শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯

আফগানিস্তানে বোমা হামলায় নিহত ২৪, প্রাণে বেচে গেলেন প্রেসিডেন্ট

১৭সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আফগানিস্তানের পারওয়ান প্রদেশে প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনির মিছিল লক্ষ্য করে ভয়াবহ বোমা হামলা চালানো হয়েছে। আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে নির্বাচনী সমাবেশে বোমা হামলায় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি। মঙ্গলবারের ওই হামলায় কমপক্ষে ২৪ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো ৩১ জন। হতাহতদের মধ্যে অনেক নারী ও শিশু রয়েছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালের দিকে রাজধানীর উত্তরাঞ্চলের পারওয়ান প্রদেশের চারিকরে ওই নির্বাচনী জনসভায় প্রেসিডেন্ট গনি ভাষণ দিচ্ছিলেন। এ সময় এ হামলার ঘটনা ঘটে। তবে এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো গোষ্ঠী দায় স্বীকার করেনি। প্রাদেশিক হাসপাতালের প্রধান কর্মকর্তা আব্দুল কাশিম সানজিন বলেন, হতাহতদের মধ্যে নারী এবং শিশুও রয়েছে। তিনি বলেন, হতাহতদের অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছেছে। বিস্ফোরণে হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে। নির্বাচন ঘোষণা পর থেকেই দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে হামলার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর দেশটিতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনকে ঘিরে এসব হামলার জন্য সশস্ত্র গোষ্ঠী তালেবানকে দায়ী করে আসছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। ফলে, আগামী নির্বাচনকে ঘিরে আরো বড় ধরণের হামলা হতে পারে বলে ধারণা করছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সর্বোচ্চ সংস্থা। ...

মমতাকে বিজেপি বিধায়কের পরামর্শ

১৫সেপ্টেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:জাতীয় নাগরিকপঞ্জি বা এনআরসি ইস্যুতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকে কটাক্ষ করে মন্তব্য করেছেন বিজেপি বিধায়ক সুরেন্দ্র সিং। উত্তরপ্রদেশের বালিয়া কেন্দ্রের বিধায়ক সুরেন্দ্র সিং বলেন, যে কোন মূল্যে পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি চালু করা হবে। তার অভিযোগ ভোট ব্যাঙ্কের স্বার্থেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বাংলাদেশিদের রক্ষা করে চলেছেন। সবচেয়ে ভালো হয় তিনি যদি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে যান। শনিবার সংবাদ মাধ্যমে তিনি জানান, মমতা ব্যানার্জির খারাপ দিন ঘনিয়ে আসছে এবং তার ভাষা পরিবর্তন করা উচিত। তিনি যদি মনে করেন বাংলাদেশিদের সহায়তায় রাজনীতি করবেন, তবে তার বাংলাদেশে চলে যাওয়া উচিত। তার যদি সাহস থাকে হবে তিনি যদি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন-সেটাই তার পক্ষে সবচেয়ে ভালো। সম্প্রতি লোকসভার নির্বাচনে বাংলাতে গেরুয়া শিবিরের ব্যাপক সাফল্যের দিক তুলে ধরে সুরেন্দ্র সিং জানান, লঙ্কার (শ্রীলঙ্কা) মানুষ হনুমানজিকে সেখানে প্রবেশের অনুমতি দেয়নি কিন্তু তার পরেও হনুমান সেখানে ঢুকেছিল। তেমনি সমস্ত বাধা সত্ত্বে অমিত শাহ ও যোগী আদিত্যনাথও বাংলায় প্রবেশ করেছিলেন এবং আমরা এতোগুলো আসন পেয়েছি। মমতা ব্যনার্জি বাংলার রাজনৈতিক রানী এবং রাম সেখানে প্রবেশ করেছে। তাই খুব শিগগিরই সেখানে সরকার পরিবর্তন হবে। আসামে এনআরসি চালুর উদ্যোগের প্রশংসা করে বিজেপি বিধায়ক জানান, পশ্চিমবঙ্গেও এনআরসি চালু করা হবে এবং সমস্ত বাংলাদেশি নাগরিকদের দুটো করে খাবারের প্যাকেট দিয়ে সম্মানের সঙ্গে নিজেদের দেশে পাঠানো হবে। উল্লেখ্য, আসামের পর বাংলাতেও এনআরসি চালুর দাবিতে বিজেপির নেতারা সরব হলেও মমতা তার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এনআরসির প্রতিবাদে রাস্তায় নামতেও দেখা গেছে তাকে।...

নৌকা উল্টে ১১ জনের মৃত্যু

১৩সেপ্টেম্বর,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:গণেশ প্রতিমা বিসর্জনের সময় ভারতের মধ্যপ্রদেশের ভোপালে নৌকা উল্টে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। ভোপালের খালটাপুরায় লোয়ার হ্রদে বৃহস্পতিবার এ দুর্ঘটনা ঘটে। শুক্রবার সকালে হ্রদ থেকে মরদেহগুলি উদ্ধার করা হয়েছে। জানা গেছে, দু’টি নৌকা একসঙ্গে করে গণেশ মূর্তি বিসর্জনের কাজ চলছিল। এসময় নৌকা উল্টে যায়। দুর্ঘটনাগ্রস্ত নৌকাতে ২০ জনের উপর মানুষ ছিল। খবর এনডিটিভির। অতিরিক্ত ভার সহ্য করতে না পেরে নৌকা ডুবে যায় বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে। ইতোমধ্যেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দোষীদের শাস্তির আশ্বাস দিয়েছেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথ। মধ্যপ্রদেশের জনসংযোগ মন্ত্রী পিসি শর্মা জানিয়েছেন, ছয়টি দেহ শনাক্ত করা হয়েছে। উদ্ধার অভিযান চলছে। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে মৃতদের পরিবারকে ৪ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণের ঘোষণা করা হয়েছে।...

ইরান আলোচনায় বসতে চায়, দাবি ট্রাম্পের

১৩সেপ্টেম্বর,শুক্রবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও দাবি করেছেন যে, ইরান তার সঙ্গে আলোচনায় বসতে চায়। তিনি বৃহস্পতিবার রাতে হোয়াইট হাউজে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ইরানি কর্মকর্তারা আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আগ্রহী। ট্রাম্প প্রায়ই মিথ্যা ও কল্পনাপ্রসূত বক্তব্য দিয়ে থাকেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর আগের দিন বুধবার ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরান তার সঙ্গে আলোচনায় বসে একটি নয়া পরমাণু চুক্তি সই করতে চায়। তবে ইরানের পক্ষ থেকে এমন কোনও কিছু নিশ্চিত করা হয়নি। পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, পাশ্চাত্যের সঙ্গে ইরানের স্বাক্ষরিত পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে গিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। নিজের ভুলের সংশোধনের জন্যই তিনি এখন ইরানের সঙ্গে আগ বাড়িয়ে আলোচনা করতে চান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পাশাপাশি তার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও গত কয়েক মাসে অসংখ্যবার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বসার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য আলোচনা সম্পর্কে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী তার দেশের নীতি-অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন। তিনি গত ২৬ জুন এক ভাষণে বলেছেন, বিশ্বব্যাপী ইরানের শক্তিমত্তা ও প্রভাব কমিয়ে তেহরানকে নিরস্ত্র করে ফেলার লক্ষ্যে ওয়াশিংটন ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চায়। তিনি আরও বলেন, ইরানের সামরিক শক্তির কারণে মার্কিনিরা এদেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসন চালাতে ভয় পাচ্ছে; তাই তারা আলোচনায় বসে এই শক্তি খর্ব করতে চায় যাতে ভবিষ্যতে তারা ইরানকে নিয়ে যা খুশি তাই করতে পারে। এ কারণে আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় কোনও আলোচনা হবে না বলে স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেছেন।...

শ্রীলংকায় অনুষ্ঠেয় সাউথ এশিয়া ট্রাভেল অ্যাওয়ার্ড-২০১৯ পাচ্ছে বাংলাদেশের ১০টি স্টার হোটেল

১৮সেপ্টেম্বর,বুধবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: শ্রীলংকায় আজ ও কাল অনুষ্ঠেয় সাউথ এশিয়া ট্রাভেল অ্যাওয়ার্ড-২০১৯ পাচ্ছে বাংলাদেশের ১০টি স্টার হোটেল। হোটেলগুলো হলো, আমারই ঢাকা, দুসাই রিসোর্ট ও স্পা, গ্যালাক্সি হলিডেস লিমিটেড, গ্যালাক্সি ট্রাভেল ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল জাবির প্যারাডাইস লিমিটেড, ওসান প্যারাডাইস লিমিটেড (হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট), রেডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেন, সাইমন বিচ রিসোর্ট, দি ওয়ে ঢাকা ও দ্য ওয়েস্টিন ঢাকা। এবার সাউথ এশিয়া ট্রাভেল অ্যাওয়ার্ডের আয়োজক হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে আমারই গালেকে। আমারই হোটেলের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক রাসেল কুল আয়োজনের চুক্তিপত্রে সই করেন। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল হোটেল অ্যাসোসিয়েশন (বিহা) আয়োজনটির অনুমোদিত অংশীদার। প্রেস বিজ্ঞপ্তি। ...

কক্সবাজারের টেকনাফে মিয়ানমারের ২১০ সিমকার্ডসহ তিন রোহিঙ্গা যুবক আটক

১৭সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,কক্সবাজার প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজারের টেকনাফে ২১০টি মিয়ানমারের মোবাইল নেটওয়ার্ক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের সিমকার্ডসহ তিন রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে স্থল বন্দর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে টেকনাফ থানা পুলিশ। আটকৃতরা হলেন- মিয়ানমারের নুর আলমের ছেলে নুর হাছান (২৪), উখিয়া উপজেলার পালংখালী জাম্পতলী রোহিঙ্গা শিবিরের মো. শরীফের ছেলে রবি আলম ও টেকনাফ মোছনী ক্যাম্পের মো. হোছনের ছেলে মো. সলিম (২৫)। পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাশের নির্দেশে টেকনাফ থানা পুলিশের একটি দল ক্যাম্পে বিক্রি করতে আসা তিন রোহিঙ্গাদের ২১০টি মিয়ানমারে সিমকার্ডসহ আটক করে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাশ বলেন,তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা রুজু করে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এদিকে গেল ২২ আগস্ট প্রত্যাবাসন ভেস্তে যাওয়া ও ২৫ আগস্ট লাখো রোহিঙ্গাদের মহাসমাবেশের আয়োজনের অন্যতম মাধ্যম রোহিঙ্গাদের হাতে মোবাইল ফোনের কারণে। সে বিষয়টি পর্যালোচনা করে সরকার ক্যাম্পে নেটওয়ার্ক বন্ধ রাখে। মিয়ানমারের সীমান্ত সেদেশের নেটওয়ার্ক টাওয়ার হওয়ায় মিয়ানমারের সিম ব্যবহার করতে শুরু করে। ...

