মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১৮, ২০১৮

ভারতের মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। ওই ঘটনায় আটজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। মৃতদের মধ্যে একটি পাঁচ মাসের শিশু রয়েছে বলেও জানা যায়। মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গতকাল সোমবার বিকেলে মুম্বাইয়ের আন্ধেরির এমপ্লয়িজ স্টেট ইন্স্যুরেন্স করপোরেশন (ইএসআইসি) হাসপাতালে আগুন লাগে। গতকালই ছয়জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। এনডিটিভি জানিয়েছে, আজ মঙ্গলবার সকালে আরো দুটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ওই হাসপাতাল থেকে ১৪০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। আগুন লাগার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট। উদ্ধারকর্মীদের পাশাপাশি উদ্ধারকাজে যোগ দেন অন্য বাহিনীর সদস্যরাও। আগুনে গোটা এলাকা কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। অগ্নিকাণ্ডের পরই শুরু হয়ে যায় উদ্ধারকাজ। ভেতরে দাউদাউ করে জ্বলতে থাকা আগুনের মধ্যে বারান্দা ও জানালার পাশে দাঁড়িয়ে চিৎকার করতে থাকেন রোগীরা। মই লাগিয়ে জানালার কাচ ভেঙে দড়ি বেঁধে রোগীদের নিচে নামিয়ে আনেন উদ্ধারকর্মীরা। ওই হাসপাতাল থেকে এরই মধ্যে দেড় শতাধিক রোগীকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় অন্যান্য হাসপাতালে। উদ্ধার হওয়া রোগীদের আশপাশের কুপার, হোলি স্পিরিট, হীরানন্দানি, সিদ্ধার্থ, সেভেন হিলস এবং পি ঠাকরে ট্রমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা যায়। আহতদের মধ্যে অন্তত ২০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। জানা যায়, আটতলা হাসপাতালটির সবচেয়ে নিচের তলায় প্রথমে আগুন লাগে। নিচে একটি রাবারের গুদাম থেকে আগুন ছড়ায় বলে ফায়ার সার্ভিসের ধারণা। আগুন ধীরে ধীরে হাসপাতালের ওপরের তলাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। হাসপাতালজুড়ে রীতিমতো আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়। আতঙ্কে অনেক রোগী হাসপাতালের দোতলা ও তিনতলা থেকে নিচে ঝাঁপ দেন। মুম্বাইয়ের মেয়র ভি মহাদেবেশ্বর জানিয়েছেন, ওই হাসপাতালের অগ্নিনির্বাপণের ব্যবস্থা দেখাশোনার দায়িত্বে ছিল মহারাষ্ট্র ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন (এমএসডিসি)। ওই প্রতিষ্ঠানের কোনো গাফিলতি রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। তবে আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি বলেও জানান তিনি। এদিকে, এমএসডিসির ডেপুটি চিফ এমডি ওগলে জানান, ১৫ দিন আগে ওই হাসপাতালের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা হয়েছিল। তবে তাতে পাস করতে পারেনি হাসপাতাল। আগুনের উৎসস্থল খুঁজে সাইরেন বাজানো এবং তারপর স্বয়ংক্রিয় পানি ছিটানোর ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করেনি। ...

ধেয়ে যাচ্ছে অন্ধ্র প্রদেশের দিকে ঘূর্ণিঝড় ফেথাই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের দিকে ধেয়ে যাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ফেথাই। ঘন্টায় ৯৫ কিলোমিটার গতিবেগে এগুচ্ছে ঝড়টি। টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, সোমবার দুপুরের পর যেকোন মুহূর্তে অন্ধ্র প্রদেশ ও তামিল নাড়ুতে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় হেথাই। রোববার থেকেই প্রবল বাতাসের পাশাপাশি শুরু হয়েছে টানা বর্ষণ। এরইমধ্যে, উপকূলীয় এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে দেশটির দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর। স্থানীয় জেলেদের সোমবার মাছ ধরতে সাগরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন আবহাওয়া অফিস। পরিস্থিতি মোকাবেলায় নিয়োগ করা হয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও সেনাবাহিনীর অন্তত ১৬টি ইউনিট। তবে ঘূর্ণিঝড়টি সোমবার বিকেল নাগাদ দূর্বল হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। ...

পশ্চিমবঙ্গের শিয়ালদহে ট্রেন বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের শিয়ালদহ শাখায় ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকার কারণে ভারতে ঢুকে সমস্যায় পড়েছেন শতাধিক বাংলাদেশি। আজ রোববার পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার অন্যতম ট্রেন রুট বনগাঁ-শিয়ালদহ এবং বনগাঁ-হাসনাবাদ শাখায় ট্রেন বন্ধ থাকার কারণে তৈরি হয়েছে এই সমস্যা। জানা যায়, বাংলাদেশ ও ভারতের বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে প্রবেশের পর আজ রোববার সমস্যায় পড়েছেন বহু বাংলাদেশি ট্রেনযাত্রী। গতকাল শনিবার দিবাগত রাত ১টা থেকে আজ রোববার দিবাগত রাত ১টা পর্যন্ত ভারতের পূর্ব রেলের শিয়ালদহ বিভাগে বারাসত থেকে মধ্যমগ্রাম রেল স্টেশনের মধ্যে চলাচল করছে না কোনো ট্রেন। ফলে ভারতের সীমান্ত শহর বনগাঁ থেকে শিয়ালদহ পর্যন্ত ট্রেন চলাচল কার্যত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। একইভাবে হাসনাবাদ শাখাতেও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে ট্রেন চলাচল। যে কারণে পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে প্রবেশের পর বাংলাদেশি পর্যটকরা শিয়ালদহ যাওয়ার ক্ষেত্রে রেলপথে সমস্যার মুখে পড়ছেন। অন্যদিকে ঘোজাডাঙ্গা স্থলবন্দর দিয়েও ভারতে প্রবেশ করে সমস্যায় পড়ছেন বাংলাদেশিরা। ভারতের পূর্ব রেল সূত্রে জানা যায়, বারাসতের ১২ নম্বর রেল গেটের দুই পাশের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে রেল লাইনের নিচ দিয়ে ভূগর্ভস্থ সাবওয়ে তৈরির জন্য ২৪ ঘণ্টা ওই লাইনে ট্রেন না চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যার জেরে শিয়ালদহ-বনগাঁ, শিয়ালদহ-বারাসত ও শিয়ালদহ-হাসনাবাদ শাখায় বহু লোকাল ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। কিছু ট্রেন মধ্যবর্তী স্টেশনগুলোতে শাটল হিসেবে চালানো হলেও তার সংখ্যা অত্যন্ত নগণ্য। ফলে রোববার সকাল থেকেই এই লাইনের যাত্রীরা ও ভারতে আসা বাংলাদেশি পর্যটকরা মহাসমস্যার মধ্যে পড়েছেন। পূর্ব রেলের শিয়ালদহ বিভাগে বারাসত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রেল জংশন। এই জংশন থেকেই একদিকে বারাসত-বাংলাদেশের বনগাঁ স্টেশন হতে পেট্রাপোল-বেনাপোল সীমান্তে যেমন যাওয়া যায়, তেমনি হাসনাবাদ হয়ে ঘোজাডাঙ্গা-ভোমরা সীমান্তে যাওয়া যায়। ওই দুই সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন বহু বাংলাদেশি ট্রেনে করে বারাসত জংশন হয়ে শিয়ালদহে যাতায়াত করে। কম খরচে কলকাতায় যাওয়ার জন্য এই ট্রেনপথই বাংলাদেশিদের যাতায়াতের অন্যতম একটি রাস্তা। সেখানে এদিন সমস্যার কারণে রোববার সকাল থেকেই বিপাকে পড়েছেন ভারতে আসা বহু বাংলাদেশি। অগত্যা পেট্রাপোল ও ঘোজাডাঙ্গা থেকে মোটা রুপি ব্যয় করে তাঁদের সড়কপথেই যেতে হচ্ছে কলকাতায়। তবে পূর্ব রেলের পক্ষ থেকে যাত্রীদের সহায়তা করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানা যায়। বারাসত রেলের জিআরপি ওসি দীপক পাইক জানান, মধ্যমগ্রাম ও বারাসত স্টেশনের মধ্যে ট্রেন না চলার কারণে যাত্রীদের রেলের তরফে একটি পরিষেবার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে বনগাঁ থেকে বারাসত বা শিয়ালদহ থেকে বারাসত পর্যন্ত শাটল ট্রেনে আসা যাত্রীরা টিকিট দেখিয়ে নিতে পারবেন এই পরিষেবা। ওই পরিসেবার মাধ্যমে যাত্রীদের বারাসত স্টেশন থেকে মধ্যমগ্রাম ও মধ্যমগ্রাম থেকে বারাসত স্টেশন পর্যন্ত রেল বাসে করে যাত্রীদের পৌঁছে দেবে। তবে সেই পরিষেবা চালু থাকলেও এই লাইনে যেহেতু শাটল ট্রেনের সংখ্যা অত্যন্ত নগণ্য থাকবে সেহেতু যাত্রী দুর্ভোগ আজ দিনভর চলবেই। বনগাঁ জিআরপি ওসি লোকনাথ ঘোষ জানান, বনগাঁ থেকে বারাসত পর্যন্ত এদিন কয়েকটি শাটল ট্রেন চললেও সেই ট্রেন থাকবে অত্যন্ত কম। রেলসূত্রে জানা যায়, নির্ধারিত টাইম টেবিল মেনে এই শাটল ট্রেন চলবে না। ফলে আগেভাগে যাত্রীরা কখন কোন ট্রেন ছাড়বে সেটা বুঝতে না পারায় সমস্যা প্রকট হবে।...

ভারতের একটি মন্দিরে প্রসাদ প্রাণ গেল ১১ জনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের একটি মন্দিরে প্রসাদ খাওয়ার পর অন্তত ১১ জন মারা গেছেন। এ সময় আরো অনেক মানুষ অসুস্থ হয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। দক্ষিণ ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের চামারাজানগর জেলার মারাম্মা মন্দিরে গতকাল শুক্রবার একটি অনুষ্ঠানে ওই খাবারের আয়োজন করা হয়। মন্দিরে দীক্ষিতদের বিদায় উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। মন্দিরে প্রসাদ খাওয়ার পর অন্তত ৭০ জন অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অসুস্থদের মধ্যে আরো ১১ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এদিকে এই ঘটনার পর পরই দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। স্থানীয় এক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা পুলিশকে জানিয়েছেন, মন্দিরের খাবারটি বিষাক্ত হয়ে থাকতে পারে। অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া একজন ব্যক্তি বলেছেন, মন্দিরে প্রসাদ হিসেবে টমেটো ভাত দেওয়া হয়েছিল। সেখান থেকে গন্ধ আসছিল। যারা সেই খাবার খায়নি, তারা ভালো আছে। যারা খেয়েছে, তারাই বমি করতে শুরু করে এবং পেটে ব্যথা হয়। এই ঘটনায় কর্নাটক রাজ্য সরকার শোক প্রকাশ করে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছে। তাঁরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন।...

চট্টগ্রাম-৯ কোতোয়ালী ১৪৪ কেন্দ্রে পৌঁছেছে ইভিএম

অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রাম-৯ কোতোয়ালী আসনের ১৪৪টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণের জন্য ৯২০টি ইভিএম (ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন) চট্টগ্রাম জেলা নির্বাচন অফিসে এসে পৌঁছেছে। সেখান থেকে গতকাল ইভিএমগুলো প্রতিটি কেন্দ্রে প্রশাসনের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে। কারণ, ভোটারদের উদ্ধুদ্ধ করতে ১৪৪ কেন্দ্রে ভোটের আগে ইভিএমে আরেক দফা ভোট দেওয়ার আয়োজন করেছে নির্বাচন কমিশন। আজ মঙ্গলবার থেকে প্রতিটি কেন্দ্রে ইভিএমে মক ভোটিং শুরু হচ্ছে। ভোটাররা ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত ইভিএমে মক ভোট দিতে পারবে। চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনের মধ্যে শুধুমাত্র চট্টগ্রাম-৯ কোতোয়ালী আসনেই ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ হবে। চট্টগ্রামের ১৬ আসনের মধ্যে কোতোয়ালী আসনের ভোটাররা বেশ সচেতন বলে জানান কোতোয়ালী আসনের নির্বাচন কর্মকর্তা আশরাফুল আলম। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের ইভিএমএ বেশ আগ্রহ। আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের কোতোয়ালী আসনসহ দেশের ৬টি আসনে ইভিএমের (ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন) মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হবে। এই ব্যাপারে চট্টগ্রাম জেলার সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মুনীর হোসাইন খান জানান, কোতোয়ালী আসনের প্রতিটি কেন্দ্রের ইভিএম আমাদের কাছে পৌঁছেছে। কোতোয়ালী আসনে মোট ১৪৪ ভোট কেন্দ্রের ৭২৫টি কক্ষের জন্য ৯২০টি ইভিএম দেয়া হয়েছে। প্রতিটি কক্ষের জন্য একটি করে ৭২৫টি ইভিএমে ভোট গ্রহণ করা হবে। এছাড়াও অতিরিক্ত আরো ১৯৫টি ইভিএম কেন্দ্রে রাখা হবে। চট্টগ্রাম জেলা নির্বাচন অফিস থেকে জানা গেছে, আগামী ৩০ ডিসেম্বর যারা ইভিএম-এর মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করবেন তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। এদিকে গত শুক্রবার চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ইভিএম বিষয়ে প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে ইভিএমর মাধ্যমে ভোট গ্রহণের পদ্ধতি ও বিভিন্ন সুবিধার কথা তুলে ধরেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোখলেসুর রহমান বলেছেন, সাধারণত বুথগুলোতে ভোট গ্রহণের জন্য ভোটার তালিকা, ব্যালট পেপারসহ যেসব সরঞ্জমাদি থাকে ইভিএম মেশিনে ব্যালট পেপার বাদে সবই থাকবে। ইভিএম মেশিনে ৬শ জনের মতো ভোটার ভোট দেওয়ার সক্ষমতা থাকলেও এটা কমিয়ে আমরা সংসদ নির্বাচনে একেকটি বুথে শ জন ভোটারের ভোট দেওয়ার পদ্ধতি রেখেছি। এ শ জন ভোটারের বাইরে কোন ভোট গ্রহণ হবে না। ভোটারদের চারটা আঙুলের যেকোন একটি ছাপ মেশিনে বসালে সাথে সাথে ওই ভোটারের সম্পূর্ণ আইডি ডিসপ্লেতে দেখা যাবে। এখানে আইডেন্টিফিকেশনের ব্যাপারে শতভাগ কনফার্ম থাকায় একজনের ভোট আরেকজনের পক্ষে কোনভাবেই দেয়া সম্ভব নয় বলে জানান নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের এ কর্মকর্তা। ...

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

অনলাইন ডেস্ক: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে এনা পরিবহনের সঙ্গে কৌশিক পরিবহন নামে আর এক বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। সোমবার রাতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের চান্দুরা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় আরও অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের কারোই পরিচয় জানা যায়নি। খাঁটিহাতা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হোসেন সরকার জানান, রাতে ঢাকাগামী এনা পরিবহনের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা কৌশিক পরিবহনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজনের মৃত্যু হয়। আহতদের উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।...

প্রচারণায় নীরব বিএনপি,ফেনীতে এগিয়ে আওয়ামী লীগ

অনলাইন ডেস্ক: প্রচলিত আছে ফেনী শহর যার জেলায় রাজনৈতিক মাঠে শক্তি তার। আর এই শক্তির লড়াইয়ে ফেনী-২ আসনে বরাবরের মতো এগিয়ে আওয়ামী লীগ। প্রচার প্রচারণায় তারা মাঠে এগিয়ে থাকলেও দৃশ্যমান প্রচারণায় মাঠে নেই বিএনপি। তারা প্রতিবন্ধকতার কথা বললেও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার দাবি, কোনো অভিযোগ নেই তার কাছে। গত ১১ ডিসেম্বর প্রচারণার প্রথম দিন থেকে ফেনী-২ আসনের আওয়ামী লীগ প্রার্থী নিজাম উদ্দিন হাজারী নৌকা প্রতীক নিয়ে ছয়দিনে ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে ১১টিতে নির্বাচনী জনসভা করেছেন। বাকি সময়ে নির্বাচনী জনসভার ছক করে রেখেছেন পৌরসভার ১৮টি ওয়ার্ডে। চলছে তাদের মাইকিং। ঝুলছে পোষ্টার ব্যানার ফেস্টুন। অপরদিকে বিএনপি প্রার্থী জয়নাল আবেদিন ধানের শীষ প্রতীক পেয়ে প্রথমদিন ফেনী শহরের আধ্যাত্মিক স্থপতি সৈয়দ আমির উদ্দিন প্রকাশ পাগলা মিয়ার মাজার জিয়ারত ও বিজয় দিবসে শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা জানান। এছাড়া বিএনপির প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগের তেমন কোনো চিত্র দৃশ্যমান নয়। এদিকে প্রচারণায় প্রতিবন্ধকতার অভিযোগ করে ফেনী জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবু তাহের দুষলেন সরকারি দলকে। তিনি বলেন, জনসংযোগ করতে পারছি না। সরকার দলের সন্ত্রাসীর আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। মিথ্যা মামলায় পুলিশ তাদের গ্রেফতার করছে। অবশ্য আওয়ামী লীগের প্রার্থী জানিয়েছেন বিএনপি নিজেদের বিরোধ চাপা দিতে মিথ্যাচার করছে। ফেনী-২ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নিজাম উদ্দিন হাজারী বলেন, তাদের মধ্যে অন্তঃকোন্দল আছে। বিএনপির মধ্যেই তারা একে অপরের প্রতিপক্ষ। তবে ফেনী জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার দাবি, প্রচার প্রচারণায় বাধা দেয়া হচ্ছে এমন কোনো অভিযোগ কেউ করেনি। এই আসনে দশম সংসদ নির্বাচনের পর ৪৭ হাজার ৯৭৪ জন নতুন ভোটার যোগ হয়ে এবার ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭১ জন। ...

চাঁদপুরে নিজ বাড়ি থেকে একই পরিবারের চার সদস্যের মরদেহ উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক: চাঁদপুর সদর উপজেলায় নিজ বাড়ি থেকে একই পরিবারের চার সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের মধ্যে রয়েছে ওই পরিবারের স্বামী-স্ত্রী ও দুই শিশু কন্যা। সোমবার (১৭ ডিসেম্বর) সকালে দেবপুর গ্রামের বড়হুজুরের বাড়ি থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। প্রতিবেশীরা বড়হুজুরের ঘরে ঝুলন্ত মরদেহ দেখে পুলিশে দিলে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। চাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাসিমউদ্দীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, একই পরিবারের চারটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ঘটনার কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নিহতরা হলেন, মাইনুদ্দীন (৩৫), তার স্ত্রী ফাতেমা বেগম (২৪), দুই শিশু কন্যা মিথিলা (৫) ও সিয়াম (১)। চাঁদপুর সদর পুলিশ সুপার সার্কেল মো. জাহেদ পারভেজ জানান, ঘটনাটি হত্যা না আত্মহত্যা, তা এখনো বোঝা যাচ্ছে না। পুলিশ এসে ঘরের আড়ার সঙ্গে মাইনুদ্দীনের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পায়। বাড়ির পাশের পুকুরে ফাতেমা বেগমের মরদেহ ভাসছিল। ঘরে দুই শিশুর মরদেহ পাওয়া যায়। নিহতদের মৃতদেহ উদ্ধার করে থানায় নেয়া হয়েছে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে বলে জানান ওসি।...

মাশরাফির নির্বাচনী প্রচারণায় মুখর গোটা নড়াইল

অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার নির্বাচনী প্রচারণায় মুখর গোটা নড়াইল জেলা।একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নড়াইল-২ আসনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনি (মাশরাফি)। ক্রিকেট তারকা মাশরাফির জন্য চলছে ব্যতিক্রম নির্বাচনী প্রচারণা। ব্যক্তি কিংবা সংগঠন স্ব-উদ্যোগে নিজ খরচে প্রচারণার জন্য মাঠে নেমেছেন। মাশরাফিকে দলমত নির্বিশেষে সবাই অতি আপন করে তার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। দলীয় উদ্যোগ বাদে বিভিন্ন অরাজনৈতিক সংগঠনও মাশরাফিকে জয়ী করতে একাট্টা হয়েছে। মাশরাফি নির্বাচন করছেন বলেই সকল শ্রেণীপেশার মানুষ যার যার পেশা থেকে নিজ খরচে নির্বাচনী সামগ্রী তৈরিসহ প্রচারণার জন্য অর্থ ব্যয় করে চলেছেন। নড়াইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার অধীনস্থ ৬৮টি স্পোর্টস ক্লাবের কর্মকর্তারা নিজ নিজ খরচে বিভিন্ন এলাকায় মাশরাফির পক্ষে নৌকা মার্কায় ভোট চাচ্ছেন। জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মিকু বলেন, প্রধানমন্ত্রী মাশরাফিকে নৌকা মার্কার মনোনয়ন দিয়ে যেমনি নড়াইলকে সম্মান দিয়েছেন তেমনি ক্রীড়াঙ্গনকেও তিনি (প্রধানমন্ত্রী) সম্মানিত করেছেন। জেলা ক্রীড়া সংস্থার অধীনে যতগুলো স্পোর্টস ক্লাব আছে সকল ক্লাবকে দলমত নির্বিশেষে মাশরাফিকে বিজয়ী করার জন্য সবধরনের সহযোগিতা করতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে। সকল ক্লাবের সদস্যরা নিজ খরচে নির্বাচনী প্রচারণার কাজ করছে যাচ্ছে বলে তিনি জানান। ক্রীড়াঙ্গনের পাশাপাশি অন্য পেশার লোকজনও মাশরাফির নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।নড়াইল শহর কাঁচা বাজারের ছোট্ট পরিসরের হোটেল খান জাহান আলীর স্বত্বাাধকারী ইসহাক হোসেন বলেন,সকালে হোটেলের বেচা-কেনা শেষে মাশরাফির প্রচারণার জন্য নৌকা তৈরির কাজ শুরু করেন। দোকানের তিনজন কর্মচারী নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন মাশরাফির নির্বাচনী প্রচারণায়। বাঁশের কঞ্চি দিয়ে নৌকার কাঠামো বানিয়ে তাতে সেলাই করে লাল-সবুজ কাপড় বসিয়ে তৈরি করা হচ্ছে ছোট ছোট নৌকা। মাশরাফির ভক্ত এ ক্ষুদ্র হোটেল ব্যবসায়ী ইসহাক হোসেন জানান, আমাদের গর্ব মাশরাফি নৌকা মার্কা নিয়ে দাঁড়িয়েছেন। এমন সুযোগ আর পাবো না, ব্যবসা-টাকা এগুলো বেঁচে থাকলে পরেও পাওয়া যাবে। ইসহাকের মতো সবজি বিক্রেতা মোবারক, মুদি দোকানি সাঈদ, কসমেটিক বিক্রেতা মিশন ব্যবসা কমিয়ে এখন শুধুই মাশরাফির জন্য ভোটের মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানান। শহরের মহিষখোলা কাঁচাবাজারের আরেক ফল বিক্রেতা মন্নু মোল্যা জানান, তিনি ব্যবসার কাজে সময় কম দিয়ে সারদিন মাশরাফির লিফলেট বিলি করছেন পাড়ায়-মহল্লায় আর বাসস্ট্যান্ডে। মাশরাফি পাগল এ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মাশরাফি মনোনয়ন পাবার পর থেকে বাইরের কাউকে দেখলেই ভোট চেয়ে একটি করে ফল খাওয়াচ্ছেন। জেলা ইজিবাইক শ্রমিক সমিতির সভাপতি লায়েব আলী একটি মোটর সাইকেলে নিজ খরচে নৌকা মার্কা স্থাপন করে তাতে লাইট জ্বালিয়ে সারাদিন সংসদীয় এলাকার এ প্রান্ত থেকে ওপান্তে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তিনি বলেন,জেলার সকল ইজিবাইক চালক মাশরাফির জন্য কাজ করছেন। তারা নিজ নিজ খরচে মাশরাফির প্রচার চালাচ্ছে। আমাদের সোনার ছেলের জন্য করবো না তো কার জন্য করবো বলে তিনি জানান। পিছিয়ে নেই অন্য শ্রেণী-পেশার মানুষও। নিজেদের অর্থ ব্যয় করে প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন তারা।গরীব খেটে খাওয়া মানুষের নিঃস্বার্থভাবে মাশরাফির জন্য ভালোবাসা দেখে এলাকার ছেলে-বুড়ো সকলেই উদ্ভুদ্ধ হচ্ছেন।নির্বাচনী প্রচার করার জন্য কেউ কারো কাছে টাকা পয়সার জন্য ধর্না দিচ্ছেন না। নড়াইলের উন্নয়নে সকলের দাবি মাশরাফির জয়। এ আসনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী মাশরাফি ছাড়াও ২০ দলীয় জোট তথা ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী এডভোকেট এ জেড এম ফরিদুজ্জামান ফরহাদ (ধানের শীষ), জাতীয় পার্টির (এরশাদ) জেলা সভাপতি এডভোকেট ফায়েকুজ্জামান ফিরোজ (লাঙ্গল), এনপিপির (ছালু) জেলা সভাপতি মনিরুল ইসলাম (আম), ইসলামী আন্দোলন জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এস এম নাসির উদ্দীন (হাতপাখা), ইসলামী ঐক্যজোটের প্রার্থী মাহাবুবুর রহমান (মিনার) এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (রব) প্রার্থী ফকির শওকত আলী তারা প্রতীকে নির্বাচন করছেন। জেলা নির্বাচন অফিসার রাজু আহমেদ জানান, নড়াইল-২ আসন নড়াইল পৌরসভা, সদর উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন এবং লোহাগড়া পৌরসভা ও লোহাগড়া উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এ আসনে বর্তমানে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ১৭ হাজার ৭৮২ জন। পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৫৭ হাজার ১০৫ জন এবং মহিলা ভোটার রয়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার ৬৭৭ জন।...

নৌকাকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : মুহিত

অনলাইন ডেস্ক :অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত দেশের শান্তি, উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার ধারাকে সমুন্নত রাখতে নৌকাকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।সিলেট-১ আসনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট মনোনীত প্রার্থী ড. এ. কে আব্দুল মোমেনের নৌকা প্রতীকের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করার লক্ষ্যে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার জিয়ারত করেন মুহিত।আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেন, আওয়ামী লীগ গণমানুষের দল। এদেশে যতসব ভালো অর্জন সবই আওয়ামী লীগের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে। আওয়ামী লীগ সবসময়ই জনকল্যাণে নিবেদিত একটি রাজনৈতিক সংগঠন। তার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার জন্য তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সততা ও নিষ্ঠার সাথে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।তিনি বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার বিগত ১০ বছরে সর্বক্ষেত্রে বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে -যা সারা বিশ্বে প্রশংসিত হচ্ছে। দেশের চলমান উন্নয়ন ও মানবকল্যাণের এ ধারাকে অব্যাহত রাখতে আগামী নির্বাচনেও নৌকা প্রতীকে ভোট প্রদানের জন্য সকলের কাজে আবেদন জানান অর্থমন্ত্রী।...

মেধাবী শিক্ষার্থীরা দেশের সম্পদ : মেয়র

আগামী প্রজন্মকে মেধাবী ও সুশিক্ষিত করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ২২ ডিসেম্বর শনিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আ জ ম নাছির উদ্দিন মেধাবৃত্তি পরীক্ষা। পরীক্ষায় অংশ নিতে ইতোমধ্যে ফরম সংগ্রহ করেছেন তৃতীয় থেকে নবম শ্রেণীর ২ হাজার ৬৩১ জন শিক্ষার্থী। আ জ ম নাছির উদ্দীন শিক্ষা ও বৃত্তি পরিষদের প্রস্তুতি সভায় এ তথ্য জানানো হয়।বৃহস্পতিবার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুর ১টায় নগর ভবনের সম্মেলন কক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিষদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।প্রস্তুতি সভায় মেয়র বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীরা দেশের সম্পদ। তাদের মাধ্যমে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি আসবে। গরীব ও অসহায় শিক্ষার্থীদের আমি সহযোগিতা করবো।সভায় জানানো হয়, ২২ ডিসেম্বর শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত আ জ ম নাছির উদ্দীন শিক্ষা পরিষদের উদ্যোগে মেধাবৃত্তি পরীক্ষা চলবে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মিউনিসিপ্যাল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ, কাপাসগোলা সিটি করপোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও বাগমনিরাম আবদুর রশীদ সিটি করপোরেশন বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষায় অংশ নেবে নগরের ৮৪টি স্কুলের ২ হাজার ৬৩১ জন শিক্ষার্থী। এতে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন চসিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাইফুর রহমান। পরীক্ষার পরপরই সব উত্তরপত্র মূল্যায়ন করে ওইদিনই ফলাফল প্রস্তুত করা হবে। ফলাফল স্ব-স্ব বিদ্যালয়ে এবং স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিকে প্রচার করা হবে।আ জ ম নাছির উদ্দীন শিক্ষা পরিষদ সভাপতি ফয়সল বাপ্পির সভাপতিত্বে প্রস্তুতি সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চসিক শিক্ষা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা এবং স্বাস্থ্য রক্ষা স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউক, চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের প্রাক্তন স্কুল পরিদর্শক অধ্যাপক আলী হোসেন, চসিকের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়া, দৈনিক বীর চট্টগ্রাম মঞ্চ সম্পাদক মো. ওমর ফারুক অপর্ণাচরণ সিটি করপোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ জারেকা বেগম, সুকুমার দেবনাথ, এশিয়ান আবাসিক স্কুল এন্ড কলেজ এর উপাধ্যক্ষ দৈনিক আমাদের চট্টগ্রাম পত্রিকার সাংবাদিক লায়ন এইচ এম ওসমান সরোয়ার, জয় নিউজ সম্পাদক অহীদ সিরাজ চৌধুরী স্বপন, মো. ঈছা, রায়হান ইউসুফ, তিমির বরণ চৌধরী, কে এম শহিদুল কাউসার, রিদুয়ানুল ইসলাম, দিদারুল আলম, আব্দুল আল সুমন ,ইমরান হোসাইন ও আব্দুল্লাহ আল একে খান।এর আগে আ জ ম নাছির উদ্দিন মেধাবৃত্তি পরীক্ষার জন্য ৫ সদস্যের উপদেষ্টা কমিটি এবং ১১ সদস্যের ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা হয়।উপদেষ্টা কমিটিতে রয়েছেন চসিক শিক্ষা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা এবং স্বাস্থ্য রক্ষা স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউক, চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের প্রাক্তন স্কুল পরিদর্শক অধ্যাপক আলী হোসেন, চসিকের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়া, দৈনিক বীর চট্টগ্রাম মঞ্চ সম্পাদক মো. ওমর ফারুক এবং অপর্ণাচরণ সিটি করপোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ জারেকা বেগম।ব্যবস্থাপনা কমিটিতে বাগমনিরাম আবদুর রশিদ সিটি করপোরেশন বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুকুমার দেবনাথকে আহবায়ক এবং ফতেয়াবাদ শৈলবালা সিটি করপোরেশন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কমলেশ ধরকে সদস্য সচিব করা হয়।প্রেস বিজ্ঞপ্তি ...

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও ইবতেদায়ির ফল প্রকাশ ২৪ ডিসেম্বর

অনলাইন ডেস্ক: পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক শিক্ষা ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফল আগামী ২৪ ডিসেম্বর (সোমবার) প্রকাশিত হবে। একই দিনে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফলও প্রকাশ হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা মঙ্গলবার (১১ ডিসেম্বর) সংবাদ মাধ্যমকে এ তথ্য জানান। পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষায় এবার প্রায় ৫৭ লাখ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গত ১৮ নভেম্বর শুরু হয়ে প্রাথমিক শিক্ষা ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা শেষ হয় ২৬ নভেম্বর। ছয়টি বিষয়ের প্রতিটিতে ১০০ করে মোট ৬০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এবার পরীক্ষার বহুনির্বাচনী প্রশ্ন (এমসিকিউ) বাদ দেয়া হয়। প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনীতে এ বছর ৩০ লাখ ৯৫ হাজার ১২৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে প্রাথমিক সমাপনীতে ২৭ লাখ ৭৭ হাজার ২৭০ জন। আর ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ৩ লাখ ১৭ হাজার ৮৫৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা ১ নভেম্বর শুরু হয়ে শেষ হয় ১৫ নভেম্বর। সারাদেশে এবার ২৬ লাখ ৭০ হাজার ৩৩৩ জন শিক্ষার্থী অংশে নেয়। আট বোর্ডের অধীনে জেএসসিতে ২২ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৩ জন এবং মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে জেডিসিতে ৪ লাখ ২ হাজার ৯৯০ জন পরীক্ষা দেয়। এর আগে প্রাথমিক শিক্ষা ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের জন্য ২৬ থেকে ২৭ ডিসেম্বর এবং জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার ফলাফল ২৫-২৭ ডিসেম্বর বা সুবিধাজনক সময়ের মধ্যে প্রকাশের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে অনুরোধ-প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ২৪ ডিসেম্বর ফল প্রকাশের জন্য সময় দেয়া হয় বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। গত কয়েক বছর ধরে একই দিন দুই সামপনী পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছিল। রেওয়াজ অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর হাতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী এবং শিক্ষামন্ত্রী কর্মকর্তাদের নিয়ে ফলের অনুলিপি তুলে দেন। এরপর সংবাদ সম্মেলন করে দুই মন্ত্রণালয় পূর্ণাঙ্গ ফল প্রকাশ করে। এরপরই ফল জানতে পারে পরীক্ষার্থীরা।...

বাংলাদেশকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

ক্রীড়া ডেস্ক: ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশকে বড় ভুগিয়েছিলেন শাই হোপ। টি-টুয়েন্টিতে এসেও সেই হোপের তাণ্ডব। সিলেটে সিরিজের প্রথম টি-টুয়েন্টিতে ক্যারিবীয়ান এই ওপেনারের ঝড়ে উড়ে গেল বাংলাদেশ। ক্রিকেটের সংষ্করণ যত ছোট হয়, ততই ভয়ংকর হয়ে ওঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ফের এর প্রমাণও পাওয়া গেল। প্রথম টি-টোয়েন্টিতে দাপট দেখিয়ে জিতল ক্যারিবীয়রা। বাংলাদেশকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে তারা। শুধু তাই নয়, ৫৫ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে ব্রাফেট বাহিনী। দাপুটে এ জয়ে ৩ ম্যাচ সিরিজে ১-০তে এগিয়ে গেল তারা। সোমবার প্রথমে ব্যাট করে ১৯ ওভারে অল আউট হওয়ার আগে ১২৯ রান করে স্বাগতিকরা। জবাবে ১০.৫ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ১৩০ রান করে জয় তুলে নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ফলে ৩ ম্যাচ সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল তারা। এদিন মাত্র ১৬ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেছেন হোপ। মাহমুদউল্লাহর বলে আউট হওয়ার আগে ২৩ বলে ৫৫ রান করেছেন তিনি। মেরেছেন ৬টি ছক্কা ও ৩টি চারের মার। এর আগে দলীয় ৫১ রানে প্রথম উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মোহাম্মদ সাইফউদ্দীনের বলে আরিফুল হকের কাছে ক্যাচ দিয়ে ব্যক্তিগত ১৮ রানে সাজঘরে ফিরে যান এভিন লুইস। ওয়েস্ট ইন্ডিজের দলীয় রান তখন ৯৮। এরপর নিকোলাস পুরান ও কেমো পল মিলে দলকে জয়ের দিকে টেনে নিয়ে যান। পুরান ১৭ বলে ২৩* রানে ও পল ১৪ বলে ২৯* রানে অপরাজিত ছিলেন। এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। টাইগারদের টপ অর্ডারের পাঁচ ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল, লিটন দাস, সৌম্য সরকার, মুশফিকুর রহীম ও মাহমুদউল্লাহর রান যথাক্রমে ৫, ৬, ৫, ৫, ১২। এই বিপর্যয়ের সামনে দাঁড়িয়ে ব্যাট হাতে একাই লড়াই করেছেন সাকিব। তুলে নিয়েছেন টি-টুয়েন্টি ক্যারিয়ারের অষ্টম হাফ সেঞ্চুরি। আউট হওয়ার আগে ৪৩ বলে করেছেন ৬১ রান। দুর্দান্ত এই ইনিংসের পথে মেরেছেন ৮টি চার ও ২টি ছক্কা। সাকিবের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোর আরিফুল হকের। ১৮ বল খেলে তিনি করেছেন ১৭ রান। এছাড়া মাহমুদউল্লাহই শুধু দুই অংকের ঘরে পৌঁছাতে পেরেছেন। তিনি করেছেন ১২ রান। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ২৮ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন কটরেল। এছাড়া ২টি উইকেট নিয়েছেন কেমো পল।...

আজ মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ

ক্রীড়া ডেস্ক: সিলেটের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ফেব্রয়ারিতে বাংলাদেশ সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি খেলেছিল শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। সেটাই ছিল সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে এই স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের একমাত্র ম্যাচ। এবার দীর্ঘ ১০ মাস পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি হবে টাইগাররা। টেস্ট ও ওয়ানডেতে দুর্দান্ত পারফর্মেন্স করছে বাংলাদেশ। তবে ক্রিকেটের শর্ট ভার্সনে রেকর্ড ভাল নয়। তাই টি-টোয়েন্টির বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে সাকিব-মুশফিকদের। হেড কোচ স্টিভ রোডস জানিয়েছেন, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জেতা কঠিন। তবে সেরা দিয়ে জয় পাওয়াটা অসম্ভব কিছু নয়। অন্যদিকে টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজে ব্যর্থ হলেও টি-টোয়েন্টি সিরিজে ঘুরে দাঁড়াতে প্রস্তুত ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাংলাদেশকে ছোট করে দেখছেন না- জানিয়েছেন অধিনায়ক ব্রাথওয়েট। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে বেলা সাড়ে ১২টায় শুরু হবে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি।...

বিয়ের সময় এখনও হয়নি:জ্যাকুলিন

অনলাইন ডেস্ক :চলতি সময়ের জনপ্রিয় বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। সফলতা ও দর্শকপ্রিয়তায় অল্প সময়ে বেশ এগিয়ে গেছেন তিনি। তার হাতে রয়েছে কমপক্ষে ৫ টি বড় বাজেটের ছবি। তবে সম্প্রতি নিজের ব্যাক্তিগত বিষয় নিয়ে বক্তব্য দিয়ে আলোচনায় চলে এসেছেন এ নায়িকা। বলিউডে এখন চলছে বিয়ের ধূম। একটি সংবাদমাধ্যম থেকে তাকে প্রশ্ন করা হয় আপনার বিয়েটা কবে হচ্ছে? জ্যাকুলিন উত্তরে বলেন, বিয়ের সময় এখনও হয়নি। যখন সময় হবে তখন অবশ্যই সবাইকে জানিয়ে বিয়ে করবো। এরপর তাকে প্রশ্ন করা হয় প্রেম নিয়ে? জ্যাকুলিন হেসে বলেন, প্রেম করার সময় নেই। কাউকে সময় দেয়ার সময় নেই। তাছাড়া প্রেম আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। আমার যোগ্য পুরুষও আমি খুঁজে পাইনি। সেটা পেতে অনেক সময় লাগবে। কারণ উপযুক্ত পুরুষ তেমন একটা নেই। জ্যাকুলিনের এমন বক্তব্যে বেশ ক্ষেপেছেন সাইবারবাসী। নেটদুনিয়ায় এ বিষয়টি এখন ভাইরাল। অনেকে বলছেন, কোন প্রশ্নের উত্তরে কি বলতে হবে সেটা জানেন না জ্যাকুলিন। আবার অনেকে বলছেন, জ্যাকুলিন বিষয়টি নিয়ে অতিরঞ্জিত কথা বলছেন। তার যোগ্য পুরুষ তিনি খুঁজে পাননি! এটা হাস্যকর ছাড়া কিছুই না। ...

রাজপথে একঝাঁক তারকা নৌকার প্রচারে

বিনোদন ডেস্ক: আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। দেশব্যাপী এখন নির্বাচনের আমেজ।নির্বাচনী ডামাডোলে শামিল হয়েছেন একঝাঁক তারকা শিল্পী। আগামী নির্বাচনে নৌকাকে বিজয়ী করার আহ্বান জনগণের কাছে। নৌকার প্রচারে রুপালি জগতের একঝাঁক তারকার সঙ্গে শামিল নামকরা চিত্রশিল্পী, সঙ্গীতশিল্পী, নাট্যকর্মী, খেলোয়াড়রা। বৃহস্পতিবার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে ঢাকার বিভিন্ন সড়দে কাভার্ডভ্যানে করে নৌকার পক্ষে প্রচারপত্র বিলি করতে নামেন তারা। নৌকার প্রচারে আজ রাজপথে শামিল ছিলেন জাহিদ হাসান, শাকিল খান, অরুণা বিশ্বাস, বাঁধন, নূতন, শমী কায়সার, রোকেয়া প্রাচী, তানভীন সুইটি, মাহফুজ, তারিন, শামীমা তুষ্টি, এস ডি রুবেল, সায়মন। তাদের সঙ্গে যোগ দেন স্বনামখ্যাত অভিনেতা সৈয়দ হাসান ইমাম, কবি তারিক সুজাত, এক সময়ের তারকা ফুটবলার সত্যজিৎ দাস রুপুসহ আরো অনেকে। আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে নৌকাকে জয়ী করতে তারকাসমৃদ্ধ এই প্রচারাভিযান উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, এই প্রচণ্ড রোদের মধ্যে আপনারা বসে আছেন, এটা একটা চেতনার বিষয়, আদর্শের বিষয়। এই আদর্শ, চেতনা, মূল্যবোধ আপনাদের এখানে বসিয়ে রেখেছে। এতে বোঝা যায়, আগামী নির্বাচনে আমরাই বিজয়ী হব। নির্বাচনে সাম্প্রদায়িক শক্তিকে পরাভূত করবে সাংস্কৃতিক চেতনা- এই আশাবাদ প্রকাশ করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‌'আজকে শিল্পী, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবী, ক্রীড়া ব্যক্তিত্বের সবাই বসে আছেন একটি চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করে। আমাদের দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গন এখন মরাগাঙ্গ নয়। সারা দেশের নৌকার যে গণজোয়ার তা আছড়ে পড়ছে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে। নবমুকুটে তারা আবার পরাজিত করবে সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে, আমরাই আবার বিজয়ী হবো। মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তিকে আবার একাদশ জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে বিজয়ের মাসে পরাজিত করার শপথে প্রচারে নামার আহ্বান জানান তিনি। একাত্তর সালে আমরা মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তিকে পরাজিত করেছি। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরেও আমরা এই পরাজিত শক্তিকে পরাজিত করার শপথ নিয়েই প্রচার শুরু করব, এই হবে আজকে আমাদের শপথ।' ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলার মাটিতে আজও সেসব সাম্প্রদায়িক অপশক্তি আছে, তাদের মধ্যে জেনারেল জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে অনেকেই বাই চান্স মুক্তিযোদ্ধা। একাত্তরের মতো ২০১৮ সালেও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নৌকার জোয়ার উঠেছে বলে দাবি করে ওবায়দুল কাদের বলেন, 'সাংস্কৃতিক অঙ্গন আজ জেগে উঠেছে নব জোয়ারে। ১৯৭১ সালের মতো সংস্কৃতি অঙ্গন ২০১৮ সালেও জেগে উঠেছে। আসুন, বিজয়ের মাসে আমরা আরেকটি বিজয় ছিনিয়ে আনি। বিএনপি শিবিরে ‘গণভাটা’ পড়েছে বলে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, একদিকে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী গণজোয়ার শুরু হয়েছে, আরেক দিকে বিএনপিতে গণভাটা। নির্বাচনের দিন যতই এগুচ্ছে তারা ততই পরাজয়ের দিকে যাচ্ছে। বক্তব্য শেষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় প্রচারাভিযান শুরু হয়। এই শোভাযাত্রা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি হয়ে, শাহবাগ, বাংলামোটর, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেইট, জাতীয় সংসদ ভবন হয়ে ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর গিয়ে শেষ হয়। আটটি ট্রাক থেকে দেশের তারকা শিল্পীরা সাধারণ মানুষের কাছে আওয়ামী লীগের প্রচারপত্র বিলি করেন। এতে তুলে ধরা হয়েছে আওয়ামী লীগ সরকারের ১০ বছরের উন্নয়নচিত্র। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ, উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, উপ-দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান প্রমুখ।...

শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়ী

বাঙালি হিন্দু সমাজের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয়া দুর্গোৎসব। আর এই পুজোয় আপনিও ঘুরে আসতে পারেন সিলেটের শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়ী থেকে। আর খরচের কথা ভাবছেন, মাত্র ৮০০ টাকা।শোনা যায় কলকাতার পাথরঘাটা নামক স্থানের এক সম্ভ্রান্ত জমিদার এই দুর্গাবাড়ী প্রতিষ্ঠান করেন। এই ব্যাপারে ব্রজেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী সম্পাদিত স্মৃতি প্রতিতি নামক বই এ উল্লেখ আছে। ব্রজেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী ছিলেন সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা। স্বদেশি আন্দোলনে অনেক বীর এখানে এসে মায়ের পায়ে নিজের রক্ত দিয়ে প্রতিজ্ঞা করতেন নিজের আদর্শ থেকে এক চুলও বিচ্যুত হবেন না। স্বদেশকে পরাধীনতা থেকে মুক্ত করেই তবে ঘরে ফিরবেন।টিলার ওপর মূল মন্দির অবস্থিত। অর্ধশত সিঁড়ি ডিঙিয়ে আপনাকে পৌঁছাতে হবে মূল মন্দিরে। মূল মন্দিরে স্থাপিত দুর্গা প্রতিমা শত বছর ধরে পুজিত হয়ে আসছেন। পাশেই আছে আপনার বসার জন্য জায়গা। এর সাথেই আছে শিব মন্দির। টিলার থেকে দূরের দৃশ্য আপনাকে অভিভূত করবে। পূজার সময় ধূপ-ধূনার মোহনীয় গন্ধ আপনাকে নিয়ে যাবে এক অন্য জগতে।কীভাবে যাবেন,দুর্গাবাড়ী মন্দির যেতে হলে আপনাকে বাস/টেনে করে আসতে হবে সিলেট শহরে। প্রতিদিন ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশে বাস/ট্রেন ছাড়ে, ভাড়া পড়বে ৩২০ টাকা থেকে এক হাজার ২০০ টাকা। সিলেট শহরের যেকোনো প্রান্ত থেকে দুর্গাবাড়ী যাব বললেই আপনাকে নিয়ে যাবে শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়িতে। রিকশা/সিএনজি ভাড়া নেবে ৮০ থেকে ১৫০ টাকা।...

ঈদের ছুটিতে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে

বর্ষা মৌসুম তারপরও ঈদের ছুটিতে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে ছুটে আসছেন পর্যটকরা। তাদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত কক্সবাজার। সৈকত শহরের ৪ শতাধিক হোটেল-মোটেল-গেষ্টহাউজ ও কটেজ কর্তৃপক্ষের প্রস্তুতিও শেষ। আর পর্যটকদের নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশও। রমজানে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার পর্যটক শূন্য থাকলেও ঈদের ছুটিতে ভ্রমণ পিপাসুদের ঢল নামে এই সৈকতে। বর্ষা মৌসুম হওয়ায় প্রথমে পর্যটকের সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল কক্সবাজারে। তবে সব আশঙ্কাকে উড়িয়ে দিয়ে এরই মধ্যে হোটেল-মোটেল-গেস্ট হাউস ও কটেজের প্রায় ৮০ শতাংশ কক্ষ বুকড হয়ে গেছে। আর ব্যবসায়ীরাও নতুন সাজে সাজিয়েছেন তাদের প্রতিষ্ঠান। হোটেল কর্তৃপক্ষও পর্যটকদের নানান সুযোগ-সুবিধা দেয়াসহ শেষ করছে যাবতীয় প্রস্তুতি। তারা আশা , প্রতি বছরেই মতো এবারও ঈদের ছুটিতে ভালো ব্যবসা হবে। বর্ষা মৌসুম তাই সাগর উত্তাল থাকবে। এক্ষেত্রে অনাকাঙ্কিত দুর্ঘটনা এড়াতে পর্যটকদের সমুদ্রে স্নান ও নিরাপত্তায় কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানালেন হোটেল ওনার্স এসোসিয়েশনের এ নেতা। কক্সবাজার হোটেল ওনার্স এসোসিয়েশনের মুখপাত্র মো. সাখাওয়াত হোসাইন জানান, 'সমুদ্র উত্তাল থাকবে। এখানে লাইফগার্ড ও পুলিশ ট্যুরিস্টদের তৎপরতাটা বৃদ্ধি করলে আমার মনে হয়, যারা কক্সবাজারে আসবেন তারা নিবিঘ্নে এখান থেকে ফিরতে পারবেন।' আর ট্যুরিস্ট পুলিশের এ কর্মকর্তা জানালেন, ঈদের ছুটিতে পর্যটকরা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে কক্সবাজার ভ্রমণ করতে পারে সেজন্য সব ধরণের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।...

জাপার ইশতেহারের ১৮ দফা,ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর পানি ও বিদ্যুৎ বিল মওকুফ করা হবে

অনলাইন ডেস্ক :একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহার ঘোষণা করেছে জাতীয় পার্টি (জাপা)। আজ শুক্রবার দলটির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের বনানীর কার্যালয়ে ইশতেহারটি ঘোষণা করা হয়। ঘোষণা করেন চেয়ারম্যানের বিশেষ সহকারী ও সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার।ইশতেহারে বলা হয়েছে, জাপা ক্ষমতায় এলে শিক্ষাব্যবস্থা থেকে পিএসসি ও জেএসসি পরীক্ষা বাতিল করা হবে। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জন্য সংসদে ৩০টি আসন রাখা হবে। এর জন্য সংসদে থাকবে ৩৮০টি আসন। এ ছাড়া ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর পানি ও বিদ্যুৎ বিল মওকুফ করা হবে এরশাদ সরকার ক্ষমতায় এলে। নির্বাচনে জয়ী হলে জাপা কী করবে, তার ১৮ দফা তুলে ধরেছেন রুহুল আমিন হাওলাদার। এ ছাড়া ইশতেহারে দফাগুলো পূরণে সময়সীমাও বলা হয়েছে।জাপার ইশতেহারের ১৮ দফা তুলে ধরা হলো : ১. প্রদেশিক ব্যবস্থার প্রবর্তন দেশে এককেন্দ্রিক শাসন ব্যবস্থা পরিবর্তন করে প্রদেশিক ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হবে। দেশের আটটি বিভাগকে আটটি প্রদেশে উন্নীত করা হবে। দুই স্তরবিশিষ্ট কাঠামো থাকবে শাসন ব্যবস্থায়।২. নির্বাচন পদ্ধতি সংস্কার নির্বাচন পদ্ধতির সংস্কার করে আনুপাতিক ভোটের ভিত্তিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হবে। নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা দেওয়া হবে। সন্ত্রাস, অস্ত্র, কালো টাকার প্রভাবমুক্ত নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচন পদ্ধতি সংস্কার করা হবে। ৩. পূর্ণাঙ্গ উপজেলা ব্যবস্থা প্রবর্তনউপজেলা আদালত ও পারিবারিক আদালতসহ পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থা চালু করা হবে। স্থানীয় সরকার কাঠামো শক্তিশালী করে ও নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যানের কাছে উপজেলা ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে।৪. বিচার বিভাগের স্বাধীনতাবিচার বিভাগের স্বাধীনতা দেওয়া হবে ৷ জাতীয় পার্টি সুযোগ পেলে এক বছরের মধ্যে এটি নিশ্চিত করা হবে। পাঁচ বছরের মধ্যে মামলার জট শূন্যের কোঠায় আনা হবে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মামলার প্রবণতা বন্ধ করা হবে। ৫. ধর্মীয় মূল্যবোধধর্মীয় মূল্যবোধকে সবার ওপরে স্থান দেওয়া হবে। সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ ও পানির বিল মওকুফ করা হবে। এক বছরে এ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ৬. কৃষকের কল্যাণ সাধনকৃষককে ভর্তুকি মূল্যে সার, ডিজেল ও কীটনাশক সরবরাহ করা হবে। কৃষি উপকরণের কর শুল্ক মওকুফ করা হবে। এ ছাড়া কৃষকদের বিরুদ্ধে কোনো সার্টিফিকেট মামলা করা হবে না। সহজ শর্তে কৃষিঋণ সরবরাহ করা হবে।৭. সন্ত্রাস দমনে কঠোর ব্যবস্থা সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি দমনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটা কোনো কঠিন কাজ নয়, সরকারের সদিচ্ছা যথেষ্ট। জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় এলে তিন মাসে এসব নির্মূল করবে।৮. জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্য স্থিতিশীল করা হবে। সারা দেশে পর্যায়ক্রমে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। উত্তরবঙ্গের শিল্পায়ন ব্যবস্থাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অনগ্রসর অঞ্চলে শিল্পায়ন ব্যবস্থা চালু করা হবে।৯. ফসলি জমি নষ্ট করা যাবে না জাতীয় অর্থনৈতিক স্বার্থে শিল্প প্রতিষ্ঠা ব্যতীত আবাসিক স্থাপনা গঠনে কৃষিজমি বা ফসলি জমি নষ্ট করা প্রতিরোধে আইন গড়ে তোলা হবে।১০. শিক্ষা পদ্ধতির সংশোধন পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির পরীক্ষা বাদ দেওয়া হবে। শিক্ষা পদ্ধতির সংশোধনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের টিউশন নির্ভরতা কমানো হবে। সুলভ মূল্যে শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ করা হবে। ১১. স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ ইউনিয়নভিত্তিক সেবা খাত উন্নত করা হবে। প্রতিটি ইউনিয়নের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসকদের দায়িত্ব পালন নিশ্চিত করা হবে।১২. খাদ্য নিরাপত্তা খাদ্যে ভেজাল কিংবা বিষাক্ত দ্রব্য মেশানোর বিরুদ্ধে বিদ্যমান আইন সংশোধন করে মৃত্যুদণ্ডের বিধান করা হবে।১৩. শান্তি ও সহাবস্থানের রাজনীতি প্রবর্তন হরতাল অবরোধের মতো ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি নিষিদ্ধ করা হবে। শান্তি ও সহাবস্থানের রাজনীতি প্রবর্তন করে সত্যিকারের গণতন্ত্রের বিকাশ ঘটানো হবে। ১৪. সড়ক নিরাপত্তা সড়ক দুর্ঘটনা রোধে রাস্তাঘাট সংস্কার করা হবে। প্রয়োজনীয় রাস্তায় ৫০ ভাগ প্রশস্ত করা হবে। ১৫. গুচ্ছগ্রাম ও পথকলি ট্রাস্ট পুনঃপ্রতিষ্ঠা গুচ্ছগ্রাম ও পথকলি ট্রাস্ট পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হবে। ১৬. পল্লী রেশনিং পদ্ধতি চালু করা হবে পল্লী অঞ্চলের মানুষের ন্যূনতম অন্নের সংস্থান নিশ্চিত করতে পল্লী অঞ্চলে রেশনিং ব্যবস্থা চালু করা হবে। এক বছরের মধ্যে রেশনিং ব্যবস্থায় চাল, ডাল, তেল, চিনি পৌঁছে দেওয়া হবে। ১৭. শিল্প ও অর্থনীতির অগ্রগতি সাধনদেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অঞ্চলে অঞ্চলে অর্থনৈতিক বৈষম্য হ্রাস করতে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। শিল্পঋণ সহজলভ্য ও নতুন শিল্প স্থাপন করা হবে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়াতে সর্বাত্মক উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।১৮. ধর্মীয় সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষাসাধারণ নির্বাচন বাদে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জন্য ৩০টি আসন সংরক্ষিত করা হবে। সে ক্ষেত্রে সংসদের মোট আসন ৩৮০টি করা হবে। তাদের জনসংখ্যার হার অনুসারে চাকরি ও শিক্ষার হার নিশ্চিত করা হবে। ধর্মীয় সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় ও কমিশন গঠন করা হবে।...

চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মনোনয়ন নিয়েছেন যারা

অনলাইন :একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগের ২২৫ এবং বিএনপির ৯৭ জন এ পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলা কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।সূত্র : মানবজমিন।আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা উপকমিটির সদস্য আরশেদুল আলম বাচ্চু জানান, চট্টগ্রামের ১৬ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীর সংখ্যা ২২৫ জন। যা প্রতিটি আসনে গড়ে ১৪ জনে পৌছেছে। এরমধ্যে আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বেশি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া) আসনে। এখানে মনোনয়ন প্রত্যাশীর সংখ্যা ২৬ জন। এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন ৫ জন। এরা হলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন, একই আসনে ২০০৮ সালে বিএনপির প্রার্থী ও নির্বাহী কমিটির সদস্য শামসুল আলম, তাঁর ছেলে মো. শোয়েব রিয়াদ, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, মহানগর মহিলা দলের সিনিয়র সহ সভাপতি বেগম ফাতেমা বাদশা। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি, সিডিএ চেয়ারম্যান মো. আবদুচ ছালাম, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহসভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, পিপি অ্যাডভোকেট এম এ নাসের, কাউন্সিলর তারেক সোলায়মান সেলিম, কোতোয়ালি থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসান মনসুর রয়েছেন। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বাকলিয়া-কোতোয়ালীর ১৫ থেকে ২৩ ও ৩১ থেকে ৩৫ নং ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত আসনটি চট্টগ্রামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদার আসন হিসেবে বিবেচিত। এরপর চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন ১১ জন। এরা হলেন- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, শহীদ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার, সাবেক এমপি ও মহিলা কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি বেগম নুরী আরা ছাফা, ফটিকছড়ি উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ ছালাউদ্দিন, চট্টগ্রাম পেশাজীবী সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিভিল সার্জন ডা. খুরশীদ জামিল চৌধুরী, সাবেক পিজিআর প্রধান কর্নেল (অব.) আজিমুল্লাহ বাহার চৌধুরী, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক বিচারপতি ফয়সল মাহমুদ ফয়জী, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী, সরোয়ার আলমগীর, চসিকের কাউন্সিলর জেসমিনা খানম ও শিল্পপতি রফিকুল আলম চৌধুরী। এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম, প্রয়াত সংসদ সদস্য রফিকুল আনোয়ারের মেয়ে খাদিজাতুল আনোয়ার সনি, তরুণ আইনজীবী ব্যারিস্টার তানজীব উল আলমসহ ২৫ জন। চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ডা. মোহসিন জিল্লুর করিম, যুব বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক এহছানুল মৌলা, সাতকানিয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি সালাউদ্দিন, মোক্তার আহমেদ ও চন্দনাইশ পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুল আনোয়ার চৌধুরী। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমানসহ ২৩ জন। চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া ও বোয়ালখালীর শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউপি) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, তাঁর ভাতিজা শহীদ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী, অধ্যাপক ইউনুছ চৌধুরী, কুতুব উদ্দিন বাহার, ইলিয়াছ চৌধুরী, আবু আহমেদ হাসনাত, মোহাম্মদ আইয়ুব, জসিম উদ্দিন চৌধুরী, উত্তর জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এস এ মুরাদ চৌধুরী ও এডভোকেট রেজাউল করিম রেজাসহ ১১ জন। আর আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ড. হাছান মাহমুদ, বিএমএ নেতা ডা. ফয়সল ইকবাল চৌধুরী, প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা সাদেক চৌধুরীর ছোট ভাই ওসমান গণি চৌধুরীসহ চার জন। চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, গোলাম আকবর খোন্দকার, হুম্মাম কাদের চৌধুরী, উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জসিম সিকদার ও এডভোকেট ফরিদা আকতার। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনসহ চার জন। চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, তাঁর পুত্র ব্যরিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এস এম ফজলুল হক, ব্যরিস্টার শাকিলা ফারজানা, নগর বিএনপির সহ-সভাপতি সৈয়দ আজম উদ্দিন। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ সালাম ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইউনূস গণি চৌধুরী, নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য মাহমুদ সালাহউদ্দিন চৌধুরীসহ ১০ জন। চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও সাবেক যুবদল নেতা কাজী বেলাল উদ্দীন, নগর যুবদলের সভাপতি মোশারফ হোসেন দিপ্তী। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ডা. আফছারুল আমিন, বিএনপির সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম, নগর যুবলীগের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু এবং যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ মাহমুদসহ ১৬ জন। চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য এম এ লতিফ, নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খোরশেদ আলম সুজন ও আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চুসহ ১৭ জন। চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মোরশেদ খান, মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান ও এরশাদ উল্লাহ। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমেদ, সিডিএ চেয়ারম্যান মো. আবদুচ ছালামসহ ১৭ জন। চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আলহাজ আলী আব্বাস, আবু মোহাম্মদ নিপার, মোস্তাফিজুর রহমান ও দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক সালাউদ্দিন সুমন। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ওয়াসিকা আয়শা খানসহ চার জন। চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুন্ড-কাট্টলী) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও দলের যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরী, নগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তি, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, সাবেক সচিব ও আইজিপি এ আই ওয়াই বি সিদ্দিকী, এ কে এম আবু তাহের বিএসসি, উত্তর জেলা কৃষক দলের সভাপতি ইসহাক কাদের চৌধুরী, পারভেজ মুন্না, মোহাম্মদ ফেরদৌস মুন্না ও দিদারুল আলম দিদার। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য দিদারুল আলম, উত্তর জেলা যুবলীগের সভাপতি এস এম আল মামুন, কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের সদস্য মোস্তফা কামাল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল বাকের ভূঁইয়াসহ ১৭ জন। চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গাজী শাহজাহান জুয়েল, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সৈয়দ সাদাত আহমদ, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ইদ্রিস মিয়া, এনামুল হক এনাম ও দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাইফুদ্দীন সালাম মিঠু। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য শামসুল হক চৌধুরী, যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বদিউল আলম, সাবেক সংসদ সদস্য চেমন আরা তৈয়ব, বিজিএমইএ নেতা মোহাম্মদ নাছিরসহ ৯ জন। চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শেখ মো. মহিউদ্দীন, প্রচার সম্পাদক নাজমুল মোস্তফা আমিন, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক মুজিবুর রহমান, দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আবদুল গফফার চৌধুরী এবং তাঁর ছেলে তরুণ আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ ওসমান চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল নাঈম চৌধুরী রিকু। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন নদভী, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আবু সুফিয়ান, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাঈনুদ্দিন হাসান চৌধুরীসহ ১৮ জন। চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, সহ সভাপতি এডভোকেট ইফতেখার হোসেন চৌধুরী মহসিন, সাবেক পৌর মেয়র ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক কামরুল ইসলাম হোসাইনী, মহিলা দল নেত্রী মাহমুদা সুলতানা চৌধুরী ঝর্ণা প্রমুখ। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, দৈনিক পূর্বদেশের সম্পাদক মুজিবুর রহমান, শিল্পপতি আবদুল্লাহ কবির লিটনসহ ১২ জন । চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনের জন্য বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন সাবেক এমপি এম. এ জিন্নাহ, মেজর জেনারেল (অব.) জেড এ খান, মুক্তিযোদ্ধা দলের কেন্দ্রীয় নেতা মনিরুল ইসলাম ইউসুফ, উপজেলা বিএনপি আহ্বায়ক নুরুল আমিন, উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল আমিন, মেজর (অব.) নুরুল মোস্তফা, সাহেদুল ইসলাম চৌধুরী, আতিকুল ইসলাম লতিফী, সাবেক ছাত্রদল নেতা সরোয়ার উদ্দিন সেলিম, ড. এম এম এমরান চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল ইসলাম চৌধুরী, ফখরুল ইসলাম ও আজিজুর রহমান চৌধুরী। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি গিয়াস উদ্দিন ও সদস্য মাহবুব উর রহমান রুহেল এবং ব্যবসায়ী নিয়াজ মোর্শেদ এলিটসহ ৯ জন। চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশা, উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ফোরকান উদ্দিন রিজভী, উপজেলা বিএনপি সদস্য নুরুল মোস্তফা খোকন, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল পাশা বাবুল, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন, এডভোকেট আবদুল হামিদ ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য আশরাফ উদ্দিন জনি। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য মাহফুজুর রহমান মিতাসহ ১৪ জন।...

ভোট চাইলেন প্রধানমন্ত্রী,সৈয়দ আশরাফের জন্য

অনলাইন ডেস্ক: কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের জন্য ভোট চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আমার ছোট ভাই, মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আশরাফ আজ অসুস্থ। সবার কাছে তার জন্য দোয়া চাই। তার নির্বাচনকে নিজেদের নির্বাচন মনে করে আপনারা করে দিবেন। তিনি আওয়ামী লীগ নেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা সবাইকে নিয়ে আশরাফের পক্ষে কাজ করে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের বিজয় নিশ্চিত করবেন। তিনি আজ মঙ্গলবার বিকেলে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কিশোরগঞ্জ পুরাতন স্টেডিয়ামে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও প্রার্থীদের সাথে কথা বলার সময় হাজার হাজার জনতার উদ্দেশে এ কথাগুলো বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের পিতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। আর সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ১/১১-এর সময় প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি আরও বলেন, কিশোরগঞ্জবাসী সব সময় নৌকায় ভোট দিয়ে আসছেন। আগামী নির্বাচনেও আপনারা নৌকায় ভোট দিবেন, যাতে আমরা উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে পারি। তিনি বলেন, কিশোরগঞ্জের ১০টি উপজেলায় বিদ্যুৎ দিয়েছি। আরও তিনটি উপজেলায়ও ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ যাবে। কিশোরগঞ্জে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে। হাওরের উন্নয়ন বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, হাওরের উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি নিয়েছি। মিঠামইনে সেনাবাহিনীর একটি ক্যাম্প হচ্ছে। স্বাধীনতার সুফল যেন সব মানুষ পায়, সে লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ কাজ করে যাচ্ছে বলে প্রধানমন্ত্রী জানান। কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা মশিউর রহমান হুমায়ুনের সার্বিক পরিচালনায় এ ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট কামরুল আহসান শাহজাহান, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এম.এ. আফজল, সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের ছোট ভাই ড. সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ আসনের প্রার্থী নূর মোহাম্মদ, কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী মুজিবুল হক চুন্নু, কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের প্রার্থী আফজাল হোসেন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শরীফ সাদী, হোসেনপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জহিরুল ইসলাম নূরু মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক শাহ মাহবুবুল হকের সাথে কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনে মহাজোটের প্রার্থীদেরকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করার জন্য কিশোরগঞ্জবাসীর ভোট চান। এ সময় কিশোরগঞ্জের বক্তারা আগামী নির্বাচনে কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনই আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট প্রার্থীদের জয়ী করার আশ্বাস দেন। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সহসাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ আশফাকুল ইসলাম টিটুসহ সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বৃষ্টি ও ঠান্ডা আবহাওয়া উপেক্ষা করে হাজারো মানুষ স্টেডিয়ামে উপস্থিত হন।...

নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না খালেদা

অনলাইন ডেস্ক: বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম জিয়ার প্রার্থিতা নিয়ে করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্টের তৃতীয় বেঞ্চ। এর ফলে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আর অংশগ্রহণ করতে পারছেন না তিনি। ১১ ডিসেম্বর বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত দুই সদস্যের হাইকোর্ট বেঞ্চ তিনটি আসনে বেগম জিয়ার প্রার্থিতার বিষয়ে বিভক্ত আদেশ দিয়েছিলেন। জ্যেষ্ঠ বিচারপতি প্রার্থিতা বৈধ বললেও কনিষ্ঠ বিচারপতি বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছিলেন। কমপক্ষে দুই বছর বা তার বেশি সময়ের জন্য দণ্ডিত ব্যক্তিরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না- আদালতের এমন আদেশের পরও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে বেগম জিয়ার পক্ষে ফেনী-১ এবং বগুড়া -৬ ও ৭ আসনের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা হয়। কিন্তু বেগম জিয়া দুটি আলাদা মামলায় ১০ ও সাত বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ায় যাচাই-বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তারা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১২র ঘ ধারা অনুযায়ী তিনটি আসনেই তার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেন। পরে এর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন বেগম জিয়া। নির্বাচন কমিশন সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে বেগম জিয়ার মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করলে হাইকোর্টে যান বিএনপির চেয়ারপারসন। হাইকোর্টের বিভক্ত আদেশের পর বিষয়টি যায় তৃতীয় বেঞ্চে। তবে সেখানে রিটটি খারিজ হয়ে যাওয়ায় তিনি আর নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারছেন না।...

নানা উপায়ে পছন্দের মেয়েটির মন জিততে পারেন !

অনলাইন ডেস্ক :মনের মানুষটাকে কাছে পেতে কার না ভাল লাগে? কার না ইচ্ছা করে মন খুলে তার সঙ্গে ২টি কথা বলতে। কিন্তু নানা আশঙ্কায় পিছিয়ে আসেন অনেকেই। বিশেষ করে যে সমস্ত ছেলেদের দেখতে তেমন সুপুরুষ নয়, তারা অনেক সময়ই পছন্দের মেয়েটিকে খুলে বলতে পারেন না। কিন্তু জানেন কি? শুধু দেখতে সুন্দর হওয়াই মেয়েদের পছন্দের তালিকায় থাকার একমাত্র শর্ত নয়। অন্য নানা উপায়ে পছন্দের মেয়েটির মন জিততে পারেন আপনি। তাকে চিনুন রাতারাতি যেমন কারও ঘনিষ্ঠ হওয়া যায় না, তেমনই কথা শুরু না করলে কোনও দিনও তার মনের কথা জানতে পারবেন না আপনি। দূর থেকে দেখা মেয়েটির সঙ্গে সাধারণ কথাবার্তা শুরু করুন। তার ছোটবেলা, বেড়ে ওঠা ও পরিবারের সম্পর্কে জানতে চান। বিভিন্ন সামাজিক বিষয়ে মতবিনিময় করুন। তার মত জানতে চান। এভাবেই ক্রমশ তাকে জানতে শুরু করবেন আপনি। জানতে পারবেন তার পছন্দ-অপছন্দ। মিল খুঁজে বার করুন কথায় কথায় নিজেদের মধ্যে নানা মিল খুঁজে বের করুন। পছন্দের রং, পছন্দের লেখক, পছন্দের গান মিলে গেলে তাকে জানান। এভাবেই গড়ে ওঠে সম্পর্কের বুনন। বন্ধু হোন যে কোনও প্রণয়ের সম্পর্কের প্রথম ধাপ হল বন্ধুত্ব। ফলে বন্ধুত্বকে টপকে কারও মন জেতা সম্ভব নয়। বন্ধুত্বকে গাঢ় করতে একসঙ্গে সময় কাটান। রেস্তোরাঁয়, পার্কে বা কোনও কলাকেন্দ্রে। মানুষ হিসেবে আপনি যে তার কাছে কতটা আনন্দের, ভাললাগার সেটা তাকে বুঝতে দিন। চালাকি করার চেষ্টা করবেন না মেয়েরা ছেলেদের মতলব ছেলেদের থেকেও ভাল বোঝে। তাই চালাকি করার চেষ্টা করবেন না। তার দিকে বেশি তাকাবেন না। চোখে চোখ যাতে না পড়ে সে দিকে খেয়াল রাখবেন। আর যৌন প্রস্তাব তো একেবারেই নয়। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে। তুলনা করবেন না নিজেকে কখনও কারও সঙ্গে তুলনা করবেন না। কোনও নায়ক বা জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বের মতো করে নিজেকে তুলে ধরবেন না। নিজে যেমন তেমনই থাকুন। এ সব মেয়েরা খুব সহজেই ধরে ফেলে। পরিস্কার থাকুন পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকুন। শরীর থেকে যেন দুর্গন্ধ না বের হয়। জামা কাপড় পরিষ্কার রাখুন।...

জেনে নিন, কীভাবে দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পাবেন

অনলাইন ডেস্ক : ব্রণের সমস্যা, গরমে ঘেমে নাজেহাল হওয়ার সমস্যা, মেকআপ গলে যাওয়ার সমস্যা আরও অনেক সমস্যা এসে হাজির হয়। তবে গরমে যে সমস্যা সবথেকে বেশি সমস্যা দেয়, তা বোধহয় ঘামের দুর্গন্ধের সমস্যা। বহু মানুষের মধ্যে ঘামের দুর্গন্ধের সমস্যা দেখা দেয়। আর এর জন্য শুধু সেই ব্যক্তিই নন, আশেপাশের অনেকেই সমস্যায় পড়েন। রাস্তা-ঘাট, ট্রেন, বাস, বাড়িতেও ঘামের দুর্গন্ধে বিরক্ত হয়ে যান চেনা পরিচিত, অপরিচিত থেকে কাছের মানুষ প্রত্যেকে। জেনে নিন কীভাবে ঘামের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পাবেন- ১। দিনের দু-বার ভালো ভাবে স্নান করলে ঘাম এবং ঘামের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। গরমকালে গিনে দুবার স্নান আপনার শরীরকে ঠাণ্ডাও রাখে আবার ঘামের দুর্গন্ধ থেকেও মুক্তি দেয়। ২। স্নান করে পোশাক পরার আগে শরীরটাকে ভালো করে হাওয়ায় শুকিয়ে নিন। ভেজা শরীরে কখনওই পোশাক পরবেন না। ভেজা শরীরে পোশাক পরলে, বেশি ঘাম হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আরও পড়ুন নববর্ষ স্পেশাল রেসিপি: মিষ্টি দই ৩। আপনি স্লিভলেস পোশাক পরুন অথবা না পরুন, অবশ্যই শরীরের অবাঞ্ছিত রোমগুলি নির্মূল করুন। শরীরে অবাঞ্ছিত রোম ঘামের জন্ম দেয়, এবং তা থেকেই দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। ৪। স্নানের সময়ে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল সাবান ব্যবহার করুন। অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল সাবান শরীর থেকে ব্যাকটেরিয়া দূর করে। যদি আপনার ত্বকে অ্যালার্জি কিংবা ইনফেকশনের ঝুঁকি থাকে, তাহলে সাবান পছন্দের সময়ে অবশ্যই চিকিত্সকের পরামর্শ নিন। ৫। শরীর থেকে ঘামের দুর্গন্ধ দূর করতে ল্যাভেন্ডার, পিপারমেন্ট, পাইন প্রভৃতির এসেন্সিয়াল ওয়েল ব্যবহার করুন। কিংবা একেবারে ঘরোয়া পদ্ধতিতে স্নানের জনে একটি পাতিলেবুর রস ব্যবহার করতে পারেন। ৬। অনেক সময়ে আমাদের খাদ্যাভাসের কারণেও ঘামের দুর্গন্ধ দেখা দিতে পারে। তেল-ভাজা-মশলা দেওয়া খাবার শরীরে ঘাম উত্পাদন করে। ঘামের হাত থেকে রক্ষা পেতে ৭। নাইলন কিংবা সিন্থেটিকের পোশাক একেবারেই পরবেন না। এতে ঘাম আটকে থাকে। সুতির হালকা পোশাক পরুন। সুতির পোশাক ঘাম টেনে নিয়ে শরীরকে শুকনো রাখে। জুতো পরার সময়েও সুতির মোজা পরুন। ৮। শুধু ডিওডোরেন্ট ব্যবহারেই ঘামের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি দেয় না। তার সঙ্গে অ্যান্টিপার্সপিরেন্ট ব্যবহার করুন।...

তরুণ প্রজন্ম আওয়ামী লীগের জয়ে কতটা সমর্থন দেবে?

অনলাইন ডেস্ক :বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুক্রবার সারা দেশ থেকে নির্বাচিত কিছু তরুণদের সঙ্গে বিশেষ এক আলোচনা অনুষ্ঠানে বসেছিলেন। বলা হচ্ছে, তাদের পরামর্শ ও পরিকল্পনার কথা শুনেছেন তিনি। বাংলাদেশে কাছাকাছি সময়ে বড় যে আন্দোলনগুলো হয়েছে সেগুলো প্রায় সবই তরুণদের আন্দোলন। সবচাইতে আলোচিত কোটা আন্দোলন বা নিরাপদ সড়ক আন্দোলন যেভাবে সামাল দেয়া হয়েছে তাতে আওয়ামী লীগের সাথে তরুণ প্রজন্মের দূরত্ব তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাদেশে এবারের নির্বাচনে প্রথমবার ভোটারের সংখ্যা প্রায় আড়াই কোটি। পাঁচই জানুয়ারি বিতর্কিত নির্বাচনের আগে ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতেহারে যে পাঁচটি বিষয় সবচাইতে গুরুত্ব দেয়া হয়েছিলো তার অন্যতম হল যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ইস্যু। ডিজিটাল বাংলাদেশ’ ইস্যুও তরুণদের আকর্ষণ করতে প্রচারণায় ব্যবহার করা হয়েছে। বলা হয় সেবার তরুণ প্রজন্ম আওয়ামী লীগের জয়ে ভূমিকা রেখেছিলো। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরীকে জিজ্ঞেস করেছিলাম তারা তরুণদের এবার কিভাবে আকর্ষণ করার চেষ্টা করছেন? তিনি বলছেন, আমরাতো পৃথিবীটা তাদের হাতের মুঠোর ভেতরে এনে দিয়েছি, দিন বদলের সনদ ডিজিটাল বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে। তারা পৃথিবীর যে প্রান্তে বিচরণ করতে চায় সেখানেই তারা যেতে পারে। এই যে সুবিধাগুলো তাদেরকে দিয়েছে বর্তমান সরকার। তথ্য প্রযুক্তিতে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধন করেছি। এগুলো সবকিছু হচ্ছে তরুণদের জন্য। কিন্তু বাংলাদেশের তরুণ ভোটাররা বুঝতে শেখার পর গত দশ বছর আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কোন দলকে ক্ষমতায় দেখেনি। অন্য কোন দলকে যাচাই করার কোন সুযোগ তারা পায়নি। কাছাকাছি সময়ে তাদের জন্য সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু ছিল কোটা সংস্কার ও সড়ক নিরাপত্তা আন্দোলন। এ দুটি আন্দোলনই একটি পর্যায়ে ক্ষমতাসীনদের জন্য বিব্রতকর হয়ে উঠেছিলো। দুটি আন্দোলনের ক্ষেত্রেই সরকারের ভূমিকা সেসময় প্রশ্নের মুখে পড়েছিলো। কোটা সংস্কারের আন্দোলনের ক্ষেত্রে সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েও তা রাখছে না বলে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিলো। শেষমেশ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলেও অনেক নাটক ও বিলম্বের পর। এই আন্দোলন দুটি তারা সঠিকভাবে সামাল দেননি বলে মনে করেন নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা ব্রতীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন মুরশিদ। তিনি বলছেন এর প্রভাব ভোটে হয়ত পরতে পারে। তিনি বলছেন, দুটো আন্দোলনই নির্বাচনের খুব কাছাকাছি সময়ের মধ্যেই হয়েছে। আরও সেনসিটিভভাবে এটা সামাল দেয়া যেতো। তা করা হয়নি বা করতে পারেনি সরকার। তরুণদের কিছু ইনসেনসিটিভ কিছু ঘটনার অভিজ্ঞতা হয়েছে। সেটার কিছু প্রভাবতো পড়বে তবে তিনি মনে করছেন, বর্তমান সরকার একটা যায়গায় তরুণদের উপর অনেক নজর দিয়েছে। তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক যে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তারা করার চেষ্টা করেছে সেখানে তরুণদের মাথায় রেখে অনেক কাজ হয়েছে। সেটিও নিশ্চয়ই কোন প্রভাব ফেলবে। তবে এই মুহূর্তে তরুণদের জন্য কোন ইস্যুটা সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ, তারা কি চায়, তাদের কোন বিষয়টি সবচাইতে দরকার, তাদের উদ্দেশ্য করে ইশতেহারে এমন কিছু থাকে না যা তাদের আকর্ষণ করতে পারে, বলছিলেন তিনি। তরুণরা আসলে কি চায়? সেটি বোঝার জন্য অনেকের সংগে কথা বলে মনে হল চাকরী বিষয়টা এই বেশিরভাগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কথা হচ্ছিলো নিশিতা মিতুর সাথে। তিনি এবছর ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে বের হয়েছেন। বাংলাদেশে এই বয়সী আরও অনেকের মতোই সরকারি চাকরির পরীক্ষা দিতে নিজেকে প্রস্তুত করছেন। তিনি বলছিলেন তার কাছে এখন সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল একটা ভালো চাকরি। তিনি বলছেন, কোটা আন্দোলন নিয়ে একটা সেইযে ঘোলাটে পরিবেশ, তার একটা স্বচ্ছ অবস্থান এটাই বোধহয় তরুণরা এখন সবচেয়ে বেশি ভাবছে।...

আচার বিক্রেতা হিরো আলমের স্বপ্ন এবার সংসদ সদস্য হওয়া

অনলাইন :স্যোসাল মিডিয়ায় ভাইরাল তিনি। সেখান থেকে এখন হচ্ছেন খবরের শিরোনাম। দেশের গণমাধ্যম ছাড়াও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম তাকে নিয়ে ফিচার প্রকাশ করছে। তিনি হিরো আলম। অনলাইন ভিডিও প্লাটফর্ম ইউটিউবে বাংলা ছবির বিভিন্ন গানের ভিডিও বানিয়ে এবং তাতে অভিনয় করে এসেছেন আলোচনায়। ঢাকাই চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন তিনি। ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ এবং পেজে তাকে নিয়ে ট্রোল হলেও স্বপ্ন পূরণে থেমে নেই তার যাত্রা। প্রতিনিয়তই কিছু না কিছু নিয়ে আলোচনায় থাকছেন তিনি । হচ্ছেন খবরের শিরোনাম। সম্প্রতি বগুড়া-৪ আসনে এমপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে জাতীয় পার্টি থেকে কিনেছেন মনোনয়নপত্র। স্বপ্ন এবার সংসদ সদস্য হওয়া! সে স্বপ্ন পূরণের পথেই ছুটছেন তিনি। হিরো আলমকে নিয়ে অনেকে হাস্যরস ও ট্রোল করলেও তিনি কিন্তু তার গতিতেই এগিয়ে যাচ্ছেন। তার এ এগিয়ে যাওয়ার পিছনে রয়েছে অনেক গল্প। রয়েছে সংগ্রাম। জানিয়েছেন তিনি তার সেই সংগ্রামের কথা। হিরো আলম তখন ছোট। সবে সপ্তম শ্রেণিতে পড়েন। বাবা অন্যত্র বিয়ে করায় সেই ছোট বয়সেই ধরতে হয় সংসারের হাল। ফলে চুকে যায় লেখাপড়ার পাট। গ্রামে-গঞ্জে ঘুরে ঘুরে মায়ের বানানো আচার-চানাচুর বিক্রি করা শুরু করেন। দিনশেষে মা আনোয়ারা বেগমের হাতে অর্জিত টাকা তুলে দিতেন। আর সন্ধ্যার পর এরুলিয়া বাজারে একটি সিডি ভাড়া দেওয়ার দোকানে বসতেন। এভাবেই কেটে যায় টানা তিন বছর। পরে একদিন দোকানের মালিক শহীদুল ইসলাম চলে যান মালয়েশিয়ায়। দোকানের মালপত্র বিক্রি করে দেন দোকানের কর্মচারি হিরো আলমের কাছে। সেই শুরু হয় নতুন পথ চলা। হিরো আলমের ভাষায়, 'মালিক চলে যাওয়ার আগে আমাকে বলেন দোকান বিক্রি করে দিবেন। আমি মায়ের সঙ্গে আলাপ করে ১৬ হাজার টাকায় দোকানের সব মালপত্র কিনে নেই। দোকানে পেয়েছিলাম, একটা সাদাকালো টেলিভিশন, একশ' সিডি ও কিছু ভিসিআরের ক্যাসেট। সেই সিডির দোকানে ভালো আয়-রোজগার শুরু হয়। পরে আচার-চানাচুর বিক্রি বাদ দেই। স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথ খুঁজি। কী ছিল সেই স্বপ্ন? জানতে চাইলে হিরো আলম বলেন, 'মেরিনা সিনেমা হলে গিয়ে ছবি দেখতাম। নায়ক নায়িকারা নাচতেন। আমি সেই গানগুলোতে নাচার স্বপ্ন দেখতাম। পরে টাকা-পয়সা খরচ করে একটা কমেডি গানের ভিডিওতে মডেল হন আলম। সেই গান বের হয় ভিডিও ক্যাসেটে। ভিডিওর সেই সিডি ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। আলম মনে মনে বেশ খুশি, কারণ টিভিপর্দায় তাকে দেখা যাচ্ছে। কিন্তু গ্রামের অনেকেই খুশি হতে পারছিলেন না আলমের এইসব 'পাগলামো'তে। আলম বলেন,গ্রামের লোকজন আমাকে গালি দিতো। আমি কেন এমন জোকারগিরি করছি। কেন এমন ফালতু জিনিস বানাচ্ছি। মুরুব্বিদের অনেকে আমাকে ডেকে নিয়ে বলতেন, এইসব করে কী হবে? তার চেয়ে বরং টাকা খবচ করে হিরো হও। আমার মাথায় এটা বসে গেলো। টাকা যেহেতু খরচ করছি; হিরো হওয়ার পিছনেই করবো। এরপর স্থানীয় এক এনজিও থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে এলাকায় ডিশ সংযোগের ব্যবসা শুরু করেন আলম। পাশাপাশি বানান বিভিন্ন গানের মিউজিক ভিডিও। তাতে মডেল হন নিজেই। ডিশে সেই গান প্রচার করেন। এভাবে একে একে প্রায় ছয়শ' মিউজিক ভিডিও করে ফেলেন আলম। শুধু আলম থেকে হয়ে উঠেন হিরো আলম।] এরপর ২০০৯ সালে পাশের গ্রামের সুমী নামের এক তরুণীকে বিয়ে করেন। সুমী এসএসসি পাস। আবির ও আলো নামে দুই সন্তান রয়েছে তাদের। সংসার আর ব্যবসা নিয়েই ব্যস্ত হয়ে পড়েন হিরো আলম। পাশাপাশি কিছু মিউজিক ভিডিও করেন। সেগুলো নিজের ক্যাবল চ্যানেলেই প্রচার করেন। গ্রামের মানুষ এবার তাকে বাহবা দেয়। সেই বাহবা থেকে উৎসাহ পান আলম। ২০১৬ সাল। বছরটা হিরো আলমের জন্য অনেক গুরুত্বের। কারণ এ বছরের মাঝামাঝি হুট করেই ফেসবুকে আলমের কয়েকটি মিউজিক ভিডিও ভাইরাল হয়। সেই ভিডিও কেবল বাংলাদেশেই নয়, ভারতেও হৈচৈ ফেলে দেয়। আলমকে খুঁজে বের করে প্রতিবেদন প্রকাশ করে বিভিন্ন গণমাধ্যম। ওই বছরে গুগলে তাকেই সবচেয়ে বেশি খোঁজে মানুষ। আলমের এই জনপ্রিয়তা নজরে আসে চলচ্চিত্র নির্মাতাদেরও। ঢাকার কয়েকজন উঠতি নির্মাতা তাকে নিয়ে কয়েকটি মিউজিক ভিডিও এবং স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। আলম বলেন,প্রথম যখন মিউজিক ভিডিও বানাই তখন কেউই আমার সঙ্গে মডেল হতে চাইত না। দ্বিগুণ টাকা দিয়ে তাদের নিতাম। এখন অনেকেই আমার সঙ্গে অভিনয়ের সুযোগ চায়। সিনেমার পর্দায় নায়কের মারামারি দেখে একদিন অবাক হয়েছিলাম, এখন আমি নিজে নায়ক হয়ে মারামারি করি, লোকে সেটা দেখছে। এই যে এমপি হতে মনোনয়ন পেপার নিয়েছি সবাই আলোচনা-সমালোচনা করছে- এটাই আমার প্রাপ্তি। হিরো আলম আরও বলেন, 'এলাকার মানুষের ভালোবাসা আর আর্শিবাদ আমার সঙ্গে রয়েছে। আর আমার রয়েছে ইচ্ছাশক্তি। আমার বিশ্বাস মনোয়ন পেলে আমি বিজয়ী হবো। এখন আমার মনোনয়নপত্র নেওয়া নিয়ে যারা হাসছেন, তারা শুরু থেকেই আমার সব কাজে হাসছেন। আমি তো থেমে থাকিনি। থাকলে আজকে দেশ-বিদেশের মানুষ আমাকে চিনতো না।...

জাপার ইশতেহারের ১৮ দফা,ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর পানি ও বিদ্যুৎ বিল মওকুফ করা হবে

অনলাইন ডেস্ক :একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহার ঘোষণা করেছে জাতীয় পার্টি (জাপা)। আজ শুক্রবার দলটির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের বনানীর কার্যালয়ে ইশতেহারটি ঘোষণা করা হয়। ঘোষণা করেন চেয়ারম্যানের বিশেষ সহকারী ও সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার।ইশতেহারে বলা হয়েছে, জাপা ক্ষমতায় এলে শিক্ষাব্যবস্থা থেকে পিএসসি ও জেএসসি পরীক্ষা বাতিল করা হবে। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জন্য সংসদে ৩০টি আসন রাখা হবে। এর জন্য সংসদে থাকবে ৩৮০টি আসন। এ ছাড়া ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর পানি ও বিদ্যুৎ বিল মওকুফ করা হবে এরশাদ সরকার ক্ষমতায় এলে। নির্বাচনে জয়ী হলে জাপা কী করবে, তার ১৮ দফা তুলে ধরেছেন রুহুল আমিন হাওলাদার। এ ছাড়া ইশতেহারে দফাগুলো পূরণে সময়সীমাও বলা হয়েছে।জাপার ইশতেহারের ১৮ দফা তুলে ধরা হলো : ১. প্রদেশিক ব্যবস্থার প্রবর্তন দেশে এককেন্দ্রিক শাসন ব্যবস্থা পরিবর্তন করে প্রদেশিক ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হবে। দেশের আটটি বিভাগকে আটটি প্রদেশে উন্নীত করা হবে। দুই স্তরবিশিষ্ট কাঠামো থাকবে শাসন ব্যবস্থায়।২. নির্বাচন পদ্ধতি সংস্কার নির্বাচন পদ্ধতির সংস্কার করে আনুপাতিক ভোটের ভিত্তিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হবে। নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা দেওয়া হবে। সন্ত্রাস, অস্ত্র, কালো টাকার প্রভাবমুক্ত নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচন পদ্ধতি সংস্কার করা হবে। ৩. পূর্ণাঙ্গ উপজেলা ব্যবস্থা প্রবর্তনউপজেলা আদালত ও পারিবারিক আদালতসহ পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থা চালু করা হবে। স্থানীয় সরকার কাঠামো শক্তিশালী করে ও নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যানের কাছে উপজেলা ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে।৪. বিচার বিভাগের স্বাধীনতাবিচার বিভাগের স্বাধীনতা দেওয়া হবে ৷ জাতীয় পার্টি সুযোগ পেলে এক বছরের মধ্যে এটি নিশ্চিত করা হবে। পাঁচ বছরের মধ্যে মামলার জট শূন্যের কোঠায় আনা হবে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মামলার প্রবণতা বন্ধ করা হবে। ৫. ধর্মীয় মূল্যবোধধর্মীয় মূল্যবোধকে সবার ওপরে স্থান দেওয়া হবে। সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ ও পানির বিল মওকুফ করা হবে। এক বছরে এ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ৬. কৃষকের কল্যাণ সাধনকৃষককে ভর্তুকি মূল্যে সার, ডিজেল ও কীটনাশক সরবরাহ করা হবে। কৃষি উপকরণের কর শুল্ক মওকুফ করা হবে। এ ছাড়া কৃষকদের বিরুদ্ধে কোনো সার্টিফিকেট মামলা করা হবে না। সহজ শর্তে কৃষিঋণ সরবরাহ করা হবে।৭. সন্ত্রাস দমনে কঠোর ব্যবস্থা সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি দমনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটা কোনো কঠিন কাজ নয়, সরকারের সদিচ্ছা যথেষ্ট। জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় এলে তিন মাসে এসব নির্মূল করবে।৮. জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্য স্থিতিশীল করা হবে। সারা দেশে পর্যায়ক্রমে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। উত্তরবঙ্গের শিল্পায়ন ব্যবস্থাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অনগ্রসর অঞ্চলে শিল্পায়ন ব্যবস্থা চালু করা হবে।৯. ফসলি জমি নষ্ট করা যাবে না জাতীয় অর্থনৈতিক স্বার্থে শিল্প প্রতিষ্ঠা ব্যতীত আবাসিক স্থাপনা গঠনে কৃষিজমি বা ফসলি জমি নষ্ট করা প্রতিরোধে আইন গড়ে তোলা হবে।১০. শিক্ষা পদ্ধতির সংশোধন পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির পরীক্ষা বাদ দেওয়া হবে। শিক্ষা পদ্ধতির সংশোধনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের টিউশন নির্ভরতা কমানো হবে। সুলভ মূল্যে শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ করা হবে। ১১. স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ ইউনিয়নভিত্তিক সেবা খাত উন্নত করা হবে। প্রতিটি ইউনিয়নের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসকদের দায়িত্ব পালন নিশ্চিত করা হবে।১২. খাদ্য নিরাপত্তা খাদ্যে ভেজাল কিংবা বিষাক্ত দ্রব্য মেশানোর বিরুদ্ধে বিদ্যমান আইন সংশোধন করে মৃত্যুদণ্ডের বিধান করা হবে।১৩. শান্তি ও সহাবস্থানের রাজনীতি প্রবর্তন হরতাল অবরোধের মতো ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি নিষিদ্ধ করা হবে। শান্তি ও সহাবস্থানের রাজনীতি প্রবর্তন করে সত্যিকারের গণতন্ত্রের বিকাশ ঘটানো হবে। ১৪. সড়ক নিরাপত্তা সড়ক দুর্ঘটনা রোধে রাস্তাঘাট সংস্কার করা হবে। প্রয়োজনীয় রাস্তায় ৫০ ভাগ প্রশস্ত করা হবে। ১৫. গুচ্ছগ্রাম ও পথকলি ট্রাস্ট পুনঃপ্রতিষ্ঠা গুচ্ছগ্রাম ও পথকলি ট্রাস্ট পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হবে। ১৬. পল্লী রেশনিং পদ্ধতি চালু করা হবে পল্লী অঞ্চলের মানুষের ন্যূনতম অন্নের সংস্থান নিশ্চিত করতে পল্লী অঞ্চলে রেশনিং ব্যবস্থা চালু করা হবে। এক বছরের মধ্যে রেশনিং ব্যবস্থায় চাল, ডাল, তেল, চিনি পৌঁছে দেওয়া হবে। ১৭. শিল্প ও অর্থনীতির অগ্রগতি সাধনদেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অঞ্চলে অঞ্চলে অর্থনৈতিক বৈষম্য হ্রাস করতে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। শিল্পঋণ সহজলভ্য ও নতুন শিল্প স্থাপন করা হবে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়াতে সর্বাত্মক উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।১৮. ধর্মীয় সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষাসাধারণ নির্বাচন বাদে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জন্য ৩০টি আসন সংরক্ষিত করা হবে। সে ক্ষেত্রে সংসদের মোট আসন ৩৮০টি করা হবে। তাদের জনসংখ্যার হার অনুসারে চাকরি ও শিক্ষার হার নিশ্চিত করা হবে। ধর্মীয় সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় ও কমিশন গঠন করা হবে।


তরুণ প্রজন্ম আওয়ামী লীগের জয়ে কতটা সমর্থন দেবে?

অনলাইন ডেস্ক :বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুক্রবার সারা দেশ থেকে নির্বাচিত কিছু তরুণদের সঙ্গে বিশেষ এক আলোচনা অনুষ্ঠানে বসেছিলেন। বলা হচ্ছে, তাদের পরামর্শ ও পরিকল্পনার কথা শুনেছেন তিনি। বাংলাদেশে কাছাকাছি সময়ে বড় যে আন্দোলনগুলো হয়েছে সেগুলো প্রায় সবই তরুণদের আন্দোলন। সবচাইতে আলোচিত কোটা আন্দোলন বা নিরাপদ সড়ক আন্দোলন যেভাবে সামাল দেয়া হয়েছে তাতে আওয়ামী লীগের সাথে তরুণ প্রজন্মের দূরত্ব তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাদেশে এবারের নির্বাচনে প্রথমবার ভোটারের সংখ্যা প্রায় আড়াই কোটি। পাঁচই জানুয়ারি বিতর্কিত নির্বাচনের আগে ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতেহারে যে পাঁচটি বিষয় সবচাইতে গুরুত্ব দেয়া হয়েছিলো তার অন্যতম হল যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ইস্যু। ডিজিটাল বাংলাদেশ’ ইস্যুও তরুণদের আকর্ষণ করতে প্রচারণায় ব্যবহার করা হয়েছে। বলা হয় সেবার তরুণ প্রজন্ম আওয়ামী লীগের জয়ে ভূমিকা রেখেছিলো। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরীকে জিজ্ঞেস করেছিলাম তারা তরুণদের এবার কিভাবে আকর্ষণ করার চেষ্টা করছেন? তিনি বলছেন, আমরাতো পৃথিবীটা তাদের হাতের মুঠোর ভেতরে এনে দিয়েছি, দিন বদলের সনদ ডিজিটাল বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে। তারা পৃথিবীর যে প্রান্তে বিচরণ করতে চায় সেখানেই তারা যেতে পারে। এই যে সুবিধাগুলো তাদেরকে দিয়েছে বর্তমান সরকার। তথ্য প্রযুক্তিতে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধন করেছি। এগুলো সবকিছু হচ্ছে তরুণদের জন্য। কিন্তু বাংলাদেশের তরুণ ভোটাররা বুঝতে শেখার পর গত দশ বছর আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কোন দলকে ক্ষমতায় দেখেনি। অন্য কোন দলকে যাচাই করার কোন সুযোগ তারা পায়নি। কাছাকাছি সময়ে তাদের জন্য সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু ছিল কোটা সংস্কার ও সড়ক নিরাপত্তা আন্দোলন। এ দুটি আন্দোলনই একটি পর্যায়ে ক্ষমতাসীনদের জন্য বিব্রতকর হয়ে উঠেছিলো। দুটি আন্দোলনের ক্ষেত্রেই সরকারের ভূমিকা সেসময় প্রশ্নের মুখে পড়েছিলো। কোটা সংস্কারের আন্দোলনের ক্ষেত্রে সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েও তা রাখছে না বলে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিলো। শেষমেশ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলেও অনেক নাটক ও বিলম্বের পর। এই আন্দোলন দুটি তারা সঠিকভাবে সামাল দেননি বলে মনে করেন নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা ব্রতীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন মুরশিদ। তিনি বলছেন এর প্রভাব ভোটে হয়ত পরতে পারে। তিনি বলছেন, দুটো আন্দোলনই নির্বাচনের খুব কাছাকাছি সময়ের মধ্যেই হয়েছে। আরও সেনসিটিভভাবে এটা সামাল দেয়া যেতো। তা করা হয়নি বা করতে পারেনি সরকার। তরুণদের কিছু ইনসেনসিটিভ কিছু ঘটনার অভিজ্ঞতা হয়েছে। সেটার কিছু প্রভাবতো পড়বে তবে তিনি মনে করছেন, বর্তমান সরকার একটা যায়গায় তরুণদের উপর অনেক নজর দিয়েছে। তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক যে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তারা করার চেষ্টা করেছে সেখানে তরুণদের মাথায় রেখে অনেক কাজ হয়েছে। সেটিও নিশ্চয়ই কোন প্রভাব ফেলবে। তবে এই মুহূর্তে তরুণদের জন্য কোন ইস্যুটা সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ, তারা কি চায়, তাদের কোন বিষয়টি সবচাইতে দরকার, তাদের উদ্দেশ্য করে ইশতেহারে এমন কিছু থাকে না যা তাদের আকর্ষণ করতে পারে, বলছিলেন তিনি। তরুণরা আসলে কি চায়? সেটি বোঝার জন্য অনেকের সংগে কথা বলে মনে হল চাকরী বিষয়টা এই বেশিরভাগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কথা হচ্ছিলো নিশিতা মিতুর সাথে। তিনি এবছর ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে বের হয়েছেন। বাংলাদেশে এই বয়সী আরও অনেকের মতোই সরকারি চাকরির পরীক্ষা দিতে নিজেকে প্রস্তুত করছেন। তিনি বলছিলেন তার কাছে এখন সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল একটা ভালো চাকরি। তিনি বলছেন, কোটা আন্দোলন নিয়ে একটা সেইযে ঘোলাটে পরিবেশ, তার একটা স্বচ্ছ অবস্থান এটাই বোধহয় তরুণরা এখন সবচেয়ে বেশি ভাবছে।

প্রাণশক্তি স্পর্শ করা স্লোগান গ্রাম হবে শহর

অনলাইন ডেস্ক :গ্রাম শব্দটি মূলত সংস্কৃত ভাষা হতে উদ্ভূত। লোকমুখে এই গ্রাম গেরাম হিসেবে ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে এই গেরাম গাঁও গাইগাঞি গাঁ- এ রূপান্তরিত হয়েছে। কারো কারো মতে, সংস্কৃত ব্যাকরণের অনুশাসন মেনে এ শব্দ গ্রামে রূপান্তরিত হয়েছে। মার্কগেুয়-পুরাণের মতে, যে ভূখ-ে ভদ্রগণ ও সমৃদ্ধশালী কৃষকেরা বাস করে তার নাম গ্রাম। ইতিহাস প-িত নীহাররঞ্জন রায় এর উদ্ধৃতিতে বাংলাদেশের গ্রাম গড়ে ওঠার সমগ্র প্রেক্ষাপটটি তুলে ধরতে সমর্থ হয়েছেন। একই বংশে জাত সন্তান-সন্ততি এবং তাদের বংশধরদের নিয়ে কয়েকটি পরিবারের ছোট একটি উপনিবেশ হলো গ্রামের স্বাভাবিক রূপ। গ্রামের উৎপত্তি সম্বন্ধে প্রাচীন গ্রীক দার্শনিকের এই বক্তব্য সূচনায় সঠিক হলেও কালে গ্রামের এই স্বাভাবিক রূপ অক্ষুন্ন থাকেনি। বিভিন্ন জাতের ও শ্রেণির মানুষের বসতি রয়েছে গ্রামে। স্বনির্ভর হয়েছে সংশোধন। সর্বোপরি প্রভাবশালী যোদ্ধা শ্রেণি, রাজন্যবর্গ এবং ধর্মযাজক গোষ্ঠীর প্রভূত্বকে স্বীকার করে নেওয়ার ফলে গ্রামের সামাজিক অর্থনৈতিক জীবনেও এসেছে পরিবর্তন যার ফলে সকল সিদ্ধান্ত কেবল পরিবারের বা গ্রাম সমাজের নিজ প্রয়োজনে নেয়া সম্ভব হয়নি। রাজ শক্তির উত্থান-পতন সামন্ত যুগে গ্রামীণ সমাজকে স্পর্শ করেছে প্রত্যক্ষভাবে। বর্তমানে গ্রাম কেবল মানুষের বসতির একটি রূপ নয়। তা এখন উন্নয়নের অংশীদার। এর অভ্যুদয়ের সাথে জড়িত ছিলো জীবিকার্জ্জনের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য এবং বিশেষ উৎপাদন ব্যবস্থা। আদিম যাযাবর মানুষ যখন পশু শিকার এবং ফলফূস আহরণ ছেড়ে কৃষিকাজ শিখল তখন ইে নতুন জীবিকার তাগিদেই তাকে গ্রহন করতে হলো উপযুক্ত উৎপাদন ব্যবস্থা এবং সেই উৎপাদন ব্যবস্থাই যাযাবর মানুষকে স্থায়ী বসতি স্থাপনে বাধ্য করলো। গ্রামীণ সমাজের আদিলগ্নে প্রাকৃতিক অর্থনীতিই ছিল প্রধান। তখন গ্রামের মানুষেরা কেবলমাত্র নিজেদের ব্যবহারের জন্য দ্রব্য সামগ্রী তৈরী করতো। আদিম সাম্যবাদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিলো যে গ্রাম ক্রমে ব্যক্তি মালিকানার স্বীকৃতি, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং পণ্য-বিনিময়ের প্রসারের ফলে তার প্রকৃতিতে পরিবর্তন হলো। শুধু প্রাকৃতিক সুষম্য নয়, আলো ও অন্ধকারের বাস্তবতায় গ্রামকে দেখার অবকাশ এখনো রয়ে গেছে। পালাবদলের পৃথিবীতে বাংলাদেশের গ্রামগুলোর সঙ্কট আর সম্ভাবনা দিব্য দৃষ্টি নিয়ে দেখার চেষ্টা করছে পুরোনো প্রাচীন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। গ্রামীণ বাংলার এক শাশ্বত প্রতিরূপ ভেসে উঠে হেমন্ত ও শীতের সন্ধিক্ষণে আমরা এখন তা উপলব্ধি করছি। চোখ মেলে চাইলেই চিরায়ত বাংলার সমৃদ্ধিতে ভরপুর ছবিটি দেখা যায়। কিছু উন্নয়ন আর রঙরূপ, দৃশ্যপট বদল হলেও বাংলাদেশের ভূগোলে গ্রাম এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। কিন্তু প্রাকৃতিক ও নান্দনিক সৌরভের গ্রামগুলোর ভেতরে রয়েছে আলো ও আঁধারের পুঞ্জীভূত অন্য এক জগৎ। গভীর অর্ন্তদৃষ্টি না থাকলে গ্রামের সেসব ছবি দেখা অসম্ভব। আর একারণেই অতি সাম্প্রতিক প্রিয় লেখক হুমায়ন আহম্মদ পূর্ণিমা ও অমাবষ্যার আলো আধার উপভোগ করতে গহীণ গ্রামে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করতেন। অতীতের সাহিত্যিকরাও গ্রামর সম্ভাবনা গভীর অনুসন্ধান করেছিলেন। বঙ্কিমের বঙ্গদেশের কৃষক ছাড়াও শরৎচন্দ্র গ্রামীণ জীবনের আলো ও অন্ধকারকে তুলে ধরেছেন। স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ইউরোপের পুঁজিবাদী দানবীয় চাহিদা সৃষ্টিকারী সাংগঠনিক ব্যবস্থাপনার বিরোধিতা করছিলেন রক্তকরবী নাটকে। রক্তকরবী লেখার আগেই রবীন্দ্রনাথ তাঁর সিটি অ্যান্ড ভিলেজ নামের ইংরেজি নিবন্ধে খেয়াল করিয়ে দিয়েছিলেন কৃত্রিম চাহিদা সৃষ্টি প্রকৃতি-পরিবেশকে বিনষ্ট করছে। রবীন্দ্র পরবর্তী সাহিত্যিকদের মধ্যে গ্রামসমাজের অভিজ্ঞতায় ঋদ্ধতম তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধায়। তারাশঙ্কর নিজেও তাঁর গ্রাম-কেন্দ্রীক সাহিত্যধর্মে অবিচল ছিলেন আজীবন। দলমত নির্বিশেষে গ্রামসমাজের সাধারণ মানুষের জীবনধারাকে বুঝতে গ্রামীণ জনতার জীবনের সমস্যার নানা বাস্তব সমাধানও প্রদান করতে তৎপর হয়েছিলেন। বর্তমানের রাজনৈতিক ব্যক্তিরা অনেকেই গ্রামে যান বা গ্রামের সাথে সম্পর্কীত থাকেন, কিন্তু কয়জন গ্রামের রূপবৈচিত্র ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরতে পেরেছেন? গল্প-উপন্যাসের কৃৎ-কৌশল গ্রামের দুঃখদুর্দশা বারোয়ারী ভাষায় বর্ণনা আছে। ১৯৬৩ সালের ১৭ আগস্ট তারাশঙ্কর স্বাধীন দেশের উপরওয়ালাদের প্রসঙ্গে গ্রামের চিঠিতে বিদ্রুপ ও শ্লেষ ভরা বাক্যে লিখেছিলেন: ইহারা গ্রামের লোকের সঙ্গে সর্ম্পক রাখেন না কারণ ইহারা উপরওয়ালা। তারাশঙ্কর গ্রামকে ভেতর থেকে চিনতে ও চেনাতে চেয়েছিলেন। আমাদের রাজনীতিবিদগণ বা সাহিত্যিক, সমাজ-গবেষকরা হৃদয়ে ধারন ও লালন করে সে চেষ্টাটি সরেজমিনে অবিরাম করে যাচ্ছেন তা একাদশ জাতীয় নির্বাচনে প্রস্ফূটিত হয়েছে। তারাশঙ্কর যে গ্রামের চেহারা দেখেছিলেন, সে চেহারা হয়তো এখন খুঁেজ পাওয়া যাবে না। রাজনীতিও জটিলতর হয়েছে। তবে গ্রাম সম্বন্ধে মূলগত সমস্যার স্বরূপ একই। তা হলো, আমরা গ্রামের উন্নয়নের কথা ভাবি, কিন্তু গ্রামকে ভেতর থেকে চেনার চেষ্ট করি না। এবারের নির্বাচনী ইশতেহারে গ্রামবাংলার শাশ্বত শততকে দৃশ্যমানরূপে অঙ্গিকারাবদ্ধ করা হয়েছে। নির্বাচনে জনগণ শুধু দল ও মার্কা নয়; প্রার্থীর যোগ্যতা, দক্ষতা, সততা, অতীত কর্মকা- ও অঙ্গীকার বিষয় বিবেচনা করেই ভোট দিয়ে থাকে। নির্বাচন-পরবর্তী রাষ্ট্র পরিচালনা কিভাবে করা হবে তার রূপরেখাই হলো নির্বাচনী ইশতেহার। ইশতেহার রাজনৈতিক দলের অঙ্গীকারপত্র। বাস্তবভিত্তিক ও যুগোপযোগী চিন্তা চেতনার বহিঃপ্রকাশ নির্বাচনী ইশতেহার এবং তার পুঙ্খানুপুঙ্খ প্রতিফলন ও বাস্তবায়নের অঙ্গীকার সামর্থও গুরুত্বের। নির্বাচনী ইশতেহার গতানুগতিক না করে জনকেন্দ্রিক, জনকল্যাণমুখী, ভিন্নধর্মী এবং চমক দেখানোর মতো বিষয়গুলো পারদর্শীতা দেখিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। নির্বাচনী ইশতেহার প্রণয়নে আলো ও অন্ধকারের গ্রামকে দৃশ্যমান করা হয়েছে। বাংলাদেশকে নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি ডেল্টা প্ল্যান বা বদ্বীপ পরিকল্পনা প্রাধান্য পাচ্ছে। একই সঙ্গে বিপুলসংখ্যক তরুণ ভোটারকে আকৃষ্ট করার জন্য তাদের কর্মসংস্থান এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার থাকছে। ইশতেহারে স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ ও গ্রাম হবে শহর। এই শ্লোগানের ফলে গ্রামগুলোতে শহরের মতো নাগরিক সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। একটি রাষ্ট্র তখনই উন্নয়নের সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছবে যখন দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সাধিত হবে। আমাদের দেশে শহর থেকে গ্রামের আয়তন বেশি সেই সঙ্গে সস্তা শ্রম ও প্রাকৃতিক সম্পদও বেশি, গ্রামের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারলে আমাদের উন্নয়ন হবে স্থায়ী ও নির্ভরশীল। একটি গ্রামকে আলোকিত করতে খুব বেশি কিছু প্রয়োজন নেই; শুধু সরকারের একটু দৃষ্টি ও পরিকল্পিত রূপরেখা পালটে দিতে পারে গ্রামের চিত্র। গ্রামীণ অর্থনীতি এগিয়ে না গেলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ব্যাহত হবে। প্রতিটি গ্রামে উৎপাদনমুখী একটি গ্রাম একটি পণ্যের কুটিরশিল্প গড়ে তোলা গেলে একদিকে যেমন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে অন্যদিকে শহরে মানুষের চাপ কমে আসবে। এই প্রেক্ষাপটে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গ্রাম হবে শহর সেগান বাস্তবধর্মীয় ও যুগোপযোগী হয়েছে। গ্রামের স্বল্প ও সীমিত আয়ের মানুষের আশা জেগেছে। তা সম্ভব হলে শহরের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এগিয়ে যাবে গ্রামীণ অর্থনীতি সাধিত হবে সামগ্রিক উন্নতি। বিশেষত এই সেগানের হাত ধরে আমাদের গ্রামে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। তরুণ যুব প্রৌঢ় বৃদ্ধ সকলের সমন্বিত প্রয়াস শহর ও গ্রামকে একসঙ্গে উন্নয়নের শিখরে পৌঁছে দেবে এমন স্বপ্ন দেখা আমরা শুরু করেছি। খন রঞ্জন রায়,Khanaranjanroy@gmail.com

আজকের মোট পাঠক

33266

নিউজ একাত্তর ডট কম

সম্পাদক : মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী

নির্বাহী সম্পাদক : আহাম্মদ হোসেন ভুইয়া

একটি পপুলার মিডিয়া পাবলিকেশন এর প্রকাশনা | রেজি নং: চ-১২৪২৭/১৭

সম্পাদকীয় ও বানিজ্যিক কার্যালয় : ৪১৬/সি,খিলগাও ঢাকা ০২৪৩১৫০৪৮৮, ০১৮২৪২৪৫৫০৪, ০১৭৭৮৮৮৮৪৭২

চট্টগ্রাম কার্যালয় : ১৯/২০/২১ বি ৩য় তলা, হানিমুন টাওয়ার,পাহাড়তলী,চট্টগ্রাম।

ই-মেইল : newsekattor@gmail.com, editorekattor@gmail.com, কপিরাইট ©newsekattor.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত