রবিবার, জুলাই ৫, ২০২০
প্রকাশ : 2020-06-30

এডভোকেট সুলতানুল কবির চৌধুরীর ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

৩০জুন,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দূর সময়ের কাণ্ডারি, ১৯৭৫ পর যারা বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের জন্যে সারা বাংলার যুব সমাজ কে জেগে উঠার জন্যে ডাক দিয়েছিল, নিজের জীবন বাজী রেখে তাদের মধ্যে অন্যতম। সিটি সুলতান বলে আখ্যায়িত করতেন স্বাধীন বাংলার জনগন। সময়ের সাহসী সৈনিক, সৎ, যোগ্য, বাংলাদেশ আওয়ামী যুব লীগের সাবেক ভার প্রাপ্ত চেয়ারম্যান, সাবেক সাংসদ, স্পষ্টবাদী, অন্যায় এর বিরুদ্ধে সবসময় প্রতিবাদকারী, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের এবং বঙ্গবন্ধু পরিবারের আস্থাবাজন নেতা, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক,দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি জননেতা এডভোকেট সুলাতান উল কবির চৌধুরী ভাইয়ের আজ ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী। তিনি চট্রগ্রাম মহানগর যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন।এছাড়া ছাত্রলীগের সভাপতি, সিটি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি,জিএস ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসাবে তিনি বিভিন্ন অপারেশন অংশগ্রহণ করে সন্মুখ যুদ্ধে করেছিলেন। তিনি বিএলএফ চট্রগ্রামের প্রধান এস এম ইউছুফের গ্রুপ কমান্ডার হিসাবে কাজ করেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে তার অবদান অতুলনীয়। ১৯৮৮ সালে চট্টগ্রাম লালদিঘীর জনসভায় জননেত্রী শেখ হাসিনার উপর গুলিবর্ষণ করেছিল সেসময়ে নেত্রীকে রক্ষায় যে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখেছিল তা অতুলনীয়।সেদিন অনেক নেতাকর্মী মৃত্যু হয়েছিল আর অনেকে পঙ্গু ও আহত হয়েছিল। তার স্মৃতি চারন করে সাবেক ছাত্রনেতা ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপ-কমিটির সদস্য তসলিম উদ্দিন রানা বলেন -সুলতান ভাইয়ের বাসায় নিয়মিত যাওয়ার সুবাধে তিনি মুক্তিযুদ্ধের অনেক স্মৃতিচারন করতেন আমাদের সাথে। তার মত আদর্শিক ও ত্যাগী নেতা আজকের দিনে দুর্লভ।তিনি অসম্ভব সাহসী ও মেধাবী রাজনীতিবিদ ছিলেন।যখন দলের দুঃসময় তখন সুলতান ভাই বীরের মত যুদ্ধ করে দলকে টিকিয়ে রেখেছিল।৭৫ এর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু হত্যার পর যে কজন নেতা রাজনীতির জন্য কাজ করেছে তার মধ্যে অন্যতম প্রিয় নেতা সুলতান ভাই। হে মহান বীর যোদ্ধা ভুলিনি তোমাই ভুলবো না আমরা, তুমি রবে আমাদের মনে চিরকাল অনন্তকাল।আল্লাহ আপনাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন আমিন।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর