পিছিয়ে পড়েও জিতলো বার্সেলোনা
১৭ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্প্যানিশ লা লিগার ম্যাচে প্রথমে পিছিয়ে পড়ার পর ঘুরে দাঁড়িয়ে দারুণ এক জয় তুলে নিয়েছে বার্সেলোনা। ঘরের মাঠে রিয়াল সোসিয়েদাদকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছে কাতালান ক্লাবটি। এই জয়ে পয়েন্ট টেবিলেও উন্নতি হয়েছে কোম্যানের দলের। বুধবার রাতে ক্যাম্প ন্যুয়ে প্রথমে উইলিয়ান জোসের গোলে এগিয়ে যায় অতিথি দল। পরে স্বাগতিকদের সমতায় টানেন জর্ডি আলবা। আর জয়সূচক গোলটি করেন ফ্রেংকি ডি ইয়ং। বার্সেলোনার মাঠে ম্যাচের ২৭তম মিনিটে প্রথম কর্নার পায় সোসিয়েদাদ। তা থেকেই এগিয়ে যায় তারা। বক্সের ডান দিক থেকে পোর্তুর গোলমুখে বাড়ানো বল অনায়াসে জালে পাঠান জোসে। তবে তাদের বেশিক্ষণ এগিয়ে থাকতে দেয়নি বার্সা। ৩১ মিনিটের মাথায় দারুণ বোঝাপোড়ায় দুর্বল ডান পায়ের শটে বক্সর বাইরে থেকে বল জালে জড়ান জর্ডি আলবা। তাতে সমতায় ফেরে স্বাগতিকরা। বিরতিতে যাওয়ার আগে বার্সেলোনাকে এগিয়ে নেন ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং। ৪৩ মিনিটে বাঁ দিক থেকে আলবার ক্রস ছয় গজ বক্সের মুখে ফাঁকায় পেয়ে অনায়াসে ডান পায়ের টোকায় লক্ষ্যভেদ করেন ডি ইয়ং। শুরুতে অবশ্য অফসাইডের পতাকা উঠেছিল, তবে ভিএআরের সাহায্যে গোলের বাঁশি বাজান রেফারি। তাতে ২-১ গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় কাতালানরা। দ্বিতীয়ার্ধের দশম মিনিটে মুহূর্তের ব্যবধানে দুটি সুযোগ নষ্ট হয় বার্সেলোনার। ডান দিকের দুরূহ কোণ থেকে মেসির শট গোলরক্ষক ঠেকানোর পর ওই আক্রমণেই বাঁ দিক থেকে আলবার ক্রস গোলমুখে পেয়েও জালে বল পাঠাতে ব্যর্থ গ্রিজমান। ৩০ সেকেন্ড পর বাঁ দিক দিয়ে ওঠা আক্রমণে আবারও সুবর্ণ সুযোগ পান ফরাসি এই ফরোয়ার্ড; কিন্তু গোলরক্ষককে একা পেয়েও তার বরাবর শট নেন তিনি। বাকি সময়ে অবশ্য আর কোনো গোল হয়নি। জয়ের জন্য আর কোনো গোলের প্রয়োজনও হয়নি অবশ্য মেসি-গ্রিজমানদের। পুরো ম্যাচে বল দখল ও আক্রমণে একটু এগিয়ে বার্সেলোনা। লক্ষ্যে শট নেওয়ায় অবশ্য সোসিয়েদাদ এগিয়ে; তারা ৫টি, বার্সেলোনা ৪টি। তবে, নিশ্চিত সুযোগের হিসেবে বার্সেলোনা অনেক এগিয়ে ছিল। এই জয়ে ১১ ম্যাচ থেকে ২০ পয়েন্ট সংগ্রহ করে বার্সেলোনা উঠে এসেছে পয়েন্ট টেবিলের পঞ্চম স্থানে। অন্যদিকে এই হারে শীর্ষস্থান খুইয়েছে সোসিয়েদাদ। তাদের সমান ২৬ পয়েন্ট নিয়েই গোল ব্যবধানে এগিয়ে উপরে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ।
বিজয় দিবসে ক্রিকেটারদের স্ট্যাটাস
১৬,ডিসেম্বর,বুধবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহান বিজয়ের ৪৯ বছর পূর্ণ হলো আজ। বাঙালি জাতির গৌরবের দিন। জাতি আজ গভীর শ্রদ্ধা আর ভালবাসায় স্মরণ করছে সেইসব শহীদদের, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে প্রিয় স্বাধীনতা, লাল-সবুজের পতাকা। বিজয় দিবসের স্মরণে পিছিয়ে নেই ক্রিকেটাররাও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পেজে শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন সাকিব আল-হাসান, টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম এবং জাতীয় দলের সাবেক সফল অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। মাশরাফি জাতীয় পতাকার একটি ছবি পোস্ট করে লিখেন, এটা আমার কাছে শুধু একটি পতাকাই না আমার অস্তিত্ব আমার অনুভূতি, আমার ভালোবাসা। আমি মরেও বারবার চাইবো এ পতাকা তলে আসতে। আমি গর্বিত আমি একজন বাংলাদেশি। ৭১ এর সাহসী সকল শহিদদের প্রতি রইলো বিনম্র শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা। যে মাটির চির মমতা আমার অঙ্গে মাখা। সবাইকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছো। যোগ করেন মাশরাফি। সাকিব আল হাসান ফেসবুকে লিখেন, ১৬ই ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবস। আজকের দিনেই বিশ্ব মানচিত্রে আমরা পেয়েছিলাম স্থান। পৃথিবী জেনেছিল আমাদের নতুন পরিচয়। বিজয় দিবসের এই মুহূর্তে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি পরম আরাধ্য এই বিজয় আনতে শেষ রক্তবিন্দুতে লড়ে যাওয়া প্রত্যেক সূর্যসন্তানকে। সবাইকে জানাচ্ছি মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ লিখেন, ১৯৭১ সালের আজকের এ দিনেই লাখো মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বিশ্ব মানচিত্রে জায়গা করে নেয় বাংলাদেশ, এ দেশের মানুষ পরাধীনতা থেকে পায় মুক্তি। যাদের রক্তের বিনিময়ে, ত্যাগের বিনিময়ে আজ লাল-সবুজের জার্সি গায়ে জড়াতে পেরেছি তাদের সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করছি। সবাইকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা । মুশফিকুর রহিম লিখেন, মাঠে আমরা জয় পাই, উৎসব করি। কিন্তু এটা সম্ভব হতো না যদি না এই দিনটা আসতো। ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১। আমি প্রতিটি বল মোকাবিলা করার সময়, রান নেয়ার সময় গর্ব বোধ করি কারণ আমি আমার দেশের প্রতিনিধিত্ব করছি। গর্ব নিয়ে নিজ দেশের পতাকা উড়াতে পারি, বলতে পারি আমি গর্বিত বাংলাদেশী। মাতৃভূমির বিজয় দিবসে সবাইকে শুভেচ্ছা। সকল মুক্তিযোদ্ধাকে সশ্রদ্ধ সালাম।
নেইমারের চোট গুরুতর নয়
১৫,ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: লিগ ওয়ানের ম্যাচে রোববার রাতে লিওঁর বিপক্ষে পায়ে চোট পেয়ে কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছেড়েছিলেন নেইমার। প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডার থিয়াগো মেন্দেসের ভয়ঙ্কর ট্যাকলে গোড়ালির অসহ্য যন্ত্রণা নিয়ে স্ট্রেচারে করে তাকে মাঠের বাইরে যেতে হয়। তবে তার চোট নিয়ে স্ক্যান রিপোর্টে স্বস্তির খবর মিলেছে। পিএসজি মেডিক্যাল স্টাফরা যতটা ভয় পেয়েছিলেন, ততটা গুরুতর নয় নেইমারের