রবিবার, জুলাই ৫, ২০২০
প্রকাশ : 2020-06-09

ত্যাগী সাবেক ছাত্রনেতা ডাঃ ফেরদৌসের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের নক্সা করে দেশের অফুরনিয় ক্ষতি করছি

৯জুন,মঙ্গলবার,নিউজ একাত্তর ডট কম: ডাঃ ফেরদৌস বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের নক্সা করেছে কিছু অতী উৎসাহি ও ক্ষমতা লোভী দুর্নীতিবাজ লোক।তারা নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারছে।স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেট এই অপ্রচার করার জন্য অনেক কিছু করেছে যা দেশ ও জাতির জন্য অশুভ সংকেত। তারা যে সব অপ্রচার করেছে তা নিজের স্বার্থে করেছে। তারা মনে করেছে ষড়যন্ত্রে করে বিশিষ্ট চিকিৎসক ও ৯০ দশকের মেধাবী ছাত্রনেতা ডাঃ ফেরদৌস খন্দকারকে সরিয়ে নিজেরা অনেক বড় ধরনের লাভবান হবে আর তিনি দেশ ত্যাগ করবে। কিন্তু দেশপ্রেমিক, মানবতার প্রতীক ডাঃ ফেরদৌস তাদের সেই ষড়যন্ত্র বুঝে যায় এবং এক এক করে তার উত্তর দিয়ে যায়।এমনকি তার আমলের আন্দোলন সংগ্রামের সব ছবি ও ভিপি- জিএসসের সব ডকুমেন্টস সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করে দাতভাঙা জবাব দিয়েছে। কারন তিনি চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের ৯১-৯২ সালের হেলাল-যোসেফ-ফয়সাল পরিষদের সদস্য ছিলেন আর মিছিলের অগ্রভাগে থাকতেন। সে সময় বিএনপি জামাতের বিরুদ্ধে রাজনীতি করা দুরুহ কাজ ছিল।সব কিছু প্রমান করে তিনি শুধু মেধাবী নয় আদর্শিক ছাত্রনেতা ছিলেন।তার আমলে সবাই ছাত্র রাজনীতি করতে পারত না অসম্ভব দুরদর্শিতার ও সাহস লাগত। ডাঃ ফেরদৌস সাহেবের কোন দোষ নাই।দোষ হল তার নামের সাথে খন্দকার আর বাড়ি কুমিল্লা।সে দোষ নিয়ে এক শ্রেণীর ধান্ধাবাজ লোক নিজের স্বার্থে গুজব ছড়িয়ে স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতি ঢাকতে এসব কাজ করেছে। কারন ডাঃ ফেরদৌস আসলে তাদের সব গোপন ফাঁস হয়ে যাবে।তারা দুর্নীতি করতে পারবেনা। আমেরিকার নিউইয়র্কে, নিউজার্সি,ফ্লোরিডায় অনেক সাবেক ছাত্রনেতার নিকট প্রশ্ন করেছি আর জানতে পেরেছি ডাঃ ফেরদৌস অসম্ভব মেধাবী ও দেশপ্রেমিক লোক।আমেরিকা জুড়ে তার যশ খ্যাতি।সব মিডিয়া তার নাম প্রচার করে আর তার সাক্ষাৎকার নেয়।তারা বলেন তার মত গুনী লোক খুব কম আছে। তোমরা দুর্ভাগ্য তাকে নিয়ে অপ্রচার করেছ।আমেরিকায় করোনা দুর্যোগের সময় তার ভুমিকা অতুলনীয় যা আজীবন এদেশের মানুষ স্মরণ করবে। দেশপ্রেম আর সাবেক ছাত্রনেতা হিসাবে নিজের বিবেকের তাড়নায় দেশের করোনা রোগীর জন্য এসেছে কিন্তু এন্টিবডি সার্টিফিকেট থাকার সত্ত্বেও আমরা তাকে বিমানবন্দরে প্রথমে হোমকোন্টায়মে পাঠিয়ে আর চিকিৎসার সামগ্রী আটকিয়ে রাখে যা অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা।শুধু আমেরিকা থেকে দেশে মানবতার সেবায় আসে তাকে যে হেনস্তা করেছে তা অত্যন্ত ক্ষতিকর ও অমানবিক কাজ।আর আমরা নিজেরা নিজের ক্ষতি করলাম।আর গুনীজনের অসম্মান করা মানে দেশের ক্ষতি করা।কিজন্য তাকে হোমকোন্টায়মে রাখে আর চিকিৎসা সামগ্রী আটকিয়ে রাখে তার প্রশ্ন সবাই জানে।তবুও বলব ডাঃ ফেরদৌস শুধু আমাদের দেশের সম্পদ না বিশ্বের সম্পদ।এই সম্পদকে কাজে লাগিয়ে দেশের ভঙ্গুর স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন আর মহাদুর্যোগের করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীদের সেবার করলে জাতি লাভবান হবে,আমরা জয়ী হব,মানুষের অশেষ কল্যাণ হবে। নিউইয়র্কে করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে দিনরাত লড়ে ক্লান্তি ভুলে দেশের টানে, মানুষের জন্য মানুষের কল্যাণে ডাঃ খন্দকার ফেরদৌস আসেন বিনা পয়সায় মানুষের সেবা দিতে।তাই আমরা তাকে ফুলে ফুলে ও করতালির মাধ্যমে অভিবাদন জানিয়ে গণসংবর্ধনা করবো,তা না তাকে ছোট করতে গিয়ে নিজেরাই ছোট আর ইতিহাসের খলনায়ক হয়েছি।সবকিছু ভুলে গিয়ে নিজেদের ভুলের ক্ষমাপ্রার্থী হয়ে বাঙালীর সম্পদ,আমাদের সন্তান ডাঃ ফেরদৌসকে গ্রহণ করা হবে উত্তম কাজ।তাহলে দেশ উপকৃত হবে,মানুষ সেবা পাবে। ন্যায় ও সত্য কখনো গোপন থাকেনা। একদিন না একদিন প্রকাশ পাবে।তা চিরন্তন মেনে আমাদের এগুতে হবে তার প্রমাণ ডাঃ ফেরদৌস। তার অতীত কর্মকাণ্ড গুলো বিশ্লেষণ করলে দেখতে পাবে তিনি ৯০ দশকে কত মেধাবী,ত্যাগী ও আদর্শিক ছাত্রনেতা ছিলেন।চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তার সমসাময়িক ডাক্তারেরা তার প্রমাণ। তিনি আমাদের আদর্শের প্রতিক ও ত্যাগের মহিমান্বিত উদ্ভাসিত হয়ে একটি নাম ডাঃ ফেরদৌস। তিনি আমাদের কাছে মানবতার প্রতীক রুপে আবির্ভূত হয়ে দেশের মানুষের কল্যাণে এগিয়ে যাবে এটা আমাদের প্রত্যাশা। জয় হোক মানবতার জয় হোক ডাঃ ফেরদৌসের। লেখক: তসলিম উদ্দিন রানা, সাবেক ছাত্রনেতা।

মুক্ত কলম পাতার আরো খবর