প্রকাশ : 2020-09-28

চুয়াত্তরে পা রাখলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা

২৮সেপ্টেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চুয়াত্তর বছরে পা রাখলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুভ জন্মদিন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। এক বুক শোক চেপে বাংলার মানুষকেই আপন করেছেন শেখ হাসিনা। ভোট-ভাতের লড়াইয়ে বন্দি গণতন্ত্রকে মুক্ত করেছেন। বার বার হত্যার চেষ্টা হয়েছে, ভয় পাননি। শেখ হাসিনার হাত ধরেই উন্নয়নের পথে হাঁটছে বাংলাদেশ। রাষ্ট্রনেতা থেকে তিনি এখন বিশ্বনেতা। গোপালগঞ্জের মধুমতিপাড়ের টুঙ্গিপাড়ায় ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর জন্ম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুননেসা মুজিবের বড় মেয়ে শেখ হাসিনার। সবার আদরের হাসু বাবাকে খুব বেশি কাছে পাননি। বাবা দেশের জন্য বেশিরভাগ সময়ই থাকতেন জেলে। আজিমপুর গার্লস স্কুল শেষ করে ইডেন কলেজ, পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ চত্বর। পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের উত্তাল সময়ে শেখ হাসিনাও থাকতেন মিছিলের সামনে। কলেজ শাখা ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য নাসরিন আহমাদ বলেন, শেখ হাসিনা যে পরিবারের মেয়ে তাতে তো অবশ্যই, না চাইলেও রাজনীতি তার রক্তের ভেতরে। যেখানে বাবাকে দেখেছেন এই বাংলার মানুষের জন্য, এই বাংলার মানুষের দাবিদাওয়ার জন্য, তাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য তিনি থেকে থেকে খালি জেলেই যাচ্ছেন, থেকে থেকে তিনি নেই হয়ে যাচ্ছেন। সেই পরিবেশে না চাইলেও একজনের মধ্যে কিন্তু ওই ভাবধারা জন্ম নেয়। দেশ স্বাধীন হলো। ষড়যন্ত্রের মুখে দাঁড়িয়ে দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে কাজ করছেন জাতির পিতা। হঠাৎ পঁচাত্তরের কাল রাতে ঘাতকের বুলেটে রক্তাক্ত ৩২ নম্বর। ছোটবোন শেখ রেহানাকে নিয়ে বিদেশে থাকায় প্রাণে বাঁচেন তাঁরা দুজন। নির্বাসিত জীবন। বাবা, মা, ভাইদের বিচার চাইতে পারেননি। ১৯৮১ সালে পা রাখলেন দেশের মাটিতে। দাঁড়িয়ে ছিলেন স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে। ভোট-ভাতের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে বার বার কারাবরণ করেছেন। জঙ্গিদের বোমা-গ্রেনেড-বুলেট পিছু ছাড়েনি। বন্দী গণতন্ত্রকে মুক্ত করে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক দর্শনে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন- উন্নত বাংলাদেশ। টানা ৩ মেয়াদে শেখ হাসিনার হাত ধরেই উন্নয়নযাত্রা। বিশ্বের কাছে সব সূচকেই বাংলাদেশ এখন মডেল। শেখ হাসিনার চাচা শেখ কবির হোসেন বলেন, সে কিন্তু বাংলাদেশের সব মানুষের সঙ্গে মাতৃসুলভ আচরণ করেন এবং তার কর্মীদের সঙ্গেও কিন্তু তিনি মাতৃসুলভ আচরণ করেন। কর্মীদেরকে মা হিসেবেই তিনি দেখেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য নাসরিন আহমাদ বলেন, আমরা অত্যন্ত গর্ব ভরে দেখছি যে বঙ্গবন্ধুর যে কাজগুলো তিনি সমাপ্ত করে যেতে পারেননি, সেই কাজগুলো আজকে তাঁর বড় কন্যা শেখ হাসিনাই করে যাচ্ছেন। পিতার নেত্বত্বের সম্মোহনী শক্তি কন্যা শেখ হাসিনার মাঝে। তাই তো বিশ্বনেতায় পরিণত হয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।