রণবীরের সঞ্জয় দত্ত হওয়ার গল্প
অনলাইন ডেস্ক: সাঞ্জু সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্তের জীবনের নানা ঘটনা নিয়ে। রাজকুমার হিরানি পরিচালিত চলতি বছরের অন্যতম আলোচিত সিনেমা এটি। গত ২৯ জুন ভারতে প্রায় চার হাজার এবং বিশ্বের ৬৫টির বেশি দেশে ১৩০০ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি। এরপর থেকেই বক্স অফিসে একের পর এক রেকর্ড গড়ে চলেছে সিনেমাটি। সিনেমাটিতে সঞ্জয় দত্তের চরিত্রে অভিনয় করেছেন রণবীর কাপুর। কিন্তু রণবীর কাপুরকে সঞ্জয় দত্ত হয়ে উঠতে অনেক কাঠ-খড় পোড়াতে হয়েছে। সঞ্জয় দত্ত হয়ে উঠার পেছনের সেই গল্প শুনিয়েছেন পরিচালক রাজকুমার হিরানি ও রণবীর কাপুর। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে এ প্রসঙ্গে রাজকুমার হিরানি বলেন, প্রথম চ্যালেঞ্জ ছিল সঞ্জয় দত্তের চরিত্রে কে অভিনয় করবেন? এমন একজনকে প্রয়োজন যে চেহারায়, কথাবার্তা ও আদবকায়দায় পুরোপরি সঞ্জয় হবেন। রণবীর সেই জায়গায় একশ-তে একশ পেয়েছেন। মূল রহস্য উন্মোচন করেছেন রণবীর কাপুর নিজেই। ঘটনা ২০১৬ সালের। হঠাৎ রাজকুমার হিরানির মেসেজ আসে রণবীর কাপুরের মুঠোফোনে। চমক শুরু তখন থেকেই। প্রথমে চরিত্রটির জন্য রাজি ছিলেন না রণবীর। পরে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেন তিনি। তারপর শুরু হয় যুদ্ধ। পুরোপুরিভাবে সঞ্জয় দত্ত হয়ে উঠার আগে একের পর এক লুক টেস্ট বাতিল করা হয়। প্রস্থেটিক মেকআপের জন্য দিনে ছয় ঘণ্টা পোজ দিতে হতো রণবীকে। প্রথমে শুরু হয় সঞ্জয় দত্তের মতো চেহারা ফুটিয়ে তোলার লুক টেস্ট। এ প্রসঙ্গে রণবীর কাপুর বলেন, প্রতিদিন অন্তত ছয় ঘণ্টা প্রস্থেটিক মেকআপ টিমের সঙ্গে আলোচনায় বসতে হতো। একের পর এক লুক টেস্ট বাতিল হয়েছে। চূড়ান্ত লুক প্রকাশ্যে আসার আগে কমপক্ষে ছয়বার আমার লুক বদল করা হয়েছে। ছয় ঘণ্টা চেয়ারে বসে পোজ দিয়েছি। মেকআপ নিয়ে আলোচনা করেছি। কিন্তু দিন শেষে বলা হতো টেক ক্যানসেল। পরের দিন একইভাবে আবার বসতে হতো। লুক টেস্টের পর শুরু হয় শারীরিক কসরত। রণবীর বলেন, প্রতিদিন রাত ৩টায় উঠে এক গ্লাস প্রোটিন শেক খেতে হতো। তারপর ৮-৯টার মধ্যে মিল। সেই সঙ্গে জিম সেশন। জিম করা আমার একেবারেই অপছন্দের। তবে এই বায়োপিকে চেহারার খুবই গুরুত্ব রয়েছে। সঞ্জয় দত্তের মতো পেশি বানাতে আমাকে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ নিতে হয়েছিল। মাস খানেকের চেষ্টায় চেহারার পরিবর্তন দেখে নিজেই খুব অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। আমার শরীরে পেশির ঢেউ খেলছিল। জীবনে এমন চেহারার কথা ভাবিনি। সেটে সবাই আমাকে দেখে বলেছিল, এবার আমরা সফল হতে চলেছি।আলোকিত বাংলাদেশ
