উদ্বাস্তুদের বিশ্বকাপ!
অনলাইন ডেস্ক: মাত্র সাত বছর বয়সে যুদ্ধ ঘরছাড়া করেছিল লুকা মডরিচকে। সার্বিয়ান বাহিনীর গুলি ও বোমা থেকে বাঁচতে মডরিচ আশ্রয় নিয়েছিলেন জাদারের উদ্বাস্তু শিবিরের হোটেল কলোভারে। সেখানেই কেটেছে আট বছর। যুদ্ধের বিভীষিকা থেকে উঠে আসেন মডরিচ। রাশিয়া বিশ্বকাপ মডরিচের মতো আরও অনেক উদ্বাস্তুর উত্থানের গল্প লিখেছে। লিখেছে ঘৃণা ও উপেক্ষা জয় করে কী করে লিখতে হয় যুদ্ধবিরোধী ভালোবাসার গল্প। এবারের বিশ্বকাপ উদ্বাস্তুদের বিশ্বজয়ের স্বপ্নময় অধ্যায়। ফ্রান্স দলের সেরা তরকাদের প্রায় সবাই উদ্বাস্তু। পল পগবা, মাতুইদি, কিলিয়ান এমবাপ্পে, উমতিতি, কান্তে- কেউই জন্মগতভাবে ফ্রান্সের অধিবাসী নন। ১৯৯৮ বিশ্বকাপজয়ী ফ্রান্স দলে মাত্র দু’জন ছিলেন মূল অধিবাসী। বাকিরা সবাই অভিবাসী। রাশিয়া বিশ্বকাপে অংশ নেয়া ১০টি ইউরোপীয় দলে অভিবাসী খেলোয়াড় ছিলেন ৮৩ জন। তারাই নেতৃত্ব দিচ্ছেন ইউরোপের। ফুটবলবিশ্বে ইউরোপের যে আধিপত্য, সেটা অভিবাসী ফুটবলারদের কল্যাণেই। সোনালি প্রজন্মের বেলজিয়াম দলের অন্যতম তারকা রোমেলু লুকাকু। তার শৈশবও কেটেছে উদ্বাস্তু শিবিরে। চরম দারিদ্র্য ও অবহেলা অতিক্রম করে আজ তিনি বিশ্বজয়ী এক ফুটবলার। বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় ফুটবল দলে রয়েছে অভিবাসী ফুটবলারের আধিক্য। সবচেয়ে বেশি ফ্রান্সে। ফ্রান্স জাতীয় দলের ৭৮.৩ শতাংশ ফুটবলার অভিবাসী। সুইজারল্যান্ডের ৬৫.২, বেলজিয়াম ও ইংল্যান্ডের ৪৭.৮, জার্মানির ৩৯.১ ও পর্তুগালের ৩০.৪ শতাংশ ফুটবলার অভিবাসী। স্বদেশ থেকে বিতাড়িত, যুদ্ধতাড়িত প্রজন্মের এই ফুটবলাররা নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিশ্ব ফুটবলে। তাদের পায়ের ছন্দে ছন্দে খেলা করছে ভালোবাসার জয়গান। যুদ্ধের বিপরীতে তারাই রাশিয়ায় লিখেছেন শান্তির মহাকাব্য। শীর্ষনিউজ
তৃতীয় বেলজিয়াম
অনলাইন ডেস্ক :বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ সাফল্য পেল বেলজিয়াম। ইংল্যান্ডকে ২-০ গোলে হারিয়ে রাশিয়া বিশ্বকাপের তৃতীয় হলো তারা।এর আগে সেরা ছিল চতুর্থ স্থান। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে চতুর্থ হয় তারা। ম্যাচ শেষে বেলজিয়ামের উদযাপন হতে পারতো বাধন ছাড়া। বিশ্বকাপ ইতিহাসে নিজেদের সেরা সাফল্য বলে কথা। কিন্তু সেই উদযাপনে আবেগ বাঁধ ভাঙলো না কখনোই। ইংল্যান্ডও যে পরাভবের বেদনায় মুচড়ে পড়লো, তাও নয়। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ যে বিশ্বকাপের সবচেয়ে ‘নিষ্ঠুর’ ম্যাচ। ফাইনালের মঞ্চে উঠতে না পারা দলের খেলা। যে দল দুটি এখনো সেমি ফাইনালে হারের বেদনাই ভুলতে পারেনি। তবে তৃতীয় ও চতুর্থ স্থান নির্ধারণী বলে মর্যাদার বিষয় তো কিছু থাকেই। সেই মঞ্চে শনিবার সফল বেলজিয়াম। সেন্টপিটার্সবার্গ স্টেডিয়ামে যারা ২-০ গোলে হারালো ইংলিশদের। সোনালী প্রজন্মে ভর করে পেল নিজেদের বিশ্বকাপ ইতিহাসের সেরা সাফল্য। তৃতীয় হওয়ার লড়াইয়ে সেন্ট পিটার্সবার্গে খেলতে নামে ইংল্যান্ড-বেলজিয়াম। ঘড়ির কাঁটা ৫ মিনিট ঘোরার আগেই গোল পেয়ে যায় বেলজিয়াম। ৪ মিনিটে নাসের শ্যাডলির অ্যাসিস্ট থেকে নিশানাভেদ করেন থমাস মিউনিয়ার। পিছিয়ে পড়ে আক্রমণের গতি বাড়ায় ইংল্যান্ড। সমতায়ও ফিরতে পারত থ্রি-লায়নসরা। ২৩ ও ২৪ মিনিটে দারুণ দুটি সুযোগ পায় তারা। তবে তা হেলায় নষ্ট করেন রাহিম স্টার্লিং ও হ্যারি কেন। ৩৫ মিনিটে সুযোগ পায় বেলজিয়াম। তবে হাতের নাগালে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি টবি অ্যালডারউইয়ারল্ড। পরে আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণে খেলা এগিয়ে চললেও আর কেউই গোলমুখ খুলতে পারেনি। এতে প্রথমার্ধে ১-০ গোলে পিছিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাদের। দ্বিতীয়ার্ধে গোল পেতে মরিয়া হয়ে পড়ে ইংল্যান্ড। একের পর এক আক্রমণে বেলজিয়াম শিবিরে আতঙ্ক ছড়ায় ইংলিশরা। একাধিক সুযোগো পায় তারা। এদিন যেন ফুটবলদেবীও তাদের সহায় ছিল না। না হলে ৬৮ মিনিটে নিশ্চিত গোলটি কেন পাবেন না? কাইরান ট্রিপারের অ্যাসিস্ট থেকে গোলমুখে বল ঠেলে দিয়েছিলেন এরিক ডায়ার। থিবাউত কর্তোয়াও পরাস্ত হয়েছিলেন। বল যখন গোললাইন অতিক্রম করার তিল দূরে, তখনই দেবদূত হয়ে তা প্রতিহত করেন বেলজিয়ান এক রক্ষণসেনা। অধিকন্তু গোল মিসের মোহড়ায় যেন নামেন হ্যারি কেনরা। ৭০ থেকে ৭৫ মিনিটের মধ্যে একাধিক মিস করেন তারা। উল্টো ৮২ মিনিটে পাল্টা আক্রমণে গোল খেয়ে বসে ইংল্যান্ড। আরেকবার জাদু দেখালেন দুই মানিকজোড় ব্রুইনা-হ্যাজার্ড।
হুইলচেয়ারে ক্রোয়েশিয়া থেকে রাশিয়া!
অনলাইন ডেস্ক: বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনা বুঝি এমনই! হুইলচেয়ারে করেই ক্রোয়েশিয়া থেকে নিজ দেশের খেলা দেখতে রাশিয়া পৌঁছেছেন ইভা খ্রোমেন। ইভা খ্রোমেন নামের এই ব্যক্তি এক দুর্ঘটনায় হাঁটাচলার শক্তি হারান। এরপর থেকে হুইলচেয়ারে করেই পার করছেন জীবন। ক্রোয়েশিয়ার ফুটবল দলটির একনিষ্ঠ ভক্ত তিনি। বিবিসি বাংলাকে ইভা খ্রোমেন বলেন, 'জীবন আশা হারানোর জন্য খুব ছোট। দেখুন খেলা শুরুর আগে আমাদের নাম কজন নিয়েছে? আজ আমরা ফাইনালে, আমাদের ছেলেদের খেলা সবাই দেখবে।’ তার মতে, এই দলের খেলা দেখে তিনি বাঁচার জন্য জীবনীশক্তি পান। ৬ জুলাই তিনি রাশিয়া আসেন। ক্রোয়েশিয়ার জয় দেখেই ১৬ই জুলাই দেশে ফিরতে চান এই ক্রোয়েট। ইভা খ্রোমেন বলেন, 'গ্রাদা থেকে প্রথমে আমি এসেছি ওয়ারশ, সেখান থেকে মস্কো। এটা আমার জন্য অবশ্যই কঠিন সফর, তবে আমি এক ফোঁটাও কষ্ট অনুভব করছি না।' মস্কোর ক্রেমলিনে হুইলচেয়ারে বসা ইভা খ্রোমেন এভাবেই তার অনুভূতি ব্যক্ত করেন। ক্রোয়েশিয়ার কোয়ার্টার ফাইনাল দেখতে তিনি উপস্থিত হন রাশিয়ায়। মাঠে বসে কোয়ার্টার ফাইনাল না দেখতে পারলেও সেমিফাইনাল দেখেছেন, এবার দেখবেন ফাইনালও। তার কাছে স্বপ্নের মতো এই বিশ্বকাপ। রাশিয়া বিশ্বকাপের ফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার খেলা নিয়ে তার অভিব্যক্তি জানতে চাইলে কিছু সময় চুপ করে থাকেন তিনি। অতঃপর বলেন, 'আমি আসলেই জানি না এটার উত্তর কী হবে বা আমি কেমন বোধ করছি। আমি শুধু জানি আমাদের স্বপ্ন পূরণের মাত্র একটি ধাপ বাকি।' ১৫ জুলাই মস্কোর লুঝনিকি স্টেডিয়ামে উপস্থিত হয়ে খেলা দেখবেন এই ক্রোয়েট।
প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে ক্রোয়েশিয়া
অনলাইন ডেস্ক:ইংল্যান্ডের স্বপ্ন ভেঙে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে উঠেছে ক্রোয়েশিয়া। বুধবার মস্কোর লুঝনিকি স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সেমি ফাইনালে ইংলিশদের ২-১ গোলে হারিয়েছে ক্রোয়েটরা। নির্ধারিত সময়ে ১-১ এর সমতায় শেষ হলে অতিরিক্ত সময়ে গড়ায় খেলা। ম্যাচের ১০৯ মিনিটে ক্রোয়েশিয়ার হয়ে জয় সূচক গোলটি করেন মারিও মানজুকিচ। ১৫ জুন ফাইনালে ফ্রান্সের মুখোমুখি হবে তারা। এর আগে ম্যাচ শুরুর ৫ মিনিটের মাথায় ১-০তে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিকে দলকে গোলটি এনে দেন ইংলিশ ডিফেন্ডার কেইরান ট্রিপার। তবে ম্যাচের ৬৮ মিনিটে ক্রোয়েশিয়াকে সমতায় ফেরান ইভান পেরিসিচ। ১৯৬৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছিল ইংল্যান্ড। ব্রিটিশ মিডিয়া তো এরই মধ্যে হ্যারি কেনের হাতে শিরোপাও দেখে ফেলেছিল। কিন্তু সেই স্বপ্ন চূর্ণ করে রাশিয়া বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছে গেল দ্বিতীয়বারের মতো সেমি ফাইনাল খেলা ক্রোয়েশিয়া। ম্যাচের শুরুতেই পিছিয়ে পড়া ক্রোয়েটরা এদিন হার না মানা ফুটবল খেলেই ইতিহাস সৃষ্টি করল। এর আগে বিশ্বকাপে দেশটির সর্বোচ্চ সাফল্য ছিল সেমি ফাইনাল পর্যন্ত। ১৯৯৮ সালে প্রথমবারের মতো সেমি ফাইনালে উঠেছিল তারা। এদিন ম্যাচের তৃতীয় মিনিটে ক্রোয়েশিয়ার ডি-বক্সের কাছে লুকা মদ্রিচের অবৈধ ট্যাকেলের শিকার হন ডেলে আলি। ফাউলের বাঁশি বাজান রেফারি। আর তাতেই সর্বনাশ ঘটে ক্রোয়েশিয়ার। ট্রিপারের ফ্রি-কিকটি থামানোর সুযোগই পেলেন না দানিজেল সুবাসিচ। এরপর দুই দলই দারুণ আক্রমণাত্মক খেলা চালিয়ে যায়। ২২ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করতে পারত ইংল্যান্ড। ইভান স্ট্রাইনচের ভুল পাসে বড় সুযোগ পায় ইংলিশরা। কিন্তু রহিম স্টার্লিংয়ের বাড়ানো বল ধরার সময় অফ সাইডে থাকেন হ্যারি কেন। ৩০ মিনিটের সময় আবার ব্যর্থ হন কেন। ক্রোয়েশিয়ার গোলকিপারকে ফাঁকা পেয়েও গোল করতে পারেননি তিনি। তার কিছুক্ষণ পর দারুণ এক গোলের সুযোগ সৃষ্টি করেছিল ক্রোয়েশিয়া। ডানপ্রান্ত থেকে আন্তে রেবিচ দারুণ এক ক্লিয়ার করে সে যাত্রায় ইংল্যান্ডকে বাঁচান ক্রস জন স্টোনস। তবে ফিরতি বলে রেবিচ শট করলে পিকফোর্ড সহজেই তা আটকে দেন। ইংল্যান্ড প্রথমার্ধের খেলা শেষ করে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে ফিরেই ইংল্যান্ডকে চেপে ধরে ক্রোয়েশিয়া। ম্যাচের ৬৮তম মিনিটে ক্রোয়েশিয়াকে ১-১ গোলের সমতায় ফেরান পেরিসিচ। সমতায় ফিরে আরো আগ্রাসী হয়ে ওঠে লুকা মদ্রিচরা। ইংল্যান্ডের রক্ষণে দারুণ চাপ সৃষ্টি করে খেলে তারা। ক্রোয়েশিয়ার একের পর এক আক্রমণে রীতিমতো কোণঠাসা হয়ে পড়ে ইংলিশরা। টানা আক্রমণে গেলেও কোনভাবেই গোল পাচ্ছিল না ক্রোয়েটরা। কখনও ইংলিশ ডিফেন্স, কখনও গোলকিপার, কখনও গোলবার ক্রোয়েটদের হতাশায় পোড়াচ্ছিল। এর মাঝে ইংল্যান্ডও আক্রমণে যায়। কিন্তু গোলের দেখা তারাও পায় না। ফলে নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষ হয় ১-১ গোলের সমতায়। অতিরিক্ত সময়ে শুরুতেই এগিয়ে যেতে পারত ইংল্যান্ড। ম্যাচের ৯৯ মিনিটে কেইরান ট্রিপারের ক্রস থেকে পাওয়া বল দারুণ হেড নিয়েছিলেন জন স্টোনস। কিন্তু নিশ্চিত গোলটি রুখে দিয়ে সিমো ভ্রাজালকো সে যাত্রায় বাঁচান দলকে। অবশেষে ম্যাচের ১০৯ মিনিটে মানজুকিচর পা থেকে কাঙ্ক্ষিত গোলটি পায় ক্রোয়েশিয়া। এদিন সব বিভাগেই এগিয়ে ছিল ক্রোয়েশিয়া। পুরো ম্যাচে তাদের দখলে বল ছিল ৫৫ ভাগ। গোল মুখেও শট বেশি নিয়েছে তারা।
বিশ্বকাপের ফাইনালে ফ্রান্স
অনলাইন ডেস্ক :প্রথম দল হিসেবে ২১তম বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে উঠলো সাবেক চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স। গতরাতে বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে ফ্রান্স ১-০ গোলে হারায় বেলজিয়ামকে। ম্যাচের ৫১ মিনিটে ডিফেন্ডার স্যামুয়েল উমিতিতি ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেন। ফলে বিশ্বকাপ ইতিহাসে তৃতীয়বারের মত ফাইনালে উঠলো ফরাসিরা। ১৯৯৮ সালে চ্যাম্পিয়ন হলেও ২০০৬ আসরে রানার্স-আপ হয়েই সন্তুস্ট থাকতে হয় ফ্রান্সকে। ফাইনালে উঠার লক্ষ্য নিয়ে সেন্ট পিটার্সবার্গ শেষ চারের লড়াই শুরু করে ফ্রান্স ও বেলজিয়াম। দু’দলই ৪-২-৩-১ ফরমেশনে ম্যাচ শুরু করে। মুখোমুখি লড়াইয়ে এগিয়ে বেলজিয়াম। ৭৩ বারের মোকাবেলায় ৩০টিতে বেলজিয়াম ও ২৪টিতে জয় পায় ফ্রান্স। ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপের পর আবারো বড় মঞ্চে মুখোমুখি দু’দল। সে বার ৪-২ গোলে জয় পেয়েছিলো ফরাসিরা। তাই শেষ চারের লড়াইয়ে একক ফেভারিট ছিলনা কোন দলই। আক্রমন পাল্টা আক্রমনে খেলা শুরু করে ফ্রান্স ও বেলজিয়াম। তবে ম্যাচে প্রথম আক্রমনে যায় বেলজিয়াম। ১৫ মিনিটে মিডফিল্ডারকেভিন ডি ব্রুইনার পাস থেকে বল পেয়ে গোলমুখে শট নিতে ব্যর্থ হন স্ট্রাইকার ও অধিনায়ক এডেন হ্যাজার্ড। কিছুক্ষণ পর পাল্টা আক্রমন করে ফ্রান্স। মিডফিল্ডার এনগোলা কন্টের বাড়ানো বলে বেলজিয়ামের বক্সের বাইরে থেকে শট নেন মধ্যমাঠের আরেক খেলোয়াড় ব্লাইস মাতুইদি। তার শট আটকে যায় বেলজিয়ামের রক্ষণভগ। এরপর ফ্রান্সের গোলরক্ষকের হুগো লরিস দুর্দান্ত দক্ষতায় ডান-দিকে ঝাপিয়ে পড়ে ডিফেন্ডার টবি আলডারউইরেল্ডের শট রুখে দিলে ২২ মিনিট নিশ্চিত গোল বঞ্চিত হয় বেলজিয়াম। । গোল বঞ্চিত হলেও আক্রমনের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে পারে বেলজিয়াম। কারন মধ্যমাঠের দখল নিয়ে বল নিজেদের নিয়ন্ত্রনে রেখেছিলো বেলজিয়াম। বল দখলে না রাখতে পারলেও ম্যাচের লাগাম ছেড়ে দেয়নি ফ্রান্স। তাাচের ৩১ থেকে ৪৫ মিনিট পর্যন্ত বেলজিয়ামের সীমানায় আটটি আক্রমন করে ফরাসিরা। এরমধ্যে ২টি শট বেলজিয়ামের গোলমুখে নিতে পেরেছিলো ফ্রান্স। কিন্তু গোলের দেখা পায়নি তারা। ফলে ম্যাচের প্রথমার্ধ গোল শুন্যভাবেই শেষ হয়। প্রথমার্ধে ৬০ শতাংশ বল নিজেদের দখলে রাখে বেলজিয়াম। ফ্রান্সের সীমানায় ৭বার আক্রমন করেও দু’বার গোল মুখে শট নিতে পারে তারা। অপরদিকে, ৪০ শতাংশ বল দখলে রেখে ১৬টি আক্রমনের মধ্যে তিনবার বেলজিয়ামের গোলমুখে শট নেয় ফ্রান্স। প্রতিপক্ষের উপর ভালোভাবে চাপ সৃষ্টি করতে না পারায় প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি ফ্রান্স। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই বেলজিয়ামের সীমানায় আক্রমন চালায় ফরাসিরা। ফলে ৫১ মিনিটে গোলের দেখা পেয়ে যায় ফ্রান্স। কর্ণার থেকে বেলজিয়ামের বক্সের ভেতর ক্রস করেন ফ্রান্সের স্ট্রাইকার আঁতোয়োন গ্রিজম্যান। তার কর্ণার থেকে বল পেয়ে হেডের সহায়তায় ডিফেন্ডার স্যামুয়েল উমিতিতির গোলে ১-০ বধানে এগিয়ে ফলে যায় ফ্রান্স। গোল হজমের পর নিজেদের গুছিয়ে নিয়ে আক্রমন শানায় বেলজিয়াম। ৬১ মিনিটে গোলের সুযোগ তৈরি করেছিলো বেলজিয়াম। ফ্রান্সের বক্সের ভেতর থেকে বেলজিয়ামের মিডফিল্ডার কেভিন ডি ব্রুইনার শট প্রতিপক্ষের গোলবারের পাশ দিয়ে চলে যায়। ৬৫ মিনিটে আবারো আক্রমণে যায় বেলজিয়াম। স্ট্রাইকার দ্রিস মার্টেনের ক্রস থেকে ফ্রান্সের গোলমুখে হেড নিয়েছিলেন মিডফিল্ডার মরুয়ানে ফেলাইনি। কিন্তু তার হেড অল্পের জন্য ফরাসিদের জাল খুঁেজ পায়নি। ৭৬ মিনিটে হ্যাজার্ডের বানিয়ে বলে শট নেন ব্রুইনা। তার শটটি গোলবারের উপর দিয়ে চলে গেলে এ যাত্রাতেও ব্যর্থ হয় বেলজিয়াম। এরপরও আক্রমন অব্যাহত রাখায় ম্যাচের ৮১ মিনিটে গোলের সেরা সুযোগ পেয়েছিলো বেলজিয়াম। মিডফিল্ডার এ্যাক্সেল উইটসেলের দ্রুতগতির শট ফ্রান্সের গোলরক্ষক লরিস বাঁ-দিকে ঝাপিয়ে পড়ে রক্ষা করেন। ফলে আবারো নিশ্চিত গোল থেকে বঞ্চিত হয় বেলজিয়াম। এরপর ম্যাচের শেষদিকে ফ্রান্সের সীমানায় গোলের জন্য গুটি কয়েক আক্রমন করেছিলো। কিন্তু সেগুলো তেমন শক্তিশালী কোন আক্রমন ছিলো না। ফলে ১-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ফ্রান্স। ২০০৬ সালের পর আবারো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠলো ফ্রান্স। ১৯৮৬ সালের পর দ্বিতীয়বারের মত সেমিফাইনালে উঠার সুযোগটা কাজে লাগাতে পারলো না বেলজিয়ায়ম। আবারো ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হলো তারা। তাই এবার তৃতীয়স্থান নির্ধারনী ম্যাচ খেলতে হবে বেলজিয়ামকে। যেমনটা ১৯৮৬ সালেও খেলেছিলো তারা। ঐবার এই ফ্রান্সের কাছেই ৪-২ গোলে হেরেছিলো বেলজিয়াম। এবার তৃতীয়স্থানে নির্ধারনী ম্যাচে বেলজিয়ামের প্রতিপক্ষ হবে ইংল্যান্ড-ক্রোয়েশিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় সেমিফাইনালে হেরে যাওয়া দলটি। আগামী ১৪ জুলাই সেন্ট পিটার্সবুর্গে অনুষ্ঠিত হবে এবারের বিশ্বকাপের তৃতীয়স্থান নির্ধারনী ম্যাচ।বাসস
অক্টোবরে বাংলাদেশ সফরে আসবে জিম্বাবুয়ে
অনলাইন ডেস্ক: আগামী বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ সফরে আসার কথা ছিল জিম্বাবুয়ের। কিন্তু অক্টোবরে ফাঁকা সময় থাকায় ওই সময়েই তাদের নিয়ে সিরিজ আয়োজন করতে চায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সিরিজ আয়োজনে জিম্বাবুয়েকে রাজি করিয়েছে বিসিবি। দুই দেশের বোর্ডই এ নিয়ে আলোচনা সম্পন্ন করেছে। শুধু আনুষ্ঠানিকভাবে সূচি প্রকাশ বাকি। সফরে দুটি টেস্ট ও তিনটি ওয়ানডে খেলবে দু’দল। এ প্রসঙ্গে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দীন চৌধুরী জানিয়েছেন, ‘দুই বোর্ডের মাঝে সূচি নির্ধারণ নিয়ে কথা হচ্ছে। আর তারা প্রাথমিকভাবে তাতে রাজি হয়েছে।’ অক্টোবরে হওয়ার কথা ছিল বিপিএল। কিন্তু জাতীয় সংসদ নির্বাচন থাকায় তা পেছানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিসিবি। আর সেই সময়টাতেই জিম্বাবুয়েকে আনার পরিকল্পনা ছিল বিসিবির। তবে অক্টোবরের মাঝ সময় পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে থাকার কথা জিম্বাবুয়ের। ওই সফরে তাদের তিনটি ওয়ানডে ও তিন টি-টোয়েন্টি খেলার সূচি আগে থেকেই নির্ধারিত হয়ে রয়েছে। আর ওই সফরের পরে বিসিবি সিরিজ আয়োজনের পক্ষে। এরপর পূর্ণাঙ্গ সিরিজের জন্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে আতিথ্য দেবে বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় জয়ে বাংলাদেশ স্বাগতিকদের উড়িয়ে দিয়ে
মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে টানা দ্বিতীয় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। ‘এ’ গ্রুপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে নেদারল্যান্ডসকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে সালমা খাতুনের দল। রোববার নেদারল্যান্ডসের আটরেচটে টস জিতে স্বাগতিকদের ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছিল বাংলাদেশ। ১৮ ওভারে মাত্র ৪২ রানেই গুটিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। নেদারল্যান্ডসের ইনিংসে দুই অঙ্ক ছুঁতে পেরেছেন মাত্র দুজন। ডেনিসে হ্যানেমা ১৫ ও স্টেরি ক্যালিস করেন ১৪ রান। ডাক মেরেছেন ছয়জন! ডাচদের ইনিংস গুঁড়িয়ে দিয়েছেন মূলত বাংলাদেশের দুই লেগ স্পিনার রুমানা আহমেদ ও ফাহিমা খাতুন। রুমানা ৩ ওভারে ২ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। ফাহিমা ৩ ওভারে ৩ রানে ৩ উইকেট। পান্না ঘোষ নেন ২ উইকেট। একটি করে উইকেট পান সালমা খাতুন ও নাহিদা আকতার। জবাবে শামিমা সুলতানা ও আয়েশা রহমান গড়েন ২২ রানের উদ্বোধনী জুটি। অবশ্য ৪ রানের ব্যবধানে ফেরেন দুজনই। শামিমা ১৬, আয়েশা করেন ৬ রান। এরপর ৩২ রানে নিগার সুলতানা (৪) ফিরলেও বাকি কাজটা সারেন ফারজানা হক (১১) ও রুমানা (৪)। বাংলাদেশ ম্যাচ জিতেছে ৭৩ বল বাকি থাকতেই! আগে প্রথম ম্যাচে পাপুয়া নিউগিনিকে ৮ উইকেটে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। মঙ্গলবার গ্রুপের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ সংযুক্ত আরব আমিরাত। দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে আট দল লড়ছে এই বাছাইপর্বে। বাছাইপর্বের দুই ফাইনালিস্ট আগামী নভেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠেয় মূল প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে।
কে-কার মুখোমুখি হচ্ছে সেমিতে
বিশ্বের ৩২টি দলের অংশগ্রহণে ১৪ জুন লুঝনিকি স্টেডিয়ামে জমকালো আয়োজনে পর্দা উঠেছিল রাশিয়া বিশ্বকাপের। মাস পেরিয়ে দিন কয়েকের ব্যবধানে সেই লুঝনিকিতেই ১৫ জুলাই পর্দা নামবে বিশ্ব ফুটবলের এই মহাযজ্ঞের। গ্রুপ পর্ব শেষ ষোল’র পর বিদায় নিল কোয়ার্টার ফাইনালের জমজমাট লড়াইও। এবার অপেক্ষা সেমিফাইনাল ও ফাইনালের। আসুন দেখি কী দাঁড়ালো সেমিফাইনালে লাইনআপটি। ৬ জুলাই শেষ আটের প্রথম ম্যাচে উরুগুয়েকে ২-০ গোলে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে উঠে ফ্রান্স। অপর ম্যাচে সবসময়ের ফেভারিট ব্রাজিলের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে জিতে দ্বিতীয় দল হিসেবে শেষ চার নিশ্চিত করে এবারের শিরোপা প্রত্যাশী বেলজিয়াম। দ্বিতীয় দিনের (৭ জুলাই) প্রথম ম্যাচে সুইডেনের বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ে তৃতীয় দল হিসেবে শেষ চারে উঠে ইংল্যান্ড। দিনের অপর ম্যাচে রাশিয়াকে টাইব্রেকারে হারিয়ে সেমির লড়াইয়ে সামিল হয়েছে ক্রোয়েশিয়া। আগামী ১০ জুলাই বাংলাদেশ সময় রাত ১২টায় বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে মোকাবেলা করবে বেলজিয়াম। পরদিন অর্থাৎ ১১ জুলাই একই সময় ইংলিশদের মুখোমুখি হবে ক্রোয়েশিয়া।
সেমিফাইনালে উঠলো ফ্রান্স
অনলাইন ডেস্ক :প্রথম দল হিসেবে ২১তম ফুটবল বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠলো ফ্রান্স। শেষ আটে আজ ফ্রান্স ২-০ গোলে হারায় দু’বারের চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়েকে। ফলে ২০০৬ সালের পর আবারো বিশ্বকাপের সেমিতে উঠলো ১৯৯৮ সালের চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স। আর্জেন্টিনাকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছিলো ফ্রান্স। অন্যদিকে পর্তুগালকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ আটে ওঠে উরুগুয়ে। এছাড়া মুখোমুখি লড়াইয়েও সমান-সমান ফ্রান্স ও উরুগুয়ে। তবে বিশ্বকাপ আসরে আগের তিন দেখায় দু’টিতে ড্র ও একটিতে জয় পায় উরুগুয়ে। ১৯৬৬ সালে ২-১ গোলে জয় পেয়েছিলো উরুগুয়ে। তারপরও এবারের আসরে দু’দলের পারফরমেন্সে কেউ কারও চেয়ে এগিয়ে ছিলো না। নিজনি নভগোরোদ সমান অবস্থানে থেকে কোয়ার্টার ফাইনালে লড়াই শুরু করে ফ্রান্স ও উরুগুয়ে। তবে ম্যাচের ৫ মিনিটে প্রথম আক্রমণে যায় উরুগুয়েই। স্ট্রাইকার লুইস সুয়ারেজের পাস থেকে ফ্রান্সের গোলমুখে শট নিয়েছিলেন আক্রমণভাগের আরেক খেলোয়াড় ক্রিস্টিয়ান স্টুয়ানি। কিন্তু স্টুয়ানির বল বাড়ের বাইরে দিয়ে চলে যায়। উরুগুয়ের আক্রমণের পর পাল্টা আক্রমণে যায় ফ্রান্স। ৭ মিনিটে স্ট্রাইকার আঁতোয়োন গ্রিজম্যানের যোগান দেয়া বলে শট নিয়েছিলেন ডিফেন্ডার লুকাস হার্নান্দেজ। কিন্তু ঐ শট থেকে গোল আদায় করে নিতে পারেননি হার্নান্দেজ। এরপর আক্রমণ পাল্টা আক্রমণে চলে দু’দলের লড়াই। তবে এতে সফল হয় ফ্রান্স। ৪০ মিনিটে ডিফেন্ডার রাফায়েল ভারানের গোলে ম্যাচে প্রথম গোলের স্বাদ নেয় ফরাসির (১-০)। গ্রিজম্যানের ক্রস থেকে হেডে বলকে উরুগুয়ের জালে পাঠান ভারান। গোল হজম করে দমে যায়নি উরুগুয়ে। ৪৩ মিনিটে ফরাসি সীমানায় আক্রমণ করে তারা। মিডফিল্ডার লুকাস টোরেইরা ক্রস থেকে ফ্রান্সের বক্সের ভেতর থেকে হেড নিয়েছিলেন ডিফেন্ডার মার্টিন ক্যারোস। ক্যারোসের হেড ডান দিকে ঝাঁপিয়ে এক হাতে বলকে ফিরিয়ে দেন ফরাসি গোলরক্ষক হুগো লরিস। ফলে গোল বঞ্চিত হয় উরুগুয়ে। তাই ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে ম্যাচের বিরতিতে যায় ফ্রান্স। ম্যাচে লিড নিয়ে দ্বিতীয়ার্ধেও আধিপত্য বিস্তার করে খেলে ৪-২-৩-১ ফরমেশনে ম্যাচ শুরু করা ফ্রান্স। প্রথমার্ধে ৬০ শতাংশ বল দখলে রাখা ফরাসিরা ৫৩ মিনিটেই ব্যবধান দ্বিগুণ করার দারুণ এক সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু ডিফেন্ডার বেঞ্জামিন পাভার্ডের শট উরুগুয়ের গোলবারের উপর দিয়ে চলে যায়। ৫৩ মিনিটে গোলের ব্যবধান দ্বিগুণ করতে না পারলেও ৬১ মিনিটে ম্যাচে দ্বিতীয় গোল করে ফ্রান্স। মিডফিল্ডার কোরেনটিন তোলিসোর পাস থেকে উরুগুয়ের বক্সের বাইরে বল পেয়ে যান গ্রিজম্যান। বল পেয়েই উরুগুয়ের গোলমুখে শট নেন গ্রিজম্যান। তার শট রুখতে পারেননি উরুগুয়ের গোলরক্ষক ফার্নান্দো মুসলেরা। তার হাত ফসকে বল প্রবেশ করে উরুগুয়ের জালে। ফলে ম্যাচে ২-০ লিড নেয় ফ্রান্স। ৬৪ মিনিটে গোলের ব্যবধান কমানোর সুযোগ পেয়েছিলো উরুগুয়ে। ডিফেন্ডার হোসে গিমেনেজের যোগান দেয়া বল বক্সের ভেতর পেয়ে গিয়েছিলেন মিডফিল্ডার ক্রিস্টিয়ান রডরিগুয়েজ। কিন্তু তার দুর্বল শট ফ্রান্সের বারের পাশ দিয়ে চলে যায়। এরপর আরও দু’টি আক্রমণ করেছিলো উরুগুয়ে। কিন্তু ঐ দু’টি ফ্রান্সের জাল স্পর্শ করতে পারেনি। তবে ম্যাচের শেষ মূর্হুতে আরও একটি গোল পেয়ে যেত পারতো ফ্রান্স। ৮৯ মিনিটে ফ্রান্সের দ্বিতীয় গোলের মালিক গ্রিজম্যানের শট উরুগুয়ের গোলবারের উপর দিয়ে চলে যায়। ফলে গোল বঞ্চিত হয় ফ্রান্স। তবে ২-০ গোলে ম্যাচ জিতে ঠিকই মাঠ ছাড়ে ফ্রান্স।