রবিবার, জুলাই ৫, ২০২০
প্রকাশ : 2020-06-12

৫০ হাজার কোটি টাকা ছাড়ালো ভর্তুকি-প্রণোদনা-নগদ ঋণ খাতের বরাদ্দ

১২জুন,শুক্রবার,সুমন মজুমদার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় বাজেটে প্রথমবারের মত ৫০ হাজার কোটি টাকা ছাড়ালো ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতের বরাদ্দ। ২০২০-২১ অর্থবছরে বাজেট প্রস্তাবনায় এ খাতে রাখা হয়েছে ৫২ হাজার ৮৩৮ কোটি টাকা। যা জিডিপির ১ দশমিক ৬৬ শতাংশ ও চলতি অর্থবছরের চেয়ে ৫ হাজার ৪০৫ কোটি টাকা বেশি। বিশেষ নজর দেয়া হয়েছে তথ্য-প্রযুক্তি ও এসএমই খাতে। বরাদ্দ ব্যয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও সুশাসন নিশ্চিত করাকেই বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। এবারের বাজেটে থোক বরাদ্দের ১৬ হাজার কোটি টাকার মধ্যে করোনা পরবর্তী ধাক্কা সামলাতেই ব্যয় করা হবে ১০ হাজার কোটি টাকা; ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প, সেবাখাত, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের মূলধন বিবেচনায় সুদ ভর্তুকি বাবদ সাড়ে ৩ হাজার, বিজেএমসি'র শ্রমিক কর্মচারীদের জন্য আড়াই হাজার ও আয়কর দাতার সংখ্যা বৃদ্ধিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জন্য রাখা হয়েছে বিশেষ বরাদ্দ। করোনায় টালমাটাল ব্যবসা-বাণিজ্য, ঝুঁকির মুখে উৎপাদন ব্যবস্থা, খাদ্য নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থান। তাই মন্দার কবলে ঝুঁকে পড়া অর্থনীতির পুর্নবাসনে এবারের বাজেটে বিশেষ উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। এরই অংশ, আগামী অর্থবছরের বাজেটে ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৫২ হাজার ৮৩৮ কোটি টাকা। যা চলতি অর্থবছরের চেয়ে ১১ দশমিক ৩৯ শতাংশ বেশি। প্রণোদনার ভাগবণ্টনে সবচেয়ে বেশি রাখা হয়েছে কৃষিতে, সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকা। এরপর রপ্তানিতে ৬ হাজার ৮২৮ কোটি ও রেমিটেন্সে ৩ হাজার ৬০ কোটি টাকা। প্রণোদনা ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাটাই চ্যালেঞ্জ জানালেন কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. সদরুল আমিন। এবার ৫শ কোটি টাকা কমানো হয়েছে বিদ্যুৎখাতের ভর্তুকি। তারপরও সর্বোচ্চ বরাদ্দ এ খাতেই, ৯ হাজার কোটি টাকা। এরপর গুরুত্ব পেয়েছে করোনা ভাইরাসের কারণে ঝুঁকিতে পড়া খাদ্যনিরাপত্তা। বিদ্যুৎখাতের ভর্তুকি নিয়ে প্রশ্ন তুলে এ খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পরামর্শ দিয়েছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. শামসুল আলম। এবার বাজেটে নগদ ঋণখাতে বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে ৬ হাজার কোটি টাকা। কর্মসংস্থান ও দক্ষতার উন্নয়নে তথ্য-প্রযুক্তিখাতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে.কোটি টাকা। যা আগের অর্থবছরের চেয়ে.কোটি টাকা বেশি/কম। বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে এসএমই খাতে। জিডিপি'র প্রায় ২৫ ভাগ যোগান দেয়া এই খাত পেয়েছে প্রস্তাবিত বাজেটের.শতাংশ। যাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন ব্যবসায়ী নেতারা। অথবা নগদ ঋণখাতে ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হলেও মোট জিডিপির প্রায় ২৫ ভাগ যোগান দেয়া এসএমই খাতের উন্নয়নে বিশেষ নজর দেয়া হয়নি এবারের বাজেটে।

অর্থনীতি পাতার আরো খবর