বুধবার, এপ্রিল ২১, ২০২১
লিটনের শতকে জিম্বাবুয়েকে ৩২২ রানের টার্গেট
০১মার্চ,রবিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিলেটে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে লিটন দাসের হার না মানা শতকে সফরকারী জিম্বাবুয়েকে ৩২২ রানের বড় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। তবে সাতমাস পর ওয়ানডে খেলতে নেমে এদিনও অনুজ্জ্বল ছিলেন অভিজ্ঞ তামিম ইকবাল। এদিন টস জিতে ব্যাটিং নেমে রোমাঞ্চকর সূচনা করেন দুই ওপেনার। উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৬০ রান। একপ্রান্তে লিটন দাস চালিয়ে খেললেও ধীর গতিতে ছিলেন তামিম। দলীয় ৬০ রানের মাথায় উইসলি মাধেভেরের অফ ব্রেক বলে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়ে বিদায় নেন বামহাতি ওপেনার তামিম ইকবাল। ৪৩ বল খেলে মাত্র ২৪ রান নিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। তবে শুরু থেকে বিপরীত অন্যপ্রান্ত। স্বপাটে চালিয়ে যান লিটন দাস। দীর্ঘ বিরতির পর খেলতে নেমে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় শতক তুলে নেন এ ডানহাতি ব্যাটসম্যান। ৯৬ বল মোকাবেলা করে ১০ চার ও এক ছয়ে ঝলকানো ইনিংস উপহার দেন তিনি। কিন্তু হাটুতে আঘাত পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত ম্যাচ খেলতে পারেননি লিটন। এর আগে তামিমের বিদায়ের পর নাজমুল হাসান শান্তর সঙ্গে ৮০ রানের জুটি গড়েন লিটন। কিন্তু দলীয় ১৪০ রানের মাথায় আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্তের শিকার হয়ে মুতম্বোদজির বলে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন শান্ত। আউট হন ২৯ রানে। তার বিদায়ের পর লিটনের সঙ্গে দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের ইঙ্গিত দেন মুশফিকুর রহিম। তবে বেশিদূর যেতে পারলেন সফরকারীদের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি পাওয়া মুশফিকুর রহিম। ত্রিপানোর বলে মুতম্বোদজির হাতে ব্যক্তিগত ১৯ রানে তালুবন্দি হন মি. ডিপেন্ডাবল। সেখান থেকে চতুর্থ জুটিতে ৯২ রানের এক অনবদ্য ইনিংস খেলেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ও মোহাম্মদ মিঠুন। কিন্তু দলীয় ২৭৪ রানের মাথায় এমপোফুর বলে আবারও এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে উইকেটে বিলিয়ে দেন রিয়াদ। ২ চার ও এক ছয়ে ৩২ রান করেন তিনি। তবে থেমে থাকেননি মিঠুন। শেষের ৪৭ দশমিক ৫ ওভারে সাজঘরে ফেরার আগে ৫ চার ও এক ছয়ে ৪১ বলে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের পঞ্চম অর্ধশতক তুলে নেন এ ব্যাটসম্যান। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ৩২১ রানে থামে টাইগারদের ইনিংস। জিম্বাবুয়ের পক্ষে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নেন এমপোফু। দীর্ঘ সাত মাস পর আজ মাঠে নেমেছে টাইগাররা। গুরুত্বপূর্ণ এ সিরিজ দিয়েই ক্রিকেটকে বিদায় জানাবেন লাল সবুজদের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। গুরুত্বপূর্ণ এ ম্যাচে দলে আনা হয় ব্যাপক পরিবর্তন। গত বছরের জুলাইয়ে শ্রীলঙ্কা সফরে টাইগার একাদশে থাকা এনামুল হক বিজয়, সৌম্য সরকার, সাব্বির রহমান ও রুবেল হোসেনকে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দলে রাখা হয়নি। তাদের জায়গায় দলে ডাক পান মাশরাফি, সাইফউদ্দিন ও লিটন দাস। বোলিং আক্রমণে বাংলাদেশ সাইফুদ্দিনকে মূল বোলার করে রাখা হয়েছে মুস্তাফিজুর রহমানকে। স্পিনে রাখা হয়েছে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজকে। কাপ্তান মাশরাফির বিদায়ের সিরিজকে রঙিন করে রাখতে সব ম্যাচে জয় চায় টাইগাররা। এক্ষেত্রে ম্যাচ বাই ম্যাচ আগাতে চান মাশরাফি।
জিম্বাবুয়েকে ইনিংস ব্যবধানে হারাল বাংলাদেশ
২৫ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: টানা ছয় ম্যাচ হারের পর ক্রিকেটের অভিজাত সংস্করণ টেস্ট ক্রিকেটে অবশেষে জয়ের মুখ দেখল বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়েকে ইনিংস ও ১০৬ রানে হারায় টাইগাররা। মুশফিক-মুমিনুলের অনবদ্য ব্যাটিংয়ের পর বোলিংয়ে নাঈম-তাইজুলের অবিশ্বাস্য বোলিংয়ে বড় জয় পায় লাল সবুজের প্রতিনিধিরা। প্রথম ইনিংসে জিম্বাবুয়েকে ২৬৫ রানের মধ্যে আটকে রাখার পর ব্যাট করতে নেমে ৫৬০ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। ২৯৫ রানের লিডে খেলতে নেমে গতকাল সোমবার শেষ বিকেলে প্রথম দুই বলেই দুই উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। আজ মঙ্গলবার চতুর্থ দিন দুপুর গড়ানোর আগেই ১৮৯ রানে সবকটি উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। দিনের শুরুতে ষষ্ঠ ওভারে কাসুজাকে ফেরান তাইজুল ইসলাম। দ্বিতীয় স্লিপে মোহাম্মদ মিথুনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ব্যক্তিগত ১০ রানে সাজঘরে ফেরেন কাসুজা। তখনো মাঠে ছিলেন অভিজ্ঞ টেইলর। এবার আঘাত হানেন নাঈম হাসান। টেইলরকে তাইজুলের হাতে ক্যাচ বানিয়ে সাজঘরে পাঠান তিনি। টেইলরের ব্যাট থেকে আসে ১৭ রান। দুজন দিনের শুরুতে ফিরে গেলেও প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করা ক্রেইগ আরভিন খেলছিলেন দুর্দান্ত। মুমিনুলের দুর্দান্ত থ্রোতে বেশিদূর যেতে পারেননি, রানআউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন ৪৩ রান করেই। মুমিনুলের দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ের পর এবার মুশফিকের বাতাসে ভেসে ধরা ক্যাচে সাজঘরে গেলেন সিকান্দার রাজা। তাইজুলের বলে মিড উইকেটে উড়ে গিয়ে এই ক্যাচ ধরেন মুশফিক। আউট হঅয়ার আগে সিকান্দার রাজার ব্যাট থেকে আসে ৩৭ রান। একে একে চাকাবা, এনডল্বু ও মারুমারা ফ্রেন সাজঘরে। মারুমার ব্যাট থেকে আসে ৪১ রান। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও দুর্দান্ত বোলিং করেন নাঈম হাসান। এই স্পিনার একাই নেন পাঁচ উইকেট। এ ছাড়া তাইজুল নেন চার উইকেট। টাওগারদের হয়ে সর্বোচ্চ ২০৩ রান করে অপরাজিত ছিলেন মুশফিক। ৩১৫ বলে ৪৩৪ মিনিটে ২৮টি চারে তিনি ডাবল সেঞ্চুরি করেন। একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে তিনটি ডাবলের মালিক মুশফিক। ১৩২ রান করে সাজঘরে ফেরেন মুমিনুল হক। মুমিনুলের আউটের পর ক্রিজে এসে বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি মোহাম্মদ মিথুন। ১৭ রান করে আউট হয়েছেন তিনি। লিটন দাসের ব্যাট থেকে আসে ৫৩ রান। তাইজুল ১৪ রান করে মুশফিকের সঙ্গে অপরাজিত থাকেন। জিম্বাবুয়ের হয়ে সর্বোচ্চ দুই উইকেট নেন এনডলবু। এর আগে গত শনিবার প্রথম ইনিংসে টস জিতে ব্যাটিং করতে নেমে অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিনের সেঞ্চুরিতে ভর করে ২৬৫ রান করে জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশের হয়ে চারটি করে উইকেট নেন আবু জায়েদ রাহী ও নাঈম হাসান।
কথা রাখলেন মুমিনুল
২৪ফেব্রুয়ারী,সোমবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের তৃতীয় দিনে টেস্ট ক্যারিয়ারের নবম সেঞ্চুরি তুলে নেন মুমিনুল হক। টেস্ট শুরুর আগের দিন, গত শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে টাইগার অধিনায়ক বলেছিলেন কথা দিচ্ছি আমাদের টিমের কেউ সেঞ্চুরি, ডাবল সেঞ্চুরি কিংবা ট্রিপল সেঞ্চুরি করবে। কথা দিলাম কেউ একজন বড় ইনিংস খেলবে, ইনশাল্লাহ। প্রায় ১ বছর ৩ মাস পর দেখা পেলেন সেঞ্চুরি মুমিনুল। ২০১৮ সালের ২২ নভেম্বর চট্টগ্রামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১২০ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। তবে এই সেঞ্চুরিটির অলাদা একটি গুরুত্ব রয়েছে। অধিনায়ক হিসেবে প্রথম সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। দেশের হয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ ৯টি সেঞ্চুরি করেছেন মুমিনুল। তবে সবকটি সেঞ্চুরি দেশের মাটিতে। ছয়টি সেঞ্চুরি করেছেন চট্টগ্রামে বাকি তিনটি সেঞ্চুরি ঢাকায়।
রাহী-তাইজুল দাপটে ২৬৫ রানে অলআউট জিম্বাবুয়ে
২৩ফেব্রুয়ারী,রবিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই লণ্ডভণ্ড জিম্বাবুয়ে। এদিন মাত্র ৩৯ রান যোগ করে ২৬৫ রানে থেমে যায় তাদের প্রথম ইনিংস। এদিন প্রথমদিনের ন্যায় দ্বিতীয় দিনেও জিম্বাবুয়ে শিবিরে প্রথম আঘাত হানেন আবু জায়েদ রাহী। আর শেষ শিকার করেন তাইজুল ইসলাম। গতকালের ৬ উইকেটে ২২৬ রান নিয়ে আজ রোববার দ্বিতীয় দিনে মাঠে নামে সফরকারীরা। বাংলাদেশি পেসারদের আক্রমণ একের পর এক ঠেকাতে থাকেন সফরকারী ব্যাটসম্যানরা। তবে দলীয় ২৪০ রানের মাথায় লক্ষ্যভেদ করতে সক্ষম হন রাহী। তার শিকার হন ডোনাল্ড ত্রিপানো (৮)। ত্রিপানের বিদায়ের খানিক পরেই আবারও জায়েদের আঘাত। এবার তার বলে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন আনিসলে এন্দোলভু। তাকে শূন্য রানে ফেরান এ পেসার। সেখান থেকে কোমড় সোজা করে দাঁড়ানোর আগেই আঘাত হানেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম। চার্ল্টন টিসুমাকে এলবিডব্লিউয়ে সাজঘরে ফেরান তিনি। সেখান থেকে রেগিস চাকাভা বড় সংগ্রহের লক্ষ্যে লড়াই চালিয়ে যান। তবে তাকে আর বেশিদূর যেতে দেননি স্পিনার তাইজুল। বাউন্ডারি মারতে গিয়ে নাঈম হাসানের হাতে ক্যাচ দিয়ে দলের শেষ ব্যাটসম্যান হিসেব আউট হন তিনি। মাঠ ছাড়ার আগে সফরকারীদের মূল্যবান ৩০টি রান উপহার দেন এ ব্যাটসম্যান। ফলে, দ্বিতীয় দিনে প্রথম সেশনের আগেই ২৬৫ রানে অলআউট হতে হয় জিম্বাবুয়কে। স্বাগতিকদের পক্ষে পেসার আবু জায়েদ রাহী ও স্পিনার নাঈম হাসান ৪টি করে উইকেট লাভ করেন। আর বাকি দুটি নেন বাম হাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। এর আগে গতকাল শনিবার প্রথমদিনে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতেই হোচট খায় সফরকারীরা। তবে ঘুরে দাঁড়িয়ে উল্টো বাংলাদেশকে চাপে ফেলে দিয়েছিল তারা। পরে একে একে চারটি উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশকে স্বস্তি এনে দিয়েছেন তরুণ স্পিনার নাঈম হাসান। তাতে সঙ্গী হন আজকের ২টিসহ চার উইকেট নেয়া আবু জায়েদ রাহীও। যাতে প্রথম দিন শেষে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ২২৮ রান। দিনের একবারে শেষ বেলায় এসে নাঈমের অসাধারণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিন। তবে তার আগে কাজের কাজটিই করে গেছেন এই বাঁহাতি। ষষ্ট ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হওয়ার আগে খেলেন ১০৭ রানের এক অনবদ্য ইনিংস। ২২৭ বলের সে ইনিংসে ছিল ১৩টি দর্শণীয় চারের মার। জিম্বাবুয়ের ইনিংসে সেঞ্চুরি করে দিনের সেরা যেমন ছিলেন আরভিন। তেমনি এই তারকাকে ফেরানো নাঈমও দিনের সেরা ছিলেন বাংলাদেশ শিবিরে। সর্বোচ্চ চারটি উইকেট তুলে নিয়ে প্রথম দিনের সফল বোলার ছিলেন টাইগার এই তরুণ স্পিনার। দিন শেষে তার বোলিং ফিগার ছিল- ৩৬-৮-৬৪-৪।
পঞ্চম কন্যা সন্তানের বাবা হলেন শহীদ আফ্রিদি
১৫ফেব্রুয়ারী,শনিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পাকিস্তানি সাবেক অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদি চার কন্যাসন্তানের বাবা ছিলেন। এবার পঞ্চমবারের মতো কন্যাসন্তানের বাবা হয়েছেন আফ্রিদি। আকসা, আনশা, আজওয়া, আসমারা আফ্রিদির চার মেয়ে। এই চারজনের সঙ্গে সম্প্রতি যুক্ত হয়েছে আরও একজন। আনন্দের খবরটা আফ্রিদি নিজেই দিয়েছেন তাঁর টুইটার অ্যাকাউন্টে, সর্বশক্তিমানের অসংখ্য আশীর্বাদ ও করুণা আমার ওপরে বর্ষিত হচ্ছে। এর আগে চারজন অসাধারণ কন্যাসন্তানের বাবা হওয়ার পর এখন আমি পঞ্চম মেয়ের বাবা হয়েছি। খুশির খবরটা আমার শুভানুধ্যায়ীদের জানালাম। তবে পঞ্চম মেয়ের নাম কী রেখেছেন, সেটা এখনো জানাননি আফ্রিদি। নিজের আত্মজীবনীতে এর আগে নিজের মেয়েদের নিয়ে অনেক কিছুই লিখেছেন এই পাকিস্তানি অলরাউন্ডার। নিজের ফর্মহীনতা থেকে ফিরে আসা, ক্রিকেট মাঠ ও মাঠের বাইরে নিজের ভাগ্যের উন্নতি হওয়ার পেছনে নিজের মেয়েদের ভূমিকা দেখেন আফ্রিদি সব সময়। এমনকি স্ত্রী জীবনে আসার পরেও তাঁর ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছিল বলে তিনি লিখেছেন, আমাদের সংস্কৃতিতে এটা বিশ্বাস করা হয়, মেয়েরা পরিবারে সৌভাগ্য বয়ে নিয়ে আসে। আমি যখন বিয়ে করলাম, আমার সৌভাগ্যের চাকা ঘুরতে শুরু করল। পরের বছরগুলোয় আমি একে একে চার (এখন পাঁচ) কন্যাসন্তানের বাবা হলাম। সত্যি বলতে কি, একেকজনের জন্ম আমার জীবনে শুধু সৌভাগ্যই এনেছে। কন্যাসন্তান আশীর্বাদস্বরূপ, আসলেই।
একমাসের সফরে ঢাকায় আজ আসছে জিম্বাবুয়ে
১৫ফেব্রুয়ারী,শনিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১৬ মাসের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো বাংলাদেশে আসছে জিম্বাবুয়ে। একমাসের সফরে একটি টেস্টের সঙ্গে তিনটি ওয়ানডে ও দুটি টি-টোয়েন্টি খেলবে আফ্রিকান প্রতিনিধিরা। পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে দলটির আজ বিকাল ৪টা ৫৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে নামার কথা। পাকিস্তানের বিপক্ষে টাইগার বাহিনী টেস্ট সিরিজ খেলছে দুই ধাপে। কিছুদিন আগে রাওয়ালপিন্ডিতে প্রথম টেস্ট খেলে