বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২৩, ২০১৭

সৌদি আরবে গ্রেফতার ২৪ হাজার অভিবাসী

সৌদি আরবে বৈধভাবে বসবাস নিয়ম ভাঙ্গা এবং শ্রম আইনের ব্যত্যয় ঘটানোর জন্য গত তিনদিন মোট ২৪ হাজার অভিবাসীকে গ্রেফতার করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সৌদি গেজেট জানিয়েছে, ভিসার শর্ত ভঙ্গ হয়েছে এমন ২৪ হাজার ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে, এদের মধ্যে কোন দেশের কত সংখ্যক অভিবাসী আটক হয়েছেন সে সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি। সৌদি গেজেট জানাচ্ছে, তিন দিন ধরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। অভিযান এখনো চলছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে ১৫ হাজার ৭০২ জন সৌদি আরবে বসবাসের আইন লঙ্ঘন করেছেন। বাকীদের সীমান্ত নিরাপত্তা আইন এবং শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের ৪২ শতাংশকেই মক্কা নগরী থেকে আটক করা হয়। এছাড়া রাজধানী রিয়াদ, আসির প্রদেশ, জাযান এবং পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশগুলো থেকে আটক হয়েছে অনেকে। এর মধ্যে এই অভিবাসীদের সাহায্য করার অভিযোগে ২৫ জন সৌদি নাগরিককেও আটক করা হয়েছে। সৌদি আরবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসীহ বিবিসি বাংলাকে নিশ্চিত করেছেন, এমন একটি অভিযান শুরু হয়েছে। তবে তিনি দাবী করেন, এটি একটি নিয়মিত অভিযান। তিনি জানিয়েছেন এই অভিযানে বাংলাদেশী কতজন আটক হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো পুরো তথ্য পায়নি দূতাবাস। তিনি বলছেন, প্রতি মাসে সৌদি সরকার দূতাবাসকে একটি রিপোর্ট দেয়, যাতে কোন অপরাধে আটক বাংলাদেশীদের তালিকা প্রদান করে। কিন্তু নতুন এই অভিযানে ঠিক কতজন বাংলাদেশী আছে সে রিপোর্ট এখনো দেয়নি। রাষ্ট্রদূত মি. মসীহ বলছেন, যখনই বাংলাদেশীদের সংখ্যাটি তারা জানবেন, তখন সেখানকার কর্মকর্তারা থানায় গিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবেন। এ বছরের মার্চে সৌদি আরবে অবৈধভাবে বসবাস করা বিদেশিদের বৈধ কাগজপত্র সংগ্রহ করতে ৯০ দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিলো। সে সময়ে অবৈধ বিদেশি নাগরিক ও শ্রমিকদের ৯০ দিনের ‘সাধারণ ক্ষমা’ ঘোষণা করা হয়েছিলো। যাতে বলা হয়েছিল, দেশটিতে অনুমতি ছাড়া বসবাস, ইকামা বা সরকারি অনুমতি না নিয়ে কাজ করা এবং সৌদি আরবে অবৈধ অনুপ্রবেশের মতো অপরাধের ক্ষেত্রে সাধারণ ক্ষমা প্রযোজ্য হবে। এই সময়ের মধ্যে অবৈধ ব্যক্তিরা কোনও শাস্তি ছাড়াই নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।...

সাউথ জার্সি মেট্রো আ.লীগের সভায় চার নেতাকে স্মরণ

নিউজার্সি অঙ্গরাজ্যের আটলান্টিক সিটিতে আয়োজিত এক সভায় বক্তারা বলেছেন, বাঙালি জাতির জীবনে ৩ নভেম্বর এক বেদনা বিধুর দিন। ১৯৭৫ সালের এ দিন কুচক্রী মহল বাঙালি জাতিকে নেতৃত্ব শূন্য করতে জন্য জাতির শ্রেষ্ঠ চার সন্তান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিশ্বস্ত সহচর ও মহান মুক্তিযুদ্ধে সফল নেতৃত্বদানকারী সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমেদ, ক্যাপটেন মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে কারা অভ্যন্তরে নির্মমভাবে হত্যা করে। জাতির এই শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণে নিউজার্সি অঙ্গরাজ্যের আটলান্টিক সিটিতে সাউথ জার্সি মেট্রো আওয়ামী লীগ স্থানীয় মি. স্টিক রেস্টুরেন্টে ৮ নভেম্বর দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করে। সভার শুরুতে চার নেতার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। পরে আলোচনায় অংশ নেন অতিথিরা। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, পঁচাত্তরের পনেরই আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বাঙালি জাতিকে নেতৃত্ব শূন্য করার অপচেষ্টার অংশ হিসেবে ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর খুনি মোশতাক চক্রের দোসরেরা জেলখানার অভ্যন্তরে জাতীয় চার নেতাকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। খুনি চক্র তাঁদের হত্যা করলেও তাঁদের আদর্শকে হত্যা করতে পারেনি। তাইতো তাঁদের আদর্শ অন্তরে ধারণ করে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সোনার বাংলা গড়ার পথে দেশ এগিয়ে চলেছে। সোনার বাংলা গড়ার মাধ্যমে তাঁদের হত্যার বদলা নেওয়া হবে। আলোচনা সভায় সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আহসান হাবীবের সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অভিজিৎ চৌধুরী লিটনের সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর হোসেন ভূঁইয়া, আওয়ামী লীগ নেতা মো. শাহজাহান, আবুল হোসেন, শামসুল ইসলাম শাহজাহান, গোলাম হাফিজ, শহীদ খান, শেখ সেলিম, ফরহাদ সিদ্দিক, রওশনউদদীন, জয়ন্ত সিনহা প্রমুখ।...

ফিলাডেলফিয়া ম্যারাথনে অংশ নিচ্ছে বেঙ্গল রানার্স ক্লাব

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির নতুন নতুন আবিষ্কারের ফলে স্বাস্থ্যের প্রতি মানুষের সচেতনতা দিন দিন বাড়ছে। উন্নত দেশগুলোর প্রতিটি শহরে জিমনেসিয়ামে উপচে পড়া ভিড়। জিমে যাওয়ার পাশাপাশি নানা ধরনের শরীর চর্চা করে থাকে মানুষ। নিঃসন্দেহে এই তালিকায় দৌড় একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। দৈহিক সুস্থতার পাশাপাশি বিষণ্নতা দূর করে মনো জগৎকে প্রফুল্ল রাখতে দৌড় বা শরীর চর্চার ভূমিকা অপরিসীম। তাই দৌড় নিয়ে আয়োজন করা হচ্ছে নানা ইভেন্টের। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশিরাও পিছিয়ে নেই। আমেরিকানদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নানা দৌড় প্রতিযোগিতায় নিয়মিত অংশ নিচ্ছে প্রবাসী বাংলাদেশিরা। দৌড়ের অভ্যাসকে সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে এখানে অনেকেই কাজ করছে। এর মধ্যে সাউথ জার্সির বেঙ্গল রানার্স ক্লাব অন্যতম। স্বাস্থ্য সচেতনতার বিষয়টিকে মূল লক্ষ্য করে দৌড়কে বাংলাদেশিদের ম্যধে জনপ্রিয় করার লক্ষ্যে উত্তর আমেরিকার সাউথ জার্সির প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিষ্ঠা করেন বেঙ্গল রানার্স ক্লাব বা বিআরসি। পেশায় চিকিৎসক মশিউল চৌধুরী ও স্থানীয় বাংলাদেশিদের আগ্রহে ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বেঙ্গল রানার্স ক্লাব। মশিউল চৌধুরী বলেন, ‘প্রচলিত লাতিন প্রবাদ আছে, সুস্থ দেহে সুন্দর মনের বাস। বেঙ্গল রানার্স ক্লাব এই প্রবাদে বিশ্বাস করে। শরীর চর্চা, হাঁটা, দৌড়ের মাধ্যমে শারীরিক এবং মানসিক দুই ভাবেই ভালো থাকা যায়। আমাদের সেই ভালো থাকার চেষ্টা করাটা জরুরি।’ এই চিকিৎসক বলেন, মূলত ২০১৩ সালে বাংলাদেশে সাভারে তৈরি পোশাক কারখানায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীদের সাহায্যার্থে অর্থ সংগ্রহের লক্ষ্যে সাউথ জার্সির কুপার নদীর পার্কে প্রবাসীদের নিয়ে আয়োজন করা হয় পাঁচ কিলোমিটার দৌড় প্রতিযোগিতার। এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায় বিআরসি। সেই থেকে বিআরসি দৌড়ের পাশাপাশি জনকল্যাণমূলক কাজ করে যাচ্ছে। বিআরসি সদস্যরা প্রতি রোববার সকালে সাউথ জার্সির কুপার নদীর পার্কে মিলিত হয়। তাঁরা নির্মল প্রাকৃতিক পরিবেশে চার থেকে আট মাইল দৌড় বা হাঁটায় অংশ নেয়। এ ছাড়া বিআরসি প্রতি তিন মাস পর পর ফিলাডেলফিয়া শহরের দর্শনীয় স্থানগুলোতে আয়োজন করে ফ্রেন্ডস অ্যান্ড ফ্যামিলি রানিং ইভেন্টের যাতে শিশুরাও অংশ নেয়। নিয়মিত দৌড়ের পাশাপাশি এই সংগঠনের সদস্যরা প্রতি বছর আমেরিকার শীর্ষস্থানীয় ‘ফিলাডেলফিয়া ম্যারাথন’-এ অংশ নেন। এতে শুধু আমেরিকানরাই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে হাজার হাজার প্রতিযোগী অংশ নেন। বিআরসি মনে করে, এই অংশগ্রহণের মাধ্যমে আমেরিকানদের সঙ্গে মিশে আমরা নিজেদের মূলধারার সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত করতে পারি। মশিউল বলেন, এই ইভেন্টে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি হিসেবে সারা বছর ধরে দৌড়বিদদের নিয়মিত কঠোর অনুশীলন তাঁদের মানসিক শক্তিকে দৃঢ় করে। দীর্ঘ ২৬ দশমিক ২, ১৩ দশমকি ১ বা ৮ মাইল ট্র্যাকে থেকে ফিনিশ লাইনে পৌঁছানোর লক্ষ্যে স্থির থাকার অভ্যাস যেমন আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়, তেমনি বাড়িয়ে দেয় সহিষ্ণুতা যা জীবনের অন্য ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। বেঙ্গল রানার্স ক্লাবের আরেকটি লক্ষ্য ম্যারাথনকে কেন্দ্র করে সেবামূলক কাজে সহায়তায় তহবিল সংগ্রহ করে বিভিন্ন দাতব্য প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া।...

পাঁচ রপ্তানিকারক পেল এইচএসবিসি পদক

পাঁচ রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানকে পদক দিয়েছে বহুজাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান দি হংকং অ্যান্ড সাংহাই ব্যাংকিং করপোরেশন (এইচএসবিসি)। গতকাল শুক্রবার রাতে রাজধানীর র‍্যাডিসন হোটেলে এক অনুষ্ঠানে ‘এইচএসবিসি এক্সপোর্ট এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ শীর্ষক এ পুরস্কার দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ও বিশেষ অতিথি বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার এলিসন ব্লেইক পুরস্কার জয়ী প্রতিষ্ঠানের কর্ণধারদের হাতে পদক তুলে দেন। ২০১০ সাল থেকে এ পুরস্কার দিয়ে আসছে এইচএসবিসি। এবারের পদক পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো স্কয়ার ফ্যাশনস লিমিটেড, তারাশিমা অ্যাপারেল লিমিটেড, এনভয় টেক্সটাইল, সীমার্ক (বিডি) লিমিটেড ও ক্ল্যাসিক্যাল হ্যান্ডমেড প্রোডাক্টস বাংলাদেশ। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, পণ্য রপ্তানির দেশের সংখ্যা, রপ্তানি আয়ের পরিমাণ, প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অবস্থা, সুষ্ঠু ব্যবসায়িক পরিচালন নীতি এবং আরও কিছু গুণগত বিষয় বিবেচনায় নিয়ে বিচারক প্যানেল বিজয়ী প্রতিষ্ঠান বাছাই করেন। জুরি বোর্ডের প্রধান ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন। এবার বছরের সেরা রপ্তানিকারক তৈরি পোশাক শিল্প গ্রুপে (যাদের বার্ষিক রপ্তানি আয় ১০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি) স্কয়ার ফ্যাশনস লিমিটেড পুরস্কার পেয়েছে। ২০০২ সালে উৎপাদনে আসা প্রতিষ্ঠানটি ২৫টি ব্র্যান্ডের জন্য পণ্য তৈরি করে, যেগুলো ৭৫টি দেশে রপ্তানি হয়। স্কয়ার ফ্যাশনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন চৌধুরী পদক গ্রহণ করেন। বছরের সেরা রপ্তানিকারক তৈরি পোশাক শিল্প গ্রুপে (যাদের বার্ষিক রপ্তানি আয় ১০০ মিলিয়ন ডলারের কম) শ্রেণিতে পুরস্কার পেয়েছে তারাশিমা অ্যাপারেল লিমিটেড। এ প্রতিষ্ঠানটি ৪০ দেশে পণ্য রপ্তানি করে। তারাশিমা অ্যাপারেলসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মিশান আলী পদক গ্রহণ করেন। বছরের সেরা রপ্তানিকারক-সরবরাহ ব্যবস্থা ও পশ্চাদমুখী শিল্প খাতে (যাদের বার্ষিক রপ্তানি আয় ১০ মিলিয়ন ডলার বা তার বেশি) শ্রেণিতে পুরস্কার পেয়েছে এনভয় টেক্সটাইল। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান কুতুবউদ্দিন আহমেদ পুরস্কার গ্রহণ করেন। বছরের সেরা রপ্তানিকারক, সনাতন ও উদীয়মান (যাদের বার্ষিক রপ্তানি আয় ১০ মিলিয়ন ডলার বা তার বেশি তবে পোশাক শিল্প ও টেক্সটাইল ব্যতীত) শ্রেণিতে পুরস্কার পেয়েছে সি ফুড রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান সীমার্ক (বিডি) লিমিটেড। সীমার্ক গ্রুপের চেয়ারম্যান ইকবাল আহমেদ ওবিই এ পদক গ্রহণ করেন। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে বছরের সেরা রপ্তানিকারকের (বার্ষিক রপ্তানি আয় ১০ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত, তবে তৈরি পোশাক শিল্প ও টেক্সটাইল ব্যতীত) পুরস্কার পেয়েছে গৃহসজ্জা সামগ্রী তৈরিকারক প্রতিষ্ঠান ক্ল্যাসিক্যাল হ্যান্ডমেড প্রোডাক্টস বাংলাদেশ। নীলফামারীর এ প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তৌহিদ বিন আব্দুস সালাম পদক গ্রহণ করেন। বিজয়ী প্রতিষ্ঠানগুলোকে অভিনন্দন জানিয়ে বক্তব্য দেন এইচএসবিসি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী ফ্রাঁন্সওয়া দ্য ম্যারিকো ও এইচএসবিসি বাংলাদেশের উপপ্রধান নির্বাহী এবং করপোরেট ব্যাংকিং প্রধান মাহবুবউর রহমান।...

মহিউদ্দিন চৌধুরীর সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার বাংলাদেশ সময় বিকাল সাড়ে পাঁচটায় সিঙ্গাপুরে গ্ল্যানিগ্লেস হাসপাতালে ডায়ালাইসিস সাপোর্টের মাধ্যমে তার অস্ত্রোপচার (এনজিওগ্রাম) শুরু হয়। হাসপাতালের ওয়েবসাইটে মহিউদ্দিন চৌধুরীর চিকিৎসার বিবরণে এসব তথ্য পাওয়া যায়। তথ্য বিবরণীতে বলা হয়, মহিউদ্দিন চৌধুরীর এনজিওগ্রাম সোমবার বিকালে সম্পন্ন হয়। তিনি এই মুহূর্তে বড় ধরনের কোনো ঝুঁকির মধ্যে নেই। তার চিকিৎসা স্বাভাবিক ও সফলভাবে হচ্ছে। এনজিওগ্রাম করতে সব মিলিয়ে দুই ঘণ্টার বেশি সময় লেগেছে। এরপর তাকে ৪৮ ঘণ্টার জন্য নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। হাসপাতালটির সিনিয়র কার্ডিওলজিস্ট ডা. তান চং হিয়কের তত্ত্বাবধানে চলছে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর চিকিৎসা। চিকিৎসকের উদ্ধৃতি দিয়ে মহিউদ্দিন চৌধুরীর বড় ছেলে এবং আওয়ামী লীগের সংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, এনজিওগ্রাম শুরুর আগে হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ কিডনি বিশেষজ্ঞ বাবার শরীরে ডায়ালাইসিসের সংযোগ স্থাপন করেন। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে বাবার কিডনি ডায়ালাইসিস সুবিধা হবে। তার বাবা এখন ঝুঁকিমুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।...

মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস এন্ড জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে পাহাড়তলী থানার নতুন অফিসার ই

২১শে নভেম্বর মঙ্গলবার মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস এন্ড জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন (এমজেএফ) চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগর কমিটির পক্ষ থেকে পাহাড়তলী থানায় সদ্য যোগদানকৃত অফিসার ইনর্চাজ মোঃ রফিকুল ইসলামকে ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়। মোঃ লোকমান আলীর সভাপত্ত্বিতে শুভেচ্ছা প্রদানে আরো উপস্থিত ছিলেন সংস্থার জেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব নীহার কান্তি দাশ, যুগ্ন মহা সচিব সাইফুল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য টিংকু ভট্টাচার্য্য, মহানগর কমিটির চেয়ারম্যান মোঃ লোকমান আলী, মহাসচিব মৃদুল মজুমদার, সাংগঠনিক সচিব তছলিম কাদের চৌধুরী, সিনিয়র ভাইচ চেয়ারম্যান মোঃ জিয়া উদ্দিন কাদের চৌধুরী, উত্তর জেলা কমিটির চেয়ারম্যান মোঃ নূর নবী প্রমুখ। শুভেচ্ছা প্রদান অনুষ্ঠানে অফিসার ইনর্চাজ মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, পাহাড়তলী থানা এলাকার শান্তি শৃংখলা বজায় রাখতে সকল সহযোগীতা করিবেন।...

ভেজাল দ্রব্য তৈরির বিপুল পরিমাণ কেমিক্যাল উদ্ধারঃ গ্রেফতার ১

চট্টগ্রামে ভেজাল যৌন উত্তেজক পানীয়, এনার্জি ড্রিংস, ভেজাল দ্রব্য প্রস্তুতের বিপুল পরিমাণ বিভিন্ন কেমিক্যাল ও সরঞ্জামসহ একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার বেলা পৌনে একটার দিকে চট্টগ্রামের কোতোয়ালী থানার রিয়াজউদ্দিন বাজার, চৈতন্যগলির চাঁদনী সুপার মার্কেট এর ৬ষ্ঠ তলার ৬নং রুমে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতের নাম, মোঃ সোহেল। তার বয়স ২৮ বছর। সে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার কেওচিয়া ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের মৃত মোঃ আব্দুস ছালামের ছেলে। গ্রেফতারের পর তার হেফাজত থেকে ৫০১৬ বোতল বিভিন্ন নামের ভেজাল যৌন উত্তেজক পানীয়, এনার্জি ড্রিংস ও ভেজাল দ্রব্য প্রস্তুতের বিপুল পরিমাণ বিভিন্ন কেমিক্যাল ও সরঞ্জাম উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সোহেল ও তার অন্যান্য সহযোগীরা মিলে বিভিন্ন ধরনের ভেজাল দ্রব্য তৈরি করে চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করত। গ্রেফতারকৃতের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী থানায় মামলা রুজু হয়েছে।...

শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর অস্ট্রিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ

ভিয়েনায় অনুষ্ঠিতব্য এলডিসি বা স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মন্ত্রীপর্যায়ের ৭ম সম্মেলনে যোগ দেবেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। এ লক্ষ্যে তিনি আজ সকালে অস্ট্রিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন। জাতিসংঘের শিল্প উন্নয়ন সংস্থার (ইউনিডো) মহাপরিচালক লি ইয়ংয়ের আমন্ত্রণে তিনি এ সফরে যাচ্ছেন। আগামী ২৩ ও ২৪ নভেম্বর ইউনিডো আয়োজিত এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এতে ইউনিডোর সদস্যভুক্ত দেশগুলোর শিল্পমন্ত্রী, আন্তর্জাতিক আর্থিক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী, অর্থনীতিবিদ, শিল্পগবেষক, পরিবেশবিদ, নীতিনির্ধারক, বিশ্ববরেণ্য শিল্পউদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। সম্মেলনে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর শিল্পখাতের ক্রমবর্ধমান উন্নতি ও উৎপাদনশীলতা অর্জনে উপযুক্ত প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। পাশাপাশি শিল্পখাতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণের সুযোগ সম্প্রসারণ, অধিকতর জনগোষ্ঠীকে শিল্পখাতে সংম্পৃক্ত করে দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন, সবুজ প্রযুক্তির ব্যবহার এবং জনগণের আয় ও জীবনযাত্রার টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতকল্পে করণীয় নির্ধারণ করা হবে। এছাড়া, সম্মেলনে এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর সাম্প্রতিক আর্থসামাজিক অগ্রগতির বিষয়ে মন্ত্রীপর্যায়ে বিতর্ক অনুষ্ঠিত হবে। এতে উন্নয়নের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে বেসরকারিখাতের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব জোরদারের বিষয়ে উপস্থিত মন্ত্রী ও নীতিনির্ধারকরা আলোচনা করবেন।...

পাঁচ রপ্তানিকারক পেল এইচএসবিসি পদক

পাঁচ রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানকে পদক দিয়েছে বহুজাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান দি হংকং অ্যান্ড সাংহাই ব্যাংকিং করপোরেশন (এইচএসবিসি)। গতকাল শুক্রবার রাতে রাজধানীর র‍্যাডিসন হোটেলে এক অনুষ্ঠানে ‘এইচএসবিসি এক্সপোর্ট এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ শীর্ষক এ পুরস্কার দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ও বিশেষ অতিথি বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার এলিসন ব্লেইক পুরস্কার জয়ী প্রতিষ্ঠানের কর্ণধারদের হাতে পদক তুলে দেন। ২০১০ সাল থেকে এ পুরস্কার দিয়ে আসছে এইচএসবিসি। এবারের পদক পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো স্কয়ার ফ্যাশনস লিমিটেড, তারাশিমা অ্যাপারেল লিমিটেড, এনভয় টেক্সটাইল, সীমার্ক (বিডি) লিমিটেড ও ক্ল্যাসিক্যাল হ্যান্ডমেড প্রোডাক্টস বাংলাদেশ। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, পণ্য রপ্তানির দেশের সংখ্যা, রপ্তানি আয়ের পরিমাণ, প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অবস্থা, সুষ্ঠু ব্যবসায়িক পরিচালন নীতি এবং আরও কিছু গুণগত বিষয় বিবেচনায় নিয়ে বিচারক প্যানেল বিজয়ী প্রতিষ্ঠান বাছাই করেন। জুরি বোর্ডের প্রধান ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন। এবার বছরের সেরা রপ্তানিকারক তৈরি পোশাক শিল্প গ্রুপে (যাদের বার্ষিক রপ্তানি আয় ১০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি) স্কয়ার ফ্যাশনস লিমিটেড পুরস্কার পেয়েছে। ২০০২ সালে উৎপাদনে আসা প্রতিষ্ঠানটি ২৫টি ব্র্যান্ডের জন্য পণ্য তৈরি করে, যেগুলো ৭৫টি দেশে রপ্তানি হয়। স্কয়ার ফ্যাশনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন চৌধুরী পদক গ্রহণ করেন। বছরের সেরা রপ্তানিকারক তৈরি পোশাক শিল্প গ্রুপে (যাদের বার্ষিক রপ্তানি আয় ১০০ মিলিয়ন ডলারের কম) শ্রেণিতে পুরস্কার পেয়েছে তারাশিমা অ্যাপারেল লিমিটেড। এ প্রতিষ্ঠানটি ৪০ দেশে পণ্য রপ্তানি করে। তারাশিমা অ্যাপারেলসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মিশান আলী পদক গ্রহণ করেন। বছরের সেরা রপ্তানিকারক-সরবরাহ ব্যবস্থা ও পশ্চাদমুখী শিল্প খাতে (যাদের বার্ষিক রপ্তানি আয় ১০ মিলিয়ন ডলার বা তার বেশি) শ্রেণিতে পুরস্কার পেয়েছে এনভয় টেক্সটাইল। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান কুতুবউদ্দিন আহমেদ পুরস্কার গ্রহণ করেন। বছরের সেরা রপ্তানিকারক, সনাতন ও উদীয়মান (যাদের বার্ষিক রপ্তানি আয় ১০ মিলিয়ন ডলার বা তার বেশি তবে পোশাক শিল্প ও টেক্সটাইল ব্যতীত) শ্রেণিতে পুরস্কার পেয়েছে সি ফুড রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান সীমার্ক (বিডি) লিমিটেড। সীমার্ক গ্রুপের চেয়ারম্যান ইকবাল আহমেদ ওবিই এ পদক গ্রহণ করেন। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে বছরের সেরা রপ্তানিকারকের (বার্ষিক রপ্তানি আয় ১০ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত, তবে তৈরি পোশাক শিল্প ও টেক্সটাইল ব্যতীত) পুরস্কার পেয়েছে গৃহসজ্জা সামগ্রী তৈরিকারক প্রতিষ্ঠান ক্ল্যাসিক্যাল হ্যান্ডমেড প্রোডাক্টস বাংলাদেশ। নীলফামারীর এ প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তৌহিদ বিন আব্দুস সালাম পদক গ্রহণ করেন। বিজয়ী প্রতিষ্ঠানগুলোকে অভিনন্দন জানিয়ে বক্তব্য দেন এইচএসবিসি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী ফ্রাঁন্সওয়া দ্য ম্যারিকো ও এইচএসবিসি বাংলাদেশের উপপ্রধান নির্বাহী এবং করপোরেট ব্যাংকিং প্রধান মাহবুবউর রহমান।...

