ওবায়দুল কাদেরের লেখা উপন্যাস নিয়ে চলচ্চিত্র
অনলাইন ডেস্ক: সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের লেখা উপন্যাস গাঙচিল অবলম্বনে এবার চলচ্চিত্র নির্মাণ করা হবে। উপন্যাসের সঙ্গে মিল রেখে ছবির দেয়া হয়েছে গাঙচিল। উপন্যাস গাঙচিল থেকে চিত্রনাট্য লিখছেন বাংলাদেশের মারুফ রেহমান একং ভারতের প্রিয় চট্টোপাধ্যায়। এ মাসের মধ্যে চিত্রনাট্য তৈরির কাজ পুরোপুরি শেষ হবে। ছবিটি পরিচালনা করবেন নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামূল। আগামী নভেম্বরে গাঙচিল ছবির শুটিং শুরু হবে। এই ছবিতে অভিনয় করবেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস। ২০১৫ সালের অমর একুশে গ্রন্থমেলায় প্রকাশিত হয় উপন্যাস গাঙচিল। সময় প্রকাশন থেকে প্রকাশিত এই উপন্যাসে নোয়াখালীর চরাঞ্চলের একটি গ্রামের মানুষের জীবনযাপন তুলে ধরেন ওবায়দুল কাদের। ওয়ান নিউজ বিডি
গুহা থেকে উদ্ধার কিশোরদের গল্প নিয়ে সিনেমা
অনলাইন ডেস্ক: থাইল্যান্ডের ১২ কিশোর ও তাদের ফুটবল কোচ গুহায় আটকে ছিলো ১৭ দিন। শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানের মাধ্যমে বন্দি অবস্থা থেকে তাদের জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এই উদ্ধার অভিযান সারা বিশ্বের মানুষদেরই অবাক করেছে। এবার কিশোরদের উদ্বার অভিযানের কাহিনী নিয়ে ছবি বানাতে চান হলিউডের দুই প্রযোজক মাইকেল স্কট ও অ্যাডাম স্মিথ। আন্তর্জাতিক গসিপ ম্যাগাজিন ভ্যারাইটি জানাচ্ছে, পিউর ফ্লিক্স এন্টারটেইনমেন্ট নামের একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থাই বালকদের আটকে পড়ার ঘটনা নিয়ে সিনেমা নির্মাণ করতে যাচ্ছে। এজন্য তারা থাই কর্তৃপক্ষের কাছে অনুমতির জন্য আবেদনও করেছে। প্রতিষ্ঠানটির সিইও ম্যাট স্কট নিজে উপস্থিত ছিলেন উদ্ধার অভিযানে। এ ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি হলিউড রিপোর্টারকে বলেছেন, যে সাহস ও নায়কোচিত উদ্ধার অভিযান আমি স্বচক্ষে দেখেছি তা নিয়ে সিনেমা হওয়া উচিত। এটি করতে পারলে আমাদের জন্য একটি অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। দুঃসাহসিক এ উদ্ধারকাজ দেখতে এসে অ্যাডাম স্মিথ জানান, সিনেমা বানানোর জন্য তিনি সেখানকার লোকদের সঙ্গে কথা বলেছেন। এছাড়া গুহায় আটকে থাকা পরিবারের সঙ্গেও কথা বলেন। স্মিত বলেন, সিনেমা বানানোর জন্য এটা দারুণ একটা গল্প ও প্রেক্ষাপট। তাই আগেভাগে আমরা চলে এসেছি। অন্য পরিচালকেরা যে কোন সময় চলে আসতে পারে। মার্কিন প্রযোজক স্কটের স্ত্রী থাইল্যান্ডের বাসিন্দা। বছরের তিন মাস থাইল্যান্ডে থাকেন তিনি। স্কট জনায়, স্বাভাবিকভাবে আমরা উদ্বেগে ছিলাম এতদিন। তাই কাউকে তেমন কোন প্রশ্ন করা হয়নি। তার সংস্থা পিওর ফ্লিক্স ফিল্ম কাজ করে মূলত অ্যারিজ়োনা ও লস অ্যাঞ্জেলেসে। এখন অবধি তাদের বানানো সবচেয়ে বড় ছবি গডস নট ডেড। ২০১৪ সালে তৈরি এই ছবিটি ৭ কোটি ডলার ব্যবসা করেছিল। স্কট আরও জানায়, আমাদের নতুন এ ছবির কেন্দ্রে থাকবেন দুই ব্রিটিশ ডুবুরি। যারা প্রথম ওই নিখোঁজ ১৩ জনের সন্ধান পেয়েছিলেন। স্কটের ভাষায়, এই গল্প বীরত্ব ও সাহসিকতার। আমাদের পরবর্তী সিনেমার জন্য যা আদর্শ। অবিশ্বাস্য অভিযান সারা বিশ্বের অসংখ্য মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে। সকলের জানা দরকার সত্যিকার এ ঘটনার। ব্যাংককে কেএওএস এন্টারটেনমেন্ট নামে একটি প্রযোজনা সংস্থা আছে হলিউড পরিচালক স্মিথের। তিনি বলেন, এখানে কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই, প্রত্যেকে আমরা প্রার্থণা করেছি ভালোভাবে উদ্ধারকাজ শেষ হোক এবং তা হয়েছে। এখন আমরা চাই সত্যিকার এ ঘটনা সবাই জানুক সিনেমার মাধ্যমে। এদিকে গত মঙ্গলবার ডিসকভারি চ্যানেল এই ঘটনার উপর একটি ডকুমেন্টারি নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে। যেটি প্রচারিত হবে আসছে শুক্রবার। উল্লেখ্য, থাইল্যান্ডের থাম লুয়াং গুহায় গত ২৩ জুন আটকা পড়েছিলেন ওয়াইল্ড বোরস ফুটবল দলের ১২ কিশোর খেলোয়াড় ও তাদের কোচ। তিন দিনের শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান শেষে তাদের সবাইকে উদ্ধার করা হয়। অালোকিত বাংলাদেশ
শেষপর্যন্ত বিয়ে সারলেন মিঠুন পুত্র
অনলাইন ডেস্ক:ধর্ষণ, প্রতারণা, পজার করে গর্ভপাতে বাধ্য করাসহ একাধিক অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও মিঠুন চক্রবর্তীর পুত্র মিমো বিয়ে শেষপর্যন্ত সেরেই ফেলেছেন। মঙ্গলবার এক সাদা মাঠা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দক্ষিণী অভিনেত্রী মাদালসাকে বিয়ে করেছেন মিঠুন পুত্র মহাক্ষয় চক্রবর্তী ওরফে মিমো। তাদের বিয়ের সেই ছবি সোস্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে। মিমো বর্তমানে জামিনে মুক্ত রয়েছেন। গত ৭ই জুলাই উটির হোটেলে মাদালসা ও মিমোর বিয়ের কথা থাকলেও সেদিন ওই হোটেলে পুলিস হাজির হওয়ার পরেই কনেপক্ষ অনুষ্ঠান স্থল ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। কিছুদিন আগেই মিমোর বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস, প্রতারণা ও জোর করে গর্ভপাত করতে বাধ্য করার অভিযোগ এনেছেন এক খোজপুরি অভিনেত্রী। পাশাপাশি প্রতারণা ও হুমকির অভিযোগ আনা হয়েছে মিঠুনের স্ত্রী যোগিতা বালির বিরুদ্ধেও। দিল্লির রোহিণী আদালতে উঠেছে এই মামলা। আদালত মিমো ও যোগিতা বালির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে এফআইআরের নির্দেশ দিয়েছে। বলা হয়েছে, এফআইআরে প্রতারণা ও জোর করে গর্ভপাতের অভিযোগও সামিল করতে হবে। অভিনেত্রীটির অভিযোগ, কাজের সূত্রে সে ২০১৫-র এপ্রিল মাসে মিমোর বাড়ি গিয়েছিলেন। তখন থেকে তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন মিমো। তারপর থেকে নিয়মিত তাদের মধ্যে সম্পর্ক হয়, মিমো তাকে বারবার বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিতেন। ই তরুণী গর্ভবতী হয়ে পড়লে মিঠুন পুত্র তাকে গর্ভপাতের ট্যাবলেট খাওয়ান। বলেন, এখন বাচ্চা হলে তার কেরিয়ার নষ্ট হবে। কিছুদিন আগে অভিযোগকারিণী যখন মিমোকে ফের বিয়ের কথা বলেন, তিনি নাকি তার কুষ্ঠী দেখতে চান। তারপর বলেন, বিয়ে হবে না কারণ কুষ্ঠী মিলছে না। ফোনে কথাবার্তার অংশ ও মিমোর সঙ্গে তার বিনিময় করা মেসেজও অভিযোগকারিণী আদালতে পেশ করেছেন। তবে দিল্লির আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন মিমো ও তার মা।
রণবীরের সঞ্জয় দত্ত হওয়ার গল্প
অনলাইন ডেস্ক: সাঞ্জু সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্তের জীবনের নানা ঘটনা নিয়ে। রাজকুমার হিরানি পরিচালিত চলতি বছরের অন্যতম আলোচিত সিনেমা এটি। গত ২৯ জুন ভারতে প্রায় চার হাজার এবং বিশ্বের ৬৫টির বেশি দেশে ১৩০০ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি। এরপর থেকেই বক্স অফিসে একের পর এক রেকর্ড গড়ে চলেছে সিনেমাটি। সিনেমাটিতে সঞ্জয় দত্তের চরিত্রে অভিনয় করেছেন রণবীর কাপুর। কিন্তু রণবীর কাপুরকে সঞ্জয় দত্ত হয়ে উঠতে অনেক কাঠ-খড় পোড়াতে হয়েছে। সঞ্জয় দত্ত হয়ে উঠার পেছনের সেই গল্প শুনিয়েছেন পরিচালক রাজকুমার হিরানি ও রণবীর কাপুর। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে এ প্রসঙ্গে রাজকুমার হিরানি বলেন, প্রথম চ্যালেঞ্জ ছিল সঞ্জয় দত্তের চরিত্রে কে অভিনয় করবেন? এমন একজনকে প্রয়োজন যে চেহারায়, কথাবার্তা ও আদবকায়দায় পুরোপরি সঞ্জয় হবেন। রণবীর সেই জায়গায় একশ-তে একশ পেয়েছেন। মূল রহস্য উন্মোচন করেছেন রণবীর কাপুর নিজেই। ঘটনা ২০১৬ সালের। হঠাৎ রাজকুমার হিরানির মেসেজ আসে রণবীর কাপুরের মুঠোফোনে। চমক শুরু তখন থেকেই। প্রথমে চরিত্রটির জন্য রাজি ছিলেন না রণবীর। পরে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেন তিনি। তারপর শুরু হয় যুদ্ধ। পুরোপুরিভাবে সঞ্জয় দত্ত হয়ে উঠার আগে একের পর এক লুক টেস্ট বাতিল করা হয়। প্রস্থেটিক মেকআপের জন্য দিনে ছয় ঘণ্টা পোজ দিতে হতো রণবীকে। প্রথমে শুরু হয় সঞ্জয় দত্তের মতো চেহারা ফুটিয়ে তোলার লুক টেস্ট। এ প্রসঙ্গে রণবীর কাপুর বলেন, প্রতিদিন অন্তত ছয় ঘণ্টা প্রস্থেটিক মেকআপ টিমের সঙ্গে আলোচনায় বসতে হতো। একের পর এক লুক টেস্ট বাতিল হয়েছে। চূড়ান্ত লুক প্রকাশ্যে আসার আগে কমপক্ষে ছয়বার আমার লুক বদল করা হয়েছে। ছয় ঘণ্টা চেয়ারে বসে পোজ দিয়েছি। মেকআপ নিয়ে আলোচনা করেছি। কিন্তু দিন শেষে বলা হতো টেক ক্যানসেল। পরের দিন একইভাবে আবার বসতে হতো। লুক টেস্টের পর শুরু হয় শারীরিক কসরত। রণবীর বলেন, প্রতিদিন রাত ৩টায় উঠে এক গ্লাস প্রোটিন শেক খেতে হতো। তারপর ৮-৯টার মধ্যে মিল। সেই সঙ্গে জিম সেশন। জিম করা আমার একেবারেই অপছন্দের। তবে এই বায়োপিকে চেহারার খুবই গুরুত্ব রয়েছে। সঞ্জয় দত্তের মতো পেশি বানাতে আমাকে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ নিতে হয়েছিল। মাস খানেকের চেষ্টায় চেহারার পরিবর্তন দেখে নিজেই খুব অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। আমার শরীরে পেশির ঢেউ খেলছিল। জীবনে এমন চেহারার কথা ভাবিনি। সেটে সবাই আমাকে দেখে বলেছিল, এবার আমরা সফল হতে চলেছি।আলোকিত বাংলাদেশ
ববিতার তিনটি চাওয়া প্রধানমন্ত্রীর কাছে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে তিনটি আবেদন করেছেন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ববিতা। তা হলো- নায়ক রাজ্জাকের নামে ফিল্ম ইনস্টিটিউট বা আর্কাইভ করা, শিল্পীদের জন্য বাসস্থান, চলচ্চিত্রের উন্নয়নের জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবস্থা করা। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে অনুভূতি প্রকাশ করার সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবেদনগুলো পেশ করেন ববিতা। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের ৪১তম আসরে রোববার (৮ জুলাই) সন্ধ্যায় ববিতার হাতে আজীবন সম্মাননা পদক তুলে দেন প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা। চলচ্চিত্রে নায়করাজের অবদানের কথা উল্লেখ করে ববিতা বলেন, আমি চাই প্রয়াত শিল্পী নায়করাজ রাজ্জাকের নামে একটি ইনস্টিটিউট হোক। কিংবা তাকে নিয়ে একটি ফিল্ম আর্কাইভ প্রতিষ্ঠা করা হোক। চলচ্চিত্র শিল্পীদের পক্ষ থেকে তিনি বলেন, শিল্পীদের জন্য স্বল্পমূল্যের বাড়ি দরকার। চলচ্চিত্রের উন্নয়নে আধুনিক যন্ত্রপাতিরও প্রয়োজন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার প্রত্যাশা এটুকুই। রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এই আসরে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সন্ধ্যা ৬টা ২২ মিনিটে অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর ২০১৬ সালে মুক্তি পাওয়া ছবিগুলোর মধ্য থেকে সেরা কাজের জন্য ২৫টি বিভাগে মোট ৩১ জন বিজয়ীর হাতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের ক্রেস্ট, মেডেল ও চেক তুলে দেন তিনি। এ সময় তার দুই পাশে ছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু ও তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।এবারের আসরে যৌথভাবে আজীবন সম্মাননা পান আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অভিনেত্রী ববিতা ও মিয়া ভাইখ্যাত অভিনেতা ফারুক।
বলিউডে অভিষেক হতে যাচ্ছে অভিনেত্রী শ্রীদেবীর কন্যা জানভি কাপুরের
ধড়ক সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হতে যাচ্ছে অভিনেত্রী শ্রীদেবী ও নির্মাতা বনি কাপুর দম্পতির বড় মেয়ে জানভি কাপুরের। কয়েকদিন বাদেই মুক্তি পাবে সিনেমাটি। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে জানভি কাপুর ধড়ক সিনেমা, তার অভিনয়ে আসাসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেছেন তিনি। জানভি জানিয়েছেন, তার অভিনয়ে আসার সিদ্ধান্তে খুব বেশি খুশি ছিলেন না শ্রীদেবী। অভিনেত্রী হওয়ার বিষয়টি প্রথম কখন মাথায় আসে? সাক্ষাৎকারে এমন প্রশ্নের উত্তরে জানভি বলেন, যখন ছোট ছিলাম নিজে নিজে গল্প বানাতাম এবং চরিত্রগুলোতে অভিনয় করতাম। মনে আছে স্কুলে আমি কৌতুক করতাম। আমার জীবনে সিনেমার অনেক প্রভাব ছিল। সিনেমার প্রতি আমার সবসময় ভালোবাসা কাজ করত। এছাড়া লেখালেখি ও ইতিহাস চর্চার বিষয়টিও আমার ভালো লাগত। আমি সবগুলোর কোর্স করতে চেয়েছিলাম কিন্তু যখন অভিনয় কোর্স শুরু করলাম বুঝতে পারলাম, এটির প্রতিই আমার ভালোবাসা বেশি। শ্রীদেবীকেই প্রথম অভিনেত্রী হওয়ার ইচ্ছাটি জানিয়েছিলেন জানভি। তবে তিনি খুশি হননি। জানভি বলেন, আমি মাকে প্রথম বিষয়টি জানাই। তিনি বলেছিলেন,তোমার সিদ্ধান্তটি পুনরায় ভেবে দেখ।তিনি সবসময় মনে করতেন আমি খুব সহজসরল। বাবা-মা সবসময় আমার ব্যাপারে খুবই যত্নশীল। তারা ভাবতেন, সিনেমা নির্মাণের নন-ক্রিয়েটিভ বিষয়ের সঙ্গে আমি মানাতে পারব না। মা খুব বেশি খুশি ছিলেন না। তিনি মনে করতেন সন্তানদের সহজ একটি জীবন দেয়ার জন্য তিনি অনেক কষ্ট করেছেন। কিন্তু আমি সেটি চাইনি, পরিপূর্ণ একটি জীবন চেয়েছি। আমি বাস্তব জীবনে সংগ্রামে করার অভিজ্ঞতা চেয়েছি। আমি যা কিছু পেয়েছি সেজন্য কৃতজ্ঞ। কিন্তু আমি আরো কিছু চাই। অভিনয় জগতে আসার জন্য বাবা-মাকে কীভাবে রাজি করিয়েছেন? প্রশ্ন করা হলে ধড়ক অভিনেত্রী বলেন, আমাকে খুব বেশি কিছু করতে হয়নি কারণ তারা জানতেন আমি এ বিষয়ে সিরিয়াস। তারা আমাকে শুধু একটি কথা বলেছেন-অভিনয় মানে সুন্দর চেহারা আর সংলাপ বলা নয়। আমি এটা জানতাম এবং এটিই করতে চেয়েছি। আমার বাবা-মা আমাকে সুন্দর একটি জীবন দিয়েছেন। অভিনয়ের মাধ্যমে আমি জীবনের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা অর্জন এবং আমার অভিব্যক্তিগুলো প্রকাশ করতে পারব। এজন্যই আমি এই পেশা বেছে নিয়েছি। এটি আমার ওয়ান ওয়ে টিকেট, যার দ্বারা আমি সবকিছু করতে পারব। ২০১৬ সালের ব্লকবাস্টার হিট মারাঠি ভাষার সাইরাত সিনেমার হিন্দি রিমেক ধড়ক। করন জোহরের ধর্মা প্রোডাকশনের ব্যানারে সিনেমাটি পরিচালনা করছেন শশাঙ্ক খাইতান। আগামী ২০ জুলাই এটি মুক্তির কথা রয়েছে।
পুরুষ সাংবাদিককে চুমু লাইভে
