বলিউডে অভিষেক হতে যাচ্ছে অভিনেত্রী শ্রীদেবীর কন্যা জানভি কাপুরের
ধড়ক সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হতে যাচ্ছে অভিনেত্রী শ্রীদেবী ও নির্মাতা বনি কাপুর দম্পতির বড় মেয়ে জানভি কাপুরের। কয়েকদিন বাদেই মুক্তি পাবে সিনেমাটি। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে জানভি কাপুর ধড়ক সিনেমা, তার অভিনয়ে আসাসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেছেন তিনি। জানভি জানিয়েছেন, তার অভিনয়ে আসার সিদ্ধান্তে খুব বেশি খুশি ছিলেন না শ্রীদেবী। অভিনেত্রী হওয়ার বিষয়টি প্রথম কখন মাথায় আসে? সাক্ষাৎকারে এমন প্রশ্নের উত্তরে জানভি বলেন, যখন ছোট ছিলাম নিজে নিজে গল্প বানাতাম এবং চরিত্রগুলোতে অভিনয় করতাম। মনে আছে স্কুলে আমি কৌতুক করতাম। আমার জীবনে সিনেমার অনেক প্রভাব ছিল। সিনেমার প্রতি আমার সবসময় ভালোবাসা কাজ করত। এছাড়া লেখালেখি ও ইতিহাস চর্চার বিষয়টিও আমার ভালো লাগত। আমি সবগুলোর কোর্স করতে চেয়েছিলাম কিন্তু যখন অভিনয় কোর্স শুরু করলাম বুঝতে পারলাম, এটির প্রতিই আমার ভালোবাসা বেশি। শ্রীদেবীকেই প্রথম অভিনেত্রী হওয়ার ইচ্ছাটি জানিয়েছিলেন জানভি। তবে তিনি খুশি হননি। জানভি বলেন, আমি মাকে প্রথম বিষয়টি জানাই। তিনি বলেছিলেন,তোমার সিদ্ধান্তটি পুনরায় ভেবে দেখ।তিনি সবসময় মনে করতেন আমি খুব সহজসরল। বাবা-মা সবসময় আমার ব্যাপারে খুবই যত্নশীল। তারা ভাবতেন, সিনেমা নির্মাণের নন-ক্রিয়েটিভ বিষয়ের সঙ্গে আমি মানাতে পারব না। মা খুব বেশি খুশি ছিলেন না। তিনি মনে করতেন সন্তানদের সহজ একটি জীবন দেয়ার জন্য তিনি অনেক কষ্ট করেছেন। কিন্তু আমি সেটি চাইনি, পরিপূর্ণ একটি জীবন চেয়েছি। আমি বাস্তব জীবনে সংগ্রামে করার অভিজ্ঞতা চেয়েছি। আমি যা কিছু পেয়েছি সেজন্য কৃতজ্ঞ। কিন্তু আমি আরো কিছু চাই। অভিনয় জগতে আসার জন্য বাবা-মাকে কীভাবে রাজি করিয়েছেন? প্রশ্ন করা হলে ধড়ক অভিনেত্রী বলেন, আমাকে খুব বেশি কিছু করতে হয়নি কারণ তারা জানতেন আমি এ বিষয়ে সিরিয়াস। তারা আমাকে শুধু একটি কথা বলেছেন-অভিনয় মানে সুন্দর চেহারা আর সংলাপ বলা নয়। আমি এটা জানতাম এবং এটিই করতে চেয়েছি। আমার বাবা-মা আমাকে সুন্দর একটি জীবন দিয়েছেন। অভিনয়ের মাধ্যমে আমি জীবনের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা অর্জন এবং আমার অভিব্যক্তিগুলো প্রকাশ করতে পারব। এজন্যই আমি এই পেশা বেছে নিয়েছি। এটি আমার ওয়ান ওয়ে টিকেট, যার দ্বারা আমি সবকিছু করতে পারব। ২০১৬ সালের ব্লকবাস্টার হিট মারাঠি ভাষার সাইরাত সিনেমার হিন্দি রিমেক ধড়ক। করন জোহরের ধর্মা প্রোডাকশনের ব্যানারে সিনেমাটি পরিচালনা করছেন শশাঙ্ক খাইতান। আগামী ২০ জুলাই এটি মুক্তির কথা রয়েছে।
পুরুষ সাংবাদিককে চুমু লাইভে
