ওয়ানডে ক্রিকেটকে বিদায় ঘোষণা শ্রীলঙ্কার পেসার মালিঙ্গার
২২জুলাই২০১৯,সোমবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ওয়ানডে ক্রিকেটকে বিদায় নেওয়া ঘোষণা দিয়েছেন শ্রীলঙ্কার পেসার লাসিথ মালিঙ্গা। বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডে খেলেই অবসর নেবেন তিনি। তবে টি-টোয়েন্টি খেলে যাবেন। ক্রিকেটে মালিঙ্গা পরিচিত লাভ করে তার অদ্ভুত বোলিং অ্যাকশনের কারণে। বলে হাতে লঙ্কাদের অনেক জিতিয়েছেন এই বোলার। আগামী ২৬, ২৮ ও ৩১ জুলাই বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে খেলবে শ্রীলংকা। পুরো সিরিজের স্কোয়াডেই মালিঙ্গাকে রেখেছিল লংকান ক্রিকেট বোর্ড (এসএলসি)। তবে ক্লান্তির কারণে পুরোটা খেলতে চাইছেন না তিনি। প্রথম ম্যাচ খেলেই অবসর নেবেন ঝাঁকড়া চুলের বাবরি দোলানো পেসার। অবশ্য মালিঙ্গার অবসরকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছে এসএলসি। তিনি না খেললে দেশের তরুণ ক্রিকেটাররা আরও সুযোগ পাবেন বলে জানিয়েছেন দলটির প্রধান নির্বাচক অশান্ত ডি মেল। তিনি বলেন, আগামী প্রজন্মের পেসারদের যত্ন নেয়ার এটিই মোক্ষম সময়।
নাটকীয় জয়ে বিশ্বকাপ গেল ইংল্যান্ডে
১৫জুলাই২০১৯,সোমবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:দীর্ঘ ২৩ বছর পর বিশ্বকাপ গেল নতুন ঘরে। অস্ট্রেলিয়া শুনতে শুনতে যাদের বিরক্ত চলে আসছিল, তাদের এবার হাঁফ ছেড়ে বাঁচার পালা। বিশ্বকাপ গেল ক্রিকেটের জন্মভূমিতে। বিশ্বকাপের এগারটি আসরে তিনবার ফাইনাল খেললেও কোনোবার শিরোপা জেতেনি তারা। ১৯৭৯ তে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হার, ১৯৮৭ তে অস্ট্রেলিয়া আর ১৯৯২ তে পাকিস্তানের কাছে হারের পর ২৭ বছর ধরে সেমি-ফাইনালেও উঠতে পারেনি ইংলিশরা। আজ সেই সব আক্ষেপের ইতি টানল তারা। লর্ডসে টস জয়ী নিউজিল্যান্ড সিদ্ধান্ত নেয় আগে ব্যাট করার। অথচ ম্যাচ শুরুর আগেই হয়েছে বৃষ্টি। তাতেও সিদ্ধান্ত বদলায়নি কিউই অধিনায়কের। আগে ব্যাট করতে নেমে দিক হারিয়েছিল নিউজিল্যান্ডের ব্যাটাররা। দুই উদ্বোধনীর জুটি থেকে আসেনি বড় সংগ্রহ। টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই ধুকতে থাকা মার্টিন গাপটিলের উপর ফাইনাল ম্যাচেও বিশ্বাস রেখেছিল কিউই ম্যানেজমেন্ট। সেটার মর্যাদা দিতে পারেনি গাপটিল। মাত্র ১৯ রানে ক্রিস ওকসের বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে ফেরেন সাজঘরে। আরেক ওপেনার তখন কেন উইলিয়ামসনকে নিয়ে লড়াই করছেন ইংলিশ বোলারদের সঙ্গে। এই জুটি থেকে আসে ৭৪ রান। গোটা আসরে দলকে টেনে আনা উইলিয়ামসন আজ বড় কিছু দিতে পারেননি দলকে। মাত্র ৩০ রান করে ক্যাচ তুলে বিদায় নেন লিয়াম প্লাঙ্কেটের বলে। এরমধ্যে হ্যানরি নিকোলস তুলে নেন অর্ধশতক। তবে এগোতে পারেননি বেশিদূর। ৫৫ রানের মাথায় বোল্ড করে বিদায় করেন প্লাঙ্কেট। নিকোলসের বিদায়ের চাপ সামলে আর ঘুরে দারাতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। টম ল্যাথাম ৪৭ রান করলেও বাকি ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৪১ রা তুলতে পারে কিউইরা। ইংলিশদের হয়ে সমান ৩টি করে উইকেট নেন প্লাঙ্কেট ক্রিস ওকস। একটি করে উইকেট নেন জোফরা আর্চার আর মার্ক উড। স্বাগতিকদের সামনে লক্ষ্যটা মামুলিই হয়ে গেল বটে। ইংলিশরা যখন এই লক্ষ্য তাড়া করতে নামে তখন ২৪১ রান যেন ৩৪১ রানে ঠেকে! যে জেসন রয়ের উপর নির্ধিদায় আস্থা রাখা যায়, সেই রয়ও আজ ১৭ রানে ফেরেন ম্যাট হ্যানরির বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে। চাপের শুরু এখানেই। জো রুট মাত্র ৭ রান করে বিদায় নেন কলিন ডি গ্র্যান্ডওমের বলে ল্যাথামের হাতে ক্যাচ দিয়ে। জনি বেরিষ্টোও আজ হতাশ করে লর্ডসের কানায় কানায় ভরা গ্যালারির হাজারো মানুষকে। মাত্র ৩৬ রানে ফেরেন লকি ফার্গুসনের বলে বোল্ড হয়ে। এউইন মরগ্যানের ৯ রানে বিদায় যেন মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ার মতো। দলীয় রান তখন ৮৬ রান। এখান থেকেই ইংলিশদের ঘুরে দাঁড় করান আরেক নিউজিল্যান্ড বংশোদ্ভূত বেন স্টোকস আর জস বাটলার। দুইজনের জুটি থেমে ১১০ রানের জুটি গড়ে দলীয় ১৯৬ রানের মাথায়। জস বাটলার বিদায় নেন ৬০ বলে ৫৯ রান করে ফার্গুসনের বলে ক্যাচ দিয়ে। এরপর যেন স্টোকস একা হাতে নিজের পৈতৃক ভূমিকে হারানোর জন্য বদ্ধপরিকর হয়ে পড়েন। যার হাতে ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা হারিয়েছিল ইংল্যান্ড সেই স্টোকসের কাছেই যে আরও বড় অর্জন অপেক্ষা করছে সেটা কে জানত। শেষ পর্যন্ত লড়াই করে ৯৮ বলে ৮৪ রানের ইনিংস খেলে নাটকীয়ভাবে ম্যাচ টাই করেন স্টোকস। সুপার ওভারে ম্যাচ গড়ালে আগে ব্যাট করে ট্রেন্ট বোল্টের ওভারে ১৫ তোলে বেন স্টোকস (৮) আর জেসন রয় (৭)। ১৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে জোফরা আর্চারের ওভার মোকাবেলা করতে হয় কিউই দুই ব্যাটসম্যান মার্টিন গাপটিল আর জিমি নিশামকে। আর্চারের প্রথম ডেলিভারিতেই আসে ওয়াইডে ১রান, প্রথম বলে দুই রান নেন নিশাম। দ্বিতীয় বলে নিশামের লেগ প্রান্ত দিয়ে ছয়। পরের বলে আবারও আসে দুই রান। পঞ্চম বলে আসে ১ রান। শেষ বলে লাগে দুই রান। এখানেই ঝামেলা পাকায় দুই কিউ ব্যাটসম্যান। শেষ বলে দুই রান নিতে গিয়ে দ্বিতীয়বার প্রান্ত বদলের সময় রান আউট হয়ে যান গাপটিল। এখানেই হেরে যায় নিউজিল্যান্ড। নিউজিল্যান্ডের হয়ে ৩টি করে উইকেট নেন লকি ফার্গুসন ও জিমি নিশাম। ১টি করে উইকেট নেন ম্যাট হেনরি ও গ্র্যান্ডওম। এই ম্যাচকে নাটকীয় জয় বললেও বোধহয় ভুল হবে। অভিনন্দন ইংল্যান্ড। অভিনন্দন পাওয়ার দাবিদার নিউজিল্যান্ডও।
টস জিতে ব্যাটিংয়ে নিউজিল্যান্ড
১৪জুলাই২০১৯,রবিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বহুল প্রতীক্ষার ফাইনাল। লর্ডসে চোখ সবার। সেই চোখ শুরুতে খানিক ঝাপসা করে দিয়েছিল বৃষ্টি। এখন আর নেই বৃষ্টির চোখ রাঙ্গানি। একটু দেরিতে হলেও শুরু হয়েছে ম্যাচ। দীর্ঘ ২৩ বছর পর ক্রিকেট পেতে যাচ্ছে নতুন চ্যাম্পিয়ন। কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপের শিরোপা? শেষ হাসি হাসবে কে। তার আগে লর্ডসে টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিউজিল্যান্ড। বৃষ্টির সম্ভাবনা না থাকলেও হুট করেই বৃষ্টি নামে সকালে। পিচে আছে ঘাসও। দুইয়ে মিলে সুবিধাটা নিতেই চাইবে টসে হেরে বোলিং পাওয়া এউইন মরগ্যান। ইংল্যান্ড: জেসন রয়, জনি বেরিস্টো, জো রুট, ইয়ন মরগ্যান (অধিনায়ক), বেন স্টোকস, জস বাটলার (উইকেট-রক্ষক), ক্রিস ওকস, লিয়াম প্লাঙ্কেট, জোফরা আর্চার, আদিল রশিদ ও মার্ক উড। নিউজিল্যান্ড: মার্টিন গাপটিল, হেনরি নিকোলস, কেন উইলিয়ামসন (অধিনায়ক), রস টেলর, জিমি নিশাম, টম ল্যাথাম (উইকেট-রক্ষক), কলিন ডি গ্র্যান্ডওম, মিচেল স্যান্টনার, ম্যাট হেনরি, ট্রেন্ট বোল্ট ও লকি ফার্গুসন।
লর্ডসে আজ শিরোপাযুদ্ধ
১৪জুলাই২০১৯,রবিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ২৩ বছর পর নতুন চ্যাম্পিয়ন পেতে যাচ্ছে ক্রিকেট বিশ্ব। ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ভারত, অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার পর ষষ্ঠ দল হিসেবে বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট পরবে ছন্দময় ইংল্যান্ড অথবা উজ্জীবিত নিউজিল্যান্ড। ক্রিকেটের জনকদের সামনে সুযোগটা এসেছে এটা নিয়ে চতুর্থবার। আর দ্বিতীয়বার চূড়ান্ত লড়াইয়ের মওকা পেয়েছে নিউজিল্যান্ড। বিশ্বকাপের শিরোপা নির্ধারণী এ লড়াইতে কাল (১৪ জুলাই) মুখোমুখি হবে নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ড। হোম অফ ক্রিকেট- লন্ডনের লর্ডসে ফাইনালটি শুরু হবে বেলা সাড়ে তিনটায়। এ লড়াইতে নিউজিল্যান্ডের চোখ গেলোবার ফাইনালে হারার হতাশা ভুলে শিরোপা উৎসব করা। আর বেদনাময় দীর্ঘ প্রতীক্ষা অবসানের প্রত্যাশা ক্রিকেটের জনক ইংল্যান্ডের। ১৯৭৯, ১৯৮৭ ও ১৯৯২ সালে তিনবারই ফাইনাল থেকে শূন্য হাতে ফিরতে হয়েছে ইংলিশদের। প্রথমবার ওয়েস্ট ইন্ডিজ, দ্বিতীয়বার অস্ট্রেলিয়া ও তৃতীয়বার ইংলিশদের কাঁদিয়েছে পাকিস্তান। এরপর হতাশা নিমজ্জিত পরবর্তী ২৭ বছর আর শেষ লড়াইতে উঠতেই পারেনি থ্রি-লায়ন্সরা। অনুশীলনে ইংলিশদের চার কাণ্ডারি (বাঁ থেকে বেন স্টোকস, জনি বেয়ারস্টো, জো রুট ও ইয়ন মরগান: তবে এবার যেন পুনরুত্থিত হয়েছে ইংলিশ ক্রিকেট। ইয়ন মরগানের সেনাপতিত্বে একঝাঁক ক্রিকেট সৈন্য রয়েছে এই রেনেসাঁর পেছনে। ব্যাট হাতে এ বাহিনীর পরীক্ষিত সম্মুখ সৈন্য জনি বেয়ারস্টো ও জেসন রয়। প্রতিটি ম্যাচেই দারুণ শুরু এনে পরবর্তী ব্যাটিং সৈন্যদের কাজটা সহজ করে দেন দুজন। তাদের পরেই ভিত্তি হয়ে রয়েছেন এবারের ক্রিকেট যুদ্ধে ৫৪৯ রান সংগ্রহ করা জো রুট। ফাইনালে একটি ম্যাজিক ফিগারের দেখা পেলে টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কারের দাবিও করতে পারবেন রুট। বেন স্টোকস ও জস বাটলার শত্রুদের আতঙ্কের কারণ বনে যেতে পারেন যে কোনো সময়। বল হাতে আক্রমণ শানাতে এ আসরে ইংলিশদের রয়েছে একাধিক অস্ত্র। ক্রিস ওকসের শৃঙ্খলিত বোলিং রান আটকাতে দ্ব্যর্থহীন। তীক্ষ্ম বোলিংয়ে ১৯ উইকেট নিয়ে আসরের সর্বোচ্চ শিকারির তালিকায় তৃতীয় জোফরা আর্চার। ১৭ উইকেট নিয়ে নীরব ঘাতকের ভূমিকায় মার্ক উড। প্রয়োজনের সময় শত্রু বধ করার মুন্সীয়না দেখিয়েছেন লিয়াম প্লাঙ্কেট। আর আদিল রশীদের স্পিন যেন রহস্যময় মিসাইল।
ফাইনালে নিউজিল্যান্ড
১১জুলাই২০১৯,বৃহস্পতিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নিউজিল্যান্ডের দেয়া ২৪০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হলনা ভারতের। দলীয় রনের মাথায় ফিরে যান এবারের বিশ্বকাপে ৫টি সেঞ্চুরি করা ওপেনার রোহিত শর্মাকে। চার বলে ১ রান করে হেনরি বলে টম লাথাম হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। এরপর ফিরে যান অধিনায়ক কোহলি, কোহলির রাহুলও ১ রান করে বিদায় নেন। হেনরি ও ট্রেন্ট বোল্টের আঘাতে শুরুতে চরম বিপর্যয়ে ভারত। তবে বিপর্যয় থেকে কিছুটা উতড়ে ওঠার চেষ্টা করেন ঋষভ পান্থ ও দীনেশ কার্তিক। কিন্তু তাতে কোন লাভ হয়নি। নিউজিল্যান্ডের বোলিং তাণ্ডবে দাঁড়াতে পারেননি দীনেশ কার্তিক। ২৫ বল খেলে মাত্র ৫ রান করে হেনরি বলে ফিরে যান। হেনরি এরই মধ্যে ৩ উইকেট নিয়ে ভারতের ব্যাটিং লাইনে ধস নামিয়ে দিয়েছেন। দীনেশ কার্তিক ফিরে গেলে কিছুটা হলেও প্রতিরোধ করার চেস্টা করেন ঋষভ পান্থ। নিউজিল্যান্ডের বোলিং তাণ্ডব মোকাবেলা করে ৫৬ বলে ৩২ রান করেন। কিন্তু মিচেল স্যান্টনার বলে কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। এরপর ব্যাট হাতে দলের হাল ধরেন জাদেজা ও ধোনি। ব্যাট হাতে দুর্দান্ত খেলে যাচ্ছেন এই দুইজন। ৩৯ বলে ৩ চার ও ৩ ছয়ে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন জাদেজা। শেষ পর্যন্ত লড়াই করে ৪টি ছয় ও ৪টি চারে ৫৯ বলে ৭৭ বলে ট্রেন্ট বোল্ট বলে ফিরে যান। অন্যদিকে, ৭৭ বলে ৫০ রান করে রান আউট হয়ে ফিরে যান ধোনি। এরপর ফার্গুসনের বলে কোন রান না ফিরে যান ভুবেনেশ্বর কুমার। ৫ রান করে জেমস নিশামের বলে ফিরে যান চাহাল। চাহালের বিদায়ে ১৮ রানে হেরে ২০১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালে ওঠতে ব্যর্থ হল ভারত। আর এই জয়ে পরপর দুইটি বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠলো নিউজিল্যান্ড। এর আগে বিশ্বকাপের মাঝে বৃষ্টি হানা দিলেও কয়েক দিন বিরতি ছিল। ফের বিশ্বকাপে হানা দিয়েছে বৃষ্টি। এর কবলে পড়ে মঙ্গলবার ভারত-নিউজিল্যান্ড সেমিফাইনাল গড়িয়েছে রিজার্ভ ডেতে। ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে গতকাল ৪৬.১ ওভার খেলা হয়েছে। এসময়ে ৫ উইকেটে ২১১ রান তুলেছেন কিউইরা। বুধবার সেখান থেকেই খেলা শুরু হলো। রস টেইলর ৬৭ ও টম লাথাম ৩ রান নিয়ে ব্যাটিং শুরু করেন। কিন্তু বেশি এগিয়ে নিতে পারেননি তারা। রস টেইল আউট হলে যাওয়া আসার মধ্যে থাকে সবাই। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৩৯ রান করে নিউজিল্যান্ড। জয়ের জন্য ভারতের প্রয়োজন ২৪০ রান। এর আগে বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে মঙ্গলবার (৯ জুলাই) মাঠে নেমেছে নিউজিল্যান্ড ও ভারত। বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩:৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এই ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন কিউই অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। ব্যাট করতে নেমে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি নিউজিল্যান্ডের। ১৪ বলে ১ রান করে বুমরাহর বলে কোহলির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন গাপটিল। এরপর দলের ব্যাটিং বিপর্যয় সামলে ধীরগতিতে এগিয়ে যেতে থাকেন উইলিয়ামসন ও নিকোলস। তবে সেই জুটিতে আঘাত করেন জাদেজা। ৫১ বলে ২৮ রান করে জাদেজার বলে বোল্ড হয়ে সাঝঘরে ফিরেন নিকোলস। তবে দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ে হাফসেঞ্চুরি করেন অধিনায়ক উইলিয়ামসন। তিনি ৭৯ বলে ৪ চারে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। তবে ব্যক্তিগত ৬৭ রানে চাহালের বলে জাদেজার হাতে তালুবন্ধি হয়ে ফিরেন তিনি। উইলিয়ামসনের ফেরার পর ফিরে যান নিশামও। তিনি ১২ রান করে হার্দিকের বলে দীনেশ কার্তিকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন তিনি। অন্যদিকে ৭৩ বলে ২ চার ও ১ ছয়ে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন টেইলর। এরপর ১৬ রান করে ভুবির বলে ধোনির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন গ্র্যান্ডহোম। এরপর ম্যাচে বৃষ্টি আঘাত হানে।
রোববার দেশে ফিরছেন টাইগাররা
৬জুলাই২০১৯,শনিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্বকাপ স্বপ্নের মৃত্যু হয়েছে আগের ম্যাচে ভারতের বিপক্ষেই। পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল নিতান্তই নিয়ম রক্ষার। যদিও বিশ্বকাপে মাশরাফি বিন মুর্তজার শেষ ম্যাচ বলে সেটা আর নিয়ম রক্ষার থাকেনি। এ ছাড়া পাকিস্তানের হুমকি-ধামকি বলছিল, জমে উঠতে পারে লড়াই। কিন্তু লর্ডসে জমেনি লড়াই, ফলও আসেনি পক্ষে। বিশ্বকাপে নিজেদের শেষ ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৯৪ রানে হেরে গেছে বাংলাদেশ। সব থেকে অভিজ্ঞ দল নিয়ে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল বাংলাদেশ। প্রত্যাশা ছিল অনেক বড়, তারাও চেয়েছিলেন আসরটাকে নিজেদের মত করে শেষ করতে। ভারতের বিপক্ষে হারে সেমিফাইনালের স্বপ্ন শেষ হয়ে গেলেও পাকিস্তানের বিপক্ষে সুযোগ ছিল বিশ্বকাপে নিজেদের সর্বোচ্চ সাফল্য অর্জন করে দেশে ফেরার। এখন পর্যন্ত কোন আসরে ৩টির বেশী ম্যাচ জেতা হয়নি বাংলাদেশের। এবারের আসরে দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং আফগানিস্তানকে হারিয়ে ৩টি জয় আগেই তুলে নিয়েছিল মাশরাফি বিন মুর্তজার দল। পাকিস্তানকে হারালেই পঞ্চম স্থানে থেকে বিশ্বকাপ শেষ করার পাশাপাশি ইংল্যান্ড বিশ্বকাপকে নিজেদের ক্রিকেট ইতিহাসের আরেকটি বড় সাফল্য বলা যেত। কিন্ত শেষ পর্যন্ত সেটা হয়নি। বিশ্বকাপে নিজের শেষ ম্যাচ খেলতে নামা মাশরাফি লর্ডসে অধিনায়ক হিসেবে পরাজিত দলের সদস্য হিসেবে মাঠ ছাড়লেন। লর্ডসের মাঠে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে পাকিস্তানের বিপক্ষে মাত্র ২২১ রানেই গুটিয়ে গেল টাইগাররা। ৯৪ রানের বড় ব্যবধানে হারলেও এদিন পাকিস্তানকেও সেমিফাইনালে যেতে দেয়নি বাংলাদেশ। মাঠের খেলায় প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেনি টাইগারদের। যে কারণে সেমিফাইনাল রাউন্ড শুরু হওয়ার আগেই দেশের বিমান ধরবেন মাশরাফি-সাকিবরা। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে যেতে না পারার কারণেই মূলত এত তড়িঘড়ি করে ফেরা হচ্ছে দেশে। দলের নির্ভরযোগ্য সুত্রে জানা গিয়েছে রবিবার বাংলাদেশ সময় বিকাল ৫টা ২০ মিনিট রাজধানীর হযরত শাহজালাল (র) বিমানবন্দরে অবতরণ করবে টাইগাররা। এর আগে লন্ডন থেকে শনিবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৩০ মিনিট (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে) এমিরেটসের ফ্লাইটে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা হবে দল। যাত্রাপথে দুবাইতে ট্রানজিট করে পরে ঢাকায় আসবেন তারা। আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজ ও ইংল্যান্ড-ওয়েলসে বিশ্বকাপ খেলার উদ্দেশ্যে গত ১ মে তারিখে দেশ ছেড়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। প্রায় সোয়া দুই মাসের লম্বা সফর শেষে রোববার দেশে ফিরছেন তারা। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে সঙ্গে নিয়ে খেলা আয়ারল্যান্ডের ত্রিদেশীয় সিরিজের চ্যাম্পিয়ন হলেও, বিশ্বকাপে মেলেনি আশানুরূপ ফল। সেমিফাইনাল খেলার লক্ষ্য নিয়েছে ৯ ম্যাচে মাত্র ৩টিতে জিতেছে টাইগাররা। একটি পরিত্যক্ত ম্যাচসহ ঝুলিতে জমা পড়েছে মাত্র ৭ পয়েন্ট।
নতুন বলটা ব্যবহার করা জরুরি: কোর্টনি ওয়ালশ
২জুলাই২০১৯,মঙ্গলবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সেমিফাইনালের যুদ্ধে টিকে থাকতে হলে ভারতের বিপক্ষে জিততেই হবে বাংলাদেশকে। এই ম্যাচে সাফল্য পেতে হলে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বোলিংয়েও ভালো করতে হবে। এই ম্যাচে নতুন বলে ভালো করা খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন দলের পেস বোলিং কোর্টনি ওয়ালশ। ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে সাংবাদিকদের ওয়ালশ বলেন,আমাদের শুরুতেই ভালো বল করতে হবে। নতুন বলটা ব্যবহার করা খুব জরুরি। ম্যাচের পিচ নিয়ে পেস বোলিং কোচ বলেন,দেখি, বার্মিংহ্যামের আবহাওয়া কেমন থাকে। যদি মনে হয় বল ঘুরবে, শুরুতে উইকেট তোলার জন্য স্পিনার আনতে পারি। কিন্তু যদি বল সুইং করে, তাহলে পেসাররা বল করবে। মাঠে গিয়েই সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা সম্পর্কে ওয়ালশ বলেন,আমি জানি সে বেশি উইকেট পায়নি, কিন্তু এটিই তো শেষ কথা নয়। তা ছাড়া তার উইকেট পাওয়া নিয়ে আমি চিন্তিত নই। লাইন-লেস্থ ঠিক রাখলে, ব্যাটসম্যানদের মারার সুযোগ না দিলেই আমি সন্তুষ্ট। বোলিং উদ্বোধন কে করবেন, এ সম্পর্কে সাবেক এই ক্যারিবীয় পেসার বলেন,নতুন বলে বল করার জন্য সবাই প্রস্তুত। দলে তিনজন পেসার খেলছে। এঁদের মধ্যে যে কেউ বল ওপেন করবে। সাত ম্যাচে সমান তিন জয়-পরাজয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশ এখন ষষ্ঠ অবস্থানে। আগামীকাল নিজেদের অষ্টম ম্যাচে শক্তিশালী ভারতের মুখোমুখি হবে টাইগাররা। শেষ চারের আশা বাঁচিয়ে রাখতে হলে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি জিততেই হবে বাংলাদেশকে। ভারতকে ঠেকাতে পারলে পাকিস্তানের সমান ৯ পয়েন্ট হবে বাংলাদেশের। এরপর তাকিয়ে থাকতে হবে পাকিস্তান ম্যাচের দিকে। কারণ ভারতকে হারালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচটি হবে অলিখিত কোয়ার্টার ফাইনাল। শুক্রবার সেই ম্যাচে পাকিস্তান-বাংলাদেশের মধ্যে যে জিতবে, সেই চলে যেতে পারে শেষ চারে। কিন্তু এর মধ্যেও রয়েছে আরো হিসাব। পাকিস্তানকে হারালেও বাংলাদেশের সেমিফাইনাল খেলা অনেকটাই নির্ভর করবে নিউজিল্যান্ড-ইংল্যান্ড ম্যাচের ফলের ওপর। ৩ জুলাইয়ের সেই ম্যাচ ইংল্যান্ড জিতে গেলে সেমিফাইনালের স্বপ্ন শেষ হয়ে যেতে পারে বাংলাদেশের।
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সেমির সমীকরণ কঠিন করল ইংল্যান্ড
১জুলাই ২০১৯,সোমবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জমে উঠেছে আইসিসি বিশ্বকাপের শেষ চারের সমীকরণ। গতকাল রোববার এজবাস্টনে ভারতকে ৩১ রানে হারিয়ে সেমিফাইনালের হিসাব-নিকাশ জটিল করে ফেলেছে ইংল্যান্ড। ইংরেজদের এই জয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সেমিফাইনালে খেলার সম্ভাবনা কঠিন হয়ে গেছে। আট ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলে স্বাগতিকদের অবস্থান এখন চতুর্থ স্থানে। ৩ জুলাই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে এউইন মরগানের দল। ওই ম্যাচে জয় পেলেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যাবে ইংল্যান্ডের। তাদের পয়েন্ট হবে ১২। অন্যদিকে, বাংলাদেশ তখন যদি ভারত ও পাকিস্তানের বিপক্ষে জয়ও পায়, তাহলেও সেমিতে যেতে পারবে না। কারণ, বাংলাদেশের পয়েন্ট হবে ১১। পাকিস্তানের ক্ষেত্রেও তাই। তাদের পয়েন্ট এখন ৯। তারা যদি বাংলাদেশকে হারিয়ে দেয়, তবে তাদের পয়েন্ট হবে ১১। এদিকে, ইংল্যান্ড যদি নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে যায়, আর বাংলাদেশ যদি ভারত ও পাকিস্তানকে হারাতে পারে, সে ক্ষেত্রে সেমিতে যাবে টাইগাররা। আর যদি ইংল্যান্ড ও বাংলাদেশ তাদের পরবর্তী ম্যাচগুলোতে পরাজিত হয়, তাহলে সেমির টিকেট পাবে পাকিস্তান। তবে ইংল্যান্ড যদি হেরেও যায় আর বাংলাদেশ যদি শুধু পাকিস্তানের বিপক্ষে জয়লাভ করে, তাহলে শেষ চারে পৌঁছে যাবে ভারত, নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়া আগেই সেমির টিকিট নিশ্চিত করেছে। সেমিতে ইংল্যান্ড, বাংলাদেশ নাকি পাকিস্তান যাবে তার জন্য আপাতত মঙ্গলবার ভারত ও বাংলাদেশ ম্যাচ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। ওই ম্যাচে যদি বাংলাদেশ জয়লাভ করে, তাহলে ৩ জুলাই নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের ম্যাচের দিকে সবাইকে তাকিয়ে থাকতে হবে। ৩ জুলাইয়ের ম্যাচে ইংল্যান্ড জিতলে করলে সব হিসাব-নিকাশ শেষ হয়ে যাবে।
সেমির সমীকরণটি কেমন হবে বাংলাদেশের?
৩০জুন২০১৯,রবিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জমে উঠেছে চলতি বিশ্বকাপের শেষ চারে ওঠার লড়াই। এখন পর্যন্ত সেমিফাইনাল নিশ্চিত করা একমাত্র দল অস্ট্রেলিয়া। আট ম্যাচের সাতটিতে জিতে অসিদের পয়েন্ট ১৪। পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে আছে ভারত। ছয় ম্যাচ খেলে পাঁচটিতে জয় ও একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় তাদের পয়েন্ট ১১। আট ম্যাচে পাঁচ জয় ও দুই হার নিয়ে তৃতীয় স্থানে থাকা নিউজিল্যান্ডের পয়েন্টও ১১। আর টেবিলের চতুর্থ স্থানে উঠে আসা পাকিস্তানের পয়েন্ট ৯। আট ম্যাচ খেলে চারটি ম্যাচে জয় পেয়েছে তারা। একটি ম্যাচ বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়ে গেছে পাকিস্তানের। আজ রোববার বিশ্বকাপের একমাত্র ম্যাচে খেলতে নামছে ভারত ও স্বাগতিক ইংল্যান্ড। আজ জিতলেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যাবে ভারতের। অন্যদিকে, জয় চাইবে ইংল্যান্ডও। কারণ, সেমির টিকেট পেতে চাইলে আজকের ম্যাচসহ বাকি অন্য ম্যাচটিও জিততে হবে ইংল্যান্ডকে। বাংলাদেশের জন্য এখন সেমিফাইনালের পথের হিসাব অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে গেছে। টাইগারদের শেষ চারের হিসাবটি এখন এমন : * পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশকে শেষ ম্যাচটি জিততেই হবে। * ইংল্যান্ড তাদের বাকি দুটি ম্যাচ (আজকের ম্যাচটিসহ) হারলে বাংলাদেশ কেবল শেষ ম্যাচ, অর্থাৎ পাকিস্তানের বিপক্ষে জিতেই সেমিতে যেতে পারবে। * ইংল্যান্ড নিজেদের বাকি দুটি ম্যাচই জিতলে অন্য কোনো দলের সেমিতে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। * ইংল্যান্ড তাদের দুটি ম্যাচের একটি জিতলে এবং বাংলাদেশ যদি ভারতের বিপক্ষে হেরে যায়, তাহলে ইংল্যান্ডকে অপেক্ষা করতে হবে পাকিস্তান বনাম বাংলাদেশ ম্যাচের ফলের জন্য। ওই ম্যাচে পাকিস্তান জিতলে তারাই উঠে যাবে সেমিতে। আর বাংলাদেশ জিতলে ইংল্যান্ডই উঠবে সেমিতে। * অন্যদিকে শ্রীলঙ্কা তাদের বাকি দুই ম্যাচের দুটোই জিতলে এবং বাংলাদেশ ভারতের কাছে হেরে পাকিস্তানের বিপক্ষে জিতলে এবং ইংল্যান্ড তাদের দুটি ম্যাচই হেরে গেলে শ্রীলঙ্কাই সেমিতে উঠে যাবে। * আর বাংলাদেশ যদি ভারতকে হারিয়ে দিতে পারে এবং ইংল্যান্ড যদি আজ ভারতের কাছে হারে, তাহলে বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান ম্যাচে যে দল জিতবে, সে দলই শেষ চারে জায়গা করে নেবে। এখন বাংলাদেশের জন্য সহজতম হিসাব হলো, ইংল্যান্ড তাদের দুটি ম্যাচই হারলে এবং শ্রীলঙ্কা একটি ম্যাচে হারলে, বাংলাদেশ ভারতের কাছে হারলেও পাকিস্তানের বিপক্ষে শেষ ম্যাচ জিতলেই সেমিফাইনালে চলে যাবে।

খেলাধূলা পাতার আরো খবর