দুর্দান্ত শুরুর পর তামিমকে হারাল বাংলাদেশ
০২জুন২০১৯,রবিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টসে হেরে দ্বাদশ বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছে বাংলাদেশ দল। ব্যাট হাতে টাইগারদের দারুন সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকার। ৬০ রানের দুর্দান্ত এক জুটি গড়ে বিদায় নেন তামিম। রোববার (২জুন) লন্ডনের কেনিংটন ওভালে টস জিতে শুরুতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক ফাফ দু প্লেসি। ব্যাটিংয়ে নেমে দুর্দান্ত শুরু করেন দুই ওপেনার তামিম ও সৌম্য। স্কোর বোর্ডে ৬০ রান জমা করে বিদায় নেন তামিম। তবে অপরপ্রান্তে অবিচল সৌম্য। এদিন বাংলাদেশ দলে যাকে নিয়ে শঙ্কা ছিল বেশি সেই তামিম ইকবাল খেলছেন। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন আছেন একাদশে। সেরা একাদশ নিয়েই মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে, উদ্বোধনী ম্যাচে চোট পাওয়া হাশিম আমলাকে ছাড়াই নেমেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। তাঁর জায়গায় দলে ঢুকেছেন ডেভিড মিলার। বাংলাদেশের বিপক্ষে সুযোগ পেয়েছেন ক্রিস মরিসও। তবে এই ম্যাচে দলে রাখা হয়নি ডেল স্টেইনকে। এখনো তিনি চোট থেকে পুরোপুরি সেরে উঠতে পারেননি। বাংলাদেশ একাদশ: তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মোহাম্মদ মিঠুন, মাহমুদউল্লাহ, মোসাদ্দেক হোসেন, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মেহেদি হাসান মিরাজ, মাশরাফি মুর্তজা ও মোস্তাফিজুর রহমান। দক্ষিণ আফ্রিকা একাদশ: কুইন্টন ডি কক, এইডেন মার্করাম, ফ্যাফ ডু প্লেসি (অধিনায়ক), রেসি ফন ডার ডুসেন, ডেভিড মিলার, জেপি ডুমিনি, আন্দিলে পেলিকোয়া, ক্রিস মরিস, কাগিসো রাবাদা, লুঙ্গি এনগিদি ও ইমরান তাহির।
আজ টাইগারদের বিশ্বকাপ মিশন শুরু
০২জুন২০১৯,রবিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দুর্দান্ত এক সুখস্মৃতি নিয়ে আজ থেকে ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলসের বিশ্বকাপের যাত্রা শুরু করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। নিজেদের প্রথম ম্যাচে টাইগারদের প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা। এই প্রোটিয়াদের বিশ্বকাপে হারানোর রেকর্ড রয়েছে বাংলাদেশের। তাই দ্বাদশ বিশ্বকাপের শুরুতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে পেয়ে যাওয়ায় সুখস্মৃতি নিয়েই নিজেদের মিশন শুরু করছে মাশরাফির দল। রোববার লন্ডনের কেনিংটন ওভালে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে এই ম্যাচটি। ২০০৭ সালের ৭ এপ্রিল। বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সুপার এইটের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। ম্যাচে স্পষ্টভাবেই ফেভারিট ছিলো দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু ফেভারিটের তকমা তোয়াক্কা না করে, বিশ্বকে চমকে দেয় টাইগাররা। হাবিবুল বাশারের নেতৃত্বাধীন দলটি দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৬৭ রানে হারায়। ওয়েস্ট ইন্ডিজের গায়ানার প্রোভিডেন্স স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ঐ ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিং বেছে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। ব্যাট হাতে শুরুতে সুবিধা করতে পারেনি বাংলাদেশ। ৮৪ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে টাইগাররা। তবে পরের দিকে সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুলের দুর্দান্ত ব্যাটিং-এ লড়াইয়ে ফিরে বাংলাদেশ। তাকে সঙ্গ দেন আফতাব আহমেদ। পঞ্চম উইকেটে দু’জনে ৭৬ রান যোগ করেন। আফতাব ২টি করে চার-ছক্কায় ৪৩ বলে ৩৫ রান করে আউট হন। তবে হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নেন আশরাফুল। ইনিংসের শেষ ওভারের প্রথম বলে থেমে যান অ্যাশ। বাংলাদেশের অষ্টম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হবার আগে ১২টি চারে ৮৩ বলে ৮৭ রান করেন আশরাফুল। ফলে ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৫১ রানের লড়াকু সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। শেষদিকে, ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় ১৬ বলে ২৫ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন বাংলাদেশ দলের বর্তমান অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। এরপর জয়ের জন্য ২৫২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে বাংলাদেশ বোলারদের তোপের মুখে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যানরা। বাঁ-হাতি মিডিয়াম পেসার সৈয়দ রাসেল এবং তিন স্পিনার আব্দুর রাজ্জাক-মোহাম্মদ রফিক-সাকিব আল হাসানের তোপে পড়ে ১৮৪ রানেই অলআউট হয় দক্ষিণ আফ্রিকা। রাজ্জাক ৩টি, সাকিব-রাসেল ২টি করে এবং রফিক ১টি উইকেট নেন। তাই ১২ বছর হয়ে গেলেও, ঐ ম্যাচের সুখস্মৃতি যে বাংলাদেশকে আত্মবিশ্বাসী করবে এতে কোন সন্দেহ নেই। তারপরও বেশ টগবগে মেজাজেই আছে বাংলাদেশ। গেল মাসে আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে মাশরাফির দল। ডাবলিনে অনুষ্ঠিত ফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৫ উইকেটে হারায় তারা। বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে মোসাদ্দেক হোসেনের ২৭ বলে অপরাজিত ৫২ রান বাংলাদেশকে শিরোপার স্বাদ এনে দেয়। বৃষ্টি আইনে ২৪ ওভারে জয়ের জন্য ২১০ রানের টার্গেট পায় টাইগাররা। সেই টার্গেট ৭ বল বাকী রেখেই স্পর্শ করে ফেলে বাংলাদেশ। ফলে প্রথমবারের মত ওয়ানডেতে কোন টুর্নামেন্টে শিরোপার স্বাদ নিলো মাশরাফির দল। আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজে অপরাজিত চ্যাম্পিয়নের স্বাদ নিয়ে ইংল্যান্ডের মাটিতে পা রাখে বাংলাদেশ। মূল পর্বের জন্য অংশ নেয়া প্রত্যক দলের জন্যই দু’টি করে প্রস্তুতিমূলক ম্যাচ থাকে। সেই সুবাদে বাংলাদেশের দু’টি প্রস্তুতিমূলক ম্যাচ ছিলো পাকিস্তান ও ভারতের বিপক্ষে। দু’টি ম্যাচই ছিলো কার্ডিফে। পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচটি বৃষ্টির কারনে পরিত্যক্ত হয়ে যায়। তবে ভারতের বিপক্ষে নিজেদের গা গরম করার সুযোগ পায় বাংলাদেশ। কিন্তু ঐ ম্যাচে জয় তুলে নিতে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ। ৯৫ রানে ভারতের কাছে হারে টাইগাররা। নিজেদের দ্বিতীয় প্রস্তুতিমূলক ম্যাচে টস জিতে প্রথমে বোলিং করতে নামে বাংলাদেশ। ১০২ রানে ভারতের চার ব্যাটম্যানকে বিদায় দিয়ে ভালো কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছিলো বাংলাদেশ। কিন্তু পঞ্চম উইকেটে ১৬৪ রানের বড় জুটি গড়ে ভারতকে খেলায় ফেরান চার নম্বরে নামা লোকেশ রাহুল ও সাবেক অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। শেষ পর্যন্ত দুজনই সেঞ্চুরি তুলে নেন। রাহুল ১২টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৯৯ বলে ১০৮ ও ধোনি ৮টি চার ও ৭টি ছক্কায় ৭৮ বলে ১১৩ রান করেন। ফলে ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ৩৫৯ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় ভারত। জবাবে ব্যাট হাতে ভারতীয় বোলারদের শাসন করতে পারেনি বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। ওপেনার লিটন দাস ও উইকেটরক্ষক মুশফিকুর রহিম লড়াই করার চেষ্টা করেছিলেন। লিটন ৭৩ ও মুশফিক ৯০ রানে থেমে যান। এরপর ৩ বল বাকী রেখে ২৬৪ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। তাই প্রস্তুতিমূলক ম্যাচ হারের স্বাদ নিয়েও বিশ্বকাপ শুরু করতে হবে বাংলাদেশ। তবে এসবকে হারকে দূরে সরিয়ে বিশ্বকাপের মঞ্চে নতুন উদ্যমে যে বাংলাদেশ শুরু করবে, তাতে কোন সন্দেহ নেই। কারন এখন মাশরাফি-তামিম-সাকিবদের নিয়ে গড়া দলটি ভিন্ন চিত্রের এক বাংলাদেশ। যেকোন দলকে হারানোর সামর্থ্য রাখে টাইগাররা। সেই সামর্থ্যটা কতটুকু বাংলাদেশের, সেটিই এখন দেখার বিষয়। এখন পর্যন্ত ২০ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকা। ৩টিতে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। ১৭টি জিতেছে প্রোটিয়ারা। ২০১৭ সালের অক্টোবরে সর্বশেষ দেখা হয়েছিলো দু দলের। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে তিন ম্যাচের সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিলো বাংলাদেশ। বিশ্বকাপ ছাড়াও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশের অন্য দুটি জয় এসেছিলো ২০১৫ সালে। দেশের মাটিতে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ৩ ম্যাচের সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জিতেছিলো বাংলাদেশ। বাংলাদেশ দল : মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস, মোহাম্মদ মিঠুন, মাশরাফি বিন মর্তুজা(অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান (সহ-অধিনায়ক), মাহমুদুল্লাহ, মেহেদি হাসান মিরাজ, মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, মোসাদ্দেক হোসেন, আবু জায়েদ রাহি, রুবেল হোসেন, মুস্তাফিজুর রহমান। দক্ষিণ আফ্রিকা দল : ফাফ ডু প্লেসিস(অধিনায়ক), আইডেন মার্করাম, কুইন্টন ডি কক, হাশিম আমলা, রাসি ভ্যান ডরি ডুসেন, ডেভিড মিলার, আন্দিল ফেলুকুয়াও, জেপি ডুমিনি, ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস, ডেল স্টেইন, কাগিসো রাবাদা, লুঙ্গি এনগিডি, ক্রিস মরিস, ইমরান তাহির, তাবরিজ শামসি।
অবশেষে ১৪ বছর পর চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা জিতল লিভারপুল
০২ জুন ২০১৯,রবিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অবশেষে ১৪ বছরের চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা খরা কাটাল লিভারপুল। টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে উঠে ইউরোপ ফুটবলের সাম্রাজ্য দখল করেছে ইউর্গেন ক্লপের দল। অল ইংলিশ ফাইনালে টটেনহ্যামকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে নিজেদের ষষ্ঠতম চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা জিতেছে অলরেডসরা। ম্যাচের আয়ু তখন মাত্র ২৯ সেকেন্ড। অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের ঘরের মাঠ ওয়ান্দা মেত্রোপোলিতানো স্টেডিয়ামের দর্শক তখনও আয়েশ করে বসেনি চেয়ারে। তার আগে আবার লাফিয়ে উঠতে হলো উত্তেজনায়। ডি-বক্সের ভেতর লিভারপুল ফরোয়ার্ড সাদিও মানের বুদ্ধিদীপ্ত শট হাতে লাগে টটেনহাম মিডফিল্ডার সিসোকোর। রেফারি সিদ্ধান্ত দেন পেনাল্টির। দ্বিতীয় মিনিটে স্পট-কিক থেকে লিভারপুলকে এগিয়ে দেন মিসরের রাজা মোহামেদ সালাহ। গত আসরে লিভারপুলের শিরোপা না জেতার ক্ষতে সুখের প্রলেপ লাগিয়ে দেন তিনি। ২০১৭-১৮ মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে হেরে স্বপ্ন ভাঙে লিভারপুলের। সেই ম্যাচে প্রথমার্ধে চোটে পড়ে মাঠ ছাড়তে হয় সালাহকে। এবার সালাহর গোলে ইউরোপ ফুটবলে রিয়ালের ১০৯৯ দিনের রাজত্ব কেড়ে নিল ক্লপের দল। অন্যদিকে রূপকথা লেখার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়েছিল টটেনহ্যামও। রোমাঞ্চকরভাবে আয়াক্সকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে উঠে স্পার্সরা। কিন্তু মাউরিসিও পচেত্তিনোর দল শুরুতে পিছিয়ে পড়ে লড়াই করেও আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি। ৭৯ মিনিটে লুকাস মউরার শট দারুণভোবে রুখে দেন লিভারপুল গোলরক্ষক অ্যালিসন। ৮০ মিনিটে সং হিয়ুং মিনের বাঁকানো ফ্রি-কিক থেকে দুর্দান্তভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ে অলরেডসদের বাঁচান এই ব্রাজিলিয়ান গোলরক্ষক। ৮৪ মিনিটে এরিকসেনের কর্নার কিক থেকে হেড দেন সং মিন। কিন্তু বল চলে যায় গোলপোস্টোর ওপর দিয়ে। তার আগে ৬৯ মিনিটে জেমস মিলনারের শট থেকে দ্বিতীয় গোল হজম করতে বসেছিল টটেনহাম। অবশ্য দ্বিতীয় গোল তারা ঠিকই হজম করে। নির্ধারিত সময়ের তিন মিনিট আগে লিভারপুলের হয়ে ব্যবধান বাড়ান বদলি খেলোয়াড় ডিভোক ওরিগি। আয়াক্সের বিপক্ষে ফিরতি লেগে রূপকথার কারিগর লুকাস মউরাকে বেঞ্চে রেখে একাদশ সাজান পচেত্তিনো। সুযোগ দিয়েছিলেন দীর্ঘদিন পর ফেরা হ্যারি কেন এবং সং হিয়ুং মিনকে। কিন্তু চেষ্টা সত্ত্বেও লিভারপুলের ডিফেন্ডার ভার্জিল ফন ডাইকের দেয়াল ভাঙতে পারেনি স্পার্সরা। ২০০৫ সালে এসি মিলানকে হারিয়ে নিজেদের পঞ্চম চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা জিতে লিভারপুল। এরপর ২০০৬-০৭ ও ২০১৭-১৮ মৌসুমে দুইবার ফাইনাল খেলেও শিরোপা জিতেনি তারা।
সবচেয়ে বড় আসরের ম্যাচগুলো সরাসরি দেখা যাবে বায়োস্কোপে
২৩মে,বৃহস্পতিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্বকাপ ক্রিকেট মাঠে গড়াচ্ছে আগামী ৩০ মে। ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আসরের ম্যাচগুলো সরাসরি দেখা যাবে বায়োস্কোপে। বাংলা ধারাভাষ্যসহ বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো বিজ্ঞাপন ছাড়াই দেখতে পারবেন দর্শকরা। এ নিয়ে গ্রামীণফোন ও গাজী টেলিভিশনের মধ্যে চুক্তি সই হয়েছে। চুক্তি অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণফোনের হেড অব ডিজিটাল সোলায়মান আলম ও গাজী টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমান আশরাফ ফায়েজসহ অনেকেই। এ নিয়ে গ্রামীণফোনের হেড অব ডিজিটাল সোলায়মান আলম বলেন, আমরা সত্যিকার অর্থেই বিশ্বাস করি, সারা বিশ্বের বাংলাদেশিদের কাছে ক্রিকেটের আবেদন রয়েছে। এ ছাড়া বিশ্বকাপের মতো বড় একটা মঞ্চে যখন বাংলাদেশ ক্রিকেট দল খেলে, ক্রিকেট তখন সবার জন্য আরো অনেক অর্থবহ ও আনন্দের হয়ে ওঠে। গাজী টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমান আশরাফ বলেন, এটা ডিজিটাল ব্রডকাস্টিং যুগের সূচনা। ডিজিটাল ব্রডকাস্টিংয়ের ক্ষেত্রে প্রথমবারের মতো আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলা ধারাভাষ্য হচ্ছে এবং আমরাই প্রথমবারের মতো ডিজিটাল স্পোর্টসে আমাদের নিজেদের ভাষার গর্ব প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছি। বিশ্লেষণধর্মী এ বাংলা ধারাভাষ্যে নিজস্ব ধারা বজায় থাকবে। লর্ডস ও ওভালের মতো ক্রিকেট স্বর্গ থেকে সরাসরি সম্প্রচার এ প্রোগ্রামকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে। দেশের জনপ্রিয় উপস্থাপক ও আন্তর্জাতিক ফ্যাশন মডেল পিয়া জান্নাতুলের উপস্থিতি এ শোতে বাড়তি গ্ল্যামার ও আনন্দ যোগ করবে। ২০১৬ সালে যাত্রা শুরু করে গ্রামীণফোনের ভিডিও স্ট্রিমিং সেবা বায়োস্কোপ। বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি এবার তারা খেলাধুলাও প্রচার করছে।
বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সূচি
২২মে,বুধবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ৩০ মে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলসে শুরু হতে যাচ্ছে আইসিসি বিশ্বকাপের ১২তম আসর। ষষ্ঠবারের মতো ক্রিকেটের এই মহারণে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সর্বপ্রথম অংশগ্রহণ করে ১৯৯৯ সালে। এরই মধ্যে বিশ্বকাপের পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি প্রকাশ করেছে আইসিসি। উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে স্বাগতিক ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা। আর বাংলাদেশের বিশ্বকাপ মিশন শুরু হবে ২ জুন, প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা। এক নজরে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ সূচি ২ জুন প্রতিক্ষ: দক্ষিণ আফ্রিকা ভেনু: ওভাল ৫ জুন প্রতিপক্ষ: নিউজিল্যান্ড ভেন্যু: ওভাল ৮ জুন প্রতিপক্ষ: ইংল্যান্ড ভেন্যু: কার্ডিফ ১১ জুন প্রতিপক্ষ: শ্রীলঙ্কা ভেন্যু: ব্রিস্টল ১৭ জুন প্রতিপক্ষ: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ভেন্যু: টন্টন ২০ জুন প্রতিপক্ষ: অস্ট্রেলিয়া ভেন্যু: নটিংহাম ২৪ জুন প্রতিপক্ষ: আফগানিস্তান ভেন্যু: সাউদাম্পটন ২ জুলাই প্রতিপক্ষ: ভারত ভেন্যু: বার্মিংহাম ৫ জুলাই প্রতিপক্ষ: পাকিস্তান ভেন্যু: লর্ডস
বাইবেল অনুযায়ী বিশ্বকাপ পাচ্ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ!
১৯মে,রবিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দীর্ঘদিন দলীয় পারফরম্যান্সের এতটাই বাজে অবস্থাতে যে গেল পাঁচ বছর ধরে কোনো সিরিজ/টুর্নামেন্টে জয় পায়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সদ্য শেষ হওয়া ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশের কাছে ফাইনালসহ টানা তিন ম্যাচে হারতে হয়েছে দলটির। যদিও ৩০ মে থেকে শুরু হতে চলা বিশ্বকাপ জেতার স্বপ্ন দেখছেন উইন্ডিজদের সাবেক অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি। ক্যারিবীয়রাই এবারের বিশ্বকাপের শিরোপা জয় করবে, এমন বক্তব্যের পক্ষে যুক্তি দিয়ে স্যামি টেনে এনেছেন খ্রিষ্টানদের ধর্মগ্রন্থ বাইবেলকে। আইসিসির র;্যাংকিংয়ের অষ্টম স্থানে থাকা দলটিকে নিয়ে স্যামি বলেছেন, বাইবেলে ৪০ সংখ্যাটি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। তাই ওয়েস্ট ইন্ডিজই এবারের চ্যাম্পিয়ন। উইন্ডিজদের সাবেক এই অলরাউন্ডার বিষয়টি আরও স্পষ্ট করে বলেন, ৪০ বছর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিশ্বকাপ জিতেছে। আমি বাইবেলে বিশ্বাস রাখা একজন মানুষ। আপনারা দেখবেন, পবিত্র গ্রন্থটিতে ৪০ সংখ্যাটি বার বার এসেছে। আমি বিশ্বাস করি, এই কারণেই আমরা এবারের বিশ্বকাপটি নিজেদের করে নেবো। আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপের প্রিভিউ শো অনুষ্ঠানে স্যামি বলেন, আমার কেন জানি না মনে হচ্ছে, আমরাই এবার বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হব। ইউনিভার্সাল বস ক্রিস গেইল অবসর নিতে চলেছে। নিজের শেষ বিশ্বকাপ সে মাতিয়ে দিতে চাইবে। দলের শক্তি-সামর্থ্যের প্রসঙ্গে দুই বারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ী এই অধিনায়ক বলছেন,আমাদের দলের ব্যাটিং লাইন আপ বেশ ভাল। তবে বোলারদের আরও দায়িত্ব নিতে হবে। ১৯৭৫ সালে প্রথম বিশ্বকাপের ট্রফিটি নিজেদের করে নিয়েছিল ক্যারিবীয়রা। ৪০ বছর আগে ১৯৭৯ সালে সব শেষ বিশ্বকাপ জেতে নেয় ভিভ রিচার্ডস নেতৃত্বাধীন দলটি। তারপরে আর বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ আসরের ট্রফিটি জয় করতে পারেনি উইন্ডিজরা। ১৯৯৬ সালে সেমিফাইনালে পৌঁছে যায়, যদিও শেষ চারেই থামতে হয়েছিল তাদের।-আরটিভি
ফাইনালে বৃষ্টির বাগড়া, খেলা সাময়িক বন্ধ
১৭মে,শুক্রবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে শুরুতে বাংলাদেশের আটসাঁট বোলিং থাকলেও ধীরে ধীরে বোলারদের ওপর চড়াও হতে শুরু করেওয়েস্ট ইন্ডিজ। দুই ওপেনার শাই হোপ এবং সুনীল আমব্রিসের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে তুলে নিয়েছেন ফিফটি। এরপর ম্যাচে বাগড়া দেয় বৃষ্টি। সর্বশেষ খবর পর্যন্ত উইন্ডিজ ২০.১ ওভার তুলে ফেলেছে ১৩১ রান। শাই হোপ ৬৮ এবং সুনীল আমব্রিস ৫৯ রানে ব্যাট করছেন। ছয় ফাইনালসহ আটটি নকআউট ম্যাচেই হেরেছে বাংলাদেশ। একটা জয়ের মুখ দেখতে বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটার মুখিয়ে আছেন। সেই ম্যাচে বাংলাদেশ টস জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃষ্টির আশঙ্কা থাকায় টসে জয় এবং বোলিং মাশরাফিদের পক্ষেই গেছে। বাংলাদেশ দল এ ম্যাচে সাকিব আল হাসানকে ছাড়াই খেলছে। তার জায়গায় রাখা হয়েছে মোসাদ্দেক হোসেনকে। বাদ দেয়া হয়েছে লিটন দাসকে। এছাড়া আগের ম্যাচে বিশ্রামে থাকা মুস্তাফিজুর রহমান, সৌম্য সরকার এবং মোহাম্মদ মিঠুন ফিরেছেন এ ম্যাচে। বাংলাদেশ একাদশ: তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, মুশফিকুর রহিম, মোহাম্মদ মিঠুন, মাহমুদুল্লাহ, সাব্বির রহমান, মোসাদ্দেক হোসেন, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মেহেদি মিরাজ, মাশরাফি মর্তুজা, মুস্তাফিজুর রহমান। ওয়েস্ট ইন্ডিজ একাদশ: শাই হোপ, সুনীল আমব্রিস, ড্যারেন ব্রাভো, রোস্টন চেজ, জোনাথন কার্টার, জেসন হোল্ডার, ফ্যাবিয়ান অ্যালেন, আসলি নার্স, কেমার রোচ, রেমন্ড রেইফার, শ্যানন গ্যাব্রিয়েল।
প্রত্যাশিত জয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করলো বাংলাদেশ
১৪মে,মঙ্গলবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রত্যাশিত জয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করলো বাংলাদেশ। ডাবলিনের ম্যালাহাইডে উইন্ডিজকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে টিম টাইগার্স। আগে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ২৪৭ রান করে জেসন হোল্ডারের দল। জবাবে সৌম্য-মুশফিকের ফিফটিতে সহজেই জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের। ফলে এক ম্যাচ আগেই ফাইনালের মঞ্চে মাশরাফীর দল। ম্যাচ সেরা হয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। ক্লনটার্ফ থেকে ম্যালাহাইড। আয়ারল্যান্ডকে যেখানেই পেয়েছে রান উৎসব করেছে ক্যারিবিয়ানরা। একই প্রত্যাশায় ম্যালাহাইডে টস জিতে ব্যাটিংয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শেই হোপের দেখানো পথে গেলো ম্যাচে সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন সুনীল আমব্রিস। আগ্রাসী সূচনায় দারুণ সূচনার ইঙ্গিত দেয় উইন্ডিজ। সাইফুদ্দিনের জায়গায় সুযোগ পাওয়া আবু জায়েদ রাহী অভিষেকে বিশেষ কিছু করতে পারেন নি। তাই প্রথম ব্রেক থ্রু'র জন্য তাকিয়ে থাকতে হয়েছে মাশরাফীর দিকেই। টানা ৪র্থ ম্যাচে ব্যর্থ ড্যারেন ব্রাভো। ফিরেছেন ৫ রানে। আস্থার প্রতিদান দিতে পারেননি রোস্টন চেস ও জনাথান কার্টাররা। দলীয় ৯৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে ক্যারিবীয়রা। আবারো উইন্ডিজের ত্রানকর্তা শেই হোপ। ৫ম উইকেটে হোল্ডারের সঙ্গে তার ১০০ রানের জুটিতে বিপদ সামাল দেয় উইন্ডিজ। ভয়ংকর হয়ে উঠছিলো এই জুটি। সাকিবের কিটপ্টে বোলিং চাপ তৈরী করলেও, উইকেট তুলতে পারছিলো না বাংলাদেশ। গেলো ম্যাচের মত এদিনও মোক্ষম সময়ে ব্রেক থ্রু এনে দেন অধিনায়ক মাশরাফী। শেই হোপ ফিরে যান ৮৭ রানে। দু'ভারের মধ্যেই অধিনায়ক হোল্ডারও আউট হন ৬২ রানে। গেলো ম্যাচে উদার ভাবে রান দেয়া মোস্তাফিজ জবাব দিয়েছেন সমালোচনার। দারুণ বোলিংয়ে উইন্ডিজের রান তোলার গতি টেনে ধরেন। শেষ দিকে সাকিব ফিজের বোলিং নৈপূন্যেই উইন্ডিজের স্কোরটা থাকে ধরা ছোঁয়ার মধ্যেই। আগের ম্যাচে উইন্ডিজের ২৬১ রান হেসে খেলেই টপকে গিয়েছিলো বাংলাদেশ। তামিম-সৌম্য'র ওপেনিং জুটিতে টাইগারদের শুরুটা হয় ভালো। বেশ আগ্রাসী ভাবে খেলেন আগের ম্যাচে ফিফটি পাওয়া সৌম্য। তবে উদ্বোধনী জুটিটা বড় করতে পারেনি টাইগাররা। অ্যাশলি নার্সের বলে ব্যক্তিগত ২১ রানে আউট হন তামিম। আগের ম্যাচের ধারাবাহিকতায় ফিফটি তুলে নেন সৌম্য। ২০১৭ সালের ত্রিদেশীয় সিরিজের পর টানা দুই ফিফটি পেলেন এই ওপেনার। সাকিবের সঙ্গে সৌম্য'র দ্বিতীয় উইকেট থেকে আসে ৫২ রান। তবে ১ রানের ব্যবধানে সাকিব-সৌম্য'কে ফিরিয়ে ম্যাচে ফেরার আভাস দেয় উইন্ডিজ।
বাংলাদেশের ফাইনালে ওঠার লড়াই আজ
১৩মে,সোমবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটা বৃষ্টিতে ভেসে না গেলে আগেই ফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যেতে পারতো বাংলাদেশের। সে আফসোস না করে আজই অবশ্য সেই টিকিট কেটে ফেলতে পারে মাশরাফি বিন মুর্তজার দল। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ইতিমধ্যে আয়ারল্যান্ডকে দুইবার হারিয়ে ফাইনালে উঠে গেছে। আজ সেই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে এই টুর্নামেন্টে দ্বিতীয়বার হারালেই ফাইনাল নিশ্চিত হবে বাংলাদেশের। সে ক্ষেত্রে বুধবার আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচটা আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত হবে। ফাইনালে ওঠার লক্ষ্য নিয়ে আজ বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টা ৪৫ মিনিটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি হবে মাশরাফির দল। এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ একটিমাত্র ম্যাচ খেলতে পেরেছে। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে বৃষ্টিতে। যে ম্যাচ হয়েছে, সেখানে বাংলাদেশ দারুণভাবে হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। ৮ উইকেটের সাবলীয় জয় পেয়েছিলো তারা। ওই ম্যাচে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ছিলো তামিম ইকবালের সাথে সৌম্য সরকারের ১৪৪ রানের উদ্বোধনী জুটি। এই টুর্নামেন্টে যদি এই জুটিটা স্থায়ী হতে পারে, সেটা বিশ্বকাপের জন্যই বাংলাদেশের বড় একটা প্রাপ্তি হবে। ম্যাচের পরের দিকে সাকিব আল হাসানের ব্যাট হাতে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করাটা দর্শকদের ভরসা দিয়েছে। এর সাথে বল হাতেও মাঝের দিকে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করেছেন সাকিব। বল হাতে ভালো করেছেন মাশরাফি ও সাইফউদ্দিন। সবমিলিয়ে মুস্তাফিজুর রহমানের দারুণ খরুচে বোলিং বাদ দিলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচটা ছিলো আত্মবিশ্বাস জোগানোর দারুণ একটা উপলক্ষ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে শেষ ৫ ম্যাচের ৪টিতেই বাংলাদেশ জিতেছে। ফলে আজ আরেকবার এই দলটিকে হারানোর আশা মাশরাফিরা করতেই পারেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ অবশ্য এই ম্যাচে বিশ্বকাপের আগে বেশ কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা করে নিতে চাইবে। বাংলাদেশের অবশ্য আজ অন্তত সে সুযোগ নেই। ফাইনাল নিশ্চিত করার আগ পর্যন্ত বাংলাদেশ একাদশ নিয়ে কোনো পরীক্ষা করতে চায় না। ফলে আজ আগের ম্যাচের একাদশই মাঠে নামার কথা। উইকেট যথারীতি রান বন্যার উইকেট হওয়ার কথা। ডাবলিনে আগের ম্যাচেও আয়ারল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ, দুই দলই তিন শতাধিক করে রান করেছে। বাংলাদেশকেও তাই রানবন্যার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

খেলাধূলা পাতার আরো খবর