বিশ্বসেরা ক্রীড়াবিদের তালিকায় সাকিব-মুশফিক-মাশরাফি
১৮মার্চ,সোমবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইএসপিএনের তৈরি করা বিশ্বের বিখ্যাত ১০০ ক্রীড়াবিদের তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের তিন তারকা ক্রিকেটার- সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম ও মাশরাফি বিন মুর্তজা। এই তালিকার এক নম্বরে আছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। এতে সাকিবের অবস্থান ৯০, মুশফিকের ৯২ আর মাশরাফির ৯৮। বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা এই প্রথমবারের মতো ইএসপিএনের বিখ্যাত ১০০ ক্রীড়াবিদের তালিকায় স্থান করে নিলেন। এতে বিশ্বের অন্য ক্রিকেটারদের মধ্যে আছেন বিরাট কোহলি (৭), মহেন্দ্র সিং ধোনি (১৩), যুবরাজ সিং (১৮), সুরেশ রায়না (২২), রোহিত শর্মা (৪৬), রবিচন্দ্রন অশ্বিন (৪২), হরভজন সিং (৭৪) ও শিখর ধাওয়ান (৯৪)। আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি আছেন তিন নম্বরে। রোনালদোর পরেই আছেন যুক্তরাষ্ট্রের বাস্কেটবল তারকা লেবর্ন জেমস। চার নম্বরে আছেন ব্রাজিলীয় ফুটবল তারকা নেইমার জুনিয়র। ৭৮টি দেশের প্রায় ৮০০ ক্রীড়াবিদের মধ্য থেকে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে। মূলত, তিনটি বিষয়কে এই তালিকা তৈরির সময় জোর দেয়া হয়েছে- গুগলে ওই নির্দিষ্ট খেলোয়াড়কে খোঁজার সংখ্যা, ফেসবুক-টুইটারে তাদের অনুসারীর সংখ্যা আর বিজ্ঞাপন ও পণ্যের দূতিয়ালি থেকে করা আয়।
ক্রাইস্টচার্চে হামলার ঘটনায় পিএসএলে নীরবতা পালন
১৬মার্চ,শনিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের হেগলি ওভালের আল-নূর মসজিদ ও লিনউড মসজিদে বন্দুকধারীর হামলায় প্রায় অর্ধশত নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন প্রায় অর্ধশতাধিক। তবে অল্পের জন্য বেঁচে যান বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। নারকীয় সেই হামলা নাড়িয়ে দিয়েছে পুরো বিশ্বকে। শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা ক্রীড়াঙ্গনে। সেই শোক ছুঁয়ে গেছে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) দ্বিতীয় এলিমিনেটর ম্যাচেও। শুক্রবার রাতে পাকিস্তানের করাচি ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় ইসলামাবাদ ইউনাইটেড ও পেশোয়ার জালমি। ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে শক্তিশালী আগ্নেয়াস্ত্রসহ সন্ত্রাসী হামলায় হতাহতের প্রতি শোক জানিয়ে এদিন কালো আর্মব্যান্ড পরে মাঠে নামেন দুই দলের ক্রিকেটাররা। অবশ্য ম্যাচের আগে পালন করা হয় এক মিনিট নীরবতা। সে ম্যাচে ইসলামাবাদকে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে দ্বিতীয় আসরের শিরোপাজয়ী দল পেশোয়ার। ম্যাচজুড়ে ধারাভাষ্যকারদের আলোচনায়ও ছিল হামলার ভয়াবহতা। ক্রাইস্টচার্চের হেগলি ওভালে আজ থেকে শুরু হওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড তৃতীয় টেস্ট। তবে নৃশংস ওই হামলার পর নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ম্যাচটি বাতিল করা হয়। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল দেশের পথে রয়েছে। হামলার ভয়াবহতায় সন্ত্রাসবাদের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে পুরো ক্রিকেট বিশ্ব। পাশাপাশি বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা অল্পের জন্য বেঁচে যাওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করছে। তবে বহু হতাহতের ঘটনায় শোক এড়িয়ে যাওয়ার উপায় নেই।
তিন দিনের ম্যাচেও ইনিংস ব্যবধানে হার
১২মার্চ,মঙ্গলবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রথম দুই দিন ভেসে গেল বৃষ্টিতে। তৃতীয় দিনে খেলা শুরু হল। কিন্তু এই তিনটা দিনও টিকতে পারল না বাংলাদেশ। লজ্জার হার মাথা পেতে নিতে হল। ওয়েলিংটন টেস্টে নিউজিল্যান্ডের কাছে হারতে হল ইনিংস ও ১২ রানে। এ জয়ের ফলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নিল কিউইরা। স্বাগতিকদের পেস অ্যাটাকে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ২০৯ রানে অলআউট হয় টাইগাররা। বেসিন রিজার্ভে আগের দিনের ৩ উইকেটে ৮০ রান নিয়ে, টেস্টের শেষ দিনে ব্যাটিংয়ে নামে সফরকারী বাংলাদেশ। সৌম্য সরকার ও মোহাম্মদ মিথুনের শুরুটা হয় সাবধানী। যেখানে এ দুই ব্যাটসম্যান ৩২ রান যোগ করেন। তবে কিউই পেস অ্যাটাকে বেশিক্ষণ টিকতে পারেনি সৌম্য। দলীয় ১১২ ও ব্যক্তিগত ২৮ রানে বোল্টের শিকার হন সৌম্য। এরপর ৪৭ রানে ফিরে যান মিথুন। এরই ধারাবাহিকতায় লিটন ও তাইজুল প্যাভিলিয়নের পথ ধরলে, ব্যাকফুটে চলে যায় সফরকারীরা। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে ক্যারিয়ারের ১৬তম ফিফটি তুলে নেন মাহমুদুল্লাহ। কিন্তু এক পর্যায়ে বোল্ট ও ওয়াগনারের বোলিং তোপে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় টাইগাররা। যেখানে ৬৭ রানে ফিরে যান দলপতি মাহমুদুল্লাহ। শেষ দিকে মোস্তাফিজ ও এবাদত আউট হলে ২০৯ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। এর আগে, টাইগারদের ২১১ রানের জবাবে ৬ উইকেটে ৪৩২ রানে নিজেদের প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে নিউজিল্যান্ড। স্কোর: বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস ২১১ (তামিম ৭৪, লিটন ৩৩; বোল্ট ৩৮/৩, ওয়াগনার ২৮/৪) নিউজিল্যান্ড প্রথম ইনিংস ৪৩২/৬ডি. (উইলিয়ামসন ৭৪, টেইলর ২০০, নিকোলস ১০৭;আবু জায়েদ ৯৪/৩, তাইজুল ৯৯/২) বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস ২০৯ (মিঠুন ৪৭, মাহমুদুল্লাহ ৬৭; বোল্ট ৫২/৪, ওয়াগনার ৪৫/৫) নিউজিল্যান্ড ইনিংস এবং ১২ রানে জয়ী।
দ্বিতীয় টেস্টে ২১১ রানে গুটিয়ে গেলো বাংলাদেশ
১০মার্চ,রবিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তামিম ইকবালের ব্যাটে ভালো শুরু করে বাংলাদেশ। কিন্তু নেইল ওয়াগনার-এর বলে শেষ হয়ে যায় তামিমের স্বপ্ন। নেইল ওয়াগনার ও ট্রেন্ট বোল্ট- দুজনের বোলিং তোপে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে ২১১ রানে গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস। বেসিন রিজার্ভে বৃষ্টিতে প্রথম দুই দিনের খেলা পরিত্যক্ত হয়। রবিবার তৃতীয় দিন সকালে নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন টস জিতে বেছে নেন ফিল্ডিং। হ্যামিল্টন টেস্টের পর ওয়েলিংটনেও চমৎকার তামিম। হ্যামিল্টনে ১২৬ ও ৭৪ রান করা এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান ৮১ বলে ৬ চারে ফিফটি করেন। তার আগে ৭৫ রানের জুটি গড়েন সাদমান ইসলামকে নিয়ে। ২১তম ওভারে এই জুটি ভাঙেন কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম। ৫৩ বলে ২৭ রান করে রস টেলরের ক্যাচ তুলে আউট হন সাদমান। বল হাতে ওয়াগনার প্রথম ওভারে ১০ রান দিলেও পরের তিন ওভারে মুমিনুল হক ও মোহাম্মদ মিঠুনকে ফেরান। এই আঘাতে বাংলাদেশ প্রথম সেশন শেষ করে ৩ উইকেটে ১২৭ রানে। লাঞ্চে যাওয়ার কিছুক্ষণ আগে ওয়াগনারের বলে ১৫ রানে বিজে ওয়াটলিংকে ক্যাচ দেন মুমিনুল (১৫)। আগের বলেই রিভিউ নিয়ে আম্পায়ারের আউটের সিদ্ধান্ত ভুল প্রমাণ করেন তিনি। মিঠুনকেও নিজের শিকার বানান ওয়াগনার। মাত্র ৩ রান করেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। দ্রুত দুই ব্যাটসম্যানকে হারালেও তামিমের ফিফটিতে স্বস্তিতে ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তাকে থামান ওয়াগনার। ১১৪ বলে ১৯ চারে ৭৪ রান করেন তামিম। তিনি ক্যাচ দেন টিম সাউদিকে। হ্যামিল্টনে শেষ ইনিংসে লড়াই করা মাহমুদউল্লাহ ও সৌম্য সরকার মাঠে নেমে স্কোরবোর্ড সমৃদ্ধ করতে পারেননি। ২০ রান করে ম্যাট হেনরির শিকার হন সৌম্য। মাত্র ১৩ রানে মাহমুদউল্লাহকে ফিরিয়ে ওয়াগনার তার চতুর্থ উইকেট পান। ১৬৮ রানে ৬ উইকেট হারানো বাংলাদেশকে লড়াইয়ে ফেরানোর চেষ্টা করেন লিটন দাস ও তাইজুল ইসলাম। ট্রেন্ট বোল্টের জোড়া আঘাতে তাদের প্রতিরোধ ভাঙে। তাইজুলকে (৮) এলবিডাব্লিউ করে ৩৮ রানের জুটি ভাঙেন কিউই পেসার। একই ওভারে মোস্তাফিজুর রহমানকে বোল্ড করেন তিনি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৩ রান করে লিটন মাঠ ছাড়েন সাউদির বলে। আবু জায়েদ রাহীকে (৪) বোল্ড করে বাংলাদেশকে গুটিয়ে দেন বোল্ট। ওয়াগনার ৪ উইকেট নিয়ে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সেরা বোলিং করেন। তিনটি উইকেট পান বোল্ট।
দ্বিতীয় দিনেও বৃষ্টি,খেলা পরিত্যক্ত
৯মার্চ,শনিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড টেস্ট সিরিজ বৃষ্টির কারণে প্রথম দিনের মতো টেস্টের ২য় দিনের খেলাও পরিত্যক্ত হয়েছে। বাংলাদেশ সময় শনিবার (৯ মার্চ) ভোর ৪টায় ম্যাচটি মাঠে গড়ানোর কথা থাকলেও বৃষ্টির কারণে শেষপর্যন্ত আর মাঠে গড়ায়নি ম্যাচ। প্রথম দিনের মতো দ্বিতীয় দিনেও সকাল থেকেই ওয়েলিংটনে মুষলধারে বৃষ্টি হয়। টানা বৃষ্টিতে বেসিন রিজার্ভের সবুজ গালিচার বেশিরভাগ অংশে পানি জমে থাকে। এরপর বৃষ্টি পড়া কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ থাকে। এসময় খেলোয়াড়দের মাঠে নেমে অনুশীলন করতে দেখা যায়। কিন্তু পরবর্তীতে বৃষ্টি আবারো শুরু হলে ঢেকে দেয়া হয় মাঠ। আর পরিত্যক্ত হয় টেস্টের দ্বিতীয় দিন। ইনজুরির কারণে মুশফিকুর রহিম এই টেস্টেও খেলতে পারছেন না। তবে তামিম ইকবালের খেলা নিয়ে নেই সংশয়। এছাড়াও মেহেদি হাসান মিরাজের পরিবর্তে একাদশে ফিরবেন পেসার মোস্তাফিজ। সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড।l
দ্বিতীয় টেস্টে খেলার সম্ভাবনা মুশফিকের
৫মার্চ,মঙ্গলবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দিন দিন বেশ উন্নতি হচ্ছে মুশফিকুর রহিমের ইনজুরির অবস্থা। সব কিছু ঠিক থাকলে অনেকটাই ফিট হয়ে উঠা অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে খেলবেন। আর তৃতীয় টেস্টে সাকিব খেলতে পারবেন কিনা তা নির্ভর করছে এক্স-রে রিপোর্টের ওপর। অন্যদিকে, উন্নতির পথে পেসার তাসকিনের ইনজুরিও। তবে, ম্যাচ ফিট হতে আরো এক মাস সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন বিসিবি'র চিকিৎসক দেবাশিষ চৌধুরী। গেলো বছর এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বুকের পাজড়ে ব্যর্থ নিয়ে ম্যাচ উইনিং সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন মুশফিকুর রহিম। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে সেই পুরোনো ব্যর্থ আবারো জেঁকে বসেছে মুশির। নতুন করে ইনজুরি বাসা বেঁধেছে হাতে আঙুলে। যে কারণে খেলতে পারেনি প্রথম টেস্ট। তবে, সু-খবর ইনজুরি থেকে অনেকটাই ফিট হয়ে উঠছেন মুশি। ওয়েলিংটন টেস্টে ফেরার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে তার। এদিকে, বাংলাদেশ দলের প্রাণ সাকিব আল হাসানও ভুগছেন ইনজুরিতে। পরিবার নিয়ে এখন অবসাদ কাটাচ্ছেন থাইল্যান্ডে। এ সপ্তায় সাকিবের দেশে ফেরার কথা রয়েছে। তবে, টিম ম্যানেজমেন্ট চাইছে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সাকিবকে তৃতীয় টেস্টে খেলাতে। কিন্তু, সাকিব আদও খেলতে পারবেন কিনা তা জানা যাবে এক্স-রে রিপোর্টের পর। অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে পেসার তাসকিন আহেদেরও। তবে, মাঠে ফিরতে স্পিড স্টারের সময় লাগবে আরো একমাস। সেক্ষেত্রে তাসকিনকে দেখা যেতে পারে ডিপিএলের সুপার লিগ পর্বে। বিপিএলে সিলেট সিক্সার্সের হয়ে শেষ ম্যাচে গোড়ালির ইনজুরিতে পড়েন তাসকিন আহমেদ।
হ্যামিল্টনে ইনিংস ব্যবধানে হারলো বাংলাদেশ
২মার্চ,রবিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: হ্যামিল্টনে ইনিংস ব্যবধানে হারলো বাংলাদেশ। এক ইনিংস ও ৫১ রানের ব্যবধানে জয় পেলো কিউইরা। এর আগে প্রথম ইনিংসে ২৩৪ রান করে বাংলাদেশ। জবাবে, ৬ উইকেটে ৭১৫ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে নিউজিল্যান্ড।পরে সৌম্য-মাহমুদুল্লাহর সেঞ্চুরির পরেও, ৪২৯ রানেই থামে টাইগারদের দ্বিতীয় ইনিংস। ম্যাচ সেরা হয়েছেন ডাবল সেঞ্চুরিয়ান কেন উইলিয়ামসন। আগের দিনের ৪ উইকেটে ১৭৪ রান নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে নিউজিল্যান্ডের ৭১৫ রানের জবাবে, তৃতীয় দিনেই ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে টাইগাররা। যদিও দিনের শুরু থেকেই সৌম্য সরকার খেলেন মারমুখী ভাবে। তাকে দারুণ সঙ্গ দেন অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ। কিউই পেসারদের একের পর এক শর্ট বল ভালোভাবেই সামলেছেন এই দুই ব্যাটসম্যান। দুর্দান্ত খেলা সৌম্য মাত্র ৯৪ বলে তুলে নেন ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি।বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে যা দ্রুততম। ৫ উইকেটে এই জুটির ব্যাট থেকে আসে ২৩৫ রান। ১৪৯ রান করে সৌম্য আউট হন বোল্টের বলে। এরপরপরই লিটন ফিরে যান ১ রানে। তবে ক্যারিয়ারের ৪র্থ শতক তুলে নেন অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ। কিন্তু অন্য পাশে ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় বৃথা যায় তাদের চেষ্টা। ৪২৯ রানে থামতে হয় টাইগারদের।
গেইল ঝড়ে উড়ে গেল ইংল্যান্ড
২মার্চ,রবিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পাঁচ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ সমতায় শেষ করেছে উইন্ডিজ ও ইংল্যান্ড। প্রথম চার ম্যাচের দুইটিতে ইংল্যান্ড ও একটিতে উইন্ডিজ জয়ী হয়। তৃতীয় ওয়ানডেটি বৃষ্টির পেটে চলে যাওয়ায় ক্যারিবীয়দের সামনের ছিল সিরিজ বাঁচানো। আর ইংল্যান্ডের লক্ষ্য ছিল সিরিজ নিয়ে ঘরে ফেরা। ইংলিশদের সে আশায় গুড়েবালি দিলেন পেস বোলার ওশান থমাস ও ব্যাটিং ইউনিভার্স ক্রিস গেইল। গতরাতে সেন্ট লুসিয়ার ড্যারেন স্যামি স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ওশান থমাসের পেস তোপে মাত্র ১১৩ রানে অল আউট হয়ে যায় ইংল্যান্ড। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৩ রান করেন অ্যালেক্স হেলস ও জস বাটলার। উইন্ডিজের পেসার ওশান থমাস ৫টি, হোল্ডার ও ব্র্যাথওয়েট ২টি এবং কটরেল একটি করে উইকেট নেন। ১১৪ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে গেইল তাণ্ডবে তিন উইকেট হারিয়েই গন্তব্যে পৌঁছে যায় ক্যারিবীয়রা। ২৭ বলে ৭৭ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন ক্রিস গেইল। যেখানে ৫টি চার ও ৯টি দৃষ্টিনন্দন ছয়ের মার ছিল। গেইল অর্ধশত রান করতে খরচ করেন মাত্র ১৯টি বল। যা ক্যারিবীয়দের হয়ে দ্রুত অর্ধশত রানের রেকর্ড। এর আগের রেকর্ডটি ছিল ড্যারেন স্যামির দখলে। ২০১০ সালে অ্যান্টিগায় দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ২০ বলে ফিফটি করেন তিনি। গেইলের বিদায়ের পর ব্রাভো ও হেটমায়ার দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিয়ে মাঠ ছাড়েন। ক্যারিয়ারে প্রথম পাঁচ উইকেট পাওয়া ওশান হন প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ আর সিরিজে দুর্দান্ত দুটি শতরানসহ ৪২৪ রান করে প্লেয়ার অব দ্য সিরিজের পুরস্কার হাতে পান।
বাংলাদেশের বিপক্ষেই রেকর্ড গড়ল নিউজিল্যান্ড
২মার্চ,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগের দিনই অনুমেয় ছিল নিউজিল্যান্ড বিশাল সংগ্রহ গড়তে যাচ্ছে। কিন্তু এমন রানের পাহাড় গড়বে সেটা হয়তো কেউ ধারণাই করতে পারেনি। হ্যামিল্টনে সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে স্বাগতিকরা ৭১৫ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে। এটি দলীয় রানের রেকর্ড। নিজেদের টেস্ট ইতিহাসে এই প্রথম ৭০০ রানের দেখা পেল কিউইরা। ২০১৪ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৬৯০ ছিল আগের সর্বোচ্চ। সেডন পার্কে কেন উইলিয়ামসনের অপরাজিত ২০০ রানের ওপর ভর করে এই বিশাল সংগ্রহ গড়ে নিউজিল্যান্ড। ২৫৭ বলের ইনিংসটি ১৯টি চার দিয়ে সাজিয়েছেন তিনি। এটি তাঁর ২০তম টেস্ট সেঞ্চুরি। এদিন কলিন ডি গ্র্যান্ড হোম ৫৩ বলে অপরাজিত ৭৬, নেইল ওয়াগনার ৩৫ বলে ৪৭, বিজে ওয়াটলিং ৩১ ও নিকোলাস ৫১ রান করেন। বাংলাদেশের পক্ষে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন সৌম্য সরকার ও মেহেদী হাসান। একটি করে নিয়েছেন এবাদত ও মাহমুদউল্লাহ। তিন সেঞ্চুরির এই ম্যাচে নিউজিল্যান্ড আগেরদিনের ৪৫১ রান নিয়ে ব্যাট করতে নেমে এদিন আরো ২৬৪ রান যোগ করে। আগের দিনই রাভাল ১৩২ ও ল্যাথাম ১৬১ রান করে দলকে বড় সংগ্রহের পথ দেখান। আর বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে করেছিল ২৩৪ রান। কিউইদের ভয়ংকর পেস আক্রমণের বিপক্ষে শুধু তামিম ইকবালই ভালো খেলেছেন। ডি গ্র্যান্ডহোমের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরার আগে ১২৮ বলে ১২৬ রানের চমৎকার একটি ইনিংস খেলেন তিনি। এটি তাঁর ক্যারিয়ারের নবম টেস্ট শতক, যাতে ২১টি চার ও একটি ছক্কার মার রয়েছে। তবে খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি মুমিনুল হক (১২), মোহাম্মদ মিঠুন (৮) ও সৌম্য সরকার (১)। তিন ব্যাটসম্যান দ্রুত সাজঘরে ফিরলেও মাঝখানে কিছুটা বিপদে পড়ে সাফরকারী দল। ২২ রানের একটি ইনিংস খেলে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ আউট হয়ে যান। তবে পরে লিটস দাস দলকে এগিয়ে যাওয়ার পথ দেখান। তিনিও ২৯ রান করে আউট হলে সংগ্রহটা খুব একটা বড় হয়নি বাংলাদেশের। ট্রেন্ট বোল্ট ও নিল ওয়াগনারের বোলিং তোপে বাংলাদেশের এই বাজে অবস্থা হয়েছে। ওয়াগনার ৪৭ রানে ৫ উইকেট তুলে নেন। আর বোল্ট পান ৩ উইকেট।