জিএমপি পুলিশ বাংলাদেশের মধ্যে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে

১৬সেপ্টেম্বর,সোমবার,গাজীপুর সংবাদাতা,নিউজ একাত্তর ডট কম:যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপি বলেছেন, গাজীপুর সিটি করপোরেশনে দ্বৈত শাসন চলছে। এই দ্বৈত শাসন মেনে নেয়া যায় না। যে কাজ করার কথা সিটি করপোরেশনের সেই কাজ করছে জিএমপি পুলিশ। সিটি করপোরেশনের কর্মচারীরা রাস্তায় রিকশা চালকদের মারধর করে; আর দুর্নাম হয় পুলিশের। উভয়পক্ষের আলোচনার ভিত্তিতে এই অবস্থার অবসান করতে হবে। তিনি সোমবার বিকেলে টঙ্গী পূর্ব থানা প্রাঙ্গনে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গৌরবময় সেবার ১ম বার্ষিকী উপলক্ষে সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। জিএমপির টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে ও গাছা জোনের এসি আশরাফুল ইসলামের (পিপিএম) সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন, সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি শামসুন্নাহার ভূইয়া, সাবেক এমপি ও গাজীপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমাণ্ডার কাজী মোজাম্মেল হক, টঙ্গী থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, স্থানীয় ৪৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর নূরুল ইসলাম নূরু, সাংবাদিক আফজাল হোসাইন প্রমুখ। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন জিএমপি দক্ষিণের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মো. শাহাদাৎ হোসাইন। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, জিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আবুল কালাম আজাদ, টঙ্গী জোনের এসি আহসানুল হক, টঙ্গী থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রজব আলী, মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী ইলিয়াস আহমেদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। প্রতিমন্ত্রী জিএমপি পুলিশ সদস্যদের কাজের ভূয়সি প্রসংসা করে বলেন, জিএমপি পুলিশ সদস্যরা যানজট নিরসনের মাধ্যমে মানুষকে স্বস্তি দেওয়ার পাশাপাশি রাস্তার ময়লা-আবর্জনাও পরিষ্কার করছে। এমনকি তারা আবর্জনা অপসারণ করে সেসব স্থানে বৃক্ষ রোপন করে দৃষ্টি নন্দন পরিবেশ তৈরি করছে। অথচ এই কাজ করার কখা ছিল সিটি করপোরেশনের। এসব কাজ করে জিএমপি পুলিশ বাংলাদেশের মধ্যে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তিনি আরো বলেন, প্রধান সড়কের পাশাপাশি শাখা সড়কগুলোতেও অটো রিকশা বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। এতে নগরবাসীর দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অটো রিকশা বন্ধ না করে; আগে অটো রিকশা তৈরির কারখানাগুলো বন্ধ করা উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি আরো বলেন, রাস্তায় কে থাকবে; পুলিশ নাকি সিটি করপোরেশন সেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। একটা জায়গায় দুই শাসন চলতে পারে না। রাস্তা ঘাটে সিটি করপোরেশনের লোকজনের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে পুলিশের বদনাম হচ্ছে। উল্লেখ্য, গত বছর এই দিনে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।...

সাব-রেজিস্ট্রার সুব্রত সাময়িক বরখাস্ত

১৫সেপ্টেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:ঘুষের ভিডিও আলোচিত হওয়ার পর সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের সাব-রেজিস্ট্রার সুব্রত কুমার দাশকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। রোববার আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করেছে। আদেশে বলা হয়, সুব্রত কুমার দাশের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারি (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮ অনুযায়ী যথাক্রমে অসদাচরণ ও দুর্নীতির অভিযোগে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনা অভিযাগ গুরুতর হওয়ায় এবং অভিযোগের পুর্ণাঙ্গ তদন্তের স্বার্থে তাকে বিভাগীয় মোকদ্দমা চলাকালীন কাজে বহাল রাখা সমীচীন হবে না। তাই সরকারি কর্মচারি (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮ অনুযায়ী সুব্রতকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হল। সাময়িক বরখাস্ত থাকাকালীন তিনি সিরাজগঞ্জের জেলা রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে সংযুক্ত থাকবেন এবং বিধি মোতাবেক খোরাকি ভাতা ও অন্যান্য ভাতা পাবেন বলে আদেশে বলা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ও সাংবাদিকদের হাতে আসা ভিডিওতে সুব্রত কুমার দাসকে এক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নিতে দেখা গেছে। আরেক ভিডিওতে দেখা যায়, এক দলিল লেখক আনিছ নামের এক কর্মচারীকে কিছু টাকা দিলে আনিছ ওই দলিল লেখককে বলেন- স্যার ৩৫শ টাকা দিতে বলেছেন। পরে দলিল লেখক টাকা না দিয়ে সাব-রেজিস্ট্রারকে ফোন দিতে বলেন। আনিছ সঙ্গে সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। এরপর আগের টাকা ফেরৎ দিয়ে আনিছ বলেন- ৩৫শ টাকার কমে হবে না। তখন ওই দলিল লেখককে আবার টাকা দিতে দেখা যায়। স্থানীয়রা এবং দলিল লেখকরা এই সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ করেছেন।...

দিনাজপুরে দৈনিক বিজনেস বাংলাদেশ পত্রিকার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

১৩সেপ্টেম্বর,শুক্রবার,দিনাজপুর প্রতিনিধি ,নিউজ একাত্তর ডট কম:আজকের বিজনেস বাংলাদেশ পত্রিকার ১২ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ৩য় বর্ষে পদার্পন উপলক্ষে দিনাজপুরে নিমতলা প্রেসক্লাবে কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মিজানুর রহমান লুলু, বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি নুরুল হুদা দুলাল, দিনাজপুর আর.জে.এফ এর সভাপতি ও এনটিভির স্টাফ রিপোর্টার ফারুক হোসেন। বিজনেস বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি ওয়াহেদুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন খবরপত্র পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মনসুর রহমান, দৈনিক নবচেতনা পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি আব্দুস সাত্তার, ফটো সাংবাদিক নূর ইসলাম, আজকের বিজনেস বাংলাদেশের পত্রিকার চিরিরবন্দর উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ নুর ইসলাম বোচাগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সামসুল হকসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি মিজানুর রহমান লুলু বলেন, আজকের বিজনেস বাংলাদেশ উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রেখে ধারাবাহিকভাবে সংবাদ পরিবেশন করে আসছে। তিনি আরও বলেন, দেশ ও জাতীয় কল্যাণে সংবাদপত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি আজকের বিজনেস বাংলাদেশ পত্রিকার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।...

একরামুল হক সোনালী ব্যাংকের নতুন জিএম

১৫সেপ্টেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:সম্প্রতি জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে একরামুল হক সোনালী ব্যাংকের রংপুর অফিসে যোগদান করেছেন। পদোন্নতির পূর্বে তিনি প্রধান কার্যালয়ের গভঃ অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড সার্ভিসেস ডিভিশনের বিভাগীয় প্রধান (ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। একরামুল হক ১৯৮৩ সালে ব্যাংকার্স রিক্রুটমেন্ট কমিটির মাধ্যমে সিনিয়র অফিসার হিসেবে সোনালী ব্যাংকে কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাণিবিদ্যা বিভাগ থেকে বিএসসিসহ এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। সুদীর্ঘ চাকরি জীবনে তিনি সোনালী ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা, প্রিন্সিপাল অফিস, প্রধান কার্যালয়ের একাধিক বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দক্ষতা, নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি আইবিবির একজন ডিপ্লোম্যাট অ্যাসোসিয়েট। তিনি ১৯৬০ সালে দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ি উপজেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এক কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের জনক।...

বাংলাদেশকে এডিবি ৫০০ কোটি ডলার দেবে

১৩সেপ্টেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিনিধি ,নিউজ একাত্তর ডট কম:এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ১৩তম বড় অর্থনীতির দেশ এখন বাংলাদেশ। দেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির আকার গত দেড় যুগে সিঙ্গাপুর ও হংকংকে ছাড়িয়েছে। সম্প্রতি এডিবির কি ইনডিকেটরস্ ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক বিষয়ে প্রতিবেদনে, এমন চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এবার বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে আগামী তিন বছরে প্রায় ৫০০ কোটি ডলারের ঋণ সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে এশীয় উন্নয়ন সংস্থা (এডিবি)। বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করে এডিবির আবাসিক প্রতিনিধি মনমোহন পারকাশ এ তথ্য জানান বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মনমোহন বাংলাদেশের জন্য এডিবির বর্ধিত উন্নয়ন কর্মসূচি শেখ হাসিনার সামনে তুলে ধরেন। এডিবি প্রতিনিধি ২০২০-২২ মেয়াদে নতুন কান্ট্রি বিজনেস প্লান প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন।...

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

১৫সেপ্টেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি) এর অধীনে ২০১৯ সালের এইচএসসি প্রোগ্রামের ১ম ও ২য় বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য গণসংযোগ বিভাগের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. মহা. শফিকুল আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এবার বাউবির এইচএসসি প্রোগ্রামের ১ম ও ২য় বর্ষের পরীক্ষায় মোট ১ লাখ ৪৮ হাজার ৬৬৫ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এরমধ্যে চূড়ান্ত পরীক্ষায় মোট ৭০ হাজার ৮১৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। চূড়ান্ত পরীক্ষায় বিভিন্ন গ্রেডে মোট ৩৪ হাজার ২৫১ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়। পাশের হার শতকরা ৪৮ দশমিক ৩৭ ভাগ। কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৬৪০ জন এ ৪ হাজার ২২৮ জন এ(-) ১২ হাজার ২৭৯ জন বি ১৪ হাজার ১৪১ জন সি এবং ২ হাজার ৯৬৩ জন ডি গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১৭ হাজার ৪২৫ জন ছাত্র এবং ১৬ হাজার ৮২৬ জন ছাত্রী । একই সঙ্গে ৭৭ হাজার ৮৪৯ জন প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীর পরীক্ষার ফলও প্রকাশ করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের (GPA) bou.ac.bd এবং Detail Result- exam.bou.edu.bd ঠিকানায় পাওয়া যাবে। এছাড়াও ঝগঝ এর মাধ্যমে চূড়ান্ত ফলাফল পাওয়ার জন্য bou.space.student ID (11digits without any space, for example 13011810001) লিখে বাংলালিংক-এ ২৭০০ এবং অন্যান্য অপারেটরে ২৭৭৭ এ SMS পাঠাতে হবে।...

কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগে ফেঁসে যাচ্ছেন জাবি উপাচার্য

১৫সেপ্টেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:ফেঁসে যাচ্ছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম। উপাচার্যের বিরুদ্ধে কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ঘটনার সত্যতা মিললে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে। কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগে ছাত্রলীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদককে পদ ছাড়তে হয়েছে। একই অভিযোগ উঠেছে জাবি উপাচার্যের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একটি পক্ষ থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। সে অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে উপাচার্যকে পদ থেকে সরে যেতে হতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কমিশন কেলেঙ্কারির ঘটনায় জাবি উপাচার্য দায় এড়াতে পারেন না। একজন উপাচার্যের কাছে ছাত্রনেতারা কীভাবে কমিশন দাবি করার সাহস পান, এ বিষয় নিয়ে ছাত্রলীগের সঙ্গে উপাচার্য কীভাবে বৈঠক করেন। এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন রোববার বলেন, জাবি উপাচার্যের বিরুদ্ধে আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গোপনভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, অভিযোগ খুবই গুরুতর, তবে বিষয়টি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। প্রয়োজনে এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হতে পারে। অভিযোগের সত্যতা মিললে দ্রুত এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এদিকে একাধিক সূত্র জানায়, জাবি উপাচার্য একাধিকবার ছাত্রলীগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বিষয়টি সরকারের নীতিনির্ধারকদের নজরে আছে। ছাত্রলীগের দুই নেতাকে অব্যাহতির ঘটনার পর এখন উপাচার্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি তোলা হচ্ছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আমির হোসেন বলেন, কমিশন আদায় করার বিষয়টি নিয়ে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। কেউ কেউ উপাচার্যের এমন ঘটনা মেনে নিতে পারছেন না, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানাচ্ছেন। তবে এ নিয়ে একাডেমিক কার্যক্রমে কোনো প্রকার প্রভাব ফেলেনি বলে জানান এই শিক্ষক। বিজনেস বাংলাদেশ ।...

চাপে আছে বাংলাদেশ : উইলিয়ামস

১৭সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,ক্রীড়া প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের সঙ্গে জিতে উড়তে থাকা বাংলাদেশ দল বড় ধাক্কা খায় দ্বিতীয় ম্যাচে আফগানিস্তানের কাছে হেরে। ঘরের মাঠে বাংলাদেশের এমন করুণ পরিণতি মেনে নিতে পারছে না দেশের সমর্থকেরাও। তবে ফাইনালে যেতে চট্টগ্রামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচটা জিততেই হবে আগামীকাল বুধবার। আর টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে হলে বাংলাদেশকে হারানো ছাড়া কোনও পথ নেই জিম্বাবুয়ের সামনে। আফগানদের কাছে জিম্বাবুয়ে হারলেও লড়াই করে হেরেছিল, তবে বাংলাদেশ লড়াইও করতে পারেনি আফগানদের সঙ্গে। ঘরের মাঠে এমন হারের পর স্বাগতিক দলের চাপে থাকাটাই স্বাভাবিক। এই চাপটা কাজে লাগাতে চায় জিম্বাবুয়ে। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার সকালে অনুশীলন করে জিম্বাবুয়ে দল। এখানে কথা বলেন দলটির সিনিয়র ক্রিকেটার শন উইলিয়ামস কথা বলেন গণমাধ্যমের সঙ্গে। উইলিয়ামস জানান, দ্বিতীয় ম্যাচে হেরে ওরা (বাংলাদেশ) চাপে আছে। এই চাপটা আমাদের কাজে লাগাতে হবে। আপাতত আমরা নিজেদের কাজটা ঠিকভাবে চালিয়ে যাচ্ছি যাতে ম্যাচে প্রভাব বিস্তার করা যায়। সিরিজের প্রথম ম্যাচেও বাংলাদেশকে ভুগিয়ে ছেড়েছে জিম্বাবুয়ে। বলা যায়, হারতে হারতে জয় পায় বাংলাদেশ। দলের সিনিয়ররা যখন একের পর এক ব্যর্থ, তখন তরুণ আফিফ হোসেনের ব্যাটে ভর করে ৩ উইকেটের জয় পায় বাংলাদেশ। তাতেও বাংলাদেশের প্রতি সমীহের কমতি নেই জিম্বাবুয়ের। উইলিয়ামস স্বীকার করেন, ঘরের মাঠে বাংলাদেশ সবসময়ই কঠিন প্রতিপক্ষ। বাংলাদেশ খুব দল। ওদের দলে ভালো অলরাউন্ডার আছে। এই ফরম্যাটে যেকোনো কিছুই হতে পারে। ওদের দারুণ কিছু অভিজ্ঞ ক্রিকেটার আছে যেমন সাকিব, মাহমুদউল্লাহ, মুশফিক। ওরা সবাই দারুণ ক্রিকেটার। তবে আমরা নিজেদের কাজে মনোযোগ দিতে চাই, নিজেদের কাজগুলি করতে চাই নিজেদের জন্য। কেন না, সূক্ষ্ম ব্যাপারগুলো পার্থক্য গড়ে দেয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে। ...

চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য পেল বাংলাদেশ

১৫সেপ্টেম্বর,রবিবার,ক্রীড়া প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:১৯ রানেই নেই ৩ উইকেট। মনে হচ্ছিল, এবার অল্পতেই গুটিয়ে যাবে আফগানিস্তান। কিন্তু শেষতক দেখা গেল উল্টো চিত্র। মোহাম্মদ নবীর বিধ্বংসী এক ইনিংসে এই আফগানিস্তানই ৬ উইকেটে তুলেছে ১৬৪ রান। অর্থাৎ জিততে হলে ১৬৫ করতে হবে বাংলাদেশকে। মিরপুরে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই চাপে পড়েছিল আফগানিস্তান। ইনিংসের প্রথম ডেলিভারি, আফগানিস্তানের ওপেনার রহমানউল্লাহ গুরবাজ বলটা ডিফেন্সই করেছিলেন। কিন্তু মোহাম্মদ সাইফউদ্দীন এমনই আনপ্লেয়বল এক ডেলিভারি দিলেন, ডিফেন্ড করেও উইকেটটা ধরে রাখতে পারলেন না আফগান ওপেনার। সাইফউদ্দীনের আউটসুইং ডেলিভারিটি উইকেটে লেগে স্ট্যাম্প কয়েক চক্কর ঘুরতে ঘুরতে বাতাসে ভাসতে থাকে। আসলেই চোখ ধাঁধিয়ে দেয়ার মতো এক ডেলিভারি, বিস্ময়ে তাকিয়ে রইলেন সবাই। শুরুতে উইকেট হারিয়েও অবশ্য থেমে থাকেনি আফগানিস্তান। দ্বিতীয় ওভার চলছিল তখন। সাকিবের চতুর্থ বলটি তুলে মারতে গিয়েছিলেন আরেক ওপেনার হজরতউল্লাহ জাজাই। কিন্তু বল অনেক ওপরে ওঠলেও সীমানা দড়ি পর্যন্ত যায়নি, ১ রানেই লিটন দাসের ক্যাচ হন জাজাই। তৃতীয় ওভারে এসে আরও এক উইকেট তুলে নেন সাইফউদ্দীন। ১৩ বলে ১১ রান করে নাজিব তারাকাই লেগ সাইডের বাউন্ডারিতে হন সাব্বির রহমানের ক্যাচ। তৃতীয় উইকেটে একটু প্রতিরোধ নাজিবুল্লাহ জাদরান আর আসগর আফগানের। তাদের ১৭ বলে ২১ রানের জুটিটি ভাঙেন সাকিব, নাজিবুল্লাহকে (৫) মিডঅফে সৌম্য সরকারের ক্যাচ বানিয়ে। ৪০ রানে ৪ উইকেট হারায় আফগানিস্তান। সেখান থেকে বড় এক জুটি মোহাম্মদ নবী আর আসগরের। ৫৩ রানেই এই জুটিটি আটকে যেতে পারতো। তাইজুল ইসলামকে তুলে মারতে গিয়ে বাউন্ডারিতে ক্যাচ হয়েছিলেন নবী, তিনি তখন ৩০ রানে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে ওভারস্টেপিংয়ের কারণে সেই বলটি নো হয়ে যায়। নবী-আফগানের এই জুটিটিই ঘাম ঝরিয়েছে টাইগারদের। ৬২ বলে ৭৮ রান যোগ করেন তারা। কিছুতেই কিছু হচ্ছিল না। ১৭তম ওভারে আবারও সাইফউদ্দীনের হাতে বল তুলে দেন সাকিব। আর বল হাতে নিয়েই আরেকবার ঝলক দেখান এই অলরাউন্ডার। ৩৫ বলে ৪০ রান করা আসগরকে সাব্বিরের ক্যাচ বানান দ্বিতীয় বলে, পঞ্চম বলে দুর্দান্ত এক ইনসুইংগারে বোল্ড করেন গুলবাদিন নাইবকে । তবে নবী ঠিকই হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন, ৪১ বলে। পরের সময়টায় তো আরও ভয়ংকর হয়ে উঠেন। আফগানিস্তানের বড় সংগ্রহ গড়ার কারিগর ছিলেন আসলে এই অলরাউন্ডারই। ৫৪ বলে ৮৪ রানে অপরাজিত থাকেন নবী, যে ইনিংসে ৩টি চারের সঙ্গে তিনি হাঁকিয়েছেন ৭টি ছক্কা! বাংলাদেশের পক্ষে বল হাতে সবচেয়ে সফল সাইফউদ্দীন। প্রথম তিন ওভারে ১৬ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিলেও অবশ্য শেষ ওভারের ১৭ রান খরচায় মোট দিয়েছেন ৩৩। ৪ ওভারে ১৮ রান দিয়ে ২টি উইকেট নেন সাকিব।...

স্বামীকে ভুলে গেলেন দীপিকা

১৭সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বলিউডের অনিন্দ্য সুন্দরী অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন। শুধু একজন অভিনেত্রী হিসেবেই নন। দীপিকা তার চরিত্র, জীবনযাপন, ব্যক্তিত্ব, মতাদর্শ সবকিছুর জন্যই বেশ আলোচিত। এই অভিনেত্রী শুধু ক্যারিয়ারে সফল হতে চান না। পাশাপাশি পারিবারিক জীবন সুন্দরভাবে কাটাতে চান তা বহুবার বলেছেন তিনি। সম্প্রতি ব্যক্তিগত এই সম্পর্কগুলো নিয়ে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন দীপিকা। আর সেই অনুষ্ঠানের ভিডিও এখন ভাইরাল। ভিডিওতে দেখা যায়, দীপিকা নিজেকে একজন নারী, বোন, অভিনেত্রী হিসেবে বর্ণনা করেন। কিন্তু স্ত্রী হিসাবে তুলে ধরতে ভুলেই যান। ঠিক সেই সময় উপস্থাপিকা তাকে বিষয়টি মনে করিয়ে দেন। দীপিকা তখন জানালেন, তিনি ভুলেই গিয়েছিলেন যে তিনি কারোর স্ত্রী। হাসতে হাসতে তিনি বলেন,হে ভগবান, আমি ভুলেই গিয়েছিলাম, আমি কারোর স্ত্রী। প্রিয় তারকার এমন মশকরা দেখে মজা পেয়েছেন তার ভক্তরা। নেটিজেনদের প্রশ্ন, দীপিকার এমন কাণ্ড কারখানার কথা রণবীর কি জানেন? রণবীর সব সময় বলেছেন, প্রেমিকা ও স্ত্রী হিসাবে বরাবরই দীপিকার ইচ্ছাতেই সায় দিয়ে এসেছেন তিনি। এমনকি বিয়ের পর নিজের বাড়িতে না থেকে দীপিকার ইচ্ছাতেই তার আগের ফ্ল্যাটেই থাকছেন রণবীর। এ ব্যাপারে রণবীরের ভাষ্য,আমার কাছে বিয়েটা হলো একটা প্রতিশ্রুতি। নিজের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভাবনা হলো, শুধুমাত্র আমার জন্য ওর নিজের হাতে সাজানো গোছানো ফ্ল্যাট ছেড়ে ওকে চলে আসতে হবে আমি সেটা চাই না। তাইতো ওর (দীপিকার) মতামতকেই প্রাধান্য দিয়েছি। ...

ঢাকায় আসছেন ঋতুপর্ণা

১৫সেপ্টেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:টালিউডের আবেদনময়ী অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত ঢাকাই চলচ্চিত্রেও কাজ করেছেন। আজ রাতের একটি ফ্লাইটে ঢাকায় আসছেন তিনি। পরিচালক নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামূলের জ্যামর শুটিং-এ অংশ নিতে তার এই ঢাকা সফর। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পরিচালক। তিনি বলেন, বর্তমানে জ্যাম ছবির শুটিং হচ্ছে। এ ছবিতে বিশেষ চরিত্রে অভিনয় করবেন ঋতুপর্ণা দিদি। তিনি এ ছবির কাজে অংশ নিতে আজ রাতে ঢাকায় আসছেন। প্রয়াত সাংবাদিক আহমেদ জামান চৌধুরীর মূল ভাবনায় জ্যাম ছবির কাহিনী বিন্যাস করেছেন নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামূল ও নায়ক মান্নার স্ত্রী শেলী মান্না। চিত্রনাট্য ও সংলাপ রচনা করেছেন পান্থ শাহরিয়ার। ছবিতে আরও অভিনয় করছেন আরিফিন শুভ, ফেরদৌস ও পূর্ণিমা। উল্লেখ্য, শ্বেতপাথরের থালার মাধ্যমে রূপালি পর্দায় ঋতুপর্ণার অভিষেক হয়। সেটি ১৯৯৫ সালে কথা। ছবিতে সহ-অভিনেত্রীর চরিত্রে কাজ করেন তিনি। প্রভাত রায়ের ছবিটি ওই বছর শ্রেষ্ঠ বাংলা ছবি হিসাবে জাতীয় পুরস্কার লাভ করে। এরপর সুজন সখী নাগপঞ্চমী মনের মানুষ ও সংসার সংগ্রাম ছবির মাধ্যমে বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন ঋতুপর্ণা। ঋতুপর্ণ ঘোষের দহন(১৯৯৭), উৎসব(২০০০), অপর্ণা সেনের পারমিতার একদিন(২০০০) ও বুদ্ধদেব দাশগুপ্তের মন্দ মেয়ের উপাখ্যান (২০০২) ছবিতে তার অভিনয় বোদ্ধা মহলের প্রশংসা অর্জন করে। এছাড়া দহন ছবিতে ধর্ষণের শিকার এক নববিবাহিতার চরিত্রে অভিনয় করে ১৯৯৮ সালে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর জাতীয় পুরস্কার অর্জন করেন। বাংলাদেশে সাগরিকা স্বামী ছিনতাই রাঙা বউ একটি সিনেমার গল্প ;সহ বেশ কিছু ছবিতে অভিনয় করেছেন ঋতুপর্ণা।...

শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়ী

বাঙালি হিন্দু সমাজের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয়া দুর্গোৎসব। আর এই পুজোয় আপনিও ঘুরে আসতে পারেন সিলেটের শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়ী থেকে। আর খরচের কথা ভাবছেন, মাত্র ৮০০ টাকা।শোনা যায় কলকাতার পাথরঘাটা নামক স্থানের এক সম্ভ্রান্ত জমিদার এই দুর্গাবাড়ী প্রতিষ্ঠান করেন। এই ব্যাপারে ব্রজেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী সম্পাদিত স্মৃতি প্রতিতি নামক বই এ উল্লেখ আছে। ব্রজেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী ছিলেন সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা। স্বদেশি আন্দোলনে অনেক বীর এখানে এসে মায়ের পায়ে নিজের রক্ত দিয়ে প্রতিজ্ঞা করতেন নিজের আদর্শ থেকে এক চুলও বিচ্যুত হবেন না। স্বদেশকে পরাধীনতা থেকে মুক্ত করেই তবে ঘরে ফিরবেন।টিলার ওপর মূল মন্দির অবস্থিত। অর্ধশত সিঁড়ি ডিঙিয়ে আপনাকে পৌঁছাতে হবে মূল মন্দিরে। মূল মন্দিরে স্থাপিত দুর্গা প্রতিমা শত বছর ধরে পুজিত হয়ে আসছেন। পাশেই আছে আপনার বসার জন্য জায়গা। এর সাথেই আছে শিব মন্দির। টিলার থেকে দূরের দৃশ্য আপনাকে অভিভূত করবে। পূজার সময় ধূপ-ধূনার মোহনীয় গন্ধ আপনাকে নিয়ে যাবে এক অন্য জগতে।কীভাবে যাবেন,দুর্গাবাড়ী মন্দির যেতে হলে আপনাকে বাস/টেনে করে আসতে হবে সিলেট শহরে। প্রতিদিন ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশে বাস/ট্রেন ছাড়ে, ভাড়া পড়বে ৩২০ টাকা থেকে এক হাজার ২০০ টাকা। সিলেট শহরের যেকোনো প্রান্ত থেকে দুর্গাবাড়ী যাব বললেই আপনাকে নিয়ে যাবে শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়িতে। রিকশা/সিএনজি ভাড়া নেবে ৮০ থেকে ১৫০ টাকা।...

ঈদের ছুটিতে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে

বর্ষা মৌসুম তারপরও ঈদের ছুটিতে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে ছুটে আসছেন পর্যটকরা। তাদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত কক্সবাজার। সৈকত শহরের ৪ শতাধিক হোটেল-মোটেল-গেষ্টহাউজ ও কটেজ কর্তৃপক্ষের প্রস্তুতিও শেষ। আর পর্যটকদের নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশও। রমজানে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার পর্যটক শূন্য থাকলেও ঈদের ছুটিতে ভ্রমণ পিপাসুদের ঢল নামে এই সৈকতে। বর্ষা মৌসুম হওয়ায় প্রথমে পর্যটকের সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল কক্সবাজারে। তবে সব আশঙ্কাকে উড়িয়ে দিয়ে এরই মধ্যে হোটেল-মোটেল-গেস্ট হাউস ও কটেজের প্রায় ৮০ শতাংশ কক্ষ বুকড হয়ে গেছে। আর ব্যবসায়ীরাও নতুন সাজে সাজিয়েছেন তাদের প্রতিষ্ঠান। হোটেল কর্তৃপক্ষও পর্যটকদের নানান সুযোগ-সুবিধা দেয়াসহ শেষ করছে যাবতীয় প্রস্তুতি। তারা আশা , প্রতি বছরেই মতো এবারও ঈদের ছুটিতে ভালো ব্যবসা হবে। বর্ষা মৌসুম তাই সাগর উত্তাল থাকবে। এক্ষেত্রে অনাকাঙ্কিত দুর্ঘটনা এড়াতে পর্যটকদের সমুদ্রে স্নান ও নিরাপত্তায় কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানালেন হোটেল ওনার্স এসোসিয়েশনের এ নেতা। কক্সবাজার হোটেল ওনার্স এসোসিয়েশনের মুখপাত্র মো. সাখাওয়াত হোসাইন জানান, 'সমুদ্র উত্তাল থাকবে। এখানে লাইফগার্ড ও পুলিশ ট্যুরিস্টদের তৎপরতাটা বৃদ্ধি করলে আমার মনে হয়, যারা কক্সবাজারে আসবেন তারা নিবিঘ্নে এখান থেকে ফিরতে পারবেন।' আর ট্যুরিস্ট পুলিশের এ কর্মকর্তা জানালেন, ঈদের ছুটিতে পর্যটকরা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে কক্সবাজার ভ্রমণ করতে পারে সেজন্য সব ধরণের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।...

আজ পবিত্র আশুরা

১০সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:মুসলিম বিশ্বে ত্যাগ ও শোকের একটি দিন পবিত্র আশুরা। কারবালায় হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র ইমাম হোসেনের মৃত্যুর দিনটি (১০ মহররম) বিশ্বব্যাপী মুসলমানরা শোকের আবহে পালন করে। এরই ধারাবাহিকতায় বিশ্বের অন্যান্য মুসলিম দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশেও আজ মঙ্গলবার আশুরা পালিত হবে। পবিত্র আশুরা উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এবারও রাজধানীর হোসেনি দালান ইমামবাড়া থেকে তাজিয়া মিছিল বের হবে। এতে অংশ নেবে হাজার হাজার মানুষ। তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতি সম্পন্ন। জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তাব্যবস্থা। গতকাল সোমবার ইমামবাড়ায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শত শত শিয়া মুসলিম কারবালার বিয়োগাত্মক ঘটনা স্মরণে ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালন করছে বিভিন্ন রীতি-নীতি। তাজিয়া মিছিল ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অনুষ্ঠান ঘিরে হোসেনি দালান এলাকা ও আশপাশে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। পুরো এলাকা ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকধারী অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীয় সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করছেন। এবার আশুরা উপলক্ষে হোসেনি দালানে প্রবেশের ক্ষেত্রে রয়েছে যথেষ্ট কড়াকড়ি। পুলিশের পাশাপাশি ইমামবাড়া কর্তৃপক্ষ প্রায় ২০০ স্বেচ্ছাসেবক দিয়ে নিজস্ব নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তুলেছে। ইমামবাড়া সূত্রে জানা গেছে, সকাল ১০টায় মিছিলটি হোসেনি দালান থেকে বের হয়ে বকশী বাজার লেন, কলপাড়, উমেশ দত্ত রোড, উর্দু রোড ঢাল, লালবাগ চৌরাস্তা, এতিমখানা রোড, আজিমপুর মেটারনিটি, নীলক্ষেত মোড়, সিটি কলেজ, ধানমণ্ডি-২, রাইফেলস স্কয়ার হয়ে ‘অস্থায়ী কারবালায়’ (বিজিবি সদর দপ্তরের গেটের উল্টো দিকে) মিছিলটি শেষ হবে। এ ছাড়া ১ মহররম থেকে প্রতিদিনই ভিন্ন ভিন্ন অনুষ্ঠান, তাজিয়া মিছিল, শোকসভা, শোক মজলিস, মর্সিয়া মাতম ও ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে অতিবাহিত করছে শিয়া মতাবলম্বীরা। এবার তাজিয়া মিছিলে দা, ছোরা, কাঁচি, বর্শা, বল্লম, তরবারি, লাঠি ইত্যাদি বহন এবং আতশবাজি ও পটকা ফোটানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। ইমামবাড়ার স্বেচ্ছাসেবক মাহফুজ আলী বলেন, ‘আমি ছোটবেলা থেকে তাজিয়া মিছিলে অংশগ্রহণ করে আসছি। এবার মহরম উপলক্ষে অফিস থেকে পাঁচ দিনের ছুটি নিয়ে এসেছি। এটা আমাদের কাছে আলাদা গুরুত্ব বহন করে।’ ইমামবাড়ার মহররমকেন্দ্রিক নানা আয়োজন দেখতে আসা নাজমা বেগম বলেন, ‘আমি ছোটবেলা থেকে মায়ের সঙ্গে এখানে আসতাম। এখনো নিয়মিত আসি।’ মিরপুর থেকে ঘুরতে আসা খোরশেদ আলম বলেন, ‘আমি প্রতিবছর আশুরার সময় এখানে আসি। এবারও এসেছি। এখানে এলে আলাদা কিছু অনুভব করি।’ স্কুলপড়ুয়া কয়েকজন শিক্ষার্থী বলে, ‘আমরা বন্ধুরা মিলে ১ মহরম থেকে প্রতিদিন আসি। আগামীকাল (মঙ্গলবার) আবার আসব।’ হোসেনি দালান ইমামবাড়ার প্রশাসনিক কর্মকর্তা মির্জা মো. নকি বলেন, ‘আবহাওয়া প্রতিকূলে থাকলেও সকাল ১০টায় তাজিয়া মিছিল বের হবে। চার শ বছরের ঐতিহ্য আমাদের এই মিছিল। প্রতিবছরের মতো এবারও তাজিয়া মিছিলে প্রায় ৩০-৪০ হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করবে বলে আশা করছি।’ আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ে জানতে চাইলে চকবাজার মডেল থানার ওসি সোহরাব হোসেন বলেন, ‘বরাবরের মতো এবারও আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে। আমরা পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। এখানে কোনো অঘটন ঘটার সম্ভাবনা নেই।...

সফলতা অর্জনে Attitude তৈরি করুন

৩১আগস্ট,শনিবার,নিউজ একাত্তর ডট কম: আমরা সবাই জীবনে কম বেশি এই শব্দটি শুনে থাকি। কিন্তু অনেকেই জানে না Attitude মানে কি।Attitude আমাদের জন্য ভালো না খরাপ সেটি বলবো।যেমন সিংহকে জঙ্গলের রাজা বলা হয়। কেন জানেন? কারন সে বলে জঙ্গলের অবস্থা যতই খারাপ হোক আমি কোন দিন ও ঘাস খাবো না। এটা আমার কোন অহংকার নই। কারন আমি নিজেকে জানি,আমি জানি আমি কে এটিই হলো Attitude। তেমনি আপনিও যদি জীবনের সফলতা ও নাম পেতে চান তাহলে আপনাকেও এই সিংহের মতো হতে হবে। নিজেকে জানতে হবে। আপনি কি সেটা এই পৃথিবিকে দেখাতে হবে এবং নিজেকে সব সময় একটি প্রশ্ন করতে হবে (Who Am I?) আমি কে? কারন যখন আপনি নিজেকে জানতে চাইবেন তখন আপনি নিজেকে জানতে পারবেন। এবং সেটাই আপনাকে একজন সঠিক মানুষ তৈরি করবে Attitude এর সঙ্গে।আজকাল সবাই হোয়াটসঅ্যাপ, ফেইজবুকে স্টাটাস দেয় Dont show me your attitude.Because I have no attitude- কথাটি কি সত্যি মনে হয় আপনার? আপনি কি ভুলে গেছেন আপনার ছোট বেলার কথা। যখন আপনি ৪/৫ বছরের ছিলেন? তখন কেউ আপনাকে কোলে নিয়ে বলতো বেটা তোমার নাম কি? কত কিউট একটা বাচ্ছা। কিন্তু তার পরেও আপনি আপনার নাম বলতেন না। কারন কি জানেন? কারন এইটা আপনার Attitude। অথচ সেই বাচ্ছাটি আপনিই ছিলেন। আজ আপনিই সেই বাচ্ছাটিই আছেন। শুধু পার্থক্য এইটুকুই যে তখন আপনি শুধু মাত্র নিজের কথা শুনতেন। সেটিই করতেন যা আপনার ভালো লাগতো। আর এখন নিজের থেকে অন্যের কথা বেশি শুনেন। সব সময় এটিই ভাবেন লোকে কি বলবে। আর এ জন্যেই এই Attitude আমাদের কাছ থেকে অনেক দূরে চলে যাচ্ছে। তাই আপনি যদি এই পৃথিবিতে কিছু করে দেখাতে চান। তাহলে আপনাকেও ঐ সিংহের মতো হতে হবে। ঐ বাচ্ছাটির মতো হতে হবে। আর সব সময় নিজেকে প্রশ্ন করতে হবে- আমি কে?Attitude সবার মধ্যেই আছে শুধু সবাই সেটিকে ব্যবহার করতে পারে না।Attitude সেটা নয় যখন আপনি রাস্তায় কারো সাথে কথা বললেন না। ফেইজবুক,হোয়াটসঅ্যাপ এ কেউ এস.এম.এস করলে তাকে Reply দিলেন না।যখন আপনি কাউকে ভালোবাসবেন সামান্য কারন থাকাই এটিও বললাম এটি Attitude নই।Attitude হলো মনে করুন আপনি খুবই গুরুত্বপূর্ণ কথা ভাবছেন । আর রাস্তা দিয়ে যাচ্ছেন। তখন আপনার সামনে দিয়ে কোন ফ্রেন্ড যাচ্ছে। আপনি তাকে দেকে কোন কথা বললেন না। এই জন্য নয় যে,আপনি তাকে Ignor করলেন। বরং এই কারনে যে,আপনিতো তার সাথে পরে কথা বলতে পারবেন। কিন্তু এখন যে চিন্তাটি আপনি করছেন?সেটি ভুলে গেলে আপনি আর মনে করতে পারবেন না। কিন্তু আপনার বন্ধুর মনে হবে।আপনি তাকে Ignor করলেন।তাকে Attitude দেখালেন। আবার মনে করুন হোয়াটসঅ্যাপ,ফেইজবুকে আপনার ৫০০ এস.এম.এস এসেছে। আপনি ১০০ টি Reply করলেন।বাকি গুলো করলেন না। আর এ জন্য নই যে আপনি তাদের Ignor করলেন।বরংচ এজন্য যে আপনার কাছে ওতটা সময় নেই Reply দেওয়ার মত।এখানে ও সবাই ভাববে আপনি আপনার Attitude দেখাচ্ছেন।আবার মনে করুন আপনি আপনার গার্লফ্রেন্ড বা বয়ফ্রেন্ডকে নিজের বুকে পাথর রেখে I hate you বললেন। এজন্য নই যে,আপনি তাকে Ignor করছেন। বরং এই জন্যই আপনি তাকে দেখতে চান আপনার থেকে দূরে গিয়ে সে আপনাকে কতটা ভালোবাসে।কিন্তু আপনার বয়ফ্রেন্ড বা গার্লফ্রেন্ড ভাববে আপনি তাকে Attitude দেখালেন। আর যদি আপনার Attitude এটা হয়? তাহলে আমি বলবো আপনার এই Attitude টা থাকুক।দরকার নেই,ওই রকম বন্ধু,দরকার নেই ওই রকম ফেইজবুক,হোয়াটসঅ্যাপ,দরকার নেই ওই রকম লোক,দরকার নেই ওই রকম গার্লফ্রেন্ড বা বয়ফ্রেন্ড। যারা ভাবে এটা আমার Attitude।আমার কোন কিছু যায় আসে না।Attitude তো হলো সেই শক্তি যা আপনাকে এই ভিরের মধ্য থেকে বের করে কিছু করে দেখানোর সাহস যোগায়। আপনি ও যদি জীবনে কিছু করতে চান। নিজের জীবনে Attitude তৈরি করুন।Attitude এর সাথে চলুন। আর দেখুন আপনার দ্বারে কি ভাবে Success এসে দাড়ায়। তখন আপনি এমন একজন হয়ে যাবেন। যা আপনি এখন নন।A Perfect Attitude Man। তাই জীবনে যদি সত্যিই কিছু করতে চান? তাহলে নিজের মনে একটি আগুন জাালান,একটা বিশ্বাস নিয়ে আসুন আপনি পারবেন এবং ততক্ষন পর্যন্ত ছাড়বেন না। যতক্ষন পর্যন্ত আপনি আপনার লক্ষে পৌছে না যাবেন। লেখক: মোঃ ইরফান চৌধুরী,মানবাধিকার কর্মী। ...

রংপুর-৩ আসনের উপ-নির্বাচন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী প্রত্যাহার

১৬সেপ্টেম্বর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:অবশেষে রংপুর-৩ আসনের উপ-নির্বাচন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী রেজাউল করিমের মনোনয়ন প্রত্যাহার করা হলো। ফলে জাতীয় পার্টির প্রয়াত প্রধান এইচ এম এরশাদের আসনটি তার দলের জন্যই ছেড়ে দিল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এদিকে, আওয়ামী লীগের প্রার্থী না থাকায় দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে চরম হতাশা দেখা দিয়েছে। যুবলীগ-ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে শহরের কাচারি বাজার এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন। আজ বিকেল চারটায় দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে নির্বাচনী কার্যালয়ে যাওয়ার পথে শহরের কাচারি বাজার এলাকায় এ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিমের পথরোধ করে। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করার বিরোধিতা করে এ সময় বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীরা স্লোগান দেন। রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক তৌহিদুর রহমান বলেন, সবাই যখন নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত ঠিক এমন সময় খবর এল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে হবে। তৃণমূল পর্যায়ে নেতা-কর্মীরা যে উচ্ছ্বাস নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছিল, তাদের উৎসাহ-উদ্দীপনায় ভাটা পড়ে গেল। আওয়ামী লীগের প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করায় এখন প্রার্থী থাকলেন ছয়জন। তারা হলেন জাতীয় পার্টির রাহগির আল মাহি সাদ এরশাদ, বিএনপির রিটা রহমান, প্রয়াত এরশাদের ভাতিজা স্বতন্ত্র প্রার্থী আসিফ শাহরিয়ার, এনপিপির শফিউল আলম, গণফ্রন্টের কাজী মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ ও খেলাফত মজলিসের তৌহিদুর রহমান মন্ডল। আগামী ৫ অক্টোবর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ইভিএম পদ্ধতিতে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।...

ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকারের মোকাবেলা করবো

১৬সেপ্টেম্বর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এই সরকার সম্পূর্ণরূপে জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া একটা সরকার এবং আমরা জানি এই আওয়ামী লীগ ইতোপূর্বেও একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করেছিলো। এরা গণতন্ত্রকে বিশ্বাস করে না, কোনদিন করেনি। তাই তাদেরকে আর অন্যান্য দলগুলোকে আমি কোনদিনই এক করতে চাই না। সোমবার রাজধানীর তোপখানা রোডে শিশুকল্যাণ পরিষদের মিলনায়তনে নাগরিক ঐক্য আয়োজিত বিশ্ব গণতন্ত্র দিবস ও আমরা শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, তারা গণতন্ত্রের জন্য একটা বড় বাঁধা। তারা ফ্যাসিবাদে বিশ্বাস করে, একদলীয় শাসন ব্যাবস্থায় বিশ্বাস করে এবং সেটাই তারা প্রবর্তন করতে চায়। আমরা অবশ্যই তাদের সাথে একমত নয়। আমরা যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি, জনগনের অধিকার আদায়ের জন্য কাজ করি তারা অবশ্যই ঐক্যবদ্ধ হবো এবং ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকারের মোকাবেলা করবো। নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নার সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাষ্টি ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বিপ্লবী ওয়াকার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জুনায়েদ সাকি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল, নাগরিক ঐক্যের উপদেষ্টা এসএম আকরাম, গণফোরামের প্রেসিডিয়াম সদস্য জগলুল হায়দার আফ্রিক প্রমুখ। বিএনপি মহাসচিব বলেন, আজকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে রয়েছেন। আমরা বারবার বলেছি তবু তার চিকিৎসার জন্য কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। খালেদা জিয়াকে যদি মুক্ত করতে হয়, তার সুচিকিৎসার জন্য যদি তাকে বাইরে আনতে হয় তবে সেটাও আন্দোলনের মাধ্যমে করতে হবে। তিনি আরো বলেন, প্রত্যেকটি জিনিসরই সময় আছে, ধাপ আছে। আমরা বিশ্বাস করি বাংলাদেশের জনগন কোনদিনই এভাবে ফ্যাসিস্ট সরকারকে মেনে নেয়নি এবং এটা সম্ভব না। সুতরাং তারা ঐক্যবদ্ধ হবে এবং ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে তারা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে তারা মুক্ত করবে। সকল বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে উদ্দেশ্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আসুন আমাদের মধ্যে যে ছোটখাটো মতপার্থক্যগুলো আছে সেগুলোকে পাশে রেখে আমাদের জনগনের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য, আমাদের গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনার জন্য সবাই একসাথে কাজ করি। মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য সবচেয়ে বেশি কেউ যদি ত্যাগ শিকার করে থাকেন, তিনি হচ্ছেন বেগম জিয়া। এরশাদ ক্ষমতায় যাওয়ার পর থেকে আমাদের এই নেত্রী- যিনি গৃহবধূ ছিলেন- দীর্ঘ ৯ বছর সংগ্রাম করে গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে নিয়ে এসেছেন। আজকে প্রায় ১৮ মাস সম্পূর্ণ সাজানো একটি মিথ্যা মামলায় তাকে সাজা দিয়ে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে। এই সরকার সঙ্গত কারনেই তাকে কারাগারে রেখেছেন এই জন্য যদি তিনি বাইরে থাকেন তবে তাদের পক্ষে সবকিছু একতরফা ভাবে নিয়ে নেয়া সম্ভব হতো না। কারন মানুষের সাথে তার যে সম্পর্ক, জনগনের সাথে তার যে সম্পর্ক তার মাধ্যমে তিনি জনগনকে সংগঠিত করে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম। অতীতে তিনি তা করেছেন এবং এখনো তিনি সেটাই করতে পারেন।...

রুক্ষ শুষ্ক ত্বকের পরিচর্যায় অ্যালোভেরা

১৩জুলাই২০১৯,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রুক্ষ শুষ্ক ত্বকের পরিচর্যায় অ্যালোভেরা কার্যকারি উপাদান। ত্বকের যত্নে অনেকেই নিয়মিত অ্যালোভেরার রস বা অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু অ্যালোভেরাও যে ওজন কমাতে পারে সে খবর কয়জন জানে? অ্যালোভেরায় রয়েছে অ্যালোইন নামের প্রোটিন। যা সরাসরি ফ্যাট না কমালেও শরীরে জমে থাকা টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে। তবে একটা বিষয়ে সতর্ক থাকবে হবে সবাইকে। অ্যালোভেরার রস বেশি পরিমাণে শরীরে গেলে পেটের সমস্যা, ডায়রিয়া হতে পারে। তাই অ্যালোভেরার রস খান সঠিক পরিমাণে। কি পরিমাণ অ্যালোভেরার রস আমাদের শরীরে প্রয়োজন তা জানা থাকা দরকার। এক গ্লাস পানিতে ৫০ মিলিলিটার অ্যালোভেরা রস মিশিয়ে দিনের যে কোনও সময় খেতে পারেন। ব্লাড সুগার, হজমের সমস্যা, পাকস্থলির সমস্যা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করে এই রস। দ্রুত শরীরের বাড়তি ওজন কমানোর ক্ষেত্রে অ্যালোভেরার রস অত্যন্ত কার্যকরী। তবে সাবধান! গর্ভবতী মহিলাদের জন্য অ্যালোভেরার রস অনেক বড় ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়াতে পারে। ইন্ডিয়ান জার্নাল অফ ডার্মাটোলজি তে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, গর্ভবতী মহিলা বা নতুন মায়েদের ক্ষেত্রে মারাত্মক ক্ষতিকর এই রস। কারণ অ্যালোভেরার রস জরায়ু বা ইউটেরাসের সংকোচন ঘটায়। এ ছাড়াও অন্ত্রনালীতে নানা সমস্যার সৃষ্টি করে।...

যেসব নারীকে বিয়ে করা হারাম

১২জুলাই২০১৯,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:যেসব নারীকে বিয়ে করা হারাম নিম্নে বর্ণিত ১৩ প্রকার নারীকে বিয়ে করা হারাম: ১. আপন মা, বাবা ও দাদা-নানার স্ত্রীরা এবং তাদের কামভাব নিয়ে স্পর্শকৃত নারী। এরূপ ঊর্ধ্বতন সব দাদা-নানার স্ত্রীরা। ২. মেয়ে এবং ছেলে ও মেয়ের ঘরের সব নাতনি। ৩. সহোদরা, বৈপিত্রেয়-বৈমাত্রেয় ফুফু। ৪. সহোদরা, বৈপিত্রেয়-বৈমাত্রেয় খালা। ৫. সহোদরা, বৈপিত্রেয়-বৈমাত্রেয় বোন ও তাদের সন্তানাদি। ৬. সহোদরা, বৈপিত্রেয়-বৈমাত্রেয় ভ্রাতৃকন্যা ও তাদের সন্তানাদি। ৭. দুধমাতা, তার মাতা, দাদি, নানিএমনিভাবে ওপরের সব নারী। ৮. স্ত্রীর মেয়ে, যদি স্ত্রীর সঙ্গে সহবাস হয়ে থাকে। ৯. পুত্রবধূ, আপন ছেলের হোক বা দুধছেলের হোক। ১০. আপন শাশুড়ি, দাদিশাশুড়ি, নানিশাশুড়ি এবং ওপরে যারা রয়েছে। ১১. দুই বোন একত্রীকরণ, এমনিভাবে ফুফু ও তার ভাতৃকন্যা, খালা ও তার ভাগ্নিকন্যাকে একসঙ্গে বিয়ের মধ্যে রাখা। ১২. উল্লিখিত রক্ত সম্পর্কের কারণে যারা হারাম হয়েছে, দুধ সম্পর্কের কারণেও তারা সবাই হারাম হয়। ১৩. যে মেয়ে অপরের বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ রয়েছে। এ ছাড়া অন্য সব নারীকে বিয়ে করা হালাল। (দেখুন : সুরা : নিসা, আয়াত ২৩-২৪) স্ত্রীর বর্তমানে শালিকে বিয়ে করা অবৈধ কোনো নারী কারো বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ থাকাকালীন তার বোনের সঙ্গে বিয়ে সম্পূর্ণ হারাম। প্রথম বোনের সঙ্গে তালাক হয়ে গেলে মহিলার ইদ্দত শেষ হওয়ার পর অথবা বোন মারা গেলে তখন তার বোনের সঙ্গে বিয়ে বৈধ। (হিন্দিয়া : ১/২৭৭) পরস্পর লেগে থাকা যমজ দুই বোনের বিয়ের বিধান জন্মগতভাবে পরস্পর জড়ানো যমজ দুই বোনের জন্ম হলে দুই বোনকে এক ব্যক্তি একত্রে বিয়ে করতে যেমন পারবে না, তেমনি দুই বোনকে দুই ব্যক্তির কাছে বিয়ে দেওয়াও সম্ভব নয়। শুধু এক বোনকে একজন লোকের কাছে বিয়ে দিলেও পর্দার বিধান রক্ষা করে তাকে নিয়ে সংসার করা সম্ভব হবে না। তাই এ সমস্যার একমাত্র সমাধান হবে, অপারেশনের মাধ্যমে দুই বোনকে আলাদা করার চেষ্টা করা, যা বর্তমান যুগে ব্যয়বহুল হলেও সম্ভব। অতঃপর দুই বোনকে পৃথক দুই ব্যক্তির কাছে বিয়ে দেওয়া। আর পৃথক করা কোনোভাবে সম্ভব না হলে তাদের চিরকুমারী থাকা ছাড়া কোনো উপায় নেই। (বাদায়েউস সানায়ে: ২/২৬২; ইমদাদুল ফাতাওয়া: ২/২৩৯) চাচাতো ভাই-বোনের মেয়েকে বিয়ে করা বৈধ আপন ভাই বা বোনের মেয়েকে বিয়ে করা হারাম। তবে চাচাতো, মামাতো, খালাতো, ফুফাতো ভাই ও বোনের মেয়ে মুহাররমাতের অন্তর্ভুক্ত নয়, তাই তাদের বিয়ে করা জায়েজ হবে। (বিনায়া : ৪/৫০৮) দুধবোন ও তার মেয়েকে বিয়ে করা হারাম শরিয়তের আলোকে দুধবোনকে বিয়ে করা সম্পূর্ণ হারাম ও নিষেধ। বংশীয় সম্পর্কে সহোদর বোনের মেয়েকে বিয়ে করা যেমন হারাম, দুধবোনের মেয়ে বিয়ে করাও তেমনি হারাম। (বুখারি, হাদিস: ২৬৪৫; বাদায়েউস সানায়ে: ৪/২) প্রাপ্তবয়স্ক স্বামী স্ত্রীর দুধ পান করলে স্ত্রী হারাম হবে না সাবালক স্বামীর নিজ স্ত্রীর দুধ পান করা শরিয়তে নিষিদ্ধ ও গর্হিত কাজ। তবে এর দ্বারা বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন হবে না। সহবাসের সময় উত্তেজনা বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্ত্রীর স্তন মুখে নিতে পারবে, তবে দুধ যেন ভেতরে না যায় তা খেয়াল রাখতে হবে। (আদ্দুররুল মুখতার: ৩/২২৫) পালিত মেয়েকে বিয়ে করা বৈধ যদি কারো পালিত মেয়ে ওই ব্যক্তির স্ত্রীর অথবা কোনো মাহরামের দুধ দুই বছর বয়সের মধ্যে পান করে না থাকে, তাহলে ওই ব্যক্তির সঙ্গে বিয়ে জায়েজ। এ ক্ষেত্রে পর্দা করাও ফরজ। (সুরা : আহজাব, আয়াত ৩৩; ফাতাওয়ায়ে দারুল উলুম দেওবন্দ: ৭/২৪৪) কামভাব নিয়ে পুত্রবধূকে স্পর্শ করা ও তাকানো শ্বশুরের জন্য পুত্রবধূর দিকে কুদৃষ্টিতে তাকানো মারাত্মক গুনাহ ও হারাম। যদি শ্বশুর কামভাব নিয়ে পুত্রবধূর খালি শরীরে বা পাতলা কাপড়ের ওপর দিয়ে স্পর্শ করে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে ছেলের জন্য ওই পুত্রবধূ হারাম হয়ে যাবে। তবে শর্ত হলো, স্পর্শের বিষয়টি স্বীকারোক্তি বা সাক্ষীর মাধ্যমে প্রমাণিত হতে হবে অথবা ছেলে ওই কথার দাবিকারীকে প্রবল ধারণামতে সত্য মনে করতে হবে। এ অবস্থায় উভয়ে পৃথক হয়ে যেতে হবে। (বাদায়েউস সানায়ে: ২/২৬০, রদ্দুল মুহতার ৩/৩৩) জামাতা-শাশুড়ি পরস্পর কামভাব নিয়ে দেখা বা স্পর্শ করা বাহ্যিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের দিকে কামভাব নিয়ে তাকালে গুনাহ হলেও হুরমাতে মুসাহারাত সাব্যস্ত হয় না। বরং খোলামেলা কোনো অঙ্গ কামভাবে স্পর্শ করার দ্বারা হারাম সাব্যস্ত হয় তথা স্ত্রী চিরতরে হারাম হয়ে যায়। (মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, হাদিস: ১০৮৩২) অবৈধ শয্যাসঙ্গিনীর মেয়েকেও বিয়ে করা হারাম যার সঙ্গে অবৈধ শারীরিক সম্পর্ক হয়েছে তার মেয়েকে বিয়ে করাও অবৈধ। কেননা ওই মেয়ের সঙ্গে এখন তার কন্যার সম্পর্ক হয়ে গেছে। (বাদায়েউস সানায়ে: ২/২৬০) তালাক গ্রহণ ছাড়া অন্যজনের সঙ্গে বিয়ে আগের স্বামীর তালাক প্রদান ছাড়া অন্য কোনো বিয়ে শরিয়তের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয়। ওই বিয়ে বাতিল বলে গণ্য হবে। তেমনি আগের স্বামীর ইদ্দত চলাকালেও বিয়ে বাতিল হবে। (তাফসিরুল জালালাইন, পৃষ্ঠা ১০৪; রদ্দুল মুহতার : ৩/৫১৯) ইহুদি-খ্রিস্টান মেয়ে বিয়ে করা বর্তমান যুগের ইহুদি-খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী বলে যারা পরিচিত, নির্ভরযোগ্য মতানুসারে তারা ইহুদি-খ্রিস্টানদের মূলনীতির অবিশ্বাসী। বর্তমানে বাস্তব আহলে কিতাব নেই বললেই চলে। এ ছাড়া বর্তমানে তাদের নারীদের বিয়ে করা অনেক ফিতনার কারণ হয়ে থাকে বিধায় তাদের বিয়ে করা বৈধ নয়। তবে এ ধরনের নারীদের সঙ্গে বিয়ে হয়ে গেলে তার ব্যাপারে খোঁজ নিতে হবে যে সে প্রকৃত অর্থে মুসা (আ.) ও ঈসা (আ.)-এর আনীত ধর্মে বিশ্বাসী কি না। তাওরাত বা ইঞ্জিলে বিশ্বাসী কি না। এবং আল্লাহকে বিশ্বাস করে কি না। যদি সত্যিই তা হয় তাহলে তাকে দাওয়াতের মাধ্যমে মুসলমান বানানোর চেষ্টা করার শর্তে ওই বিয়েকে বাতিল বলা যাবে না। আর যদি প্রমাণিত হয় যে সে নাস্তিকতায় বিশ্বাসী, তাহলে এই বিয়ে বাতিল বলে গণ্য হবে। (রদ্দুল মুহতার: ৩/৪৫; ফাতাওয়া দারুল উলুম: ৭/২৬১) হিন্দু-মুসলিম বিয়ের বিধান শরিয়তের দৃষ্টিতে মুসলিম পুরুষ কোনো হিন্দু মহিলাকে, তেমনি মুসলিম নারী হিন্দু পুরুষকে বিয়ে করতে পারে না, যতক্ষণ তারা ইসলাম গ্রহণ না করে। ইসলাম গ্রহণ ছাড়া বিয়ে অবৈধ। এ ধরনের বিয়ে শরিয়তে বিয়ে বলে গণ্য হবে না। আল্লাহ তাআলা বলেন, তোমরা মুশরিককে বিয়ে কোরো না, যতক্ষণ তারা ঈমান না আনে। (সুরা: বাকারা, আয়াত: ২২১)।...

শোকাবহ আগস্ট,শুরু হচ্ছে আওয়ামী লীগের মাসব্যাপি কর্মসূচি

০১আগস্ট,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:শোকাবহ আগস্ট। ১৯৭৫ সালের এ মাসেই বাঙালি হারিয়েছে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। ২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালিয়ে হত্যা চেষ্টা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। ভাগ্যক্রমে সেদিন তিনি বেঁচে গেলেও এই ঘটনায় প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমানের সহধর্মিণী, আওয়ামী লীগের সেই সময়ের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত এবং পাঁচ শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন। পঁচাত্তরের পনেরই আগস্ট কালরাতে ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল, শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধু সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল। পৃথিবীর এই ঘৃণ্যতম হত্যাকাণ্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর সহোদর শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, ভাগ্নে শেখ ফজলুল হক মনি, তার সহধর্মিনী আরজু মনি ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও আত্মীয়-স্বজন। সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপথগামী সদস্য সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর গোটা বিশ্বে নেমে আসে শোকের ছায়া এবং ছড়িয়ে পড়ে ঘৃণার বিষবাষ্প। প্রতিবারের মত এবারও ১৫ই আগস্টকে সামনে রেখে আগস্টের প্রথম দিন থেকেই শুরু হচ্ছে আওয়ামী লীগসহ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনগুলোর মাসব্যাপি কর্মসূচি। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনও এ মাসে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। শোকের মাসের প্রথম দিন মধ্য রাত ১২টা ১ মিনিটে প্রথম প্রহরে আলোর মিছিলের মধ্য দিয়ে মাসব্যাপী কর্মসূচি শুরু করে স্বেচ্ছাসেবক লীগ। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ জানান, মিছিলটি ধানমন্ডি ৩২নং সড়ক ধরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর অভিমুখে যাত্রা করবে। আজ সকালে কৃষকলীগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হবে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি। বিকাল ৩টায় বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এ মাসের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বঙ্গমাতা বেগম শেখ ফজিলতুন্নেসা মুজিব, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় ছেলে শেখ কামালের জন্মদিন পালন, ১৭ই আগস্ট দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলা এবং ২১শে আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা দিবস স্মরণ এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকী পালন। শোকাবহ আগষ্টে অনলাইন নিউজ পোর্টাল www.newsekattor.com ও সংবাদের কাগজ পত্রিকার পক্ষ থেকে বিনম্র শ্রদ্ধা ।...

শোকাবহ আগস্ট,শুরু হচ্ছে আওয়ামী লীগের মাসব্যাপি কর্মসূচি

০১আগস্ট,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:শোকাবহ আগস্ট। ১৯৭৫ সালের এ মাসেই বাঙালি হারিয়েছে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। ২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালিয়ে হত্যা চেষ্টা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। ভাগ্যক্রমে সেদিন তিনি বেঁচে গেলেও এই ঘটনায় প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমানের সহধর্মিণী, আওয়ামী লীগের সেই সময়ের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত এবং পাঁচ শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন। পঁচাত্তরের পনেরই আগস্ট কালরাতে ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল, শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধু সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল। পৃথিবীর এই ঘৃণ্যতম হত্যাকাণ্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর সহোদর শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, ভাগ্নে শেখ ফজলুল হক মনি, তার সহধর্মিনী আরজু মনি ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও আত্মীয়-স্বজন। সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপথগামী সদস্য সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর গোটা বিশ্বে নেমে আসে শোকের ছায়া এবং ছড়িয়ে পড়ে ঘৃণার বিষবাষ্প। প্রতিবারের মত এবারও ১৫ই আগস্টকে সামনে রেখে আগস্টের প্রথম দিন থেকেই শুরু হচ্ছে আওয়ামী লীগসহ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনগুলোর মাসব্যাপি কর্মসূচি। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনও এ মাসে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। শোকের মাসের প্রথম দিন মধ্য রাত ১২টা ১ মিনিটে প্রথম প্রহরে আলোর মিছিলের মধ্য দিয়ে মাসব্যাপী কর্মসূচি শুরু করে স্বেচ্ছাসেবক লীগ। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ জানান, মিছিলটি ধানমন্ডি ৩২নং সড়ক ধরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর অভিমুখে যাত্রা করবে। আজ সকালে কৃষকলীগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হবে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি। বিকাল ৩টায় বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এ মাসের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বঙ্গমাতা বেগম শেখ ফজিলতুন্নেসা মুজিব, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় ছেলে শেখ কামালের জন্মদিন পালন, ১৭ই আগস্ট দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলা এবং ২১শে আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা দিবস স্মরণ এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকী পালন। শোকাবহ আগষ্টে অনলাইন নিউজ পোর্টাল www.newsekattor.com ও সংবাদের কাগজ পত্রিকার পক্ষ থেকে বিনম্র শ্রদ্ধা ।...

আজ পবিত্র আশুরা

১০সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:মুসলিম বিশ্বে ত্যাগ ও শোকের একটি দিন পবিত্র আশুরা। কারবালায় হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র ইমাম হোসেনের মৃত্যুর দিনটি (১০ মহররম) বিশ্বব্যাপী মুসলমানরা শোকের আবহে পালন করে। এরই ধারাবাহিকতায় বিশ্বের অন্যান্য মুসলিম দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশেও আজ মঙ্গলবার আশুরা পালিত হবে। পবিত্র আশুরা উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এবারও রাজধানীর হোসেনি দালান ইমামবাড়া থেকে তাজিয়া মিছিল বের হবে। এতে অংশ নেবে হাজার হাজার মানুষ। তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতি সম্পন্ন। জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তাব্যবস্থা। গতকাল সোমবার ইমামবাড়ায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শত শত শিয়া মুসলিম কারবালার বিয়োগাত্মক ঘটনা স্মরণে ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালন করছে বিভিন্ন রীতি-নীতি। তাজিয়া মিছিল ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অনুষ্ঠান ঘিরে হোসেনি দালান এলাকা ও আশপাশে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। পুরো এলাকা ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকধারী অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীয় সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করছেন। এবার আশুরা উপলক্ষে হোসেনি দালানে প্রবেশের ক্ষেত্রে রয়েছে যথেষ্ট কড়াকড়ি। পুলিশের পাশাপাশি ইমামবাড়া কর্তৃপক্ষ প্রায় ২০০ স্বেচ্ছাসেবক দিয়ে নিজস্ব নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তুলেছে। ইমামবাড়া সূত্রে জানা গেছে, সকাল ১০টায় মিছিলটি হোসেনি দালান থেকে বের হয়ে বকশী বাজার লেন, কলপাড়, উমেশ দত্ত রোড, উর্দু রোড ঢাল, লালবাগ চৌরাস্তা, এতিমখানা রোড, আজিমপুর মেটারনিটি, নীলক্ষেত মোড়, সিটি কলেজ, ধানমণ্ডি-২, রাইফেলস স্কয়ার হয়ে ‘অস্থায়ী কারবালায়’ (বিজিবি সদর দপ্তরের গেটের উল্টো দিকে) মিছিলটি শেষ হবে। এ ছাড়া ১ মহররম থেকে প্রতিদিনই ভিন্ন ভিন্ন অনুষ্ঠান, তাজিয়া মিছিল, শোকসভা, শোক মজলিস, মর্সিয়া মাতম ও ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে অতিবাহিত করছে শিয়া মতাবলম্বীরা। এবার তাজিয়া মিছিলে দা, ছোরা, কাঁচি, বর্শা, বল্লম, তরবারি, লাঠি ইত্যাদি বহন এবং আতশবাজি ও পটকা ফোটানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। ইমামবাড়ার স্বেচ্ছাসেবক মাহফুজ আলী বলেন, ‘আমি ছোটবেলা থেকে তাজিয়া মিছিলে অংশগ্রহণ করে আসছি। এবার মহরম উপলক্ষে অফিস থেকে পাঁচ দিনের ছুটি নিয়ে এসেছি। এটা আমাদের কাছে আলাদা গুরুত্ব বহন করে।’ ইমামবাড়ার মহররমকেন্দ্রিক নানা আয়োজন দেখতে আসা নাজমা বেগম বলেন, ‘আমি ছোটবেলা থেকে মায়ের সঙ্গে এখানে আসতাম। এখনো নিয়মিত আসি।’ মিরপুর থেকে ঘুরতে আসা খোরশেদ আলম বলেন, ‘আমি প্রতিবছর আশুরার সময় এখানে আসি। এবারও এসেছি। এখানে এলে আলাদা কিছু অনুভব করি।’ স্কুলপড়ুয়া কয়েকজন শিক্ষার্থী বলে, ‘আমরা বন্ধুরা মিলে ১ মহরম থেকে প্রতিদিন আসি। আগামীকাল (মঙ্গলবার) আবার আসব।’ হোসেনি দালান ইমামবাড়ার প্রশাসনিক কর্মকর্তা মির্জা মো. নকি বলেন, ‘আবহাওয়া প্রতিকূলে থাকলেও সকাল ১০টায় তাজিয়া মিছিল বের হবে। চার শ বছরের ঐতিহ্য আমাদের এই মিছিল। প্রতিবছরের মতো এবারও তাজিয়া মিছিলে প্রায় ৩০-৪০ হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করবে বলে আশা করছি।’ আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ে জানতে চাইলে চকবাজার মডেল থানার ওসি সোহরাব হোসেন বলেন, ‘বরাবরের মতো এবারও আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে। আমরা পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। এখানে কোনো অঘটন ঘটার সম্ভাবনা নেই।


শোকাবহ আগস্ট,শুরু হচ্ছে আওয়ামী লীগের মাসব্যাপি কর্মসূচি

০১আগস্ট,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:শোকাবহ আগস্ট। ১৯৭৫ সালের এ মাসেই বাঙালি হারিয়েছে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। ২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালিয়ে হত্যা চেষ্টা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। ভাগ্যক্রমে সেদিন তিনি বেঁচে গেলেও এই ঘটনায় প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমানের সহধর্মিণী, আওয়ামী লীগের সেই সময়ের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত এবং পাঁচ শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন। পঁচাত্তরের পনেরই আগস্ট কালরাতে ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল, শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধু সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল। পৃথিবীর এই ঘৃণ্যতম হত্যাকাণ্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর সহোদর শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, ভাগ্নে শেখ ফজলুল হক মনি, তার সহধর্মিনী আরজু মনি ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও আত্মীয়-স্বজন। সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপথগামী সদস্য সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর গোটা বিশ্বে নেমে আসে শোকের ছায়া এবং ছড়িয়ে পড়ে ঘৃণার বিষবাষ্প। প্রতিবারের মত এবারও ১৫ই আগস্টকে সামনে রেখে আগস্টের প্রথম দিন থেকেই শুরু হচ্ছে আওয়ামী লীগসহ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনগুলোর মাসব্যাপি কর্মসূচি। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনও এ মাসে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। শোকের মাসের প্রথম দিন মধ্য রাত ১২টা ১ মিনিটে প্রথম প্রহরে আলোর মিছিলের মধ্য দিয়ে মাসব্যাপী কর্মসূচি শুরু করে স্বেচ্ছাসেবক লীগ। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ জানান, মিছিলটি ধানমন্ডি ৩২নং সড়ক ধরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর অভিমুখে যাত্রা করবে। আজ সকালে কৃষকলীগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হবে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি। বিকাল ৩টায় বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এ মাসের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বঙ্গমাতা বেগম শেখ ফজিলতুন্নেসা মুজিব, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় ছেলে শেখ কামালের জন্মদিন পালন, ১৭ই আগস্ট দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলা এবং ২১শে আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা দিবস স্মরণ এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকী পালন। শোকাবহ আগষ্টে অনলাইন নিউজ পোর্টাল www.newsekattor.com ও সংবাদের কাগজ পত্রিকার পক্ষ থেকে বিনম্র শ্রদ্ধা ।

আগস্টের সব অঘটনের মূলে রয়েছে অভিন্ন ভাবাদর্শগত অদৃশ্য সুতার টান

২১আগস্ট,বুধবার,নিউজ একাত্তর ডট কম:এই উপমহাদেশে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র ও হত্যাকান্ড নতুন কোনো ঘটনা নয়। আমরা যদি মধ্যযুগের রাজনৈতিক ইতিহাসের দিকে তাকাই, তা হলে দেখতে পাবো প্রাসাদ ষড়যন্ত্র ক্ষমতা দখল, হত্যা, লুট, পরদেশ আক্রমণ ও জয় কিংবা পরাজয়- এসব ইতিহাসের পাতায় পাতায় রয়েছে। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসও সুখকর নয়।১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতে সংঘটিত হয়েছিল ইতিহাসের এক কলঙ্কিত বর্বরোচিত অধ্যায়। আমরা হারিয়েছি বাঙালির সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তান, বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসের মহাকাব্যিক বীর নায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। হারিয়েছি তার দুই কন্যা ব্যতিরেকে পুরো পরিবারকে। যা বিশ্ব ইতিহাসে বিরল। ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট খুনিচক্র কেবল ব্যক্তি মুজিবকেই হত্যা করেনি, তারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ তথা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ভিত্তির ওপর আঘাত হানে। বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রগতিকে পিছিয়ে নিয়ে যায়। রাষ্ট্রের ওপর জনগণের মালিকানা বেদখল করে এবং সংবিধানের কর্তৃত্ব ধ্বংস করে। দেশব্যাপী হত্যা, সন্ত্রাস, জোর-জবরদস্তি চলে। পরে মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার খালেদ মোশাররফ ও কর্নেল তাহেরের হত্যাকান্ড, বিচার প্রহসনের নামে সশস্ত্র বাহিনীর শত শত মুক্তিযোদ্ধা অফিসার ও জোয়ানকে হত্যা এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিবেচনায় আওয়ামী লীগের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা, গ্রেপ্তার, নির্যাতন ইত্যাদি এর নজির হয়ে ওঠে রাষ্ট্র পরিচালনার প্রধান নীতি।এমনকি বঙ্গবন্ধুর খুনিরাও প্রকাশ্যে পার্টির নামে সংগঠন গড়ে তুলে রাজনীতির অঙ্গ সক্রিয় হতে চেষ্টা করে। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর প্রধানত সামরিক শাসনের ছায়াতলে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের স্লোগানের আড়ালে চরম দক্ষিণপন্থিসহ প্রতিক্রিয়াশীল সাম্প্রদায়িক শক্তিগুলো সংগঠিত শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। বিএনপি-জামায়াত জোটের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে গড়ে তোলা হয় শক্ত প্রতিরোধ। অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক শক্তিগুলো শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হতে শুরু করে। একদিকে ধর্মীয় পরিচয়ের ওপর জোর দিয়ে, এমনকি একপর্যায়ে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষণা করে তারা যেমন নিজেদের প্রভাব দৃঢ়মূল করতে চেয়েছে তেমনি একই ধারায় অন্ধ ভারত বিরোধিতাকে পুঁজি করে নিজেদের রাজনীতি পরিচালনা করতে চেয়েছে সব সময়। বাংলাদেশের রাজনীতি বহুল পরিমাণে উথাল-পাতাল অবস্থার মধ্যদিয়ে কালাতিপাত করেছে। মুক্তিযুদ্ধের ধারায় বাংলাদেশে ফিরে আসাকে অন্যান্য সাম্প্রদায়িক শক্তি মেনে নিতে পারেনি। নানা পোশাকে, নানা নামে একুশ বছর তো তারাই একচেটিয়াভাবে দেশ শাসন করেছে।পাকিস্তানি ভাবধারার অনুসারীরা প্রথম অনুভব করে বাংলাদেশ আবার তাদের হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। আর এজন্যই যুদ্ধাপরাধী জামায়াতে ইসলামীসহ সব প্রতিক্রিয়াশীল সাম্প্রদায়িক শক্তি ঐক্যবদ্ধ হয়। দেশি ও বিদেশি প্রতিক্রিয়াশীল শক্তির সম্মিলিত ষড়যন্ত্রের ফলে ২০০১ সালের কারচুপির নির্বাচনে এ অপশক্তি আবার রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়। শুরু হয় দেশব্যাপী দমন-পীড়ন, সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার। নানা জায়গায় বোমা ও গ্রেনেড হামলা। বিচারালয়ও এর থেকে রেহাই পায়নি। ক্ষমতার পালাবদলের পর শুরু হয় অভাবিত রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস তার বীভৎস রূপ নিয়ে আত্মপ্রকাশ করে। বাংলাদেশ পরিণত হয় মৃত্যু উপত্যকায়। ১৯৯৯ সালের মার্চ থেকে ২০০৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত এই ৬ বছরে জঙ্গিগোষ্ঠী দেশে ১৩টি বোমা ও গ্রেনেড হামলা চালায়। এতে ১০৬ জন নিহত হন। আহত হন ৭ শোর বেশি মানুষ। আওয়ামী লীগ ও সিপিবির সমাবেশে, উদীচী ও ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে, ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও ব্রিটিশ হাইকমিশনারের ওপর এ হামলা হয়। বিচারপতি হত্যা সহ কত নৃশংস ঘটনাই না ঘটে।এর মধ্যে ঘটে মর্মান্তিক ও ভয়াবহ ঘটনা। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনাকে লক্ষ্য করে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাদের হত্যার সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র হিসেবে যে এ হামলা চালানো হয় তা দিবালোকের মতো স্পষ্ট। কিন্তু গ্রেনেড হামলায় অলৌকিকভাবে প্রাণে রক্ষা পান বঙ্গবন্ধুকন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দলের নেতাকর্মীরা মানবঢাল রচনা করে গ্রেনেড হামলা থেকে বঙ্গবন্ধুকন্যাকে যেভাবে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করেছেন তা ইতিহাসে বিরল। গ্রেনেড হামলায় দলের সিনিয়র নেত্রী সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের সহধর্মিণী আইভী রহমানসহ ২৪ জন প্রাণ হারান এবং আহত হন শতাধিক। ২০০৪ সালে ওই ন্যক্কারজনক গ্রেনেড হামলার সময় সরকারে ছিল বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে বৃষ্টির মতো গ্রেনেড নিক্ষেপ করে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের পুরো কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে একবারে নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা করা হয়। প্রধান লক্ষ্য ছিল আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করা। আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করতে শেখ হাসিনাকে চার দফা হত্যার চেষ্টা করে হুজি-বি। সর্বশেষ ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ছিল সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ও রক্তক্ষয়ী। উল্লেখ্য, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ বর্বরোচিত ওই মামলার রায়ে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদন্ড, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন এবং বাকি ১১ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছেন। মামলার ৫২ আসামির মধ্যে অন্য মামলায় তিনজনের ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় তাদের মামলা থেকে বাদ রাখা হয়। দন্ডপ্রাপ্ত আসামীদের মধ্যে তারেক রহমান ও হারিছ চৌধুরীসহ ১৮ জন পলাতক রয়েছে। পলাতক আসামীদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সম্প্রতি মানববন্ধনও হয়েছে। ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণার মধ্য দিয়ে দেশবাসীর অপেক্ষার অবসান ঘটলেও, এখনো মামলার রায় কার্যকর হয়নি। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সর্বোচ্চ মহলের সবচেয়ে শক্তিধর অংশ যে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত এতে আর বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। সরকার বা রাষ্ট্রের মদদ ছাড়া এবং দেশ বা বিদেশের কোনো না কোনো সামরিক উৎস ছাড়া এত বিপুলসংখ্যক আরজিএস গ্রেনেড অসামরিক জনসমাবেশে নিক্ষিপ্ত হতে পারে না। সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের ইন্ধনে জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী বাংলাদেশ (হুজি-বি) ওই নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায়। আর ওই গ্রেনেড হামলার পর 'জজ মিয়া' নাটক সাজিয়ে ঘটনাটিকে ভিন্ন দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর দুই দফা তদন্তে বেরিয়ে আসে ঘটনার নেপথ্যের নীলনকশা। ইতিহাসের বর্বরোচিত ওই গ্রেনেড হামলায় নিহতদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন- প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভী রহমান, সাবেক মেয়র মোহাম্মদ হানিফ, তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মী ল্যান্স করপোরাল (অব.) মাহবুবুর রশীদ, আবুল কালাম আজাদ, আওয়ামী লীগ কর্মী রেজিনা বেগম, নাসির উদ্দিন সরদার, আতিক সরকার, আবদুল কুদ্দুস পাটোয়ারী, আমিনুল ইসলাম, মোয়াজ্জেম, বেলাল হোসেন, মামুন মৃধা, রতন শিকদার, লিটন মুনশী, হাসিনা মমতাজ রিনা, সুফিয়া বেগম, রফিকুল ইসলাম, মোশতাক আহমেদ সেন্টু, আবুল কাশেম, জাহেদ আলী, মোমেন আলী, এম শামসুদ্দিন এবং ইসাহাক মিয়া। এছাড়াও ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট জঙ্গিবাদী সন্ত্রাসীরা বাংলাদেশের ৬৩টি জেলায় একযোগে বোমা হামলা চালিয়ে যে নজির স্থাপন করেছে তাও ভয়াবহ। আগস্টের সব অঘটনের মূলে রয়েছে অভিন্ন ভাবাদর্শগত অদৃশ্য সুতার টান। আগস্ট আমাদের মাঝ থেকে কেড়ে নিয়েছে বাঙালির সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তান বঙ্গবন্ধু (১৫ আগস্ট, ১৯৭৫) এবং এই আগস্ট মাসেই সাম্প্রদায়িকতার ছুরি দিয়ে দেশ ভাগ করে হিন্দু-মুসলমানের রক্তগঙ্গা বইয়ে দিয়ে তথাকথিত স্বাধীনতার নামে আমাদের নতুন করে পাকিন্তানের পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ করা হয়েছিল।২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় এসে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার নতুনভাবে তদন্ত শুরু করে। বেরিয়ে আসে অনেক অজানা তথ্য। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর এক বছরের মধ্যে হুজিবির প্রায় সব শীর্ষস্থানীয় নেতা ও গুরুত্বপূর্ণ জঙ্গি গ্রেপ্তার হন। শীর্ষ নেতা মুফতি হান্নানসহ তিন জনের ফাঁসি কার্যকর হয়। আশার কথা দীর্ঘদিন এই জঙ্গিগোষ্ঠীর বড় ধরনের কোনো তৎপরতা চোখে পড়ছে না। এটা শেখ হাসিনা সরকারের সফলতা। কারণ জঙ্গি নির্মূলে তার রয়েছে জিরো টলারেন্স নীতি।তবে ২০১৬ সালের পহেলা জুলাই গুলশানের হোলি আর্টিজান বেকারিতে হামলার মধ্যদিয়ে নতুন করে ভয়ঙ্কর রূপ দেখা দেয় জঙ্গিরা। সম্প্রতি ঢাকার কয়েকটি পুলিশবক্সের কাছে শক্তিশালী বোমা পেতে রাখা এবং পুলিশের একটি গাড়িতে সময়নিয়ন্ত্রিত বোমা ফাটিয়ে আইএস মতাদর্শী জঙ্গিরা নতুন করে আলোচনায় এলেও সরকার এ ব্যাপারে যথেষ্ট সজাগ রয়েছে। সম্প্রতি হাতিরঝিল এলাকা থেকে নতুন জঙ্গি সংগঠন আল্লাহর দলের ভারপ্রাপ্ত আমির সহ চার জঙ্গি গ্রেফতার হয়েছে। এর দ্বারা এটাই প্রমাণিত ও প্রতিষ্ঠিত হয়, দেশে জঙ্গি হামলার ঝুঁকি এখনো শেষ হয়ে যায় নি। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্র পরিচালনা করতে গিয়ে বাংলাদেশকে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী পাকিস্তানপন্থিদের দখলমুক্ত করেন এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় অসাম্প্রদায়িক ধ্যান-ধারণা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেন, কঠোর হস্তে নির্মূল করেন জঙ্গিদের। টানা প্রায় ১১ বছর শেখ হাসিনা রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকার কারণে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধি অর্জন করেছে, এগিয়ে যাচ্ছে গণতন্ত্রের পূর্ণতার পথে। বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ, তার স্বপ্নকে পূর্ণ বাস্তবায়ন করতে হবে। তবে বাংলাদেশ এখন আর তলাবিহীন ঝুড়ি নয়। বাংলাদেশকে বলা হয় উন্নয়নের রোল মডেল। আমরা আশাবাদী। আমাদের এই অর্জনকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। লেখকঃ মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী, সাংবাদিক,প্রাবন্ধিক,কলামিষ্ট ও সম্পাদক নিউজ একাত্তর ডট কম।

আজকের মোট পাঠক

32589

নিউজ একাত্তর ডট কম

সম্পাদক : মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী

নির্বাহী সম্পাদক : আহাম্মদ হোসেন ভুইয়া

একটি পপুলার মিডিয়া পাবলিকেশন এর প্রকাশনা | রেজি নং: চ-১২৪২৭/১৭

সম্পাদকীয় ও বানিজ্যিক কার্যালয় : ৪১৬/সি,খিলগাও ঢাকা ০২৪৩১৫০৪৮৮, ০১৮২৪২৪৫৫০৪, ০১৭৭৮৮৮৮৪৭২

চট্টগ্রাম কার্যালয় : ১৯/২০/২১ বি ৩য় তলা, হানিমুন টাওয়ার,পাহাড়তলী,চট্টগ্রাম।

ই-মেইল : newsekattor@gmail.com, editorekattor@gmail.com, কপিরাইট ©newsekattor.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত