DHAKA, 19 September 2017

ইউনিজয় ফনেটিক
বিশ্ব মানবাধীকার দিবস ও রোহিঙ্গাদের অধীকার হরণ

2016-12-10

Share This News -

আজ বিপন্ন মানবতা,নির্বাসিত মানবতাবোধ। ক্ষমতার মোহ আর ধর্মীয় কুপমন্ডুতা মানুষে-মাানুষে বিভেদ সৃষ্টি করছে। মানুষের মৌলিক অধীকার মানবাধীকার (ঐঁসধহ জরমযঃং) । যুগ যুগ ধরে মানুষ নিজের অধীকার আদায়ের জন্য আন্দোলন-সংগ্রাম করছে। মানবাধীকারের বিষয়টি সকল ধর্ম,বর্ণ,জাতী নির্বিশেষে সব পর্যায়ের মানুষের জন্য একটি অপরিহার্য- গুরুত্বপুর্ণ ও আলোচিত বিষয় হিসেবে পরিগনিত হলেও পৃথিবী জুড়ে আজ নিপিড়িত,নির্যাতিত-বিপন্ন মানবতা। সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ মায়ানমারে ব্যাপকভাবে লংঘিত হচ্ছে মানবতা। চরম দুর্ভোগে অসহায় রোহিঙ্গা জনগোষ্টি নিজ ভুমি থেকে অন্যায় উচ্ছেদ-অত্যাচারে জীবন-মৃত্যু সন্ধি ক্ষণে। মানবাধীকার রক্ষার সবচেয়ে প্রয়োজন এই রোহিঙ্গা নামের মানুষগুলোর।জাতিসংঘ কর্তৃক ঘোষিত সার্বজনীন মানবাধীকার ঘোষনার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য- বিপন্ন নির্যাতিত-নিপিড়িত জনগোষ্ঠির অধীকার আদায়। কোন দেশে-বিদেশে যেকোন ঘটনা-দুর্ঘটনার সাথে সাথেই সোচ্চার হচ্ছে মানবাধীকার কর্মীরা,কিন্তু ক্ষমতার কাছে অনেক সময় তা নিছক প্রতিবাদেই সীমাবদ্ধ থাকছে। শান্তিতে নোবেল প্রাপ্ত অং সান সুচির দেশে এরকম অমানবিক পরিস্থিতি আজকের মানবাধীকার দিবসে দু: চিন্তার কারন হয়ে দাড়িয়েছে। বিশ্ব বিবেক আজ জাগ্রত হবে কি? নির্যাতিত-নিপিড়িত মানুষগুলোকে তাদের অধীকার ফিরিয়ে দিতে ! জাতী-গোষ্ঠি নয়, মানুষ মাত্রই পিড়িত করছে মায়ানমারের গণহত্যার ঘটনায়। এতোকিছুর পরও মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছে অনেক মানবাধীকার সংগঠন,মানবাধীকার কর্মী। ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর প্যারিসে জাতি সংঘের সাধারণ পরিষদের বৈঠকে ৩০টি ধারায় সার্বজনীন মানবাধীকারের ঘোষনা গৃহীত হয়। পরিতাপের বিষয়-আজো মানুষ বিশ্ব জুড়ে অধীকারহীন,লাঞ্চিত-বঞ্চিত,নির্যাতিত-নিপিড়িত। খেয়ে না খেয়ে যুদ্ধ-বিগ্রহে সরকার ও অন্যান্য উগ্র জাতী গোষ্ঠির দ্বারা প্রতিনিয়ত মানবাধীকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ জনগন। বিশ্ব পরাশক্তি রাষ্ট্রগুলো সবচেয়ে বেশী মানবাধীকার লংঘনের ঘটনায় জাতীসংঘ ঘোষিত এসব ধারা লংঘন করে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করলেও বিশ্বের জাতীর এ সংস্থাটি তা প্রতিহত করতে পারছেনা। এ সময়ের সবচেয়ে আলোচিত মানবাধীকার লংঘনের ঘটনা বোধহয় মায়ানমারে। কিন্তু কোথায় জাতীসংঘের পদক্ষেপ কিংবা মা

ফিচার