DHAKA, 23 September 2017

ইউনিজয় ফনেটিক
মালয়েশিয়ায় অবৈধ বাংলাদেশি শ্রমিকদের বৈধ হওয়ার আবেদনের সুযোগ বেড়েছে

2017-07-20

Share This News -

মালয়েশিয়ায় অবৈধ বাংলাদেশি শ্রমিকদের বৈধ হওয়ার আবেদনের সুযোগ বেড়েছে। সরকারের অনুরোধে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ সময় বাড়িয়েছে মালয়েশিয়া সরকার। শ্রমিকদের সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে আগামী মাসে দেশটিতে যাচ্ছে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি দল। এদিকে, এ দফায় যাতে সব অবৈধ বাংলাদেশি রি-হিয়ারিং কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে, সেজন্য ব্যাপক প্রচারণায় নেমেছে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাই কমিশন। বৈধভাবে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার পর, অনেক বাংলাদেশি কর্মী পাসপোর্ট, ভিসা ও কাজের অনুমতিপত্র নবায়ন না করায় বা না হওয়ায় অবৈধ হয়ে যায়। এদের মধ্যে একদল আছে, যাদের পাসপোর্ট থাকলেও, মেয়াদ শেষ অথবা ছাত্র ও ভ্রমণ ভিসায় যাওয়ার পর আর দেশে ফেরেনি। আরেক দল আছে, যাদের পাসপোর্ট ও বৈধ কাগজ-- কোনোকিছুই নেই। যাদের বৈধ কাগজপত্র এমনকি পাসপোর্টও নেই, তাদের ৩০ জুন পর্যন্ত ই-কার্ড সংগ্রহের সুযোগ দেয় মালয়েশিয়া সরকার। যারা এই সুবিধা নেয়নি, তাদের বিশেষ বিবেচনায় ই-কার্ড দেয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে বলে বৈশাখী টেলিভিশনকে জানান মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার শহীদুল ইসলাম। তিনি বলেন, “আমি মনে করি, এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ই-কার্ড গ্রহন যাঁরা করেছেন, তাঁরা ই-কার্ডের প্রক্রিয়ার অধিনে বিভিন্ন মেয়াদে এখানে বৈধ হতে পারবেন।” তিনি আরো জানান, যেসব শ্রমিকের ভিসার মেয়াদ শেষে অবৈধ হয়েছে, সরকারের অনুরোধে তাদের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত রি-হিয়ারিং কর্মসূচিতে অর্ন্তভুক্ত করবে মালয়েশিয়া। মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার শহীদুল ইসলাম আরো জানান, “রি-হিয়ারিং প্রসেসটার মেয়াদ আরো এক বছর বাড়িয়ে দিয়েছে। আমাদের বাংলাদেশি ভাইরা যারা আছে, তারা যেন এ সুযোগটা গ্রহণ করে এবং এ সুযোগগুলো যদি নিয়ে নেয়, তা হলে তারা এখানে দুই থেকে পাঁচ বছর মেয়াদে স্থায়ীভাবে কাজ করার সুযোগ পাবে।” এদিকে, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব জানান, ৩০ জুন পর্যন্ত প্রায় দু লাখ নব্বই হাজার শ্রমিক রি-হিয়ারিং কর্মসূচিতে যুক্ত হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি জানতে মালয়েশিয়ায় যাচ্ছে মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি দল। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব জাবেদ আহমেদ জানাণ, “যারা এখনও অ-নথিভুক্ত, তারা রি-হিয়ারিঙয়ের এর সুযোগ নেবে। আর, ই-কার্ডের সময় তো বাড়ায়নি। আসলে আপাধত ধরপাকড় নেই। আমরা সেটাও অনুরোধ করেছি ওই সরকারকে যেন এরূপ ঝামেলা না হয়। এমনকি বিমানবন্দরে যে-ঝামেলাগুলো হতো, এখন আমাদের আর সেগুলোর মুখোমুখি হতে হচ্ছে না। এখন ছোট একটা টিম পাঠিয়ে আরো একটু আমার কর্মীদের সহায়তা করা যায় কিনা, আরো নথিভুক্ত কাজ করা য়ায় কিনা, সেই চেষ্টাই করে যাচিছ।” একই সাথে মালয়েশিয়ার শ্রম বাজারের আগের অবস্থা ফিরে পেতে সব চেষ্টাই সরকার করছে বলে জানান তিনি।

প্রবাস