এসেছে। দ্বিতীয় ধাপে দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে টাইগাররা করাচি যাবে এপ্রিলে। এই ফাঁকে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পূর্ণাঙ্গ সিরিজটি খেলবে টাইগাররা। ১৮ ও ১৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকায়ই একটি অনুশীলন ম্যাচ খেলবে জিম্বাবুয়ে দল। সেই ম্যাচের প্রতিপক্ষ বা ভেন্যু অবশ্য ঠিক হয়নি। তবে মূল সিরিজ শুরু ২২-২৬ ফেব্রুয়ারি মিরপুরে টেস্ট ম্যাচ দিয়ে। এই টেস্ট শেষে দুই দল চলে যাবে সিলেটে। সেখানে তিনটি ওয়ানডে খেলবে দুই দল। ১ মার্চ, ৩ মার্চ ও ৬ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে তিনটি ওয়ানডে। তিনটি ম্যাচই দিবারাত্রির। এরপর আবার ঢাকায় এসে ৯ ও ১১ মার্চ দুটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামের দুটি ম্যাচই হবে দিবারাত্রির। সিরিজ শেষে ১২ মার্চ ঢাকা ছাড়বেন শন উইলিয়ামস, ব্রেন্ডন টেইলররা। টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের সাফল্যের পরিমাণ বেশি। যদিও টেস্ট ম্যাচে জয়ের পাল্লা আফ্রিকান প্রতিনিধিদের দিকেই হেলে আছে। ১৬ টেস্টের ৭টি জিতেছে জিম্বাবুয়ে, ৬টি বাংলাদেশ এবং বাকি ৩টি ড্র। ৭২ ওয়ানডেতে টাইগারদের জয় ৪৪, হার ২৮। টি-টোয়েন্টিতে ১১ ম্যাচে ৭ জয়ের বিপরীতে হার ৪টি। ইতিমধ্যে টেস্ট সিরিজের জন্য দল ঘোষণা করেছে জিম্বাবুয়ে। তবে এই দলে নেই নিয়মিত অধিনায়ক সিন উইলিয়ামস। তার পরিবর্তে বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়েকে নেতৃত্ব দিবেন মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান ক্রেইগ আরভিন। একনজরে জিম্বাবুয়ে স্কোয়াড: সিকান্দার রাজা, রেগিস চাকাভা (উইকেটরক্ষক), ক্রেইগ আরভিন (অধিনায়ক), কেভিন কাসুজা, টিমিসেন মারুমা, প্রিন্স মাসাভরে, ক্রিস্টফার এমপুফু, ব্রায়ান মুদজিগানিয়ামা, কার্ল মুম্বা, টিনোটেন্ডা মুতমবদজি, আনিসলে আনডলোভু, ভিক্টর নিয়াউচি, ব্রেন্ডর টেলর, ডোনাল্ট টিরিপানো ও চার্ল্টন টিশুমা।
কেক কেটে বিসিবিতে সংবর্ধনা বিশ্বজয়ীদের
১২ফেব্রুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দক্ষিণ আফ্রিকায় ভারতকে হারিয়ে বিশ্বকাপ ট্রফি জয় করে দেশে ফেরা ক্রিকেটারদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী, বিসিবি সভাপতিসহ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালকরা। বিমানবন্দর থেকে ক্রিকেটাররা রওয়ানা দেন মিরপুরে বিসিবিতে। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় বিসিবিতে পৌঁছেছে আকবর আলীদের বহনকারীদের বাসটি। এখানে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলবেন শিরোপাজয়ী অধিনায়ক আকবর আলী। সংবাদ সম্মেলন শেষে অধিকাংশ ক্রিকেটার রাতে জাতীয় একাডেমিতেই অবস্থান করবেন। বৃহস্পতিবার সকালে নিজ নিজ গ্রামে ফিরে যাবেন তারা। বিশ্বকাপজয়ী বীরদের এক নজর দেখার জন্য বিমানবন্দরের বাইরে ভিড় জমান হাজার হাজারো ক্রিকেট ভক্ত। শুধু বিমানবন্দরেই না, মিরপুরে স্টেডিয়ামের বাইরেও জড়ো হয়েছেন হাজারো ক্রিকেটপ্রেমী। বিমানবন্দর থেকে মিরপুর পুরো সড়কজুড়েই রাস্তার পাশে দেখা যায় উৎসুক জনতার ভিড়। দেশকে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ এনে দেয়ার জন্য ক্রিকেটারদের অভিনন্দন জানাতেই বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এভাবে জড়ো হয়েছেন। এসময় ক্রিকেটপ্রেমীদের ‘বাংলাদেশ, বাংলাদেশ’ বলে স্লোগান দিতে দেখা যায়। এছাড়াও হোম অব ক্রিকেট সাজানো হয়েছে জাজ্বল্যমান করে। গতকাল রাত থেকে স্টেডিয়ামজুড়ে আলোকসজ্জা করা হয়েছে। প্রধান ফটকের সামনে ঝুলছে বিশাল আকৃতির ব্যানার। বড় অক্ষরে লেখা-ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়ন। এছাড়া আকবর, রাকিবুল, শরীফুলদের ছবি সংবলিত একাধিক ব্যানার টাঙানো হয়েছে মিরপুর হোম অব ক্রিকেটে। সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হওয়া সংবাদ সম্মেলনের পর একাডেমিতে ক্রিকেটাররা ফ্রেশ হবেন। এরপর ক্রিকেটারদের সম্মানার্থে বিসিবিতেই আয়োজন করা হয়েছে ডিনার। খাওয়া-দাওয়ার পর্ব শেষে ক্রিকেটারদের ছেড়ে দেবে বিসিবি। ঢাকায় যাদের পরিবার আছে তারা রাতেই চলে যাবেন। ঢাকার বাইরে যারা যাবেন তারা আজ রাত একাডেমিতেই থাকবেন। গত ৯ ফেব্রুয়ারি ভারতের ছেলেদের কোণঠাসা করে বিশ্বকাপের ট্রফিটা নিজেদের দেশে নিয়ে এসেছ আকবর আলীরা। দেশের প্রথম বিশ্বজয়ের আনন্দে মেতে উঠেছে ক্রিকেটাঙ্গন। তাইতো বিশ্বজয়ী যোদ্ধাদের বরণ করে নিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বিভিন্ন আয়োজন করেছে। সেই আয়োজনের অংশ হিসেবে টাইগার যুবাদের বহণ করার জন্য বিশেষ বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যেটির গায়ে লাল-সবুজে সাকিব-অভিষেকদের বিশ্বজয়ের চিত্র অঙ্কিত হয়েছে।
আকবরদের স্বাগতম জানাতে তৈরি হোম অব ক্রিকেট
১২ফেব্রুয়ারী,বুধবার,মো.ইরফান চৌধুরী,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতকে হারিয়ে যুব বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ দল। তাদের এই অর্জনে গর্বিত গোটা দেশ। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিবি) নিচ্ছে আকবর আলীদের বরণের প্রস্তুতি। মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে তো লেগেছে বিয়ে বাড়ির আমেজ। স্টেডিয়ামের দুই নাম্বার গেট দিয়ে ঢুকতেই চোখে পড়ে বিশাল আকবর আলীদের ছবি খচিত বিশাল ব্যানার। ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়ন্স লেখা এই ব্যানারে দেখা যাচ্ছে আকবর আলীদের ট্রফি হাতে উল্লাসের মুহূর্ত। আজ মঙ্গলবার সকালে এই ব্যানারগুলো টানানো হয়। একটি বিশাল বড় ব্যানার ছাড়া ছোট-ছোট তিনটি ব্যানার আছে। তার মধ্যে একটিতে আবার নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া দলকে শুভকামনা জানানো হয়েছে। মরিচ বাতিতে সাজানো হয়েছে স্টেডিয়ামের প্রধান ফটকের দেয়ালে। বিমানবন্দরে বিসিবি সভাপতি ও পরিচালকরাসহ উপস্থিত থেকে যুবাদের বরণ করবেন ফুল দিয়ে। এরপর তাদেরকে বিমানবন্দর থেকে সরাসরি মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে নিয়ে আসা হবে। মিরপুর আসার পর তাদেরকে নিয়ে কেক কাটা হবে। কেক কাটার পর যুবাদের নিয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হবেন নাজমুল হাসান পাপন। রাতে ডিনারের ব্যবস্থা থাকবে। এরপর যাদের বাসা ঢাকাতে তারা রাতেই চলে যাবেন আর বাকিরা বিসিবি একাডেমিতে অবস্থানের পর পরদিন সকালে গ্রামের বাড়িতে ফিরবেন। এমনটাই জানা গেছে বিসিবির তরফ থেকে। আয়োজন পরিকল্পনা সম্পর্কে আঁচ দিয়েছেন বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী। আপনারা জানেন যে অনূর্ধ্ব-১৯ দল আগামীকাল সকালে আসার কথা ছিল, এটা পরিবর্তন হয়ে এখন আগামীকাল বিকেল ৫টার দিকে এসে পৌঁছাবে। এর ফলে ওইভাবেই পরিকল্পনা করা হচ্ছে যেহেতু অনেকদিন ধরে ছেলেগুলো দেশের বাইরে ছিল তো সবকিছু বিবেচনা করে আমরা যতটুকু সম্ভব স্বল্প সময়ের মধ্যে কিছু আয়োজন রেখেছি। বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানিয়ে বোর্ডে নিয়ে আসার জন্য এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাদের পরিবারের কাছে পাঠানো হবে। বিসিবির এই কর্মকর্তা আরও জানান, সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে গণ-সংবর্ধনা দেয়া হবে বিশ্বকাপ জয়ী দলকে।
বিশ্বজয়ীদের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সংবর্ধনা দেবে সরকার
১০ফেব্রুয়ারী,সোমবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্বকাপ জয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলকে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সরকারের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেয়া হবে। আজ সোমবার সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর কথার রেশ ধরে ওবায়দুল কাদের বলেন, ভারত পরপর চার বার চ্যাম্পিয়ন, তাদের হারানো বেশ কঠিন ছিল। যখনই কেউ জিতে এসেছেন তখনই সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। গণসংর্বধনা ওদেরও দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন সরকার প্রধান। ওবায়দুল কাদের বলেন, ঐতিহাসিক বিজয়ে আমাদের তরুণ টাইগারদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। তাদের দুর্দান্ত পারফরমেন্সে ভারতের মতো বিশাল শক্তিকে পরাজিত করে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। আজকের মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, এ বিজয় আমরা উদযাপন করবো। তিনি বলেন, বিজয়ী বীরদের গণসংবর্ধনা দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আমরা আশা করছি তারা ফিরে এলে সুবিধামত সময়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হবে। কারণ আমরা স্বাধীনতার পর এবারই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছি। এ জয়ের পথ ধরেই একদিন বাংলাদেশ বিশ্বকাপও জিতবে এমন প্রত্যাশা করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, এ দূর্দান্ত পারফরমেন্স আমাদের প্রত্যাশা বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে ক্যাপ্টেন আকবর যে ম্যাচিউরিটি ক্যাপ্টেনসিতে প্রদর্শন করেছে ছয় উইকেট যাওয়ার পর, আমরা তো ভাবিনি যে জিততে পারবো। এরপরও আকবরের নেতৃত্বে দলকে যেভাবে বিজয়ের স্বর্ণ দুয়ারে টেনে নিয়ে গেছে সেটা সত্যি একটা স্মরণীয় ঘটনা। গ্রাম থেকে খেলায়াড়দের তুলে আনতে তৃণমুল পর্যন্ত প্রশিক্ষণ জরুরি মন্তব্য করে তিনি বলেন, এই যে বিশ্বকাপ বিজয়ের নায়ক ক্যাপ্টেন আকবর তার বাড়ি কিন্তু পিছিয়ে পড়া কুড়িগ্রামে, এ দলে আবার পঞ্চগড়ের খেলোয়াড়ও রয়েছে। আমাদের বিকেএসপিতে তৃণমূলের যে প্রশিক্ষণ সেটা চমৎকার। এখানেই নতুন-নতুন ক্রিকেটার সৃষ্টি হয়।- একুশে টেলিভিশন