আফগানিস্তানের কোচ হলেন সিমন্স
চন্দ্রিকা হাথুরুসিংহের পদত্যাগের পর বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের কোচ হতে আগ্রহী ছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক কোচ ফিল সিমন্স। বাংলাদেশে এসে সাক্ষাতকারও দিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু বিসিবি গ্যারি কারস্টেনকে কোচিং টিমের উপদেষ্টা হিসেবে চাওয়ায় এবার আফগানিস্তানের কোচ হয়ে গেলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতানো এই কোচ। ভারতের লালচাদ রাজপুতের স্থলাভিষিক্ত হতে যাচ্ছেন সিমন্স। নিয়োগ দেয়ার মাত্র তিন মাস পরই ভারতীয় সাবেক ব্যাটসম্যান লালচাদ রাজপুতকে বরখাস্ত করে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (এসিবি)। ২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত চুক্তিবদ্ধ হওয়া সিমন্স আগামী ৮ জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। দলের নতুন কোচ হিসেবে তার প্রথম এসাইনমেন্ট আগামী ফেব্রুয়ারীতে শারজাহতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিমিত ওভারের সিরিজ। গত বছর আফগান দলের পরামর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা সিমন্স সম্পর্কে এসিবি প্রধান নির্বাহী শফিক স্তানিকজাই বলেন, 'আমাদের দল সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকায় আমরা সিমন্সকে নিয়োগ দিয়েছি। তিনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আয়ারল্যান্ড এবং জিম্বাবুয়ের কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে এই তিন দলের বিপক্ষেই খেলবে আফগানিস্তান।
শিরোপা জয় বাংলাদেশের
বাংলাদেশকে আরও একটি আনন্দের উপলক্ষ এনে দিল কিশোরী ফুটবলাররা। সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে শক্তিশালী ভারতকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জয় করল বাংলাদেশের মেয়েরা। ম্যাচের ৪২তম মিনিটে একমাত্র গোলটি করেছেন শামসুন্নাহার। কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকে অবশ্য দুদলই রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলছিল। তবে দ্রুতই প্রতিপক্ষের দূর্গে আক্রমণের পর আক্রমণ শুরু করে বাংলাদেশ। তারপরও গোলের জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে ৪২ মিনিট পর্যন্ত। এর আগে দুটি সহজ সুযোগও এসেছিল লাল-সবুজ জার্সিধারীদের সামনে। কিন্তু বাংলাদেশ সে সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারেনি। প্রথম সুযোগ এসেছিল ২২ মিনিটে। মারিয়ার মান্ডার দেয়া বল ধরে বক্সে ঢুকেছিলেন আনুচিং মগিনি। কিন্তু ভারতের গোলকিপারকে একা পেয়েও পরাস্ত করতে পারেননি। ম্যাচের ৩২তম মিনিটে বাঁ-দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে তহুরা খাতুনের কোনাকুনি শট দ্বিতীয় পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়। এদিকে ম্যাচটি ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ দেখা গেছে প্রবল। কমলাপুরের স্টেডিয়ামে মেয়েদের ম্যাচটি দেখতে গ্যালারিতে প্রায় ৮-১০ হাজার দর্শক উপস্থিত ছিলেন। এর পেছনে অবশ্য মাইকিং আর মিডিয়ার বড় ভূমিকা আছে। দর্শকদের অনেকের হাতেই আছে জাতীয় পতাকা। নেচে গেয়ে চিৎকার করে তারা উৎসাহ দিয়েছেন কিশোরীদের।
১৯৫ রানেই অলআউট ইংল্যান্ড
১৭ বল আর ১০ রানে শেষ ৪ উইকেট হারিয়ে ব্রিসবেন টেস্টে দ্বিতীয় ইনিংসে ১৯৫ রানেই অলআউট হয়েছে ইংল্যান্ড। অ্যাশেজের প্রথম টেস্ট জিততে অস্ট্রেলিয়াকে করতে হবে ১৭০ রান। তৃতীয় দিনের ২ উইকেটে ৩৩ রান নিয়ে আজ চতুর্থ দিন শুরু করেছিল ইংল্যান্ড। মার্ক স্টোনম্যানকে (২৭) ফিরিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে দিনের প্রথম সাফল্য এনে দেন স্পিনার নাথান লায়ন। ওই লায়নের বলেই দ্রুত ফেরেন ডেভিড মালানও (৪)। দুজনই ক্যাচ দেন স্টিভ স্মিথকে। ২ উইকেটে ৬২ থেকে ইংল্যান্ডের স্কোর তখন ৪ উইকেটে ৭৪! ৫ রান নিয়ে দিন শুরু করা জো রুট তুলে নিয়েছিলেন ফিফটি। কিন্তু এরপর আর ইনিংস বড় করতে পারেননি ইংলিশ অধিনায়ক। ৫১ রান করা রুটকে এলবিডব্লিউ করেন পেসার জশ হ্যাজেলউড। ষষ্ঠ উইকেটে ৪২ রানের জুটি গড়েছিলেন মঈন আলী ও জনি বেয়ারস্টো। লায়নের বলে টিম পাইনের হাতে মঈন (৪০) স্টাম্পড হয়ে গেলে ভাঙে এ জুটি। সপ্তম উইকেটে ক্রিস ওকসকে সঙ্গে নিয়ে ৩০ রানের জুটি গড়েন বেয়ারস্টো। কিন্তু এ জুটি ভাঙার পর ইংল্যান্ডের লেজ গুটিয়ে যেতে খুব একটা সময় লাগেনি। মিচেল স্টার্ক একই ওভারে ফিরিয়ে দেন বেয়ারস্টো (৪২) ও স্টুয়ার্ট ব্রডকে। পরের ওভারে জেক বলকে ফিরিয়ে সফরকারীদের ইনিংসের ইতি টানেন প্যাট কামিন্স। এর আগে ওকসকে (১৭) ফেরান স্টার্ক। চা বিরতির পর লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেছে অস্ট্রেলিয়া। এর আগে প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডের ৩০২ রানের জবাবে স্মিথের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়া করেছিল ৩২৮।
২৪ নভেম্বর থেকে চট্টগ্রামে বিপিএল
সিলেটে-ঢাকা মাতিয়ে এবার বন্দর নগরী চট্টগ্রামে যাচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) পঞ্চম আসর। সে জন্য ২২ এবং ২৩ নভেম্বর বিপিএলের কোনো খেলা মাঠে গড়াবে না। ২৪ নভেম্বর থেকে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে শুরু হবে বিপিএল তৃতীয় পর্ব। যাত্রা দিনের প্রথম ম্যাচে খুলনা টাইটানসের মুখোমুখি হবে রংপুর রাইডার্স। দ্বিতীয় ম্যাচে ঘরের দল চিটাগং ভাইকিংস খেলবে সিলেট সিক্সার্সের বিপক্ষে। ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত খেলা চলবে চট্টগ্রামের মাটিতে। ২ ডিসেম্বর দ্বিতীয়বারের মতো ঢাকায় ফিরে ১২ ডিসেম্বর পর্দা নামবে বিপিএলের। দুই পর্ব শেষে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে আছে তামিম ইকবালের দল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস। তাদের পয়েন্ট ৬ ম্যাচে ১০। দুইয়ে আছে সাকিব আল হাসানের ঢাকা ডায়নামাইটস। ৮ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট রয়েছে তাদের ঝুলিতে। তিন নম্বর জায়গাটা দখলে নিয়েছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের খুলনা টাইটানস। ৭ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট তাদের। চারে আছে নাসির হোসেনের সিলেট সিক্সার্স। তাদের নামের পাশে আছে ৭ পয়েন্ট। পাঁচ, ছয় এবং সাতে যথাক্রমে রংপুর রাইডার্স (৬ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট), রাজশাহী কিংস ( ৭ ম্যাচে পয়েন্ট ৪), চিটাগং ভাইকিংস ( ৬ ম্যাচে ৩ পয়েন্ট)।

খেলাধূলা পাতার আরো খবর