বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২, ২০২০
শপথ নিলেন শিল্পী সমিতির নব-নির্বাচিত কমিটির সদস্যরা
৩০অক্টোবর,বুধবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দ্বিবার্ষিক (২০১৯-২১) মেয়াদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে ২৫ অক্টোবর (শুক্রবার)। এবারের নির্বাচনে সভাপতি পদে জয়ী হয়েছেন মিশা সওদাগর এবং সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ খান। আজ বুধবার দুপুরে (৩০ অক্টোবর) বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি)র জহির রায়হান কালার ল্যাব মিলনায়তনে নতুন কমিটির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নতুন এ কমিটি সভাপতি মিশা সওদাগরকে এ সময় শপথ বাক্য পাঠ করান এবারের নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইলিয়াস কাঞ্চন। এরপর মিশা সওদাগর সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান। এ শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চিত্রনায়ক আকবর হোসেন পাঠান ফারুক (এমপি), মাসুম পারভেজ সোহেল রানা, নির্মাতা সোহানুর রহমান সোহান, প্রযোজক সমিতির সভাপতি খোরশেদ আলম খসরু, প্রযোজক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম, পরিচালক সমিতির মহাসচিব বদিউল আলম খোকন, মাসুম বাবুল, নাদের খানসহ চলচ্চিত্রাঙ্গনের অনেকেই। শপথ গ্রহণ শেষে নব-নির্বাচিত কমিটিকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান প্রযোজক সমিতি, পরিচালক সমিতি, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি (বাচসাস)সহ চলচ্চিত্রের অন্যান্য সংগঠনগুলো। ২০১৯-২১ মেয়াদের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৪৪৯ জন। এর মধ্যে ভোট দেন ৩৮৬জন। এ নির্বাচনে সহ-সভাপতির পদে মনোয়ার হোসেন ডিপজল ও রুবেল নির্বাচিত হয়েছেন। সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে আরমান, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সুব্রত, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে চিত্রনায়ক ইমন, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে জ্যাকি আলমগীর, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে জাকির হোসেন, কোষাধ্যক্ষ পদে ফরহাদ নির্বাচিত হয়েছেন। শিল্পী সমিতির এ নির্বাচনে কার্যকরী পরিষদ সদস্যের ১১টি পদে প্রার্থী হয়েছিলেন ১৪ জন। এর মধ্যে নির্বাচিত হয়েছেন অঞ্জনা সুলতানা, রোজিনা, অরুণা বিশ্বাস, আলীরাজ, আফজাল শরীফ, বাপ্পারাজ, আসিফ ইকবাল, আলেকজান্ডার বো, জেসমিন, জয় চৌধুরী ও মারুফ।
আকবর- হয়ে আসছেন ইমন
২৯অক্টোবর,মঙ্গলবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সময়ের আলোচিত মডেল ও নায়ক ইমন নতুন ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হলেন। নাম আকবর-ওয়ান্স আপন এ টাইম ইন ঢাকা। ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডে রাজত্ব করেছে অনেকেই, কিন্তু পুরো শহরের হৃৎপিণ্ডটাকে বুক পকেটে পুরে রেখেছিলেন একজনই। তার নাম আকবর। পরিচালনা করবেন সৈকত নাসির। এ ছবির কাহিনি, চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন রণক ইকরাম। নাম ভূমিকায় অভিনয় করবেন ইমন। আসছে ১৫ জানুয়ারি ছবির শুটিং শুরু হবে জানান নির্মাতা। ইমন বলেন, ছবির গল্পে চমক রয়েছে। আর সৈকত নাসির একজন ভালো নির্মাতা। দর্শকদের আমরা নতুন কিছু উপহার দিতে পারব। নতুন এক ইমনকেই খুঁজে পাবেন দর্শক। আকবর-ওয়ান্স আপন এ টাইম ইন ঢাকা ছবির নায়িকা কে থাকছে তা এখনও জানানো হয়নি। শিগগিরই নায়িকার বিষয়ে গণমাধ্যমকে জানানো হবে বলছিলেন সংশ্লিষ্টরা। তৌকির আহমেদ পরিচালিত- দারুচিনি দ্বীপ, ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক ইমনের। এরপর একে একে এক বুক ভালোবাসা, গহীনে শব্দ, লাল টিপ, পদ্ম পাতার জল, পাসওয়ার্ড ছবিগুলোতে কাজ করেছেন তিনি।
এবার বাংলাদেশে জয়ার- কণ্ঠ !
২৭অক্টোবর,রবিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান অভিনীত এবং শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও নন্দিতা রায় পরিচালিত কণ্ঠ ছবিটি পশ্চিমবঙ্গে মুক্তি পেয়েছিলো এ বিচারের ১০ মে। ছবিটি মুক্তির পর তা বেশ প্রশংসিত হয়েছে ওপার বাংলায়। এবার বাংলাদেশে মুক্তি পাবে জয়া অভিনীত এই ছবিটি। জানা গেছে ছবিটি বাংলাদেশে মুক্তি পেতে যাচ্ছে সাফটা চুক্তি অনুযায়ী। সব ঠিক থাকলে ৮ নভেম্বর বাংলাদেশের শতাধিক প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবার সম্ভাবনা রয়েছে। ছবিটিতে জয়া অভিনয় করেছেন একজন স্পিচ থেরাপিস্টের চরিত্রে। ছবিটির কাহিনী গড়ে উঠেছে রেলের অফিসার বিভূতি চক্রবর্তীর জীবনের এক হার না মানা অধ্যায় নিয়ে। তার শ্বাসনালীতে ক্যান্সার ধরা পড়েছিল ১৭ বছর আগে। অস্ত্রোপচারের পরে তিনি হারিয়েছিলেন গলার স্বর। দীর্ঘ লড়াই চালিয়ে,খাদ্যনালীর সাহায্যে ফের ফিরে পেয়েছিলেন সেই আওয়াজ। কিন্তু বিভূতি চক্রবর্তী নিজে সুস্থ হয়েই থামেননি। শ্বাসনালীতে ক্যান্সার হলে কীভাবে অস্ত্রোপচারের পরে খাদ্যনালীর মাধ্যমে আওয়াজ ফিরে পাওয়া যেতে পারে, তা নিয়ে বই লিখেছিলেন। ক্যান্সার আক্রান্তদের থেরাপিও করাতেন। বছরখানেক আগে মারা যান বিভূতি চক্রবর্তী। ক্যান্সার ও এর বিরুদ্ধে লড়াই সাধারণ মানুষকে এই দুই বিষয়ে ওয়াকিবহাল করতেই শিবপ্রসাদ-নন্দিতা পর্দায় তুলে ধরছেন বিভূতির জীবন। ছবিটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন পরিচালক শিবপ্রসাদ নিজেই। এছাড়া ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন পাওলি দাম, কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিপ্লব দাশগুপ্ত, পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।-বিনোদন২৪
একা লড়ে হার মৌসুমীর, দায়িত্বে ফের মিশা-জায়েদ প্যানেল
২৬অক্টোবর,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন সংস্থার (বিএফডিসি) শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে আবারও জয় পেয়েছে মিশা-জায়েদ প্যানেল। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সভাপতি পদে লড়ে হেরে গেছেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী। শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইলিয়াস কাঞ্চন। এতে সভাপতি পদে মিশা সওদাগর পেয়েছেন ২২৭ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মৌসুমী পেয়েছেন ১২৫ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ পেয়েছেন ২৮৪ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ইলিয়াস কোবরা পেয়েছেন ৬৮ ভোট। সে মোতাবেক আগামী দুই বছরের জন্য ফের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মিশা সওদাগর আর সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ ছাড়া অন্যান্য পদে জয় লাভ করেছেন সহসভাপতি- ডিপজল ও রুবেল, সহসাধারণ সম্পাদক- আরমান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক- ইমন এবং সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক- জাকির হোসেন। কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় বাংলাদেশ শিল্পী সমিতির ২০১৯-২১ মেয়াদি নির্বাচনে তিন পদে বিনা বাধায় নির্বাচিত হয়েছে তিনজন। তারা হলেন সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সুব্রত, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে জ্যাকি আলমগীর ও কোষাধ্যক্ষ পদে ফরহাদ। এ নির্বাচনে বিভিন্ন পদে লড়েছেন ২৭ জন শিল্পী। ১১টি কার্যনির্বাহী সদস্য পদে ১৪ জন প্রার্থীর মধ্যে জয়লাভ করেন− অঞ্জনা সুলতানা, রোজিনা, অরুণা বিশ্বাস, আলীরাজ, বাপ্পা রাজ, আফজাল শরীফ, মারুফ, আসিফ ইকবাল, আলেকজান্ডার বো, জেসমিন ও জয় চৌধুরী। প্রত্যেকেই মিশা-জায়েদ প্যানেলের হয়ে নির্বাচন করেছেন। নির্বাচনে ৪৪৯ জন ভোটারের মধ্যে ভোট পড়েছে ৩৮৬টি। চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির এবারের নির্বাচনে শুধু একটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে, মিশা সওদাগর এবং জায়েদ খান। এর বাইরে অন্যরা স্বতন্ত্র নির্বাচন করেছেন। প্যানেল গঠন করতে চেয়ে অন্যান্যরা সরে দাঁড়ালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই সভাপতি পদে লড়েন মৌসুমী। সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ খানের বিপরীতে স্বতন্ত্রভাবে লড়ছেন ইলিয়াস কোবরা। সহসভাপতি দুটি পদে লড়ছেন ডিপজল, রুবেল ও নানা শাহ (স্বতন্ত্র)। শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া এই নির্বাচন চলে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত। নির্ধারিত সময়ের ৩০মিনিট বেশি ভোটগ্রহণ হয়। শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হওয়া নির্বাচনে ভোটার কম থাকলেও দুপুরের পর থেকে বাড়তে থাকে সংখ্যা। একে একে এফডিসিতে আসতে থাকেন অভিনয় শিল্পীরা। এবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন। আর নির্বাচন কমিশনার হিসেবে রয়েছেন পীরজাদা শহিদুল হারুন ও বিএইচ নিশান। আপিল বোর্ডে চেয়ারম্যান হিসেবে আলম খান, সদস্য হিসেবে রয়েছেন সোহানুর রহমান সোহান ও রশিদুল আমিন হলি।
অনুষ্ঠিত হলো ভারত-বাংলাদেশ ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডস- বিবিএফএ
২২অক্টোবর,মঙ্গলবার,মো:ইরফান চৌধুরী,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হলো ভারত-বাংলাদেশ ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডস (বিবিএফএ) এর আসর। সোমবার সন্ধ্যায় বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারের নবরাত্রী মিলনায়তনে শুরু হয় দুই বাংলার চলচ্চিত্রের এই অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান। ফিল্ম ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া ও বসুন্ধরা গ্রুপের উদ্যোগে এ পুরস্কার অনুষ্ঠানটি নিবেদন করেছে টিএম ফিল্মস। দুই বাংলার চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের এ মহাসম্মেলনের মাধ্যমে কাজের স্বীকৃতি জানানো হয় চলচ্চিত্রজনদের। সেরা চলচ্চিত্রে পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশের দেবী ও ভারতের নগর কীর্তন। জনপ্রিয় চলচ্চিত্র হিসেবে পুরস্কার পেল বাংলাদেশের পাসওয়ার্ড ও ভারতের দুর্গেশগড়ের গুপ্তধন। জনপ্রিয় নায়িকা ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত ও বাংলাদেশের পরীমনি। সেরা প্রধান চরিত্রে অভিনেত্রী হিসেবে পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশের জয়া আহসান ও ভারতের পাওলি দাম। সিনেমার প্রধান চরিত্রের জন্য সেরা অভিনেতা হয়েছেন বাংলাদেশের সিয়াম ও ভারতের প্রসেনজিৎ। পপুলার অ্যাকটর অব দ্য ইয়ার বাংলাদেশের শাকিব খান ও ভারতের জিৎ। শ্রেষ্ঠ পরিচালক হয়েছেন বাংলাদেশের নাসির উদ্দিন ইউসুফ ও ভারতের সৃজিত মুখার্জি। অনুষ্ঠানে সেরা স্ক্রিপ্ট রাইটার পুরস্কারে ভূষিত হন বাংলাদেশের ফেরারী ফরহাদ ও ভারতের পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। সেরা সিনেমাটোগ্রাফারের পুরস্কার পান বাংলাদেশের কামরুল হাসান খসরু ও ভারতের গৈরিক সরকার। ভিডিও এডিটর হিসেবে বাংলাদেশের তৌহিদ হোসেন চৌধুরী ও ভারতের সংলাপ ভৌমিক। সেরা মিউজিক ডিরেক্টর বাংলাদেশের হৃদয় খান ও ভারতের বিক্রম ঘোষ। সেরা প্লে-ব্যাক গায়ক (পুরুষ) ইমরান ও ভারতের অনির্বান ভট্টাচার্য। সেরা প্লেব্যাক গায়িকা বাংলাদেশের যৌথভাবে সোমনুর মনির কোনাল ও ফাতেমাতুজ জোহরা ঐশী ও ভারতের নিকিতা নন্দী। সেরা পার্শ্ব চরিত্রাভিনেতা বাংলাদেশের ইমন ও ভারতের অর্জুন চক্রবর্তী। সেরা পার্শ্ব চরিত্র অভিনেত্রী বাংলাদেশের জাকিয়া বারী মম ও ভারতের সুদীপ্তা চক্রবর্তী। বিশেষ জুরি অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন বাংলাদেশের তাসকিন রহমান ও বিদ্যা সিনহা মীম এবং ভারতের রুদ্র নীল রায় ঘোষ ও আবীর চ্যাটার্জি এবং নবনী। অনুষ্ঠানটির সার্বিক সহযোগিতায় ছিল ভারতের জি-বাংলা ও বাংলাদেশের ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ। মিডিয়া পার্টনার হিসেবে ছিল এটিএন বাংলা ও গানবাংলা টেলিভিশন। ইভেন্ট পার্টনার হিসেবে ওয়ান মোর জিরো। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেছেন কলকাতার মীর আফসার আলী ও গার্গি রায় চৌধুরী। ওপার বাংলার রনজিৎ মল্লিক ও প্রসেনজিৎ থেকে শুরু করে হালের ক্রেজ জিৎ, আবির চ্যাটার্জি, পরমব্রত, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, পাওলি দাম, নিকিতা গান্ধি, অনির্বান, কৌশিক গাঙ্গুলি, দেবজ্যোতি মিশ্র, ইন্দ্রজিৎ সেনগুপ্ত ও বাংলাদেশের জয়া আহসান, পরীমনি, পূজা চেরি, নুসরাত ফারিয়া, বিদ্যা সিনহা মীম, মৌসুমী, ওমর সানী, ইমন, নীরবসহ অনেক তারকাই উপস্থিত ছিলেন এই আয়োজনে। এ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান, বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম, এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান, ফিল্ম ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ার সভাপতি ফেরদাউসুল হাসান ও বিবিএফএ এর সমন্বয়ক তপন রায়, পশ্চিমবঙ্গের নির্মাতা গৌতম ঘোষ, পশ্চিমবঙ্গের পর্যটকমন্ত্রী ব্রাত্য বসু, টিএম ফিল্মসের চেয়ারপারসন ফারজানা মুন্নী। চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদান রাখায় বাংলাদেশের কিংবদন্তি অভিনেত্রী আনোয়ারা বেগম ও ভারতের কিংবদন্তি অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিককে আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয়। তাদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন যথাক্রমে গৌতম ঘোষ ও প্রসেনজিৎ।
ভাইরাল ভিডিও নিয়ে বললেন মেহজাবিন
২১অক্টোবর,সোমবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ছোট পর্দার তুমুল জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবিন চৌধুরীর সঙ্গে বিজ্ঞাপন নির্মাতা আদনান আল রাজীবের ঢাকার শপিং মলের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। ভিডিওতে তাদেরকে পাশাপাশি হাত ধরে হাঁটতে দেখা যায়। এমনিতেই মেহজাবিন-আদনানের প্রেম নিয়ে শোবিজে গুঞ্জন আছে। আর এই ভিডিও দেখার পর অনেকেই দুইয়ে দুইয়ে চার মেলানোর চেষ্টায় ছিলেন। কিন্তু সেসব জল্পনা উড়িয়ে দিলেন মেহজাবিন। হাত ধরার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার বিষয়ে মেহ্জাবিন বলেন, আমি ভিডিওটি দেখেছি। ভক্তদের কেউ সেখান থেকে ভিডিওটি করে হয়তো ইউটিউবে আপলোড করেছে। জানেন বন্ধুদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে হাঁটতে চেষ্টা করি। পেছনে যাতে না পড়ে যাই, তাই হাত ধরে হাঁটি। দুজনের মধ্যেকার সম্পর্ক নিয়ে জানতে চাইলে মেহ্জাবিন বলেন, যেদিন আমার বিয়ে হবে সবাইকে জানিয়েই করব। তার আগে এটা নিয়ে কোনও কথা বলব না। ভিডিওতে তো সবই আছে। আমি একজন মানুষের হাত ধরেছি। আশপাশে অনেক মানুষ, তাই হাত ধরেছি। টেলিভিশন মিডিয়ার হালের সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন তারকা মেহজাবিন। নিয়মিত চলচ্চিত্রেও কাজের অফার আসছে তার কাছে। মনের মতো চরিত্র পেলেই তিনি সিনেমায় কাজ করবেন বলে জানান।
ভারত-বাংলাদেশ ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড প্রদান ২১ অক্টোবর
২০অক্টোবর,রবিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারত-বাংলাদেশের চলচ্চিত্র নিয়ে ২১ অক্টোবর ঢাকার বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে দেয়া হবে ভারত-বাংলাদেশ ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড। বাংলাদেশ ও কলকাতার সেরা বাংলা ছবি, অভিনেতা-অভিনেত্রীসহ ১৭টি শাখায় দেওয়া হবে এই অ্যাওয়ার্ড। অনুষ্ঠানে দুই বাংলার শীর্ষ বহু তারকা উপস্থিত থাকবেন। শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) কলকাতার একটি পাঁচতারকা হোটেলে ওই পুরস্কারের লোগো উন্মোচন এবং ঐ আয়োজনের চূড়ান্ত সূচি প্রকাশ করা হয় করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, জিৎ, অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, তনুশ্রী চক্রবর্তী প্রমুখ। বাংলাদেশের পক্ষে ছিলেন অভিনেতা আলমগীর হোসেন। দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় বলেন, দুই বাংলার চলচ্চিত্র একসঙ্গে কাজ করলে পাঁচ বছরের মধ্যে বাহুবলির মতো চলচ্চিত্র তৈরি করা সম্ভব। বাংলা সিনেমাকে বাঁচিয়ে রাখতে টালিগঞ্জ এবং ঢালিউডকে হাতে হাত ধরে কাজ করতে হবে। ওই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রখ্যাত অভিনেতা আলমগীর হোসেনও উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, এখন আমাদের হাতে জিৎ আছে, ঢাকার শাকিব আছে, ঋতুপর্ণা আছে। আমরা এখন কিসে কম ওদের থেকে। আমাদের একটা সমস্যা আমি অনুভব করি, তা হলো আমাদের মানসিকতা নেই। তাই আমরা এগিয়ে আসতে পারছি না। দুই বাংলার চলচ্চিত্র হাতে-হাত ধরে এগিয়ে যাবে- এই স্বপ্ন লালন করেন দুই বাংলার চলচ্চিত্রপ্রেমী বহু শিল্পী-কলাকুশলী। সেই লক্ষ্যেই বেশ কয়েক বছর ধরে প্রখ্যাত অভিনেতা আলমগীর এবং প্রসেনজিৎসহ বেশ কয়েকজন নীরবে কাজ করে গিয়েছেন। সেই প্রচেষ্টার সফল রূপ ভারত-বাংলাদেশ ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড। ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য প্রথমবারের ভারত-বাংলাদেশ ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড-এ দুই দেশের মোট ১০টি ছবিকে চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় মনোনীত করা হয়েছে। বাংলাদেশের দিক থেকে পাঠশালা, দহন, সুপার হিরো, দেবী, নোলক এবং পশ্চিমবঙ্গের দিকের এক যে ছিল রাজা, নগর কীর্তন, সোনার পাহাড়, ব্যোমকেশ গোত্র প্রতিযোগিতায় স্থান পেয়েছে। এই অ্যাওয়ার্ড-এ দুই দেশের মোট দশজন জুড়ি সদস্য রয়েছেন। তারা হলেন, বাংলাদেশের আলমগীর হোসেন, কবরী সারোয়ার, ইমদাদুল হক মিলন, হাসিবুর রেজা কল্লোল, খুরশেদ আলম এবং পশ্চিমবঙ্গের জুড়ি বোর্ডের সদস্যরা হলেন গৌতম ঘোষ, গৌতম চক্রবর্তী, অঞ্জন বসু, ব্রাত্য বসু এবং তণুশ্রী চক্রবর্তী।
আবারও সালমান খানের সাথে নাচবেন দিশা পাটানি
২০অক্টোবর,রবিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বলিউড দুনিয়ার নতুন সদস্য দিশা পাটানি। হাতে গোনা কয়েকটি ছবিতে অভিনয় করেই চলে এসেছেন পাদপ্রদীপের আলোয়। তাকে এখন বলিউডের অন্যতম আবেদনময়ী অভিনেত্রী হিসেবে ধরা হয়। তার ভক্তরাও তাই মনে করেন। সম্প্রতি সুপারহিট ভারত সিনেমায় সালমান খানের সঙ্গে -স্লো মোশন গানে দারুণ রসায়ন করেছিলেন দিশা পাটানি। দর্শক মাতাতে আবারও তিনি নতুন রসায়নে নাচতে চলেছেন এই সুপারস্টারের সঙ্গে। আগামী বছরে মুক্তি পাবে এমন একটি সিনেমায় ভাইজানর সঙ্গে নাচবেন লাস্যময়ী দিশা পাটানি। সিনেমাটির শুটিং চলতি বছরের নভেম্বরেই শুরু হচ্ছে। মুম্বাইয়ের মেহবুব স্টুডিওসে সালমানের সঙ্গে একটি নাচের গানে পারফর্ম করবেন দিশা। জানা যায়, গানটিতে দিশা তার সেরা পারফর্ম্যান্সটিই করতে চান। এমনকি এজন্য তিনি তার ভালো বন্ধু টাইগার শ্রফের কাছ থেকেও সহায়তা নিচ্ছেন। তার নাচ যেন আরও নিঁখুত ও মুগ্ধকর হয়, সেজন্য চেষ্টার কোনো ত্রুটি রাখছেন না দিশা। এদিকে, সম্প্রতি ভারতের একটি জাতীয় দৈনিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই বলিউড সুন্দরী বলেন, আমি আমাকে কখনোই আবেদনময়ী মনে করি না। আমি বাস্তব জীবনে টমবয়। কিন্তু আমি একটু ভিন্নভাবে ছবি তুলি বলে অনুরাগীরা আমাকে আবেদনময়ী মনে করে। আমি তেমন কিছু নই। খুব সাধারণ একটি মেয়ে। তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসব নিয়ে আলোচনা জীবনের একটি অংশ। আমি নিয়মিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু আমি সবসময় মনে করি, ইন্টারনেট ও বাস্তব জীবনের মধ্যে সমন্বয় করা উচিত। আমি নিজেও তাই করি। দিশা পাটানি অভিনীত মালাঙ ছবি রয়েছে মুক্তির তালিকায়। এতে আরও অভিনয় করেছেন আদিত্য রয় কাপুর, অনিল কাপুর ও কুনাল খেমু। মোহিত সুরি পরিচালিত ছবিটি মুক্তি পাবে আগামী ২০২০ সালে।
ছেলের হাতে খুন হলেন টারজানের স্ত্রী
১৯অক্টোবর,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজ বাড়িতে ছেলের হাতে খুন হন ভ্যালেরি লান্ডিন। গেল মঙ্গলবার রাতে এই ঘটনা ঘটে। তিনি টারজান খ্যাত অভিনেতা রন এলির স্ত্রী।ঘটনার পর রন ও ভ্যালোরির ছেলে ৩০ বছর বয়সী ক্যামেরন এলিও পুলিশের গুলিতে নিহত হন। পুলিশ জানায়, তারা ৯১১ নম্বরে বারবারার কাউন্টি শেরিফের দপ্তরে একটা জরুরি ফোনকল পেয়ে ছুটে যায় ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা বারবারার হোপ রাঞ্চের একটা বিলাসবহুল বাড়িতে।৮১ বছর বয়সী টারজান অভিনেতা রন এলি নিরাপদে আছেন বলেও জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার সময় রন বাড়িতে ছিলেন তবে তার শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ষাটের দশকে সবচেয়ে জনপ্রিয় টিভি সিরিজগুলোর একটি টারজান। ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত এনবিসি নেটওয়ার্কে প্রচারিত হয়।১৯৮০ সালে অভিনয়শিল্পী ও লেখক রন এলি মিস আমেরিকা অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন। ১৯৮১ সালে তিনি মিস ফ্লোরিডা ভ্যালেরি এলিকে বিয়ে করেন। এই দম্পতির তিন সন্তান। এক ছেলে ও দুই মেয়ে।