মুক্ত আশরাফুল
অনলাইন ডেস্ক: এখন তিনি ইংল্যান্ডে অনুশীলন করছেন। ইংল্যান্ডে কেনো এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে আশরাফুল বললেন, এখানে ২০১৯ বিশ্বকাপ। তাই ইংলিশ কন্ডিশনে নিজেকে তৈরি করে নিচ্ছেন! না, আশরাফুল এখনই জাতীয় দলে সুযোগ পেয়ে যাননি। তবে জাতীয় দলের জন্য বিবেচিত হতে আর তার কোনো বাধা নেই। অবশেষে আজ থেকে সব ধরনের ক্রিকেট খেলার জন্য মুক্ত হয়ে গেলেন মোহাম্মদ আশরাফুল। গত দুই বছর ধরে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলতে পারলেও তার ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলার ওপর এবং বিসিবির কোনো দলে বিবেচিত হওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবত ছিল। আজ থেকে সেই নিষেধাজ্ঞা উঠে গেছে। এই দিনটায় পৌঁছাতে পেরে দারুণ খুশী বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক আশরাফুল। তিনি বলছেন, এখন বিপিএলসহ বিভিন্ন টুর্নামেন্টে পারফরম করে আবার জাতীয় দলে ফিরতে চান তিনি। ২০১৩ সালের জুন মাসে এর আগের বিপিএল আসরে ম্যাচ ও স্পট ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকায় প্রথম নিষিদ্ধ করা হয় আশরাফুলকে। পাশাপাশি আইসিসির দুর্নীতি ও অপরাধ দমন ইউনিট (আকসু) ও বিসিবি এই অভিযোগ নিয়ে তদন্ত করে। ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে আকসুর পাওয়া তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে শুনানি শুরু করে বিসিবির বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। ওই বছর জুন মাসে আশরাফুলকে ৮ বছরের জন্য সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করা হয়। এরপরের মাসে আশরাফুল তার নিষেধাজ্ঞার বিপক্ষে আপিল আবেদন করেন। সেই আপিলের শুনানি শেষে আশরাফুলের নিষেধাজ্ঞা কমিয়ে ৫ বছর করা হয়। এর মধ্যে প্রথম তিন বছর তিনি সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ ছিলেন এবং পরের দুই বছর নিষিদ্ধ ছিলেন ফ্রাঞ্চাজি ক্রিকেট ও বিসিবির সব দল থেকে। অবশেষে গতকাল সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর আশরাফুল বলছিলেন, এই সময়টার জন্য গত পাঁচ বছর ধরে অপেক্ষা করেছি। এই দিনটা মাথায় রেখেই আমি পরিশ্রম করেছি। এখন আমার কোথাও খেলতে বাধা নেই। বিশেষ করে বিপিএলে খেলাটা আমার জন্য বড় একটা উপকারের ব্যাপার হবে। পাঁচ বছর আগে একটা অন্যায় করেছিলাম, অবশেষে সেই অন্যায়ের শাস্তি পুরো শেষ হলো। গত দুই বছরে আশরাফুল নিয়মিত ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ ও জাতীয় ক্রিকেট লিগ খেলেছেন। বিশেষ করে গত বছর ঢাকা লিগে ৫টি সেঞ্চুরি করে আবার নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন। আশরাফুল বলছিলেন, এই সময়ে তাকে যে সব মানুষ সমর্থন দিয়ে গেছেন, এ জন্য তিনি কৃতজ্ঞ,এই কাজ অন্য কেউ করলে সমাজ হয়তো তাকে পুরোপুরি ছুঁড়ে ফেলে দিত। আমি আগ বাড়িয়ে সব অন্যায় স্বীকার করার জন্য হোক, বা অন্য কোনো কারণে হোক, এই সময়টায় মানুষ আমাকে দারুণ সমর্থন দিয়েছে। আর পরিবারের কথা তো বলার দরকারই নেই। তারা সবসময় আমার পাশে ছিল। বন্ধুরা ছিল। এমনকি সাধারণ মানুষ আর মিডিয়ারও দারুণ সমর্থন পেয়েছি। লোকে বার বার জিজ্ঞেস করেছে, আশরাফুল কবে ফিরবে, আশরাফুলকে দেখতে চাই। এসব কথাবার্তা আমাকে টিকিয়ে রেখেছে। এই নিষেধাজ্ঞার সময়েও যে ট্রেনিং করতে পেরেছেন, তাকে উত্সাহ দেওয়া হয়েছে, এ জন্য আশরাফুল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কাছে বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন,ক্রিকেট বোর্ডকে আমি ধন্যবাদ দিতে চাই। তারা আমাকে দারুণ সমর্থন দিয়েছেন। যখন কোথাও খেলার অনুমতি ছিল না, তখন বিশেষ ব্যবস্থায় আমার ট্রেনিং চালু রাখার জন্য তারা অনুমতি দিয়েছেন। বোর্ডে আমি যখনই গেছি বা কোথাও যখনই বোর্ড সভাপতির সাথে দেখা হয়েছে, উনি উত্সাহ দিয়েছেন। বোর্ডের সিইও সুজন ভাই (নিজামউদ্দিন চৌধুরী) খুব সাহায্য করেছেন। সবাইকে এই সুযোগে ধন্যবাদ জানাই। আশরাফুল এখনই নিজেকে জাতীয় দলে কল্পনা করছেন না। তবে ভালো পারফরম্যান্স করে সেখানে আবার নিজের জায়গাটা করে নেওয়ার স্বপ্ন দেখছেন,আমার জন্য সুখবর হলো, এখন আমাকে বিবেচনা করা হবে। আমার এখন লক্ষ্য হলো জাতীয় ক্রিকেট লিগের আগে নিজেকে পুরোপুরি তৈরি করে ফেলা। এরপর বিপিএল-এ নিজের সেরা পারফরম্যান্সটা করা। এগুলো সব নিয়মিত করতে পারলে তখন জাতীয় দলের কথা ভাবা যাবে। শীর্ষনিউজ
জম্মু-কাশ্মিরে প্রথম বাংলাদেশি গানের শুটিং
অনলাইন ডেস্ক: ভারতের জম্মু-কাশ্মির রাজ্যের লাদাখ অঞ্চলকে বলা হয় পৃথিবীর স্বর্গ। এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নজরকাড়া। বহু হিন্দি ও ভারতীয় বাংলা ছবির গানের শুটিং হয়েছে লাদাখের লোকেশনগুলোতে। সমুদ্রপৃষ্ট থেকে অনেক ওপরে এই লোকেশনগুলোর অবস্থান। সম্প্রতি সেখান থেকে ভয়ংকর সুন্দর অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরেছেন হালের সবচেয়ে জনপ্রিয় গায়ক ও সুরকার ইমরান মাহমুদুল এবং মডেল তানজিন তিশা। ইমরান ও তিশা সেখানে গিয়েছিলেন আমার এ মন নামের একটি মিউজিক ভিডিওর শুটিং করতে। ১ থেকে ৩ আগস্ট তিনদিন শুটিং হয় সেখানে। এই প্রথম বাংলাদেশি কোনও মিউজিক ভিডিওর শুটিং হল জম্মু-কাশ্মিরের লাদাখ অঞ্চলে। গানটির কথা লিখেছেন রবিউল ইসলাম জীবন। সুর ও সঙ্গীত করেছেন ইমরান নিজেই। গানচিলের ব্যানারে এটির ভিডিও নির্মাণ করেছেন তানিম রহমান অংশু। কিন্তু কী ভয়ংকর অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরলেন ইমরান ও মডেল তিশা। এ সম্পর্কে ইমরান জানালেন,লাদাখের লোকেশন দেখার মতো। চোখে লেগে আছে এখনও। চারদিকে পাহাড়। তবে কোনো সবুজ নেই। অক্সিজেনের প্রচুর সংকট ছিল। শুটিংয়ের সময় আমরা বাড়তি অক্সিজেন সিলিন্ডার সঙ্গে রেখেছি। এরপরেও অক্সিজেনের অভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ি। পরে তিন ঘণ্টা অক্সিজেন মাস্ক পরে স্বাভাবিক হই। তিশার অবস্থাও একই। সব মিলিয়ে ভয়ঙ্কর সুন্দর একটা অভিজ্ঞতা নিয়ে কাজ শেষ করেছি। তানজিন তিশা বলেন,কি বলবো! মনে হচ্ছিল শুটিংয়ের পুরোটা সময় একটা স্বপ্নের মধ্যে ছিলাম। অসাধারণ একটি কাজ হয়েছে। অক্সিজেনের অভাব, ননস্টপ জার্নি- সব ছাপিয়ে লোকেশনগুলোর সৌন্দর্যে ডুবে আছি এখনও। ইমরান আর আমার আগের দুটি ভিডিওর চেয়েও এটি বেশি প্রশংসিত হবে বলে আশা করি। এদিকে, শুটিং শেষে দেশে ফেরার পর নতুন মিউজিক ভিডিও নিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন জনপ্রিয় গায়ক ও সুরকার ইমরান। তিনি লেখেন,ভারতের জম্মু-কাশ্মীরের লাদাখের মনোরম দৃশ্যগুলো এতদিন বলিউড এবং টলিউডের বিভিন্ন চলচ্চিত্রে দেখেছি! এবার নিজেই সেখানে গিয়ে আমার এ মন গানটির ভিডিওর শুটিং করলাম। জীবনে অনেক মিউজিক ভিডিও করেছি, তবে এটির অভিজ্ঞতা সবচেয়ে রোমাঞ্চকর! ইমরান আরও লেখেন,এই প্রথম বাংলাদেশের কোনও গানের ভিডিও হলো জম্মু-কাশ্মিরের লাদাখে। ১, ২ ও ৩ আগস্ট তিন দিন ধরে শুটিং হয়েছে। অনেক পরিশ্রম করে ভিডিওটি নির্মাণ করেছেন তানিম রহমান অংশু ভাই। ঈদে গানচিল মিউজিকের ব্যানারে প্রকাশ পাবে ভিডিওটি। আমার বিশ্বাস সবাই কাজটি হৃদয় থেকে উপভোগ করবেন। সবার জন্য অনেক অনেক ভালোবাসা আমার এ মন থেকে। প্রসঙ্গত, মডেল তানজিন তিশা বিপরীতে গায়ক ইমরানের এটি তৃতীয় কাজ। এর আগে ইমরানের চলতে চলতে বলতে বলতেএবং শেষ সূচনা গান দুটির মিউজিক ভিডিওতে মডেল হয়েছিলেন তিশা। দুটি গানই সুপারহিট হয়েছিল। বিশেষ করে,চলতে চলতে বলতে বলতে গানটি এখনও গানপ্রেমীদের কণ্ঠে গুনগুন করে গাইতে শোনা যায়।
সম্পর্ক ভেঙ্গে যাওয়ার পর নিজেকে কিভাবে সামলাবেন
অনলাইন ডেস্ক: কেউ চান না তাদের মধুর সম্পর্কটি ভেঙ্গে যাক। কিন্তু না চাইলেও অনেক সময় ভেঙ্গে যায় সম্পর্ক। সম্পর্ক ভেঙ্গে যাওয়ার সঙ্গে দুটি মানুষ ভেঙ্গে পড়েন। একা হয়ে যান। স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে সময় লাগে। সম্পর্ক ভেঙ্গে যাওয়ার পর নিজেকে সামলে নিতে বিশেষজ্ঞরা অনেকে দিয়েছেন নানা মতামত। আসুন সেগুলো দেখে নিইঃ সময় নিন ও শোক মেনে নিন সম্পর্ক ভেঙ্গে যাওয়ার পর অনেকে দিশেহারা হয়ে পড়েন। দীর্ঘ সময় কারো সঙ্গে সম্পর্ক থাকার পর হঠাৎ করে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়াটা মেনে নিতে পারেন না অনেকে। কিন্তু স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে হলে সকল কষ্ট মেনে নিতে হবে। যা কষ্ট হোক মেনে নিন।
৪ দিনের রিমান্ডে অভিনেত্রী নওশাবা
অনলাইন ডেস্ক: নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে গ্রেফতার অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদকে চার দিনের রিমান্ডে দিয়েছেন আদালত। ঢাকার উত্তরা পশ্চিম থানায় তথ্যপ্রযুক্তি আইনে দায়ের করা মামলায় রোববার (৫ আগস্ট) বিকালে ঢাকা মহানগর হাকিম মাজাহারুল হক এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তদন্ত কর্মকর্তা সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করেন। অন্যদিকে রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন তার আইনজীবী। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মাজাহারুল হক চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করে র‌্যাব। মামলা নং-৮। শনিবার (৪ আগস্ট) রাজধানীর উত্তরার বাসা থেকে তাকে আটক করে র‌্যাব সদস্যরা। উল্লেখ্য, শনিবার বিকেলে ধানমন্ডিতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দুর্বৃত্তের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় ফেসবুক লাইভে হাজির হয়েছিলেন ঢাকা অ্যাটাক চলচ্চিত্রের অভিনেত্রী কাজী নওশাবা। সে সময় ফেসবুক লাইভে ওই ঘটনায় চারজন নিহত ও চারজন ধর্ষণের ঘটনার কথা তুলে ধরে সেখানে যারা আটকে আছেন তাদের বাঁচানোর অনুরোধ করেন তিনি। তবে ওই ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়নি। পরে জানা যায় মৃত্যুর খবরটি গুজব। নওশাবার লাইভ দেখে অনেকেই মনে করেন এ অভিনেত্রী ঘটনা স্থলের আশপাশে থেকেই লাইভে এসেছেন। তার লাইভে আসার ভিডিওটি অল্প সময়ের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়।
ভালোবাসি একটু বেশি
সহপাঠী নিপার সঙ্গে সুনীলের তিন বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক। কিন্তু সুনীল নিপাকে অনেক সন্দেহ করেন। যা নিপার একেবারেই পছন্দ না। নিপা সুনীলকে বোঝাতে চান ভালোবাসায় বিশ্বাস থাকাটা অনেক জরুরী। কিন্তু সুনীল নাছোড়বান্দা। তিনি কিছুতেই বুঝতে চান না। এ নিয়ে তাদের মধ্যে নিয়মিত ঝগড়া লেগেই থাকে। হঠাৎ তাদের মধ্যে চলে আসেন তৃতীয় ব্যক্তি আদনান। নিপা প্রেমিকের যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে আদনানকে সুনীলের কথা সব খুলে বলেন। আদনান নিপাকে বোঝায় সুনীলের সন্দেহ তার ভালোবাসার পাগলামির বহিঃপ্রকাশ। কিন্তু তাতে কাজ হয় না। নিপা ও সুনীলের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। এমনই গল্পে নির্মিত হয়েছে নাটক ভালোবাসি একটু বেশি। কুদরত উল্লাহর রচনায় নাটকটি পরিচালনা করেছেন রাহাত কবির। এতে সুনীল চরিত্রে অভিনেতা আব্দুন নূর সজল, নিপা চরিত্রে শারমিন আঁখি এবং আদনান চরিত্রে অভিনয় করেছেন আতিক হাসান। রোববার (৫ আগস্ট) রাত ৯টা জিটিভিতে নাটকটি প্রচার হবে। আলোকিত বাংলাদেশ
ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোতে সুহানাকে নিয়ে খবর প্রকাশ
অনলাইন ডেস্ক :বলিউডে তারকা সন্তানদের দিয়ে মাতামাতি কম হয় না। শাহরুখ খানের মেয়ে সুহানাও এর ব্যতিক্রম নন। তাকে ঘিরেও সিনেজগতে চর্চার যেন কোনই কমতি নেই। স্থিরচিত্র দিয়েই ভক্তদের মন অনেক আগেই জয় করেছেন সুহানা। এবার লাইফস্টাইল ও ফ্যাশনবিষয়ক ম্যাগাজিন ‘ভোগ’ এর আগস্ট সংখ্যার প্রচ্ছদে জায়গা করে নিলেন তিনি। ‘ভোগ’র প্রচ্ছদে মেয়ের ফটোশুট দেখে বেশ উচ্ছ্বসিত বলিউড রাজা শাহরুখ খান। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ‘ভোগ’ ম্যাগাজিন হাতে নিয়ে ছবি শেয়ার করে শাহরুখ লিখেছেন, ‘আমার বাহুতে আবারও সুহানাকে নিলাম। ধন্যবাদ ‘ভোগ’ ম্যাগাজিন। সুহানাকে আদর ও ভালোবাসা।’ ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো এরই মধ্যে প্রচ্ছদকন্যা সুহানাকে নিয়ে খবর প্রকাশ করেছে। ‘ভোগে’র জন্য তোলা অন্য ছবিগুলোও প্রকাশ করেছে তারা। সাধারণত লাইফস্টাইল ও ফ্যাশনবিষয়ক ম্যাগাজিন ‘ভোগ’- এর প্রচ্ছদে দেখা যায়, হলিউড ও বলিউডের সুপারস্টারদের। ‘ভোগ’ মূলত মার্কিন ম্যাগাজিন। তবে বিশ্বের ২৩টি দেশের আলাদা সংস্করণ প্রকাশিত হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যায়, সুহানা খানের ছবিতে হাজার হাজার লাইক। অনেক ছবি ভাইরাল হয়েছে। এবার দেখার পালা- ১৯ বছর বয়সী শাহরুখকন্যাকে মডেলিং দুনিয়া কীভাবে গ্রহণ করে?
আমি প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করে যাচ্ছি
অনলাইন ডেস্ক: অনেক দিন ধরেই বড় পর্দায় অনুপস্থিত তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া অভিনেত্রী পপি। ২০১১ সালের পর প্রেক্ষাগৃহে আর তাকে দেখা যায়নি। এদিকে বাবা মিয়া আমির হোসেন অসুস্থ থাকায় কাজের জন্য সময়ই বের করতে পারছিলেন না জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী পপি। তবে তার বাবা ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। ফলে আগামী মাস থেকেই কাজে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন নায়িকা। এদিকে ২১ কেজি ওজন কমানো নিয়ে বেশ বিতর্কে পড়েছেন পপি। এটাকে চলচ্চিত্রের প্রস্তুতিরই অংশ দাবী করে তিনি বলেন, আমরা যারা সেলিব্রেটি আছি তাদের সবাই ফলো করে। আর বিশেষ করে আমি এখন যে ছবিগুলো করছি সেগুলো একটু অ্যাকশনধর্মী। সেকারণে লুকটা গুরুত্বপূর্ণ। ফলে ওজনটা কমানোর দরকার ছিল। তাকে ঠিকঠাকভাবে পরিচালকরা উপস্থাপন করতে ব্যর্থ, এমন কথা বলে পপি জানান, শুধু আমি না, আমাদের কাউকেই পরিচালকরা ব্যবহার করতে পারছেন না। দেশে প্রচুর আর্টিস্ট আছেন, প্রচুর আর্টিস্ট আসছেও। আমাদের দরকার ভালো পরিচালক, ভালো গল্প, ভালো প্রোডাকশন হাউজ। কিন্তু তা নাই।…হলিউড থেকে আর্টিস্ট এনেও সঠিকভাবে কাজে লাগাতে না পারলে সে জিরো। হারানো সেই পপিকে দর্শক আবার ফিরে পাবেন কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে পপি বলেন, ভালো কাজের জন্য আমি প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করে যাচ্ছি। নিজেকে সেভাবে তৈরিও করছি। আমি আর্টিস্ট; আমি আর কতটুকু ফাইট করতে পারব? আমাকে যদি সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা না হয় তাহলে আমার করণীয় কী আছে? পপি জানালেন হাতে অসম্পূর্ণ তিনটি ছবি রয়েছে। এগুলার কাজ এখন শেষ করতে চাইছেন। দি ঢাকা পোস্ট
সবচেয়ে বড় পুরস্কার পেলেন রুনা লায়লা
অনলাইন ডেস্ক: গান গেয়ে অগণিত মানুষের মন জয়ের পাশাপাশি অনেক পুরস্কার, পদক পেয়েছেন বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লা। তবে সবচেয়ে বড় পুরস্কার পেয়েছেন সোমবার বিকেলে। এটি ফিরোজা বেগম স্মৃতি স্বর্ণপদক। তাঁর ভাষায়, অনেক পুরস্কার পেলেও এটাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পুরস্কার। কারণ, পুরস্কারের সঙ্গে জড়িয়ে আছেন ফিরোজা বেগমের নাম। তিনি এত বড় শিল্পী যে তাঁর তুলনা কেবল তিনি নিজেই। সোমবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবন মিলনায়তনে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। এবার পুরস্কার পেয়েছেন রুনা লায়লা। উপমহাদেশের প্রখ্যাত শিল্পী ফিরোজা বেগমের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ২০১৬ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রবর্তিত পুরস্কারটি তৃতীয়বারের মতো প্রদান করা হলো। একই অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের সর্বোচ্চ সিজিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থী ঊর্মি ঘোষকে স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়। ফিরোজা বেগম স্মৃতি স্বর্ণপদক প্রাপ্তির অনুভূতি ব্যক্ত করে রুনা লায়লা বলেন, আজকের দিনটি আমার কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। ফিরোজা বেগমের নামাঙ্কিত এ পদকপ্রাপ্তি আমার জন্য আশীর্বাদ। সব সময়ই যেকোনো পুরস্কার আনন্দের পাশাপাশি অনুপ্রেরণা জোগায়। তবে আমার কাছে এ পুরস্কারটি অন্য রকম। কীর্তিমান শিল্পীদের সম্মান জানানো ও দেশজ শুদ্ধ সংগীতচর্চার প্রতি নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে গঠিত এসিআই ফাউন্ডেশনের পৃষ্ঠপোষকতায় ফিরোজা বেগম মেমোরিয়াল ফান্ড তৃতীয়বারের মতো এই পুরস্কার প্রদান করল। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন রুনা লায়লা। তাঁকে দুই ভরি ওজনের ফিরোজা বেগম স্মৃতি স্বর্ণপদক পরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি প্রদান করা হয় পুরস্কারের সম্মানী এক লাখ টাকা। একই আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের বিএ সম্মান পরীক্ষায় সর্বোচ্চ সিজিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থী ঊর্মি ঘোষকে স্বর্ণপদক দেওয়া হয়। ফিরোজা বেগম মেমোরিয়াল ট্রাস্ট ফান্ডের চেয়ারম্যান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক আবু মো. দেলোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফিরোজা বেগমের ভাই এসিআই ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আনিস উদ দৌলা। সংক্ষিপ্ত কথনে অংশ নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের সাবেক চেয়ারপারসন মহসিনা আক্তার খানম (লীনা তাপসী খান)। উপাচার্য আখতারুজ্জামান বলেন,নজরুলসংগীতকে গণমানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে অনন্য ভূমিকা রেখেছেন ফিরোজা বেগম। একসময় কাজী নজরুল ইসলাম ও ফিরোজা বেগমের নামটি যেন মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ হয়ে যায়। ফিরোজা বেগমের নামাঙ্কিত সেই পুরস্কার রুনা লায়লাকে প্রদানের মাধ্যমে আমরা নিজেরাও সম্মানিত হলাম। বাংলা গানকে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও পরিচিত করেছেন এই শিল্পী। বিদেশিদের কাছে আমাদের উদার ও বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব করেছেন রুনা লায়লা। অন্যদিকে শিক্ষার্থীও স্বর্ণপদক প্রাপ্তির মাধ্যমে তাঁর একাগ্রতার স্বীকৃতি পেল। তাঁর মেধার মূল্যায়ন হলো। রুনা লায়লার প্রশংসা করে লীনা তাপসী খান বলেন, তাঁর সংগীত পরিবেশনার সঙ্গে জড়িয়ে আছেন পারফরম্যান্সের বিষয়টি। গান গাওয়ার মাধ্যমে তিনি যখন পারফরম্যান্স করেন, তখন তাঁর প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ যেন কথা বলে ওঠে। সুরের আবহে শুরু হয়েছিল অনুষ্ঠান। অনেকগুলো কণ্ঠ এক সুরে গেয়ে শোনায় আমরা নতুন যৌবনের দূত শুকনো পাতার নূপুর বাজে। অঞ্জলি লহ মোর গানের সঙ্গে ছিল সমবেত নৃত্যও। ঊর্মি ঘোষের একক সংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে শেষ হয় অনুষ্ঠান। গেয়ে শোনান মেরে পিয়া রাহিয়ো না যায়ে। অনুষ্ঠান শেষে সমাগতদের ধন্যবাদ জানান সংগীত বিভাগের চেয়ারপারসন টুম্পা সমাদ্দার। ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. এনামউজ্জামান অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন। দর্শক সারিতে বসে অনুষ্ঠানে আলো ছড়িয়েছেন নাট্যব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার, সংগীত ব্যক্তিত্ব মুস্তফা জামান আব্বাসী, রেজওয়ান চৌধুরী বন্যা, নৃত্য ব্যক্তিত্ব লায়লা হাসান, ফিরোজা বেগমের ছেলে ব্যান্ড তারকা হামিন আহমেদ, ভাগ্নি সুস্মিতা আনিস প্রমুখ। শিল্পী ফিরোজা বেগম ১৯২৬ সালের ২৮ জুলাই ফরিদপুরে জন্মগ্রহণ করেন এবং ২০১৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর মারা যান। ওয়ান নিউজ
বিয়ে নিয়ে মাতামাতি, প্রিয়াঙ্কার ওপর চটলেন প্রযোজক
অনলাইন ডেস্ক: প্রিয়াঙ্কা চোপড়া এবং নিক জোনাসের বিয়ের খবরে মশগুল হলি থেকে বলি। টিনসেলে পিগি চপসের কামব্যাক নিয়ে ভক্তরা বেশ এক্সাইটেড ছিলেন, সেসবের মাঝেই হঠাৎ প্রকাশ্যে এলো চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য। অক্টোবর মাসেই বিয়ে করছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। এই নিউজে তোলপাড় সিনেমহল। পিগি-নিকের এনগেজমেন্টের খবর তো আগেই ভাইরাল হয়েছিল। তারই মধ্যে প্রিয়াঙ্কার বিয়ের সিদ্ধান্তে উত্তেজনা একেবারে তুঙ্গে। এই সুখবরের মাঝে চটে গিয়েছেন ভারত ছবির প্রযোজক। এই ছবির মাধ্যমে প্রিয়াঙ্কার বলিউডে কামব্যাক করার কথা ছিল। সালমান খানের সঙ্গে ভারত এ বহুদিন পর জুটি বাঁধার কথা ছিল অভিনেত্রীর। সবকিছু ঠিক ছিল, শ্যুটিংও শুরু হয়ে গিয়েছিল। হঠাৎই এনগেজমেন্ট এবং বিয়ের কারণে ছবি থেকে ব্যাক আউট করেন তিনি। নায়িকার এই সিদ্ধান্তে নাখোশ প্রযোজক নিখিল নমিত। সম্প্রতি নিখিল জানিয়েছেন,প্রিয়াঙ্কা আমাদের হঠাৎ করে জানালেন যে এনগেজমেন্টের কারণে তিনি ছবিটা আর করতে পারবেন না। ব্যাপারটা আমার কাছে খানিকটা অপেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছে। এইভাবে ছবিটা না ছাড়লেও পারতেন তিনি। পরিচালক আলি আব্বাস ট্যুইট করে প্রিয়াঙ্কার ভরত থেকে সড়ে যাওয়ার খবর দেন। আর তাই নতুন জীবনের জন্য টিম ভরত-এর পক্ষ থেকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে প্রিয়াঙ্কার এমন সিদ্ধান্ত মোটেও ভাল ভাবে নেননি ডেভিল। বিশেষ সূত্রের খবর, অভিনেত্রীর ওপর সালমান প্রচণ্ড রেগে গিয়েছেন। আর কখনও প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে কাজ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সালমান। বলিপাড়া সালমানের রাগ নিয়ে যথেষ্ট ওয়াকিবহল। সালমান-প্রিয়ঙ্কা সম্পর্ক এমনি ভাল নয়! মুঝসে শাদি করোগি ছবির সময় বেশ বন্ধুত্ব জমে উঠেছিল তাঁদের মধ্যে। কিন্তু পরে চিড় ধরে সে সম্পর্কে। ২০০৭-এ সালমান একটি ছবিতে প্রিয়াঙ্কার বদলে ক্যাটরিনা কাইফকে নায়িকা করতে চান কিন্তু প্রিয়াঙ্কা ছবি ছাড়তে রাজি হননি। তখন থেকে সালমান প্রিয়াঙ্কার ওপর চটা। যদিও পিসি এখন আন্তর্জাতিক তারকা, সালমানের অসন্তোষে তাঁর খুব বেশি যাবে আসবে বলে মনে হয় না। শীর্ষ নিউজ