নানা রূপে তিশা
১২জানুয়ারী,রবিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নতুন বছরে নানা রূপে দর্শকদের সামনে হাজির হতে যাচ্ছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা। সম্প্রতি এ অভিনেত্রী দুটি নাটকের শুটিং শেষ করেছেন। নাটক দুটি হলো- রাইসুল তমালের আদা সমুদ্দুর ও মুরসালিন শুভর- আই অ্যাম আন্ডার অ্যারেস্ট। এরমধ্যে প্রথম নাটকটিতে তিনি থাকছেন পুরান ঢাকার গেণ্ডারিয়া থেকে কমিশনার পদপার্থীর চরিত্রে। দ্বিতীয় নাটকে একজন পুলিশ অফিসারের চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। এর আগে গেল বছর এ অভিনেত্রী- লেডি কিলার চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের কাছে দারুণ প্রশংসিত হন। নতুন বছরের শুরুতে নতুন দুটি চরিত্রে কাজ করে দারুণ উচ্ছ্বসিত তিশা। তার ভাষ্য, আমি ক্যারিয়ারের শুরু থেকে ভিন্নধর্মী চরিত্রে কাজ করার জন্য চেষ্টা করছি। তবে এবার বছরের শুরুতে ছোটপর্দার এমন দুটি চরিত্রে কাজ করে সত্যি ভালো লাগছে। চলতি বছরে এভাবে আরো কয়েকটি চরিত্রে দর্শক আমাকে দেখতে পাবেন। এখন কাজের সংখ্যা আমার কম। তবে নতুন চরিত্র পেলে সেটিতে অভিনয় করছি। গেল বছরে এ অভিনেত্রীর কয়েকটি নাটক দর্শকের মধ্যে দারুণ সাড়া ফেলে। এরমধ্যে উল্ল্যোখযোগ্য হলো- লেডি কিলার, আশ্রয় ও কিংকর্তব্যবিমুঢ়। এদিকে অভিনয়ের বাইরে এ অভিনেত্রী প্রথমবারের মতো একটি চলচ্চিত্র প্রযোজনা করছেন। মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর নো ল্যান্ডস ম্যান ছবিটির সহপ্রযোজক এ অভিনেত্রী। তিশা বলেন, এই ছবি যদি সাফল্য পায়, তাহলে ভবিষ্যতে আবারো ছবি প্রযোজনা করব। এখানে সবাই অনেক পরিশ্রম করেছেন। আশা করি ছবিটি দর্শকদের ভালো লাগবে।
শুভ জন্মদিন রুনা খান
১১জানুয়ারী,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুনা খান। মঞ্চ, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন কয়েক দশক ধরে। বেশ কিছু ভিন্ন ধারার চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। তার অভিনীত হালদা, গহীন বালুচর, ছিটকিনি দর্শক ও সমালোচকের প্রশংসা পেয়েছে। ক্যারিয়ারের দারুণ সময় পার করেছেন ২০১৯ সালে। হালদা সিনেমার জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। আজ (১১ জানুয়ারি) তার জন্মদিন। বিশেষ এই দিনে অসংখ্য ভক্ত ও অনুরাগীর শুভেচ্ছায় সিক্ত হচ্ছেন রুনা। নিউজ একাত্তর পরিবারের পক্ষ থেকেও তার প্রতি রইলো জন্মদিনের শুভেচ্ছা। রুনা খানের শৈশব কাটে টাঙ্গাইল শহরে। ১৯৯৮ সালে তিনি ঢাকা আসেন। তার পিতা ছিলেন সরকারি চাকুরিজীবী। তিনি তার পিতামাতার বড় সন্তান। ২০১৬ সালে নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ের নাম গোত্রহীন মঞ্চ- নাটকে অভিনয় করেন। পাকিস্তানি লেখক সাদাত হাসান মান্টোর তিনটি ছোটগল্প অবলম্বনে নাটকটির চিত্রনাট্য রচনা ও নির্দেশনা দিয়েছেন ঊষা গাঙ্গুলী। এছাড়া রুনা খান আসাদুজ্জামান নূর নির্দেশিত নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ের দেওয়ান গাজীর- কিসসা মঞ্চ নাটকে অভিনয় করেন।
ঢাকায় আসছেন শ্রাবন্তী
০৯জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নির্মাতা শামীম আহমেদ রনীর বিক্ষোভ সিনেমার শেষ লটের শুটিংয়ে অংশ নিতে ফের ঢাকায় আসছেন নায়িকা শ্রাবন্তী। সোমবার (৬ জানুয়ারি) থেকে বিক্ষোভর শেষ লটের শুটিং শুরু হয়। অংশ নিতে শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) ঢাকায় আসছেন পশ্চিবঙ্গের দর্শকপ্রিয় নায়িকা শ্রাবন্তী। সিনেমাটিতে তার বিপরীতে আছে নবাগত শান্ত খান। বর্তমানে রাজধানীর আফতাব নগরে বিক্ষোভ সিনেমার দৃশ্যধারণ হচ্ছে। শ্রাবন্তীকে একজন স্কুল শিক্ষিকার চরিত্রে দেখা যাবে। সিনেমাটি নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের একটি সত্য ঘটনায় নির্মিত হচ্ছে। সিনেমাটির গল্প লিখেছেন নির্মাতা শামীম আহমেদ রনী। চিত্রনাট্য লিখেছেন দেলোয়ার হোসেন দিল। সিনেমাটি প্রযোজনা করছে স্টোরি স্প্ল্যাশ মিডিয়া। শ্রাবন্তী ছাড়া সিনামাটিতে দেখা যাবে ভারতের সানি লিওনিকে। তিনি আইটেম গানে অংশ নিয়েছেন। সিনেমায় আরো অভিনয় করেছেন ভারতের রজতাভ দত্ত, রাহুল দেব, বাংলাদেশের অমিত হাসান, সাদেক বাচ্চ সহ আরো অনেকে। গত বছরের সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে শুরু হয়েছিল বিক্ষোভর প্রথম ধাপের শুটিং।
ইয়ুথ আইকন অ্যাওয়ার্ড-- পেলেন নুসরাত জাহান
০৭জানুয়ারী,মঙ্গলবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পূর্ব ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় অ্যাওয়ার্ড হল কলাকার অ্যাওয়ার্ড। ভারতীয় চলচ্চিত্রের বিভিন্ন কলাকুশলীকে প্রতিবছর এই পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়। রবিবার বিকেলে সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়ামে বসেছিল কলাকার অ্যাওয়ার্ডের আসর। সেখানে ইয়ুথ আইকন অ্যাওয়ার্ড-এ সম্মানিত হলেন নুসরাত জাহান। এছাড়া বলিউডের হৃষিকেশ মুখোপাধ্যায়, মহেশ ভাট, সুভাষ ঘাই, সানি লিওন যেমন পুরস্কার পেয়েছেন; তেমনই পুরস্কৃত হয়েছেন নীতীশ রায়, শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, কৌশিক সেন, দেব, মীরের মতো অভিনেতারা। রবিবারও অনেক বাঙালি এই পুরস্কার পেলেন। নুসরাত ছাড়াও তালিকায় ছিলেন ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়, সৃজিত মুখোপাধ্যায়, অঙ্কুশ হাজরা, রুক্মিণী মৈত্রের মতো অনেকে। খবর ভারতীয় গণমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের। সেরা অভিনেতা হিসেবে এ বছর কলাকার অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন অঙ্কুশ হাজরা বিবাহ অভিযান। সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার উঠেছে রুক্মিণী মৈত্রের হাতে। পাসওয়ার্ড ছবির জন্য পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। তার সঙ্গে পুরস্কার ভাগ করে নিয়েছে ম্রুণাল ঠাকুর (সুপার ৩০)। যৌথভাবে সেরা ছবি নির্বাচিত হয়েছে সুচন্দ্রা ভানিয়ার পূর্ব পশ্চিম দক্ষিণ উত্তর আসবেই এবং সুপার ৩০। সেরা পরিচালকের পুরস্কার পেয়েছেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়। গুমনামী ছবির জন্য পুরস্কৃত হয়েছেন তিনি। ৫০ বছরের স্টারডামের জন্য সম্মানিত করা হয়েছে ঊষা উত্থুপকে। সেরা মিউজিক আইকন নির্বাচিত হয়েছেন অনু মালিক। অ্যাচিভার অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন বাবুল সুপ্রিয়। সেরা সংগীত পরিচালক হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছেন বিক্রম ঘোষ। সেরা লাইভ পারফর্মার নির্বাচিত হয়েছেন ইমন চক্রবর্তী। সেরা উঠতি তারকার পুরস্কার পেয়েছেন সা-রে-গা-মা অঙ্কিতা ভট্টাচার্য। লিভিং লেজেন্ড সম্মানে সম্মানিত হয়েছেন ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়।
কণ্ঠশিল্পী এ আর রহমানের জন্মদিন আজ
০৬জানুয়ারী,সোমবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সুরের এক বিস্ময়কর জাদুকরের নাম এ আর রহমান। আজ ৬ জানুয়ারি ভারতীয় এ সঙ্গীতশিল্পীর ৫৩তম জন্মদিন। ১৯৬৬ সালের ৬ জানুয়ারি মাদ্রাজের (বর্তমান চেন্নাই) এক শৈব হিন্দু পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পারিবারিক নাম ছিল এ এস দিলীপ কুমার, ধর্মান্তরের পর নাম রাখা হয় আল্লাহ রাখা রহমান, সংক্ষেপে এ আর রহমান। সাংসারিক জীবনে তার সহধর্মিনীর নাম সায়রা বানু। রহমান-বানু দম্পতির ঘরে রয়েছে তিন সন্তান খাদিজাহ, রহিমা ও আমান। এ আর রহমানের বাবা আর কে শেখর মুধালিয়ার ছিলেন মালায়ালাম মুভির একজন মিউজিক কম্পোজার ও কন্ডাক্টর। তার মায়ের নাম ছিল কস্তুরি (মুসলিম হওয়ার পরে তার নাম হয় করিমা বেগম)। গীতিকার, সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক এ আর রহমানকে অনেকেই ভালবেসে মোজার্ট অব মাদ্রাজ নামে ডাকেন। তার জীবনের অন্যতম অর্জন আসে ২০০৯ সালে। ওই বছর ৮১তম অস্কার আসরে ড্যানি বয়েলের আলোচিত সিনেমা স্লামডগ মিলিনিয়রর মিউজিক কম্পোজার হিসেবে সেরা অরিজিনাল মিউজিক স্কোর ও সেরা অরিজিনাল সং জয় হো-র জন্য ডাবল অস্কার জেতেন। এ আর রহমানের সঙ্গীত কৌশল বলিউডকে দিয়েছে নতুন ধরনের সাঙ্গীতিক অভিজ্ঞতা। তারই স্বীকৃতিতে মণি রত্নমের রোজা সিনেমার দুটি গান জিতেছিল দুটি গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড। জিতেছেন একটি বাফটা, গোল্ডেন গ্লোব, চারটি ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড ও ফিল্মফেয়ারসহ অসংখ্য পুরস্কার। এ ছাড়া ২০০৯ সালে টাইম ম্যাগাজিনের জরিপে বিশ্বের সেরা ১০ প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের তালিকায় তার নাম স্থান পায়। ২০১০ সালে রাষ্ট্রীয় উপাধি পদ্মভূষণ অর্জন করেন। সম্প্রতি ব্রিটেনভিত্তিক একটি ম্যাগাজিন তাকে টুমরোস মিউজিক আইকন উপাধি দিয়েছে। বিস্ময়কর এ আর রহমানের যে কোনো কম্পোজিশন বের হওয়ার আগেই সুপারহিট। তার প্রতিটি গানই একটি স্বতন্ত্র শিল্প। সাধারণ স্রোতারা তাঁর সুরে যেমন মুগ্ধ, তেমনি মুগ্ধ যারা গানের ব্যকরণ জানেন-তারাও। গানের ব্যকরণ জানা সুধীজনের কাছে রহমান আজও এক ধাঁধা। তাঁর সুরে যেমন তামিল আমেজ থাকে, তেমনি হিন্দুস্থানী ঘরাণায় তার দখল বিস্ময়কর। তার কম্পোজিশনে পশ্চিমা সুর তো আছেই, সেই সঙ্গে জাপানি পেন্টাটনিক সুর উঁকি দেয়। পাঞ্জাবি সুফি পপ থেকে শুরু করে তাঁর কম্পোজিশনে বাংলার বাউল সুরের প্রয়োগে রীতিমতো বিস্মিত হয়ে যেতে হয়। এ সব মিলিয়ে এ আর রহমান এক অতলান্ত সাঙ্গীতিক বিস্ময়। প্লে ব্যাক বা চলচ্চিত্রে গান গেয়ে এ আর রহমান এর আত্মপ্রকাশ বম্বে (তামিল, ১৯৯৫) ছবিতে। এর আগে তিনি অনেক গানে কোরাস এ কন্ঠ দিয়েছিলেন। কিন্তু প্রথম কোন গানে পূর্নাঙ্গ ভূমিকা পালন করেন বম্বে সিনেমার হাম্মা হাম্মা গানটিতে। মুভি বোম্বের (১৯৯৫) তু হি রে.. গানটি এবং বোম্বে থিম মিউজিক ট্র্যাকটি এ তার অনন্য দুটি সৃষ্টি। তার সেরা অধিকাংশ ট্র্যাক বা মুভিই প্রথমে তামিল ভাষায় করা, যা পরে হিন্দিতে ডাব করা হয়েছে। সেই ১৯৯২ সাল থেকে ২০০৯ পর্যন্ত তিনি তামিল, তেলেগু, হিন্দি, মালায়ালাম, মারাঠি, কানাড়া, ম্যান্ডারিন ও ইংরেজি ভাষায় উপহার দিয়েছেন দুই শতাধিকেরও (ডাবিং ও সিঙ্গেলসহ) বেশি অ্যালবাম। ১৯৯৭ সালের ১৫ আগস্ট তার কন্ঠে প্রথম অ্যালবাম বের হয় বন্দে মাতরম শিরোনামে সনি মিউজিক কোম্পানির পক্ষ থেকে। বন্দে মাতরম মাইলস্টোন অ্যালবামটি শুধু ইন্ডিয়াতে তখন বিক্রি হয়েছিল ১.২ কোটি পিস! ১৯৯৯ সালে জার্মানির মিউনিখে কনসার্টে মাইকেল জ্যাকসনের সঙ্গে পারফর্ম করেছেন তিনি। ২০০২-এ বিশ্ববিখ্যাত কম্পোজার অ্যান্ড্রু লয়েড ওয়েবারের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে রিলিজ দেন তার প্রথম স্টেজ প্রডাকশন বোম্বে ড্রিমস। ২০০৭ সালে তাজমহলকে দ্য নিউ সেভেন ওয়ান্ডার্স-এ স্থান পাইয়ে দেয়ার জন্য প্রমোশন হিসেবে ওয়ান লাভ গানটি ৬টি ভাষায় রিলিজ দেন। তার মিউজিক করা উল্লেখ করার মতো হিন্দি মুভিগুলো হলো বোম্বে (১৯৯৫), রঙ্গিলা (১৯৯৫), দিল সে.. (১৯৯৮), তাল (১৯৯৯), লগান (২০০১), সাথিয়া (২০০২), রাঙ্গ দে বাসন্তী (২০০৬), গুরু (২০০৭), যোধা আকবর (২০০৮), জানে তু... ইয়া জানে না (২০০৮), স্লামডগ মিলিয়নেয়ার (২০০৮), ইয়ুভরাজ (২০০৮), গজনি (২০০৮), দিল্লি-৬ (২০০৯) ইত্যাদি। কম্পোজিশনের পাশাপাশি তিনি একজন অসাধারণ ভোকালিস্টও; হাইপিচ, স্পিরিচুয়ালিটি তার কণ্ঠের অনন্য বৈশিষ্ট্য। এ আর রহমানের কণ্ঠের প্রথম গান মুভি বোম্বের (১৯৯৫) হাম্মা হাম্মা। তবে বন্দে মাতরাম (বন্দে মাতরাম), লুকা ছুপি (রাঙ্গ দে বাসন্তী), তেরে বিনা (গুরু), খাজা মেরে খাজা (যোধা আকবর), ও... সয়া (স্লামডগ মিলিয়নেয়ার), রেহনা তু (দিল্লি-৬) ইত্যাদি ট্র্যাকগুলোকে তার ভোকাল মাস্টার পিস বলা যেতে পারে। তিনিই একমাত্র ইন্ডিয়ান মিউজিশিয়ান, যার অ্যালবাম বিশ্বজুড়ে ২০ কোটি কপির চেয়েও বেশি বিক্রি হয়েছে।
এই প্রথম নাটকে নোবেল-পূর্ণিমা
০৪জানুয়ারী,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চিত্রনায়িকা দিলারা হানিফ পূর্ণিমা। সিনেমায় এখন তিনি নেই বললেই চলে। তবে মাঝে মধ্যে নাটকে দেখা যায় তাকে। এবার প্রথম মডেল তারকা আদিল হোসেন নোবেলের সঙ্গে জুটি হয়ে দর্শকদের সামনে আসছেন তিনি। মেঘ বলেছে যাব- শিরোনামের এ নাটকটি রচনা করেছেন মেহরাব জাহিদ। নাটকটি পরিচালনা করছেন শেখ সেলিম। রাজধানীর বিভিন্ন লোকেশনে চলতি মাসের শেষ প্রান্তে নাটকের শুটিং হবে। নাটকটিতে স্বামী-স্ত্রীর চরিত্রে দেখা যাবে এ দুই তারকাকে। নাটকের গল্প প্রসঙ্গে পরিচালক জানান, দীর্ঘদিন প্রেম করার পর নোবেল ও পূর্ণিমা সংসারি হয় বিয়ের মাধ্যমে। কিন্তু বিয়ের অল্প দিনের মধ্যেই সংসারে সংকট শুরু হয়। এ নিয়ে তাদের মধ্যে মান-অভিমান চলতে থাকে। এভাবেই নানা ঘটনায় নাটকের গল্প এগিয়ে যাবে। এতে অভিনয় প্রসঙ্গে নোবেল বলেন, নাটকের গল্প শুনেছি। সমসাময়িক ঘটনা এ নাটকের গল্পের মাধ্যমে উঠে আসবে। আশা করছি ভালো একটি কাজ হবে এটি। অন্যদিকে পূর্ণিমা বর্তমানে ওমরা হজ করার জন্য সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। তিনি দেশে ফিরলেই নাটকের শুটিংয়ের তারিখ নির্ধারণ করা হবে বলে নির্মাতা জানিয়েছেন। আগামী ঈদের জন্য এটি নির্মান করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নির্মাতা।
কমলিকা চক্রবর্তীর নতুন গান- তুই আমার আমি তোর
০২জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নতুন গান নিয়ে হাজির হলেন বাংলাদেশ ও কলকাতার শ্রোতাপ্রিয় সংগীতশিল্পী কমলিকা চক্রবর্তী। তুই আমার আমি তোর শিরোনামের এ গানটি প্রকাশ পেয়েছে জয় মিউজিক ইউটিউব চ্যানেলে। কলকাতার সঙ্গীত পরিচালক প্রাঞ্জল দাসে কথা ও সুরে এ ফেস্টিভ গানটির দৃশ্যায়ন হয়েছে সমুদ্র সৈকতে। নতুন এ গানটি নিয়ে শিল্পী কমলিকা চক্রবর্তী বলেন, আমার অন্যান্য গানের থেকে এটি একটু আলাদা। রোমান্টিকও। গানের কথা ও সুর আশা রাখি সবার ভালো লাগবে। আমি আশা রাখছি আপনারা সবাই গানটি শুনবেন। গানটি ভালো করে গাওয়ার জন্য আমি চেষ্টা করেছি। জানিনা কতটা ভালো করতে পেরেছি। তিনি আরও বলেন, এরপর আগামীতে রবিন্দ্রনাথের কিছু গান গাওয়ারও ইচ্ছে আছে। অনেক বড় শিল্পী হওয়ার ইচ্ছে আমার নেই। তবে ভালো কিছু কাজ করতে চাই। গান গাইলে আমি মানসিক প্রশান্তি আসে। গানই আমার প্রাণের তৃপ্তি, গানই আমার শান্তি।
৬১-তে ২৫ বছরের যুবকের প্রেমে ম্যাডোনা
০১জানুয়ারী,বুধবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জনপ্রিয় মার্কিন পপ তারকা ম্যাডোনার সঙ্গে এবার জড়িয়েছে বছর ২৫-এর উইলিয়ামসের নাম। কি অবাক লাগছে শুনে? বিষয়টি খুলেই বলা যাক তাহলে৷ রিপোর্টে প্রকাশ, ৬১ বছরের মার্কিন পপ তারকা ম্যাডোনা নাকি সম্পর্কে জড়িয়েছেন বছর ২৫-এর আহমালিক ইউলিয়ামসের সঙ্গে৷ ডেইলি মেইলের খবর অনুযায়ী, ইউলিয়ামসের বাবা ড্রিউকে ইতিমধ্যেই ম্যাডোনা জানিয়েছেন, তার ছেলের প্রতি ভালোবাসার কথা। সিনিয়র ইউলিয়ামস এবং তার স্ত্রীকে নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানিয়ে, তাদের ছেলের প্রতি ভালোবাসার কথা জানিয়েছেন ম্যাডোনা৷। ড্রিউ জানিয়েছেন, ম্যাডোনা তার চেয়ে যেমন বয়সে বড়, তেমনি তার স্ত্রীও বয়সে ছোট ম্যাডোনার চেয়ে। যদিও সিনিয়র ইউলিয়ামস এবং তার স্ত্রীর কোনও আপত্তি নেই এই সম্পর্কে৷ তার ছেলের চেয়ে ম্যাডোনা ৩৬ বছরের বড় হলেও, মার্কিন পপ তারকার সঙ্গে তার ছেলের সম্পর্কে উইলিয়ামসরা বেশ খুশি বলেই জানিয়েছেন। ভালোবাসা যে কোনও বাঁধন মানে না এবং বয়সের বেড়াজাল টপকে একে অপরের সঙ্গে বাঁধা পড়ে, তা স্পষ্ট করেছেন ম্যাডোনা এবং আহমালিক উইলিয়ামস। জি-নিউজের। জানা গেছে, ২০২০ সালে লন্ডন এবং ফ্রান্সে মার্কিন পপ তারকা ম্যাডোনার যে শো রয়েছে, সেখানেও তার ভালোবাসার মানুষের বাবা, মাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ম্যাডোনা।
বছরের প্রথম দিনেই মেহজাবিনের চমক
০১জানুয়ারী,বুধবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: টিভি নাটকের জনপ্রিয় ও ব্যস্ততম অভিনেত্রী মেহজাবিন চৌধুরী। নতুন বছরের প্রথম দিন দর্শকদের সামনে অন্যরূপে আসছেন তিনি। দর্শকের জন্য এটি একটি বিশেষ চমক। লাইভ টেকের ইউটিউব চ্যানেলে আজ প্রকাশ হচ্ছে তার অভিনীত মরীচিকা শিরোনামের একটি নাটক। এতে মেহজাবিনকে দেখা যাবে একেবারেই নেতিবাচক চরিত্রে। এ ধরনের চরিত্রে এর আগে কখনও অভিনয় করেননি তিনি। কাজল আরেফিন অমির নির্মাণে নাটকটিতে তিনি জুটি বেঁধেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা আফরান নিশোর সঙ্গে। নাটকটি নিয়ে মেহাজবিন বলেন, নতুন বছর নতুন কিছু দিয়ে শুরু করলাম। আমি সব সময় চেষ্টা করি ভিন্ন কিছু দর্শকদের দেয়ার জন্য। তারই ধারাবাহিকতায় এ নাটকটি করা। এ নাটকে দর্শক চেনা মেহজাবিনকে পাবে না। নাটকে গল্পের শেষটা সবার মনে ভিন্নরকম প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করবে। নতুন বছরের পরিকল্পনা নিয়ে অভিনেত্রী বলেন, গেল বছরটি খুব ব্যস্ততার মধ্যে কাটিয়েছি। ব্যস্ত থাকার কারণে পরিবারকে ঠিকমতো সময় দিতে পারিনি। তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি, নতুন বছরে কাজের পরিমাণ কম হবে। পরিবারকে সময় দিতে চাই। পরিবারের সবাইকে নিয়ে দেশ-বিদেশ ঘুরতে চাই। পাশাপাশি নিজেকেও সময় দেয়া দরকার। কাজের জন্য ব্যক্তিজীবনের কথাও ভাবতে পারছি না।-একুশে টেলিভিশন