বুধবার, এপ্রিল ১, ২০২০
ভালোবাসা দিবসে বেশ কয়েকটি নাটক প্রচার হবে ফারিনের
৩১জানুয়ারী,শুক্রবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আমি ফেসবুকে নেই। কিন্তু আমার নামে অসংখ্য ফেসবুক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। পেজের সংখ্যাও অনেক। এগুলো থেকে অনেক আজেবাজে কনটেন্ট শেয়ার করা হয়। যা নিয়ে আমি খুবই বিরক্ত। আমি ইনস্টাগ্রামে আছি শুধু। ভক্তদের উদ্দেশে বলছিলেন সময়ের আলোচিত অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিন। ২০১৭ সালে- আমরা ফিরবো কবে নাটকে, অভিনয়ের মধ্যদিয়ে অভিনয়ের দুনিয়ায় অভিষেক ফারিনের। ২০১৮ সালে বিকাশ-এর একটি বিজ্ঞাপনে- কোটি বাঙালির প্রিয় নাম ক্রিকেটার মাশরাফির সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করেন তিনি। একই বছর ফারিন অভিনীত ভালোবাসা দিবসে এক্স বয়ফ্রেন্ড নাটকটি বেশ পরিচিতি এনে দেয় তাকে। গেল বছর প্রায় ৮০ টির মতো নাটকে অভিনয় করেছেন ফারিন। এবারের ভালোবাসা দিবসে বেশ কয়েকটি নাটক প্রচার হবে তার। নতুনত্ব নিয়ে ভক্তদের মাঝে আসবেন বলে জানান ফারিন।
সম্মাননা পাচ্ছেন রফিকুল আলম ও ফকীর আলমগীর
২৯জানুয়ারী,বুধবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলা আধুনিক গানে অসামান্য অবদানের জন্য ১৪তম চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ড ২০১৯-এ সম্মাননা পাচ্ছেন রফিকুল আলম ও গণসঙ্গীতে ফকীর আলমগীর। এ উপলক্ষে সংগীতের সকল শাখার সকল শিল্পী আবারও একই মঞ্চে এক হতে যাচ্ছেন ৩০শে জানুয়ারি। এবারের অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠিত হবে সিলেট হবিগঞ্জের দ্যা প্যালেসে সন্ধ্যা ৭টায়। এরই মধ্যে অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানের মঞ্চসহ সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এই আয়োজনে মোট ১৪টি ক্যাটাগরিতে সমালোচক পুরস্কার প্রদান করা হবে। অন্যদিকে আয়োজনের দিক দিয়ে চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ড-এ প্রতিবারের মতো এবারও থাকবে বিশেষ চমক। বাংলাদেশের গানের জগৎ যখন এক ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছিল ঠিক সেই সময় দেশের সুস্থ ধারার সংগীতকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে ২০০৪ সালে শুরু হয়েছিল দক্ষিণ এশিয়ার সবচাইতে বড় আয়োজন চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ড। এর বিভাগগুলো হলো- শ্রেষ্ঠ রবীন্দ্র সংগীত, নজরুল সংগীত, লোক সংগীত, গীতিকার, সংগীত পরিচালক, মিউজিক ভিডিও, কাভার ডিজাইন, সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার, আধুনিক গান, ব্যান্ড, নবাগত শিল্পী, ছায়াছবির গান, উচ্চাঙ্গসংগীত কন্ঠ এবং উচ্চাঙ্গসংগীত যন্ত্র।
ভালোবাসা দিবসে অহনা
২৮জানুয়ারী,মঙ্গলবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জনপ্রিয় মডেল-অভিনেত্রী অহনা রহমান। গেল বছর ঘোষণা দিয়েছেন ধারাবাহিক নাটকে আর অভিনয় করবেন না। এখন একক নাটক নিয়েই ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। তারই ধারাবাহিকতায় এ অভিনেত্রীকে ভালোবাসা দিবসে তিনটি একক নাটকে দেখা যাবে। এরইমধ্যে দুটি নাটকের শুটিং শেষ। নাটক দুটি হলো তপু খানের কবির খানের বুমেরাং ও মাসুম আল জাবেরের- জেরিন আনটোল্ড স্টোরি। দুটি নাটকে তিনি থাকছেন তৌসিফ মাহবুব ও মনির খান শিমুলের বিপরীতে। আর ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ভালোবাসা দিবসের আরো একটি নাটকের শুটিং করবেন এ অভিনেত্রী। অহনা বলেন, আমি এখন একক নাটকই শুধু করছি। পাশাপাশি ওয়েব সিরিজেও কাজ করা হচ্ছে। তবে এ সময়ে কাজ বেশি করছি না। কারণ আগামী মাসে আমি ওমরা হজ করতে যাচ্ছি। সেখান থেকে ফিরে পুরোদমে কাজে নামতে চাই।- বিনোদন২৪
বঙ্গমাতা চরিত্রে পূর্ণিমা
২৭জানুয়ারী,সোমবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে তৈরি হচ্ছে চলচ্চিত্র- চিরঞ্জীব মুজিব, যা নির্মাণ করছেন জুয়েল মাহমুদ। এতে বঙ্গবন্ধুর স্ত্রী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা চরিত্রে অভিনয় করছেন পূর্ণিমা। আর বঙ্গবন্ধু চরিত্রে থাকছেন আহমেদ রুবেল। গত সপ্তাহে মানিকগঞ্জ থেকে এর শুটিং করে এসেছেন পূর্ণিমা। পূণির্মা বলেন, এটা একটি ঐতিহাসিক চরিত্র। তবে এখানে আমার উপস্থিতি কম পরিসরে। কিছুটা ক্যামিওর মতো। বঙ্গবন্ধুর যৌবনকালের সময়টুকুতে দেখা যাবে আমাকে। তিনি তখন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন। হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী আর মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সঙ্গে সারাদেশে আন্দোলন করে বেড়ান। আর আমি ঘর সামলাই। অল্প সময়ের হলেও খুব চ্যালেঞ্জিং একটা চরিত্র। এখানে আমাকে ইয়াং বয়সে দেখা যাবে। আশা করছি এ চলচ্চিত্রটি দেখে দর্শক অনেক কিছু জানতে পারবেন। তিনি জানান, ছবিতে তার অংশের কাজ শেষ হয়েছে। এখন চলছে অন্যদের শুটিং। ছবিতে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও অবদান তুলে ধরা হয়েছে। চলচ্চিত্রটির নির্মাতা জুয়েল মাহমুদ বলেন, অনেকদিনে আশা ছিল ঐতিহাসিক গল্প নিয়ে একটি ছবি নির্মাণ করার। প্রথমেই বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা চরিত্রটি নিয়ে বেশি ভেবেছি। অভিনেত্রী পূর্ণিমাকে আমার এ চরিত্রের জন্য মানানসই মনে হয়েছে। আশা করছি পূর্ণিমা অভিনীত চরিত্রটি দর্শকের ভালো লাগবে।
কক্সবাজারে সৈকত সাংস্কৃতিক উৎসব ২০২০ উদ্বোধন
২৫জানুয়ারী,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিল্প সংস্কৃতি ঋদ্ধ সৃজনশীল মানবিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি সারাদেশে বিস্তৃত পরিসরে কাযর্ক্রম পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় পর্যটন শহর কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে প্রথম বারেরমতো সৈকত সাংস্কৃতিক উৎসব ২০২০-এর আয়োজন করা হয়েছে। কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ২৪ জানুয়ারি ২০২০ বিকাল সাড়ে ৪টায় কক্সবাজার সমূদ্রসৈকতের লাবনী পয়েন্টে বেলুন উড়িয়ে উৎসবের উদ্বোধন করা হয়। এর আগে সৈকতের সুগন্ধা এলাকা থেকে লাবনী পয়েন্টে অনুষ্ঠানস্থল পর্যন্ত বর্নিল শেভাযাত্রা অনুষ্টিত হয়। কক্সবাজার সমূদ্রসৈকতের অবস্থিত জেলা প্রশাসকের উন্মুক্ত মঞ্চে উৎসব উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী। ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশরাফুল আফসার-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আদিবুল ইসলাম। কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র জনাব মুজিবুর রহমান। কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কায়সারুল হক জুয়েল, কক্সবাজার জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিত পাল বিশু, জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার সুদিপ্তা চক্রবর্তী। প্রতিবছর এধরনের উৎসব আয়োজনের প্রত্যয় ব্যক্ত করে উদ্বোধক লিয়াকত আলী লাকী বলেন, প্রতি জেলা উপজেলায় বিস্তৃতি পরিষরে কর্ক্রমের অংশ হিসেবে এই আয়োজন। এছাড়া পযটন এলাকায় নিয়মিত এই ধরনের সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পর্টকদেরকে সময়ের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করবে। ২৪ ও ২৫ জানুয়ারি ২০২০ দুই দিনব্যাপী দুইদিনের এই উৎসবে সংগীত, নৃত্য, অ্যাক্রোবেটিক, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পরিবেশনা এবং পারফর্মেন্স আর্টসহ বৈচিত্রপূর্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হবে। কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, বান্দারবান ও বাংলাদেশে শিল্পকলা একাডেমির পাঁচ শতাধিক শিল্পীর অংশগ্রহণ করবেন। এছাড়াও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪৩ ফুট দীর্ঘ প্রতিকৃতি কক্সবাজার সমূদ্রসৈকতে ৭দিনের জন্য স্থাপন করা হয়েছে। সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্যে ছিলো বান্দরবানের ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের সমবেত নৃত্য পানি তোল ও বোতল নৃত্য, বম সম্প্রদায়ের স্বাগত নৃত্য ও বাঁশ নৃত্য, মারমা সম্প্রদায়ের ময়ূর নৃত্য ও ছাতা নৃত্য; ম্রো সম্প্রদায়ের নববর্ষের নৃত্য ও যুগল নৃত্য, চাকমা সম্প্রদায়ের বিজু নৃত্য ও জুম নৃত্য, ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের। একক সংগীত পরিবেশন করেন কক্সবাজারের শিল্পী মানষী বড়ুয়া; শিল্পী মিনা মল্লিক; শিল্পী মেহরীন রাহাব্বাত ইফশিতা ও মো. জহিদ। সমবেত সংগীত পরিবেশন করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সংগীত শিল্পীবৃন্দ। সমবেদ নৃত্য পরিবেশন করেন জেলা শিল্পকলা একাডেমি ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নৃত্য শিল্পীবৃন্দ। এছাড়াও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি বাউল দল এবং অ্যাক্রোবেটিক দলের পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। সকালে সুজন মাহবুবের কৃৎকলা- সমুদ্রের গর্জন পরিবেশিত হয়।
আজ রিচির জন্মদিন
২৩জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রিচি সোলায়মান। ছোটপর্দার আলোচিত ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী। আজ তার জন্মদিন। তবে তিনি যে শুধু অভিনয়শিল্পী তা কিন্তু নয়, একাধারে রিচি একজন মডেল, নৃত্যশিল্পী এবং প্রযোজক। এমনকি উপস্থাপনা করতেও দেখা গেছে তাকে। যদিও বর্তমানে মিডিয়া থেকে অনেক দূরে রয়েছেন তিনি। রিচি সোলায়মান বাংলাদেশের পাবনায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা এম. এম. সোলায়মান একজন ব্যবসায়ী। তিনি সেন্ট জুড বিদ্যালয় থেকে তার প্রাথমিক শিক্ষাগ্রহণ করেন। বিদ্যালয়ের শিক্ষাগ্রহণের পর পর তিনি এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যাচেলর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (বিবিএ) সম্পন্ন করেন। বিয়ের পর অনেকটাই অভিনয় কমিয়ে দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। ক্যারিয়ারের দুই দশক অতিক্রম করে বর্তমানে এ অভিনেত্রী স্থায়ীভাবে আমেরিকায় বসবাস করছেন। তবে মনের টানে প্রতি বছর দেশে এসে কিছু নাটক টেলিফিল্মে অভিনয় করেন। আমেরিকাতে রিচি নিজের সংসার নিয়েই ব্যস্ত থাকেন। সন্তান-সংসারের পেছনেই তার সারাদিন কেটে যায়। অভিনয়কে ভালোবাসেন বলেই দেশে ফিরলে মাঝে মাঝে অভিনয় করেন। এদিকে অভিনয় থেকে দূরে থাকলেও মাঝে চলচ্চিত্র প্রযোজনা নিয়ে ভাবছিলেন এই অভিনেত্রী। তিনি তেমনই সিনেমাতে প্রযোজনা করতে চান যেগুলো আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে, সম্মান বয়ে আনবে। এ বিষয়ে তার বক্তব্য, আমি বিশাল বাজেট কিংবা তারকাবহুল সিনেমার পক্ষপাতী নই। এখন ভালো গল্পের, ভালো নির্মাণের সিনেমা চলে। আমি সেটা মাথায় রেখেই কাজ করতে চাই। সময় হলে আমি সবাইকে জানিয়েই কাজ শুরু করব। প্রসঙ্গত, নব্বই দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রিচি সোলায়মান একাধারে বিজ্ঞাপন ও নাটকে কাজ করে দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে দেড় শতাধিক খণ্ড নাটকে দেখা গেছে তাকে। ৪০টিরও বেশি ধারাবাহিক নাটকে কাজ করেছেন তিনি। নিউজ একাত্তর ডট কম এর পক্ষ থেকে রিচি সোলায়মান কে জন্মদিনের শুভেচ্ছা ।
আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
২২জানুয়ারী,বুধবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক, গীতিকার, সুরকার ও বীরমুক্তিযোদ্ধা আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৯ সালের ২২ জানুয়ারি রাজধানীর বাড্ডায় নিজ বাসায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল ১৯৫৭ সালের ১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দেশের একজন সংগীত ব্যক্তিত্ব। একাধারে গীতিকার, সুরকার ও সংগীত পরিচালক। ১৯৭০ দশকের শেষ লগ্ন থেকে আমৃত্যু বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পসহ সংগীতশিল্পে সক্রিয় ছিলেন। ইমতিয়াজ বুলবুল ১৯৭৮ সালে মেঘ বিজলী বাদল সিনেমাতে সংগীত পরিচালনার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করেন। তিনি স্বাধীনভাবে গানের অ্যালবাম তৈরি করেছেন এবং অসংখ্য চলচ্চিত্রের সংগীত পরিচালনা করেছেন। সাবিনা ইয়াসমিন, রুনা লায়লা, সৈয়দ আবদুল হাদি, এন্ড্রু কিশোর, সামিনা চৌধুরী, খালিদ হাসান মিলু, আগুন, কনক চাঁপাসহ বাংলাদেশি প্রায় সব জনপ্রিয় সংগীতশিল্পীদের নিয়ে কাজ করেছেন তিনি। আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল নিয়মিত গান করেন ১৯৭৬ সাল থেকে। তিনি রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মান একুশে পদক, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং রাষ্ট্রপতির পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হন। তিনি ১৯৭১ সালে মাত্র ১৫ বছর বয়সে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
নোবেলের জন্মদিন আজ
২০জানুয়ারী,সোমবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তিনি ব্যক্তিত্বে অনন্য। সৌন্দর্য ও ভুবন ভুলানো হাসিতে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম মুগ্ধ। মডেলিংয়ের জগতে তিনি কিংবদন্তি। তিনি আদিল হোসেন নোবেল। নোবেল নামেই তিনি বেশ পরিচিত। দেশের এই সুপারস্টার, পর্দার রাজপুত্রের জন্মদিন আজ। জীবনে চলার পথে অক্লান্ত এ অভিনেতার ৫২ টি বছর পূর্ণ হয়েছে। ১৯৬৮ সালের ২০ ডিসেম্বরে চট্টগ্রামে তার জন্ম। চট্টগ্রামেই পড়াশোনার পাঠ চুকিয়েছেন। তিনি ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ করেন। এছাড়া সিঙ্গাপুর ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট, ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট এবং জেভিয়ার লেবার রিলেশনস ইনস্টিটিউট থেকে কি অ্যাকাউন্টস ম্যানেজমেন্ট-এর ওপর উচ্চতর প্রশিক্ষণ নিয়েছেন নোবেল। শুধুমাত্র মডেলিংয়ের মাধ্যমে কিভাবে অসামান্য ব্যক্তিত্বের হয়ে ওঠা যায় তার সৃষ্টি করেছেন এই নোবেল। তিনিই মডেলিংকে নিয়ে গেছেন উচ্চতার শিখরে। জীবনে এত দীর্ঘ পথ পারি দিয়েও এখন তরুণ নোবেল। মডেলিংয়ে আসেন লেখাপড়া শেষ করেই। এমবিএ শেষ করে ঢাকায় এসে এক বড় বোনের পরামর্শে ফ্যাশন জগতের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন নোবেল। ১৯৯১ সালে বরেণ্য নির্মাতা ও অভিনেতা আফজাল হোসেনের নির্দেশনায় কোমল পানীয় স্প্রাইটের বিজ্ঞাপনের জন্য ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান। কিন্তু সেটি প্রচার হয়নি। এ নিয়ে খুব মন খারাপ হয়েছিল। স্বপ্নভঙ্গ বলে কথা। তবে আফজাল হোসেন তাকে সাহস দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, সুযোগ আবার আসবে। পরে আফজাল হোসেনের নির্দেশনাতেই আজাদ বলপেনের বিজ্ঞাপনে মডেল হন তিনি। সেই বিজ্ঞাপন দিয়েই তারকা বনে গেলেন সুদর্শন নোবেল। এরপর আর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। দিনে দিনে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন দেশের মডেলিং জগতের একচ্ছত্র অধিপতি হিসেবে। নোবেল জনপ্রিয়তা পেয়েছেন এককভাবে। জুটি বেঁধেও সফল হয়েছেন তিনি। মডেলিং জগতেও যে জুটি গড়া যায় এবং প্রতিষ্ঠা পাওয়া যায় সেটাও তিনি দেখিয়েছেন। জুটি বেঁধে সফল হয়েছেন মডেলিং জগতের সম্রাজ্ঞী মৌর সঙ্গে। এছাড়া তানিয়া, সুইটি থেকে তিশারাও নোবেলের বিপরীতে আলো ছড়িয়েছেন। নোবেলের গুণ, সবার সঙ্গেই দারুণ মানিয়ে যেতেন তিনি। মৌ-নোবেল জুটিকে দেশের মডেলিং জগতের সবচেয়ে সুপারহিট জুটি ভাবা হয়। কেয়ার নানা রকম পণ্যের বিজ্ঞাপনে তারা তুমুল দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছেন। এছাড়া- তোমার জন্য মরতে পারি, ও সুন্দরী কিংবা নিশিথে কল কইরো আমার ফোনে, অথবা রুপসীর রেশমীর চুলের মতো জিঙ্গেলভিত্তিক বিজ্ঞাপনগুলো নোবেলকে দারুণ জনপ্রিয়তা দিয়েছে। টেলিভিশন নাটকে অভিনয়ও করেছেন এ চিরতরুণ। ১৯৯৪ সালের ৮ ডিসেম্বর বিটিভিতে প্রচার হয় আতিকুল হক চৌধুরী পরিচালিত প্রাচীর পেরিয়ে নামের নাটক। কাজী আনোয়ার হোসেনের গল্প অবলম্বনে নির্মিত এই নাটকটিই দেশের প্রথম প্যাকেজ নাটক। এখানে মাসুদ রানা চরিত্রে অভিনয় করেন নোবেল। আর নায়িকা সোহানা চরিত্রে দেখা যায় বিপাশা হায়াতকে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য- কুসুম কাঁটা, ছোট ছোট ঢেউ, তাহারা, প্রিমা তোমাকে, শেষের কবিতার পরের কবিতা, বৃষ্টি পরে, নিঃসঙ্গ রাধাচূড়া, তুমি আমাকে বলোনি, হাউজ হাজব্যান্ড, সবুজ আলপথে ইত্যাদি। তবে তিনি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়েও তা গ্রহণ করেননি। ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। যে ছবি দিয়ে ইমন থেকে সালমান শাহ জন্ম সেই কেয়ামত থেকে কেয়ামত সিনেমার জন্য প্রস্তাব পেয়েছিলেন নোবেল। তিনি সেটি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন সিনেমায় অভিনয় করবেন না বলে। সত্যিই তিনি কখনোই সিনেমায় অভিনয় করেননি। ক্রিকেটের প্রতি তার ভালোবাসা গভীর। অধ্যয়নকালে দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলতেন। ভাবতেনও একটা সময় ক্রিকেটার হবেন কিন্তু আর হওয়া হয়ে ওঠেনি। তিনি বেশ কয়েকটি গানও লিখেন। সুর করেছেন। শাকিলা জাফরের সঙ্গে টেলিভিশনের একটি অনুষ্ঠানেও গান করেছেন তিনি। নব্বই দশক থেকেই একজন কর্পোরেট কর্মজীবী নোবেল। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। বর্তমানে দেশের জনপ্রিয় টেলিকমিউনিকেশন প্রতিষ্ঠান রবিতে কর্মরত আছেন। ব্যক্তি জীবনে তার স্ত্রী শম্পা এবং এক মেয়ে ও এক ছেলে নিয়ে সংসার। নিউজ একাত্তর ডট কম এর পক্ষ হতে নোবেলকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।
মাহিনের- বর্ডার লাইন
১৯জানুয়ারী,রবিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মডেল, অভিনেত্রী ও উপস্থাপিকা মাহিন সাবিন রাফী। ছোটবেলা থেকেই নাচ, গান আর অভিনয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত মাহিন। নাচ শিখেছেন তিনি সালাহ উদ্দিন সুজনের কাছে আর সঙ্গীতে তালিম নিয়েছেন মনোঞ্জন দাসের কাছে। অভিনয়ে তার পথচলাটা শুরু আজ থেকে প্রায় এক দশক আগে নাগরিক নাট্যাঙ্গনর সাথে সম্পৃক্ত হয়ে। এই দলের হয়ে তিনি মঞ্চে শামুক কাল নাটকে অভিনয় করেছেন। পাশাপাশি একসময় এটিএন বাংলা, মোহনা টিভি, জিটিভিতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা করে উপস্থাপক হিসেবেও বেশ প্রশংসা পান। তবে ২০১৫ সালে উচ্চতর শিক্ষার জন্য বাবার কর্মস্থল প্যারিসে চলে যান তিনি। সেখানেই পড়াশোনার পাশাপাশি জড়িয়ে আছেন সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সাথে। তারই ধারাবাহিকতায় কিছুদিন আগেই প্যারিসে বর্ডার লাইন শিরোনামের একটি চলচ্চিত্রে কাজ করার ব্যাপারে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। নয়ন মামুনের পরিচালনায় নির্মিত হতে যাচ্ছে চলচ্চিত্রটি। এদিকে গতকাল (১৮ জানুয়ারি) দেশে ফিরেছেন এই অভিনেত্রী। দেশে ফিরে তিনি বললেন,'আজ ১৯ জানুয়ারি আমার জন্মদিন। নিজের জন্মদিনটা প্রিয় দেশে সবার সঙ্গে করতেই একটু আগেই চলে এলাম। আমি এবার দু'মাস দেশে থাকবো। এরমধ্যে কিছু কাজও করব। আশা করছি আবারও দর্শকদের ভালোবাসায় সিক্ত হতে পারবো আমি। উল্লেখ্য, সিলেটের মেয়ে মাহিন অভিনীত দেবাশীষ চক্রবর্তী পরিচালিত তুই যে আমার ধারাবাহিকটি বেশ আলোচিত হয়েছিল। অন্যদিকে শ্যামল মাওলার বিপরীতে তাজু কামরুলের নির্দেশনায় 'সংকল্প' নামে আর্ট ফিল্মেও মাহিনের অভিনয় বেশ প্রশংসিত হয়।