চ্যালেঞ্জিং পুঁজি ব্যাঙ্গালুুরুর
১৬,অক্টোবর,শুক্রবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু শুরুটা করেছিল ঝড়ো গতিতে। কিন্তু এরপর দারুণভাবে লড়াইয়ে ফেরে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব। নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে বিরাট কোহলির দলকে আটকে রেখেছিলেন ক্রিস জর্ডান-মুরুগান অশ্বিনরা। ১৮ ওভার শেষে ৬ উইকেটে মাত্র ১৩৭ রান তুলতে পারে ব্যাঙ্গালুরু। প্রথম ৬ ওভারে সাড়ে নয় রানরেটে রান তোলা দলটি শেষ পর্যন্ত আর লড়াকু পুঁজি পাবে না মনে হচ্ছিল এমনটাই। অধিনায়ক কোহলিও যেন টি-টোয়েন্টির মারকাটারি ব্যাটিংটা করতে পারেননি। ৩৯ বলে মাত্র ৩ বাউন্ডারিতে ৪৮ রান করে ১৮তম ওভারে সাজঘরে ফেরেন কোহলি। তবে শেষ দুই ওভারে ইনিংস ঘুরিয়ে দিয়েছেন ক্রিস মরিস আর ইসুরু উদানা। এই যুগল ১৩ বলে যোগ করেন ৩৫ রান। এর মধ্যে মরিসই ছিলেন বেশি ভয়ংকর। ৮ বলে তার ২৫ রানের হার না মানা ইনিংসটিতে ছিল ১টি চার আর ৩টি ছক্কা। ১ ছক্কার সাহায্যে ৫ বলে ১০ রানে অপরাজিত থাকেন উদানা। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে দুই ওপেনার দেবদূত পাডিক্কেল আর অ্যারন ফিঞ্চ ঝড়ো সূচনাই এনে দিয়েছিলেন দলকে। পাডিক্কেল ১২ বলে ১৮ আর ফিঞ্চ ১৮ বলে করেন ২০ রান। তারা দুজন যখন আউট হয়ে সাজঘরে, ৬.৩ ওভারে তখন ৬২ রান ব্যাঙ্গালুুরুর। পরের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে শিভাম দুবে ১৯ বলে ২৩ রান করেন। কিন্তু কোহলির ইনিংসটি ছিল টি-টোয়েন্টির তুলনায় বেশ ধীরগতির। আর ব্যাঙ্গালুরুর মারকুটে ব্যাটসম্যান এবি ডি ভিলিয়ার্স এবার ২ রানের বেশি করতে পারেননি। পাঞ্জাবের বোলারদের মধ্যে ২টি করে উইকেট নেন মোহাম্মদ শামি আর মুরুগান অশ্বিন।
মিশিগানে উৎসবমুখর পরিবেশে- বাংলাদেশ কমিউনিটি কাপ
১৫,অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে বাংলাদেশ কমিউনিটি ক্রিকেট কাপ ২০২০ এ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ডেট্রয়েট সুপারস্টারস। এ নিয়ে টানা চারবার এই টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতেছে দলটি। বাংলাদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব মিশিগান ইউএস টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছে। ডেট্রয়েট পার্ক স্টেডিয়ামে রোববার উৎসবমুখর পরিবেশে ফাইনাল খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে গ্লোবাল ইনোভেটিব গ্রুপ ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৪৯ রান সংগ্রহ করে। জবাবে ডেট্রয়েট সুপারস্টারস ৩ বল বাকি থাকতেই ৭ উইকেটে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। টুর্নামেন্টের সেরা ব্যাটসম্যান হন সুপারস্টারস এর ওয়াহিদুর রহমান। ম্যান অব দ্য টুনার্মেন্ট হন গ্লোবাল ইনোভেটিব গ্রুপের তামিম অনি এবং সেরা উইকেটের গৌরব অর্জন করেন রয়েল বেঙ্গল দলের খেলোয়াড় জুবেল আহমেদ। অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট তায়েফুর রহমানের সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন- মোশাররফ চৌধুরী লিটু, সাইফুল আমিন ও সায়েল হুদা। পুরস্কার হিসেবে চ্যাম্পিয়ন দল পেয়েছে নগদ ২ হাজার ডলারসহ ট্রফি। রানার্সআপ দলকে দেয়া হয়েছে নগদ ১ হাজার ডলারসহ ট্রফি।
ডি ভিলিয়ার্সকে অতিমানব মনে হয় কোহলির
১৪,অক্টোবর,বুধবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এমন উইকেট, বিরাট কোহলিও ধুঁকলেন। ২৮ বলে হার না মানা ৩৩ রানের ইনিংসে বাউন্ডারি হাঁকাতে পারলেন মাত্র একটি। কিন্তু এবি ডি ভিলিয়ার্সের জন্য সব উইকেটই যেন এক। কোহলি সামনে অপরপ্রান্তে দাঁড়িয়ে দেখলেন কি অবলীলায় বল আছড়ে ফেলছেন প্রোটিয়া তারকা। শারজায় সোমবার রাতে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে ৩৩ বলে অপরাজিত ৭৩ রানের ইনিংস খেললেন ডি ভিলিয়ার্স। বিধ্বংসী যে ইনিংসে ৫টি বাউন্ডারির সঙ্গে ছিল ৬টি ছক্কার মার। তার ওমন ইনিংসে ভর করেই ২ উইকেটে ১৯৪ রান করে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু। জবাবে ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১২ রান তুলতে পারে কলকাতা। উইকেটটা যে কেমন কঠিন ছিল, বোঝাই যাচ্ছে। সুপারহিউম্যান বা অতিমানব ছাড়া এমন ব্যাটিং সম্ভব নয় বলেই মনে করেন কোহলি। তার ভাষায়, শারজায় বড্ড শুকনো একটা উইকেটে আমরা খেললাম। একজন অতিমানব ছাড়া সেখানে আমরা সবাই অস্বস্তিতে ছিলাম। এবি দুরন্ত ওই ইনিংসটা না খেললে কখনওই আমাদের রান ১৯৪ হয় না। আমি তো ভেবেছিলাম, বেশি হলে ১৬০ বা ১৬৫-এর মতো রান তুলতে পারব। কোহলি যোগ করেন, ও উইকেটে আসার পরে ভাবছিলাম এবার বড় শট খেলব। বল কম আসছিল ব্যাটে। কিন্তু আমার দরকারই পড়ল না। এবি তিন নম্বর বলটাই মারার পরে জানাল, ছন্দ পেয়ে যাচ্ছে। আর আমি সেরা জায়গায় দাঁড়িয়ে ওইরকম অবিশ্বাস্য ইনিংস দেখলাম। দক্ষিণ আফ্রিকা দলের সাবেক অধিনায়কের ইনিংস দেখে মুগ্ধ ভারতের হেড কোচ রবি শাস্ত্রী তো অবসর ভেঙে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরারই আহ্বান জানালেন ডি ভিলিয়ার্সকে। তিনি মঙ্গলবার টুইট করেন, এবার আসল জিনিসটা বেরিয়ে এসেছে। কাল রাতে যা দেখলাম তা অতিলৌকিক কিছু। কঠিন এই সময়ে এবি ডিভিলিয়ার্সের মতো ইনিংসেরই দরকার ক্রিকেটের। তুমি অবসর ভেঙে ফিরে এসো। তুমি থাকলে এই খেলাটা আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।
ছয় গোলের ম্যাচে জার্মানিকে রুখে দিল সুইজারল্যান্ড
১৪,অক্টোবর,বুধবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: উয়েফা ন্যাশনস লিগে জার্মানিকে তাদের ঘরেই রুখে দিয়েছে সুইজারল্যান্ড। ছয় গোলের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে শেষ হাসি হাসতে পারেনি কোনো দলই। মঙ্গলবার রাতে কোলনে ৩-৩ গোলে ড্র হয়েছে ম্যাচটি। তবু জার্মান কোচ জোয়াকিম লো স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারেন। প্রথমে যে দুই গোলে পিছিয়ে পড়েছিল তার দল। ম্যাচের পঞ্চম মিনিটেই মারিও গাভরানোভিচের গোলে এগিয়ে যায় সুইজারল্যান্ড। ২৬ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রেমো ফ্রুয়েলার। তবে দুই মিনিটের মাথায় এক গোল শোধ করে দেয় জার্মানি। ২৮ মিনিটে গোল করেন টিমো ওয়ের্নার। ২-১ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যায় চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। দ্বিতীয়ার্ধে লড়াই আরও জমে উঠে, পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে হয় তিন গোল। ৫৫ মিনিটে জার্মানিকে সময় ফেরান কাই হেভার্ট। পরের মিনিটে ফের এগিয়ে যায় সুইসরা, দলকে লিড এনে দেন গাভরানো। তবে এর চার মিনিট পর জার্মানিকে সমতায ফেরান সার্জি জিনাব্রি। এরপর আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ চলেছে, তবে দুই দলের কেউই গোলের দেখা পায়নি। বরং যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে এসে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন সুইজারল্যান্ডের ফ্যাবিয়ান স্কার। এই ড্রয়ের পরও লিগ এ গ্রুপ ফোরে পয়েন্ট তালিকার দুই নম্বরে আছে জার্মানি। চার ম্যাচে ১ জয় আর তিন ড্রয়ে তাদের পয়েন্ট ৬। এই গ্রুপে শীর্ষে স্পেন।
অবশেষে আইপিএলে মাঠে নামছেন গেইল
১৩,অক্টোবর,মঙ্গলবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শেষ হয়ে গেছে আইপিএলের প্রথম অর্ধেক অর্থাৎ নিজেদের প্রথম ৭টি ম্যাচ খেলে ফেলেছে অংশগ্রহণকারী সব দল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত একটি ম্যাচেও মাঠে নামা হয়নি কিংস এলেভেন পাঞ্জাবের বিধ্বংসী ওপেনার ক্রিস গেইলের। এমন না যে গেইলকে বাইরে রেখে দুর্দান্ত খেলছে পাঞ্জাব, তাই উইনিং কম্বিনেশন ধরে রাখতে তাকে দলে নেয়া যাচ্ছে না। উল্টো প্রথম সাত ম্যাচের ছয়টিতেই হেরে পয়েন্ট টেবিলে সবার নিচে অবস্থান পাঞ্জাবের। তবু কেনো নেয়া হয়নি গেইলকে?- মনে প্রশ্ন জাগাই স্বাভাবিক। উত্তর জানিয়েছিলেন পাঞ্জাব কোচ অনিল কুম্বলে। মূলত খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণে তাকে নিতে পারেনি পাঞ্জাব। তবে ভক্ত-সমর্থকদের জন্য এখন পাওয়া গেছে খুশির খবর। পরের ম্যাচেই মাঠে নামতে চলেছেন দ্য ইউনিভার্স বসখ্যাত গেইল। নিজেদের ওয়েবসাইটে এ খবর জানিয়েছে কিংস এলেভেন পাঞ্জাব। খাদ্যে বিষক্রিয়াজনিত কারণে হওয়া পেটের পীড়ার কারণে হাসপাতালে পর্যন্ত থাকতে হয়েছিল গেইলকে। তবে এখন পুরোপুরি সুস্থ তিনি। হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে ফিরেছেন টিম হোটেলে। শুধু তাই নয়, সোমবার থেকে অনুশীলনও শুরু করে দিয়েছেন গেইল। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর বিপক্ষে পরবর্তী ম্যাচ খেলবে পাঞ্জাব। সেই ম্যাচে গেইলের মাঠে নামার সম্ভাবনা প্রায় শতভাগ। দলের অবস্থা যখন বেগতিক, তখন গেইলের মতো বিশ্বতারকার অন্তর্ভুক্তি বাড়তি অনুপ্রেরণার উৎস হতে পারে। মূলত গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাতেই প্রথমবারের মতো এবারের আইপিএলে নামার কথা ছিল গেইলের। এমনটাই জানিয়েছিলেন পাঞ্জাব কোচ কুম্বলে। কিন্তু পেটের পীড়ার কারণে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে সেই ম্যাচ ও পরে কলকাতা নাইট রাইডার্স বিপক্ষেও খেলা হয়নি গেইলের। অবশেষে টুর্নামেন্টের মাঝপথ পেরিয়ে মাঠে নামা হচ্ছে এ ক্যারিবীয় দানবের। টুর্নামেন্টের গত আসরেও যার ব্যাট থেকে এসেছে বিষ্ফোরক সব ইনিংস। যেখানে ১৩ ইনিংসে ১৫৩.৬০ স্ট্রাইকরেটে দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৯০ রান করেছিলেন গেইল। এবার বাকি আর ৭ ম্যাচ, গেইল নিজের ফর্ম দেখাতে পারলে হয়তো অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন করেই ফেলবে পাঞ্জাব।
কলকাতাকে বিধ্বস্ত করে তিনে কোহলির ব্যাঙ্গালুরু
১৩,অক্টোবর,মঙ্গলবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: টি-টোয়েন্টিতে ১৯৫ রান বড় লক্ষ্য। তাই বলে লড়াইটাও করতে পারবেন না কলকাতা নাইট রাইডার্সের ব্যাটসম্যানরা! শারজায় রীতিমত দলকে লজ্জায় ফেললেন তারা। পুরো ২০ ওভার ব্যাটিং করে ৯ উইকেটে ১১২ রানের বেশি জেতে পারেনি দুইবারের চ্যাম্পিয়নরা। ফলে ৮৪ রানের বড় জয় নিয়ে পয়েন্ট তালিকার তিন নম্বরে ওঠে এসেছে এখন পর্যন্ত শিরোপার মুখ না দেখা রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু। কলকাতার ব্যাটসম্যানদের মধ্যে এক শুভমান গিল ছাড়া কেউ বিশের ঘরও ছুঁতে পারেননি। এই ওপেনার ২৫ বলে করেন ৩৪ রান। এছাড়া আন্দ্রে রাসেল ১০ বলে ১৬ আর রাহুল ত্রিপাথি ১৬ করতে খরচ করেন ২২ বল। ব্যাঙ্গালুরুর পক্ষে ২টি করে উইকেট নেন ক্রিস মরিস আর ওয়াশিংটন সুন্দর। এর আগে ব্যাট হাতে শুরুটা করেছিলেন দেবদূত পাডিক্কেল আর অ্যারন ফিঞ্চ। শেষটা করেন এবি ডি ভিলিয়ার্স আর বিরাট কোহলি। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর ছিলেন ডি ভিলিয়ার্স। প্রোটিয়া এই ব্যাটসম্যানের তাণ্ডবেই ২ উইকেটে ১৯৪ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু। শারজায় টস জিতে ব্যাট করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা পায় ব্যাঙ্গালুরু। দুই ওপেনার পাডিক্কেল আর ফিঞ্চ ৪৬ বলে গড়েন ৬৭ রানের জুটি। ২৩ বলে ৩২ করে আন্দ্রে রাসেলের বলে বোল্ড হন পাডিক্কেল। ফিঞ্চকে বোল্ড করেন প্রসিধ কৃষ্ণা। ৩৭ বলে ৪৭ রান আসে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনারের ব্যাট থেকে। পরের সময়টা শুধুই ডি ভিলিয়ার্সের। সঙ্গী হিসেবে নিয়েছিলেন ব্যাঙ্গালুরু অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে। ৪৬ বলে ১০০ রানের হার না মানা জুটি গড়েন তারা। যার মূল অবদান ডি ভিলিয়ার্সের। ২৩ বলে ফিফটি পূরণ করা ডি ভিলিয়ার্স শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৭৩ রানে। ৩৩ বলে গড়া তার দানবীয় ইনিংসটি ছিল ৫ চার আর ৬ ছক্কায় সাজানো। তবে ব্যাঙ্গালুরুর অধিনায়ক কোহলি ছিলেন অনেকটাই ধীরগতির। ২৮ বলে ৩৩ রানের ইনিংসে তার ছিল কেবল একটি বাউন্ডারির মার।