চোট। পিএসজি নিশ্চিত করেছে, গুরুতর চোট এড়িয়ে যেতে পেরেছেন নেইমার। কোনও ধরনের চিড় দেখা যায়নি তার গোড়ালিতে। সর্বশেষ স্ক্যানে কেবল তার বাঁ পায়ের গোড়ালি মচকানো দেখা গেছে। পিএসজি সোমবার সন্ধ্যায় তাদের ওয়েবসাইটে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে দিয়েছে। বিবৃতিতে বলেছে,নেইমার জুনিয়রের চোট নিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর আশ্বস্ত করা হচ্ছে যে লিওঁর বিপক্ষে রোববারের ম্যাচে তার গোড়ালি মচকে গেছে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আরও পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হবে। কিন্তু আগামীকাল বুধবার লরিয়েঁর বিপক্ষে যে নেইমার থাকবেন না তা নিশ্চিত। কিন্তু সমর্থকদের বিশ্বাস পূর্ণ ফিটনেস ফিরে পেয়ে চার দিন পর লিঁলের বিপক্ষে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডকে দেখা যাবে। এদিকে সোমবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। যেখানে বার্সেলোনর সঙ্গী হয়েছে পিএসজি। নেইমারের চোটের বিষয়ে তাই সবার কৌতূহল আরো বেড়ে যায়। কারণ চোট গুরুতর হলে লিওনেল মেসির মুখোমুখি হয়তো হওয়া হবে না তার। তবে প্রাথমিক যে ফল পাওয়া গেছে, তাতে বার্সেলোনার বিপক্ষে ম্যাচের আগেই মাঠে ফেরার কথা ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ১৬ ফেব্রুয়ারি ন্যু ক্যাম্পে ও ১০ মার্চ পার্ক দে প্রিন্সেসে মুখোমুখি হবে বার্সা ও পিএসজি।
চেলসিকে ফের হারিয়ে দিল এভারটন
১৩,ডিসেম্বর,রবিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে এভারটনের কাছে আরেকবার হারল চেলসি। গুডিসন পার্কে গিলফি সিগুর্দসনের একমাত্র গোলে চেলসির বিপক্ষে জয় পায় কার্লো আনচেলত্তির দল। এই মাঠে লিগে এ নিয়ে টানা তিন ম্যাচে হারল চেলসি। শনিবার রাতে নিজেদের মাঠে ১-০ গোলে জিতেছে এভারটন। ২ হাজার সমর্থকদের সামনে খেলতে নেমেছিল এভারটন। ম্যাচটি তারা স্মরণীয়ও করে রাখল জয়ে। অন্যদিকে এ নিয়ে লিগে ৯ ম্যাচ পর হার দেখলো ফ্রাঙ্ক ল্যাম্পার্ডের দল। যদিও ম্যাচের শুরু থেকে বল দখলে চেলসি আধিপত্য দেখালেও প্রথম সুযোগটি পায় এভারটন। ম্যাচের ২২তম মিনিটে ডমিনিক কালভার্ট-লেউইনকে চেলসি গোলরক্ষক এডোয়ার্ড মেন্ডি ফাউল করে বসলে পেনাল্টি পায় এভারটন। স্পট-কিক থেকে টফিজদের এগিয়ে দেন গিলফি সিগার্ডসন। এরপরই জেগে ওঠে ল্যাম্পার্ডের দল। তবে দুর্দান্ত তিনটি সেভ করে চেলসিকে হতাশ করেন জর্ডান পিকফোর্ড। ২৫তম মিনিটে রিস জেমসের ফ্রি-কিক বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে কর্নারের বিনিময়ে ফেরান এভারটনের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড। পরের মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে জেমসের নিচু শট পিকফোর্ডের হাত ছুঁয়ে পোস্টে লাগে। ৬৩তম মিনিটে ক্যালভার্ট-লুইনকে বেন চিলওয়েল ডি-বক্সে ফেলে দিলে এভারটনকে আবার পেনাল্টি দিয়েছিলেন রেফারি। তবে ভিএআরের সাহায্যে ক্যালভার্ট-লুইন অফসাইডে থাকায় তা বাতিল করা হয়। অবশ্য রিচ জেমসের শট এভারটনের গোল পোস্টে না লাগলে সমতায় ফিরতে পারত ব্লুজরা। এরপর ৮১তম মিনিটে ম্যাসন মাউন্টের শটেরও বাধা হয়ে দাঁড়ায় গোলপোস্ট। ভালো সুযোগ পেয়েছিল এভারটনও। রিচার্লিসনের দুটি শট এবং ইয়ারি মিনার দুটি হেড মিস হয়েছে। তবে চোটে পড়া হামেস রদ্রিগেজকে ছাড়াই শেষ পর্যন্ত তিন পয়েন্ট আদায় করে মাঠ ছাড়ে তারা। এ জয়ে ১২ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট নিয়ে সাতে ওঠে এসেছে এভারটন। সমান ম্যাচে তাদের চেয়ে ২ পয়েন্ট বেশি নিয়ে তৃতীয় স্থান ধরে রেখেছে চেলসি। ২৪ পয়েন্ট নিয়ে লিভারপুল দুইয়ে ও টটেনহ্যাম হটস্পার আছে শীর্ষে।
চট্টগ্রামের কাছে হেরে প্লে অফ কঠিন করে ফেলল রাজশাহী
১২,ডিসেম্বর,শনিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে প্রথম দুই ম্যাচে জিতে বেশ ভালো সূচনা করেছিল মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী। তবে পরের ছয় ম্যাচে টানা পরাজয়ে প্লে অফে খেলা কঠিন করে ফেলেছে পদ্মাপাড়ের দলটি। শনিবার (১২ ডিসেম্বর) লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের কাছে ৩৬ রানে হেরেছে রাজশাহী। ফলে প্লে ফলে খেলতে হলে রাজশাহীকে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচ বেক্সিমকো ঢাকা-ফরচুন বরিশাল ম্যাচের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে। দ্বিতীয় ম্যাচে ঢাকাকে যদি বরিশাল হারিয়ে দেয় তবে বরিশাল চতুর্থ দল হিসেবে প্লে অফ নিশ্চিত করবে। আর যদি বরিশাল হেরে যায় তবে রাজশাহী ও বরিশালের সমান চার পয়েন্ট হওয়ায় রান রেটের হিসেব নিকেশ করতে হবে। তখন রাজশাহীর প্লে অফের খেলার সুযোগ তৈরি হতে পারে। বরিশাল হারলেই রাজশাহীর সুযোগ থাকবে প্লে অফে খেলার। মিরপুরে আগে ব্যাট করে লিটন দাস ও সৌম্য সরকারের অর্শতকে ৪ উইকেটে ১৭৫ রান করে গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৮ উইকেটে ১৩৯ রানে থেমে যায় রাজশাহীর ইনিংস। ফলে ৩৬ রানের সহজ জয় পায় চট্টগ্রাম। ১৭৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ৩৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে শুরুতেই চাপে পড়ে যায় রাজশাহী। সেই চাপ আর পরে ব্যাটসম্যানরা কেউ সেই চাপ সামাল দিতে পারেনি। চট্টগ্রামের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে রান রেট বাড়াতে থাকে। শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেটে ১৩৯ রানে থেমে যায় রাজশাহীর ইনিংস। ফলে ৩৬ রানের সহজ জয় পায় চট্টগ্রাম। রাজশাহীর নুরুল হাসান সোহান ২৮ ও শেখ মেহেদি হাসান ২৬ রান করেন। চট্টগ্রামের নাহিদুল ইসলাম ৩টি, জিয়াউর রহমান ২টি এবং মোস্তাফিজুর রহমান, শরফুল ইসলাম ও রাকিবুল হাসান ১টি করে উইকেট নেন। এর আগে মিরপুরে টস হেরে ব্যাট করেত নেমে চট্টগ্রামকে ভাল সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার লিটন দাস ও সৌম্য সরকার। রাজশাহীর বোলারদের বেশ ভালো ভাবেই খেলতে থাকেন তারা। শতরানের জুটি গড়েন লিটন-সৌম্য। দুজনেই তুলে নেন অর্ধশতক। প্রথমে ৪০ বলে অর্ধশতক তুলে নেন সৌম্য। এরপর ৩৮ বল অর্ধশতক তুলে নেন। দলীয় ১২২ রানের মাথায় সৌম্য ৪৮ বলে ৬৩ রান করে আউট হন। ৩টি চার ও ৩টি ছয়ে মারে সাজানো ছিল সৌম্যের ইনিংস। এরপর দলীয় ১২৬ রানের মাথায় লিটন ৪৩ বলে ৫৫ রানে আউট হন। । লিটনের ইনিংস ৫টি চার ও ১টি ছয়ের মারে সাজানো ছিল। এরপর আর কোনো ব্যাটসম্যান রানের দেখা পায়নি। শামসুর রহমানের অপরাজিত ১৭ বলে ২৯ রানের ইনিংসের কল্যাণে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৭৫ রান করে চট্টগ্রাম। রাজশাহীর আনিসুল ইসলাম ইমন ২টি এবং মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও রেজাউর রহমান রাজা ১টি করে উইকেট নেন।
মিতউইলানের বিপক্ষে পয়েন্ট হারাল লিভারপুল
১০ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গ্রুপের পয়েন্ট তালিকার তলানিতে থাকা মিতউইলানের বিপক্ষে পয়েন্ট হারিয়েছে লিভারপুল। যদিও ম্যাচের প্রথম মিনিটেই মোহামেদ সালাহর গোলে এগিয়ে যায় ইয়ুর্গেন ক্লপের দলটি। তবে ঘরের মাঠে ঘুরে দাঁড়ায় ডেনিশ চ্যাম্পিয়নরা। এদিন পয়েন্ট হারালেও গ্রুপের শীর্ষ স্থানে রয়েছে প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়নরাই। বুধবার রাতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ডি গ্রুপের শেষ রাউন্ডের ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র করেছে লিভারপুল। প্রথম পর্বে অ্যানফিল্ডে মিতউইলানের বিপক্ষে ২-০ গোলে জিতেছিল ইয়ুর্গেন ক্লপের দল। ম্যাচের ১ মিনিটেই গোল আদায় করেন সালাহ। প্রতিপক্ষের দুর্বল ব্যাক-পাসে বল পেয়ে ডি-বক্সে ঢুকে এগিয়ে আসা গোলরক্ষককে ফাঁকি দেন সালাহ। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে লিভারপুলের দ্রুততম গোল এটিই। প্রথমার্ধের এটিই ছিল একমাত্র গোল। বিরতির পর ম্যাচের ৬২ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করেন মিতউইলানের শোলজ। আন্দের্স দ্রায়েরকে লিভারপুলের গোলরক্ষক কুইভিন কেলেহার ফাউল করলে ভিএআরের সাহায্যে পেনাল্টির বাঁশি বাজিয়েছিলেন রেফারি। বাকি সময়ে কোন দলই আর গোল করতে পারেনি। এই গ্রুপ থেকে এদিন দ্বিতীয় দল হিসেবে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে আতালান্তা। একই সময়ে শুরু হওয়া ম্যাচে আয়াক্সের বিপক্ষে ১-০ গোলে জয় তুলে নেয় দলটি। ছয় ম্যাচে চার জয় ও এক ড্রয়ে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ পর্ব শেষ করল লিভারপুল। তিন জয় ও দুই ড্রয়ে আতালান্তার পয়েন্ট ১১। আয়াক্সের ৭ ও মিতউইলানের ২ পয়েন্ট।
ফের বদলে গেলো বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের সূচি
০৯ডিসেম্বর,বুধবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আবারো বদলে গেলো বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপ টুর্নামেন্টের সময়সূচি। ঘন কুয়াশার কারণে দিনের দুটি ম্যাচের সময়ই এগিয়ে আনা হয়েছে। হঠাৎ ঘন কুয়াশার চাঁদরে ঢেকে গেছে রাজধানী ঢাকা। মঙ্গলবার (৮ ডিসেম্বর) রাত প্রায় সাড়ে ১০টা পর্যন্ত খেলা হয়েছে। শেরে বাংলা ও তার আশপাশ তখন ছিল ঘন কুয়াশায় ঢাকা। এর ভেতরে দিনের ম্যাচ যেমন তেমন, রাতের খেলা নির্বিঘ্নে আয়োজন রীতিমত কঠিন। তাই পরিস্থিতি বিচার বিবেচনায় এনে আয়োজক ও ব্যবস্থাপকরা বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের সময়সূচি বদলে ফেলেছেন। এতদিন ধরে দুপুর দেড়টার শুরু হওয়া ম্যাচ এখন শুরু হবে বেলা সাড়ে ১২টায়। ঐ ম্যাচের টস হবে বেলা ১২টায়। আর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার খেলা শুরু হবে বিকেল সাড়ে ৫টায়। ঐ খেলার টস হবে বিকেল ৫টায়। প্রসঙ্গত, এর আগে শুক্রবারের (৪ ডিসেম্বর) ম্যাচের সূচিতেও বদল আনা হয়েছিলো। বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচ থাকায় দুই ঘণ্টা করে এগিয়ে আনা হয়েছিলো সেদিনের ম্যাচ দুইটি।
করোনার কারণে বাতিলই হয়ে গেলো দক্ষিণ আফ্রিকা-ইংল্যান্ড সিরিজ
০৮ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পরপর দুবার ম্যাচ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়ার পর শুরুর আধা ঘণ্টা কিংবা এক ঘণ্টা আগে ম্যাচ স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। শেষ পর্যন্ত করোনাভাইরাসের হুমকির কারণে ওয়ানডে সিরিজ না খেলেই দেশে ফিরে যাচ্ছে ইংল্যান্ড। অর্থ্যাৎ সিরিজটিকে পুরোপুরি বাতিল ঘোষণা করতে হয়েছে। শুক্রবার ছিল ওয়ানডে সিরিজ শুরুর তারিখ। ওইদিন ম্যাচ শুরুর একঘণ্টা আগে জানা গেলো দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলের একজনের কোভিড-১৯ পজিটিভ। উপায়ান্তর না দেখে ওইদিনের জন্য ম্যাচ বাতিল করতে বাধ্য হলো দুই দল। কথা ছিল রোববার থেকে শুরু হবে সিরিজ। সে মতে রুটিন টেস্টেও রেজাল্ট আসলো দক্ষিণ আফ্রিকা দলের সবারই করোনা নেগেটিভ। কিন্তু বিপত্তি বাধলো, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ইংল্যান্ড, দুই দলই যে হোটেলে অবস্থান করছিল, সেই হোটেলের দুই কর্মচারির শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। যে কারণে রোববার ম্যাচ শুরুর আধাঘণ্টা আগে বাতিল ঘোষণা করা হয় সেদিনের মতো। যার ফলে একপ্রকার অনিশ্চিতই হয়ে পড়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা-ইংল্যান্ড ওয়ানডে সিরিজ। শেষ পর্যন্ত সোমবার এসে সিরিজ পুরোপুরিই বাতিল ঘোষণা করা হল। এর জেরে বড় ক্ষতির মুখেই পড়তে হচ্ছে সম্প্রচারকারী চ্যানেল থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট বোর্ড- সবাইকেই। সোমবার দুই ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে বলা হয়, ইংল্যান্ড শিবিরে দুজনের কোভিড-১৯ টেস্ট হয়েছে; কিন্তু তাদের রিপোর্ট হাতে আসেনি। দুই বোর্ডই রিপোর্টের অপেক্ষায় ছিল। তা দেখেই ম্যাচের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হত। কিন্তু কেপটাউনে ম্যাচের দিনও তা না মেলায় ম্যাচ স্থগিত রাখার কথাই ঠিক করা হয়। কিভাবে এবং কবে তিন ম্যাচের সিরিজের এই দুটি ম্যাচ আয়োজন করা সম্ভব হবে, তা আলোচনা করে দেখা হচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত সিরিজ বাতিল করা হল। এর ফলে বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ল দক্ষিণ আফ্রিকা বোর্ড। কারণ এই সিরিজে টেলিভিশন সত্ত্ব থেকে ৪.২ মিলিয়ন ডলার আয় করার কথা ছিল তাদের। ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এক প্রোটিয়া ক্রিকেটার করোনা পজিটিভ হতেই আতঙ্ক ছড়ায় টিম হোটেলে। সেই প্রেক্ষিতেই করোনা টেস্ট করান হোটেল কর্মীরাও। সেখানেই দুজনের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এরপরই বাড়ে উদ্বেগ। জানা যায়, সুরক্ষিত কি না জানতে ইংল্যান্ডের ক্রিকেটাররাও করোনা পরীক্ষা করান। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি বেশ জটিল হয়ে যায়। শেষ অবধি সিরিজটাই বাতিল হয়ে গেল। ১০ ডিসেম্বর একটি চাটার্ড ফ্লাইটে দেশে ফিরে যাওয়ার কথা ইংল্যান্ড দলের।
রাজশাহীকে হারিয়ে দ্বিতীয়স্থানে উঠে এলো খুলনা
০৭ডিসেম্বর,সোমবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধু টি-টুয়েন্টি কাপের প্রথম মুখোমুখি লড়াইয়ে জেমকন খুলনাকে হেসেখেলে হারিয়েছিল মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী। তবে ফিরতি লড়াইয়ে ৫ উইকেটে হারিয়ে মধুর প্রতিশোধ নিল খুলনা। আর এই জয়ে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এলো তারা। রোববার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৫ উইকেটে ১৪৫ রান করেছিল রাজশাহী। জবাবে ৪ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করেছে মাহমুদউল্লাহর খুলনা। খুলনা জিতলেও দলের সবচেয়ে বড় তারকা সাকিব আল হাসান ব্যাট হাতে এদিনও নিষ্প্রভ। ৫ বলে ৪ রান করে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের বলে বোল্ড হন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। অফস্টাম্পের বাইরের বল কাট করতে গিয়ে উইকেটে টেনে আনেন। সব মিলিয়ে ৬ ম্যাচে সাকিবের রান ৫৯। ১৪৬ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে দলকে শুভ সূচনা এনে দেন খুলনার দুই ওপেনার জহিরুল ইসলাম ও জাকির হাসান। ৫১ বলে ৫৬ রানের জুটি গড়েন তারা। এর মধ্যে ১৯ রান করেন জাকির। বড় ইনিংস খেলার ইঙ্গিত দিয়েও ৪৩ রানে থামেন জহিরুল। তার ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ১টি ছক্কা। জহিরুলের মত ভালো শুরু ছিলো তিন নম্বরে নামা ইমরুল কায়েসেরও। কিন্তু ২৭ রানে থেমে যান তিনি। ২০ বল খেলে ৩টি চার ও ১টি ছক্কা মারেন ইমরুল। দলীয় ৯৪ রানে ইমরুলের বিদায়ের পর ১০৯ রানের মধ্যে আরও ২ উইকেট হারায় খুলনা। এর মধ্যে ছিলেন সাকিব ও শামিম হোসেন। সাকিব ৪ ও শামিম ৭ রান করেন। সাকিবকে শিকার করেন টুর্নামেন্টে প্রথমবারের মত মাঠে নামা সাইফউদ্দিন। পঞ্চম উইকেট পতনের পর দলকে জয়ের বন্দরে নেয়ার দায়িত্বটা ভালোভাবে পালন করেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ ও আরিফুল হক। ১৯ বলে ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় অপরাজিত ৩১ রান করে মাহমুদউল্লাহ। আর ১০ রানে অপরাজিত থাকেন আরিফুল। ষষ্ঠ উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ৩৭ রান যোগ করে ৪ বল বাকি রেখে খুলনার জয় নিশ্চিত করেন তারা। রাজশাহীর মুকিদুল ইসলাম ২টি উইকেট নেন। টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেলেও রাজশাহীর টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানরা ব্যর্থতার খোলস থেকে বের হয়ে আসতে পারেননি। আমিনুল ইসলাম ইমন ১ রানে সাজঘরে ফেরেন শুভগত হোমের বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে। রনি তালুকদার টানা দুই বাউন্ডারিতে ভালো কিছুর আশা দেখালেও পেসার আল-আমিনের বলে পয়েন্টে ক্যাচ দেন ১৪ রানে। বাদ পড়া মোহাম্মদ আশরাফুলের চার নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে এসেছিলেন মেহেদী হাসান। জ্বলে ওঠেনি তার ব্যাট, ৯ রানে শহীদুল ইসলামের বলে মিড উইকেটে ক্যাচ দেন ৯ রানে। সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মিছিলের মাঝে দোর্দণ্ড প্রতাপ দেখান অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ৩৮ বলে ৫৫ রানের ইনিংস খেলেন দারুণ দৃঢ়তায়। কিন্তু তার ৬ চার ও ২ ছক্কায় সাজানো ইনিংসটি শেষ হয় বাজে বলে, বাজে শটে। মাহমুদউল্লাহর একেবারেই ধীর গতির শর্ট বল ডিপ মিড উইকেট দিয়ে উড়িয়ে মারতে চেয়েছিলেন। বল ব্যাটের মাঝে লাগলেও শটে ছিল না জোর। ক্যাচ যায় শামীমের হাতে। ৯৩ রানে ৫ উইকেট হারানো রাজশাহীর বড় সংগ্রহের আশা শেষ হয়ে যায় সেখানেই। সেই দায়িত্ব নেন জাকির আলী অনিক ও কাজী নুরুল হাসান সোহান। শেষ ঝড় তুলে সোহান কাজ করে দেন। সঙ্গী জাকেরও রাখেন অবদান। দুইজনের জুটিতে আসে ৫২ রান। সোহান ২১ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৩৭ রান করেন। জাকের ১ ছক্কায় ১৯ বলে করেন ১৫ রান। ১৯তম ওভারে আল-আমিনের ১ ওভারে দুই ছক্কা ও দুই চার হাঁকিয়ে সোহান ২০ রান তুলেছিলেন মুগ্ধতায়। শুভাগত ২ উইকেট নিয়ে ছিলেন খুলনার সেরা বোলার। ১টি করে উইকেট নেন আল-আমিন, শহীদুল ও মাহমুদউল্লাহ। সাকিব ৪ ওভারে ১৭ রান দিয়ে ছিলেন উইকেটশূন্য। এই জয়ে ৬ খেলায় ৪ জয় ও ২ হারে ৮ পয়েন্ট খুলনার। ৫ খেলায় ৪ জয় ও ১ হারে ৮ পয়েন্ট চট্টগ্রামের। এক ম্যাচ কম খেলে খুলনার সাথে সমান পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে চট্টগ্রাম। রাজশাহী নেমে গেছে টেবিলের চতুর্থ স্থানে। ৬ ম্যাচে তাদের সংগ্রহ ৪।