সোমবার, মার্চ ৩০, ২০২০
মুক্তি পেল স্পর্শিয়ার- কাঠবিড়ালি
১৭জানুয়ারী,শুক্রবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অভিনেত্রী অর্চিতা স্পর্শিয়ার কাঠবিড়ালি ছবিটি শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) ১৮টি সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে। তার বিপরীতে আছেন আসাদুজ্জামান আবীর। পরিচালনা করেছেন নিয়ামুল মুক্তা। কাঠবিড়ালীর শুটিং শুরু হয় ২০১৭ সালের মার্চে। পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার গজারমারা গ্রামে পরিচালক মুক্তার বাড়িতে ছবির শুটিং হয়। কাহিনি লিখেছেন পরিচালক নিজেই। চিত্রনাট্য করেছেন তাসনিমুল তাজ। কাঠবিড়ালি সিনেমার হল তালিকা স্টার সিনেপ্লেক্স (ঢাকা), ব্লকবাস্টার সিনেমাস (ঢাকা), বলাকা সিনেওয়ার্ল্ড (ঢাকা), মধুমিতা (ঢাকা), শ্যামলী সিনেমা (ঢাকা), আনন্দ ( ঢাকা), চিত্রামহল (ঢাকা), সিনেস্কোপ (নারায়ণগঞ্জ), মম ইন (বগুড়া), সিলভার স্ক্রিন (চট্টগ্রাম), ছায়াবাণী (ময়মনসিংহ), বর্ষা (জয়দেবপুর), চন্দ্রিমা (শ্রীপুর), শঙ্খ (খুলনা), লিবার্টি সিনেপ্লেক্স (খুলনা), রুপকথা (পাবনা), শাপলা (রংপুর), অভিরুচি (বরিশাল)।
পরিচালকের বিরুদ্ধে বাজে আচরণের অভিযোগ সুচরিতার
১৫জানুয়ারী,বুধবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিজয়ী অভিনেত্রী সুচরিতা শুটিং স্পটে বাজে আচরণ করার অভিযোগ তুলেছেন। তার অভিযোগের তীর পরিচালক রফিক শিকদারের বিরুদ্ধে। সুচরিতা জানান, রফিক শিকদারের বসন্ত বিকেল নামে ছবির কাজে পাবনা যাবার পর সময়মতো শুটিং না করে সারাদিন বসিয়ে রাখেন তাকে। পরে পরিচালকের সঙ্গে তর্ক শুরু হলে তিনি ঢাকায় চলে আসেন। ঢাকায় এসে এ ঘটনায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিতে পরিচালকের শাস্তি দাবি করে লিখিত অভিযোগও দেন তিনি। এরই মধ্যে সিনিয়র অভিনেত্রী সুচরিতার সাথে অসদাচরণ করায়, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেয়া পর্যন্ত সমিতির সকল সদস্যকে পরিচালক রফিক শিকদারের যে কোনও শুটিং এবং ডাবিং থেকে বিরত থাকার জন্য বলা হয়েছে। আজ বুধবার সকালে পরিচালক রফিক শিকদার ঢাকায় এসেছেন। শিকদার বলেন, এটা একটা মিথ্যে অভিযোগ। উনি (সুচরিতা) আমার সঙ্গে বাজে ব্যবহার করেছেন। আমার মৃত মাকে নিয়ে গালি দিয়েছেন। আমি অনুরোধ করেছিলাম এ ধরনের গালি গালাজ না করতে। তারপরও তিনি এমন ব্যবহার করেছেন। ঘটনা নিয়ে পরিচালক বলেন, উনি বলছেন যে তিনি শুটিং না করানোর কারণে দুই ঘণ্টা বসেছিলেন। আমি বলেই নিয়েছিলাম যে, আপনার দুটি দৃশ্যের শুটিং করলাম। এখন নায়িকার দৃশ্যের কাজ করবো। তাই দুই ঘণ্টা বিশ্রাম নিন আপনি। কারণ সূর্যের আলো থাকতে থাকতে ওই দৃশ্যের কাজটি শেষ করতে হবে। আমি তাকে বিশ্রামে রেখে শুটিং করতে চলে যাই। এটাই তার অভিমান। কেন তাকে বসিয়ে রাখা হলো। এটার জন্য তিনি আমার সঙ্গে অশালীন আচরণ করে শুটিং না করে শুটিং স্পট থেকে ঢাকায় চলে আসেন। আমি তো উল্টো প্রযোজক সমিতিতে বিচার দেবো। তিনি শুটিং না করে শিডিউল ফাঁসিয়ে কেন চলে এলেন? উল্লেখ্য, সম্প্রতি পাবনায় রফিক শিকদারের পরিচালনায় বসন্ত বিকেল ছবির কাজ শুরু হয়। এ ছবিতে অভিনয় করছেন শিপন মিত্র, তানভীর তনু, নবাগত শাহ হুমায়রা সুবহা, সুচরিতাসহ আরও অনেকে।
পাত্র খুঁজছেন পপি, ছেলের যেসব গুণ থাকতে হবে
১৪জানুয়ারী,মঙ্গলবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিয়ের জন্য পাত্র খুঁজছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের এক সময়ের জনপ্রিয় নায়িকা সাদিকা পারভিন পপি। তবে ছেলের দুইটি গুণ থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। গুণ দুইটি হলো- ছেলেকে অবশ্যই সৎ ও যোগ্য হতে হবে। সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিককে দেয়া এক সাক্ষাতকারে এমন তথ্য নায়িকা নিজেই জানিয়েছেন। ২০১৯ সালে পপি বিয়ে করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু কেন এখনও বিয়ে করছেন না প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, সৎ ও যোগ্য পাত্র না পাওয়াতে বিয়ে করিনি। তবে খোঁজ চলছে। মিলে গেলে ২০২০ সালেই বিয়ে হয়ে যাবে। পপি বলেন, সত্যি কথা কী একজন ছেলে, জান খেয়েছ, জান ঘুমিয়েছো লিখে একই এসএমএস ১১ জন মেয়েকে পাঠায় এমন ছেলের সঙ্গে বিয়ে করতে চাই না। তিনি আরও বলেন, সৎ ও বিশ্বাসযোগ্য ছেলে পাওয়া খুব মুশকিল। সম্পর্কের জায়গাটায় সততা থাকতে হবে। যদি এমন না পাই তাহলে আরও ২০ বছর গেলেও বিয়ে না করার আফসোস হবে না। এ পর্যন্ত কতবার প্রেমে পড়েছেন-জানতে চাইলে এই চিত্রনায়িকা বলেন, ডজনেরও বেশি ছেলে আমার প্রেমে পড়েছে। কিন্তু আমি এক-দুজনের সঙ্গে প্রেমে পড়েছি। তবে প্রেম করতে গিয়ে ধরা খেয়েছি। যার প্রেমেই পড়েছি, একসময় দেখেছি ভণ্ড, চরিত্রহীন ও মিথ্যাবাদী। ১৯৯৭ সালে মনতাজুর রহমান আকবরের কুলি ছায়াছবিতে অভিনয়ের মধ্যদিয়ে চলচ্চিত্রে আবির্ভূত হন পপি। মেঘের কোলে রোদ, কি যাদু করিলা, গঙ্গাযাত্রা ছায়াছবিতে অভিনয়ের করে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। জানা গেছে, সম্প্রতি সাদেক সিদ্দিকী পরিচালনায় পপি অভিনীত- সাহসী যোদ্ধা ছবির শুটিং শেষ হয়েছে। এরই মধ্যে নতুন বছরে গ্যাংস্টার নামে নতুন ছবিতে চুক্তি হয়েছেন তিনি। এছাড়া ফিল্ম ক্লাবের নির্বাচনে প্রথম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেই বিজয়ী হয়েছেন এই চিত্রনায়িকা।
শিশুতোষ ধারাবাহিকে ভাবনা
১৩জানুয়ারী,সোমবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিশুতোষ ধারাবাহিকে অভিনয় করতে যাচ্ছেন মডেল অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনা। নাম বোকা ভূত। দুরন্ত টিভির জন্য এ ধারাবাহিকটি নির্মাণ করছেন অনিমেষ আইচ। ৩০ পর্বের বোকা ভূত-এর শুটিং শুরু হচ্ছে ১৩ জানুয়ারি থেকে। পরিচালনার পাশাপাশি এর চিত্রনাট্যও লিখেছেন অনিমেষ আইচ। ধারাবাহিকে ভাবনা অভিনয় করেছেন নাবিলা চরিত্রে, যিনি মালয়েশিয়া থেকে পড়াশোনা করছেন। ছুটিতে বাড়ি আসার পর তার খাটের নিচেই এক বোকা ভূতের দেখা মেলে! শুরু হয় মূল গল্প। ভাবনা বলেন, নাটকের নাবিলা চরিত্রটি অসাধারণ। টানা রিহার্সেল করতে হচ্ছে আমাদের। শুটিংয়ের আগেই একদল শিশুবন্ধুকে পেয়ে গেছি। ১২ দিন ধরে ওদের সঙ্গে কাটছে আনন্দময় সময়। এটা পূর্ণাঙ্গ একটা পারিবারিক গল্পের সিরিজ। এই শিশুশিল্পীদের পাশাপাশি সব বয়সী অভিনেতাই থাকছেন। এপ্রিল থেকে সিরিজটি সম্প্রচার শুরু হচ্ছে। ধারাবাহিকটিতে আরও অভিনয় করছেন আজিজুল হাকিম, রোকেয়া প্রাচী, আমিরুল হক, ফারুক আহমেদ, মৌসুমী নাগ, শিশুশিল্পী ঊর্বশী, আনাফ, আরিয়ান, মুসকান, পুতুলসহ অনেকেই। এ ধারাবাহিক ছাড়াও ভাবনা মাতিয়া বানু শুকুর গোল্লাছুট ও নজরুল ইসলাম রাজুর ঘুমন্ত শহরে নাটকে অভিনয় করেছেন।
নানা রূপে তিশা
১২জানুয়ারী,রবিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নতুন বছরে নানা রূপে দর্শকদের সামনে হাজির হতে যাচ্ছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা। সম্প্রতি এ অভিনেত্রী দুটি নাটকের শুটিং শেষ করেছেন। নাটক দুটি হলো- রাইসুল তমালের আদা সমুদ্দুর ও মুরসালিন শুভর- আই অ্যাম আন্ডার অ্যারেস্ট। এরমধ্যে প্রথম নাটকটিতে তিনি থাকছেন পুরান ঢাকার গেণ্ডারিয়া থেকে কমিশনার পদপার্থীর চরিত্রে। দ্বিতীয় নাটকে একজন পুলিশ অফিসারের চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। এর আগে গেল বছর এ অভিনেত্রী- লেডি কিলার চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের কাছে দারুণ প্রশংসিত হন। নতুন বছরের শুরুতে নতুন দুটি চরিত্রে কাজ করে দারুণ উচ্ছ্বসিত তিশা। তার ভাষ্য, আমি ক্যারিয়ারের শুরু থেকে ভিন্নধর্মী চরিত্রে কাজ করার জন্য চেষ্টা করছি। তবে এবার বছরের শুরুতে ছোটপর্দার এমন দুটি চরিত্রে কাজ করে সত্যি ভালো লাগছে। চলতি বছরে এভাবে আরো কয়েকটি চরিত্রে দর্শক আমাকে দেখতে পাবেন। এখন কাজের সংখ্যা আমার কম। তবে নতুন চরিত্র পেলে সেটিতে অভিনয় করছি। গেল বছরে এ অভিনেত্রীর কয়েকটি নাটক দর্শকের মধ্যে দারুণ সাড়া ফেলে। এরমধ্যে উল্ল্যোখযোগ্য হলো- লেডি কিলার, আশ্রয় ও কিংকর্তব্যবিমুঢ়। এদিকে অভিনয়ের বাইরে এ অভিনেত্রী প্রথমবারের মতো একটি চলচ্চিত্র প্রযোজনা করছেন। মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর নো ল্যান্ডস ম্যান ছবিটির সহপ্রযোজক এ অভিনেত্রী। তিশা বলেন, এই ছবি যদি সাফল্য পায়, তাহলে ভবিষ্যতে আবারো ছবি প্রযোজনা করব। এখানে সবাই অনেক পরিশ্রম করেছেন। আশা করি ছবিটি দর্শকদের ভালো লাগবে।
শুভ জন্মদিন রুনা খান
১১জানুয়ারী,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুনা খান। মঞ্চ, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন কয়েক দশক ধরে। বেশ কিছু ভিন্ন ধারার চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। তার অভিনীত হালদা, গহীন বালুচর, ছিটকিনি দর্শক ও সমালোচকের প্রশংসা পেয়েছে। ক্যারিয়ারের দারুণ সময় পার করেছেন ২০১৯ সালে। হালদা সিনেমার জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। আজ (১১ জানুয়ারি) তার জন্মদিন। বিশেষ এই দিনে অসংখ্য ভক্ত ও অনুরাগীর শুভেচ্ছায় সিক্ত হচ্ছেন রুনা। নিউজ একাত্তর পরিবারের পক্ষ থেকেও তার প্রতি রইলো জন্মদিনের শুভেচ্ছা। রুনা খানের শৈশব কাটে টাঙ্গাইল শহরে। ১৯৯৮ সালে তিনি ঢাকা আসেন। তার পিতা ছিলেন সরকারি চাকুরিজীবী। তিনি তার পিতামাতার বড় সন্তান। ২০১৬ সালে নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ের নাম গোত্রহীন মঞ্চ- নাটকে অভিনয় করেন। পাকিস্তানি লেখক সাদাত হাসান মান্টোর তিনটি ছোটগল্প অবলম্বনে নাটকটির চিত্রনাট্য রচনা ও নির্দেশনা দিয়েছেন ঊষা গাঙ্গুলী। এছাড়া রুনা খান আসাদুজ্জামান নূর নির্দেশিত নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ের দেওয়ান গাজীর- কিসসা মঞ্চ নাটকে অভিনয় করেন।
ঢাকায় আসছেন শ্রাবন্তী
০৯জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নির্মাতা শামীম আহমেদ রনীর বিক্ষোভ সিনেমার শেষ লটের শুটিংয়ে অংশ নিতে ফের ঢাকায় আসছেন নায়িকা শ্রাবন্তী। সোমবার (৬ জানুয়ারি) থেকে বিক্ষোভর শেষ লটের শুটিং শুরু হয়। অংশ নিতে শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) ঢাকায় আসছেন পশ্চিবঙ্গের দর্শকপ্রিয় নায়িকা শ্রাবন্তী। সিনেমাটিতে তার বিপরীতে আছে নবাগত শান্ত খান। বর্তমানে রাজধানীর আফতাব নগরে বিক্ষোভ সিনেমার দৃশ্যধারণ হচ্ছে। শ্রাবন্তীকে একজন স্কুল শিক্ষিকার চরিত্রে দেখা যাবে। সিনেমাটি নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের একটি সত্য ঘটনায় নির্মিত হচ্ছে। সিনেমাটির গল্প লিখেছেন নির্মাতা শামীম আহমেদ রনী। চিত্রনাট্য লিখেছেন দেলোয়ার হোসেন দিল। সিনেমাটি প্রযোজনা করছে স্টোরি স্প্ল্যাশ মিডিয়া। শ্রাবন্তী ছাড়া সিনামাটিতে দেখা যাবে ভারতের সানি লিওনিকে। তিনি আইটেম গানে অংশ নিয়েছেন। সিনেমায় আরো অভিনয় করেছেন ভারতের রজতাভ দত্ত, রাহুল দেব, বাংলাদেশের অমিত হাসান, সাদেক বাচ্চ সহ আরো অনেকে। গত বছরের সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে শুরু হয়েছিল বিক্ষোভর প্রথম ধাপের শুটিং।
ইয়ুথ আইকন অ্যাওয়ার্ড-- পেলেন নুসরাত জাহান
০৭জানুয়ারী,মঙ্গলবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পূর্ব ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় অ্যাওয়ার্ড হল কলাকার অ্যাওয়ার্ড। ভারতীয় চলচ্চিত্রের বিভিন্ন কলাকুশলীকে প্রতিবছর এই পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়। রবিবার বিকেলে সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়ামে বসেছিল কলাকার অ্যাওয়ার্ডের আসর। সেখানে ইয়ুথ আইকন অ্যাওয়ার্ড-এ সম্মানিত হলেন নুসরাত জাহান। এছাড়া বলিউডের হৃষিকেশ মুখোপাধ্যায়, মহেশ ভাট, সুভাষ ঘাই, সানি লিওন যেমন পুরস্কার পেয়েছেন; তেমনই পুরস্কৃত হয়েছেন নীতীশ রায়, শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, কৌশিক সেন, দেব, মীরের মতো অভিনেতারা। রবিবারও অনেক বাঙালি এই পুরস্কার পেলেন। নুসরাত ছাড়াও তালিকায় ছিলেন ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়, সৃজিত মুখোপাধ্যায়, অঙ্কুশ হাজরা, রুক্মিণী মৈত্রের মতো অনেকে। খবর ভারতীয় গণমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের। সেরা অভিনেতা হিসেবে এ বছর কলাকার অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন অঙ্কুশ হাজরা বিবাহ অভিযান। সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার উঠেছে রুক্মিণী মৈত্রের হাতে। পাসওয়ার্ড ছবির জন্য পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। তার সঙ্গে পুরস্কার ভাগ করে নিয়েছে ম্রুণাল ঠাকুর (সুপার ৩০)। যৌথভাবে সেরা ছবি নির্বাচিত হয়েছে সুচন্দ্রা ভানিয়ার পূর্ব পশ্চিম দক্ষিণ উত্তর আসবেই এবং সুপার ৩০। সেরা পরিচালকের পুরস্কার পেয়েছেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়। গুমনামী ছবির জন্য পুরস্কৃত হয়েছেন তিনি। ৫০ বছরের স্টারডামের জন্য সম্মানিত করা হয়েছে ঊষা উত্থুপকে। সেরা মিউজিক আইকন নির্বাচিত হয়েছেন অনু মালিক। অ্যাচিভার অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন বাবুল সুপ্রিয়। সেরা সংগীত পরিচালক হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছেন বিক্রম ঘোষ। সেরা লাইভ পারফর্মার নির্বাচিত হয়েছেন ইমন চক্রবর্তী। সেরা উঠতি তারকার পুরস্কার পেয়েছেন সা-রে-গা-মা অঙ্কিতা ভট্টাচার্য। লিভিং লেজেন্ড সম্মানে সম্মানিত হয়েছেন ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়।
কণ্ঠশিল্পী এ আর রহমানের জন্মদিন আজ
০৬জানুয়ারী,সোমবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সুরের এক বিস্ময়কর জাদুকরের নাম এ আর রহমান। আজ ৬ জানুয়ারি ভারতীয় এ সঙ্গীতশিল্পীর ৫৩তম জন্মদিন। ১৯৬৬ সালের ৬ জানুয়ারি মাদ্রাজের (বর্তমান চেন্নাই) এক শৈব হিন্দু পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পারিবারিক নাম ছিল এ এস দিলীপ কুমার, ধর্মান্তরের পর নাম রাখা হয় আল্লাহ রাখা রহমান, সংক্ষেপে এ আর রহমান। সাংসারিক জীবনে তার সহধর্মিনীর নাম সায়রা বানু। রহমান-বানু দম্পতির ঘরে রয়েছে তিন সন্তান খাদিজাহ, রহিমা ও আমান। এ আর রহমানের বাবা আর কে শেখর মুধালিয়ার ছিলেন মালায়ালাম মুভির একজন মিউজিক কম্পোজার ও কন্ডাক্টর। তার মায়ের নাম ছিল কস্তুরি (মুসলিম হওয়ার পরে তার নাম হয় করিমা বেগম)। গীতিকার, সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক এ আর রহমানকে অনেকেই ভালবেসে মোজার্ট অব মাদ্রাজ নামে ডাকেন। তার জীবনের অন্যতম অর্জন আসে ২০০৯ সালে। ওই বছর ৮১তম অস্কার আসরে ড্যানি বয়েলের আলোচিত সিনেমা স্লামডগ মিলিনিয়রর মিউজিক কম্পোজার হিসেবে সেরা অরিজিনাল মিউজিক স্কোর ও সেরা অরিজিনাল সং জয় হো-র জন্য ডাবল অস্কার জেতেন। এ আর রহমানের সঙ্গীত কৌশল বলিউডকে দিয়েছে নতুন ধরনের সাঙ্গীতিক অভিজ্ঞতা। তারই স্বীকৃতিতে মণি রত্নমের রোজা সিনেমার দুটি গান জিতেছিল দুটি গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড। জিতেছেন একটি বাফটা, গোল্ডেন গ্লোব, চারটি ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড ও ফিল্মফেয়ারসহ অসংখ্য পুরস্কার। এ ছাড়া ২০০৯ সালে টাইম ম্যাগাজিনের জরিপে বিশ্বের সেরা ১০ প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের তালিকায় তার নাম স্থান পায়। ২০১০ সালে রাষ্ট্রীয় উপাধি পদ্মভূষণ অর্জন করেন। সম্প্রতি ব্রিটেনভিত্তিক একটি ম্যাগাজিন তাকে টুমরোস মিউজিক আইকন উপাধি দিয়েছে। বিস্ময়কর এ আর রহমানের যে কোনো কম্পোজিশন বের হওয়ার আগেই সুপারহিট। তার প্রতিটি গানই একটি স্বতন্ত্র শিল্প। সাধারণ স্রোতারা তাঁর সুরে যেমন মুগ্ধ, তেমনি মুগ্ধ যারা গানের ব্যকরণ জানেন-তারাও। গানের ব্যকরণ জানা সুধীজনের কাছে রহমান আজও এক ধাঁধা। তাঁর সুরে যেমন তামিল আমেজ থাকে, তেমনি হিন্দুস্থানী ঘরাণায় তার দখল বিস্ময়কর। তার কম্পোজিশনে পশ্চিমা সুর তো আছেই, সেই সঙ্গে জাপানি পেন্টাটনিক সুর উঁকি দেয়। পাঞ্জাবি সুফি পপ থেকে শুরু করে তাঁর কম্পোজিশনে বাংলার বাউল সুরের প্রয়োগে রীতিমতো বিস্মিত হয়ে যেতে হয়। এ সব মিলিয়ে এ আর রহমান এক অতলান্ত সাঙ্গীতিক বিস্ময়। প্লে ব্যাক বা চলচ্চিত্রে গান গেয়ে এ আর রহমান এর আত্মপ্রকাশ বম্বে (তামিল, ১৯৯৫) ছবিতে। এর আগে তিনি অনেক গানে কোরাস এ কন্ঠ দিয়েছিলেন। কিন্তু প্রথম কোন গানে পূর্নাঙ্গ ভূমিকা পালন করেন বম্বে সিনেমার হাম্মা হাম্মা গানটিতে। মুভি বোম্বের (১৯৯৫) তু হি রে.. গানটি এবং বোম্বে থিম মিউজিক ট্র্যাকটি এ তার অনন্য দুটি সৃষ্টি। তার সেরা অধিকাংশ ট্র্যাক বা মুভিই প্রথমে তামিল ভাষায় করা, যা পরে হিন্দিতে ডাব করা হয়েছে। সেই ১৯৯২ সাল থেকে ২০০৯ পর্যন্ত তিনি তামিল, তেলেগু, হিন্দি, মালায়ালাম, মারাঠি, কানাড়া, ম্যান্ডারিন ও ইংরেজি ভাষায় উপহার দিয়েছেন দুই শতাধিকেরও (ডাবিং ও সিঙ্গেলসহ) বেশি অ্যালবাম। ১৯৯৭ সালের ১৫ আগস্ট তার কন্ঠে প্রথম অ্যালবাম বের হয় বন্দে মাতরম শিরোনামে সনি মিউজিক কোম্পানির পক্ষ থেকে। বন্দে মাতরম মাইলস্টোন অ্যালবামটি শুধু ইন্ডিয়াতে তখন বিক্রি হয়েছিল ১.২ কোটি পিস! ১৯৯৯ সালে জার্মানির মিউনিখে কনসার্টে মাইকেল জ্যাকসনের সঙ্গে পারফর্ম করেছেন তিনি। ২০০২-এ বিশ্ববিখ্যাত কম্পোজার অ্যান্ড্রু লয়েড ওয়েবারের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে রিলিজ দেন তার প্রথম স্টেজ প্রডাকশন বোম্বে ড্রিমস। ২০০৭ সালে তাজমহলকে দ্য নিউ সেভেন ওয়ান্ডার্স-এ স্থান পাইয়ে দেয়ার জন্য প্রমোশন হিসেবে ওয়ান লাভ গানটি ৬টি ভাষায় রিলিজ দেন। তার মিউজিক করা উল্লেখ করার মতো হিন্দি মুভিগুলো হলো বোম্বে (১৯৯৫), রঙ্গিলা (১৯৯৫), দিল সে.. (১৯৯৮), তাল (১৯৯৯), লগান (২০০১), সাথিয়া (২০০২), রাঙ্গ দে বাসন্তী (২০০৬), গুরু (২০০৭), যোধা আকবর (২০০৮), জানে তু... ইয়া জানে না (২০০৮), স্লামডগ মিলিয়নেয়ার (২০০৮), ইয়ুভরাজ (২০০৮), গজনি (২০০৮), দিল্লি-৬ (২০০৯) ইত্যাদি। কম্পোজিশনের পাশাপাশি তিনি একজন অসাধারণ ভোকালিস্টও; হাইপিচ, স্পিরিচুয়ালিটি তার কণ্ঠের অনন্য বৈশিষ্ট্য। এ আর রহমানের কণ্ঠের প্রথম গান মুভি বোম্বের (১৯৯৫) হাম্মা হাম্মা। তবে বন্দে মাতরাম (বন্দে মাতরাম), লুকা ছুপি (রাঙ্গ দে বাসন্তী), তেরে বিনা (গুরু), খাজা মেরে খাজা (যোধা আকবর), ও... সয়া (স্লামডগ মিলিয়নেয়ার), রেহনা তু (দিল্লি-৬) ইত্যাদি ট্র্যাকগুলোকে তার ভোকাল মাস্টার পিস বলা যেতে পারে। তিনিই একমাত্র ইন্ডিয়ান মিউজিশিয়ান, যার অ্যালবাম বিশ্বজুড়ে ২০ কোটি কপির চেয়েও বেশি বিক্রি হয়েছে।