প্রকাশ : 2020-09-28

শেখ হাসিনার নেতৃত্বের দৃঢ়তায় বিস্ময়কর অগ্রগতি

২৮সেপ্টেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নেতৃত্বের দৃঢ়তায় বিশ্বের নারী সরকার প্রধানদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চার মেয়াদে প্রায় ১৭ বছরে তিনি দেশকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বের পরশ পাথরের স্পর্শে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশ। আর অভিষ্ঠ যাত্রা উন্নত দেশের পথে। তিনি অর্থনীতি ও সামাজিক সব সূচকেই এগিয়ে নিয়েছেন দেশকে। বহু পুরস্কার ও স্বীকৃতি মিলেছে। শুধু দেশকেই নয় বিশ্বকেও পথ দেখাচ্ছেন তিনি। জন্মদিনে দেশবাসী ও বিশ্বনেতাদের শুভেচ্ছায় সিক্ত শেখ হাসিনা। নেতৃত্ব গুণ তাঁর রক্তেই। জাতির পিতার কন্যা তিনি। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আন্দোলন-সংগ্রামে ভীত কাঁপে সামরিক-স্বৈরাচারের। গণতন্ত্রকে মুক্ত করে উন্নয়নের পথে যাত্রা। প্রায় ১৭ বছর ক্ষমতায়- এর মধ্যে টানা তিন মেয়াদ। পেছনে ফেলেছেন মার্গারেট থ্যাচার, ইন্দিরা গান্ধী, চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গাদের। এই সময়ে বিস্ময়কর অগ্রগতি। কি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কি সামাজিক উন্নয়ন- যে কোনো সূচকেই বাংলাদেশ অগ্রগামী। সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যের পর এবার টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য। দারিদ্রের হার অর্ধেকে নেমে এসেছে, মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যুর হার কমেছে, শিক্ষার হার ও বয়স্ক শিক্ষার হার বেড়েছে। মাথাপিছু আয়েও দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় সব দেশকেই ছাড়িয়ে যাওয়ার পথে। জাতির পিতার দেখানো স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হাজারো ষড়যন্ত্রের পর পদ্মার বুকে সেতু হচ্ছে। মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট, রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেট্রোরেল, একশটি অর্থনৈতিক অঞ্চল- উন্নয়নের এই ছবি বঙ্গবন্ধু কন্যাই-তো একেছেন। এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু এমপি বলেন, শেখ হাসিনার জন্ম না হলে বঙ্গবন্ধুর সেই সোনার বাংলা, বিনির্মাণের কাজ বাঙালী জাতি চোখে দেখতো না। জাতির জনকের সুযোগ্য কন্যা চার চারবার নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার শুভ জন্মদিন। তাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও প্রাণঢালা অভিনন্দন। আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুধু বাংলাদেশের নেতা নন, তিনি বিশ্বের একজন মর্যাদাশীল নেতা। তিনি জাতির পিতার মত জাতিসংঘে বাংলায় বক্তৃতা করেন। তিনি সব সময় বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অনুস্মরণ করেন। শেখ হাসিনার শুভ জন্মদিনে তার জন্য অনেক দোয়া করি তিনি যেনো সফল হন। শেখ হাসিনার নেতৃত্ব গুণে সমুদ্র সীমা জয় করে মিয়ানমারের কাছ থেকে ১ লাখ ১১ হাজার বর্গ কিলোমিটার এবং ভারতের কাছ থেকে ১৯ হাজার ৪শ ৬৭ বর্গ কিলোমিটার এলাকা পায় বাংলাদেশ। বিপুল সমুদ্র সম্পদ এগিয়ে নেবে দেশের অর্থনীতিকে। ভারতের সাথে স্থল সীমানা চুক্তি করে সীমান্ত বিরোধের অবসান, ছিটমহল সমস্যা মিটলো, দেশহীন ৫১ হাজার মানুষকে পরিচয় দিলেন শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনার হাত ধরেই এরকম বহু অর্জন। স্বীকৃতি ও বহু পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। গ্লোবাল উইমেনস লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড, জাতি সংঘের সাউথ সাউথ অ্যাওয়ার্ড, চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ, এমডিজি অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড, ট্রি অব পিস, ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পুরস্কারের মতো কয়েকশ পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন শেখ হাসিনা। মিয়ানমার সরকারের-নীপিড়ন-নির্যাতনের চাপে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিলেন, বুকে টেনে নিলেন তাদের। তাইতো বিশ্বের কাছে তিনি মাদার অব হিউম্যানিটি।- একুশে টেলিভিশন