জম্মু-কাশ্মীরে বিজেপি নেতাসহ ৩ জনকে গুলি করে হত্যা

০৯,জুলাই,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জম্মু-কাশ্মীরের কথিত জঙ্গিদের গুলিতে বিজেপি নেতাসহ একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছেন। বুধবার (৮ জুলাই) দিবাগত রাতে বান্দিপোরা জেলার বিজেপি সভাপতি শেখ ওয়াসিম, তার বাবা এবং ভাইকে গুলি করে হত্যা করা হয়। খবর এনডিটিভির। স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, রাত ৯টা নাগাদ স্থানীয় থানার কাছে একটি দোকানের বাইরে ওই বিজেপি নেতা ও তার পরিবারের উপর হামলা চালানো হয়। জঙ্গিদের গুলিতে ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন তারা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে দ্রুত বান্দিপোরা জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। বুধবার গভীর রাতেই টেলিফোনে ওই সন্ত্রাসের বিষয়ে বিস্তারিত খবর নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং মৃতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ব্যক্ত করেন বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। প্রতিবেদনে বলা হয়, জঙ্গিরা বান্দিপোরায় বিজেপি কর্মী ওয়াসিম বারির উপর গুলি চালায়। নির্বিচারে গুলি চালানোর সময় ওয়াসিম বারির পাশাপাশি সেই গুলি গিয়ে লাগে তার বাবা বশির আহমদ ও ভাই উমর বশিরের গায়েও। গুরুতর আহতাবস্থায় তাদের হাসপাতালে নেয়া হলে তিনজনই সেখানে মারা যান। তবে নিরাপত্তাজনিত গাফিলতির সুযোগ নিয়ে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে মনে করছে পুলিশ। কারণ বিজেপি নেতার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ৮ জন নিরাপত্তাকর্মীই সে সময় অনুপস্থিত ছিলেন। সূত্রের খবর, কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে তাদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই জঙ্গি হামলায় শোরগোল পড়েছে বিজেপির অভ্যন্তরেও। নিহত নেতার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে টুইট করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টির পক্ষ থেকেও টুইট করে বিজেপি নেতা ওয়াসিমের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা হয়েছে এবং এই ঘটনার জন্য জম্মু ও কাশ্মীর প্রশাসনের ব্যর্থতাকে দায়ী করা হচ্ছে। ...

চীনে বাস উল্টে নিহত ২১

০৮,জুলাই,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের গুইঝো প্রদেশে শিক্ষার্থী বহনকারী একটি বাস হ্রদে উল্টে কমপক্ষে ২১ জন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আর অন্তত ১৫ জন। মঙ্গলবার গুইঝো প্রদেশের আনশুন শহরের কাছে হংশ্যান হ্রদে এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কলেজে ভর্তি পরীক্ষা দিতে যাওয়া শিক্ষার্থীদের বহনকারী একটি বাস গুইঝো প্রদেশের আনশুন শহরের কাছে হংশ্যান হ্রদে উল্টে যায়। বাসটি রাস্তার পাশের রেলিংয়ের সঙ্গে ধাক্কা খাওয়ার পর এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ওই শিক্ষার্থীরা হতাহত হন বলে স্থানীয় জরুরি ব্যবস্থাপনা বিভাগের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। দুর্ঘটনায় আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি বলছে, শিক্ষার্থী ছাড়াও বাসটি অন্যান্য যাত্রী ছিলেন।এই দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত করা হচ্ছে। এদিকে এমন দুর্ঘটনায় চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের শোক প্রকাশ করতে দেখা গেছে। চীনের জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম উইবোর এক ব্যবহারকারী লেখেন, আশা করছি মৃত্যু আর বাড়বে না। ২০২০ সাল সত্যিই একটি দুর্যোগের বছর। গুইঝো প্রদেশের জরুরি ব্যবস্থাপনার বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কমপক্ষে ২০০ জন বাসটি উদ্ধারে কাজ করছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উদ্ধার কাজ চলছে।...

৫৫০ কর্মী ছাঁটাই করবে ব্রিটিশ পত্রিকা- মোগল মিরর গ্রুপ

০৮,জুলাই,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা পরিস্থিতিতে বিক্রি কমে যাওয়া ও বিজ্ঞাপনে ভাটা পড়ায় ১২ শতাংশ কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডেইলি মিরর, ডেইলি এক্সপ্রেসসহ যুক্তরাজ্যভিত্তিক ৪০টি পত্রিকার মালিক, মিডিয়া গ্রুপ রিচ (ট্রিনিটি মিরর)। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। রিচ জানায়, করোনা পরিস্থিতিতে প্রতিষ্ঠানের আয় কমে যাওয়ায় তারা নিজেদের ৫৫০ কর্মীকে ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিবিসি জানায়, করোনার আগে থেকেই রিচের পত্রিকা বিক্রি কমে আসছিল। করোনায় সেটি আরও অনেক পড়তির দিকে চলে গেছে। সার্বিক পরিস্থিতিতে জুন মাসে তাদের আয় কমেছে ৩০ শতাংশ। রিচের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জিম মুলেন কর্মী ছাঁটাইয়ের পেছনে পত্রিকা বিক্রিতে ভাটা পড়া ও বিজ্ঞাপনের আয় কমে যাওয়াকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, সার্বিক এই বাস্তবতা ও আগামীতে গ্রাহক সেবার মানে কৌশলগত পরিবর্তনের অংশ হিসেবে আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক কিছু বদল ঘটাতে হবে। এ জন্য দরকারি পদক্ষেপ নিতে আমরা তৈরি। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এই রুপান্তরের জন্য আমাদের ১২ শতাংশ কর্মীকে ছাঁটাই করতে হবে। এ সহকর্মীদের যাতে আমরা সম্মানের সঙ্গে বিদায় জানাতে পারি অবশ্যই তা নিশ্চিত করা হবে। ...

সোলাইমানিকে হত্যা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন: জাতিসংঘ

০৭জুলাই,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইরানের শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলাইমানির হত্যাকাণ্ডকে আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ ঘোষণার লঙ্ঘন বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদক অ্যাগনেস ক্যালামার্ড। জেনারেল সোলাইমানি মার্কিন স্বার্থে আঘাত হানতে চেয়েছিলেন বলে তাকে হত্যা করার যে অজুহাত ওয়াশিংটন দাঁড় করিয়েছিল তার প্রমাণ করা যায়নি বলে ক্যালামার্ড তার তদন্ত প্রতিবেদনে বলেছেন। জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদে বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই) ক্যালামার্ডের প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হবে। এতে তিনি বলেছেন, সোলাইমানি আমেরিকার স্বার্থে আঘাত করতে চেয়েছিলেন, ওয়াশিংটন প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। ক্যালামার্ডের প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি প্রকাশ করে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেজর জেনারেল সোলায়মানি ইরাক ও সিরিয়ায় ইরানের সামরিক কৌশল ও পদক্ষেপের নীতি-নির্ধারণী ভূমিকা পালন করতেন। কিন্তু মার্কিন দাবির বিপরীতে তিনি (মানুষের) জীবনের জন্য অত্যাসন্ন কোনো হুমকি ছিলেন না। কাজেই যুক্তরাষ্ট্র তাকে হত্যা করে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদক অ্যাগনেস ক্যালামার্ডের প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, আত্মরক্ষার অজুহাতে তৃতীয় কোনো দেশে আরেকটি দেশের সেনা কমান্ডারের ওপর এই প্রথম এ ধরনের পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, অথচ জাতিসংঘ ঘোষণার ঘোরতর লঙ্ঘন সত্ত্বেও জেনারেল সোলাইমানি এবং তার সঙ্গে থাকা একজন পদস্থ ইরাকি সেনা কমান্ডারকে হত্যার দায়ে কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা যুক্তরাষ্ট্রকে শাস্তি দেয়ার পদক্ষেপ নেয়নি। প্রতিবেদনে বিশ্বের সরকারগুলোর পক্ষ থেকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড চালানোর জন্য সামরিক ড্রোন ব্যবহারের তীব্র নিন্দা জানিয়ে ড্রোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আইন তৈরি ও তা কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়। গত ৩ জানুয়ারি ইরাকের রাজধানী বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করার সময় কাসেম সোলাইমানিকে বহনকারী গাড়ির বহরে ড্রোন হামলা চালায় ইরাকে মোতায়েন মার্কিন সেনাবাহিনী। হামলায় জেনারেল সোলাইমানি ও ইরাকের জনপ্রিয় গণবাহিনী ‘হাশদ আশ-শাবি’র উপপ্রধান মাহদি আল মুহান্দিসসহ নয়জনের মৃত্যু হয়।...

চসিককে ৩৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকা দিলো বন্দর

০৮,জুলাই,বুধবার,শারমিন আকতার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ হোল্ডিং ট্যাক্স বাবদ ৩৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকার চেক দিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক)। বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পৌরকর বাবদ চেকটি বুঝে নিয়ে বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে ৪টায় টাইগারপাসের চসিক কার্যালয়ে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের হাতে তুলে দেন প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মুফিদুল আলম ও রাজস্ব সার্কেল-৮ এর কর কর্মকর্তা মো. সারেক উল্লাহ। এ সময় প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামসুদ্দোহা, মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। বন্দর সচিব মো. ওমর ফারুক নিউজ একাত্তর কে বলেন, প্রতিবছর চসিককে হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধ করে আসছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। অনেক সময় অগ্রীমও আদায় করা হয়। এবার ৩৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকার চেক দেওয়া হয়েছে। ...

মাদারীপুরে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি গঠন

০৯,জুলাই,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মাদারীপুর জেলায় সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা হয়েছে। দৈনিক মাদারীপুর সংবাদ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক ইয়াকুব খান শিশির কে সভাপতি হিসেবে ও বাংলাভিশন টিভির মাদারীপুর প্রতিনিধি ফরিদ উদ্দিন মুফতিকে সাধারন সম্পাদক মনোনিত করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। বুধবার( ৮ জুলাই)সন্ধ্যায় এ কমিটি করা হয়েছে। বিএমএসএফর কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক আহম্মেদ আবু জাফর এর সভাপতিত্বে সভা সম্পন্ন হয়। মাদারীপুর জেলায় সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসাবে মিজানুর রজমান, সহ-সভাপতি আয়শা আকাশী, সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুনকে সমর্থন দেওয়া হয়। অন্যদিকে সিনিয়র যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক হিসাবে মোঃ মনজুর হোসেন ও যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মেহেদী হাসান সোহাগ কে প্রস্তাব করা হয়। সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে গাউছ-উর রহমান কে এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে ই এইচ ইমন ,কোষাধ্যক্ষ ম,ম হারুন অর রশীদ ,শিক্ষা সম্পাদক বিনয় জোয়ারদার,সহ-শিক্ষা সম্পাদক মতিন খন্দকার,সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক বি এম হানিফ, ,আইটি বিষয়ক সম্পাদক আরিফুর রহমান, ক্রিড়া বিষয়ক সম্পাদক জাহিদ হাসান,ইমতিয়াজ আহম্মেদ তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক, ,দপ্তর সম্পাদক মাসুদুর রহমান, সহ-দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রাজা, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক সাবরীন জেরীন,সহ-প্রচার সম্পাদক এহসান আজগর ও কার্যকারী সদস্য অজয় কুন্ড , আকাশ আহম্মেদ সোহেল,সজীব ফরাজী, রিফাত ইসলাম,আশরাফুর রহমান, টুটুল বিশ্বাস,সাধারন সদস্য শাহাদাত হোসেন জুয়েল,রাজু আহম্মেদ,রতন দে, ইব্রাহিম,আমান উল্লাহ আমান কে মনোনিত করা হয়েছে। সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সমন্বয়কারী আহমেদ আবু জাফর বলেন, এই কমিটি মাদারীপুরে সাংবাদিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে স্বোচ্চার ও বলিষ্ট ভুমিকা রাখবে।...

দৈনিক ভোরের পাতা ভালুকা অফিসে চুরি,জড়িতদের গ্রেফতারের দাবী সর্বত্র

০৮,জুলাই,বুধবার,কামরুজ্জামান মিন্টু, ময়মনসিংহ,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক সংলগ্ন ভালুকার আমতলী মোড়ে দৈনিক ভোরের পাতা পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধির বাক্তিগত অফিস ছিল। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে একটি মোবাইল, ১০টি মেমোরী কার্ড, একটি পেনড্রাইভ, নগদ ২০ হাজার টাকা ও পত্রিকার পরিচয়পত্র চুরি করে নিয়েছে দুষ্কৃতিকারীরা। দৈনিক ভোরের পাতার ভালুকা প্রতিনিধি তোফাজ্জল হোসেন জানান, সংবাদ সংগ্রহের কাজ শেষে মঙ্গলবার রাতে ব্যক্তিগত অফিস বন্ধ করে বাসায় চলে যাই। ওই রাতে চুরেরা অফিসের সাটারের তালা ভেঙ্গে থাই গ্লাস খুলে ভিতরে প্রবেশ করে। এ ঘটনায় ভালুকা মডেল থানা পুলিশকে অবহিত করলে পুলিশ সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। অাজকের বিজনেস বাংলাদেশ পত্রিকার ভালুকা প্রতিনিধি মামুন সরকার জানান, সাংবাদিক তোফাজ্জল হোসেন সবসময় বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে। সকলে তাকে ভালো মানুষ হিসেবে জানে।এমন ঘটনা অপ্রত্যাশিত। দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের সাংবাদিক অাসাদুজ্জামান সুমন এ ঘটনায় ত্রিব্য ক্ষোব প্রকাশ করেছেন। অনতিবিলম্বে ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্টদের দ্রুত অাইনের অাওতায় নিয়ে অাসার জোর দাবী জানান তিনি। এসএ টিভির ময়মনসিংহ প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটির সহ সাধারণ সম্পাদক অাওলাদ হোসেন রুবেল জানান, সাংবাদিক তোফাজ্জল হোসেন দীর্ঘদিন যাবত অামাদের সহকর্মী হিসেবে সুনামের সাথে সাংবাদিকতা করে অাসছেন। অামাদের জানা মতে তার কোন শত্রু নেই। এটি অত্যান্ত দুঃখজনক ঘটনা। পুলিশ দ্রুত ঘটনার সাথে জড়িতদের অাইনের অাওতায় নিয়ে অাসার দাবী জানান। ভালুকা মডেল থানার এস.অাই রুহুল আমিন জানান, সাংবাদিকের অফিসে রাতে এই ঘটনা ঘটেছিল। খবর পেয়ে অামরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। অাইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ বিষয়ে ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন জানান, সাংবাদিক অফিসে চুরির ঘটনায় তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।...

সরাইলে দু দফা সংঘর্ষে ৩ পুলিশসহ আহত শতাধিক, আটক ১২

০৮,জুলাই,বুধবার,মো.মির জামান উদ্দিন,ব্রাহ্মণবাড়িয়া,নিউজ একাত্তর ডট কম: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মঙ্গলবার রাতের পর আজ বুধবার সকালেও দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। মঙ্গলবার রাতের ঘটনায় পুলিশসহ অর্ধশতাধিক আহত হয়। আজ বুধবার সকালে এক বৃদ্ধা মারা গেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। তবে কেউ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার নোঁয়াগাও ইউনিয়নের কাটানিশার গ্রামের বজলু গোষ্ঠী ও ওলি গোষ্ঠীর লোকজনের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। স্থানীরা জানায়, গতরাত সাড়ে ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মিজান মিয়া মেম্বার এবং অলি মেম্বারের লোকজনের সংঘর্ষ হয়েছিল। বুধবার সকাল ১০টার সময় দ্বিতীয় দফায় মিজান মিয়া মেম্বারের এক ভাই আবদুল আমিন দুলালের সঙ্গে অলি মেম্বারের লোকজনের কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে অলি মেম্বারের লোকজন দেশীয় অস্ত্রসজ্জিত হয়ে মিজান মিয়া মেম্বারের লোকজনের অতর্কিত হামলায় সংঘর্ষ বাধে। এর আগে, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ২০ রাউন্ড রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। সংঘর্ষে ৩ পুলিশসহ উভয়পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হয়। এসময় বেশ কয়েকটি ঘরবাড়িতে হামলা ও ভাংচুর করা হয়। আহতরা সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল ও আশপাশের হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়। বুধবার সকালে ফের উভয় পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়ায়। নোয়াগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত আসনের সদস্য আকলিমা বেগম বুধবার বেলা ১১টার দিকে জানান, পূর্ব বিরোধের জের ধরেই দ্বিতীয় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে একজন মারা গেছেন বলে জানতে পেরেছি। তবে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। নোয়াগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজল চৌধুরী জানান, মঙ্গলবার রাতের পর বুধবার সকালেও দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। এতে আবুল কাশেমের বৃদ্ধ স্ত্রী মারা গেছেন বলে জানতে পেরেছি। ওই নারী মারা যাওয়ার খবরে সংঘর্ষ থেমে যায়। সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আল মামুন-মোহাম্মদ নাজমুল আহমেদ জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১২ জনকে আটক করা হয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। ...

বান্দরবানে দু-পক্ষের বন্দুকযুদ্ধে ৬ জন নিহত

০৭জুলাই,মঙ্গলবার,দিপেন চাকমা,বান্দরবান,নিউজ একাত্তর ডট কম: বান্দরবানের রাজবিলার বাঘমারা এলাকায় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) দু-গ্রুপের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে জেএসএস সংস্কারের ছয় জন নিহত হয়েছেন। এসময় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন আর অন্তত তিন জন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ভোরে এ বন্দুকযুদ্ধ হয়। আহতদের বান্দরবান সদর হাসপাতালে আনা হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোর রাতে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) মূল ও সংস্কার গ্রুপের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ হয়। এ ঘটনায় ঘটনাস্থলেই জেএসএস সংস্কার গ্রুপের ছয় জন নিহত হয়েছে। এসময় গুলিবিদ্ধ হয়েছে আরও তিন জন। নিহতরা হলেন- রতন তংচঙ্গ্যা, প্রজিত চাকমা, ডেবিড, মিলন চাকমা, জয় ত্রিপুরা ও দিপেন ত্রিপুরা। আহতরা হলেন- বিদ্যুৎ ত্রিপুরা, নিরু চাকমা অপরজনের নাম জানা যায়নি। বান্দরবানের পুলিশ সুপার জেরিন আখতার জানান, দুই পক্ষের বন্দুকযুদ্ধে ছয় জন ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছে এবং গুলিবিদ্ধ হয়েছে আরও তিন জন। ঘটনা তদন্তে পুলিশের একটি টিম কাজ শুরু করেছে বলে জানান তিনি। ...

শত শত বিজ্ঞাপন হারালেও ফেসবুকের শেয়ার মূল্য রেকর্ড বৃদ্ধি

০৮,জুলাই,বুধবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঘৃণাপূর্ণ উক্তির জন্যে ফেসবুককে বহুজাতিক কোম্পানি কোকাকোলা, স্টারবাকসহ সাড়ে ৬শ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান বিজ্ঞাপন দেয়া থেকে সরিয়ে নিলেও শেয়ারবাজারে এর শেয়ারপত্রের মূল্য মঙ্গলবার ২৪৭.৬৫ ডলার ওঠে। দিন শেষে তা ২৪০.৮৬ ডলারে নামে। ফেসবুকের সিওও সেরিল স্যান্ডবার্গ একই দিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটিকে ঘৃণাপূর্ণ উক্তি বাদ দিতে আরো তৎপর হতে হবে এমন মন্তব্যের পর শেয়ারমূল্য বৃদ্ধি পায়। ভার্চুয়ালি স্যান্ডবার্গ বিষয়টি নিয়ে মার্ক জাকারবার্গের সঙ্গে কথা বলেন। ফেসবুকের বিরুদ্ধে ইদানিং কিছু বক্তব্য পোস্টের সমালোচনা করে বলা হয় এর ফলে বিদ্বেষ ও সন্ত্রাস বাড়ছে। আর বিজ্ঞাপন সরিয়ে নেয়ায় ফেসবুকের মোট লোকসানের পরিমান দাঁড়ায় ৬০ বিলিয়ন ও এর প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গের ব্যক্তিগত ক্ষতি হয় ৭ বিলিয়ন ডলার। ফেসবুকের সিওও স্যান্ডবার্গ বলেন আরো অধিক দায়িত্বশীল হয়েই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটিকে ঘৃণাপূর্ণ ও আপত্তিকর বক্তব্য সরিয়ে ফেলতে হবে। কারণ এটি এমন একটি প্লাটফর্ম যেখানে প্রত্যেকের কণ্ঠস্বর জাগ্রত করাই মূল উদ্দেশ্য। কিন্তু তার মানে এই নয় যে তা ঘৃণা ছড়াবে। স্যান্ডবার্গ এও জানান ঘৃণাপূর্ণ উক্তি যাতে ছড়িয়ে না পড়ে তার জন্যে কয়েক বছর ধরে আমরা সত্যিকারের অগ্রগতি অর্জন করেছি তবে কাজটি কখনই শেষ হয়নি এবং ঘৃণ্য বিষয়বস্তু সন্ধানে ও অপসারণে আরো বড় দায়িত্ব পালন করতে হবে। অর্থনৈতিক কারণ বা বিজ্ঞাপন হারানোর জন্যে নয় এটি আমরা করছি সঠিক দায়িত্ব থেকেই। ...

গাছে ঝুলছে সবুজ মাল্টা, চাষিদের মনে আনন্দের ঢেউ

০৬জুলাই,সোমবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাস। মাল্টা চাষি এক বন্ধুর পরামর্শে এ ফল চাষের উদ্যোগ নেন শহিদুল ইসলাম সাচ্চু এবং ঢাকায় বসবাসরত তার আরও ৫ বন্ধু আনোয়ার হোসেন মিঠু, মেজবাহুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম, মো. মাসুম ও মো. মনিরুজ্জামান। তাদের করা বাগান ভরে গেছে সবুজ মাল্টায়, ফলের ভারে নুয়ে পড়েছে বহু গাছ। যা দেখতে প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসছেন মানুষ। আর মাল্টার এ বাম্পার ফলনে চাষিদের মনে জেগেছে আনন্দের ঢেউ। স্বপ্ন দেখছেন ব্যবসায়ীকভাবে লাভবান হওয়ার। গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার বরাব এলাকায় দুলাল মার্কেটের পাশে শহিদুল ইসলাম সাচ্চুদের এ বাগানের অবস্থান। বাগানের আয়তন ১১ বিঘা। সাচ্চু ও তার বন্ধুরা এ জমি ১০ বছরের জন্য ভাড়া নেন। বছরপ্রতি জমির ভাড়া প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার টাকা। পরে সেখানে বাণিজ্যিকভাবে বারি-১ ও ভারতীয় জাতের মাল্টা চাষ শুরু করেন। আলাদা দুটি বাগানে প্রায় দেড় হাজার মাল্টা গাছ রয়েছে। জানা যায়, এবছর তারা মাল্টা বিক্রি করবেন। যদিও গত বছর থেকে তাদের বাগানে মাল্টা ধরতে শুরু করে। কিন্তু সেসময় তেমন একটা মাল্টা বিক্রি করতে পারেননি। মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান থানার কোলা এলাকার বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম সাচ্চু। ৮ থেকে ১০ বছর আগে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কোনাবাড়ী পুকুরপাড় এলাকায় বাড়ি করে পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছেন তিনি। তিনি জানান, ১৯৯৭ সালে তিনি সিঙ্গাপুর যান। কিছু টাকা জমা হলে ২০১১ সালে দেশে ফিরে আসেন। এক বছর পর মিনি গার্মেন্টস ব্যবসা শুরু করেন। লোকসানের কারণে তিনি এ ব্যবসা ছাড়তে বাধ্য হন। পরে এক বন্ধুর পরামর্শে ২০১৭ সালে মাল্টা চাষ শুরু করেন। বাগানে মাল্টার ফলন ভালো হওয়ায় লাভবান হওয়ার বিষয়ে আশাবাদী শহিদুল ইসলাম সাচ্চু ও তার বন্ধুরা। জানা যায়, আগস্ট-সেপ্টেম্বর থেকে এ বাগানের মাল্টা বাজারে বিক্রি করা হবে। পাইকারিতে কেজিপ্রতি মাল্টার দাম হতে পারে ১০০ থেকে ১২০ টাকা। শহিদুল ইসলাম সাচ্চু জানান, তাদের মাল্টা বাগানে কোনো ধরনের রাসায়নিক সার ব্যবহার করা হয় না। তাদের বাগানে ব্যবহার করা হয় তরল জৈব সার। উদ্যোক্তাদের একজন আনোয়ার হোসেন মিঠু। তিনি জানান, তিনি ঢাকায় একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। পাশাপাশি কয়েক বন্ধু মিলে গাজীপুরে মাল্টা চাষ শুরু করেছেন। এ বছর তাদের বাগানে প্রচুর মাল্টা ধরেছে। প্রতিটি গাছে গড়ে ৭০ থেকে ৮০টি মাল্টা ধরেছে।...

শিগগিরই এইচএসসিতে ভর্তি শুরু

০৯,জুলাই,বৃহস্পতিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপুমনি জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন করোনাভাইরাস জনিত বৈশ্বিক মহামারি পরিস্থিতির কারণে একাদশ শ্রেণিতে (এইচএসসি) ভর্তি কার্যক্রম বিলম্বিত হচ্ছে। নীতিমালার আলোকে শিগগিরই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে জানান তিনি। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে ঢাকা-১০ আসনের শফিউল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। এর আগে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, করোনা সংক্রমণের পরিস্থিতিতেও ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি নীতিমালা-২০২০ ইতোমধ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে। গত ৩১ মে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হলেও কোভিড-১৯ এর কারণে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম বিলম্বিত হচ্ছে। ভর্তির বিষয়ে শিক্ষা বোর্ড প্রস্তত রয়েছে। শিগগিরই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে। ময়মনসিংহ-৮ আসনের এমপি ফখরুল ইমামের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশে করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে শিক্ষার্থীরা যাতে সংক্রমিত না হয় তার জন্য সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখার লক্ষ্যে এবং শিক্ষার মান ধরে রাখার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। নেয়াখালী-৩ আসনের মামুনুর রশীদ কিরনের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, দেশে সরকারি পর্যায়ে কোনও ইংরেজি মাধ্যম স্কুল নেই। বেসরকারি পর্যায়ে ১৪৫টি ইংরেজি মাধ্যম স্কুল রয়েছে। ঢাকা-১০ আসনের শফিউল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন জানান, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা বন্ধ করার কোনও পরিকল্পনা সরকারের নেই। এ পরীক্ষা অধিকতর যুযোপযোগী করে আয়োজেনের লক্ষ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় একটি বোর্ড গঠনের বিষয়ে চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪) এর ডিপিপিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।...

শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ইন্টারনেট প্যাকেজ দেওয়ার আহ্বান

০৭জুলাই,মঙ্গলবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলমান করোনা ভাইরাস মহামারি সংকটের এই সময়ে অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে বা স্বল্পমূল্যে ইন্টারনেট প্যাকেজ দিতে মোবাইল ফোন অপারেটর কোম্পানিগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। সোমবার (০৬ জুলাই) আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক উপ-কমিটি আয়োজিত বর্তমান বৈশ্বিক সংকটকালে শিক্ষা ব্যবস্থায় আমাদের করণীয় শীর্ষক অনলাইন সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, বৈশ্বিক মহামারির করোনার কারণে দীর্ঘদিন ধরে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। শিক্ষা কার্যক্রমকে চালিয়ে নিতে আমরা অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমের ওপর গুরুত্বারোপ করছি। ইতোমধ্যে অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনলাইনে শিক্ষাদান করে যাচ্ছে। তবে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক শিক্ষার্থীর পক্ষেই ইন্টারনেটের ব্যয় বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। শুধু শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ইন্টারনেট প্রদান বা স্বল্পমূল্যে ইন্টারনেট প্যাকেজ দেওয়া যায় কি-না সে বিষয়ে মোবাইল অপারেটর কোম্পানিগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং দ্রুত এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। দীপু মনি বলেন, আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা আছে, সীমাবদ্ধ থাকবে। অল্প সময়ের মধ্যে আমরা সেই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠে নতুন এই বাস্তবতার সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে উঠবো। করোনা পরবর্তী সময়ও স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চলমান থাকবে। ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে সরকার ৯২ শতাংশ শিক্ষার্থীর শিক্ষা পৌঁছাতে পারছে জানিয়ে শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, বাকি শিক্ষার্থীদের কাছেও অনলাইনে শিক্ষা পৌঁছে দিতে সব রকম চেষ্টা চালাচ্ছে সরকার। টিউশন ফি প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার পরও অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। সেক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অভিভাবক সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, একেবারে টিউশন ফি না দিলে প্রতিষ্ঠান তাদের শিক্ষকদের বেতন দিতে পারবে না। তাই দুই পক্ষকেই কিছুটা ছাড় দিয়ে মানবিক হতে হবে। অনলাইন আলোচনায় আরও বক্তব্য দেন- ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার, বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মাকসুদ কামাল, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান, দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক সাংবাদিক শ্যামল দত্ত। অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল খালেক। সঞ্চালনা করেন আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা।...

জন্মদিনে এশিয়া কাপ বাতিলের ঘোষণা সৌরভের

০৮,জুলাই,বুধবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: লকডাউন তুলেও ফের লকডাউনের পথেই হাঁটতে হচ্ছে অস্ট্রেলিয়াকে। তাই আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাতিল হওয়া এখন সময়ের অপেক্ষা। খুব শীঘ্রই আইসিসি সেই ঘোষণা দেবে বলেই খবর। এরই মধ্যে নিজের ৪৮তম জন্মদিনে বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট জানিয়ে দিলেন, সেপ্টেম্বরে হচ্ছে না এশিয়া কাপ। ভারতেই এবার এশিয়া কাপের আসর বসার কথা ছিল। কিন্তু বুধবার ইনস্টাগ্রামে একটি লাইভ সেশনে সৌরভ বললেন, সেপ্টেম্বরের এশিয়া কাপ বাতিল হয়েছে'। এছাড়া এ বছরের আইপিএল নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত জানায়নি ভারতীয় বোর্ড। তবে দ্রুতই সিদ্ধান্ত জানাবে বিসিসিআই। ভারতীয় বোর্ড সেপ্টেম্বরে আইপিএল হবে ধরে নিয়েই বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি, সম্প্রচারকারী সংস্থা ও টুর্নামেন্টের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা অন্যান্য পক্ষের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে বলে জানা গেছে, এর আগে অবশ্য রাজ্য সংস্থাগুলোকে চিঠি দিয়ে প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়েছিল বিসিসিআই। সূত্র : এই সময়।...

স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে লন্ডনে বিসিবি সভাপতি

০৫জুলাই,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন সম্প্রতি লন্ডনে গিয়েছেন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে। তবে ধারণা করা হচ্ছিল যে বিসিবি সভাপতি গুরুতর অসুস্থ হয়ে লন্ডনে গিয়েছেন। কিন্তু তিনি গুরুতর অসুস্থ নন। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতেই লন্ডনে গিয়েছেন বিসিবি সভাপতি। রোববার (০৫ জুলাই) বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতির সহকারী তওহিদ মাহমুদ। গত ২১ জুন লন্ডনে যান পাপন। এরপর হোম কোয়ারেন্টিন শেষ করে ডাক্তার দেখাবেন তিনি। এ বিষয় নিয়ে তওহিদ মাহমুদ বলেন, স্যার গুরুতর অসুস্থ নন, তিনি লন্ডন গিয়েছেন রেগুলার চেকআপ করাতে। ওনার প্রোস্টেটের একটা সমস্যা আছে। আরো আগেই হয়তো যেতেন, কিন্তু করোনার কারণে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ থাকায় উনি আগে যেতে পারেননি। স্যার এখন লন্ডনে হোম কোয়ারেন্টিনে আছেন। কোয়ারেন্টিন শেষ হলে তিনি চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন। চিকিৎসক যদি মনে করেন তার অপারেশন করতে হবে, তাহলে হবে না হলে দরকার নেই।...

মহাকাশে তারার নাম রাখা হলো- সুশান্ত

০৮,জুলাই,বুধবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রথম কোন ভারতীয় অভিনেতা চাঁদে জমি কিনেছেন। আর সেই অভিনেতা হলেন প্রয়াত সুশান্ত সিং রাজপুত। ছোট বেলা থেকেই মহাকাশপ্রীতি ছিলো এই তারকার। সেই আগ্রহ থেকেই সেখানে জমি কিনেছিলেন। সময় পেলেই বারান্দায় বসানো টেলিস্কোপ দিয়ে আকাশে চোখ রাখতেন। দেখতেন অপার রহস্যময় মহাকাশের চাঁদ-তারা-গ্রহ-নক্ষত্রদের। অজানা অভিমান মনে চেপে গত ১৪ জুন গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলিউডের এই অভিনেতা । মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় সুশান্তের নিজের ফ্ল্যাটে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার মৃত্যু নিয়ে শোরগোলের শেষ নেই। সত্যি আত্মহত্যা করেছেন এই তরুণ অভিনেতা নাকি পরিকল্পিত কোনো খুনের শিকার তিনি, এ নিয়ে বিতর্ক চলছেই। মানুষ মারা গেলে নাকি দূর আকাশের তারা হয়ে যায়। সুশান্তও হয়তো এখন ওই তারাদেরই একটি, যাদের সঙ্গে একটা সময় দূর থেকে সখ্যতা গড়ে উঠেছিলো তার। শেয়ার করতেন হয়তো নিজের মনে লুকিয়ে রাখা কষ্টগুলো। সুশান্তের এই মহাকাশপ্রেম দারুণভাবে দাগ কেটেছে তার এক ভক্তের মনে। সেজন্যই হয়তো প্রিয় তারকার নামে একটি তারার নাম দিলেন ওই ভক্ত। প্রিয় অভিনেতাকে একটি তারা উপহার দিয়েই শ্রদ্ধা জানালেন তিনি। মহাকাশে তারাটির অবস্থান নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে রক্ষা নামে ওই ভক্ত বিস্তারিত জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, সুশান্ত সিং রাজপুত, তোমাকে খুব মিস করব। তোমার নাম ভবিষ্যতে আমাদের সবাইকে উজ্জ্বল করবে। তোমার উজ্জ্বল হাসি আমাদের আলো দেখাবে। তোমার কাজের প্রতি আনুগত্য ও ভালোবাসা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তোমার আত্মা শান্তিতে থাকুক। সব তারার মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল হয়ে বিরাজ করবে তুমি। আমেরিকা প্রবাসী রক্ষা ইতিমধ্যেই সুশান্ত সিং রাজপুতের নামে একটি তারার নাম নথিভুক্ত করিয়েছেন। সেই সার্টিফিকেটও শেয়ার করেছেন রক্ষা। সেখানে সুশান্তের অন্য ভক্তরা শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন রক্ষাকে।...

ছেলে-মেয়ে অস্ট্রেলিয়ায়, ফেরার পর শেষকৃত্যের সিদ্ধান্ত

০৭জুলাই,মঙ্গলবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী এন্ড্রু কিশোর আর নেই। সবাইকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে রোববার (৬ জুলাই) সন্ধ্যায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। শিল্পীর বড় বোনের স্বামী ডা. প্যাট্রিক বিপুল বিশ্বাস গণমাধ্যমকে এ খবর নিশ্চিত করেন। এন্ড্রু কিশোরের ছেলে ও মেয়ে বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় রয়েছেন। তারা সেখান থেকে দেশে ফেরার চেষ্টা করছেন। ছেলে-মেয়ে দেশে ফিরলেই কিংবদন্তী এই সংগীতশিল্পীর শেষকৃত্যের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ক্যান্সার আক্রান্ত এন্ড্রু কিশোরকে দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা শফিকুল আলম বাবু বাংলানিউজকে এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, পরিকল্পনা রয়েছে; তবে শিল্পীর ছেলে-মেয়ে আসলেই বিষয়টি চূড়ান্ত হবে। আপাতত তার মরদেহ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হবে। দেশে ফোরার পর এই প্লেব্যাক সম্রাট রাজশাহী মহানগরের মহিষবাথান এলাকায় থাকা তার বোন ডা. শিখা বিশ্বাসের বাসায় ছিলেন। তার ওই বাড়িটির একটি অংশেই রয়েছে ক্লিনিক। সেখানেই সেবা-সুশ্রুষা চলছিল এন্ড্রু কিশোরের। তবে রোববার (৫ জুলাই) থেকে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। তাই এন্ড্রু কিশোরের সুস্থতায় প্রাণ খুলে দোয়া করার জন্য সবার কাছে অনুরোধ জানিয়েছিলেন তার স্ত্রী লিপিকা এন্ড্রু। এরপর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটনায় সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে বাড়িতে রেখেই তাকে অক্সিজেন সাপোর্ট দেওয়া হয়। এদিন সন্ধ্যায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ক্যান্সার আক্রান্ত এন্ড্রু কিশোরকে দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা শফিকুল আলম বাবু জানান, দেশে ফিরলেও এন্ড্রু কিশোরের শারীরিক অবস্থা ভালো যাচ্ছিল না। রোববার (৫ জুলাই) সকালে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। কারও সঙ্গে কথা বলার মতো অবস্থাতেই ছিলেন না তিনি। বিকেলে এন্ড্রু কিশোরের জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে সবার কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছিল। শফিকুল আলম বাবু আরও জানান, প্রায় ৯ মাস পর সিঙ্গাপুর থেকে গত ১১ জুন দেশে ফেরেন সংগীতশিল্পী এন্ড্রু কিশোর। ২০ জুন থেকে তিনি রাজশাহীতে ছিলেন। তবে গুরুতর অসুস্থ ছিলেন। কারও সঙ্গে কথা বলতে পারছিলেন না তিনি। দেশে ফিরে কিছুটা সময় কোলাহলমুক্ত সময় কাটাতে চেয়েছেন। তাই ফেরার খবরটি এতদিন কাউকে জানাননি। এ প্রসঙ্গে এন্ড্রু কিশোর কিছুদিন আগে বলেছিলেন, কয়েক দিন হলো দেশে এসেছি। কিছুটা সময় একান্তে থাকতে চেয়েছি। তাই পরিবারের বাইরে কাউকে জানাইনি। তাছাড়া শরীরের অবস্থাও খুব বেশি ভালো নয়। ডাক্তার কড়া নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, কোলাহলমুক্ত থাকতে হবে সেই নির্দেশনা মেনেই চলছি। চেকআপের জন্য তিন মাস পর পর তাকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার কথা ছিল। গত বছরের ৯ সেপ্টেস্বর শরীরের নানা জটিলতা নিয়ে সিঙ্গাপুর চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন এন্ড্রু কিশোর। ছয়টি ধাপে তাকে মোট ২৪টি কেমোথেরাপি দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসক জানিয়েছিলেন, কয়েক মাস পরপর নিয়মিত চেকআপ করাতে হবে তাকে। এর আগে মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহে দেশে ফিরতে চেয়েছিলেন এন্ড্রু কিশোর। কিন্তু করোনা ভাইরাসের কারণে দেশে ফেরা হয়নি তার। অবশেষে গত ১১ জুন বিশেষ ফ্লাইটে দেশে ফেরেন তিনি। ১৯৭৭ সালে মেইল ট্রেন- সিনেমার মধ্য দিয়ে প্লেব্যাকে যাত্রা শুরু করেন এন্ড্রু কিশোর। এরপর আটবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প, হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস, ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে, আমার সারা দেহ খেয়ো গো মাটি, আমার বুকের মধ্যখানে সহ অসংখ্য জনপ্রিয় ও কালজয়ী গান উপহার দিয়েছেন শ্রোতাদের। এন্ড্রু কিশোরের শরীরে ক্যান্সার ধরা পড়ার আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে চিকিৎসার জন্য ১০ লাখ টাকা সহায়তা করেছিলেন। পাশাপাশি গো ফান্ড মি নামে এক ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ করা হয়। সহশিল্পীদের মধ্যেও অনেকে তার পাশে দাঁড়ান।...

অনিয়মের অভিযোগে চেয়ারম্যান কাউন্সিলর ও ইউপি সদস্যসহ ১১ জন বরখাস্ত

২জুন,মঙ্গলবার,ক্রাইম সোর্স প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ত্রাণ বিতরণসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে একদিনেই ১১ জনপ্রতিনিধিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। আজ মঙ্গলবার এ বিষয়ে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বিভাগটি। যাদের বরখাস্ত করা হয়েছে তাদের মধ্যে ৪জন ইউপি চেয়ারম্যান, একজন পৌরসভার কাউন্সিলর ও ৬জন ইউপি সদস্য রয়েছেন। কর্মস্থলে অনুপস্থিতি, দরিদ্র মানুষকে নগদ অর্থ সহায়তা ও ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগে আরও ১১ জনপ্রতিনিধিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। তাঁদের মধ্যে চারজন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও ছয়জন ইউপি সদস্য এবং একজন পৌর কাউন্সিলর রয়েছেন। বরখাস্ত হওয়া চেয়ারম্যানেরা হলেন কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার সিংপুর ইউপির মো. আনোয়ারুল হক, একই জেলার বাজিতপুর উপজেলার হালিমপুর ইউপির হাজী মো. কাজল ভূইয়া, বরগুনা সদর উপজেলার এম বালিয়াতলী ইউপির মো. শাহনেওয়াজ এবং নলটোনা ইউপির হুমায়ুন কবীর। বরখাস্তের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সিংপুর ইউপির চেয়ারম্যান করোনোভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সময় ত্রাণকাজে সহায়তা না করে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে কর্মস্থলে অনুপস্থিত আছেন। বাজিতপুরের হালিমপুর ইউপি চেয়ারম্যানও দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত। এ ছাড়া করোনোভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়নে বিঘ্ন সৃষ্টি, এপ্রিল মাসের ভিজিডি খাদ্যশস্য বিতরণ না করা, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে দেওয়া নগদ অর্থ সহায়তা কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রণয়নে ব্যর্থ হওয়া এবং কারণ দর্শানোর পরিপ্রেক্ষিতে নিজে জবাব প্রদান না দিয়ে অন্যের মাধ্যমে জবাব দেওয়া। বরগুনার এম বালিয়াতলী ইউপির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নিয়মবহির্ভূতভাবে মৎস্য ভিজিএফের চাল ৮০ কেজির জায়গায় ৬০ কেজি দেওয়া এবং তালিকার বাইরেও অন্যদের চাল দেওয়ার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। নলটোনা ইউপির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জেলেদের তালিকা প্রণয়নে অনিয়ম, ভুয়া টিপসইয়ের মাধ্যমে চাল উত্তোলন করে আত্মসাৎ এবং ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। অন্যদিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত হওয়া ইউপি সদস্যরা হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপজেলার মজলিশপুর ইউপির ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হারিছ মিয়া এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হাছান মিয়া, বরগুনা জেলার সদর উপজেলাধীন নলটোনা ইউপির ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হারুন মিয়া, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হানিফ, ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য মোসা. রানী এবং ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য মোসা. ছাবিনা ইয়াসমিন। বরখাস্ত হওয়া পৌরসভার কাউন্সিলর হলেন চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. সোলাইমান বাবুল।...

প্রায় ৪শ লোককে অবৈধভাবে বিদেশে পাঠায় চক্রের অন্যতম হোতা কামাল

১জুন,সোমবার,ক্রাইম সোর্স প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: লিবিয়ায় ২৬ জন বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় মানব পাচারকারী চক্রের অন্যতম হোতা কামাল হোসেন ওরফে হাজী কামালকে গ্রেফতার করেছে RAB। প্রায় ৪শ লোককে অবৈধভাবে তিনি বিদেশে পাঠায়। RAB বলছে, তিনিই বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে মানবপাচারকারীর মূল হোতা। এরসঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিষয়ে অনুসন্ধান করছে RAB। বাংলাদেশ থেকে লিবিয়া হয়ে অবৈধ ভাবে ইতালিতে যাওয়া। তারা বিভিন্ন শ্রমিকদের যাওয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে প্রলোভন দেখানো হয়। এবং তাদের বিদেশে যাওয়ার পরই বাকি টাকা দেবে। এ ধরনের আশ্বাস দেয়া হয়। আমারা একাধিক দালাল পেয়েছি। তারা মাদারীপুর, শরিয়রতপুরসহ বিভিন্ন জেলার লোক রয়েছে। তারা প্রথমে বাইরুটে ঢাকা থেকে কলকাতা নেয়া হয়। এই হাজী কামালই সবার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারা বাংলাদেশ থেকে ১০-১৫ দিন লাগে বেনগাজীতে যাওয়ার। এ চক্রটি লিবিয়াতে যাওয়ার পরই তারা টাকার জন্য পেশার দেয়া শুরু হয়। RAB জানায়, লিবিয়ার ত্রিপোলিতে কিছু কাজ করার সুযোগ রয়েছে। এই বেনগাজীতে পৌঁছানোর পরই তাদের পরিবারের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় করা হয়। এরপর তাদের ত্রিপোলিতে নিয়ে যাওয়া হয়। ত্রিপোলিতে নিয়ে যাওয়ার জন্য আবারও পরিবারের কাছে ২ থেকে তিন লাখ টাকা দাবি করা হয়। সেখানে তাদের শুরুতে ভূমধ্যসাগরে বোট চালানোর প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। তিনি গত ১০-১২ বছরে ৪শ লোককে পাঠিয়েছেন। তার সঙ্গে যুক্ত আছেন ১৫-১৬ জন। আমরা পুরো সার্কিটের তথ্য পেয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে এ অভিযান চলতে থাকবে। গত ২৮ মে লিবিয়ার মিজদা শহরে ২৬ জন বাংলাদেশি অভিবাসীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। মারা যাওয়া ২৬ জনসহ ৩৮ বাংলাদেশি ও কিছু সুদানি নাগরিক প্রায় ১৫ দিন ধরে ওই অপহরণকারী চক্রের হাতে আটক ছিলেন। ইতালিতে অভিবাসনের উদ্দেশে ওই ৩৮ জন বাংলাদেশ থেকে অবৈধ পথে লিবিয়ায় যান।...

নিউজ একাত্তরের চট্টগ্রাম অফিস সাময়িক বন্ধের বিজ্ঞপ্তি

২০জুন,শনিবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা মহামারীর কারণে সারাদেশে সাধারন ছুটির আওতায় সকল মার্কেট বন্ধ থাকার কারণে গত ২৬ মার্চ থেকে নিউজ একাত্তরের চট্টগ্রাম অফিস বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে উক্ত অফিসের দুজন কর্মচারীর করোনা উপসর্গ নিয়ে বাসায় চিকিৎসাধীন থাকার কারণে এবং সরকারের ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি ও আদেশের প্রতি সম্মান জানিয়ে আগামী ০১ লা জুন ২০২০ হইতে ৩১শে আগস্ট ২০২০ পর্যস্ত নিউজ একাত্তরের চট্টগ্রাম অফিস বন্ধ থাকবে তবে যথারিতি অনলাইন চালু থাকবে। সাময়ীক অসুবিধার জন্য আমরা দু:খিত। আদেশক্রমে-কতৃপক্ষ। ...

বিএনপির মুখে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলা হাস্যকর : ওবায়দুল কাদের

০৬জুলাই,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির মুখে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলা হাস্যকর। সাধারণ মানুষ মনে করে দুর্নীতি আর বিএনপি সমার্থক। তিনি বলেন, বিএনপির মুখে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলা হাস্যকর। দুর্নীতিতে পর-পর পাঁচ বার বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের দল বিএনপি, লুটপাটের জন্যই জণগণের কাছে বার-বার প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। দুর্নীতি আর বিএনপি সমার্থক বলেই মানুষ মনে করে। ওবায়দুল কাদের আজ সোমবার সংসদ ভবনের সরকারি বাসভবন থেকে এক অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন। করোনা সংকটে বিএনপি নেতারা আজগবী তথ্য সরবরাহ করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে দাবি করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুর্নীতি বিরোধী অবস্থান এবং প্রতিনিয়ত সততায় দেশ-বিদেশে সমাদ্রিত ও প্রসংশিত। দুর্নীতিবাজ যেই হোক দলীয় পরিচয়ের হলেও তাকেও ছাড় দেয়া হচ্ছে না, এটাই হলো বাস্তবতা। তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের সংকটে দায়িত্বশীল আচরণ না করে বিএনপি তাদের চিরাচরিত নালিশের রাজনীতি আঁকড়ে ধরেছে এবং এই করোনাভাইরাসের সংকটকালে আজগবী সব তথ্য দিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করছে। আর অন্ধকারে ঢিল ছুড়ছে অভিরাম। ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএপির কথা শুনে মনে হয়, পূর্ণিমার রাতেও তারা অমাবশ্যার অন্ধকার দেখতে পান। বিএনপিকে বিভাজন ও বৈরিতার রাজনীতি পরিহার করে মানুষ বাঁচানো ও করোনাভাইরাসের প্রতিরোধের লড়াইয়ে আবারও সহযোগিতার আহ্বান জানাচ্ছি। করোনাভাইরাসের মহামারিতে নেয়া পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক করোনাভাইরাসের সংকটের শুরু থেকে সরকার সবাইকে নিয়ে সমন্বিত ভাবে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। এখন প্রায় ৭৩টি কেন্দ্রে করোনাভাইরাসের পরীক্ষা হচ্ছে। দিন-দিন সক্ষমতা বাড়ছে, কেন্দ্র থেকে উপজেলা পর্যায়ে পর্যন্ত পরীক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি করা হয়েছে। জেলা পর্যায়ে কোভিড-১৯ হাসপাতাল প্রস্তুত করা হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে প্রস্তুতি রয়েছে। তিনি বলেন, সরকার যদি অদক্ষ বা অযোগ্য হতো তবে এ সময়ে এমন ব্যবস্থা কি নিতে পারতো? এই পর্যন্ত ৭২ হাজার ৬ শত ২৫জন করোনাভাইরাসের রোগী সুস্থ হয়েছেন। সুস্থতার হার শতকরা ৪৪ দশমিক ৭২ ভাগ এবং মৃত্যুর হার শতকরা ১ দশমিক ২৬। মৃত্যুর এই হার যে কোন দেশের তুলনায় কম। ইউরোপ আমেরিকা এমন কি প্রতিবেশি দেশ ভারতে থেকে এখানে অনেক কম। যদিও সরকার একটি মৃত্যুও প্রত্যাশা করে না। ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি শুধু মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে কথা বলে, অথচ এত সংখ্যক লোক সুস্থ হচ্ছে এটা তাদের চোখে পড়ছে না। তাদের (বিএনপি) দৃষ্টিভঙ্গি যে নেতিবাচক এটাই তার প্রমান। সরকারের সমন্বিত পদক্ষেপে দক্ষতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে দাবি করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে ২হাজার ডাক্তার ৫ হাজার নার্স নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ২ হাজার মেডিকেল টেকনোলজিস্ট নিয়োগের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পরীক্ষা কেন্দ্র দিন দিন বাড়ানো হচ্ছে। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়ে এখন পরীক্ষা করানো হচ্ছে। বেসরকারী হাসপাতালগুলোকে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। তিনি বলেন, বিশ্বের অনেক দেশই নিজেদের সামর্থ দিয়ে করোনাভাইরাসের মোকাবিলায় হিমশিম খাচ্ছে। বহু দেশ নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যে তাদের স্বাস্থ্য কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সরকার সীমাবদ্ধতা নিয়েও করোনাভাইরাসের সংকট মোকাবিলার সর্বাত্মক প্রয়াস অব্যাহত রেখেছে। দিন-দিন শেখ হাসিনা সরকার সুরক্ষা সামগ্রী বাড়াচ্ছে, ভেন্টিলেশন ব্যবস্থা ও ডাক্তার সংখ্যা বৃদ্ধি করছে। সরকারের সমন্বিত দক্ষতার কারণে এসব করা সম্ভব হচ্ছে। অথচ বিএনপির কার্যক্রম শুধু বিবৃতিরে মধ্যেই সীমাবদ্ধ। ...

করোনা সংক্রমণ রোধ ও মানুষ বাঁচানোই এখন আওয়ামী লীগের একমাত্র রাজনীতি : ওবায়দুল কাদের

২৫,জুন,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধ ও মানুষ বাঁচানোই হচ্ছে এখন আওয়ামী লীগের একমাত্র রাজনীতি। তিনি বলেন, দেশের এই সংকটকালে সরকার ও আওয়ামী লীগ কোনো রাজনীতি করছে না। করোনার সংক্রমণ রোধ ও মানুষ বাঁচানোই হচ্ছে এখন একমাত্র রাজনীতি। ওবায়দুল কাদের আজ বুধবার তাঁর সংসদ ভবনস্থ সরকারি বাসভবনে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক আনলাইন সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এক বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি মহাসচিব বরাবরের মতো সরকারের বিরুদ্ধে বিরূপ সমালোচনা করতে গিয়ে বিরাজনীতি করণের অভিযোগ এনেছেন। এ সংকটকালে সরকার তো কোন রাজনীতি করছে না? এমন কি আওয়ামী লীগও এসময়ে কোন রাজনৈতিক কার্যক্রম করছে না। তিনি বলেন, যদি কোন রাজনৈতিক দল দেশের স্বার্থে ভালো পরামর্শ দিতে চায়, সেটা সরকার গ্রহণ করবে। কোন ভুল হলে ভুল সংশোধন করার সৎ সাহস সরকারের রয়েছে। সরকারের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে বিএনপির মহাসচিবের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রকৃতপক্ষে নেতিবাচক ও অন্ধ সমালোচনা নির্ভর রাজনীতির জন্য বিএনপিরই পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। বক্তৃতা, বিবৃতির মাধমে সরকারের সমালোচনা করা ছাড়া বিএনপির এখন আর কোন রাজনীতি নেই। অসহায় মানুষ থেকে তাদের অবস্থান এখন যোজন যোজন দূরে। ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশের সরকারি ও অনেক বেসরকারি হাসপাতালগুলো যখন করোনা আক্রান্ত রোগীদের সেবাদানে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। ফ্রন্টলাইনে কর্মরত যোদ্ধারা জীবন বাজী রেখে কাজ করছেন। তখন কিছু হাসপাতাল-ক্লিনিক যে কোনো সাধারণ সেবায় গেলেও বাধ্যতামূলক করোনা টেস্ট করানোর কথা বলছে, কিংবা করোনা রিপোর্ট ছাড়া চিকিৎসা দিচ্ছেন না। এমনকি কোনো কোনো হাসপাতাল রোগী ভর্তি না করার জন্য নানান ছলচাতুরী আশ্রয় নিচ্ছে, এ মুহূর্তে এটা সমীচীন নয়। তিনি বলেন, আবার করোনা টেস্টের ক্ষেত্রে কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান স্মার্ট এবং দ্রুত সেবা দিলেও কারো কারো বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। একদিকে টেস্টের সিরিয়াল পেতে সময় লাগে অন্যদিকে নমুনা দেবার পর রেজাল্ট পেতে লাগছে কয়েক দিন। অহেতুক এসময়ক্ষেপণে রোগী ও তার আত্মীয় স্বজনরা যেমন উদ্বিগ্ন হচ্ছে, তেমনি মনোবল হারানোর পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। আবার অনেকে মৃত্যুর মুখেও পতিত হচ্ছেন। এসকল প্রতিষ্ঠানকে স্বল্প সময়ে রিপোর্টদান এবং নমুনা সংগ্রহের সমন্বয় বাড়ানোর পাশাপাশি সেবার মান বাড়ানোর আহ্বান জানচ্ছি। বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে মানবিক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, কিছু বেসরকারি হাসপাতাল যারা মানুষের অসহায়ত্ব নিয়ে বাণিজ্য করছে। তাদের এব্যাপারে সর্তক হওয়া উচিত। এ দুর্যোগে মানবিক হওয়া উচিত। অযৌক্তিক, অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষা পরিহার করে সঠিক সেবা দান করুন। জটিল রোগীদের তাৎক্ষণিক সেবা প্রদান দেরি হলে তা মৃত্যুর ঝুঁকিতে পতিত হবে। রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে যারা সমন্বয়ের কথা বলেন তাদের উদ্দেশ্যে ওবায়দুল কাদের পাল্টা প্রশ্ন রেখে বলেন, পৃথিবীর কোথাও কি এমন নজীর আছে? করোনা প্রতিরোধে চিকিৎসা সেবা প্রদান রাজনীতিবীদের কাজ নয়, যাদের দরকার, সেসব বিশেষজ্ঞদের নিয়ে কমিটি করা হয়েছে, তাদের মতামত নিয়েই সিদ্ধান্ত প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী জানান, বর্তমানে ৬৬টি পরীক্ষাগারে করোনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। সরকার পর্যায়ক্রমে প্রতিটি জেলায় নমুনা পরীক্ষার সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। ওবায়দুল কাদের আশা প্রকাশ করে বলেন, ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জাতি যেমনি লক্ষ্য অর্জন করেছে, তেমনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পারস্পরিক সহমর্মিতা,ত্যাগ ও স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের মাধ্যমে উত্তরনের পথে জাতি এগিয়ে যাবে। ...

জুম আর খুতবা- ইসলামে পরনিন্দা হারাম

০৩,জুলাই,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি মুমীনদেরকে পরস্পর কল্যাণধর্মী ও তাকাওয়াভিত্তিক কাজে সহযোগী হওয়ার নির্দেশ করেছেন। একে অপরের মান সম্মান ও সম্পদের মর্যাদা রক্ষায় বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করেছেন। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন মাবুদ নেই, তিনি একক, অদ্বিতীয়। তাঁর কোন অংশীদার নেই, তিনি আসমান ও জমীনের অধিপতি। আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আমাদের মহান নবী অভিভাবক হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর প্রিয় বান্দা ও মনোনীত রাসূল। তাঁর উপর দরুদ সালাম বর্ষিত হোক, তাঁর পবিত্র বংশধরগণ সম্মানিত সাহাবাগণ এবং নিষ্ঠার সাথে তাঁর পদাঙ্ক অনুসারীদের উপর অসংখ্য করুণাধারা বর্ষিত হোক। হে মানব মন্ডলী! আল্লাহ তায়ালাকে ভয় করুন। মুসলিম ভাতৃত্বের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষায় সচেষ্ট থাকুন। মুসলমান হিসেবে অন্য মুসলমানের গীবত করার মতো জগন্যতম মারাত্মক ব্যাধি থেকে নিজকে রক্ষা করুন। আলকুরআনের আলোকে পরনিন্দা: মহান আল্লাহ তায়ালা গীবতের ভয়াবহ পরিণতি ও কঠিন শাস্তির কথা ঘোষণা করেছেন, গীবতকারী ও পরনিন্দাকারীকে মৃত-ভ্রাতার মাংস ভক্ষণ করার সাথে তুলনা করা হয়েছে। এরশাদ হয়েছে হে মুমীনগণ তোমরা অনেক ধারণা বর্জন করো, নিশ্চয় কোন কোন ধারণা পাপ আর তোমরা পরস্পর দোষ অনুসন্ধান করোনা এবং একে অপরের গীবত করোনা। তোমাদের মধ্যে কেউ কি তার মৃত ভাইয়ের মাংস ভক্ষণ করতে পছন্দ করবে? তোমরা তো অবশ্যই তা ঘৃণা করো। তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, নিশ্চয় আল্লাহ তাওবা কবুলকারী, পরম দয়ালু। (সুরা, আহযাব, আয়াত নং ১২)। গীবত অর্থ ও প্রাসঙ্গিক কথা: গীবত একটি আরবি শব্দ। কোন মানুষের অনুপস্থিতিতে তার সম্পর্কে তার এমন কোন দোষ অন্যজনের কাছে বলা বা প্রচার করা যা সে অপছন্দ করে বা শুনলে মনে কষ্ট পাবে তাই গীবত। বা পরনিন্দা। শরিয়তে গীবতকে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। এটা এমন এক মারাত্মক ব্যাধি যে ব্যাধিতে আজ গোটা সমাজ আক্রান্ত। পরিবার সমাজ ও দেশের সর্বত্র কোন না কোনভাবে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কমবেশী সকলেই আজ এ অপকর্ম তথা গুনাহের সাথে জড়িত। তবে আল্লাহ যার প্রতি বিশেষ দয়াপরবশ হন তিনি ব্যতীত। গীবত শব্দের বাংলারূপ পরনিন্দা, পরচর্চা, নিন্দা করা বা কুৎসা রটনা করা অর্থাৎ কারো অনুপস্থিতিতে তার সম্বন্ধে খারাপ মন্তব্য করা, মন্দ কিছু বলা, যা কিছু বলা হয় তা যদি সত্যিই তার মধ্যে থাকে তা অবশ্যই গীবত হবে। আর যদি তা তার মধ্যে না থাকে তা অপবাদ হিসেবে গণ্য হবে। প্রখ্যাত তাবেঈ হযরত হাসান বসরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনামতে অন্যের কুৎসা রটনায় তিন ধরনের গুনাহ হতে পারে। ১. অন্যের মধ্যে যে দোষ রয়েছে তা আলোচনা করা গীবত। ২. যে দোষ তার মধ্যে নেই তা আলোচনা করা অপবাদ। ৩. যাচাই বাছাই করা ব্যতীত তার সম্পর্কে কেবল শুনা কথা আলোচনা করা মিথ্যাচার করার শামিল। (সূত্র. ইমাম গাযযালী: ইয়াহ্ইয়াউ উলুমুদ্দীন, খন্ড ৩৩, পৃ. ১৪৪)। গীবত ব্যবিচারের চেয়েও মারাত্মক: হযরত আবূ সাঈদ রাদ্বিয়াল্লাহু তা আলা আনহু হতে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন, গীবত হলো ব্যভিচারের চেয়েও মারাত্মক। সাহাবাগণ বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ গীবত কি করে ব্যভিচারের চেয়ে মারাত্মক? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, কোন ব্যক্তি যদি ব্যভিচার করার পর তাওবা করে আল্লাহ তার তাওবা কবুল করেন, কিন্তু যার গীবিত করা হয়েছে সে যদি গীবতকারীকে ক্ষমা না করে তাহলে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করবেন না। (বায়হাক্বী শরীফ)। হযরত আবূ হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করলেন, তোমরা কি জান? গীবত কাকে বলে? সাহাবাগণ বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রসূলই সবচেয়ে ভাল জানেন। রসূলুল্লাহ্ এরশাদ করেন, তুমি তোমার মুসলমান ভাইয়ের আলোচনা (তার অনুপস্থিতিতে) এমনভাবে করবে যে সে তা শুনলে অসন্তুষ্ট হবে। অতঃপর রসূলুল্লাহ্কে প্রশ্ন করা হলো যদি আমার ভাইয়ের মধ্যে তা বিদ্যমান থাকে তাহলেও কি গীবত? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তর দিলেন তুমি যা বলছ তা যদি তার মধ্যে বিদ্যমান থাকে তা হবে গীবত। আর তা যদি তার মধ্যে বিদ্যমান না থাকে তা হবে অপবাদ। (মুসলিম শরীফ)। গীবতের তথা পরনিন্দার ধরণ: পরনিন্দা ও পরচর্চায় লিপ্ত এক শ্রেণির লোক অন্যজনের দোষত্রুটি কুৎসা রটনা ও সমালোচনামূলক গর্হিত কাজে সর্বদা ব্যস্ত থাকে। ব্যক্তির চলাফেরা, দেহাকৃতি, চোখ, নাক, কান, হাত, পা, উঠাবসা, কাজ-কর্ম, বংশ, চরিত্র, ধর্মকর্ম পোশাক পরিচ্ছদ ইত্যাদি বিষয়ে ব্যাঙ্গাত্মক মন্তব্য করা তার অনুপস্থিতিতেও অরুচিকর অশোভন, অপ্রিয় কথা বলা, এসবই গীবতের পর্যায়ভুক্ত। গীবতের কারণ: ক. পরনিন্দা বা গীবতের অন্যতম প্রধান কারণ হলো ক্রোধ, হাদীস শরীফে এসেছে, বলবান সেই নয় যে কুস্তিতে অন্যজনকে পরাজিত করেছে বরং সেই বলবান যে ক্রোধের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে। আমাদের সমাজে কেউ কারো প্রতিক্ষুদ্ধ হলে অবলীলায় তার দোষত্রুটি বর্ণনা করতে থাকে, সত্য মিথ্যা, ভাল-মন্দ, ন্যায়-অন্যায়, হালাল-হারাম, তোয়াক্কা না করে স্বাধীনভাবে ব্যক্তির বিরুদ্ধে যা ইচ্ছা তাই ব্যক্ত করতে থাকে। গীবতের মাধ্যমেই ক্রোধ নিবারণ করতে থাকে। তবে আদর্শবান মুত্তাকী পরহেযগার দীনদার চরিত্রবান শান্তিপ্রিয় ও মুক্তিকামী সত্যান্বেষী মানুষেরা গীবতের পরিণাম ও ভয়াবহতা সম্পর্কে অবগত। তারা ক্রোধের বশবর্তী হয়ে গীবতের আশ্রয় নেয় না। তারা গীবত পরিহার করেন। খ. সহযোগীদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশের জন্য গীবত করা: অনেকে আছেন যারা বন্ধু-বান্ধব ও ঘনিষ্টজনদের সন্তুষ্টি অর্জনের স্বার্থে অন্যজনের গীবত চর্চায় লিপ্ত হয়। তারা মনে করে এ কাজে বন্ধুবান্ধবদের সাথে দ্বিমত প্রকাশ করলে সম্পর্কের অবনতি ঘটবে, দূরত্ব সৃষ্টি হবে, মনোমালিন্য হবে, বন্ধু-বান্ধবদের অন্তরে ক্ষোভ বা অসন্তেষ সৃষ্টি হতে পারে তাই সঙ্গী সাথীদের সাথে তাল মিলিয়ে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সন্তুষ্টিকে অগ্রাহ্য করে গুনাহের বোঝা মাথায় নিয়ে অন্যজনের গীবত করা হয়, এ অনৈতিক আচরণ ও গর্হিত বিবেকবর্জিত বদ আমল তাকে জাহান্নামে নিয়ে যাবে। মুমিনের জীবনের লক্ষ্য উদ্দেশ্য হবে একমাত্র প্রতিটি কাজে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সন্তুষ্টি অর্জন। গ. অন্যকে তুচ্ছ করার জন্য গীবত করা: অন্যকে তুচ্ছ করা ও নিজকে বড় মনে করার মনোভাব পোষণ করে অন্যজনের গীবত করা হয়। যেমন অনেক জ্ঞানী লোককে দেখা যায় অপর জ্ঞানী লোককে নিজের প্রতিপক্ষ ভেবে তার উপর নিজের কর্তৃত্ব ও শ্রেষ্ঠত্ব জাহির করার জন্য তাকে হেয় ও তুচ্ছভাবে উপস্থাপন করা হয়। সংকীর্ণ মানসিকতা, স্বার্থপরতা, হীনমন্যতা ও অহংকারবোধে অন্যকে কলংকিত করার জন্য গীবত করা হয়। এ ধরনের গর্হিত চরিত্রের লোকেরা সমাজের জন্য ক্ষতিকর। মাযহাব, মিল্লাত, ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠার পবিত্র অঙ্গনে এ ধরনের লোকদের ভূমিকা নিতান্তই নিন্দনীয়, সমাজে এরা ঘৃণিত। ঘ. ঈর্ষাপরায়ণতা: এক শ্রেণির লোক অন্যজনের উন্নতি অগ্রগতি সুনাম, খ্যাতি মোটেই সহ্য করতে পারেনা, সর্বজনশ্রদ্ধেয় গুণিজন ও শ্রদ্ধার পাত্র সম্মানিত ব্যক্তিদের সর্বত্র গ্রহণযোগ্যতার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে অনেক সময় ব্যক্তির গীবত করা হয়, এতে গীবতকারীই ক্ষতিগ্রস্ত হয় ও নিন্দিত হয়। ঙ. কর্ম বিমুখতা: অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা। বেকারত্ব দেশ ও জাতির জন্য অভিশাপ। কর্মবিমুখ অলস ব্যক্তির সময় কাটেনা, শয়তানের প্ররোচনায় তারা অন্য জনের দোষত্রুটি, কুৎসা ও সমালোচনায় লিপ্ত হয়ে সময় অতিবাহিত করে। নিজের স্বার্থের বিপরীতে অপছন্দের লোকের গীবত চর্চা করে আত্মতুষ্টি লাভ করে। চ. পরনিন্দা করা অযোগ্য ও হিংসুক লোকের চরিত্র: অনেক সময় কম যোগ্যতাসম্পন্ন লোকেরা যোগ্যতাসম্পন্ন দায়িত্বশীল লোকদের সামনে নিজদের কর্মদক্ষতা, যোগ্যতা প্রমাণে ব্যর্থ হয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গীবত, সমালোচনা করে নিজের অযোগ্যতা অদক্ষতা, কর্মবিমুখতা, ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালায়। মানুষের বিরুদ্ধে নিন্দুক সমালোচক শ্রেণির লোকদের স্মরণ করিয়ে দেয়া দরকার যে, ইসলামী আদর্শ ও কুরআন সুন্নাহর বিধি বিধানে অনর্থক কথা ও কাজের কোন মূল্য নেই। অনর্থক কথা ও কাজে সময় ও শ্রম দুটোই বিনষ্ট হয়, আমল বরবাদ হয়ে যায়, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন- হযরত আবু হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন, অনর্থক কথা ও কাজ ছেড়ে দেয়া ইসলামের অন্যতম শোভাবর্ধক স্বভাব। (তিরমিযী শরীফ)। মাগফিরাত কামনা গীবতের কাফ্ফরা: হাদীস শরীফে এরশাদ হয়েছে- হযরত আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন, গীবতের কাফ্ফারা হলো, এ যে, তুমি যার গীবত করেছ তার মাগফিরাত কামনা করে দুআ করো। তুমি দুআ এভাবে করবে যে, হে আল্লাহ তুমি আমার এবং তার গুনাহ ক্ষমা কর। (বায়হাকী শরীফ) আল্লাহ আমাদের আপনাদের সকলকে কুরআনের বরকত দান করুন। কুরআনের আয়াত ও প্রজ্ঞাপূর্ণ উপদেশ দ্বারা আমাদের নাজাত দান করুন। নিশ্চয় তিনি মহান দানশীল, সৃষ্টি জগতের মালিক পূণ্যময় অনুগ্রহশীল ও দয়ালু। আল্লাহ তাআলা গীবত করা থেকে সকলকে হিফাজত করুন- আমীন। লেখক : অধ্যক্ষ, মাদরাসা-এ তৈয়্যবিয়া ইসলামিয়া সুন্নিয়া ফাযিল (ডিগ্রী), বন্দর, চট্টগ্রাম; খতীব, কদম মোবারক শাহী জামে মসজিদ।...

দেখা মিলল পৃথিবীর সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন আকাশের

৩জুন,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পৃথিবীর সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন আকাশের সন্ধান পাওয়ার দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা। যার বায়ুমণ্ডল মানুষের কর্মকাণ্ড দ্বারা তৈরি ক্ষতিকর কণা থেকে মুক্ত। অ্যান্টার্কটিকা ঘিরে থাকা দক্ষিণ মহাসাগরে পাওয়া গেল সেই স্থান। সিএনএনের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, কলোরোডা স্টেট ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক দক্ষিণ সাগরে বায়োঅ্যারোসল কম্পোজিশনের ওপর গবেষণা করে বিরল এ বায়ুমণ্ডলের দেখা যান। এ ধরনের গবেষণা এবারই প্রথম। আবহাওয়া ও জলবায়ু ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। যা আবার বিশ্বের এক প্রান্তের সঙ্গে অন্য প্রান্তকে সংযুক্তও করে। এ কারণ এক অঞ্চলের পরিবর্তন অন্য অঞ্চলেও প্রভাব ফেলে। এরই মাঝে বিজ্ঞানী ও গবেষকরা মানুষের কর্মকাণ্ড দ্বারা প্রভাবিত হয়নি এমন অঞ্চল খুঁজে চলছিলেন। অধ্যাপক সনিয়া ক্রেইডেনউইজ ও তার দল আগেই সন্দেহ করেছিলেন পৃথিবীর অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে দক্ষিণ মহাসাগরের বায়ুমণ্ডল মানুষ ও ধূলিকণা দ্বারা কম ক্ষতিগ্রস্ত। তারা দেখেন বায়ু মণ্ডলের একদম নিচের স্তর জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার, নির্দিষ্ট ফসল বপন, সার উৎপাদন বা বর্জ্য পানি নিষ্কাশন বা এ ধরনের দূষণ দ্বারা প্রভাবিত নয়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই ফলাফল উত্তর গোলার্ধের চেয়ে একদম ভিন্ন। ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেস জার্নালে সোমবার এ গবেষণা ফলাফল প্রকাশ হয়। সেখানে অ্যান্টার্কটিকার ওই অঞ্চলকে- সত্যিই আদিম বলে উল্লেখ করা হয়। বায়ু দূষণ ইতিমধ্যেই বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সংকট হিসেবে বিবেচিত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, বছরে এ কারণে ৭০ লাখ মানুষ মারা যায়। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, বায়ু দূষণ ভৌগলিক সীমানা পার হতে পারে সহজে। দূষণের উৎসের শত শত মাইল দূরের মানুষকেও আক্রান্ত করে। ...

জামাল খানের উন্নয়নই আমার একমাত্র চাওয়া: কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন

০১মার্চ,রবিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন এলাকার উন্নয়ন ভাবনা ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। শনিবার ২৯শে ফেব্রুয়ারি বিকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন নিয়ে তার চিন্তা ধারার কথা তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকার জন্য কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। দলীয় মনোনয়ন পেয়ে তিনি তার অনুভুতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, তিনি দলীয় মনোনয়ন পেয়ে অনেক খুশী যে তাকে আবারও মুল্যায়ন করেছেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানান তাকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য। তার উপর আস্থা রাখার জন্য। তিনি প্রধানমন্ত্রীর আস্থার প্রতিদান দিবেন। তিনি মনে করেন এই মনোনয়ন এর মধ্য দিয়ে তার দায়বদ্ধতা আরও বেড়ে গেলো এবং কাজের গতি দ্বিগুন বেড়ে গেছে। কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন জানান, আজকের এই নান্দনিক জামাল খানের রুপান্তর সম্ভব হয়েছে মানুষের সহযোগিতার জন্য। ওয়ার্ডবাসী তাদের মুল্যবান রায় দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করেছে এবং আমার উপর আস্থা রেখেছেন। যার ফলে তিনি বিগত পাঁচ বছরে নগরীর জামাল খান ওয়ার্ডকে একটি নান্দনিক জামাল খানে রুপান্তর করতে সক্ষম হয়েছেন। এক সময় যে জামাল খানে একটু রাত হলেই ঘনিয়ে আসতো অন্ধকার, স্ট্রিট লাইট গুলো জ্বলত মিট মিট করে। গনি ব্যাকারী থেকে জামাল খান পর্যন্ত নেমে আসা নিরবতার কারনে বেড়ে যেত ছিনতাই আর নেশা খোরদের আনাগোনা। সেই জামাল খান আজ চট্টগ্রাম তথা বাংলাদেশের একটি আদর্শ ওয়ার্ডে রূপান্তরিত হয়েছে। ৪১ টি ওয়ার্ডের মধ্যে একটি অন্যতম ওয়ার্ড হিসাবে পরিচিত। চারিদিকে সবুজের সমারোহ তিরি করা হয়েছে, লাগানো হয়েছে বিচিত্র গাছ গাছালি ও ফুলের বাগান। সেই সাথে রয়েছে দর্শনার্থীদের জন্য বসার স্থান। সড়ক জুড়ে স্থাপন করা হয়েছে এলডি বাল্ব।পথচারীদের বিশ্রামের জন্য বসানো হয়েছে ছাউনি। জামাল খানের প্রতিটি দেয়ালে দেয়ালে বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সুনিপুণ কারুকাজ করা হয়েছে। যা ইতিহাস ঐতিহ্যের সাথে মানুষকে পরিচয় করিয়ে দেয়। গোল চক্করে স্থাপন করা হয়েছে রঙ্গিন ফোয়ারা যা জামাল খানের সৌন্দর্যকে অনেক খানি বাড়িয়ে দিয়েছে। বসানো হয়েছে লাইভ ফিশ একুরিয়াম( স্ট্রিট একুরিয়াম)। অতি সম্প্রতি দেয়ালে স্থাপন করা হয়েছে বাংলাদেশের প্রথম কাঁচের তৈরি বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল। তিনি এলাকার মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। মাদক, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলবেন। যুবক সমাজকে মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত রাখতে কাজ করবেন। তার এলাকায় জলজট নেই তবে কিছুটা জলাবদ্ধতা আছে। তিনি আশা বাদী সিডিএ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যৌথ ভাবে জলাবদ্ধতা নিরসনে একটি প্রকল্পের কাজ করছে। এটির বাস্তবায়ন হলে জলাবদ্ধতা পুরোপুরি নিরসন করা যাবে। আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে এই জামাল খানকে বিশ্বের একটি আধুনিক ওয়ার্ডে রুপান্তর করবেন। পার্কের আদলে গড়ে তুলবেন পুরো জামাল খানকে। জামাল খানে গড়ে তুলবেন একটি সমন্বিত বার্ড জোন ও একটি পাঠাগার। জামালখান কে তামাক মুক্ত ও ফুটপাত হকার মুক্ত রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন। তাছাড়া এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আনসার নিয়োগের পরিকল্পনা ও রয়েছে। তিনি ২১ নং জালাল খানের ওয়ার্ড বাসীর কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন, তার শৈশব কৈশোর কেটেছে এই জামাল খানে। এই এলাকার সাথে তার আত্মার সম্পর্ক। আপনারা আমার পরম আত্মীয়। তাকে আবারও নির্বাচিত করে আরও একটিবার সুযোগ দেওয়ার জন্য যাতে এলাকাবাসীর সেবা করতে পারেন। সেই সাথে দলীয় নেতা কর্মীদের কাছে উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন তাকে সহযোগিতা করার জন্য। তিনি নির্বাচিত হলে সব সময় সুখে দুঃখে এলাকাবাসীর পাশে থাকবেন। অতীতের মত নিরলস ভাবে কাজ করে যাবেন এবং জনগনের ভালোবাসার প্রতিদান দিবেন। জামালখান বাসী আমরা সবাই একটা পরিবার। আপনারা যদি মনে করেন আমাকে বিগত পাঁচ বছরে আপনাদের কাছে পেয়েছেন তাহলে আমাকে আবার সেবা করার সুযোগ দিবেন। ...

জলাবদ্ধতা নিরসন,মহিলাদের আত্ম কর্মসংস্থান ও প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যাবো

২৭ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সংরক্ষিত মহিলা আসন ২২, ৩০ ও ৩১ এর মহিলা কাউন্সিলর নিলু নাগ এলাকার উন্নয়ন ভাবনা ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। সোমবার ২৪শে ফেব্রুয়ারি্ বিকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন নিয়ে তার চিন্তা ধারার কথা তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকার জন্য কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। মহিলা কাউন্সিলর নিলু নাগ জানিয়েছেন, তিনি চলতি মেয়াদে(২০১৬-২০২০ইং) ২২,৩০ ও ৩১ নং ওয়ার্ডের এর মহিলা কাউন্সিলর হিসাবে আছেন। বর্তমানে তিনি কোতোয়ালী থানা আওয়ামী লীগের মহিলা সম্পাদিকা। সেই সাথে তিনি বেশ কিছু সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে ও যুক্ত আছেন, একাধারে মহানগর মহিলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদিকা, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট যুগ্ম সাধারন সম্পাদিকা বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ মহিলা শাখার মহানগর সাধারন সম্পাদিকা। তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে যুক্ত থেকে মানুষের কল্যানে কাজ করে যাচ্ছেন। সেই সাথে তার তিন ওয়ার্ডের জলাবদ্ধতা নিরসন ও মহিলাদের আত্ম কর্মসংস্থান ও স্বাবলম্ভি করার জন্য কাজ করে যাবেন। দলীয় মনোনয়ন পেয়ে তিনি তার অনুভুতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন,তিনি দলীয় মনোনয়ন পেয়ে অনেক খুশী যে তাকে আবারও মুল্যায়ন করেছেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানান তাকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য। তার উপর আস্থা রাখার জন্য।তিনি প্রধানমন্ত্রীর আস্থার প্রতিদান দিবেন। তিনি গর্বিত প্রধানমন্ত্রীর একজন কর্মী হিসাবে। তিনি এলাকার মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। মাদক, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলবেন। তিনি তার ওয়ার্ডের পুরুষ কমিশনার, মেয়র ও এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে তার তিন ওয়ার্ডের উন্নয়নে কাজ করে যাবেন। এলাকার বিশেষ বিশেষ সমস্যা গুলো চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের জন্য কাজ করে যাবেন। প্রধানমন্ত্রীর জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে কাজ করে যাবেন। যেহেতু মহিলা কাউন্সিলরদের তেমন কাজ থাকে না তবুও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন এবং আগামীতেও সেই ধারা অব্যাহত রাখবেন। তিনি জানান, তার তিন ওয়ার্ডের প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা। তার তিন ওয়ার্ডই জলাবদ্ধ প্রবন এলাকা তাই মেয়র ও সাধারন(পুরুষ)কাউন্সিলরের সহযোগিতা নিয়ে জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করে যাবেন। তিনি বিগত পাঁচ বছরে মেয়রের সহযোগিতায় জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করেছেন। তিনি জানান, আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে এলাকার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সহযোগিতা করে যাবেন। তার ওয়ার্ডের সাধারন(পুরুষ) কমিশনার, মেয়র এর যৌথ সমন্বয়ে এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করে যাবেন। বিশেষ করে আমাকে মনোনয়ন দেয়া তিন ওয়ার্ডের নারীদের কে বিভিন্ন সহযোগিতা দিয়ে স্বাবলম্ভি করে গড়ে তোলা। আমি এদের জীবন মান উন্নয়ন ও কল্যানে সাধ্যমত কাজ করে যাব। তিনি ২২,৩০ ও ৩১ ওয়ার্ডের জনগনের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন, তাকে আবারও নির্বাচিত করে আরও একটিবার সুযোগ দেওয়ার জন্য যাতে এলাকাবাসীর সেবা করতে পারেন। সেই সাথে দলীয় নেতা কর্মীদের কাছে উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন তাকে সহযোগিতা করার জন্য। তিনি নির্বাচিত হলে সব সময় সুখে দুঃখে এলাকাবাসীর পাশে থাকবেন। অতীতের মত নিরলস ভাবে কাজ করে যাবেন এবং জনগনের আস্থার প্রতিফলন ঘটাবেন। ...

নিউজ একাত্তরের চট্টগ্রাম অফিস সাময়িক বন্ধের বিজ্ঞপ্তি

২০জুন,শনিবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা মহামারীর কারণে সারাদেশে সাধারন ছুটির আওতায় সকল মার্কেট বন্ধ থাকার কারণে গত ২৬ মার্চ থেকে নিউজ একাত্তরের চট্টগ্রাম অফিস বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে উক্ত অফিসের দুজন কর্মচারীর করোনা উপসর্গ নিয়ে বাসায় চিকিৎসাধীন থাকার কারণে এবং সরকারের ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি ও আদেশের প্রতি সম্মান জানিয়ে আগামী ০১ লা জুন ২০২০ হইতে ৩১শে আগস্ট ২০২০ পর্যস্ত নিউজ একাত্তরের চট্টগ্রাম অফিস বন্ধ থাকবে তবে যথারিতি অনলাইন চালু থাকবে। সাময়ীক অসুবিধার জন্য আমরা দু:খিত। আদেশক্রমে-কতৃপক্ষ।


জামাল খানের উন্নয়নই আমার একমাত্র চাওয়া: কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন

০১মার্চ,রবিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন এলাকার উন্নয়ন ভাবনা ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। শনিবার ২৯শে ফেব্রুয়ারি বিকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন নিয়ে তার চিন্তা ধারার কথা তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকার জন্য কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। দলীয় মনোনয়ন পেয়ে তিনি তার অনুভুতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, তিনি দলীয় মনোনয়ন পেয়ে অনেক খুশী যে তাকে আবারও মুল্যায়ন করেছেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানান তাকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য। তার উপর আস্থা রাখার জন্য। তিনি প্রধানমন্ত্রীর আস্থার প্রতিদান দিবেন। তিনি মনে করেন এই মনোনয়ন এর মধ্য দিয়ে তার দায়বদ্ধতা আরও বেড়ে গেলো এবং কাজের গতি দ্বিগুন বেড়ে গেছে। কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন জানান, আজকের এই নান্দনিক জামাল খানের রুপান্তর সম্ভব হয়েছে মানুষের সহযোগিতার জন্য। ওয়ার্ডবাসী তাদের মুল্যবান রায় দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করেছে এবং আমার উপর আস্থা রেখেছেন। যার ফলে তিনি বিগত পাঁচ বছরে নগরীর জামাল খান ওয়ার্ডকে একটি নান্দনিক জামাল খানে রুপান্তর করতে সক্ষম হয়েছেন। এক সময় যে জামাল খানে একটু রাত হলেই ঘনিয়ে আসতো অন্ধকার, স্ট্রিট লাইট গুলো জ্বলত মিট মিট করে। গনি ব্যাকারী থেকে জামাল খান পর্যন্ত নেমে আসা নিরবতার কারনে বেড়ে যেত ছিনতাই আর নেশা খোরদের আনাগোনা। সেই জামাল খান আজ চট্টগ্রাম তথা বাংলাদেশের একটি আদর্শ ওয়ার্ডে রূপান্তরিত হয়েছে। ৪১ টি ওয়ার্ডের মধ্যে একটি অন্যতম ওয়ার্ড হিসাবে পরিচিত। চারিদিকে সবুজের সমারোহ তিরি করা হয়েছে, লাগানো হয়েছে বিচিত্র গাছ গাছালি ও ফুলের বাগান। সেই সাথে রয়েছে দর্শনার্থীদের জন্য বসার স্থান। সড়ক জুড়ে স্থাপন করা হয়েছে এলডি বাল্ব।পথচারীদের বিশ্রামের জন্য বসানো হয়েছে ছাউনি। জামাল খানের প্রতিটি দেয়ালে দেয়ালে বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সুনিপুণ কারুকাজ করা হয়েছে। যা ইতিহাস ঐতিহ্যের সাথে মানুষকে পরিচয় করিয়ে দেয়। গোল চক্করে স্থাপন করা হয়েছে রঙ্গিন ফোয়ারা যা জামাল খানের সৌন্দর্যকে অনেক খানি বাড়িয়ে দিয়েছে। বসানো হয়েছে লাইভ ফিশ একুরিয়াম( স্ট্রিট একুরিয়াম)। অতি সম্প্রতি দেয়ালে স্থাপন করা হয়েছে বাংলাদেশের প্রথম কাঁচের তৈরি বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল। তিনি এলাকার মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। মাদক, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলবেন। যুবক সমাজকে মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত রাখতে কাজ করবেন। তার এলাকায় জলজট নেই তবে কিছুটা জলাবদ্ধতা আছে। তিনি আশা বাদী সিডিএ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যৌথ ভাবে জলাবদ্ধতা নিরসনে একটি প্রকল্পের কাজ করছে। এটির বাস্তবায়ন হলে জলাবদ্ধতা পুরোপুরি নিরসন করা যাবে। আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে এই জামাল খানকে বিশ্বের একটি আধুনিক ওয়ার্ডে রুপান্তর করবেন। পার্কের আদলে গড়ে তুলবেন পুরো জামাল খানকে। জামাল খানে গড়ে তুলবেন একটি সমন্বিত বার্ড জোন ও একটি পাঠাগার। জামালখান কে তামাক মুক্ত ও ফুটপাত হকার মুক্ত রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন। তাছাড়া এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আনসার নিয়োগের পরিকল্পনা ও রয়েছে। তিনি ২১ নং জালাল খানের ওয়ার্ড বাসীর কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন, তার শৈশব কৈশোর কেটেছে এই জামাল খানে। এই এলাকার সাথে তার আত্মার সম্পর্ক। আপনারা আমার পরম আত্মীয়। তাকে আবারও নির্বাচিত করে আরও একটিবার সুযোগ দেওয়ার জন্য যাতে এলাকাবাসীর সেবা করতে পারেন। সেই সাথে দলীয় নেতা কর্মীদের কাছে উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন তাকে সহযোগিতা করার জন্য। তিনি নির্বাচিত হলে সব সময় সুখে দুঃখে এলাকাবাসীর পাশে থাকবেন। অতীতের মত নিরলস ভাবে কাজ করে যাবেন এবং জনগনের ভালোবাসার প্রতিদান দিবেন। জামালখান বাসী আমরা সবাই একটা পরিবার। আপনারা যদি মনে করেন আমাকে বিগত পাঁচ বছরে আপনাদের কাছে পেয়েছেন তাহলে আমাকে আবার সেবা করার সুযোগ দিবেন।

