দাপুটে জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের
অনলাইন ডেস্ক: দীর্ঘদিন পর একসঙ্গে জ্বলে উঠলেন দুই ওপেনার। লিটন দাশ ও ইমরুল কায়েসের দুর্দান্ত ব্যাটিং পারফরম্যান্সে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও দাপুটে জয় পেল বাংলাদেশ। আর এ জয়ের ফলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ ২-০তে নিজেদের করে নিয়েছে টাইগাররা। এদিন ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে মাশরাফিবাহিনী। বুধবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করা জিম্বাবুয়ে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৪৬ রান করে। জবাবে ৪৪.১ ওভারেই ৩ উইকেট হারিয়ে ২৫০ করে জয় পায় বাংলাদেশ। মুশফিকুর রহিম ৫২ বলে ৪০ ও মোহাম্মদ মিঠুন ২১ বলে ঝড়ো ২৪ করে অপরাজিত থেকে জয় তুলে নেন। তবে সেঞ্চুরি বঞ্চিত হন লিটন ও ইমরুল। ৪৬ বলে ঝড়ো হাফসেঞ্চুরি তুলে নেয়া লিটন দাশ আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়েন। সিকান্দার রাজার বলে আউট হওয়ার আগে ৭৭ বলে ১২টি চার ও একটি ছক্কায় ৮৩ রানে ঝলমলে একটি ইনিংস খেলেন তিনি। ওপেনিং জুটিতে ইমরুল কায়েসের সঙ্গে ২৪ ওভারে ১৪৮ রান তোলেন তিনি। লিটন দাশের পর দ্রুতই বিদায় নেন ফজলে রাব্বি। এই সিরিজেই অভিষিক্ত এই টপঅর্ডার টানা দুই ম্যাচেই শূন্য রানে বিদায় নিলেন। এদিন সিকান্দার রাজার বলে এগিয়ে খেলতে গিয়ে উইকেটরক্ষক ব্র্যান্ডন টেইলরের স্ট্যাম্পিংয়ের শিকার হন তিনি। এরপর সেঞ্চুরির খুব কাছে এসেও বঞ্চিত হলেন ইমরুল কায়েস। টানা দুই ম্যাচে তিন অঙ্কের ঘরে যাওয়ার দারুণ একটি সুযোগ ছিল তার সামনে। কিন্তু ১১১ বলে ৭টি চারের সাহায্যে ৯০ রান করা এ বাঁহাতি সিকান্দার রাজাকে তুলে মারতে গিয়ে এলটন চিগুম্বুরার ক্যাচে পরিণত হন। সিরিজের প্রথম ম্যাচে তিনি ১৪৪ রানের অসাধারণ একটি ইনিংস খেলেছিলেন। এর আগে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টসে জিতে ফিল্ডিং বেছে নেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৪৬ রান সংগ্রহ করে জিম্বাবুয়ে। সফরকারীদের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৫ রান করেন ব্র্যান্ডন টেইলর। আর দারুণ বল করে টাইগারদের হয়ে ক্যারিয়ার সেরা ৩ উইকেট তুলে নেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।
টসে জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ
অনলাইন ডেস্ক: আগেই জানা ছিলো চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সন্ধ্যার পরে থাকবে শিশিরের উপস্থিতি, যে কারণে ম্যাচের দ্বিতীয়ভাগে বোলিং করা হবে কষ্টকর। এ ভাবনা থেকেই সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে টসে জিতে আগে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। মিরপুরে সিরিজের প্রথম ম্যাচে টসে জিতে আগে ব্যাট করেছিল বাংলাদেশ। তবে এ ম্যাচে নিজেদের পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছেন টাইগার দলপতি মাশরাফি বিন মর্তুজা। জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক টসে ভুল ডাক দিলে জিতে যান মাশরাফি। তিনি সিদ্ধান্ত নেন আগে বোলিং করার। চট্টগ্রামের সাগরিকায় সবশেষ ৯ ম্যাচের ৭টিতেই জিতেছে বাংলাদেশ। এর চেয়েও বড় কথা হল জিম্বাবুয়ের কাছে এই ভেন্যুতে কখনো হারেনি টাইগাররা। সিরিজ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে খেলতে নেমে এ ম্যাচেও হারবে না মাশরাফির দল এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।
