শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ভারতের সহজ জয়
০৮জানুয়ারী,বুধবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রথম ম্যাচ বৃষ্টিতে পণ্ড হলেও দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে টি-২০ সিরিজে ১-০ এগিয়ে গেল ভারত। মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) হোলকার স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কাকে সাত উইকেটে হারায় টিম ইন্ডিয়া। ১৫ বল বাকি থাকতেই লঙ্কান বোলার কুমারাকে ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ জিতে নেন কোহলি। এদিন, ইন্দোরে টস জিতে রান তাড়া করার সিদ্ধান্ত নেন ক্যাপ্টেন কোহলি। বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে চাপের মধ্যে কীভাবে তরুণরা ম্যাচ বের করতে পারে তাই দেখতে চেয়েছিলেন ভারত অধিনায়ক। টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং নেওয়া প্রসঙ্গে এমনটাই জানিয়েছিলেন বিরাট। ১৪৩ রান তাড়া করতে নেমে ১৭.৩ ওভারে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত। রোহিত শর্মার অনুপস্থিতিতে লোকেশ রাহুলের সঙ্গে এদিন ভারতীয় ইনিংস শুরু করেছিলেন শিখর ধাওয়ান। শুরুটা মন্দ হয়নি ভারতের। ওপেনিং জুটিতে ৭১ রান যোগ করে ভারতের জয়ের রাস্তা তৈরি করে দেয় রাহুল-ধাওয়ান জুটি। কিন্তু ব্যক্তিগত ৪৫ রানে ডি'সিলভার বলে আউট হয়ে ডাগ-আউটে ফেরেন রাহুল। ৩২ বলে ৪৫ রানের ইনিংসে ৬টি বাউন্ডারি হাঁকান রাহুল। রাহুল আউট হওয়ার পর নিজে না এসে শ্রেয়াস আইয়ারকে পাঠান কোহলি, ধাওয়ানের সঙ্গে শ্রেয়াস ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যান। কিন্তু ধাওয়ান এলবিডব্লিউ হয়ে ডাগ-আউটে ফেরার পর ক্রিজে আসেন কোহলি। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ইনিংস খেলেন বিরাট। শেষ পর্যন্ত ১৭ বলে দু’টি ছক্কা ও একটি বাউন্ডারিসহ ৩০ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন কোহলি। শ্রেয়াস অপরাজিত থাকেন ৩৪ রানে। ২৬ বলে তিনটি চার ও একটি ছয় মারেন তিনি। প্রথম ব্যাটিং করে ৯ উইকেট ১৪২ রান করে শ্রীলঙ্কা। সর্বোচ্চ ৩৪ রান করেন কুশল পেরেরা। ভারতের হয়ে সফলতম বোলার শার্দুল ঠাকুর। চার ওভার হাত ঘুরিয়ে মাত্র ২৩ রান খরচ করে তিনটি উইকেট তুলে নেন এই ডানহাতি পেসার। এছাড়া চার মাস পর টিম ইন্ডিয়ার জার্সিতে মাঠে ফেরা জসপ্রীত বুমরাহ চার ওভারে ৩২ রান দিয়ে একটি উইকেট নেন। তবে চার ওভারে মাত্র ১৮ রান দিয়ে দু’টি উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা হন নভদীপ সাইনি। আগামী শুক্রবার সিরিজের শেষ ম্যাচ হবে পুনেতে।
মানিকগঞ্জে টি২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শুরু
০৬জানুয়ারী,সোমবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মানিকগঞ্জে শুরু হয়েছে এএম সায়েদুর রহমান স্মৃতি টি২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। সোমবার সকাল ১০টায় মানিকগঞ্জ শহীদ মিরাজ-তপন স্টেডিয়ামে এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক এসএম ফেরদৌস। এসময় ক্রিকেট উপকমিটির আহ্বায়ক গোলাম ছারোয়ার ছানুর সভাপতিত্বে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট গোলাম মহীউদ্দিন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহসভাপতি এএম তায়েবুর রহমান টিপু, কাজী এনায়েত হোসেন টিপু, পৌর কাউন্সিলর রতন মজুমদার, অ্যাডভোকেট বাদরুল ইসলাম বাবলু, অ্যাডভোকেট দীপক কুমার ঘোষ, গাজী ফারুক হুদা, রিপন সিকদার, বাসুদেব কুমার সাহা, আবদুর রাজ্জাক রাজাসহ ক্রীড়া অঙ্গনের নেতৃবৃন্দ, ক্রীড়া সংগঠক ও খেলোয়াড়রা উপস্থিত ছিলেন। মানিকগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে এই টুর্নামেন্টে দাশরা পল্লী মঙ্গল সমিতি, বন্ধু একাদশ, কুলফা গোষ্ঠী, ইয়ং স্ট্রেঞ্জার, ভিক্টোরিয়া ক্লাব ও নিউ স্টার ক্রিকেট দল অংশ নিচ্ছে।
লাবুশেনের ডাবল সেঞ্চুরির পর ভালো শুরু নিউজিল্যান্ডের
০৪জানুয়ারী,শনিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ২০১৯র টেস্ট ক্রিকেটের সর্বোচ্চ রানের মালিক মার্নাস লাবুশেনের ডাবল সেঞ্চুরির আক্ষেপ ছিলই। গত বছর ১১ টেস্টে করেছিলেন ১১০৪ রান। অস্ট্রেলিয়ান টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান প্রথম তিনটি টেস্ট সেঞ্চুরি করেছিলেন টানা তিন ইনিংসে। শূন্য দিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ার শুরু করা ২৫ বছর বয়সী এই ব্যাটসম্যান ডাবল সেঞ্চুরির আক্ষেপ ঘোচালেন ১৪তম টেস্টে এসে। লাবুশেনের ২১৫ রানের উপর ভর করে প্রথম ইনিংসে ৪৫৪ রানে অলআউট হয় অস্ট্রেলিয়া। জবাব দিতে নেমে শুরুটা দারুণ করেছে প্রথম দুই টেস্টে হেরে হোয়াইটওয়াশের শঙ্কায় থাকা নিউজিল্যান্ড। দ্বিতীয় দিন শেষে সফরকারীদের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ৬৩ রান। ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক টম ল্যাথাম ২৬ ও প্রথম টেস্টের সেঞ্চুরিয়ান টম ব্লান্ডেল ৩৪ রানে অপরাজিত আছেন। শুক্রবার শুরু হওয়া সিডনি টেস্টে ৩ উইকেটে ২৮৩ রানে প্রথম দিন শেষ করেছিলো অস্ট্রেলিয়া। লাবুশেনে ১৩০ ও ম্যাথু ওয়েড ২২ রানে অপরাজিত ছিলেন। দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই ম্যাথু ওয়েডকে বোল্ড করে নিউজিল্যান্ডকে ভালো শুরু এনে দেন উইলিয়াম সামারভিল। ২২ রানে ওয়েড ফেরার পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি ট্রাভিস হেড। ১০ রানে ম্যাট হেনরির শিকার হয়ে ফেরেন তিনি। এরপর ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে অধিনায়ক টিম পেইন মার্নাস লাবুশেনের সঙ্গে ৭৯ রানে দারুণ এক জুটি গড়েন। এরই মধ্যে ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি তুলে নেন লাবুশেনে। ৩৫ রানে টিম পেইন গ্র্যান্ডহোমের তৃতীয় শিকারে পরিণত হন। এর কিছু পরেই ডাবল সেঞ্চুরিয়ান লাবুশেনে সাঝঘরের পথ ধরেন। লেগ স্পিনার টড অ্যাসলের বলে কট অ্যান্ড বোল্ড হয়ে লাবুশেনের ৫১৬ মিনিটের দুর্দান্ত ইনিংসটির পরিসমাপ্তি ঘটে। ৩৬৩ বলে ১৯ চার ও এক ছয়ে ক্যারিয়ার সেরা ২১৫ রান করেন দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্ম নেয়া এই ব্যাটসম্যান। স্বীকৃত ব্যাটসম্যানদের বিদায়ের পর ৩৮ রানে শেষ ৩ উইকেট হারিয়ে ৪৫৪ রানে থামে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস। কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম ও নেইল ওয়াগনার নেন ৩টি করে উইকেট।
দারুণ প্রতিশোধে শীর্ষে রাজশাহী
০২জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধু বিপিএলে নিজেদের প্রথম দেখায় রংপুর রেঞ্জার্সের কাছে বড় ব্যবধানেই হারতে হয়েছিল রাজশাহী রয়্যালসকে। হোম অব ক্রিকেট মিরপুরের সেই ম্যাচে রাজশাহীকে দাঁড়াতেই দেয়নি রংপুর। তবে সিলেটে গিয়ে তার দারুণ প্রতিশোধই নিল রাজশাহী। ব্যাটে-বলে দুই বিভাগেই দাপট দেখিয়ে রংপুরকে আজ ৩০ রানে হারিয়ে দিয়েছে বোপারা-আফিফ-মালিকরা। বৃহস্পতিবার (০২ জানুয়ারি) রাজশাহীর দেয়া ১৭৯ রানের জবাব দিতে নেমে শুরুটা বেশ বাজেভাবেই হয় রংপুরের। রাজশাহীর তিন পাকিস্তানি বোলার মোহাম্মদ নাওয়াজ, মোহাম্মদ ইরফান ও শোয়েব মালিকের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে পাওয়ার প্লেতে ৪৭ রান তুলতেই তিন উইকেট হারিয়ে ফেলে ডিফেন্ডিং চ্যম্পিয়নরা। শুরুর সেই ধাক্কা পরে আর কাটিয়ে উঠতে পারেনি শেন ওয়াটসনের দল। অধিনায়কের টানা চতুর্থ ম্যাচে ব্যর্থ হওয়ায় নিয়মিত বিরতিতেই উইকেট হারাতে থাকে দলটি, যাতে রানের চাকাও সচল রাখতে পারেনি তারা। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রান তুলতে পারে রংপুর। রাজশাহীর হয়ে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন মোহাম্মদ নাওয়াজ, শোয়েব মালিক ও কামরুল ইসলাম রাব্বি। এর আগে ব্যাটিং করে আফিফ হোসেন ধ্রুব ও রবি বোপারার ঝড়ো ব্যাটিংয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭৯ রানের সংগ্রহ পায় রাজশাহী। যেখানে আফিফ ওপেনিংয়ে নেমে ১৭ বল খেলে ২ চার ও তিন ছয়ে করেন ৩২ রান। রোপারা ছয়ে নেমে ২৯ বলে ৪ চার ও তিন ছয়ে করেন অপরাজিত ৫০। এছাড়া, শোয়েব মালিক করেন ৩১ বলে ৩৭ রান। রংপুরের হয়ে মোস্তাফিজুর রহমান দুটি এবং আরাফাত সানি ও মোহাম্মদ নবি একটি করে উইকেট নিয়েছেন। তবে শেষ দুই ওভারে তাসকিন (১৩) ও মুস্তাফিজের (২২) দেয়া ৩৫ রানই মূলত জয়ের ব্যবধান গড়ে দেয়। যা নিজেদের শেষ দুই ওভারে এসে নিতে পারেনি রংপুর। শেষ দুই ওভারে এসে রংপুরের প্রয়োজন পড়ে ৩৮ রানের। হাতে ছিল চারটি উইকেট। কিন্তু মোহাম্মদ ইরফান (২/১) ও শোয়েব মালিকের (৫) করা শেষ দুই ওভার থেকে ১ উইকেট হারিয়ে তুলতে পারে মাত্র ৮টি রান। যাতে ৩০ রানের জয় নিয়ে প্রতিশোধ নেয়ার পাশাপাশি রাজশাহী চট্টগ্রামের সমান ১২ পয়েন্ট নিয়ে উঠে গেল পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে। কারণ, রান রেটে চট্টগ্রামের (০.০৮৭) চেয়ে এগিয়ে রাজশাহী (০.২৮৬)। অন্যদিকে, সমান ১০ পয়েন্ট নিয়ে রান রেটে এগিয়ে থেকে খুলনা তিনে, আর চারে অবস্থান করছে ঢাকা।
আত্মবিশ্বাসই ম্যাচ জিতিয়েছে: আবু হায়দার
০১জানুয়ারী,বুধবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ডেভিড মালানের ৫১ বলে ৭৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংসকেও ছাপিয়ে গেছে আবু হায়দার রনির ৮ বলে ১২ রান। রনির এই ১২ রানের জাদুকরি ইনিংসে ভর করেই আসরের তৃতীয় জয় তুলে নিয়েছে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স। মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু বিপিএলের ২৭তম ম্যাচে টস হেরে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স আগে ব্যাট করে ১৬০ রানের লক্ষ্য দাঁড় করায় ওয়ারিয়র্সদের সামনে। ব্যাটিংয়ে নেমে ৫১ বলে ৭৪ রানের ইনিংস খেলেন কুমিল্লার অধিনায়ক ডেভিড মালান। টিকে থাকেন শেষ ওভারের পঞ্চম বল পর্যন্ত। মূলত মালানের ব্যাটে ভর করেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় কুমিল্লা। লিয়াম প্লাঙ্কেটের করা ইনিংসের শেষ ওভারে কুমিল্লার প্রয়োজন ১৬ রান। প্রথম বলে ১ রান নিয়ে স্ট্রাইকে গিয়েই বাউন্ডারি হাঁকান আবু হায়দার রনি। পরের বলে আর বাউন্ডারি নয়, লং-অনে ওভার বাউন্ডারি আসে রনির ব্যাটে। চার নম্বর বলে প্রান্ত বদল করে স্ট্রাইকে যান মালান। পঞ্চম বলে দুই রান নিতে গিয়েই ঝামেলা বাঁধান অধিনায়ক। দ্বিতীয় রান নিতে গিয়ে রান আউট হয়ে ফেরেন সাজঘরে। তার ব্যাটে আসে ৫১ বলে ৭৪ রান। শেষ বলে ৩ রান লাগে। নতুন ব্যাটসম্যান মুজিব উর রহমানের বাউন্ডারিতে ২ উইকেটের (সানজামুলের রিটায়ার্ড হার্ট) জয় নিশ্চিত করে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স। এতে নায়ক বনে যান আবু হায়দার রনি। উপস্থিত হোন সংবাদ সম্মেলনেও। এমন ব্যাটিংয়ের রহস্যটাও জানালেন তিনি। তার মতে, আত্নবিশ্বাসই এমন ব্যাটিং করার রহস্য। ৮ বলে ১২ রানের ম্যাচ জয়ী ইনিংসটাকে অবিশ্বাস্য মনে করছেন না এই বোলার। হ্যাঁ, আমার আত্মবিশ্বাস ছিল কারণ আমি পাওয়ার ব্যাটিং নিয়ে বেশ কিছুদিন যাবত কাজ করছি। এইরকম অবস্থায় কিভাবে কাজ করা যায় সেটা জেনেছি। আর মালান ছিল। একটা সাহস ছিল যে পারব আমরা। তবে রনির পরিকল্পনায় ছিল মালানকে কিভাবে স্ট্রাইক দেয়া যায়। কেন না, সেট ব্যাটসম্যান হিসেবে মালানের পক্ষে কাজটা যত সহজ ছিল রনির পক্ষে ততোটা না। আমার পরিকল্পনা ছিল মালানকে কিভাবে স্ট্রাইক দেওয়া যায়। শেষ ওভারে যখন খেলা চলে এসেছে এক দেয়ার অবস্থা ছিল না। কারণ রান ছিল ১৬। আমিও চেষ্টা করেছি মেরে রান নেয়ার।
বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে ঢাকায় আসছেন ম্যারাডোনা
৩১ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে ফুটবলের জীবন্ত কিংবদন্তী দিয়াগো ম্যারাডোনাকে ঢাকায় আনার ঘোষণা দিয়েছে বাফুফে। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ২০২০ সালকে ঘোষণা করা হয়েছে মুজিববর্ষ হিসেবে। আর বছরকে নানা আয়োজনে রাঙিয়ে তুলতে নেয়া নানা রকমের উদ্যোগ। তারই অংশ হিসেবে আর্জেন্টাইন ফুটবল ঈশ্বর দিয়াগো ম্যারাডোনাকে ঢাকা আনার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন-বাফুফে। ম্যারাডোনার ঢাকার আসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন। অবশেষে ম্যারাডোনাকে প্রথমবারের মতো ঢাকায় আনতে সফল হতে যাচ্ছে বাফুফে। এরই মধ্যে ম্যারাডোনার এজেন্টের সঙ্গে আলোচনা করে বাফুফে নিশ্চিত হয়েছে মুজিববর্ষে ঢাকায় আসছেন ম্যারাডোনা। ফুটবল ঈশ্বর ম্যারাডোনা ঢাকায় আসছেন এটা নিশ্চিত হলেও কবে, কখন আসছেন তা এখনও নিশ্চিত হয়নি। যেহেতু ১৭ই মার্চ থেকে মুজিববর্ষ শুরু হয়ে ২০২১ সালের মার্চ পর্যন্ত চলবে। তাই এই সময়ের মধ্যে ঢাকায় আসবেন ম্যারাডোনা। বাফুফে জানিয়েছে, ম্যারাডোনার সুবিধা অনুযায়ী তার আগমনের সময় এবং সূচি ঠিক করা হবে। ঢাকায় আসার পর ম্যারাডোনার যে সফর সূচি থাকবে তার মধ্যে অন্যতম হবে প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ। আর বাকি সূচি ম্যারাডোনার সফরের দৈর্ঘ্য অনুযায়ী সাজানো হবে।
বঙ্গবন্ধু বিপিএল মাতাবেন আমলা
৩০ডিসেম্বর,সোমবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে ব্যাট-প্যাড তুলে রাখার সিদ্ধান্ত নিলেও এখনও চালিয়ে যাচ্ছেন ফ্রাঞ্জাইজি ভিত্তিক ক্রিকেট। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল), ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (সিপিএল) মাতানো হাশিম আমলা এবার খেলবেন বঙ্গবন্ধু বিপিএলে। দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি এই ব্যাটসম্যান যোগ দিচ্ছেন খুলনা টাইগার্স শিবিরে। মঙ্গলবার টাইগার্সদের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন ডান-হাতি এই ওপেনার। আগামী ৩ জানুয়ারি সিলেট পর্বে খুলনার প্রথম ম্যাচে খেলার কথা রয়েছে তার। থাকবেন টুর্নামেন্টে নিজেদের শেষ ম্যাচ পর্যন্ত। এমনটাই জানানো হয়েছে টিম ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে। আন্তর্জতিক টি-টোয়েন্টিতে ৪৪ ম্যাচে ১ হাজার ২৭৭ রান রয়েছে আমলার নামের পাশে। কোনও শতক না থাকলেও অর্ধশতক রয়েছে ৮টি। স্ট্রাইকরেট ১৩২.০৫, গড় ৩৩.৬০। অন্যদিকে স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে ১৫৪ ম্যাচ খেলে রান তুলেছেন ৪ হাজার ২৮৪। ১২৬.১৪ স্ট্রাইকরেটে গড় ৩০.৮২। দুটি শতক ও ২৭টি অর্ধশতকের মালিক তিনি।
নিরাপত্তা নিশ্চিত হলেই পাকিস্তান সফরে যাবে বাংলাদেশ দল: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
২৯ডিসেম্বর,রবিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল বলেছেন, সব ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিত হলেই পাকিস্তান সফরে যাবে বাংলাদেশ দল। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নিকট আমরা জানতে চেয়েছি, তারা ক্রিকেট টিম পাঠাবে কি না। ইতিমধ্যে আমরা জানতে পেরেছি অনেক খেলোয়াড় ও দলের সদস্য সেখানে যেতে অপারগতা প্রকাশ করছেন, তাদের পরিবার সেখানে পাঠাতে সাহস পাচ্ছেন না। সফর নিয়ে প্রথম কাজ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। আজ রবিবার যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ইউথ ক্যাপিটাল ২০২০ বিষয়ে এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে যুব ও ক্রীড়া সচিব মো. আখতার হোসেন উপস্থিত ছিলেন। জাহিদ আহসান রাসেল আরও বলেন, তাহলে আমরা আমাদের পক্ষ থেকে পাকিস্তান সরকার কী ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে সেটি নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে সঙ্গে নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক করব। এরপর আমরা পাকিস্তানের নিকট নিরাপত্তার বিষয়টা জানতে চাইব। তারপর আমরা সব নিরাপত্তার বিষয় নিশ্চিত হলেই আমাদের দল পাঠাব। উল্লেখ্য, আইসিসির সূচি অনুযায়ী আগামী জানুয়ারিতে দুইটি টেস্ট ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে পাকিস্তান সফরে যাওয়ার কথা বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের। সফরে যেতে আর বেশিদিন সময় বাকি নেই। কিন্তু এই সফরে যাওয়ার বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সরকারের পক্ষ থেকেও নিরাপত্তা ক্লিয়ারেন্স দেয়া হয়নি।
সৌম্য ঝড়েও রাজশাহীর বিপক্ষে কুমিল্লার হার
২৮ডিসেম্বর,শনিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধু বিপিএলের ২৩তম ম্যাচে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে জয় পেয়েছে রাজশাহী রয়্যালস। শনিবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে দিনের প্রথম ম্যাচে ১৫ রানে জয় তুলে নিয়েছে রয়্যালসরা। রাজশাহীর দেয়া ১৯১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭৫ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় ওয়ারিয়র্সরা। কুমিল্লার নতুন দলপতি ডেভিড মালান টস জেতার পর ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন। ব্যাট হাতে মাঠে নেমে ৪ উইকেটে ১৯০ রান সংগ্রহ করে রাজশাহী। ১৯ বলে ২৪ রান করেন লিটন দাস। ৩০ বলে ৪৩ রান তুলেন আফিফ হোসেন ধ্রুব। ১২ বল খেলে ১০ রান তুলে আউট হন রবি বোপারা। অন্যদিকে ২১ বলে ৩৭ রান সংগ্রহ করেন অধিনায়ক আন্দ্রে রাসেল। ইনিংসের শেষ বলে রানআউট হন ৩৮ বলে ৬১ রানের করা শোয়েব মালিক। কুমিল্লার বোলারদের মধ্যে মুজিব উর রহমান, সৌম্য ও সানজামুল একটি করে উইকেট নেন। রবিউল ইসলাম রবি ও স্টিয়ান ফন জাইল ওপেন করতে এসেও আহামরি কিছু করতে পারেনি। রবি ফেরেন ১৫ বলে ১২ রান করে। ২৩ বলে ২১ রান করেন জাইল। ৫ বল খেলে ৩ রানে আউট হন গেল ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান মালান। অন্যদিকে ২৩ বলে ২৫ রানের ইনিংস খেলেন সাব্বির রহমান। শেষ পর্যন্ত ৪৮ বলে ৮৮ রান করে অপরাজিত ছিলেন সৌম্য সরকার। ছয়টি ছক্কা ও পাঁচটি চারের এই ইনিংসটিও জয় তোলার জন্য যথেষ্ট ছিল না। বাম-হাতি এই ব্যাটসম্যানের সঙ্গে ক্রিজে ছিলেন ৬ বলে ১৬ রান করা ডেভিড ওয়াইস। রাজশাহীর হয়ে রাসেল, মালিক, ফরহাদ রেজা ও মোহাম্মদ ইরফান একটি করে উইকেট তুলে নেন। দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে লড়বে সিলেট থান্ডার।