বুধবার, নভেম্বর ২১, ২০১৮
বিশ্ব টয়লেট দিবস আজ
অনলাইন ডেস্ক: বিশ্ব টয়লেট দিবস আজ (সোমবার)। প্রতিবছর ১৯ নভেম্বর দিবসটি পালন করা হয়। শতভাগ টয়লেট সুবিধা নিশ্চিতকরণের বিষয়টি মাথায় রেখে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ দিবসটি পালন করে থাকে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হচ্ছে। দেশের স্যানিটেশন কার্যক্রমকে শতভাগ সফলের দাবি নিয়ে বাংলাদেশ ওয়াশ অ্যালায়েন্স আজ দিবসটি পালন করবে। দিবসটিতে ওয়াশ অ্যালায়েন্স তার সদস্য সংগঠন ডরপ, আশা, ওয়াটার এইডসহ অন্যান্য সংগঠনের সমন্বয়ে রাজধানীতে র;্যালি ও পথসভার আয়োজন করেছে। উল্লেখ্য, ২০০১ সালে বিশ্বে টয়লেট ব্যবহার ও স্যানিটাইজেশন সম্পর্কে ক্যাম্পেইন শুরু করে ওয়ার্ল্ড টয়লেট অর্গানাইজেশন। এরপর থেকে প্রতি বছর ১৯ নভেম্বর পালিত হয়ে আসছে বিশ্ব টয়লেট দিবস।
আওয়ামী লীগের প্রার্থী তারিন ,জানান আমি প্রস্তুত
অনলাইন ডেস্ক :ছোটপর্দার প্রিয়মুখ তারিন জাহান। অভিনয় দিয়ে কয়েক দশক ধরেই মাতিয়ে রেখেছেন তিনি। বর্তমানে খুব একটা নিয়মিত নন। মাঝেমধ্যই দেখা দেন নাটক-টেলিছবি ও বিজ্ঞাপনে। এই অভিনেত্রীর ভক্তদের জন্য এবার নতুন খবর হলো আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছেন তিনি। মনোনয়নপত্রও সংগ্রহ করেছেন তিনি। সম্প্রতি একটি লাইভে গিয়ে নিজেই এই তথ্য জানান। তখন থেকেই বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারিন নিশ্চিত করে বলেন, আমি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছি। তিনি জানান, ঢাকা-১০ আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র কিনেছেন তিনি। সরাসরি রাজনীতিতে যুক্ত হওয়া প্রসঙ্গে তারিন বলেন,আমি ছোটবেলা থেকেই আওয়ামী লীগের রাজনীতির আদর্শ লালন করেছি। দেশপ্রেম বলুন, মুক্তিযুদ্ধের প্রতি দায়বোধ বলুন সব আমি এখানে পেয়েছি। এদেশে অনেক বড় বড় রাজনীতিবিদ জন্মেছেন। তবে এই মুহূর্তে আমার চোখে সেরা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার মতো রাষ্ট্রনায়ক আমাদের হাতে এখন আর নেই। তাই আমি তার নেতৃত্বেই দেশ সেবার সাথে যুক্ত হতে চাই। সেজন্য আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়েছি। মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে কতোটা আশাবাদী এমন প্রশ্নে তারিন বলেন, সেটা নিতান্তই নির্ভর করছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপর। তিনি যদি মনে করেন আমাকে দিয়ে দেশ ও আওয়ামী লীগের উপকার হবে তবে তিনি আমাকে মনোনীত করবেন। আমি প্রস্তুত নিজেকে দেশ ও মানুষেরার সেবায় নিয়োজিত রাখতে। আমার অনেক পরিকল্পনা আছে। নির্বাচিত হলে সেগুলোর বাস্তবায়ন করবো।
নতুন বউয়ের গন্ধ না যেতেই সুখবর পেলেন নববধূ দীপিকা পাড়ুকোন
অনলাইন ডেস্ক: গা থেকে নতুন বউয়ের গন্ধ না যেতেই সুখবর পেলেন নববধূ দীপিকা পাড়ুকোন। আগামী বছরের শুরতেই লন্ডনের মাদাম তুসো জাদুঘরে উদ্বোধন হচ্ছে বলিউডের এই সুপারস্টারের মোমের মূর্তি। চলতি বছরের জুলাইয়ে দীপিকার মূর্তি তৈরির ঘোষণা দিয়েছিল মাদাম তুসো কর্তৃপক্ষ। তবে সেটির উদ্বোধন কবে হবে সেটা জানা যায়নি এতদিন। সম্প্রতি একটি টুইট বার্তায় মাদাম তুসো কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এই খবরকে দীপিকার ভক্তরা তার বিয়ের উপহার হিসেবে মনে করছেন। অনেকে মনে করছেন, মাদাম তুসোর মতো একটি বিশ্ব বিখ্যাত মিউজিয়ামে দীপিকার মূর্তি উদ্বোধনের ঘোষণা তাদের তরফ থেকে নায়িকার বিয়ের সম্মান ও উপহার। মূর্তিটি প্রথম উদ্বোধন হবে লন্ডনে। কাজেই বলা যায়, বলিউড মাস্তানির বৃহস্পতি এখন তুঙ্গে। কারণ একের পর এক পালক তার মুকুটে এসে যুক্ত হচ্ছে। তবে জীবনের সবচেয়ে দামি উপহারটা পেয়েছেন কয়েকদিন আগেই। একান্ত আপন করে পেয়েছেন মনের মানুষ রণবীর সিংকে। গত ১৪ ও ১৫ নভেম্বর দুইদিনে দুইবার বিয়ে করেছেন এই সুপারস্টার জুটি। ১৪ তারিখে তাদের প্রথম বিয়েটা হয় কোঙ্কনি প্রথায়। পরের দিন সিন্ধ্রি রীতি মেনে আবার বিয়ে করেন দীপিকা-রণবীর। বিয়ের আসর বসেছিল ইতালির কোমো লেকের ধারে ভিলা দেল বালবিয়ানেলো নামে রাজকীয় এক প্রাসাদে। তবে নবদম্পতির বিয়ের ছবি বা ভিডিও কেউ তুলতে পারেনি। আমন্ত্রিত অতিথিরা অনুষ্ঠান স্থলে ঢোকার পথেই তাদের মোবাইল ফোনে একটি স্টিকার মেরে দেয়া হয়েছিল। বর এবং কনের বিশেষ বিশেষ মুহূর্তগুলোকে বন্দি করার জন্য ছিল পেশাদার ফটোগ্রাফার। কেননা বিয়ের ছবিগুলো খুব শিগগির নিলামে তোলা হবে। তা থেকে যে টাকা আসবে সেটা দীপিকারই প্রতিষ্ঠিত দ্য লিভ লাভ লাফ ফাউন্ডেশননামে একটি দাতব্য সংস্থাকে দেয়া হবে।
হিন্দির পাশাপাশি বাংলা ছবিতে ও কাজ করতে চান আলিয়া ভাট
বিনোদন ডেস্ক: গ্ল্যামার আর অভিনয়ের জাদুতে ইতোমধ্যেই বলিউডে নিজের অবস্থান অনেকটা পোক্ত করে ফেলেছেন প্রযোজক-পরিচালক মহেশ ভাটের কন্যা আলিয়া ভাট। তবে বলিউডেই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখতে চান না এই অভিনেত্রী। ভালো গল্প ও সুযোগ পেলে বাংলা ছবিতেও কাজ করতে চান তিনি। বাবা মহেশ ভাট ও মা সোনি রাজদানের ছবি ইয়োর্স ট্রুলি-র প্রচারে কলকাতায় এসে এমন ইচ্ছা ব্যক্ত করেন আলিয়া। ভবিষ্যতে বাংলা ছবি করার আগ্রহ আছে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে নায়িকা বলেন, অবশ্যই। হিন্দির পাশাপাশি ভারতের সবরকম ভাষার ছবিতে কাজ করার আগ্রহ আছে। বাংলায় কাজ করতে চাই সৃজিতের (পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়) সঙ্গে। যদি তেমন প্রস্তাব আসে অবশ্যই ভেবে দেখব। নিজের বাবা-মার ছবির বিষয়ে তিনি বলেন, সঞ্জয় নাগের এই ছবিটা আমি আগেই দেখেছি। বেশ ব্যতিক্রমী গল্প। সেই গল্প বলার ধরণটাও একটু অন্যরকম। তার ওপর বাবা-মা একসঙ্গে এই ছবিতে অভিনয় করলেন। এই প্রথম মা সিনেমায় মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। কাজেই কলকাতায় না এসে কি পারি? কলকাতায় আসার অনুভূতি জানাতে গিয়ে আলিয়া বলেন, কলকাতায় পা দিয়েই ইনস্টাগ্রামে নিজের ছবি পোস্ট করেছি। লিখেছি, আবার ফিরে এলাম প্রিয় শহরে। মানুষ তো বটেই, এই শহরের খাবারও আমার ভাল লাগে। হোটেলে এসেই সব্জি আর সরষে দিয়ে মাছ দারুণ তৃপ্তি করে খেয়েছি। হোটেল থেকে বলেছিল সন্দেশ দেবে। তবে ওজন বাড়ার ভয়ে সেটা আর খাইনি।
সেই নম্রতাকে মনে আছে কি?
অনলাইন ডেস্ক: দেখতে সুন্দরী। অভিনয়টাও ভালোই করতেন। তবুও তেমন ভাবে দাগ কাটতে পারেননি বলিউডে। এখন পুরদস্তুর গৃহিণী নম্রতা শিরোদকর। দুই সন্তানের মা-ও। স্বামী বিখ্যাত অভিনেতা। তবে তিনি নিজে প্রচারের আলো থেকে অনেক দূরে। মারাঠি পরিবারে জন্ম নম্রতার। ম়ডেলিংয়ের হাত ধরে গ্ল্যামার জগতে প্রবেশ। ১৯৯৩ সালে মিস ইন্ডিয়া হন। দিদি শিল্পা শিরোদকরও একসময় অভিনেত্রী হিসাবে জনপ্রিয় ছিলেন। ঠাকুমা মীনাক্ষী শিরোদকর মারাঠি ছবির ডাকসাইটে অভিনেত্রী ছিলেন। ১৯৩৮ সালে সুইমস্যুট পরে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন সকলকে। এ ছাড়াও চুটিয়ে থিয়েটার করতেন। ১৯৯৮ সালে সালমান খানের বিপরীতে জব প্যায়ার কিসিসে হোতা হ্যায় ছবির মাধ্যমে বলিউডে পা রাখেন নম্রতা। যদিও অক্ষয় কুমার এবং সুনীল শেট্টির বিপরীতে পূরব কি লায়লা পশ্চিম কি ছ্যায়লা ছবিতেই প্রথম অভিনয় করেন। তবে সেটি মুক্তি পায়নি। মাত্র কয়েক বছরের ক্যারিয়ারে বাস্তব, পুকার,অস্তিত্ব,কচ্চে ধাগে-র মতো জনপ্রিয় ছবি উপহার দিয়েছেন তিনি। তবে তার পর আর হিটের মুখ দেখেননি। নম্রতার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও কম আলোচনা হয়নি। এক রেস্তরাঁ মালিক দীপক শেট্টির সঙ্গে প্রথমে নাম জড়ায় তাঁর। পরে বাস্তব ছবির পরিচালক, মহেশ মঞ্জরেকরের সঙ্গেও সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন বলে শোনা যায়। তবে তেলুগু ছবিতে অভিনয় করতে গিয়েই পাল্টে যায় তাঁর জীবন। তেলুগু সুপারস্টার মহেশবাবুর প্রেমে পড়েন তিনি। দীর্ঘ ৫ বছর লুকোছাপার পর ২০০৫ সালে বিয়ে করেন তাঁরা। বিয়ের পর অভিনয় ছেড়ে দেন নম্রতা। মন দেন ঘর-সংসারে। ২০০৬ সালে পুত্র সন্তানের জন্ম দেন তিনি। ছেলের নাম রাখেন গৌতম কৃষ্ণ। কিন্তু তার পরই মনোমালিন্য দেখা দেয় দু-জনের মধ্যে। ঝামেলা এমন আকার ধারণ করে যে মহেশবাবুর বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যান নম্রতা। তবে দুই পরিবারের চেষ্টায় শেষ পর্যন্ত ঝামেলা মেটে তাঁদের। ফের একসঙ্গে থাকতে শুরু করেন। ২০১২ সালে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন নম্রতা। মেয়ের নাম রেখেছেন সিতারা। তবে ছেলেমেয়ে বড় হয়ে গেলেও, অভিনয় জগতে ফেরার কোনও ইচ্ছা নেই তাঁর। খবর আনন্দ বাজারের।
বিয়ে করতে যাচ্ছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী অঙ্কিতা মজুমদার
অনলাইন ডেস্ক: কলকাতার সিরিয়ালের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অঙ্কিতা মজুমদার বিয়ে করতে যাচ্ছেন। গত বুধবার সন্ধ্যায় কলকাতায় বাগদান পর্ব সেরেছেন তিনি। এরই মধ্যে বিয়ের ছবি নিয়েই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন অঙ্কিতা। তার হবু বর সৌমিত্র পাল পেশায় একটি সফটওয়্যার কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠাতা। তিনি বেঙ্গালুরুতে বসবাস করেন। তাদের পরিচয় বছর খানেক আগে। আগামী ২৮ জানুয়ারি বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন অঙ্কিতা-সৌমিত্র। ফেসবুকে ছবি শেয়ার করে অঙ্কিতা লিখেছেন, এটা লাভ ম্যারেজ নাকি অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ, কি বলবো আমি জানি না। এক বছর আগে ম্যাট্রিমনিয়াল সাইটের মাধ্যমে আমাদের পরিচয়। তারপর বন্ধুত্ব। সৌমিত্রর বাবা-মা গুয়াহাটিতে থাকেন। ও বেঙ্গালুরু। বিয়ের পর আমি যাওয়া-আসা করবো। কারণ কলকাতাতেই মূলত আমার কাজ। আর কাজ বন্ধ করার কোনও প্রশ্নই নেই। জানা গেছে, বাগদান অনুষ্ঠানে শুধুমাত্র আত্মীয় ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা উপস্থিত ছিলেন। বিয়েতে অভিনয় জগতের বন্ধুদেরও আমন্ত্রণ জানাবেন অঙ্কিতা। আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে। এই মুহূর্তে ভূমিকন্যা ধারাবাহিকে কাজ করছেন অঙ্কিতা। জড়োয়ার ঝুমকো ধারাবাহিকে অভিনয় করে দর্শকের মাঝে পরিচিতি পান তিনি।
হিরো আলম এমপি হতে চাইলে সবার মাথা ব্যাথা বেড়ে যায় !
অনলাইন ডেস্ক: অন্য সেলিব্রেটিরা এমপি হতে চাইলে কারও মাথা ব্যাথা হয় না, কিন্ত হিরো আলম এমপি হতে চাইলে সবার মাথা ব্যাথা বেড়ে যায়। অনেকেই আমাকে বিভিন্ন কথা বলবে। তাদের কথা শুনলে আমি এমপিও হতে পারব না মন্ত্রীও হতে পারব না। ফেসবুক লাইভে এমনটাই ক্ষোভ প্রকাশ করেন হিরো আলম বলেন, স্বপ্ন দেখা সহজ বাস্তব করা কঠিন। তিনি বলেন, আমি একদিক দিয়ে দুর্বল সেটা হলো আমার চেহারা। আমি দেখতে খারাপ। বড় বড় সেলিব্রেটিরা চেহারা সুন্দর বলেই কি তারা এই জায়গায় আসতে পারবে আমার চেহারা সুন্দর না বলে কি আমি এমপি মন্ত্রী পদে আসতে পারবনা। আমাদের মিডিয়ায় কেউ সিলিব্রেটি হলে, তাকে নিয়ে কথা হবেই। আমি হিরো এটা আমার একটা পরিচয়, আবার রাজনীতি আমার আরেকটা পরিচয়। কেউ এটা নেগেটিভলি নেবে আবার কেউ পজেটিভলি নেবে সেটা তাদের ব্যাপার। আবার অনেকে বলে হিরো আলম ঠিকমত কথা বলতে পারেনা সে কেন এমপি হবে। আমি তাদের বলতে চাই আপনারা যেভাবে সুযোগ সুবিধা পেয়েছেন হিরো আলম সেইভাবে সুযোগ সুবিধা পেলে আজ আপনাদের মত ভাল প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করত। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আলোচিত হিরো আলম জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন ফরম কিনেছেন তিনি। মনোনয়নপত্র কিনে আবারো ব্যাপকভাবে আলোচনায়ে এসেছেন কেবল ব্যবসায়ী থেকে উঠে এসে বলিউড অভিনেতা বনে যাওয়া আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম। এর আগে গতকাল সোমবার তিনি বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পাটির লাঙল মার্কায় নির্বাচন করার জন্য মনোনয়নপত্র কেনেন। জানা গেছে, মঙ্গলবার দলের কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে সেই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তিনি।
কঙ্কনি রীতি মেনে বিয়ে করলেন রণবীর-দীপিকা
অনলাইন ডেস্ক: ইতালির লেক কোমোয় গতকাল বুধবার কঙ্কনি রীতি মেনে বিয়ে করলেন দীপিকা পাড়ুকোন এবং রণবীর সিং। ক্যামেরার ঝলকানি রুখতে আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা ব্যবস্থার আয়োজন করেছিলেন পাত্র-পাত্রী। তবে ফটো সাংবাদিকদের নজর এড়ায় কে? শেষমেশ সামনে এল বেশ কিছু ছবি। তাতে ফুটে উঠেছে দীপিকা-রণবীরের বিয়ের কিছু মুহূর্ত। বিয়ের মূল অনুষ্ঠানের দিকে এগিয়ে চলেছেন অতিথিরা। কড়া নিরাপত্তার মোড়কে বিয়ের অনুষ্ঠানটি সারতে স্থানীয় ইতালীয় নিরাপত্তা সংস্থাকেই বেছে নিয়েছেন দীপিকা-রণবীরের পরিবার। তবে অতিথিদের মোবাইল ফোনের ক্যামেরা স্টিকার দিয়ে আটকে দেওয়া হয়েছে, যাতে কেউ গোপনে ছবি তুলতে না পারেন। বলিউড ফোটোগ্রাফার ভাইরাল ভয়ানি একটি ছবি শেয়ার করেছেন তাঁর ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে। যে ছবিতে বোট থেকে নেমেই বিয়ের আসরের দিকে হেঁটে যাচ্ছেন দীপিকার মা উজালা পাড়ুকোন এবং বোন অনিশা পাড়ুকোন। শাল মুড়ি দিয়ে বিয়ের আসরে হেঁটে-চলে বেড়াচ্ছেন কন্যার বাবা প্রকাশ পাড়ুকোন। পাত্র রণবীর সিংয়ের দিদি ঋতিকা ভবনানিকেও দেখা গিয়েছে খোশমেজাজে মূল অনুষ্ঠানের দিকে এগিয়ে যেতে। গোটা পাত্রপক্ষ বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য অপেক্ষায় রয়েছেন ইতালির লেক কোমোয় ভিলা দেল বালবিয়ানেলোতে। পাত্র রণবীরও রয়েছেন এ ছবিতে। রয়েছেন রণবীরের বাবা জগজিৎ সিং ভবনানিও। বিয়ের পর খোশমেজাজে নবদম্পতি। বিয়ের ঠিক পরেই দীপিকা এবং রণবীরের এই ছবিটিই সামনে এসেছে। পাত্র রণবীরের পরনে সোনার কাজ করা শেরওয়ানি। তবে পাত্রী দীপিকার একটিও ছবি এখনও পর্যন্ত চোখে পড়েনি।
জিতবে কে? ঢাকা না কলকাতা?
অনলাইন ডেস্ক :মঞ্চ একটি। ৩০ জন তারকা। দুই বাংলার দুই বিচারক। দুই উপস্থাপক। প্রতিযোগিতা শুরু হলো। জিতবে কে? ঢাকা না কলকাতা? এমনি প্রশ্ন রেখে নাগরিক টিভিতে গত মাস থেকে শুরু হয় বাজলো ঝুমুর তারার নূপুর নামের প্রতিযোগিতা মুলক তারকাদের লড়াই এর অনুষ্ঠান। এই লড়াইয়ে সামিল হয়েছে দর্শকরার। দর্শকদের মধ্যে সাড়া জাগিয়েছে নাগরিক টিভির রিয়েলিটি শো বাজলো ঝুমুর তারার নূপুর। এটি টেলিভিশন ভিওয়ার্স রিপোর্টে (টিআরপির টিভিআর) শীর্ষে অবস্থান করছে বলে জানিয়েছে চ্যানেলটি। চ্যানেলটির তথ্যমতে, গত সপ্তাহের (৪৪তম সপ্তাহ) রিপোর্টে দেখা যায়, নাচের অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে মোট টিভিআর ০.১৮৩১ নিয়ে শীর্ষস্থান দখল করে আছে এ অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানের এমন সাফল্যে চ্যানেলটির অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান কামরুজ্জামন বাবু বললেন, এ অনুষ্ঠানটি নতুন ধরনের একটি উদ্যোগ। প্রত্যাশা ছিলো দর্শক অনুষ্ঠানটি গ্রহণ করবেন। ভাল লাগছে সত্যি অনুষ্ঠানটি দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে দেখে। আবারো প্রমাণ হল যে, অনুষ্ঠান ভাল হলে তা দর্শক গ্রহণ করবেন। বাংলাদেশ এবং কলকাতার টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রশিল্পীদের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করতে ও দুই বাংলার সংস্কৃতির ঐতিহ্যের ধারা দুই বাংলার টেলিভিশন দর্শকদের মাঝে তুলে ধরার জন্য বাজলো ঝুমুর তারার নূপুর প্রচার করছে নাগরিক টিভি। এর পৃষ্ঠপোষকতায় আছে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড। পাওয়ার্ড বাই সোহানা ইলেকট্রনিক্স। এই আয়োজনে সহযোগিতায় আছে মমতাজ হারবাল লিমিটেড। বাজলো ঝুমুর তারার নূপুর-এর মূল প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ এবং ভারত থেকে অংশগ্রহণ করেছেন ছয় জন করে মোট বারোজন তারকা। বাংলাদেশ থেকে যোগ দিয়েছেন টিভি অভিনেত্রী ইশানা, ভাবনা, জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়া, স্পর্শিয়া, অমৃতা এবং সাফা কবির। আর কলকাতা থেকে রিমঝিম, সোহিনী, এনা সাহা, লাভলী, তিথি ও প্রীতি। এই রিয়েলিটি শোয়ে আরও প্রতিযোগিতা করেছেন বাংলাদেশ থেকে চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি, টিভি অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা এবং জাকিয়া বারী মম। আর কলকাতা থেকে অংশ নিয়েছেন জি বাংলার রাশি সিরিয়ালের রাশি চরিত্রের অভিনেত্রী গিতশ্রী, চিত্রনায়কা পায়েল এবং ঋ। প্রতিটি পর্বে প্রধান বিচারক হিসেবে আছেন বাংলাদেশের ইলিয়াস কাঞ্চন এবং কলকাতার এক সময়ের সাড়া জাগানো নায়িকা ও বর্তমান ভারতীয় লোকসভার সংসদ সদস্য শতাব্দী রায়। বিভিন্ন পর্বে বাংলাদেশ থেকে অতিথি বিচারক হিসেবে যুক্ত চিত্রনায়িকা মৌসুমী, চিত্রনায়ক ফেরদৗস, সংগীতশিল্পী আঁখি আলমগীর, অভিনেতা তৌকীর আহমেদ এবং সজল। অপরদিকে কলকাতা থেকে সংগীতশিল্পী জোজো, অনিন্ধ, শ্রীলেখা মিত্র এবং নৃত্যবিশারদ তনুশ্রী শংকর। বাজলো ঝুমুর তারার নূপুর-এর প্রতিটি পর্ব যৌথভাবে উপস্থাপনা করেছেন কলকাতার সৌরভ এবং বাংলাদেশের মাসুমা রহমান নাবিলা। অনুষ্ঠানটি সপ্তাহের প্রতি সোম, মঙ্গল, বুধ, এবং বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় প্রচার হচ্ছে নাগরিক টিভিতে। জানা গেছে, সামনের পর্বগুলোতে আরো বেশি চ্যালেঞ্জিং পারফরমেন্স দেখা যাবে শিল্পীদের।