এসএসসি পরীক্ষা শুরু ১ ফেব্রুয়ারি

আগামী ১ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে ২০১৮ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা। বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করে। প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী এসএসসির লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ২৪ ফেব্রুয়ারি। এরপর হবে ব্যবহারিক পরীক্ষা। সময়সূচিতে দেয়া নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রথমে বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) এবং পরে সৃজনশীল বা রচনামূলক অংশের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। উভয় অংশের পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না। মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে এই সময়সূচি পাওয়া যাচ্ছে। পরীক্ষার্থীদের সৃজনশীল, এমসিকিউ এবং ব্যবহারিক অংশে আলাদাভাবে পাস করতে হবে।...

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ম বর্ষের আবেদন শেষ হচ্ছে কাল

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) ভর্তি কার্যক্রমে ২য় ও সবশেষ রিলিজ স্লিপের অনলাইন আবেদন ২২ নভেম্বর শুরু হচ্ছে। এ কার্যক্রম শেষ হবে ৩০ নভেম্বর রাত ১২টায়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইটে প্রকাশিত স্নাতকপূর্ব শিক্ষা বিষয়ক স্কুল ডিন প্রফেসর ড. মোঃ নাসির উদ্দিন সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে। এতে বলা হয়, ওই শিক্ষা বর্ষের ভর্তি কার্যক্রমে দ্বিতীয় রিলিজ স্লিপের অনলাইন আবেদন আগামী ২২ নভেম্বর বিকেল ৪টা থেকে শুরু হবে এবং তা চলবে ৩০ নভেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত। উক্ত ভর্তি কার্যক্রমে যে সব প্রার্থী মেধা তালিকায় স্থান পায়নি, মেধা তালিকায় স্থান পেয়েও ভর্তি হয়নি কিংবা ভর্তি বাতিল করেছে- সে সর প্রার্থী ২য় ও সর্বশেষ রিলিজ স্লিপে আবেদন করতে পারবে। আবেদনকারী আসন খালি থাকা সাপেক্ষে পাঁচটি কলেজ পছন্দ করতে পারবে। বিস্তারিত তথ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট থেকে জানা যাবে।...

২৪ নভেম্বর থেকে চট্টগ্রামে বিপিএল

সিলেটে-ঢাকা মাতিয়ে এবার বন্দর নগরী চট্টগ্রামে যাচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) পঞ্চম আসর। সে জন্য ২২ এবং ২৩ নভেম্বর বিপিএলের কোনো খেলা মাঠে গড়াবে না। ২৪ নভেম্বর থেকে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে শুরু হবে বিপিএল তৃতীয় পর্ব। যাত্রা দিনের প্রথম ম্যাচে খুলনা টাইটানসের মুখোমুখি হবে রংপুর রাইডার্স। দ্বিতীয় ম্যাচে ঘরের দল চিটাগং ভাইকিংস খেলবে সিলেট সিক্সার্সের বিপক্ষে। ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত খেলা চলবে চট্টগ্রামের মাটিতে। ২ ডিসেম্বর দ্বিতীয়বারের মতো ঢাকায় ফিরে ১২ ডিসেম্বর পর্দা নামবে বিপিএলের। দুই পর্ব শেষে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে আছে তামিম ইকবালের দল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস। তাদের পয়েন্ট ৬ ম্যাচে ১০। দুইয়ে আছে সাকিব আল হাসানের ঢাকা ডায়নামাইটস। ৮ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট রয়েছে তাদের ঝুলিতে। তিন নম্বর জায়গাটা দখলে নিয়েছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের খুলনা টাইটানস। ৭ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট তাদের। চারে আছে নাসির হোসেনের সিলেট সিক্সার্স। তাদের নামের পাশে আছে ৭ পয়েন্ট। পাঁচ, ছয় এবং সাতে যথাক্রমে রংপুর রাইডার্স (৬ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট), রাজশাহী কিংস ( ৭ ম্যাচে পয়েন্ট ৪), চিটাগং ভাইকিংস ( ৬ ম্যাচে ৩ পয়েন্ট)।...

সুজনকে অন্তর্বর্তীকালীন কোচ নিয়োগ

চন্ডিকা হাথুরুসিংহে থাকবেন কী থাকবেন না- এখনও এ বিষয়ে অন্ধকারে রয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এখনও তারা আশা করছেন, হাথুরু ঢাকায় আসবেন এবং তার সঙ্গে সব বিষয়ে কথা-বার্তা বলার সুযোগ পাবেন তারা। তবে, আগামী মাসের শেষের দিকেই যেহেতু পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলার জন্য শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দল বাংলাদেশে আসছে, সে জন্য হাথুরু আসছে না ধরে নিয়েই খালেদ মাহমুদ সুজনকে অন্তর্বর্তীকালীন কোচ নিয়োগ দিয়েছে বিসিবি। সোমবার বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন নিজেই এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দিয়েছেন। চন্ডিকা হাথুরুসিংহে আর আসছেন না- এমন নিশ্চিত সংবাদ আগেও একাধিকবার প্রকাশ হয়েছে বিভিন্ন অনলাইনে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড থেকে বারবার বলা হচ্ছিল, তারা হাথুরুর অপেক্ষায় রয়েছেন। তিনি ঢাকায় এসে তাদের (বিসিবির) সঙ্গে আলোচনা না করা পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণাও দিতে পারছেন না তারা। এমনকি এটাও বলছিলেন, নির্দিষ্ট একটা সময় পর্যন্ত তারা অপেক্ষা করবেন। হাথুরু এর মধ্যে না আসলে ভিন্ন কোনো সিদ্ধান্ত নেবে বিসিবি।...

১২ কোটি রুপি চেয়েছেন প্রিয়াঙ্কা

অল্প কিছুদিনের জন্য ভারত ফিরছেন অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। ডিসেম্বর মাসেই নিজ দেশে ফিরছেন তিনি। নতুন কোন সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন কিনা, সেটি জানা যায়নি। তবে তিনি একটি অ্যাওয়ার্ড শোতে পারফরমেন্স করবেন। এছাড়াও শোনা যাচ্ছে, এই অল্প সময়ের পারফরমেন্সের জন্য ১২ কোটি রুপি চেয়েছেন প্রিয়াঙ্কা। সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ত্রিশ মিনিটের এই পারফরমেন্সের জন্য এতো পারিশ্রমিক দাবি করছেন হলিউডের ‘বেওয়াচ’ তারকা। বলিউডের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক গানের তালে নাচবেন তিনি এই অনুষ্ঠানে। এছাড়াও শোনা গেছে, দীপিকা পাড়ুকোনের সঙ্গে টেক্কা দিতেই আকাশছোঁয়া দর হাকিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা। ‘পদ্মাবতী’ সিনেমায় রানি ‘পদ্মিনী’ চরিত্রে অভিনয় করার জন্য নায়কদের তুলনায় বেশি পারিশ্রমিক নিয়েছেন দীপিকা। আর তার সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে প্রিয়াঙ্কা এমন করছেন বলে মন্তব্য করেন অনেকে। তবে অনেকে এও বলছেন, দীপিকা তিন ঘন্টার ছবির জন্য ১১ থেকে ১২ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিতেই পারেন। কিন্তু প্রিয়াঙ্কা মাত্র ত্রিশ মিনিটের জন্য ১২ কোটি দর হাঁকাতে পারেন না। ফোর্বস ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ জন জনপ্রিয় মহিলার তালিকায় নাম রয়েছে প্রিয়াঙ্কার। তালিকায় তার নাম রয়েছে ৯৭ নম্বরে। তাই বলে প্রিয়াঙ্কা এমন ঘটনা ঘটাবেন, তা শুনে হতভম্ব হয়ে পড়েন বলিউডের একাংশ।...

বারী সিদ্দিকী লাইফ সাপোর্টে

প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী বারী সিদ্দিকীর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে লাইফ সাপোর্ট দিয়ে রাখা হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, তাঁর দুটি কিডনি অকার্যকর। তিনি বহুমূত্র রোগেও ভুগছেন। এ ছাড়া গতকাল শুক্রবার রাতে তিনি হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন। এরপর তাঁকে যখন হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়, তখন তিনি অচেতন ছিলেন। তাঁকে দ্রুত নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। আজ শনিবার সকালে বারী সিদ্দিকীর ছেলে সাব্বির সিদ্দিকী প্রথম আলোকে বলেন, ‘বছর দুয়েক যাবৎ বাবা কিডনির সমস্যায় ভুগছেন। গত বছর থেকে সপ্তাহে তিন দিন কিডনির ডায়ালাইসিস করছেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যায় শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরে যান। সেখান থেকে রাত ১০টা নাগাদ বাসায় ফেরেন। তখনো তিনি স্বাভাবিক ছিলেন। কোনো অসুস্থতার কথা বলেননি। গভীর রাতে হঠাৎ তিনি গুরুতর হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন। মুহূর্তেই অচেতন হয়ে পড়েন।’ সাব্বির সিদ্দিকী জানান, বারী সিদ্দিকীর অবস্থা ক্রমেই অবনতি হচ্ছে। চিকিৎসকেরা কোনো আশার কথা বলতে পারছেন না। তিনি বারী সিদ্দিকীর জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন। বারী সিদ্দিকীর অন্যতম শিষ্য জলের গানের শিল্পী রাহুল আনন্দ বলেন, ‘গুরুজির অসম্ভব মনের জোর। অনেক দিন থেকে কিডনির সমস্যায় ভুগছেন। কিন্তু দেখে কিংবা কথা বলে তা বোঝার উপায় ছিল না। তিনি গান গেয়ে গেছেন। এই তো সেদিন হ‌ুমায়ূন আহমেদের জন্মদিন উপলক্ষেও টিভি চ্যানেলে তিনি গান গেয়েছেন, কথা বলেছেন।’ দীর্ঘদিন সংগীতের সঙ্গে জড়িত থাকলেও সবার কাছে বারী সিদ্দিকী শিল্পী হিসেবে পরিচিতি পান ১৯৯৯ সালে। ওই বছর হ‌ুমায়ূন আহমেদের ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’ ছবিটি মুক্তি পায়। এই ছবিতে তিনি ছয়টি গান গেয়েছেন। তাঁর জনপ্রিয় হওয়া গানগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘শুয়াচান পাখি আমি ডাকিতাছি তুমি ঘুমাইছ নাকি’, ‘পুবালি বাতাসে’, ‘আমার গায়ে যত দুঃখ সয়’, ‘ওলো ভাবিজান নাউ বাওয়া’, ‘মানুষ ধরো মানুষ ভজো’। এরপর তিনি চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক করেছেন। তাঁর গাওয়া গান নিয়ে বেরিয়েছে অডিও অ্যালবাম।...

আকাশে তারকা বিমান

তারকাদের আছে নানা রঙের শখ। কেউ শখে দ্বীপ কেনেন, কেউ নৌকা, কেউবা গাড়ি আবার কেউ কেনেন ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য বিমান। বিমানের মালিক কয়েকজন তারকার কথা থাকছে। ক্রুজের দামি বিমান ক্রুজের দামি বিমান মিশন ইম্পসিবল, জ্যাক রিচারসহ অনেক চলচ্চিত্রে বিমানের অ্যাকশন দৃশ্যে দামি দামি বিমান ধ্বংস করেছেন টম ক্রুজ। সেই টম ক্রুজ গালফস্ট্রিম ফোর-এসপি নামের একটি বিমানের মালিক। ক্রুজের বিমানের দাম শুনলে চমকে যেতে পারেন—মাত্র ৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার। সেলিন ডিওনের বিমান-প্রেম সেলিন ডিওনের বিমান-প্রেম কানাডিয়ান গায়িকা সেলিন ডিওনের শখের একটি জেট আছে। বোমবারডিয়ার গ্লোবাল এক্সপ্রেস জেট মডেলের একটি বিমানের মালিক এই গায়িকা। গেল কয়েক বছর ধরে বিমানে চড়ে ইনস্টাগ্রামে ছবি দেওয়া শখে পরিণত হয়ে গেছে এই তারকার। বৈমানিক জোলি! বৈমানিক জোলি! হলিউড অভিনয়শিল্পী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি সাইরাস এসআর ২২ মডেলের একটি জেট বিমানের মালিক। শুধু মালিকই নন, জোলি একজন লাইসেন্সধারী বৈমানিকও বটে। মাঝেমধ্যেই সন্তানদের নিয়ে নাকি জোলি আকাশে উড়তে পছন্দ করেন। বাচ্চাদের নিয়ে ককপিটে মাঝেমধ্যেই বসেন তিনি।...

পাঁচ মাসের গ্রাম

রাসমেলা দেখব বলে দুবলার চরের পথে পা বাড়িয়েছিলাম। খুলনা থেকে প্রায় ছয় ঘণ্টা লঞ্চে যাওয়ার পর চরে পৌঁছালাম ১ নভেম্বর। সুন্দরবন-লাগোয়া দুবলার চরের বালুতে পা ফেলার আগেই নাকে এল শুঁটকির গন্ধ। ঘণ্টাখানেক পর অবশ্য উৎকট গন্ধ নাক-সওয়া হয়ে গেল।মসজিদের কাজ তখনো চলছিলরাস উৎসব আয়োজনের ফাঁকেই জেলে গ্রাম ঘুরে বেড়ানো। অস্থায়ী এই গ্রামটি তখনো পুরোপুরি তৈরি হয়নি। ঘর তৈরির কাজ চলছে। কেউ কেউ বানাচ্ছেন মাছ শুকানো চাতাল, গড়ে উঠছে দোকান, হোটেল, উপাসনালয়সহ জীবনযাত্রার সবকিছুই। গ্রামের বাসিন্দারা এই চরে থাকবেন মাস পাঁচেক। এ সময় বসবাসের জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছু গড়ে নিচ্ছেন নিজেদের মতো। এবার মৌসুম শুরু হয়েছে ২৩ অক্টোবর, ইলিশ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পরদিন। দুবলার চরের মন্দিরচরের জেলে, মাছশ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা খুলনা, যশোর, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, ভোলাসহ বিভিন্ন জেলা থেকে এসেছেন। এখানে সবাই যাঁর যাঁর কাজে ব্যস্ত, কথা বলার সময় নেই কারও যেন। ভোর থেকেই তুমুল ব্যস্ততা শুরু হয় তাঁদের। ট্রলারে মাছ ধরে নিয়ে আসেন জেলে। এরপর তা নদীর পানিতেই ধুয়ে আলাদা করা হয়। নানা জাতের মাছ আলাদা করার পর তা শ্রমিকেরা নিয়ে যান চাতালে। সেখানে মাছ কেটে প্রক্রিয়াজাত করে আলাদা চাতালে শুকাতে দেওয়া হয়। চার থেকে পাঁচ দিন লাগে মাছ শুকাতে। এরপর ব্যবসায়ীরা কিনে নিয়ে যান। মাছ ধরছেন জেলেরাকার্তিক চন্দ্র বিশ্বাস নামের এক শ্রমিক আটজনের দলের সঙ্গে এসেছেন। তাঁর বাড়ি খুলনার পাইকগাছায়। তাঁর কাছেই জানা গেল, প্রতি দলে ৮ থেকে ১০ জন করে থাকেন তাঁরা। গ্রামে জেলে, শ্রমিক ও ব্যবসায়ী মিলে প্রায় ১২ থেকে ১৫ হাজার মানুষ বসবাস করেন এই সময়টায়। প্রত্যেক জেলে এই পাঁচ মাসে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা আয় করেন। ...

মানবতাবিরোধী অপরাধে আজিজসহ ৬ জনের ফাঁসির আদেশ

মানবতাবিরোধী অপরাধে গাইবান্ধার জামায়াত নেতা আব্দুল আজিজসহ ৬ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। বিচারপতি শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় আব্দুল আজিজ রাজাকার কমান্ডার ছিলেন বলে রায়ের পযবেক্ষনে বলা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যা, হত্যা, আটক, অপহরণ, নির্যাতনসহ তিনটি অভিযোগ আনা হয় গাইবান্ধার আব্দুল আজিজসহ ৬ জনের বির“দ্ধে। বুধবার সকাল সাড়ে দশটার পর ১৬৬ পৃষ্ঠার রায় পড়া শুরু করেন বিচারপতি মো: শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল। রায়ে আসামিদের বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ফাঁসির দণ্ড দেয়া হয়। জামায়াতের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আব্দুল আজিজ ছাড়া অন্য আসামিরা হলো, রুহুল আমিন ওরফে মঞ্জু, আব্দুল লতিফ, আবু মুসলিম মোহাম্মদ আলী, নাজমুল হুদা ও আব্দুর রহিম মিয়া। এদের মধ্যে লতিফ ছাড়া সবাই পলাতক। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। অন্যদিকে, আসামিরা ন্যায় বিচার পায়নি বলে দাবি করেছে আসামিপক্ষ। রায়ের পর্যবেক্ষনে বলা হয়, মুক্তিযুদ্ধের সময় আব্দুল আজিজ রাজাকার কমান্ডার ছিলেন। আসামিরা মুক্তিযুদ্ধের সময় সংগঠিত অপরাধের দায় এড়াতে পারেন না। ২০১০ সালে ট্রাইব্যুনাল গঠনের পর এখন পর্যন্ত ২৮টি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। এটা ট্রাইব্যুনালের ২৯তম রায়।...

যুদ্ধাপরাধের ২৯তম রায় আগামীকাল

মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ তথা ’৭১-এ যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আনা ২৯তম মামলার রায় আগামীকাল। জামায়াত নেতা ও গাইবান্ধার প্রাক্তন সংসদ সদস্য আবু সালেহ মুহাম্মদ আব্দুল আজিজ মিয়া ওরফে ঘোড়ামারা আজিজসহ ছয় আসামির বিরুদ্ধে পুনরায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মামলাটি গত ২৩ অক্টোবর যে কোন দিন রায়ের (সিএভি) জন্য রাখা হয়েছে। আন্তজার্তিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন ৩ সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেয়। বিচারিক প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি আমির হোসেন ও অবসরোত্তর ছুটিতে থাকা ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর সাবেক বিশেষ জজ মো. আবু আহমেদ জমাদার। নবগঠিত এ ট্রাইব্যুনালে এটিই হবে প্রথম রায়। এ মামলার প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বাসস’কে বলেন, এ মামলার আসামীরা মুক্তিযুদ্ধের সময় ভয়ংকর অপরাধ করেছে। আসামীদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রসিকিউশন প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে দাবী করে তিনি বলেন, আসামীরা তাদের স্থানীয় এলাকাকে নেতৃত্ব শূন্য করতে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের ১৩ জন নির্বাচিত প্রতিনিধিসহ (চেয়ারম্যান-মেম্বার) মোট ১৪ জনকে নির্মমভাবে হত্যা করাসহ বিভিন্ন মানবতদাবিরোধী অপরাধ সংগঠিত করেছেন। আসামীদের দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ সাজার রায় হবে বলে আশা প্রকাশ করেন এ প্রসিকিউটর। তিনি বলেন, গত ৯ মে এই মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে ট্রাইব্যুনালের তৎকালীন চেয়ারম্যান বিচারপতি আনোয়ারুল হকের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেল রায়ের জন্য মামলাটি অপেক্ষামাণ রেখেছিলেন। বিচারপতি আনোয়ারুল হক মৃত্যুবরণ করায় ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করে গত ১১ অক্টোবর প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। নবগঠিত ট্রাইব্যুনালে মামলাটি পুনরায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য করে আদেশ দেয়। সে অনুযায়ি পুনরায় যুক্তিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। এখন রায় ঘোষণার অপেক্ষা। এর আগে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আনা আরো ২৮ মামলায় রায় ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। রায়ে অপেক্ষায় থাকা মামলার আসামীদের মধ্যে রয়েছেন-জামায়াতের সাবেক এমপি আবু সালেহ মুহাম্মদ আব্দুল আজিজ মিয়া ওরফে ঘোড়ামারা আজিজসহ ছয়জন। অন্যান্য আসামিরা হলেন- মো. রুহুল আমিন ওরফে মঞ্জু (৬১), মো. আব্দুল লতিফ (৬১), আবু মুসলিম মোহাম্মদ আলী (৫৯), মো. নাজমুল হুদা (৬০) ও মো. আব্দুর রহিম মিঞা (৬২)। এ ছয়জনের মধ্যে মো. আব্দুল লতিফ কারাগারে আছে, বাকী পাঁচজন পলাতক রয়েছে। আজিজসহ গাইবান্ধার ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়। আব্দুল আজিজ মিয়া ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পযর্ন্ত বিএনপি নেতৃত্বধীন চার-দলীয় জোটের অধীনে জামায়াত থেকে গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ-১ আসনে সংসদ সদস্য ছিলেন।বাসস...

উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন খালেদা জিয়া

উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। মঙ্গলবার রাতে নিজের গুলশানের কার্যালয়ে এই বৈঠক হয়। বেগম খালেদা জিয়ার সভাপতিত্ব অনুষ্ঠিত বৈঠকে, দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আগামী সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এ ছাড়া রোহিঙ্গা সংকট, রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গসহ বেশ কিছু চলমান ইস্যু উঠে আসে আলোচনায়। বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর ৫৩ জন সদস্য অংশ নেন। সম্প্রতি বেগম খা‌লেদা জিয়া দ‌লের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভাইস চেয়ারম্যান‌দের সঙ্গেও বৈঠক ক‌রে‌ছেন বেগম খালেদা জিয়া।...

সশস্ত্র বাহিনী জাতির এক গর্বিত প্রতিষ্ঠান :খালেদা জিয়া

সশস্ত্র বাহিনীকে জাতির এক গর্বিত প্রতিষ্ঠান বলে আখ্যায়িত করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। সশস্ত্র বাহিনী দিবসে দেয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, সশস্ত্র বাহিনী সাহস, শৌর্য এবং শৃঙ্খলা দিয়ে তৈরী জাতির এক গর্বিত প্রতিষ্ঠান। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে এই বাহিনীর গৌরবোজ্জল ভূমিকা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও ভৌগলিক অখন্ডত্ব রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীর দেশপ্রেমিক সদস্যরা অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করে চলেছে। খালেদা জিয়া বলেন, বিশ্বশান্তি রক্ষায়ও তারা পালন করে চলেছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা বাহিনীতে কর্মরত আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা কর্মদক্ষতা ও উঁচুমানের পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়ে দেশের সুনাম বয়ে আনছে। দেশের সকল প্রাকৃতিক দূর্যোগেও সশস্ত্র বাহিনী অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে দ্বিধাহীনভাবে সংকট মোকাবেলায় ঝাঁপিয়ে পড়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীকে একটি আধুনিক, গতিশীল ও দক্ষ পেশাদার বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেছিলেন। সেই থেকে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী সুশৃঙ্খল, ক্ষিপ্র ও সদা তৎপর এক আধুনিক বাহিনীতে পরিণত হয়। যা বিশ্বের যেকোন আধুনিক রাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর সমকক্ষ। আমরা সরকারে থাকতেও সশস্ত্র বাহিনীকে শহীদ জিয়ার গৃহিত কর্মসূচির ধারাবাহিক বাস্তবায়নের অগ্রগতি সাধিত করে এই বাহিনীকে আরো আধুনিকায়ন ও একে শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে সচেষ্ট থেকেছি। ভবিষ্যতেও আমাদের এ প্রয়াস অব্যাহত থাকবে। সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সকল সদস্যকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান খালেদা জিয়া। সেই সঙ্গে তাদের ও তাদের পরিবারের অব্যাহত সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।...

শীতল হাওয়ায় সারা বেলা...

শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। দীর্ঘ সময় শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ঘরে খানিকটা হয়তো স্বস্তিতে থাকছেন আপনি। তবে এতে কিন্তু আপনার ত্বকে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। স্বাভাবিক আর্দ্রতা হারিয়ে গিয়ে ত্বকে শুষ্ক ভাব চলে আসে। এর স্বাভাবিক কোমলতাও নষ্ট হতে পারে। শীতের আগে থেকে হয়তো বাতাসে শীতল ভাব কমিয়ে দেওয়া হয়। তারপরও এ সময় শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের সঙ্গে সারা দিন কাটালে ত্বকের জন্য বাড়তি কিছু কাজ যত্ন নিয়ে করতে হবে। বিশেষজ্ঞদের অন্তত সেটাই মত। ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চর্মরোগ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এস এম বখতিয়ার কামাল বলেন, ‘শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের ব্যবহারে ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি সহজেই ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে দেখা যায়। অল্প বয়সেই বলিরেখা হতে দেখা যায়। এ ছাড়া যাঁদের ত্বকে একজিমা, সোরিয়াসিসের মতো রোগ রয়েছে, তাঁদের বেলায় এসব রোগের উপসর্গ বেড়ে যেতে পারে।...

ক্রেতাকে বুঝেশুনে মালামাল কিনতে হবে

একটি ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে রড ও সিমেন্টের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। ভালো মানের রডের কোনো বিকল্প নেই। দেশে উৎপাদিত রড ও সিমেন্টের গুণগত মান অনেক ভালো। তারপরও ক্রেতাকে ভবন নির্মাণের মালামাল বুঝেশুনে কিনতে হবে। প্রয়োজনে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক অধ্যাপক শামিম বসুনিয়া প্রথম আলোকে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, মানুষ কীভাবে ভালো-মন্দ বুঝবে, তার সহজ উপায় আছে। যেমন যে রড চাপ পড়লে ভাঙে না, বরং পরিমাণমতো লম্বা হয়, এমন রড ভালো। বহুতল ভবনে এমন রডের ব্যবহার দরকার। অন্যথায় ভূমিকম্পের সামান্য ঝাঁকিতেই ভবন ধসে পড়তে পারে। শামিম বলেন, মজবুত ভবন নির্মাণে রড, সিমেন্ট, কংক্রিট ও বালু—এসব উপাদান ভালো করে মেশাতে হয়। মেশানো যত ভালো হবে, ভবনও তত মজবুত হবে। ঢালাইয়ের সময় এটা খেয়াল রাখা দরকার। এ ছাড়া ঢালাইয়ের পর নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ভবনের ছাদ ও দেয়ালে পানি দিতে হয়। তা করা না হলে ভূমিকম্পে ভবনধসের আশঙ্কা থাকে। তাই সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানকে আইন মেনে চলতে হবে। পরে যে কাজের জন্য ভবন তৈরি করা হয়েছে, সেই কাজের জন্য নিরাপদ কি না, তা নিশ্চিত করার সনদ (অকুপেন্সি সার্টিফিকেট) নিতে হবে। এই প্রকৌশলী বলেন, স্থাপনা বা বহুতল ভবন নির্মাণ করতে হলে যথাযথভাবে ‘বিল্ডিং কোড’ মানার বিধান আছে। এই কোডে সব ধরনের ভবনে আলো-বাতাস চলাচল ও নিরাপত্তাব্যবস্থা, ভারবহনের ক্ষমতা, নির্মাণপ্রক্রিয়া ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত নীতিমালা উল্লেখ করা আছে। কিন্তু সরকারের সঠিক নজরদারির অভাবে মানুষ তা মানছে না। শহর-গ্রামে যে যার মতো করে ভবন নির্মাণ করছে। ঢাকাসহ দেশের বড় শহরগুলোতে এই প্রবণতা বেশি। এতে বড় ধরনের ভূমিকম্প হলে ভবনধসের আশঙ্কা থাকে। তাই এই বিষয়টিতে সরকারকে গুরুত্ব দিতে হবে। প্রয়োজনে আইন প্রয়োগ করতে হবে। শামিম বসুনিয়া বলেন, ‘বছরখানেক আগে দেশে কয়েকটি বড় ভূমিকম্প হয়েছিল। তখন “বিল্ডিং কোড” নিয়ে হইচই শুরু হয়। ভূমিকম্প-পরবর্তী করণীয় নিয়েও নানা পদক্ষেপ ও পরিকল্পনা নেয় সরকার। কিন্তু ভূমিকম্পে যাতে আমাদের কোনো ক্ষয়ক্ষতি না হয়, এই দিকে কারও খেয়াল নেই। পুরান ঢাকার নবাবপুরে ভূমিকম্পে একসঙ্গে চার থেকে পাঁচটি বহুতল ভবন ধসে পড়লে পরবর্তী সময়ে উদ্ধারসক্ষমতা আমাদের নেই। কারণ, এই এলাকা অনেক ঘনবসতি। একটি ভবনের সঙ্গে আরেকটি লাগোয়া। সড়কগুলোও অনেক সরু। তাই উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করা অনেক কঠিন হবে।’ শামিম বসুনিয়ার মতে, একটি বহুতল ভবন নির্মাণের আগে একজন অভিজ্ঞ প্রকৌশলী নিয়োগ দিতে হবে। তাঁকে দিয়ে ভবনের নকশা তৈরি ও যথাযথ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে হবে। স্তম্ভের সঙ্গে ভবনের বিমগুলো মজবুত করে বাঁধতে বা সংযোগ দিতে হবে। কারণ, ভূমিকম্পের ঝাঁকুনিতে বিম ও স্তম্ভের সংযোগে ত্রুটির কারণেই অধিকাংশ ভবন ধসে পড়ে। এর সঙ্গে কংক্রিট ও বালু ভালোও হওয়া দরকার। তাই একজন ভবনমালিকের দায়িত্ব বিল্ডিং কোড মেনে ভবন নির্মাণ করা।...

দেশের মতো আমেরিকায়ও উদ্যোক্তা শাহ নেওয়াজ

সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন নিউইয়র্কের ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতা জেবিবিএর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি শাহ নেওয়াজ। শিল্প উদ্যোক্তা হিসেবে একাধিক শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন বাংলাদেশে। আমেরিকায় এসেও একই পথ অনুসরণ করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও কমিউনিটি সেবায় কাজ করছেন। ২০০৫ সালে আমেরিকায় আসেন শাহ নেওয়াজ। এখানে শুরু হয় নতুন জীবনসংগ্রাম। নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে একাধিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। দেশের সেরা বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে মাস্টার্স, আইবিএ থেকে এমবিএ এবং দ্য ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট থেকে পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন ডিপ্লোমা ইন পার্সোনাল ম্যানেজমেন্টে ডিগ্রি লাভ করেন। অধ্যয়ন শেষে বাংলাদেশে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো কোম্পানিসহ একাধিক বহুজাতিক কোম্পানি ও শিল্প প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে উদ্যোক্তা হিসেবে ঢাকায় তৈরি করেন তৈরি পোশাক কারখানা ভেনাস গ্রুপ ইউএসএ মোড লিমিটেড। ক্রেতাদের হাতে উন্নতমানের পণ্য সহজে পৌঁছানোর জন্য সাদিয়া শপিং মল প্রতিষ্ঠা করেন। ২০০৭ সাল থেকে কমিউনিটি সেবায় ভিন্ন কমিউনিটি ও বাংলাদেশিদের জন্য নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে চালু করেন এনওয়াই ইনস্যুরেন্স। পাশাপাশি চালু করেন হোমকেয়ার ও বেইজ সার্ভিস সেবা। এসব প্রতিষ্ঠানে তিনি ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন পদে কর্মরত আছেন ১৪ জন কর্মচারী । এদিকে শাহ নেওয়াজ একাধিক সামাজিক প্রতিষ্ঠানেরও নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি একাধারে নিউইয়র্ক বাংলাদেশ লায়ন্স ক্লাবের প্রেসিডেন্ট, একাধিক পথ মেলার উদ্যোক্তা, এ ছাড়া অসংখ্য সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। বর্তমানে তিনি বাঙালি অধ্যুষিত জ্যাকসন হাইটসে ব্যবসায়ীদের জনপ্রিয় সংগঠন জ্যাকসন হাইটস বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের (জেবিবিএ) নির্বাচিত জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে জেবিবিএর নির্বাচন হবে। সেই নির্বাচনে তিনি সভাপতি পদপ্রার্থী। গতবারের নির্বাচনে তিনি সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।...

মানবতাবিরোধী অপরাধে আজিজসহ ৬ জনের ফাঁসির আদেশ

মানবতাবিরোধী অপরাধে গাইবান্ধার জামায়াত নেতা আব্দুল আজিজসহ ৬ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। বিচারপতি শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় আব্দুল আজিজ রাজাকার কমান্ডার ছিলেন বলে রায়ের পযবেক্ষনে বলা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যা, হত্যা, আটক, অপহরণ, নির্যাতনসহ তিনটি অভিযোগ আনা হয় গাইবান্ধার আব্দুল আজিজসহ ৬ জনের বির“দ্ধে। বুধবার সকাল সাড়ে দশটার পর ১৬৬ পৃষ্ঠার রায় পড়া শুরু করেন বিচারপতি মো: শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল। রায়ে আসামিদের বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ফাঁসির দণ্ড দেয়া হয়। জামায়াতের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আব্দুল আজিজ ছাড়া অন্য আসামিরা হলো, রুহুল আমিন ওরফে মঞ্জু, আব্দুল লতিফ, আবু মুসলিম মোহাম্মদ আলী, নাজমুল হুদা ও আব্দুর রহিম মিয়া। এদের মধ্যে লতিফ ছাড়া সবাই পলাতক। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। অন্যদিকে, আসামিরা ন্যায় বিচার পায়নি বলে দাবি করেছে আসামিপক্ষ। রায়ের পর্যবেক্ষনে বলা হয়, মুক্তিযুদ্ধের সময় আব্দুল আজিজ রাজাকার কমান্ডার ছিলেন। আসামিরা মুক্তিযুদ্ধের সময় সংগঠিত অপরাধের দায় এড়াতে পারেন না। ২০১০ সালে ট্রাইব্যুনাল গঠনের পর এখন পর্যন্ত ২৮টি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। এটা ট্রাইব্যুনালের ২৯তম রায়।


ক্রেতাকে বুঝেশুনে মালামাল কিনতে হবে

একটি ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে রড ও সিমেন্টের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। ভালো মানের রডের কোনো বিকল্প নেই। দেশে উৎপাদিত রড ও সিমেন্টের গুণগত মান অনেক ভালো। তারপরও ক্রেতাকে ভবন নির্মাণের মালামাল বুঝেশুনে কিনতে হবে। প্রয়োজনে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক অধ্যাপক শামিম বসুনিয়া প্রথম আলোকে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, মানুষ কীভাবে ভালো-মন্দ বুঝবে, তার সহজ উপায় আছে। যেমন যে রড চাপ পড়লে ভাঙে না, বরং পরিমাণমতো লম্বা হয়, এমন রড ভালো। বহুতল ভবনে এমন রডের ব্যবহার দরকার। অন্যথায় ভূমিকম্পের সামান্য ঝাঁকিতেই ভবন ধসে পড়তে পারে। শামিম বলেন, মজবুত ভবন নির্মাণে রড, সিমেন্ট, কংক্রিট ও বালু—এসব উপাদান ভালো করে মেশাতে হয়। মেশানো যত ভালো হবে, ভবনও তত মজবুত হবে। ঢালাইয়ের সময় এটা খেয়াল রাখা দরকার। এ ছাড়া ঢালাইয়ের পর নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ভবনের ছাদ ও দেয়ালে পানি দিতে হয়। তা করা না হলে ভূমিকম্পে ভবনধসের আশঙ্কা থাকে। তাই সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানকে আইন মেনে চলতে হবে। পরে যে কাজের জন্য ভবন তৈরি করা হয়েছে, সেই কাজের জন্য নিরাপদ কি না, তা নিশ্চিত করার সনদ (অকুপেন্সি সার্টিফিকেট) নিতে হবে। এই প্রকৌশলী বলেন, স্থাপনা বা বহুতল ভবন নির্মাণ করতে হলে যথাযথভাবে ‘বিল্ডিং কোড’ মানার বিধান আছে। এই কোডে সব ধরনের ভবনে আলো-বাতাস চলাচল ও নিরাপত্তাব্যবস্থা, ভারবহনের ক্ষমতা, নির্মাণপ্রক্রিয়া ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত নীতিমালা উল্লেখ করা আছে। কিন্তু সরকারের সঠিক নজরদারির অভাবে মানুষ তা মানছে না। শহর-গ্রামে যে যার মতো করে ভবন নির্মাণ করছে। ঢাকাসহ দেশের বড় শহরগুলোতে এই প্রবণতা বেশি। এতে বড় ধরনের ভূমিকম্প হলে ভবনধসের আশঙ্কা থাকে। তাই এই বিষয়টিতে সরকারকে গুরুত্ব দিতে হবে। প্রয়োজনে আইন প্রয়োগ করতে হবে। শামিম বসুনিয়া বলেন, ‘বছরখানেক আগে দেশে কয়েকটি বড় ভূমিকম্প হয়েছিল। তখন “বিল্ডিং কোড” নিয়ে হইচই শুরু হয়। ভূমিকম্প-পরবর্তী করণীয় নিয়েও নানা পদক্ষেপ ও পরিকল্পনা নেয় সরকার। কিন্তু ভূমিকম্পে যাতে আমাদের কোনো ক্ষয়ক্ষতি না হয়, এই দিকে কারও খেয়াল নেই। পুরান ঢাকার নবাবপুরে ভূমিকম্পে একসঙ্গে চার থেকে পাঁচটি বহুতল ভবন ধসে পড়লে পরবর্তী সময়ে উদ্ধারসক্ষমতা আমাদের নেই। কারণ, এই এলাকা অনেক ঘনবসতি। একটি ভবনের সঙ্গে আরেকটি লাগোয়া। সড়কগুলোও অনেক সরু। তাই উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করা অনেক কঠিন হবে।’ শামিম বসুনিয়ার মতে, একটি বহুতল ভবন নির্মাণের আগে একজন অভিজ্ঞ প্রকৌশলী নিয়োগ দিতে হবে। তাঁকে দিয়ে ভবনের নকশা তৈরি ও যথাযথ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে হবে। স্তম্ভের সঙ্গে ভবনের বিমগুলো মজবুত করে বাঁধতে বা সংযোগ দিতে হবে। কারণ, ভূমিকম্পের ঝাঁকুনিতে বিম ও স্তম্ভের সংযোগে ত্রুটির কারণেই অধিকাংশ ভবন ধসে পড়ে। এর সঙ্গে কংক্রিট ও বালু ভালোও হওয়া দরকার। তাই একজন ভবনমালিকের দায়িত্ব বিল্ডিং কোড মেনে ভবন নির্মাণ করা।

রোহিঙ্গা সংকট : দায় না থাকলেও ভোগান্তি বাংলাদেশকেই বহন করতে হচ্ছে

বাংলাদেশের কোনো দায় না থাকলেও ভোগান্তি সর্বাংশে বাংলাদেশকেই বহন করতে হচ্ছে। প্রতিদিন নতুন নতুন ঘটনা ঘটছে; পাশাপাশি মিয়ানমার থেকে আসছে দলে দলে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নারী-পুরুষ, শিশু-বৃদ্ধ। রোহিঙ্গা সংকট সারাবিশ্বে আলোচিত এবং ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে সচেতন মানুষের মনে। তেমনি আলোড়ন তৈরি হয়েছে স্থানীয় জনগণের বিবেকে। তবে সরেজমিন অবস্থা পরিদর্শন করে বোঝা যায়, স্থানীয় জনগণের মনে নজিরবিহীন অবস্থার প্রতিক্রিয়া হিসেবে যে মানবিক সহমর্মী চেতনা রোহিঙ্গাদের প্রতি তৈরি হয়েছে তা দীর্ঘস্থায়ী হবে বলে মনে হয় না। গত ২ অক্টোবর উখিয়া-টেকনাফের কুতুপালং এবং বালুখালী রোহিঙ্গাদের অস্থায়ী শিবির সরেজমিন পরিদর্শন করে যে অভিজ্ঞতা হয়েছে তাতে খুব সহজেই জনগণের সহানুভূতি পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যায়। দলে দলে রোহিঙ্গাদের আগমন বাংলাদেশে বহুমাত্রিক সংকট তৈরি করেছে এবং ভবিষ্যতে এই সংকটের নতুন মাত্রা বাংলাদেশ সমস্যাকে আরও ঘনীভূত করবে। ইতোমধ্যেই স্থানীয় মানুষের মনে রোহিঙ্গা সমস্যার মিশ্র অনুভূতি তৈরি হয়েছে। সহসাই তাদের মনোভাবে চরম কোনো পরিবর্তন দেখা গেলে, অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। উখিয়া বাসস্ট্যান্ড বা বাজার থেকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের দিকে টেম্পোতে বা বাসে করে যাওয়ার সময় রাস্তার বাম দিকে দেখা যায় ছোট ছোট টিলাগুলোতে থাক থাক করে মাটি কাটা। কোনো গাছপালা নেই, যেখানে কিছুদিন আগেও ছিল সবুজের ছড়াছড়ি। প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশে এসেই রোহিঙ্গারা এই টিলাসহ নানা জায়গায় অস্থায়ী আবাস তৈরি করেছিল। পরে সেখান থেকে তাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে নিয়ন্ত্রিত কুতুপালং বালুখালী ক্যাম্প এলাকায়। সে জায়গাতেও এক সময় সবুজের সমারোহে সৌন্দর্যের আকর্ষণ ছিল। সেইসব এখন স্বপ্নের গল্পের মতো। স্থানীয়দের আশঙ্কা, এসব পাহাড়ি এলাকার যেসব জায়গায় রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী অস্থায়ী আবাস গড়ে তুলেছে অধিকাংশই বর্ষা-বৃষ্টিতে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়বে। প্রাকৃতিকভাবে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হচ্ছে না। আমরা সম্প্রতি দেখলাম বন্যহাতির আক্রমণে ৪ জন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে। যেখানে রোহিঙ্গাদের জন্য অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে সেই এলাকার বনাঞ্চল, পাহাড়ি টিলা স্থানীয়ভাবে বন্যহাতির চলাচলের বা বিচরণের অন্যতম স্থান ছিল। মানুষের আবাসনের কারণে বন্যহাতির চলাচল ও জীবনযাপনের প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি হয়েছে। হাতির পাল যেকোনো সময় নেমে এসে আরো বড় রকমের দুর্ঘটনা তৈরি করতে পারে। এ-তো গেল প্রাকৃতিক ভারসাম্যের কথা, স্থানীয় জনসংখ্যা রোহিঙ্গা জনসংখ্যার চাপে এমনিতেই কোণঠাসা। তুলনামূলকভাবে স্থানীয় লোকজনের চেয়ে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সংখ্যা অনেক বেশি। আগে থেকেই সেখানে অনেক রোহিঙ্গার বসবাস। সরকারি-বেসরকারি নানা সূত্র থেকে জানা যায়, প্রায় ৫ লাখ। গত ২৬ আগস্ট থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত আরো পাঁচ থেকে ছয় লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

আজকের মোট পাঠক

২৭৬৯২
সর্বাধিক পঠিত

নিউজ একাত্তর ডট কম

সম্পাদক : মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী

নির্বাহী সম্পাদক : নুরুল ইসলাম ভুইয়া

একটি পপুলার মিডিয়া পাবলিকেশন এর প্রকাশনা

সম্পাদকীয় ও বানিজ্যিক কার্যালয় : ৪১৬/সি,খিলগাও ঢাকা। ফোন : ০১৮২৪২৪৫৫০৪, ০১৭৭৮৮৮3৮৪৭২

চট্টগ্রাম কার্যালয় : ১০/১১ বি ৩য় তলা, হানিমুন টাওয়ার,পাহাড়তলী,চট্টগ্রাম।

ই-মেইল : newsekattor@gmail.com, editorekattor@gmail.com, কপিরাইট ©newsekattor.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত