জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে 'মিস্টার বাংলাদেশ' সিনেমা
একজনের প্রতিশোধ দেশের প্রতিবাদ এই স্লোগানকে কেন্দ্র করে সোমবার (২৬ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে মিস্টার বাংলাদেশ সিনেমার ট্রেইলার। এখানে দেখা যাচ্ছে দেশের পতাকার মান রক্ষা করতে জঙ্গিবাদ নির্মুলে নেমেছে মিস্টার বাংলাদেশ। প্রেম, ভালোবাসা, পরিবারের গল্প ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধের দৃশ্য উঠে এসেছে এখানে। জঙ্গিবাদ নিয়ে আবু আকতারুল ইমান নির্মাণ করেছেন মিস্টার বাংলাদেশ। তিনি বলেন, সিনেমাটি দেখে একজনও যদি জঙ্গিবাদ থেকে ফেরত আসে তাহলে তা আমাদের সফলতা। কাউকে আনতে না পারলে তা হবে আমাদের ব্যর্থতা। ট্রেলার প্রকাশ উপলক্ষে বিএফডিসির জহির রায়হান মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন ইমান। সম্মেলনের প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। তিনি বলেন, আমি অ্যাকশন ছবি পছন্দ করি। তবে ছবির ট্রেইলার দেখে মনে হয়েছে এর মধ্যে গভীর কোনো বার্তা আছে। দানবের নয় মানবের সমাজ গড়তে ভূমিকা পালন করবে ছবিটি। একই প্রসঙ্গে প্রযোজক খিজির হায়াত খান বলেন, হলি বেকারি হামলায় আমার এক বন্ধু মারা যায়। আমার কিছু বন্ধু আছে যারা অন্ধকার জগতে চলে গেছে। ওইরকম একটা সময়ে কিছু একটা করার পরিকল্পনায় সিনেমাটি করা। সমস্যা যদি কেউ করে তাহলে তা যেন পিছন থেকে না করে সামনে থেকে করে। দুবছর ধরে সিনেমাটির সকল পরিকল্পনা। গতবছরের শেষে শুরু করে এ ফেব্রুয়ারিতে শুটিং শেষ হয়। একজন সৈনিক, প্রেমিক, পিতা, বিদ্রোহী ও দেশ প্রেমিক মিস্টার বাংলাদেশ ভূমিকায় খিজির হায়াত খান। এতে শানারই দেবী শানু, টাইগার রবি, শামীম হাসান সরকার, মেরিয়ান ও শাহরিয়ার সজিবও অভিনয় করেছেন। সিনেমাটিতে জার্নি কেমন ছিল, তা নিয়ে বললেন তারা। টাইগার রবি বলেন, অনেক দুর্গম এলাকায় শীতকালে জঙ্গলে কাজ করতে হয়েছে। কোনপ্রকার প্রটেকশন ছাড়া গাজীপুর ও কক্সবাজারে শুটিং করেছি। কেএইচকে প্রোডাকশনের ব্যানারে নির্মিত মিস্টার বাংলাদেশ। প্রযোজকের পরিকল্পনা ছিল হলি আর্টিজেন হামলার তারিখ ১ জুলাইয়ে মুক্তি দেবার। তবে ওই মাসেই মুক্তি পাবে, কিন্তু বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালের পর।
গানের যুবরাজ আসিফ আকবরের জন্ম দিন পালিত
বাংলাদেশের জনপ্রিয় সঙ্গীত তারকা আসিফ আকবর। তাকে ভালোবেসে শ্রোতা-ভক্তরা গানের যুবরাজ বলেও সম্মানিত করে থাকেন। ১৯৭২ সালের এই দিনে জন্ম নেয়া এই গানের মানুষটিকে কাছের মানুষরা তাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন নানাভাবে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভক্তদের অন্যরকম ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন আসিফ আকবর। ২০০১ সালে প্রথম অ্যালবাম ও প্রিয়া তুমি কোথায় প্রকাশ করেই রাতারাতি তারকা বনে যান আসিফ আকবর। তার এই অ্যালবামটি দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বিক্রিত অ্যালবাম বলে স্বীকৃত। সে সময় জলে-বনে-মাঠে-হাটে-সর্বত্রই মানুষের মুখে ফিরত আসিফের এ অ্যালবামের গান। বিশেষ করে জনপ্রিয়তা পেয়েছিলো ও প্রিয়া তুমি কোথায় চোখেরই জলে লেখা ক্ষমা করে দিও আমাকে জ্বালা জ্বালা এই অন্তরে শিরোনামের গানগুলো। এই অ্যালবামের সাফল্যের পর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি আসিফ আকবরকে। একক, ফিক্সড, চলচ্চিত্র যেখানেই গান করেছেন আসিফ সেখানেই তার গান লুফে নিয়েছেন শ্রোতারা। তার অনেক গান আজও মাুনষের মুখে শোনা যায়। তবে বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়ে গান গেয়ে নিজেকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন ক্রিকেট পাগল এই গায়ক। তার বেশ বেশ বেশ-সাবাশ বাংলাদেশ গানটি জনপ্রিয়তার বিচারে বাংলাদেশ ক্রিকেটের অঘোষিত থিম সং-এ পরিণত হয়েছে। পৃথিবীর যে প্রান্তেই খেলা হোক, সেখানে বাংলােদেশিরা থাকলে আসিফের এই গানটি বাজতে শোনা যায়। ক্যারিয়ারে অসংখ্য স্বীকৃতি তিনি অর্জন করেছেন। তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য সেরা শিল্পী হিসেবে দুইবার জাতীয় চলচিত্র পুরষ্কার এবং ৬ বার মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার জয়। আসিফ আকবরের জন্ম কুমিল্লার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে। তার বাবার নাম আলী আকবর ও মা রোকেয়া আকবর। পাঁচ ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি ষষ্ঠ। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি সালমা আসিফ মিতুকে বিবাহ করেন। তাদের রণ এবং রুদ্র নামে দুটি সন্তান রয়েছে।
প্রিয়া'র ছবি ব্যবহার করে ট্রাফিক সচেতনতা বাড়াচ্ছে পুলিশ
চোখের ভঙ্গিমা দেখিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যাপক আলোচিত মালয়লী অভিনেত্রী প্রিয়া প্রকাশের জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে ট্রাফিক সচেতনতা বাড়াতে চাইছে ভারতের বদোদরা পুলিশ। জানা গেছে, প্রিয়ার একটি ছবিকে পোস্টার বানিয়ে সেই সঙ্গে লেখা হয়েছে, দুর্ঘটনা ঘটতে পারে চোখের পলকে। তাই সতর্ক হয়ে গাড়ি চালান। তবে এই ছবি গোটা ভারতজুড়ে বেশ আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এর আগেও বদোদরা পুলিশ সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক মজার পোস্টার বানিয়ে প্রচার করেছে। সেগুলির মধ্যে গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোনে কথা না বলার আবেদনও রীতিমতো জনপ্রিয় হয়েছিল। উল্লেখ্য, এর আগে মুম্বাই পুলিশ ও বেঙ্গালুরু পুলিশও প্রিয়ার ছবি ব্যবহার করে ট্র্যাফিক সচেতনতা গড়ে তোলার চেষ্টা করেছিল। পাশাপাশি ছিল সাইবার অপরাধ ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তোলার চেষ্টা।
বিয়ে করে ঘর জামাই থাকবেন দেব !
টলিউডে জনপ্রিয় অভিনেতা দেব। এবার বিয়ের পিড়িতে বসতে যাচ্ছেন। টালিউড পাড়ায় এমন খবর ছড়িয়ে পড়েছে। তবে কি কিছুদিন আগেই প্রিয় বন্ধু শুভশ্রীর বিয়ে হওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি? তিনি শুধু বিয়েই করছেন না, জানা যাচ্ছে তিনি হবেন ঘর জামাই। কথাটা কেমন জানি লাগছে শুনতে। কিন্তু যেমনই শোনাক না কেনো। কথাটা কিন্তু একেবারেই সত্যি। দেব বিয়েও করছেন ঘর জামাই ও হচ্ছেন তবে এটা বাস্তবে নয় ছবিতে। নায়কের পুজো ইনস্টলমেন্ট সিনেমা হইচই যেখানে মিমি চক্রবর্তীর সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে দেখা যাবে দেবকে। বুধবার ছিল ট্রেলার রিলিজ। সেখানে দেব জানান তাঁর আগামী ছবির কথা। যেখানে দেব-মিমি ছাড়াও দেখা যাবে খরাজ মুখোপাধ্যায়, শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, সুদীপ্তা চক্রবর্তী, প্রিয়াঙ্কা সরকার, মানসি সিংহ, অর্ন মুখোপাধ্যায় সহ আরও অনেকে। সুতরাং বুঝতেই পারছেন মাল্টি স্টারার ছবি হইচই। এ ছবিতে তিনি শুধু আর অভিনেতা নন, প্রযোজকও। হইচই এর পরিচালক অনিকেত চট্টোপাধ্যায়। শুক্রবার ছিল ছবির শুভ মহরত। জানা গিয়েছে হইচই-এর সিংহ ভাগের শ্যুটিং হবে উজবেকিস্থানে। আগামী ২৬ মার্চ সিনেমার গোটা টিম উড়ে যাবেন উজবেকিস্থানে। আপাতত এইটুকু। বাকি খবর পরে।
নিজের লেখা ও সুরে বাবার জন্য গাইলেন ঐন্দ্রিলা
নিজের লেখা ও সুরে বাবা বরেণ্য অভিনেতা বুলবুল আহমেদের জন্য গাইলেন ঐন্দ্রিলা। ছোটবেলা থেকেই গান শিখেছেন মেয়ে ঐন্দ্রিলা আহমেদ। বাবার অনেক নাটক আর চলচ্চিত্রে গান গেয়েছেন তিনি। গেয়েছেন বিজ্ঞাপনচিত্রের জিঙ্গেল। যে বাবার হাত ধরে একসময় বিভিন্ন সংগীত পরিচালকের সঙ্গে গান গেয়েছিলেন, এবার সেই বাবার কথা মনে করে একটি গান লিখে ফেললেন। তাতে সুর করার পাশাপাশি কণ্ঠও দিয়েছেন। শুক্রবার (১৬ মার্চ) ঢাকার ধানমন্ডির একটি স্টুডিওতে গানটিতে কণ্ঠ দেন ঐন্দ্রিলা। গানটির শিরোনাম উত্তরসূরি। সংগীতায়োজন করেছেন রাজন সাহা। ঐন্দ্রিলার সঙ্গে গানটির সুর করেছেন মুরাদ নূর। গানটি বাবা দিবসে প্রকাশ করার কথা ভাবছেন শিল্পী। ঐন্দ্রিলা বলেন, ছোটবেলা থেকে অনেক প্রতিযোগিতায় গান গেয়েছি। বেশির ভাগ প্রতিযোগিতায় গান গেয়ে প্রথম হয়েছি। প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক প্রণব ঘোষ আমাকে চারটি গান দিয়েছিলেন, কিন্তু তার মৃত্যুর পর আর গানগুলো রেকর্ড করা হয়নি। ঐন্দ্রিলা আরও বলেন,অনেক গান গাইলেও নিজের লেখা এবং সুর করা গান এবারই প্রথম। আব্বু তো গরম হাওয়া ছবিতে সৈয়দ আব্দুল হাদী চাচার সঙ্গে আমাকে দিয়ে গান করিয়েছিলেন। আব্বু তার অনেক নাটকেও আমাকে দিয়ে একক গান করিয়েছেন। আব্বুকে নিয়ে গান লেখা আর গাওয়ার ব্যাপারটি অসাধারণ। হয়তো আব্বু বেঁচে থাকলে বেশি খুশি হতেন। আমি তো আব্বুকে নিয়ে যখন প্রামাণ্যচিত্র বানিয়েছিলাম, তা দেখে খুশিতে কেঁদে ফেলেছিলেন তিনি। ঐন্দ্রিলার আব্বা অভিনেতা বুলবুল আহমেদ ২০১০ সালের ১৪ জুলাই মারা যান।উত্তরসূরিগানটি নিয়ে ঐন্দ্রিলা বলেন, আব্বুর কারণে আমি আজকের ঐন্দ্রিলা। আমিই তার উত্তরসূরি। অভিনয়টা নিয়মিত করলেও গান করি একান্তই নিজের জন্য। আব্বুকে নিয়ে নিজের অনুভূতির কয়েকটা লাইন ফেসবুকে লিখি। এরপর মুরাদ নূর যোগাযোগ করেন। তখন গানটি তৈরির পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়। পৃথিবীর সব বাবার জন্য আমার এই গান।
'রেস ৩' এর অফিসিয়াল লোগো উন্মোচন করেছেন সালমান
গত বছরের শেষে সবচেয়ে বড় হিট ছিল সালমান খানের টাইগার জিন্দা হ্যায়। এ বছরের ঈদে আবার আসছেন ভাইজান সালমান, সঙ্গে আসছে রেস ৩ । ভক্তরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে এই স্টাইলিশ থ্রিলারটির। কারণ, তাঁর সঙ্গে আরো আছেন ববি দেওল, জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ, সাকিব সেলিম, ডেইজি শাহ আর অনিল কাপুর। আর মাত্র তিন মাস বাকি। আর এর আগে ছবিটির অফিসিয়াল লোগো উন্মোচন করেছেন সালমান। রেমো ডি সুজার এই ছবিটির লোগো উন্মোচন প্রসঙ্গে এক ট্যুইট পোস্টে সালমান লেখেন, আর মাত্র তিন মাস বাকি। এই ঈদে, রেস ৩। রেস ৩ ছবিটি আর একটি কারণে বিশেষ। কারণ, এই ছবিটিই সদ্যঃপ্রয়াত অভিনেতা প্রকাশ ঝাঁ অভিনীত শেষ ছবি। যিনি গতকাল (বুধবার) সকালে পরলোক গমন করেন।
আজ পপগুরু'র জন্মদিন
'পপসম্রাট বা পপগুরু খ্যাত বাংলা সঙ্গীতের সম্রাট আজম খানের জন্মদিন আজ। ১৯৫০ সালের এই দিনটিতে ঢাকার আজিমপুরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। পুরো নাম মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান। বাবা আফতাব উদ্দিন খান ছিলেন সরকারি চাকরিজীবী। মা জোবেদা বেগম সংগীতশিল্পী। মায়ের অনুপ্রেরণায় শৈশব থেকেই সংগীতে নিয়মিত চর্চা। ১৯৬৬ সালে তিনি সিদ্ধেশ্বরী হাইস্কুল থেকে এসএসসি এবং ১৯৬৮ সালে টিঅ্যান্ডটি মহাবিদ্যালয় থেকে এইচএসসি পাস করেন। ষাটের দশকে পশ্চিমা ধাঁচের পপ গানে দেশজ বিষয়ের সংযোজন ও পরিবেশনার স্বতন্ত্র রীতিতে বাংলা গানে নতুন মাত্রা যোগ করেছিলেন আজম খান। শ্রোতাদের কাছে তখন এ ধরনের গান ছিল একেবারেই নতুন। এই নতুন ধারার গানের পথিকৃৎ হিসেবে তিনি শ্রোতাদের কাছে পপ সম্রাট' বা পপ গুরু' হিসেবে সম্মানিত হন। আজম খানের মাধ্যমে উন্মোচিত হয়েছিল সংগীতের ভিন্নধারা। দেশীয় পপগানের আকাশে এনেছিলেন নতুন সূর্যোদয়। অপরাজেয় এক মুক্তিযোদ্ধা আজম খান। অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছিলেন দেশমাতৃকার মুক্তির জন্য। জীবন বাজি রেখে ছিনিয়ে এনেছিলেন বিজয়। যুদ্ধোত্তর দেশে সূচনা করেছিলেন আরেক সংগ্রামের। সে সংগ্রাম নতুন ধারার সংগীত সৃষ্টির। সংস্কৃতির অচলায়নে তুমুল আলোড়ন তুলে স্বাধীন দেশে পাশ্চাত্য সংগীতের ধারার সংগীত রচনা ও পরিবেশনার মধ্য দিয়ে তারুণ্যের দুর্দমনীয় বাঁধভাঙা স্পন্দন বইয়ে দিয়েছিলেন তিনি। বাংলাদেশের পপসংগীতের পথিকৃৎ হিসেবে তার গান ঠাঁই করে নেয় দেশের সংগীতপ্রিয় কোটি শ্রোতার হৃদয়ে। উল্লেখ্য, এক বছর ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে ২০১১ সালের ৫ জুন ৬১ বছর বয়সে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন জনপ্রিয় এ সংগীতশিল্পী।
বলিউডের খ্যাতিমান অভিনেত্রী শ্রীদেবী মারা গেছেন
বলিউডের খ্যাতিমান অভিনেত্রী শ্রীদেবী আর নেই। শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে দুবাইয়ে মারা যান তিনি। তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৪ বছর। শ্রীদেবীর মৃত্যুতে বলিউডে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শ্রীদেবীর মৃত্যুর সংবাদ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন তাঁর স্বামীর ছোট ভাই সঞ্জয় কাপুর। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে দুবাই আসেন শ্রীদেবী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্বামী ও ছোট মেয়ে। সেখানে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন শ্রীদেবী। শিশুশিল্পী হিসেবে বলিউডে অভিষেক হয় শ্রীদেবীর। চিত্তাকর্ষক চোখ, রুপালি পর্দায় উপস্থিতি আর অভিনয় দক্ষতা তাঁকে তুমুল জনপ্রিয়তা এনে দেয়। তিনি হিন্দি ছবির পাশাপাশি তামিল, তেলেগু ও মালায়ালম ছবিতে সমানতালে কাজ করেছেন। ২০১৩ সালে ভারত সরকার তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করে।
প্রিয়াংকা আবারো সেরা
এক বছর ভাটা পড়েছিল প্রিয়াংকার। কারণ দীপিকা পাড়কোন সেরা আবেদনময়ী নারীর আসনে বসেছিলেন। তবে এর আগে চারবার অর্জন করা আসনটি এবার আর হাতছাড়া করেননি প্রিয়াংকা। পঞ্চমবারের মতো সেটি দখল করে নিয়েছেন। এশিয়ার ৫০ জন সেরা আবেদনময়ী নারীর তালিকা প্রকাশ করেছে লন্ডন-ভিত্তিক সাপ্তাহিক পত্রিকা ইস্টার্ন আই। সেই তালিকায় সবার উপরে রয়েছে প্রিয়াংকা চোপড়ার নাম। দ্বিতীয় হয়েছেন ভারতীয় টেলিভিশন তারকা নিয়া শর্মা। আর তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন গতবারের প্রথম দীপিকা পাড়ুকোন। এমন বিজয়ের খবরে প্রিয়াংকা তার প্রতিক্রিয়ায় জানান, আসলে বিজয়ের এই কৃতিত্ব আমি নিতে চাই না। এর সমস্ত কৃতিত্ব আমার শারীরিক গঠন এবং আপনাদের দৃষ্টিভঙ্গির। আমি কৃতজ্ঞ, সম্মানিত। কেননা, ধারাবাহিক সাফল্য থেকে প্রেরণা পাওয়া যায়।