ববিতার তিনটি চাওয়া প্রধানমন্ত্রীর কাছে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে তিনটি আবেদন করেছেন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ববিতা। তা হলো- নায়ক রাজ্জাকের নামে ফিল্ম ইনস্টিটিউট বা আর্কাইভ করা, শিল্পীদের জন্য বাসস্থান, চলচ্চিত্রের উন্নয়নের জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবস্থা করা। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে অনুভূতি প্রকাশ করার সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবেদনগুলো পেশ করেন ববিতা। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের ৪১তম আসরে রোববার (৮ জুলাই) সন্ধ্যায় ববিতার হাতে আজীবন সম্মাননা পদক তুলে দেন প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা। চলচ্চিত্রে নায়করাজের অবদানের কথা উল্লেখ করে ববিতা বলেন, আমি চাই প্রয়াত শিল্পী নায়করাজ রাজ্জাকের নামে একটি ইনস্টিটিউট হোক। কিংবা তাকে নিয়ে একটি ফিল্ম আর্কাইভ প্রতিষ্ঠা করা হোক। চলচ্চিত্র শিল্পীদের পক্ষ থেকে তিনি বলেন, শিল্পীদের জন্য স্বল্পমূল্যের বাড়ি দরকার। চলচ্চিত্রের উন্নয়নে আধুনিক যন্ত্রপাতিরও প্রয়োজন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার প্রত্যাশা এটুকুই। রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এই আসরে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সন্ধ্যা ৬টা ২২ মিনিটে অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর ২০১৬ সালে মুক্তি পাওয়া ছবিগুলোর মধ্য থেকে সেরা কাজের জন্য ২৫টি বিভাগে মোট ৩১ জন বিজয়ীর হাতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের ক্রেস্ট, মেডেল ও চেক তুলে দেন তিনি। এ সময় তার দুই পাশে ছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু ও তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।এবারের আসরে যৌথভাবে আজীবন সম্মাননা পান আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অভিনেত্রী ববিতা ও মিয়া ভাইখ্যাত অভিনেতা ফারুক।
বলিউডে অভিষেক হতে যাচ্ছে অভিনেত্রী শ্রীদেবীর কন্যা জানভি কাপুরের
ধড়ক সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হতে যাচ্ছে অভিনেত্রী শ্রীদেবী ও নির্মাতা বনি কাপুর দম্পতির বড় মেয়ে জানভি কাপুরের। কয়েকদিন বাদেই মুক্তি পাবে সিনেমাটি। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে জানভি কাপুর ধড়ক সিনেমা, তার অভিনয়ে আসাসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেছেন তিনি। জানভি জানিয়েছেন, তার অভিনয়ে আসার সিদ্ধান্তে খুব বেশি খুশি ছিলেন না শ্রীদেবী। অভিনেত্রী হওয়ার বিষয়টি প্রথম কখন মাথায় আসে? সাক্ষাৎকারে এমন প্রশ্নের উত্তরে জানভি বলেন, যখন ছোট ছিলাম নিজে নিজে গল্প বানাতাম এবং চরিত্রগুলোতে অভিনয় করতাম। মনে আছে স্কুলে আমি কৌতুক করতাম। আমার জীবনে সিনেমার অনেক প্রভাব ছিল। সিনেমার প্রতি আমার সবসময় ভালোবাসা কাজ করত। এছাড়া লেখালেখি ও ইতিহাস চর্চার বিষয়টিও আমার ভালো লাগত। আমি সবগুলোর কোর্স করতে চেয়েছিলাম কিন্তু যখন অভিনয় কোর্স শুরু করলাম বুঝতে পারলাম, এটির প্রতিই আমার ভালোবাসা বেশি। শ্রীদেবীকেই প্রথম অভিনেত্রী হওয়ার ইচ্ছাটি জানিয়েছিলেন জানভি। তবে তিনি খুশি হননি। জানভি বলেন, আমি মাকে প্রথম বিষয়টি জানাই। তিনি বলেছিলেন,তোমার সিদ্ধান্তটি পুনরায় ভেবে দেখ।তিনি সবসময় মনে করতেন আমি খুব সহজসরল। বাবা-মা সবসময় আমার ব্যাপারে খুবই যত্নশীল। তারা ভাবতেন, সিনেমা নির্মাণের নন-ক্রিয়েটিভ বিষয়ের সঙ্গে আমি মানাতে পারব না। মা খুব বেশি খুশি ছিলেন না। তিনি মনে করতেন সন্তানদের সহজ একটি জীবন দেয়ার জন্য তিনি অনেক কষ্ট করেছেন। কিন্তু আমি সেটি চাইনি, পরিপূর্ণ একটি জীবন চেয়েছি। আমি বাস্তব জীবনে সংগ্রামে করার অভিজ্ঞতা চেয়েছি। আমি যা কিছু পেয়েছি সেজন্য কৃতজ্ঞ। কিন্তু আমি আরো কিছু চাই। অভিনয় জগতে আসার জন্য বাবা-মাকে কীভাবে রাজি করিয়েছেন? প্রশ্ন করা হলে ধড়ক অভিনেত্রী বলেন, আমাকে খুব বেশি কিছু করতে হয়নি কারণ তারা জানতেন আমি এ বিষয়ে সিরিয়াস। তারা আমাকে শুধু একটি কথা বলেছেন-অভিনয় মানে সুন্দর চেহারা আর সংলাপ বলা নয়। আমি এটা জানতাম এবং এটিই করতে চেয়েছি। আমার বাবা-মা আমাকে সুন্দর একটি জীবন দিয়েছেন। অভিনয়ের মাধ্যমে আমি জীবনের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা অর্জন এবং আমার অভিব্যক্তিগুলো প্রকাশ করতে পারব। এজন্যই আমি এই পেশা বেছে নিয়েছি। এটি আমার ওয়ান ওয়ে টিকেট, যার দ্বারা আমি সবকিছু করতে পারব। ২০১৬ সালের ব্লকবাস্টার হিট মারাঠি ভাষার সাইরাত সিনেমার হিন্দি রিমেক ধড়ক। করন জোহরের ধর্মা প্রোডাকশনের ব্যানারে সিনেমাটি পরিচালনা করছেন শশাঙ্ক খাইতান। আগামী ২০ জুলাই এটি মুক্তির কথা রয়েছে।
পুরুষ সাংবাদিককে চুমু লাইভে
বিশ্বকাপের সরাসরি প্রচারিত সংবাদে এক পুরুষ সাংবাদিককে চুমু দিয়েছেন দুই নারী। উত্ত্যক্তের শিকার ওই সাংবাদিকের নাম কোন কোয়াল ইয়েল। তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার টিভি চ্যানেল এমবিএন-এ কাজ করেন। তিনি রাশিয়া থেকে বিশ্বকাপ ফুটবলের খবর সরাসরি দক্ষিণ কোরিয়ায় জানাচ্ছিলেন। এসময় এক নারী অতর্কিত তাকে চুমু দেন। এর পরেও স্বাভাবিক ছিলেন ওই সাংবাদিক। কিন্তু অন্য পাশ থেকে আরেক ভক্ত তাকে চুমু দিলে তিনি কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন। আর তার অপ্রস্তুত অবস্থার সুযোগ নিয়ে ওই দুই নারী অট্টহাসিতে ফেটে পড়েন। এর আগে নারী সাংবাদিকদের চুমু দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু কোন পুরুষ সাংবাদিককে নারীর চুমু দেয়ার ঘঠনা এই প্রথম। এ সপ্তাহের শুরুতে স্পেনের সাংবাদিক মারিয়া গোমেজকে সরাসরি প্রচারিত সংবাদে চুমু দেন এক ব্যক্তি। কিন্তু সাংবাদিক গোমেজ এতে মোটেই অপ্রস্তুত ছিলেন না।
৩ আগস্ট মুক্তি পাচ্ছে ঐশ্বরিয়ার -ফ্যানি খান ছবি
ফ্যানি খান ছবি দিয়ে বড় পর্দায় ফিরছেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। ছবিটি আগামী ৩ আগস্ট মুক্তি পাচ্ছে। ছবিতে একজন মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন ঐশ্বরিয়া। যিনি তার মেয়েকে যে কোনো মূল্যে সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চান। ঐশ্বরিয়ার পছন্দ না হওয়ায় ছবির আইটেম গানের কথা পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছিলেন পরিচালক ও গীতিকার। নারীদের অবমাননা করে বিভিন্ন শব্দ ব্যবহার করায় ফেভিকল সে গানটি নিয়ে বেশ বিতর্ক হয়েছিল। জানা গেছে, সেই গানটির সঙ্গে মিল নিজের ছবির গানটির মিল থাকায় আপত্তি করেন ঐশ্বরিয়া। পরে তাতে পরিবর্তন করা হয়। ফ্যানি খান ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন অনিল কাপুর ও রাজকুমার রাও। গুঞ্জন আছে অস্কারে মনোনয়ন পাওয়া ডাচ ছবি এভরিবডিস ফেমাস ছবির অনুকরণে এ ছবিটি নির্মাণ করা হয়েছে।
২৭ শে জুলাই মুক্তি পাচ্ছে :মেঘকন্যা
জনপ্রিয় অভিনেতা ফেরদৌস ও নবাগত নিঝুম রুবিনা অভিনীত মেঘকন্যা মুক্তি পাচ্ছে ২৭ জুলাই। ২০১৫ সালের নভেম্বর মাসে মেঘকন্যা ছবির শুটিং হয়েছিল। ফেরদৌস বলেন,মেঘকন্যা ভালো গল্পের ছবি। নিঝুম রুবিনার সঙ্গে এটি আমার তৃতীয় কাজ। তার সঙ্গে কাজ করে মনে হয়েছে নতুনদের মধ্যে সে সম্ভাবনাময়ী। মনোযোগ দিয়ে কাজ করলে সে অনেকদূর যেতে পারবে। নিঝুম রুবিনা বলেন,লম্বা সময় পর মুক্তির ফলে কোনো প্রভাব পড়বে বলে আমি মনে করি না। এই ছবিটা যদি আরও পরে মুক্তি পায় তাও অসুবিধা হবে মনে করি না। কারণ এটা গল্পপ্রধান ছবি। পরিচালক মিনহাজ অভি বলেন,মেঘকন্যা দেখলে সমাজের প্রতিটি মানুষ নিজেকে খুঁজে পাবেন। ছবি শেষ পর্যন্ত দেখলে দর্শক একটা বড় ধাক্কা খাবেন। ফেরদৌস-নিঝুম রুবিনার ছাড়াও এই ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন সুচরিতা, শম্পা হাসনাইন, ঋদ্ধ প্রমুখ।
দহনের শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন সুষমা
সুষমা সরকার ছোটপর্দার নিয়মিত একজন অভিনেত্রী। সুষমা তার অভিনয়ের ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নাটক-টেলিফিল্মের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রগুলোয় অভিনয় করে আসছেন। সে কারণে ছোটপর্দায় তার চাহিদাও রয়েছে বেশ। ঠিক তেমনই এখন পর্যন্ত সুষমা সরকার যতগুলো সিনেমায় অভিনয় করেছেন, তিনি বেশ গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রেই অভিনয় করেছেন। রায়হান রাফি পরিচালিত দ্বিতীয় চলচ্চিত্র দহনে ঠিক তেমনই একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন সুষমা সরকার। তার চরিত্রের নাম দিনা। এরই মধ্যে তিনি দহনের শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন। সুুষমা বলেন, এর আগেও আমি জাজ প্রযোজিত চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছি। তবে রায়হান রাফির নির্দেশনায় এবারই প্রথম চলচ্চিত্রে অভিনয় করছি। তরুণ এই নির্মাতা বেশ গুছিয়ে এবং অনেক যত্ন নিয়ে কাজ করেন। আমি তার নির্দেশনায় কাজ করে সন্তুষ্ট। আশা করছি পোড়ামন-টুর মতো দহন চলচ্চিত্রটিও দর্শকের মন জয় করে নেবে। এদিকে গেল ঈদে সুষমা সরকার অভিনীত মিজানুর রহমান আরিয়ান পরিচালিত বুকের বাঁ পাশে টেলিফিল্মটি দর্শকের কাছে বেশ গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। এই টেলিফিল্মে মেহজাবিন চৌধুরীর ভাবির চরিত্রে অভিনয় করেছেন সুষমা সরকার, যার চরিত্রটি টেলিফিল্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে মেহজাবিনকে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। এছাড়াও শিহাব শাহীনের শেষ পর্যন্ত আবু হায়াত মাহমুদের ছোট ছেলেতে তার অভিনয় বেশ প্রশংসিত হয়। সুষমা বলেন, ছোটপর্দার কাজ আমাকে বছরজুড়ে কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগায়। অভিনয় আমার পেশা। তাই যখন যেখানে কাজ করার সুযোগ আসে নিজেকে প্রমাণের চেষ্টা করি এখনও। যারা আমাকে নিয়ে কাজ করেন, আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। গুণী এই অভিনেত্রী নতুন পাঁচটি ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করছেন এবং দুটি নতুন চলচ্চিত্রের কাজ শেষ করেছেন। ধারাবাহিকগুলো হচ্ছে শিহাব শাহীনের লিপস্টিক, সুমন আনোয়ারের সুখী মীরগঞ্জ, অরণ্য আনোয়ারের ফুল এইচডি মিজানুর রহমান আরিয়ানের গল্পগুলো আমাদের এবং গোলাম সোহরাব দোদুলের আরেকটি ধারাবাহিক নাটক। এদিকে সুষমা এরই মধ্যে শেষ করেছেন বুলবুল জিলানীর রৌদ্রছায়া ও নূরুল আলম আতিকের পেয়ারার সুবাস চলচ্চিত্রের কাজ।
শাকিব-অপু থেকে শাকিব-বুবলী জুটি
শাকিব-অপু থেকে শাকিব-বুবলী জুটি। ঢালিউডে অন্যতম দুটি জনপ্রিয় জুটি। এই দুই জুটির মিল অমিলের একটি রসায়ন আছে। চলচ্চিত্রপাড়ার লোকজনের কথায় অমিলের চেয়ে মিলটিই বেশি দৃশ্যমান। যেমন শাকিব-অপু ক্যারিয়ারের শুরু থেকে একটানা জুটি বেঁধে কাজ করতে থাকেন। এই জুটির কাজ দর্শক গ্রহণও করেন। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই তাদের নিয়ে প্রেম বিয়ের খবর বাতাসে চাউর হতে থাকে। যদিও তারা তা অস্বীকার করে তখন বলেছিলেন,সবই মিথ্যে, আমরা দুজন ভালো সহকর্মী আর বন্ধু। একসঙ্গে কাজ করতে গেলে এমন রটনা রটতেই পারে। পরের ঘটনা সবার জানা। ২০১৭ সালে শাকিব-অপু অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ও শাকিব-বুবলী জুটির সূচনা হলে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতে থাকে। এই জুটিকে নিয়েও শুরু থেকেই গোপন প্রেম বিয়ের খবর দুষ্টু বাতাস ছড়াতে থাকে। যদিও দুজনেই বলছেন,আরে ভাই সবই মিথ্যে, আমরা দুজন ভালো বন্ধু আর সহকর্মী। এখন সময়ই বলে দেবে দুষ্টু বাতাস সত্যি নাকি মিথ্যে বলেছে বলছেন চলচ্চিত্রপাড়ার লোকজন আর তাদের দর্শক ভক্তরা। ২০০৬ সালে শাকিব-অপু জুটি বেঁধে কাজ শুরু করেন। তাদের প্রথম ছবি ছিল কোটি টাকার কাবিন। প্রথম ছবিতেই দর্শক তাদের সাদরে গ্রহণ করেন। এরপর একে একে চাচ্চু, পিতার আসন, দাদীমা, মায়ের হাতে বেহেশতের চাবি ছবিগুলোতে টানা জুটি বাঁধেন তারা। সফলও হন। ২০১৭ সালে বসগিরি ছবি দিয়ে জুটিবদ্ধ হন শাকিব-বুবলী জুটি। এরপর একাধারে শুটার, রংবাজ, অহংকার, চিটাগাইঙ্গা পোয়া নোয়াখাইল্যা মাইয়া, সুপার হিরো, ক্যাপ্টেন খান, একটি প্রেম দরকার মাননীয় সরকার ছবিগুলো নিয়ে পথ চলতে থাকেন এই জুটি। এ পর্যন্ত বুবলী শুধু শাকিবের সঙ্গেই জুটি বেঁধেছেন। তাদেরকেও দর্শক মনে-প্রাণে গ্রহণ করেছেন। ২০০৬ সালে শাকিব-অপু জুটি বেঁধে কাজ করতে গিয়ে একে অপরের প্রেমে পড়ে যান। এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই মানে মাত্র দুবছরের মাথায় ২০০৮ সালে গোপনে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন তারা। এই গোপন খবরও দুষ্টু বাতাস রাখেনি গোপন। ছড়িয়ে দেয় আকাশ বাতাস আর কানে কানে। কিন্তু যথারীতি দুজনের অস্বীকার আরে যত্তসব মিথ্যে কথা, আপনারা কোথা থেকে যে এমন সব উদ্ভট খবর পান বুঝি না। তাদের এমন প্রতিবাদের সুরে বিশেষ করে উপযুক্তদ্ধ সাক্ষী-প্রমাণের অভাবে সবাই চুপসে গিয়েছিলেন তখন। এখনো আবার শাকিব-বুবলী জুটিকে নিয়ে দুষ্টু বাতাস একই গন্ধ ছড়াচ্ছে। আর যথারীতি দুজনের সেই পুরনো প্রতিবাদ আমরা দুজন ভালো বন্ধু আর সহকর্মী ছাড়া আর কিছুই নয়, সবই মিথ্যে। চলচ্চিত্র পাড়ার লোকজন এখন মুচকি হেসে বলছেন দেখা যাক দুষ্টু বাতাস এবার তার দায় এড়াতে পারে কি না? শাকিব আর অপু যখন জুটি বেঁধে কাজ শুরু করেন তখন নাকি কোনো নির্মাতা তার ছবিতে শাকিবকে কাস্ট করলে শাকিব সরাসরি শর্ত জুড়ে দিয়ে বলতেন নায়িকা হিসেবে ওই ছবিতে অপুকে না নিলে তিনি কাজ করবেন না। অগত্যা নির্মাতা শাকিবের কথাই মেনে নিতেন। এমন ঘটনা নাকি প্রয়াত চিত্রনির্মাতা চাষী নজরুলের ক্ষেত্রেও ঘটেছিল। চাষী নজরুলের দেবদাস ছবিতে পার্বতীর চরিত্রে নিতে চেয়েছিলেন পূর্ণিমাকে। শেষ পর্যন্ত শাকিবের আবদার রক্ষা করতে গিয়ে অপুকেই নিতে হয়েছিল। শাকিবের শর্তের কারণেই অপুর শতকরা ৯৮ ভাগ ছবির নায়ক শাকিব খান। অপু তখন বলতেন, যে কোনো নায়কের সঙ্গে কাজ করতে আমার আপত্তি নেই, তবে শাকিবের সঙ্গে কাজ করতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। শাকিবের কারণেই আজ আমি অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস। ঘুরে-ফিরে শাকিবের ছবির নায়িকা মানেই অপু। এখন যেমন শাকিব মানেই বুবলী। শাকিবের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর হাটে হাঁড়ি ভাঙেন অপু। তিনি জানান, শাকিবের আপত্তির কারণেই প্রচুর প্রস্তাব থাকা সত্ত্বেও অন্য নায়কের সঙ্গে কাজ করতে পারতেন না তিনি। না হলে তার ছবির সংখ্যা বর্তমানের চেয়ে দ্বিগুণ হতো। অর্থবিত্তের পরিমাণও বাড়ত। এখন অপুর সুরে বুবলী বলছেন,শাকিবের সঙ্গে কাজ করতে তিনি বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। কারণ শাকিব ঢালিউডের শীর্ষ নায়ক। তবে অন্য নায়কের সঙ্গে কাজ করতে তার আপত্তি নেই। বুবলীর এমন কথায় চলচ্চিত্রপাড়ার লোকজন বলছেন শাকিব-অপুর সব ঘটনাই যখন শাকিব-বুবলীর সঙ্গে মিলে যাচ্ছে তখন বুবলীর কথার সত্যতা জানতে অবশ্যই অপেক্ষা করতে হবে।
বিয়ে করলেন বাপ্পা-তানিয়া
জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী বাপ্পা মজুমদার এবং অভিনয়শিল্পী-উপস্থাপিকা তানিয়া হোসাইন বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (২৩ জুন) রাতে ঢাকা ক্লাবে বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন সম্পন্ন হয়। এতে বাপ্পা ও তানিয়ার পরিবারের সদস্যরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অভিনয় ও সংগীতজগতের ঘনিষ্ঠজনরা। গত ১৬ মে বাপ্পা মজুমদার ও তানিয়ার বাগদান হয়েছিল। উল্লেখ্য, এটি বাপ্পা-তানিয়া দুই জনেরই দ্বিতীয় বিয়ে।এর আগে ভালোবেসে ২০১০ সালের ৩০ মার্চ চলচ্চিত্র পরিচালক ও উপস্থাপক দেবাশীষ বিশ্বাসকে বিয়ে করেন তানিয়া। এক বছরের মাথায় সে বিয়ে ভেঙে যায়। আর বাপ্পা মজুমদার এর আগে বিয়ে করেছিলেন অভিনয়শিল্পী ও নৃত্যশিল্পী চাঁদনীকে। ২০০৮ সালের ২১ মার্চ বিয়ে করেন তারা। দীর্ঘ নয় বছর সংসারজীবনের পর ছাড়াছাড়ি হয় বাপ্পা-চাঁদনীর।