বিশ্বকাপের সরাসরি প্রচারিত সংবাদে এক পুরুষ সাংবাদিককে চুমু দিয়েছেন দুই নারী। উত্ত্যক্তের শিকার ওই সাংবাদিকের নাম কোন কোয়াল ইয়েল। তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার টিভি চ্যানেল এমবিএন-এ কাজ করেন। তিনি রাশিয়া থেকে বিশ্বকাপ ফুটবলের খবর সরাসরি দক্ষিণ কোরিয়ায় জানাচ্ছিলেন। এসময় এক নারী অতর্কিত তাকে চুমু দেন। এর পরেও স্বাভাবিক ছিলেন ওই সাংবাদিক। কিন্তু অন্য পাশ থেকে আরেক ভক্ত তাকে চুমু দিলে তিনি কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন। আর তার অপ্রস্তুত অবস্থার সুযোগ নিয়ে ওই দুই নারী অট্টহাসিতে ফেটে পড়েন। এর আগে নারী সাংবাদিকদের চুমু দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু কোন পুরুষ সাংবাদিককে নারীর চুমু দেয়ার ঘঠনা এই প্রথম। এ সপ্তাহের শুরুতে স্পেনের সাংবাদিক মারিয়া গোমেজকে সরাসরি প্রচারিত সংবাদে চুমু দেন এক ব্যক্তি। কিন্তু সাংবাদিক গোমেজ এতে মোটেই অপ্রস্তুত ছিলেন না।
৩ আগস্ট মুক্তি পাচ্ছে ঐশ্বরিয়ার -ফ্যানি খান ছবি
ফ্যানি খান ছবি দিয়ে বড় পর্দায় ফিরছেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। ছবিটি আগামী ৩ আগস্ট মুক্তি পাচ্ছে। ছবিতে একজন মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন ঐশ্বরিয়া। যিনি তার মেয়েকে যে কোনো মূল্যে সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চান। ঐশ্বরিয়ার পছন্দ না হওয়ায় ছবির আইটেম গানের কথা পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছিলেন পরিচালক ও গীতিকার। নারীদের অবমাননা করে বিভিন্ন শব্দ ব্যবহার করায় ফেভিকল সে গানটি নিয়ে বেশ বিতর্ক হয়েছিল। জানা গেছে, সেই গানটির সঙ্গে মিল নিজের ছবির গানটির মিল থাকায় আপত্তি করেন ঐশ্বরিয়া। পরে তাতে পরিবর্তন করা হয়। ফ্যানি খান ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন অনিল কাপুর ও রাজকুমার রাও। গুঞ্জন আছে অস্কারে মনোনয়ন পাওয়া ডাচ ছবি এভরিবডিস ফেমাস ছবির অনুকরণে এ ছবিটি নির্মাণ করা হয়েছে।
২৭ শে জুলাই মুক্তি পাচ্ছে :মেঘকন্যা
জনপ্রিয় অভিনেতা ফেরদৌস ও নবাগত নিঝুম রুবিনা অভিনীত মেঘকন্যা মুক্তি পাচ্ছে ২৭ জুলাই। ২০১৫ সালের নভেম্বর মাসে মেঘকন্যা ছবির শুটিং হয়েছিল। ফেরদৌস বলেন,মেঘকন্যা ভালো গল্পের ছবি। নিঝুম রুবিনার সঙ্গে এটি আমার তৃতীয় কাজ। তার সঙ্গে কাজ করে মনে হয়েছে নতুনদের মধ্যে সে সম্ভাবনাময়ী। মনোযোগ দিয়ে কাজ করলে সে অনেকদূর যেতে পারবে। নিঝুম রুবিনা বলেন,লম্বা সময় পর মুক্তির ফলে কোনো প্রভাব পড়বে বলে আমি মনে করি না। এই ছবিটা যদি আরও পরে মুক্তি পায় তাও অসুবিধা হবে মনে করি না। কারণ এটা গল্পপ্রধান ছবি। পরিচালক মিনহাজ অভি বলেন,মেঘকন্যা দেখলে সমাজের প্রতিটি মানুষ নিজেকে খুঁজে পাবেন। ছবি শেষ পর্যন্ত দেখলে দর্শক একটা বড় ধাক্কা খাবেন। ফেরদৌস-নিঝুম রুবিনার ছাড়াও এই ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন সুচরিতা, শম্পা হাসনাইন, ঋদ্ধ প্রমুখ।