শুক্রবার, এপ্রিল ২৭, ২০১৮
প্রকাশ : 2018-04-02

সেঞ্চুরি হ্যাটট্রিক নিয়ে শীর্ষে আশরাফুল

ঢাকা প্রিমিয়ার লীগে টানা তিন ম্যাচে সেঞ্চুরি পেলেন মোহাম্মদ আশরাফুল। আসরে চার সেঞ্চুরি করে আগেই ইতিহাসে নিজের নাম লিখে ফেলেছিলেন আশরাফুল। যার দুটি ছিল গত দুই ম্যাচে। ২০শে মার্চ মোহামেডানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু। বৃহস্পতিবার অগ্রণী ব্যাংকের বিপক্ষে টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরির পর রোববার ব্রাদার্সের বিপক্ষে সেঞ্চুরির হ্যাটট্রিক পেয়ে গেলেন তিনি। লিস্ট এতে এক লীগে বাংলাদেশের কোনো ব্যাটসম্যানের তিন সেঞ্চুরির রেকর্ডই ছিল না। এবার প্রথম পর্বে দশ খেলায় অংশ নিয়ে তিন শতক হাকিয়ে সেই দুর্লভ রেকর্ড বা কৃতিত্বের অংশীদার হন মোহাম্মদ আশরাফুল। তবে আশরাফুলের রেকর্ডের দিনে নায়ক বনে গেছেন ব্রাদার্সের ওপেনার মিজানুর রহমান। রোববার মিজানুরের ঝড়ো সেঞ্চুরিতে ছয় উইকেটে জয় কুড়ায় ব্রাদার্স ইউনিয়ন। রেলিগেশন লীগে কলাবাগানের শেষ ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করতে নামা আশরাফুল ৫০ এ পা রাখেন চার বাউন্ডারিতে ১০২ বলে। আর তার শত রান পূর্ণ হয় দশ চারে ১৩৭ বল থেকে। শেষ ৫০ রান করতে আশরাফুল খেলেন মাত্র ৩৫ বল। আশরাফুলের অপরাজিত সেঞ্চুরি ও ওয়ালিল করিমের হাফ সেঞ্চুরির ওপর ভর করে শেষ পর্যন্ত তিন উইকেটে ২৫২ রান সংগ্রহ করে কলাবাগান। লীগে সেঞ্চুরিতে তিনিই শীর্ষে। তিন সেঞ্চুরি করে আশরাফুলের পেছনে জাতীয় ক্রিকেট দলের লিটন দাস ও নাজমুল হোসেন শান্ত। তার পাঁচ সেঞ্চুরির দুটিই অগ্রণী ব্যাংকের বিপক্ষে। ব্রাদার্স ছাড়াও বাকি দুটি মোহামেডান ও প্রাইম দোলেশ্বরের বিপক্ষে। কলাবাগান সাবধানী শুরু করলেও ব্রাদার্সের শুরুটা ছিল ঠিক উল্টো। প্রথম দশ ওভারে কলাবাগানের সংগ্রহ যেখানে ছিল ৩৪, সেখানে ব্রাদার্সের দুই ওপেনার জুনায়েদ সিদ্দিকী ও মিজানুর রহমান তুলে ফেলেন ৬৭ রান। মিজানুরই ছিলেন বেশি আগ্রাসী। ৬৯ রানে যখন জুনায়েদ ফিরে যান তখন তার সংগ্রহ ছিল মাত্র ১৬। ৪৩ বলে ফিফটি করা মিজানুর এদিন সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন মাত্র ৮৫ বলে। ১১৫ রান করে মিজানুর যখন আউট হন তখন ব্রাদার্সের সংগ্রহ ১৭৮। ১০৪ বলের ইনিংসে ১১টি বাউন্ডারি ও পাঁচটি ছক্কা হাঁকান মিজানুর। সেখান থেকে কলাবাগানের ম্যাচে ফেরার যতটুকু আশা ছিল তাও শেষ করে দেন ইয়াসির আলী ও নাজমুস সাদাত। পঞ্চম উইকেটে দুজনের ৭৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি ৫.৩ বল বাকি থাকতেই ব্রাদার্সের জয় নিশ্চিত হয়। ঘরোয়া লিস্ট এ আসর চলতি ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লীগে সফল ব্যাটসম্যানের তালিকায় শীর্ষে উঠে এলেন মোহাম্মদ আশরাফুল। আসরের ১৩ ইনিংসে আশরাফুলের সংগ্রহ দাঁড়ালো ৬৬৫ রানে। ১৪ ম্যাচে ৬৬০ রান নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন আবাহনী লিমিটেডের ওপেনার এনামুল হক বিজয়।

খেলাধূলা পাতার আরো খবর