ডিসলাইকের সমুদ্রে ভাসছেন নোবেল
৮জুন,সোমবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শেষের শুরু নাকি শুরুর শেষ? প্রচারের এত ঢক্কানিনাদ যেন এক লহমাতেই ম্লান। সারেগামাপা থেকে উঠে আসা গায়ক নোবেলের গানের অবস্থা কিছুটা এরকমই। জীবনের প্রথম মৌলিক গানে লাইকের থেকে ডিসলাইক বেশি পেয়েছেন নোবেল। 'সারেগামাপা' খ্যাত গায়কের 'তামাশা' গানটিকে ঘিরে ইউটিউবে এখন বিস্তর রঙ্গতামাশা। সারেগামাপা থেকে উঠে আসা গায়ক মইনুল হাসান নোবেল দুই বাংলার মানুষের মনের মনিকোঠায় জায়গা করে নিয়েছিলেন। তাবড় বিচারক থেকে দর্শককূল সকলেরই সমর্থনের সঙ্গে ভালোবাসাও কুড়িয়েছিলেন নোবেল। কিন্তু রিয়্যালিটি শো শেষ হতেই যেন চূড়ান্ত দম্ভ গ্রাস করে ফেলে নোবেলকে। ধরাকে সরা জ্ঞান করতে শুরু করেছিলেন নিমেষে। একের পর এক বিতর্ক। স্ত্রী-কে মারধরের অভিযোগ, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আকথা-কুকথার ফুলঝুড়ি! এসবরেই উত্তর বোধ হয় দিচ্ছেন ভক্তরা।যার প্রমাণ মিলছে নোবেলের মুক্তি পাওয়া নোবেলের প্রথম মৌলিক গানে। রবিবার গায়কের গান 'তামাশা' মুক্তি পেয়েছে। গানটির একটি ভিডিও ইউটিউবে প্রকাশ করেছেন মইনুল হাসান। কিন্তু সেখানেই দর্শকদের পছন্দের তুলনায় অপছন্দের তালিকা দেখে যেন বড্ড বেমানান লাগছে। ইউটিউবে প্রকাশিত হবার ২৩ ঘন্টা পর এখন পর্যন্ত নোবেলের এই গানে লাইক ২৪ হাজার আর ডিসলাইক ১৯০ হাজারও ছাপিয়ে গিয়েছে। অর্থাৎ ২৪ হাজার মানুষ সেই তামাশা গানটি পছন্দ করছেন, আর ১৯০ হাজারের বেশি কিছু মানুষ এক্কেবারেই অপছন্দ করছেন নোবেলের সেই গান। এই গান নিয়ে মার্কেটিং পলিসির অনেক কিছুই করেছিলেন গায়ক। কিন্তু আদতে সেই নেগেটিভ পাবলিসিটিতে লাভ তো কিছুই হয়নি, বরং ফের নেটিজেনদের রোষানলে পড়তে হয়েছে তাঁকে। এখানেই তার উপরে বেজায় খাপ্পা ভক্তরা। এমনকী বিশেষজ্ঞ মহল তো একপ্রকার ধরেই নিয়ে বলছেন, 'দম্ভই শেষ করল নোবেলকে।' রাহাত নামে নোবেলেরই এক ভক্ত লিখছেন, ভাবছিলাম তামাশা গানটা খুবই সুন্দর হবে। আর তার জন্য নোবেলের পক্ষে থেকে সবার বিরুদ্ধে লড়াই করেছি। এখন দেখছি, সবাই ঠিক, নোবেল ভুল। আমাকে ক্ষমা করে দাও! প্রসঙ্গত এই গানের মিউজিক ভিডিওতে নোবেলের স্ত্রী মেহেরুবা সালসাবিলকেও দেখা গিয়েছে। নোবেল নিজেও ছিলেন। নব্যবিবাহিত স্বামী-স্ত্রীর ঘরকন্যার ঝলক ফুটে উঠেছে ‘তামাশা’র মিউডিক ভিডিওতে। তবে এতকিছু মন ভোলাতে পারেনি দর্শকদের।- ঢাকাটাইমস
করোনায় মারা গেলেন চলচ্চিত্র প্রযোজক মোজাম্মেল হক
২জুন,মঙ্গলবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন চলচ্চিত্র প্রযোজক হাজি মোজাম্মেল হক সরকার। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ভাইরাস ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার রাত ১১টায় তার মৃত্যু হয়। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতির সভাপতি খোরশেদ আলম খসরু এ খবর নিশ্চিত করেছেন। চারদিন আগে ৫৫ বছর বয়সি হাজি মোজাম্মেল হক সরকারের করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়। পরে তাকে গাজীপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে সোমবার তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানেই রাতে তার মৃত্যু হয়। খসরু বলেন,করোনা ভাইরাসে এই প্রথম চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কারো মৃত্যু হলো। তার মৃত্যুতে আমরা শোক জানাচ্ছি। উল্লেখ্য, মোজাম্মেল হক বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতির সদস্য ছিলেন। নিজের মালিকানায় মেসার্স ভাওয়াল পিকচার্সের ব্যানারে বেশ কিছু দর্শকপ্রিয় চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেছেন তিনি। তার প্রযোজিত শেষ সিনেমা শাকিব খান-অপু বিশ্বাস জুটির চলচ্চিত্র- পাংকু জামাই মুক্তি পায় ২০১৮ সালে। মোজাম্মেল হক সরকারের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি গাজীপুরে নেওয়া হয়েছে। সরকারি নির্দেশনা মেনে মঙ্গলবার সেখানে তার দাফন হবে বলে জানান খসরু।
দেওয়ান গিয়াস চৌধুরীর দীর্ঘ রাত গান শ্রীঘ্রই আসছে
২৪ মে,রবিবার,দিলাল আহমদ সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: সুনামগঞ্জের নাট্যকার নাট্যভিনেতা দেওয়ান গিয়াস চৌধুরীর লিখা প্রথম গান রিলিজ হতে যাচ্ছে। রাত-চাঁদের গল্প নিয়ে লিখা গানটি চাঁদ রাতে রিলিজ হওয়ার কথা রয়েছে। দেশের জনপ্রিয় এনটিভি অনলাইন পোর্টাল ইউটিউভ চ্যানেল ও ভেরিফাইড ফেইসবুক পেইজ থেকে রিলিজ হবে। দেওয়ান গিয়াস চৌধুরীর লিখা গানটিতে সুর করেছেন চ্যানেল আই ২০০৮র উদীয়মান তরুণ শিল্পী মোহন রায়। আর গানটির সুর করেছেন অনুপম প্রতীক। গানটির মিউজিক করেছেন সুমন কল্যান। গানের ভিডিওতে মডেল ছিলেন জয়ন্ত পাল জয় ও দীপান্বিতা দে হিয়া। গানের ভিডিও নির্দেশানা ও সম্পাদনা করেছেন রাজন। ক্যামেরায় ছিলেন মো. রফিক। ভিডিও সম্পাদনা করেছেন মো জাকির। গানটির ব্যাপারে দেওয়ান গিয়াস চৌধুরী বলেন, যদিও আমি নাটক নিয়ে কাজ করি গান কবিতা লিখতাম না কিন্তু গত দেড় বছর আগে লিখা গানটি করোনা পরিস্থিতি শুরুর আগে রেকডিং করা ও ভিডিও ধারণ করা হয়। কথা ছিল আবার ব কিছু স্বভাবিক হয়ে গেলে রিলিজ করবো কিন্তু পরিস্থিতি স্বভাবিক কবে হবে কেউ জানে না। তাই এই পরিস্থিতির মধ্যেই বের করেছি আমরা। গানটি বন্ধু মোহন রায় চমৎকার ভাবে গেয়েছে। আর সুর করেছে তরুণ সুরকার অনুপম প্রতীক। আর আমাদের আবেগের সাথে গানটির মিউজিক কম্পোজ করেছেন সুমন কল্যান দা। আশা করি গানটি অনেকের ভালো লাগবে। যারা রাত, চাঁদ আর একা থাকতে ভালোবাসেন গানটি তাদের জন্য। গানের শিল্পী মোহন রায় বলেন, বন্ধু দেওয়ান গিয়াস চৌধুরীর খুব আবেগের এই গানটি তাই আমি চেষ্টা করেছি ভালো করে গাইতে। যদিও আমি বেছে বেছে গান করি। কিস্তু এই গানটি একটু অন্যরকম, গানের কথা ও সুর খুবই চমৎকার। আশা করি শুনলে যে কারোই ভালো লাগবে। গানের সুরকার অনুপম প্রতীক বলেন এই গানটি নিয়ে আমি আর গিয়াস ভাই দীর্ঘ দিন কাজ করেছি। প্রায় ৫মাস ধরে। আমি এর আগেও সুর কিছু গানের সুর করেছি। এই গানটা সেরা। আশা করি সবাই ভালো লাগবে।
এবার ভিন্নধর্মী ইত্যাদি
২০মে,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঈদ আর ঈদের ইত্যাদি দুটি যেন একই সূত্রে গাঁথা। দীর্ঘ তিন দশক ধরে ইত্যাদি ঈদের ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। প্রতি ঈদেই গ্যালারি উপচে পড়া হাজার হাজার দর্শকের মুখরিত মঞ্চে হানিফ সংকেত দর্শকদের জানান ঈদ মোবারক এবং সাদর সম্ভাষণ। তবে এবার সেই চিত্রে কিছুটা ব্যতিক্রম ঘটবে। কারণ করোনা ভাইরাস। যে অদৃশ্য ভাইরাসের কারণে সবকিছুর মতো থমকে গেছে ইত্যাদিও। তাই, পূর্ণ প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও দর্শকদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তার কথা ভেবে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবার চিরাচরিত নিয়মে স্টেডিয়ামে ইত্যাদি ধারণ করা হয়নি। তবে ঈদের পরদিন ঈদের ইত্যাদিতে যে ঐতিহ্যবাহী দৃশ্যের জন্য দর্শকরা অপেক্ষা করেন তা থেকে তারা নিরাশ হবেন না। কারণ এবারের এই ব্যতিক্রমী আয়োজন সাজানো হয়েছে সম্পাদনার টেবিলে। ইতিপূর্বে প্রচারিত কয়েকটি ঈদ ইত্যাদির বেশ কয়েকটি পর্ব সংকলন করে সাজানো হয়েছে এবারে অনুষ্ঠানের বিশেষ পর্ব। সংকলিত হলেও এবারের ইত্যাদির শুরুতে এবং শেষে রয়েছে একটি বিশেষ চমক। আর সেই চমক দেখতে হলে ঈদের পরদিন ইত্যাদি প্রচার না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হবে। ইত্যাদি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। নির্মাণ করেছে ফাগুন অডিও ভিশন, স্পন্সর করেছে কেয়া কস্মেটিকস্ লিমিটেড। ইত্যাদি একযোগে প্রচার হবে বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ড-এ ঈদের পর দিন রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর।
জনপ্রিয় নায়ক নাইমের জন্মদিন আজ
০৮মে,শুক্রবার,মো.ইরফান চৌধুরী,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকাই সিনেমার এক সময়ের জনপ্রিয় নায়ক নাইমের জন্মদিন আজ। বয়সের হিসাবে সুবর্ণজয়ন্তী। ১৯৭০ সালের আজকের দিনে তার জন্ম হয়। বিশেষ এ দিনটি প্রসঙ্গে নাইম বলেন, আজকের এ বিশেষ দিনে শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করছি আমার বাবা-মা, শ্রদ্ধেয় পরিচালক এহতেশাম, চাঁদনীর প্রযোজকসহ এ সিনেমার সংশ্লিষ্ট সবাইকে। যতগুলো সিনেমাতে অভিনয় করেছি প্রত্যেকটির প্রযোজক, পরিচালক, সহশিল্পীসহ সবাইকে শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করছি। আমার ভক্ত দর্শকের প্রতি ভালোবাসা। আমার স্ত্রী শাবনাজকে ধন্যবাদ আমার জীবনটাকে সুন্দর করে সাজিয়ে দেয়ার জন্য। মহান আল্লাহ আমাকে দুই মেয়ে সন্তান উপহার দিয়েছেন, অশেষ কৃতজ্ঞতা আল্লাহর প্রতি। জীবনের বাকিটা দিন সুস্থ, সুন্দরভাবে কাটিয়ে দিতে চাই। করোনায় সবাই নিরাপদে থাকুন, সাবধানে থাকুন। প্রসঙ্গত, ক্যারিয়ারে নাইম উপহার দিয়েছেন বেশ কয়েকটি হিট সিনেমা। কাজ করতে গিয়ে প্রথমে সম্পর্ক তারপর নায়িকা শাবনাজকে বিয়ে করে হয়েছেন সংসারী। বর্তমানে কোনো সিনেমাতে অভিনয় না করলেও বিভিন্ন কাজের সুবাদে প্রায়ই মিডিয়ায় তাদের দেখা যায় তাকে। প্রয়াত এহতেশামের- চাঁদনী সিনেমা দিয়ে চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশ করেন নাইম। এ সিনেমাতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন শাবনাজ।
বরেণ্য সংগীতশিল্পী সুবীর নন্দীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
০৭মে,বৃহস্পতিবার,মো.ইরফান চৌধুরী,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বরেণ্য সংগীতশিল্পী সুবীর নন্দীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৯ সালের ৭ মে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। ১৯৫৩ সালের ১৯ নভেম্বর হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং থানায় নন্দীপাড়া নামক মহল্লা এক সংগীত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন তিনি। ছোটবেলা থেকেই তিনি ভাই-বোনদের সঙ্গে শাস্ত্রীয় সংগীতে তালিম নিতে শুরু করেন ওস্তাদ বাবর আলী খানের কাছে। তবে সংগীতে তার হাতেখড়ি মায়ের কাছেই। সুবীর নন্দী গানের জগতে আসেন ১৯৭০ সালে ঢাকা রেডিওতে প্রথম রেকর্ডিং এর মধ্য দিয়ে। প্রথম গান যদি কেউ ধূপ জ্বেলে দেয়। গানটির গীত রচনা করেন মোহাম্মদ মুজাক্কের এবং সুরারোপ করেন ওস্তাদ মীর কাসেম। ৪০ বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে গেয়েছেন আড়াই হাজারেরও বেশি গান। বেতার থেকে টেলিভিশন, তারপর চলচ্চিত্রে গেয়েছেন অসংখ্য জনপ্রিয় গান। চলচ্চিত্রে প্রথম গান করেন ১৯৭৬ সালে আব্দুস সামাদ পরিচালিত সূর্যগ্রহণ চলচ্চিত্রে। ১৯৮১ সালে তার একক অ্যালবাম সুবীর নন্দীর গান ডিসকো রেকর্ডিংয়ের ব্যানারে বাজারে আসে। তিনি গানের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ব্যাংকে চাকরি করেছেন। চলচ্চিত্রের সংগীতে তার অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করেন। এছাড়া সংগীতে অবদানের জন্য ২০১৯ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করে।
ভ্যাকসিনের নাম হ্যাংক-সিন রাখতে চান বছর ৬৩-র অভিনেতা
২৭এপ্রিল,সোমবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে বিজয়ী হওয়ার পর প্রাণঘাতি ভাইরাস প্রতিরোধে নিজেদের প্লাজমা বা রক্তরস দান করতে চান হলিউড অভিনেতা টম হ্যাংকস ও তার স্ত্রী রিটা উইলসন। অস্কারজয়ী অভিনেতা হ্যাংকস বলেন, আমরা জানতে পেরেছি আমাদের শরীরে করোনাভাইরাসের অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। আমাদের কাছে রক্তদান করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। আমরাও নিজেদের প্লাজমা দান করতে আগ্রহী। তার প্লাজমা থেকে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরি হলে, সেই ভ্যাকসিনের নাম কী হবে, তাও ঠিক করে ফেলেছেন টম হ্যাংকস। ভ্যাকসিনের নাম - হ্যাংক-সিন রাখতে চান বছর ৬৩-র অভিনেতা। গত মাসে অস্ট্রেলিয়ার গোল্ড কোস্টে শ্যুটিং করতে গিয়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে পড়েন হলিউড অভিনেতা টম হ্যাংকস এবং তার স্ত্রী রিটা উইলসন। তবে কীভাবে তারা আক্রান্ত হলেন, সেবিষয়ে একেবারেই অন্ধকারে তারকা দম্পতি।
করোনাকে স্বাভাবিকভাবে দেখার কোনও সুযোগ নেই: অহনা
২২মার্চ,রবিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করনাভাইরাসের কারণে নাটকের শুটিং বন্ধ। ঘরে বসেই সময় কাটছে ছোট পর্দার ব্যস্ত অভিনেত্রী অহনার। তিনি চান সাধারণ মানুষ সতর্ক হোক। কারণ করোনা কোনও ছোট রোগ নয়। অবহেলার কোনও সুযোগ নেই। এ ব্যাপারে অহনা বলেন, সারাবিশ্ব করোনা ভাইরাসে প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। সেখানে এটিকে স্বাভাবিকভাবে দেখার কোনও সুযোগ নেই। গণমাধ্যমে দেখছি বিদেশ ফেরত অনেকেই বাসায় না থেকে বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এটি ঠিক না। একজনের কারণে অনেকের বিপদ হতে পারে। এই সময়টা কী সময় কাটছে তার জবাবে অহনা বলেন, নাটক দেখেই সময় কাটাছে। বাসা থেকে বিশেষ কোনও কারণ ছাড়া বের হচ্ছি না। এই সময়ে সচেতন থাকা আমাদের প্রত্যেকের জন্যই জরুরী। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমার বিউটি পার্লার বন্ধ রাখবো আজ-কাল থেকে। দেশের পরিবেশ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এটি বন্ধ থাকবে। এদিকে এই অভিনেত্রীর বিএফএফনা টকটি ইউটিউবে প্রকাশ হয়েছে। এরই মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে নাটকটি। এই নাটকে তাকে ভিন্ন লুকে দেখা গেছে। দর্শকরা দারুণ পছন্দ করেছেন কাজটি। এটি নির্মাণ করেছেন মেহেদি হাসান হৃদয়। তার বিপরীতে রয়েছেন তৌসিফ মাহবুব। মডেল হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু কড়া অহনা- চাকরের প্রেম সিনেমার মাধ্যমে ঢাকাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে অভিষেক করেন। এরপর- দুই পৃথিবী এবং চোখের দেখা চলচ্চিত্রেও দেখা যায় তাকে। পরবর্তীতে চলচ্চিত্রে একাধিক কাজের প্রস্তাব পেলেও শেষ পর্যন্ত টিভি মিডিয়াতেই স্থায়ী হন অহনা।
করোনা সতর্কতায় দেশে সবধরণের শুটিং বন্ধ
২১মার্চ,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পুরো বিশ্ব করোনা ভাইরাস জ্বরে আক্রান্ত। সতর্কতাই এর থেকে মুক্তির পথ। এখনও যারা এ রোগের আক্রমনে পড়েননি তাদের সতর্ক হওয়া ছাড়া আর কোন উপায় নেই। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশের শোবিজ অঙ্গনেও করোনার প্রভাব পড়েছে। ইতিমধ্যে সিনেমাহল বন্ধ করা হয়েছে। এবার বন্ধ করা হল দেশের নাটকসংশ্লিষ্ট সব শুটিং। ১৯ মার্চ এ ঘোষণা দেয় নাটকসংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো। পাশাপাশি বিজ্ঞাপন নির্মাতা ও বিজ্ঞাপন এজেন্সিগুলোর নীতিনির্ধারকরাও শুটিং না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মূলত, মহামারী করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পূর্বসতর্কতা থেকে শুটিং বন্ধ রাখার এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংগঠনগুলো। এর আগে ছোটপর্দার নির্মাতা, প্রযোজক, শিল্পী ও চিত্রনাট্যকারদের সংগঠনগুলোর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে করোনা পরিস্থিতিতে শুটিং বন্ধ করার বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করেন। আলোচনা শেষে ছোটপর্দার ১৪টি সংগঠন শুটিং বন্ধ রাখার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে। সমন্বিত উদ্যোগে শুটিং বন্ধে সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে ডিরেক্টরস গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক এসএ হক অলিক বলেন, তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে শুটিং বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পরে এ বিষয়ে এডকোর সঙ্গে ফোনে কথা বলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছি। টেলিভিশন প্রোগ্রাম প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক সাজু মুনতাসির বলেন, সবার জীবনের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।- একুশে টেলিভিশন

বিনোদন পাতার আরো খবর