শুক্রবার, এপ্রিল ৩, ২০২০
দীর্ঘ পাঁচ বছর পর আফগানদের হারাল বাংলাদেশ
২২সেপ্টেম্বর,রবিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রশিদ খান, মুজিব উর রহমানদের ঘূর্ণি যেন বুঝে উঠতেই পারছিল না বাংলাদেশ। গত পাঁচ বছরে চারবার হার সাকিবদের। ২০১৪ সালে সবশেষ জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। এরপর ভারতের দেরাদুনে তিন ম্যাচের সিরিজে হতে হয়েছে হোয়াইটওয়াশ। চলতি সিরিজেও নিজেদের প্রথম দেখায় ২৮ রানে হারতে হয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশকে। এ যেন আফগান জুজু। ত্রিদেশীয় সিরিজে আফগানিস্তান নিঃসন্দেহে শক্তিশালী দল। সেভাবেই শিরোপা জয়ের পথে এগোচ্ছে রশিদ খানের দল। তৃতীয় দল জিম্বাবুয়ের বিদায় নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় দুই ফাইনালিস্ট দলের জন্য আজকের ম্যাচটা গা গরমের হলেও বাংলাদেশের জন্য অনেক কিছু প্রমাণের ম্যাচ এটি। সন্ধ্যায় জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে আফগানিস্তানকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় স্বাগতিক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত হয় আফগান দুই ওপেনারের কল্যাণে। রাহমানুল্লাহ গুরবাজ আর হযরতুল্লাহ জাযাইয়ের ব্যাটে ৯ ওভার ২ বলে আসে ৭৫ রান। তার আগে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের পঞ্চম বলেই শফিউল ইসলামের করা বলে ফাইন লেগে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ক্যাচ দিলেও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের হাত ফসকে যায় রাহমানুল্লাহ গুরবাজের ক্যাচ। এরপরই বাংলাদেশের উপর চেপে বসে দুই ওপেনার। ছয়জন বোলার বোলিং করলেও উইকেটের দেখা নেই। সপ্তম বোলার হিসেবে বল করতে এসে আফিফ হোসেন নেন এক ওভারে দুই উইকেট। জাযাইকে ৪৭ রানে ফেরানোর পর আসগর আফগনাকে ফেরান শূন্য রানে।রাহমানুল্লাহ গুরবাজ করেন ২৯ রান। বাকি ব্যাটসম্যানরা খেলতে পারেননি বড় ইনিংস। শেষদিকে শাফিকুল্লাহ’র ২৩ রান আফগানদের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ১৩৮ রানে থামে। আফিফ হোসেন নেন ২ উইকেট। সমান ১টি করে উইকেট নেন সাইফউদ্দিন, শফিউল ইসলাম, সাকিব আল হাসান ও মুস্তাফিজুর রহমান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই দুই ওপেনার লিটন দাস আর নাজমুল হোসেন শান্তকে হারায় বাংলাদেশ। লিটনকে ৪ রানে ফেরান মুজিব আর শান্তকে ৫ রানে ফেরান নাভিন উল হক। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে মুশফিক-সাকিবের জুটি থেকে আসে ৫৮ রান। তাতেও নির্ভার থাকা যায়নি শেষ পর্যন্ত। মুশফিক ২৬ রানে ক্যাচ তুলে দেন করিম জানাতের বলে। এরপর মাহমুদুল্লাহ ৬, সাব্বির রহমান ১ আর আফিফ হোসেন বিদায় নেন ১ রান করে। এমন ধ্বংসস্তূপেও সাকিব তুলে নেন নিজের নবম অর্ধশতক। শেষ পর্যন্ত মোসাদ্দেককে সঙ্গে নিয়ে ৭০ রানে অপরাজিত থেকে ১ ওভার হাতে রেখে ৪ উইকেটের জয়ে দলকে বের করে নিয়ে আসেন আফগানদের কাছে হারের বৃত্ত থেকে। দীর্ঘ পাঁচ বছরের আফগান জুজুর অবসান ঘটল তবে! আফগানদের হয়ে ২টি করে উইকেট নেন নাভিন উল হক, রশিদ খান ও ১টি করে উইকেট নেন মুজিব, করিম জানাত।
শেষটা জয়ে রঙিন হলো মাসাকাদজার
২০সেপ্টেম্বর,শুক্রবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অবশেষে জয় পেল জিম্বাবুয়ে। জয়টা অধরাই থেকে যেত এই সিরিজে। এই ম্যাচটাই শেষ ম্যাচ হ্যামিল্টন মাসাকাদজার। ত্রিদেশীয় সিরিজ শুরুর আগেই ঘোষণা দিয়ে রেখেছিলেন জিম্বাবুয়ের এই গ্রেট ক্রিকেটার। আজকের ম্যাচটা তাই অনেক গুরুত্বের ছিল জিম্বাবুয়ের জন্য। জয়ের জন্য ১৫৬ রানের লক্ষ্য পায় জিম্বাবুয়ে। আগে ব্যাট করতে নেমে আফগান ওপেনার রাহমানুল্লাহ গুলবাজের ৪৭ বলে ৬১ আর হযরতুল্লাহ জাযাই করেন ৩১ রান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আফগান বোলারদের উপর চড়াও হন জিম্বাবুয়ের দুই ওপেনার হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ও ব্রেন্ডন টেইলর। পাওয়ার-প্লেতেই আসে ৪৬ রান। দলীয় ৪০ রানের মাথায় ১৯ রানে বিদায় নেন টেইলর। কিন্তু মাসাকাদজা ট্যাঁর শেষটা রঙিন করে নিয়েছেন ঠিকই। রশিদ খান, মুজিবদের বল একের পর এক বাউন্ডারিতে পাঠিয়ে তুলে নেন ২৭ বলে অর্ধশতক। দলকে প্রায় জিতিয়ে দিচ্ছিলেন একাই। ১২ ওভার ৫ বলে দলীয় ১১০ রানের মাথায় ৪২ বলে ৭১ রান করে ফেরেন সাজঘরে। ততোক্ষণে দলের জয়টা সময়ের ব্যপার জিম্বাবুয়ের। রেগিস চাকাবার ব্যাটে আসে ৩৯ রান। শেষদিকে শেন উইলিয়ামসের ২১ রানে ভর করে ১৯ ওভার ৩ বলে জয় তুলে নেয়। জয় পেতে মাত্র ৩ উইকেট হারাতে হয় জিম্বাবুয়েকে। জয়ের রঙে রঙিন সমাপ্তি ঘটলো মাসাকাদজার দীর্ঘ ১৯ বছরের বর্ণিল ক্যারিয়ারের। দীর্ঘ এই ক্যারিয়ারে ৩৮ টেস্টে তার রান ২ হাজার ২২৩ ও ২০৯ ওয়ানডেতে করেছেন ৫ হাজার ৬৫৮ রান। টি-টোয়েন্টিতে দেশের হয়ে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৬৬২ রানের সঙ্গে আছে সর্বাধিক ১১টি অর্ধশতক। তিন ফরম্যাট মিলে ৫৭টি উইকেটও নিয়েছেন হ্যামিল্টন মাসাকাদজা।
চাপে আছে বাংলাদেশ : উইলিয়ামস
১৭সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,ক্রীড়া প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের সঙ্গে জিতে উড়তে থাকা বাংলাদেশ দল বড় ধাক্কা খায় দ্বিতীয় ম্যাচে আফগানিস্তানের কাছে হেরে। ঘরের মাঠে বাংলাদেশের এমন করুণ পরিণতি মেনে নিতে পারছে না দেশের সমর্থকেরাও। তবে ফাইনালে যেতে চট্টগ্রামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচটা জিততেই হবে আগামীকাল বুধবার। আর টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে হলে বাংলাদেশকে হারানো ছাড়া কোনও পথ নেই জিম্বাবুয়ের সামনে। আফগানদের কাছে জিম্বাবুয়ে হারলেও লড়াই করে হেরেছিল, তবে বাংলাদেশ লড়াইও করতে পারেনি আফগানদের সঙ্গে। ঘরের মাঠে এমন হারের পর স্বাগতিক দলের চাপে থাকাটাই স্বাভাবিক। এই চাপটা কাজে লাগাতে চায় জিম্বাবুয়ে। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার সকালে অনুশীলন করে জিম্বাবুয়ে দল। এখানে কথা বলেন দলটির সিনিয়র ক্রিকেটার শন উইলিয়ামস কথা বলেন গণমাধ্যমের সঙ্গে। উইলিয়ামস জানান, দ্বিতীয় ম্যাচে হেরে ওরা (বাংলাদেশ) চাপে আছে। এই চাপটা আমাদের কাজে লাগাতে হবে। আপাতত আমরা নিজেদের কাজটা ঠিকভাবে চালিয়ে যাচ্ছি যাতে ম্যাচে প্রভাব বিস্তার করা যায়। সিরিজের প্রথম ম্যাচেও বাংলাদেশকে ভুগিয়ে ছেড়েছে জিম্বাবুয়ে। বলা যায়, হারতে হারতে জয় পায় বাংলাদেশ। দলের সিনিয়ররা যখন একের পর এক ব্যর্থ, তখন তরুণ আফিফ হোসেনের ব্যাটে ভর করে ৩ উইকেটের জয় পায় বাংলাদেশ। তাতেও বাংলাদেশের প্রতি সমীহের কমতি নেই জিম্বাবুয়ের। উইলিয়ামস স্বীকার করেন, ঘরের মাঠে বাংলাদেশ সবসময়ই কঠিন প্রতিপক্ষ। বাংলাদেশ খুব দল। ওদের দলে ভালো অলরাউন্ডার আছে। এই ফরম্যাটে যেকোনো কিছুই হতে পারে। ওদের দারুণ কিছু অভিজ্ঞ ক্রিকেটার আছে যেমন সাকিব, মাহমুদউল্লাহ, মুশফিক। ওরা সবাই দারুণ ক্রিকেটার। তবে আমরা নিজেদের কাজে মনোযোগ দিতে চাই, নিজেদের কাজগুলি করতে চাই নিজেদের জন্য। কেন না, সূক্ষ্ম ব্যাপারগুলো পার্থক্য গড়ে দেয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে।
চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য পেল বাংলাদেশ
১৫সেপ্টেম্বর,রবিবার,ক্রীড়া প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:১৯ রানেই নেই ৩ উইকেট। মনে হচ্ছিল, এবার অল্পতেই গুটিয়ে যাবে আফগানিস্তান। কিন্তু শেষতক দেখা গেল উল্টো চিত্র। মোহাম্মদ নবীর বিধ্বংসী এক ইনিংসে এই আফগানিস্তানই ৬ উইকেটে তুলেছে ১৬৪ রান। অর্থাৎ জিততে হলে ১৬৫ করতে হবে বাংলাদেশকে। মিরপুরে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই চাপে পড়েছিল আফগানিস্তান। ইনিংসের প্রথম ডেলিভারি, আফগানিস্তানের ওপেনার রহমানউল্লাহ গুরবাজ বলটা ডিফেন্সই করেছিলেন। কিন্তু মোহাম্মদ সাইফউদ্দীন এমনই আনপ্লেয়বল এক ডেলিভারি দিলেন, ডিফেন্ড করেও উইকেটটা ধরে রাখতে পারলেন না আফগান ওপেনার। সাইফউদ্দীনের আউটসুইং ডেলিভারিটি উইকেটে লেগে স্ট্যাম্প কয়েক চক্কর ঘুরতে ঘুরতে বাতাসে ভাসতে থাকে। আসলেই চোখ ধাঁধিয়ে দেয়ার মতো এক ডেলিভারি, বিস্ময়ে তাকিয়ে রইলেন সবাই। শুরুতে উইকেট হারিয়েও অবশ্য থেমে থাকেনি আফগানিস্তান। দ্বিতীয় ওভার চলছিল তখন। সাকিবের চতুর্থ বলটি তুলে মারতে গিয়েছিলেন আরেক ওপেনার হজরতউল্লাহ জাজাই। কিন্তু বল অনেক ওপরে ওঠলেও সীমানা দড়ি পর্যন্ত যায়নি, ১ রানেই লিটন দাসের ক্যাচ হন জাজাই। তৃতীয় ওভারে এসে আরও এক উইকেট তুলে নেন সাইফউদ্দীন। ১৩ বলে ১১ রান করে নাজিব তারাকাই লেগ সাইডের বাউন্ডারিতে হন সাব্বির রহমানের ক্যাচ। তৃতীয় উইকেটে একটু প্রতিরোধ নাজিবুল্লাহ জাদরান আর আসগর আফগানের। তাদের ১৭ বলে ২১ রানের জুটিটি ভাঙেন সাকিব, নাজিবুল্লাহকে (৫) মিডঅফে সৌম্য সরকারের ক্যাচ বানিয়ে। ৪০ রানে ৪ উইকেট হারায় আফগানিস্তান। সেখান থেকে বড় এক জুটি মোহাম্মদ নবী আর আসগরের। ৫৩ রানেই এই জুটিটি আটকে যেতে পারতো। তাইজুল ইসলামকে তুলে মারতে গিয়ে বাউন্ডারিতে ক্যাচ হয়েছিলেন নবী, তিনি তখন ৩০ রানে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে ওভারস্টেপিংয়ের কারণে সেই বলটি নো হয়ে যায়। নবী-আফগানের এই জুটিটিই ঘাম ঝরিয়েছে টাইগারদের। ৬২ বলে ৭৮ রান যোগ করেন তারা। কিছুতেই কিছু হচ্ছিল না। ১৭তম ওভারে আবারও সাইফউদ্দীনের হাতে বল তুলে দেন সাকিব। আর বল হাতে নিয়েই আরেকবার ঝলক দেখান এই অলরাউন্ডার। ৩৫ বলে ৪০ রান করা আসগরকে সাব্বিরের ক্যাচ বানান দ্বিতীয় বলে, পঞ্চম বলে দুর্দান্ত এক ইনসুইংগারে বোল্ড করেন গুলবাদিন নাইবকে । তবে নবী ঠিকই হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন, ৪১ বলে। পরের সময়টায় তো আরও ভয়ংকর হয়ে উঠেন। আফগানিস্তানের বড় সংগ্রহ গড়ার কারিগর ছিলেন আসলে এই অলরাউন্ডারই। ৫৪ বলে ৮৪ রানে অপরাজিত থাকেন নবী, যে ইনিংসে ৩টি চারের সঙ্গে তিনি হাঁকিয়েছেন ৭টি ছক্কা! বাংলাদেশের পক্ষে বল হাতে সবচেয়ে সফল সাইফউদ্দীন। প্রথম তিন ওভারে ১৬ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিলেও অবশ্য শেষ ওভারের ১৭ রান খরচায় মোট দিয়েছেন ৩৩। ৪ ওভারে ১৮ রান দিয়ে ২টি উইকেট নেন সাকিব।
নারী নির্যাতন মামলা থেকে রেহাই পেলেন ক্রিকেটার যুবরাজ সিং
১৩সেপ্টেম্বর,শুক্রবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নারী নির্যাতনের মামলা থেকে রেহাই পেলেন ক্রিকেটার যুবরাজ সিং ও তার পরিবারের লোকজন। বিগ বস-১০ এর প্রতিযোগী আকাঙ্ক্ষা শর্মা ৪ বছর আগে তার স্বামী জোরাভর সিং, দেবর যুবরাজ সিং, শাশুড়ি শবনম সিংয়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন। আকাঙ্ক্ষা অভিযোগ করেছিলেন, যুবরাজ সিংয়ের ভাই জোরাভর ও পরিবারের লোকজন তার উপর মানসিক নির্যাতন করতেন। এ ঘটনায় তিনি যুবরাজ সিং, তার ভাই জোরাভর ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। পরে আদালত আকাঙ্ক্ষা ও জোরাভরের বিবাহবিচ্ছেদের নির্দেশ দেন। এদিকে, যুবরাজ ও তার পরিবারের উপর থেকে যাবতীয় অভিযোগ তুলে নিয়েছেন আকাঙ্ক্ষা। তিনি বলেন,আমার জন্য যুবরাজ ও তার পরিবারের কারও সম্মানহানি হলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী। আদালত আমার দাম্পত্য জীবনে বিচ্ছেদের সম্মতি দিয়েছে। সব জায়গায় নিজের অভিযোগ জানানো হয়তো আমার উচিত হয়নি। আদালতের বাইরে যুবির পরিবারের লোকজনের কাছে ক্ষমাও চেয়েছেন আকাঙ্ক্ষা। সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে
কন্ডিশনের ফায়দা নিচ্ছে বাংলাদেশ
০৫সেপ্টেম্বর,বৃহস্পতিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামে এক মাত্র টেস্টে টস জিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে ব্যাট করছে আফগানিস্তান। বৃহস্পতিবার সকালে ব্যাট হাতে সাবধানী শুরু করে আফগানরা। স্পিন সহায়ক এই উইকেটে কোনও পেসার ছাড়াই মাঠে নেমেছে টাইগাররা। সফরকারী ব্যাটসম্যানদের সুবিধা করতে দিচ্ছেন না স্বাগতিক স্পিনাররা। লাঞ্চ বিরতির আগেই ৩ উইকেট হারিয়েছে রশিদ খানের দল। ৩২.৪ ওভারে ৭৭ রান সংগ্রহ করতে পেরেছে আফগানরা। দলীয় ১৯ রানে তাইজুল ইসলামের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন ইহসানুল্লাহ জানাত। তৃতীয় বাংলাদেশী হিসেবে টেস্টে ১০০ উইকেট দখলের মাইলফলক স্পর্শ করেন তাইজুল। মাঠ ছাড়ার আগে ৩৬ বলে ৯ রান সংগ্রহ করেন জানাত। এরপর রহমত শাহকে সঙ্গে নিয়ে সাবধানী ব্যাটিংয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করেন ইব্রাহিম জাদরান। তাকেও সাজ ঘরের পথ দেখান বাম-হাতি স্পিনার তাইজুল। দলীয় ৪৮ রানে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে ৬৯ বলে ২১ রান করেন ইব্রাহিম। লাঞ্চ বিরতির আগে মাহমুদউল্লাহর বলে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন হাশমতউল্লাহ শহিদি। ৩২ বলে ১৪ রান করে স্লিপে থাকা সৌম্য সরকারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। আফগানিস্তান স্কোয়াড: রশিদ খান (অধিনায়ক), ইহসানউল্লাহ জানাত, ইব্রাহিম জাদরান, রহমত শাহ, হাশমতউল্লাহ শহিদি, আসগর আফগান, মোহাম্মদ নবী, আফসার জাজাই, ইয়ামিন আহমাদজাই, জহির খান ও কাইস আহমেদ। বাংলাদেশ স্কোয়াড: সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, সাদমান ইসলাম, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, লিটন কুমার দাস, মোসাদ্দেক হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, নাঈম হাসান।
টাইগারদের প্রধান কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো
১৭আগস্ট,শনিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: টাইগারদের প্রধান কোচ হিসেবে দুই বছরের চুক্তিতে নিয়োগ পেলেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক কোচ রাসেল ডমিঙ্গো। আজ শনিবার দুপুরে মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বাংলাদেশর প্রধান কোচ হিসেবে তার নাম ঘোষণা করেন। বাংলাদেশের প্রধান কোচ আগামী ২১ আগস্ট বাংলাদেশ আসবেন। আফগানিস্তানের বিপক্ষে এক ম্যাচের টেস্ট সিরিজ দিয়ে শুরু হবে তার মিশন। ৫ সেপ্টেম্বরে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে এ টেস্ট ম্যাচ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি। গতকাল শুক্রবারই টাইগারদের প্রধান কোচ হিসেবে ডমিঙ্গোকে নিশ্চিত করা হয়। শনিবার বিসিবির কার্যালয়ে এক বৈঠক শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে তার নাম ঘোষণা করেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।
দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়ার দেশে ফিরলো বাংলাদেশ ক্রিকেট দল
০১আগস্ট,বৃহস্পতিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শ্রীলঙ্কায় তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ শেষে বিমান দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়ার পর নিরাপদে দেশে ফিরে এসেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। খেলোয়াড়রা ছাড়াও দলের সঙ্গে পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাগণ ঢাকায় পা রাখেন। বৃহস্পতিবার (২ আগস্ট) দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে টাইগারদের বহনকারী বিমান ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এর আগে শ্রীলঙ্কার স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে টাইগারদের বহনকারী বিমান ইউএলের ঢাকার পথে উড্ডয়ন করার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে বিমান না ছাড়ার কারণে সবার মধ্যে উৎকণ্ঠার সৃষ্টি হয়। সকাল ৮টার সময় যাত্রীদের সবাইকে পাইলট জানান, বিমানের বাম উইংয়ে সমস্যা দেখা দিয়েছে। এরপর বিমান থেকে বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়দের নামিয়ে দেয়া হয়। এ অবস্থায় বিমান আকাশে উড়লে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারতো। তাই প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন দলের সবাই। পরে বাংলাদেশ দলের জন্য নতুন একটি ফ্লাইট দেয়া হয়। সেই ফ্লাইটে স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ২০ মিনিটে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে মুশফিক-তামিমরা। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আড়াই ঘণ্টা বিলম্ব হওয়ার পর ৩ ঘণ্টা ৫ মিনিট ভ্রমণ শেষে বাংলাদেশ দলকে বহনকারী বিমান ঢাকায় অবতরণ করে।
১০০ দিনের স্পিন কোচ হচ্ছেন নিউজিল্যান্ডের ভেট্টোরি
২৮জুলাই২০১৯,রবিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ দলের স্পিন বোলিং কোচ হয়ে আসছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক স্পিনার ড্যানিয়েল ভেট্টরি। শনিবার (২৭ জুলাই) বোর্ডসভা শেষে খবরটি নিশ্চিত করেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। এছাড়া পেস বোলিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে সাবেক দক্ষিণ আফ্রিকান পেসার চার্ল ল্যাঙ্গেবেল্টকে। ভেট্টোরি আসছে নভেম্বরে। ভারত সফর থেকে টি-২০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত বাংলাদেশের হয়ে কাজ করবেন তিনি। আর ল্যাঙ্গেবেল্ট দ্রুততম সময়ের মধ্যেই যোগ দেবেন কাজে। তার সঙ্গেও চুক্তি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত। অর্থাৎ, সাকুল্যে ১০০ দিনের জন্য তিনি দায়িত্ব নিচ্ছেন। ভেট্টরি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে আছেন। সেখান থেকেই ইমেইলের মাধ্যমে বিসিবির সঙ্গে তার এ বিষয়ে পাকাপাকি কথা হয়েছে। সাবেক এই কিউই তারকা আইপিএলের দল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আইপিএল ছাড়াও অস্ট্রেলিয়ার বিগব্যাশ, ইংল্যান্ডের টি-২০ ব্লাস্টে কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।