ইমরান খানের সঙ্গে নাচতে চান গেইল
অনলাইন ডেস্ক: ক্রিকেটার হিসেবে ক্রিস গেইল যতটা মারকুটে, ঠিক ততটাই আনন্দপ্রিয়। তাইতো ম্যাচ জেতার পর মাঝেমাঝে মাঠেই নাচানাচি শুরু করে দেন। ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি লিগগুলোতে তিনি খুব জনপ্রিয়। ভারতের আইপিএল, বাংলাদেশের বিপিএল এবং সর্বশেষ আরব-আমিরাতে আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লিগ (এপিএল) মাতানোর পর এই বিধ্বংসী ওপেনার জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে আফগানিস্তান কিংবা পাকিস্তানের মাটিতে আয়োজিত কোনো টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট মাতাতে চান। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানে গেলে তিনি দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে কিছুটা সময় আনন্দ-ফূর্তিতে কাটাতে চান তিনি। আরব-আমিরাতে প্রথমবারের মতো আয়েজিত টি-টোয়েন্টি লিগে খেলেছেন গেইল। সেখানকার দল বালখ লেজেন্ডকে চ্যাম্পিয়ন বানাতে অনবদ্য ভূমিকা রাখেন তিনি। ফাইনালে কাবুল জোয়ানেনের বিরুদ্ধে ৩৪ বলে ৫৪ রানের মারকাটারি ইনিংস খেলেন৷ তাতে ১৩৩ রানের লক্ষ্যটা ১১ বল আর ৪ উইকেট হাতে রেখেই টপকে যায় বালখ লেজেন্ডস৷ এরপর তিনি বলেন, আমি কখনো আফগানিস্তান কিংবা পাকিস্তানের মাটিতে টি-টোয়েন্টি খেলিনি। আশা করি ভবিষ্যতে খেলতে পারব। পাকিস্তানে গেলে ইমরান খানের সঙ্গে কিছুটা সময় নাচানাচিতে কাটবে। যেহেতু তিনি একজন সাবেক ক্রিকেটার। শুরু তাই নয়, মজা করে গেইল বলেছেন,পাকিস্তানের যাওয়ার জন্য আমায় একটা প্রাইভেট জেট পাঠালেই আমি খুশি৷ অতীতে অবশ্য পাকিস্তানে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে গেইলের। ২০০৬ সালে জাতীয় দলের সঙ্গে দেশটিতে সফরে গিয়েছিলেন তিনি। এক যুগ আগের ওই স্মৃতিকে ঝেরে ফেলে নতুন করে দেশটিতে ক্রিকেট খেলার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তিনি। দেখা যাক, তার ইচ্ছাটা শেষতক পূরণ হয় কি না।
সহজ জয়ে সিরিজ শুরু বাংলাদেশের
অনলাইন ডেস্ক: জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সহজ জয়ে সিরিজ শুরু করলো বাংলাদেশ। ২৮ রানের জয় নিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেলো টাইগাররা। শুরুটা ভালোই করেছিল জিম্বাবুয়ে। দলীয় ৪১ রানের মাথায় ওপেনিং জুটিতে আঘাত হাঁনেন মোস্তাফিজুর রহমান। দারুণ এক কাটারে দ্রুত রান তুলতে থাকা সিফাস জুয়াওয়ের অফ স্ট্যাম্প উপড়ে দেন। ব্রেন্ডন টেইলরকে স্থায়ী হতে দেননি নাজমুল ইসলাম অপু। বোল্ড হওয়ার আগে টেইলরের ব্যাট থেকে আসে ৫ রান। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট ঝরতে থাকে সফরকারীদের। ২১ রানে অধিনায়ক হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ফিরে যাওয়ার পর সিকান্দার রাজাকে নিজের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত করেন অপু। প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেছিলেন ক্রেইগ এরভিন। তবে ২৪ রানে তাকে বোল্ড করে থামিয়ে দেন মেহেদী মিরাজ। শেষ দিকে লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছিলো পিটার মুর এবং ব্রান্ডন মাভুটা। দু'জনকেই তুলে নিয়ে জিম্বাবুয়ের হারটা প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেন মিরাজ। একপাশ আগলে দাঁড়িয়ে থাকা উইলিয়ামস শেষ দিকে সঙ্গী হিসেবে পান কাইল জার্ভিসকে। এ দু'জনের ৬৭ রানের জুটি কেবল ব্যাবধানই কমিয়েছে। বাংলাদেশের হয়ে ৩টি উইকেট তুলে নিয়েছেন মেহেদী মিরাজ। নাজমুল হাসান অপু নিয়েছেন ২ উইকেট। একটি করে উইকেট তুলে নিয়েছেন মোস্তাফিজ এবং মাহমুদুল্লাহ। এরআগে ইমরুল কায়েসের ক্যারিয়ারসেরা ইনিংসে ভর করে ২৭১ রান তোলে বাংলাদেশ।ব্যাটিং করতে নেমে যেখানে উইকেট বৃষ্টি হয়েছে বাংলাদেশের সেখানে দিশা দেখিয়েছে ইমরুলের ব্যাট। শুধু উইকেটেই থাকেননি শেষ দিকে মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনকে সঙ্গে নিয়ে ঝড় তুলেছেন। জিম্বাবুয়ের সামনে দাঁড় করান ২৭২ রানের লক্ষ্য। শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে টস জিতে মাশরাফির আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্তটাকে সঠিক প্রমাণ করতে ইমরুলকে খেলতে হয়েছে উনপঞ্চাশ ওভার পর্যন্ত। শুরুতে ৪ রানে লিটন দাসকে ফেরান চাতারা। অভিষেকটা রঙিন করতে পারলেন না ফজলে মাহমুদ। ৪ বল খেলে কোনো রান যোগ না করেই ফিরে যান সাজঘরে। মুশফিকও (২০) ছিলেন অনুজ্জ্বল। মোহাম্মদ মিঠুন লড়াইটা ভালোই করছিলেন। কিন্তু তিনিও থেমে যান ৩৭ রানে। মিঠুনের পর মাহমুদুল্লাহ (০) এবং মিরাজকে (১) দ্রুত ফেরান কাইল জার্ভিস। ১৩৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে দিশেহারা বাংলাদেশকে দিশা দেখান ইমরুল। তার নিঃসঙ্গতার দুঃখ ঘোচান মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। এ দু'জন গড়েন ১২৭ রানের ইনিংস। টেল এন্ডে তাদের দু'জনের ঝড়ে ঢেউ উঠে কানায় কানায় পূর্ণ বিমর্ষ গ্যালারিতে। ১৪০ বলে ক্যারিয়ার সেরা ১৪৪ রানের দৃষ্টিনন্দন ইনিংস খেলে ফেরেন ইমরুল। ম্যাচের বাকি তখন ১.৩ ওভার। ক্যারিয়ারের তৃতীয় শতকের পথে ১৩টি বাউন্ডারি এবং ৬টি ওভার বাউন্ডারি হাঁকান তিনি। বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ওয়ানডেতে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ইনিংস (মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে যৌথভাবে)। সর্বোচ্চ ইনিংসি তামিম ইকবালের। ২০০৯ সালে বুলাওয়েতে এই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৫৪ রান করেছিলেন তামিম। ইমরুল ফিরে যাওয়ার পর ক্যারিয়ারের প্রথম অর্ধশতক তুলে নেন সাইফুদ্দিন। ৫০ রানে তাকে ফেরান চাতারা। স্কোর: বাংলাদেশ ২৭১/৮ (৫০.০) কায়েস ১৪৪, মিঠুন ৩৭, সাইফুদ্দিন ৫০; জার্ভিস ৩৭/৪, চাতারা ৫৪/৩। জিম্বাবুয়ে ২৪৩/৯ (৫০.০) জুয়াও ৩৫, জার্ভিস ৩৭, উইলিয়ামস ; মিরাজ ৪৬/৩, অপু ৩৮/২।
আজ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে মুখোমুখি হচ্ছে টাইগাররা
অনলাইন ডেস্ক: সফরকারী জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আজ হোম অফ ক্রিকেট মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে মুখোমুখি হচ্ছে টাইগাররা। তবে শক্তির বিচারে পিছিয়ে থাকা জিম্বাবুয়েকে মোটেও হালকা ভাবে নিচ্ছেন না টিম বাংলাদেশের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। ম্যাচটি শুরু হবে আজ রোববার দুপুর আড়াইটায়। সিরিজের প্রথম ম্যাচ, বাংলাদেশ চাইছে সব ঠিকঠাকভাবেই মাঠে অনুবাদ করতে। তবে উইকেট নিয়ে একটা ভাবনা থাকছে বাংলাদেশ দলের। উইকেট বলতে মিরপুরের উইকেট। রহস্যময়ী উইকেট হিসেবে যার পরিচিতি। শনিবার ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে তাই মাশরাফিকেও চিন্তিত মনে হলো, মিরপুরের উইকেট সম্পর্কে ভবিষ্যতবাণী করা খুবই কঠিন, আমরা সবাই সেটা জানি। মিরপুরের উইকেট ভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন আচরণ শুরু করে। আগে থেকে বলা খুবই কঠিন হবে। তবে প্রত্যাশা তো অবশ্যই ভালো কিছু থাকবে। সেই ভালো উইকেট বলতে মাশরাফির চাওয়া, সাধারণত ২৫০-২৬০ রান হলে ম্যাচ ভাল হয়, আগে ব্যাট করা দলের জেতার সুযোগ বেশি থাকে। শুরুতেই যে স্লো বা টার্ন হবে, এমন আশা অবশ্যই করছি না।
ডি কককে বেচে দিচ্ছে ব্যাঙ্গালুরু
অনলাইন ডেস্ক: ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ আইপিএলের গত মৌসুমে রযায়াল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর (আরসিবি) হয়ে খেলেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার মারকুটে ব্যাটসম্যান কুইন্টন ডি কক। তবে আগামী আসরে তাকে দেখা যাবে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের জার্সিতে। ডিসেম্বরের মাঝামাঝিতে ২০১৯ আইপিএলের নিলাম শুরু হবে। তবে আরসিবি ইতোমধ্যেই ডি কককে ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২০১৮ সালের দলবদলে প্রোটিয়া উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যানকে ২.৮ ভারতীয় রুপিতে কিনেছিল তারা। ক্রিকইনফো বলছে, মুম্বাই এই দামেই দলে ভেড়াবে ডি কককে। অর্থভান্ডারে যাতে ভারসাম্য বজায় থাকে সেজন্য বাংলাদেশী পেসার মুস্তাফিজুর রহমান (২.২ কোটি রুপি) আর শ্রীলংকান অফস্পিনার আকিলা ধনাঞ্জয়াকে (৫০ লাখ রুপি) ছেড়ে দিতে পারে দলটি। উল্লেখ্য, আইপিএলের দলবদল মূলত দুটি ধাপে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমটি মৌসুম শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে, যার সময়কাল নিলাম শুরুর আগপর্যন্ত বিদ্যমান থাকে। এরপর নিলাম চলতে থাকে টুর্নামেন্ট শুরুর পূর্বমুহূর্ত পর্যন্ত। অভিষেক হয়নি কিংবা দুটির বেশি ম্যাচ খেলেননি এমন খেলোয়াড়দের জন্য ২০১৮ মৌসুম থেকে মিড-টুর্নামেন্ট উইন্ডো নামে আরেকটি দলবদলের সঙ্গে পরিচিতি লাভ করেছে জনপ্রিয় এই টি২০ লিগ। সূত্র : ইএসপিএন ক্রিকইনফো
স্ত্রীকে পাশে পেতে কোহলির আবেদনে বিসিসিআই-র সম্মতি
অনলাইন ডেস্ক: স্ত্রীকে পাশে পেতে কিছুদিন আগে বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই) বরাবর ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলি এক আবেদন করেন। তা নিয়ে বেশ সমালোচনায়ও পড়েন অধিনায়ক। ভারতীয় বোর্ডও অবশ্য সে সময় তেমন গা করেনি। কিন্তু অবশেষে অধিনায়কের সেই আবেদন মেনে নিয়েছে বিসিসিআই। অধিনায়ক কোহলির বোর্ড বরাবর আবেদন করেন, যাতে বিদেশের সিরিজগুলোতে স্ত্রী-বান্ধবিদের সঙ্গে থাকার অনুমতি দেয় বোর্ড। কিন্তু সে সময় বোর্ড জানিয়ে দেয়, নিষিদ্ধই থাকছেন স্ত্রী-বান্ধবীরা। তবে ভেবে দেখবেন তারা। তবে ভাবতে খুব বেশি দিন নেয়নি বিসিসিআই। অধিনায়কের সুরে সুর মেলাতে নিজেদের নিয়মে বদল আনতে চলেছে বিসিসিআই। এর আগে ভারতীয় বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী স্ত্রী-বান্ধবীরা বিদেশ সফরে ২০ দিনের বেশি সময় কাটাতে পারতেন না ক্রিকেটারদের সঙ্গে। সেই নিয়মে বদল আনবে বোর্ড। এখন থেকে বিদেশ সফরে পুরো সময়ের জন্য স্ত্রীকে পাশে পাবেন ক্রিকেটাররা। তবে আবেদনে ইতিবাচক সাড়া দিলেও শর্ত রেখেছে ভারতীয় বোর্ড। এক্ষেত্রে স্ত্রী কিংবা বান্ধবীরা সফর শুরুর দশ দিন পর যোগ দিতে পারবেন ক্রিকেটারদের সঙ্গে। এরপর বাকি সফরের পুরোটাই প্রিয়জনের সঙ্গী হতে পারবেন তারা। শুধুমাত্র ক্রিকেটাররাই নন, বোর্ডের নতুন এই নিয়মের আওতায় আছেন কোচ ও অন্যান্য সাপোর্ট স্টাফরাও। কোহলির আবেদনের পর বোর্ডের পক্ষে প্রধান নির্বাহি অধিনায়ক বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা এবং কোচ রবি শাস্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন। তাদের সঙ্গে কথা বলেই এবিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে বোর্ড।
আট লাখ ইউরো জরিমানা ভিদালকে
অনলাইন ডেস্ক: নাইট ক্লাবে মারামারির ঘটনায় জড়িত থাকার কারণে চিলিয়ান মিডফিল্ডার আর্তুরো ভিদালকে আট লাখ ইউরো জরিমানা করেছেন জার্মানির একটি আদালত। বাংলাদেশি টাকায় যা প্রায় আট কোটি। ঘটনাটি ঘটেছিল প্রায় দুই বছর আগে। আর্তুরো ভিদাল এখন স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনার হয়ে খেলেন। কিন্তু ২০১৭ সালে যখন এই ঘটনাটি ঘটে তখন তিনি জার্মানির ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে খেলতেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি এক ব্যক্তির মাথায় ভোৎকার বোতল দিয়ে আঘাত করেছিলেন। এই ঘটনা ঘটার সময় ভিদালের ভাই সান্দ্রিনো ও তার শ্বশুর উপস্থিত ছিলেন। তাদের দুজনকেও জরিমানা করা হয়েছে। ভিদালের ভাইকে ২০ হাজার ও তার শ্বশুরকে ৪১ হাজার ইউরো জরিমানা করে আদালত।
শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে ১-০ তে জয় পেল ব্রাজিল
অনলাইন ডেস্ক: শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে ১-০ তে জয় পেল সেলেকাওরা। অতিরিক্ত সময়ে গিয়ে গোলের দেখা পেল ব্রাজিল। নির্ধারিত ৯০ মিনিট পেরিয়ে অতিরিক্ত সময়ে নেইমারের দুর্দান্ত কর্নার কিকে হেড করে জয়সূচক গোল করেন মিরান্দা। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ৪১তম জয় পেল ব্রাজিল। অপেক্ষার প্রহর শেষে রাত ১২টায় জেদ্দায় শুরু হয় ফুটবল মহারণ। খেলার শুরু থেকেই ফুটবলের ল্যাটিন ছন্দ উপভোগ করতে থাকে ফুটবল প্রেমীরা। খেলার প্রথমার্ধে নেইমার, কুতিনহোরা কয়েকবার আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগে ঢুকে পরে। কিন্তু রোমেরোকে পরাস্ত করতে পারেনি তারা। প্রথমার্ধ গোলশুন্য অবস্থায় শেষ হয়। দ্বিতীয়ার্ধে এসে ঝলসে ওঠে দিবালা ও ইয়াকার্দি। দিবালার কয়েকটি প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। খেলার ৬৪ মিনিটের মাথায় অবৈধভাবে বল কেড়ে নিতে গেল রেফারির বাঁশি শুনতে হয় নেইমারকে। এ সময় হলুদকার্ড দেখতে হয় তাকে। ৯০ মিনিট পেরিয়ে গেলেও তখনও গোলের দেখা পায়নি কোনো দলই। অতিরিক্ত সময়ে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনাকে চেপে ধরে। মেসিবিহীন আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগে ফাটল ধরাতে ব্যস্ত হয়ে পরেন নেইমার, কুতিনহো। অতিরিক্ত সময়ে কর্নায় পায় ব্রাজিল। ব্রাজিলের ৪র্থতম কর্নার কিক নেন নেইমার। নেইমারের বাঁকানো শটে মাথা ছোঁয়ান মিরান্দা। রোমেরোকে পাশ কাটিয়ে বল ঢুকে নীল-সাদাদের জালে। বিজয়োল্লাসে মেতে উঠল সাম্বার দেশের সমর্থকরা ।