কি কারণে শ্বশুরবাড়ি ছাড়লেন রানি মুখার্জি
২১জুলাই২০১৯,রবিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের মুম্বাইয়ে অবস্থিত সবচেয়ে অভিজাত এলাকা জুহুতে অবস্থিত শ্বশুরবাড়ির বিশাল বাংলো ছাড়লেন রানি মুখার্জি। প্রয়াত চলচ্চিত্র পরিচালক যশ চোপড়ার সঙ্গে এই বাড়িতে স্বামী আদিত্য চোপড়া ও কন্যা আদিরাকে নিয়ে বিয়ের পর থেকেই বাস করছিলেন বলিউড এই অভিনেত্রী । এরপর যশ চোপড়ার মৃত্যুর পর শাশুড়ি পামেলা চোপড়া ও দেবর উদয় চোপড়াকে নিয়ে একই বাড়িতে থাকতেন এই দম্পতি। তবে কয়েকদিন আগে শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে আদিত্য চোপড়াকে নিয়ে নতুন বাড়িতে উঠেছেন রানি। জানা গেছে, মেয়ে আদিরার জন্মের পরই নতুন বাড়িতে উঠার কথা থাকলেও তখন যাওয়া হয়নি। তবে সম্প্রতি সেই বাড়িতেই থাকছেন এই দম্পতি। তবে হঠাৎ কেন তারা এই বাড়ি বদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এর কারণ জানতে গিয়ে কিছু বিষয় জানা গেল। তবে শাশুড়ি বা দেবরের সঙ্গে সম্পর্কের কোনো অবনতি হয়নি। কারণ মেয়েকে লাইমলাইট থেকে দূরে রাখতে চান তারা। চোপড়াদের বাংলোতেই যশরাজের অফিস। অফিসে সারাদিন অনেক লোকের আনাগোনা। আর ক্যামেরার ঝলকানি তো রয়েছেই। এই পরিবেশে মেয়েকে বড় করতে চান না রানি ও আদিত্য। তাই নতুন বাড়িতে উঠা। তবে নিজেদের বাংলোর কাছেই বাড়িটি কেনা হয়েছে। বাড়ি কাছে নেওয়া হয়েছে, যাতে আদিত্যরও সুবিধা হয়। আর পামেলাও ইচ্ছে করলেই নাতনিকে গিয়ে দেখে আসতে পারেন। ২০১৪ সালে ইতালিতে বিয়ে হয় আদিত্য চোপড়া ও রানি মুখার্জির। পরের বছরই তাদের মেয়ে আদিরার জন্ম। তার বয়স ৪ বছর হয়ে গেলেও এখনো পাপারাজ্জির হাত থেকে বেশ দূরেই তাকে রেখেছেন রানি।-বৈচিত্র নিউজ
স্বপ্নে দেখা রাজকন্যা ছবির মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় যাত্রা শুরু নিশাত সালওয়ারের
১৪জুলাই২০১৯,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এবার বড় পর্দায় নায়িকা হিসেবে কাজ শুরু করলেন মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রতিযোগিতার প্রথম রানারআপ নিশাত নাওয়ার সালওয়া। মোস্তাফিজুর রহমান মানিক পরিচালিত স্বপ্নে দেখা রাজকন্যা ছবির মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্র জগতে যাত্রা শুরু হলো তার। চলচ্চিত্রটিতে তার বিপরীতে নায়ক হিসেবে দেখা যাবে হ্যান্ডসাম দ্য আল্টিমেট ম্যানর দ্বিতীয় আসরের চ্যাম্পিয়ন এ কে আজাদকে। এরইমধ্যে গত ১২ জুলাই থেকে রাজধানীর উত্তরায় মহরত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ছবিটির শুটিং শুরু হয়েছে। এতে অংশ নেন নায়িকা সালওয়া, নায়ক একে আজাদ-সহ অন্য কলাকুশলীরা। এ প্রসঙ্গে নিশাত নাওয়ার সালওয়া বললেন,প্রথমবারের মতো চলচ্চিত্রে কাজ করছি। ভালো লাগছে। আমি নিজের যোগ্যতা ও মেধার সর্বোচ্চটা ঢেলে দিয়ে দর্শকের মনে জায়গা করে নেয়ার চেষ্টা করবো। প্রথম ছবি, প্রথম অনুভূতি সত্যিই অন্যরকম। আশা করছি দর্শকদের ভালো লাগার মতো কিছু দিতে পারবো ।
মুক্তি পাচ্ছে না ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনী নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র ভালোবাসা ডটকম
১১জুলাই২০১৯,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মুক্তি পাচ্ছে না ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনী নিয়ে নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্র -ভালোবাসা ডটকম। ২০১৫ সালে ছবির শুটিং শুরু হয়। সেন্সর বোর্ডে ছাড়পত্র পায় ২০১৬ সালে। মাঝে তিন বছর বিরতি নিয়ে আগামী কাল শুক্রবার মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল মোহাম্মদ আসলাম পরিচালিত এই চলচ্চিত্রটি। মোহাম্মদ আসলাম বলেন, আমরা ছবিটি মুক্তির জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। সারা দেশে বেশ কিছু সিনেমা হলও বুকিং পেয়েছিলাম। তবে ঢাকার ভেতরে তেমন সিনেমা হল পাচ্ছি না। বেশির ভাগ সিনেমা হলে ঈদের সময় শাকিব খানের মুক্তি পাওয়া দুটি চলচ্চিত্র চলবে। তাছাড়া কলকাতার একটি চলচ্চিত্র মুক্তি পাচ্ছে। মূলত ঢাকায় কম সিনেমা হল পাওয়ায় আমরা এখনই চলচ্চিত্রটি মুক্তি দিচ্ছি না। আসলাম আরো বলেন, ছবিটি আমি শুরু করেছিলাম ২০১৫ সালে। টানা শুটিংয়ের মধ্য দিয়ে ছবির শুটিংও শেষ করেছিলাম। ২০১৬ সালে ছবিটি সেন্সর ছাড়পত্র পায়। তবে প্রযোজক হঠাৎ অসুস্থ হওয়ায় আর ছবিটি মুক্তি দিতে পারিনি। ছবির মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভি, নিঝুম রুবিনা ও রাহা। এ ছাড়া ছবিতে অভিনয় করেছেন ডন, অমিত হাসান, রেহানা জলি, রেবেকা, সিরাজ হায়দার প্রমুখ। নিহাল মুভিজ প্রযোজিত এ সিনেমার গল্পে দেখা যাবে, কলেজপড়ুয়া এক ছেলের প্রেমে পড়ে একই কলেজের দুই ছাত্রী নিঝুম ও রাহা। তাদের প্রেম নিয়ে ঘটতে থাকে নানা ঘটনা। -ভালোবাসা ডটকম- সিনেমায় মোট ছয়টি গান ব্যবহার করা হয়েছে। গানগুলোর কথা লিখেছেন সুদীপ কুমার দীপ, সংগীতায়োজন করেছেন কাজী জামাল। কণ্ঠ দিয়েছেন কনা, ন্যানসি, পড়শী, ডলি সায়ন্তনী, রাজিব ও এস আই টুটুল।- এনটিভি
এবার শাকিবের নায়িকা জাহারা মিতু !
১০জুলাই২০১৯,বুধবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশীয় চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক শাকিব খানের বিপরীতে অভিষেক ঘটতে যাচ্ছে আরেক নতুন নায়িকার ! আর সেই নতুন নায়িকা হলেন ২০১৭ সালে মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রতিযোগিতার প্রথম রানার আপ জাহারা মিতু। দেশীয় চলচ্চিত্রের আরেক জনপ্রিয় পরিচালক বদিউল আলম খোকন পরিচালিত ও শাকিব খানের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এসকে ফিল্মস প্রযোজিত এই ছবিটির নাম আগুন। জাহারা মিতুকে চূড়ান্ত করার বিষয়টি নিশ্চিত করে বদিউল আলম খোকন বললেন,আমাদের চলচ্চিত্রে এখন নায়িকা সঙ্কট। মিতুর মতো মেয়েদের সুযোগ দিয়ে তৈরি করে নিতে হবে। সে নাটকে অভিনয় করছে, উপস্থাপনা করছে। বেশ স্মার্টও। আশা করি চলচ্চিত্রে এলে সে ভালো করবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি মাসের ২১ বা ২২ তারিখে শুটিং শুরু করতে পারি। এ প্রসঙ্গে জাহারা মিতু বললেন,গতকাল মঙ্গলবার আমি আগুন ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছি। আপাতত এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে চাই না। প্রথমবারের মতো বড় পর্দায় অভিনয় করতে যাচ্ছি। সবাই দোয়া করবেন আমার জন্য। উল্লেখ্য, জাহারা মিতু ২০১৭ সালে মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় প্রথম রানার আপ হওয়া ছাড়াও ২০১২ সালে বিজিএমইএ ইয়োলো ফ্যাশন ফেস্ট বিজয়ী হয়েছিলেন। এছাড়াও সুপার মডেল বাংলাদেশ-২০১৭ বিজয়ীও হন তিনি। পরে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত সুপার মডেল ইন্টারন্যাশনাল-২০১৭ বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন। ইতিপূর্বে তাকে বেশ কিছু বিজ্ঞাপন,নাটক ও মিউজিক ভিডিওতে দেখা গেছে। এছাড়া বর্তমানে নাটকে অভিনয় ছাড়াও তিনি ক্রিকেট বিষয়ক বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠান উপস্থাপন করছেন।- বিনোদন২৪
হরিণ হত্যা মামলায় জেল হতে পারে সালমানের!
৬জুলাই২০১৯,শনিবার,,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বলিউড ভাইজান সালমান খান কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলার শুনানিতে হাজিরা না দিয়ে বিপদে আছেন। নিয়ম না মানায় তার জামিন নাকচ হয়ে জেল হতে পারে বলে জানিয়েছে ভারতের যোধপুর আদালত। জেল হলে থেমে যাবে সালমানের একাধিক ছবির কাজ। তাইতো চোখে-মুখে চিন্তার ভাঁজ দাবাং ৩ এবং ইনশাআল্লাহ সিনেমার পরিচালকের। গেল বছর ভাইজানকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছিল যোধপুর আদালত। ওই সময় বেশ আলোচনা উঠেছিল। যদিও পরে তাকে কারাভোগ করতে হয়নি। জানা যায়, একাধিকবার মামলার শুনানিতে তিনি হাজির না হওয়ায় চটেছেন বিচারক চন্দ্র কুমার সোঙ্গারা। তিনি এবার সতর্ক করে বলেছেন, পরবর্তী শুনানির দিন সশরীরে উপস্থিত না থাকলে সালমানের জামিনের আবেদন খারিজ হবে। তাকে কারাবাস করতে হতে পারে। কৃষ্ণসার হত্যা মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর। এ প্রসঙ্গে সালমানের আইনজীবী এইচ এম সরাস্বত বলেন, অভিনেতার শুটিং শিডিউলের জন্য হাজিরা দিতে পারেননি। কোটের নির্দেশনা মেনে পরবর্তী শুনানিতে তিনি উপস্থিত হবেন। আদালতের প্রতি তার শ্রদ্ধাবোধ আছে। উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালে হাম সাথ সাথ হায় ছবির শুটিং করতে গিয়ে কৃষ্ণসার হরিণ হত্যার অভিযোগ ওঠে সালমান ও তার সহঅভিনেতা ও অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে। এই তালিকায় ছিলেন টাবু, সোনালি বেন্দ্রে, নীলম ও সাইফ আলী খান। ২০১৮ সালে এই মামলায় একমাত্র দোষী সাব্যস্ত হন ভাইজান। গত বছর ৫ এপ্রিল বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী সালমানের শাস্তি হয়েছিল। পাঁচ বছরের জেল ও দশ হাজার টাকা জরিমানা ছিল তার শাস্তি। যদিও দু রাত জেল খেঁটে ৫০ হাজার টাকায় জামিনে মুক্তি পান তিনি। পরবর্তীতে রাজস্থানের নিম্ন আদালত তাদের নির্দোষ ঘোষণা করেছিল। তবে রাজস্থান সরকার এই নির্দেশ না মানায় এখনও মামলা চলছে।
কোন দেশ কী করছে,সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণে
৪জুলাই২০১৯,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তোলপাড় সারা দুনিয়ায়। যে কেউ কোন বিষয়ে যা খুশি বলে দিতে পারে সোশ্যাল মিডিয়ায়, আইনের বিন্দুমাত্র তোয়াক্কা না করে। কিছুদিন আগে নিউজিল্যান্ডে দুটি মসজিদে সন্ত্রাসবাদী হামলা চালিয়ে ৫০ জনকে হত্যার ঘটনা যেভাবে ফেসবুকে লাইভ স্ট্রিমিং করা হলো, সেটা নিয়ে ফেসবুক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ধিক্কার উঠেছে বিশ্বজুড়ে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই এখন চেষ্টা চলছে কিভাবে বড় বড় সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলোকে নিয়ন্ত্রণে আনা যায়, তাদের দায়িত্বজ্ঞানহীন বেপরোয়া কাজকর্মের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা যায়। এটিকে আবার অনেকে দেখছেন মত প্রকাশের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপের চেষ্টা হিসেবে। সোশ্যাল মিডিয়া মানুষকে এখন মত প্রকাশের সুযোগ করে দিয়েছে। অনেক দেশেই কর্তৃত্ববাদী সরকার সেটা পছন্দ করছে না। কাজেই এধরণের আইন করার পেছনে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত করার অভিসন্ধি দেখছেন অনেক সমালোচক। স্ব-নিয়ন্ত্রণ: ফেসবুক বা ইউটিউবের মতো সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্মগুলো এতদিন ধরে দাবি করে এসেছে যে, তাদের প্রতিষ্ঠানে এক ধরণের ব্যবস্থা চালু আছে, যেখানে তারা নিজেরাই আপত্তিকর বিষয়বস্তু সরিয়ে নেন। ইউটিউব দাবি করে, তাদের সাইটে যখন কোন আপত্তিকর কনটেন্ট দেয়া হয়, তারা সেটি জানার পর দ্রুত ব্যবস্থা নেয়। ২০১৮ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই ইউটিউব প্রায় ৭৮ লাখ ভিডিও তাদের সাইট থেকে অপসারণ করেছে। এর মধ্যে ৮১ শতাংশই সরানো হয়েছে যন্ত্রের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে। এই ভিডিওগুলোর তিন চতুর্থাংশই কেউ দেখার আগেই সরিয়ে ফেলা হয়। শুধুমাত্র আপত্তিকর ভিডিও সরিয়ে নেয়ার জন্য সারা বিশ্বে ইউটিউব দশ হাজার লোক নিয়োগ করেছে। তাদের কাজ মনিটরিং করা এবং আপত্তিকর ভিডিও সরিয়ে নেয়া। ফেসবুক, যারা ইনস্টাগ্রামেরও মালিক, বিবিসিকে জানিয়েছে, তাদের প্রতিষ্ঠানে এরকম কাজের জন্য আছে ৩০ হাজার লোক। কেবল গত বছরের অক্টোবর হতে ডিসেম্বরের মধ্যেই ফেসবুক ১ কোটি ৫৪ লাখ সহিংস কনটেন্ট সরিয়ে নিয়েছে তাদের সাইট থেকে। আগের তিন মাসের তুলনায় এটা প্রায় ৭৯ লাখ বেশি। কিছু কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবেই শনাক্ত করা যায়, কেউ দেখে ফেলার আগেই। সন্ত্রাসবাদী প্রপাগান্ডার ক্ষেত্রে, ফেসবুক দাবি করছে, ৯৯ দশমিক ৫ শতাংশ কনটেন্টই স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি দিয়ে শনাক্ত করা হয়েছে, তারপর সেগুলো মুছে দেয়া হয়েছে। ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার থেকে শুরু করে নানা ধরণের সোশ্যাল মিডিয়া যারা ব্যবহার করেন, তাদের সুরক্ষা দেয়ার জন্য ব্রিটিশ সরকার একটি স্বাধীন নিয়ন্ত্রক সংস্থা গঠনের কথা ভাবছে। এর সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে এজন্যে আলোচনা-পরামর্শ গ্রহণ চলবে আগামী ১লা জুলাই পর্যন্ত। ব্রিটেনের বর্তমান আইনে সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া যায় না। ব্রিটিশ সংস্কৃতি মন্ত্রী মারগট জেমস বলছেন, এই অবস্থান পরিবর্তন দরকার। তিনি চান, ব্রিটেনে এমন আইন তৈরি করা হোক, যাতে করে সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলো বাধ্য হয় এরকম অবৈধ কনটেন্ট সরিয়ে নিতে। জার্মানি: জার্মানিতে ২০১৮ সালের শুরু থেকে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যাপারে এক নতুন আইন কার্যকর হয়। জার্মানিতে যেসব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের বিশ লাখের বেশি ব্যবহারকারি আছে, তারা সবাই এই আইনের আওতায় পড়বে। জার্মানির এই নতুন আইনে বলা আছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় কোন কনটেন্ট সম্পর্কে কোন অভিযোগ আসার ২৪ ঘন্টার মধ্যে তা তদন্ত এবং পর্যালোচনা করতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলো এর ফলে বাধ্য হয়েছে সেই ব্যবস্থা করতে। কেউ যদি সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন কোন কনটেন্ট শেয়ার করে যা এই আইনের বিরোধী, সেজন্যে তাকে ৫০ লাখ ইউরো পর্যন্ত জরিমানা করা যাবে। অন্যদিকে সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিকে জরিমানা করা যাবে পাঁচ কোটি ইউরো পর্যন্ত। জার্মানিতে আইনটি কার্যকর হওয়ার পর প্রথম বছরে ব্যবহারকারীদের দিকে থেকে ৭১৪ টি অভিযোগ আসে। অনলাইন প্ল্যাটফর্মের কাছে অভিযোগ করার পরও নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে আপত্তিকর পোস্ট সরিয়ে নেয়া হয়নি বা ব্লক করা হয়নি বলে অভিযোগ করেছিলেন এরা। জার্মানির ফেডারেল বিচার মন্ত্রণালয় বিবিসিকে জানিয়েছে, আইনটি কার্যকর হওয়ার পর বছরের অন্তত ২৫ হাজার অভিযোগ আসবে বলে তারা ধারণা করেছিলেন। কিন্তু অভিযোগ এসেছিল একেবারেই কম। আর যেসব অভিযোগ এসেছে, তার কোনটির ক্ষেত্রেই কাউকে জরিমানা দিতে হয়নি। ইউরোপীয় ইউনিয়ন: ইউরোপীয় ইউনিয়ন সোশ্যাল মিডিয়ায় আপত্তিকর কনটেন্টের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বিবেচনা করছে। বিশেষ করে জঙ্গিবাদে উৎসাহ যোগায় যেসব ভিডিও, তার বিরুদ্ধে। ইউরোপীয় ইউনিয়নে জেনারেল ডাটা প্রোটেকশন রেগুলেশন (জিডিপিআর) নামে এক নতুন আইন কার্যকর হয়েছে গত বছর থেকে। বিভিন্ন কোম্পানি এবং প্রতিষ্ঠান কিভাবে মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ করবে, সে বিষয়েই মূলত এই আইন। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন আরেকটি আইনের প্রস্তাব করেছে, যেটি নিয়ে ইন্টারনেট কোম্পানিগুলো দুশ্চিন্তায় আছে। কেউ যদি কোন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে কপিরাইট লঙ্ঘন করে কিছু পোস্ট করে, সেজন্যে ঐ ব্যক্তি তো বটেই, সেই সঙ্গে অনলাইন প্ল্যাটফর্মকেও দায়ী করা যাবে। ইউরোপীয় ইউনিয়নে পূর্বের আইনে আপত্তিকর কনটেন্টের ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করার পর তা সরিয়ে নিলেই মামলা চুকে যেত। কিন্তু নতুন আইনে এজন্যে দায়িত্বটা এখন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের ঘাড়েই বর্তাবে। কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন হচ্ছে কীনা, সেটা দেখার এবং নিশ্চিত করার দায়িত্ব থাকবে তাদেরই। অস্ট্রেলিয়া: গত ৫ই এপ্রিল অস্ট্রেলিয়ায় এক কঠোর আইন চালু করা হয়েছে যাতে সহিংস এবং জঘন্য কোন কিছু অনলাইনে শেয়ার করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আইন লঙ্ঘন করলে সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানির কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ এনে জেল-জরিমানার বিধানও রাখা হয়েছে। জরিমানার অংকটি বেশ বড়। কোন সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানির গ্লোবাল টার্নওভারের দশ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানা করা যাবে। নিউজিল্যান্ডে দুটি মসজিদে সন্ত্রাসবাদী হামলা চালিয়ে ৫০ জনকে হত্যার ঘটনা হামলাকারি যেভাবে ফেসবুকে লাইভ স্ট্রিমিং করেছিল, তারপর অস্ট্রেলিয়া এই আইন চালু করলো। এর আগে ২০১৫ সালে অস্ট্রেলিয়ায় অনলাইন সেফটি আইন নামে আরেকটি আইনে একজন ‘ই-সেফটি কমিশনারের’ পদ তৈরি করা হয়। ই-সেফটি কমিশনার সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলোকে বাধ্য করতে পারেন আপত্তিকর কনটেন্ট সরিয়ে নিতে। এজন্যে তিনি সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিকে ৪৮ ঘন্টার নোটিশ দিতে পারেন। জরিমানা করতে পারেন পাঁচ লাখ ২৫ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার পর্যন্ত। অন্যদিকে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীর ক্ষেত্রে এই জরিমানা হতে পারে এক লাখ পাঁচ হাজার ডলার পর্যন্ত। অস্ট্রেলিয়ায় এই কঠোর আইন করা হয় শার্লট ডসন নামে এক টেলিভিশন উপস্থাপক অনলাইনে হয়রানির শিকার হয়ে আত্মহত্যা করার পর। রাশিয়া: রাশিয়ায় ২০১৫ সালের ডাটা আইন অনুযায়ী সব সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিকেই রুশ নাগরিকদের সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য রাশিয়াতেই কোন সার্ভারে সংরক্ষণ করতে হয়। তবে ফেসবুক এবং টুইটার কিভাবে এই আইন মেনে চলবে সে সম্পর্কে কোন স্পষ্ট ধারণা দিতে না পারায় রুশ কর্তৃপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে। রাশিয়া এর পাশাপাশি জার্মানির মত একটা আইন করার কথা বিবেচনা করছে যেখানে আপত্তিকর কনটেন্ট সম্পর্কে দৃষ্টি আকর্ষণের ২৪ ঘন্টার মধ্যে ব্যবস্থা নিতে হবে। যারা এটা করবে না তাদের বিরুদ্ধে জরিমানার ব্যবস্থা থাকবে। চীন: টুইটার, গুগল বা হোয়াটসঅ্যাপ চীনে নিষিদ্ধ। তবে সেখানে একই ধরণের কিছু চীনা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম আছে। যেমন ওয়েইবো, বাইডু এবং উইচ্যাট। চীনে কিছু ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক আছে। কিন্তু চীনা কর্তৃপক্ষ সেগুলোর ব্যবহারও সীমিত করে দিতে সক্ষম হয়েছে। চীনের সাইবার স্পেস অ্যাডিমিনিস্ট্রেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এবছরের জানুয়ারি থেকে আগের ছয় মাসে তারা ৭৩৩টি ওয়েবসাইট এবং নয় হাজারের বেশি মোবাইল অ্যাপ বন্ধ করে দিয়েছে। তবে এগুলোর বেশিরভাগই আসলে জুয়া খেলার বেআইনি সাইট বা অ্যাপ। চীনের হাজার হাজার সাইবার পুলিশ আছে। এরা ২৪ ঘন্টাই নজরদারি চালায় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের ওপর। বিশেষ করে রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর কোন তৎপরতা সেখানে চলছে কীনা, তার ওপর। কিছু কিছু শব্দ স্বয়ংক্রিয়ভাবেই সেন্সর করা হয়। যেমন ১৯৮৯ সালে তিয়ান আনমেন স্কোয়ারের ঘটনা। নিষিদ্ধ শব্দের তালিকায় চীনা কর্তৃপক্ষ আরও নতুন নতুন শব্দ যোগ করছে। এরকম শব্দ থাকে যেসব পোস্টে, সেগুলো হয় নিষিদ্ধ করা হয় অথবা ফিল্টার করে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বাদ দেয়া হয়।
ন ডরাই ,মুক্তি পাবে অক্টোবরে
২১ জুন২০১৯,শুক্রবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:বৃহস্পতিবার ছিল বিশ্ব সার্ফিং দিবস। আর প্রথমবারের মত সার্ফিং নিয়ে সিনেমা নির্মিত হয়েছে বাংলাদেশে। ছবিটি প্রযোজনা করেছে স্টার সিনেপ্লেক্স। গতকাল সন্ধ্যায় রাজধানীর স্টার সিনেপ্লেক্সে ছিল এ ছবির বাংলা নাম ও অফিসিয়াল পোস্টার উন্মোচন অনুষ্ঠান। ছবির নামে দেখা গেল আঞ্চলিকতার রেশ আর পোস্টারে পাওয়া পগল ভিন্নতার স্বাদ। ইংরেজি নাম ডেয়ার টু সার্ফ হলেও এ ছবির বাংলা নাম রাখা হয়েছে ন ডরাই। এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছবির পরিচালক তানিম রহমান অংশু, দুই মূল অভিনয়শিল্পী সুনেরা বিনতে কামাল, শরীফুল রাজ, ছবির প্রযোজক ও স্টার সিনেপ্লেক্সের চেয়ারম্যান মাহবুব রহমানসহ অনেকে। ছবির চিত্রনাট্য লিখেছেন কলকাতার শ্যামল সেনগুপ্ত।অনুষ্ঠান শেষে ন ডরাই ছবির টিজারও দেখানো হয়। স্টার সিনেপ্লেক্সের চেয়ারম্যান মাহবুব রহমান জানান, ছবিটি আন্তর্জাতিকভাবে বিভিন্ন উৎসবে প্রদর্শীত হবার পাশাপাশি আগামী অক্টোবরে দেশের প্রেক্ষাগৃহেও মুক্তি পাবে।
বাঁচানো গেলো না কণ্ঠশিল্পী অভিকে
২০জুন২০১৯,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর বংশালে মকিম বাজার কবরস্থানে দুর্বৃত্তদের হামলায় আহত কণ্ঠশিল্পী মোহাম্মদ উল্লাহ অভি নিরব মারা গেছেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার রাত সাড়ে ৭টায় তার মৃত্যু হয়। ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের পুলিশ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) সকাল আটটায় মকিম বাজার কবরস্থানের মধ্যে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে অভির বন্ধু আঁখির কাজের মেয়ে পরিবারকে খবর দেয়। পরে বংশাল থানা পুলিশের সহযোগিতায় প্রথমে তাকে মিটফোর্ড হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেন স্বজনরা।
বিসিএস বক্কর- চঞ্চল চৌধুরী
৭জুন২০১৯,শুক্রবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঈদে কমেডি নাটকের কদর সব থেকে বেশি থাকে। দর্শকদের চাহিদার কথা চিন্তা করে নির্মাতা সকল আহমেদ নির্মাণ করেছেন নাটক বিসিএস বক্কর। লিখেছেন মিজানুর রহমান বেলাল। নাটকের নাম ভূমিকায় চঞ্চল চৌধুরী এবং সন্ধ্যা চরিত্রে অভিনয় করেছেন জাকিয়া বারী মম। বিসিএস বক্কর সম্পর্কে নির্মাতা সকল আহমেদ বলেন,খুব মজার গল্প। আশা করছি, নাটকটি দেখে সবাই বিনোদন পাবেন। নাটকের গল্পে দেখা যাবে, পুরান ঢাকার ছেলে বক্কর। বাবার একমাত্র সন্তান হওয়ার কারণে প্রচণ্ড বাউন্ডেলে। বক্কর বিসিএস পরীক্ষা দেবে, এলাকায় আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। কারণ, বক্কর রাঁস্তায়, ছাদে, গাছে, পথে-প্রান্তরে মানুষকে দেখিয়ে দেখিয়ে চিৎকার করে পড়ে। বক্করের সাথে দুজন সহযোগী রাখে তার বাবা। একজন হাতফ্যানে বাতাস করতে, আরেক জন নানান সেবা যত্ম করার জন্য। বক্কর লেখা-পড়ার নামে পুরো এলাকায় সার্কাসের মতো হাস্যত্মক ঘটনার জন্ম দেয়। সন্ধ্যা মহল্লার মেয়ে। ভীষণ সুন্দরী। বক্কর সন্ধ্যাকে ভালোবাসে। আর সন্ধ্যা প্রথমবারের মতো বিসিএস পরীক্ষা দেবে। ভালো ছাত্রী, প্রস্তুতি ভালো, বিনয়ী ও যথেষ্ট প্রতিবাদী। কিন্তু বক্করের বিসিএসের এবারই শেষ চান্স। বয়স নাই। তাই যে করে হোক বিসিএস পরীক্ষায় উর্ত্তীণ হতেই হবে। সন্ধ্যাকে, এলাকার মানুষকে, মা-বাবাকে, এমন কি রাস্তার পথচারীকে দেখিয়ে দেখিয়ে গলা ফাটিয়ে লেখাপড়া করে। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন উঠে, চারদিক সমালোচনা হতে থাকে বক্করকে নিয়ে। কিন্তু সন্ধ্যার পড়াশুনা কেউ দেখতে পায় না। লুকিয়ে পড়ে। ভীষণ মেধাবী। বক্কর ও সন্ধ্যার লেখাপড়া নিয়ে দুই পরিবারের দ্বন্দ্ব বাজার পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। সন্ধ্যার বাবার সাফ কথা। বিসিএস জামাই ছাড়া সন্ধ্যাকে বিয়ে দিবে না। সন্ধ্যাও বিসিএস ছেলে ছাড়া বিয়ে বা প্রেম করবে না। তাই বক্কর বিসিএস পাস করার জন্য জান কুরবানি দিয়ে পড়ে। শেষে বক্কর নাকি সন্ধ্যা পাস করে বিসিএসে? বক্করের পরিণতি কী হয়? এটা জানা যাবে নাটকের শেষে। নাটকটি আগামীকাল শনিবার ঈদের চতুর্থ দিন রাত ৮টা ৩০ মিনিটে আরটিভিতে প্রচারিত হবে। চঞ্চল ও মম ছাড়াও এতে অভিনয় করেছেন শফিক খান দিলু. শিখা মৌ, মাহবুব আলম রশিদ খান প্রমুখ।