সোমবার, এপ্রিল ১২, ২০২১

রমজানে নিত্যপণ্যের দাম কমালো মালয়েশিয়া

১২,এপ্রিল,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিয়াম সাধনা ও সংযমের মাস পবিত্র রমজান উপলক্ষে মালয়েশিয়ায় বিভিন্ন পণ্যের ওপর ছাড় দিয়েছে পাইকারি ও খুচরা বিপনীবিতানগুলো। প্রতি বছরের মতো এবারও রমজান উপলক্ষে রাজধানী কুয়ালালামপুরের প্রায় সব বিপনীবিতানগুলোতে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কমেছে। তেল, চাল, আলু থেকে শুরু করে মাছ, মাংসের দামও কমানো হয়েছে। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে বর্তমান ও পূর্বের পণ্যের দামসহ ছাড়ের তালিকা প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ। টেসকো, জায়ান্ট, মাইডিন, এয়ন বিগ, এনএসকের মতো চেইন সুপারশপগুলো অনলাইনে রমজান উপলক্ষে ছাড়ের বিজ্ঞাপন প্রচার করছে নিয়মিত। শুধু নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস নয় পোশাক, প্রসাধনী থেকে শুরু করে অন্যান্য প্রায় সব জিনিসের উপরও মাসজুড়ে চলবে এ ছাড়। মালয়েশিয়া প্রবাসী রাশেদ বাদল বলেন, সারা বছরই পণ্যের মান ও দাম নিয়ন্ত্রণে কাজ করে মালয়েশিয়া সরকার। তবে রমজানে বিশেষভাবে তা পর্যবেক্ষণ করা হয়। বিশেষ করে চাল, চিনি, ময়দা, তেলের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম পর্যবেক্ষণে কঠোর নজরদারি রাখে সরকার। আর অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা এড়াতে সার্বক্ষণিক এগুলো দেখভাল করে সিটি কর্পোরেশন। শুধু কুয়ালালামপুর নয় এ চিত্র পুরো মালয়েশিয়া জুড়ে। প্রায় দুই যুগ ধরে মালয়েশিয়ায় আছেন এস এম আহমেদ। সিঙ্গাপুর সীমান্তবর্তী জোহর প্রদেশে বসবাস করা আহমেদ বলেন, রমজান আসলেই মালয়েশিয়ার চিত্র পরিবর্তন হয়ে যায়। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে রমজান পালন করতে ভালোবাসে মালয়েশিয়ানরা। জিনিসপত্রের দাম তো বাড়েই না বরং মাস জুড়ে থাকে ছাড়ের ছড়াছড়ি। করোনা মহামারির মধ্যে অনলাইনের জনপ্রিয়তাও বেশ তুঙ্গে। রমজান উপলক্ষে লাজাডা, শপির মতো অনলাইনও দিচ্ছে বিশেষ ছাড়। এছাড়া পুরো রমজান মাস জুড়ে বিভিন্ন মসজিদে বিনামূল্যে ইফতারি ও খাবারের ব্যবস্থা রাখা হয়। যদিও করোনা মহামারির কারণে এ বছর সবাই মসজিদে গিয়ে নামাজ আদায় করতে পারবেন না। বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারির মধ্যে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে দেশটিতে বিরতি দিয়ে লকডাউন চলছে। এই লকডাউনের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা-বাণিজ্য খোলা রেখেছে মালয়েশিয়া সরকার। তবে বিধিনিষেধ রয়েছে পর্যটকদের মালয়েশিয়া প্রবেশের ক্ষেত্রে। ...

বিধানসভা নির্বাচন: একে-অপরের সমালোচনায় মোদি-মমতা

১১,এপ্রিল,রবিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের চতুর্থ দফার ভোটে সহিংসতায় পাঁচজন নিহতের ঘটনায় কোচবিহারে ৩ দিনের জন্য রাজনীতিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে রাজ্যের নির্বাচন কমিশন। এদিকে পঞ্চম দফা নির্বাচনের প্রচারণায় একে-অপরকে কথার বাণে ঘায়েল করছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। করোনার স্বাস্থ্যবিধি মেনে শনিবার সকাল থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের চতুর্থ দফার ভোটগ্রহণ। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া-হুগলী ছাড়াও কোচবিহার আলিপুরদুয়ারের ৪৪ আসনে ভোটের মধ্যে সবার নজর ছিল কোচবিহার জেলার শীতলকুচি আসনের দিকে। তবে ভোটগ্রহণ কেন্দ্র করে বিভিন্ন স্থানে চলে গুলি, বোমা, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া। এতে হতাহত হন বেশ কয়েকজন। শনিবার সকালে শীতলকুটিতে জীবনের প্রথম ভোট দিতে গিয়ে প্রাণ হারান এক যুবক। এরপর ওই এলাকায় শুরু হয় ব্যাপক সংঘর্ষ। নিহতরা সবাই তৃণমূল সমর্থক বলে দাবি পরিবারের। এ ঘটনায় তৃণমূল এবং বিজেপি পরস্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগের তীর ছুড়েছে। আগামী ১৭ এপ্রিল পঞ্চম দফার ভোটের প্রচারে যোগ দিয়ে মমতা-মোদি দুজনই দুজনার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমার পাঁচটা ভাইকে মেরে দিয়ে বলছে গ্রামবাসীরা নাকি বন্দুক কাড়তে এসেছিল। লজ্জা করে না গলায় দড়ি দিয়ে মরা উচিত বিজিপি তোমায়। এদিকে চতুর্থ দফার ভোটে অংশ নেন সবচেয়ে বেশি তারকা প্রার্থী। এ দফায় ভাগ্য নির্ধারণ হবে অভিনেতা ইয়াশ দাশগুপ্ত, কাঞ্চন মল্লিক, শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়, পায়েল সরকার, লাভলী মৈত্রী, লকেট চট্টোপাধ্যায়ের। এদের মধ্যে লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং পায়েল সরকারের গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। চতুর্থ দফার ভোটের নিরাপত্তার জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রায় ৮ হাজার সদস্যের পাশাপাশি মাঠে ছিলেন রাজ্য পুলিশের ১২ হাজার সদস্য। পাঁচ জেলার ৪৪টি আসনে ভোট নেওয়া হয়। এ দফায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মোট ৩৪৫ প্রার্থী। ভাগ্য নির্ধারণ হবে অভিনেতা যশ দাশগুপ্ত, কাঞ্চন মল্লিক, শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়, পায়েল সরকার, লাভলী মৈত্রী, লকেট চট্টোপাধ্যায় মতো তারকা প্রার্থীদের। আগামী ১৭ এপ্রিল পঞ্চম দফায় ৪৫টি আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে মঙ্গলবার দিনভর বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ, হামলা-পাল্টা হামলা আর বুথ দখলের মতো ঘটনার মধ্য দিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের তৃতীয় দফার ভোটগ্রহণ শেষ হয়। নির্বাচন কমিশনের হিসাব মতে, মঙ্গলবার ভোট পড়ে প্রায় ৭৭ শতাংশ। তৃতীয় দফায় মঙ্গলবার সকালে কলকাতা লাগোয়া দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া ও হুগলী জেলার ৩১ আসনে একযোগে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ শুরু হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে উত্তেজনা। কোথাও চলে প্রার্থীর ওপর হামলা, আবার কোথাও কোথাও এজেন্টকে মারধর করে আতঙ্ক তৈরির মতো ঘটনাও সংবাদমাধ্যমে শিরোনাম হয়। তৃতীয় দফায় ৩১টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মোট ২০৫ জন প্রার্থী। নির্বাচনের তৃতীয় দফায় কলকাতা লাগোয়া দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া এবং হুগলী জেলার ৩১ আসনে ২০৫ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ হবে। উল্লেখযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, পাপিয়া অধিকারী ও তনুশ্রী চক্রবর্তীর মতো তারকা এবং রাজনীতিকরা। গত ২৭ মার্চ প্রথম দফা এবং ১ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হন। আগের দুই দফায় ৬০ এবং তৃতীয় দফায় ৩১ আসনের ভোটগ্রহণ শেষ হলেও পরবর্তী পাঁচ দফায় বাকি ২০৩ আসনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করবে নির্বাচন কমিশন। এদিকে নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতা করোনার সংক্রমণ মোকাবিলা করেই ভোট উৎসব শেষ করতে চায় নির্বাচন কমিশন। আগামী ১০ এপ্রিল চতুর্থ দফার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ৮ দফা শেষে ২ মে প্রকাশ করা হবে ১৭তম পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল।...

সেন্ট ভিনসেন্ট দ্বীপে ভয়ঙ্কর অগ্ন্যুৎপাত

১০,এপ্রিল,শনিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ক্যারিবিয়ানের দ্বীপরাষ্ট্র সেন্ট ভিনসেন্টে লা সুফ্রিয়ের নামের এক আগ্নেয়গিরি থেকে উদগিরণ শুরু করেছে। দ্বীপটি এখন ধোঁয়া এবং ছাই দিয়ে ঢেকে গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার লা সুফ্রিয়ের আগ্নেয়গিরির তৎপরতা প্রথম শনাক্ত করা হয়। দ্বীপের প্রধানমন্ত্রী র‌্যাল্ফ গনসাল্ভস কথিত রেড জোনের ১৬ হাজারেরও বেশি বাসিন্দাকে জরুরীভাবে সরিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ১৯৭৯ সালের পর এটিই সেন্ট ভিনসেন্টে প্রথম আগ্নেয়গিরি বিস্ফোরণ। তারও অনেক আগে ১৯০২ সালে এক আগ্নেয়গিরি বিস্ফোরণে এখানে এক হাজারেরও বেশি মানুষ মারা গিয়েছিলেন। ...

বন্দুক হামলা নিয়ন্ত্রণে কঠোর হচ্ছেন বাইডেন

৯,এপ্রিল,শুক্রবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঘোস্ট গানস বা কাগজপত্রবিহীন অবৈধ অস্ত্র ঠেকাতে একটি আদেশ জারি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। অবৈধ এসব অস্ত্র বা বন্দুককে ঘোস্ট গানস বলা হয়েছে, কারণ সেগুলো বাসা-বাড়িতেই তৈরি করা হয় এবং সেগুলোর কোনো নিবন্ধনও নেই। এমনকি সেগুলো শনাক্তও করা সম্ভব হয় না। বিবিসি। যুক্তরাষ্ট্রে সম্প্রতি বন্দুক হামলার ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব হামলার ঘটনায় হতাহতের সংখ্যাও নেহাত কম নয়। আর এতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জো বাইডেন। বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন, দেশে বন্দুক হামলার ঘটনা মহামারির রূপ নিয়েছে। এটা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমাদের জন্য বিব্রতকর। আর তাই এসব ঘটনা নিয়ন্ত্রণে নতুন নির্বাহী আদেশ জারি করছেন ডেমোক্র্যাটিক এই প্রেসিডেন্ট। এর অর্থ- অন্তত এই ক্ষেত্রে তাকে কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে হবে না। এই আদেশের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু বন্দুক বা অস্ত্রের ক্ষেত্রে নতুন নিয়মকানুন জারি, অস্ত্র ব্যবহারে ইচ্ছুক ব্যক্তির অতীত কর্মকাণ্ড যাচাই এবং সহিংসতা প্রতিরোধে স্থানীয় সংস্থাগুলোকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে। হোয়াইট হাউসের রোজ গার্ডেনে বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন, বন্দুক ব্যবহার করে দেশে প্রতিদিন ১০৬ জনকে হত্যা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, এটা নিশ্চিতভাবেই একটা মহামারি। এটাকে বন্ধ করতে হবে। বাইডেনের জারি করা নতুন এই নির্বাহী আদেশের ফলে তথাকথিত ঘোস্ট গানস বা নিবন্ধনহীন অস্ত্র কমিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ কী হতে পারে তা জানাতে বা প্রস্তাব করতে ৩০ দিন সময় পাবে মার্কিন আইন বিভাগ। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সকল অস্ত্রেই কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আনবেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন। অবৈধ অস্ত্রের পাশাপাশি বৈধভাবে কেনা অস্ত্রেও লাগাম টানবেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের সুযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক চলছে। দেশটিতে এই আইন পরিবর্তন খুব সহজ নয়। তাই কাজটি কঠিন হলেও একেবারে বসে না থেকে কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণের পথেই হাঁটছেন বাইডেন। এদিকে বন্দুক হামলা ও অস্ত্র ব্যবহার নিয়ে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের বৃহস্পতিবারের বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা পরই যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ব্রায়ান শহরের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আবারও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে এক ব্যক্তি নিহত ও আরও পাঁচজন আহত হন। ব্রায়ান পুলিশের প্রধান এরিক বাস্কে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, হামলার ঘটনা ঘটা ওই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম কেন্ট মুর ক্যাবিনেটস। সেখানকার এক স্টাফ বন্দুক দিয়ে এই হামলা চালান। সন্দেহভাজন অভিযুক্তকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, হামলায় এক ব্যক্তি নিহত ও অপর চারজন আহত হন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে টেক্সাসের ডিপার্টমেন্ট অব পাবলিক সেফটি জানিয়েছে, অভিযুক্ত হামলাকারীকে আটকের আগে তাকে অনুসরণ করার সময় নিরাপত্তা বাহিনীর এক সদস্য গুলিতে আহত হন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হলেও স্থিতিশীল বলে জানানো হয়। এর আগে বুধবার সন্ধ্যায় দেশটির সাউথ ক্যারোলাইনা অঙ্গরাজ্যের ইয়র্ক কাউন্টিতে গোলাগুলিতে একই পরিবারের পাঁচ জন নিহত হওয়ার খবর জানায় সিএনএন। মার্কিন কর্তৃপক্ষ একে গণহত্যার উদ্দেশে গুলির ঘটনা হিসেবে অভিহিত করে। স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যায় রক হিল নামক এলাকায় এই গুলির ঘটনায় এক চিকিৎসক, তার স্ত্রী ও তাদের দুজন নাতি-নাতনি প্রাণ হারিয়েছেন বলে টুইটারে দেওয়া এক বার্তায় নিশ্চিত করেছে ইয়র্ক কাউন্টির শেরিফ অফিস। তাদের গৃহকর্মী জেমস লুইসইও গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন। বৃহস্পতিবার নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন জো বাইডেন। তবে অহরহ এমন ঘটনার পরও যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকানরা সবসময়ই মার্কিনিদের কাছে বন্দুক বা অস্ত্র রাখার পক্ষে। তাদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী অনুযায়ী সরকারের পক্ষ থেকে এমন কোনো পদক্ষেপ দেশটির নাগরিকদের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপের শামিল।...

গতবারের মত চট্টগ্রামে এবারও থাকছে না বাংলা নববর্ষের কোনো আয়োজন

১২,এপ্রিল,সোমবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় দেশে চলছে লকডাউন, যা ১৪ এপ্রিল থেকে আরও কঠোর হচ্ছে। বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন ১৪ এপ্রিল। গতবারের মত চট্টগ্রামে এবারও থাকছে না বর্ষবরণের কোনো আয়োজন। করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় বৈশাখের অনুষ্ঠান বাদ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা। তবে ভার্চুয়াল মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন নানান অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বরণ করে নেবে নতুন বছরকে। প্রতিবছর পহেলা বৈশাখকে ঘিরে নগরের ডিসি হিল, সিআরবি শিরীষতলা, চবি চারুকলা ইনস্টিটিউট, নেভাল-২, জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বর্ষবরণের বিভিন্ন আয়োজন থাকে। করোনার কারণে গত বছরের ন্যায় এবছরও এসব কর্মসূচি বন্ধ রেখেছেন আয়োজকরা। জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম বাবু বলেন, খোলাস্থানে এবার পহেলা বৈশাখ উদযাপন করা হচ্ছে না। ছোট পরিসরে ভার্চুয়ালি ঘন্টাব্যাপি পহেলা বৈশাখ উদযাপন করা হবে।...

প্রধানমন্ত্রী বরাবর বিএমএসএফ মাদারীপুর জেলার পক্ষ থেকে স্মারকলিপি

১২,এপ্রিল,সোমবার,মাদারীপুর প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: সারাদেশের ন্যায় মাদারীপুর জেলা ও উপজেলায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে জাতীয় গনমাধ্যম সপ্তাহ (১-৭ মে ) কে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর জেলা প্রশাসক ও ইউএন ও এর মাধ্যমে স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) মাদারীপুর জেলা ও উপজেলা শাখা। করোনা সংক্রমন বেড়ে যাওয়ার কারনে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে স্বল্প পরিষরে আজ ১২ এপ্রিল সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক ডঃ রহিমা খাতুন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুদ্দিন গিয়াস এর হাতে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) এর কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাবরিন জেরিন ও শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক গাউছ-উর রহমান, মাদারীপুর মৈত্রি মিডিয়া সেন্টারের সাধারন সম্পাদক এস.এম আরাফাত হাসান, আব্দুল্লাহ আল মামুন,আরিফুর রহমান,নাজমুল মোড়ল, বিধান মজুমদার প্রমুখ। স্মারকলিপি প্রদান শেষে বিএমএসএফ এর কেন্দ্রীয় কমিটি শিক্ষা সম্পাদক গাউছ-উর রহমান বলেন জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া আমাদের প্রাণের দাবি। এ দাবি মেনে নেওয়ার জন্য সংগঠনের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বিনয়ের সাথে অনুরোধ করছি। ...

বরগুনায় জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ পালিত

১০,এপ্রিল,শনিবার,বরগুনা প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: মুজিববর্ষে শপথ নেবো জাটকা নয় ইলিশ খাবো- এই প্রতিপাদ্য নিয়ে বরগুনায় জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ চালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে অভিযান, মোবাইল কোর্ট এবং মৎস্য পল্লীতে সচেতনতামূলক সভা করেছে জেলা প্রশাসন। শনিবার (১০ এপ্রিল) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বিষখালি নদীতে নৌযানে করে এই অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান। এসময় তার সাথে ছিলেন পুলিশ সুপার মুহম্মদ জাহাঙ্গীর মল্লিক, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিত কুমার দেব, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আশ্রাফুল ইসলাম, বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুমা আক্তার, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মেহেদি হাসান, সদর থানার ওসি কেএম তারিকুল ইসলাম এবং উপজেলা মৎস্য কর্মকতা। নদীতে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অবৈধ জাল জব্দ করা হয়। এরপর তেতুলবাড়ীয়া এলাকায় জেলে পল্লীতে জাটকা সংরক্ষণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপার। জেলা প্রশাসক জানান, এই অভিযান জেলার সবকটি উপজেলায় মৎস্য বিভাগ, কোস্টগার্ড ও পুলিশের সহযোগিতায় অব্যাহতভাবে পরিচালিত হবে। ...

হিমছড়ি সৈকতে ভেসে উঠলো বিশালাকার তিমি

৯,এপ্রিল,শুক্রবার,কক্সবাজার প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজারের হিমছড়ি সমুদ্রসৈকতে ভেসে এসেছে মৃত ও গলিত বিশালাকার তিমি। শুক্রবার (৯ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে হিমছড়ি সমু্দ্র সৈকতে জোয়ারের পানিতে ভেসে বালিয়াড়িতে আটকে পড়ে। খবর পেয়ে উৎসুক জনতা ও সংশ্লিষ্ট স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। কক্সবাজার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস,এম, খালেকুজ্জামান জানিয়েছেন, খবর পেয়ে মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের একটি টিম ঘটনাস্থলে রয়েছেন। মৃত তিমিটির নমুনা সংগ্রহ করেছেন। এরপর কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে মৃত তিমিটি মাটিচাপা দেওয়া হবে। ধারণা করা হচ্ছে সপ্তাহ দুয়েক আগে তিমিটি মারা গেছে। তবে কি কারণে মারা গেছে সেটি জানা যাবে ময়নাতদন্তের পর। তিনি আরো বলেন, এ প্রজাতির তিমি আমাদের বঙ্গোপসাগরে রয়েছে। বিশেষ করে সুন্দরবনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে এসব তিমি চোখে পড়ে। হয়তো তিমিটি মারা যাওয়ার পর ভাসতে ভাসতে কক্সবাজার সৈকতের উপকূলে ভিড়েছে। কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: আমিন আল পারভেজ জানিয়েছেন, জোয়ারের পানিতে ভেসে আসা মৃত তিমি থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এটি দ্রুত যে কোন একটি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। হিমছড়ি এলাকার ব্যবসায়ী মোঃ ফরিদ আলম জানান, 'শুক্রবার বেলা ১১ টার দিকে বিশালাকার তিমি মাছটি জোয়ারের পানিতে ভেসে এসে সৈকতে আটকা পড়ে। এটির ওজন আনুমানিক তিন টন। লম্বায় ৩৫ ফুট ও চওড়া ৫ ফুট। মাছটির শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ পচে পানিতে ভেসে যাচ্ছে এবং দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি দীপক শর্মা জানিয়েছেন, 'ভেসে আসা বিশাল আকারের এই তিমি মাছটি গলিত প্রায়। ১৯৯১ উখিয়ার ইনানী সৈকতে ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালে হিমছড়ি সৈকতে এভাবে ভেসে এসেছিল বিশালাকার তিমি। দীর্ঘদিন পর আবার বিশাল মৃত তিমি সৈকতে ভেসে এসেছে। এদিকে বিশাল আকার মৃত তিমি ভেসে আসার খবরে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসন, স্থানীয় বন বিভাগ ও জেলা মৎস্য অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠনের একাধিক টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে কি কারণে ও কিভাবে মাছটি মারা গেছে সে বিষয়ে কেউ মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।...

ঝালকাঠিতে সড়ক দুর্ঘটনায় অবসরপ্রাপ্ত বিজিবি সদস্য নিহত

৯,এপ্রিল,শুক্রবার,ঝালকাঠি প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঝালকাঠির রাজাপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মাইনউদ্দিন (৪৩) নামে এক বিজিবির অবসরপ্রাপ্ত সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহত মাইনউদ্দিন বরগুনা জেলার বামনা উপজেলার মৃত আব্দুল জব্বারের ছেলে ও বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজ মালিক। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে মালামাল নিয়ে যাওয়ার পথে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার কৈবর্তখালী পাকাপোল এলাকায় চাকা ফেটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিকআপ ভ্যান (ঢাকা মেট্রো-নং ২০-২৬৬২) উল্টে খাদে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে রাজাপুর থানা পুলিশ ও রাজাপুর ফায়ার সার্ভিস টিম স্থানীয়দের সহযোগিতায় গাড়ির ড্রাইভারসহ দুজনকে উদ্ধার করে তাৎক্ষণিক রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। রাজাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক মাইনউদ্দিনকে মৃত ঘোষণা করে। গাড়ির চালককে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম শুক্রবার (৯ এপ্রিল) সকালে বলেন, নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রাজাপুর থানায় আনা হয়েছে। এ ব্যাপারে রাজাপুর থানায় একটি ইউডি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। ...

চলতি বছর গম উৎপাদন বাড়ছে মিসরের

২৮,মার্চ,রবিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ২৮,মার্চ,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলতি বছর নিজেদের ফসল উৎপাদন অঞ্চলের সম্প্রসারণ করেছে মিসর। এর মধ্য দিয়ে চলতি বছরে গম উৎপাদন বাড়ার সম্ভাবনা দেখছে দেশটি। ২০২০-২১ বিপণন বর্ষে মিসরের গম উৎপাদন বেড়ে ৯০ লাখ টনে দাঁড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি অধিদপ্তরের অধীন ফরেন কৃষি সার্ভিসের (এফএএস) এক প্রতিবেদনে এমনটাই উঠে এসেছে। চলতি বিপণন বর্ষে গম উৎপাদনে দেশটির ফসলি জমির পরিমাণ ১৪ লাখ হেক্টর। এর আগের বছর দেশটির গম চাষের জন্য নির্ধারিত জমির মোট পরিমাণ ছিল ১৩ লাখ ৯০ হাজার হেক্টর। গমের দেশীয় চাহিদা পূরণে আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয় মিসরকে। তবে উৎপাদনের পরিমাণ সামান্য বাড়লেও আমদানির পরিমাণ কমছে না দেশটির। বরং বিভিন্ন খাতের চাহিদার কারণে চলতি বর্ষেও ১ দশমিক ৫৩ শতাংশ আমদানি বাড়াতে হচ্ছে তাদের। সে হিসেবে ২০২০-২১ বিপণন বর্ষে মিসরের গম আমদানির সম্ভাব্য পরিমাণ দাঁড়াবে ১ কোটি ৩২ লাখ টনে। খাদ্য, বীজ এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ব্যবহারের জন্য এগুলো আমদানি করা হয়। কায়রোতে কার্যক্রম পরিচালনকারী এফএএসের সংস্থাটির পূর্বাভাস বলছে, ২০২১-২২ বিপণন বর্ষে মিসরের গম ব্যবহারের পরিমাণ দাঁড়াবে ২ কোটি ১৩ লাখ টনে। ২০২০-২১ বিপণন বছরের তুলনায় যা প্রায় ২ দশমিক ৪ শতাংশ বাড়বে। এফএএস বলছে, মিসরের সরকারি, বেসরকারি ও আধাসরকারি খাতের ৪১০টিরও বেশি কারখানা রয়েছে।...

চিটাগং চেম্বারে- সাপ্লাই চেইন রেসিলিয়েন্স শীর্ষক কর্মশালার আয়োজন

২৩,মার্চ,মঙ্গলবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ সেন্টার অব এক্সিলেন্স, দ্য চিটাগং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ন্যাশনাল রেসিলিয়েন্স প্রোগ্রাম (এনআরপি) এবং ইউএনডিপির যৌথ উদ্যোগে চার দিনব্যাপী- সাপ্লাই চেইন রেসিলিয়েন্স শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি নগরীর ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন চিটাগং চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম। অনুষ্ঠানে পরিকল্পনা কমিশনের কার্যক্রম বিভাগের প্রধান (অতিরিক্ত সচিব) খন্দকার আহসান হোসেন ও এনআরপির প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) ড. নুরুন নাহার উপস্থিত ছিলেন।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি।...

এসএসসি পরীক্ষা: বিলম্ব ফি ছাড়াই ফরম পূরণের সময় বাড়ছে

৭,এপ্রিল,বুধবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলমান এসএসসি পরীক্ষায় বিলম্ব ফি ছাড়াই ফরম পূরণের সময় বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে নতুন সময়সূচি শিক্ষার্থীদের জানিয়ে দেওয়া হবে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এসএম আমিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক নির্দেশনা বুধবার (৭ এপ্রিল) জারি করা হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ বিস্তারের কারণে বিলম্ব ফি ছাড়া এসএসসি পরীক্ষা ২০২১-এর ফরম পূরণের সময় বর্ধিত করে নতুন সময়সূচি জানিয়ে দেওয়া হবে। এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে বোর্ড নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা যাবে না। ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি আদায়ের কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। আন্তঃশিক্ষা সমন্বয়ক বোর্ডের সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমেদ জানান, লকডাউনের কারণে এসএসসির চলমান ফরম পূরণ স্থগিত রাখা হয়েছে। বর্তমানে করোনাভাইরাস একটি জাতীয় সমস্যা। তাই লকডাউন শেষে ফরম পূরণের সময় বাড়ানো হবে। বিলম্ব ফি ছাড়া পরীক্ষার্থীরা ফরম পূরণ করতে পারবেন। কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ফি নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, এর আগে গত ১ এপ্রিল থেকে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের কার্যক্রম শুরু হয়। তবে দেশে করোনার সংক্রমণ রোধে চলমান বিধিনিষেধের কারণে ৫ এপ্রিল থেকে ফরমপূরণ স্থগিত করা হয়।...

ঈদের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কথা ভাবা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

২৫,মার্চ,বৃহস্পতিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, করোনার সংক্রমণের হার ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত থাকলে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করে ঈদের পর পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে। গণহত্যা দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আয়োজিত আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার করোনা বিষয়ক জাতীয় কারিগরি কমিটির সঙ্গে বৈঠকের পরে বিশেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং শুক্রবারের (২৬ মার্চ) মধ্যে তা জানিয়ে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকার এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না যাতে করে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সবারই ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। আমরা বিকেলে জাতীয় কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বসবো, করোনা সংক্রমণ নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বিষয়টি নিয়ে বিবেচনা করবো। যেহেতু করোনা সংক্রমণ সারা বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশেও বাড়ছে সে জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে মিল রেখে ঈদের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কথা ভাবা হচ্ছে।...

আইপিএলের প্রথম ম্যাচেই ধোনির জরিমানা

১১,এপ্রিল,রবিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নিজে আউট হয়েছেন শূন্য রানে, দল হেরেছে বড় ব্যবধানে- আইপিএলের নতুন আসরের শুরুটা এমনই ছিল চেন্নাই সুপার কিংসের অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনির জন্য। এর সঙ্গে মরার ওপর খাঁড়ার ঘাঁ হয়ে যুক্ত হলো জরিমানার খবর। শনিবার রাতে দিল্লি ক্যাপিট্যালসের বিপক্ষে ম্যাচে স্লো ওভার রেটের কারণে ১২ লাখ রুপি জরিমানা করা হয়েছে চেন্নাই অধিনায়ক ধোনির। অথচ পুরো ২০ ওভার বোলিং করতে হয়নি চেন্নাইকে। মাত্র ১৮.৪ ওভার বোলিং করে ওভার রেট নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি ধোনির দল। মৌসুমে চেন্নাইয়ের এটি প্রথম অপরাধ হওয়ায় কোনো আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন পড়েনি। আইপিএলের কোড অব কন্ডাক্ট মোতাবেক অধিনায়ক ধোনিকে গুনতে হচ্ছে ১২ লাখ রুপির জরিমানা। ম্যাচে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৮৮ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছিল চেন্নাই। যেখানে সুরেশন রায়না ৫৪(৩৬), মঈন আলি ৩৬(২৪), রবীন্দ্র জাদেজা ২৬*(১৭) ও স্যাম কুরান করেন ৩৪(১৫) রান। ধোনি দুই বল খেলে আউট হন ০ রানে। জবাবে দুই ওপেনার পৃথ্বি শ ও শিখর ধাওয়ানের উদ্ভাসিত ব্যাটিংয়ের ৮ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটের সহজ জয় পেয়েছে দিল্লি। পৃথ্বি ৩৮ বলে ৭২ ও ধাওয়ান ৫৪ বলে খেলেছেন ৮৫ রানের ইনিংস। উদ্বোধনী জুটিতে মাত্র ১৩.৩ ওভারে ১৩৮ রান পায় দিল্লি।...

শ্রীলঙ্কা সফর সামনে রেখে ২১ সদস্যের দল ঘোষণা

৯,এপ্রিল,শুক্রবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের জন্য ২১ সদস্যের প্রথমিক দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। শ্রীলঙ্কায় গিয়ে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে টাইগাররা। সেই কারনেই পুরো দল নিয়েই লঙ্কা সফরে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ২১ সদস্যের দলে ডাক পেয়েছেন, মুমিনুল হক, লিটন কুমার দাস, মোহাম্মাদ মিঠুন, মুশফিকুর রহিম, তামিম ইকবাল, সাদমান ইসলাম, আবু জায়েদ রাহী, মেহেদি হাসান মিরাজ, নাইম হাসান, তাসকিন আহমেদ, এবাদত হোসেন, মোহাম্মাদ সাইফ হাসান, ইয়াসির আলী, শরিফুল ইসলাম, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ ও নুরুল ইসলাম সোহান, শুভাগত হোম, তাইজুল ইসলাম, নাজমুল হাসান শান্ত, শহিদুল ইসলাম ইনজুরির কারণে দলে রাখা হয়নি মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ এবং মোসাদ্দেক হোসেনকে , দলে নতুন মুখ মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ, ইনজুরি কাটিয়ে দলে ফিরেছেন পেসার খালেদ আহমেদ। সাকিবের জায়গায় প্রাথমিক দলে ডাক পেয়েছে অলরাউন্ডার শুভাগত হোম। ...

রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী মিতা হক আর নেই

১১,এপ্রিল,রবিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: একুশে পদকপ্রাপ্ত রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী মিতা হক আর নেই। রোববার (১১ এপ্রিল) সকাল ৬টা ২০ মিনিটে রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। মিতা হকের মেয়ে ফারহিন খান জয়িতা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এদিকে মিতা হকের জামাতা অভিনেতা মোস্তাফিজ শাহীন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লেখেন, মিতা হক সকাল ৬.২০ এ চলে গেলেন। চলেই গেলেন। সবাই ভালোবাসা আর প্রার্থনায় রাখবেন। জানা যায়, গত ২৫ মার্চ মিতা হকের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। বাসাতেই আইসোলেশনে ছিলেন। ৩১ মার্চ তাকে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ১১দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি সুস্থও হয়ে ওঠেন। ৯ এপ্রিল তাকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরদিন ১০ এপ্রিল (শনিবার) সকালের দিকে হার্ট অ্যাটাক করেন তিনি। এরপর তাকে আবার হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই আজ সকালে তিনি মারা যান। মিতা হক কিডনি রোগেও ভুগছিলেন। মিতা হক ১৯৬২ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি প্রয়াত অভিনেতা-পরিচালক খালেদ খানের সঙ্গে স্ত্রী। এই দম্পতির ফারহিন খান জয়িতা নামে এক কন্যাসন্তান রয়েছে। মিতা হক প্রথমে তার চাচা ওয়াহিদুল হক এবং পরে ওস্তাদ মোহাম্মদ হোসেন খান ও সনজীদা খাতুনের কাছে গান শেখেন। ১৯৭৪ সালে তিনি বার্লিন আন্তর্জাতিক যুব ফেস্টিভালে অংশ নেন। ১৯৭৬ সাল থেকে তিনি তবলাবাদক মোহাম্মদ হোসেন খানের কাছে সঙ্গীত শেখা শুরু করেন। ১৯৭৭ সাল থেকে নিয়মিত তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারে সঙ্গীত পরিবেশনা করছেন। তিনি সুরতীর্থ নামে একটি সঙ্গীতপ্রশিক্ষণ দল গঠন করেন যেখানে তিনি পরিচালক ও প্রশিক্ষকে হিসেবে কাজ করছেন। এছাড়া তিনি ছায়ানটের রবীন্দ্রসঙ্গীত বিভাগের প্রধান ছিলেন। তিনি রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মেলন পরিষদের সহ-সভাপতি ছিলেন। মিতা হক বাংলাদেশ বেতারের সর্বোচ্চ গ্রেডের তালিকাভুক্ত শিল্পী। তার এককভাবে মুক্তি পাওয়া মোট ২৪টি অ্যালবাম আছে। এর মধ্যে ১৪টি ভারত থেকে ও ১০টি বাংলাদেশ থেকে। তিনি ২০১৬ সালে শিল্পকলা পদক লাভ করেন। সঙ্গীতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ২০২০ সালে একুশে পদক প্রদান করে।...

গ্রন্থমেলায় হানিফ সংকেতের প্রকাশিত বই- সংগত প্রসঙ্গত অসংগত

৮,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রতিবারের মতো এবারো গ্রন্থমেলায় বিশিষ্ট গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও লেখক হানিফ সংকেতের বই প্রকাশ হয়েছে। বইটির নাম- সংগত প্রসঙ্গত অসংগত। গভীর পর্যবেক্ষণ, রমণীয় বর্ণনা, ক্ষুরধার বুদ্ধিবৃত্তি তার উপস্থাপিত বিষয়গুলোকে করে তোলে জীবন্ত। বিভিন্ন অসঙ্গতি তুলে ধরে সমাজকে পরিশুদ্ধ করতে তিনি যেমন নিরন্তন কাজ করে যাচ্ছেন তেমনি আমাদের নাগরিক সচেতনতা, কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধরে রাখতেও ভূমিকা রাখছেন আন্তরিকতার সঙ্গে। তার এবারের গ্রন্থে সেই বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। হানিফ সংকেত বলেন, মিডিয়াতে আমার শুরুটা লেখালেখি দিয়ে। সেটা সত্তর দশকের শুরুতে। দর্শকদের ভালোবাসার কারণে- ইত্যাদি নিয়ে বেশির ভাগ সময় ব্যস্ত থাকতে হয়, তাই ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও সবসময় লিখতে পারি না। কারণ গত ৩৩ বছর ধরেই আমাকে একটা শিডিউল মেনে চলতে হচ্ছে। তবে যত ব্যস্ত থাকি না কেন মনের ক্ষুধার তাড়নায় চেষ্টা করি সংখ্যায় বেশি না হলেও বছরে অন্তত একটি বই প্রকাশ করতে। সংগত প্রসঙ্গত অসংগত বইটি সম্পর্কে হানিফ সংকেত বলেন, আমাদের সমাজ জীবনে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ঘটনা ঘটে থাকে। যার কিছু সংগত, কিছু প্রসঙ্গত, কিছু অসংগত। যা মানুষকে হাসায়-কাঁদায়-ভাবায়, কখনো মানুষের দুশ্চিন্তা বাড়ায়, ক্ষোভ জন্মায়। এ থেকে সংগতভাবে মুক্তি চায় মানুষ। তাই সময় থাকতেই এসব বিষয়ে সঙ্গত কারণে দৃষ্টি দেয়া সঙ্গত। আর আমাদের বহমান জীবনে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নানান প্রসঙ্গ আবির্ভূত হয়। তার মধ্যে গুরুত্বের বিচারে সমসাময়িক প্রসঙ্গকে প্রসঙ্গতই গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন। কিন্তু নানা জটিলতা, কুটিলতার কারণে অসঙ্গতির প্রভাবে আমরা সময়ের কাজ সময়ে করি না। মৌসুমী ফলের মতো কিছু মৌসুমী চরিত্র বিভিন্ন মৌসুমে কর্মকাণ্ড নিয়ে হাজির হয় মানুষের কাছে। ধরা পড়া আর না পড়াতে দুর্নীতির গতি ও নীতির দুর্গতি অতিশয় ক্ষতির প্রভাব ফেলে সমাজের সর্বত্র। এই সংগত প্রসঙ্গত অসংগত বিষয়গুলো নিয়েই ২০২০ সালে দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত লেখার সংকলন নিয়েই আমার এই বইটি প্রকাশ করেছে প্রিয় বাংলা প্রকাশন। উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে বিভিন্ন প্রকাশনী থেকে উপন্যাসসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর হানিফ সংকেতের প্রায় অর্ধ শতাধিক গ্রন্থ প্রকাশ হয়েছে। ...

হাতিরঝিলে কিশোরদের উপদ্রব আটক ৫৫

২৮,জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,ক্রাইম প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঘিঞ্জি ঢাকায় একটু মুক্তভাবে হেঁটে বেড়ানোর জায়গা নেই বললেই চলে। তবে এই অভাবটা কিছুটা হলেও পূরণ করেছে হাতিরঝিল। কিন্তু দিন দিন সেটাও হয়ে পড়েছে অরক্ষিত। কোলাহল তো বেড়েছেই, সেই সঙ্গে বেড়াতে আসা মানুষকে নানাভাবে উত্যক্ত করছে কিশোরদের কয়েকটি দল। এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়ে ৫৫ জন কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশের (মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স) এআইজি মো. সোহেল রানা এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, হাতিরঝিলে বেড়াতে আসা একজন গতকাল (২৭ জানুয়ারি) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগে হয়রানির শিকার হওয়ার একটি অভিযোগ দেন। সেই পরিপ্রেক্ষিতে হাতিরঝিল লেক ও লেক সংলগ্ন পার্শ্ববর্তী এলাকায় বিকেল ৪টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ব্যাপক অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকায় ৫৫ জনকে আটক করা হয়। আটকদের মধ্যে ৩ জনের কাছে ৮ পিস, ১২ পিস ও ২৫ পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। এছাড়াও গণ-উপদ্রব ও অহেতুক হৈচৈ করার কারণে ১৬ জনের বিরুদ্ধে ডিএমপি অর্ডিন্যানস অনুযায়ী ব্যবস্থাও নেয়া হচ্ছে। অবশিষ্ট ৩৬ জনকে শর্তসাপেক্ষে অভিভাবকের জিম্মায় দেয়া হয়েছে। এআইজি আরো বলেন, সন্তান যেনো কোনো অপরাধে জড়িয়ে না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। দরকার পড়লে পুলিশের সহায়তা নিতে হবে। ...

অনিয়মের অভিযোগে চেয়ারম্যান কাউন্সিলর ও ইউপি সদস্যসহ ১১ জন বরখাস্ত

২জুন,মঙ্গলবার,ক্রাইম সোর্স প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ত্রাণ বিতরণসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে একদিনেই ১১ জনপ্রতিনিধিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। আজ মঙ্গলবার এ বিষয়ে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বিভাগটি। যাদের বরখাস্ত করা হয়েছে তাদের মধ্যে ৪জন ইউপি চেয়ারম্যান, একজন পৌরসভার কাউন্সিলর ও ৬জন ইউপি সদস্য রয়েছেন। কর্মস্থলে অনুপস্থিতি, দরিদ্র মানুষকে নগদ অর্থ সহায়তা ও ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগে আরও ১১ জনপ্রতিনিধিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। তাঁদের মধ্যে চারজন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও ছয়জন ইউপি সদস্য এবং একজন পৌর কাউন্সিলর রয়েছেন। বরখাস্ত হওয়া চেয়ারম্যানেরা হলেন কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার সিংপুর ইউপির মো. আনোয়ারুল হক, একই জেলার বাজিতপুর উপজেলার হালিমপুর ইউপির হাজী মো. কাজল ভূইয়া, বরগুনা সদর উপজেলার এম বালিয়াতলী ইউপির মো. শাহনেওয়াজ এবং নলটোনা ইউপির হুমায়ুন কবীর। বরখাস্তের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সিংপুর ইউপির চেয়ারম্যান করোনোভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সময় ত্রাণকাজে সহায়তা না করে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে কর্মস্থলে অনুপস্থিত আছেন। বাজিতপুরের হালিমপুর ইউপি চেয়ারম্যানও দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত। এ ছাড়া করোনোভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়নে বিঘ্ন সৃষ্টি, এপ্রিল মাসের ভিজিডি খাদ্যশস্য বিতরণ না করা, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে দেওয়া নগদ অর্থ সহায়তা কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রণয়নে ব্যর্থ হওয়া এবং কারণ দর্শানোর পরিপ্রেক্ষিতে নিজে জবাব প্রদান না দিয়ে অন্যের মাধ্যমে জবাব দেওয়া। বরগুনার এম বালিয়াতলী ইউপির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নিয়মবহির্ভূতভাবে মৎস্য ভিজিএফের চাল ৮০ কেজির জায়গায় ৬০ কেজি দেওয়া এবং তালিকার বাইরেও অন্যদের চাল দেওয়ার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। নলটোনা ইউপির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জেলেদের তালিকা প্রণয়নে অনিয়ম, ভুয়া টিপসইয়ের মাধ্যমে চাল উত্তোলন করে আত্মসাৎ এবং ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। অন্যদিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত হওয়া ইউপি সদস্যরা হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপজেলার মজলিশপুর ইউপির ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হারিছ মিয়া এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হাছান মিয়া, বরগুনা জেলার সদর উপজেলাধীন নলটোনা ইউপির ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হারুন মিয়া, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হানিফ, ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য মোসা. রানী এবং ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য মোসা. ছাবিনা ইয়াসমিন। বরখাস্ত হওয়া পৌরসভার কাউন্সিলর হলেন চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. সোলাইমান বাবুল।...

কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের জন্য আজীবন সংগ্রমী মোস্তফা ভুঁইয়া

২২সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: মোঃ মোস্তফা ভুঁইয়া ১৯৫০ সালের মার্চ মাসের ৪ তারিখে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার বাস গ্রামে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম ডাঃ মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া, মাতার নাম মরহুমা রৌশনারা বেগম। তিনি তিন সন্তানের জনক। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, এক কন্যা, আত্মীয়স্বজন সহ অসংখ্য সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি একসময় খাদ্য অধিদপ্তরে সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ১৯৭০ সালে ২১ শে ফেব্রুয়ারিতে চাকুরিতে যোগদান করেন। তার চাকুরি জীবন শুরু হয় পাকিস্তানের করাচিতে। তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তান যা বর্তমানে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি পুনরায় খাদ্য অধিদপ্তরে যোগদান করেন। ২০০৮ সালে তিনি খাদ্য অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক হিসেবে অবসর গ্রহন করেন। তিনি প্রগতিশীল রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। ২০১১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী স্বদেশ পার্টিতে যাত্রা শুরু করেন। তিনি আমৃত্যু স্বদেশ পার্টির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সমাজসেবা, জনকল্যাণ, কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের অধিকার সংগ্রামে জড়িত ছিলেন। তিনি অন্যায়, অত্যাচার, শোষণ, নিপীড়ন, বঞ্চনা- লাঞ্ছনার বিরুদ্ধে একজন বলিষ্ট প্রতিবাদী ছিলেন। তিনি গত ২০২০ সালের ৮ আগস্ট জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে সবাইকে ছেড়ে না ফেরার দেশে পারি জমান। তার অসংখ্য রাজনৈতিক, সামাজিক, সহকর্মী শোকাহিত হৃদয়ে তাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছে। তার অভাব পূরণ হবার নয়। তার কর্মীরা এক মূহূর্তের জন্য তাকে ভুলতে পারে না। আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত, শান্তি, এবং জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করছি। ...

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে আকুল আবেদন

২০সেপ্টেম্বর,রবিবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: সকল শিক্ষারর্থীদের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিশ্চিত করার আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হতে বিরত থাকুন। মার্চ ২০২০ হতে কোভিড-১৯ (করোনা) সংক্রমণ শুরু হয়। পর্যবেক্ষণ দেখা যায় শীত প্রধান অঞ্চলে কোভিড-১৯ সংক্রমণ অধিক। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতে সংক্রমণ বেড়েই চলছে। আমাদের দেশ ঘনবসতি পূর্ণ জনবহুল দেশ। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারি বেসরকারি ব্যাক্তি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের প্রচার প্রচারণায় দেশবাসী সচেতন হয়েছে। দেশের মানুষ সতর্ক হয়েছে। স্বাস্থ্য সুরক্ষাবিধি মেনে চলছে। যার ফল আমরা প্রত্যক্ষ করছি। সামনে শীত মৌসুম। এ অবস্থায় কোভিড-১৯ সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা একেবাড়ে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। বিভিন্ন মহল বিশিষের দাবীর মুখে একাধিক ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জানা যায় সদাসয় সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শ্রেণির পরিক্ষা ও ক্লাস শুরু করার তথ্য। অবশ্যই এই উদ্যেগ ভাল। কিন্তু এ মুহূর্তে তা কতটুকু যুক্তিযুক্ত। কোভিড-১৯ একটি সংক্রামক ও ছোঁয়াছে রোগ। এর চিকিৎসা ও প্রতিরোধ ব্যাবস্থা অত্যন্ত জটিল। তাই এর সংক্রমণ ঠেকাতে আমাদের দেশের সরকার শত চেষ্ঠার পর সম্পূর্ণ সফল হতে পারেনি। অবশ্য আংশিক সফলতা, যথাপোযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য অবশ্যই সরকারের সাধুবাদ। ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য। কৃতজ্ঞতাচিত্তে ধন্যবাদ জানাচ্ছিও। আমাদের দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিটি শ্রেণিতে ছাত্র-ছাত্রী অনেক। এ অবস্থায় স্বাস্থ্য বিধি মেনে ক্লাস করা কোন অবস্থাতেই সম্ভব নয়। তাই সকল দিকে বিবেচনা করে, প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীর কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিশ্চিত না করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ক্লাস শুরু না করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।- ...

স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্বকে গুরুত্ব না দিলে সংক্রমণ আরও অবনতির দিকে নিয়ে যেতে পারে: কাদের

১২,এপ্রিল,সোমবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি বলেছেন, সর্বাত্মক লকডাউন চলাকালে পণ্যবাহী পরিবহন যাতে কোনোভাবেই যাত্রীবাহী পরিবহনে রূপ না নিতে পারে সেদিকে নজর রাখতে হবে। বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) চলমান কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় সভায় সোমবার (১২ এপ্রিল) সকালে তিনি এসব কথা বলেন। সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে তিনি এ সভায় যুক্ত হন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউনের ঘোষণায় লঞ্চ ও ফেরিঘাটে ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কেউ স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্বের বিষয়কে গুরুত্ব দিচ্ছে না। এ ধরনের মনোভাব করোনা সংক্রমণকে আরও অবনতির দিকে নিয়ে যেতে পারে। ড্রাইভিং লাইসেন্স বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, দীর্ঘদিন সীমিত পর্যায়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে। লাইসেন্সের এনরোলমেন্ট এবং বায়োমেট্রিক প্রদানের কাজ শুরু হলেও তেমন গতি পায়নি। তাই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বিআরটিএর চেয়ারম্যানকে দ্রুততম সময়ে লাইসেন্স কার্ড প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে। ...

খালেদা জিয়া করোনা আক্রান্ত : স্বাস্থ্য অধিদফতর

১১,এপ্রিল,রবিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার করোনা শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। ১১ এপ্রিল প্রকাশিত রিপোর্টে খালেদা জিয়ার করোনা পরীক্ষার রেজাল্ট পজিটিভ আসে বলে জানানো হয়। করোনা পরীক্ষার ওই প্রতিবেদনে দেখা যায়, আইসিডিডিআর,বি ল্যাবরেটরিতে ১০ তারিখ তার করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা জমা হয়। এরপর আরটি পিসিআর পদ্ধতিতে করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়। যদিও শনিবার বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, দলটির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দিয়েছেন এমন খবর সঠিক নয়। খালেদা জিয়ার চিকিৎসক ডা. মামুনের বরাত দিয়ে তার প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, আমি ডা. মামুনের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি বলেছেন, তারা নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবন ফিরোজাতে গিয়েছিলেন। করোনা পরীক্ষার জন্য তারা ম্যাডামের নমুনা নেননি। খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. মামুন রোববার দুপুরেও নমুনা দেয়ার খবর নাকচ করে দিয়েছেন। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, তিন দিন আগেই খালেদা জিয়ার পরিচর্যায় নিযুক্ত গৃহপরিচারিকা ফাতেমার করোনা শনাক্ত হয়। এরপর শনিবার (১০ এপ্রিল) দুই দফায় খালেদা জিয়ার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। অন্যদিকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম প্রধান জানিয়েছেন, বেগম খালেদা জিয়া করোনায় আক্রান্ত, বিষয়টি শতভাগ সঠিক।...

আজ পবিত্র শবে বরাত

২৯,মার্চ,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় সোমবার (২৯ মার্চ) দিবাগত রাতে পবিত্র শবে বরাত পালিত হবে। এ উপলক্ষে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদসহ দেশের বিভিন্ন মসজিদ ও মাদরাসায় ওয়াজ মাহফিল, দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। হিজরি বর্ষের শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতটিকে মুসলমানরা সৌভাগ্যের রজনী হিসেবে পালন করে থাকেন। এই মর্যাদাপূর্ণ রাতে মহান আল্লাহ তায়ালা বান্দাদের জন্য তার অশেষ রহমতের দরজা খুলে দেন। মহিমান্বিত এই রাতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পরম করুণাময়ের অনুগ্রহ লাভের আশায় বেশি বেশি নফল নামাজ, কোরআন তেলাওয়াত, জিকিরে মগ্ন থাকবেন। অনেকে রোজা রাখেন, দান-খয়রাত করেন। অতীতের গুনাহের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা এবং ভবিষ্যৎ জীবনের কল্যাণ কামনা করে মোনাজাত করবেন মুসলমানরা। করোনা মহামারির কারণে গত বছর মসজিদে না গিয়ে মুসল্লিদের ঘরে বসে ইবাদত করার আহ্বান জানিয়েছিল ধর্ম মন্ত্রণালয়। তবে এবার এমন কোনো নির্দেশনা দেয়া হয়নি। পবিত্র শবে বরাত উদযাপন উপলক্ষে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ওয়াজ মাহফিল, দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে- শবে বরাতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য শীর্ষক ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। ওয়াজ মাহফিল শেষে বাদ এশা দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। ...

রান্নায় স্বাদ বাড়ায়, ডায়াবেটিসও কমায় ধনে পাতা

২৩,মার্চ,মঙ্গলবার,স্বাস্থ্য ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাজারে সবসময় পাওয়া যায় ধনেপাতা। অনেকেই তরকারির স্বাদ বাড়াতে ধনেপাতা ব্যবহার করেন। আবার ভর্তায়ও জায়গা করে নেয় এই সুগন্ধি পাতা। এতো গেল রসনাবিলাসের কথা। কিন্তু জানেন কি, খাবারে স্বাদ বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ধনেপাতার রয়েছে একগুচ্ছ ঔষধি গুণ। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ধনেপাতা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অনেক উপকারী। ফ্লোরিডা রিসার্চ ইনস্টিটিউট জানাচ্ছে, ধনেপাতা কিংবা বীজ রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ফলে ডায়াবেটিসও নিয়ন্ত্রণে থাকে। ধনেপাতা বীজের মধ্যে থাকে ইথানল। যা ব্লাড সুগার লেভেল কমাতে সাহায্য করে। প্যানক্রিয়াসের বিটা সেল থেকে ইনসুলিন নিঃসরণের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তাছাড়া ধনেপাতা হজম শক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে। খাদ্যাভ্যাসের দরুণ আমাদের শরীরে রোজ তিলে তিলে জমা হতে থাকে বেশ কিছু ভারী ধাতু এবং বিষাক্ত দূষণকারী পদার্থ। এর থেকে শরীরে বহু দূরারোগ্য অসুখ যেমন ক্যান্সার, হৃদরোগ, মস্তিষ্কের বিভ্রাট, মানসিক রোগ, কিডনি ও ফুসফুসের অসুখ এবং হাড়ের দুর্বলতা তৈরি হতে পারে। ধনেপাতা রক্তপ্রবাহ থেকে এই সমস্ত ক্ষতিকর উপাদান দূর করে শরীরকে সুস্থ ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে। ধনেপাতায় রয়েছে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, লোহা ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো বেশ কয়েকটি উপকারী খনিজ। এছাড়া ভিটামিন এ এবং ভিটামিন কে'র জোগান দেয় এই পাতা। শুধু তাই নয়, এই উদ্ভিদ অ্যান্টিসেপ্টিক, অ্যান্টিফাংগাল এবং যে কোনও চুলকানি ও চামড়ার জ্বলনে অব্যর্থ ওষুধ। দিল্লির এইমস-এর গবেষণাগারে রিউম্যাটিক আর্থারাইটিস রোগে আক্রান্ত ইঁদুরের পায়ে ধনেপাতার রস প্রবেশ করালে তার শরীরের জ্বলন ও ফোলা ভাব দূর হতে দেখা গিয়েছে। ...

সুস্থ থাকতে আঁশযুক্ত খাবার খান

২,ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,স্বাস্থ্য ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আঁশযুক্ত খাবার এমন একটি খাদ্য উপাদান যা দেহের নানা কাজ সুষ্ঠুভাবে করতে সাহায্য করে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমানে আঁশযুক্ত খাবার খেলে তুলনামুলকভাবে বেশিদিন সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকা যায়। আর খাবারে এই উপাদানের ঘাটতি হলে শরীরে নানা ধরনের বিপত্তি ঘটে। ভুট্টা, শিম, বাঁধাকপি, জাম, ওট, ব্রকলি,আপেল, কলা, কমলা, বাদাম ইত্যাদি খাবারে প্রচুর পরিমানে আঁশ পাওয়া যায়। আঁশযুক্ত খাবার খেলে অল্পতেই পেট ভরে যায়। একারণে ঘন ঘন খাবার প্রবণতা কমে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত আঁশযুক্ত খাবার খান তাদের ওজন নিয়ন্ত্রণে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখে। গবেষকরা বলছেন, যারা প্রতিদিন ২৬ গ্রামের বেশি আঁশযুক্ত খাবার খান তাদের ডায়বেটিস হওয়ার সম্ভাবনা অন্যদের তুলনায় কম। আরেক গবেষণায় এটা প্রমানিত হয়েছে, যারা প্রতিদিন ৭ গ্রাম আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ করেন তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় কিছুটা হলেও কমে যায়। প্রতিদিন ১০ গ্রাম আঁশযুক্ত খাবার বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের সম্ভাবনা ১০ ভাগ কমিয়ে দেয় এবং স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি শতকরা ৫ ভাগ কমাতে সাহায্য করে। গবেষণায় এটাও দেখা গেছে, যারা আঁশসমৃদ্ধ শস্যজাতীয় খাবার গ্রহণ করেন তারা অন্যদের তুলনায় দীর্ঘায়ু হন। যেকোন ধরনের কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে আঁশযুক্ত খাবার দারুন কার্যকরী। এছাড়া শরীর থেকে অপ্রয়োজনীয় টক্সিন বের করতে প্রাকৃতিভাবেই কাজ করে এই জাতীয় খাবার। কিছু কিছু আঁশযুক্ত খাবার শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করতে সাহায্য করে। ফলে হাড় মজবুত থাকে। ...

কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের জন্য আজীবন সংগ্রমী মোস্তফা ভুঁইয়া

২২সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: মোঃ মোস্তফা ভুঁইয়া ১৯৫০ সালের মার্চ মাসের ৪ তারিখে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার বাস গ্রামে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম ডাঃ মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া, মাতার নাম মরহুমা রৌশনারা বেগম। তিনি তিন সন্তানের জনক। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, এক কন্যা, আত্মীয়স্বজন সহ অসংখ্য সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি একসময় খাদ্য অধিদপ্তরে সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ১৯৭০ সালে ২১ শে ফেব্রুয়ারিতে চাকুরিতে যোগদান করেন। তার চাকুরি জীবন শুরু হয় পাকিস্তানের করাচিতে। তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তান যা বর্তমানে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি পুনরায় খাদ্য অধিদপ্তরে যোগদান করেন। ২০০৮ সালে তিনি খাদ্য অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক হিসেবে অবসর গ্রহন করেন। তিনি প্রগতিশীল রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। ২০১১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী স্বদেশ পার্টিতে যাত্রা শুরু করেন। তিনি আমৃত্যু স্বদেশ পার্টির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সমাজসেবা, জনকল্যাণ, কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের অধিকার সংগ্রামে জড়িত ছিলেন। তিনি অন্যায়, অত্যাচার, শোষণ, নিপীড়ন, বঞ্চনা- লাঞ্ছনার বিরুদ্ধে একজন বলিষ্ট প্রতিবাদী ছিলেন। তিনি গত ২০২০ সালের ৮ আগস্ট জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে সবাইকে ছেড়ে না ফেরার দেশে পারি জমান। তার অসংখ্য রাজনৈতিক, সামাজিক, সহকর্মী শোকাহিত হৃদয়ে তাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছে। তার অভাব পূরণ হবার নয়। তার কর্মীরা এক মূহূর্তের জন্য তাকে ভুলতে পারে না। আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত, শান্তি, এবং জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করছি।


রান্নায় স্বাদ বাড়ায়, ডায়াবেটিসও কমায় ধনে পাতা

২৩,মার্চ,মঙ্গলবার,স্বাস্থ্য ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাজারে সবসময় পাওয়া যায় ধনেপাতা। অনেকেই তরকারির স্বাদ বাড়াতে ধনেপাতা ব্যবহার করেন। আবার ভর্তায়ও জায়গা করে নেয় এই সুগন্ধি পাতা। এতো গেল রসনাবিলাসের কথা। কিন্তু জানেন কি, খাবারে স্বাদ বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ধনেপাতার রয়েছে একগুচ্ছ ঔষধি গুণ। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ধনেপাতা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অনেক উপকারী। ফ্লোরিডা রিসার্চ ইনস্টিটিউট জানাচ্ছে, ধনেপাতা কিংবা বীজ রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ফলে ডায়াবেটিসও নিয়ন্ত্রণে থাকে। ধনেপাতা বীজের মধ্যে থাকে ইথানল। যা ব্লাড সুগার লেভেল কমাতে সাহায্য করে। প্যানক্রিয়াসের বিটা সেল থেকে ইনসুলিন নিঃসরণের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তাছাড়া ধনেপাতা হজম শক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে। খাদ্যাভ্যাসের দরুণ আমাদের শরীরে রোজ তিলে তিলে জমা হতে থাকে বেশ কিছু ভারী ধাতু এবং বিষাক্ত দূষণকারী পদার্থ। এর থেকে শরীরে বহু দূরারোগ্য অসুখ যেমন ক্যান্সার, হৃদরোগ, মস্তিষ্কের বিভ্রাট, মানসিক রোগ, কিডনি ও ফুসফুসের অসুখ এবং হাড়ের দুর্বলতা তৈরি হতে পারে। ধনেপাতা রক্তপ্রবাহ থেকে এই সমস্ত ক্ষতিকর উপাদান দূর করে শরীরকে সুস্থ ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে। ধনেপাতায় রয়েছে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, লোহা ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো বেশ কয়েকটি উপকারী খনিজ। এছাড়া ভিটামিন এ এবং ভিটামিন কে'র জোগান দেয় এই পাতা। শুধু তাই নয়, এই উদ্ভিদ অ্যান্টিসেপ্টিক, অ্যান্টিফাংগাল এবং যে কোনও চুলকানি ও চামড়ার জ্বলনে অব্যর্থ ওষুধ। দিল্লির এইমস-এর গবেষণাগারে রিউম্যাটিক আর্থারাইটিস রোগে আক্রান্ত ইঁদুরের পায়ে ধনেপাতার রস প্রবেশ করালে তার শরীরের জ্বলন ও ফোলা ভাব দূর হতে দেখা গিয়েছে।

ভাষাসৈনিক ডঃ মাহাফুজুল হক চট্রলা তথা বাংলাদেশের অমুল্য সম্পদ ছিলেন

১১,এপ্রিল,রবিবার,নিউজ একাত্তর ডট কম: বীর পটিয়া তথা চট্রলা নয় বাংলাদেশের আদর্শিক ও মেধাবী সংগঠক ছিলেন ভাষাবিদ ডঃ মাহাফুজুল হক। বাল্যকাল থেকে অত্যন্ত মেধাবী ও দক্ষ সংগঠক হিসাবে স্কুল,কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে তার কর্মকাণ্ডে পরিচয় বহন করে।১৯৩১সালের ১লা এপ্রিল চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা জিরি ইউনিয়নে কৈয়গ্রাম গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা এলাকায় শিক্ষাবিদ ও পোষ্টমাষ্টার নামে খ্যাত ছিলেন এস আহমদ হোসেন ও মাতা মোছাম্মৎ চেমন খাতুন। পিতার আদর্শে বিশ্বাসী হয়ে শিক্ষার মশাল জ্বালানোর জন্য স্কুল জীবন থেকে অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ডঃ মাহাফুজুল হক। শৈশব,কৈশোর ও জীবনের বেশিরভাগ সময় ব্যয় করেন চট্রগ্রাম ফিরীঙ্গাবাজার এলাকায়।আলকরণ স্কুল থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ চুকিয়ে চট্রগ্রাম মুসলিম হাই স্কুলে থেকে এসএসসি ও চট্রগ্রাম কলেজ থেকে আইএসসি ও বিএতে ভর্তি হয়ে ডিষ্টিংশন নিয়ে বিএ ডিগ্রি অর্জন করেন।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএ ও একই সাথে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৫৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন।১৯৬১ সালে ৯ সেপ্টেম্বর এডওয়ার্ড ডব্লিউ হাজেন বৃত্তি নিয়ে আমেরিকা যান এবং নিউইয়র্কে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের উপর পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। শিক্ষার সাথে সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক পরিসরে তার অবাধ বিচরন ছিল অসাধারণ। বীর চট্রলার ছিলেন বিপ্লবের সূতিকাগার,স্বাধীনতা জন্মভূমি,মাষ্টার দা সূর্য সেন,প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার ও মনিরুজ্জামান ইসলামবাদী,বার আউলিয়ার পুন্যভুমি নামে খ্যাত।এই চট্রগ্রামে বহু প্রতিভা ও সুর্য সন্তান জন্মগ্রহণ করেন তার মধ্যে অন্যতম প্রতিভার অধিকারী ছিলেন ভাষাবিদ ডঃ মাহাফুজুল হক। ইতিহাসে তার নাম আজীবন স্মরণ হয়ে থাকবে ভাষাসৈনিক হিসাবে।যা বিরল ঘটনা ও ইতিহাসের অংশ। রাষ্ট্র ভাষা আন্দোলনে তার অগ্রনী ভুমিকা অতুলনীয়। মা,মাতৃভুমি ও মাতৃভাষা হল আমাদের প্রাণ। আর মায়ের ভাষা প্রতিষ্ঠা করার জন্য আন্দোলন সংগ্রামে নিজেকে জড়িয়ে রেখেছে এমনকি বাংলা ভাষার প্রচলন সমিতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। ছাত্র অবস্থায় ছাত্র রাজনীতির সাথে নিজেকে জড়িয়ে রেখেছে বিধায় তিনি নিখিল বঙ্গ ছাত্রলীগের চট্রগ্রাম জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পাকিস্তানের বৈষম্যের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে নেতত্বে দিয়েছেন। ডঃ মাহাফুজুল হক ঐতিহাসিক তমুদ্দন মজলিশের চট্রগ্রামের অন্যতম ব্যক্তি ছিলেন বলে পাকিস্তান তমুদ্দিন মজলিসের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। এসময় তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য মুকুল ফৌজ নামক সংগঠনের প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন যা যুগান্তকারী ঘটনা। ১৯৫৪ সালের ঐতিহাসিক সাধারণ নির্বাচনে চট্রগ্রাম যুক্তফ্রন্টের কর্মী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখেছে। তার অসম্ভব দুরদর্শিতা,সুষ্ঠু পরিকল্পনা,দক্ষতা ও পরিশ্রমের কারণে যুক্তফ্রন্ট নিরংকুশ জয়লাভ করেন এবং মুসলিম লীগের ভরাডুবি হয়েছে। অসম্ভব মেধাবী,সুবক্তা,সাংগঠনিক দক্ষতা ও কর্মদক্ষতার জন্য অল্প বয়সে চট্রগ্রামে রাজনৈতিক অঙ্গনে জনপ্রিয়,মানুষের ভালবাসা ও কারিসম্যাটিক নেতা হিসেবে সুপরিচিত লাভ করেন।চট্রগ্রামে তার কথা সব জায়গায় আলোচনা করেন পরবর্তীতে তিনি সবার শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন। যা বীর চট্রলার মানুষ তাকে আপন হিসেবে খুব ভালবাসত। ১৯৫১ সালে ১৯ ফ্রেব্রুয়ারীতে মেডিকেল ছাত্র-ছাত্রীদের এমবিবিএস পড়ার সুযোগ দানের জন্য সারা বাংলাদেশে যে সংগ্রাম কমিটি গঠিত হয়েছিল তার চট্রগ্রাম কমিটির প্রধান ছিলেন ডঃ মাহাফুজুল হক। তার নেতত্বে চট্রগ্রামে আন্দোলন,ধর্মঘট ও সংগ্রামে অনুষ্ঠিত হয়।এর মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে পাই যা ইতিহাসের মাইলফলক। ১৯৫২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাকালে ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।বিভিন্ন সময় আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে বহুবার পাকিস্তানের জান্তা বাহিনী পুলিশ কতৃর্ক হয় এমনকি পুলিশের গুলিতে তার মৃত্যুর সংবাদ প্রচার হয় যা পরবর্তীতে ভুল ছিল বলে প্রমাণ হয়।সেসময় চট্রগ্রামে শোকের ছায়া নেমে আসে। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পরিমণ্ডলের বাইরে সাহিত্য সাধনায় তার অবাধ বিচরন ছিল অসাধারণ।তার সাহিত্যে সাধনার বহু ফসল ততকালের পত্র-পত্রিকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। আমাদের সাহিত্যে ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের এবং ভাষা ও সাহিত্যের বিকাশ,বাঙালী জাতির সংস্কৃতির সত্যিকারের রুপায়ন ও সর্বোপরি মাতভাষা বাংলার রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও প্রতিষ্ঠাই ছিল এ মহান সাধকের অভীষ্ট লক্ষ্য ছিল। ১৯৫৬ সালে তার লেখা সাংস্কৃতিক পুর্নগঠন শীর্ষক এক সুদীর্ঘ প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়।যা বাঙালী জাতির জন্য এক অমুল্য সম্পদ।তার প্রবন্ধে বলেছিলেন রাজনৈতিক স্বাধীনতা জাতীয় জীবনে মূল্যহীন হয়ে পড়ে যদি তার সঙ্গে সাংস্কৃতিক আজাদী ও অর্থনৈতিক মুক্তি সম্ভব না হয়।কারণ শিল্পী ও সাহিত্যিকরা শুধু সমাজে নিরপেক্ষ ব্যক্তি নন বরঞ্চ তারাই সমাজের সচেতন প্রতিনিধি। ১৯৬৫ সালে পুর্ব পাকিস্তান বাংলা প্রচলন সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। এসব সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বাইরে তিনি পত্রিকার সম্পাদক কাজেও জড়িত ছিলেন। তার সম্পাদিত উল্লেখযোগ্য পত্রিকা হচ্ছেউ সাপ্তাহিক ইঙ্গিত, দ্যুতি ও সাপ্তাহিক সৈনিক। এগুলোর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের তথা বাংলা ভাষার প্রচলন করে দেশের জন্য কাজ করেছেন।যা আমাদের অমুল্য সম্পদ বললে চলে।তার কর্মদক্ষতা ছিল বলে তিনি জ্ঞান গরিমার মাধ্যমে আলোকিত মানুষ হিসাবে বাংলা ভাষার প্রতি অনুরাগী ছিলেন বলে আজ আমরা গর্বিত। রাজনৈতিক জীবনে তিনি বাংলার বাঘ খ্যাত শেরে বাংলা একে ফজলুল হক,গণতন্ত্রের মানস পুত্র হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর স্নেহধন্য উত্তরসুরী হিসাবে কাজ করেছেন।তাদের আদর্শ বাস্তবায়নে এগিয়ে নেওয়ার জন্য বাংলার পথ প্রান্তরে প্রতিটি এলাকায় কাজ করেছেন। ছাত্র অবস্থায় তিনি চট্রগ্রামের দক্ষ সংগঠক হিসাবে স্কুল, কলেজ ছাত্র রাজনীতির করেছেন যা তার কর্মে পরিচয় বহন করে। তিনি আজীবন মৃত্যুঞ্জয়ী অকুতোভয় দুঃসাহসীক ছাত্রনেতা ছিলেন।নেতার আদর্শ বাস্তবায়নে করতে জীবনের মুল্যবান সময় ব্যয় করে কাজ করেছেন। সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের কল্যাণে রাজনীতি করেছেন বিধায় আজীবন মানুষের মণিকোঠায় তার নাম স্থান করে নিয়েছে। তার কর্ম গুনে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।তন্মধ্যে ডঃ মাহাফুজুল হক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট সদস্য,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একাডেমিক কাউন্সিল সদস্য,পাকিস্তান লেখক সংঘের সাধারণ সম্পাদক,পাকিস্তান রাইটার্স গিল্ট ও কিশোর মজলিসের কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম উপদেষ্টা সহ বিভিন্ন জায়গায় দায়িত্ব পালন করেছেন। এসব দায়িত্ব পালনে তার চতুর্মুখী প্রতিভার স্বাক্ষর বহন করে এমনকি তিনি মেধা মনন ও কর্মদক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। আজীবন বাংলা আর বাঙালী জাতির জন্য তিনি নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে বিশ্বে বাংলা ভাষাকে মর্যাদার আসীন করে চট্রলা তথা বাংলাদেশকে মর্যাদার আসীন করেছে। তার তীক্ষ্ণ লেখনীতে সব কিছু ফুটিয়ে তুলে বাংলার মর্যাদা বীরোচিত ও পাঠকপ্রিয় হিসাবে গড়ে তুলতে সচেষ্ট হয়েছে। মানুষ মানুষের জন্য একথাটি মনে রেখে বাংলা ভাষার জন্য নিজের জীবন বিলিয়ে দিতে সর্বশক্তি দিয়ে মিছিল মিটিংয়ের অগ্রভাগে থেকে প্রতিটি লড়াই সংগ্রাম করে যাওয়া নাম পটিয়ার সূর্য সন্তান ডঃ মাহাফুজুল হক। সেদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে আহত হয় যা মায়ের ভাষা আন্দোলনের পুরোধা ছিলেন বলে তা সম্ভব হয়।আজীবন মানুষের কল্যাণে রাজনীতি করে যাওয়া হল আসল কাজ সেটি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতেন।রাজনৈতিক জীবনে চট্রগ্রাম থেকে উঠে আসা যোদ্ধা সর্বশেষ ঢাকায় এসে নেতৃত্ব দেয়।তারুণ্যের বাধ ভাঙা উচ্ছ্বাস নিয়ে ছাত্র জীবনে ছিল তার জন্য উপযুক্ত সময় বলে দেশপ্রেমের কারণে সব জায়গায় কাজ করেছে। কোন কিছুর ভয় তাকে আটকাতে পারিনি। সব জায়গায় সফল মানুষ হিসাবে দেশপ্রেমিক লোক হিসাবে আজ প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। তিনি মাত্র ৩৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।আর সাহিত্য সংস্কৃতির যবনিকাপাত হয় অল্প সময়ে। তিনি যদি আরও বেচে থাকত তাহলে আরও উপরে আসনে অধিষ্ঠিত হত আর বাঙালী জাতী লাভবান হত।পরিবার পেত সন্তান আর আমরা পেতাম একজন মেধাবী সাহিত্য সংস্কৃতির লোক।১৯৬৬ সালে ২ ফ্রেব্রুয়ারী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাস কনফারেন্স অংশগ্রহণ করতে গিয়ে ফরিদপুরে হেলিকপ্টার বিধ্বংস হয়ে অকালে ঝরে গেল পটিয়া,চট্রলা তথা বাংলাদেশের অমুল্য সম্পদ সাহিত্যিক,ভাষাবিদ ডঃ মাহাফুজুল হক। তার অকাল মৃত্যুতে দেশ হারাল অমুল্য সম্পদ আর পরিবার হারাল মেধাবী সন্তান। অকাল মৃত্যুতে দেশে কালো ছায়া নেমে আসে।চট্রগ্রামের শোকের মাতম হয় যা বর্ননাতীত।আজীবন চট্রলার মানুষ আপনাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে রাখবে।আপনার কর্ম গুনে আপনি মানুষের মণিকোঠায় স্থান করে নিয়েছ।আপনার হারানোর শোক আজও আমাদেরকে আন্দোলিত করে। আপনি ভুলবার নয় তবুও আল্লাহর ডাকে সবাইকে চলে যেতে হবে তেমনি আপনিও।আপনি সম্পক্তি নয় দেশ জাতির শ্রেষ্ঠ সম্পদ ছিলেন। বাঙালী তথা বীর চট্রলাবাসী শ্রদ্ধায় অবনত করে আপনাকে শ্রদ্ধা করে। স্যালুট বীর চট্রলার বীর সন্তান ডঃ মাহাফুজুল হক,স্যালুট বীর পটিয়ার গর্বিত সন্তান ডঃ মাহাফুজুল হক।- লেখক - তসলিম উদ্দিন রানা,কলামিস্ট ও রাজনৈতিক নেতা।

আজকের মোট পাঠক

45555

নিউজ একাত্তর ডট কম

সম্পাদক : মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী

নির্বাহী সম্পাদক : আহাম্মদ হোসেন ভুইয়া

একটি পপুলার মিডিয়া পাবলিকেশন এর প্রকাশনা | রেজি নং: চ-১২৪২৭/১৭

ই-মেইল : newsekattor@gmail.com, editorekattor@gmail.com, কপিরাইট ©newsekattor.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত