অভিনেতা আব্দুল কাদের আর নেই
২৬ডিসেম্বর,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অভিনেতা আব্দুল কাদের আর নেই। আজ শনিবার সকাল ৮টা ২০ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আব্দুল কাদেরের পুত্রবধূ জাহিদা ইসলাম। আবদুল কাদেরের বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর। তিনি স্ত্রী এবং এক ছেলে ও মেয়েকে রেখে গেছেন। এরআগে বৃহস্পতিবার (২৪ ডিসেম্বর) রাত ১২টার দিকে হঠাৎ তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। পরে করোনা ইউনিট থেকে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) নেওয়া হয়। ক্যানসারে আক্রান্ত আব্দুল কাদেরকে ভারতের চেন্নাইয়ের ক্রিস্টিয়ান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। গত ২০ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। এরপর এয়ারপোর্ট থেকে তাকে সরাসরি নিয়ে যাওয়া হয় এভারকেয়ার হাসপাতালে। সেখানেই তিনি ভর্তি ছিলেন। উল্লেখ্য, মঞ্চ থেকে টেলিভিশন, তারপর চলচ্চিত্রে নাম লেখান আব্দুল কাদের। ১৯৯০ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত- কোথাও কেউ নেই নাটকে বদি চরিত্রে অভিনয় করে খ্যাতির চূড়ায় পৌঁছে যান তিনি। অভিনয় ক্যারিয়ারে কয়েকশ টেলিভিশন নাটকে অভিনয় করেছেন। তিনি জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদির নিয়মিত চরিত্র। বেশিরভাগ হাস্যরসাত্মক চরিত্রে দেখা গেছে তাকে। দীর্ঘ অভিনয় জীবনের স্বীকৃতি হিসেবে টেনাশিনাস পদক, মহানগরী সাংস্কৃতিক ফোরাম পদক, অগ্রগামী সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী পদক, জাদুকর পিসি সরকার পদক, টেলিভিশন দর্শক ফোরাম অ্যাওয়ার্ড, মহানগরী অ্যাওয়ার্ডসহ বেশ কিছু পদকও পেয়েছেন আবদুল কাদের।
ইয়ুথ বাংলা কালচারাল ফাউন্ডেশনের উদ্যেগ- প্রজেক্ট স্বাবলম্বন
২৪ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অতি দরিদ্র মানুষদের স্বাবলম্বী করার লক্ষ্য নিয়ে ইয়ুথ বাংলা কালচারাল ফাউন্ডেশন সম্প্রতি- প্রজেক্ট স্বাবলম্বন নামে একটি উদ্যোগ নিয়েছে। ফোরামের আমিরাত শাখার স্পন্সরের মাধ্যমে এ আয়োজনের প্রথম পর্ব আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে ময়মনসিংহ অঞ্চলের প্রান্তিক চাষী সাদ্দাম হোসাইন এবং ওয়াশ কুরুনির হাতে দুটো গরু কেনার টাকা তুলে দেয়া হয়েছে। প্রবাসে ২৭ টিরও বেশি দেশে বিস্তৃত এ সংগঠনের সদস্যরা উদ্যোগ নিয়েছে দেশের প্রান্তিক মানুষ কে আয় উপর্জনের উপকরন কিনে দেবার মাধ্যমে স্বাবলম্বী করে তোলার। এ উদ্যোগের মাধ্যমে ক্রমান্বয়ে দরিদ্র পুরুষ কিংবা মহিলাদের সেলাই মেশিন, চাষের গরু, রিক্সা, ভ্যান ইত্যাদি কিনে দেয়া হবে। আর এ উদ্যোগে সর্ব প্রথমে এগিয়ে এসেছে ইয়ুথ বাংলা কালচারাল ফোরামের আমিরাত শাখা। এই শাখার সম্মানিত পৃষ্ঠপোষক শেখ ফরিদ সি আই পি প্রথম অনুদান প্রদান করেছেন এবং আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন এ উদ্যোগের আগামী আয়োজনেও উনি সক্রিয় ভাবে অংশ নিবেন। ইয়ুথ বাংলা কালচারাল ফোরামের সম্মানিত উপদেষ্টা প্রখ্যাত অভিনেত্রী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব দিলারা জামান ও শর্মিলী আহমেদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট এস আই টুটুল এবং শিমুল মোস্তাফা সশরীরে উপস্থিত থেকে এ আয়োজনের প্রথম পর্বের শুভসূচনা করেন। কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডেন্ট মিসেস মুনা চৌধুরী এবং ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য কমল চৌধুরীর সার্বিক আয়োজনে ইয়ুথ বাংলার অন্যান্য সদস্যদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ আয়োজনে আরো উপিস্থিত ছিলেন আমিরাত শাখার প্রেসিডেন্ট মিসেস ইয়াসমিন মেরুনা , সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট পাভেল এবং সাংগঠনিক সম্পাদক ফারাহ শামস। আরও উপস্থিত ছিলেন সেক্রেটারি আমান রেজা, উপদেষ্টা দেওয়ান হাবিব, জয়েন্ট সেক্রেটারি ফারজানা রওশন, মেম্বার আরিফুল কবির আরিফ, আব্দুল্লাহ মামুন, আবু সুফিয়ান নীলভ।
করোনায় আক্রান্ত চিত্রনায়িকা শিল্পীর পরিবারের ৩৫ জন
২১ডিসেম্বর,সোমবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নব্বই দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা আঞ্জুমান শিল্পীর পরিবারের প্রায় ৩৫ জন সদস্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে অনেকে হাসপাতালে রয়েছেন, কেউ দ্বিতীয়বার করোনা পরীক্ষার অপেক্ষায় রয়েছেন। অনেকে বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। জানা যায়, পারিবারিক একটি বিয়ের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করেই তাদের মধ্যে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। ধারণা করা হচ্ছে, সেই সময় এই চিত্রনায়িকা সপরিবারে করোনা আক্রান্ত হন। প্রথমে পরিবারের দুই-একজন আক্রান্ত হলেও পরে পাঁচ/ছয়জন করে একসঙ্গে করোনায় আক্রান্ত হন। একে একে পরিবারের প্রায় সবাই করোনায় আক্রান্ত হন। ২৮ নভেম্বর শিল্পীর প্রথম করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়। সে সময় প্রথমে তিনি বাসায় চিকিৎসা নিলেও পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে তিনি ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি হন। পরিবারের সদস্যদের আক্রান্তের বিষয়ে শিল্পী জানান, তার শ্বশুরের ১০ জন ছেলেমেয়ে। তাদের স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে, নাতি-নাতনিসহ প্রায় সবাই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ সময় তিনি বলেন, আমাদের পরিবারের একজনের বিয়ের জন্য স্বল্প পরিসরে পরিবারের সবাইকে একত্রিত হতে হয়েছিল। পরে সেখান থেকে আমার পরিবার, আমার ভাইয়ের পরিবার, আমার শ্বশুর-শাশুড়ি ও পরিবারের প্রায় সবাই করোনায় আক্রান্ত হন।
নতুন বছর উপলক্ষে সুচিতার কণ্ঠে নতুন গান
২০ডিসেম্বর,রবিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: উদীয়মান কণ্ঠশিল্পী সুচিতা নাহিদ সালাম। ভালো মানের কাজ করে শ্রোতাদের ভালোবাসা নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় বছরের শেষ প্রান্তে এসে। ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে শ্রোতাদের মনে, নববর্ষের বাড়তি আনন্দ যোগ করতে নতুন গানচিত্র নিয়ে আসছেন সুচিতা। শ্রাবণ যদি আজ ছোঁয় জানালা- শিরোনামে সেমি-মেলো-ক্লাসিক্যাল এ গানটি আজ সন্ধ্যায় (২০ ডিসেম্বর) ঈগল মিউজিকের ব্যানারে প্রকাশিত হবে। এমনটাই জানিয়েন সুকণ্ঠী এই গায়িকা। আতিউর রহমানের কথায় গানটির সুর-সংগীতায়োজন করেছেন প্রখ্যাত সুরকার ও কম্পোজার ফোয়াদ নাসের বাবু। শ্রাবণ যদি আজ ছোঁয় জানালা- নামের গানটি সুচিতা নাহিদ সালামের ষষ্ঠ একক মৌলিক গান। গানের ভিডিওতে দর্শক-শ্রোতারা পাবেন এই কণ্ঠশিল্পীর উপস্থিতিও। সুচিতা নাহিদ সালাম বলেন, আশি-নব্বই দশকের গানগুলোর মতো নতুন এই গানটির মধ্যে শ্রোতারা সেই ফ্লেভারটা পাবেন। আর নস্টালজিয়া ও আত্মকথন, শ্রাবণ যদি আজ ছোঁয় জানালা গানটি আমার বিশ্বাস সকল শেণির শ্রোতা-দর্শককে দিনের পর দিন মুগ্ধ করবে। উল্লেখ্য, সুচিতা নাহিদ সালামর গাওয়া মনেতে, ভুল গুলো সব, ক্ষণিক, দোটানা এবং সময় হারে- নামে বেশ কয়েকটি গান প্রকাশিত হয়েছে এবং গানগুলো শ্রোতা-দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে। এছাড়াও, সুন্দর বেশি ঠিক- শিরোনামে জনপ্রিয় ব্যান্ডদল ফিডব্যাকের গায়ক লুমিনের সঙ্গে একটি ডুয়েট গান করেছেন গত রোজার ঈদে। কানাডা প্রবাসী এই শিল্পী বর্তমানে দেশে অবস্থান করছেন। তবে দেশে হোক আর প্রবাসে, তিনি তার সংগীত চর্চা চালিয়ে যাবার আশা রাখেন।
সোনাম কাপুরকে বলিউড মেগাস্টার ঘোষণা লন্ডনের ম্যাগাজিনের!
১৯ডিসেম্বর,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের একটি সান্ধ্য পত্রিকার শেষ সংস্করণের জন্য শ্যুট করেছেন বলিউড অভিনেত্রী সোনম কাপুর। আর এই শ্যুটের জের ধরেই বলিউডের ফ্যাশনিস্টা এবার হয়ে উঠেছেন বলিউডের মেগাস্টার। এমনটাই দাবি করেছে লন্ডনের ওই পত্রিকা। নিজের ইনস্টাগ্রামে লন্ডনের ওই পত্রিকার জন্য ফটোশ্যুটের ছবি শেয়ার করেছেন সোনম। বলিউডের ফ্যাশনিস্টা বলেই এতদিন পরিচিত সোনম কাপুর। এবার তাকে 'বলিউডের মেগাস্টার আখ্যা দিয়েছে পত্রিকাটি। বর্তমানে স্বামী আনন্দ আহুজার সঙ্গে লন্ডনেই থাকেন সোনম কাপুর। চলচ্চিত্র পরিবার থেকে উঠে এসেছেন সোনম। একথাও উল্লেখ আছে ওই পত্রিকায়।
৪২ বছরে পা রাখলেন সুন্দরীতমা শাবনূর
১৭ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নব্বই পরবর্তী বাংলা চলচ্চিত্রের সফল নায়িকাদের মধ্যে অন্যতম শাবনূর। স্নিগ্ধ চেহারা, মায়াবী হাসি, চিরায়ত বাঙালি নারীর মধুমাখা চাহনি আর প্রাণবন্ত অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি খুব দ্রুতই চলচ্চিত্রে স্থায়ী আসন করে নেন। একটা সময় ছিলো শাবনূর মানেই সুপারহিট চলচ্চিত্র। শাবনূর মানেই দর্শকের সেরা পছন্দ। ভালোবেসে অনেকেই তাই শাবনূরকে ঢাকাই ছবির রানী বলে ডাকেন। বর্তমানে চলচ্চিত্র থেকে দূরে থাকলেও বাংলা চলচ্চিত্রে এখনো শাবনূর মানে দর্শকের কাছে বাড়তি উন্মাদনা, মাদকতা ছড়ানো প্রেম। আজ এই লাস্যময়ী অভিনেত্রীর জন্মদিন। এবারে তিনি ৪১ বছর পূর্ণ করলেন। পা রেখেছেন ৪২ বছরে। জীবনের এই বিশেষ দিনটিতে ভক্তদের শুভেচ্ছায় ভাসছেন তিনি। পারিবারিক আয়োজনে অস্ট্রেলিয়াতে কাটছে শাবনূরের জন্মদিন। সঙ্গী একমাত্র পুত্র আইজান নিহান, বোন ও ভাইয়ের পরিবারের সদস্যরা। ১৯৭৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর যশোর জেলার শার্শা উপজেলার নাভারণে জন্মগ্রহণ করেন শাবনূর। তার পর্দার পেছনের নাম নূপুর। তার প্রথম চলচ্চিত্র কিংবদন্তি পরিচালক এহতেশামের- চাঁদনী রাতে। ১৯৯৩ সালের ১৫ অক্টোবর ছবিটি মুক্তি পায়। সাব্বিরের বিপরীতে অভিনীত চলচ্চিত্রটি ব্যবসায়িকভাবে ব্যর্থ হয়। তবে শাবনূরের মুগ্ধতার ইতিহাস শুরু ১৯৯৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত জহিরুল হক পরিচালিত- তুমি আমার ছবিটি দিয়ে। সালমান শাহের সঙ্গে জুটি বেঁধে এই নায়িকা ১৪টি ছবি করেন। তার সবগুলোই রেকর্ড সংখ্যকভাবে ব্যবসায়িক সাফল্য পায়। এটি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে সফল জুটিগুলোর অন্যতম। বলা হয়ে থাকে সালমান-শাবনূর জুটি ইন্ডাস্ট্রির মিথ। পরবর্তীতে এদের আদর্শ মেনেই এখানে নায়ক-নায়িকার জুটি গড়ে উঠেছে। তবে সালমানের যুগে ওমর সানী, অমিত হাসান, আমিন খান, বাপ্পারাজদের সঙ্গেও অভিনয় করে সফলতা পান শাবনূর। সালমান মৃত্যু পরবর্তী সময়ে রিয়াজের সঙ্গে জুটি গড়ে আকাশ ছোঁয়া সাফল্যের দেখা পান শাবনূর। রিয়াজের সঙ্গে প্রায় অর্ধশত চলচ্চিত্রে জুটি বাঁধেন তিনি এবং প্রায় সব ছবিই ছিলো ব্যবসায়িকভাবে সফল এবং আলোচিত। বলা হয়ে থাকে, রিয়াজ-শাবনূর জুটির পর ঢাকাই চলচ্চিত্রে সবশ্রেণির দর্শকের কাছে জনপ্রিয় সুপারহিট আর কোনো জুটি আসেনি। এই জুটির- শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ, মোল্লাবাড়ির বউ, প্রেমের তাজমহল, বুক ভরা ভালোবাসা, ও প্রিয়া তুমি কোথায়, এ বাঁধন যাবে না ছিড়ে, মন মানে না ইত্যাদি ছবিগুলো মাইলফলক হয়ে আছে এদেশীয় চলচ্চিত্রে ব্যবসায়িক সাফল্যের ইতিহাসে। তাদের বহু সিনেমা সুপারহিট হয়েছে। এছাড়াও ফেরদৌসের সঙ্গেও শাবনূর ছিলেন অনবদ্য। মান্নার সঙ্গেও কিছু ব্যবসা সফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন শাবনূর। এ নায়িকার ক্যারিয়ারটি অনেক নায়কের জন্যও সৌভাগ্যের। তার সঙ্গে জুটি বেঁধে উত্থান হয়েছে অনেকের। তাদের মধ্যে অন্যতম আজকের শীর্ষ নায়ক শাকিব খান। মূলত রিয়াজ, মান্না, ফেরদৌসদের স্বর্ণযুগে শাকিব নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার সুযোগ পেয়েছিলেন শাবনূরের শক্ত সমর্থনেই। তাই শাকিবের নায়ক হওয়ার গল্পের নায়িকাও বলা যায় শাবনূরকে। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে শাবনূরের আরও একটি বড় অর্জন ভক্ত-দর্শকের ভালোবাসা। পাশাপাশি অভিনয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ মোস্তাফিজুর রহমান মানিক পরিচালিত- দুই নয়নের আলো চলচ্চিত্রের জন্য পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। এছাড়া পেয়েছেন বাচসাস পুরস্কার ও সর্বাধিক ১০বার মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার। ব্যক্তি জীবনে ২০১১ সালের ৬ ডিসেম্বর ব্যবসায়ী অনিক মাহমুদের সঙ্গে শাবনূরের আংটি বদল হয় এবং ২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর তাকে বিয়ে করেন। তিনি অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস শুরু করেন ও নাগরিকত্ব লাভ করেন। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর তিনি ছেলে সন্তানের মা হন। তার ছেলের নাম আইজান নিহান। এদিকে মোস্তাফিজুর রহমান মানিক পরিচালিত- এতো প্রেম এতো মায়া ছবিতে শিক্ষকের চরিত্রে অভিনয়ের জন্য কথা দিয়েছিলেন শাবনূর। তারপর কেটে গেছে প্রায় চার বছর। কিন্তু সিনেমায় আর ফেরা হয়নি এই গুণি অভিনেত্রীর। অতিরিক্ত মুটিয়ে যাওয়াসহ কিছু শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন তিনি অনেকদিন ধরে। সেই সমস্যা কাটিয়ে উঠে তারপর আবার সিনেমায় আসবেন বলে গেল বছরের একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন তিনি। সেজন্য নিজেকে ফিট করার মিশনেও নেমেছেন বলে জানা যায়।
স্বপ্নদ্রষ্টা আমাদের বঙ্গবন্ধুর- মোড়ক উন্মোচন
১২,ডিসেম্বর,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মুজিব শতবর্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে উৎসর্গ করে বিশিষ্ট গীতিকবি ও গিটার শিল্পী নাহার আহমেদের- স্বপ্নদ্রষ্টা আমাদের বঙ্গবন্ধু শীর্ষক গানের অ্যালবামের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। অ্যালবামটি প্রকাশ করেছে- দীপনস প্লানেট। বিশিষ্ট উচ্চাঙ্গ যন্ত্র সংগীত শিল্পী দীপন সরকারের সার্বিক তত্ত্বাবধান এবং সংগীত পরিচালনায় দ্বৈত গানের এই অ্যালবামে কণ্ঠ দিয়েছেন রাশনা রফিক এবং বিপ্লব সরকার। গান দুটির শিরোনাম স্বপ্নদ্রষ্টা ও আমাদের বঙ্গবন্ধু। শিরোনাম দুটি এক করেই অ্যালবামের নামকরণ করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রে অ্যালবামটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। অনলাইনে অ্যালবামটির মোড়ক উন্মোচন করেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. মুরাদ হাসান। অ্যালবামটি সম্পর্কে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর নির্মম পাশবিক হত্যাকাণ্ড স্মৃতিকে স্মরণ করে তরুণ প্রজন্মের কাছে পৌঁছানোর যে প্রয়াস নিয়েছে এর জন্য কৃতজ্ঞতা জানাই। গানটির রচয়িতা নাহার আহমেদ বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হৃদয়ে লালন করে তার হত্যাকাণ্ড নিয়ে আমি গান রচনা করতে পেরে গর্বিত। শুধু আমার নয় বাঙালি জাতির বুকে ক্ষত সৃষ্টি করেছে তার হত্যাকাণ্ড। এই ঘটনা তরুণ প্রজন্মের সকলের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে আমার এই গান। গানের মোড়ক উন্মোচনের পূর্বে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী ড. বায়তুন নাহার, রোকেয়া হাসিনা ও সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক লিয়াকত আলীসহ আরো অনেকে।
বাবু খাইছো- গানের জন্য মামলা খেলেন হিরো আলম
১১ডিসেম্বর,শুক্রবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: হিরো আলমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন সোলস ব্যান্ডের অন্যতম সদস্য ও সংগীত পরিচালক মীর মাসুম। আলোচিত বাবু খাইছো গানের শিরোনাম, কথা, সুর চুরি ও বিকৃত করার অভিযোগে হিরো আলমের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেছেন তিনি। গত ৬ ডিসেম্বর ডিজিটাল সুরক্ষা আইনের ২২-২৩-২৪ ধারায় হিরো আলমের বিরুদ্ধে সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালে বাদী মীর মাসুমের পক্ষে মামলাটি দায়ের করেন আইনজীবী দিদার-উস-সালাম। এ আইনজীবী জানান, মামলাটি তদন্তের জন্য আদালত সিআইডিতে পাঠিয়েছেন। মীর মাসুম বলেন, আমার সৃষ্টিকে চুরি ও বিকৃত হতে দেখলাম। আবার বিকৃত করে তা দিয়ে অর্থ উপার্জনও করছে হিরো আলম। এটাকে চুরি বলাও ঠিক হবে না, বরং এটি ডাকাতি। আমার সঙ্গে যা ঘটেছে তা যেকোনো শিল্পীর জন্য অপমানজনক। আমি তারই বিচার চাই আইন ও রাষ্ট্রের কাছে। আশা করছি, সুবিচার পাবো। তবে হিরো আলম বলছেন, ওরা যে গানটি ছেড়েছে তা নিয়েই প্রচুর সমালোচনা হয়েছে। ওটা কোনো গানের ক্লাসের মধ্যেই পড়ে না। তারপরেও তারা গানটি করেছে। বাবু খাইছো শব্দটা ফেসবুকে প্রচলিত শব্দ। সবাই বলে লেখে। ওরা গানের মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়েছে বলে ওদের হয়ে গেল? সবার আগে আমার কথা হলো আমি কোনো গায়ক না, আমি শখে গেয়েছি। এতে কারো ক্ষতি হবার কথা না। গত ১১ সেপ্টেম্বর ইউটিউবে মুক্তি পায় একক নাটক- বাবু খাইছো?। মুক্তির দুই মাসের মধ্যে নাটকটির ভিউ ১ কোটি ছাড়িয়েছে। মূলত এই নাটকের শিরোনাম সংগীত তুমুল আলোচনার জন্ম দেয়। বাবু খাইছো- শিরোনামের গানটির কথা ও কণ্ঠ দেন মীর মারুফ। এদিকে এই গানের সূত্র ধরে হিরো আলমও একটি গান গেয়েছেন।
ফের উপস্থাপনায় তারিন
১০ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তারিন জাহান। অভিনয়ের পাশাপাশি বিশেষ অনুষ্ঠানও উপস্থাপনা করেন তিনি। তারই ধারাবাহিকতায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কুইজ শো- আমাদের মুক্তিযুদ্ধ নামক নতুন একটি অনুষ্ঠান নিয়ে দর্শকের সামনে হাজির হচ্ছেন তিনি। তবে এই অনুষ্ঠানটি বেশ অন্যরকম। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে এবারই প্রথম সরাসরি কোনো কুইজ শো উপস্থাপনা করবেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণ জয়ন্তী এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত এই কুইজ শো প্রতি শুক্র ও শনিবার রাত সাড়ে ৭টায় মাছরাঙা টেলিভিশনের স্টুডিও থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। তারিন জাহান বলেন, আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আমরা অনেক কিছু যেমন জানি, আবার এমন অনেক তথ্য রয়েছে যা আমাদের অজানা রয়ে গেছে। সেই তথ্যগুলো কুইজ শোর আকারে দর্শকের সঙ্গে ভাগাভাগি করার আনন্দটাই অন্যরকম হবে বলে আমার বিশ্বাস। অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা শুনেই ভীষণভাবে আন্দোলিত হয়েছি। কারণ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এ রকম একটি কুইজ শো নিশ্চয়ই টিভি সেটের সামনে সব শ্রেণির দর্শকদের একাত্ম করবে। বাড়ির দর্শকের সঙ্গে বিভিন্ন রাউন্ডে কুইজের ফাঁকে তারিন মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আলোচনা করবেন মুক্তিযুদ্ধ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে। প্রথম পর্বে অতিথি হয়ে আসছেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দ সৈনিক, বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী তিমির নন্দী। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ- প্রযোজনা করবেন স্বীকৃতি প্রসাদ বড়ুয়া ও অজয় পোদ্দার। এদিকে ছোট পর্দার বাইরে চলতি বছরের শুরুতে ওপার বাংলায় একটি ছবির শুটিং শেষ করেন তারিন। এটা আমাদের গল্প- শিরোনামের ছবিটি এখন মুক্তির অপেক্ষায় আছে।