মঙ্গলবার, মার্চ ২, ২০২১
এবার ঘরের মাঠেও জয় পেল না জুভেন্টাস
২৬,অক্টোবর,সোমবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মাঝে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ডায়নামো কিয়েভকে ২-০ গোলে হারিয়েছে ইতালিয়ান চ্যাম্পিয়ন ক্লাব জুভেন্টাস। এর আগে ও পরের ম্যাচের ভেন্যু বদল হলেও, পরিবর্তন হয়নি ম্যাচের ফলাফলে। দুই ম্যাচেই ১-১ গোলে ড্র করেছে ওল্ড লেডিরা। গত রোববার (১৮ অক্টোবর) ক্রতোনের মাঠে খেলতে গিয়ে ১-১ গোলে ড্র নিয়ে ঘরে ফিরেছিল জুভেন্টাস। মাঝে চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচটি জিতলেও, পরের রোববারের ম্যাচে আবার ১-১ গোলে ড্র করেছে তারা। তাও কি না নিজেদের ঘরের মাঠে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ভিন্ন দুই মাঠে খেলা দুইটি ম্যাচেই জয়বঞ্চিত থাকল ইতালিয়ান সিরি 'আ'র টানা নয়বারের চ্যাম্পিয়নরা। সবশেষ জুভেন্টাসকে তাদেরই ঘরের মাঠে রুখে দিয়েছে তুলনামূলক দুর্বল দল ভেরোনা। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় দলের সঙ্গে নেই সবচেয়ে বড় তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। যে কারণে নিজেদের পরিকল্পনা ও ফরমেশনেও খানিক বদল আনতে বাধ্য হন জুভেন্টাস কোচ আন্দ্রে পিরলো। যা খুব একটা কাজে দেয়নি। ঘরের মাঠে খেলতে নামলেও প্রথমার্ধে কোনো গোল করতে পারেনি জুভেন্টাস। তবে প্রতিপক্ষ ভেরোনার রক্ষণে ভয় ঢোকানোর কাজটা ভালোভাবেই করেছেন পাওলো দিবালা, আলভারো মোরাতারা। শুধু পাননি গোলের দেখা। উল্টো দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের ৬০ মিনিটের সময় অতিথিদের এগিয়ে দেন ভেরোনায় লোনে খেলতে আসা আন্দ্রে ফাভিল্লি। এর আগে প্রথমার্ধেও একবার জালের ঠিকানা খুঁজে নিয়েছিল ভেরোনা। কিন্তু অফসাইডের কারণে বাতিল হয়ে যায় সেই গোল। পিছিয়ে পড়ে ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে জুভেন্টাস। ম্যাচের ৭৬ মিনিটে দিবালার শট ফেরে ক্রসবারে লেগে। এর এক মিনিট পরেই সমতা ফেরান ডেজান কুলসেভস্কি। মোরাতার পাস থেকে গোলটি করেন বদলি হিসেবে নামা এ তরুণ মিডফিল্ডার। বাকি সময়ে আর গোল না হওয়ায় ১-১ ব্যবধানেই শেষ হয় ম্যাচ। টানা দ্বিতীয় ম্যাচ ড্র করে পাঁচ ম্যাচ শেষে মাত্র ৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের পাঁচ নম্বরে অবস্থান করছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। শীর্ষে থাকা এসি মিলানের সংগ্রহ ৪ ম্যাচে পূর্ণ ১২ পয়েন্ট।
১৪ রানে ৭ উইকেট হারাল হায়দরাবাদ, অবিশ্বাস্য জয় পাঞ্জাবের
২৫,অক্টোবর,রবিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ধারাভাষ্য কক্ষে মাইক হাতে সুনিল গাভাস্কার বলেই দিলেন, 'আইপিএল অসম্ভব টুর্নামেন্ট, অবিশ্বাস্য! একটুও ভুল বলেননি গাভাস্কার, অসম্ভবকে সম্ভব করা কিংবা অবিশ্বাস্য ঘটনা ঘটিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের চমকে দেয়ার কাজটা এবার দারুণভাবে করে চলেছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল)। যার সবশেষ উদাহরণ কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের মধ্যকার ম্যাচটি। যেখানে মাত্র ১২৬ রানের পুঁজি নিয়েও ১২ রানে জিতে গেছে পাঞ্জাব। জয়ের খুব কাছে পৌঁছেও শেষপর্যন্ত বিব্রতকর এক পরাজয়ই দেখল হায়দরাবাদ। এ জয়ে প্লে-অফের সম্ভাবনাও আর বাড়িয়েছে প্রীতি জিনতার দল। অথচ পাঞ্জাবের করা ১২৬ রানের জবাবে একপর্যায়ে মাত্র ৩ উইকেট হারিয়েই ১০০ রান করে ফেলেছিল হায়দরাবাদ। তাদের জয় যখন মনে হচ্ছিল সময়ের ব্যাপার মাত্র, তখনই মরণ কামড় বসায় পাঞ্জাব। অবিশ্বাস্য বোলিং নৈপুণ্য দেখিয়ে মাত্র ১১৪ রানেই তারা অলআউট করে দিয়েছে হায়দরাবাদকে। অর্থাৎ শেষের ৭ উইকেট মাত্র ১৪ রানে হারিয়েছে হায়দরাবাদ। আরও নির্দিষ্ট করে বললে মাত্র ৪ রান করতেই নিজেদের শেষ ৬ উইকেট হারিয়েছে ডেভিড ওয়ার্নারের দল। মিডল ও লোয়ার অর্ডার ব্যাটসম্যানদের নজিরবিহীন ব্যর্থতায় এত সহজ ম্যাচটিও জিততে পারেনি হায়দারাবাদ। রান তাড়া করতে নেমে দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন হায়দরাবাদের দুই ওপেনার জনি বেয়ারস্টো এবং ডেভিড ওয়ার্নার। রানের চাহিদা যেখানে ছিল ওভারপ্রতি ছয়ের একটু বেশি, পাওয়ার প্লে'র ছয় ওভার থেকে প্রায় ৯ গড়ে ৫২ রান তুলে নেন ওয়ার্নার ও বেয়ারস্টো। কিন্তু ইনিংসের সপ্তম ওভারে অধিনায়ক ওয়ার্নার ফিরে গেলেই মোড়ক লেগে যায় হায়দরাবাদের ইনিংসে। আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করতে থাকা ওয়ার্নার আউট হন ৩ চার ও ২ ছয়ের মারে সাজানো ২০ বলে ৩৫ রানের ইনিংস খেলে। শেষপর্যন্ত এটিই হয়ে থাকে হায়দরাবাদের ইনিংসের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংস। এক ওভার পর সাজঘরের পথ ধরেন চারটি চারের মারে ২০ বলে ১৯ রান করা বেয়ারস্টোও। পরের ওভারে ফিরে যান আব্দুল সামাদও, করেন ৫ বলে ৭ রান। তিন ওভারে ৩ উইকেট হারালেও, ৯ ওভারে ৬৭ রান করে ফেলায় শেষের ৬৬ বলে মাত্র ৬০ রান বাকি ছিল হায়দরাবাদের। পরের ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় এ সহজ সমীকরণও পূরণ করতে পারেনি আইপিএলের ২০১৬ সালের চ্যাম্পিয়নরা। তবু চতুর্থ উইকেট জুটিতে আশা জাগিয়েছিলেন মনিশ পান্ডে ও বিজয় শঙ্কর। দুজন মিলে যোগ করেন ৩৩ রান। ফলে জয়ের পথেই ছিল হায়দরাবাদ। দলীয় সংগ্রহ ঠিক ১০০ পূরণ হতেই আউট হন ১৫ রান করা মনিশ। তখনও জয় নিয়ে চিন্তা ছিল না হায়দরাবাদের। কেননা ৬ উইকেট হাতে রেখে ২৩ বলে করতে হতো ২৭ রান। সমীকরণটা একসময় নেমে আসে ১৪ বলে ১৭ রানে, হাতে ছিল ছয়টি উইকেট। ইনিংসের ১৮তম ওভারে পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে ফিরে যান ২৬ রান করা বিজয়। নিজের সঙ্গে যেন হায়দরাবাদের জয়টাও নিয়ে যান তিনি। কেননা এরপর আর মাত্র ৪ রান করতে পেরেছে হায়দরাবাদ। নির্ধারিত ২০ ওভারের এক বল আগেই ১১৪ রানে অলআউট হয়ে ম্যাচ হেরেছে ১২ রানের ব্যবধানে। পাঞ্জাবের পক্ষে বল হাতে সবাই দারুণ অবদান রেখেছেন। নিজের ৪ ওভারে মাত্র ১৩ রান খরচায় ১ উইকেট নিয়েছেন তরুণ লেগস্পিনার রবি বিষ্ণুই। যা বদলে দেয় ম্যাচের গতিপথ। পরে মাত্র ১৭ রানে ৩ উইকেট নেন ক্রিস জর্ডান এবং শেষ ওভারে জোড়া আঘাত হানা আরশদ্বীপের ঝুলিতে যায় ২৩ রানে ৩টি উইকেট। অবিশ্বাস্য এ জয়ে প্লে-অফের দাবি আরও জোরদার করল পাঞ্জাব। টানা চার ম্যাচে চার জয় পাওয়া পাঞ্জাবের ঝুলিতে এখন রয়েছে ১১ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট, টেবিলে অবস্থান পঞ্চম। সমান ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে চার নম্বরে রয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। তাদের নিচে নামাতে পারলেই প্লে-অফের টিকিট পাবে পাঞ্জাব। এর আগে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের মারমুখী ব্যাটসম্যানরা কেউ জ্বলে উঠতে পারেননি দুবাইয়ের পিচে। ক্রিস গেইল, লোকেশ রাহুল, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, নিকোলাস পুরানদের নিয়ে গড়া দল পুরো ২০ ওভার খেলে করতে পেরেছে ৭ উইকেটে মোটে ১২৬ রান। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ধীরেসুস্থে শুরু করেছিল কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব। দশম ওভার যখন চলে, ১ উইকেটে রান ছিল ৬৬। সেখান থেকে ২২ রানের মধ্যে আর ৪টি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে লোকেশ রাহুলের দল। অধিনায়ক রাহুল আর ক্রিস গেইল রান পেলেও টি-টোয়েন্টির সঙ্গে মানানসই ইনিংস খেলতে পারেননি। রাহুল ২৭ বলে ২ চার আর ১ ছক্কায় করেন ২৭, গেইলও ২০ রান করেন ২০ বলে, ২ বাউন্ডারি আর ১ ছক্কায়। ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (১৩ বলে ১২), দীপক হুদারাও (২ বলে ০)। ফলে ৮৮ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারায় পাঞ্জাব। সেখান থেকে দলকে একটু একটু করে যা এগিয়েছেন নিকোলাস পুরান। ২৮ বলে শেষ পর্যন্ত ৩২ রানে অপরাজিত থাকেন পাঞ্জাবের এই ব্যাটসম্যান, যে ইনিংসে ছিল মাত্র ২টি বাউন্ডারির মার। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের পক্ষে ২টি করে উইকেট নেন সন্দ্বীপ শর্মা, জেসন হোল্ডার আর রশিদ খান। নিজের ৪ ওভারে মাত্র ১৪ রান খরচ করেন সময়ের অন্যতম সেরা লেগস্পিনার আফগান রশিদ খান।
ধোনির চেন্নাইকে উড়িয়ে সিংহাসনে বসলো দিল্লি
২৪,অক্টোবর,শনিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এবারের আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল চেন্নাই সুপার কিংস ও মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। সেই ম্যাচে জয়ে পেয়েছিল মহেন্দ্র সিং ধোনির দল। তবে দ্বিতীয়বারের সাক্ষাতে প্রতিশোধ নিতে ভুলেনি মুম্বাই। তাও আবার বড় ব্যবধানের জয় তুলে ১০ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার শীর্ষস্থান দখল করেছে কাইরন পোলার্ডের দল। চেন্নাইকে ১০ উইকেটে উড়িয়ে দিয়েছে মুম্বাই। আর নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবার ১০ উইকেটের পরাজয় বরণ করলো চেন্নাই। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে চেন্নাইকে ব্যাটিয়ে পাঠায় মুম্বাই। কিন্তু সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেনি ধোনিরা। ট্রেন্ট বোল্ট ও জসপ্রীত বুমরাহদের গোলার সামনে ৯ উইকেটে মাত্র ১১৪ রানে থামে চেন্নাই। ব্যাটিংয়ে স্যাম কারেন (৫২) ছাড়া দলের আর কেউ দাঁড়াতেই পারেননি। বোল্ট ৪ ওভারে মাত্র ১৮ রান নিয়ে দিয়ে একাই নেন ৪ উইকেট। বুমরাহজ ও রাহুল চাহার ২টি করে উইকেট ভাগাভাগি করেন। ১১৫ রান তাড়া করতে নেমে জয়ের বন্দরে পৌঁছাতে কোনো বেগই পেতে হয়নি মুম্বাইকে। অপরাজিত থাকা দুই ওপেনার কুইন্টন ডি কক (৪৬) ও ইশান কিষানের (৬৮) ঝাড়ো ইনিংসের সুবাদের ১২.২ ওভারেই ১১৬ রান করে ফেলে তারা। এই পরাজয়ে প্রথমবারের মতো প্লে-অফে খেলার স্বপ্নটাও একেবারে ফিকে হয়ে গেছে ধোনিদের। ১১ ম্যাচে ৩ জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে একেবারে তলানিতে চেন্নাই। প্লে-অফে খেলতে হলে বাকি তিন ম্যাচের প্রত্যেকটিতে জয় পেতে হবে তাদের। সেক্ষেত্রে তাদের পয়েন্ট হবে ১২। তবে তাতেও চেন্নাইয়ের প্লে-অফে খেলার আশা নেই বললেই চলে। কারণ ১০ ম্যাচে সমান ১৪ পয়েন্ট নিয়ে ওপর সারিতে আছে যথাক্রমে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স, দিল্লি ক্যাপিটালস ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু। আর সমান ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে চারে কলকাতা নাইট রাইডার্স। কেকেআর যদি বাকি চার ম্যাচের একটিতেও জেতে তবে ১২ পয়েন্ট নিয়ে অন্য তিন দলের সঙ্গে প্লে-অফে খেলা নিশ্চিত করে ফেলবে।
করোনা আক্রান্ত রোনালদোর জন্য মেসির বার্তা
২৩,অক্টোবর,শুক্রবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী বুধবার (২৮ অক্টোবর) উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিলো দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর। টুর্নামেন্টের জি গ্রুপে রয়েছে মেসির বার্সেলোনা ও রোনালদোর জুভেন্টাস। নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে বুধবার মুখোমুখি হবে এ দুই দল। বার্সা ও জুভের ম্যাচটি নিয়ে কোনো সংশয় নেই, তবে অনিশ্চয়তায় পড়ে গেছে মেসি-রোনালদোর মুখোমুখি লড়াই। রোনালদো রিয়াল মাদ্রিদ ছাড়ার পর এ ম্যাচ দিয়েই প্রথমবারের মতো একে অপরের বিপক্ষে মাঠে নামতেন এ দুই বিশ্বতারকা। কিন্তু বাঁধ সাধল করোনাভাইরাস। গত ১৩ অক্টোবর প্রথমবার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন জুভেন্টাসের পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। বার্সেলোনার বিপক্ষে ম্যাচের তখনও দুই সপ্তাহ বাকি থাকায় তার খেলা নিয়ে তেমন সংশয় দেখা যায়নি তেমন। কিন্তু বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দ্বিতীয় করোনা পরীক্ষায়ও পজিটিভ এসেছে রোনালদোর নমুনার ফলাফল। যার ফলে এখন পুরোপুরি অনিশ্চয়তায় বুধবারের ম্যাচে রোনালদোর অংশগ্রহণ। জুভেন্টাসের পক্ষ থেকে উয়েফাকে জানানো হয়েছে, রোনালদোর সবশেষ অবস্থা। ম্যাচের ২৪ ঘণ্টা আগে করা করোনা পরীক্ষায় যদি নেগেটিভ হন রোনালদো, তাহলে মাঠে নামতে কোনো বাধা থাকবে না তার। আর এটিরই অপেক্ষায় রয়েছেন রোনালদোর প্রতিদ্বন্দ্বী মেসি। তিনি আশা করছেন, শিগগিরই সুস্থ হয়ে যাবেন রোনালদো এবং খেলবেন বার্সেলোনার বিপক্ষে ম্যাচে। কেননা বিশ্ব ফুটবলে মেসি-রোনালদোর লড়াইটা বরাবরই স্পেশাল। যেটা নিয়মিতই দেখা যেতো স্প্যানিশ লা লিগায়। ইংল্যান্ডভিত্তিক ব্রডকাস্টিং প্রতিষ্ঠান ডিএজেএনকে মেসি বলেছেন, অবশ্যই! ক্রিশ্চিয়ানো যখন রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে খেলতো, তখন ম্যাচগুলো (এল ক্লাসিকো) স্পেশাল ছিল। তাদের বিপক্ষে ম্যাচ বরাবরই স্পেশাল। তবে সাথে ক্রিশ্চিয়ানো থাকলে ম্যাচের পরিবেশ-পরিস্থিতি পুরোপুরি বদলে যায়। তবে এখন যে আর এল ক্লাসিকোতে ক্রিশ্চিয়ানর মুখোমুখি হওয়া সম্ভব নয়, এই বাস্তবতা মেনে নিয়েছেন মেসিও। তাই তিনি চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচটিতে চির প্রতিদ্বন্দ্বীর বিপক্ষে মাঠে নামতে মুখিয়ে রয়েছেন। আশা করছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সেরে উঠবেন রোনালদো। মেসির ভাষ্য, এটা (এল ক্লাসিকোর লড়াই) এখন অতীত। আমরা সবাই এখন সামনের দিনের কথা ভাবি, নতুন চ্যালেঞ্জের জন্য প্রস্তুত হই। বুধবার তেমনই একটা চ্যালেঞ্জের সামনে পড়া লাগতে পারে। আমরা আশা করছি শিগগিরই সুস্থ হয়ে উঠবে রোনালদো এবং সেই ম্যাচে খেলবে। তিনি আরও যোগ করেন, আমাদের দল দুইটিও (রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনা) অনেক জনপ্রিয় এবং শক্তিশালী ছিল। ক্রিশ্চিয়ানোর সঙ্গে আমার যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল এবং এখনও আছে; সেটা আজীবনই থাকবে। দুজনের এই লড়াই অনেকদিন ধরেই চলছে। এত উচ্চপর্যায়ে এত লম্বা সময় ধরে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালিয়ে নেয়া সহজ বিষয় নয়। চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপপর্বের ম্যাচে দারুণ এক লড়াই উপহার দেয়ার কথা জানিয়ে মেসি বলেন, রিয়াল মাদ্রিদ, বার্সেলোনা এবং বিশ্বের সব ফুটবল ভক্তরাই দারুণ সব ম্যাচ উপভোগ করেছে। আমরা আশা করছি বুধবারও তাদের তেমনই কিছু উপহার দিতে পারব। বুধবার ক্রিশ্চিয়ানোর জুভেন্টাসের মুখোমুখি হওয়ার আগে আরও একটি কঠিন ম্যাচ অপেক্ষা করছে মেসির বার্সেলোনার সামনে। শনিবার বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় নিজেদের ঘরের মাঠে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদকে মৌসুমের প্রথম এল ক্লাসিকো ম্যাচে স্বাগত জানাবে বার্সেলোনা।
রাজস্থানকে হারিয়ে লড়াইয়ে টিকে রইলো হায়দরাবাদ
২৩,অক্টোবর,শুক্রবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অবশেষে জয়ে ফিরল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। বৃহস্পতিবার দুবাইয়ে স্টিভেন স্মিথের রাজস্থান রয়্যালসকে ৮ উইকেটে হারিয়ে প্লে-অফের আশা টিকিয়ে রাখলো ডেভিড ওয়ার্নারের দল। দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রাজস্থান আর হায়দরাবাদের লড়াইয়ের চেয়ে বড় বিষয় ছিল সাবেক দুই অসি অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়কের লড়াই। স্মিথ যখন অসি অধিনায়ক ছিলেন, তখন সহ-অধিনায়ক ছিলেন ওয়ার্নার। দুই সতীর্থের লড়াইয়ে যে জিতে কে হারে সেটাই ছিল দেখার। অবশেষে স্মিথকে হারিয়ে দিলেন ওয়ার্নার। পয়েন্ট টেবিলে অবস্থানটা খুব বেশি শক্ত-পোক্ত নয়। তবে, আজ যদি রাজস্থানের কাছে হেরে যেতো হায়দরাবাদ, তাহলে নিশ্চিত বলা যায়, টুর্নামেন্ট থেকেই হয়তো ছিটকে যেতো তারা। রাজস্থানকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলে একই কাতারে উঠে এলেও রান রেটের ব্যবধানে ৫ নম্বরে রয়েছে ওয়ার্নারের দল। সমান ৮ পয়েন্ট রয়েছে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব এবং রাজস্থান রয়্যালসেরও। দুবাইয়ে ১৫৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে অবশ্য কিছুটা বিপদে পড়েছিল হায়দরাবাদ। ৪ রান করে আউট হয়ে যান ডেভিড ওয়ার্নার। ১০ রান করে বিদায় নেন জনি বেয়ারেস্টও। ১৬ রানের মাথায় দলের সেরা দুই ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে যখন দুশ্চিন্তায় শেষ হায়দরাবাদ শিবির, তখনই ঘুরে দাঁড়ায় মানিস পান্ডে এবং বিজয় শঙ্কর জুটি। এই দুজনের ব্যাটে গড়ে ওঠে ১৪০ রানের জুটি। ৪৭ বলে অপরাজিত ৮৩ রানের ইনিংস খেলেন মানিস পান্ডে। ৪টি বাউন্ডারির সঙ্গে ছক্কা মারেন ৮টি। বিজয় শঙ্কর অপরাজিত থাকেন ৫১ বলে ৫২ রানে। ৬টি বাউন্ডারি মারলেও একটিও ছক্কা নেই তার ইনিংসে। শেষ পর্যন্ত ১১ বল হাতে রেখেই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন তারা দুজন। জোফরা আরচার একাই নেন হায়দরাবাদের ২ উইকেট। এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে রাজস্থান সংগ্রহ করে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৫৪ রান। ৩৬ রান করেন সাঞ্জু স্যামসন। ৩০ রান করেন বেন স্টোকস। রায়ান পারাগ ২০ এবং স্মিথ করেন ১৯ রান।
অ্যাটলেটিকোর জালে বায়ার্নের হালি
২২,অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শক্তির বিচারে ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলে সামনের সারিতেই থাকবে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের নাম। কিন্তু উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের নতুন মৌসুমের প্রথম ম্যাচে বায়ার্ন মিউনিখের কাছে ঠিক পাত্তাই পেল না তারা, হজম করেছে এক হালি গোল। বিব্রতকর পরাজয়েই ফিরতে হয়েছে ঘরে। চ্যাম্পিয়নস লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন জার্মান ক্লাব বায়ার্ন। মাস দুয়েক আগে প্যারিস সেইন্ট জার্মেইকে ১-০ গোলে হারিয়ে ২০১৯-২০ মৌসুমের চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা জিতেছিল বায়ার্ন। অ্যাটলেটিকোকে ৪-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা ধরে রাখার মিশনে নতুন মৌসুমের শুরুটাও ঠিক সেখান থেকেই করল তারা। এ নিয়ে বর্তমান কোচ হানসি ফ্লিকের অধীনে ২০তম বারের মতো কোনো ম্যাচে ৪ বা ততোধিক গোল করল বায়ার্ন। ইউরোপের সেরা পাঁচ লিগের মধ্যে গত এক বছরে এতবার কোনো দল প্রতিপক্ষের জালে হালি গোল দিতে পারেনি। ফ্লিকের এই হালি উৎসবের সবশেষ শিকারই হলো অ্যাটলেটিকো। গত আসরের ফাইনাল ম্যাচে পিএসজির বিপক্ষে একমাত্র গোলটি করেছিলেন কিংসলে কোম্যান। সেই তিনিই নতুন আসরের প্রথম ম্যাচে করলেন জোড়া গোল। তার সঙ্গে স্কোরশিটে একবার করে নাম তুলেছেন লিওন গোরেৎজকা এবং কোরেন্টিন তলিসো। ম্যাচে কোনো গোলের দেখা না পেলেও প্রথম বড় সুযোগটা এসেছিল অ্যাটলেটিকোর সামনেই। মাত্র তৃতীয় মিনিটে সতীর্থের বাড়ানো বলে পা ছোঁয়াতে পারেননি উরুগুইয়ান স্ট্রাইকার লুইস সুয়ারেজ। পরে গোলের সুযোগ হাতছাড়া করে বায়ার্নও। অবশ্য এতে তাদের দায় ছিল না। নিকলাস সুলের শট গিয়ে আঘাত হানে পোস্টে। তবে ২৭ মিনিটের সময় আর আক্ষেপ করতে হয়নি বায়ার্নকে। জশুয়া কিমিচের এগিয়ে দেয়া বল ধরে ম্যাচের প্রথম গোল করেন ফ্রেঞ্চ ফরোয়ার্ড কোম্যান। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার মিনিট চারেক আগে গোরেৎজকার নৈপুণ্যে ব্যবধান দ্বিগুণ করে বায়ার্ন। এবার তাকে বল এগিয়ে দেন প্রথম গোলদাতা কোম্যান। দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে ম্যাচের ৬৬ মিনিটের সময় প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে জোরালো এক শটে তৃতীয় গোলটি করেন তোলিসো। এর মিনিট ছয়ের পর অনেকটা এক প্রচেষ্টায় নিজের দ্বিতীয় গোলের মাধ্যমে দলের হালি পূরণ করেন কোম্যান। দারুণ জয়ে মাঠ ছাড়ে বায়ার্ন। একই গ্রুপে দিনের অন্য ম্যাচে আরবি সালজবার্গ ও লোকোমোটিভ মস্কোর মধ্যকার ম্যাচটি ড্র হয়েছে ২-২ গোলে।
এবার আইসিসিতে হলুদের সাজে ব্যাট হাতে সানজিদার ছবি
২১,অক্টোবর,বুধবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মঙ্গলবার দেশের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অন্যতম আলোচনার বিষয়বস্তু ছিলো নারী দলের ক্রিকেটার সানজিদা ইসলামের গায়ে হলুদের ফটোশুট। যেখানে দেখা গেছে, গায়ে হলুদের পোশাকেই ব্যাট-বল হাতে মাঠে নেমে পড়েছেন সানজিদা। তার এসব ছবি এখন ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। শুধু দেশের মধ্যেই নয়, রীতিমতো বিশ্বব্যাপী ভাইরাল হয়ে গেছে হলুদের সাজে ব্যাট হাতে করা এই ফটোশুটের ছবি। যা এখন আপলোড করা হয়েছে ক্রিকেটে সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্রোফাইল থেকেও। আইসিসির পাশাপাশি জনপ্রিয় ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকইনফোতেও চলে গেছে সানজিদার এই অভিনব ফটোশুটের খবর। নিজেদের টুইটার হ্যান্ডলে সানজিদার গায়ে হলুদের এই বিশেষ ফটোশুটের কয়েকটি ছবি একসঙ্গে কোলাজ বানিয়ে আপলোড করেছে আইসিসি। যেখানে তারা লিখেছে, পোশাক, গহনা এবং ব্যাট- একজন ক্রিকেটারের বিয়ের ফটোশুট যেমন হওয়া মানায়। একই ফটোশুটের ছবি আপলোড করে ক্রিকইনফোতে লেখা হয়েছে, যেই বিয়ের ফটোশুট আমাদের সোজা বোল্ড করে দিয়েছে। বাংলাদেশ দলের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার সানজিদা ইসলাম দারুণ কিছু পোজ দিয়েছে। তিনি বিয়ে করেছেন রংপুরের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটার মীম মোসাদ্দেককে। উল্লেখ্য, গত শনিবার ক্রিকেটার মীম মোসাদ্দেকের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন সানজিদা। শুক্রবার ছিল গায়ে হলুদ। হলুদের ছবি তুলতেই রংপুর স্টেডিয়ামে ছুটে গিয়েছিলেন সানজিদা। সেখানে ফটোসেশনের একপর্যায়ে ব্যাট-বল দেখে কনে আর নিজেকে সামলে রাখতে পারেননি। স্থানীয় ছেলেপুলেরা টেনিস বল দিয়ে ক্রিকেট খেলছিল। সানজিদা তাদের কাছ থেকে ব্যাটটা চেয়ে নেন। পেছনে অগোছালো তিন স্ট্যাম্প রেখে নেমে পড়েন ব্যাটিংয়ে। গিয়ে ছিলেন ফটোগ্রাফির জন্য, সেই সুন্দর মুহূর্ত আর মিস হয় কী করে! সানজিদার গায়ে হলুদের সাজে এমন ব্যাটিংয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হতে সময় নেয়নি। ক্রিকেটের প্রতি টান ছোটবেলা থেকেই। ২০০৯ সালে ভর্তি হন বিকেএসপিতে। ২০১২ সালে জাতীয় দলের জার্সিতে অভিষেকও হয়ে যায় সানজিদার। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের হয়ে ৫৪ ওয়ানডে ও ১৬টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন। ২০১৮ সালে এশিয়া কাপজয়ী দলের সদস্যও ছিলেন এই ব্যাটসম্যান। সানজিদার স্বামী মীম মোসাদ্দেক পরিচিত মুখ না হলেও প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলেন রংপুর বিভাগীয় দলের হয়ে। ঢাকায় খেলেছেন প্রথম বিভাগ ক্রিকেটে।
ইংল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে জুনিয়র টাইগাররা
২০,অক্টোবর,মঙ্গলবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কথায় বলে গাইতে গাইতে গায়েন আর বাজাতে বাজাতে বায়েন। বহুল প্রচলিত প্রবচনটির সত্যিকার ও মূল কথা হলো চর্চা। চর্চাই মান উন্নয়নের অন্যতম পূর্বশর্ত। যারা খেলোয়াড়, তারা যত বেশি খেলবেন, ততই অভিজ্ঞতা হবে। কৌশল প্রয়োগের চর্চাই মেধা স্ফুরণে অনেক বেশি কার্যকর ভূমিকা রাখে। যুব বিশ্বকাপজয়ী আকবর আলী, তানজিদ হাসান তামিম, মাহমুদুল হাসান জয়, তৌহিদ হ্রদয়, পারভেজ ইমন, শরিফুল ও রাকিবুল ইসলামরা বিশ্বকাপ খেলার আগে দেশে ও বিদেশে প্রচুর আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে খেলে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছিলেন। দেশ ও বিদেশে ৩০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছিল আকবর আলীর দল। ঐ বিভিন্ন দলের সাথে নানা কন্ডিশনে খেলা তাদের অভিজ্ঞতার ভাণ্ডারকে করেছিল সমৃদ্ধ। তারা অনুকূল-প্রতিকূল সব অবস্থায় অভ্যস্ত ও ধাতস্ত হয়ে পড়েছিলেন। যে কারণে বিশ্বকাপের মত বিশ্ব আসরে খেলতে নেমেও ভড়কে যাননি। ডর-ভয় স্পর্শ করেনি। নিজেদের স্বাভাবিক পারফরম্যান্স করতে পেরেছেন। দেখতে দেখতে আবার এসে যাচ্ছে যুব বিশ্বকাপ। আগামী ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজে বসবে বিশ্ব যুব ক্রিকেটের পরের আসর। তার আগেও জুনিয়র টাইগারদের যত বেশি করে সম্ভব আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার ব্যবস্থা করতে যাচ্ছে বিসিবি। করোনা না থাকলে হয়তো এরই মধ্যে দেশ আর বিদেশ মিলে একাধিক সিরিজ খেলে ফেলতেন জুনিয়র টাইগাররা। তবে ভেতরের খবর, সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী বছরের মাঝামাঝি ইংল্যান্ড যাবে বাংলাদেশ যুবদল (অনূর্ধ্ব-১৯)। বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ সুজন (মঙ্গলবার) বিকেলে নিউজ একাত্তরকে জানিয়েছেন, আমরা বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে এবারও যুবাদের দেশে ও বিদেশে যত বেশি সম্ভব ম্যাচ খেলার ব্যবস্থা করার চেষ্টা করছি। তারই প্রথম ধাপ হিসেবে আগামী বছর জাতীয় যুব (অনূর্ধ্ব-১৯) দলকে ইংল্যান্ডে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী বছর জুলাই-আগস্টে ইংল্যান্ডের মাটিতে একটি তিন জাতি টুর্নামেন্ট খেলতে যাবে যুব দল। যে আসরে স্বাগতিক ইংল্যান্ড ছাড়াও অস্ট্রেলিয়ার যুব দল অংশ নেবে-যোগ করেন সুজন।
কোহলিকে পেছনে ফেলে আইপিএলে নতুন রেকর্ড ওয়ার্নারের
১৯,অক্টোবর,সোমবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইনিংস ওপেন করতে না নেমে ব্যাটিং অর্ডারে নিজেকে অনেক নিচে নামিয়ে এনেছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। তার এই অবনমন দেখে অনেকেই অবাক। কিন্তু এ ক্ষেত্রে আবার কিছুটা সফল হলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক। কলকাতার ছুঁড়ে দেওয়া ১৬৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে দুই ওপেনার জনি বেয়ারেস্টো এবং কেন উইলিয়ামসন শুরুটা ভালোই করেন। তাদের ৫৮ রানের ওপেনিং জুটিতে ভর করেই চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ডেভিড ওয়ার্নার শেষ তুলির টান দেওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন। তবে ৩৩ বলে ৪৭ রানে অপরাজিত থেকেও অল্পের জন্য দলকে জয় এনে দিতে পারলেন না এই অসি ব্যাটসম্যান। নির্ধারিত ২০ ওভারে এদিন কলকাতা নাইট রাইডার্স বনাম সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ম্যাচের নিষ্পত্তি হল সুপার ওভারে। সুপার ওভারে হেরে প্লে-অফের দৌড়ে আরও পিছিয়ে পড়ল সানরাইজার্স। অধিনায়কোচিত ইনিংসে দলকে জেতাতে না পারলেও কিন্তু রোববার আইপিএলে একটি ব্যক্তিগত রেকর্ড গড়লেন হায়দরাবাদ অধিনায়ক। চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে আইপিএলে পাঁচ হাজার রানের এলিট ক্লাবে নাম লেখালেন তিনি। সব মিলিয়ে চতুর্থ হলেও, বিদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে ওয়ার্নারই আইপিএলে প্রথম এই মাইলফলক স্পর্শ করলেন। এর আগে আইপিএলে ৫ হাজার রানের ক্লাবে পা দেওয়া বাকি তিন ব্যাটসম্যান হলেন বিরাট কোহলি, সুরেশ রায়না এবং রোহিত শর্মা। তবে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু অধিনায়ক বিরাট কোহলির রেকর্ড ভেঙে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন অসি ব্যাটসম্যান। ৫ হাজার রানের ক্লাবে পৌঁছতে ১৩৫ ইনিংস খেলেন ওয়ার্নার। এর আগে দ্রুততম ব্যাটসম্যান হিসেবে ১৫৭ ইনিংসে এই রেকর্ড স্পর্শ করেছিলেন বিরাট কোহলি। তৃতীয় দ্রুততম হিসেবে ১৭৩ ইনিংসে এই রেকর্ড গড়েছিলেন সুরেশ রায়না। রোববার কেকেআরের বিপক্ষে শেষ ওভারে জয়ের অন্য ১৮ রান প্রয়োজন ছিল সানরাইজার্সের। আন্দ্রে রাসেলকে শেষ ওভারে ৩টি বাউন্ডারি হাঁকিয়েও অল্পের জন্য শেষরক্ষা করতে পারেননি ডেভিড ওয়ার্নার। এরপর সুপার ওভারে প্রথম বলেই ফার্গুসনের শিকার হন তিনি। সুপার ওভারে তৃতীয় বলে ফার্গুসন সামাদের উইকেট তুলে নিলে নাইটদের লক্ষ্যমাত্রা দাঁড়ায় মাত্র ৩ রান। দু’বল বাকি থাকতেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় নাইটরা।