বুধবার, জুলাই ৮, ২০২০
প্রকাশ : 2020-06-01

মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক সুলতান আহমদ কুসুমপুরীর ১৬ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

১জুন,সোমবার,পটিয়া প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বীর পটিয়ার সুর্য সন্তান,বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক,চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি,বন্দরের সাবেক চেয়ারম্যান ও গণপরিষদ সদস্য জননেতা সুলতান আহম্মদ কুসুমপুরীর ১৬ তম মৃত্যুবার্ষিকীতে আজ।২০০৪ সালের ১লা জুন কুসুমপুরী সাহেব মৃত্যুবরণ করেন।তিনি স্বাধীনতা আন্দোলন সংগ্রামে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসাবে কাজ করেছেন।চট্রগ্রামের মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসাবে তিনি জননেতা এম আজিজ,এমএ হান্নান ও জহুর আহমেদ চৌধুরীর সাথে একসাথে যুদ্ধ করেন ও কমান্ডার ছিলেন।বঙ্গবন্ধু তাকে তার কুসুমপুরা ইউনিয়ন নাম অনুসারে কুসুমপুরী উপাধি প্রদান করেন।মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানী কুসুমপুরীর অবদান অতুলনীয়। তার গ্রামের বাড়িতে জননেতা সুলতান আহমদ কুসুমপুরী স্মৃতি সংসদের উদ্যাগে বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হবে। তার স্মৃতিচারন করতে গিয়ে সাবেক ছাত্রনেতা ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ উপকমিটির সদস্য তসলিম উদ্দিন রানা বলেন- মরহুম জননেতা সুলতান আহমদ কুসুমপুরী ছিলেন বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর। মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসাবে তার অবদান অতুলনীয়। তিনি আদর্শ রাজনীতির প্রতীক।তার মত দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ খুবই কম।জীবনের সব কিছু উজাড় করে মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন কুসুমপুরী সাহেব।বর্তমানে আমরা দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থেকেও এসব বীরদের কোন স্মরন তু দুরের কথা কেউ কোন অনুষ্ঠান করেনা।অবিলম্বে এই বীরদের সম্মানে প্রতি বছর স্মরন সভা ও তার নামে পটিয়ায় একটা বিশ্ববিদ্যালয় করার দাবী জানান।তাহলে তার ত্যাগের কথা স্মরণ করে অনেক তরুণ প্রজন্মেরা জানবে ও শিখবে,তার আদর্শ বাস্তবায়নে এগিয়ে যাবে।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর