আলাস্কায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের প্রভাবে সুনামি

২০,অক্টোবর,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা উপকূলে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৫। ভূমিকম্পের প্রভাবে সেখানে ছোট আকারের সুনামিও আঘাত হেনেছে। খবর এএফপির। স্থানীয় সময় সোমবার ভূমিকম্পটি আঘাত হেনেছে বলে জানানো হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ওই ভূমিকম্প থেকে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওশেনিক অ্যান্ড অ্যাটমোসফেরিক অ্যাডমিনিসট্রেশন জানিয়েছে, ভূমিকম্পের প্রভাবে ছোট আকারের সুনামি ওয়েভ বা জলোচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যেই স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে দক্ষিণ উপকূলে সুনামির প্রভাব দেখা গেছে বলে জানানো হয়েছে। ভূমিকম্প আঘাত হানার পর ঘন বসতিপূর্ণ আলাস্কায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্যান্ড পন্ড শহরের কাছে দুই ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের রেকর্ড হয়েছে। ওই এলাকাটি ভূমিকম্পের উপকেন্দ্র থেকে ৬০ মাইল দূরে অবস্থিত। ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ২৫ মাইল (৪০ কিলোমিটার) মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ জানিয়েছে, ভূমিকম্পটি থেকে হতাহতের সম্ভাবনা খুবই কম। তবে শক্তিশালী ওই ভূমিকম্পের পর কমপক্ষে আরও পাঁচটি আফটার শক (পরাঘাত) অনুভূত হয়েছে। এগুলোর মাত্রা ৫ বা তার কিছুটা বেশি। আলাস্কা প্রশান্ত মহাসাগরীয় রিং অব ফায়ারে অবস্থিত হওয়ায় সেখানে প্রায়ই ছোট-বড় ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর আগে প্রায় তিন মাস আগে ওই একই এলাকায় ৭ দশমিক ৮ মাত্রার আরও একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ওই অঙ্গরাজ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পটি আঘাত হেনেছিল ১৯৬৪ সালে। এর মাত্রা ছিল ৯ দশমিক ২। ওই ভূমিকম্পের আঘাতে আড়াই শতাধিকের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। ভূমিকম্পের প্রভাবে সুনামিও আঘাত হানে।...

এবার ইসরায়েলের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক স্থাপন করল বাহরাইন

১৯,অক্টোবর,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আরব আমিরাতের পর এবার ইসরায়েলের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পর্ক স্থাপন করল বাহরাইন। বাহরাইনের রাজধানী মানামায় যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলি প্রতিনিধি দলের উপস্থিতিতে দু'দেশের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। খবর বিবিসি, আল জাজিরা। রোববার যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাহরাইন ও ইসরায়েল। ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল প্রতিষ্ঠার পর কয়েক দশক ধরেই বেশিরভাগ আরব রাষ্ট্র ইসরায়েলকে বয়কট করে আসছে। ফিলিস্তিনের সঙ্গে বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন দেশই কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করবে না বলে জানাচ্ছিল। কিন্তু ইসরায়েলের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসর, জর্ডান এবং বাহরাইন ইসরায়েলকে স্বীকৃত দিল। ফিলিস্তিনিরা এই কূটনৈতিক পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়ে বলছে, এটা তাদের পিঠে ছুরি মারার শামিল। রোববার সন্ধ্যায় মানামায় এক অনুষ্ঠানে বাহরাইন ও ইসরায়েলের কর্মকর্তারা পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের লক্ষ্যে একটি যৌথ চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন। এখন দুই দেশেই দূতাবাস খোলার বিষয়ে একমত প্রকাশ করেছে। ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে যে, ওই নথিতে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘর্ষ নিয়ে কোনো কিছু উল্লেখ ছিল না। চুক্তি স্বাক্ষরের পরে বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল লতিফ বিন রশিদ আল-জায়ানি এক বক্তব্যে বলেন, তিনি দু'দেশের মধ্যে প্রতিটি ক্ষেত্রে ফলপ্রসূ দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা প্রত্যাশা করছেন। তিনি ফিলিস্তিনি সংঘাতের অবসানে দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানসহ এই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠারও আহ্বান জানান। বাহরাইনের আন্তর্জাতিক ডায়ালিং কোডের সাথে মিল রেখে ইসরায়েলি দল ইআইএআই ফ্লাইট ৯৭৩ নম্বরে সফর করেছে। তবে মানামায় আসার জন্য সৌদি আরব অতিক্রম করার কারণে তাদেরকে ওই দেশটির বিশেষ অনুমতি নিতে হয়েছে। যদিও ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ব্যাপারে এ পর্যন্ত যতো আহ্বান এসেছে, তার সবই প্রত্যাখ্যান করে আসছেন সৌদি নেতারা। এই কূটনীতিতে সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে আঞ্চলিক বৈরিতা একটি ভূমিকা রেখেছে ধর্মীয় বিভাজনের কারণে। অর্থাৎ শিয়া মুসলিম শাসিত ইরানের সাথে সুন্নি মুসলিম শাসিত সৌদি আরবের সম্পর্ক গত এক দশকে আরও বৈরী হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাহরাইন এই দুই দেশই সৌদি আরবের মিত্র। এর আগে নানা অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগের সময় এই দুই দেশ ইরানকে নিয়ে তাদের উদ্বেগের বিষয়টি ইসরায়েলের কাছে প্রকাশ করেছে। ইসরায়েলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্টিভ মুচিনও উপস্থিত ছিলেন। মঙ্গলবার সংযুক্ত আরব আমিরাতে ইসরায়েলের প্রথম প্রতিনিধি দলের সাথেও তার যাওয়ার কথা রয়েছে। ফিলিস্তিনি নেতারা এই ঘোষণায় রীতিমত অবাক হয়েছেন বলে জানা গেছে। তারা সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাথে ইসরায়েলের ওই চুক্তি এবং পরবর্তীতে বাহরাইনের সাথে ইসরায়েলের চুক্তির নিন্দা জানিয়েছে। গত মাসে যখন এই চুক্তির ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, তখনই বাহরাইন থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করে নিয়েছিল ফিলিস্তিন। সেসময় ফিলিস্তিনের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, এটি ফিলিস্তিনি জনগণের জাতীয় অধিকার এবং যৌথ আরব পদক্ষেপের জন্য বড় ক্ষতি। ...

করোনা : কারফিউয়ে জনমানবশূন্য ফ্রান্সের সড়ক

১৮,অক্টোবর,রবিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাসের পুনরুত্থানের লাগাম টানতে কারফিউ জারি করায় ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস-সহ দেশটির অন্য ৮টি শহরের রাস্তা যেন জনমানবশূন্য মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে। শনিবার রাত থেকে এই কারফিউ বলবৎ হওয়ায় ভূতুড়ে নগরীতে পরিণত হয়েছে ফ্রান্সের ৯টি শহর। ফ্রান্সে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দ্বিতীয় দফায় বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশটির সরকার বিতর্কিত রাত্রিকালীন কারফিউ জারির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে করোনার অন্যতম হটস্পট হয়ে উঠছে ফ্রান্স। বসন্তে দুই মাসের লকডাউনে ব্যবসা-বাণিজ্য ধুঁকছে বলে দেশটির রেস্টুরেন্ট মালিকরা অভিযোগ করেছেন। এদিকে, করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ধাক্কা মোকাবিলায় ইউরোপের আরেক দেশ ইতালি নতুন করে বিধি-নিষেধ আরোপ করছে। করোনার প্রথম ঢেউয়ে ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে ইতালিই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শনিবার দেশটিতে দৈনিক রেকর্ডসংখ্যক করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস, মার্সেলে, লিয়ন, লিলি এবং তুলোসসহ অন্যান্য শহরের প্রায় ২ কোটি মানুষ কারফিউয়ের আওতায় এসেছেন। প্রত্যেকদিন রাত ৯টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত এই কারফিউ বলবৎ থাকবে। দেশটির প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ তৈরির ঝুঁকি এড়াতে কারফিউয়ের প্রয়োজন। কিন্তু দেশটিতে ব্যবসা-বাণিজ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। প্যারিসে ইতালীয় রেস্টুরেন্ট বায়ানকোর ব্যবস্থাপক স্টেফানো আনসেলমো ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে বলেন, রেস্টুরেন্টের কর্মচারীরা নিশ্চিতভাবেই চাকরি হারাবেন। এটা এক ধরনের দুর্যোগ। ফ্রান্সের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, শনিবার দেশটিতে রেকর্ড ৩২ হাজার ৪২৭ জন নতুন করে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন। আগের দিন ২৫ হাজার ৮৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়। গত বছরের ডিসেম্বরে চীনে উৎপত্তি হওয়া করোনাভাইরাসে ফ্রান্সে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৮ লাখ ৬৭ হাজারের বেশি মানুষ এবং মারা গেছেন ৩৩ হাজারের বেশি। দ্বিতীয় দফায় সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশটির চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর মারাত্মক চাপ তৈরির শঙ্কা দেখা দিয়েছে। প্যারিস ও অন্যান্য শহরের হাসপাতালগুলোর নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রগুলোতে (আইসিইউ) করোনা রোগীর সংখ্যা গত কয়েকদিন ধরে তুলনামূলক বাড়ছে। ...

কলকাতায় বহুতল ভবনে ভয়াবহ আগুন, নিহত ২

১৭,অক্টোবর,শনিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কলকাতা একটি বহুতল ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এতে এপর্যন্ত অন্তত দুইজন নিহত হয়েছেন। ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আহত হয়েছেন আরও এক কিশোর। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার রাত ১১টার দিকে গণেশচন্দ্র অ্যাভিনিউর একটি আটতলা বাড়িতে আগুন লাগে। দ্রুতই বেশ কয়েকটি তলায় সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এসময় আতঙ্কে চিৎকার করতে থাকেন বাসিন্দারা। প্রাথমিকভাবে ভবনের বাসিন্দা ও স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। এসময় প্রাণভয়ে ভবন থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেন অনেকে। খবর পেয়ে দমকল বাহিনী এসে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। ভবনের ওপরের দিকে অনেকে আটকে পড়ায় নিয়ে আসা হয় হাইড্রোলিক ল্যাডার। তবে এর মধ্যেই ধোঁয়ায় দম বন্ধ হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়। এদের মধ্যে একজন বৃদ্ধাও রয়েছেন। এদিকে, আগুনের ভয়ে ছাদ থেকে লাফ দিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন এক কিশোর। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দমকল কর্মীরা জানিয়েছেন, ভবনের একতলার মিটার বক্স থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে স্থানীয় বাসিন্দা এবং পরে দমকল, বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর ও পুলিশের সাহায্যে ভেতরে আটকে পড়া বাসিন্দাদের বের করে আনা হয়েছে। তবে প্রাণে বাঁচলেও অনেকেই তাদের সর্বস্ব হারিয়েছেন। আপাতত তাদের সাহায্য করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ...

রিকশা চালকের ছদ্মবেশে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

২০,অক্টোবর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রিকশা চালক ও যাত্রী বেশে তাকে কাটগড় থেকে মাদকের মামলায় সাজাপ্রাপ্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে টিম কোতোয়ালী। সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯ টার দিকে পতেঙ্গা থানার কাটগড় এলাকা থেকে সাজাপ্রাপ্ত আসামি আবু বক্কর সিদ্দিক মামুনকে গ্রেপ্তার করেছে এএসআই সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের এই টিম। এই টিমে ছিলেন রমেশ বড়ুয়া ও নুরুন নবী নামের আরও দুই এএসআই। মঙ্গলবার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর কথাও জানান কোতোয়ালী থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন। ওসি মোহাম্মদ মহসীন জানান, ছদ্মবেশ নেয়ার কারণ হলো তিন বছর আগে থেকে ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা। ২০১১ সালে বাকলিয়া থানার একটি মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হন কোতোয়ালী থানার ঘাটফরহাদবেগ এলাকার আবু বক্কর সিদ্দিক মামুন। ২০১৭ সালে বিচারে তার ৫ বছরের সাজা হয়। কিন্তু সে নিজ বাড়িতেও নেই, অনেক দিন ধরে লাপাত্তা। আমরাও পিছু ছাড়িনি তার। নতুন করে খবর পেয়ে একটি টিম রেডি করি। তিনি বলেন, এএসআই সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের টিমকে ছদ্মবেশে কৌশলে তাকে গ্রেপ্তার করতে বললাম। গত তিন দিন আগে থেকে সম্ভাব্য সব স্থানে অভিযান চালিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। অবশেষে কৌশল পরিবর্তন করে। পরে খবর পেয়ে পতেঙ্গার কাটগড় এলাকায় সে যেখানে বাসা নিয়েছে আমরা তিনজন রিকশা চালক আর যাত্রীর বেশে সোমবার দুপুর থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত সেখানে অবস্থান নেওয়ার পরে রিকশার পাশ দিয়েই হেটে বাসায় যাওয়ার সময় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি আবু বক্করকে গ্রেপ্তার করা হয়। ...

ঠাকুরগাঁওয়ে শেখ রাসেলের জন্মবার্ষিকী উদযাপন

১৯,অক্টোবর,সোমবার, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৫৬তম জন্মবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। এই উপলক্ষে রবিবার সকালে ঠাকুরগাঁও সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন ও শিশু একাডেমী যৌথভাবে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল,কেককাটা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে কেককাটার পর জেলা প্রশাসক ড. কেএম কামরুজ্জামান সেলিমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নুর কুতুবুল আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আমিনুল ইসলাম, এন.এস.আইর যুগ্ম পরিচালক হেমায়েত হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামাল হোসেন, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা জবেদ আলী, জেলা আলীগের সহ সভাপতি মাহাবুবুর রহমান খোকন প্রমুখ। আলোচনার পর সুবিধা বঞ্চিত ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ১৮ জন শিশুদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়। ...

আনোয়ারায় চার হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক

১৯,অক্টোবর,সোমবার,আনোয়ারা প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: আনোয়ারা উপজেলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পৃথক অভিযানে দুই যুবক আটক হয়েছে। এই সময় তাদের কাছ থেকে ৪ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। রবিবার সকালে আনোয়ারা উপজেলার কালাবিবি দীঘির মোড় এলাকা হতে তাদেরকে আটক করা হয়েছে। জানা যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম অঞ্চলের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি প্রতিনিধি দল রবিবার সকালে উপজেলার কালা বিবির দীঘির মোড় এলাকায় পৃথক অভিযান চালায়। সেখানে চার হাজার পিস ইয়াবাসহ দুজনকে আটক করে। আটককৃতরা হলো কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার বটতলী গ্রামের রশিদ আহমদ এর পুত্র আব্দুল আজিজ (২৮)। নড়াইল জেলার কালিয়া এলাকার শেখ জুলফিকার আলীর পুত্র মারুফ শেখ ২১)। আনোয়ারা থানার সেকেন্ড অফিসার শামসুজ্জামান জানান, ইয়াবা সংরক্ষণ ও বহনের অপরাধে থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। ...

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় চাঁদপুরে ৩৬ জেলে আটক

১৮,অক্টোবর,রবিবার,চাঁদপুর প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চাঁদপুর মেঘনা নদীতে শনিবার বিকাল থেকে বরিবার সকাল পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ইলিশ ধরার অপরাধে ৩৬ জেলেকে আটক করেছে জেলা টাস্কফোর্স কমিটির সদস্যরা। আটককৃতদের মধ্যে ৩১ জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও পাঁচ জনকে জরিমানা করেছে পৃথক ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় ২ লাখ ৭০ হাজার মিটার কারন্টে জাল জব্দের পর পুড়িয়ে ফেলা হয়। এছাড়া জব্দকৃত প্রায় সাত মণ ইলিশ এতিমখানায় বিতরণ করা হয়। আটক জেলেরা চাঁদপুরের মতলব, হাইমচর উপজেলার ও মুন্সীগঞ্জ ও শরিয়তপুর জেলার বাসিন্দা। চাঁদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আসাদুল বাকি জানান, আটক ৩৬ জেলের মধ্যে চাঁদপুর কোস্টগার্ডের পৃথক দুটি অভিযানে ২৪ জনকে আটক করে। ২৪ জেলের মধ্যে ১৪ জনকে একমাস, ৯ জনকে ২০ দিন করে কারাদণ্ড এবং একজনকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। হাইমচর কোস্টগার্ড ও মৎস্য বিভাগ অভিযান চালিয়ে আট জেলেকে এবং মতলব উত্তর উপজেলা টাস্কফোর্স চার জেলেকে আটক করে। আটক ৪ জেলের মধ্যে একজনকে ১ মাস কারাদণ্ড এবং ৩ জনকে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। এছাড়া হাইমচর উপজেলায় আটক আট জেলের মধ্যে ৭ জনের এক বছর করে কারাদণ্ড এবং একজনকে পাঁচশ টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে পৃথক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন হাইমচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফেরদৌসি বেগম, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবিদা সিফাত, অলিদুজ্জামান ও মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্নেহাশীষ দাশ। ...

রাজশাহীতে পুলিশের উদ্যোগে ধর্ষণবিরোধী সমাবেশ

১৭,অক্টোবর,শনিবার,রাজশাহী প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজশাহীতে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে রাজশাহী মহানগরীর সাহেববাজার বড় মসজিদ চত্বরে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। রাজশাহী নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানা এর আয়োজন করে। রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) বিভিন্ন বিট পুলিশিং কমিটির সদস্যরা নারী নির্যাতনবিরোধী আলাদা আলাদা Railly নিয়ে এ সমাবেশে যোগ দেন। এসময় তারা সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে মানববন্ধন করেন। পরে বড় মসজিদের সামনে সমাবেশ হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আরএমপি কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক। তিনি বলেন, আমরা গোটা রাজশাহী শহরকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনবো। এ শহরে ধর্ষণ, নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটতে দেবো না। আমরা সবার সহযোগিতা চাই। সহযোগিতা পেলে রাজশাহীকে আমরা শান্তির শহর হিসেবেই গড়ে তুলতে পারবো। তিনি বলেন, আমাদের সন্তানদের মধ্যে ধর্মীয় মূল্যবোধ জাগ্রত করতে হবে। খেলাধুলার মধ্য দিয়ে তাদের খারাপ কাজ থেকে দূরে সরিয়ে আনতে হবে। তাহলে সমাজ হবে অপরাধমুক্ত। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এ সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আরএমপির অতিরিক্ত কমিশনার সুজায়েত ইসলাম ও সালমা বেগম। সভাপতিত্ব করেন আরএমপির বোয়ালিয়া জোনের উপ-কমিশনার সাজদ হোসেন।...

এনসিসি ব্যাংকের সঙ্গে কাজ করবে এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক

১৯,অক্টোবর,সোমবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রবাসী বাংলাদেশিদের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা নিরাপদ, দ্রুত ও সহজতম উপায়ে প্রাপকের হাতে পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে এনসিসি ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি করেছে এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক। এই চুক্তির ফলে এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক এনসিসি ব্যাংকের প্রতিনিধি হিসেবে সহযোগী এক্সচেঞ্জ হাউজের মাধ্যমে সংগৃহীত রেমিট্যান্সের অর্থ প্রদান করবে। সস্প্রতি এক অনুষ্ঠানে এনসিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী (চলতি দায়িত্ব) খন্দকার নাইমুল কবির এবং এনআরবিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মো. মুখতার হোসেন স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে এনসিসি ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. শামসুল আরেফিন, এসইভিপি ও হেড অব অপারেশন্স মুহাম্মদ এইচ. কাফী, এসইভিপি ও সিএফও মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, এসইভিপি ও বনানী শাখার ব্যবস্থাপক মো. জাকির আনাম, এসভিপি ও রেমিট্যান্স ও এনআরবি সার্ভিস বিভাগের প্রধান মো. মাহ্ফুজুর রহমান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের এসইভিপি ও আন্তর্জাতিক বিভাগের প্রধান কবীর আহমেদ, ভিপি ও হেড অব ট্রেজারি (ব্যাংক অফিস) মো. আবু মোসাহিদসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।...

হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু- স্মরণিকা প্রকাশ বাংলাদেশ ব্যাংকের

১৮,অক্টোবর,রবিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মুজিববর্ষ উপলক্ষে হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু শীর্ষক স্মরণিকার বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রোববার (১৮ অক্টোবর) জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির। বাংলাদেশ ব্যাংকে মুজিববর্ষ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি নেছার আহাম্মদ ভূঁঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থাপনা করেন কমিটির যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন সাগর। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস এম মনিরুজ্জামান, নির্বাহী পরিচালক, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কমিটির সদস্য সচিব এইচএম দেলোয়ার হোসাইনসহ সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। ...

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি

১৯,অক্টোবর,সোমবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রায় ৩৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সোমবার (১৯ অক্টোবর) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাজস্বখাতভুক্ত সহকারী শিক্ষক এর শূন্যপদ এবং জাতীয়করণ করা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পিডিইপি-৪ এর আওতায় প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির জন্য রাজস্বখাতে সৃষ্ট সহকারী শিক্ষক পদে জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫ এর ১৩তম গ্রেডে অস্থায়ীভাবে নিয়োগ করা হবে। তবে তিন পার্বত্য জেলা- রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার প্রার্থীরা এতে আবেদন করতে পারবেন না। সহকারী শিক্ষকদের বেতন হবে জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫ এর গ্রেড ১৩ অনুযায়ী ১১০০০-২৬৫৯০ টাকা। অনলাইনে আবেদন নেওয়া শুরু হবে ২৫ অক্টোবর সকাল ১০টায়, শেষ হবে ২৪ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে। আবেদন ফি মোট ১১০ টাকা। প্রার্থীদের বয়স ২০ অক্টোবর সর্বনিম্ন ২১ বছর এবং গত ২৫ মার্চ সর্বোচ্চ ৩০ বছর। মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে হবে ২৫ মার্চ ৩২ বছর। শিক্ষাগত যোগ্যতা হবে কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএ-সহ স্নাতক বা সম্মান বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৯ অনুযায়ী এ নিয়োগ করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তির বিস্তারিত ওয়েবসাইটে (http://dpe.teletalk.com.bd) পাওয়া যাবে। ...

প্রাথমিকে ৩২ হাজার শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি চলতি সপ্তাহে

১৭,অক্টোবর,শনিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রাথমিকে সাড়ে ৩২ হাজার শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি চলতি সপ্তাহে প্রকাশ করা হতে পারে। ইতোমধ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রস্তুত করে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। আগামী ২০ অক্টোবরের মধ্যে তা প্রকাশের প্রস্তুতি চলছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশে ২৫ হাজার ৬৩০ জন প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষক এবং ৬ হাজার ৯৪৭ শূন্যপদে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে ওয়েবসাইট আধুনিকায়ন করা হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, প্রাক-প্রাথমিক ও সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে ডিপিই থেকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি তৈরি করে অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এ বছর পদটি সরাসরি ১৩তম গ্রেডে উন্নীত হওয়ায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী অভ্যন্তরীণ কোটা রাখা হবে কি-না, তার ব্যাখ্যা চেয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়। সরকারের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সকল কোটা বাতিল করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ কোটা বহাল রেখে এ নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করতে গত ৫ অক্টোবর সম্মতি দেয়া হয়েছে। এ দিনই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরকে (ডিপিই) নির্দেশনা দিয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগের সব কোটা বাতিল করা হয়েছে। কোটাগুলো হলো- মুক্তিযোদ্ধা, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, আনসার-ভিডিপি, প্রতিবন্ধী ও জেলা কোটা। এখন সহকারী শিক্ষকদের যোগদানকালেই ১৩তম গ্রেড দেয়ার সিদ্ধান্ত হওয়ায় কোটা বাতিল করা হয়েছে। তবে নির্ধারিত ৬০ শতাংশ নারী, ২০ শতাংশ পুরুষ এবং ২০ শতাংশ পোষ্য কোটা বহাল থাকছে। এগুলোর মধ্যে আবার প্রতিটিতে ২০ শতাংশ করে বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক নিয়োগের কোটা অনুসরণ করা হবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের নিয়োগ শাখার সহকারী পরিচালক আতিক বিন সাত্তার বলেন, নতুন করে ৩২ হাজার ৫৭৭ জন শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। তার মধ্যে পিইডিপির আওতায় প্রাক-প্রাথমিকে ২৫ হাজার ৬৩০ জন এবং বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক শূন্য পদে রাজস্ব খাতে ৬ হাজার ৯৪৭ জন নিয়োগ দিতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, প্রাক-প্রাথমিক ও সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে ডিপিই থেকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি তৈরি করে অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এ বছর পদটি সরাসরি ১৩তম গ্রেডে উন্নীত হওয়ায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী অভ্যন্তরীণ কোটা রাখা হবে কি-না, তার ব্যাখ্যা চেয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়। সরকারের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সকল কোটা বাতিল করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ কোটা বহাল রেখে এ নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করতে গত ৫ অক্টোবর সম্মতি দেয়া হয়েছে। এ দিনই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরকে (ডিপিই) নির্দেশনা দিয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগের সব কোটা বাতিল করা হয়েছে। কোটাগুলো হলো- মুক্তিযোদ্ধা, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, আনসার-ভিডিপি, প্রতিবন্ধী ও জেলা কোটা। এখন সহকারী শিক্ষকদের যোগদানকালেই ১৩তম গ্রেড দেয়ার সিদ্ধান্ত হওয়ায় কোটা বাতিল করা হয়েছে। তবে নির্ধারিত ৬০ শতাংশ নারী, ২০ শতাংশ পুরুষ এবং ২০ শতাংশ পোষ্য কোটা বহাল থাকছে। এগুলোর মধ্যে আবার প্রতিটিতে ২০ শতাংশ করে বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক নিয়োগের কোটা অনুসরণ করা হবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের নিয়োগ শাখার সহকারী পরিচালক আতিক বিন সাত্তার বলেন, নতুন করে ৩২ হাজার ৫৭৭ জন শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। তার মধ্যে পিইডিপির আওতায় প্রাক-প্রাথমিকে ২৫ হাজার ৬৩০ জন এবং বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক শূন্য পদে রাজস্ব খাতে ৬ হাজার ৯৪৭ জন নিয়োগ দিতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। তিনি বলেন, আগামী ২০ অক্টোবরের মধ্যে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সিদ্ধান্ত রয়েছে। অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য এক মাস সময় দেয়া হবে। আবেদন ফি না বাড়িয়ে আগের মতো প্রায় ১৭০ টাকা রাখা হয়েছে। ডিপিই সূত্রে জানা গেছে, এবার প্রার্থীর এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে আবেদন প্রক্রিয়া অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে। আবেদনকারী নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে স্নাতক (সম্মান), স্নাতক (পাস) বা সমমান ডিগ্রি করা হয়েছে। গত বছর অনলাইন আবেদন ফি ১৬৬ টাকা হলেও এবার কিছুটা বাড়ানো হচ্ছে। বুয়েট ও টেলিটক মোবাইল কোম্পানির সহায়তায় আবেদন গ্রহণ, কেন্দ্রে প্রশ্নপত্র পাঠানো, খাতা মূল্যায়ন ও ফল প্রকাশ করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অভ্যন্তরীণ কোটা বহাল রেখে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করতে মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত হওয়া বিষয়গুলো উল্লেখ করে আগামী ২০ অক্টোবরের মধ্যে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।- জাগো নিউজ...

ইংল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে জুনিয়র টাইগাররা

২০,অক্টোবর,মঙ্গলবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কথায় বলে গাইতে গাইতে গায়েন আর বাজাতে বাজাতে বায়েন। বহুল প্রচলিত প্রবচনটির সত্যিকার ও মূল কথা হলো চর্চা। চর্চাই মান উন্নয়নের অন্যতম পূর্বশর্ত। যারা খেলোয়াড়, তারা যত বেশি খেলবেন, ততই অভিজ্ঞতা হবে। কৌশল প্রয়োগের চর্চাই মেধা স্ফুরণে অনেক বেশি কার্যকর ভূমিকা রাখে। যুব বিশ্বকাপজয়ী আকবর আলী, তানজিদ হাসান তামিম, মাহমুদুল হাসান জয়, তৌহিদ হ্রদয়, পারভেজ ইমন, শরিফুল ও রাকিবুল ইসলামরা বিশ্বকাপ খেলার আগে দেশে ও বিদেশে প্রচুর আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে খেলে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছিলেন। দেশ ও বিদেশে ৩০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছিল আকবর আলীর দল। ঐ বিভিন্ন দলের সাথে নানা কন্ডিশনে খেলা তাদের অভিজ্ঞতার ভাণ্ডারকে করেছিল সমৃদ্ধ। তারা অনুকূল-প্রতিকূল সব অবস্থায় অভ্যস্ত ও ধাতস্ত হয়ে পড়েছিলেন। যে কারণে বিশ্বকাপের মত বিশ্ব আসরে খেলতে নেমেও ভড়কে যাননি। ডর-ভয় স্পর্শ করেনি। নিজেদের স্বাভাবিক পারফরম্যান্স করতে পেরেছেন। দেখতে দেখতে আবার এসে যাচ্ছে যুব বিশ্বকাপ। আগামী ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজে বসবে বিশ্ব যুব ক্রিকেটের পরের আসর। তার আগেও জুনিয়র টাইগারদের যত বেশি করে সম্ভব আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার ব্যবস্থা করতে যাচ্ছে বিসিবি। করোনা না থাকলে হয়তো এরই মধ্যে দেশ আর বিদেশ মিলে একাধিক সিরিজ খেলে ফেলতেন জুনিয়র টাইগাররা। তবে ভেতরের খবর, সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী বছরের মাঝামাঝি ইংল্যান্ড যাবে বাংলাদেশ যুবদল (অনূর্ধ্ব-১৯)। বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ সুজন (মঙ্গলবার) বিকেলে নিউজ একাত্তরকে জানিয়েছেন, আমরা বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে এবারও যুবাদের দেশে ও বিদেশে যত বেশি সম্ভব ম্যাচ খেলার ব্যবস্থা করার চেষ্টা করছি। তারই প্রথম ধাপ হিসেবে আগামী বছর জাতীয় যুব (অনূর্ধ্ব-১৯) দলকে ইংল্যান্ডে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী বছর জুলাই-আগস্টে ইংল্যান্ডের মাটিতে একটি তিন জাতি টুর্নামেন্ট খেলতে যাবে যুব দল। যে আসরে স্বাগতিক ইংল্যান্ড ছাড়াও অস্ট্রেলিয়ার যুব দল অংশ নেবে-যোগ করেন সুজন। ...

কোহলিকে পেছনে ফেলে আইপিএলে নতুন রেকর্ড ওয়ার্নারের

১৯,অক্টোবর,সোমবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইনিংস ওপেন করতে না নেমে ব্যাটিং অর্ডারে নিজেকে অনেক নিচে নামিয়ে এনেছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। তার এই অবনমন দেখে অনেকেই অবাক। কিন্তু এ ক্ষেত্রে আবার কিছুটা সফল হলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক। কলকাতার ছুঁড়ে দেওয়া ১৬৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে দুই ওপেনার জনি বেয়ারেস্টো এবং কেন উইলিয়ামসন শুরুটা ভালোই করেন। তাদের ৫৮ রানের ওপেনিং জুটিতে ভর করেই চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ডেভিড ওয়ার্নার শেষ তুলির টান দেওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন। তবে ৩৩ বলে ৪৭ রানে অপরাজিত থেকেও অল্পের জন্য দলকে জয় এনে দিতে পারলেন না এই অসি ব্যাটসম্যান। নির্ধারিত ২০ ওভারে এদিন কলকাতা নাইট রাইডার্স বনাম সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ম্যাচের নিষ্পত্তি হল সুপার ওভারে। সুপার ওভারে হেরে প্লে-অফের দৌড়ে আরও পিছিয়ে পড়ল সানরাইজার্স। অধিনায়কোচিত ইনিংসে দলকে জেতাতে না পারলেও কিন্তু রোববার আইপিএলে একটি ব্যক্তিগত রেকর্ড গড়লেন হায়দরাবাদ অধিনায়ক। চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে আইপিএলে পাঁচ হাজার রানের এলিট ক্লাবে নাম লেখালেন তিনি। সব মিলিয়ে চতুর্থ হলেও, বিদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে ওয়ার্নারই আইপিএলে প্রথম এই মাইলফলক স্পর্শ করলেন। এর আগে আইপিএলে ৫ হাজার রানের ক্লাবে পা দেওয়া বাকি তিন ব্যাটসম্যান হলেন বিরাট কোহলি, সুরেশ রায়না এবং রোহিত শর্মা। তবে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু অধিনায়ক বিরাট কোহলির রেকর্ড ভেঙে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন অসি ব্যাটসম্যান। ৫ হাজার রানের ক্লাবে পৌঁছতে ১৩৫ ইনিংস খেলেন ওয়ার্নার। এর আগে দ্রুততম ব্যাটসম্যান হিসেবে ১৫৭ ইনিংসে এই রেকর্ড স্পর্শ করেছিলেন বিরাট কোহলি। তৃতীয় দ্রুততম হিসেবে ১৭৩ ইনিংসে এই রেকর্ড গড়েছিলেন সুরেশ রায়না। রোববার কেকেআরের বিপক্ষে শেষ ওভারে জয়ের অন্য ১৮ রান প্রয়োজন ছিল সানরাইজার্সের। আন্দ্রে রাসেলকে শেষ ওভারে ৩টি বাউন্ডারি হাঁকিয়েও অল্পের জন্য শেষরক্ষা করতে পারেননি ডেভিড ওয়ার্নার। এরপর সুপার ওভারে প্রথম বলেই ফার্গুসনের শিকার হন তিনি। সুপার ওভারে তৃতীয় বলে ফার্গুসন সামাদের উইকেট তুলে নিলে নাইটদের লক্ষ্যমাত্রা দাঁড়ায় মাত্র ৩ রান। দু’বল বাকি থাকতেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় নাইটরা। ...

হেমন্তের পূজায় হৈমন্তীর দুই গান

২০,অক্টোবর,মঙ্গলবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেবী দুর্গা স্বর্গ থেকে প্রতি বছর মর্ত্যে বেড়াতে আসেন শরতে। ঝলমলে রোদে নীল আকাশ, তারা ভরা রাত, বনে বনে কাশফুলের মাতামাতি; এমন সাজের ঋতু শরৎকালে আগমন বলে দুর্গা দেবীর পূজাকে শারদীয় উৎসব বলা হয়। কিন্তু এবার তিনি আসছেন হেমন্তেই৷ খানিকটা ব্যতিক্রম বটে৷ আর এবারের অন্য রকম এই পূজার উৎসব মাতিয়ে দিতে দুটি গান নিয়ে হাজির হচ্ছেন মিষ্টি কণ্ঠের গায়িকা হৈমন্তী রক্ষিত দাশ। এ প্রজন্মের কাছে বেশ পরিচিত নাম গায়িকা হৈমন্তী। তিনি দুর্গাপূজা উপলক্ষে গেয়েছেন দূর্গতিনাশিনী শিরোনামের একটি গান। এটি এরইমধ্যে প্রকাশ হয়েছে কলকাতার জনপ্রিয় প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এসকে মুভিজের ইউটিউব চ্যানেলে। হৈমন্তী বলেন, আমার একক গান দুর্গতিনাশিনীর গীতিকার ডি সেন্টু। এতে সুর করেছেন উজ্জল সিনহা। চমৎকার আয়োজনের একটি ভিডিও এখানে পাবেন দর্শক৷ গানটি প্রকাশের পর থেকেই খুব ভালো সাড়া পাচ্ছি৷ এছাড়াও এবারের পূজায় প্রকাশ হতে যাচ্ছে হৈমন্তীর আরও একটি গান। পূজো এলো শিরোনামের এ গানটি তিনি দ্বৈতকণ্ঠ দিয়েছেন কলকাতার আকাশ সেনের সঙ্গে। উৎসব আমেজের এই গানে বেশ ভালো বাজেটে নির্মিত হয়েছে মিউজিও ভিডিও। গানটি লিখেছেন প্রসেনজিৎ মন্ডল। সুর এবং সংগীতায়োজন করেছেন আপন খান এবং এমএমপি রনি। ডিপি মিউজিক স্টেশনের ব্যানারে এই গান দর্শকের মন ভরাবে বলে প্রত্যাশা এ শিল্পীর। দুটি গানেরই ভিডিও নির্মাণ করেছেন সৌমিত্র ঘোষ ইমন এবং কোরিওগ্রাফি করেছেন সারোয়ার শাকিল। প্রসঙ্গত, চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করা এই শিল্পী চলচ্চিত্র এবং টিভি অনুষ্ঠানেও গান গেয়েছেন। ১৯৯৩ সালে তিনি নজরুল সংগীত গেয়ে নতুন কুঁড়িতে চ্যাম্পিয়ন হয়ে সবার নজরে আসেন। একই বছরে হৈমন্তী দাশ মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত জাতীয় শিশু পুরস্কারে অংশ নিয়ে দেশের গানে প্রথম স্থান অর্জন করেন। তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশন এবং বেতারের তালিকাভুক্ত কন্ঠশিল্পী। তিনি নিয়মিত গান করছেন জাতীয় এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে। নন্দিত গায়ক ও সংগীত পরিচালক বাপ্পা মজুমদারের সংগীত পরিচালনায় তার দেয়াল কাহিনী অ্যালবামের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত সুকণ্ঠী এই শিল্পী। ...

স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে জাহিদ-শিলা

১৯,অক্টোবর,সোমবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নতুন একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে একসঙ্গে অভিনয় করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা জাহিদ হাসান ও চিত্রনায়িকা শিরিন শিলা। স্বল্পদৈর্ঘ্যটির নাম- চাঁন মিয়ার আংটি বদল। এটি পরিচালনা করেছেন শেখ সেলিম। সম্প্রতি এর শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন জাহিদ ও শিরিন শিলা। জাহিদ হাসান বলেন, বেশ আলাদা গল্পের একটি কাজ হচ্ছে। এখানে অভিনয় করতে ভালোই লাগছে। আশা করছি দর্শকদেরও ভালো লাগবে। শিরিন শিলা বলেন, বেশ মজার গল্পের স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি এটি। জাহিদ ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করছি এখানে। তাই বেশি ভালো লাগা কাজ করছে। আমার বিশ্বাস দর্শক দারুণ উপভোগ করবে এটি। জানা গেছে, আরটিভির বিশেষ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র হিসেবে প্রচার হবে- চাঁন মিয়ার আংটি বদল।...

অনিয়মের অভিযোগে চেয়ারম্যান কাউন্সিলর ও ইউপি সদস্যসহ ১১ জন বরখাস্ত

২জুন,মঙ্গলবার,ক্রাইম সোর্স প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ত্রাণ বিতরণসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে একদিনেই ১১ জনপ্রতিনিধিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। আজ মঙ্গলবার এ বিষয়ে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বিভাগটি। যাদের বরখাস্ত করা হয়েছে তাদের মধ্যে ৪জন ইউপি চেয়ারম্যান, একজন পৌরসভার কাউন্সিলর ও ৬জন ইউপি সদস্য রয়েছেন। কর্মস্থলে অনুপস্থিতি, দরিদ্র মানুষকে নগদ অর্থ সহায়তা ও ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগে আরও ১১ জনপ্রতিনিধিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। তাঁদের মধ্যে চারজন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও ছয়জন ইউপি সদস্য এবং একজন পৌর কাউন্সিলর রয়েছেন। বরখাস্ত হওয়া চেয়ারম্যানেরা হলেন কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার সিংপুর ইউপির মো. আনোয়ারুল হক, একই জেলার বাজিতপুর উপজেলার হালিমপুর ইউপির হাজী মো. কাজল ভূইয়া, বরগুনা সদর উপজেলার এম বালিয়াতলী ইউপির মো. শাহনেওয়াজ এবং নলটোনা ইউপির হুমায়ুন কবীর। বরখাস্তের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সিংপুর ইউপির চেয়ারম্যান করোনোভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সময় ত্রাণকাজে সহায়তা না করে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে কর্মস্থলে অনুপস্থিত আছেন। বাজিতপুরের হালিমপুর ইউপি চেয়ারম্যানও দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত। এ ছাড়া করোনোভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়নে বিঘ্ন সৃষ্টি, এপ্রিল মাসের ভিজিডি খাদ্যশস্য বিতরণ না করা, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে দেওয়া নগদ অর্থ সহায়তা কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রণয়নে ব্যর্থ হওয়া এবং কারণ দর্শানোর পরিপ্রেক্ষিতে নিজে জবাব প্রদান না দিয়ে অন্যের মাধ্যমে জবাব দেওয়া। বরগুনার এম বালিয়াতলী ইউপির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নিয়মবহির্ভূতভাবে মৎস্য ভিজিএফের চাল ৮০ কেজির জায়গায় ৬০ কেজি দেওয়া এবং তালিকার বাইরেও অন্যদের চাল দেওয়ার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। নলটোনা ইউপির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জেলেদের তালিকা প্রণয়নে অনিয়ম, ভুয়া টিপসইয়ের মাধ্যমে চাল উত্তোলন করে আত্মসাৎ এবং ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। অন্যদিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত হওয়া ইউপি সদস্যরা হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপজেলার মজলিশপুর ইউপির ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হারিছ মিয়া এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হাছান মিয়া, বরগুনা জেলার সদর উপজেলাধীন নলটোনা ইউপির ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হারুন মিয়া, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হানিফ, ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য মোসা. রানী এবং ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য মোসা. ছাবিনা ইয়াসমিন। বরখাস্ত হওয়া পৌরসভার কাউন্সিলর হলেন চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. সোলাইমান বাবুল।...

প্রায় ৪শ লোককে অবৈধভাবে বিদেশে পাঠায় চক্রের অন্যতম হোতা কামাল

১জুন,সোমবার,ক্রাইম সোর্স প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: লিবিয়ায় ২৬ জন বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় মানব পাচারকারী চক্রের অন্যতম হোতা কামাল হোসেন ওরফে হাজী কামালকে গ্রেফতার করেছে RAB। প্রায় ৪শ লোককে অবৈধভাবে তিনি বিদেশে পাঠায়। RAB বলছে, তিনিই বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে মানবপাচারকারীর মূল হোতা। এরসঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিষয়ে অনুসন্ধান করছে RAB। বাংলাদেশ থেকে লিবিয়া হয়ে অবৈধ ভাবে ইতালিতে যাওয়া। তারা বিভিন্ন শ্রমিকদের যাওয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে প্রলোভন দেখানো হয়। এবং তাদের বিদেশে যাওয়ার পরই বাকি টাকা দেবে। এ ধরনের আশ্বাস দেয়া হয়। আমারা একাধিক দালাল পেয়েছি। তারা মাদারীপুর, শরিয়রতপুরসহ বিভিন্ন জেলার লোক রয়েছে। তারা প্রথমে বাইরুটে ঢাকা থেকে কলকাতা নেয়া হয়। এই হাজী কামালই সবার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারা বাংলাদেশ থেকে ১০-১৫ দিন লাগে বেনগাজীতে যাওয়ার। এ চক্রটি লিবিয়াতে যাওয়ার পরই তারা টাকার জন্য পেশার দেয়া শুরু হয়। RAB জানায়, লিবিয়ার ত্রিপোলিতে কিছু কাজ করার সুযোগ রয়েছে। এই বেনগাজীতে পৌঁছানোর পরই তাদের পরিবারের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় করা হয়। এরপর তাদের ত্রিপোলিতে নিয়ে যাওয়া হয়। ত্রিপোলিতে নিয়ে যাওয়ার জন্য আবারও পরিবারের কাছে ২ থেকে তিন লাখ টাকা দাবি করা হয়। সেখানে তাদের শুরুতে ভূমধ্যসাগরে বোট চালানোর প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। তিনি গত ১০-১২ বছরে ৪শ লোককে পাঠিয়েছেন। তার সঙ্গে যুক্ত আছেন ১৫-১৬ জন। আমরা পুরো সার্কিটের তথ্য পেয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে এ অভিযান চলতে থাকবে। গত ২৮ মে লিবিয়ার মিজদা শহরে ২৬ জন বাংলাদেশি অভিবাসীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। মারা যাওয়া ২৬ জনসহ ৩৮ বাংলাদেশি ও কিছু সুদানি নাগরিক প্রায় ১৫ দিন ধরে ওই অপহরণকারী চক্রের হাতে আটক ছিলেন। ইতালিতে অভিবাসনের উদ্দেশে ওই ৩৮ জন বাংলাদেশ থেকে অবৈধ পথে লিবিয়ায় যান।...

কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের জন্য আজীবন সংগ্রমী মোস্তফা ভুঁইয়া

২২সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: মোঃ মোস্তফা ভুঁইয়া ১৯৫০ সালের মার্চ মাসের ৪ তারিখে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার বাস গ্রামে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম ডাঃ মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া, মাতার নাম মরহুমা রৌশনারা বেগম। তিনি তিন সন্তানের জনক। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, এক কন্যা, আত্মীয়স্বজন সহ অসংখ্য সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি একসময় খাদ্য অধিদপ্তরে সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ১৯৭০ সালে ২১ শে ফেব্রুয়ারিতে চাকুরিতে যোগদান করেন। তার চাকুরি জীবন শুরু হয় পাকিস্তানের করাচিতে। তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তান যা বর্তমানে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি পুনরায় খাদ্য অধিদপ্তরে যোগদান করেন। ২০০৮ সালে তিনি খাদ্য অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক হিসেবে অবসর গ্রহন করেন। তিনি প্রগতিশীল রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। ২০১১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী স্বদেশ পার্টিতে যাত্রা শুরু করেন। তিনি আমৃত্যু স্বদেশ পার্টির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সমাজসেবা, জনকল্যাণ, কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের অধিকার সংগ্রামে জড়িত ছিলেন। তিনি অন্যায়, অত্যাচার, শোষণ, নিপীড়ন, বঞ্চনা- লাঞ্ছনার বিরুদ্ধে একজন বলিষ্ট প্রতিবাদী ছিলেন। তিনি গত ২০২০ সালের ৮ আগস্ট জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে সবাইকে ছেড়ে না ফেরার দেশে পারি জমান। তার অসংখ্য রাজনৈতিক, সামাজিক, সহকর্মী শোকাহিত হৃদয়ে তাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছে। তার অভাব পূরণ হবার নয়। তার কর্মীরা এক মূহূর্তের জন্য তাকে ভুলতে পারে না। আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত, শান্তি, এবং জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করছি। ...

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে আকুল আবেদন

২০সেপ্টেম্বর,রবিবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: সকল শিক্ষারর্থীদের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিশ্চিত করার আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হতে বিরত থাকুন। মার্চ ২০২০ হতে কোভিড-১৯ (করোনা) সংক্রমণ শুরু হয়। পর্যবেক্ষণ দেখা যায় শীত প্রধান অঞ্চলে কোভিড-১৯ সংক্রমণ অধিক। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতে সংক্রমণ বেড়েই চলছে। আমাদের দেশ ঘনবসতি পূর্ণ জনবহুল দেশ। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারি বেসরকারি ব্যাক্তি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের প্রচার প্রচারণায় দেশবাসী সচেতন হয়েছে। দেশের মানুষ সতর্ক হয়েছে। স্বাস্থ্য সুরক্ষাবিধি মেনে চলছে। যার ফল আমরা প্রত্যক্ষ করছি। সামনে শীত মৌসুম। এ অবস্থায় কোভিড-১৯ সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা একেবাড়ে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। বিভিন্ন মহল বিশিষের দাবীর মুখে একাধিক ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জানা যায় সদাসয় সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শ্রেণির পরিক্ষা ও ক্লাস শুরু করার তথ্য। অবশ্যই এই উদ্যেগ ভাল। কিন্তু এ মুহূর্তে তা কতটুকু যুক্তিযুক্ত। কোভিড-১৯ একটি সংক্রামক ও ছোঁয়াছে রোগ। এর চিকিৎসা ও প্রতিরোধ ব্যাবস্থা অত্যন্ত জটিল। তাই এর সংক্রমণ ঠেকাতে আমাদের দেশের সরকার শত চেষ্ঠার পর সম্পূর্ণ সফল হতে পারেনি। অবশ্য আংশিক সফলতা, যথাপোযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য অবশ্যই সরকারের সাধুবাদ। ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য। কৃতজ্ঞতাচিত্তে ধন্যবাদ জানাচ্ছিও। আমাদের দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিটি শ্রেণিতে ছাত্র-ছাত্রী অনেক। এ অবস্থায় স্বাস্থ্য বিধি মেনে ক্লাস করা কোন অবস্থাতেই সম্ভব নয়। তাই সকল দিকে বিবেচনা করে, প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীর কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিশ্চিত না করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ক্লাস শুরু না করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।- ...

নির্বাচন কমিশনকে ব্যর্থ বলা বিএনপির পুরোনো কৌশল: ওবায়দুল কাদের

১৫,অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি আসন্ন উপনির্বাচনে আগে থেকেই ভরাডুবির আশঙ্কা করছে। তাই নানা অভিযোগ করছে তারা। ভোটের আগে অভিযোগ, ভোটের দিন সরে দাঁড়ানো এবং পরে নির্বাচন কমিশনকে ব্যর্থ বলা বিএনপির পুরোনো কৌশল। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) নিজ বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের সিরাজগঞ্জে এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লায় পণ্যবাহী যানবাহন চালকদের জন্য দুটি বিশ্রামাগার নির্মাণকাজ উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, নিরাপদ ও উন্নয়নবান্ধব সড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা সরকারের অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্যে আইনগত কাঠামো শক্তিশালী করার অংশ হিসেবে সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ কার্যকর করা হয়েছে। নিরাপদ মহাসড়ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন মহাসড়কে ১২১টি দুর্ঘটনাপ্রবণ বাঁকের ঝুঁকি হ্রাস করা হয়েছে। সড়ক নিরাপত্তায় সংশ্লিষ্ট স্ অংশীজনের মাঝে সুদৃঢ় সমন্বয় গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। তিনি বলেন, সমন্বয় যত দৃঢ় হবে মহাসড়ক তত নিরাপদ হবে। সড়ক নিরাপত্তায় জনসচেতনতা তৈরিতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাসমূহকে এগিয়ে আসতে হবে। ওবায়দুল কাদের জানান, মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করায় মুখোমুখি সংঘর্ষ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। জেলা ও আঞ্চলিক মহাসড়কে সিএনজি অটোরিকশাসহ নন-মোটরাইজড যানবাহনের চলাচল বন্ধে সংশ্লিষ্টদের আরও কঠোর হতে হবে। উল্লেখ্য, প্রায় ২২৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ঢাকা-রংপুর, ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-খুলনা এবং ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে পণ্যবাহী গাড়িচালকদের জন্য চারটি বিশ্রামাগার নির্মাণ করা হবে। এসব বিশ্রামাগারে পার্কিং, গাড়ি চালকদের বিশ্রাম ও রাতযাপনের সুবিধা ছাড়াও গাড়ি মেরামত ও বিনোদনের ব্যবস্থা থাকবে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী কাজী শাহরিয়ার হোসেন, প্রকল্পের পরিচালক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ সড়ক ও জনপথ অধিদফতর এবং প্রকল্প কর্মকর্তারা এসময় ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত ছিলেন। ...

ক্ষমতাসীনদের মদদে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চলছে : ফখরুল

১৪,অক্টোবর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ক্ষমতাসীনদের মদদে সারাদেশে বেআইনি সন্ত্রাসী কার্যকলাপ হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বুধবার (১৪ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ অভিযোগ করেন। বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ঢাকা-৫ সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনের প্রাক্কালে ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় আওয়ামী সন্ত্রাসীদের আক্রমণ নিঃসন্দেহে সুপরিকল্পিত এবং সন্ত্রাস সৃষ্টি করে সুষ্ঠু নির্বাচনে ব্যাঘাত সৃষ্টির মাধ্যমে জনগণকে ভীত সন্ত্রস্ত করে সরকারদলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করারই নীলনকশা। এই হামলা সরকারি আধিপত্য বিস্তারেরই নগ্ন বহিঃপ্রকাশ। নির্বাচন, প্রশাসন, আইন-আদালতসহ সবকিছুর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেবেই বর্তমান অবৈধ সরকার দলীয় সন্ত্রাসীদের দিয়ে এ ধরনের হামলা সংঘটিত করছে। তিনি বলেন, মানুষের মৌলিক অধিকারগুলোকে উপেক্ষা করে জনগণকে প্রান্তিক পর্যায়ে ঠেলে দিয়েছে বর্তমান সরকার। ক্ষমতাসীনদের মদদে সমাজের সর্বত্র চলছে বেআইনি সন্ত্রাসীদের আধিপত্য। চোখ রাঙানি দিয়ে সরকার জনগণকে শাসন করতে চায়। গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও ন্যায় বিচারকে নির্বাসনে পাঠানো হয়েছে, আর এজন্যই যেকোনো শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে ক্ষমতাসীনদের সন্ত্রাসীরা বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে রক্ত ঝরাচ্ছে। দেশের মানুষকে ভয় ও শঙ্কার মধ্যে ডুবিয়ে নির্বিঘ্নে দেশ শাসন করতে চায় বলেই বর্তমান সরকার দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন করতে চায় না। মির্জা ফখরুল বলেন কিন্তু মনুষ্যসমাজে কখনওই কোনো স্বৈরশাসক নিজেদের অবৈধ শাসনকে টিকিয়ে রাখতে পারেনি। গণতান্ত্রিক শক্তির উত্থানে স্বৈরাচারের পতন ঘটেছে দেশে-দেশে। বাংলাদেশেও স্বৈরাচারী শাসকের পতন অত্যাসন্ন। তিনি আরও বলেন, ঢাকা-৫ জাতীয় সংসদ শূন্য আসনে নির্বাচন উপলক্ষে যাত্রাবাড়ীতে ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে শান্তিপূর্ণ পথসভায় নেতাকর্মীদের ওপর হামলা এবং তাদেরকে আহত করার ঘৃণ্য ঘটনায় আমি ধিক্কার জানাচ্ছি, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। হামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি করছি। হামলায় আহত নেতাকর্মীদের আশু সুস্থতা কামনা করছি। ...

জুমআর দিনজুড়ে যেসব আমল করবেন মুমিন

১৬,অক্টোবর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সপ্তাহ ঘুরে ফিরে আসে জুমআ। এটি মুসলিম উম্মাহর ইবাদতের শ্রেষ্ঠ দিন। এ দিনজুড়ে রয়েছে অনেক আমল ও ইবাদত। প্রতিটি আমল ও ইবাদত সম্পর্কেই রয়েছে হাদিসের নির্দেশনা। কিন্তু বিশেষ একটি ইবাদত হলো সুরা কাহফ তেলাওয়াত করা। কিন্তু কোন সময়ে এ সুরাটি তেলাওয়াত করতে হয়? জুমআর দিন অযথা সময় নষ্ট না করে দ্রুত ইবাদত-বন্দেগিতে ধাবিত হওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে কুরআনুল কারিমে মহান আল্লাহ ঘোষণা করেন- হে ঈমানদরগণ! জুমআর দিনে যখন নামাজের আজান দেয়া হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের পানে দ্রুত ধাবিত হও এবং বেচাকেনা বন্ধ কর। এটা তোমাদের জন্যে উত্তম যদি তোমরা বুঝ। (সুরা জুমআ : আয়াত ৯) জুমআর দিন মুমিন বান্দার ইবাদত-বন্দেগির দিন। পুরো দিনজুড়ে বিভিন্ন মুহূর্তে আল্লাহ তাআলা বান্দার জন্য বিশেষ পুরস্করের ঘোষণা দিয়েছেন। আমলের বর্ণনা দিয়েছেন। এ দিনজুড়ে বিভিন্ন কাজের উপদেশও দিয়েছেন। যার প্রতিটিই ইবাদত ও আমলের শামিল। এসব আমলের সবই হাদিসে বর্ণিত। তা হলো- ১.গোসল করা। ২.ফজরের ফরজ নামাজে সুরা সাজদা ও সুরা দাহর/ইনসান তেলাওয়াত করা। ৩.উত্তম পোশাক পরা। ৪. সুগন্ধি ব্যবহার করা। ৫.আগেভাগে মসজিদে যাওয়া। ৬.সুরা কাহফ তেলাওয়াত করা। ৭.মসজিদে গিয়ে কমপক্ষে দুই রাকাআত সুন্নত নামাজ আদায় করা। ৮.ইমামের কাছাকাছি গিয়ে বসা। ৯.মনযোগ দিয়ে খোতবা শোনা। ১০.খোতবা চলাকালে কোনো কথা না বলা। ১১.দুই খোতবার মাঝের সময়ে বেশি বেশি দোয়া করা। অন্য সময়ে দোয়া করা। কারণ এদিন দোয়া কবুল হয়। ১২.রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর সারাদিন যথাসম্ভব বেশি দরূদ পাঠ করা। জুমআর দিনের বিশেষ আমল: জুমআর দিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রয়েছে আমলের হাতছানি। হাদিসের বিভিন্ন বর্ণনায় ফজর থেকে শুরু করে সন্ধ্যা পর্যন্ত পুরো দিনটিই আমলের নির্দেশনা রয়েছে। দিনের যে কোনো সময় সুরা কাহফ তেলাওয়াতের বর্ণনা যেমন রয়েছে, তেমনি এ সুরার তেলাওয়াতেরও রয়েছে বিশেষ ফজিলত ও মর্যাদা। হাদিসে এসেছে- হজরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমআর দিন সুরা কাহফ তেলাওয়াত করবে; তার পায়ের তলদেশ থেকে আসমান পর্যন্ত একটি আলো উৎসারিত হবে, যা কেয়ামতের দিন তার আলোর কাজে দেবে। আর তার দুই জুমআর মাঝের (সগিরা গোনাহ) মাফ করে দেয়া হবে। (আত-তারগিব ওয়াত-তারহিব)। হজরত আবু সাঈদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমআর দিন সুরা কাহফ পড়বে; তার জন্য তা দুই জুমআর মধ্যবর্তী সময়ে নুর হয়ে আলো দান করবে। (মুসতাদরাকে হাকেম, বায়হাকি)। হজরত আবু সাঈদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, যে ব্যক্তি জুমআর দিন সুরা কাহ্ফ পড়বে, তা তার জন্য তার ও কাবা ঘরের মধ্যবর্তী স্থানকে নুর দ্বারা আলোকিত করে তুলবে। (বায়হাকি)। সুরা কাহফ তেলাওয়াতের সময়: বৃহস্পতিবার সূর্য ডোবার পর থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা হওয়ার আগ পর্যন্ত দীর্ঘ সময় জুমআর দিন হিসেবে পরিগণিত। এ সময়ের মধ্যে সুরা কাহফ তেলাওয়াত করলেই হাদিসে উল্লেখিত ফজিলত লাভ করবে মুমিন। সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুরু করে জুমআর দিন সকাল, নামাজে যাওয়ার প্রস্তুতি, খোতবা শোনা, জুমআ আদায় করা, দরূদ পড়া, আসর থেকে মাগরিব ইবাদত-বন্দেগিতে নিয়োজিত থাকা। সুরা কাহফ তেলাওয়াত করা। আল্লাহর কাছে দুনিয়া ও পরকালের কল্যাণে দোয়া করা এবং ক্ষমা প্রার্থণা করা। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে জুমআর দিনব্যাপী উল্লেখিত আমল ও কাজে নিজেদের নিয়োজিত রাখার তাওফিক দান করুন। হাদিসের উপর আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।...

এবার দ্বিতীয় দফায় ওমরাহ করতে পারবেন আড়াই লাখ মানুষ

১৩,অক্টোবর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ১৮ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে এবারের ওমরাহের দ্বিতীয় পর্ব। এ পর্বে প্রবাসীসহ সৌদি আবরের আড়াই লাখ নাগরিক ওমরাহ পালনের সুযোগ পাবেন। এই আড়াই লাখ নাগরিকসহ এই দফায় মোট ছয় লাখ মুসলিমকে মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে ইবাদত করার অনুমতি দিয়েছে সৌদি সরকার। তবে আগামী ১ নভেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া ওমরাহের তৃতীয় পর্বে সৌদির আবরের বাইরের দেশের নাগরিকরা ওমরাহ করার সুযোগ পাবেন। এ সময় থেকে প্রতিদিন ২০ হাজার মানুষ ওমরাহ পালন করতে পারবেন এবং মসজিদের ভেতরে ৬০ হাজার মানুষকে নামাজ পড়ার অনুমতি দেয়া হবে বলেও ঘোষণা করেছে সৌদি হজ ও ওমরাহ কর্তৃপক্ষ। সৌদির হজ ও ওমরাহ সম্পর্কিত জাতীয় কমিটির সদস্য হানি আল ওমাইরি জানিয়েছেন, এবার মুসল্লিরা আল রাওয়াদাহ আল শরিফা এবং মদিনায় মসজিদে নববির পুরোনো মসজিদ এলাকায় যাওয়ার সুযোগ পাবেন। তিনি আরও জানান, ওমরাহ পালনের অনুমতি গ্রহণের পাশাপাশি গ্র্যান্ড মসজিদ এবং রাওয়াদাহ শরিফ পরিদর্শনের ইতামারনা অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করতে হবে। ওমরাহের জন্য মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদ দিনে ১০ বার পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করা হয়। এছাড়া ওমরাহ পালনকারীদের প্রবেশ এবং বের হওয়ার সময় স্যানিটাইজার দিয়ে জীবাণুমুক্ত করে নেয়া হচ্ছে। মহামারি করোনাভাইরাসে পুরো বিশ্ব আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পবিত্র নগরী মক্কায় ওমরাহ পালন স্থগিত করা হয়। করোনা পরবর্তী কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং নিয়ম ও শর্তপালন সাপেক্ষে গত ৪ অক্টোবর থেকে ওমরাহ পালন শুরু হয়। ইতোমধ্যে প্রথম ব্যাচ নিয়মতান্ত্রিকভাবে ওমরাহ সম্পন্ন করেছেন।...

ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটেছে বলেই দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে: শহীদুল হক

স্পেশাল প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নারায়ণগঞ্জে ধর্ষণের পর খুন হওয়া মেয়েটি জীবিত ফেরার পর পুলিশের তদন্ত এবং রিমান্ডপ্রক্রিয়া আরো একবার প্রশ্নের মুখে। বিরাট প্রশ্ন ক্রসফায়ার বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড নিয়েও। এসব প্রশ্ন নিয়েই পুলিশের সাবেক আইজি শহীদুল হকের মুখোমুখি হয়েছিলেন নিউজ একাত্তর একজন স্পেশাল প্রতিনিধি। প্রশ্ন : সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জে এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের মামলায় তিনজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে বলেছে, তারাই ওই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে নদীতে লাশ ভাসিয়ে দিয়েছে। কিন্তু ওই ছাত্রী জীবিত ফিরে এসেছে। পুলিশের পুরো তদন্তব্যবস্থাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে গেল না? শহীদুল হক : দেখুন, এখানে যে সঠিক তদন্ত হয়নি তা নিঃসন্দেহে বলা যায়। যে তিনজন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে তারা হয়তো পুলিশের ভয়েই এটা করেছে। এখন তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সত্য তথ্য বেরিয়ে আসবে। এ ক্ষেত্রে আমার অভিজ্ঞতা যা তা হলো, কোনো কোনো ক্ষেত্রে দেখা যায় বাদীপক্ষের চাপে বা বাদীপক্ষের কাছ থেকে অনৈতিক কোনো সুযোগ নিয়ে কাউকে মামলায় জড়িয়ে দেওয়া হয়। কাউকে কাউকে গ্রেপ্তারের ঘটনাও ঘটে। প্রশ্ন : ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার তদন্তে তো জজ মিয়ার ঘটনাও ঘটেছে। শহীদুল হক : সরকারের সঙ্গে আঁতাত করে, সরকারের চাপে জজ মিয়ার নাটক সাজানো হয়েছে। ওই ঘটনা পুলিশ বাহিনীর জন্য দুঃখজনক। তবে মনে রাখতে হবে, ওটা ছিল একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। ২১ আগস্ট মামলায় প্রথমদিকে যা হয়েছে, তদন্ত কর্মকর্তা ভালো হলে তাঁর ওপর সরকারের চাপ থাকলে প্রয়োজন হলে তিনি চাকরি ছেড়ে দিতে পারতেন। তা কিন্তু করেননি। দুর্নীতিপরায়ণ দুই-চারজন তদন্ত কর্মকর্তার কারণেই মাঝে মাঝে পুলিশের ওপর দোষ চাপে। নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলি, আমি চাঁদপুরের এসপি পদে থাকার সময় সেখানে একজন ওসি ছিল, মিয়া মো. শরীফ। তাকে কোনোভাবেই বাগে আনা যাচ্ছিল না। এক প্রভাবশালীর ছত্রচ্ছায়ায় একের পর এক অপকর্ম করেই যাচ্ছিল। একপর্যায়ে তাকে বদলির আদেশ দেওয়া হলো। কিন্তু সে ওই প্রভাবশালী ব্যক্তির কাছে চলে গেল। এরপর একদিন তৎকালীন আইজি মহোদয় আমাকে ফোন করে বললেন, এটা নিয়ে যেন আমি আর কথা না বলি। কিন্তু আমি থেমে থাকিনি। আমি চাপের কাছে নতি স্বীকার করিনি। প্রশ্ন : কিন্তু এ রকম একজন-দুজনের কারণে তো গোটা পুলিশ বাহিনীর ওপরই দায় চলে আসছে। শহীদুল হক : এক-দুজনের কারণে গোটা বাহিনী কলঙ্কিত হতে পারে না। হয়ও না। দেশের মানুষ সচেতন। তারা সব বোঝে। দেখুন, করোনাভাইরাসের মতো মহামারির সময় এই পুলিশ বাহিনীর কর্মকাণ্ড সর্বমহলে প্রসংশিত হয়েছে। জঙ্গি দমনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা সবাই দেখছে। পুলিশের এত ভালো কাজের মধ্যে দু-একটি ঘটনা গোটা বাহিনীর সাফল্যকে ম্লান করে দিতে পারে না। প্রশ্ন : প্রতিটি ক্রসফায়ারের ঘটনার পর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, তা সব ঘটনার ক্ষেত্রে একই ধরনের। সত্যি বললে মানুষের কাছে এর কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই। হাসাহাসিই হয় অনেক ক্ষেত্রে। শহীদুল হক : আমি নিজেও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে বিশ্বাস করি না। কেউ অপরাধ করলে তাকে বিচারের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিত। তবে একটা কথা, আমাদের দেশে মাঝে মাঝে কিছু এনকাউন্টার বা ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটছে। এই ক্রসফায়ারের ঘটনার প্রেক্ষাপট জানতে হবে। দেশে অনেক বড় বড় সন্ত্রাসী ছিল, যাদের গ্রেপ্তার করে রাখা যেত না। কয়েক দিন কারাগারে থাকার পর জামিনে বেরিয়ে এসে আরো বড় বড় অপরাধ করত। আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতির প্রেক্ষাপটে ২০০৪ সালে শুরু হয় ক্রসফায়ারের ঘটনা। তখন বড় সন্ত্রাসীরা ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছে। দেশের মানুষ ওটাকে ব্যাপকভাবে সমর্থন দিয়েছে। এভাবে দেখলে, সেই সময় ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটেছে বলেই দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। আরেকটা কথা, কোনো মামলায় অপরাধীকে গ্রেপ্তারের পর অভিযোগপত্র দেওয়া হয় আদালতে। কিন্তু আদালতে মামলা বছরের পর বছর পড়ে থাকে। বিচারের এই দীর্ঘসূত্রতার কারণেই আসামিরা জামিনে বেরিয়ে এসে আরো অপরাধ করে। দেশে যদি দ্রুত বিচারকাজ সম্পন্ন হতো এবং আসামিদের যদি জামিন না হতো তাহলে এই ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটত না বল মনে করি। প্রশ্ন : ক্রসফায়ারে নিরীহ মানুষ হত্যার অভিযোগ উঠছে। কখনো কখনো অর্থ নিয়ে বা অর্থের জন্য এ ধরনের ঘটনা ঘটছে এমনও আমরা দেখছি... শহীদুল হক : এ রকম দু-একটি ঘটনা যে ঘটছে না তা বলা যাবে না। এ কারণেই তো এটা নিয়ে এত কথা হচ্ছে। আমার কথা হলো, এ রকম নিরীহ মানুষ হত্যা করা হলে জড়িত আইন-শৃঙ্খল বাহিনীর সদস্যদের কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা দরকার। প্রশ্ন : দেখা যায়, আইন-শৃঙ্খল বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে বড়জোর দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করার ঘটনা ঘটে। এরপর আর কিছু হয় না। শহীদুল হক : এ কথা সত্য নয়। প্রথামিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়। এরপর তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে চাকরিচ্যুত, বেতন কমানো, পদের অবনমন ইত্যাদি ঘটনা ঘটে। এ রকম বহু ঘটনা আছে। যা কখনো মিডিয়ায় আসে না বলেই মানুষ প্রথমটুকুই দেখে মূল্যায়ন করে। পরেরটুকু দেখলে বা মিডিয়ায় এলে মানুষের ভুল ধারণা কেটে যাবে। ...

জামাল খানের উন্নয়নই আমার একমাত্র চাওয়া: কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন

০১মার্চ,রবিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন এলাকার উন্নয়ন ভাবনা ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। শনিবার ২৯শে ফেব্রুয়ারি বিকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন নিয়ে তার চিন্তা ধারার কথা তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকার জন্য কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। দলীয় মনোনয়ন পেয়ে তিনি তার অনুভুতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, তিনি দলীয় মনোনয়ন পেয়ে অনেক খুশী যে তাকে আবারও মুল্যায়ন করেছেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানান তাকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য। তার উপর আস্থা রাখার জন্য। তিনি প্রধানমন্ত্রীর আস্থার প্রতিদান দিবেন। তিনি মনে করেন এই মনোনয়ন এর মধ্য দিয়ে তার দায়বদ্ধতা আরও বেড়ে গেলো এবং কাজের গতি দ্বিগুন বেড়ে গেছে। কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন জানান, আজকের এই নান্দনিক জামাল খানের রুপান্তর সম্ভব হয়েছে মানুষের সহযোগিতার জন্য। ওয়ার্ডবাসী তাদের মুল্যবান রায় দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করেছে এবং আমার উপর আস্থা রেখেছেন। যার ফলে তিনি বিগত পাঁচ বছরে নগরীর জামাল খান ওয়ার্ডকে একটি নান্দনিক জামাল খানে রুপান্তর করতে সক্ষম হয়েছেন। এক সময় যে জামাল খানে একটু রাত হলেই ঘনিয়ে আসতো অন্ধকার, স্ট্রিট লাইট গুলো জ্বলত মিট মিট করে। গনি ব্যাকারী থেকে জামাল খান পর্যন্ত নেমে আসা নিরবতার কারনে বেড়ে যেত ছিনতাই আর নেশা খোরদের আনাগোনা। সেই জামাল খান আজ চট্টগ্রাম তথা বাংলাদেশের একটি আদর্শ ওয়ার্ডে রূপান্তরিত হয়েছে। ৪১ টি ওয়ার্ডের মধ্যে একটি অন্যতম ওয়ার্ড হিসাবে পরিচিত। চারিদিকে সবুজের সমারোহ তিরি করা হয়েছে, লাগানো হয়েছে বিচিত্র গাছ গাছালি ও ফুলের বাগান। সেই সাথে রয়েছে দর্শনার্থীদের জন্য বসার স্থান। সড়ক জুড়ে স্থাপন করা হয়েছে এলডি বাল্ব।পথচারীদের বিশ্রামের জন্য বসানো হয়েছে ছাউনি। জামাল খানের প্রতিটি দেয়ালে দেয়ালে বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সুনিপুণ কারুকাজ করা হয়েছে। যা ইতিহাস ঐতিহ্যের সাথে মানুষকে পরিচয় করিয়ে দেয়। গোল চক্করে স্থাপন করা হয়েছে রঙ্গিন ফোয়ারা যা জামাল খানের সৌন্দর্যকে অনেক খানি বাড়িয়ে দিয়েছে। বসানো হয়েছে লাইভ ফিশ একুরিয়াম( স্ট্রিট একুরিয়াম)। অতি সম্প্রতি দেয়ালে স্থাপন করা হয়েছে বাংলাদেশের প্রথম কাঁচের তৈরি বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল। তিনি এলাকার মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। মাদক, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলবেন। যুবক সমাজকে মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত রাখতে কাজ করবেন। তার এলাকায় জলজট নেই তবে কিছুটা জলাবদ্ধতা আছে। তিনি আশা বাদী সিডিএ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যৌথ ভাবে জলাবদ্ধতা নিরসনে একটি প্রকল্পের কাজ করছে। এটির বাস্তবায়ন হলে জলাবদ্ধতা পুরোপুরি নিরসন করা যাবে। আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে এই জামাল খানকে বিশ্বের একটি আধুনিক ওয়ার্ডে রুপান্তর করবেন। পার্কের আদলে গড়ে তুলবেন পুরো জামাল খানকে। জামাল খানে গড়ে তুলবেন একটি সমন্বিত বার্ড জোন ও একটি পাঠাগার। জামালখান কে তামাক মুক্ত ও ফুটপাত হকার মুক্ত রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন। তাছাড়া এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আনসার নিয়োগের পরিকল্পনা ও রয়েছে। তিনি ২১ নং জালাল খানের ওয়ার্ড বাসীর কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন, তার শৈশব কৈশোর কেটেছে এই জামাল খানে। এই এলাকার সাথে তার আত্মার সম্পর্ক। আপনারা আমার পরম আত্মীয়। তাকে আবারও নির্বাচিত করে আরও একটিবার সুযোগ দেওয়ার জন্য যাতে এলাকাবাসীর সেবা করতে পারেন। সেই সাথে দলীয় নেতা কর্মীদের কাছে উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন তাকে সহযোগিতা করার জন্য। তিনি নির্বাচিত হলে সব সময় সুখে দুঃখে এলাকাবাসীর পাশে থাকবেন। অতীতের মত নিরলস ভাবে কাজ করে যাবেন এবং জনগনের ভালোবাসার প্রতিদান দিবেন। জামালখান বাসী আমরা সবাই একটা পরিবার। আপনারা যদি মনে করেন আমাকে বিগত পাঁচ বছরে আপনাদের কাছে পেয়েছেন তাহলে আমাকে আবার সেবা করার সুযোগ দিবেন। ...

কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের জন্য আজীবন সংগ্রমী মোস্তফা ভুঁইয়া

২২সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: মোঃ মোস্তফা ভুঁইয়া ১৯৫০ সালের মার্চ মাসের ৪ তারিখে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার বাস গ্রামে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম ডাঃ মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া, মাতার নাম মরহুমা রৌশনারা বেগম। তিনি তিন সন্তানের জনক। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, এক কন্যা, আত্মীয়স্বজন সহ অসংখ্য সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি একসময় খাদ্য অধিদপ্তরে সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ১৯৭০ সালে ২১ শে ফেব্রুয়ারিতে চাকুরিতে যোগদান করেন। তার চাকুরি জীবন শুরু হয় পাকিস্তানের করাচিতে। তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তান যা বর্তমানে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি পুনরায় খাদ্য অধিদপ্তরে যোগদান করেন। ২০০৮ সালে তিনি খাদ্য অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক হিসেবে অবসর গ্রহন করেন। তিনি প্রগতিশীল রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। ২০১১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী স্বদেশ পার্টিতে যাত্রা শুরু করেন। তিনি আমৃত্যু স্বদেশ পার্টির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সমাজসেবা, জনকল্যাণ, কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের অধিকার সংগ্রামে জড়িত ছিলেন। তিনি অন্যায়, অত্যাচার, শোষণ, নিপীড়ন, বঞ্চনা- লাঞ্ছনার বিরুদ্ধে একজন বলিষ্ট প্রতিবাদী ছিলেন। তিনি গত ২০২০ সালের ৮ আগস্ট জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে সবাইকে ছেড়ে না ফেরার দেশে পারি জমান। তার অসংখ্য রাজনৈতিক, সামাজিক, সহকর্মী শোকাহিত হৃদয়ে তাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছে। তার অভাব পূরণ হবার নয়। তার কর্মীরা এক মূহূর্তের জন্য তাকে ভুলতে পারে না। আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত, শান্তি, এবং জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করছি।


ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটেছে বলেই দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে: শহীদুল হক

স্পেশাল প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নারায়ণগঞ্জে ধর্ষণের পর খুন হওয়া মেয়েটি জীবিত ফেরার পর পুলিশের তদন্ত এবং রিমান্ডপ্রক্রিয়া আরো একবার প্রশ্নের মুখে। বিরাট প্রশ্ন ক্রসফায়ার বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড নিয়েও। এসব প্রশ্ন নিয়েই পুলিশের সাবেক আইজি শহীদুল হকের মুখোমুখি হয়েছিলেন নিউজ একাত্তর একজন স্পেশাল প্রতিনিধি। প্রশ্ন : সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জে এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের মামলায় তিনজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে বলেছে, তারাই ওই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে নদীতে লাশ ভাসিয়ে দিয়েছে। কিন্তু ওই ছাত্রী জীবিত ফিরে এসেছে। পুলিশের পুরো তদন্তব্যবস্থাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে গেল না? শহীদুল হক : দেখুন, এখানে যে সঠিক তদন্ত হয়নি তা নিঃসন্দেহে বলা যায়। যে তিনজন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে তারা হয়তো পুলিশের ভয়েই এটা করেছে। এখন তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সত্য তথ্য বেরিয়ে আসবে। এ ক্ষেত্রে আমার অভিজ্ঞতা যা তা হলো, কোনো কোনো ক্ষেত্রে দেখা যায় বাদীপক্ষের চাপে বা বাদীপক্ষের কাছ থেকে অনৈতিক কোনো সুযোগ নিয়ে কাউকে মামলায় জড়িয়ে দেওয়া হয়। কাউকে কাউকে গ্রেপ্তারের ঘটনাও ঘটে। প্রশ্ন : ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার তদন্তে তো জজ মিয়ার ঘটনাও ঘটেছে। শহীদুল হক : সরকারের সঙ্গে আঁতাত করে, সরকারের চাপে জজ মিয়ার নাটক সাজানো হয়েছে। ওই ঘটনা পুলিশ বাহিনীর জন্য দুঃখজনক। তবে মনে রাখতে হবে, ওটা ছিল একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। ২১ আগস্ট মামলায় প্রথমদিকে যা হয়েছে, তদন্ত কর্মকর্তা ভালো হলে তাঁর ওপর সরকারের চাপ থাকলে প্রয়োজন হলে তিনি চাকরি ছেড়ে দিতে পারতেন। তা কিন্তু করেননি। দুর্নীতিপরায়ণ দুই-চারজন তদন্ত কর্মকর্তার কারণেই মাঝে মাঝে পুলিশের ওপর দোষ চাপে। নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলি, আমি চাঁদপুরের এসপি পদে থাকার সময় সেখানে একজন ওসি ছিল, মিয়া মো. শরীফ। তাকে কোনোভাবেই বাগে আনা যাচ্ছিল না। এক প্রভাবশালীর ছত্রচ্ছায়ায় একের পর এক অপকর্ম করেই যাচ্ছিল। একপর্যায়ে তাকে বদলির আদেশ দেওয়া হলো। কিন্তু সে ওই প্রভাবশালী ব্যক্তির কাছে চলে গেল। এরপর একদিন তৎকালীন আইজি মহোদয় আমাকে ফোন করে বললেন, এটা নিয়ে যেন আমি আর কথা না বলি। কিন্তু আমি থেমে থাকিনি। আমি চাপের কাছে নতি স্বীকার করিনি। প্রশ্ন : কিন্তু এ রকম একজন-দুজনের কারণে তো গোটা পুলিশ বাহিনীর ওপরই দায় চলে আসছে। শহীদুল হক : এক-দুজনের কারণে গোটা বাহিনী কলঙ্কিত হতে পারে না। হয়ও না। দেশের মানুষ সচেতন। তারা সব বোঝে। দেখুন, করোনাভাইরাসের মতো মহামারির সময় এই পুলিশ বাহিনীর কর্মকাণ্ড সর্বমহলে প্রসংশিত হয়েছে। জঙ্গি দমনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা সবাই দেখছে। পুলিশের এত ভালো কাজের মধ্যে দু-একটি ঘটনা গোটা বাহিনীর সাফল্যকে ম্লান করে দিতে পারে না। প্রশ্ন : প্রতিটি ক্রসফায়ারের ঘটনার পর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, তা সব ঘটনার ক্ষেত্রে একই ধরনের। সত্যি বললে মানুষের কাছে এর কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই। হাসাহাসিই হয় অনেক ক্ষেত্রে। শহীদুল হক : আমি নিজেও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে বিশ্বাস করি না। কেউ অপরাধ করলে তাকে বিচারের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিত। তবে একটা কথা, আমাদের দেশে মাঝে মাঝে কিছু এনকাউন্টার বা ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটছে। এই ক্রসফায়ারের ঘটনার প্রেক্ষাপট জানতে হবে। দেশে অনেক বড় বড় সন্ত্রাসী ছিল, যাদের গ্রেপ্তার করে রাখা যেত না। কয়েক দিন কারাগারে থাকার পর জামিনে বেরিয়ে এসে আরো বড় বড় অপরাধ করত। আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতির প্রেক্ষাপটে ২০০৪ সালে শুরু হয় ক্রসফায়ারের ঘটনা। তখন বড় সন্ত্রাসীরা ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছে। দেশের মানুষ ওটাকে ব্যাপকভাবে সমর্থন দিয়েছে। এভাবে দেখলে, সেই সময় ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটেছে বলেই দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। আরেকটা কথা, কোনো মামলায় অপরাধীকে গ্রেপ্তারের পর অভিযোগপত্র দেওয়া হয় আদালতে। কিন্তু আদালতে মামলা বছরের পর বছর পড়ে থাকে। বিচারের এই দীর্ঘসূত্রতার কারণেই আসামিরা জামিনে বেরিয়ে এসে আরো অপরাধ করে। দেশে যদি দ্রুত বিচারকাজ সম্পন্ন হতো এবং আসামিদের যদি জামিন না হতো তাহলে এই ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটত না বল মনে করি। প্রশ্ন : ক্রসফায়ারে নিরীহ মানুষ হত্যার অভিযোগ উঠছে। কখনো কখনো অর্থ নিয়ে বা অর্থের জন্য এ ধরনের ঘটনা ঘটছে এমনও আমরা দেখছি... শহীদুল হক : এ রকম দু-একটি ঘটনা যে ঘটছে না তা বলা যাবে না। এ কারণেই তো এটা নিয়ে এত কথা হচ্ছে। আমার কথা হলো, এ রকম নিরীহ মানুষ হত্যা করা হলে জড়িত আইন-শৃঙ্খল বাহিনীর সদস্যদের কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা দরকার। প্রশ্ন : দেখা যায়, আইন-শৃঙ্খল বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে বড়জোর দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করার ঘটনা ঘটে। এরপর আর কিছু হয় না। শহীদুল হক : এ কথা সত্য নয়। প্রথামিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়। এরপর তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে চাকরিচ্যুত, বেতন কমানো, পদের অবনমন ইত্যাদি ঘটনা ঘটে। এ রকম বহু ঘটনা আছে। যা কখনো মিডিয়ায় আসে না বলেই মানুষ প্রথমটুকুই দেখে মূল্যায়ন করে। পরেরটুকু দেখলে বা মিডিয়ায় এলে মানুষের ভুল ধারণা কেটে যাবে।

মুজিব কোট কোনও অন্যায়কারী দুর্নীতিবাজের পরিধান নয়

১২সেপ্টেম্বর,শনিবার,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফেসবুকে লোপা তালুকদার নামের এক নারীর মুজিব কোট পরিধেয় ছবি নিয়ে বেশ হইচই চলছে। তার ফেসবুক প্রোফাইলে কর্ম আর গুনের বিশাল ফিরিস্তি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সকল স্তরের উচ্চ পর্যায়ের মন্ত্রী নেতাদের সবার সাথে ছবি। যে কেউ দেখলেই ভাববেন লোপা তালুকদার কতটা ক্ষমতাধর। হয়তো তার কর্মগুণ ক্ষমতা সবই আছে। সে আলোচনা সাপেক্ষে বিষয়। তবে এমন করিৎকর্মা নারী আওয়ামী লীগের একটি অংগ সংগঠনের বিশেষ পদ ধারণ করে শিশু অপহরণ কেন করছে তা সত্যি চিন্তনীয়। বর্তমান সময়ে কেবল লোপা তালুকদার নয়, দেশে সংঘটিত দুর্নীতি বা অন্য অপরাধসমুহের হোতাদের খুঁজতে গিয়ে দেখা যায়, অপরাধীরা কোনও না কোনভাবে আওয়ামী লীগের সাথে জড়িত। সরকার হিসাবে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে দীর্ঘ সময় ধরে। আর এতে করে দলে পরগাছার পরিমান বৃদ্ধি পাওয়া অমূলক কিছু নয়। এ পরগাছাকে 'কাউয়া হাইব্রিড' নানা উপাধি দেয়া হয়। যে নামই দেয়া হোক না কেন এরা ক্রমশ মহীরুহ হয়ে উঠছে। কারণ এদের ছেঁটে ফেলার মত কোনও উদ্যোগ নেয়া হয় না। পাপিয়া, শাহেদ, সাবরিনার ঘটনার রেশ না কাটতেই মুজিব কোট পরিহিত লোপা তালুকদার আবার প্রশ্নবিদ্ধ করছে দলের কর্মকাণ্ডকে। বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের পরিচালক, সাংবাদিক, কবি সাহিত্যিক সব পদবীর ধারণ করার এ নারীর বিরুদ্ধে হত্যাসহ আরও মামলা আছে বলে গণমাধ্যমে আলোচিত হচ্ছে। আর জিনিয়াকে অপহরন কেন করা হয়েছে তা পুলিশের তদন্তে বের হয়ে আসবে বলে বিশ্বাস। এ মুহূর্তে যে প্রশ্নটি বারবার মানুষের সামনে আসছে তা হলো দলের ভেতরে অবস্থান করে যেসব দূর্নীতিবাজ, অসৎ ব্যক্তি বঙ্গবন্ধুর আর্দশকে জলাঞ্জলি দিচ্ছে এর প্রতিকার কি? হঠাৎ করে মুজিব কোট পরিধান করে আর্বিভূত এসব মানুষ কি জানে বঙ্গবন্ধুর মুজিব কোট শুধু ফ্যাশন নয়। এ কোট বাংলার ইতিহাসে কতটা জায়গা জুড়ে আছে। বলা হয়ে থাকে মুজিব কোটের ৬ টি বোতাম বাংলার মানুষের ছয় দফার প্রতীক। যে ছয় দফাকে সামনে রেখে বাঙালি স্বাধীনতার বীজ বপন করেছিল। প্রকৃত দেশ প্রেম থাকলে মুজিব কোট পরিধান করে অন্যায় করা যায় না। আর এ কোটের দেশ প্রেমের সাহস, প্রেরনাকে যারা উপেক্ষা করতে পারে তারা এ সমাজের কীট। এরা দেশের ক্ষতি করতে পিছপা হয় না তা অতীতে ও প্রমাণিত হয়েছে। এ দুর্ভাগা জাতি মুজিব কোটের মর্যাদা দিতে পারেনি সেই ১৯৭৫ সাল থেকে। খন্দকার মোশতাকের মুজিব কোট পরিহিত ছবিকে জাতি ভুলে যায় বলে শাহেদ, লোপারা আশ্রয় পায় আওয়ামী লীগে। মিথ্যা বুলি দিয়ে মিথ্যা লেবাসধারীরা আওয়ামী সরকারের অর্জনকে ম্লান করে দিচ্ছে। দেশের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়া বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করে চলেছেন। অথচ সে লড়াইয়ের পথকে রুদ্ধ করছে নিজের দলের ভেতর অনুপ্রবেশকারীরা। এ নব্য আওয়ামী প্রেমীদের মুখে এক, মনে আরেক রয়েছে বলে বাড়ছে দুর্নীতি, অন্যায় ও অপরাধ। এরা ব্যক্তি স্বার্থ হাসিল করতে মুজিব কোট পরে মুজিব প্রেমী হয়। নির্মম সত্য হলো মুজিব কোট পরিধান করলেই মুজিব প্রেমী হতে পারে না। নিজের ভেতরে মুজিব আর তার ইতিহাসকে ধারণ করতে হবে। এ কারণেই মুজিব কোটকে অন্যায় আর দুর্নীতির হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করা বন্ধ করতে হবে। তা না হলে আগামীতে দেশের মানুষ আওয়ামী সরকারের ভালোটুকু ভুলে গিয়ে মন্দটুকুই মনে রাখবে। সময়ের সাথে আজ অনেক কিছু বদলে গেছে, তা বাস্তবতাতে সুস্পষ্ট। তাই দলের ভেতর আওয়ামী লীগের আর্দশ আর বিশ্বাসকে যারা শেষ করে দিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে কথা বলতে পারে না সত্যিকারের দলের ত্যাগী নেতা কর্মীরা। কারণ তাদের যে মুজিব কোটের লেবাসে উচ্চ পর্যায়ের নেতা কিংবা হর্তাকর্তাদের সাথে ছবি বা যোগাযোগ নেই। বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশকে যারা আলাদা করে চিন্তা করতে পারে না কিংবা যারা নেত্রীর সাথে ছবি তোলার চেয়ে রাজপথের আন্দোলনকে মূল কাজ মনে করেছে আজ তারা মূল্যহীন। তাই লোপা তালুকদার, শাহেদদের পরনের মুজিব কোট লজ্জিত করে বঙ্গবন্ধুর আর্দশধারণকারী দেশপ্রেমীকে। লেখক: হাসিনা আকতার নিগার,কলামিস্ট।- বিডি-প্রতিদিন

আজকের মোট পাঠক

42258

নিউজ একাত্তর ডট কম

সম্পাদক : মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী

নির্বাহী সম্পাদক : আহাম্মদ হোসেন ভুইয়া

একটি পপুলার মিডিয়া পাবলিকেশন এর প্রকাশনা | রেজি নং: চ-১২৪২৭/১৭

সম্পাদকীয় ও বানিজ্যিক কার্যালয় : ৪১৬/সি,খিলগাও ঢাকা ০২৪৩১৫০৪৮৮, ০১৮২৪২৪৫৫০৪, ০১৭৭৮৮৮৮৪৭২

চট্টগ্রাম কার্যালয় : ১৯/২০/২১ বি ৩য় তলা, হানিমুন টাওয়ার,পাহাড়তলী,চট্টগ্রাম।

ই-মেইল : newsekattor@gmail.com, editorekattor@gmail.com, কপিরাইট ©newsekattor.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত