আজ রিচির জন্মদিন
২৩জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রিচি সোলায়মান। ছোটপর্দার আলোচিত ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী। আজ তার জন্মদিন। তবে তিনি যে শুধু অভিনয়শিল্পী তা কিন্তু নয়, একাধারে রিচি একজন মডেল, নৃত্যশিল্পী এবং প্রযোজক। এমনকি উপস্থাপনা করতেও দেখা গেছে তাকে। যদিও বর্তমানে মিডিয়া থেকে অনেক দূরে রয়েছেন তিনি। রিচি সোলায়মান বাংলাদেশের পাবনায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা এম. এম. সোলায়মান একজন ব্যবসায়ী। তিনি সেন্ট জুড বিদ্যালয় থেকে তার প্রাথমিক শিক্ষাগ্রহণ করেন। বিদ্যালয়ের শিক্ষাগ্রহণের পর পর তিনি এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যাচেলর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (বিবিএ) সম্পন্ন করেন। বিয়ের পর অনেকটাই অভিনয় কমিয়ে দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। ক্যারিয়ারের দুই দশক অতিক্রম করে বর্তমানে এ অভিনেত্রী স্থায়ীভাবে আমেরিকায় বসবাস করছেন। তবে মনের টানে প্রতি বছর দেশে এসে কিছু নাটক টেলিফিল্মে অভিনয় করেন। আমেরিকাতে রিচি নিজের সংসার নিয়েই ব্যস্ত থাকেন। সন্তান-সংসারের পেছনেই তার সারাদিন কেটে যায়। অভিনয়কে ভালোবাসেন বলেই দেশে ফিরলে মাঝে মাঝে অভিনয় করেন। এদিকে অভিনয় থেকে দূরে থাকলেও মাঝে চলচ্চিত্র প্রযোজনা নিয়ে ভাবছিলেন এই অভিনেত্রী। তিনি তেমনই সিনেমাতে প্রযোজনা করতে চান যেগুলো আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে, সম্মান বয়ে আনবে। এ বিষয়ে তার বক্তব্য, আমি বিশাল বাজেট কিংবা তারকাবহুল সিনেমার পক্ষপাতী নই। এখন ভালো গল্পের, ভালো নির্মাণের সিনেমা চলে। আমি সেটা মাথায় রেখেই কাজ করতে চাই। সময় হলে আমি সবাইকে জানিয়েই কাজ শুরু করব। প্রসঙ্গত, নব্বই দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রিচি সোলায়মান একাধারে বিজ্ঞাপন ও নাটকে কাজ করে দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে দেড় শতাধিক খণ্ড নাটকে দেখা গেছে তাকে। ৪০টিরও বেশি ধারাবাহিক নাটকে কাজ করেছেন তিনি। নিউজ একাত্তর ডট কম এর পক্ষ থেকে রিচি সোলায়মান কে জন্মদিনের শুভেচ্ছা ।
আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
২২জানুয়ারী,বুধবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক, গীতিকার, সুরকার ও বীরমুক্তিযোদ্ধা আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৯ সালের ২২ জানুয়ারি রাজধানীর বাড্ডায় নিজ বাসায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল ১৯৫৭ সালের ১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দেশের একজন সংগীত ব্যক্তিত্ব। একাধারে গীতিকার, সুরকার ও সংগীত পরিচালক। ১৯৭০ দশকের শেষ লগ্ন থেকে আমৃত্যু বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পসহ সংগীতশিল্পে সক্রিয় ছিলেন। ইমতিয়াজ বুলবুল ১৯৭৮ সালে মেঘ বিজলী বাদল সিনেমাতে সংগীত পরিচালনার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করেন। তিনি স্বাধীনভাবে গানের অ্যালবাম তৈরি করেছেন এবং অসংখ্য চলচ্চিত্রের সংগীত পরিচালনা করেছেন। সাবিনা ইয়াসমিন, রুনা লায়লা, সৈয়দ আবদুল হাদি, এন্ড্রু কিশোর, সামিনা চৌধুরী, খালিদ হাসান মিলু, আগুন, কনক চাঁপাসহ বাংলাদেশি প্রায় সব জনপ্রিয় সংগীতশিল্পীদের নিয়ে কাজ করেছেন তিনি। আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল নিয়মিত গান করেন ১৯৭৬ সাল থেকে। তিনি রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মান একুশে পদক, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং রাষ্ট্রপতির পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হন। তিনি ১৯৭১ সালে মাত্র ১৫ বছর বয়সে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
নোবেলের জন্মদিন আজ
২০জানুয়ারী,সোমবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তিনি ব্যক্তিত্বে অনন্য। সৌন্দর্য ও ভুবন ভুলানো হাসিতে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম মুগ্ধ। মডেলিংয়ের জগতে তিনি কিংবদন্তি। তিনি আদিল হোসেন নোবেল। নোবেল নামেই তিনি বেশ পরিচিত। দেশের এই সুপারস্টার, পর্দার রাজপুত্রের জন্মদিন আজ। জীবনে চলার পথে অক্লান্ত এ অভিনেতার ৫২ টি বছর পূর্ণ হয়েছে। ১৯৬৮ সালের ২০ ডিসেম্বরে চট্টগ্রামে তার জন্ম। চট্টগ্রামেই পড়াশোনার পাঠ চুকিয়েছেন। তিনি ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ করেন। এছাড়া সিঙ্গাপুর ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট, ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট এবং জেভিয়ার লেবার রিলেশনস ইনস্টিটিউট থেকে কি অ্যাকাউন্টস ম্যানেজমেন্ট-এর ওপর উচ্চতর প্রশিক্ষণ নিয়েছেন নোবেল। শুধুমাত্র মডেলিংয়ের মাধ্যমে কিভাবে অসামান্য ব্যক্তিত্বের হয়ে ওঠা যায় তার সৃষ্টি করেছেন এই নোবেল। তিনিই মডেলিংকে নিয়ে গেছেন উচ্চতার শিখরে। জীবনে এত দীর্ঘ পথ পারি দিয়েও এখন তরুণ নোবেল। মডেলিংয়ে আসেন লেখাপড়া শেষ করেই। এমবিএ শেষ করে ঢাকায় এসে এক বড় বোনের পরামর্শে ফ্যাশন জগতের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন নোবেল। ১৯৯১ সালে বরেণ্য নির্মাতা ও অভিনেতা আফজাল হোসেনের নির্দেশনায় কোমল পানীয় স্প্রাইটের বিজ্ঞাপনের জন্য ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান। কিন্তু সেটি প্রচার হয়নি। এ নিয়ে খুব মন খারাপ হয়েছিল। স্বপ্নভঙ্গ বলে কথা। তবে আফজাল হোসেন তাকে সাহস দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, সুযোগ আবার আসবে। পরে আফজাল হোসেনের নির্দেশনাতেই আজাদ বলপেনের বিজ্ঞাপনে মডেল হন তিনি। সেই বিজ্ঞাপন দিয়েই তারকা বনে গেলেন সুদর্শন নোবেল। এরপর আর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। দিনে দিনে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন দেশের মডেলিং জগতের একচ্ছত্র অধিপতি হিসেবে। নোবেল জনপ্রিয়তা পেয়েছেন এককভাবে। জুটি বেঁধেও সফল হয়েছেন তিনি। মডেলিং জগতেও যে জুটি গড়া যায় এবং প্রতিষ্ঠা পাওয়া যায় সেটাও তিনি দেখিয়েছেন। জুটি বেঁধে সফল হয়েছেন মডেলিং জগতের সম্রাজ্ঞী মৌর সঙ্গে। এছাড়া তানিয়া, সুইটি থেকে তিশারাও নোবেলের বিপরীতে আলো ছড়িয়েছেন। নোবেলের গুণ, সবার সঙ্গেই দারুণ মানিয়ে যেতেন তিনি। মৌ-নোবেল জুটিকে দেশের মডেলিং জগতের সবচেয়ে সুপারহিট জুটি ভাবা হয়। কেয়ার নানা রকম পণ্যের বিজ্ঞাপনে তারা তুমুল দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছেন। এছাড়া- তোমার জন্য মরতে পারি, ও সুন্দরী কিংবা নিশিথে কল কইরো আমার ফোনে, অথবা রুপসীর রেশমীর চুলের মতো জিঙ্গেলভিত্তিক বিজ্ঞাপনগুলো নোবেলকে দারুণ জনপ্রিয়তা দিয়েছে। টেলিভিশন নাটকে অভিনয়ও করেছেন এ চিরতরুণ। ১৯৯৪ সালের ৮ ডিসেম্বর বিটিভিতে প্রচার হয় আতিকুল হক চৌধুরী পরিচালিত প্রাচীর পেরিয়ে নামের নাটক। কাজী আনোয়ার হোসেনের গল্প অবলম্বনে নির্মিত এই নাটকটিই দেশের প্রথম প্যাকেজ নাটক। এখানে মাসুদ রানা চরিত্রে অভিনয় করেন নোবেল। আর নায়িকা সোহানা চরিত্রে দেখা যায় বিপাশা হায়াতকে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য- কুসুম কাঁটা, ছোট ছোট ঢেউ, তাহারা, প্রিমা তোমাকে, শেষের কবিতার পরের কবিতা, বৃষ্টি পরে, নিঃসঙ্গ রাধাচূড়া, তুমি আমাকে বলোনি, হাউজ হাজব্যান্ড, সবুজ আলপথে ইত্যাদি। তবে তিনি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়েও তা গ্রহণ করেননি। ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। যে ছবি দিয়ে ইমন থেকে সালমান শাহ জন্ম সেই কেয়ামত থেকে কেয়ামত সিনেমার জন্য প্রস্তাব পেয়েছিলেন নোবেল। তিনি সেটি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন সিনেমায় অভিনয় করবেন না বলে। সত্যিই তিনি কখনোই সিনেমায় অভিনয় করেননি। ক্রিকেটের প্রতি তার ভালোবাসা গভীর। অধ্যয়নকালে দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলতেন। ভাবতেনও একটা সময় ক্রিকেটার হবেন কিন্তু আর হওয়া হয়ে ওঠেনি। তিনি বেশ কয়েকটি গানও লিখেন। সুর করেছেন। শাকিলা জাফরের সঙ্গে টেলিভিশনের একটি অনুষ্ঠানেও গান করেছেন তিনি। নব্বই দশক থেকেই একজন কর্পোরেট কর্মজীবী নোবেল। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। বর্তমানে দেশের জনপ্রিয় টেলিকমিউনিকেশন প্রতিষ্ঠান রবিতে কর্মরত আছেন। ব্যক্তি জীবনে তার স্ত্রী শম্পা এবং এক মেয়ে ও এক ছেলে নিয়ে সংসার। নিউজ একাত্তর ডট কম এর পক্ষ হতে নোবেলকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।
মাহিনের- বর্ডার লাইন
১৯জানুয়ারী,রবিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মডেল, অভিনেত্রী ও উপস্থাপিকা মাহিন সাবিন রাফী। ছোটবেলা থেকেই নাচ, গান আর অভিনয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত মাহিন। নাচ শিখেছেন তিনি সালাহ উদ্দিন সুজনের কাছে আর সঙ্গীতে তালিম নিয়েছেন মনোঞ্জন দাসের কাছে। অভিনয়ে তার পথচলাটা শুরু আজ থেকে প্রায় এক দশক আগে নাগরিক নাট্যাঙ্গনর সাথে সম্পৃক্ত হয়ে। এই দলের হয়ে তিনি মঞ্চে শামুক কাল নাটকে অভিনয় করেছেন। পাশাপাশি একসময় এটিএন বাংলা, মোহনা টিভি, জিটিভিতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা করে উপস্থাপক হিসেবেও বেশ প্রশংসা পান। তবে ২০১৫ সালে উচ্চতর শিক্ষার জন্য বাবার কর্মস্থল প্যারিসে চলে যান তিনি। সেখানেই পড়াশোনার পাশাপাশি জড়িয়ে আছেন সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সাথে। তারই ধারাবাহিকতায় কিছুদিন আগেই প্যারিসে বর্ডার লাইন শিরোনামের একটি চলচ্চিত্রে কাজ করার ব্যাপারে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। নয়ন মামুনের পরিচালনায় নির্মিত হতে যাচ্ছে চলচ্চিত্রটি। এদিকে গতকাল (১৮ জানুয়ারি) দেশে ফিরেছেন এই অভিনেত্রী। দেশে ফিরে তিনি বললেন,'আজ ১৯ জানুয়ারি আমার জন্মদিন। নিজের জন্মদিনটা প্রিয় দেশে সবার সঙ্গে করতেই একটু আগেই চলে এলাম। আমি এবার দু'মাস দেশে থাকবো। এরমধ্যে কিছু কাজও করব। আশা করছি আবারও দর্শকদের ভালোবাসায় সিক্ত হতে পারবো আমি। উল্লেখ্য, সিলেটের মেয়ে মাহিন অভিনীত দেবাশীষ চক্রবর্তী পরিচালিত তুই যে আমার ধারাবাহিকটি বেশ আলোচিত হয়েছিল। অন্যদিকে শ্যামল মাওলার বিপরীতে তাজু কামরুলের নির্দেশনায় 'সংকল্প' নামে আর্ট ফিল্মেও মাহিনের অভিনয় বেশ প্রশংসিত হয়।
মূকাভিনেতা পার্থ প্রতিম মজুমদারের জন্মদিন আজ
১৮জানুয়ারী,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের প্রখ্যাত মূকাভিনয় শিল্পী পার্থ প্রতিম মজুমদারের জন্মদিন আজ। ১৯৫৪ সালের আজকের এইদিনে পাবনা জেলার কালাচাঁদপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। মূকাভিনয় বা মাইম শিল্পী হিসেবে দেশের পাশাপাশি বিশ্বেও তিনি প্রতিষ্ঠিত। সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে ফ্রান্স সরকারের পক্ষ থেকে শেভালিয়র উপাধি পেয়েছেন তিনি। পার্থ প্রতিম মজুমদারের মূল নাম প্রেমাংশু কুমার বিশ্বাস। তার বাবার নাম হিমাংশু কুমার বিশ্বাস ও মা সুশ্রিকা বিশ্বাস। কণ্ঠশিল্পী বাপ্পা মজুমদারের বাবা পাবনার জমিদার ও প্রখ্যাত উচ্চাঙ্গসঙ্গীতশিল্পী ওস্তাদ বারীণ মজুমদার ছিলেন তার দুঃসম্পর্কের আত্মীয়। মুক্তিযুদ্ধের সময় বারীণ মজুমদারের মেয়ে হারিয়ে যায়। তখন মেয়ে-হারানো বারীণ মজুমদারের অনুরোধে পার্থ ঢাকায় আসেন। তখন থেকেই তিনি পার্থ প্রতিম মজুমদার নামে পরিচিত। পার্থের পড়াশোনা শুরু বাড়ি থেকে খানিক দূরে জুবিলী স্কুলে। প্রাথমিক শিক্ষা শেষের পর বড় ভাইয়েরা তাকে কাকা শুধাংশু কুমার বিশ্বাসের তত্ত্বাবধানে কলকাতা শহর থেকে ২২ কিলোমিটার দূরে চন্দননগরে পাঠিয়ে দেন। সেখানে ড. শীতল প্রসাদ ঘোষ আদর্শ বিদ্যালয়ে পড়ার সময় পরিচয় হয় মূকাভিনয় শিল্পী যোগেশ দত্তের সঙ্গে। পার্থ ১৯৬৬-১৯৭২ সাল পর্যন্ত কলকাতার যোগেশ দত্ত মাইম একাডেমিতে শিক্ষা গ্রহণ করেন। ১৯৭২ সালে ভারতের চন্দননগর থেকে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। ১৯৭৬ সালে ঢাকা মিউজিক কলেজ থেকে স্নাতক হন। ১৯৮১ ও ১৯৮২ সালে মডার্ন কর্পোরাল মাইমের উপর ইকোল দ্য মাইমএ শিক্ষা গ্রহণ করেন। এরপর ১৯৮২-১৯৮৫ সাল পর্যন্ত বিখ্যাত মূকাভিনয় শিল্পী মারসেল মার্সোর কাছে ইকোল ইন্টারন্যাশনালি দ্য মাইমোড্রামা দ্য প্যারিস এ মাইমের উপর উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করেন। পার্থ প্রতিম মজুমদার পৃথিবীর অনেক দেশে মূকাভিনয় প্রদর্শন করেন। ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রথমবারের মতো মূকাভিনয় প্রদর্শন করেন। পরে ১৯৭৫-১৯৮১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে প্রায় ৪৮ বার মাইম প্রদর্শন করেন। এ ছাড়া ঢাকার ড্রামাটিক আর্টস স্কুলে মাইমের শিক্ষকতার পাশাপাশি বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন থিয়েটার গ্রুপের ছেলেমেয়েদের নিয়ে কর্মশালা পরিচালনা করেন। ১৯৮২-১৯৮৫ সালে তিনি প্যারিসের বিভিন্ন থিয়েটারে ২৬টি শো করেন। এ ছাড়া লন্ডনে ২টি, গ্রিসে ২টি ও স্পেনে ২টি শো করেন। ১৯৮৪ সালের জুলাই মাসে মারসেল মার্সোর সঙ্গে আমেরিকা যান এবং সেখানে মার্সোর নির্দেশনায় ইকোল ইন্টারন্যাশনাল দ্য মাইমোড্রামা দ্য প্যারিস-মারসেল মার্সো নামে একটি শো করেন। ১৯৮৫ সালের জুলাইয়ে মারসেল মার্সোর কোম্পানি ও থিয়েটার দ্য লা স্পেহয়ার এর সঙ্গে যৌথভাবে ইতালিতে মাসব্যাপী লে কারগো দ্য ক্রেপুসকুল ও আবিম নামে দুটি মাইমোড্রামা প্রদর্শন করেন। ১৯৮৬ সালে মারসেল মার্সোর তত্ত্বাবধানে পার্থ প্রতিম মজুমদার মাইমের তত্ত্ব বিষয়ক গবেষণা কাজের জন্য চুক্তিবদ্ধ হন। এ ছাড়া তিনি বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মাইম প্রদর্শন করেন। তার মূকাভিনয় নিয়ে কিছু ভিডিও নির্মিত হয়েছে। পার্থ বিজ্ঞাপন ও চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন। বর্তমানে তিনি ফ্রান্সে বসবাস করছেন। পার্থ প্রতিম মজুমদার অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেছেন। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল- কলকাতা যোগেশ মাইম একাডেমি থেকে মাস্টার অব মাইম উপাধি (১৯৮৭), একক মূকাভিনেতা হিসেবে এথেন্স, নিউইয়র্ক, ডেনমার্ক, সুইডেনসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ (১৯৮৮), লন্ডনে অনুষ্ঠিত বেঙ্গলি লেটারেচার ফেস্টিভালে একমাত্র বাঙালী অতিথি শিল্পী (১৯৮৯), বার্দোতে ও ননত শহরের মেয়র কর্তৃক মেডেল প্রাপ্তি (১৯৯১), নিউইয়র্কের ফোবানা সম্মেলনে বিশেষ সম্মাননা (২০০০), ফ্রান্সের জাতীয় থিয়েটারের মোলিয়ার এ্যাওয়ার্ড (২০০৯), একুশে পদক (২০১০) ও ফ্রান্স সরকারের শেভালিয়র (নাইট) উপাধি (২০১১)।
মুক্তি পেল স্পর্শিয়ার- কাঠবিড়ালি
১৭জানুয়ারী,শুক্রবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অভিনেত্রী অর্চিতা স্পর্শিয়ার কাঠবিড়ালি ছবিটি শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) ১৮টি সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে। তার বিপরীতে আছেন আসাদুজ্জামান আবীর। পরিচালনা করেছেন নিয়ামুল মুক্তা। কাঠবিড়ালীর শুটিং শুরু হয় ২০১৭ সালের মার্চে। পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার গজারমারা গ্রামে পরিচালক মুক্তার বাড়িতে ছবির শুটিং হয়। কাহিনি লিখেছেন পরিচালক নিজেই। চিত্রনাট্য করেছেন তাসনিমুল তাজ। কাঠবিড়ালি সিনেমার হল তালিকা স্টার সিনেপ্লেক্স (ঢাকা), ব্লকবাস্টার সিনেমাস (ঢাকা), বলাকা সিনেওয়ার্ল্ড (ঢাকা), মধুমিতা (ঢাকা), শ্যামলী সিনেমা (ঢাকা), আনন্দ ( ঢাকা), চিত্রামহল (ঢাকা), সিনেস্কোপ (নারায়ণগঞ্জ), মম ইন (বগুড়া), সিলভার স্ক্রিন (চট্টগ্রাম), ছায়াবাণী (ময়মনসিংহ), বর্ষা (জয়দেবপুর), চন্দ্রিমা (শ্রীপুর), শঙ্খ (খুলনা), লিবার্টি সিনেপ্লেক্স (খুলনা), রুপকথা (পাবনা), শাপলা (রংপুর), অভিরুচি (বরিশাল)।
পরিচালকের বিরুদ্ধে বাজে আচরণের অভিযোগ সুচরিতার
১৫জানুয়ারী,বুধবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিজয়ী অভিনেত্রী সুচরিতা শুটিং স্পটে বাজে আচরণ করার অভিযোগ তুলেছেন। তার অভিযোগের তীর পরিচালক রফিক শিকদারের বিরুদ্ধে। সুচরিতা জানান, রফিক শিকদারের বসন্ত বিকেল নামে ছবির কাজে পাবনা যাবার পর সময়মতো শুটিং না করে সারাদিন বসিয়ে রাখেন তাকে। পরে পরিচালকের সঙ্গে তর্ক শুরু হলে তিনি ঢাকায় চলে আসেন। ঢাকায় এসে এ ঘটনায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিতে পরিচালকের শাস্তি দাবি করে লিখিত অভিযোগও দেন তিনি। এরই মধ্যে সিনিয়র অভিনেত্রী সুচরিতার সাথে অসদাচরণ করায়, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেয়া পর্যন্ত সমিতির সকল সদস্যকে পরিচালক রফিক শিকদারের যে কোনও শুটিং এবং ডাবিং থেকে বিরত থাকার জন্য বলা হয়েছে। আজ বুধবার সকালে পরিচালক রফিক শিকদার ঢাকায় এসেছেন। শিকদার বলেন, এটা একটা মিথ্যে অভিযোগ। উনি (সুচরিতা) আমার সঙ্গে বাজে ব্যবহার করেছেন। আমার মৃত মাকে নিয়ে গালি দিয়েছেন। আমি অনুরোধ করেছিলাম এ ধরনের গালি গালাজ না করতে। তারপরও তিনি এমন ব্যবহার করেছেন। ঘটনা নিয়ে পরিচালক বলেন, উনি বলছেন যে তিনি শুটিং না করানোর কারণে দুই ঘণ্টা বসেছিলেন। আমি বলেই নিয়েছিলাম যে, আপনার দুটি দৃশ্যের শুটিং করলাম। এখন নায়িকার দৃশ্যের কাজ করবো। তাই দুই ঘণ্টা বিশ্রাম নিন আপনি। কারণ সূর্যের আলো থাকতে থাকতে ওই দৃশ্যের কাজটি শেষ করতে হবে। আমি তাকে বিশ্রামে রেখে শুটিং করতে চলে যাই। এটাই তার অভিমান। কেন তাকে বসিয়ে রাখা হলো। এটার জন্য তিনি আমার সঙ্গে অশালীন আচরণ করে শুটিং না করে শুটিং স্পট থেকে ঢাকায় চলে আসেন। আমি তো উল্টো প্রযোজক সমিতিতে বিচার দেবো। তিনি শুটিং না করে শিডিউল ফাঁসিয়ে কেন চলে এলেন? উল্লেখ্য, সম্প্রতি পাবনায় রফিক শিকদারের পরিচালনায় বসন্ত বিকেল ছবির কাজ শুরু হয়। এ ছবিতে অভিনয় করছেন শিপন মিত্র, তানভীর তনু, নবাগত শাহ হুমায়রা সুবহা, সুচরিতাসহ আরও অনেকে।
পাত্র খুঁজছেন পপি, ছেলের যেসব গুণ থাকতে হবে
১৪জানুয়ারী,মঙ্গলবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিয়ের জন্য পাত্র খুঁজছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের এক সময়ের জনপ্রিয় নায়িকা সাদিকা পারভিন পপি। তবে ছেলের দুইটি গুণ থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। গুণ দুইটি হলো- ছেলেকে অবশ্যই সৎ ও যোগ্য হতে হবে। সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিককে দেয়া এক সাক্ষাতকারে এমন তথ্য নায়িকা নিজেই জানিয়েছেন। ২০১৯ সালে পপি বিয়ে করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু কেন এখনও বিয়ে করছেন না প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, সৎ ও যোগ্য পাত্র না পাওয়াতে বিয়ে করিনি। তবে খোঁজ চলছে। মিলে গেলে ২০২০ সালেই বিয়ে হয়ে যাবে। পপি বলেন, সত্যি কথা কী একজন ছেলে, জান খেয়েছ, জান ঘুমিয়েছো লিখে একই এসএমএস ১১ জন মেয়েকে পাঠায় এমন ছেলের সঙ্গে বিয়ে করতে চাই না। তিনি আরও বলেন, সৎ ও বিশ্বাসযোগ্য ছেলে পাওয়া খুব মুশকিল। সম্পর্কের জায়গাটায় সততা থাকতে হবে। যদি এমন না পাই তাহলে আরও ২০ বছর গেলেও বিয়ে না করার আফসোস হবে না। এ পর্যন্ত কতবার প্রেমে পড়েছেন-জানতে চাইলে এই চিত্রনায়িকা বলেন, ডজনেরও বেশি ছেলে আমার প্রেমে পড়েছে। কিন্তু আমি এক-দুজনের সঙ্গে প্রেমে পড়েছি। তবে প্রেম করতে গিয়ে ধরা খেয়েছি। যার প্রেমেই পড়েছি, একসময় দেখেছি ভণ্ড, চরিত্রহীন ও মিথ্যাবাদী। ১৯৯৭ সালে মনতাজুর রহমান আকবরের কুলি ছায়াছবিতে অভিনয়ের মধ্যদিয়ে চলচ্চিত্রে আবির্ভূত হন পপি। মেঘের কোলে রোদ, কি যাদু করিলা, গঙ্গাযাত্রা ছায়াছবিতে অভিনয়ের করে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। জানা গেছে, সম্প্রতি সাদেক সিদ্দিকী পরিচালনায় পপি অভিনীত- সাহসী যোদ্ধা ছবির শুটিং শেষ হয়েছে। এরই মধ্যে নতুন বছরে গ্যাংস্টার নামে নতুন ছবিতে চুক্তি হয়েছেন তিনি। এছাড়া ফিল্ম ক্লাবের নির্বাচনে প্রথম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেই বিজয়ী হয়েছেন এই চিত্রনায়িকা।
শিশুতোষ ধারাবাহিকে ভাবনা
১৩জানুয়ারী,সোমবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিশুতোষ ধারাবাহিকে অভিনয় করতে যাচ্ছেন মডেল অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনা। নাম বোকা ভূত। দুরন্ত টিভির জন্য এ ধারাবাহিকটি নির্মাণ করছেন অনিমেষ আইচ। ৩০ পর্বের বোকা ভূত-এর শুটিং শুরু হচ্ছে ১৩ জানুয়ারি থেকে। পরিচালনার পাশাপাশি এর চিত্রনাট্যও লিখেছেন অনিমেষ আইচ। ধারাবাহিকে ভাবনা অভিনয় করেছেন নাবিলা চরিত্রে, যিনি মালয়েশিয়া থেকে পড়াশোনা করছেন। ছুটিতে বাড়ি আসার পর তার খাটের নিচেই এক বোকা ভূতের দেখা মেলে! শুরু হয় মূল গল্প। ভাবনা বলেন, নাটকের নাবিলা চরিত্রটি অসাধারণ। টানা রিহার্সেল করতে হচ্ছে আমাদের। শুটিংয়ের আগেই একদল শিশুবন্ধুকে পেয়ে গেছি। ১২ দিন ধরে ওদের সঙ্গে কাটছে আনন্দময় সময়। এটা পূর্ণাঙ্গ একটা পারিবারিক গল্পের সিরিজ। এই শিশুশিল্পীদের পাশাপাশি সব বয়সী অভিনেতাই থাকছেন। এপ্রিল থেকে সিরিজটি সম্প্রচার শুরু হচ্ছে। ধারাবাহিকটিতে আরও অভিনয় করছেন আজিজুল হাকিম, রোকেয়া প্রাচী, আমিরুল হক, ফারুক আহমেদ, মৌসুমী নাগ, শিশুশিল্পী ঊর্বশী, আনাফ, আরিয়ান, মুসকান, পুতুলসহ অনেকেই। এ ধারাবাহিক ছাড়াও ভাবনা মাতিয়া বানু শুকুর গোল্লাছুট ও নজরুল ইসলাম রাজুর ঘুমন্ত শহরে নাটকে অভিনয় করেছেন।