কে হচ্ছেন মাশরাফি পরবর্তী ওয়ানডে অধিনায়ক?
০৭মার্চ,শনিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কে হচ্ছেন অধিনায়ক মাশরাফি পরবর্তী বাংলাদেশ দলের ওয়ানডে অধিনায়ক? এমন প্রশ্নের জবাবে শুক্রবারের সংবাদ সম্মেলনে মাশরাফি পরামর্শ দিয়েছেন সিনিয়র কাউকে যেন দায়িত্ব দেওয়া হয়। মাশরাফির জায়গা নিতে দৌঁড়ে আছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও তামিম ইকবাল। সম্প্রতি অধিনায়কত্বের প্রস্তাব সম্পর্কে গণমাধ্যমে ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন মুশফিকুর রহিমও। আর তাতেই চটেছেন আকরাম খান। এদিকে, ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান নিশ্চিত করেছেন ৮ মার্চ বোর্ড সভাতে দায়িত্ব পাবেন রিয়াদ-তামিমের মত সিনিয়র কেউ। তবে অধিনায়ক হতে মুশফিকের আগ্রহ বোর্ডকে না জানানোয় ক্ষুব্ধ তিনি। আগামীকাল রবিবার বোর্ড সভায় নির্ধারিত হবে কে হচ্ছেন মাশরাফির উত্তরসুরী? যার নেতৃত্বে পাকিস্তান যাবে টাইগাররা, একমাত্র ওয়ানডে খেলতে!
ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জুটির রেকর্ড
০৬মার্চ,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শাহরিয়ার হোসেন বিদ্যুৎ-মেহরাব হোসেন অপির সর্বোচ্চ ওপেনিং জুটির পর যেকোনো উইকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের জুটিও ভাঙলেন তামিম ইকবাল-লিটন দাস।৩৮তম ওভারের প্রথম বলে ছক্কা হাঁকান লিটন। আর তাতেই ধরা দিল মাইলফলক। ২০১৭ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পঞ্চম উইকেটে ২২৪ রানের জুটি গড়েন সাকিব আল হাসান-মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। যেটিকে দুইয়ে নামিয়ে দিলেন তামিম-লিটন। এরপর যেকোনো উইকেটে সর্বোচ্চ জুটিগুলো হলো দ্বিতীয় উইকেটে ইমরুল-সৌম্য সরকারের ২২০ ও তামিম-সাকিবের ২০৭, চতুর্থ উইকেটে সাকিব-লিটনের ১৮৯ ও তৃতীয় উইকেটে তামিম-মুশফিকের ১৭৮। ১৯৯৯ সালের ২৫ মার্চ ঢাকার বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ওপেনিং জুটিতে ১৭০ রানের জুটি গড়েছিলেন মেহরাব হোসেন অপি ও শাহরিয়ার হোসেন বিদ্যুৎ। সিলেটে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে ৩৮ম ওভারে ছক্কা হাঁকিয়ে সর্বোচ্চ জটির রেকর্ডটি গড়েন তামিম। দলীয় ২৯২ রানে লিটনের বিদায়ে ভাঙে এই জুটি। ১৪৩ বলে ১৭৬ রান করেন লিটন। যেটি বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের রেকর্ড।
টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা বাংলাদেশের
০৫মার্চ,বৃহস্পতিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য দল ঘোষণা করেছে। আগামী ৯ মার্চ প্রথম ম্যাচ এবং দ্বিতীয় ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ১১ মার্চ। ওয়ানডের পর চোট কাটিয়ে টি-টোয়েন্টি দলেও ফিরেছেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন। সিরিজে নতুন মুখ হিসেবে থাকছেন বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ। টি-টোয়েন্টি দল: মাহমুদউল্লাহ (অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, মোহাম্মদ নাঈম শেখ, লিটন দাস, আফিফ হোসেন, মেহেদি হাসান, আমিনুল ইসলাম বিপ্লব, মুস্তাফিজুর রহমান, শফিউল ইসলাম, আল আমিন হোসেন, হাসান মাহমুদ, মুশফিকুর রহিম, মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, নাসুম আহমেদ।
জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ
০১মার্চ,রবিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জিম্বাবুয়কে হারিয়ে ইতিহাস সৃস্টি করলো বাংলাদেশ। ৩৯.১ ওভারে ১৫২ রানে আফ্রিকান প্রতিপক্ষকে অলআউট করে রেকর্ড ১৬৯ রানে জিতেছে বাংলাদেশ। এর আগে তারা সর্বোচ্চ ১৬৩ রানে জিতেছিল শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২০১৮ সালে ঢাকায়। রোববার সিলেটে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে লড়ে লিটন দাসের দ্বিতীয় সেঞ্চুরিতে ৬ উইকেটে ৩২১ রান করে বাংলাদেশ। যা জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তাদের সর্বোচ্চ রান। প্রচণ্ড গরমে কাহিল হওয়া লিটন ৩৭তম ওভারে ১২৬ রানে রিটায়ার্ড হার্ট হন। মোহাম্মদ মিঠুনের ফিফটি এবং মাহমুদউল্লাহ ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের ছোটখাটো ঝড় বাংলাদেশকে এনে দেয় চ্যালেঞ্জিং স্কোর। মিঠুন করেন ৪১ বলে ৫০ রান। ২৮ বলে ৩২ রানে মাহমুদউল্লাহ আউট হলেও সাইফ ১৫ বল খেলে ২৮ রানে অপরাজিত ছিলেন। বড় লক্ষ্য দেওয়ার পর জিম্বাবুয়ের উদ্বোধনী জুটি ভাঙতে বাংলাদেশের লেগেছে মাত্র ১০ বল। দ্বিতীয় ওভারে তিনাশে কামুনহুকামবেকে বোল্ড করেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। তাতে ১ রানে বিদায় নেন ওপেনার, দলের স্কোরও ছিল একই। অষ্টম ওভারের প্রথম বলে চামু চিভাভাকে এলবিডাব্লিউর আবেদন করে সফল হন সাইফ। কিন্তু রিভিউ নিয়ে সিদ্ধান্ত পাল্টে দেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক। তিনি বাঁচলেও ওই ওভারেই রিভিউ নিয়ে একটি উইকেট পান ডানহাতি ফাস্ট বোলার। রেগিস চাকাভার বিরুদ্ধে এলবিডাব্লিউর আবেদনে আম্পায়ার না বলে দেন, এবার রিভিউ নিয়ে সফল হয় বাংলাদেশ। ১১ রানে মাঠ ছাড়েন জিম্বাবুয়ান ব্যাটসম্যান। পরের ওভারে মাশরাফি মুর্তজা নেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক চিভাভার উইকেট। মিড অনে মাহমুদউল্লাহ ক্যাচ নেন। ১০ রানে ফেরেন জিম্বাবুয়ের ওপেনার। গত বিশ্বকাপে ৫ জুলাই লর্ডসে পাকিস্তানের বিপক্ষে এর আগে শেষবার বাংলাদেশের জার্সিতে খেলেন মাশরাফি। ৮ মাস পর মাঠে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট উদযাপন করলেন। তাইজুল ইসলাম ৭ মাস পর মাঠে নেমেই ব্রেন্ডন টেলরের গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নিয়ে নেন। ১৫ বলে ৮ রান করে বোল্ড হন টেলর। ৪৪ রানে জিম্বাবুয়ে হারায় ৪ উইকেট। এরপর জিম্বাবুয়ে প্রতিরোধ গড়ে সিকান্দার রাজা ও ওয়েসলি মাধেভেরের জুটিতে। স্কোরবোর্ডে ৩৫ রান যোগ করে ভেঙেছে এ জুটি। মোস্তাফিজুর রহমানের বলে ডিপ মিডউইকেট বাউন্ডারিতে মাহমুদউল্লাহর ক্যাচ হন সিকান্দার, করেন ১৮ রান। পরের ওভারে মেহেদী হাসান মিরাজ ফেরান মাধেভেরেকে। ৪৪ বলে ৫ চারে ৩৫ রান করে মাশরাফির হাতে ধরা পড়েন জিম্বাবুয়ান ব্যাটসম্যান। ৮৪ রান করতেই ৬ উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। ১০৬ রানে জিম্বাবুয়ের সপ্তম উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ রান আউট করে। নাজমুল হোসেন ও মুশফিকুর রহিমের যোগসাজশে স্ট্রাইকার্স এন্ডে রিচমন্ড মুতুম্বামি আউট হন ১৭ রানে। দুই ওভার পর ডোনাল্ড তিরিপানো ফিরতি ক্যাচ তুলে দেন মেহেদী হাসান মিরাজকে। মাত্র ২ রান করেন তিনি। এরপর সাইফ তার শিকার বানান কার্ল মুম্বাকে ১৩ রানে বোল্ড করে। মাশরাফি তার সপ্তম ওভারে তিনোতেন্দা মুতুম্বোজিকে আউট করলে জিম্বাবুয়ে অলআউট হয়ে যায়।
লিটনের শতকে জিম্বাবুয়েকে ৩২২ রানের টার্গেট
০১মার্চ,রবিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিলেটে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে লিটন দাসের হার না মানা শতকে সফরকারী জিম্বাবুয়েকে ৩২২ রানের বড় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। তবে সাতমাস পর ওয়ানডে খেলতে নেমে এদিনও অনুজ্জ্বল ছিলেন অভিজ্ঞ তামিম ইকবাল। এদিন টস জিতে ব্যাটিং নেমে রোমাঞ্চকর সূচনা করেন দুই ওপেনার। উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৬০ রান। একপ্রান্তে লিটন দাস চালিয়ে খেললেও ধীর গতিতে ছিলেন তামিম। দলীয় ৬০ রানের মাথায় উইসলি মাধেভেরের অফ ব্রেক বলে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়ে বিদায় নেন বামহাতি ওপেনার তামিম ইকবাল। ৪৩ বল খেলে মাত্র ২৪ রান নিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। তবে শুরু থেকে বিপরীত অন্যপ্রান্ত। স্বপাটে চালিয়ে যান লিটন দাস। দীর্ঘ বিরতির পর খেলতে নেমে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় শতক তুলে নেন এ ডানহাতি ব্যাটসম্যান। ৯৬ বল মোকাবেলা করে ১০ চার ও এক ছয়ে ঝলকানো ইনিংস উপহার দেন তিনি। কিন্তু হাটুতে আঘাত পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত ম্যাচ খেলতে পারেননি লিটন। এর আগে তামিমের বিদায়ের পর নাজমুল হাসান শান্তর সঙ্গে ৮০ রানের জুটি গড়েন লিটন। কিন্তু দলীয় ১৪০ রানের মাথায় আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্তের শিকার হয়ে মুতম্বোদজির বলে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন শান্ত। আউট হন ২৯ রানে। তার বিদায়ের পর লিটনের সঙ্গে দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের ইঙ্গিত দেন মুশফিকুর রহিম। তবে বেশিদূর যেতে পারলেন সফরকারীদের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি পাওয়া মুশফিকুর রহিম। ত্রিপানোর বলে মুতম্বোদজির হাতে ব্যক্তিগত ১৯ রানে তালুবন্দি হন মি. ডিপেন্ডাবল। সেখান থেকে চতুর্থ জুটিতে ৯২ রানের এক অনবদ্য ইনিংস খেলেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ও মোহাম্মদ মিঠুন। কিন্তু দলীয় ২৭৪ রানের মাথায় এমপোফুর বলে আবারও এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে উইকেটে বিলিয়ে দেন রিয়াদ। ২ চার ও এক ছয়ে ৩২ রান করেন তিনি। তবে থেমে থাকেননি মিঠুন। শেষের ৪৭ দশমিক ৫ ওভারে সাজঘরে ফেরার আগে ৫ চার ও এক ছয়ে ৪১ বলে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের পঞ্চম অর্ধশতক তুলে নেন এ ব্যাটসম্যান। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ৩২১ রানে থামে টাইগারদের ইনিংস। জিম্বাবুয়ের পক্ষে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নেন এমপোফু। দীর্ঘ সাত মাস পর আজ মাঠে নেমেছে টাইগাররা। গুরুত্বপূর্ণ এ সিরিজ দিয়েই ক্রিকেটকে বিদায় জানাবেন লাল সবুজদের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। গুরুত্বপূর্ণ এ ম্যাচে দলে আনা হয় ব্যাপক পরিবর্তন। গত বছরের জুলাইয়ে শ্রীলঙ্কা সফরে টাইগার একাদশে থাকা এনামুল হক বিজয়, সৌম্য সরকার, সাব্বির রহমান ও রুবেল হোসেনকে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দলে রাখা হয়নি। তাদের জায়গায় দলে ডাক পান মাশরাফি, সাইফউদ্দিন ও লিটন দাস। বোলিং আক্রমণে বাংলাদেশ সাইফুদ্দিনকে মূল বোলার করে রাখা হয়েছে মুস্তাফিজুর রহমানকে। স্পিনে রাখা হয়েছে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজকে। কাপ্তান মাশরাফির বিদায়ের সিরিজকে রঙিন করে রাখতে সব ম্যাচে জয় চায় টাইগাররা। এক্ষেত্রে ম্যাচ বাই ম্যাচ আগাতে চান মাশরাফি।
জিম্বাবুয়েকে ইনিংস ব্যবধানে হারাল বাংলাদেশ
২৫ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: টানা ছয় ম্যাচ হারের পর ক্রিকেটের অভিজাত সংস্করণ টেস্ট ক্রিকেটে অবশেষে জয়ের মুখ দেখল বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়েকে ইনিংস ও ১০৬ রানে হারায় টাইগাররা। মুশফিক-মুমিনুলের অনবদ্য ব্যাটিংয়ের পর বোলিংয়ে নাঈম-তাইজুলের অবিশ্বাস্য বোলিংয়ে বড় জয় পায় লাল সবুজের প্রতিনিধিরা। প্রথম ইনিংসে জিম্বাবুয়েকে ২৬৫ রানের মধ্যে আটকে রাখার পর ব্যাট করতে নেমে ৫৬০ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। ২৯৫ রানের লিডে খেলতে নেমে গতকাল সোমবার শেষ বিকেলে প্রথম দুই বলেই দুই উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। আজ মঙ্গলবার চতুর্থ দিন দুপুর গড়ানোর আগেই ১৮৯ রানে সবকটি উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। দিনের শুরুতে ষষ্ঠ ওভারে কাসুজাকে ফেরান তাইজুল ইসলাম। দ্বিতীয় স্লিপে মোহাম্মদ মিথুনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ব্যক্তিগত ১০ রানে সাজঘরে ফেরেন কাসুজা। তখনো মাঠে ছিলেন অভিজ্ঞ টেইলর। এবার আঘাত হানেন নাঈম হাসান। টেইলরকে তাইজুলের হাতে ক্যাচ বানিয়ে সাজঘরে পাঠান তিনি। টেইলরের ব্যাট থেকে আসে ১৭ রান। দুজন দিনের শুরুতে ফিরে গেলেও প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করা ক্রেইগ আরভিন খেলছিলেন দুর্দান্ত। মুমিনুলের দুর্দান্ত থ্রোতে বেশিদূর যেতে পারেননি, রানআউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন ৪৩ রান করেই। মুমিনুলের দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ের পর এবার মুশফিকের বাতাসে ভেসে ধরা ক্যাচে সাজঘরে গেলেন সিকান্দার রাজা। তাইজুলের বলে মিড উইকেটে উড়ে গিয়ে এই ক্যাচ ধরেন মুশফিক। আউট হঅয়ার আগে সিকান্দার রাজার ব্যাট থেকে আসে ৩৭ রান। একে একে চাকাবা, এনডল্বু ও মারুমারা ফ্রেন সাজঘরে। মারুমার ব্যাট থেকে আসে ৪১ রান। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও দুর্দান্ত বোলিং করেন নাঈম হাসান। এই স্পিনার একাই নেন পাঁচ উইকেট। এ ছাড়া তাইজুল নেন চার উইকেট। টাওগারদের হয়ে সর্বোচ্চ ২০৩ রান করে অপরাজিত ছিলেন মুশফিক। ৩১৫ বলে ৪৩৪ মিনিটে ২৮টি চারে তিনি ডাবল সেঞ্চুরি করেন। একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে তিনটি ডাবলের মালিক মুশফিক। ১৩২ রান করে সাজঘরে ফেরেন মুমিনুল হক। মুমিনুলের আউটের পর ক্রিজে এসে বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি মোহাম্মদ মিথুন। ১৭ রান করে আউট হয়েছেন তিনি। লিটন দাসের ব্যাট থেকে আসে ৫৩ রান। তাইজুল ১৪ রান করে মুশফিকের সঙ্গে অপরাজিত থাকেন। জিম্বাবুয়ের হয়ে সর্বোচ্চ দুই উইকেট নেন এনডলবু। এর আগে গত শনিবার প্রথম ইনিংসে টস জিতে ব্যাটিং করতে নেমে অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিনের সেঞ্চুরিতে ভর করে ২৬৫ রান করে জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশের হয়ে চারটি করে উইকেট নেন আবু জায়েদ রাহী ও নাঈম হাসান।
কথা রাখলেন মুমিনুল
২৪ফেব্রুয়ারী,সোমবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের তৃতীয় দিনে টেস্ট ক্যারিয়ারের নবম সেঞ্চুরি তুলে নেন মুমিনুল হক। টেস্ট শুরুর আগের দিন, গত শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে টাইগার অধিনায়ক বলেছিলেন কথা দিচ্ছি আমাদের টিমের কেউ সেঞ্চুরি, ডাবল সেঞ্চুরি কিংবা ট্রিপল সেঞ্চুরি করবে। কথা দিলাম কেউ একজন বড় ইনিংস খেলবে, ইনশাল্লাহ। প্রায় ১ বছর ৩ মাস পর দেখা পেলেন সেঞ্চুরি মুমিনুল। ২০১৮ সালের ২২ নভেম্বর চট্টগ্রামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১২০ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। তবে এই সেঞ্চুরিটির অলাদা একটি গুরুত্ব রয়েছে। অধিনায়ক হিসেবে প্রথম সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। দেশের হয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ ৯টি সেঞ্চুরি করেছেন মুমিনুল। তবে সবকটি সেঞ্চুরি দেশের মাটিতে। ছয়টি সেঞ্চুরি করেছেন চট্টগ্রামে বাকি তিনটি সেঞ্চুরি ঢাকায়।
রাহী-তাইজুল দাপটে ২৬৫ রানে অলআউট জিম্বাবুয়ে
২৩ফেব্রুয়ারী,রবিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই লণ্ডভণ্ড জিম্বাবুয়ে। এদিন মাত্র ৩৯ রান যোগ করে ২৬৫ রানে থেমে যায় তাদের প্রথম ইনিংস। এদিন প্রথমদিনের ন্যায় দ্বিতীয় দিনেও জিম্বাবুয়ে শিবিরে প্রথম আঘাত হানেন আবু জায়েদ রাহী। আর শেষ শিকার করেন তাইজুল ইসলাম। গতকালের ৬ উইকেটে ২২৬ রান নিয়ে আজ রোববার দ্বিতীয় দিনে মাঠে নামে সফরকারীরা। বাংলাদেশি পেসারদের আক্রমণ একের পর এক ঠেকাতে থাকেন সফরকারী ব্যাটসম্যানরা। তবে দলীয় ২৪০ রানের মাথায় লক্ষ্যভেদ করতে সক্ষম হন রাহী। তার শিকার হন ডোনাল্ড ত্রিপানো (৮)। ত্রিপানের বিদায়ের খানিক পরেই আবারও জায়েদের আঘাত। এবার তার বলে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন আনিসলে এন্দোলভু। তাকে শূন্য রানে ফেরান এ পেসার। সেখান থেকে কোমড় সোজা করে দাঁড়ানোর আগেই আঘাত হানেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম। চার্ল্টন টিসুমাকে এলবিডব্লিউয়ে সাজঘরে ফেরান তিনি। সেখান থেকে রেগিস চাকাভা বড় সংগ্রহের লক্ষ্যে লড়াই চালিয়ে যান। তবে তাকে আর বেশিদূর যেতে দেননি স্পিনার তাইজুল। বাউন্ডারি মারতে গিয়ে নাঈম হাসানের হাতে ক্যাচ দিয়ে দলের শেষ ব্যাটসম্যান হিসেব আউট হন তিনি। মাঠ ছাড়ার আগে সফরকারীদের মূল্যবান ৩০টি রান উপহার দেন এ ব্যাটসম্যান। ফলে, দ্বিতীয় দিনে প্রথম সেশনের আগেই ২৬৫ রানে অলআউট হতে হয় জিম্বাবুয়কে। স্বাগতিকদের পক্ষে পেসার আবু জায়েদ রাহী ও স্পিনার নাঈম হাসান ৪টি করে উইকেট লাভ করেন। আর বাকি দুটি নেন বাম হাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। এর আগে গতকাল শনিবার প্রথমদিনে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতেই হোচট খায় সফরকারীরা। তবে ঘুরে দাঁড়িয়ে উল্টো বাংলাদেশকে চাপে ফেলে দিয়েছিল তারা। পরে একে একে চারটি উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশকে স্বস্তি এনে দিয়েছেন তরুণ স্পিনার নাঈম হাসান। তাতে সঙ্গী হন আজকের ২টিসহ চার উইকেট নেয়া আবু জায়েদ রাহীও। যাতে প্রথম দিন শেষে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ২২৮ রান। দিনের একবারে শেষ বেলায় এসে নাঈমের অসাধারণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিন। তবে তার আগে কাজের কাজটিই করে গেছেন এই বাঁহাতি। ষষ্ট ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হওয়ার আগে খেলেন ১০৭ রানের এক অনবদ্য ইনিংস। ২২৭ বলের সে ইনিংসে ছিল ১৩টি দর্শণীয় চারের মার। জিম্বাবুয়ের ইনিংসে সেঞ্চুরি করে দিনের সেরা যেমন ছিলেন আরভিন। তেমনি এই তারকাকে ফেরানো নাঈমও দিনের সেরা ছিলেন বাংলাদেশ শিবিরে। সর্বোচ্চ চারটি উইকেট তুলে নিয়ে প্রথম দিনের সফল বোলার ছিলেন টাইগার এই তরুণ স্পিনার। দিন শেষে তার বোলিং ফিগার ছিল- ৩৬-৮-৬৪-৪।
পঞ্চম কন্যা সন্তানের বাবা হলেন শহীদ আফ্রিদি
১৫ফেব্রুয়ারী,শনিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পাকিস্তানি সাবেক অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদি চার কন্যাসন্তানের বাবা ছিলেন। এবার পঞ্চমবারের মতো কন্যাসন্তানের বাবা হয়েছেন আফ্রিদি। আকসা, আনশা, আজওয়া, আসমারা আফ্রিদির চার মেয়ে। এই চারজনের সঙ্গে সম্প্রতি যুক্ত হয়েছে আরও একজন। আনন্দের খবরটা আফ্রিদি নিজেই দিয়েছেন তাঁর টুইটার অ্যাকাউন্টে, সর্বশক্তিমানের অসংখ্য আশীর্বাদ ও করুণা আমার ওপরে বর্ষিত হচ্ছে। এর আগে চারজন অসাধারণ কন্যাসন্তানের বাবা হওয়ার পর এখন আমি পঞ্চম মেয়ের বাবা হয়েছি। খুশির খবরটা আমার শুভানুধ্যায়ীদের জানালাম। তবে পঞ্চম মেয়ের নাম কী রেখেছেন, সেটা এখনো জানাননি আফ্রিদি। নিজের আত্মজীবনীতে এর আগে নিজের মেয়েদের নিয়ে অনেক কিছুই লিখেছেন এই পাকিস্তানি অলরাউন্ডার। নিজের ফর্মহীনতা থেকে ফিরে আসা, ক্রিকেট মাঠ ও মাঠের বাইরে নিজের ভাগ্যের উন্নতি হওয়ার পেছনে নিজের মেয়েদের ভূমিকা দেখেন আফ্রিদি সব সময়। এমনকি স্ত্রী জীবনে আসার পরেও তাঁর ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছিল বলে তিনি লিখেছেন, আমাদের সংস্কৃতিতে এটা বিশ্বাস করা হয়, মেয়েরা পরিবারে সৌভাগ্য বয়ে নিয়ে আসে। আমি যখন বিয়ে করলাম, আমার সৌভাগ্যের চাকা ঘুরতে শুরু করল। পরের বছরগুলোয় আমি একে একে চার (এখন পাঁচ) কন্যাসন্তানের বাবা হলাম। সত্যি বলতে কি, একেকজনের জন্ম আমার জীবনে শুধু সৌভাগ্যই এনেছে। কন্যাসন্তান আশীর্বাদস্বরূপ, আসলেই।