দারুণ জয়ে সিরিজ শুরু টাইগারদের
ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। তামিম ইকবালের ৮৪ ও মুশফিকুর রহিমের ১৪ রানে ভর করে এই জয় পান টাইগাররা। জিম্বাবুয়ের দেয়া ১৭১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামেন তামিম ও এনামুল হক। তাদের ৩০ রানের উদ্বোধনী জুটি করার কর ব্যক্তিগত ১৯ রান করে ফিরে যান বিজয়। আর বিজয়ের ফিরে যাওয়ার পর ক্রিজে আসেন সাকিব আল হাসান। আর সাকিব ও তামিমের ৭৮ রানের জুটিতে মূলত জয়ের ভিত্তি পান বাংলাদেশ। সাকিব ব্যক্তিগত ৩৭ রানের ফিরে যাওয়ার পর বাকি কাজটা শেষ করেন তামিম ও মুশফিক। এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে সিকান্দার রাজার ৫২, পিজে মুরের ৩৩, ব্রেন্ডন টেলরের ২৪ রানের ইনিংসগুলোতে ভর করে স্কোরবোর্ডে ১৭০ রান জমা করতে পেরেছে জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশের পক্ষে দারুণ বোলিং করে তিন উইকেট নিয়েছেন সাকিব। দু'টি করে উইকেট পেয়েছেন রুবলে, মুস্তাফিজুর রহমান ও সানজামুল ইসলামের ঝুলিতে।
হার রোনাল্ডোদের, দূরে সরছে লিগ
লা লিগা খেতাব থেকে ক্রমে দূরে সরছে রিয়াল মাদ্রিদ। শনিবার ঘরের মাঠ সান্তিয়াগো বের্নাবাও স্টেডিয়ামে ভিয়ারিয়ালের কাছে হারলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোরা। ম্যাচের ৮৭ মিনিটে রিয়াল মাদ্রিদ রক্ষণের ভুলত্রুটি কাজে লাগিয়ে গোল করে যান বিপক্ষের পাবলো ফোরনালস। মরসুমে এটি জিনেদিন জিদানের দলের তৃতীয় হার। তবে এ দিন হারলেও প্রথমার্ধ এবং দ্বিতীয়ার্ধের একটা বড় সময় ম্যাচে প্রাধান্য রেখেছিলেন রোনাল্ডোরাই। কিন্তু গ্যারেথ বেল এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোদের ফিনিশিং-এর ব্যর্থতায় গোল পায়নি জিদানের দল। একই সঙ্গে উল্লেখ করতে হবে ভিয়ারিয়াল গোলকিপার সের্জিও আসেঞ্জো-র কথাও। বেশ কিছু অবিশ্বাস্য সেভ করে তিনি এ দিন আটকে দিয়েছিলেন রিয়ালের গোল পাওয়ার রাস্তা। ম্যাচের একদম অন্তিম লগ্নে রিয়াল মাদ্রিদ কর্নার পেলে সেই বল ধরে প্রতি-আক্রমণ শানিয়েছিল ভিয়ারিয়াল। আর সেখান থেকেই গোল। গোলের সময় রিয়াল মাদ্রিদ রক্ষণ থেকে বিপন্মুক্ত হওয়া বল জিদানের দলের গোলকিপার কেলর নাভাস-এর মাথার উপর দিয়ে তুলে জালের ভিতর জড়িয়ে দেন ভিয়ারিয়ালের পাবলো। এ দিন হারের ফলে ১৭ ম্যাচে রিয়ালের পয়েন্ট দাঁড়াল ৩২। লা লিগায় রোনাল্ডোরা এখন চতুর্থ। শীর্ষে থাকা মেসির বার্সেলোনার সংগ্রহ ৪৮ পয়েন্ট। রবিবার ম্যাচে রয়েছে বার্সেলোনার। যে ম্যাচে আর্নেস্তো ভালভার্দের দলের প্রতিপক্ষ রিয়াল সোসিদাদ। সেই ম্যাচ যদি মেসিরা জিতে যান, তা হলে রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে বার্সেলোনার পয়েন্টের ব্যবধান হবে ১৯। লা লিগায় ক্রমশ পিছোতে থাকলেও ইতিমধ্যেই কোপা দেল রে কোয়ার্টার ফাইনালে গিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। যেখানে আগামী সপ্তাহের মাঝপথে টনি ক্রুজ-দের প্রতিপক্ষ লেগানেস।
ত্রিদেশীয় সিরিজের জন্য ১৬ সদস্যের দল ঘোষনা
দল থেকে বাদ পড়েছেন আরেক ওপেনার সৌম্য সরকার। শুধুই সৌম্য নয়, বাদ পড়েছেন লিটন দাস এবং পেসার তাসকিন আহমেদ। ওপেনার হিসেবে দলে ফিরেছেন এনামুল হক বিজয়। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ওয়ানডেতেই করেছিলেন সেঞ্চুরি। বাংলাদেশের কোনো ব্যাটসম্যানের জন্য ওয়ানডেতে এত শুরুর দিকে সেঞ্চুরি পাওয়ার ঘটনা চমকে দেওয়ার মতো তো ছিলই। এনামুল সেই চমক ধরে রেখে করলেন আরও দুটি সেঞ্চুরি। কিন্তু ওয়ানডেতে বেশ ভালো ওপেনার বাংলাদেশ পেয়ে গেল, এই সুখবর হাওয়ায় মিলিয়ে হারিয়েই গেলেন। ২০১৫ বিশ্বকাপে খেলেছেন সর্বশেষ। অবশেষে আবার জাতীয় দলে ফিরলেন এই ওপেনার। আজ ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম দুই ওয়ানডের জন্য ১৬ জনের দল ঘোষণা করেছে বিসিবি। তাতে এনামুল ছাড়াও দলে ফিরেছেন মোহাম্মদ মিথুন। ২০১৪ সালে বাংলাদেশের কোচ হিসেবে হাথুরুসিংহের অভিষেক সিরিজে ভারতের বিপক্ষে দুটি ওয়ানডে খেলেই বাদ পড়লেন। অবশেষে হাথুরু অধ্যায় শেষে আবার ফিরলেন ওয়ানডে দলে। ফিরেছেন পেসার আবুল হাসান। বাদ পড়েছেন ২০১৪ সালের ওই সিরিজেই ওয়ানডে অভিষিক্ত তাসকিন আহমেদ। সৌম্য সরকারের ওপরও আস্থা রাখতে পারেননি নির্বাচকেরা। বাদ পড়েছেন লিটন দাসও। গত প্রিমিয়ার লিগ আর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে দারুণ ফর্ম এনামুলের দিকে নজর ফেরাতে বাধ্য করেছে নির্বাচকদের। গত বিপিএলেও বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে বেশ ভালো খেলেছেন। ১৫ জানুয়ারি শুরু হবে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, জিম্বাবুয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ। ৮ বছর পর বাংলাদেশে প্রথম ত্রিদেশীয় সিরিজ হচ্ছে। শ্রীলঙ্কার কোচ হয়ে এই সিরিজে অভিষেক হবে হাথুরুর। ত্রিদেশীয় সিরিজের দল ঘোষণা: মাশরাফি, সাকিব, তামিম, এনামুল বিজয়, মুশফিক, মাহমুদউল্লাহ, ইমরুল, নাসির, সাব্বির, মিথুন, মোস্তাফিজ, রুবেল, আবুল হাসান, মেহেদী মিরাজ, সাইফউদ্দিন, সানজামুল।
২০১৮ তে কমপক্ষে ১৫ ওয়ানডে, ৮ টি টেস্ট ও ৮ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে টাইগাররা
নতুন বছরে বেশি বেশি ম্যাচ খেলবে টাইগাররা। ২০১৮ সাল জুড়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। আগের চেয়ে কিছুটা বেশি ম্যাচও পাচ্ছে টাইগাররা। কমপক্ষে ১৫ ওয়ানডে, ৮ টি টেস্ট ও ৮ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। ট্রাই নেশনের ফাইনাল ও এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্ব উতরাতে পারলে বাড়বে ম্যাচ সংখ্যা। এর বাইরে এপ্রিল- মে মাসে চাইলে নতুন কোনো সিরিজ আয়োজন করতে পারবে বাংলাদেশ। প্রথম মাসেই ত্রিদেশিয় সিরিজ। প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ে। ১৫ জানুয়ারি হবে শুরু। এ সিরিজে কমপক্ষে চার ম্যাচ পাবে বাংলাদেশ। ফাইনালে খেললে বাড়বে এক ম্যাচ। ফেব্রুয়ারিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ। যেখানে থাকছে দু'টি করে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। নতুন বছরের শুরু থেকে বাংলাদেশের সঙ্গী লঙ্কনরা। হাথুরুর শিষ্যদের বিপক্ষে মার্চে আবারো খেলবে তামিম, সাকিবরা। তবে এবার টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ত্রিদেশিয় সিরিজ। যেখানে আরেক প্রতিপক্ষ ভারত। টুর্নামেন্টের নাম নিদাহাস কাপ। বাংলাদেশের স্বাধীনতার মাসে লঙ্কানরাও উদযাপন করবে ৭০তম স্বাধীনতা দিবস। গ্রুপ পর্বে প্রত্যেক দল পাবে চারটি করে ম্যাচ। কলম্বোতে ফাইনাল খেললে বাড়বে আরো এক ম্যাচ। যদিও, মার্চে আইসিসি'র এফটিপিতে ওয়েষ্ট ইন্ডিজ ট্যুর ছিলো বাংলাদেশের। কিন্তু, পূর্ণাঙ্গ এই সিরিজটি ঝুলে পড়েছে। এপ্রিল আর মে মাসে কোনো খেলা নেই বাংলাদেশের। চাইলে এসময় নতুন কোনো সিরিজ বের করতে পারবে বাংলাদেশ। পাকিস্তানকে চাপ দিয়ে স্থগিত হওয়া সিরিজটাও আদায় করে নেয়া যেতে পারে এই সময়ে। এছাড়া, ২ বছর ধরে ঝুলে থাকা জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজও হতে পারে এসময়ে। জুনে আইসিসি'র এফটিপি বলছে জুনে এশিয়া কাপ। তবে, এসিসি চাইছে আসরটি সেপ্টম্বরে আয়োজন করতে। এদিকে মার্চে ঝুলে যাওয়া ওয়েষ্ট ইন্ডিজ সফরটি জুলাইয়ে করার পরিকল্পনা আছে বিসিবি'র। কারণ এ সময় খেলা নেই টাইগারদের। তবে, প্রম্ণ হলো ক্যারিবীয়রা ফ্রি থাকলেই হবে সিরিজটি। পরের মাস আগস্টে আবারো বিদেশ সফর করবে মাশরাফিরা। গন্তব্য হবে তাসমান সাগর পাড়ের দেশ অস্ট্রেলিয়া। খেলবে দু'টি টেস্ট ও ৩ ওয়ানডে। অক্টোবরে ফিরতি সফরে বাংলাদেশে আসার কথা ওয়েস্ট ইন্ডিজের। যথারীতি এখানেও থাকবে ২ টেস্ট, ৩ ওয়ানডে ও ১ টি টোয়েন্টি। নভেম্বর ডিসেম্বরে বিপিএলের ষষ্ট আসর। তার আগে লোকাল ক্রিকেটারদের নিয়ে আরো একটি সংক্ষিপ্ত টুর্নামেন্ট আয়োজনের কথা রয়েছে। ২০১৮ শেষ হবে বিপিএল দিয়ে।
আফগানিস্তানের কোচ হলেন সিমন্স
চন্দ্রিকা হাথুরুসিংহের পদত্যাগের পর বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের কোচ হতে আগ্রহী ছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক কোচ ফিল সিমন্স। বাংলাদেশে এসে সাক্ষাতকারও দিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু বিসিবি গ্যারি কারস্টেনকে কোচিং টিমের উপদেষ্টা হিসেবে চাওয়ায় এবার আফগানিস্তানের কোচ হয়ে গেলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতানো এই কোচ। ভারতের লালচাদ রাজপুতের স্থলাভিষিক্ত হতে যাচ্ছেন সিমন্স। নিয়োগ দেয়ার মাত্র তিন মাস পরই ভারতীয় সাবেক ব্যাটসম্যান লালচাদ রাজপুতকে বরখাস্ত করে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (এসিবি)। ২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত চুক্তিবদ্ধ হওয়া সিমন্স আগামী ৮ জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। দলের নতুন কোচ হিসেবে তার প্রথম এসাইনমেন্ট আগামী ফেব্রুয়ারীতে শারজাহতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিমিত ওভারের সিরিজ। গত বছর আফগান দলের পরামর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা সিমন্স সম্পর্কে এসিবি প্রধান নির্বাহী শফিক স্তানিকজাই বলেন, 'আমাদের দল সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকায় আমরা সিমন্সকে নিয়োগ দিয়েছি। তিনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আয়ারল্যান্ড এবং জিম্বাবুয়ের কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে এই তিন দলের বিপক্ষেই খেলবে আফগানিস্তান।
শিরোপা জয় বাংলাদেশের
বাংলাদেশকে আরও একটি আনন্দের উপলক্ষ এনে দিল কিশোরী ফুটবলাররা। সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে শক্তিশালী ভারতকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জয় করল বাংলাদেশের মেয়েরা। ম্যাচের ৪২তম মিনিটে একমাত্র গোলটি করেছেন শামসুন্নাহার। কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকে অবশ্য দুদলই রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলছিল। তবে দ্রুতই প্রতিপক্ষের দূর্গে আক্রমণের পর আক্রমণ শুরু করে বাংলাদেশ। তারপরও গোলের জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে ৪২ মিনিট পর্যন্ত। এর আগে দুটি সহজ সুযোগও এসেছিল লাল-সবুজ জার্সিধারীদের সামনে। কিন্তু বাংলাদেশ সে সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারেনি। প্রথম সুযোগ এসেছিল ২২ মিনিটে। মারিয়ার মান্ডার দেয়া বল ধরে বক্সে ঢুকেছিলেন আনুচিং মগিনি। কিন্তু ভারতের গোলকিপারকে একা পেয়েও পরাস্ত করতে পারেননি। ম্যাচের ৩২তম মিনিটে বাঁ-দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে তহুরা খাতুনের কোনাকুনি শট দ্বিতীয় পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়। এদিকে ম্যাচটি ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ দেখা গেছে প্রবল। কমলাপুরের স্টেডিয়ামে মেয়েদের ম্যাচটি দেখতে গ্যালারিতে প্রায় ৮-১০ হাজার দর্শক উপস্থিত ছিলেন। এর পেছনে অবশ্য মাইকিং আর মিডিয়ার বড় ভূমিকা আছে। দর্শকদের অনেকের হাতেই আছে জাতীয় পতাকা। নেচে গেয়ে চিৎকার করে তারা উৎসাহ দিয়েছেন কিশোরীদের।
১৯৫ রানেই অলআউট ইংল্যান্ড
১৭ বল আর ১০ রানে শেষ ৪ উইকেট হারিয়ে ব্রিসবেন টেস্টে দ্বিতীয় ইনিংসে ১৯৫ রানেই অলআউট হয়েছে ইংল্যান্ড। অ্যাশেজের প্রথম টেস্ট জিততে অস্ট্রেলিয়াকে করতে হবে ১৭০ রান। তৃতীয় দিনের ২ উইকেটে ৩৩ রান নিয়ে আজ চতুর্থ দিন শুরু করেছিল ইংল্যান্ড। মার্ক স্টোনম্যানকে (২৭) ফিরিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে দিনের প্রথম সাফল্য এনে দেন স্পিনার নাথান লায়ন। ওই লায়নের বলেই দ্রুত ফেরেন ডেভিড মালানও (৪)। দুজনই ক্যাচ দেন স্টিভ স্মিথকে। ২ উইকেটে ৬২ থেকে ইংল্যান্ডের স্কোর তখন ৪ উইকেটে ৭৪! ৫ রান নিয়ে দিন শুরু করা জো রুট তুলে নিয়েছিলেন ফিফটি। কিন্তু এরপর আর ইনিংস বড় করতে পারেননি ইংলিশ অধিনায়ক। ৫১ রান করা রুটকে এলবিডব্লিউ করেন পেসার জশ হ্যাজেলউড। ষষ্ঠ উইকেটে ৪২ রানের জুটি গড়েছিলেন মঈন আলী ও জনি বেয়ারস্টো। লায়নের বলে টিম পাইনের হাতে মঈন (৪০) স্টাম্পড হয়ে গেলে ভাঙে এ জুটি। সপ্তম উইকেটে ক্রিস ওকসকে সঙ্গে নিয়ে ৩০ রানের জুটি গড়েন বেয়ারস্টো। কিন্তু এ জুটি ভাঙার পর ইংল্যান্ডের লেজ গুটিয়ে যেতে খুব একটা সময় লাগেনি। মিচেল স্টার্ক একই ওভারে ফিরিয়ে দেন বেয়ারস্টো (৪২) ও স্টুয়ার্ট ব্রডকে। পরের ওভারে জেক বলকে ফিরিয়ে সফরকারীদের ইনিংসের ইতি টানেন প্যাট কামিন্স। এর আগে ওকসকে (১৭) ফেরান স্টার্ক। চা বিরতির পর লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেছে অস্ট্রেলিয়া। এর আগে প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডের ৩০২ রানের জবাবে স্মিথের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়া করেছিল ৩২৮।