সুবিধাবাদীদের ভিড়ে ত্যাগীরা গুমরে কাঁদে

০৮,জুলাই,বুধবার,নিউজ একাত্তর ডট কম: ছাত্রলীগ করতে যেয়ে ছাত্রদল ও পুলিশের পিটুনিতে আমার তিনবার হাত ভেঙ্গেছিলো। বন্ধুরা যখন ক্লাসরুম বা পড়াশোনায় ব্যস্ত ছিল আমি তখন মধুর ক্যান্টিন আর ক্যাম্পাস দাপিয়ে বেড়াতাম- জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু; শেখ হাসিনা ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই- শ্লোগানে। ওয়ান ইলেভেনে নিজের এবং পরিবারের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় ছিলাম। কত কত নির্ঘুম রাত ... জীবনের একটা পর্যায়ে এসে মনে হয়েছে রাজনীতি আমার জন্য না। তবে একসময় ছাত্রলীগের কর্মী ছিলাম এটা নিয়ে আমি গর্ব করি। ভর্তি পরীক্ষায় বেশ ভালো করেছিলাম। খুব অল্প পড়েই মোটামুটি ভালো নম্বর পেয়েছিলাম অনার্স মাস্টার্সে। আমার যে বন্ধুরা এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক, যুগ্ম জেলা জজ, ইউএনও, এডিশনাল এসপি, ডেপুটি ডিরেক্টর কারো চেয়ে একটুও কম মেধাবী ছিলাম না আমি। ছাত্রলীগ না করে ঠিকমত পড়াশোনাটা করলে অথবা ছাত্রজীবনে অন্য কোন সংগঠন করলে আমিও কর্মজীবন শেষে বড় কিছুই হতাম। আমার মত লাখো বাণী ইয়াসমিন হাসির ঘাম শ্রম আর আবেগ মিশে আছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের গায়ে। পার্টি যদি ভুল পথে হাঁটে আমার ঘাম শ্রমের বিনিময়ে হলেও সমালোচনার দাবি আমি রাখি। ভালো থাকুক ভালোবাসার আওয়ামী লীগ। বঙ্গবন্ধুর ছিল একজন খন্দকার মোশতাক। শেখ হাসিনার শয়ে শয়ে। খন্দকার মোশতাকদের ভিড়ে নিরাপদে থাকুক প্রিয় আপা। কোভিড খাতে বরাদ্দ ৮০০ কোটি টাকার মধ্যে মাত্র ২৫ লাখ টাকার কাজ পেয়েছিলো আমিন ভাইয়ের কোম্পানি। বড় চোরদের বাঁচাতে আমিন ভাইকে ফাঁসানো হলো। উনার নামে পুলিশ কেস হলো, দুদক মামলা করলো। অথচ হাজার কোটি টাকা যারা লোপাট করলো তাদের কিছুই হলো না। আমিন ভাইয়ের সংগঠনের নেতারাই উনার বিরূদ্ধে নিউজ করালেন, নিউজ শেয়ার করালেন আবার বুস্ট করে ভাইরালও করালেন! যশোরের ডিসি তমিজ ভাইকে ছাত্রদলের ক্যাডার বানিয়ে দেওয়া হলো। উনার সময়ের এফ রহমান হলের ছাত্রলীগের প্রেসিডেন্ট/ সেক্রেটারি কুমিল্লার এসপি নুরুল ভাই ও মাহফুজ মামা দুইজনই বললেন, তমিজ ভাই উনাদের সাথে ছাত্রলীগ করতেন। একটু খোঁজ নিলেই ব্যাকগ্রাউন্ড টা জানা যেত কিন্তু কেউ সেটা করলেন না। প্রশাসন ক্যাডারের গ্রুপিং এর কারণে ভালো পোস্টিং কেউ পেলেই নোংরামি শুরু হয়। আর এটা করে আমাদের লোকেরাই। বিএনপির নোমান সাহেবের পিএস একটা গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের সচিব হলেন, এটা নিয়ে টুশব্দটাও কেউ করলো না। ডিসি কি এত বড় পদ? অথচ সরকারের কত গুরুত্বপূর্ণ চেয়ারে কত পোস্টেড বিএনপি জামাত বসে আছে সেটা নিয়ে কারো কোন মাথাব্যথা নেই। লক্ষ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা হলো। কয় টাকার কাজ সাবেক ছাত্রলীগ আওয়ামী লীগ বা সহযোগী অংগ সংগঠনের নেতা কর্মীরা পাবে? নিজেদের মধ্যে কামড়াকামড়ি আর কাঁদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ করেন। চোখ মেলে দেখেন, আপনারা কাবাডি খেলায় ব্যস্ত। আর অন্যরা সম্পদের পাহাড় গড়ছে। এবার আত্ম উপলব্ধির সময় এসেছে। আপনাদের দল ক্ষমতায় তারপরও আপনারা ক্ষমতাহীন। চাকরি ব্যবসা সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা হাতিয়ে নিচ্ছে অন্য কেউ। আর এর জন্য সবচেয়ে বড় দায়টা কিন্তু আপনাদেরই। দেরী হোক, যায়নি সময়। সবাই এক হয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই টা শুরু করেন। এতে আপনারা বাঁচবেন, দল বাঁচবে, দেশও বাঁচবে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক আর যাই হোক মানুষের কথা ভাববে। এভাবে পুকুর চুরি করবে না। এটা আমার বিশ্বাস। দলীয় নেতাকর্মীরা একে অন্যের কাপড় খোলার নোংরা খেলায় মেতে উঠেছে। ছোট মুখে একটা বড় কথা বলি। খুউব সুপরিকল্পিতভাবে সবগুলো উইং কে দুর্বল বা ধ্বংস করা হচ্ছে। কালিমালেপন করা হচ্ছে। শুরুটা ছাত্রলীগ দিয়ে তারপর যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মূল দলের সম্মেলনে বিতর্কিতদের প্রমোশন অথবা পূনর্বাসন, যুবমহিলা লীগ। এরপর কে বা কোন উইং? কাঁদা ছোড়াছুড়ি না করে একটু ভাবুন। কিসের মোহে ছুটছেন? কাকে ধরতে দৌড়াচ্ছেন? নাকি কেউ আড়াল থেকে আপনাদের একজনের পেছনে অন্যকে লেলিয়ে দিচ্ছে? ছুটতে ছুটতে ক্লান্ত হচ্ছেন। একে অন্যকে হারাতে গিয়ে দিনশেষে সবাই মিলে হারছেন! মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, সরকারের সব গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী, প্রশাসনের বড়কর্তা, মিডিয়া সর্বত্রই তার সরব উপস্থিতি। ধরা পড়ার পর জানা গেলো তিনি মীর কাশেম এবং নাজমুল হুদার ঘনিষ্ঠ। তার আওয়ামী রাজনীতির ক্যারিয়ার মাত্র বছর ছয়েকের। এর মধ্যেই তিনি এতকিছু বাগিয়ে নিলেন! অথচ রাজপথে যারা রক্ত ঝরিয়েছে, জেল খেটেছে-গত দুই যুগ বা তারও বেশি সময় ধরে তাদের অধিকাংশই আজও নিজের একটা আইডেনটিটি তৈরি করতে পারেননি। লাইসেন্স এবং নূন্যতম অবকাঠামো না থাকার পরও রিজেন্ট হাসপাতালের সাথে সরকারি চুক্তি হলো। কোটি কোটি টাকার বরাদ্দও মিললো। এর পেছনে কে বা কোন শক্তি সেটা কি কখনো সামনে আসবে? প্রধানমন্ত্রীর এত কাছে যারা তাকে পৌঁছে দিলো, যারা তাকে আওয়ামী লীগের নেতা বানালো এবং বিভিন্নভাবে প্রমোট করলো তাদের দায় কি কোন অংশে কম? আমি বিশ্বাস করি দল বাঁচাতে, দেশ বাঁচাতে দু:সময়ের কর্মীদের এক হওয়া প্রয়োজন। স্বাস্থ্যখাতের মিঠু শাহেদরা হাজার কোটি টাকার মালিক। শুধু স্বাস্থ্যখাত না প্রতিটা সেক্টরে মিঠুদেরই দৌরাত্ম। ছাত্রলীগের কোন সাবেক কাজ পায় না, তাদেরকে কাজ দেওয়া হয় না। আপনারা দশজন একত্র হোন। কোথাও গিয়ে দাঁড়ান তো একসাথে। কে আপনাদেরকে কাজ না দিয়ে পারে। কিন্তু আফসোস কি জানেন, আপনারা কখনোই এক হতে পারবেন না। লোকমান জামিন পায়, সম্রাট জেলে পচে মরে। লোকমান খালেদা জিয়ার পেছনে ছাতা ধরতো আর ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট জান দিয়ে আওয়ামী লীগটা করতো। লোকমানদের সব পাপ মাফ। কিন্তু পেসমেকার বসানো ক্রিটিক্যাল পেশেন্ট সম্রাটের কোন মাফ নেই। এখানে কোন মানবিকতা কাজ করে না! সুবিধাবাদীদের ভিড়ে ত্যাগীরা গুমরে কাঁদে। তাদের চাওয়া পাওয়ার কোন হিসেব নেই। একটাই প্রাণের আকুতি, দিনশেষে দলটা ভালো থাকুক। তাদের প্রিয় আপা নিরাপদে থাকুন। বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগকে এই আমি লীগের ভিড়ে বড্ড অচেনা লাগে! লেখক: বাণী ইয়াসমিন হাসি, সম্পাদক- বিবার্তা২৪ডটনেট।- বিডি-প্রতিদিন

আজকের মোট পাঠক

33068
O relaxamento vascular leva a um aumento na perfusão sanguínea, após o que os sintomas da hiperplasia prostática benigna são reduzidos.cialis tadalafil buy online White or white with a slightly yellowish tinge with a characteristic odor.cost of cephalexinIt is difficult and slow to dissolve in water, almost insoluble in alcohol. Cialis super active aumenta la producción de esperma, aumenta el deseo sexual.Cialis super active Sin Receta En EspañaCialis Super Asset lo ayudará en una situación difícil. Complications with prolonged use: rarely - psychoses that resemble alcoholic ones; hepatitis, gastritisCheap no Prescription disulfiramdetoxification therapy, administration of analeptics, and symptomatic therapy are necessary Nolvadex helps reduce the level of sex hormones in the blood of men and women Nolvadex online which ensures its therapeutic effect in this pathology.

নিউজ একাত্তর ডট কম

সম্পাদক : মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী

নির্বাহী সম্পাদক : আহাম্মদ হোসেন ভুইয়া

একটি পপুলার মিডিয়া পাবলিকেশন এর প্রকাশনা | রেজি নং: চ-১২৪২৭/১৭

সম্পাদকীয় ও বানিজ্যিক কার্যালয় : ৪১৬/সি,খিলগাও ঢাকা ০২৪৩১৫০৪৮৮, ০১৮২৪২৪৫৫০৪, ০১৭৭৮৮৮৮৪৭২

চট্টগ্রাম কার্যালয় : ১৯/২০/২১ বি ৩য় তলা, হানিমুন টাওয়ার,পাহাড়তলী,চট্টগ্রাম।

ই-মেইল : newsekattor@gmail.com, editorekattor@gmail.com, কপিরাইট ©newsekattor.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত