মঙ্গলবার, মার্চ ২, ২০২১
ভেনেজুয়েলাকে হারিয়ে শীর্ষে ব্রাজিল
১৪নভেম্বর,শনিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চোট আর করোনাভাইরাসের থাবায় নিয়মিত একাদশের কয়েক জনকে হারানো ব্রাজিলের পারফরম্যান্স আশানুরূপ হলো না। প্রতিপক্ষের ছন্দহীনতার সুযোগ নিতে পারেনি ভেনেজুয়েলাও। ফলে, কষ্টে হলেও বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে প্রত্যাশিত জয় তুলে নিয়েছে তিতের দল। সাও পাওলোর মোরুম্বি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় শনিবার সকালে ১-০ গোলে জিতেছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। একমাত্র গোলটি করেন রবের্তো ফিরমিনো। পায়ের মাংসপেশির চোটে ছিটকে পড়া নেইমারের অনুপস্থিতিতে বেশ ভুগতে দেখা গেল ব্রাজিলের আক্রমণভাগকে। আর চোটে পড়া ফিলিপে কৌতিনিয়ো ও ফাবিনিয়ো এবং করোনাভাইরাসের আক্রান্ত কাসেমিরোকে ছাড়া মাঝমাঠ থেকে গড়ে ওঠেনি খুব বেশি আক্রমণ। ফলাফল-আগের ২৫ বারের মুখোমুখি লড়াইয়ে ২১ বারই জেতা ব্রাজিলকে এবার বেশ লড়াই করতে হলো। তবে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে অজেয় ধারা ঠিকই ধরে রেখেছে তারা। এই নিয়ে বাছাইয়ের ১৭ ম্যাচে ষোড়শ জয় পেল ব্রাজিল, অন্যটি ড্র। প্রথম দুই ম্যাচে হারা ভেনেজুয়েলাকে শুরু থেকেই চেপে ধরে ব্রাজিল। অষ্টম মিনিটে প্রথম উল্লেখযোগ্য আক্রমণেই বল জালে পাঠান গাব্রিয়েল জেসুস। তবে অফসাইডের জন্য গোল মেলেনি। একের পর এক আক্রমণ করে গেলেও গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারছিল না ব্রাজিল। জমাট রক্ষণ ভাঙা যাচ্ছিল না দেখে ২৯তম মিনিটে অনেক দূর থেকে নিচু শটে চেষ্টা করেন ফিরমিনো। ঝাঁপিয়ে কর্নারের বিনিময়ে ঠেকান ভেনেজুয়েলা গোলরক্ষক ফারিনেস। চার মিনিট পর রিশার্লিসনের অবিশ্বাস্য মিসে এগিয়ে যেতে পারেনি ব্রাজিল। জেসুসের পাস পেয়ে ছয় গজ দূর থেকে শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি এভারটন ফরোয়ার্ড। বেঁচে যায় সফরকারীরা। ৩৯তম মিনিটে স্বাগতিকদের রক্ষণে প্রথম ভীতি ছড়ায় ভেনেজুয়েলা। গোলমুখ থেকে কর্নারের বিনিময়ে বল ক্লিয়ার কোনো বিপদ হতে দেননি ডিফেন্ডার মার্কিনিয়োস। দুই মিনিট পর কাছ থেকে দগলাস লুইসের হেড দারুণ ক্ষিপ্রতায় রুখে দেন ফারিনেস। আলগা বল জটলার মধ্যে থেকে রিশার্লিসন জালে বল পাঠালেও ফাউলের বাঁশি বাজান রেফারি। ৬৭তম মিনিটে অপেক্ষা শেষ হয় ব্রাজিলের। ডান দিক থেকে এভেরতনের বাড়ানো ক্রস ডিফেন্ডার ওসোরিও ঠেকাতে গিয়ে উল্টো তুলে দেন ফিরমিনোর পায়ে। ডান পায়ের শটে বাকি কাজ কাজ সারেন লিভারপুল ফরোয়ার্ড। শেষ দিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করার ভালো সুযোগ পেয়েছিলেন ফিরমিনো। কিন্তু তার শট প্রতিপক্ষের পায়ে লেগে দিক পাল্টে বাইরে চলে যায়। তিন ম্যাচে শতভাগ সাফল্যে ৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে ব্রাজিল। ২ পয়েন্ট কম নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আর্জেন্টিনা। ৬ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে একুয়েডর। কলম্বিয়ার মাঠে ৩-০ গোলে জেতা উরুগুয়ে সমান ৬ পয়েন্ট নিয়ে আছে চার নম্বরে। ৫ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম স্থানে আছে প্যারাগুয়ে। আরেক ম্যাচে পেরুকে ২-০ গোলে হারানো চিলি ৪ পয়েন্ট নিয়ে আছে ছয় নম্বরে। বাছাইপর্বে পরের রাউন্ডে বাংলাদেশ সময় আগামী বুধবার ভোরে উরুগুয়ের মাঠে খেলবে ব্রাজিল। আর বাংলাদেশ সময় আগের দিন রাতে ঘরের মাঠে চিলির বিপক্ষে খেলবে ভেনেজুয়েলা।
ঘরের মাঠে প্যারাগুয়ের সঙ্গে ১-১ গোলে আর্জেন্টিনার ড্র
১৩নভেম্বর,শুক্রবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: লাতিন আমেরিকার বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের ম্যাচে শুক্রবার (১৩ নভেম্বর) ভোরে ঘরের মাঠে প্যারাগুয়ের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে আর্জেন্টিনা। এর আগের ম্যাচে বলিভিয়ার মাঠে ইতিহাস গড়া জয় পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। সেই জয়ের ধারাবাহিকতা প্যারাগুয়ের সঙ্গে রাখতে পারল না দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। শুরু থেকে ভালো খেললেও উল্টো প্রথমে গোল হজম করে আর্জেন্টিনা। ২১ মিনিটে পেনাল্টি পায় প্যারাগুয়ে। মিগুয়েল অ্যালমিরনকে নিজেদের বক্সের মধ্যে ফাউল করেন আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার মার্টিনেজ। স্পট কিক থেকে প্যারাগুয়েকে এগিয়ে দেন অ্যানজেল রোমেরো। গোল হজমের পর তেতে উঠে আর্জেন্টিনা। আক্রমণের পর আক্রমণ করতে থাকে দলটি। ৪১ মিনিটে মেলে এর সুফল। আসে সমতাসূচক গোল। লো সেলসোর কর্ণারে দারুণ দক্ষতায় হেড করে গোল করেন নিকোলাস গঞ্জালেজ (১-১)। প্রথমার্ধেই লিড নিতে পারত আর্জেন্টিনা। হয়নি। রদ্রিগোর বুলেট গতির শট প্রতিহত করেন প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক সিলভা। দ্বিতীয়ার্ধে গোলের দেখা পেয়েছিলেন লিওনেল মেসি। কিন্তু ভিএআর এ চেক করার পর তা বাতিল হয়ে যায়। লো সেলেসোর কাটব্যাক ধরে এগিয়ে চলেন মেসি, প্যারাগুয়ের গোলরক্ষককে পাশ কাটিয়ে করেন গোল। কিন্তু ভিএআরে দেখা যায় মেসি অনেকটাই হাত দিয়ে ফাউল করেন প্যারাগুয়ে গোলরক্ষককে। হতাশ আর্জেন্টিনা শিবির। ৭২ মিনিটে মেসির ফ্রি কিক প্রতিহত করেন প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক। ভাগ্য বিড়ম্বনায় হয়নি গোল। শেষের দিকেও কয়েকটি গোলের সুযোগ তৈরি করলেও হাসি মুখে মাঠ ছাড়তে পারেনি আর্জেন্টিনা। তবে প্রতিপক্ষের মাঠে ড্র করতে পেরে উৎসবের আমেজ ছিল প্যারাগুয়ে শিবিরে। ৫ পয়েন্ট নিয়ে তিন ম্যাচে তালিকায় চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে প্যারাগুয়ে।
নেইমারকে ছাড়াও জিততে পারে ব্রাজিল
১২নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচে শনিবার বাংলাদেশ সময় ভোরে ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে খেলতে নামবে ব্রাজিল ফুটবল দল। তবে এই ম্যাচটিতে খেলতে পারবেন না দলের অন্যতম বড় তারকা নেইমার জুনিয়র। কুচকির ইনজুরির কারণে তাকে ছাড়াই খেলতে হবে ব্রাজিলকে। এই ইনজুরির কারণে প্যারিস সেইন্ট জার্মেইর হয়ে তিনটি ম্যাচ খেলতে পারেননি নেইমার। তার না থাকাটা ব্রাজিল দলের জন্যও অনেক বড় এক ধাক্কা। তবে এটিকে বড় করে দেখে নিজেদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করতে রাজি নন ব্রাজিলের তরুণ ফরোয়ার্ড গ্যাব্রিয়েল হেসুস। ম্যানচেস্টার সিটির এই ফরোয়ার্ডের মতে, নেইমার না থাকলেও ব্রাজিল দলে ম্যাচ জেতানোর মতো যথেষ্ঠ শক্তি রয়েছে। যেমনটা দেখা গেছে, গত বছরের কোপা আমেরিকায়। তাই নেইমার না থাকাকে কোনো অজুহাত হিসেবে দেখাতে রাজি নন হেসুস। ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে ম্যাচের আগে হেসুস বলেছেন, ক্লাব এবং আমাদের জাতীয় দলের হয়ে নেইমারের গুরুত্ব সম্পর্কে আমরা সবাই কথা বলি যে, সে দলকে যা দিয়েছে এবং প্রতিনিয়ত দিয়ে যাচ্ছে। আমি তার বড় ভক্ত। তিনি আরও যোগ করেন, কিন্তু যখন জাতীয় দলের প্রসঙ্গ আসে, তখন সবাইকে সমান দায়িত্ব ভাগ করে নিতে হয়। সবকিছু তার (নেইমার) ওপর ছেড়ে দেয়ার সুযোগ নেই। সবাই এখানে কোনো না কোনো কারণেই সুযোগ পেয়েছে। এসময় হেসুস জানান, নেইমারকে ছাড়াও জিততে পারে ব্রাজিল। যেমনটা আগেও দেখা গেছে, নেইমার দলে থাকলে আমাদের জয়েরস সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তবে সেলেসাওরা এটিও দেখিয়েছে যে, আমরা নেইমারকে ছাড়াও খেলতে পারি। আমরা সবসময় চাই নেইমার মাঠে থাকুক। যেহেতু সে সবসময়ই অবদান রাখে। কিন্তু এবার সে খেলতে পারবে না। এখন আমরা যেহেতু তার গুরুত্ব জানি, তাই দায়িত্বটা সবার ভাগ করে নিতে হবে। দলে যাদেরই নেয়া হয়েছে, তাদের সবারই ব্রাজিলকে জেতানোর যোগ্যতা রয়েছে। এমনকি তরুণ খেলোয়াড় হলেও, এখানে আমার অনেক ভাল স্মৃতি রয়েছে। এই জার্সি গায়ে জড়ানো সবসময়ের স্বপ্ন ছিল আমার।
আইপিএল ২০২০: কোন ক্যাটাগরিতে কে সেরা?
১১নভেম্বর,বুধবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ১৩তম আসরের পর্দা নেমেছে মঙ্গলবার। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে ফাইনালে দিল্লি ক্যাপিটালসকে ৫ উইকেটে হারিয়ে পঞ্চমবারের মত শিরোপা জিতেছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। প্রথমবারের মত শিরোপা জেতা হয়নি দিল্লির। রানার আপ হয়েই সন্তষ্ট থাকতে হয় শ্রেয়াস আইয়ারদের। জমজমাট এই আসরে চ্যাম্পিয়ন ও রানার আপ পুরস্কার ছাড়াও আকর্ষনীয় অনেক ব্যক্তিগত পুরস্কারও ছিল। এক নজর দেখে নেওয়া যাক কোন ক্যাটাগরিতে কে সেরা হয়েছেন- ম্যান অব দ্য ফাইনাল: ম্যাচে অসাধারণ বোলিং করে ম্যাচ সেরা হয়েছেন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের পেসার ট্রেন্ট বোল্ট। ৩০ ওভারে ৩ উইকেট লাভ করেন তিনি। তাছাড়া টুর্নামেন্টের পাওয়ার প্লেয়ারও নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। ম্যান অব দ্য সিরিজ: ৩০৫ পয়েন্ট নিয়ে আইপিএলের মোস্ট ভ্যালুয়েবল ক্রিকেটার বা ম্যান অব দ্যা সিরিজ হয়েছেন রাজস্থান রয়্যালসের তারকা বোলার জোফরা আর্চার। ১৪ ম্যাচ খেলে ৬.৫৫ ইকোনমিতে আর্চার শিকার করেছেন ২০টি উইকেট। এছাড়া মারকুটে ব্যাটিংয়ে করেছেন ১১৩ রান, হাকিয়েছেন ১০ টি ছক্কা। অরেঞ্জ ক্যাপ: এবারের আসরে দুর্দান্ত ফর্ম দেখিয়েছেন কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের অধিনায়ক লুকেশ রাহুল। ১৪ ম্যাচে তার সংগ্রহ ৬৭০ রান যা টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ। তাই অরেঞ্জ ক্যাপ উঠেছে তারই মাথায়। এছাড়া গেম চেঞ্জার অব দ্য সিজন এর পুরস্কারও জিতেছেন তিনি। পার্পল ক্যাপ: ৩০ উইকেট নিয়ে এবারের আইপিলের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হয়েছেন দিল্লির দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার কাগিসো রাবাদা। তাই তিনিই জিতেছেন এবারের পার্পল ক্যাপ। ইমার্জিং প্লেয়ার: নিজের প্রথম আইপিএলেই ৫ অর্ধশতকে ৪৭৩ রান করে ইমার্জিং প্লেয়ার নির্বাচিত হয়েছেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার বেঙ্গালুরুর ওপেনার দেবদূত পাডিক্কাল। সুপার স্ট্রাইকার অব দ্য সিজন: ১৯১.৪২ স্ট্রাইক রেটে রান করা মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের কাইরন পোলার্ড নির্বাচিত হয়েছেন সুপার স্ট্রাইকার অব দ্য সিজন। বেশি ছক্কার পুরস্কার: টুর্নামেন্টে ৩০টি ছক্কা মারা মুম্বাইয়ের ইশান কিশান পেয়েছেন সবচেয়ে বেশি ছক্কা হাকানোর পুরস্কার।
কাতার ম্যাচ নিয়ে এখন ভাবছি না: জেমি ডে
১০নভেম্বর,মঙ্গলবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কাতার বিশ্বকাপ ফুটবল বাছাই পর্বের স্থগিত হওয়া ম্যাচ আগামী ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা আছে। ফিরতি লেগ খেলার জন্য বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে কাতার। যদিও কোনো কিছু এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রধান কোচ জেমি ডে আপাতত কাতার ম্যাচ নিয়ে ভাবতে চাইছেন না। সোমবার (০৯ নভেম্বর) জাতীয় দলের অনুশীলন শেষে জেমি ডে একথা জানান। তিনি আরও জানান, যদি কাতার ম্যাচে হয়ও সেটার প্রস্তুতি হিসেবে নেপালের বিপক্ষে দুটি ম্যাচ কাজে লাগবে। জেমি ডে বলেন, আমরা কাতার ম্যাচ নিয়ে ভাবছি না। এটা এখনও নিশ্চিত হয়নি বা দুই পক্ষ সমঝোতায়ও পৌঁছায়নি। এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, কিন্তু আমাদের মূল মনোযোগ নেপালের বিপক্ষে আসন্ন ম্যাচগুলো নিয়ে। এ মুহূর্তে এগুলোই আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যদি কাতারের বিপক্ষে ম্যাচ হয়, তাহলে অবশ্যই নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ দুটি ওই ম্যাচগুলোর জন্য ভালো প্রস্তুতি হবে। কাতারে রওনা দেওয়ার আগে আমরা পুরো খেলার মধ্যে থাকব। তিনি আরও বলেন, আমরা এবার কাতারে খেলতে যাব, এটা কঠিন ম্যাচ হবে। যদি খেলতে হয়, তাহলে এখান থেকে যতটা পারি প্রস্তুতি নিয়ে যাব। প্রস্তুতির জন্য অনেক সময় পাচ্ছি এবং আশা করি, কাতার ম্যাচের আগে কিছু ম্যাচ খেলার সুযোগও পাব আমরা।
হায়দরাবাদকে বিদায় করে প্রথমবারের মতো ফাইনালে দিল্লি
০৯নভেম্বর,সোমবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আইপিএলের ১২টি আসর শেষে অবশেষে ১৩তম আসরে এসে প্রথমবারের মত ফাইনালে উঠে এলো দিল্লি ক্যাপিটালস। দুই আসর আগেও তারা অবশ্য পরিচিত ছিল দিল্লি ডেয়ারডেভিলস নামে। দিল্লি ক্যাপিটালস নাম দেয়ার পর এবার এসে ফাইনালের নাগাল পেলো দিল্লির দলটি। তরুণ অধিনায়ক স্রেয়াশ আয়ারের নেতৃত্বাধীন দলটি সত্যিই দুর্দান্ত খেলেছে এবারের আইপিএলে। সর্বশেষ আজ দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে ডেভিড ওয়ার্নারের দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ১৭ রানের ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের সঙ্গী হলো দিল্লি ক্যাপিটালস। দিল্লির করা ৩ উইকেটে ১৮৯ রানের জবাব দিতে নেমে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ থেমে যায় ৮ উইকেটে ১৭২ রানে। কাগিসো রাবাদা এবং মার্কাস স্টোইনিজের কাছেই মূলতঃ বিধ্বস্ত হতে হয়েছে হায়দরাবাদকে। ফাইনালে যাওয়ার জন্য হায়দরাবাদের সামনে ১৯০ রানের বিশাল লক্ষ্য বেধে দেয় দিল্লি ক্যাপিটালস। জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে যায় হায়দরাবাদ। অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার মাত্র ২ রান করে কাগিসো রাবাদার বলে বোল্ড হয়ে যান। প্রিয়ম র্গগ ১৭ রান করার পর বোল্ড হয়ে যান মার্কাস স্টোইনিজের বলে। মানিশ পান্ডে ১৪ বলে ২১ রান করে স্টোইনিজের বলে নর্তজের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। লড়াই করেন কেন উইলিয়ামসন। ৪৫ বলে ৬৭ রান করেন তিনি। ৫টি বাউন্ডারির সঙ্গে ছক্কার মার মারেন ৪টি। কিন্তু সেটা পরাজয় এড়ানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না। শেষ দিকে আবদুল সামাদ ১৬ বলে ৩৩ রান করে চেষ্টা করেন দলকে জয় এনে দিতে। সেটাও সম্ভব হয়নি দিল্লির বোলারদের দারুণ বোলিংয়ের সামনে। শেষ দিকে রাবাদা আর স্টোইনিজের তোপের মুখে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৭২ রানেই থেমে যায় হায়দরাবাদের ইনিংস। ৪ ওভারে ২৯ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন রাবাদা। স্টোইনিজ ২৬ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। ব্যাট হাতে ৩৮ রান প্লাস বল হাতে ৩ উইকেট। ম্যাচ সেরার পুরস্কার উঠলো স্টোইনিজের হাতেই। এর আগে আবু ধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে কোয়ালিফায়ার দুইয়ের ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৮৯ রান তোলে দিল্লি। ৫০ বলে ৭৮ রান করেন শিখর ধাওয়ান। ২২ বলে অপরাজিত ৪২ রান করেন শিমরন হেটমায়ার। স্টোইনিজ ২৭ বলে করেন ৩৮ রান। স্রেয়াশ আয়ার করেন ২১ রান।
মেসিদের দাপটে জয়ে ফিরল বার্সেলোনা
০৮নভেম্বর,রবিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: লা লিগায় জয়ে ফিরেছে বার্সেলোনা। আর এটি সম্ভব হয়েছে আক্রমণভাগে মেসিদের দাপটে কারণে। ঘরের মাঠে রিয়াল বেতিসকে ৫-৩ গোলে হারায় বার্সা। বদলি নেমে দলের হয়ে জোড়া গোল করেন লিওনেল মেসি। একটি করে গোল করেন উসমান দেম্বেলে, আঁতোয় গ্রিজম্যান ও পেদ্রি। শনিবার ক্যাম্প ন্যুয়ে দাপুটে ফুটবল খেলেই এমন জয় তুলে নেয় রোনাল্ড কোম্যানের শিষ্যরা। এনিয়ে লিগে চার ম্যাচ পর জয়ের দেখা পেল কাতালানরা। সেভিয়া ও আলাভেসের সঙ্গে ১-১ ড্রয়ের মাঝে গেতাফের বিপক্ষে ১-০ ও রিয়াল মাদ্রিদের কাছে এল ক্লাসিকোতে ৩-১ গোলে হেরেছিল দলটি। খেলার ২২তম মিনিটে দেম্বেলের অসাধারণ গোলে এগিয়ে যায় বার্সা। ডি-বক্সে ছোট এক ঝটকায় সামনের ডিফেন্ডারকে ফাঁকি দিয়ে বাঁ পায়ের জোরালো শটে ঠিকানা খুঁজে নেন ফরাসি উইঙ্গার। তবে প্রথমার্ধের তিন মিনিট যোগ করা সময়ের শেষ মিনিটে কিছুটা সৌভাগ্যসূচক গোলে সমতায় ফেরে বেতিস। ক্রিস্তিয়ান তেইয়োর ক্রস সের্হি রবের্তোর পায়ে লেগে দিক পাল্টে চলে যায় সানব্রিয়ার পায়ে। ১০ গজ দূর থেকে জালে বল পাঠাতে ভুল হয়নি বার্সেলোনার যুব দলে বেড়ে ওঠা প্যারাগুয়ের এই স্ট্রাইকারের। বিরতির পর ৪৯তম মিনিটে জালের দেখা পান গ্রিজম্যান। বাঁ দিক থেকে জর্দি আলবার পাস ধরতে গিয়ে ডামি করে ছেড়ে দেন মেসি, এগিয়ে গিয়ে মাঝপথে হাল ছেড়ে দেন প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক ব্রাভো। ফাঁকায় বল পেয়ে বিনা বাধায় দলকে আবারও এগিয়ে নেন বিশ্বকাপজয়ী ফরোয়ার্ড। এরপরেই দেম্বেলের শট গোললাইন থেকে হাত দিয়ে ফেরানোয় দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন বেতিস ডিফেন্ডার আইসা মান্দি। আর নিখুঁত স্পট কিকে ব্যবধান বাড়ান মেসি। ৭৩তম মিনিটে অবশ্য ব্যবধান কমায় বেতিস। বাঁ দিক থেকে আলেক্স মোরেনোর পাস ছোট ডি-বক্সের মুখে পেয়ে জালে বল ঠেলে দেন লরেন মোরোন। এখানেও ক্লেমোঁ লংলে ও জেরার্দ পিকের দুর্বল ডিফেন্ডিংয়ের দায় ছিল। অবশেষে ৮২তম মিনিটে চলতি মৌসুমে পেনাল্টি ছাড়া নিজের প্রথম গোল করলেন মেসি। তার প্রথম ওপেন প্লে গোলের দেখা মেলে। রবের্তোর ব্যাকহিলে বল ধরে ছোট ডি-বক্সে মুখ থেকে কোনাকুনি শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন আর্জেন্টাইন তারকা। ম্যাচের নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে ডান দিক থেকে রবের্তোর ক্রস ফাঁকায় পেয়ে প্লেসিং শটে অনায়াসে স্কোরলাইনে লিগে প্রথম নিজের নাম লেখান পেদ্রি। লিগে সাত ম্যাচে তিন জয় ও দুই ড্রয়ে ১১ পয়েন্ট নিয়ে অষ্টম স্থানে উঠেছে বার্সেলোনা। ১ পয়েন্ট বেশি নিয়ে সাত নম্বরে বেতিস। আট ম্যাচে ১৭ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রিয়াল সোসিয়েদাদ। ১ পয়েন্ট কম নিয়ে দুইয়ে এক ম্যাচ কম খেলা রিয়াল।
কোহলিকে বাদ দিয়ে নতুন অধিনায়ক খোঁজা উচিত : গম্ভীর
০৭নভেম্বর,শনিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আরও একবার শূন্য হাতেই আইপিএল থেকে ফিরতে হলো বিরাট কোহলি ও রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুকে। আইপিএলের এবারের আসর শুরুর আগে টানা ১৩টি মৌসুম একই দলে খেলার অনন্য কীর্তি গড়েছিলেন কোহলি। আর আসর শেষে গড়লেন ১৩ মৌসুমেও কোনো শিরোপা জিততে না পারার বিব্রতকর এক দৃষ্টান্ত। ২০০৮ সাল থেকে কোহলি খেলছেন ব্যাঙ্গালুরুর হয়ে। পাঁচ মৌসুম সাধারণ খেলোয়াড় হিসেবে কাটানোর পর ২০১৩ সালের আসর থেকে অধিনায়কত্বের গুরুদায়িত্ব পেয়েছেন কোহলি। তার অধীনে এ নিয়ে ৮ মৌসুম খেলে ফেললেও, শিরোপা জয়ের স্বাদ পাওয়া হয়নি ব্যাঙ্গালুরুর। আইপিএলে অধিনায়ক কোহলির সাফল্য বলতে কেবল গত ৮ মৌসুমে মাত্র ৩ বার প্লে-অফে উঠতে পারা। ২০১৭ ও ২০১৯ সালের আসরে ব্যাঙ্গালুরুর অবস্থান ছিল সবার নিচে, ২০১৮ সালে তারা হয়েছিল ষষ্ঠ। এবার প্লে-অফে উঠলেও টানা পাঁচটি ম্যাচ হেরে কোহলির ব্যাঙ্গালুরু বিদায় নিয়েছে চতুর্থ হয়ে। সবমিলিয়ে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স যেমনই হোক না কেন, অধিনায়ক হিসেবে ব্যাঙ্গালুরুকে সাফল্য এনে দিতে পুরোপুরি ব্যর্থ ভারতের জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। তাই পরের আসরে ব্যাঙ্গালুরু ফ্র্যাঞ্চাইজিকে অধিনায়কত্ব নিয়ে নতুন করে ভাবার পরামর্শ দিয়েছেন ভারতের সাবেক ওপেনার ও দুইবার আইপিএল জেতা অধিনায়ক গৌতম গম্ভীর। নিজের মন্তব্যের পক্ষে জোরালো যুক্তিও রেখেছেন কলকাতাকে দুইটি শিরোপা জেতানো গম্ভীর। জানিয়েছেন, তিনি যদি ব্যাঙ্গালুরুর ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক হতেন, তাহলে অবশ্যই অধিনায়কত্বে পরিবর্তন আনতেন। কেননা কাউকে কোনোরকমের সাফল্য ছাড়া ৮টি বছর ছাড় দেয়া যায় না। এ বিষয়ে গম্ভীরের ভাষ্য, এখানে প্রশ্নটা জবাবদিহিতার। অধিনায়কত্বের ৮ বছর হয়ে গেল কিন্তু কোনো শিরোপা নেই। আট বছর অনেক লম্বা সময়। আমাকে অন্য কোনো অধিনায়ক দেখান, আচ্ছা অধিনায়ক ভুলে যান, অন্য কোনো খেলোয়াড় দেখান যাকে বিনা শিরোপায় ৮ বছর সুযোগ দেয়া হতো বা হবে। তাই এখানে জবাবদিহিতা থাকতে হবে। একজন অধিনায়ককে দায়িত্ব নিতে হবে। তিনি আরও যোগ করেন, বিষয়টা শুধু এক বছরের না, শুধু চলতি আসরের নয়। বিরাট কোহলির বিরুদ্ধে আমার কোনো প্রশ্ন নেই। কিন্তু দলের এমন অবস্থার মাঝে তার উচিৎ হাত উচিয়ে বলা যে, আমিই এর জন্য দায়ী। আমি এই ব্যর্থতার সব দায়িত্ব গ্রহণ করছি। আট বছর কিন্তু অনেক লম্বা সময়। এসময় ভারতের অফস্পিনিং অলরাউন্ডার রবিচন্দ্রন অশ্বিনের উদাহরণ আনেন গম্ভীর। শিরোপা জিততে না পারায় দুই আসর পরই অশ্বিনকে বাদ দিয়েছে কিংস এলেভেন পাঞ্জাব। যা কোহলির ক্ষেত্রে হচ্ছে না। গম্ভীর বলেন, অশ্বিনের সঙ্গে কী হয়েছে দেখুন! পাঞ্জাবের হয়ে দুই বছর সে সাফল্য পায়নি এবং বাদ দিয়ে দেয়া হয়েছে। আমরা এমএস ধোনি, রোহিত শর্মার ব্যাপারে কথা বলি। কিন্তু ধোনি তিনবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, রোহিত শিরোপা জিতেছে চারবার। তারা সাফল্য পেয়েছে বলেই লম্বা সময় ধরে অধিনায়কত্ব করে যাচ্ছে। আমি নিশ্চিত, রোহিত যদি ৮ বছর ধরে শিরোপাশূন্য থাকত, তাকেও সরিয়ে দেয়া হতো। সবার জন্য একই নিয়ম থাকা উচিৎ।
খুলনায় মিডিয়া কাপ ক্রিকেটের উদ্বোধন
০৬নভেম্বর,শুক্রবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: খুলনায় সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে ওয়ালটন-খুলনা প্রেসক্লাব মিডিয়া কাপ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের পর্দা উঠেছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল ৯টায় খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে প্রধান অতিথি থেকে বেলুন উড়িয়ে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপত্বি করেন খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম নজরুল ইসলাম। পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মামুন রেজা। এ সময় খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মুন্সী মাহবুব আলম সোহাগ, খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মকবুল হোসেন মিন্টু, শেখ আবু হাসান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম জাহিদ হোসেন, দৈনিক সময়ের খবরের সম্পাদক তরিকুল ইসলাম, দৈনিক দক্ষিণাঞ্চলের সম্পাদক এস এম সাহিদ হোসেন, প্রেসক্লাবের সহকারী সম্পাদক (ক্রীড়া) আহমেদ মুসা রঞ্জু, ম্যানগ্রোভ ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ মো. মুমিন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক মোতালেব হোসেন মিয়া,বিশ্বাস প্রোপার্টিজের সিইও মো. আজগর বিশ্বাস তারা, ওয়ালটনের এরিয়া ম্যানেজার শাহানুর আলম, বিআরবি কেবলসের খুলনা অফিস ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। খুলনার সাংবাদিকদের নিয়ে মোট ৪টি দল প্রতিযোগিতার অংশ নিচ্ছে। উদ্বোধনী ম্যাচে রূপসা টাইগার্স মুখোমুখি হয়েছে শিবসা ওয়ারিয়র্সের। একই দিন বিকেলে ভৈরব রাইডার্সের প্রতিপক্ষ মধুমতি চ্যালেঞ্জার্স। সিঙ্গেল লীগ পদ্ধতিতে খেলা শেষে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ দু’টি দল ফাইনালে উঠবে। আগামী ১০ নভেম্বর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে। খুলনা প্রেসক্লাবের আয়োজনে অনুষ্ঠেয় টুর্নামেন্টে ওয়ালটন ছাড়াও সহযোগিতা করছে বিআরবি কেবলস, বিশ্বাস প্রোপারটিজ, ম্যানগ্রোভ ইনস্টিটিউট, খুলনা এয়ার টুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস, মৌরি এন্টারপ্রাইজ ও এক্সট্রিম গ্রুপ।