বিশ্বকাপের সরাসরি প্রচারিত সংবাদে এক পুরুষ সাংবাদিককে চুমু দিয়েছেন দুই নারী। উত্ত্যক্তের শিকার ওই সাংবাদিকের নাম কোন কোয়াল ইয়েল। তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার টিভি চ্যানেল এমবিএন-এ কাজ করেন। তিনি রাশিয়া থেকে বিশ্বকাপ ফুটবলের খবর সরাসরি দক্ষিণ কোরিয়ায় জানাচ্ছিলেন। এসময় এক নারী অতর্কিত তাকে চুমু দেন। এর পরেও স্বাভাবিক ছিলেন ওই সাংবাদিক। কিন্তু অন্য পাশ থেকে আরেক ভক্ত তাকে চুমু দিলে তিনি কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন। আর তার অপ্রস্তুত অবস্থার সুযোগ নিয়ে ওই দুই নারী অট্টহাসিতে ফেটে পড়েন। এর আগে নারী সাংবাদিকদের চুমু দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু কোন পুরুষ সাংবাদিককে নারীর চুমু দেয়ার ঘঠনা এই প্রথম। এ সপ্তাহের শুরুতে স্পেনের সাংবাদিক মারিয়া গোমেজকে সরাসরি প্রচারিত সংবাদে চুমু দেন এক ব্যক্তি। কিন্তু সাংবাদিক গোমেজ এতে মোটেই অপ্রস্তুত ছিলেন না।
৩ আগস্ট মুক্তি পাচ্ছে ঐশ্বরিয়ার -ফ্যানি খান ছবি
ফ্যানি খান ছবি দিয়ে বড় পর্দায় ফিরছেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। ছবিটি আগামী ৩ আগস্ট মুক্তি পাচ্ছে। ছবিতে একজন মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন ঐশ্বরিয়া। যিনি তার মেয়েকে যে কোনো মূল্যে সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চান। ঐশ্বরিয়ার পছন্দ না হওয়ায় ছবির আইটেম গানের কথা পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছিলেন পরিচালক ও গীতিকার। নারীদের অবমাননা করে বিভিন্ন শব্দ ব্যবহার করায় ফেভিকল সে গানটি নিয়ে বেশ বিতর্ক হয়েছিল। জানা গেছে, সেই গানটির সঙ্গে মিল নিজের ছবির গানটির মিল থাকায় আপত্তি করেন ঐশ্বরিয়া। পরে তাতে পরিবর্তন করা হয়। ফ্যানি খান ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন অনিল কাপুর ও রাজকুমার রাও। গুঞ্জন আছে অস্কারে মনোনয়ন পাওয়া ডাচ ছবি এভরিবডিস ফেমাস ছবির অনুকরণে এ ছবিটি নির্মাণ করা হয়েছে।
২৭ শে জুলাই মুক্তি পাচ্ছে :মেঘকন্যা
জনপ্রিয় অভিনেতা ফেরদৌস ও নবাগত নিঝুম রুবিনা অভিনীত মেঘকন্যা মুক্তি পাচ্ছে ২৭ জুলাই। ২০১৫ সালের নভেম্বর মাসে মেঘকন্যা ছবির শুটিং হয়েছিল। ফেরদৌস বলেন,মেঘকন্যা ভালো গল্পের ছবি। নিঝুম রুবিনার সঙ্গে এটি আমার তৃতীয় কাজ। তার সঙ্গে কাজ করে মনে হয়েছে নতুনদের মধ্যে সে সম্ভাবনাময়ী। মনোযোগ দিয়ে কাজ করলে সে অনেকদূর যেতে পারবে। নিঝুম রুবিনা বলেন,লম্বা সময় পর মুক্তির ফলে কোনো প্রভাব পড়বে বলে আমি মনে করি না। এই ছবিটা যদি আরও পরে মুক্তি পায় তাও অসুবিধা হবে মনে করি না। কারণ এটা গল্পপ্রধান ছবি। পরিচালক মিনহাজ অভি বলেন,মেঘকন্যা দেখলে সমাজের প্রতিটি মানুষ নিজেকে খুঁজে পাবেন। ছবি শেষ পর্যন্ত দেখলে দর্শক একটা বড় ধাক্কা খাবেন। ফেরদৌস-নিঝুম রুবিনার ছাড়াও এই ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন সুচরিতা, শম্পা হাসনাইন, ঋদ্ধ প্রমুখ।
দহনের শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন সুষমা
সুষমা সরকার ছোটপর্দার নিয়মিত একজন অভিনেত্রী। সুষমা তার অভিনয়ের ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নাটক-টেলিফিল্মের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রগুলোয় অভিনয় করে আসছেন। সে কারণে ছোটপর্দায় তার চাহিদাও রয়েছে বেশ। ঠিক তেমনই এখন পর্যন্ত সুষমা সরকার যতগুলো সিনেমায় অভিনয় করেছেন, তিনি বেশ গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রেই অভিনয় করেছেন। রায়হান রাফি পরিচালিত দ্বিতীয় চলচ্চিত্র দহনে ঠিক তেমনই একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন সুষমা সরকার। তার চরিত্রের নাম দিনা। এরই মধ্যে তিনি দহনের শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন। সুুষমা বলেন, এর আগেও আমি জাজ প্রযোজিত চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছি। তবে রায়হান রাফির নির্দেশনায় এবারই প্রথম চলচ্চিত্রে অভিনয় করছি। তরুণ এই নির্মাতা বেশ গুছিয়ে এবং অনেক যত্ন নিয়ে কাজ করেন। আমি তার নির্দেশনায় কাজ করে সন্তুষ্ট। আশা করছি পোড়ামন-টুর মতো দহন চলচ্চিত্রটিও দর্শকের মন জয় করে নেবে। এদিকে গেল ঈদে সুষমা সরকার অভিনীত মিজানুর রহমান আরিয়ান পরিচালিত বুকের বাঁ পাশে টেলিফিল্মটি দর্শকের কাছে বেশ গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। এই টেলিফিল্মে মেহজাবিন চৌধুরীর ভাবির চরিত্রে অভিনয় করেছেন সুষমা সরকার, যার চরিত্রটি টেলিফিল্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে মেহজাবিনকে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। এছাড়াও শিহাব শাহীনের শেষ পর্যন্ত আবু হায়াত মাহমুদের ছোট ছেলেতে তার অভিনয় বেশ প্রশংসিত হয়। সুষমা বলেন, ছোটপর্দার কাজ আমাকে বছরজুড়ে কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগায়। অভিনয় আমার পেশা। তাই যখন যেখানে কাজ করার সুযোগ আসে নিজেকে প্রমাণের চেষ্টা করি এখনও। যারা আমাকে নিয়ে কাজ করেন, আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। গুণী এই অভিনেত্রী নতুন পাঁচটি ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করছেন এবং দুটি নতুন চলচ্চিত্রের কাজ শেষ করেছেন। ধারাবাহিকগুলো হচ্ছে শিহাব শাহীনের লিপস্টিক, সুমন আনোয়ারের সুখী মীরগঞ্জ, অরণ্য আনোয়ারের ফুল এইচডি মিজানুর রহমান আরিয়ানের গল্পগুলো আমাদের এবং গোলাম সোহরাব দোদুলের আরেকটি ধারাবাহিক নাটক। এদিকে সুষমা এরই মধ্যে শেষ করেছেন বুলবুল জিলানীর রৌদ্রছায়া ও নূরুল আলম আতিকের পেয়ারার সুবাস চলচ্চিত্রের কাজ।
শাকিব-অপু থেকে শাকিব-বুবলী জুটি
শাকিব-অপু থেকে শাকিব-বুবলী জুটি। ঢালিউডে অন্যতম দুটি জনপ্রিয় জুটি। এই দুই জুটির মিল অমিলের একটি রসায়ন আছে। চলচ্চিত্রপাড়ার লোকজনের কথায় অমিলের চেয়ে মিলটিই বেশি দৃশ্যমান। যেমন শাকিব-অপু ক্যারিয়ারের শুরু থেকে একটানা জুটি বেঁধে কাজ করতে থাকেন। এই জুটির কাজ দর্শক গ্রহণও করেন। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই তাদের নিয়ে প্রেম বিয়ের খবর বাতাসে চাউর হতে থাকে। যদিও তারা তা অস্বীকার করে তখন বলেছিলেন,সবই মিথ্যে, আমরা দুজন ভালো সহকর্মী আর বন্ধু। একসঙ্গে কাজ করতে গেলে এমন রটনা রটতেই পারে। পরের ঘটনা সবার জানা। ২০১৭ সালে শাকিব-অপু অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ও শাকিব-বুবলী জুটির সূচনা হলে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতে থাকে। এই জুটিকে নিয়েও শুরু থেকেই গোপন প্রেম বিয়ের খবর দুষ্টু বাতাস ছড়াতে থাকে। যদিও দুজনেই বলছেন,আরে ভাই সবই মিথ্যে, আমরা দুজন ভালো বন্ধু আর সহকর্মী। এখন সময়ই বলে দেবে দুষ্টু বাতাস সত্যি নাকি মিথ্যে বলেছে বলছেন চলচ্চিত্রপাড়ার লোকজন আর তাদের দর্শক ভক্তরা। ২০০৬ সালে শাকিব-অপু জুটি বেঁধে কাজ শুরু করেন। তাদের প্রথম ছবি ছিল কোটি টাকার কাবিন। প্রথম ছবিতেই দর্শক তাদের সাদরে গ্রহণ করেন। এরপর একে একে চাচ্চু, পিতার আসন, দাদীমা, মায়ের হাতে বেহেশতের চাবি ছবিগুলোতে টানা জুটি বাঁধেন তারা। সফলও হন। ২০১৭ সালে বসগিরি ছবি দিয়ে জুটিবদ্ধ হন শাকিব-বুবলী জুটি। এরপর একাধারে শুটার, রংবাজ, অহংকার, চিটাগাইঙ্গা পোয়া নোয়াখাইল্যা মাইয়া, সুপার হিরো, ক্যাপ্টেন খান, একটি প্রেম দরকার মাননীয় সরকার ছবিগুলো নিয়ে পথ চলতে থাকেন এই জুটি। এ পর্যন্ত বুবলী শুধু শাকিবের সঙ্গেই জুটি বেঁধেছেন। তাদেরকেও দর্শক মনে-প্রাণে গ্রহণ করেছেন। ২০০৬ সালে শাকিব-অপু জুটি বেঁধে কাজ করতে গিয়ে একে অপরের প্রেমে পড়ে যান। এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই মানে মাত্র দুবছরের মাথায় ২০০৮ সালে গোপনে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন তারা। এই গোপন খবরও দুষ্টু বাতাস রাখেনি গোপন। ছড়িয়ে দেয় আকাশ বাতাস আর কানে কানে। কিন্তু যথারীতি দুজনের অস্বীকার আরে যত্তসব মিথ্যে কথা, আপনারা কোথা থেকে যে এমন সব উদ্ভট খবর পান বুঝি না। তাদের এমন প্রতিবাদের সুরে বিশেষ করে উপযুক্তদ্ধ সাক্ষী-প্রমাণের অভাবে সবাই চুপসে গিয়েছিলেন তখন। এখনো আবার শাকিব-বুবলী জুটিকে নিয়ে দুষ্টু বাতাস একই গন্ধ ছড়াচ্ছে। আর যথারীতি দুজনের সেই পুরনো প্রতিবাদ আমরা দুজন ভালো বন্ধু আর সহকর্মী ছাড়া আর কিছুই নয়, সবই মিথ্যে। চলচ্চিত্র পাড়ার লোকজন এখন মুচকি হেসে বলছেন দেখা যাক দুষ্টু বাতাস এবার তার দায় এড়াতে পারে কি না? শাকিব আর অপু যখন জুটি বেঁধে কাজ শুরু করেন তখন নাকি কোনো নির্মাতা তার ছবিতে শাকিবকে কাস্ট করলে শাকিব সরাসরি শর্ত জুড়ে দিয়ে বলতেন নায়িকা হিসেবে ওই ছবিতে অপুকে না নিলে তিনি কাজ করবেন না। অগত্যা নির্মাতা শাকিবের কথাই মেনে নিতেন। এমন ঘটনা নাকি প্রয়াত চিত্রনির্মাতা চাষী নজরুলের ক্ষেত্রেও ঘটেছিল। চাষী নজরুলের দেবদাস ছবিতে পার্বতীর চরিত্রে নিতে চেয়েছিলেন পূর্ণিমাকে। শেষ পর্যন্ত শাকিবের আবদার রক্ষা করতে গিয়ে অপুকেই নিতে হয়েছিল। শাকিবের শর্তের কারণেই অপুর শতকরা ৯৮ ভাগ ছবির নায়ক শাকিব খান। অপু তখন বলতেন, যে কোনো নায়কের সঙ্গে কাজ করতে আমার আপত্তি নেই, তবে শাকিবের সঙ্গে কাজ করতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। শাকিবের কারণেই আজ আমি অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস। ঘুরে-ফিরে শাকিবের ছবির নায়িকা মানেই অপু। এখন যেমন শাকিব মানেই বুবলী। শাকিবের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর হাটে হাঁড়ি ভাঙেন অপু। তিনি জানান, শাকিবের আপত্তির কারণেই প্রচুর প্রস্তাব থাকা সত্ত্বেও অন্য নায়কের সঙ্গে কাজ করতে পারতেন না তিনি। না হলে তার ছবির সংখ্যা বর্তমানের চেয়ে দ্বিগুণ হতো। অর্থবিত্তের পরিমাণও বাড়ত। এখন অপুর সুরে বুবলী বলছেন,শাকিবের সঙ্গে কাজ করতে তিনি বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। কারণ শাকিব ঢালিউডের শীর্ষ নায়ক। তবে অন্য নায়কের সঙ্গে কাজ করতে তার আপত্তি নেই। বুবলীর এমন কথায় চলচ্চিত্রপাড়ার লোকজন বলছেন শাকিব-অপুর সব ঘটনাই যখন শাকিব-বুবলীর সঙ্গে মিলে যাচ্ছে তখন বুবলীর কথার সত্যতা জানতে অবশ্যই অপেক্ষা করতে হবে।
বিয়ে করলেন বাপ্পা-তানিয়া
জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী বাপ্পা মজুমদার এবং অভিনয়শিল্পী-উপস্থাপিকা তানিয়া হোসাইন বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (২৩ জুন) রাতে ঢাকা ক্লাবে বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন সম্পন্ন হয়। এতে বাপ্পা ও তানিয়ার পরিবারের সদস্যরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অভিনয় ও সংগীতজগতের ঘনিষ্ঠজনরা। গত ১৬ মে বাপ্পা মজুমদার ও তানিয়ার বাগদান হয়েছিল। উল্লেখ্য, এটি বাপ্পা-তানিয়া দুই জনেরই দ্বিতীয় বিয়ে।এর আগে ভালোবেসে ২০১০ সালের ৩০ মার্চ চলচ্চিত্র পরিচালক ও উপস্থাপক দেবাশীষ বিশ্বাসকে বিয়ে করেন তানিয়া। এক বছরের মাথায় সে বিয়ে ভেঙে যায়। আর বাপ্পা মজুমদার এর আগে বিয়ে করেছিলেন অভিনয়শিল্পী ও নৃত্যশিল্পী চাঁদনীকে। ২০০৮ সালের ২১ মার্চ বিয়ে করেন তারা। দীর্ঘ নয় বছর সংসারজীবনের পর ছাড়াছাড়ি হয় বাপ্পা-চাঁদনীর।
আমি শাকিবেই মগ্ন থাকতে চাই: বুবলী
এখন ঈদের ছবির নায়িকা মানেই বুবলী। কথাটি দর্শক-মন কাড়া এ নায়িকার। এ ঈদেও তার দুটি ছবি মুক্তি পেয়েছে। এ পর্যন্ত তার মুক্তি পাওয়া ছয়টি ছবির নায়কই শাকিব খান। আর বর্তমানে বুবলীর যে ছবি, মানে ক্যাপ্টেন খান-এর শুটিং চলছে তার নায়কও শাকিব। বুবলীর কথায় আপাতত আমি শাকিবেই মগ্ন থাকতে চাই। ২০১৩ সাল থেকে একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের সংবাদ পাঠিকা শবনম ইয়াসমিন বুবলী বসগিরি শিরোনামের চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় আলো ছড়ান। তার সৌভাগ্য, প্রথম ছবিতেই তার নায়ক ছিলেন ঢালিউডের শীর্ষ নায়ক শাকিব খান এবং এখন পর্যন্ত শাকিবের সঙ্গেই জুটি বেঁধে কাজ করছেন তিনি। এ জুটিকে দর্শক পরম মমতায় গ্রহণও করেছেন। ভাগ্যদেবী মনে হয় বুবলীর মাথার ওপর ছায়া হয়েই ছিলেন। শাকিবের সঙ্গে জুটি বাঁধতে গিয়ে তাকে নানা আলোচনা-সমালোচনা এবং মুখরোচক খবরের শিরোনাম হতে হয়েছে। এতে কিন্তু তার ফিল্ম ক্যারিয়ারের যোগফলে লাভের অঙ্কটাই যোগ হয়েছে বেশি। আলোচনা আর মুখরোচক গল্প দ্রুত তার পরিচিতি ও জনপ্রিয়তার পরিধি বাড়িয়ে দিয়েছে। মানে সবকিছুই ছিল তার জন্য শাপে বর। এবারের ঈদেও বুবলীর দুটি ছবি মুক্তি পেয়েছে এবং দর্শক আগ্রহ নিয়ে তার ছবি দেখতে ছুটে চলেছে। ছবি দুটি হচ্ছে সুপার হিরো এবং চিটাগাংইয়া পোয়া নোয়াখাইল্যা মাইয়া। এ দুটি ছবির মধ্যে সুপার হিরো ভিন্ন ট্র্যাকে নির্মাণ হওয়ায় ছবিটির প্রতি দর্শক আগ্রহ প্রবল। এ ছবিতে অ্যাকশন হিরো হিসেবে শাকিবের পাশাপাশি মারকুটে আর প্রেমময় তরুণী হিসেবে দ্বৈতরূপে বড় পর্দায় হাজির হওয়ায় ডাবল লুকের বুবলীকে দেখতে মুখিয়ে ওঠে দর্শক। সিনেমা হল মালিকরা বিষয়টি আঁচ করতে পেরে তাদেরও ছবিটির প্রতি আগ্রহ শতগুণে বেড়ে গিয়েছিল। কিন্তু বিধিবাম, নানা জটিলতায় ছবিটির গতিরোধ হতে বসেছিল। না, শেষ পর্যন্ত সব অশুভ শক্তি হারল আর অ্যাকশন গার্ল বুবলী বিজয় নিশান হাতে বড় পর্দায় এলেন। প্রথমে ১৬০টি সিনেমা হল বুকিং হয়ে গেলেও ছবিটির মুক্তি অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় সিনেমা হল মালিকরা হতাশ হয়ে অন্য ছবি নিতে বাধ্য হলেন। ঈদের মাত্র একদিন আগে সুপার হিরো সেন্সর ছাড়ের আলো দেখলে ৮০টি সিনেমা হলে এটি মুক্তি পায়। যমুনা শপিং মলের ব্লক বাস্টার সিনেমাস সূত্রে জানা যায়, ঈদের দিন থেকে প্রচুর দর্শক বুবলীর অন্যরকম রসায়নের সুপার হিরো দেখতে এ সিনেমা হলে ভিড় জমাতে থাকে। কিন্তু ছবিটি মুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে অন্য ছবি চালানোতে হতাশ হয়ে ফিরে গেছে বুবলীর ভক্তরা। এবারের ঈদের ছবির চিত্র হলো সারা দেশের দর্শক মারকুটে বুবলীকে দেখতে বারে বারে সুপার হিরোর কাছে ছুটে যাচ্ছে। আর দর্শকের এ আগ্রহের পারদ ঊর্ধ্বে লতিয়ে উঠায় দ্বিতীয় সপ্তাহে সুপার হিরো শতাধিক সিনেমা হলে দ্যুতি ছড়াচ্ছে। ঈদের আগে ইউটিউবে মুক্তির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সাড়া ফেলেছে শবনম বুবলী অভিনীত এ চলচ্চিত্রের একটি গান। এক দিনেই সুপার হিরো চলচ্চিত্রের বুম বুম গানটি সাড়ে ৬ লাখ বারের বেশি ভিউ হয়েছে। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন প্রতীক হাসান ও শাওরীন। ভাগ্যদেবীর আশীর্বাদপুস্ট রুপালি পর্দার ললনা বুবলী এমন সাফল্যে কি বলছেন। এরি মধ্যে কয়েকটি পত্র-পত্রিকায় দেওয়া সাক্ষাৎকারে শুধু ঈদের ছবি নয়, নানা বিষয়ে বেশ আমুদে কথাবার্তা বলেছেন তিনি। অনেক ধূম্রজালকে দূরে ঠেলতেও চেয়েছেন। এবার সেসব কথাই শোনা যাক। প্রথমেই ঈদের ছবির কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত বুবলী বলেন, সৃষ্টিকর্তার অপার করুণায় আনন্দ উৎসবের ঈদে দর্শক আমার ছবি দেখতে উদগ্রীব হয়ে ওঠে। এর চেয়ে আর বেশি কোনো প্রাপ্তি নেই আমার। অনেকেই আমাকে ঈদের নায়িকার খেতাবও দিয়ে ফেলেছেন। এবারের ঈদেও আমার মুক্তি পাওয়া ছবিগুলো বেশ জমে উঠেছে। দুটো ছবিতেই আমার দুধরনের চরিত্র ছিল। বেলাশেষে দেখলাম অ্যাকশন বুবলীর জন্য দর্শক সুপার হিরো ছবির পেছনে একটু বেশিই ছুটছেন। আমি ঈদের দিন মধুমিতা আর চম্পাকলিতে দর্শকের সঙ্গে বসে ছবি দুটো দেখেছি এবং দর্শক প্রতিক্রিয়ায় মুগ্ধ হয়েছি। বুবলীর কথায় এবারের ঈদটি তার দারুণ কেটেছে। অন্য সময় ছবির কাজে বাসায় সময় দিতে পারি না। ঈদে বেশিরভাগ সময় বাসাতেই ছিলাম, নিজ হাতে মেহমানদারি করাটা বেশ উপভোগ করেছি। বুবলী বলেন, গত তিন বছরে তার ছয়টি ছবি মুক্তি পেয়েছে। এগুলো হলো- বসগিরি, শুটার, অহংকার, রংবাজ, সুপার হিরো এবং চিটাগাংইয়া পোয়া নোয়াখাইল্যা মাইয়া। বুবলীর কথায়-আমার সৌভাগ্য, নিজের ফিল্মি ক্যারিয়ারটা অভিষেক হলো ঢালিউডের শীর্ষ নায়ক নবাব শাকিব খানের সঙ্গে। আর এখন পর্যন্ত আমার সব ছবির নায়কই শাকিব খান। আর তাই অনেকে আমাদের পর্দা রসায়নের ভাঁজে ব্যক্তিগত প্রেমের রসায়ন খুঁজে ফেরেন। এ পর্যন্ত আমার সব ছবির নায়ক শাকিব এবং ঈদে আমাদের ছবি বেশি মুক্তি পায় বলে অনেকে হয়তো এমনটি ভেবে থাকেন। আসলে শাকিব আমার খুব ভালো একজন বন্ধু ছাড়া আর কিছু নন। যখন একটি জুটির বেশ কয়েকটি ছবি একাধারে ভালো যেতে থাকে তখন তাদের নিয়ে প্রেমের গল্প চাউর হয়। আমাদের ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। এখন আমরা ক্যাপ্টেন খান ছবিটিতে কাজ করছি। আপাতত আমি শাকিবেই মগ্ন থাকতে চাই।
ঈদে শাকিব বুবলির বুম বুম
মুক্তির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সাড়া ফেলেছে শাকিব খান আর শবনম বুবলি অভিনীতি আসন্ন চলচ্চিত্রের একটি গান। শুক্রবার ইউটিউবে প্রকাশের পর থেকে ‘সুপার হিরো’ চলচ্চিত্রের ‘বুম বুম’ গানটি এরই মধ্যে সাড়ে ৬ লাখ বারের বেশি ভিউ হয়েছে। বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া মিলিয়ে শুটিং করা এ চলচ্চিত্রের প্রথম প্রকাশ হওয়া গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন প্রতীক হাসান ও শাওরীন। সংগীত পরিচালনা করেছেন নাভেদ পারভেজ। গানটি প্রকাশ হয়ে সাড়া ফেললেও এখনও চলচ্চিত্র মুক্তির দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি। একাধিক সূত্র বলছে, আসন্ন ঈদে ছবিটি মুক্তির প্রস্তুতি চলছে। শাকিব-বুবলি জুুটির নতুন এ চলচ্চিত্রি নিয়ে ভীষণ আশাবাদী সংশ্লিষ্টরা। ‘সুপার হিরো’তে শাকিব খান বুবলী ছাড়া আরও অভিনয় করেছেন তারিক আনাম খান, শম্পা রেজা, তাসকিন রহমান।