মায়ের বামপাশেই আইয়ুব বাচ্চুর শেষ ঠিকানা
অনলাইন ডেস্ক: দেশবরেণ্য সঙ্গীতশিল্পী আইয়ুব বাচ্চু মায়ের কবরের পাশেই চট্টগ্রাম নগরীর বাইশ মহল্লা কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন। এ বিষয়ে কিংবদন্তি ব্যান্ড সঙ্গীতশিল্পী আইয়ুব বাচ্চুর ভগ্নিপতি ওমর উদ্দিন আনসারী জানিয়েছেন, শনিবার (২০ অক্টোবর) সকালে মরদেহ চট্টগ্রামে আনা হবে। এরপর আইয়ুব বাচ্চুর নানাবাড়ি মাদারবাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে। ওমর উদ্দিন আনসারী আরও জানান, পরে বাদ আসর চট্টগ্রামের জমিয়াতুল ফালাহ মসজিদ প্রাঙ্গণে একটি জানাজা হবে। তারপর মায়ের কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হবে। জানা যায়, গত ১৩ বছর ধরে বাইশ মহল্লা কবরস্থানে আইয়ুব বাচ্চুর মায়ের কবরটি দেখভাল করেন জাফর আহমদ। তিনি বলেন, আইয়ুব বাচ্চু ভাই যতবারই চট্টগ্রামে আসতেন, তিনি ততবারই মায়ের কবর জিয়ারত করতেন। এরপর আমার সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলে চলে যেতেন তিনি। জাফর আহমদ আরও বলেন, তার মায়ের কবরের বামপাশে জায়গাটি নির্বাচন করেছে বাচ্চুর মামারা। শনিবার (২০ অক্টোবর) জানাজা শেষে আইয়ুব বাচ্চুকে এখানেই দাফন করা হবে বলে জেনেছি। বৃহস্পতিবার (১৮ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে হৃদযন্ত্রে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন এই কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৬ বছর। তার মৃত্যুতে দেশের সঙ্গীত অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
রুপালি গিটার- ছেড়ে চলে গেলেন আইয়ুব বাচ্চু
অনলাইন ডেস্ক: কিংবদন্তী ব্যান্ড সঙ্গীতশিল্পী আইয়ুব বাচ্চু আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬০ বছর। বৃহস্পতিবার সকালে নিজ বাসায় তাকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে স্কয়ার হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। স্কয়ার হাসপাতালের একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ওই সূত্র বলছে, সকাল ৯টা ৩০ মিনিটের দিকে আইয়ুব বাচ্চু শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মরদেহ এখনও সেখানেই আছে। তবে তার মৃত্যুর কারণ এখনও জানা যায়নি। আইয়ুব বাচ্চু একাধারে গায়ক, লিডগিটারিস্ট, গীতিকার, সুরকার, প্লেব্যাক শিল্পী। এল আর বি ব্যান্ড দলের লিড গিটারিস্ট এবং মেইন ভোকাল বাচ্চু বাংলাদেশের ব্যান্ড জগতের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সম্মানিত ব্যক্তিত্বদের অন্যতম। তিনি দশ বছর সোলস ব্যান্ডের সঙ্গে লিড গিটারিস্ট হিসেবে যুক্ত ছিলেন। সঙ্গীতজগতে তার যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৭৮ সালে ফিলিংস ব্যান্ডদলের মাধ্যমে। অত্যন্ত গুণী শিল্পী আইয়ুব বাচ্চু তাঁর ভক্ত-শ্রোতাদের কাছে এবি নামেও পরিচিত। তার ডাক নাম রবিন। মূলত রক ঘরানার কন্ঠের অধিকারী হলেও আধুনিক গান, ক্লাসিকাল সঙ্গীত এবং লোকগীতি দিয়েও শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছেন। ১৯৬২ সালের ১৬ আগস্ট তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) চট্টগ্রাম জেলায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন। সদ্য প্রয়াত এ শিল্পীর কণ্ঠ দেয়া প্রথম গান হারানো বিকেলের গল্প। গানটির কথা লিখেছিলেন শহীদ মাহমুদ জঙ্গী। ১৯৮০ থেকে ১৯৯০ সালে তিনি সোলস ব্যান্ডের সাথে যুক্ত ছিলেন। ১৯৮৬ সালে প্রকাশিত রক্তগোলাপ আইয়ুব বাচ্চুর প্রথম প্রকাশিত একক অ্যালবাম। এই অ্যালবামটি তেমন একটা সাফল্য পায়নি। আইয়ুব বাচ্চুর সফলতার শুরু তার দ্বিতীয় একক অ্যালবাম ময়না-র মাধ্যমে। ১৯৯১ সালে বাচ্চু এল আর বি ব্যান্ড গঠন করেন। এই ব্যান্ডের সঙ্গে তার প্রথম ব্যান্ড অ্যালবাম এল আর বি প্রকাশিত হয় ১৯৯২ সালে। এটি বাংলাদেশের প্রথম দ্বৈত অ্যালবাম। এই অ্যালবামের শেষ চিঠি কেমন এমন চিঠি ঘুম ভাঙ্গা শহরে হকার গানগুলো জনপ্রিয়তা লাভ করে। পরে ১৯৯৩ ও ১৯৯৪ সালে তার দ্বিতীয় ও তৃতীয় ব্যান্ড অ্যালবাম সুখ ও তবুও বের হয়। সুখ অ্যালবামের -সুখ, চলো বদলে যাই, রূপালি গিটার গতকাল রাতে উল্লেখযোগ্য গান। চলো বদলে যাই বাংলাদেশের সঙ্গীত জগতে অন্যতম জনপ্রিয় একটি গান। গানটির কথা লিখেছেন ও সুর করেছেন বাচ্চু নিজেই। ১৯৯৫ সালে তিনি বের করেন তৃতীয় একক অ্যালবাম কষ্ট। সর্বকালের সেরা একক অ্যালবামের একটি বলে অবিহিত করা হয় এটিকে। এই অ্যালবামের প্রায় সবগুলো গানই জনপ্রিয়তা পায়। বিশেষ করে কষ্ট কাকে বলে, কষ্ট পেতে ভালোবাসি, অবাক হৃদয়, ও আমিও মানুষ। একই বছর তার চতুর্থ অ্যালবাম ঘুমন্ত শহরে প্রকাশিত হয়। তিনি অনেক চলচ্চিত্রেও প্লেব্যাক করেছেন। অনন্ত প্রেম তুমি দাও আমাকে বাংলা ছবির অন্যতম একটি জনপ্রিয় গান। এটি তাঁর গাওয়া প্রথম চলচ্চিত্রের গান। ২০০৯ সালে তার একক অ্যালবাম বলিনি কখনো প্রকাশিত হয়। ২০১১ সালে এল আর বি ব্যান্ড থেকে বের করেন ব্যান্ড অ্যালবাম -যুদ্ধ। এই অ্যালবামে ১০টি গান রয়েছে। ছয় বছর পর তার পরবর্তী একক অ্যালবাম জীবনের গল্প বাজারে আসে। এতেও ১০টি গান রয়েছে। গানের কথা লিখেছেন সাজ্জাদ হোসাইন এবং সুর ও সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন আইয়ুব বাচ্চু নিজে। গিটারে তিনি সারা ভারতীয় উপমহাদেশে বিখ্যাত। জিমি হেন্ড্রিক্স এবং জো স্যাট্রিয়ানীর বাজনায় তিনি দারুনভাবে অণুপ্রাণিত। আইয়ুব বাচ্চুর নিজের একটি স্টুডিও আছে। ঢাকার মগবাজারে অবস্থিত এই মিউজিক স্টুডিওটির নাম এবি কিচেন। তিনি ২০১০ সালে ঈদের জন্য নির্মিত ট্রাফিক সিগন্যাল ও হলুদ বাতি শিরোনামের নাটকে অভিনয় করেন। এর আগে ২০১২ সালের ২৭ নভেম্বর আইয়ুব বাচ্চু ফুসফুসে পানি জমার কারণে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি হয়েছিলেন। সেখানে চিকিৎসা গ্রহণের পর তিনি সুস্থ হন।
এবার কঙ্গনার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ
অনলাইন ডেস্ক: মি টু ঝড়ে যখন সোশ্যাল মিডিয়া উত্তাল সেই মুহূর্তে এবার শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে কঙ্গনা রানাওয়াতের বিরুদ্ধে। বলিউড অভিনেতা অধ্যয়ন সুমন তার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তুলেছেন। কঙ্গনার বিরুদ্ধে সুমনের অভিযোগ, অনেকেই আমাকে মিটু নিয়ে আমার বক্তব্য শেয়ার করতে বলেছেন। কিন্তু আমি ২ বছর আগে যখন এ ব্যাপারে জানিয়েছিলাম তখন আমাকেই অপমানিত হতে হয়েছিল। আমার বাবা-মা যাদের আমি সবচেয়ে ভালোবাসি, তাদেরও অনেক খারাপ কথা শুনতে হয়েছিল টিভিতে। আমার সম্পর্কে বলা হয়েছিল, একটি ছেলে যার ক্যারিয়ার নষ্ট হয়ে গেছে। এর আগে সুমনা জানিয়েছিলেন, কঙ্গনা তার ওপরে শারীরিক অত্যাচার চালিয়েছিলেন। ২০১৬ সালে তার সঙ্গে কঙ্গনার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সেই সময়ই তার ওপরে শারীরিক নির্যাতন চালান কঙ্গনা। এমনকি, কঙ্গনা তার ওপরে কালো জাদু ও প্রয়োগ করতেন বলেও অভিযোগ আনেন সুমন। অন্যদিকে বলিউডের একাধিক অভিনেতার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ এনেছে কঙ্গনা। সর্বশেষ হৃত্বিক রোশানের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগ আনেন তিনি।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যে আসনে মনোনয়ন চান শোবিজের এই তারকারা
অনলাইন ডেস্ক: আসছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচার প্রচারণা শুরু হয়ে গেছে। প্রধান বিরোধী শক্তি বিএনপি এখনও নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেয়নি। তবে থেমে নেই নির্বাচনী প্রচারণা। প্রচারণা চালাচ্ছে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টিসহ অন্যান্যরা। শোবিজ অঙ্গণের বড় তারকারাও নির্বাচনী প্রার্থী হতে লবিং তদবীর শুরু করে দিয়েছেন। অভিনেতা ফারুক, চিত্রনায়ক সোহেল রানা, চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ, চিত্রনায়ক শাকিল খান, সঙ্গীতশিল্পী বেবী নাজনীন ও মনির খান অন্যতম। দল থেকে মনোনয়ন না পেলে অনেকেই আবার সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। দেখে নেয়া যাক আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোন কোন তারকা অংশ নিতে যাচ্ছেন। ১। চিত্রনায়ক সোহেল রানা: চিত্রনায়ক সোহেল রানা এক সময়ের তুখোড় ছাত্রলীগ নেতা ছিলে। তার নাম মাসুদ পারভেজ। ছাত্রলীগ নেতা থাকলেও বর্তমানে তিনি জাতীয় পার্টির সাথে সম্পৃক্ত আছেন। নির্বাচনের ইচ্ছা থাকলেও জনপ্রিয় এই নায়ক দলের প্রধানের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করে নির্বাচনের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেননি। তিনি বলেন, 'আমি নির্বাচনে প্রার্থী হব কিনা তা এখনও ভাবিনি। তবে দলের প্রেসিডেন্ট যদি চান নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে হবে তবেই আমি নির্বাচনের প্রার্থী হব। গত রবিবার আমাদের একটা মিটিং হয়েছে যেখানে দল থেকে কে কোথায় নির্বাচন করবেন তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। আমি মনে করি আমার যেখানেই নির্বাচনের অংশগ্রহণ করতে বলবে সেখান থেকে করার ইচ্ছা আছে।' ২। সঙ্গীতশিল্পী বেবী নাজনীন: সঙ্গীতশিল্পী বেবী নাজনীন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। বর্তমানে দলটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। নীলফামারীর-৪ আসনের (সৈয়দপুর এবং কিশোরগঞ্জ) থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চান। তিনি বলেন, 'নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে দেশ ও জাতির জন্য কাজ করে যেতে চাই। দল থেকে যদি আমি সুযোগ পাই তবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব।' ৩। চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ: ঢাকাইয়া সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ। সম্প্রতি তিনি প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হওয়া ও দলীয় বেশকিছু কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করছেন। এরপর থেকে তার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার খবর চলচ্চিত্র অঙ্গণে প্রসারিত হয়। তিনি বলেন, নির্বাচনের প্রার্থী হওয়া নিয়ে এখনও কিছুই বলতে পারছি না। তবে নেত্রী যদি মনোনয়ন দেন তবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব।' ৪। অভিনেতা ফারুক: অভিনেতা ফারুক বাংলা চলচ্চিত্রের মিয়া ভাই খ্যাত। তার প্রকৃত নাম আকবর হোসেন পাঠান। তিনি বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের একাংশের সভাপতি। তিনি গাজীপুর-৬ (কালীগঞ্জ-গাজীপুর মহানগর-সদর আংশিক) এ আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে জোড় চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, আমি নির্বাচন করতে চাচ্ছি। আমাকে যদি নেত্রী উপযুক্ত মনে করে মনোনয়ন দেন তবে আমি নির্বাচন করব। অথ্যাৎ নেত্রী নির্বাচন করার জন্য টিকিটটা দিয়ে দিলে তাহলে তো আর কোনও বাধা থাকল না। দেশের জনগণকে আমার পক্ষ থেকে এখনও অনেক কিছু দেয়ার বাকি আছে। নির্বাচনে জয়ী হয়ে দেশ ও দশের জন্য কাজ করব।' ৫। চিত্রনায়ক শাকিল খান: এক সময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক শাকিল খান। বর্তমানে ব্যবসার সাথে জড়িত। তিনি অনেক আগে থেকেই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়। তিনি তার এলাকায় নির্বাচনী প্রচার প্রচারাণাও চালাচ্ছেন। তিনি বাগেরহাট-৩ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী। শাকিল খান বলেন, নেত্রীর সাথে আমার কথা হয়েছে। তিনি আমাকে এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগ চালিয়ে যেতে বলেছেন। আমি কোনও কারণে মনোনয়ন না পেলেও আওয়ামী লীগের পক্ষেই কাজ করে যাব।' ৬। সঙ্গীতশিল্পী মনির খান: সঙ্গীতশিল্পী মনির খান নিজের নির্বাচনী এলাকা ঝিনাইদহ-৩ আসন থেকে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তিনি বিএনপি থেকে নির্বাচনের জন্য নিজ এলাকায় গণসংযোগ চালাচ্ছেন। তিনি বলেন, আমি বিএনপি থেকে নির্বাচন করব। যদি দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হয়, তবে আমি নির্বাচনে বিজয়ী হব। ৭। চলচ্চিত্রকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার: দেশের জনপ্রিয় গীতিকার, সুরকার ও চলচ্চিত্রকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার। তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। তিনি এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে চান। তিনি বলেন, গান লেখার মাধ্যমে দেশের মানুষের পাশে ছিলাম এবং থাকব। আমি বিএনপি সমর্থিত একজন কর্মী। আমি দেশের মানুষের সাথে কাজ করে যেতে চাই।' ৮। কণ্ঠশিল্পী মমতাজ: ফোক সম্রাজ্ঞীখ্যাত জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মমতাজ আওয়ামী লীগের ব্যানারে মানিকগঞ্জ-২ আসন থেকে নির্বাচিত এমপি। এর আগেও তিনি সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি ছিলেন। এবারের নির্বাচনেও তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান। এছাড়াও আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য আওয়ামী লীগ থেকে তারকাদের মধ্যে কন্ঠশিল্পী রুবেল, খালিদ, চিত্রনায়িকা শাবানা, চিত্রনায়িকা কবরি, অভিনেত্রী তারানা হালিম অংশগ্রহণ করতে পারেন বলে জানা গেছে। বিএনপি থেকে, কন্ঠশিল্পী আসিফ আকবর, কনকচাপা, হেলাল খান ও রিজিয়া পারভীন মনোনয়ন চাইতে পারেন। সূত্র: সময় টিভি
মঞ্চেই সরব অপু
বর্তমানে ঢালিউডের আলোচিত নায়িকা অপু বিশ্বাস। দীর্ঘ বিরোতির পর আবারও তিনি সরব হচ্ছেন বড় পর্দায়। যদিও বিয়ে, সংসার, বিচ্ছেদ নিয়ে বেশ কয়েক বছর সিনে পর্দায় অনুপুস্থিত ছিলেন অপু, তবে বড় পর্দায় আবারও তিনি কামব্যাক করছেন। কিন্তু সিনেমায় দর্শক তাকে দেখতে পারবে আরও কিছুদিন পর। তবে বসে নেই অপু। বড় পর্দায় সময় লাগলেও অপু তার ভক্তদের নিরাস করছেন না। নিয়মিত শো করছেন স্টেজে। দেশে বা দেশের বাইরে বিভিন্ন মঞ্চ অনুষ্ঠানে এখন নিয়মিত তিনি। কিছুদিনের মধ্যে আবারও সিঙ্গাপুরে একটি শোতে অংশ নেবেন অপু। কিছুদিন আগে দুবাইয়ে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দেখা গেছে অপুকে। এবার আবারও দেশের বাইরে শোতে যাচ্ছেন তিনি। সিঙ্গাপুরে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের আমন্ত্রণে সেখানকার দর্শকদের মাতাতে ১৪ অক্টোবর আয়োজিত জমকালো অনুষ্ঠানে ভক্তদের গান শোনাবেন জেমস আর নাচ বাহারে মুগ্ধ করবেন অপু বিশ্বাস। তাদের সঙ্গে আরও যাচ্ছেন আতিক হাসান, তামান্না প্রমি, আফরোজা বেলী ও শান্তা জাহান। অপুর এই পথ চলা প্রমাণ করছে- সময়টা পাল্টে গেছে এক সময়ের ব্যস্ত এই নায়িকার। সম্প্রতি জানা যায়, কলকাতার একটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। অন্যদিকে, ‘শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ ২’-এ দেখা যাবে অপুকে। যেখানে তার বিপরীতে দেখা যাবে বাপ্পী চৌধুরীকে।
শ্রীদেবী হচ্ছেন রাকুল প্রীত সিং
অনলাইন ডেস্ক: বলিউডের প্রথম নারী সুপারস্টার শ্রীদেবীকে রুপের রানী-ও বলা হয়। বরেণ্য এই অভিনেত্রী প্রয়াত হয়েছেন চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি। তাকে নিয়ে নানা আয়োজন এরইমধ্যে হয়েছে। এবার তাকে দেখা যাবে একটি দক্ষিণী সিনেমায়! না, আসল শ্রীদেবীকে নয়, অন্য একজনকে দেখা যাবে তার ভূমিকায়। তিনি রাকুল প্রীত সিং। ভারতের দক্ষিণী সিনেমার এই প্রজন্মের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তিনি। মূলত বরেণ্য অভিনয়শিল্পী, প্রযোজক ও পরিচালক প্রয়াত নান্দামুরি তারকা রামা রাও (এনটিআর)-এর জীবনী নিয়ে নির্মাণাধীন ছবিতেই দেখা যাবে শ্রীদেবীর চরিত্রকে। যেটি রূপয়ায়ন করবেন রাকুল প্রীত। সিনেমাটির নাম দেয়া হয়েছে এনটিআর। এটি পরিচালনা করছেন রাধা কৃষ্ণ জাগারলামুড়ি (কৃষ)। শ্রীদেবীর ভূমিকায় অভিনয় করা নিয়ে ভীষণ উচ্ছ্বসিত রাকুল প্রীত। তিনি বলেন, এই সিনেমার যুক্ত হতে পেরে খুব গর্ব অনুভব হচ্ছে। শ্রীদেবী ম্যামের মতো একজন বরেণ্য অভিনেত্রীর চরিত্রে অভিনয় করা নিঃসন্দেহে অনেক কঠিন। আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো চরিত্রটিকে ভালোভাবে ফুটিয়ে তুলতে। এজন্য তার অভিনীত সিনেমা দেখছি। তার অভিনয় ও অঙ্গভঙ্গিমা খুব ভালো করে খেয়াল করছি। নিজের মধ্যে সেগুলো ধারণ করার চেষ্টা করছি। প্রসঙ্গত, এনটিআর-এর জীবনে একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ জুড়ে আছেন শ্রীদেবী। মাত্র ১৪ বছর বয়সেই এনটিআরের সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করেন শ্রীদেবী। তারা একসঙ্গে ১৪টি সিনেমায় অভিনয় করেন। সেগুলো ব্যাপকভাবে সফল হয়। তাই এনটিআরের জীবনী নিয়ে সিনেমায় শ্রীদেবীর অবস্থান অনেক গুরুত্বপূর্ণ। ভারতীয় গণমাধ্যম জানায়, এরইমধ্যে এনটিআর সিনেমার শুটিং শুরু হয়েছে। কাথানায়াকুড়ু ও মহানায়াকুড়ু নামে দুই খণ্ডে মুক্তি পাবে ছবিটি। আগামী বছরের ৯ জানুয়ারি প্রথম খণ্ড ও ২৪ জানুয়ারি দ্বিতীয় খণ্ড মুক্তি পাবে।
নানা পাটেকারকে দেখে নেব: তনুশ্রী
অনলাইন ডেস্ক: সাবেক ভারতসুন্দরী তনুশ্রী দত্ত জনপ্রিয় বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকারের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ তুলে এখন আলোচনার কেন্দ্রে তিনি। হলিউডে যখন ‘হ্যাশট্যাগ মি টু’ আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে, ঠিক তখন নীরব ছিল বি-টাউন। তনুশ্রীর অভিযোগের পর বলিউডেও চলছে মি টু ঝড়। তনুশ্রীর যৌন হেনস্তার বিস্ফোরক অভিযোগের পর অগ্রজ অভিনেতা নানা পাটেকার বলেছেন, শিগগিরই তিনি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করবেন। আইনগত ব্যবস্থাও নেবেন তিনি। যদিও এসব তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়েছেন তনুশ্রী। বলেছেন তিনিও দেখে নেবেন। নানা এখন রাজস্থানের জয়সালমারে শুটিংয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। সেখান থেকে মুম্বাইয়ে ফিরে তিনি সাংবাদিকদের সব খুলে বলবেন। নানা বলেছেন, ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে তিনি সব প্রশ্নের উত্তর দেবেন। শীর্ষনিউজ
দেবের জীবনে প্রেম হয়ে এল পূজা
অনলাইন ডেস্ক: দেব এবং পূজা। তাদের দু জনকে এর আগেও একসঙ্গে রুপোলি পর্দায় দেখেছেন দর্শকরা। সে সময়ও এই জুটিকে পছন্দ করেছিলেন বাঙালি ছবির দর্শক। আরও একবার তাদের দু জনকে একসঙ্গে দেখা যাবে হইচই আনলিমিটেড ছবিতে। একটি ট্যুইট করে আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন অভিনেতা নিজেই। আরও একবার প্রেমে পড়ার পালা-এমনটাই তার সাম্প্রতিক ট্যুইটে লিখেছেন দেব। আর এই ট্যুইট পোস্ট হতেই শুরু হয়েছে গুঞ্জন। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর সাউথ সিটি মলে মুক্তি পাবে দেবের আসন্ন ছবি হইচই আনলিমিটেড-এর নতুন রোম্যান্টিক গান ওহ বেবি। ইতিমধ্যেই মুক্তি পেয়েছে এই ছবির দু টি গান। ছবির গান প্রকাশের কায়দায়েও অভিনবত্ব ছিল। কখনও ফ্ল্যাশ মব, কখনও বা ঘুড়ি উত্সবের মাধ্যমে ছবির প্রচার করছেন নায়ক। অভিনব কায়দায় এই ছবির কাস্ট লিস্ট প্রকাশ্যে এনেছিলেন দেব। নিজের রেস্তোরাঁয় একটি ভিডিওর মাধ্যমে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের দর্শকদের সামনে নিয়ে এসেছিলেন তিনি। তবে সেই তালিকা নিয়ে পরে সমস্যাও হয়। প্রথমে এই ছবিতে ঘোষণা করা হয়েছিল মিমি চক্রবর্তীর নাম। কিন্তু কোনও অজানা কারণে তিনি প্রজেক্টটি থেকে সরে দাঁড়ান। শোনা গিয়েছিল, মিমির জায়গায় এই ছবিতে দেবের সঙ্গে ফের জুটি বাঁধবেন রুক্মিণী মৈত্র। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কৌশানীকে কাস্ট করেন পরিচালক। অন্যদিকে প্রিয়াঙ্কা সরকারও হইচই আনলিমিটেড থেকে সরে যান। ফলে সেই চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে রোজাকে। রোজার চরিত্রটির নাম শাবানা। তিনি এক জন উঠতি অভিনেত্রী। হইচই আনলিমিটেড এ অর্ণ মুখোপাধ্যায়ের বিপরীতে দেখা যাবে রোজাকে। ছবিটির বেশ কিছু অংশের শুটিং হয়েছে উজবেকিস্তানে।
সুন্দরী প্রতিযোগিতার সমালোচনায় শাফিন আহমেদ
অনলাইন ডেস্ক: চলছে মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০১৮ প্রতিযোগিতা। সারা দেশ থেকে অংশগ্রহণ করা হাজারো প্রতিযোগীদের মধ্য থেকে অডিশন, সিলেকশন, পারফরম্যান্সসহ বিভিন্ন রাউন্ডে ধাপে ধাপে বাছাই প্রক্রিয়া শেষে ইতিমধ্যে সেরা ১০ সুন্দরীকে বাছাই করা হয়েছে। তাদের নিয়ে তৈরি অনুষ্ঠানমালা আজ বুধবার থেকে এটিএন বাংলায় প্রচার করা হবে। এবারের প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই বিচারকের দায়িত্ব সামলেছেন সংগীতশিল্পী শুভ্র দেব, অভিনেত্রী তারিন, মডেল খালেদ সুজন, ইমি ও ব্যারিস্টার ফারাবী। তবে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠানে তাদের সঙ্গে চার জন আইকন বিচারকও থাকবেন। এমনটাই জানিয়েছিলেন মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রতিযোগিতার আয়োজক ও অন্তর শোবিজের কর্ণধার স্বপন চৌধুরী। সেইমত আইকন বিচারক হিসেবে সম্প্রতি মাইলস ব্যান্ডের অন্যতম সদস্য শাফিন আহমেদ ও তার ভাই হামিন আহমেদের নাম ঘোষণা করেন স্বপন চৌধুরী। তবে বিচারক হওয়ার ব্যাপারে নাকি কিছুই জানেন দুই ভাই হামিন ও শাফিন। হামিন বলেন, আমার সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে। সেখানে তেমন কোনো আলোচনা হয়নি। আমি বিচারক হব কি না, সে ব্যাপারেও কিছু জানি না। বিচারক হওয়ার বিষয়টাকে অস্বীকার করেছেন শাফিন আহমেদও। উল্টো এই প্রতিযোগিতার সমালোচনা করে তিনি বলেন, শুধু একটা ফোনকল এসেছিল। এরপর আর কোনো কথা হয়নি। গত বছর তো এই প্রতিযোগিতা নিয়ে অনেক সমালোচনা হয়েছিল। বিচারকদের কাজের স্বাধীনতা না থাকলে এসব আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার কোনো মানেই হয় না। এদিকে, শাফিন আহমেদ ও হামিন আহমেদের পাশাপাশি গ্র্যান্ড ফিনালের আইকন বিচারক হিসেবে নৃত্যশিল্পী আনিসুল ইসলাম হীরু এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ফ্যাশন ডিজাইনার বিবি রাসেলের নামও শোনা যাচ্ছে। বর্তমানে চলছে বাছাইকৃত সেরা ১০ সুন্দরীর গ্রুমিং। তাদের নাচের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন কোরিওগ্রাফার ইভান শাহরিয়ার সোহাগ। এই ১০ সুন্দরীকে নিয়েই আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হবে। ওইদিনই জানা যাবে এ বছরের সেরা সুন্দরীর নাম। তার মাথায় পরিয়ে দেয়া হবে মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০১৮-এর চ্যাম্পিয়ন মুকুট। রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরার রাজদর্শন হল থেকে অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করবে এটিএন বাংলা। চলতি বছরে যিনি মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ নির্বাচিত হবেন তার গ্রুমিং চলবে লম্বা সময় ধরে। দেশি কোরিওগ্রাফার ছাড়াও ভারতের আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষক নয়নিকা চৌধুরী গ্রুমিং করাবেন তাকে। নয়নিকা চৌধুরী বর্তমানে দিল্লিতে আছেন। দুই মাসের জন্য ঢাকায় আসবেন। পুরো সময়টাতেই তিনি মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেবেন। বাংলাদেশের সেরা সুন্দরী পরে আগামী ডিসেম্বরে চীনের সানাইয়া সিটি এরেনায় অনুষ্ঠিতব্য মিস ওয়ার্ল্ড-এর মূল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবেন। প্রতিনিধিত্ব করবেন লাল-সবুজের। গত বছর যে দায়িত্ব পড়েছিল পুরান ঢাকার মেয়ে জেসিয়া ইসলামের কাধে। বিয়ের খবর গোপন করে জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল সেরার মুকুট হারানোর পর জেসিয়াকে নতুন মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ নির্বাচিত করা হয়েছিল। ঢাকাটাইমস